About Md Nil

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে একটি অচিন বৃক্ষ আছে। কুড়িগ্রাম থেকে গাছটি সংগ্রহ করা হয়। অচিন বৃক্ষের নামফলকটি শিকড়ে প্রায় ঢেকে গেছে। ফলকে গাছের পরিচিতি, গাছটি কে লাগিয়েছেন, এসব তথ্য লেখা আছে। জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি। ছবি: মানসুরা হোসাইন

ভারতের ইতহাসে স্বাধীনতা
সংগ্রামে মুসলিমদের কোন অবদান
নেই !
.


ভারতের ইতহাসে স্বাধীনতা
সংগ্রামে মুসলিমদের কোন অবদান নেই
। তা যে কোন শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তক
পড়লে বোঝা যায় । এই শিক্ষায়
শিক্ষিত হয়ে বহু লোকই প্রশ্ন তোলে
মুসলমানদের এই দেশে থাকা উচিৎ নয়,
কারন তারা স্বাধীনতা সংগ্রামে
অংশ গ্রহন করেনি ।
এই বিষয় কে সামনে রেখে আজকে
আমার এই স্টাটাস…
.
সত্য ইতিহাস বলছে মুসলিমদের তাজা
রক্তে এই ভারত মুক্তি পেয়েছে । জেল
খাটা ১ কোটি মুসলমানের আত্ম বলি
দান ও ফাঁসি হওয়া ৫ লক্ষ মুসলমানের
প্রানের বিনিময়ে আজ ভারত স্বাধীন।
সেই চেপে যাওয়া ইতিহাসের মুছে
যাওয়া কিছু নাম আমি শেয়ার করলাম ।
.
• মাওলানা কাসেম সাহেব, উত্তর
প্রদেশর দেওরবন্ধ মাদ্রাসাকে ব্রিটিশ
বিরোধী এক শক্তিশালী কেন্দ্র
হিসাবে গড়ে তোলেন । সেই
দেওয়রবন্ধ মাদ্রাসায় আজও কোরানের
তালিম দেওয়া হয় ।
.
• ভারতের ইতিহাসের পাতা ওল্টালে
যাদের নাম অবশ্যই পাওয়া যায় তারা
হল – গান্ধীজি, নেতাজী সুভায,
অরবিন্দ, জোহরলাল, মোতিলাল..।
এদের সমতুল্য নেতা আতাউল্লা বুখারী,
মাওলানা হুসেন আহমাদ, মাওলানা
মাহমুদুল হাসান, মাওলানা গোলাম
হোসেন প্রমুখ..( এনারা বহু বার দীর্ঘ
মেয়াদী জেল খেটেছেন)
.
• ইংরেজ বিরোধী কর্যকলাপের জন্য
যার নামে সর্বদা ওয়ারেন্ট থাকতো ।
সেই তাবারক হোসেনের নামও
ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যায় না ।
.
• তৎকালিন সময়ে সারা হিন্দুস্থানের
কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ।
যার সংস্পর্শে আসলে হিন্দু মুসলিম নব
প্রান পেতেন, সেই হাকিম আজমল খাঁ
কে লেখক বোধ হয় ভূলে গিয়েছেন ।
.
• মহাত্মা গান্ধী, জহরলাল যার
সাহায্য ছাড়া চলতেনই না । যিনি না
থাকলে গান্ধী উপাধি টুকু পেতেন না
। সেই মাওলানা আজাদকে
ইতিহাসের পাতা থেকে বাদ দেওয়া
হল ।
.
• মাওলানা মহম্মদ আলি ও শওকত আলি । ৫
বার দীর্ঘ মেয়াদী জেল খেটেছেন । ‘
কম রেড ‘ ও ‘ হামদর্দ ‘ নামক দুটি ইংরেজ
বিরোধী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ।
তাদের নাম ইতিহাসের ছেড়া
পাতায় জায়গা পায় না ।
.
• খাজা আব্দুল মজীদ ইংল্যান্ড থেকে
ব্যারিস্টার হন ।
জওহরলালের সমসাময়িক কংগ্রেসের
কর্মী ছিলেন । প্রচন্ড সংগ্রাম করে
তার এবং তার স্ত্রী উভয়ের জেল হয় ।
১৯৬২ সালে তার মৃত্যু হয় । ইতিহাসের
পাতায়ও তাঁদের নামের মৃত্যু ঘটেছে ।
.
• ডবল A.M এবং P.H.D ডিগ্রিধারী
প্রভাবশালী জেল খাটা সংগ্রামী
সাইফুদ্দিন কিচলু ।
বিপ্লবী মীর কাশেম, টিপু সুলতান , মজনু
শা , ইউসুফ… এরা ব্রিটিশদের বুলেটের
আঘাতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেলাও
ইতিহাসের পাতা থেকে নিশ্চিহ্ন
হলো কিভাবে..?
.
• সর্ব ভারতীয় নেতা আহমাদুল্লাহ ।
তৎকালীন সময়ে ৫০ হাজার রুপি যার
মাথার ধার্য করেছিল ব্রিটিশ রা ।
জমিদার জগন্নাথ বাবু প্রতারনা করে,
বিষ মাখানো পান খাওয়ালেন
নিজের ঘরে বসিয়ে । আর পূর্ব ঘোষিত
৫০ হাজার রুপি পুরষ্কার জিতে নিলেন

.
• মাওলানা রশিদ আহমদ । যাকে নির্মম
ভাবে ফাঁসি দিয়ে পৃথিবী থেকে
মুছে দিলো ইংরেজরা । ইতিহাস
লেখক কেন তার নাম মুছে দিলেন
ইতিহাস থেকে ।
.
• জেল খাটা নেতা ইউসুফ, নাসিম খাঁন,
গাজি বাবা ইয়াসিন ওমর খান তাদের
নাম আজ ইতিহাসে নেই কেনো…?
.
• ভারত স্বাধীনতা লাভ করার পরে,
কুদরাতুল্লা খানে মৃত্যু হল কারাগারে ।
ইতিহাসের পাতায় তার মৃত্যু ঘটলো
কিভাবে…?
.
• নেতাজী সুভাষ বসুর ডান হাত আর বাম
হাত যারা ছিলেন..।ইতিহাসে
তাদের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না ।
তারা হলেন আবিদ হাসান
শাহনাওয়াজ খান , আজিজ আহমাদ, ডি
এম খান , আব্দুল করিম গনি ,
লেফট্যানেন্ট কর্নেল , জেট কিলানি ,
কর্নেল জ্বিলানী প্রমুখ ..। এদের অবদান
লেখক কি করে ভুলে গেলেন…?
.
• বিদ্রোহী গোলাম রব্বানী, সর্দ্দার ও
হয়দার, মাওলানা আক্রম খাঁ , সৈয়দ
গিয়াসুদ্দিন আনসার । এদের রক্ত আার
নির্মম মৃত্যু কি ভারতের স্বাধীনতায়
কাজে লাগেনি …?
.
• বিখ্যাত নেতা জহুরুল হাসানকে হত্যা
করলে মোটা অঙ্কের পুরষ্কার ঘোষনা
করে ইংরেজ সরকার ।
.
• মাওলানা হজরত মুহানী এমন এক
নেতা, তিনি তোলেন সর্ব প্রথম
ব্রিটিশ বিহীন চাই স্বাধীনতা ।
.
• জেলে মরে পচে গেলেন মাওলানা
ওবায়দুল্লাহ, তার নাম কি ইতিহাসে
ওঠার মতো নয়…!?
.
• হাফেজ নিশার আলি যিনি তিতুমীর
নামে খ্যাত ব্রিটিশ রা তার বাঁশের
কেল্লা সহ তাকে ধংব্বস করে দেয়…।
তার সেনাপতি গোলাম মাসুমকে
কেল্লার সামনে ফাঁসি দেওয়া হয়…।
.
• কিংসফোর্ড কে হত্যা করতে ব্যার্থ
ক্ষুদিরামের নাম আমরা সবাই জানি ,
কিংসফোর্ড হত্যাকরী সফল শের আলী
বিপ্লবীকে আমরা কেউ জানিনা ।
.
• কলকাতার হিংস্র বিচার পতি জর্জ
নরম্যান হত্যাকরী আব্দুল্লার নামও শের
আলীর মতো বিলীন হয়ে আছে..।
.
• বিখ্যাত নেতা আসফাকুল্লা । ভারত
ছাড়ো আন্দোলনের বীর আব্দুস সুকুর ও
আব্দুল্লা মীর এদের অবদান কি
ঐতিহাসিক ভূলে গেছেন ।
.
এই পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমি
ধিক্কার জানাই…
পরিশেষে বলতে চাই…
ছাড়বো না কোরান
না ছাড়বো হিন্দুস্থান,
এই জন্মভূমির ভালোবাসা
আমাদের ঈমান ।
.
লেখাঃ Rakib Mahamod Aymon

