জামিয়াতুত তারবিয়াহ-কলাতিয়ায়
নির্মিত হচ্ছে বাবরী মসজিদ:
ভিত্তি রাখছেন আল্লামা আহমদ শফী
——————————————
মুঘল সম্রাট বাবরের আদেশে ১৫২৮-২৯ মোতাবেক ৯৩৫ হিজরীবর্ষে ভারতের উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ জেলার অযোধ্যা শহরে নির্মিত হয় ঐতিহাসিক বাবরী মসজিদ । মসজিদ নির্মাণের কয়েক শত বছর পর উগ্রবাদী হিন্দুরা তাদের ধর্মের কল্পিত অবতার রামচন্দ্রের জন্মভূমির ভূয়া দাবি তুলে বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং ১৯৯২ সালে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় প্রায় পাঁচশত বছরের প্রাচীন মসজিদটিকে শহীদ করে দেয় । বাবরী মসজিদের শাহাদাত বিশ্ব মুসলিমের হৃদয়ে জ্বালিয়ে দেয় চেতনার বহ্নীশিখা। বাংলাদেশে ঘটে তার সর্ববৃহৎ বিস্ফোরণ। শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হকের নেতৃত্বে বাবরী মসজিদ লংমার্চের মাধ্যমে পরিচালিত হয় স্মরণকালের বৃহত্তর আন্দোলন।সে আন্দোলন বাবরী মসজিদ রক্ষায় বিশ্বজনমত গঠনে রাখে বিশাল ভূমিকা। কিন্তু বিশ্বজনমত, ন্যায়-নীতিবোধ এমন কি ন্যূনতম যুক্তিরও কোনো তোয়াক্কা না করে ভারতের সুপ্রীমকোর্ট বাবরী মসজিদকে তার যথাস্থানে হতে বিলুপ্তির নির্দেশ দেয় । ইতিহাসের কলংকজনক এ রায় শান্তিকামী বিশ্ববাসীর মনে ঘৃণার জন্ম দেয়।আর মুসলমানদের হৃদয়ে জ্বালিয়ে দেয় ক্ষোভের আগুন। তারা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি এমন নির্লজ্জ প্রহসন। সহ্য করতে পারেনি আল্লাহর ঘর পবিত্র মসজিদের এমন নির্মম শাহাদাত। মুসলিম হৃদয়ে হৃদয়ে উচ্চারিত হয় শপথের বাণী-
হাজার বছর পর হলেও আমরা বাবরী মসজিদ পুন:উদ্ধার করব !
মুক্ত করব আমাদের পাঁচশত বছরের পবিত্র সিজদাহগাহ!
বাবরী মসজিদের গম্বুজ থেকে আবার ধ্বনিত হবে আযানের সুমধুর সূর !

বাবরী মসজিদের রক্তস্নাত ইতিহাস ও বাবরী মসজিদ রক্ষায় শায়খুল হাদীস রহিমাহুল্লাহর ঈমানী আন্দোলনের চেতনাকে জাগরুক রাখতে জামিয়াতুত তারবিয়াহ-কলাতিয়া ক্যাম্পাসে “বাবরী মসজিদ” নামে একটি সুবৃহৎ মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। আধুনিক নান্দনিকতার সাথে বাবরী মসজিদের আদলে প্রাচীন গম্বুজের মিশেলে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটির স্থাপত্য নকশা, যা দর্শককে মনে করিয়ে দিবে বাবরী মসজিদের ইতিহাস আর আগামী প্রজন্মের হৃদয়ে জাগিয়ে তুলবে চেতনার মশাল!

তিন বিঘা জমির উপর নির্মিতব্য ইতিহাসের স্মারক এ মসজিদটির জমি ক্রয় ও নির্মাণব্যয় নির্বাহে ৩১৩ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে । ১ লক্ষ টাকা প্রদান স্বাপেক্ষে আপনিও পারেন বরকত পরশিত ৩১৩-এর একজন সৌভাগ্যবান সদস্য হতে ।

আগামী ২৬ শে ফেব্রুয়ারী’২০ বুধবার বাবরী মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী হাফিজাহুল্লাহ।

----আল্লামা মামুনুল হক সাহেবের পেজ থেকে সংগৃহীত----

♦♦.....Please Read....♦♦

#মাজলুম_কাকে_বলে? #আখিরাতে_জুলুমের_পরিণতি_কি?
▬🌀🌀🌀▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রশ্ন: মজলুম কাকে বলে?যেমন: আমাকে কেউ একজন অন্যায়ভাবে গালি দিয়ে কষ্ট দিলো। আমি এতে কষ্ট পেয়ে কাঁদলাম। এখন আমি কি মজলুম হয়ে গেলাম? মজলুমের বদ দুয়া আর আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না-এ কথা কি ঠিক? আর সে যদি মাফ না চায় আর আমি যদি তাকে নিজ থেকে মাফ না করি তাহলে কি আমার গুনাহ হবে?

#উত্তর:
কারো প্রতি অন্যায় আচরণ করাকেই জুলুম বলা হয়। যে অন্যায় করল সে জালিম (অত্যাচারী) আর যার উপর অন্যায় করা হল সে মাজলুম (অত্যাচারিত)।

🌀 জুলুমের উদাহরণ:
অন্যায়ভাবে আঘাত করা, রক্তপাত ঘটানো, সম্পদ লুণ্ঠন করা, অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ন্যায় বিচার না করা, গালি দেয়া, অপবাদ দেয়া, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, গিবত বা অসাক্ষাতে দোষত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করা বা অন্য কোনো উপায়ে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি। এগুলো সবই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।

🌀 জুলুমের পরিণতি:

◼ মাজলুমের বদদুআ আর আল্লাহর মাঝে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা মাজলুমের দুআ সরাসরি কবুল করেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছেে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ
“মাজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাক। কারণ তার বদদোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা নেই।।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

◼ আখিরাতে জুলুমের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সে দিন মানুষের অন্যায়-জুলুম-অবিচারগুলো অন্ধকার রূপ ধারণ করে সামনে এসে হাজির হবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
اتَّقُوا الظُّلْمَ ، فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
“তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কেননা জুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকার রূপ নিয়ে হাজির হবে।” (সহীহ মুসলিম)
◼ সবচেয়ে মহান ন্যায় বিচারক মহান আল্লাহ সে দিন বিচারের কাঠ গড়ায় জালিমদের বিচার করবেন। তিনি মাজলুমের পক্ষে রায় দিবেন। তিনি জালিমের নেকি কর্তন করে মাজলুমকে দান করবেন আর মাজলুমের গুনাহ জালিমের উপর চাপিয়ে দিবেন। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। আমীন।

🌀 ক্ষমা ও সমঝোতা উত্তম:

যদি দুনিয়াতেই একে অপরের সাথে সমঝোতা করে নেয়, ক্ষমা চায় অথবা মাজলুম ব্যক্তি নিজের পক্ষ থেকে জালিমকে ক্ষমা করে দেয় তাহলে তা নি:সন্দেহে উত্তম। এ জন্য সে আখিরাতে প্রতিদান পাবে।
▪ আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِن تَعْفُوا وَتَصْفَحُوا وَتَغْفِرُوا فَإِنَّ اللَّـهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“যদি তোমরা মার্জনা কর, উপেক্ষা কর এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।” (সূরা তাগাবুন: ১৪)

