About Saleh Ahmed

এই ১০টি ওষুধ সবসময় আপনার বাসায় রাখবেনঃ
১.প্যারাসিটামল সিটামল (Paracetamol)
২. ট্রামাডল (Tramadol)
৩. টাইমনিয়াম মিথাইলসালফেট (Tiemonium Methylsulfate)
৪. এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/omeprazole)
৫. অ্যালুমিনিয়াম হাইডঅক্সাইড (Aluminium hydroxide suspension)
৬. ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Saline)
৭. ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটাডিন (Fexofenadine/ Rupatadine)
৮. সিলভার সালফাডায়াযিন অয়ন্টমেন্ট (Silver sulfadiazine ointment)
৯. পোভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
১০. অ্যাসপিরিন (Aspirin)
★★ প্যারাসিটামল (Paracetamol)
জ্বরের জন্য প্রথমে একটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। জ্বর বাড়লে (<১০৩F) বা ৩ দিনের বেশি জ্বর থাকলে ডাক্তার দেখান। তবে পেটে ব্যাথা, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া বা জন্ডিসের অন্য কোন উপসর্গ দেখলে প্যারাসিটামল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
★★ ট্রামাডল (Tramadol)
কোন প্রকার ঝুঁকি ছাড়াই ট্রামাডল পেইনকিলার হিসেবে নেয়া যায়; এমনকি অ্যাসমা রোগীরাও এটি নিতে পারবেন।
★★ টাইমোনিয়াম সালফেট (Tiemonium sulphate)
যেকোন প্রকার পেটে ব্যাথার ক্ষেত্রে বিশেষ করে পিরিয়ডের প্রথম কয়েক দিনের ব্যাথার জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি ওষুধ।
★★ এসোমিপ্রাযল/ওমিপ্রাযল (Esomeprazole/Omeprazole)
অধিকাংশ মানুষই কোন না কোন সময় বুক জ্বলা বা গ্যাসের সমস্যায় ভুগতে হয়; বিশেষ করে ভরপেট খাওয়ার পর। এসোমিপ্রাযল/ ওমিপ্রাযল পাকস্থলীতে অ্যাসিড গঠন কমিয়ে বুক জ্বলা কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় গ্যাসের জন্য অনেকটা হার্ট অ্যাটাকের মত বুকে ব্যাথা হয়, এজন্য ৩০ মিনিটের মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে যোগাযোগ করুন। (আরও জানতে দেখুন হৃদরোগের লক্ষণ এবং বুকে ব্যথা)
★★ অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন (Aluminum hydroxide suspension)
বুক জ্বলা এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য ২ চামচ করে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড সাস্পেনশন খেতে পারেন। সাস্পেনশন্টি ফ্রিজে রাখতে পারবেন এবং ঠাণ্ডা খেলেই বেশি আরাম পাবেন। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হতে পারে, এতে চিন্তার কিছু নেই।
★★ ওরস্যালাইন(Oral Rehydration Saline)
ডায়রিয়ার সময় খুব সহজেই শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। প্রত্যেকবার পাতলা পায়খানা হওয়ার পর স্যালাইন খাওয়া উচিত। শরীরে পানিশূন্যতা হলে নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। অনতিবিলম্বে ডাক্তার দেখান যদি। আপনার ডায়রিয়ার সাথে জ্বরও হয়।২ দিনের বেশি সময় ডায়রিয়া থাকে মুখ শুকিয়ে গিয়ে পিপাসা লাগে খুব কম অথবা একেবারেই পেশাব না হলে প্রচণ্ড পেটে ব্যাথা হলে পায়খানার সাথে রক্ত গেলে আপনার উচ্চ রক্তচাপ (hypertension) থাকলে ওরস্যালাইন খাওয়ার আগে রক্তচাপ মেপে নেয়া ভাল।
★★ফেক্সোফেনাডিন/রুপাটিডিন (Fexofenadine/Rupatadine)
এই অ্যান্টিহিস্টামিনগুলো তুলনামুলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। যাদের অ্যালারজিক রাইনিটিস (ধুলা, পরাগ, তেলাপোকা ইত্যাদির সংস্পর্শে আসলে হাঁচি হওয়া) আছে তারা রাতে একবার ফেক্সোফেনাডিন বা রুপাটিডিন নিলে হাঁচি ও নাক থেকে পানি পড়ার উপশম হবে।
★★ সিল্ভার সালফাডিয়াযিন (Silver sulfadiazine)
হালকা পুড়ে গেলে প্রথমে পোড়া জায়গাটি কলের পানির নিচে ধরুন। পানি শুকিয়ে গেলে যত্ন সহকারে পোড়া জায়গায় সিলভার সালফাডিয়াযিন অয়ন্টমেন্ট দিন। ফোসকা পড়লে সেটা উঠানোর চেষ্টা করবেন না। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করুন।
★★পভিডন-আয়োডিন মলম (Povidone-iodine ointment)
হালকা রক্তপাত সহ ছোটখাটো কাটা-ছেড়ার ক্ষেত্রে ক্ষতটি শুকনা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে চেপে ধরে রাখুন। রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেলে কাটা জায়গায় পভিডন-আয়োডিন অয়ন্টমেন্ট দিন। এসবক্ষেত্রে স্যাভলন দিয়ে পরিষ্কার না করাই ভাল। আপনি যদি কোন প্রকার ব্লাড থিনার (যেসব ওষুধের কারণে রক্ত জমাট বাধার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হয়) নিয়ে থাকেন অথবা অনেক বেশি কেটে গেলে বা প্রচুর রক্তপাত হলে আপনার ডাক্তারের সাহায্য লাগতে পারে।
★★ অ্যাসপিরিন(Aspirin)
আকস্মিক বুকে ব্যথা এবং পরবর্তীতে বাম হাত, চোয়াল বা গলার বাম দিকে ব্যথা হওয়া হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। হার্ট অ্যাটাকের যেকোন লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ২/৩ টি বেবি অ্যাসপিরিন খেয়ে নিন এবং যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে যাওয়ার চেষ্টা করুন।
উল্লিখিত কোন ওষুধে আপনার অ্যালারজি থাকলে সেটি খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এবং গর্ভাবস্থার সময় অনেক ওষুধই খাওয়া যায় না, এ বিষয়ে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।uu

#রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র লিখেছেঃ

রাশিয়ায় পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর দেয়া হয় ৫ আর কেউ কোন উত্তর না লিখে সাদা খাতা জমা দিলে তাকে দেয়া হয় ২।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দিনটিতে আমি পরীক্ষার এই নম্বর পদ্ধতি সম্পর্কে জানতাম না। জেনে অবাক হয়ে ড থিওদর মেদ্রায়েভকে জিজ্ঞেস করি,একজন ছাত্র কিছুই না লিখে ২ পাবে এটা কী যৌক্তিক! তার তো শূন্য পাওয়াটাই সঠিক।

ড মেদ্রায়েভ উত্তর দেন, একজন মানুষ এতো শীতের মধ্যে সকাল সাতটার ক্লাসগুলো ধরতে আরো আগে ঘুম থেকে উঠেছে, গণপরিবহনে চড়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্লাসরুমে পৌছেছে; প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে চেষ্টা করেছে, তাকে কী করে শূন্য দিই!
যে তার রাতগুলোতে পড়ালেখা করেছে, কলম-নোটবুক-কম্পিউটার কিনেছে পড়ালেখার জন্য; জীবন-ধারায় এতো ত্যাগ সাধন করেছে পড়ালেখার জন্য তাকে কী করে শূন্য দিই!

