About টুকি-টাকি

Beautiful Pencil Artwork 🎨✏️
via: Dharmendra Soni

নিজের ক্ষেতের সবজি নিয়ে এক কৃষক গেলেন বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে। বাড়ির কেয়ারটেকার তাকে বসিয়ে সবজি গুলো নিয়ে গেলেন দোতলায়। বঙ্গবন্ধু টেলিফোনে কথা বলছিলেন। কথা বলা অবস্থায় কেয়ারটেকার তাঁকে সবজির কথা বললেন। বঙ্গবন্ধু পাঞ্জাবীর পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে দিলেন।

সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় কেয়ারটেকার ভাবলো সামান্য কিছু সবজির জন্য ২০ টাকা দেয়ার কী দরকার? সে ১০ টাকা রেখে দিয়ে বাকী ১০ টাকা দিলো কৃষকের হাতে। টাকা পেয়ে কৃষক অবাক হলো এবং দৌড়ে দোতলায় উঠে গেলো। ততোক্ষণে টেলিফোন রাখলেন বঙ্গবন্ধু।

কৃষক বঙ্গবন্ধুর কাছে ১০ টাকা ফেরত দিয়ে বললেন, " এগুলো আমার ক্ষেতের সবজি,আমি আপনার জন্য এমনি এনেছি, টাকা লাগবেনা। "জবাবে বঙ্গবন্ধু বললেন," কিন্তু আমিতো ২০ টাকা দিয়েছিলাম।" কৃষক জবাব দিলো, " উনি তো আমাকে ১০ টাকা দিলেন।

একথা শুনে বঙ্গবন্ধু বললেন,"যে দেশে দোতলা থেকে নিচতলায় নামতেই ২০ টাকা ১০ টাকা হয়ে যায়, সে দেশে কত টাকার বাজেট প্রনয়ণ করলে তা জনগণের নিকট পৌঁছাবে ?.........

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যথাযর্থ বাজেট জনগণ পায় কি।
সিড়ি দিয়ে নামতে নামতে যদি ২০ টাকা ১০ টাকা হয়ে যায়। তাহলে মন্ত্রী, এম পি, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ওর্য়াড মেম্বার হয়ে জনগনের হাতে কি আসে।

বাংলা ছায়াছবির কিছু মজাদার মার্কা সংলাপঃ😂😜

১. ছেড়ে দে শয়তান ছেড়ে দে, কে আছো বাঁচাও!🐸

২. শয়তান তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবি না!😁

৩. সাগর, ওরা তোর প্রেমিকাকে তুলে নিয়ে গেছে!🤣

৪. পৃথিবীতে এমন কোন শক্তি নেই তোমার থেকে আমাকে আলাদা করতে পারে!😆

৫. মা,মা, তোমার রাজু ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছে!😂

৬. আজ যদি তোর বাবা বেঁচে থাকতো ..🙄

৭. সেকি আপনার হাত দিয়ে তো রক্ত বের হচ্ছে!🤯

৮. আজ যদি আপনি সঠিক সময়ে এসে গুন্ডাদের হাত থেকে না বাঁচাতেন তবে কিযে হতো! আসুন না আমাদের বাড়িতে এক কাপ চা খেয়ে যান।😆😂

৯. আমি ঠিক করেছি আমার বন্ধুর ছেলে ডেনির সাথেই তোর বিয়ে দেবো!🥴

১০. তুমি বড় লোকের মেয়ে আমি সামান্য কৃষকের ছেলে সমাজ আমাদের মেনে নেবে না নদী!😒

১১. ছোটলোকের বাচ্চা বামন হয়ে আকাশের চাঁদ ছুঁতে চাস!🤐😀

১২. চৌধুরী সাহেব আমরা গরীব হতে পারি কিন্তু ছোটলোক না।😆

১৩. ওরা আমাকে মেরে ফেলুক বাবা তবু তুই দলিলে সই করবি না।😄

১৪. মনে আছে আজ থেকে ২০ বছর আগে তুই আমার বাবাকে মেরেছিলি, ভাইকে মেরেছিলি, আমি তোকে ছাড়বোনা কুত্তার বাচ্চা!😬😂😂