▪ আল্লাহ আরও বলেন:
وَأَن تَعْفُوا أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۚ
“আর তোমরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) এর অধিক নিকটবর্তী।” (সূরা বাকারা: ২৩৭)

উল্লেখ্য যে, সব চেয়ে বড় জুলুম হল, আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা। তাছাড়া মানুষ যখন আল্লাহর অবাধ্যতা বা পাপকর্মে লিপ্ত হয় তখন সে যেন নিজের উপর নিজেই জুলুম করে। প্রতিটি পাপকর্মই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জুলুম, অবিচার ও সকল প্রকার অন্যায় আচরণ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

▬▬▬▬🌀🌀🌀▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

♦♦.....Please Read....♦♦

#মাজলুম_কাকে_বলে? #আখিরাতে_জুলুমের_পরিণতি_কি?
▬🌀🌀🌀▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রশ্ন: মজলুম কাকে বলে?যেমন: আমাকে কেউ একজন অন্যায়ভাবে গালি দিয়ে কষ্ট দিলো। আমি এতে কষ্ট পেয়ে কাঁদলাম। এখন আমি কি মজলুম হয়ে গেলাম? মজলুমের বদ দুয়া আর আল্লাহর মধ্যে পর্দা থাকে না-এ কথা কি ঠিক? আর সে যদি মাফ না চায় আর আমি যদি তাকে নিজ থেকে মাফ না করি তাহলে কি আমার গুনাহ হবে?

#উত্তর:
কারো প্রতি অন্যায় আচরণ করাকেই জুলুম বলা হয়। যে অন্যায় করল সে জালিম (অত্যাচারী) আর যার উপর অন্যায় করা হল সে মাজলুম (অত্যাচারিত)।

🌀 জুলুমের উদাহরণ:
অন্যায়ভাবে আঘাত করা, রক্তপাত ঘটানো, সম্পদ লুণ্ঠন করা, অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, ন্যায় বিচার না করা, গালি দেয়া, অপবাদ দেয়া, কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া, গিবত বা অসাক্ষাতে দোষত্রুটি নিয়ে সমালোচনা করা বা অন্য কোনো উপায়ে অন্যায়ভাবে কষ্ট দেয়া ইত্যাদি। এগুলো সবই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।

🌀 জুলুমের পরিণতি:

◼ মাজলুমের বদদুআ আর আল্লাহর মাঝে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা মাজলুমের দুআ সরাসরি কবুল করেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছেে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
اتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ
“মাজলুমের বদদোয়া থেকে বেঁচে থাক। কারণ তার বদদোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা নেই।।” (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)

◼ আখিরাতে জুলুমের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সে দিন মানুষের অন্যায়-জুলুম-অবিচারগুলো অন্ধকার রূপ ধারণ করে সামনে এসে হাজির হবে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
اتَّقُوا الظُّلْمَ ، فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
“তোমরা জুলুম থেকে বেঁচে থাকো। কেননা জুলুম কিয়ামতের দিন অন্ধকার রূপ নিয়ে হাজির হবে।” (সহীহ মুসলিম)
◼ সবচেয়ে মহান ন্যায় বিচারক মহান আল্লাহ সে দিন বিচারের কাঠ গড়ায় জালিমদের বিচার করবেন। তিনি মাজলুমের পক্ষে রায় দিবেন। তিনি জালিমের নেকি কর্তন করে মাজলুমকে দান করবেন আর মাজলুমের গুনাহ জালিমের উপর চাপিয়ে দিবেন। আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করুন। আমীন।

🌀 ক্ষমা ও সমঝোতা উত্তম:

যদি দুনিয়াতেই একে অপরের সাথে সমঝোতা করে নেয়, ক্ষমা চায় অথবা মাজলুম ব্যক্তি নিজের পক্ষ থেকে জালিমকে ক্ষমা করে দেয় তাহলে তা নি:সন্দেহে উত্তম। এ জন্য সে আখিরাতে প্রতিদান পাবে।
▪ আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَإِن تَعْفُوا وَتَصْفَحُوا وَتَغْفِرُوا فَإِنَّ اللَّـهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
“যদি তোমরা মার্জনা কর, উপেক্ষা কর এবং ক্ষমা কর, তবে আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।” (সূরা তাগাবুন: ১৪)

▪ আল্লাহ আরও বলেন:
وَأَن تَعْفُوا أَقْرَبُ لِلتَّقْوَىٰ ۚ
“আর তোমরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে তাকওয়া (আল্লাহ ভীতি) এর অধিক নিকটবর্তী।” (সূরা বাকারা: ২৩৭)

উল্লেখ্য যে, সব চেয়ে বড় জুলুম হল, আল্লাহর ইবাদতে শিরক করা। তাছাড়া মানুষ যখন আল্লাহর অবাধ্যতা বা পাপকর্মে লিপ্ত হয় তখন সে যেন নিজের উপর নিজেই জুলুম করে। প্রতিটি পাপকর্মই জুলুমের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে জুলুম, অবিচার ও সকল প্রকার অন্যায় আচরণ থেকে হেফাজত করুন। আমীন।

▬▬▬▬🌀🌀🌀▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে: আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।

২০২০ ইংরেজি সনের বিশ্ব ইজতেমার জন্য বাড়ানো হচ্ছে মাঠের জায়গা!!
____________________________________
আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। ২০২০ সালের প্রথম পর্বের এ বিশ্ব ইজতেমায় বাংলাদেশি আলেমদের তত্ত্বাবধানে বিদেশি আলেমরাও অংশগ্রহণ করবেন। প্রথম পর্বে সর্বোচ্চসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উপস্থিত করতে চলছে জোর প্রস্তুতি। সে কারণে বাড়ছে ইজতেমা মাঠের পরিধিও।

বিশ্ব ইজতেমাকে সফল করতে এগিয়ে চলছে টঙ্গীর তুরাগ তীরে মাঠ প্রস্তুতির কাজ। মাঠের প্রস্তুতি কাজে স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছে সারাদেশ থেকে আগত অনেক আলেম ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।

এবারের ইজতেমার প্রথম পর্ব আর ২২ দিন পরেই শুরু হবে। ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতি কাজের অন্যতম জিম্মাদার মোস্তফা ইসলাম জানান- ব্যাপক সংখ্যক লোক এ বছর ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতির কাজে অংশ নিয়েছেন।

প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতির কাজ করতে জামাতবন্দি হয়ে অনেক লোক আসছেন। ছুটির দিনগুলোতে মাঠ প্রস্তুতির কাজে অতিরিক্ত আলেম ও মাদরাসার ছাত্ররাও অংশ নিচ্ছেন। এর আগে এত লোক কখনো কাজ করতে আসেনি বলেও জানান তিনি।

প্রথম পর্বে ইজতেমায় সর্বোচ্চ সংখ্যক উপস্থিতির সম্ভাবনায় ইজতেমার জায়গা বাড়ানোর চিন্তা করছে মুরব্বিরা। সারাদেশ থেকে আলমি শুরার সাথীদের ব্যাপক উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন ইজতেমার মুরব্বিরা।

ইজতেমা মাঠের প্রস্তুতি কাজের জিম্মাদার মোস্তফা ইসলাম আরও জানান, ‘ইজতেমার সাথীদের অবস্থানে পর্যাপ্ত স্থানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ বছর বেড়িবাঁধের পশ্চিম পাশে, বাটা কোম্পানির মাঠ ও হুন্ডা ভবনের খালি অংশও ইজতেমার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যাতে আগত মুসল্লিদের মাঠে অবস্থানে বিঘ্ন না ঘটে।