ভাষার নতুন চমক ‘ইমোজি’


ধোঁয়াশা শব্দটা খুব পুরোনো নয়। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত লন্ডনে পরিবেশদূষণের কারণে ধোঁয়া ও কুয়াশা একসঙ্গে মিশে সারা শহর ঢেকে যেত। তারা স্মোক ও ফগ সন্ধি করে নতুন শব্দ ‘স্মোগ’ বের করে। তার বাংলা হয় ধোঁয়াশা। ধোঁয়ার সঙ্গে কুয়াশা মিলিয়ে ধোঁয়াটের চেয়ে বেশি ঝাঁপসা ব্যাপার। অর্থটা প্রথম শোনাতেই বোধগম্য। কিন্তু হালে তৈরি ‘বিন্দাস’ শব্দের মানে কী হতে পারে, তা নতুন শ্রোতার কাছে অনুমেয় নয়। তারপর ‘ফিদা’ অথবা ‘প্যারা’ শব্দ দুটোও তাই।

তবে সহজেই বোধগম্য এমন নতুন যা এসেছে, সেটা খুবই চমকপ্রদ। ইমোজি। স্মাইলি ফেস দেখলেই খুশিটা ধরা যায়। সর্ষে ফুলের মতো উজ্জ্বল হলুদ রং থেকে বোঝা যায়, মুখের অভিব্যক্তি থেকেও ধরা যায়। তারপর আছে স্যাড ফেস, অ্যাংরি ফেস। লাভ সাইন নতুন আবিষ্কার নয়, তবে ইমোজি হিসেবে তার ব্যবহার এক লাফে কয়েক হাজার গুণ বেড়েছে। লাইক—একটি আঙুল উঁচিয়ে সমর্থন এবং পছন্দ হওয়ার বার্তাটি জানানো। এগুলো হুড়মুড় করে সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে জীবনের সবখানে ঢুকে যাচ্ছে। ভাষার অন্তর্গত হচ্ছে এবং হবে।


এ ছাড়া আছে নতুন শব্দ সংক্ষেপ, বিশেষত ইংরেজিতে। সেগুলোও ভাষায় ঢুকে যাচ্ছে। ‘বিআরবি’ বি রাইট ব্যাক। ‘লোল’ লাফ আউট লাউড। এখন এমন হয়েছে যে ‘লোল’ এ যে হাসি আছে, ‘লাফ আউট লাউডে’ও তা নেই। ব্যবহার করতে করতে মানুষ তাতে অভ্যস্ত হয়ে সংক্ষেপটাতেই পূর্ণ অর্থ আরোপ করছে।

তেমনিভাবে একটি বিসর্গ দিয়ে পাশে বন্ধনী চিহ্ন দিলেই সেটাকে পাঠক দিব্য চোখে স্মাইলি ফেস হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন:)। পাশের বন্ধনী চিহ্ন উল্টো দিকে দিলে: (স্যাড ফেস হিসেবে দেখছেন। এ শুধু সমার্থক নয়, যেন সমান হয়ে গেছে।

ইমোজির ব্যবহারের কথায় আসা যাক। ইমোজি শুধু বালক-বালিকাদের খুদে বার্তা বা ফেসবুকের কথাবার্তার অংশ নয়। দুনিয়াজুড়ে ইমোজির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে। এর কোনো দেশ-কাল-পাত্র বা বয়স ভেদ নেই। ২০১৫ সালে খোদ অক্সফোর্ড ডিকশনারি বর্ষসেরা শব্দগুলোর একটি হিসেবে ইমোজিকে ঘোষণা দিয়েছে। হাসতে হাসতে দুই চোখ দিয়ে পানি ঝরছে, সেই ইমোজিটি হয়েছে বর্ষসেরা ‘শব্দ’! অর্থাৎ প্রতীককেই এখানে শব্দ ভাবা হয়েছে। এটাই প্রথম ইমোজি যা ডিকশনারিতে শব্দ হিসেবে স্থান পেল। যেনতেন শব্দ নয়, বর্ষসেরা শব্দ।

আমেরিকার একটি কোম্পানি রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেছে, তারা অফিশিয়াল ই–মেইলেও ইমোজি ব্যবহারে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করছে। কথায় আছে ‘এ পিকচার ইজ ওয়ার্থ থাউজেন্ড ওয়ার্ডস’—একটা ছবি হাজার শব্দের সমান। ইমোজি তো ছবিই। ‘ইমোজি’ নিজে জাপানি শব্দ। প্রথম আবিষ্কারও হয়েছে জাপানে। ডোকোমো নামের ফোন কোম্পানির একজন প্রকৌশলী গ্রাহকদের সঙ্গে ভাবের আদান–প্রদানের সহজ উপায় হিসেবে ইমোজি তৈরি করেন। ইমোজির অর্থ হলো ‘ছবি চরিত্র’ (picture character)।

ছবির বাইরেও ভাষায় ইমোজির আরেক শক্তি আছে। তা হলো লেখকের মনোভাবটা বোঝানো। যেমন কাল সবাই সাদা পোশাক পরে আসুন। বলে মেইল করা হলো। এটা কি অফিসের বস জুনায়েদ সাহেব বেজার হয়ে বললেন, রাগ নিয়ে বললেন, নাকি মজা করে বললেন, শুধু ই–মেইলের শব্দগুলো পড়ে সেটা পরিষ্কার হলো না। পাশে একটা স্মাইলি ফেস দিয়ে দিলে তা মুহূর্তেই জুনায়েদ সাহেবের মনোভাবকে ফুটিয়ে তুলত।

ফোন টেক্সট, টুইট, চ্যাট, এগুলোর মতো গল্প-উপন্যাসেও ইমোজির ব্যবহার চলে আসবে। এমনকি শুধু ইমোজি দিয়ে ইতিমধ্যেই মবিডিকের মতো বই অনুবাদ করা হয়ে গেছে। পণ্ডিতেরা ইমোজিকে স্বাগত জানাচ্ছেন। এ হলো ভাষায় বিশ্বব্যাপী বোধগম্য শব্দের বৈপ্লবিক সংযোজন।

কিন্তু অন্যদিকে একটা বিশেষ শব্দ বাংলা ভাষায় এমন ভাবে ‘জায়গা’ করে নিচ্ছে যে অনেক শব্দকে অচিরেই ‘জায়গা’ ছেড়ে দিতে হবে। শব্দ ও ভাষার যে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য ও আবেগ আদান–প্রদানের ক্ষমতা আছে, সেটা ক্রমেই লোপ পেয়ে যাবে। সেই জায়গাটাতেই আসছি।
পাঠক হয়তো ইতিমধ্যেই বুঝে ফেলেছেন আমি কোন জায়গায় যাচ্ছি।

একজন বলেন, ‘আমাদের একটা পরিকল্পনা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছাতে হবে।’ ওই বিকল্প শব্দটি বক্তা ব্যবহার করার কারণে বাক্যটা এমন দাঁড়াল, ‘আমাদের একটা জায়গা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত জায়গায় গিয়ে পৌঁছাতে হবে।’
আবার ধরুন, ‘আমাকে তো আপনি কথা বলার অবকাশ দিচ্ছেন না?’

সেটা হয়ে গেল, ‘আমাকে তো আপনি কথা বলার জায়গা দিচ্ছেন না?’

এভাবে একজন বলেন, দেখেছেন, আজকালকার ছেলেমেয়েরা দিন–রাত ফেসবুক করে করে কেমন গোল্লায় যাচ্ছে?

