বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন একটা ঘটনা লেখা হইলো । করোনা ভাইরাসে সারা পৃথিবী + সারা দেশ যখন আক্রান্ত তখন আমাদের দেশে 21/3/2020 সালে উপনির্বাচন হলো এবং এই দিনে একজন করোনা রুগী মারা গেলো।
-----------------------
A new event has been written in the history of Bangladesh. When the corona virus was infected all over the world + in the country, there was by-election in our country on 21/3/2020 and on this day one corona patient died.

#ঢাকায়_স্কুলে_পড়ানো_হচ্ছে_জাতির_পিতা_মহাত্মা_গান্ধী_জাতীয়_পাখি_ময়ূর!
দৈনিক যুগান্তরের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এই পোস্টটা দেখে প্রথমে আতকে উঠি। লিংক- https://www.jugantor.com/national/255167/ঢাকায়-স্কুলে-পড়ানো-হচ্ছে-জাতির-পিতা-মহাত্মা-গান্ধী-জাতীয়-পাখি-ময়ূর?fbclid=IwAR3OgrMbmDlBJZ4g780-RkkhTq8KIgkjOJgULA_psy6JL3x32vJQyYg4Tk4 /> ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৫৫ | অনলাইন সংস্করণ
‘বিদেশি সংস্কৃতির চর্চা ও অশ্লীল পাঠ্যপুস্তক পড়ানোর’ অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর উত্তরার ডিপিএস-এসটিএস ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে।
আর সেসব অভিযোগের ভিত্তিতে স্কুলটির অধ্যক্ষ হার্ষ ওয়ালকে তলব করেছেন হাইকোর্ট।
অভিযোগ রয়েছে, ডিপিএস-এসটিএস ইংলিশ মিডিয়াম নামক স্কুলটিতে ভারতের জাতীয় সংগীত জন গণ মন, জাতীয় ফল আম, জাতীয় পশু বাঘ, জাতীয় ফুল পদ্ম, জাতীয় পাখি ময়ূর, জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী শেখানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
শুধুই তাই নয়; স্কুলটির অষ্টম শ্রেণিতে ‘The Perks of Being a Wallflower’ বইয়ে অপ্রকাশযোগ্য অশ্লীলতার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান দেয়া হচ্ছে।
এ ছাড়া ওই স্কুলের শিক্ষকরা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ভারতের বিভিন্ন উৎসব, জাতীয় দিবস, বিভিন্ন প্রদেশের নাম ও রাজধানীর নাম, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের নাম শেখাচ্ছেন।
এমন সব গুরুতর অভিযোগ এনে ব্যারিস্টার অনিক আর হক, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, শফিউল আযমসহ ১৫ অভিভাবকের পক্ষে গত ১৩ নভেম্বর স্কুলের অধ্যক্ষকে আদালত অবমাননার নোটিশ দেন। কিন্তু সে নোটিশের কোনো তোয়াক্কাই করেননি অধ্যক্ষ হর্ষওয়াল।
নোটিশের জবাব না পেয়ে আদালত অবমাননার মামলা করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক।
সেই মামলার শুনানিতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হর্ষওয়ালকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৩ জানুয়ারি তাকে সশরীরে হাজির হয়ে এসব বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে ওই স্কুলে দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা না করায় তার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার দায়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার অনিক আর হক। অন্যদিকে ডিপিএস-এসটিএস স্কুলের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ওমর সাদাত।
শুনানি শেষ মামলার বাদী অনিক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের রায় অমান্য করে উত্তরার ডিপিএস-এসটিএস ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভারতীয় সংস্কৃতি চর্চা ও ভারতীয় বিভিন্ন দিবস, ব্যক্তি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। এ ছাড়া স্কুলটির অষ্টম শ্রেণিতে ‘The Perks of Being a Wallflower’ বইয়ে অপ্রকাশযোগ্য অশ্লীলতার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে যাচ্ছেন।
সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে আগামী ১৩ জানুয়ারি অভিযুক্ত অধ্যক্ষকে তলব করেছেন আদালত।