প্রতি শুক্রবার ইজতেমা মাঠের প্রস্তুতি কাজে অনেক লোক সমাগম হচ্ছে। তাদের কেউ মাঠ সাফাইয়ের কাজ করছেন। কেউ মাটি কাটছেন। কেউ ময়লা পরিষ্কার করছেন। কেউ শামিয়ানা টানানোর কাজ করছেন। কেউ খুঁটি স্থাপন করছেন। আবার নতুন মাঠের কাজেও অংশ নিচ্ছেন অনেকে।

শুক্রবার ছাড়াও সরকারি বিশেষ ছুটির দিনেও উপস্থিত হচ্ছে অনেক মানুষ। সবাই মাঠের প্রস্তুতি কাজে নিজেদের শরিক করছে। টঙ্গীর তুরাগ তীরে মাঠ প্রস্তুতির কাজে অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তায় রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উল্লেখ্য, এবারও দুই গ্রুপ আলাদাভাবে ইজতেমায় অংশগ্রহণ করবে। প্রথম পর্বে (১০-১২ জানুয়ারি) আলমি শুরার সাথীরা অংশগ্রহণ করবেন। দ্বিতীয় পর্বে (১৭-১৯ জানুয়ারি) মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীর ইজতেমা পরিচালনা করবেন।

গত ৪ নভেম্বর সোমবার স্থানীয় এমপি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের উপস্থিতিতে ২০২০ সালের ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজের উদ্বোধন করা হয়।

মসজিদে শিশুদের আসতে বাধা নয়, উৎসাহ দিন
------------
নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাতিরা নামাজের সিজদার সময় নবী করিম (সা.)-এর ঘাড়ে উঠে বসতেন। নবী করিম (সা.) তখন সাবধানে তাদের নামিয়ে নামাজ শেষ করতেন। এ কারণে অনেক সময় সিজদায় সময় বেশি ব্যয় হতো, তবুও রাগ দেখাতেন না, দুর্ব্যবহার করতেন না।
সম্প্রতি প্রত্যন্ত এলাকার এক মসজিদের ইমাম সাহেব মেসেজ করেছেন, ‘আপনাকে সালাম, আমি নোয়াখালী জেলার একটা গ্রামের মসজিদের ইমাম। বহুদিন আগে আপনার ফেসবুক আইডিতে একটা পোস্ট পড়েছিলাম বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসা বিষয়ে। আপনার সেই পোস্ট পড়ার পর আমিও চিন্তা করেছিলাম বাচ্চাদের মসজিদে নিয়ে আসার জন্য কিছু একটা করার।
তারপর আমি মসজিদে জুমার নামাজে ঘোষণা করলাম, ১২ বছরের নিচে যত বাচ্চা মসজিদে আসবে প্রত্যেক ওয়াক্তে ২টি করে চকলেট আমার পক্ষ থেকে পাবে। আর আমি চকলেট দেওয়ার সময় লিখে রাখব, যে যত বেশি চকলেট পাবে সপ্তাহের শেষ দিন এশার নামাজের পর তাকে পুরস্কৃত করা হবে।
আমি যখন এই ঘোষণা দিয়েছিলাম, তখন আমি ভেবেছি, এতে আহামরি একটা সাড়া পাবো না। কিন্তু আল্লাহতায়ালার ইচ্ছা অপরিসীম, এক সপ্তাহ দুই সপ্তাহ যেতে না যেতেই গড়ে ১০ থেকে ২০ জন বাচ্চা প্রতিনিয়ত মসজিদে আসা শুরু করল। প্রথম সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ৫৮টি চকলেট পেয়েছিল ৮ বছরের সালেহ নামে একটা ছেলে, তাকে পুরস্কৃত করেছিলাম শুধুমাত্র একটা জ্যামিতি বক্স দিয়ে।
আমি বাচ্চাদের বলে দিয়েছিলাম, তোমরা শুধু মসজিদে নামাজ পড়তে আসবে না, তোমরা মসজিদে আসবে, খেলবে, দৌড়াদৌড়ি করবে, হাসাহাসি করবে। আর এতে কিছু মুরুব্বি মুসল্লির গা জ্বালা শুরু হয়ে গেল। তারা যেমন বাচ্চাগুলোর ওপর ক্ষিপ্ত হলো, তেমনি ক্ষিপ্ত হলো আমার ওপরও।
আমি সোজাসুজি বলে দিলাম, দরকার হলে আমি শুধু ধৈর্যশীল নামাজি ও বাচ্চাদের ইমামতি করব। বাকিরা অন্য মসজিদ দেখতে পারেন। কারণ আমি এই এলাকার সন্তান, আমি জানি পরবর্তী প্রজন্ম নামাজি না হলে কী ভয়ঙ্কর হবে এলাকার পরিস্থিতি। আমার বড় শক্তি ছিল আমার কমিটির অধিকাংশ লোকজন আমার এই আয়োজনে সঙ্গী ছিলেন।
কিন্তু এত চকলেট দেওয়ার সাধ্য আমার ছিলো না। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ পিস চকলেট এভারেজ লাগতো। আমার মসজিদের কমিটিতে কিছু যুবক ছিল, আমি তাদের সঙ্গে আলোচনা করলাম। দু’জন ভাই আমার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করল এবং তারা চকলেটের সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে বলে আমাকে আশ্বস্ত করল। পরের সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি চকলেট পেয়েছিল ৬ বছরের একটা মেয়ে। অবাক করার মতো বিষয়! তার বাবা সব সময় তাকে নিয়ে আসতেন মসজিদে। তাকে পুরস্কৃত করা হয় ভালোমানের একটা অ্যালার্ম ঘড়ি দিয়ে।
আমার মসজিদে এখন গড়ে প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ জন বাচ্চা উপস্থিত হয় এবং অনেক কাতারের পাশের অধিকাংশ মুসল্লি বাচ্চা থাকে, প্রথমদিকে যেরকম হাসাহাসি, দৌড়াদৌড়ি হতো এখন আর ওরকম হয় না। তারা এখন চুপচাপ দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করে। এখন শুধু চকলেট দেওয়া হয় না। আমার কমিটির লোকজন অনেক ভালো কিছু দেওয়ার চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে, মাঝে মাঝে কলম দেওয়া হচ্ছে, বিভিন্ন জিনিস বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন লোকজন দিচ্ছেন।
সবশেষে সৌদি প্রবাসী এক ভাই ফোন করে জানিয়েছেন, পরের সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি যে চকলেট পাবে তাকে একটা বাইসাইকেল দেওয়া হবে।
আমার মসজিদে এখন বাচ্চাদের অভাব নেই। যদি পেছনে বাচ্চারা হাসাহাসি করে তাহলে এখন আর কোনো মুরুব্বি বাচ্চাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে না। তাদের মসজিদ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় না। মসজিদের অধিকাংশ মুসল্লি বাচ্চাদের প্রচণ্ড ভালোবাসে, আসলে তাদের সঙ্গে সুন্দর আচরণ করে। আপনিও শুরু করতে পারেন আপনার এলাকার মসজিদে এমন আয়োজন, আর আপনি পেতে পারেন কেয়ামত পর্যন্ত সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব।
চকলেট বা উপহার দেওয়া একমাত্র পদ্ধতি নয়। আদর ও প্রশ্রয় নীরবেও হতে পারে। উত্তম আচরণও হতে পারে। '
মোটকথা, শিশুদের মসজিদে স্বাগত জানানো বয়স্ক মুসলমানদের ঈমানি দায়িত্ব। অনেক মসজিদে প্রচুর জায়গা আছে। সেখানে বাগান, শিশুদের জন্য কিছু দোলনা, খেলার সামগ্রী ইত্যাদির ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে।
তুরস্কের বহু মসজিদে এমন লেখা আছে, যদি আপনার মসজিদে নামাজের সময় শিশুদের কলরব না শোনা যায়, তাহলে আপনার দেশের ধর্মীয় ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
আপনি যখন আগামী দিন কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন, তখন আজকের শিশুরাই মসজিদে আপনার কাতারগুলোজুড়ে অবস্থান করবে। যারা আজ দুষ্টুমি করে বলে আপনি তাদের মসজিদে আসতে দিতে চান না। তাদের আদর দিন, উৎসাহ দিন, উপহার দিন। আপনার কথা স্মরণ করবে। ইনশাআল্লাহ, আপনার জন্য দোয়া করবে, আপনি কবরে থেকেও সওয়াব পেতে থাকবেন।
--- সংগৃহীত ---