একজন ছাত্র উত্তর লিখতে পারেনি জন্যই তাকে আমরা শূন্য দিতে পারিনা বাবা। আমরা মানুষ হিসেবে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে চাই; তার মেধা আছে, সে কমপক্ষে চেষ্টা করেছে। যে ফলাফল আমরা দিই এটা শুধু উত্তরপত্রে লেখা উত্তরের ওপর ভিত্তি করে হতে পারেনা। এই ফলাফল দেয়া হয় তার প্রশংসা করতে আর সে যেহেতু মানুষ সে ন্যুনতম একটা নম্বর পাবার যোগ্য।

এটা শুনে আমি কেঁদেছি; বুঝতে পারিনি কী বলবো। কিন্তু ঐদিন আমি মানুষের গুরুত্ব বুঝতে পারি।
শূন্য নম্বর ছাত্রদের মোটিভেশন কমায়, তাদেরকে শেষ করে দেয়, তারা আর লেখাপড়াকে পছন্দ করতে পারে না।

গ্রেড বুকে শূন্য নম্বর লেখা হলে, ছাত্ররা ঐ বিষয়ের প্রতি আর আগ্রহ বোধ করে না। এই গল্পটা শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলা; তারা যেন নিজ নিজ দেশের শূন্য দেবার বাতিল-জবুথবু শিক্ষা-ব্যবস্থাটাকে বদলাতে চেষ্টা করে।

©© Collected

শারীরিক দুর্বলতা কাজের উৎসাহ একেবারে নষ্ট করে দেয় কিন্ত এই ধরণের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে প্রয়োজন আমাদের একটু সতর্কতা। সকালের সূর্যের আলো গ্রহন করুন। সকাল ৭ টায় সূর্যের আলোর মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করুন, এতে করে দেহে ভিটামিন ডি পৌছায় যা আমাদের দেহের হাড়ের গঠন সুগঠিত করার পাশাপাশি আমাদের শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সহায়তা করে।মাথা ঘোরানো কিংবা শরীরে শক্তি না পাওয়ার সমস্যা সমাধান করে। চা, কফি পান কমিয়ে দিন । চা, কফির ক্যাফেইন আমাদের শারীরিকভাবে দুর্বল করে তোলে । চা, কফি পান করলে তাৎক্ষণিকভাবে দেহে চাঙা ভাব এলেও এটি আমাদের দেহ পানিশূন্য করে ফেলে, যার ফলে আমাদের দেহে পানির চাহিদা বৃদ্ধি পায় ও আমরা দুর্বলতা অনুভব করি ।

আজ ১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস- আমরা তোমাদের ভুলবো না I

আজ ১৪ই ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস- আমরা তোমাদের ভুলবো না I

যে জাতি বীরকে সম্মান করতে জানে না সে
দেশে বীরের জম্ম হয় না,
লজ্জিত আমরা যাদের কারণে পাখিদের
থেকে স্বাধীনতা অর্জন করলাম,তাদের মৃত্যুর
পর তাদের কবরগুলো আজ অবহেলার পাত্র

নোটিশঃন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
#ডিগ্রি
ডিগ্রি ১ম বর্ষ (২০১৯-২০২০) সেশনের ১ম মেধাতালিকায় সুযোগ প্রাপ্তদের ভর্তির সময় শেষ। ক্লাস শুরু ১৫ ডিসেম্বর।

ডিগ্রি ভর্তির ২য় মেধাতালিকা ও মাইগ্রেশনের ফলাফল আনুমানিক ১৬-১৭ ডিসেম্বর প্রকাশ করতে পারে।
যারা ১ম মেধাতালিকায় সুযোগ পেয়ে ও ভর্তি হয়নি তারা ২য় মেধাতালিকা সুযোগ পাবেনা। তবে রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে।

#ডিগ্রি ( প্রাইভেট)
রেগুলার ডিগ্রির ভর্তির কার্যক্রম শেষ হলে প্রাইভেট ডিগ্রির নোটিশ দিবে।
আনুমানিক জানুয়ারিতে।

#মাষ্টার্স (নিয়মিত)
মাষ্টার্স ২য় মেধাতালিকা প্রকাশ করবে না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। রিলিজ স্লিপে ভর্তি হতে হবে। কোটার ভর্তির শেষ হলে রিলিজের নোটিশ দিবে।

#উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩ বছর মেয়াদি বিএ/বিএসএস কোর্সে ভর্তি চলছে উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে।
আবেদনের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর।
অন্য কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন ডিগ্রি ভর্তি সম্পর্কে।
# ধন্যবাদ সবাইকে।

খালি পেটে বাড়ি থেকে বের হতে নেই ।

আজ প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে রকেটের গতিতে।
আজ মানবীয় চরিত্র আর ভালবাসার পতন হচ্ছে উল্কার গতিতে।
আজ আকাশছোঁয়া অট্টালিকা হচ্ছে কিন্তু তাতে প্রশান্তি নেই।
মঙ্গল গ্রহের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে কিন্তু নিজের স্বজনদের সাথে কোন যোগাযোগ নেই। 😥😥

একজন সিরিয়ান বাবা!

কলিজার টুকরা দুই সন্তানকে কোলে নিয়ে উত্তাল সমুদ্রের ভয়ানক ঢেউগুলো পাড়ি দিয়ে এসেছেন গ্রীস সমুদ্র উপকূলে.........।

আল্লাহ! এ দৃশ্যগুলো আর কত দেখবো।

হে আল্লাহ পৃথিবীর সকল মুসলমান কে হেফাজত কর, আমিন।

আদর্শ মানুষকে কেউ পছন্দ করে না।
আদর্শ মানুষ ডিসটিল্ড ওয়াটারের মতো-
স্বাদহীন।
সমাজ পছন্দ করে অনাদর্শ মানুষকে।
যারা ডিসটিল্ড ওয়াটার নয়-কোকাকোলা ও
পেপসির মতো মিষ্টি কিন্তু ঝাঁঝালো।🤐🤐