কিন্তু ওই শব্দটির প্রভাবে বললেন, দেখেছেন, আজকালকার ছেলেমেয়েরা দিন–রাত ফেসবুক করে করে কোন জায়গায় যাচ্ছে?

তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সেখানেও বলা হবে, তথ্যপ্রযুক্তি একটা জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য উপযুক্ত জায়গা তৈরি করতে হবে।

তাসের একটা খেলা আছে, যেখানে ‘জে’ লেখা জোকার তাসটি অন্য যেকোনো প্রকার তাস হয়ে যেতে পারে। খেলোয়াড়ের রুইতনের দশ দরকার, পেল জোকার, তখন জোকারই রুইতনের দশ। অথবা ইস্কাপনের রানি দরকার, জোকারই রানি হয়ে গেল।
‘জায়গা’ কথাটা এভাবে বহু সুনির্দিষ্ট এবং ভীষণ অর্থবহ শব্দকে সরিয়ে দিচ্ছে। সচেতন অথবা অবচেতনভাবে সম্প্রতি কথ্য বাংলা ভাষায় এই শব্দটি ক্রমেই ‘জায়গা’ করে নিচ্ছে।

ইমোজি ভাষার মধ্যে মনের একটা মধুর রং মিশিয়ে দিতে পারে। ইমোজির প্রকাশভঙ্গি চিরন্তন। ‘জায়গা’ বা এমন বহুল ব্যবহৃত সাদামাটা বিকল্প শব্দগুলো তার উল্টো কাজ করছে। ভাষায় অস্পষ্টতা এনে দিচ্ছে, পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে শ্রুতির মাধুর্য কমিয়ে দিচ্ছে।
কাজেই সেই জায়গাতেই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
সংগৃহীত প্রথম আলো।


খেলাফুটবল
ঢাকা এসে ‘ভীষণ খুশি’ সিজার
ক্রীড়া প্রতিবেদক, ঢাকা
২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:১৫
আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২০, ১৯:৪২


বিমানবন্দরে জুলিও সিজার। ছবি: প্রথম আলো
বিমানবন্দরে জুলিও সিজার। ছবি: প্রথম আলো
২০১১ সালে বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির ঢাকা আসার স্মৃতিটা এখনো অমিলন। সে বছর আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি খেলে গেছেন নাইজেরিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ। তারও আগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শুভেচ্ছা সফরে ঢাকা ঘুরে যান জিনেদিন জিদান। আজ ঢাকায় এলেন আরেক আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকা জুলিও সিজার। ব্রাজিলের সাবেক গোলরক্ষক ঢাকায় এসেছেন বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে জৌলুস বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে। সিজারকে ঢাকায় পাঠিয়েছে ফিফা।

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জুলিও সিজার বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এটি আমার প্রথম সফর। এ দেশের ফুটবল সম্পর্কে বেশি কিছু জানি না। এখানে এসেছি যখন, কিছু জানতে পারব নিশ্চয়ই। এখানে এসে আমি ভিষণ খুশি।’ অন্য এক প্রশ্নে বলেন, ‘ব্রাজিল বিশ্ব ফুটবলে এক পরাশক্তি। রোনালদিনহো, কাকাদের মতো ফুটবলারদের নাম বলতে পারি, যাঁরা খুবই জনপ্রিয়। এমন ফুটবলার আমাদের আরও আছে।’


আগামীকাল রাজধানীর বাড্ডায় বাফুফের একাডেমিতে যাবেন সিজার। সেখানে প্রশিক্ষণরত নবীন গোলরক্ষকদের পরামর্শ দেবেন। নারী ফুটবল দলের অনুশীলনেও থাকবেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণ করার কথা রয়েছে তাঁর। সব কর্মসূচি শেষে আগামীকালই ফিরে যাবেন সিজার।

সিজার ক্লাব ক্যারিয়ারে ফ্লামেঙ্গো, ইন্টার মিলান, বেনফিকার হয়ে খেলেছেন। ২০০৯-১০ মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জেতেন ইন্টারের হয়ে। ২০১০ সালে ক্লাব বিশ্বকাপসহ জিতেছেন অনেক শিরোপা। ব্রাজিলের হয়ে দুটি কনফেডারেশন কাপ ও একটি কোপা আমেরিকা জয়ের স্মৃতি আছে তাঁর। সিরি ‘এ’ সেরা গোররক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন টানা দুবার। ব্রাজিলের হয়ে ৮৭ ম্যাচ খেলেছেন। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে উড়ে যাওয়া সেই ম্যাচে গোলরক্ষক ছিলেন সিজার।

এর আগে ব্রাজিল তারকার ঢাকা আসার খবর দিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেছিলেন, ‘আমরা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপকে ভিন্নমাত্রা দিতে চাইছি। এ কারণে বিশ্ব ফুটবলের বড় তারকাকে ঢাকায় আনার উদ্যেগ নিই প্রথমবারের মতো। আশা করছি জুলিও সিজারের সফরের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আরও আকর্ষণীয় হবে।’