----- নারী ----
লজ্জা নারীর ভূষণ!
পর্দা নারীর অলংকার!
স্বতীত্ব নারীর অহংকার!
বাকা চরণ নারীর আর্ট!

#নিউ_ভার্সন_অফ_লাভ
দ্বিতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন হলো

যারা অনুষ্ঠানকে রঙিণ করেছেন সবার প্রতি অফুরন্ত ভালোবাসা।

স্পেশাল ভালোবাসা #গার্ডিয়ান‘র কর্ণধার
Noor Mohammad ভাইকে।

ইসলামী বইমেলা চলাকালীন সময়ে— গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্সে পাবেন বইটি। বাইতুল মুকাররম দক্ষিণ গেট। ক্রয় মূল্য : ২০০/- দুইশো টাকা।

অনলাইনে অর্ডার করতে— rokomari.com

নামঃ- নূরুল ইসলাম (ওলীপুরী)

জন্মঃ- ১৯৫৫ খৃস্টাব্দে।
বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের অন্তর্গত হবিগঞ্জ জেলার
সদর উপজেলাধীন ওলীপুর নামক গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

নসবনামা/বংশঃ- তালুকদার।
লূরুল ইসলাম ওলীপুরী ইবনে হযরত মাওলানা আব্দুর রহীম রহ. হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলাধীন গৌরাঙ্গের চক পরগণার স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব নঈম উল্লাহ তালুকদারের বংশধর।

পরিবারঃ-
মাওলানা ওলীপুরী তিনি ৫ সহোদর এবং
২ সহোদরার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
মাওলানা ওলীপুরী যখন পাঁচ বছরের শিশু,
তখনই মাতা-পিতাকে হারিয়ে এতীম হয়ে পড়েন।
বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর পিতা-মাতা,
বড় ভাই মাওলানা আব্দুস সামাদ ও বড় বোন গুলেনূর
মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে পরিবারের প্রধান চারজনের ইন্তেকালে তাঁর পরিবার ও তিনি চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন।

লেখাপড়াঃ
বড় বোন গুলেনূর রহ.-এর নিকট তাঁর লেখাপড়ার হাতেখড়ি। তাঁর নিকট থেকেই আরবী ও বাংলা বর্ণের পরিচিতি লাভ করেন।

এরপর দু’বছর বাড়ির পাশে শরীফাবাদ প্রাইমারী স্কুলে লেখাপড়া করেন।

অতঃপর কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে অবস্থিত প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইমদাদিয়ায় ভর্তি হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (সেখানে শতাধিক সহপাঠীর মধ্যে প্রায়ই তিনি প্রথম স্থান অধিকার করতেন।)

অতঃপর মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া ছা’দিয়া রায়ধর মাদরাসায় ভর্তি হন। সেখানে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (এখানে অধ্যয়নকালেই স্বীয় পিতার প্রাণপ্রিয় শিক্ষাগুরু হযরত মাওলানা আসাদুল্লাহ রহ.-এর সুযোগ্য উত্তরসূরী, মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা মুখলিসুর রহমান রহ.-এর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হন এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় বাতিল বিরোধী সংগ্রামের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অতঃপর উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান
জামেয়া কুরআনিয়া লালবাগে ভর্তি হন।
সেখানে ১৯৭৫ খৃস্টাব্দে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল ফিল হাদীস) সমাপ্ত করেন।

অতঃপর ভারত উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় তাফসীর বিশারদ হযরত মাওলানা আহমদ আলী লাহুরী রহ.-এর সুযোগ্য শিষ্য হযরত মাওলানা শামসুদ্দীন কাসেমী রহ.-এর নিকট জামেয়া হুসাইনিয়া আরযাবাদ, মীরপুর, ঢাকায় ১৯৭৭ খৃস্টাব্দে
তাফসীর বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অতঃপর তিনি কয়েকজন বুজুর্গ ব্যক্তিদের থেকে তরিকতের দীক্ষা নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা.)। মহাপরিচালক: মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

কর্মজীবনঃ-
আল্লামা ওলীপুরী শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে, তিনি কয়েক বছর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অধীনে শাহপুর হুসাইনিয়া মাদ্রাসায় হাদিস এবং তাফসীর সহ অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান করেন। এরপর তিনি 'জামিয়া সাদিয়া রাইধর মাদ্রাসায় আট বছর শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে তিনি এক দশকের বেশি সময় ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার অধীনে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা মনতলার প্রধান পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

২০০০ সালে, আল্লামা ওলীপুরী শায়েস্তাগঞ্জে
মাদ্রাসা নূরে মদিনা প্রতিষ্ঠা করেন
এবং তখন থেকে আজ পর্যন্ত মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

দাওয়াতঃ-
আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী দেশে এবং বিদেশে একজন জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। হযরত মাওলানা নূর উদ্দীন গহরপুরী রহ.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’তের ভাষ্যকার।”
শায়খুল হাদীস মাওলানা আশরাফ আলী দা. বা.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী খতীবে আ’যম” উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন।
দেশের আলেমগণ তাকে খতিবে আজম হিসেবে ডাকেন।
তিনি হক হক্কানীয়াতের একনিষ্ঠ মুখপাত্র।
তিনি বাতিলদের মুখোশ উন্মোচনে এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব।
তিনি আলেমদের আলেম । বাংলাদেশে এমন কওমী আলেম খুব কমই আছে যার বয়ান শুনে উপকৃত হয়নি/ শুনেনি।
এবং জনসমক্ষে বক্তৃতা দেয়ার জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ ভ্রমণ করেছে।

মুনাযিরঃ-
হককে বুলন্দ ও বাতিলকে বলুন্ঠ করতে মাওলানা ওলীপুরী জীবনে বহুবার বিভিন্নভাবে বাতিলপন্থীদের মুকাবেলা করতে হয়েছে। তন্মধ্যে বাহাস-মুনাযারা তথা বিতর্কানুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। তারমধ্যে
১০,৯,১৯৮৪ ইং নরসিংদী গাগুটিয়া স্কুল মাঠে
১৮,৯,১৯৯৩ ইং কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে।
১৯,৬,১৯৯৭ ইং, ঐতিহাসিক নেত্রকোনার বাহাস।
৩০,১২,১৯৯৮ ইং, নরসিংদীর রায়পুরা
এছাড়াও তিনি বারবার বাতিলদের মুখোমুখি হয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ। তিনি প্রতিটি বিতর্কানুষ্ঠানে হক্বের ঝাণ্ডা সমুন্নত রেখেছেন। পরাভূত করেছেন বাতিল পন্থীদের।