অাল্লাহ অামাদেরকে নামাযী হিসেবে কবুল করুন, অামীন।

💚ইসলামে ঐক্যের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা💚
।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।
ঐক্য ও সংহতি মুসলিম জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আল্লাহতায়ালা ও শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ঈমানের অনিবার্য দাবি হচ্ছে- ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপন। তাওহিদের পরে মুমিনদেরকে যে ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি তাগিদ দেওয়া হয়েছে তা হলো- ঐক্য।
ঐক্য ও সংহতি মুসলিম জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। আল্লাহতায়ালা ও শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ঈমানের অনিবার্য দাবি হচ্ছে- ঐক্যবদ্ধ জীবনযাপন। তাওহিদের পরে মুমিনদেরকে যে ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি তাগিদ দেওয়া হয়েছে তা হলো- ঐক্য।
ঐক্যবদ্ধভাবে জীবনযাপন করা মুমিনের অপরিহার্য কর্তব্য। ইসলামে ঐক্যের গুরুত্ব অপরিসীম। সংঘবদ্ধভাবে জীবন পরিচালনা করা ইসলামের নির্দেশনা। এ সর্ম্পকে মহান রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমারা আল্লাহর রজ্জুকে (ইসলাম) আঁকড়ে ধর (ঐক্যবদ্ধ হও) এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।’ -সূরা আল ইমরান: ১০৩
ঐক্য সর্ম্পকে রাব্বুল আলামিন কোরআনের অন্যত্র ইরশাদ করেন, ‘তোমরা সেসব লোকদের মতো হয়ো না, যাদের কাছে স্পষ্ট ও প্রকাশ্য নিদর্শন আসার পরও তারা বিভিন্ন দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং নানা ধরনের মতানৈক্য সৃষ্টি করেছে, তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।’ -সূরা আল ইমরান: ১০৫
ঐক্য প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে কারিমের আরও কিছু আয়াত হলো-
‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, সালাত কায়েম কর এবং কখনো মুশরিকদের দলভূক্ত হয়ো না, যারা তাদের দ্বীনকে টুকরো করে দিয়েছে এবং নিজেরা নানা দলে বিভক্ত হয়েছে, এদের প্রত্যেকটি দলই নিজেদের যা আছে তা নিয়েই মত্ত।’ -সূরা তাওবা: ৩১-৩২
‘নিশ্চয়ই মুমিনগণ পরস্পর ভাই ভাই।’ -সূরা হুজরাত: ১০
‘এই যে তোমাদের জাতি, এতো একই জাতি, আর আমি তোমাদের পালনকর্তা, অতএব তোমরা (ঐক্যবদ্ধভাবে) আমারই দাসত্ব কর।’ -সূরা তওবা: ৯২
ঐক্য সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে কারিমের এক নির্দেশনা থাকার পরও বর্তমানে মুসলিম সমাজের ঐক্যের অভাবই বেশি পরিলক্ষিত হয়। মুসলিম জাতি এক প্রাণ, এক দেহ- এই চেতনাবোধ দিনে দিনে ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর আসছে। ইসলামে মুসলমানদের পারস্পরিক সর্ম্পক ভ্রাতৃত্বের। এ সর্ম্পকের ভিত্তি ইসলামের একটি স্তম্ভের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যে কেউ তার স্বীকৃতি দিবে সেই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে। এই ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য বজায় রাখার ব্যাপারে মহান আল্লাহতায়ালা এবং হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) জোর তাগিদ দিয়েছেন।
হজরত হারিছ আল আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদেরকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি, স্বয়ং রব আমাকে ওইগুলোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়গুলো হচ্ছে- সংঘবদ্ধ, আমিরের নির্দেশ শ্রবণ, নির্দেশ পালন, হিজরত এবং আল্লাহর পথে জিহাদ। যে ব্যক্তি সংঘবদ্ধতা ত্যাগ করে এক বিঘৎ পরিমাণ দূরে সরে গেছে সে নিজের গর্দান থেকে ইসলামের রজ্জু খুলে ফেলেছে। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালাত কায়েম এবং সাওম পালন করা সত্ত্বেও? এর উত্তরে রাসূল (সা.) বলেন, নামাজ কায়েম এবং রোজা পালন এবং মুসলমান বলে দাবি করা সত্ত্বেও।’ –সুনানে তিরমিজি
হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জান্নাতের সর্বোত্তম অংশে বসবাস করে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরে।’ –তিরমিজি
হজরত রাসূলে আকরাম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জীবন-যাপন কর, সংঘবদ্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে জীবন-যাপন করো না, কারণ বিচ্ছিন্ন জীবন-যাপন করলে শয়তানের কু-প্ররোচনায় আকৃষ্ট হয়ে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।’ -আবু দাউদ ও ইবনে মাজা
হজরত রাসূলে কারিম (সা.) ইরশাদ করেন, ‘মুমিনগণ অপর মুমিনের জন্য একটি প্রাচীরের মতো, যার এক অংশ অপর অংশকে মজবুত করে। এরপর তিনি এক হাতের আঙুল অপর হাতের আঙুলে প্রবিষ্ট করেন।’ –সহিহ বোখারি ও মুসলিম
হজরত ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সংঘবদ্ধ থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে তার মৃত্যু হবে জাহিলিয়াতের মৃত্যু।’ –মুসলিম
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তিনজন লোক কোনো নির্জন প্রান্তরে থাকলেও একজনকে আমির না বানিয়ে থাকা জায়েজ নয়।’ –আহমদ
হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া, অনুগ্রহ, মায়া-মমতার দৃষ্টিকোণ থেকে তুমি মুমিনদের দেখবে একটি দেহের মতো। যদি দেহের কোনো একটি অংশ আহত হয়ে পড়ে তবে অন্যান্য অংশও তা অনুভব করে।’ -সহিহ বোখারি ও মুসলিম
হজরত রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘মুমিনগণ একজন মানুষের মতো, যার চোখ আক্রান্ত হলে সমস্ত শরীর আক্রান্ত হয়; আর তার মাথা আক্রান্ত হলে সমস্ত শরীর আহত হয়।’ –সহিহ মুসলিম
ঐক্য প্রসঙ্গে ইসলামের এমন নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মুসলিম মিল্লাত আজ শতধাবিভক্ত। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা আশা করি, মুসলমানরা বিষয়টি হৃদয় দিয়ে অনুভব করে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবেন।

কিংবদন্তি বাবার সঙ্গে নতুন গান নিয়ে হাবিব

অবশেষে কিংবদন্তি পপ গায়ক বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদের সাথে নতুন গান নিয়ে হাজির হলেন কণ্ঠশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ। নতুন এই গানটির নাম ‘পাঞ্জা’। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাবিব নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেছেন মজার এই গানটি।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গানে গানে চলছে বাবা ও ছেলের মিষ্টি ঝগড়া। গানের বিষয় সেই কাল আর এই কাল। ফেরদৌস ওয়াহিদ গেয়ে উঠেন শোনো সবাই আমার কথাটায়, অস্থির এই সময়, তোমাদের হৃদয়ে সংশয়, প্রেমটা তাই হয়ে গেছে ক্ষয় এমনই কথার এ গানটি লিখেছেন সুহৃদ সুফিয়ান। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন হাবিব ওয়াহিদ। গানে গানেই বাবার কথার প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাবিব।
ভক্তদের উদ্দেশ্যে হাবিব বলেন, ‘সংগীত জগতের লোকেরা যখন একত্র হয় মজার মজার কিছু মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। সেসব মজার কিছু মুহূর্তের চিত্র তুলে ধরতে আপনাদের সামনে নিয়ে এলাম আমার নতুন গান পাঞ্জা। আর সাথে বাপ বেটার দ্বন্দ্ব তো আছেই।’
২০০৬ সালে প্রথম একই গানে বাবা-ছেলে ফেরদৌস ওয়াহিদ ও হাবিব ওয়াহিদ একসঙ্গে গান গেয়েছিলেন। ‘কলি থেকে ফুল’ শিরোনামের এ গানে হাবিবের সুর-সংগীতে কণ্ঠ দেন ফেরদৌস। এরপর আরও কয়েকটি গানে একসঙ্গে হাজির হয়েছেন। গত বছর হাবিবের গাওয়া ‘ঝড়’ গানের ভিডিওতে হাজির হয়েছিলেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। এবার দিলেন নতুন চমক।

মস্তিষ্ক সুস্থ ও ধারালো রাখার ৭ উপায়!


বয়স বাড়লেও মস্তিষ্ক থাকবে সুস্থ আর ধারালো, বুদ্ধিবৃত্তির দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া যায় ঠেকানো। জেনে নিন ৭ উপায়:
১। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
২। নিয়ন্ত্রণে রাখুন কোলেস্টেরল
৩।
রক্তের গ্লুকোজ রাখুন স্বাভাবিক
৪। শরীর রাখুন সক্রিয়
৫। স্বাস্থ্যকর খাবার খান
৬।
বাড়তি ওজন শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলুন
৭। ধূমপান ছাড়ুন। না করে থাকলে আর ধরবেন না।
উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চমান গ্লুকোজ, উচ্চ মান কোলেস্টেরল সব প্রভাব ফেলে মগজে বহমান রক্তনালির উপর। উত্তম কাজকর্মের জন্য মগজের চাই পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ ।
রক্তের প্রবাহ যদি ধীর হয়ে যায় বা রোধ হয় তখন মগজের টিস্যুর ক্ষতি হতে পারে।
জীবনাচরণে পরিবর্তন শুরু করা উচিত জীবনের শুরুতে। কারণ ধমনী সরু হওয়ার প্রক্রিয়া আরম্ভ হয় ছোটবেলা থেকেই। সারা জীবন শিক্ষা আর সামাজিক সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ।

আমড়া বিক্রেতার এই থালায় কী আছে জানেন??

থালায় শুধুমাত্র আমড়া কিংবা লবন-মরিচ না; এখানে একথালা স্বপ্ন ছিলো। একটি পরিবারের একদিনের আহার ছিলো। এই একথালা আমড়ায় হয়তো তার স্ত্রী অথবা মায়ের জন্যে ঔষদ কেনার টাকা ছিলো। পরের দিন আবার পালবাজার থেকে আমড়া কেনার মূল চালান ছিলো।
পরিশেষে এই একথালা আমড়ায় গরীর লোকটার কপাল বেয়ে ঝরেপড়া লোনাক্ত ঘাম ছিলো। হয়তো দু'চোখের জলও ছিলো।

'চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালের লঞ্চঘাটে' অবৈধভাবে থালা মাথায় আমড়া বিক্রির অপরাধে তাকে বড়জোড় কানধরে উঠবস করতেন. না হয়, একঘন্টা আটক রাখতেন। তাই বলে তার জীবন-জীবিকার একমাত্র অবলম্বনটা জলে ফেলে দিবেন??

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে কতোগুলো অবৈধ স্থাপনা, হোটেল আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে? নিশ্চই জানেন আপনি। পারবেন! ঠিক এইভাবে সেগুলো নদীতে ফেলে দিতে???