১৫. মার খোকা, এই শয়তানটাকে মার, ও তোর বাবাকে বিশ বছর আগে মেরেছে।🐸

১৬. হ্যান্ডস আপ, আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না।🐸😂

ভুল করে কিছু বাকি থাকলে আপনেরা বলুন!!😂😛

আপনি ও বাঁচুন অন্যকে ও বাঁচান।
একবার পড়ুন আর আপনার সমস্যা থেকে রেহাই পান।##

হস্তমৈথুন ! লজ্জা নয়, জানতে হবে । তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যাধিক একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়...।
===================================
বিয়ের আগে না জানার কারণে ছেলে/মেয়ে এক বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পরে । আমাদের স্কুল কলেজ গুলোতে সব বিষয়ে বলা হলেও এসব বিষয়ে বলা হয় না বললেই চলে ।
তাই এই বিষয়ে না জানার কারণে অনেক ছেলে মেয়ে নিজের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে ।
Calculation করে দেখা গেছে বর্তমানে অবিবাহিত ছেলেদের মধ্যে ৮০% আর মেয়েদের মধ্যে ৬৫% এই বদ অভ্যাসে জড়িত ।
যেটা কে আরবিতে বলা হয় নিকাহ বিল ইয়াদী
( অর্থাৎ হাতের সাথে বিবাহ করা ) ।

ইংরেজিতে বলা হয় Masturbation আর শুদ্ধ বাংলায় বলা হয় হস্তমৈথুন ।
যেটাকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম বলেছেন এবং এর শাস্তি ভয়ানক হওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন আঙ্গুলের পেট গুলো থেকে বাচ্চা অর্ধেক বের হয়ে থাকবে । বাকিটা ফেরেস্তারা টেনে বের করবেন ।
অন্য আর জায়গায় বলা হয় এটার কারণে যে Sparm বাহির হয় ,, কোন কোন ডাক্তার বলে থাকেন একবারের Sparm এ বিশ লক্ষ শুক্রাণু থাকে । সেই শুক্রাণু গুলো থেকে একটি ডিম্বাণুতে গিয়ে বাচ্চা জন্ম হয় ।
তো এই অপচয়ের কারনে আল্লাহ তা'আলা বলবেন যে,
এই শুক্রাণু গুলোর জীবন দাও !
যখন দিতে পারবে না তখন তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে ।
এটাতো গেলো মৃত্যুর পরের কথা কিন্তু কেউ যদি ছাড়তে না পারে তাহলে তাকে দুনিয়াতে অনেক পস্তাতে হবে ।

#এটা_করার_কারণে_ছেলে_মেয়ে_যেসব_সমস্যার মধ্যে পড়ে তা হচ্ছে...
------------------------------------------------
(১) বিয়ে করতে পারবে না

(২) বিয়ে করলেও স্ত্রীর হক আদায় করতে পারবে না
Sparm এ শুক্রাণু রয়েছে তা শেষ হয়ে যাবে ।
যার ফলে সন্তানের বাবা হতে পারবে না ।

(৩) Panis অস্বাভাবিক মোটা /চিকন হয়ে যাবে ।
Panis আর দাড়াবে না ।

(৪) Sparm একেবারে পাতলা হয়ে যাবে যার ফলে প্রসাব করতে গেলে আগে/পরে Sparm বের হবে ।

(৫) Panis লুজ হয়ে যাবে যার ফলে দৌড় দিলেও প্রস্রাব বের হয়ে আসবে ।

(৬) আর অতিরিক্ত করার কারণে সর্বশেষ যেটা হবে প্রস্রাব করতে গেলে আর প্রস্রাব আসবে না বরং রক্ত আসবে ।

#মেয়েরা_যেই_সমস্যার_সম্মুখীন_হবে
----------------------------------------------------------
(১) বিয়ের পর স্বামী সন্দেহ করবে যে বিয়ের আগে কোন পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করছে হয়তো ।

(২) কেননা এর দ্বারা virgin নষ্ট হয়ে যায় ।

(৩) Period অস্বাভাবিক হয়ে যাবে ।

(৪) বন্ধ্যা হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে ।

(৫) Glans লুজ হয়ে যাবে যার ফলে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারবে না ।

(৬) আর ছেলে/মেয়ের উভয়ের যেই সমস্যা গুলো হবে তা হলো :মাথা এবং কোমরে ব্যাথা করবে ।