লেখকঃ-
তিনি একাধারে মাদ্রাসার একজন শিক্ষক
বিশ্বময় একজন দায়ী
মাঠে ময়দানে একজন ওয়ায়েজ
তর্ক আনুষ্ঠানিক একজন মুনাজির
বাতিল মোকাবেলায় একজন মুজাহিদ
মসজিদে একজন ইমাম
গবেষণায় তিনি একজন মুজতাহিদ
ঠিক তেমনি ভাবে লেখালেখিতে তিনি একজন কলামিস্ট
তার রচিত বেশ কয়েকটি বই রয়েছে
তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১) প্রকৃত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিচিতি
২) ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান
৩) নুরে মদীনা ইত্যাদি
এছাড়াও তার প্রতিটি বয়ান সংগৃহীত হয় এবং
বই আকারে লিপিবদ্ধ হয়।

ব্যক্তিত্বঃ-
আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী
তিনি কোন চাপাবাজ, গলাবাজ বক্তা নয়
তিনি সুরকারও নয়
কোন দরবারের বড় পীর সাহেব নয়
কোন দলের নেতা নয়
বিখ্যাত কোন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল নয়
তাহলে তিনি কে???
সেই কথা আমি না বলে।
মরহুম আল্লামা মোস্তফা আল হোসাইনী রহ. জবানে উচ্চারিত কথাটি আপনাদের জন্য লিখি, তিনি ফেনীর এক সম্মেলনে নুরুল ইসলাম ওলিপুরি সাহেবকে মায়াউন নাস বলেছেন
এবং বলেছেন আমি নিজেও তিনার বয়ান শুনি।

আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরীর কিছুই নেই
কিন্তু তিনার যে মাকবুলিয়াত ও শানদার এলেম রয়েছে তাইতো অতুলনীয়। তিনি লাখো আলেমের হৃদয়ের স্পন্দন । তিনি লাখো মানুষের, লাখো আলেমের ভালোবাসা। তিনি হক ও হাক্কানীয়াতের মুখপাত্র। তিনি বাংলার আলেমদের গর্ব ও অহংকার। বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে বিশেষ এক নিয়ামতের নাম আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী। যিনি সমস্ত বাতিলকে পদদলিত করে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে নিরপেক্ষ নিষ্কলুষ ইসলামের সঠিক রূপরেখা বিশ্লেষণ করেছেন।

আমার কথা:: -
সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম যারা আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী কে নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন আপনাদের কাছে করজোড়ে অনুরোধ করছি আপনারা ক্ষান্ত হোন।
তিনি জিকির নিয়ে এবং গলাকাটা ওয়াজ ব্যবসায়ীদের নিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন পারলে তার গঠনমূলক আলোচনা করুন। ব্যক্তি নুরুল ইসলাম ওলিপুরী কে নিয়ে নয়
কেননা তিনি কোন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি
যদি আপনাদের মনে হয় কোন ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথা বলেছে তাহলে আপনারাও দুধে ধোয়া তুলসী পাতা নয়!!
যারা ওনাকে নিয়ে এত কথা বলেন আপনারা কি আরো 50 বছর চেষ্টা করলো এরকম একজন ওলিপুরী হতে পারবেন???
সমালোচনা বন্ধ করুন
না হয় ধিক আপনাদেরকে
সমস্ত ছি্ ছি্ আপনাদের জন্য
থুতু আপনাদের মুখের উপর
ধিক্কার ধিক্কার ধিক্কার!!!!

সংগৃহীত,,, আরিফ বিন তাওহীদ
29. 11. 2019নামঃ- নূরুল ইসলাম (ওলীপুরী)

জন্মঃ- ১৯৫৫ খৃস্টাব্দে।
বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের অন্তর্গত হবিগঞ্জ জেলার
সদর উপজেলাধীন ওলীপুর নামক গ্রামে এক মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

নসবনামা/বংশঃ- তালুকদার।
লূরুল ইসলাম ওলীপুরী ইবনে হযরত মাওলানা আব্দুর রহীম রহ. হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলাধীন গৌরাঙ্গের চক পরগণার স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব নঈম উল্লাহ তালুকদারের বংশধর।

পরিবারঃ-
মাওলানা ওলীপুরী তিনি ৫ সহোদর এবং
২ সহোদরার মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ।
মাওলানা ওলীপুরী যখন পাঁচ বছরের শিশু,
তখনই মাতা-পিতাকে হারিয়ে এতীম হয়ে পড়েন।
বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর পিতা-মাতা,
বড় ভাই মাওলানা আব্দুস সামাদ ও বড় বোন গুলেনূর
মাত্র দু’সপ্তাহের ব্যবধানে পরিবারের প্রধান চারজনের ইন্তেকালে তাঁর পরিবার ও তিনি চরম বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন।

লেখাপড়াঃ
বড় বোন গুলেনূর রহ.-এর নিকট তাঁর লেখাপড়ার হাতেখড়ি। তাঁর নিকট থেকেই আরবী ও বাংলা বর্ণের পরিচিতি লাভ করেন।

এরপর দু’বছর বাড়ির পাশে শরীফাবাদ প্রাইমারী স্কুলে লেখাপড়া করেন।

অতঃপর কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে অবস্থিত প্রসিদ্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইমদাদিয়ায় ভর্তি হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (সেখানে শতাধিক সহপাঠীর মধ্যে প্রায়ই তিনি প্রথম স্থান অধিকার করতেন।)

অতঃপর মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের জন্য হবিগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া ছা’দিয়া রায়ধর মাদরাসায় ভর্তি হন। সেখানে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান লাভ করে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। (এখানে অধ্যয়নকালেই স্বীয় পিতার প্রাণপ্রিয় শিক্ষাগুরু হযরত মাওলানা আসাদুল্লাহ রহ.-এর সুযোগ্য উত্তরসূরী, মুজাহিদে মিল্লাত হযরত মাওলানা মুখলিসুর রহমান রহ.-এর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হন এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় বাতিল বিরোধী সংগ্রামের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অতঃপর উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে ঢাকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান
জামেয়া কুরআনিয়া লালবাগে ভর্তি হন।
সেখানে ১৯৭৫ খৃস্টাব্দে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল ফিল হাদীস) সমাপ্ত করেন।

অতঃপর ভারত উপমহাদেশের শীর্ষস্থানীয় তাফসীর বিশারদ হযরত মাওলানা আহমদ আলী লাহুরী রহ.-এর সুযোগ্য শিষ্য হযরত মাওলানা শামসুদ্দীন কাসেমী রহ.-এর নিকট জামেয়া হুসাইনিয়া আরযাবাদ, মীরপুর, ঢাকায় ১৯৭৭ খৃস্টাব্দে
তাফসীর বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

অতঃপর তিনি কয়েকজন বুজুর্গ ব্যক্তিদের থেকে তরিকতের দীক্ষা নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা.)। মহাপরিচালক: মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