এই গরীব মানুষগুলো যদি এতোটাই বোঝা হয়ে থাকে, তবে তাদেরকে ধরে ধরে নদীতে ফেলে দিন।

প্লিজ, তবুও তার স্বপ্নগুলো এইভাবে নদীতে ফেলবেন না।।।

💝💝💝#বাবা_তুমি_সত্যি_মহান#💝💝💝

#বাবাকে বলেছিলাম ১০ হাজার টাকা দাও কক্সবাজার বেড়াতে যাব!
মুচকি হেসেই বললেন কবে যাবি?
বললাম ৫ দিন পর!

#বাবা বললেন কাল থেকে একটা কাজ থাকায় ৩ দিন বাইরে থাকবো, তুই এই ৩টা দিন দোকানে একটু সময় দিস, ফিরে এসেই তোকে টাকাটা দিচ্ছি!"

#আমি তো মহা খুশি!

#আমি ৩দিন দোকান দেখাশুনা করি। এই তিন দিনে আয় হয় ৮২০ টাকা। আর এই ৩দিনে যে পরিমাণ কষ্ট হয়েছে মনে হয় না জন্মের পর থেকে আমি আমার জীবনে এত কষ্ট করেছি...

#রাতে নিজের রুমে বসে যখন ফোন টিপছি তখন বাবা এসে বললো,
-এই নে তোর ১০ হাজার টাকা।
আমি বাবার দিকে তাকিয়ে বললাম,
-- কিসের ১০ হাজার টাকা?

#বাবা অবাক হয়ে বললো,
- তুই না কক্সবাজার যাবি বন্ধুদের সাথে?
আমি বাবার চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম,
--বাবা আমি আগে বুঝতাম না টাকা ইনকাম করতে কতটা কষ্ট হয় তোমার তাই তোমার কাছে এতকিছু আবদার করতাম। আমি এই ৩ দিনে খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছি টাকা ইনকাম করার কষ্টটা। যে আমি ৩ দিনে ৫ হাজার টাকায় ইনকাম করতে পারলাম না সেই আমি কি না ২ দিনের জন্য ১০ হাজার টাকা আবদার করি!! এত টাকা খরচ করা আমাদের মত নিম্নবিত্ত পরিবারের জন্য অপচয় ছাড়া কিছু নয় বাবা।

#বাবা কাল থেকে আমি অবসর সময়ে দোকানে তোমাকে সহযোগীতা করব। বাবা কথা শুনে জড়িয়ে ধরে কাদঁলেন। বললেন তুই যে বাবার কষ্টটা বু্ঝতে পারছিস তাতেই আমি খুশি তুকে সহযোগীতা করতে হবে না। বাবা অনেক ভালোবাসি তোমায়,,,,,♥♥

#বিঃদ্র- গল্পটা বিন্দু পরিমান ভালো লেগে থাকলে ছোট একটা কমেন্ট করে জানাবেন#!!