(৭) অল্প বয়সে যৌবন শেষ হয়ে যাবে ।

(৮) চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে ।

(৯) রক্ত উৎপাদনের যেই মেসিন রয়েছে তা দূর্বল হয়ে যাবে । ফলে রক্ত উৎপাদন কমে যাবে ।
কিডনি দূর্বল হয়ে যাবে । প্রস্রাবে সমস্যা হবে
মোটকথা শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ দূর্বল হয়ে পড়বে ।

(১০) Absence of sex pawer (যৌন দূর্বলতা ) এই রোগে ভুগতে হবে ।

#এই_গোনাহ্_থেকে_বাঁচার_উপায়
---------------------------------------------------------
(১) কোনো পর্ণোগ্রাফি/ ব্লুফিল্ম দেখা যাবেনা । এটা দেখা হারাম ।

(২) কোনো খারাপ চিন্তা মনে আসতে না দেওয়া ।

(৩) নিজেকে সবসময় কাজকর্মে ব্যস্ত রাখা ।

(৪) বাথরুম/টয়লেটে প্রবেশ করার সময়, শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচার জন্য দুয়া পাঠ করা । অর্থাৎ টয়লেটে প্রবেশ করার সময় যে দোয়া পাঠ করতে হয় সেটা ।

(৫) সবসময় অজু অবস্থায় থাকা ।

(৬) কোন খারাপ চিন্তা মাথায় আসলে সাথে সাথে ইসতেগফার পড়া ।

(৭) যখন বেশি উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ও দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া এবং নির্জনতা পরিহার করা । অর্থাৎ মানুষের সমাগমে থাকলে এ কাজ করার সাহস পাবেনা ।

(৮) আর যারা অসুস্থ হয়ে পড়বে তাদের ডাক্তার এর সুপরামর্শ নেওয়া ।

সর্বোপরি আপনার ছেলে মেয়েকে সময়মত বিয়ে দিন । তাহলে হস্তমৈথুনের মত মারাত্মক গুনাহ তাদের দ্বারা হবেনা । প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে বিয়ে দিয়ে দিন । আর যদি আপনার ছেলে মেয়েকে সময়মত বিয়ে না দেন তাহলে তারা বিয়ে বহির্ভূত যেনা ব্যভিচার যেসব পাপ কাজ করবে তা তার পিতা মাতার আমল নামায় বর্তাবে । পিতা মাতা না থাকলে বড় ভাইয়ের উপর বর্তাবে । তাই বিয়েকে সহজ করুন, যেনা ব্যভিচারের পথকে বন্ধ করুন ।
___________________________________
বিঃদ্রঃ- মুসলিম ভাই ও বোনদের মারাত্মক ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য এই লেখনী । আল্লাহর কাছে দোয়া করি সবাই যাতে এই ভয়ানক গোনাহ্ থেকে বেঁচে থাকতে পারে । আর যারা যুক্তি উপস্থাপন করে হস্তমৈথুনকে বৈধতা দিতে চায় বা বৈধ করতে চায়, তাদের থেকে ১০০ হাত দূরত্ব বজায় রাখবেন । কারন এরা নিজেরাও ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত এবং আপনাকেও ক্ষতির সম্মুখীন করতে চায় । এরা নিজেরাও গোমরাহ/বিপদগ্রস্ত, আপনাকেও তাই করে ছাড়বে । কারন এরা নিজেরাই হস্তমৈথুন করে বিধায় সমাজে লোকদের বলে বেড়ায় এটা বৈধ ! আস্তাগফিরুল্লাহ ।
তাই এ সমস্ত লোকদের সাথে চলাফিরা বা উঠাবসা করা যাবেনা ।
আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকল মুসলিম ভাই বোনদেরকে ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুন এবং এই গোনাহ্ থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন । আ-মীন ।

#Copied

সূর্যের ৬টি স্তর -

বাংলা সিনেমায় যার নাম স্মরণ করা হবে চিরকাল...