কর্মজীবনঃ-
আল্লামা ওলীপুরী শিক্ষকতার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে, তিনি কয়েক বছর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অধীনে শাহপুর হুসাইনিয়া মাদ্রাসায় হাদিস এবং তাফসীর সহ অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান করেন। এরপর তিনি 'জামিয়া সাদিয়া রাইধর মাদ্রাসায় আট বছর শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে তিনি এক দশকের বেশি সময় ধরে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার অধীনে দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা মনতলার প্রধান পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

২০০০ সালে, আল্লামা ওলীপুরী শায়েস্তাগঞ্জে
মাদ্রাসা নূরে মদিনা প্রতিষ্ঠা করেন
এবং তখন থেকে আজ পর্যন্ত মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।

দাওয়াতঃ-
আল্লামা নূরুল ইসলাম ওলীপুরী দেশে এবং বিদেশে একজন জনপ্রিয় বক্তা হিসেবে পরিচিত হয়েছেন। হযরত মাওলানা নূর উদ্দীন গহরপুরী রহ.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী আহলে সুন্নত ওয়াল জামা’তের ভাষ্যকার।”
শায়খুল হাদীস মাওলানা আশরাফ আলী দা. বা.-এর ভাষায় “মাওলানা ওলীপুরী খতীবে আ’যম” উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন।
দেশের আলেমগণ তাকে খতিবে আজম হিসেবে ডাকেন।
তিনি হক হক্কানীয়াতের একনিষ্ঠ মুখপাত্র।
তিনি বাতিলদের মুখোশ উন্মোচনে এক যুগান্তকারী ব্যক্তিত্ব।
তিনি আলেমদের আলেম । বাংলাদেশে এমন কওমী আলেম খুব কমই আছে যার বয়ান শুনে উপকৃত হয়নি/ শুনেনি।
এবং জনসমক্ষে বক্তৃতা দেয়ার জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মধ্য প্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশ ভ্রমণ করেছে।

মুনাযিরঃ-
হককে বুলন্দ ও বাতিলকে বলুন্ঠ করতে মাওলানা ওলীপুরী জীবনে বহুবার বিভিন্নভাবে বাতিলপন্থীদের মুকাবেলা করতে হয়েছে। তন্মধ্যে বাহাস-মুনাযারা তথা বিতর্কানুষ্ঠানের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য। তারমধ্যে
১০,৯,১৯৮৪ ইং নরসিংদী গাগুটিয়া স্কুল মাঠে
১৮,৯,১৯৯৩ ইং কিশোরগঞ্জ বাজিতপুরে।
১৯,৬,১৯৯৭ ইং, ঐতিহাসিক নেত্রকোনার বাহাস।
৩০,১২,১৯৯৮ ইং, নরসিংদীর রায়পুরা
এছাড়াও তিনি বারবার বাতিলদের মুখোমুখি হয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ। তিনি প্রতিটি বিতর্কানুষ্ঠানে হক্বের ঝাণ্ডা সমুন্নত রেখেছেন। পরাভূত করেছেন বাতিল পন্থীদের।

লেখকঃ-
তিনি একাধারে মাদ্রাসার একজন শিক্ষক
বিশ্বময় একজন দায়ী
মাঠে ময়দানে একজন ওয়ায়েজ
তর্ক আনুষ্ঠানিক একজন মুনাজির
বাতিল মোকাবেলায় একজন মুজাহিদ
মসজিদে একজন ইমাম
গবেষণায় তিনি একজন মুজতাহিদ
ঠিক তেমনি ভাবে লেখালেখিতে তিনি একজন কলামিস্ট
তার রচিত বেশ কয়েকটি বই রয়েছে
তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলঃ
১) প্রকৃত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত পরিচিতি
২) ইসলাম ও আধুনিক বিজ্ঞান
৩) নুরে মদীনা ইত্যাদি
এছাড়াও তার প্রতিটি বয়ান সংগৃহীত হয় এবং
বই আকারে লিপিবদ্ধ হয়।

ব্যক্তিত্বঃ-
আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী
তিনি কোন চাপাবাজ, গলাবাজ বক্তা নয়
তিনি সুরকারও নয়
কোন দরবারের বড় পীর সাহেব নয়
কোন দলের নেতা নয়
বিখ্যাত কোন মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল নয়
তাহলে তিনি কে???
সেই কথা আমি না বলে।
মরহুম আল্লামা মোস্তফা আল হোসাইনী রহ. জবানে উচ্চারিত কথাটি আপনাদের জন্য লিখি, তিনি ফেনীর এক সম্মেলনে নুরুল ইসলাম ওলিপুরি সাহেবকে মায়াউন নাস বলেছেন
এবং বলেছেন আমি নিজেও তিনার বয়ান শুনি।

আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলীপুরীর কিছুই নেই
কিন্তু তিনার যে মাকবুলিয়াত ও শানদার এলেম রয়েছে তাইতো অতুলনীয়। তিনি লাখো আলেমের হৃদয়ের স্পন্দন । তিনি লাখো মানুষের, লাখো আলেমের ভালোবাসা। তিনি হক ও হাক্কানীয়াতের মুখপাত্র। তিনি বাংলার আলেমদের গর্ব ও অহংকার। বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে বিশেষ এক নিয়ামতের নাম আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী। যিনি সমস্ত বাতিলকে পদদলিত করে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে নিরপেক্ষ নিষ্কলুষ ইসলামের সঠিক রূপরেখা বিশ্লেষণ করেছেন।

আমার কথা:: -
সম্মানিত ওলামায়ে কেরাম যারা আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী কে নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন আপনাদের কাছে করজোড়ে অনুরোধ করছি আপনারা ক্ষান্ত হোন।
তিনি জিকির নিয়ে এবং গলাকাটা ওয়াজ ব্যবসায়ীদের নিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন পারলে তার গঠনমূলক আলোচনা করুন। ব্যক্তি নুরুল ইসলাম ওলিপুরী কে নিয়ে নয়
কেননা তিনি কোন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেননি
যদি আপনাদের মনে হয় কোন ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথা বলেছে তাহলে আপনারাও দুধে ধোয়া তুলসী পাতা নয়!!
যারা ওনাকে নিয়ে এত কথা বলেন আপনারা কি আরো 50 বছর চেষ্টা করলো এরকম একজন ওলিপুরী হতে পারবেন???
সমালোচনা বন্ধ করুন
না হয় ধিক আপনাদেরকে
সমস্ত ছি্ ছি্ আপনাদের জন্য
থুতু আপনাদের মুখের উপর
ধিক্কার ধিক্কার ধিক্কার!!!!

সংগৃহীত,,,
30. 11. 2019

খতিবে আজম আল্লামা নূরুল ওলিপুরীকে হাফি. নিয়ে আল্লামা মামুনুল হক কি বললেন ।

দ্বীনদার যুবকের ব্যতিক্রমী ৩টি প্রশ্ন
--------------------
বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে এক দ্বীনদার যুবকের ব্যতিক্রমী ৩টি প্রশ্ন অতঃপর যা ঘটলো কল্পনাতীত!!

এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক
মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল।ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল।
ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল।
মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল।
সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব,
আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল।
ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল
প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল।

এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার
কোন প্রশ্ন আছে?"জি, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।”
ছেলেটি উওরে বলল।মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"

ছেলেটির প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনি কাকে সবচেয়ে
বেশি ভালবাসেন, যার চাইতে বেশি ভালবাসা আর কাউকে সম্ভব না?”