💚হিজড়া সন্তান কেন হয়?
পবিত্র কোরআন ও বিজ্ঞান এ সম্পর্কে কি ব্যাখ্যা দিচ্ছে??💚
------------------------------------------------------------
------
অনেক সময় দেখা যায় হিজড়া সন্তানের জন্ম হয়েছে।
এর কি কোনো বিশেষ কারণ রয়েছে? অর্থাৎ কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা? চলুন জেনে নিই,
হিজড়া জন্ম হওয়ার কারণ :
হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ হিজড়ারা জীনদের সন্তান। কোন এক বাক্তি আব্বাস (রাঃ) কে প্রশ্ন করেছিলেন এটা কেমন করে হতে পারে।
জবাবে তিনি বলেছিলেন “আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে মানুষ যেন তার স্ত্রীর মাসিক স্রাব চলাকালে যৌন সংগম না করে”, সুতরাং কোন মহিলার সঙ্গে তার ঋতুস্রাব হলে শয়তান তার আগে থাকে এবং সেই শয়তান দারা ঐ মহিলা গর্ববতী হয় ও হিজড়া সন্তান প্রসব করে।
(মানুষ ও জীন এর যৌথ মিলনজাত সন্তানকে ইসলাম এ বলা হয় “খুন্নাস”)।
প্রমানসুত্রঃ সূরা বানী ইস্রাইল- আর রাহমান -৫৪, ইবনে আবি হাতিম, হাকিম তিরমিজি।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায়ঃ দেখা যায় XX প্যাটার্ন ডিম্বানুর সমন্বয়ে কন্যা শিশু আর XY প্যাটার্ন থেকে সৃষ্ট হয় ছেলে শিশু। ভ্রুনের পূর্ণতার স্তরগুলোতে ক্রোমোজোম প্যাটার্নের প্রভাবে ছেলে শিশুর মধ্যে অন্ডকোষ আর কন্যা শিশুর মধ্য ডিম্ব কোষ জন্ম নেয়। অন্ডকোষ থেকে নিসৃত হয় পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন এবং ডিম্ব কোষ থেকে নিসৃত হয় এস্ট্রোজেন।
এক্ষেত্রে ভ্রুনের বিকাশকালে নিষিক্তকরণ ও বিভাজনের ফলে বেশকিছু অস্বাভাবিক প্যাটার্নের সৃষ্টি হয় যেমন XXY অথবা XYY। এর ফলে বিভিন্ন গঠনের হিজড়া শিশুর জন্ম হয়।
একটা ব্যাপার হল, একটি হিজড়া শিশুকে পরিণত বয়সে যাওয়ার আগে যদি যথযথ মেডিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব।
কিন্তু যখন বোঝা যায় সে সাধারণ আর দশজনের থেকে আলাদা তখন আসলে অনেক দেরী হয়ে যায়। একইভাবে কোন পুরুষ বা নারীও হিজড়া হতে পারেন।
কেন সন্তান হিজড়া হয়?
হিজড়াদের সাথে আমরা কম বেশী সবাই পরিচিত। কিছু মানুষ হিজড়াদের সাথে মজা করতে পছন্দ করে, কেউ আবার এড়িয়ে চলে। নারীদের ক্ষেত্রে তারা হিজড়াদের রীতিমত ভয় পায় বিশেষ করে তাদের অশোভন আচরণ এর কারণে। হিজড়ারা মূলত সমাজে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে না পেরে নিজেরা আলাদা সমাজ গড়ে তোলে।
পরে সমাজ তাদেরকে বঞ্ছিত করেছে স্বাভাবিক জীবন থেকে এই ধারণা থেকে এসব অশোভন আচরণ করে থাকে। হিজড়াদের সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। অনেকে আবার ভুল ধারণা পোষন করি। আসুন আজ জেনে নেব হিজরা হওয়ার কারণ সম্পর্কে। হিজড়া কি? কেন হিজড়া হয়? হিজড়া কত প্রকার? হিজড়ার কি চিকিৎসা সম্ভব? ইত্যকার নানা বিষয়।
হিজড়া শব্দটি এসেছে আরবী হিজরত বা হিজরী শব্দ থেকে যার আভিধানিক অর্থ পরিবর্তন বা Migrate বা Transfer। হিজড়া’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ উভয় লিঙ্গ (Common Gender), ইংরেজীতে একে ট্রান্সজেন্ডার (Transgender) বলা হয়।
যদি সহজে বুঝতে চান হিজড়া কি তাহলে এতটুকু বুঝুন যে, একজন মানুষ যার শরীরটা পুরষের আর মনটা নারীর অথবা মনটা পুরুষের আর শরীরটা নারীর। অবশ্য এই ২ প্রকার হিজরা ছাড়াও আরো ৪ রকমের হিজড়া রয়েছে।
হিজড়া কেন হয়?
মানুষ যেমন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়, শ্রবণ প্রতিবন্ধী হয় তেমনি যৌন প্রতিবন্ধিও হতে পারে। হিজড়া’রা হচ্ছে যৌন প্রতিবন্ধী। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা হয়। মানুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম তার আকৃতি প্রকৃতি ঠিক করে। এর মধ্যে ২২ জোড়া ঠিক করে একটি শিশুর তাবৎ বৈশিস্ঠ্য আর একজোড়া বা ২টি ক্রোমোজোম ঠিক করে শিশু ছেলে না মেয়ে হবে।
সে একজোড়া ক্রোমোজোম বাবার কাছ থেকে আসে XY আর মায়ের কাছ থেকে আসে XX। এই এক্স ও ওয়াই এর কম্বিনেশান জটিলতার কারণে শিশু হিজড়া হয়।
XX প্যাটার্ন ক্রোমোজমে কন্যা শিশু আর XY প্যাটার্ন ক্রোমোজমে সৃষ্ট হয় ছেলে শিশু। অর্থাৎ, X এর সঙ্গে X এর মিলনে মেয়ে বা xx এবং X এর সঙ্গে Y এর মিলনে ছেলে সন্তান বা XY জন্ম নেয়। এবং ভ্রুনের পূর্ণতার স্তরগুলোতে ক্রোমোজোম প্যাটার্নের প্রভাবে ছেলে শিশুর মধ্যে অন্ডকোষ আর কন্যা শিশুর মধ্য ডিম্ব কোষ জন্ম ।
এক্ষেত্রে ভ্রুনের বিকাশকালে নিষিক্তকরণ ও বিভাজনের ফলে বেশকিছু অস্বাভাবিক প্যাটার্নের সৃষ্টি হতে পারে যখনি এমনটা হয় তখনি শিশুর লিঙ্গ জনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়। সে হয়তো সঠিক লিঙ্গ পায়না, অথবা পুরুষ লিঙ্গ পেয়েও পুরুষত্ব পায়না আবার নারী লিঙ্গ পেয়েও নারীত্ব পায়না।
তখন এক্স ও ওয়াই এর কম্বিনেশান স্বাভাবিক হয়না, যেমন XXY অথবা XYY। বা XYX বা YXY এর ফলে বিভিন্ন গঠনের হিজড়া শিশুর জন্ম হয়। ভ্রুনের পূর্ণতার স্তরগুলোতে ক্রোমোজম গঠনের প্রভাবে ছেলে শিশুর মধ্যে ‘অন্ডকোষ’ আর কন্যা শিশুর মধ্য ‘ডিম্বকোষ’ জন্ম নেয়। অন্ডকোষ থেকে নিসৃত হয় পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন এবং ডিম্বকোষ থেকে নিসৃত হয় এস্ট্রোজেন। এক্ষেত্রে ভ্রুনের বিকাশকালে নিষিক্তকরণ ও বিভাজনের ফলে বেশকিছু অস্বাভাবিক গঠনের সৃষ্টি হয়। যেমন, XXY অথবা XYY। এর ফলে বিভিন্ন গঠনের হিজড়া শিশুর জন্ম হয়।
হিজড়া এর প্রকারভেদ
আধুনিক জেনেটিক্স বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে হিজড়া হলো সেক্র ক্রোমোজমের ত্রুটিপূর্ণ বিন্যাস (Chromosomal Aberration) বা জিন জনিত জন্মগত যৌন প্রতিবন্ধি ব্যাক্তি যাদের জন্ম পরবর্তী সঠিক লিঙ্গ নির্ধারণে জটিলতা দেখা দেয়।
প্রাকৃতিক ভাবে চার ধরনের হিজড়া হলেও আজকাল অসৎ উদ্দেশ্যে নারী পুরুষদের অপারেশন ও হরমোণ পরিবর্তণ করে হিজড়া বানানো হয়।
এদের প্রধান সমস্যা গুলো হল এদের লিঙ্গে নারী বা পুরূষের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকে না। কারো কারো ক্ষেত্রে দেখা যায় লিঙ্গ নির্ধারক অঙ্গ থাকে না। এসবের উপর নির্ভর করে তাদেরকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায।মূলত এটি একটি শারীরিক গঠনজনিত সমস্যা যা অন্যান্য প্রতিবন্ধীদের মতই কিন্তু প্রতিবন্ধকতার স্থানটি ভিন্ন হওয়াতেই তারা হিজড়া।
হিজড়াদের শারীরিক গঠন মূলত ৪ প্রকার। কিছু হিজড়া হলো যাদের মধ্যে নারী নারী জননাঙ্গ থাকে না। আবার কিছু হিজড়া হলো যাদের পুরুষের সকল বৈশিষ্ট্য থাকা সত্বেও পুরুষ জননাঙ্গ থাকে না। এছাড়া কিছু হিজড়ার উভয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। কারো কোনোটাই থাকেনা। আর শারীরিক ও মানসিক গঠনের উপর নির্ভর করে এদেরকে ৬ ভাগে ভাগ করা যায়।
শারীরিক ভাবে পুরুষ কিন্তু মানষিক ভাবে নারী বৈশীষ্ট্য এর অধীকারী হিজড়াদের বলা হয় অকুয়া, ঠিক বিপরীত হিজড়াদের বলা হয় জেনানা, আর মানুষের হাতে সৃষ্ট বা ক্যাসট্রেড পুরুষদের বলা হয় চিন্নি।
যদি কোন হিজরা নারী পুরুষাঙ্গের অধিকারী হয় আর সন্তান উৎপাদনে সক্ষম হয় তবে এদের নারী ধরা হয়। ইসলামে হিজড়াদের অস্তিত্ব স্বীকার করা হলেও গোপনাঙ্গের ধরণের ভিত্তিতে হিজড়াদের নারী অথবা পুরুষের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।
সেই অনুযায়ীই তাকে পর্দা, নামায, রোযা পালন করতে হবে, এমনকি সে মোতাবেক সম্পদের ভাগ ভাটোয়ারা করে দেয়া হয়েছে। যদিও আমাদের সমাজে হিজড়াদের পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়।
আশার কথা
হিজড়া বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মানো কোন শিশুর যদি পরিনত বয়সে যাওয়ার আগে চিকিৎসা করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু যখন আসলে বোঝা যায় সে সাধারন আর দশজনের থেকে আলাদা তখন আসলে অনেক দেরী হয়ে যায়। এছাড়াও জন্মের পর বাড়ন্ত সময়ে শিশুর যখন অস্বাভাবিকতা বা হিজড়ার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়; তাহলে তৎক্ষণাৎ পরিণত বয়সে যাওয়ার আগে যদি সঠিক মেডিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব।
সঠিক অপারেশনের মাধ্যমে হিজড়াদের লিঙ্গ সমস্যার সমাধান সম্ভব। মুসলিম রাষ্ট্র ইরানে সরকারি উদ্যোগে, অপারেশনের মাধ্যমে হিজড়াদের পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। হিজড়া সম্প্রদায় সৃষ্টির সেরা জীব বা আশরাফুল মাখলুকাতের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ মানুষের পর্যায়ভুক্ত, তারাও সৃষ্টির সেরা। তাদের অবজ্ঞা করা মানে আল্লাহর সৃষ্টিকেই অবজ্ঞা করা।
হিজড়াদের নিয়ে রাসুল (স) এর হাদীস রয়েছে। একজন হিজড়া পবিত্র ক্বাবাঘরের খাদেম এর দায়িত্ব পালন করেছেন বলে শোনা যায়। ভারতে হিজড়ারা ভাতাসহ নানা সুবিধা পায়। পায় একটি সংসদ সদস্যপদ। বাংলাদেশে হিজড়ারা দীর্ঘদিনে আন্দোলন করে ভোটাধিকার এবং তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
সরকার তাদেরকে চাকরী বাকরী দেয়ার কথা ভাবছে। তবে তাদের জন্য সবচেয়ে বেশী যেটা প্রয়োজন সেটা হলো শিক্ষা। সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে তারা নিজেরাই তাদের অধিকার এবং কাজ খুঁজে নেবে।
কিন্তু দু:খের বিষয় হলেও সত্য যে, এদের মধ্যে কিছু লোক হিজড়াদের দিয়ে চাঁদাবাজী করানোর জন্য তাদেরকে বাইরের লোকদের সাথে মিশতে এবং শিক্ষা গ্রহণ করতে দিতে চায়না।

ফ্রিল্যান্সিং অনেকটা এই ছবিটার মত।
২লাইন কোড শিখেই আমরা ভাবি এই বুঝি কোটিপতি হবার টাইম চলে এসেছে।
মোবাইলটা উল্টো করে ধরেন, দেখবেন বাস্তবতা। :)

ঠিক তেমনি, ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে বাস্তবতাটা বুঝতে হবে, হতে হবে কঠোর পরিশ্রমী। অবাস্তব চিন্তা ভাবনা করলে পরে শুধুই হতাশ হতে হবে, সফলতা আসবেনা।
শুভকামনা রইল সবার জন্য❤

এটাই আমাদের বাংলাদেশের নিয়ম!