ঘরের টুকিটাকি কিছু টিপস ... জেনে রাখুন কাজে দেবে খুব।
🗹 প্রিয় গাড়ির রং উঠে যাচ্ছে?
বাজার থেকে গাড়ির রঙের সাথে মিলিয়ে নেইল পলিশ কিনে এনে সে জায়গায় লাগিয়ে দিন আর চমক দেখুন।
🗹 কাপড়ে চিউইং গাম লেগে গেছে?
তবে তা ফ্রিজে রেখে দিন কিছুক্ষন এবার দেখুন চিউইংগাম খুব সহজেই উঠে যাচ্ছে। কাপড় ফ্রিজে রাখার ব্যাপারটা হাস্যকর মনে হলেও কার্যকর।
🗹 এক কাপড়ের রং যাতে অন্য কাপড়ে না লাগে এজন্য কাপড় ভেজানো পানিতে লবন ছড়িয়ে দিন এক কাপড়ের রং অন্য কাপড়ে আর লাগবে না।
🗹 আয়না চকচকে করতে ভেজা আয়না শুকনো পত্রিকার পাতা দিয়ে হালকা করে ঘষে নিন দেখুন গ্লাস ক্লিনার লাগবে না। চকচক করবে আয়না।
🗹 বাসনের বসে যাওয়া দাগ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন আর ম্যাজিক দেখুন।
🗹 ঘরে ফ্রিজ নেই অথচ পেয়াজঁ দীর্ঘদিন সংরক্ষন করতে হবে? তবে চিন্তা নেই পেয়াজেঁর খোসা ছাড়িয়ে পত্রিকা দিয়ে মুড়ে রাখুন ভালো থাকবে।
🗹 আলু আর পেয়াজঁ এক সাথে স্টোর করবেন না, আলু দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
🗹 রান্না করার সময় তরকারিতে লবন বেশি হয়ে গেলে, এক টুকরো আলু ছেড়ে দিন আলু অতিরিক্ত লবন চুষে নেবে।
🗹 তরকারিতে বেশি হলুদ হয়ে গেলে সুপারি ছেড়ে দিন হলুদ ভাব কমে যাবে।
🗹 তরকারিতে বেশি তেল ঢেলে দিয়েছেন? সমস্যা নেই! কয়েক টুকরো বরফ ঠান্ডা তরকারিতে ছেড়ে দিন। বরফ তেল চুষে নিবে। সাথে সাথে বরফ গুলো উঠিয়ে ফেলে দিন।
🗹 ফ্রিজে বাজে গন্ধ লাগলে এক টুকরো লেবু কেটে ফ্রিজে রেখে দিন। বাজে গন্ধটা আর থাকবে না।লেবু ফ্রিজে ভালো গন্ধ ছড়াবে।
🗹 চাউলে যাতে পোকা না ধরে, এজন্য কয়েকটা নিম পাতা চালের পাত্রে রেখে দিন। পোকা ধরবে না।
🗹 কাপড়ে পোকার আক্রমণ থামাতে শুকনো মরিচ একটি কাপড়ে জড়িয়ে আলমারিতে রেখে দিন। এতে পোকার উপদ্রব কমে যাবে।
🗹 ডিম তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করতে লবণ ছিটিয়ে দিন জলদি সিদ্ধ হবে।
🗹 ফলমূল কাটার পর লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন, কালো হবে না।
🗹 পনির কয়েক দিন ভালো রাখতে ব্লটিং পেপারে মুড়ে রাখুন। পনির নরম করতে দু-তিন মিনিট হালকা গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন ধরম হয়ে যাবে।
🗹 কলা, আপেল ইত্যাদি ফল তাজা রাখতে পত্রিকা দিয়ে মুড়ে ফ্রিজে রাখুন।
🗹 ব্লেন্ডারের ব্লেড ঠিক রাখতে কদিন পরপর ব্লেন্ডারে লবণ ব্লেন্ড করুন, এতে ব্লেন্ডারের ব্লেড ধারালো থাকবে অনেক দিন।
🗹 মশার উপদ্রব কমাতে কর্পূর পানিতে গুলে ঘরে রাখুন, দেখবেন মশা আসবে না। একই পদ্ধতি তেলাপোকা তাড়াতেও ব্যবহার করতে পারেন।
🗹 পেয়াজঁ কাটার সময় চোখে পানি না আনতে চাইলে, খোসা ছাড়িয়ে পেয়াজঁ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন অথবা পেয়াজ কাটার সময় চিউইংগাম চিবাতে থাকুন। চোখে পানি আসবে না।
🗹 বেসিনের পাইপ পরিষ্কার করতে আগের রাতে পাইপে ভিনেগার ঢেলে রাখুন। পরের দিন একটু গরম পানি ঢেলে দিলেই পাইপ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
🗹 কাজু বাদামের খোসা কখনো ফেলবেন না। এটা গোলাপ গাছের জন্যে সবচেয়ে কাজের সার হিসেবে কাজে লাগবে।
🗹 চুলা বা ওভেনে কিছু রান্না করার সময় তা উপচে পড়ে গেলে এর উপর লবণ ছড়িয়ে দিন, সহজে উঠে যাবে।
🗹 ভেজা কাপড় দ্রুত শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করুন।
🗹 ফ্রিজে কোন দাগ লাগলে একটু টুথপেস্ট লাগিয়ে দাগ উঠাতে পারবেন সহজেই।
🗹 বাথরুমের টাইলস চকচকে করতে চাইলে ডিটারজেন্টের সাথে লেবু আর ফিনাইল মিশিয়ে পরিষ্কার করুন, চকচক করবে টাইলস।
🗹 কাঠের আসবাব পত্র ঠান্ডা চা-পাতা মিশ্রিত পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন, নতুনের মতোই চকচক করবে।
🗹 ঘরের ভ্যাপসা গন্ধ দুর করতে দেশলাই জ্বালিয়ে নিন, গন্ধ চলে যাবে।
🗹 কাপড় ইস্ত্রি করার সময় তাতে পানি ছড়িয়ে দিন, দেখবেন সময় কম লাগবে। ইচ্ছা হলে এ পানিতে কয়েক ফোটা পারফিউম ঢেলে দিন, কাপড়ে সুগন্ধ থাকবে দীর্ঘক্ষন।
🗹 মাছির উপদ্রব কমাতে কয়েকটা পুদিনা পাতা একটা গ্লাসে ভিজিয়ে রেখে দিন। মাছি আসবে না।
🗹 এনামেলের বাসনের দাগ উঠাতে লবণ আর ভিনেগারের মিশ্রন ব্যবহার করুন।
🗹 বিস্কুট কড়কড়ে রাখতে বিস্কুটের পাত্রে এক টুকরো ব্লটিং পেপার রেখে দিন।
🗹 চিনির পাত্রে কয়েকটা লবঙ্গ রেখে দিন, পিঁপড়ে ধরবে না।
🗹 টিন থেকে মরচের দাগ উঠাতে আলু দিয়ে ঘষে দেখুন কাজে আসবে।
🗹 চাল ধোঁয়া পানিতে স্টিলের বাসন গুলো ভিজিয়ে রেখে দিন, চকচক করবে।
🗹 নিমপাতা পানিতে সিদ্ধ করে সে পানি দিয়ে ঘরের ফ্লোর ক্লিন করুন। পোকামাকড় আসবে না।
🗹 প্রেশার কুকারের গ্যাসকেট মাঝে মাঝে ফ্রিজে রেখে দিন, অনেক দিন টিকবে।
🗹 ক্যাবিনেট বা ড্রয়ার অনেক সময় আটকে যায়, তাই ড্রয়ারের ধারে মোমবাতি ঘষে রাখুন আর আটকাবে না।
🗹 সিঙ্কের মুখ জ্যাম হয়ে গেলে লবন ফুটিয়ে সিঙ্কের মুখে ঢেলে দিন।
🗹 রান্না করার সময় হাতে হলুদের দাগ লাগলে আলুর খোসা দিয়ে ঘষে নিন, হাতের দাগ চলে যাবে।
🗹 মজাদার কফি বানাতে চাইলে তাতে কিছু টেবিল সল্ট মিশিয়ে নিন, খেতে দারুন লাগবে।
🗹 রান্না করার সময় তা পুড়ে গেলে পাত্র কঠিন দাগ লেগে যায়। পাত্রে লবণ আর পানি একসাথে ফুটান। দেখবেন দাগ উঠে গেছে।
🗹 ঘরের মেঝে পরিষ্কার করার জন্য কেরোসিন পানিতে মিক্স করে নিন। চকচক করবে মেঝে।
🗹 কাপড়ে কলমের কালি লেগে গেলে দাগের উপর কাঁচা মরিচ ঘষে নিন দাগ উঠে যাবে।
🗹 কাপড় থেকে যে কোন ধরনের দাগ উঠাতে পাতি লেবুর রস কার্যকর।
🗹 মোজা ধবধবে সাদা করতে সিরকার পানিতে চুবিয়ে নিন, মোলায়েম ও থাকবে সাথে চকচক ও করবে।
🗹 ব্যাগের হাতলের ধাতব অংশে ন্যাচারাল নেইল পলিশ লাগিয়ে দিন রং উঠবে না সহজে।
🗹 ঘরের কারেন্টের তার গুলো আলাদা করে রাখতে পেপার ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখুন জট বাধঁবে না।
🗹 প্যান কেক বানাচ্ছেন ? তবে প্যান কেক মিক্স একটা সসের বোতলে ঢেলে তারপর প্যানে ঢালুন দেখবেন চমৎকার শেপের প্যান কেক হবে।
🗹 কোল্ড কফি বানাতে আগে থেকে তা আইস ট্রেতে ঢেলে রাখুন। কোল্ড কফি বানানো সহজ হবে।
🗹 ঘরের চাবিগুলো সহজে চিনতে প্রত্যেকটা চাবিতে আলাদা রঙের নেইল পলিশ লাগিয়ে দিন। চিনতে সুবিদা হবে।
🗹 কোন কিছু দ্রুত ঠান্ডা করতে তা ভেজা টিস্যু দিয়ে মুড়ে ফ্রিজে রেখে দিন দেখবেন দ্রুত ঠান্ডা হয়ে গেছে।

📝 ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত

যে বয়সে এই বাচ্চাগুলোর স্কুলে থাকার কথা, বন্ধুদের সাথে খেলাধুলায় মগ্ন থাকার কথা, যেই সময়ে হাতে কলম থাকার কথা সেই বয়সে তারা হাতে তুলে নিয়েছে হাতুরি। নিষ্পাপ বাচ্চাগুলোকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিজেকে অনেক বড় মহাজন না ভেবে একজন শিশুর পড়াশোনার দায়িত্ব নিন পুরো দুনিয়া আপনাকে মহাজন মানবে🤔

আমার দেশ, পরিবর্তন আমিই করব👊
আমার দায়ীত্ব আমি পালন করে যাচ্ছি এইবার আপনার পালা...!