সে বলল, "এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন। অবশ্যই আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।"

ছেলেটির দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, "আপনি বলেছেন যে,
আপনি কুরআন মাজিদ পড়েন।আপনি কি আমাকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটি সুরার অর্থ বলতে পারেন?"

এটা শুনে মেয়েটি একটু বিব্রত হল এবং বলল, "আমি এখনো জানিনা।কিন্তু শীঘ্রই আমি শিখে ফেলব ইনশা আল্লাহ।আমি একটু ব্যস্ত থাকি তো।"

ছেলেটির তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, "বিয়ের ব্যাপারে আমি বেশ
কয়েকজন মেয়ের সাথে কথা বলেছিলাম, যারা আপনার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো আপনি কি বলবেন, কেন আপনাকে আমার বিয়ে করা উচিত?"

এটা শুনে মেয়েটি ভীষণ ক্ষেপে গেল এবং রাগী
গলায় তার পিতামাতাকে বলল, "আমি এই ছেলেকে
মোটেই বিয়ে করবনা। সে আমাকে অপমান করেছে।
আমার সৌন্দর্য নিয়ে খোঁটা দিয়েছে।"

ছেলের মা বাবাও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিয়ে নিয়ে আর কোন কথাবার্তা না বলেই তারা প্রস্থান করল।
এবারে ছেলের পিতামাতা সত্যিই ছেলের উপর ক্রুদ্ধ হল,বলল! "তুমি মেয়েটিকে কী বলেছ যে মেয়েটি
রেগে গেল?এই ফ্যামিলি অনেক ভাল, মর্যাদাপূর্ণ, তুমি যেরকম ধার্মীক খুঁজছো, সেরকমই।কী বলেছ তাকে তুমি?"

ছেলে বলতে লাগল,“প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে কাকে।সে উত্তর দিল যে, তার মাকে।”এটা শুনে তারা আশ্চর্য হলেন, বললেন, "তো এটাতে ভুল কোথায়?"
ছেলেটি বলল,
“প্রকৃত বিশ্বাসী হচ্ছে সে, যে আল্লাহ ও তার
রাসুলকে যেকোন কিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি
ভালবাসে। যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তার রাসুলকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, সে আমাকে ভালবাসবে এবং সম্মান করবে।তাদের ভালবাসার কারণে আমার সাথে সে বিশ্বস্ত থাকবে এবং এই ভালবাসার কারণে আমরাও নিজেদেরকে নিজেদের ভালবাসা শেয়ার করতে পারব, যে ভালবাসা লোভ লালসা,সৌন্দর্য অথবা অন্য সকল জাগতিক বস্তুর ঊর্ধ্বে।”

ছেলেটি বলতে লাগল,
“আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল যে, আমি জিজ্ঞেস
করেছিলাম, সে যেন তার পছন্দমত কোন একটি সুরার অর্থ আমাকে শোনায়। সে বলতে পারেনি।
কারণ তার এখনো সময় হয়ে উঠেনি।তখন, আমার এই হাদীসটা মনে হয় যে, "সকল মানুষ মারা যায়,
তবে তারা ব্যতীত, যাদের জ্ঞান আছে।"
সে তো বিশ বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে।
অথচ তার এখনো জ্ঞান অর্জন করার সময় হয়নি!
আমি কি করে এমন মেয়েকে বিয়ে করতে পারি, যে
এখনো তার দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে জানেনা।
সে বাচ্চাদেরকে কী শিক্ষা দিবে। একজন মা-ই তো তার বাচ্চাদের জন্য সর্বোত্তম শিক্ষক।এবং এমন এক স্ত্রীলোক, আল্লাহকে দেওয়ার মত সময়
যার হয়না, স্বামী ও সন্তানদেরকে দেওয়ার মত সময় তার নাও হতে পারে।

আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল যে, বিয়ের ব্যাপারে
আরো কিছু মেয়ের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে যারা তার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো তাকে কেন আমার বিয়ে করা উচিত। মূলত এ কারণেই সে ক্রুদ্ধ হয়েছিল।”

ছেলের মা-বাবা এখানে আপত্তির সুরে মন্তব্য করল,
"এভাবে বলাটা তো অপ্রীতিকর।তুমি কেন এটা বলতে গেলে?"ছেলে উত্তর করল,
“আমি এটা এ উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে, সে তার রাগকে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা।

যখন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে, জিজ্ঞেস করা হয়েছিল পূণ্যবান হওয়ার গুণ গুলো সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছিলেন, "রাগান্বিত হয়োনা,
রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা।

কারণ, রাগ শয়তান হতে আসে।"
যে মেয়ে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে নিজের রাগ
নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, যার সাথে সে মাত্রই কথা
বলেছে এবং তাদের সব কথাবার্তা তার পিতামাতাকে মুহূর্তেই
বলে দিল, সে কী করে সারাজীবন ধরে, তার স্বামীর
সাথে এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারবে।"

এর থেকে শিক্ষা.....
১) অবশ্যই, আপনার ভালবাসা হবে আপনার রব ও তার রসুলের জন্য সকল কিছুর ঊর্ধ্বে।

২)আহা, দুঃখজনক! এখনো আমাদের সময় হয় নি কোরআন বুঝে বুঝে অর্থ পড়ার,তাফসীর, তরজমাসহ,আমরা আজ এতোটাই ব্যস্ত,দুনিয়াবি কাজে!!

৩)"রাগ" শয়তানের ওয়াসওয়াসা! অবশ্যই, শয়তান হতে আসে!
যে রেগে গেল সে অবশ্যই, অবশ্যই হেরে গেল।

আল্লাহ আমাদের এমন সঙ্গী দান করুন, যে চক্ষুশীতল
করবে এবং জান্নাতে যাওয়ার উত্তম মাধ্যম হবে।
-ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাহ বিল্লাহ

"আমিন"ইয়া আল্লাহ♥♥

♦ Please Don't take it Negative Mind ♦

♦♦ মেয়েদের কাপড় শুকানো ♦♦
______________________
মেয়েদের কাপড় শুকানো নিয়ে কিছু কথা বলবো।

♦ সকলেই মনোযোগ সহকারে আমল করার নিয়তে পড়বেন "ইনশাআল্লাহ! আমাদের সমাজে দেখা যায় অনেক আপু গোসল করে তাদের কাপড় শুকাতে দেয় বাহিরে এবং ছাদের উপরে যেখান দিয়ে মানুষ চলাচল করলে দেখতে পায়।
.
আমার মহান আল্লাহ্ মেয়েদের জন্য পর্দা ফরজ করছেন "নারীদের চেহারার মধ্যে শুধু পর্দা না,
.
নারীদের কাপড়ের মধ্যেও রয়েছে পর্দা। এমনকি নারীর নামের মধ্যে রয়েছে পর্দা।
.
অনেক মেয়ে আছে তারা গোসল করে তারা তাদের পায়জামার দুই পা ফাকাঁ করে বাহিরে শুকাতে দেয় "আরোও কামিজ শুকাতে দেয় "এমনকি অনেকেই ছোট্ট ছোট্ট জিনিস গুলোও শুকাতে দেয় "নাউযুবিল্লাহ!