কয়েক মাস ধরেই ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন বিল ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে যে বিতর্ক চলছিল, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও কূটনীতিকেরা। পরিস্থিতি নিয়ে তাদের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছিল। চলতি সপ্তাহে ভারতের পার্লামেন্টে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ন ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে সংখ্যালঘুদের অত্যাচার বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য নিয়ে দেশের জনগণের মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনীতিকদের না শোনার কথা নয়।

চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) থেকে বাদ পড়েছেন আসামের ১৯ লাখ মানুষ।কৌশলগতভাবে ভারতের ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জন্য গুরুত্বপূর্ণ উত্তর –পূর্বাঞ্চলের রাজ্যটিতে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা প্রায়ই এনআরসি থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের বের করে দেওয়ার কথা বলছেন। জনসমক্ষে তাদের বক্তৃতায় সাধারণত স্পষ্ট করে কোনো দেশের নাগরিকদের বের করে দেওয়া হবে বলা না হলেও ধারণা করা হয় বের করে দেওয়া লোকজনে গন্তব্য হবে বাংলাদেশ।

গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে এনআরসির বিষয়টি উঠে আসে। ওই বৈঠকের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব শহীদুল হক বলেন, নয়াদিল্লির প্রতিশ্রুতিতে ঢাকা আশ্বস্ত হয়েছে। দিল্লি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে এনআরসি তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এ নিয়ে কী ঘটছে, তার ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকবে।

ভারতের গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্ককে ‘সোনালি অধ্যায়’ হিসেবে নেতারা বর্ণনা করলেও ভারতীয় পার্লামেন্টে নাগরিকত্ব সংশোধন বিল নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ঢাকার পক্ষ থেকে অস্বস্তি আরো বাড়বে-এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। রাজ্য সভায় ওই বিল পাস করার আগেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ভারতের লোকসভায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে অমিত শাহের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছে না। বরং তারা শান্তি এবং সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করছেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারত যা বলছে তা সত্য নয়। বিশ্বের খুব কম দেশই আছে, যেখানে বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিদ্যমান। আমাদের কোনো সংখ্যালঘু নেই। আমরা সবাই সমান। তিনি যদি বাংলাদেশে কিছুদিন থাকেন, তিনি এখানকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ দেখতে পাবেন।’

মোমেন বলেন, ‘ভারতের নিজেরই অনেক সমস্যা বিদ্যমান। বন্ধুদেশ হিসেবে আমরা আশা করি, ভারত এমন কিছু করবে না যাতে বন্ধুত্বের সম্পর্ক নষ্ট হয়।.

বিল পার্লামেন্টে আসার আগে ভারতে বাংলাদেশের বিদায়ী হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বলেন, ‘ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে আমাদের নিয়ে সমালোচনা হয়। কিন্তু আমি বলতে পারি, বাংলাদেশের মানুষ সমুদ্র সাঁতরে ইতালিতে যাবে, তবু ভারতে আসবে না। যেসব দেশে বাংলাদেশের মানুষ ভালো আয় করতে পারবে, সেখানে যাবে কিন্তু ভারতের মতো কম আয়ের দেশে আসবে না।’

বিদায়ী হাইকমিশনার ভারতের তাঁর বিদায় অনুষ্ঠানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, এ অঞ্চলে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অন্যদের তুলনায় ভালো। এ বছর ৮ থেকে ৮.১ শতাংশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে বাংলাদেশ। ২০২০ সাল নাগাদ ভারতকেও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের একজন জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করে বলেন, ভারতের এসব অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে ভারতের নেতাদের কথাবার্তা ও তাড়ানোর ভয় বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারের সময় তাদের আচরণ মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে বলেই তারা উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তাদের কী জবাব দেবেন?