শিশুশ্রম কে "না" বলুন।
আপনার আশে পাশে শিশুশ্রম দেখলে প্রতিবাদ করুন এবং তাদের পাশে দাড়ান।

সংগৃহীত।

ছোট এক পথশিশু। ঘর নেই, খাবার নেই, দিন চলে যার ক্ষুধার সাথে লড়াই করে, প্রকৃতির সাথে – নিয়তীর সাথে যুদ্ধ করে। তারও যে অনেক স্বপ্ন থাকে জেনেছি কি কখনও? তেমনই এক পথশিশুর স্বপ্নের কথা শুনাবো আজ।

💓💓💓 শিরোণামঃ আমি তোমাদেরই এক ভাই 💓💓💓

আমি তোমাদেরই এক ভাই;
আমারও আছে একমুঠো স্বপ্ন-
রঙিন ফ্রেম বাঁধা; অথচ দুরন্ত-
ভঙ্গুর অথবা নির্লিপ্ত।
এই স্বপ্নই আমায় বাঁচতে শেখায়-
পাখির মতো গাইতে শেখায়’
উড়তে শেখায় ডানা মেলে দূর-দিগন্ত।
এমন একটা স্বপ্ন-
যে স্বপ্নখানি দেখতে আমি চাই;
কারণ, আমিতো তোমাদেরই এক ভাই।
জীর্ণ-শীর্ণ, অতি ক্ষীণকায়।

আমার স্বপ্নে মানুষ আছে,
আছো তুমি,তোমরা অথবা আছি আমরা সকলে;
আমার স্বপ্নে নিপীড়িতের কথা আছে-
বেঁচে থাকার আশা আছে;
দুমুঠো অন্ন আছে,আছে ছোট্ট এক কুঁড়েঘর-
যে ঘরে মিশে আছে সুখ অনন্ত।
এমন একটা স্বপ্ন-
যে স্বপ্নখানি দেখতে আমি চাই;
কারণ, আমিতো তোমাদেরই এক ভাই।
নিঃস্ব এক পথের শিশু, স্বপ্ন অতিকায়।

ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।

‘ঢাকা শহরে বাড়ছে ডিভোর্সের হার’- এমন শিরোনামের একটা সংবাদ কিছুদিন আগে পত্রিকায় পড়লাম। খবরটা আশঙ্কাজনক। উদ্বেগেরও বটে। ‘পরিবার’ হলো একটা সভ্যতার সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান স্তম্ভ। পরিবার ভেঙে পড়লে সভ্যতা ভেঙে পড়ে।
আরেকটা খবরে জেনেছিলাম, দেশের অধিকাংশ মানুষ বিবাহিত জীবনে সুখী নয়। তারা তবুও সংসার করছেন। হয়তো সন্তানাদি হয়ে গেছে বলে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সংসার করে যাচ্ছেন, নয়তোবা সমাজের কাছে ছোট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তারা সংসার ত্যাগ করেন না। তবে, মনে মনে তারা খুব অসুখী। এই অসুখের কারণ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পুরুষদের অধিকাংশই তাদের সহধর্মিণীর প্রতি আর কোন আকর্ষণ অনুভব করেন না। বিয়ের বছর পাঁচেক, কিংবা বছর দশেকের মাথায় তাদের মনে হয় যে- তাদের সহধর্মিণী হয় বুড়িয়ে গেছে, নয়তো মুটিয়ে গেছে। শুরুতে যে আকর্ষণ, যে প্রেম আর ভালোবাসা সহধর্মিণীর জন্য হৃদয়ে তৈরি হতো, তার ছিটেফোঁটাও এখন তারা আর পান না।
কথাটা মিথ্যে নয়। সৌন্দর্য জিনিসটা ক্ষয়িষ্ণু। সময়ের সাথে সাথে তার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। বাগানের সবচেয়ে সুন্দর গোলাপটাও দিনশেষে নেতিয়ে পড়ে, শুকিয়ে যায়। তবে আমাদের মনে রাখা উচিত, বিবাহ জিনিসটা কেবল শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ কোন স্থির বস্তু নয়। বিবাহ একটা বন্ধন। জৈবিক চাহিদাটা এই বন্ধনের একটা অংশ মাত্র, সমস্ত কিছু নয়। একবার, একলোক ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে বললো যে সে তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায়, কারণ-স্ত্রীর প্রতি সে আর কোন আকর্ষণ অনুভব করেনা। তাকে আর ভালোবাসেনা। ওমর রাদিয়াল্লাহু বললেন, ‘কেবল ভালোবাসাই সব? তার যত্ন, খেয়াল, তোমার জন্য তার মায়া-মহব্বত, তোমার সন্তানদের জন্য তার ত্যাগ এসব কিছুই না?’
যেসব পুরুষ কেবল ‘আকর্ষণ’ অনুভব না করলে সংসার ভেঙে দিতে চায়, তারা আসলে নারীটাকে বিয়ে করেনা, বিয়ে করে তার শরীরটাকে। একই কথা নারীদের বেলাতেও প্রযোজ্য। একটা সম্পর্ক আগাবে পরস্পর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, মায়া-মমতা, যত্ন-খেয়ালের ওপর ভিত্তি করে। তারচেয়েও বড় কথা হলো- ‘ইহসান’। দয়া করা।
ইহসান জিনিসটাই আমাদের মধ্য থেকে বিলুপ্ত এখন। কেবল ‘আকর্ষণ’ না পেলেই আমরা এতোদিনের একটা সম্পর্ক ভেঙে দিতে চাই, অথচ এতোদিনের সংসারে তার সাথে কাটানো আমার ভালো মুহূর্তগুলো, তার ভালো গুণগুলো, ভালো কাজগুলোর কথা আমরা বেমালুম ভুলে যাই। স্মরণ করতেই চাইনা। যদি আমরা পরস্পর পরস্পরের ব্যাপারে ‘ইহসান’-ই না করতে পারি, সেখানে ভালোবাসাটা জন্মাবে কোত্থেকে?
কেনো এমন হয়? কেনো আমরা আমাদের সঙ্গিনীর ওপর থেকে আকর্ষণ হারাই? ব্যাপারটাকে বুঝতে হলে দুটো দৃশ্য কল্পনা করা যাক।
ধরা যাক, আপনি আপনার সঙ্গিনীর ওপর থেকে সমস্ত আকর্ষণ হারিয়ে বসে আছেন। তাকে দেখলেই আপনার বিরক্ত লাগে। ঘরে ফিরতেই মন চায়না। এককথায়- তার কাছ থেকে পালাতে পারলেই আপনি বেঁচে যান। আবার অন্যদিকে, আপনার অফিসের মেয়ে কলিগ, যে আপনার ডেস্কের পাশে বসেই কাজ করে, তার প্রতি আপনার দূর্বার আকর্ষণ।
আপনার স্ত্রী যে পোশাক পরে, যে লিপস্টিক ঠোঁটে দেয়, যে পারফিউম মেখে আপনার কাছে আসে, আপনার ওই কলিগও ঠিক একই পোশাক, একই লিপিস্টিক, একই পারফিউম মেখে আপনার পাশে বসে অফিস করে। কিন্তু, আপনি আপনার স্ত্রীর প্রতি কোন আকর্ষণ-ই পান না। অন্যদিকে কলিগের ওপর আপনি পুরোদস্তুর ফিদা! সে হাসিমুখে কথা বললে আপনার হৃদকম্পন বেড়ে যায়। আপনি ভাবেন, ‘আহা! তার স্বামীর কপাল বটে!’
আবার ধরা যাক, আপনার স্ত্রী যে অফিসে কাজ করে, ঠিক একই অফিসে কাজ করে আপনার ওই মেয়ে কলিগের স্বামী। বেচারাও তার স্ত্রীর প্রতি কোন আকর্ষণ পান না। ঘরে ফিরতেই তার বিষ লাগে। কিন্তু, আপনার স্ত্রীর প্রতি সে খুব দূর্বল। আপনার স্ত্রী অফিসে যখন তার সাথে গুছিয়ে আলাপ জমায়, তখন তার বুকে ধুকপুকানি শুরু হয়। সে ভাবে, ‘আহা! এই মহিলার স্বামীর কপাল একটা!’
দৃশ্য দুটোতে দেখুন, স্ত্রীর প্রতি আপনি কোন আকর্ষণ পাচ্ছেন না, যতো আকর্ষণ কলিগের প্রতি। আবার, আপনার কলিগের যে স্বামী, সে কিন্তু তার বউয়ের প্রতি আকর্ষণ পাচ্ছেনা। যতো আকর্ষণ আপনার বউয়ের প্রতিই। এখানে মূলত ব্যাপারটা কি জানেন? পদস্খলন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা ঠিক এজন্যেই আমাদের নজর হেফাযতের, চক্ষু হেফাযতের আদেশ দিয়েছেন। তিনিই তো আমাদের সৃষ্টিকর্তা। আমাদের মেকানিজম সম্পর্কে তারচে ভালো আর কে জানে? তিনি জানেন কোথায় আমাদের দূর্বলতা। এজন্যেই তিনি বারে বারে আমাদের নজর হেফাযতের আদেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালার কোন নিয়ম, কোন বিধান-ই অযৌক্তিক হতে পারেনা। চিন্তা করুন, যে লোক তার বউয়ের প্রতি আকর্ষণ না পেয়ে, কলিগের প্রতি আকর্ষণ পাচ্ছে, তার সাথে কেনো এমনটা হচ্ছে? কারণ সে নজরের হেফাযত করছেনা। পর-নারী থেকে সে নিজেকে গুটিয়ে রাখছেনা। ফলে, শয়তান ওই পর-নারীকে তার সামনে অপরূপ, অপূর্ব করে তুলে ধরছে আর সে ধোঁকা খাচ্ছে। অথচ, যাকে সে পছন্দ করে বসে আছে, ঠিক তাকে বাসায় আরেকজন অপছন্দ করছে। তার ক্ষেত্রেও একই জিনিস ঘটছে। নজরের হেফাযত হচ্ছেনা। ফলে, পদস্খলন।
এই যে পর্দার বিধান, মাহরাম-নন মাহরামের বিধান, দৃষ্টি হেফাযতের বিধান, এসবগুলো তো এমনি এমনি দেওয়া হয়নি। আজকের সমাজে এই যে মহামারি আকারের পরিবার ভাঙন, সংসারে অশান্তি, অনৈক্য- খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এর পেছনে কোনো না কোনোভাবে ‘পর্দা’র ব্যাপারটা জড়িত। যে লোক নিজের দৃষ্টি হেফাযত করে চলে, মাহরাম-নন মাহরাম মেনে চলে, যে লোক কখনো কোন পর-নারীর দিকে দৃষ্টিপাত করেনি বা করেনা, তার কাছে তার স্ত্রী-ই জগতের সবচেয়ে সেরা সুন্দরী। তার দেখা জগতের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা। ওই লোক কি তার স্ত্রীর ওপর থেকে আকর্ষণ হারাতে পারে?
'পরিবার ভাঙন' নামে যুগের এই মহামারি সমস্যাকে দূর করতে হলে আমাদের মূলে ফিরে যেতে হবে। ফিরে যেতে হবে ইসলামের সুমহান বুনিয়াদি শিক্ষার মাঝে। বাঁচাতে হবে আমাদের পরিবার। সবার আগে বাঁচাতে হবে নিজেকে।