খাঁটি ইচ্ছা - অদম্য জেদ.....সত্যিই যদি থাকে,
পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই, তোমায় আটকে রাখে
(ভাইটি মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ❤️)

বাংলাদেশে কোকাকোলার অভিনব বিপণন কৌশল- প্রতিটি বোতলের গায়ে একটি করে হারিয়ে যেতে বসা বাংলা শব্দের স্টিকার । অসাধারণ এই প্রচেষ্টা ।

অমর একুশে

এক কথায় অসাধারন বললেও কম বলা হয় 😱❤

আপনারাা কি বলবেন?

ওসির অনুরোধ, ‘আমাকে স্যার ডাকবেন না’

‘জনগণ হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের মালিক আর আমি হচ্ছি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী। তাই মালিক কর্মচারীকে স্যার বলে ডাকবেন; এটা আমার কাছে বেমানান মনে হয়। জনগণ আমাকে অফিসার, ভাই, বাবা, চাচা, বেটা যে কোন নামে ডাকতে পারেন।’ - ওসি আশিকুর রহমান -গোয়ালন্দ ঘাট থানা , রাজবাড়ী।

আমি নিয়মিত একটা ফার্মেসী দোকানে বসি। উদ্দেশ্য ঔষধের ব্যাবসাটা ভাল মত শেখা, ইচ্ছা আছে আগামীতে নিজেই একটা দোকান দেব। কিন্তু, দোকান দেব কি এই ব্যাবসায় মানুষের কার্যক্রম দেখে আমি হতভম্ব।

একদিনের ঘটনা, এক লোক আমাদের দোকান (আমি যে দোকানে বসে শিখি) থেকে পাইকারী ঔষধ কেনে, গ্রামে তার দোকান আছে। সেই লোক দোকানের মালিককে জিজ্ঞেস করছে, "দুই নাম্বার সেকলো নাই? "

ঐদিন আমি প্রথম জানতে পারি বাজারে নকল Seclo 20 আছে। Seclo 20 হচ্ছে, স্কয়ার কোম্পানির বহুল ব্যাবহৃত গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ। যেহেতু এটার চাহিদা আকশচুম্বি, তাই এক দল অসাধু ব্যাবসায়ীর অন্যতম টার্গেট এই Seclo 20।

সে দিনের পর আমি আসল আর নকল সেকলো চেনার চেষ্টা করি। এক দিন দোকানের মালিক যখন কোন কারণে দোকানের বাইরে যান, সে দিন আমি প্রথম এই দোকানে নকল #Seclo20 আবিষ্কার করি। সৌভাগ্যবশত, সে দিন দোকানে আসল Seclo20 ঔষধ ও ছিল। অনেকক্ষণ যাচাই-বাছাই করার পর আমি আসল Seclo20 সনাক্ত করি।

এর কিছু দিন পর, আরেক কাস্টমার বলল যে, Calbo D ( ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি ট্যাবলেট) দিন, যদি আসলটা থাকে তাহলে দিবেন আর না হলে দিবেন না। দোকানী বলল নেই।

কাস্টমার চলে যাওয়ার পর আমি জিজ্ঞেস করলাম, Calbo D তো ছিল, নাই বলার কারণ কি? সে তখন বলল, এটা নকল Calbo D

পরে আমি আশ্চর্য হয়ে দেখলাম যে, পুরো দোকান নকল Calbo D দিয়ে ভর্তি।

বেশ কিছু দিন পর এই নকল ঔষধ সাপ্লাইকারীকে দেখলাম, উনি দোকানের মালিকে Zimax 500 (এন্টিবায়োটিক) কেনার অফার করছেন। আরো দেখলাম তার কাছে কয়েক বক্স নকল Zimax 500 সাথে আরো কিছু ঔষধ।
তখন আমি নিশ্চিত হলাম, শুধু মাত্র এই দোকানেই নয়, এর আশেপাশের অনেক ফার্মেসীতেই অতি গোপনে এবং খুব স্বাভাবিক ভাবেই নকল ঔষধ বিক্রি হচ্ছে এবং এটা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। শুধু মাত্র স্কয়ার কোম্পানির ঔষধ ই যে নকল হচ্ছে তাই নয়, বহুল ব্যাবহৃত প্রায় সব ধরণের ঔষধ ই নকল হচ্ছে।