নাম প্রকাশ না করে আরেক কূটনীতিক বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাংলাদেশ। ভারতের মতো একজন বন্ধু এনআরসি নিয়ে এভাবে কেন আচরণ করছে, তা বোধগম্য নয়।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ভারতের সঙ্গে উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোয় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে এখনো উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি না হলেও সমুদ্রসীমা ও সীমান্ত সমস্যা সফলভাবে সমাধান হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, নাগরিকত্ব সংশোধন বিল এবং এনআরসি থেকে তৈরি বিতর্কিত নানা উপাদান বা এগুলো ঘিরে তৈরি হওয়া উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় অনেক ভালো কাজকে ভেস্তে দিতে পারে। প্রথম আলোর সৌজন্যে।

আজ সকাল ৬:১৫ মিনিটে খুলনা ফেরিঘাট মোড়ে, এর পুরাতন কাপড়ের মার্কেট পুড়ে শেষ

জাপান সরকার ভবনটি ভেঙে ফেলার পরিবর্তে, রাস্তাটি খোলার জন্য দুটি তলা রাস্তার ব্যবহারের জন্য ভাড়া নিয়েছেন, বিল্ডিংয়ের মালিক থেকে।

©কালেক্টেড

ভিন্ন খবর :শিরোণামঃ ওমায়ের আহমেদ শাওন -এর প্রেম করার কৌশল
সংযোজিত উপন্যাস "আঁধার পরস্পর"।
আগামী ২০২০ একুশে বইমেলায় আসছে ওমায়ের
আহমেদ শাওন রচিত একটি সামাজিক, রোমাঞ্চকর কমেডি
উপন্যাস " আঁধার পরস্পর"। যা একবার হারিয়ে যায় তা আর
আগের মতো হয়ে ফিরে আসতে পারেনা। কখনো
দু'জনের একে-অপরের প্রতি গভীর ভালোবাসা
থাকলেও সে ভালোবাসা স্বার্থক হয়ে ওঠেনা। দু'জনের
জীবনে যে নিরঙ্কুশ শুন্যতার কালো আঁধারে ঢেকে
যায়; তা পরস্পরের মাঝেই অদৃশ্য এক বাস্তবতার দেয়াল সৃষ্টি
করে দেয়। মন থেকে চাইলেও অনেক কিছু জীবনে
সম্ভবপর হয়না। কেন হয়না? তা জানতে এবং কিভাবে প্রেম
করা যায়, কিভাবে ভালোবাসা যাচাই করা যায়? সেসব জানতে
আগামী গ্রন্থমেলায় বইটি পড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন
লেখক।
লেখকের আরো কিছু প্রকাশিতব্য রচনাবলীঃ উপন্যাস- রূপ-
রূপান্তর, নিশ্চুপ কান্নার শব্দ, তবুও জল। কাব্যগ্রন্থ- প্রেম
বিষয়ক, পিংকিকে অনুভব, সম্পূরক। প্রবন্ধ গ্রন্থ- উচ্চাসন
প্রেম। ছোটগল্প গ্রন্থ- বৃন্তচ্যুত।