Be with 👆👆👆

পরিস্থিতির সাথে নিজেকে পরিবর্তন করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ😍😍😍

⛔পড়া দ্রুত মুখস্থ করতে ৮টি কার্যকর পরামর্শ⛔
.
১. জোরে পড়ুন : জোরালো কণ্ঠে পড়ুন। জোরে পড়লে মাথায় তথ্য দ্রুত ঢুকে যায়। যেমন একটি গান যখন শোনেন, তখন তা দ্রুত মনে পড়ে। যা পড়ছেন তা কানে প্রবেশ করলে দ্রুত মুখস্থ হবে।
.
২. লক্ষ্য স্থির করুন : পড়তে বসলে নিজের লক্ষ্য স্থির করুন। বইয়ের কত পাতা পর্যন্ত কত সময়ের মধ্যে শেষ করবেন তা ঠিক করে নিন। নয়তো মনোযোগ হারাবেন এবং সময়ের অপচয় হবে।
.
৩. নিজেই যখন শিক্ষক : নিজেই নিজের শিক্ষক হয়ে উঠুন। কি পড়লেন, কি মুখস্থ করলেন ইত্যাদি বুঝতে নিজেই শিক্ষকতা পালন করুন। নিজেই পরীক্ষা দিন এবং তা যাচাই করুন।
.
৪. নোট করুন : যাই শিখবেন তাই লিখে ফেলুন। এগুলো নোট করুন। লেখা হলে তা দ্রুত মাথায় ঢুকে যাবে এবং সহজে ভুলবেন না।
.
৫. ইন্টারনেটের ব্যবহার : আধুনিক যুগে পড়াশোনার বড় সুবিধা দেয় ইন্টারনেট। বিভিন্ন টপিক সম্পর্কে ধারণা নিন। যে বিষয়ে পড়ছেন তার সংশ্লিষ্ট অনেক কিছুই হয়তো বইয়ে নেই। এগুলো ইন্টারনেটে দেখে নিন। এতে ধারণা পরিষ্কার হবে।
.
৬. বিরতি দিন : একটানা অনেকক্ষণ পড়লে অস্থিরতা চলে আসবে। এর জন্যে নিয়মিত অল্প সময়ের জন্যে বিরতি নিন।
.
৭. চিউইং গাম : এটি চিবোতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, চিউইং গাম চিবোতে চিবোতে পড়লে তা মাথায় দ্রুত প্রবেশ করে। এ সময় মস্তিষ্কের কার্যক্রম দ্রুত হয় এবং গামের ফ্লেভার বেশ উপকারী হয়ে ওঠে।
.
৮. হাঁটুন : বেশ কিছুক্ষণ পড়ার পর ১৫-২০ মিনিট হেঁটে আসুন। এতে দেহের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাবে।

😀😁😀 গাড়ির যখন রোমান্টিক দুর্ঘটনা ঘটে 😄😃😆

অভাব কাকে বলে?
.
অর্থনীতি ক্লাসে বয়স্ক একজন স্যার রুমে ঢুকেই সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন, বলো তো অভাব কাকে বলে?
-'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।' ছেলেটি উত্তর দিল।
-এটা তো অর্থনীতির ভাষা, সাধারণত অভাব কাকে বলে?
ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আছে। কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন 'বলো অভাব কাকে বলে?'
ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল।
১. আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে দেন, আর আমি বাসা থেকে বের হয়ে ৫/৭ মিনিট পর বাসায় ফিরে ভাড়ার টাকাটা মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস হবে না। মা তখন বলেন আগে খবর নিবি না কলেজ হবে কিনা?মায়ের সাথে এই লুকোচুরি হচ্ছে অভাব।
২. বাবা যখন রাত করে বাসায় আসেন মা তখন বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন ফিরতে?বাবা বলেন ওভারটাইম ছিল। ওভারটাইম না করলে সংসার কিভাবে চলবে?বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার কাছে অভাব।
৩. ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ করে সেটাই অভাব।
৪. মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো কিছুদিন পরা যাবে এটাই অভাব।
৫. মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা মায়ের হাতে দিয়ে বলি, মা এটা তুমি সংসারে খরচ করো, মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন। এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে অভাব।
৬. বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে অভাব।
৭. অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়, এই দূরে সরে পড়াটাই আমার কাছে অভাব।
..
পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল! অনেকের চোখে পানি! স্যার চোখের পানি মুছতে মুছতে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিলেন।
বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন অনেকেই আছে, যারা কয়েক মাস অপেক্ষা করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না। সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না খেয়ে!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টটুকু বুঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠেনা! 😢
লিখেছেন: আবুল হাসানাত কাসেমী।

নিজেকে যাচায় করুন............. 
একটি সাইকোলজিক্যাল টেস্ট।সবাই অংশগ্রহণ
করুন।ডক্টর ফিলস টেস্ট নামে একটা টেস্ট আছে,যেটাতে আপনার ব্যক্তিসত্ত্বার উপর মানুষ
একটা ধারণা পেয়ে যায়।আজকাল অনেক জব সেক্টরেও এই টেস্ট করে আপনার সম্পর্কে ধারণা নেয়।