সচরাচর এই বিষয়টি সাধারণ মানুষ জানে না আর ঔষধগুলির পার্থক্যও অত্যান্ত সূক্ষ্ম। কিছু ক্ষেত্রে আসল আর নকল ঔষধ এক সাথে পরিক্ষা না করলে নকলটা খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব। মানুষের এই অজ্ঞাতকে কাজে লাগিয়ে এক দল অসাধু ব্যাবসায়ী কিছু মুনাফার আশায় নকল ঔষধ নামক বিষ খাইয়ে যাচ্ছে। ব্যাবসার নামে প্রতারণা করে মানুষের জীবনকে নিয়ে যাচ্ছে হুমকির মুখে।

এটা নিয়ে যদি সামান্য সন্দেহ থাকে তবে ১৭ ই নভেম্বর ২০১৯ সালে করা #SATV 'র "খোঁজ" প্রতিবেদনটা দেখে নিতে পারেন।

নকল Calbo D এর একটা পিক দিলাম, জাস্ট Calcium বানানটা দেখুন।
লিখেছেনঃ কামাল উদ্দিন

চীন এর উহান শহরজুড়ে ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি!!
একটা ক্লিপে দেখলাম, মেয়ে তার জন্মদাত্রী মা'র—যিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত— কাছে যাচ্ছে না। প্রায় বিশ গজ দূর থেকে চোখাচোখি করে কিছুটা আবেগাপ্লুত হয়ে মা'র জন্য আনা খাবার রেখে হাত নেড়ে চলে গেল। নিঃসঙ্গ মা তখন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এসে খাবারের পার্সেলটা নিয়ে ফিরে গেল নির্জন প্রকোষ্ঠে। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

উহান শহরের ভাইরাস উপদ্রব এলাকায় ডিউটিরত এক ট্রাফিক পুলিশকে খাবার দেয়া হল ড্রোনের সাহায্যে। ড্রোন আকাশ থেকে নেমে খাবারের প্যাকেট রেখেই ফিরতি উড়াল দিল। তার কাছে সশরীরে খাবার নিয়ে যাওয়ার মত কেউ নেই। বস, সহকর্মী, সহচর বা অনুচর কেউ দেখা করছে না। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

হঠাৎ একটা খবর ছড়িয়ে পড়ে, করোনাভাইরাস পশু থেকে মানুষের দেহে ট্রান্সমিশন হচ্ছে। খবরটি শোনামাত্র দীর্ঘদিন ধরে পোষা প্রাণীগুলোকে তারা নির্বিচারে হত্যা করতে থাকে। একাজে তারা একটুও দ্বিধান্বিত হয়নি। ভাইরাস আক্রান্ত এলাকাজুড়ে পথেঘাটে অসংখ্য মৃত পোষা প্রাণী পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি প্রাণী রক্তাক্ত। অর্থাৎ যে যেভাবে পারছে সজোরে নিক্ষেপ করে, মাথায় বাড়ি দিয়ে মেরে বাঁচবার চেষ্টা করে যাচ্ছে। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

জাপানিরা যখন জানতে পারল তাদের ডায়মন্ড প্রিন্সেস জাহাজের আরোহীদের কেউকেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তখন প্রায় চার হাজার যাত্রীবাহী জাহাজকে আর জেটিতে ভিড়তে দেয়া হয়নি। মাঝ দরিয়ায় কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। যাত্রীদের কেবিনের জানালা সিলগালা করা। বাহিরের আলোবাতাসের দেখা মিলছে না। কক্ষ পরিষ্কার নিজেদেরই করতে হয়, তবে কাপড় ধোঁয়া নিষেধ। আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে এক মিটার দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হয়। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

ফ্রান্সে চীনা এক মহিলা হঠাৎ ঢুকে পড়ে। এ নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে যায় ফ্রান্স জুড়ে। পরদিন পত্রিকা শিরোনাম করে, "চীন থেকে জীবন্ত পারমাণবিক বোমা ফ্রান্সে এসেছে।" তারপর প্রশাসন ঐ মহিলাকে ধরে অজানা স্থানে নিয়ে যায়। যেকোন কূটনৈতিক শিষ্টাচার এখানে অচল। মানবাধিকার কর্মীরা নিশ্চুপ। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

বাংলাদেশ যাদেরকে চীন থেকে ফিরিয়ে এনেছেন তাদেরকে আশকোনার কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। একদম জনবিচ্ছিন্ন। সেখানে কেউ যাচ্ছে না। যাওয়ার সুযোগ নেই। আত্মীয়স্বজনেরা খাবার রেখে আসছেন গেটের সামনে। সবার অব্যক্ত উক্তি–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি।