ভারতের উত্তরপ্রদেশে শীতে গরুকে জ্যাকেট দিবে প্রশাসন
------------
শীতে গরুর যেন কষ্ট পেতে না হয়, তাই নতুন এক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের বিজেপি শাসিত অযোধ্যা পৌরসভা। খামারের গরুগুলোকে শীতে জ্যাকেট পরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
কলকাতা ট্রিবিউন বলছে, গরুর এ জ্যাকেট পাটের তৈরি হবে এবং প্রতিটির দাম পড়বে ২৫০-৩০০ টাকা। প্রথম দফায় ১০০টি জ্যাকেট তৈরি করা হচ্ছে এবং চলতি নভেম্বরের মধ্যেই জ্যাকেটগুলো প্রশাসনের হাতে এসে পৌঁছবে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই জ্যাকেট কিনতে পারবেন খামারিরা।
এ বিষয়ে অযোধ্যা নগর নিগমের কমিশনার নীরজ শুক্লা বলেন, আমরা গরুর জন্য জ্যাকেট কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। প্রাথমিকভাবে গরুর বাছুরের জন্য ১০০টি জ্যাকেট কেনা হচ্ছে। বাকি জ্যাকেট পরে আরও কেনা হবে। তিনি বলেন, তিন থেকে চারটি পর্যায়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
বৈশিংপুর খামারে গবাদিপশুগুলোকে জ্যাকেট পরানো দিয়ে প্রকল্প শুরু হবে। ওই খামারে ৭০০ ষাঁড়সহ প্রায় ১২০০ গবাদিপশু আছে। কেমন হবে সেসব জ্যাকেট? গরুদের শীত মানবে তো! এমন প্রশ্ন এখন খামারিদের মুখে।
এ বিষয়ে অযোধ্যা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ বলছে, বাছুরদের জন্য যে জ্যাকেট তৈরি হচ্ছে তাতে তিনটি স্তর থাকবে। শেষ স্তরে পাটের পরিবর্তে অন্য কোনো গরম মোলায়েম কাপড় ব্যবহার কর হবে। তবে গরু ও ষাঁড়ের জন্য তৈরি জ্যাকেটের নকশাও সম্পূর্ণ আলাদা।
ষাঁড়ের জ্যাকেট শুধু পাটের তৈরি হবে। তবে গরুর জ্যাকেটে দুটি স্তর থাকবে যেখানে কাপড় ব্যবহৃত হবে। গরুর পরিষেবা দিতে অযোধ্যা পৌরসভা কর্তৃপক্ষের এমন পরিকল্পনাকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের জন্য দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

ব্রাজিলকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতিশোধ
স্পোর্টস ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৯, ১:২১ এএম



সবশেষ কোপা আমেরিকায় ব্রাজিলের কাছে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের চরম প্রতিশোধ নিলো মেসিরা। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারাল আর্জেন্টিনা।
সউদী আরবের কিং সউদ স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে মুখোমুখি হয় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। সুপার ক্লাসিকোর এ ম্যাচে আলবিসেলেস্তেরা জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরা লিওনেল মেসি। হাইভোল্টেজ ম্যাচের নয় মিনিটের মাথায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নেয়ার দায়িত্ব পান গ্যাব্রিয়েল জেসুস। কিন্তু গোল পোস্টের বাইরে শট করে বসেন তিনি। দারুণ সুযোগ হাত ছাড়ার যন্ত্রণায় পুড়তে হয় ব্রাজিল ভক্তদের।
তিন মিনিট পর আর্জেন্টিনার সামনেও আসে একই সুযোগ। জেসুসের মতো পেনাল্টি থেকে গোল করার দায়িত্ব পড়ে মেসির কাঁধে। মেসির নেয়া সেই শট ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। কিন্তু ফিরতি শটে দলকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। বেশ কয়েক বার সুযোগ এসেছিল ব্রাজিলের সামনে। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি সেলেসাওরা। দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মেসিরাও সুযোগ পায় বেশ কয়েকটি। শেষ পর্যন্ত আর গোলের দেখা না পেলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতা.........

31-Mar-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 9367+)
প্রশ্নঃ মহামারি সময় ও মহামারির শেষ হওয়ার পরে সাধারণত ভয়াবহ দূর্ভিক্ষ দেখা দেয়, তাই কৃষি ক্ষেত্রে সহ সকল ক্ষেত্রের উৎপাদন বৃদ্ধি ও ত্বরান্বিত করে মহামারির ক্ষতি পুশিয়ে নিতে হয়। বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে জন্ম নিচ্ছে ৭ হাজার নতুন মুখ, বছরে বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রায় ২৫ লাখ লোক। ছোট এই দেশে কৃষি জমির চেয়ে জনসংখ্যা অনেক বেশি। বাড়ির আসে পাশের খালি জায়গাসহ মাঠের সকল জমিতে যেখানে যে ফসল উৎপাদন করা যায়, সেখানে সে ফসল উৎপাদন করে কৃষি জমির সর্বাত্মক ব্যবহার করতে হবে। কোন ধান সাধারণত বর্ষাকালে জন্মে?
(A) আউশ ধান
(B) বোরো ধান
(C) কোনটিই নয়