এখানে প্রশ্নকর্তা আপনাকে ১০ টা প্রশ্ন দিবেন, সাথে কিছু উত্তর দিবেন। উত্তর মিলিয়ে
শেষে দেয়া নাম্বার থেকে আপনি আপনার স্কোর
জানতে পারেন।ডক্টর ফিলস এই টেস্টে পেয়েছিলেন ৫৫।তিনি অপ্রাহ উইনফ্রে এর উপর এই টেস্ট করেন, তিনি পেয়েছিলেন ৩৮।

তবে এই টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হলে,আপনাকে
যে বিষয়টা মাথায় রাখতে হবে, সেটা হল আপনি
অতীতে কেমন ছিলেন সেটা ভুলে যান, আপনি
বর্তমানে কোথায় কেমন আছেন, সেটাই মুখ্য
বিষয়।
.
নিচে সেই দশটি প্রশ্ন ও কিছু উত্তর দেয়া আছে।
আপনার উত্তর মিলিয়ে নিন।শেষে আপনার উত্তরের জন্য যে নাম্বারিং করা আছে, সেখান থেকে আপনার স্কোর কত তা দেখে নিন।
এবং কত স্কোরিং এ একজন মানুষ আপনাকে
কীভাবে মূল্যায়ন করবে, তাও জেনে নিন।

১। আপনি কোন সময়ে নিজেকে সবচেয়ে সুখী
অনুভব করেন?
ক) সকালে
খ) বিকাল ও সন্ধ্যার মাঝামাঝি সময়ে।
গ) মধ্যরাতে।
.
২। আপনি সাধারণত কীভাবে হাঁটেন?
ক) দ্রুত, বড় বড় পায়ে।
খ) দ্রুত, ছোট ছোট পায়ে।
গ কম দ্রুত, মাথা উঁচু করে চারপাশের প্রকৃতি
দেখে।
ঘ) কম দ্রুত, মাথা নিচু করে।
ঙ) খুবই আস্তে।
.
৩। আপনি কারো সঙ্গে কথা বলার সময়-
ক) দুই হাত বুকের উপর গুটিয়ে রাখেন।
খ) দুই হাত হ্যান্ডশেক এর মতো করে বা
মুষ্টিবদ্ধ
করে রাখেন।
গ) একহাত বা দুই হাত আপনার হিপে রেখে বা
পকেটে ঢুকিয়ে রাখেন।
ঘ) যার সাথে কথা বলছেন, তাঁকে স্পর্শ করে কথা
বলেন।
ঙ) আপনার হাত দিয়ে আপনার কান, ত্বক বা
মাথায় স্পর্শ করে কথা বলেন।
.
৪। আপনি যখন বিশ্রাম নেন, তখন যেভাবে বসে
থাকেন-
ক) দুই হাঁটু ভাজ করে মুখের সামনে এনে বসেন।
খ) দুই পা কোনাকোনিভাবে মাটিতে রেখে বসেন।
গ) পা দুটো সোজা সামনের দিকে দিয়ে বসেন।
ঘ) এক পা ভাজ করে অন্য পা সোজা করে বসেন।
.
৫। যখন কোনো কিছু আপনাকে সত্যিকারের
আনন্দ দেয়, তখন আপনি;
ক) জোরে হাসি দিয়ে স্বাগত জানান।
খ) অল্প শব্দ করে হাসি দেন।
গ) আপনি নীরব থাকেন!
ঘ) মুচকি হাসি দেন।
.
৬। আপনি যখন কোনো পার্টিতে উপস্থিত হন,
তখন,
ক) সবাইকে ওয়েলকাম করে ভিতরে প্রবেশ
করেন।
খ) নীরবে প্রবেশ করেন, এবং পরিচিত কাউকে
খোঁজেন।
গ) নীরবে প্রবেশ করে এক কোনায় একা দাঁড়িয়ে
থাকতে পছন্দ করেন।
.
৭। আপনি কোনো কাজে অনেক বেশি মগ্ন, হঠাৎ
কেউ আপনাকে নক করলে,
ক) আপনি তাকে স্বাগত জানান।
খ) আপনি খুবই রেগে যান
গ) মাঝে মাঝে স্বাগত জানান, মাঝে মাঝে রেগে
যান।
.
৮। আপনার পছদের রঙ কোনটি?
ক) লাল অথবা কমলা
খ) কালো
গ) হলুদ অথবা হালকা নীল।
ঘ) সবুজ
ঙ) গাঢ় নীল অথবা বেগুনী
চ) ধূসর অথবা বাদামী।
.
৯। রাতে ঘুমানোর আগে আপনি কীভাবে বিছানায়
শুয়ে থাকেন?
ক) সোজা হয়ে।
খ) উপুর হয়ে।
গ) একপাশে কাত হয়ে।
ঘ) একহাতের উপর মাথা রেখে।
ঙ) মাথা বালিশের নিচে রেখে।
.
১০। আপনি প্রায়ই কীরকম স্বপ্ন দেখেন?
ক) আপনি কোনো কিছু থেকে পড়ে যাচ্ছেন।
খ) আপনি কারো সাথে মারামারি করছেন বা
পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
গ) আপনি কাউকে খুঁজছেন।
ঘ) আপনি উড়ছেন বা ভাসছেন।
ঙ) আপনি স্বপ্ন দেখেন না বললেই চলে।
চ। আপনি সবসময় আনন্দের স্বপ্ন দেখেন।
.
নাম্বারসমূহঃ
১। ক=২, খ= ৪, গ=৬
২। ক= ৬, খ= ৪, গ= ৭, ঘ= ২, ঙ=১
৩। ক=৪, খ=২, গ=৫, ঘ=৭, ঙ=৬
৪ ক=৪, খ=৬, গ=২, ঘ=১
৫। ক=৬, খ= ৪, গ=৩, ঘ=৫,
৬। ক=৬, খ=৪, গ=২
৭। ক=৬, খ=২, গ=৪
৮। ক=৬, খ=৭, গ=৫, ঘ=৪, ঙ=৩, চ=২
৯। ক=৭, খ=৬, গ=৪, ঘ=২, ঙ=১।
১০। ক=৪, খ= ২, ঘ=৩, ঘ=৫, ঙ=৬, চ=১।
.
আপনার স্কোর যখন ৬০ এর উপরে, তখন
অন্যরা আপনাকে জানবে আপনি আত্মকেন্দ্রিক, আপনি ডমিন্যান্ট করতে পছন্দ করেন। আপনি প্রশংসিত হবেন, কিন্তু সবসময় বিশ্বাসযোগ্য হবেন না। আপনার সাথে কেউ ঘনিষ্ঠ হতে অনেক দ্বিধায় ভুগবে।

আপনার স্কোর যখন ৫১-৬০, তখন অন্যরা
আপনাকে জানবে আপনি একজন আকর্ষণীয়,
প্রাণবন্ত, আবেগী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, দলনেতা,
দূরদর্শী, যেকোনো কিছুর সিদ্ধান্ত অনেক
তাড়াতাড়ি নিতে পারেন, সেটা ভুল হোক আর ঠিক হোক। আপনি সাহসী, অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়,
আপনার সঙ্গ পেতে সবাই পছন্দ করবে।
.
আপনার স্কোর যখন ৪১-৫০, তখন অন্যরা
আপনাকে জানবে আপনি সতেজ, জীবনঘনিষ্ঠ,
সুন্দর, বাস্তববাদী একজন মানুষ। আপনি দয়ালু,
সুবিবেচক, মানুষকে সাহায্য করতে পছন্দ করেন।
.
আপনার স্কোর যখন ৩১-৪০, তখন অন্যরা
জানবে আপনি বিচক্ষন, সতর্ক, যত্নশীল,
বাস্তববাদী, চালাক, মেধাবী এবং বিনয়ী। আপনার সাথেই সহজে একজন বন্ধুত্ব করে ফেলবে। আপনি সহজেই কাউকে বিশ্বাস করে ফেলবেন, কিন্তু কেউ আপনার বিশ্বাস ভাঙলে তাঁকে আর কখনোই বিশ্বাস করতে পারবেন না।
.
আপনার স্কোর যখন ২১-৩০, তখন অন্যরা
জানবে আপনি বিরক্তিকর এবং ব্যস্ত। আপনাকে সবাই অত্যন্ত কৌশলী বলেই জানবে। আপনি প্রতিভাবান নন, কিন্তু উদ্যমী।
.
যখন আপনার স্কোর ২১ এর নিচে, তখন অন্যরা
জানবে আপনি অনেক লাজুক, নার্ভাস, সবসময়