এক অপুর্ব সুন্দরী নারী
এক কৃষক কে বলল আমি তোমাকে বিবাহ
করিব। কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে
পাগল। কৃষক দেরি না করে নারী কে নিয়ে
কাজী অফিস গিয়ে বলল তাড়াতাড়ি
আমাদের বিবাহ দাও। কাজী নারীর
চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল।
কাজী বলে আরে বেটা কৃষক, তুই তো এই
নারীর উপযুক্তই না,আমি বিবাহ করিব। কৃষক
আর কাজীর মধ্য ঝগড়া লেগে গেল। এক
পর্যায় কৃষক আর কাজী বিচার নিয়ে গেল
বাদশাহের দরবারে। বাদশাহ নারীর
চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল। বাদশাহ
বলেন তোরাতো দুই জনই এই নারীর অযোগ্য
বিবাহ আমি করিব। তখন নারী কে বলা হল
তুমি সিদ্ধান্ত দাও কাকে বিবাহ করিবে?
নারী সিদ্ধান্ত দিল, যে আমাকে দৌড়ে
ধরতে পারবে আমি তাকে বিবাহ করিব।
নারী দৌড় দিল পিছে পিছে কৃষক কাজী ও
বাদশাহ দৌড় দিল। দৌড়াতে দৌড়াতে এক
সময় ছটফট করতে করতে কৃষক মারা গেল। তার
কিছু দূর পর একই অবস্থায় কাজী টাও মারা
গেল। বাদশাহ নারী কে বলেন এখন তো
আমি একা, চল বিবাহ করিব।
তবুও নারী বলে না, আমাকে দৌড়ে ধরতে
হবে। তখন বাদশাহ বলেন, হে নারী দাড়াও,
বল, আসলে তুমি কে?? নারী বলে আমি হলাম
দুনিয়া। আমার মধ্য আছে সুধু চাকচিক্য মোহ
আর লোভলালসা। আমার পিছে যে দৌড়াবে
সে শুধু এভাবেই মরবে বিনিময়ে কিছুই
পাবে না।
কেমন লেগেছে জানাতে ভুলবেন না কিন্তুু ।।
।। সবাই শেয়ার করুন ।।

জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা খুব জরুরি


সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে অনেক মানুষ শেষ বয়সে এসে এক খন্ড জমি কিনে যাতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মাথা গুজার একটু জায়গা থাকে। কিন্তু জমি কিনেই ঝামেলায় পড়েছেন অনেকে । কেউ আবার হয়েছেন সর্বশান্ত। মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্বল্প জ্ঞান ও অসতর্কতার কারণেই মানুষ এই ঝামেলায় পড়ে।
তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি-
১. অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে জরিপের মাধ্যমে প্রণিত রেকর্ড। খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।
২. জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ দেখে নিতে হবে।
৩. জমি কেনার আগে উক্ত জমির সিএস রেকর্ড, এসএ রেকর্ড, আরএস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।
৪. বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয়সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার কেনার দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে যিনি বেচবেন তার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
৫. জমির বিক্রিকারী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে, তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তার মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সম্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালো ভাবে যাচাই করে নিতে হবে।
আইনজ্ঞরা আরও বলছেন, যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন (AD) তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে সত্যায়ন বা শুদ্ধতার পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।
৬. তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রিকারীর শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রিকারীর সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।
৭. জমি বিক্রিকারীর নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।
৮. জমি কেনার ক্ষেত্রে যিনি জমি কিনবেন তাকে মনে রাখতে হবে যে ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা/দাবি আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়।

নভেম্বরের ২৫ তারিখ পয়েন্ট উইথড্র করছিলাম কিন্তু এখন ও টাকা পাইলাম না।এখনো পেন্ডিং এ আছে। কবে পাব তা ও জানি না

দিনের কোন সময়ে পানি পান উপকারী?


সুস্থ থাকতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত, এটা কমবেশি সবাই জানেন। তবে পানি পানের কিছু নিয়ম আছে। এগুলো মেনে চললে তূলনামুলকভাবে বেশি উপকার পাওয়া যায়। যেমন-
সকালে ঘুম থেকে উঠে: সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা টক্সিক দূর হয়ে যায়। এতে দিনভর শরীর ফুরফুরে লাগে। তবে এ সময় ঠাণ্ডা পানি খাওয়া ঠিক নয়। বরং এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করলে উপকার পাবেন।
খাবার খাওয়ার আগে:
দিনের অথবা রাতের খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খান। এতে পেট ভর্তি থাকবে। তখন খুব বেশি খাওয়া থেকে বিরত থাকা যাবে। তাছাড়া খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে এক গ্লাস পানি পান করলে খাবারের স্বাদও বেশি পাওয়া যায়।
খিদে পেলে: অনেক সময় কাজের ফাঁকে বা নিতান্ত অসময়ে খিদে পেয়ে যায়। অনেক সময় শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলেও ক্ষুধা অনুভূত হতে পারে। তাই কিছু না খেয়ে প্রথমে এক গ্লাস পানি খেতে পারেন।
শরীরচর্চার পর: ব্যায়াম কিংবা শরীরচর্চার পর শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই ভারী শরীরচর্চার আগে ২ থেকে ৩ গ্লাস পানি পান করুন। এতে শরীরে তরলের ভারসাম্য বজায় থাকবে। কিন্তু একবারে বেশি পরিমাণে পানি পান করা ঠিক নয়। এতে পেট ব্যথা হতে পারে।
অসুস্থ লাগলে: জ্বর, সর্দি-কাশি হলে বা ছোট বড় অসুস্থতায় পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি করা উচিত। এতে দেহের টক্সিক দূর হবে। শরীরও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।
ক্লান্ত লাগলে: শরীর ক্লান্ত হলে কিংবা বিশ্রাম নেওয়ার সময় না থাকলে পানি পান করা উচিত। পানিশূন্যতার কারণে অনেক সময় শরীর ক্লান্ত লাগে। এসময় পানি পান করলে মস্তিষ্ক সচল থাকবে।