♦ ♦ এখন আসুন........
.
একজন পরপুরুষ যদি আপনার পায়জামা, জামা, আরোও যা কিছু আছে যদি সে দেখতে পায় এমন, সে যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয় তাহলে অবশ্যই তার মনের ভিতরে কুমন্ত্রনা সৃষ্টি হবে যদিও আপনাকে কোনদিন সে দেখে নাই। কিন্তু আপনার কাপড় দেখে সে উপলব্ধি করতে পারছে আপনার গঠন কেমন।
.
আর তার মনের ভিতরে যদি কুমন্ত্রনা সৃষ্টি হয় তার আমলনামায় একটি চোখের যিনা কবিরা গুনাহ করার ছওয়াব লেখা হয় "নাউযুবিল্লাহ!
.
এমনকি আপনার আমলনামাও এক ভাগ গুনাহ লেখা হয়। কারণ এর জন্য আপনি দ্বায়ী। আর একটি গুনাহ যথেষ্ট জাহান্নামে নেওয়ার জন্য।
.
পবিত্র কোরআনের ভিতরে মহান আল্লাহ্ তা 'য়ালা ইরশাদ করছেন
"সামন্য বিন্দু পরিমাণ গুনাহ নিয়ে যদি কেউ কবরে আসে তাহলে কবরের মাটি তাকে ছাড় দিবে না।
.
এজন্য সর্ব অবস্থায় গুনাহ থেকে সকলেই হেফাজত থাকবেন।
.
তাই আপনারা গোসল করে কাপড় এমন জায়গায় শুকাতে দিবেন যেখানে কোন পরপুরুষ দেখতে না পায়। আর দয়াকরে ছোট্ট ছোট্ট জিনিস গুলো পরিবারের বাবা ভাই অর্থাৎ:যাদের সামনে আপনার যাওয়া জায়েজ তাদের সামনেও রাখবেন না। এগুলো নিজের রুমের ভিতরে অথবা কাপড়ের নিচে শুকাতে দিবেন।
.
আমার কোন কথায় কেউ খারাপ মনে করলে ক্ষমা করে দিবেন। আমার দায়িত্ব ছিল বলার তাই বললাম।
.
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে এগুলো পালন করার তাওফিক দান করুক"আমিন।।। ♦ ♦ ♦

---- সংগৃহীত -----

নামাজ সম্বন্ধে মাওলানা তারিক জামিল সাহেবের হৃদয় শীতল করা বয়ান.........

(ব্লাক জাদু)

টাইটেল দেখে কি মনে হচ্ছে,আমি আপনাদেরকে জাদুর কিছু বলবো??
বন্ধুরা !
আজ আপনাদেরকে, এই জাদুর থেকেও মূল্যবান একটি জিনিস বলবো ইনশাল্লাহ।

ইহুদি খৃষ্টান-বিধর্মিরা,
আমাদের মেজাজ ধোলাই করতে করতে এমন পর্যায়ে পৌছে গেছে যে, আমাদের রবের নাম পর্যন্ত তারা পরিবর্তন করে ফেলেছে!!
আমরা কথায় কথায় বলে থাকি Oh my God (ওহ মাই গড)!!
যে ব্যক্তি A B C D করে সম্পূর্ণ অক্ষরগুলোও বলতে পারেনা,
সেও একটু ভাব নিয়ে বলতে চায় - ওহ মাই গড।

অথচ বিধর্মীরা (God) এই শব্দটির মধ্যে কত নিকৃষ্ট বিষয় লুকিয়য়ে রেখেছে।
♠নিম্নের কথাগুলো ভালো করে অনুসরণ করুন
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇

১. এই "God" শব্দটি কে উল্টো করুন,তাহলে হবে "Dog" যার অর্থ কুকুর!!!

২. এই "Dog" শব্দ থেকে প্রথম অক্ষরটি ফেলে দিন তাহলে হবে Og (অগ) যেটা শূকরের ডাক!!

৩. আবার এই "Dog" শব্দটির মাঝের অক্ষর ফেলে দিন,তাহলে থাকবে D G.-------
D= Dance (ড্যান্স)
G= Going (গোয়িং)
যার সারমর্ম অর্থ নর্তকীর দিকে আহব্বান করা হয়।(নাউযুবিল্লাহ)

এবার ভাবুন,তারা কত নিকৃষ্ট বিষয়গুলো এই একটি শব্দের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে,যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহকে স্বরন করতে চাই।

অথচ আমাদের রবের মধুর ডাক الله "আল্লাহ" এই শব্দটি থেকে যত অক্ষরই ফেলে দেন না কেন, সব সময় আমার আল্লাহকেই বোঝাবে।

♥অনুসরন করুন
👇👇👇👇👇
১. আল্লাহ (الله) শব্দ থেকে আলিফ ফেলে দিন, থাকবে লিল্লাহ( لله) যেটা আল্লাহকেই প্রকাশ করবে।যেমনঃ-لله ما في السماوات وما في الارض
(আসমান জমিনেরর মধ্যে যাকিছু সবকিছুই আল্লাহর জন্য)

২.আল্লাহ (الله) শব্দ থেকে প্রথম দুইটা অক্ষরই ফেলে দিন,তাহলে থাকবে লাহু (له ) যেটা আল্লাহকেই প্রকাশ করে।যেমনঃ-
- له مافي السماوات ومافي الارض
(আসমান ও জমিনের মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুই আল্লাহর জন্য)

৩. এবার আল্লাহ (الله) শব্দ থেকে সব অক্ষরগুলোই ফেলে দিয়ে, শুধু লাস্টের হা (ه) রেখে দিন,তবুও আল্লাহকেই বোঝাবে।যেমনঃ-
هوالله الذي لا اله الا هو
(তিনিই আল্লাহ তিনি ছাড়া কোন মা'বুদ নেই)

♥যদি কোন ব্যক্তির অসুখ হয়, সেও কাতরাতে কাতরাতে আল্লা আল্লা বলে উচ্চারণ করে,লাস্টের "হা" উচ্চারণ করতে পারে না।

♥ছোট শিশু সম্পূর্ণ "আল্লাহ্" শব্দটি উচ্চারণ করতে পারে না!

♥বোবা মানুষ তার শাহাদত আঙ্গুল আকাশের দিকে উঠিয়ে প্রমাণ করতে চাই আল্লাহ এক,তাঁর কোন মা'বুদ নেই।

♦সুতরাং অসুস্থ ব্যক্তি হোক, শিশু বাচ্চা হোক, বোবা মানুষ হোক, যে যেভাবেই ডাকুক না কেন, সব সময় আমার আল্লাহকেই বোঝাবে!! সুবহানাল্লাহ!!!

এখন বলুন কি সিদ্ধান্ত নিলেন?
আল্লাহ ডাকবেন নাকি God?

ফিরোজ বিন আবদে ঈলাহী

02-Apr-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 9345+)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশটা আসলেই অপরূপ! আমরা বাংলাদেশের সৌন্দয্য সম্পর্কে জানিনা বিধায় দেশের বাহিরে ঘুরতে যাই।পাহার, ঝণা, অপরূপ চা বাগান, নদী, সুন্দরবন, সমুদ্র ইত্যাদি দিয়ে অপরূপ সৌন্দয্য মোড়ানো ৬৪টি জেলা। আমরা বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাই দেখে শেষ করতে পারি না, অথচ অবসর সময় কাটাতে চলে যাই দেশের বাহিরে। বাংলাদেশে আছে নীলগিরি, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উচ্চে অবস্থিত, নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র সর্বদা মেঘমণ্ডিত থাকে, কখনো কখনো হাত দিয়েই মেঘ স্পর্শ করা যায়। ১৯৭১-এ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকালে জেলার সংখ্যা ছিল কত?
(A) ২০টি
(B) ৫২ টি
(C) ৪৭ টি