এলপি গ্যাসের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য গায়ে লিখতে হবে : হাইকোর্ট


সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করে এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের গায়ে লিখতে আগামী ১ মার্চ পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের সময় বেঁধে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার (২০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

পাশাপাশি আদালত আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে এলপি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না- এই মর্মে রুল জারি করেছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এর্টনি জেনারেল অমিত তালুকদার।



শুনানিতে আইনজীবী লিংকন বলেন, এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেখা থাকে না। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে যখন-তখন মূল্য বাড়াচ্ছে বেসরকারি এলপি গ্যাস সরবরাহকারী স্থানীয় কোম্পানিগুলো।

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়ার আগেই যে গ্যাস আমদানি করা হয়েছিল, সেগুলোর মূল্যও বাড়িয়ে দেয় কোম্পানিগুলো। গ্যাসের মূল্য নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকায় বিপাকে পড়তে হচ্ছে গ্রাহকদের। সিলিন্ডারের গায়ে মূল্য লেখা থাকলে ভোক্তাকে অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য বাড়ার কারণ দেখিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরাও যখন-তখন মূল্য বাড়াতে পারবেন না।

এলপি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের জন্য কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে গত ১৩ জানুয়ারি রিট করেন আইনজীবী মনিরুজ্জামান লিংকন। রিটে সিলিন্ডারের গায়ে দাম উল্লেখ করারও নির্দেশনা চাওয়া হয়। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদি করা হয় ওই রিটে।

এর আগে গৃহস্থালি ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় ব্যবহার করা এলপি গ্যাসের সিলিন্ডারের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লিখে দিতে ৬ জানুয়ারি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে বিবাদি করা হয় জ্বালানি সচিব ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যানকে নোটিশে।





পূর্বকোণ/আরপি

মুজিববর্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে উন্মোচিত লোগো ব্যবহারের বিশেষ নির্দেশনা
নিজস্ব প্রতিবেদক | ২২ জানুয়ারি, ২০২০
মুজিববর্ষের লোগো ব্যবহারের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। আগামী ১৭ মার্চ, ২০২০ সালে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। তাঁর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে দেশে ও বিদেশে, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে টানা বিভিন্ন কর্মসূচি উদযাপিত হবে। জাতির পিতার এই জন্মশতবর্ষকে তাই রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’।

এই কর্মসূচির লক্ষ্য প্রসঙ্গে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর মাধ্যমে জাতি হিসেবে বাঙালি কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা জানাবে। সেই সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর যে ত্যাগ ও অর্জন, তা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা হবে। বিশ্ববাসীর কাছে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ ত্যাগ ও আত্মত্যাগের কথা ও সেই মহান ব্যক্তিত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে।

মুজিব শতবর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশনা : সামগ্রিকভাবে এই আয়োজনের জন্য যে লোগোটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উন্মোচিত হয়েছে, সেটা দেশে ও বিদেশের সর্বস্তরের বিভিন্ন আয়োজনে ব্যবহারের জন্য রয়েছে বিশেষ দিকনির্দেশনা। সেগুলো হচ্ছে-

১. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত রঙ, বর্ণবিন্যাস এবং আকৃতি ছাড়া অন্য কোনো প্রকারে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না।

২. সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান, সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সব ইমেইল, সরকারি পত্র, স্মারকপত্র, আধা-সরকারি পত্রে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের লোগোর সঙ্গে যথাযথভাবে মুজিববর্ষের লোগোটি ব্যবহার করা যাবে।

৩. সরকারি মালিকানাধীন সব বাস, ট্রেন, দাফতরিক গাড়ি, নৌযান, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক রুটে চলমান বাংলাদেশ বিমান, সামরিক এয়ারক্রাফট এবং ক্রুজে উপযুক্ত স্থানে; বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে এবং সাজসজ্জায় মুজিববর্ষ লোগোর নির্দেশিকা অনুসরণ করে নির্ধারিত ও আনুপাতিক হারে নান্দনিকভাবে লোগোটি ব্যবহার করা যাবে।

৪. জাতীয় দিবসসহ বিভিন্ন উপলক্ষে সরকারি-বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে শুভেচ্ছা কার্ড এবং আমন্ত্রণপত্রে উক্ত লোগো ব্যবহার করা যাবে।

৫. জাতীয় পাঠ্যপুস্তক এবং সব সরকারি তথ্য বাতায়নে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে।

৬. সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, নোটপ্যাড, স্টেশনারি, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি সব প্রচার সামগ্রীতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে।

৭. কোনো ব্যক্তিগত বা বেসরকারি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক প্রডাক্ট, সেবার উদ্দেশ্যে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না।

৮. সিগারেট, অ্যালকোহল, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা অনুরূপ দ্রব্যাদিতে এই লোগো ব্যবহার করা যাবে না।

৯. বিভিন্ন ক্রীড়া, সাহিত্য, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠানের আয়োজনে, প্রকাশনার ক্ষেত্রে লোগো ব্যবহার করা যাবে।

১০. জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ২৬ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।

এছাড়া লোগো ব্যবহারের বিস্তারিত নির্দেশিকায় উল্লেখিত লোগোর ধরন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য লোগোর পটভূমির রঙ, লোগোর চতুর্দিকের ফাঁকা জায়গা কোথায় কতটুকু রাখতে হবে, গাঢ় পটভূমিতে লোগোর ব্যবহার, লোগোর মুদ্রণে রঙের নির্দেশনা, লোগোর ব্যবহারিক অবস্থান এবং লোগো ব্রান্ডিংয়ের উদাহরণও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

ডিজাইন বিস্তারিত প্রকাশনায় মুজিববর্ষের জন্য যেসব সুভ্যেনিয়র ব্যবহৃত হতে পারে, যেমন পেনড্রাইভ, মগ, টি-শার্ট, পতাকা, কলম, কোটপিন, এমনকি বাস, ট্রেন, বিমান বা বিভিন্ন ভবনে ব্যবহারের নির্দেশনাসহ, এ বিষয়ে কমিটি কর্তৃক একটি বিশেষ নির্দেশনা বই প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শতবর্ষ উদযাপনবিষয়ক ওয়েবসাইটে বিস্তারিত সংরক্ষণ করা হয়েছে।

আসন্ন এসএসসি পরিক্ষার সংশোধিত রুটিন ২০২০

👉👉👉কিভাবে এল ৩৩ নম্বরে পাশ..!!👈👈👈
***************************
১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে ১ম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কতৃপক্ষ দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যায়, এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।
তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাশের নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল, "The people of Subcontinent are half as intellectual and efficient as compared to the British" অর্থাৎ "বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ কে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো"।
এর-ই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাশ নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাশ নম্বর ৩২.৫ ই ছিল। ১৮৬২ সালে তা গননার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে।
ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে। আমাদের পাশ্ববর্তি দেশ ভারতে I.I.T তে বিষয় ভেদে পাশ নম্বর ৪১ থেকে শুরু করে ৯০ পর্যন্তও হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৬ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও C.A কিম্বা C.M.A- তে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
লক্ষনীয় ও আজব ব্যাপার হল, প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ন হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি।
সময় এসেছে এটাকে পরিবর্তন করার।
~~~~~~
বি.দ্র.- লেখাটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে চোখে পড়েছে। সোর্স খোঁজার চেষ্টা নিয়েছি, খুব একটা লাভ হয়নি।

নুডুলস কামিজ😁😀😁

23-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ বেশির ভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি হল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কিছু জলবিদ্যুৎ ও গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
(A) তামিলনাড়ু
(B) পশ্চিমবঙ্গ
(C) বিহার