5 Rate dilam..

গুগলে চাকরি পেতে যে ১০ প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়


অনেকের স্বপ্ন গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। দারুণ সুযোগ-সুবিধা, আকর্ষণীয় বেতন, সন্তোষজনক কর্মপরিবেশ সবার মনেই আগ্রহ জাগায়। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বেতন দিয়ে থাকে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গুগল। কিন্তু গুগলের কর্মী হওয়া খুব সহজ কাজ নয়। কারণ, গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই।
নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাজলো বক বলেছিলেন, গুগলে চাকরি পেতে গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার দক্ষতা জরুরি। যদি কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় ভালো গ্রেড অর্জন করে এবং সত্যিকারের দক্ষতা দেখাতে পারে, তারা গুগলে চাকরির জন্য অবশ্যই আবেদন করতে পারে। গণিত আর কোড, এ দুটি দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীর জন্য একটা বাড়তি সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এ দুটির বাইরে গুগলে চাকরি পেতে আরও অনেক দক্ষতাই অর্জন করতে হবে।
গুগলে চাকরির জন্য পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি চাকরির পদটি কোনো কারিগরি বিষয় হয়, তবে জোর দেওয়া হয় কোডিং দক্ষতার ওপর। গুগলে চাকরির প্রায় অর্ধেকই অবশ্য কারিগরি শ্রেণিতেই পড়ে। প্রতিটি চাকরির ক্ষেত্রেই যে মূল বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয় তা হচ্ছে সাধারণ জ্ঞানের দক্ষতা। বিষয়টিতে আইকিউয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না।
এখানে সাধারণ জ্ঞান বলতে বোঝানো হচ্ছে, কোনো বিষয় শেখার দক্ষতা, দ্রুত শেখার ক্ষমতা এবং তা কাজে লাগানোর ক্ষমতা। এই দক্ষতা হচ্ছে, অতিসূক্ষ্ম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা। গুগলে চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় আচরণগত এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে নেতৃত্বগুণ। গুগলে চাকরি পেতে গেলে আরও দুটি ভালো গুণ অর্জন করা জরুরি। এর একটি নম্রতা, অন্যটি কোনো জিনিসকে দ্রুত নিজের করে নেওয়ার ক্ষমতা। গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য আরেকটি দক্ষতা থাকতে হবে আর তা হচ্ছে কোনো কাজের ওপর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা। ন্যূনতম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে কাজে নেওয়া হলে তাঁর শেখার আগ্রহ, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ থাকে। গুগল যে কাজটি করে তা হচ্ছে, প্রচলিত জিপিএ বা প্রচলিত শিক্ষার বাইরের মেধাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।
গুগলে চাকরি পেতে সাক্ষাৎকার বোর্ডে বেশ কিছু আজব প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এ প্রশ্নগুলো একেক পদের জন্য একেক রকম হতে পারে। এ রকম ১০টি প্রশ্ন:
ক্রিয়েটিভ স্পেশালিস্ট: গুগলের ক্রিয়েটিভ স্পেশালিস্ট নিয়োগ দেওয়ার আগে তাঁর সাধারণ জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করা হয়। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে এক সাক্ষাৎকারে এ পদের প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—এইচটিএমএল ৫-এর গুরুত্ব ল্যারি পেজকে বোঝানোর পর কীভাবে তা আমার দাদিকে বোঝাব?
ডেটাবেইস অ্যাডমিন: গুগলের গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট হচ্ছে ডেটাবেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। এ পদে নিয়োগের জন্য ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনাকে যদি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ও একটি মহাকাশযান দেওয়া হয় তবে মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন?
সফটওয়্যার প্রকৌশলী: সফটওয়্যার প্রকৌশলীদেরও নানা জটিল প্রশ্ন করে গুগল। এর আগে এক কর্মীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনাকে গোড়া থেকে গুগল ম্যাপ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হলে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়াতে (মুম্বাই) দাঁড়ানো এক ব্যক্তিকে গাইড করে ইন্ডিয়া গেটে কীভাবে নেবেন?
প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজার: গুগলের প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজারদের চাকরির আগে প্রশ্ন করা হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর কলেজ সিনিয়র যাঁরা চার বছর মেয়াদি স্নাতক শেষ করে চাকরি নিয়ে বের হচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা অনুমান করে বলুন।
অ্যাসোসিয়েট প্রোডাক্ট ম্যানেজার: এ পদের কর্মীদেরও নানা কৌশলী প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এর আগে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনার কাছে যদি ব্যাংকের ডেটাবেইস ব্যবহারের সুযোগ থাকে, তবে ওই তথ্য ব্যবহার করে বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য কীভাবে এটিএম তৈরি করবেন?
প্রোডাক্ট ম্যানেজার: গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার পদটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এ পদে চাকরির জন্য প্রশ্ন করা হয়, সান ফ্রান্সিসকোর ডাউনটাউনে গৃহহীন হওয়ার সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন?
কোয়ানটিটিভ কমপেনশেসন অ্যানালিস্ট: বিশ্বের কোথাও যদি আপনি গুগলের নতুন অফিস খোলেন তবে সেখানকার কর্মীদের বেতনভাতার বিষয়টি কীভাবে বের করবেন?
কোয়ানটিটিভ অ্যানালিস্ট: একটি কয়েন ১ হাজার বার চক্কর দিলে ৫৬০ বার হেড পড়ে। আপনি কি মনে করেন ওই কয়েনটি পক্ষপাতদুষ্ট?
ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার: এ পদের জন্য বেশ মজার প্রশ্ন করা হয়। ধরুন, আপনি যদি কোনো জলদস্যু জাহাজের কাপ্তান এবং লুট করা সোনার ভাগ পেতে নাবিকদের ভোট লাগবে। যদি আপনার পক্ষে অর্ধেকের কম ভোট পড়ে তবে নির্ঘাত মৃত্যু। তাহলে কীভাবে ওই সোনা আপনি ভাগ করবেন, যাতে নিজের ভাগে বেশিটা পড়ে এবং আপনি টিকেও যান?
বিজনেস অ্যাসোসিয়েটস: একটি খড়ের গাদায় হারানো সুচ আপনি কত উপায়ে খুঁজবেন?

দুই মিনিট সময় বাঁচাতে যেয়ে প্রতিনিয়ত না বুঝেই জীবনের অনেক বড় রিস্ক নিচ্ছি আমরা। এর ফলে প্রায় ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই সময় থাকতেই আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। রাস্তায় চলাচলের সময় যানবাহন চালকদের পাশাপাশি পথচারীদেরও কিছু নিয়ম সঠিক ভাবে অবশ্যই মেনে চলা উচিত।
একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনি নিজে সচেতন হোন, এবং প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করে সচেতনতা বৃদ্ধির আহবান জানান।

পথচারীদের করনীয় নিয়ে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে অবশ্যই তা কমেন্টে আমাদের কে জানান।

যে দেশে ১৬/২০ বছর পড়ালেখা করে, পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে চাকরির আবেদন করতে গিয়ে বেকার যুবক শোনে "অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি দেয়া হয়না" তখন প্রশ্ন জাগে তাহলে ১৬ বছর ওয়ার্কশপে কাজ শিখলেই হতো !!

#যে দেশে পাশ করার ৪ বছরের মধ্যে বিয়ে করতে গেলে পাত্রীর মা "প্রতিষ্ঠিত পাত্রের" দোহাই দিয়ে বিদায় করে দেয় সেখানেও প্রশ্ন আসে ১৭ বছর পড়ালেখা না করে তো ব্যবসার চিন্তা করলেই হতো, কাড়ি কাড়ি টাকা থাকতো !!

#এদেশে কী ?? সার্টিফিকেট আর ২ টাকার পুরনো
নোটের মধ্যে আদৌ কোন পার্থক্য থাকছে কী ?? ১৬ বছর পড়াশোনা করে যদি ১২ হাজার টাকা বেতনে সকাল ৯টা
টু রাত ৯টা ডিউটির অফার আসে তাহলে নামের আগে
ওই "ইঞ্জিনিয়ার/ গ্রেজুয়েট" শব্দের দরকার কি ??
সিএনজি চালিয়েও ১৫ হাজারেরও বেশী টাকা ইনকাম
করা যায় !!

১০ মিনিটের সুখের জন্য
সেই মায়ের সাথে উচ্চস্বরে কথা বলো না
যে মা তোমাকে যত্ন করে গড়ে তুলেছেন
কথা বলা শিখিয়েছেন

সুবাহান আল্লাহ্ ।
ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাপ একটি ইঁদুর কে গিলতে চাইছে কিন্তু তার বন্ধু ইঁদুর
টি সাপটিকে কে গিলতে দিচ্ছে না । প্রথমে ইঁদুর টি সাপের চারপাশ দিয়ে ঘোরঘোরি করতে থাকে । যখন দেখল সাপটি তার
প্রানের চেয়ে প্রিয় বন্ধু টিকে ছাড়ছে না তখন ইঁদুর তার বন্ধু টিকে বাঁচানোর জন্য প্রথমে সাপের গলা কামড়ে ধরে। এরপর
যখন দেখল তার বন্ধুটিকে সাপটি কিছুতেই ছারছে না তখন সে বন্ধুর শরীর ধরে টান দিতে লাগলো কিন্তু কিছুতেই তার বন্ধু
কে বাছাতে পারলো না ।
সাপটি গিলে ফেললো তার বন্ধু টিকে এরপর সাপটি তাকে ও খেয়ে ফেললো ।

প্রান প্রিয় বন্ধুর
জন্য নিজের জীবন বলিদান দিলো । ঘটনাটি ঘটেছিল হাংজউ জু জেজিয়াং প্রভিনচ,ইস্টার্ন চায়না তে ।

এই ক্ষুদ্র প্রানির কাছ থেকে ও আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে । আমরা প্রায় ই বন্ধুত্তের স্বার্থপরতার খবর পেয়ে থাকি । এক বন্ধু আরেক বন্ধু কে জানে মেরে ফেলে নিজের স্বার্থের জন্য । এক বন্ধু কে যদি রাস্তা ঘাটে কেউ ধরে মারে অন্য বন্ধু
না দেখার ভান করে চলে যায় যা সত্যি বেদনাদায়ক,পীড়াদায়ক ।

😒😒পড়ালেখা কম্পিলিট করার পরের জীবন😢😢

মাস্টার্স পাশ করা ২৬, ২৭,২৮ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়।

কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় লক্ষ টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে?

হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা!

অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয় এবং আংকেল ও থাকতে হয় ?

ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না। টাকা গুলো সঞ্চয় হতো।

আর যদি ভুল ক্রমে বিরোধী দলের একজন নেতা বা কর্মি হয় তাহলে চাকরিতো হবেই না আর হলেও চাকরি আর থাকবে নাহ। রানিং চাকরি ও শেষ হবে।

চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। না পারছে তারা উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে বন্ধু বান্ধব এবং পাড়া-পড়শির খোটা সহ্য করতে। রাস্তা ঘাঠে ঘরে বাইরে দেখবেন আপনার পিছনে বন্ধুবান্ধব বা নিকট আত্বীয় বলছে এত পড়ালেখা কি করছে তার ধারা কিছুই হবে না।

আমরা শুধু এক বুক নিঃশ্বাস ফেলে আফসোস করছি ! এমন সুনার দেশে জন্ম নেয়ার জন্য।

রাষ্ট্রের কোন দায় নেই ! সব দায় যে আমাদের এই !

জীবনের অর্জিতসমস্ত সার্টিফিকেট গুলো হয়তো সাধারন কাগজে বা পরিতেক্ত কাগজে পরিনিত হয়ে ঝালমুড়ি বা চানাচুর ওলাদের হাতে চলে যাবে।

আমাদের অবস্থা আজ এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন গাধার দিকে তাকালে দেখতে পাই নিজের প্রতিচ্ছবি।

🚫 কিছু নিষিদ্ধ কাজ (৩):

🚫 কারো মুখমণ্ডলে আঘাত
করা যাবে না। মুসলিমঃ ৬৮২১

🚫 কাপড় পরিধাণ থাকা স্বত্তেও কারো গোপন অঙ্গের জায়গার দিকে দৃষ্টিপাত করা যাবে না।।
মুসলিম ৭৯৪

🚫 আল্লাহ ব্যাতিত কারো নামে কসম করা যাবে না। বাপ দাদার নাম, কারো হায়াত, মসজিদ বা কোরআন এর নামে কসম করা, মাথায় নিয়ে সত্যতা প্রকাশ করা যাবে না।
আবু দাউদ ৩২৫০, নাসায়ীঃ ৩৭৭৮।

🚫 কোন প্রাণীকে আগুনে পুড়িয়ে
মারা যাবে না। আবু দাউদ ২৬৭৭

সকল ইউজার দেরকে বলছি মিলিমিশি কে কেউ আর্নিং সাইট হিসেবে ভাববেন না।কারণ মিলিমিশি’ সুন্দর একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, সোসাল নেটওয়ার্কিং এর সাথে যুক্ত থাকলে জ্ঞান-বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ অনেক বিষয় সম্পর্কে জানতে ও শিখতে পারবেন। আর আপনাদের ভালো পোস্টের জন্য কিছু ক্রেডিট উপহার দেওয়া হয়।
ধন্যবাদ!

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যথা দূর করুন ২টি যোগাসনের সাহায্যে!

পিরিয়ডের সময় স্বাভাবিকভাবে পেট ব্যথা হয়ে থাকে। কারও কম হয় কারও আবার অনেক বেশি হয়। অনেকেই অনেককিছু করে থাকেন এই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য। কেও ঔষধ খাচ্ছেন, কেও গরম পানির ছ্যাঁক দিচ্ছেন আবার অনেকে ডাক্তারের কাছেও ছুটে যাচ্ছেন। অস্বস্তিকর এই ব্যথা থেকে রক্ষা পেতে আমরা কত কি করছি। কখনও উপকৃত হচ্ছি কখনও আবার ব্যথা থেকেই যাচ্ছে। তাই আজকে আমরা আপনাদের জানাবো ২টি কার্যকরী যোগাসন সম্পর্কে যার সাহায্যে পিরিয়ডের সময় পেট ব্যথা দূর হওয়ার সাথে আরাম পাবেন।

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যথা দূর করার যোগাসন
পিরিয়ডের সময় ভারী কোন কাজ করা কিংবা ভারী কিছু উঠানো ঠিক না। আবার ভারী ব্যায়াম করাও উচিৎ না। কিন্তু খুবই সাধারণ ২টি যোগাসন করতে পারবেন যা দূর করবে পিরিয়ডের ব্যথা । সাধারণ ২টি যোগাসন হচ্ছে জানুশিরাসন এবং পশ্চিমোত্তাসন। চলুন জেনে নেই জানুশিরাসন এবং পশ্চিমোত্তাসন করার পদ্ধতি।

জানুশিরাসন
জানুশিরাসন করা তেমন কঠিন না। খুব সহজে পিরিয়ডের সময়গুলোতে ৪-৫ মিনিট ধরে করতে পারেন এই আসনটি।

জানুশিরাসন করার পদ্ধতি

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা দূর করতে জানুশিরাসন -

১. প্রথমে একটি সরু স্থানে পা ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে।

২. এবার বাঁ পা ভাঁজ করুন এবং গোড়ালি ডান পায়ে লাগান।

৩. লক্ষ্য রাখবেন বাঁ পায়ের পাতা যেন ডান পায়ের উরুতে স্পর্শ করে।

৪. এবার ২ হাত দিয়ে ডান পায়ের আঙ্গুল ধরুন এবং মাথা নীচু করে ডান পায়ের হাঁটুতে লাগান।

৫. লক্ষ্য রাখবেন ডান পা যেন সোজা থাকে। এভাবে ৫ মিনিট থাকুন।

৬. ঠিক এইভাবে ডান পা ভাঁজ করে বাঁ পা সোজা রেখে আবার ৫ মিনিট থাকুন। শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।

এভাবে কয়েকবার করুন। তবে বেশি প্রেশার নিবেন না। প্রত্যেকবার আসনটি করার পর বিশ্রাম নিন।

পশ্চিমোত্তাসন
পিরিয়ডের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়ে থাকে। সাথে খাবারের রুচিও কমে যায়। পশ্চিমোত্তাসন করলে ব্যথার পাশাপাশি খাবারের রুচিও বাড়বে।

পশ্চিমোত্তাসন করার পদ্ধতি

পিরিয়ডের সময় পেট ব্যাথা দূর করতে পশ্চিমোত্তাসন -

(১) প্রথমে একটি সরু স্থানে ২ পা ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে।

(২) তারপর ২ হাত সোজা করতে হবে সাথে ডান হাতের বৃদ্ধা ও তর্জনী দ্বারা ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল এবং বাম হাতের বৃদ্ধা ও তর্জনী দ্বারা বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল ধরতে হবে।

(৩) এবার সামনের দিকে ঝুঁকতে হবে। সামনের দিকে ঝুঁকে ২ হাঁটুতে মাথা লাগাবেন।

(৪) এখন উভয় হাতের কনুই ভাঁজ করে উভয় পায়ের বাইরের দিকে নামিয়ে দিন।

(৫) পা একেবারে সোজা করে রাখতে হবে।

(৬) এখন বুক ও পেটকে পায়ের সাথে লাগাতে হবে।

(৭) ঠিক এই অবস্থায় ২০ সেকেন্ড স্থির থাকুন। এসময় আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে হবে।

(৮) ২০ সেকেণ্ড পড়ে মাথা উপরে তুলে এবং পা থেকে হাত সরিয়ে পা দুটো ছড়িয়ে বসতে হবে। এক্ষেত্রেও আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস একদম ঠিক রাখতে হবে।

(৯) তারপর ৩০ সেকেণ্ড বিশ্রাম নিতে হবে এবং বিশ্রাম হবে শবাসনে। এভাবে আরো কয়েকবার করুন।

ঋতুস্রাবের সময় নিয়মিত এই আসনগুলো করলে পিরিয়ডের সময়ের পেটে ব্যথা কমে যাবে।

যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া করে না 😊
তার প্রতিও আল্লাহ তা'লাও দয়া করেন না😍

14-Dec-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4501+)
প্রশ্নঃ ইউনেস্কো (UNESCO) হলো জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (United Nations Educational, Scientific, and Cultural Organization). বিশ্বে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসার এবং উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন ঘটানো এই সংস্থার কার্যক্রম। নিচের কোন সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন?
(A) জি৮ (বিশ্বের আটটি শিল্পোন্নত দেশের একটি অর্থনৈতিক বলয়)
(B) আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত, নেদারল্যান্ডে।
(C) ইউনিসেফ (জাতিসংঘ শিশু তহবিল)