কান পাতলে প্রায় দুনিয়াজুড়ে একটি শব্দই শুনতে পাব–ইয়া নাফসি, ইয়া নাফসি। এটা তো দুনিয়া। এই পৃথিবীতে ভালোবাসা আছে, প্রিয় মানুষ আছে, প্রাণের বন্ধন আছে, দুঃখের সময়ে পাশে থাকার লোক আছে। এতকিছু থাকার পরও একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস কীভাবে মানুষকে আত্মকেন্দ্রিক করে চলেছে, ভেবেছেন? ভয় একটাই–কাছে গেলে আমিও আক্রান্ত হতে পারি। আক্রান্ত হলে মারা যেতে পারি। তুমি আক্রান্ত হয়েছো, তুমিই মরো। আমি দূরেই থাকি, আপাতত বেঁচে যাই।

দুনিয়াতেই যদি এমন হয় তাহলে আখেরাতে কেমন হতে পারে? ইয়া নাফসি শব্দটা দিলটাকে খানখান করে দিবে না?


রোগের নাম - ভালোবাসা

রোগীর নাম - প্রেমিক/প্রেমিকা ।।

রোগ আক্রমনের সময় - অনুমান করা অসম্ভব, তবে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে 15-25 বছর বয়সে।।

রোগটি যে এলাকা থেকে ছড়ায় - স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি, টিউশন, বাসস্ট্যান্ড , ফেসবুক ইত্যাদি।।

রোগের লক্ষণ - বাবা /মা, বন্ধুদের এড়িয়ে চলা, সারাক্ষন মোবাইল বা ফেসবুক নিয়ে ব্যস্ত থাকা।।

রোগের পরিণাম - চেকিং,চ্যাটিং,টকিং , ডেটিং ।।

রোগীদের যেখানে দেখা যায় -পার্ক,কলেজ ক্যাম্পাস, সিনেমাহল,থিয়েটার, রেস্টুরেন্ট, শপিংমল ইত্যাদি।।

যারা অনুপ্রেরণা জোগায় - বন্ধুবান্ধব , সিনেমাহল

জাতীয় দিবস - 14 ফেব্রুয়ারী।

ভিলেন - বাবা /মা

চিকিৎসা - বিবাহ

তোমার মতো রোগিদের পাঠাও
... একা হাসছো কেন....

একা হাসা বারন আছে............

- নারী তুমি তেলা পোকা কে ভয় পাও !! 🕷
অথচ" মা হতে গিয়ে দুনিয়াতে সব চেয়ে বেশী,
কষ্টই চুপ করে সহ্য করে নাও !!🤰

- প্রেশারের ঔষধ খেতে মনে থাকে না !!💊
অথচ সন্তান এর অসুখ হলে ঠিকই সময় মত,
প্রতিবেলার ঔষধ খাইয়ে দাও !!🙂

- বৃদ্ধাশ্রমে যাও,
কিন্তু সন্তানের জন্যে দোয়া করতে ভুল হয় না তোমার !!👨‍👩‍👧‍👦

- বিয়ের আগে কেউ একটা কটু কথা বললে তোমার কাছে রেহাই, পেতো না.. আর বিয়ের পর কত কথা চুপচাপ সহ্য করে থাকো !!

- ছোট বেলা থেকে পছন্দের কিছু না পেলে,,
কত রাগ আর অভিমান করতে !!
আর সেই তুমি চুপচাপ তোমার পছন্দের পুরুষকে,,
বিসর্জন দাও শুধুমাত্র পরিবারের হাসির কথা ভেবে !!

- যখন দেখতে পাশের কেউ ছোট্ট বাচ্চাদের মল মূত্র পরিষ্কার,, করে তখন বলতে আমার বাচ্চা দরকার নেই,ছি ছি !!
পারবো না এগুলা করতে !!
আর সেই তুমি সন্তানের প্রস্রাব করা সেই ভিজে যায়গায় চুপচাপ শুয়ে থাকো !!

- নারী তুমি পারো ও বটে। তোমার চাওয়ার সাথে পাওয়া গুলো বড্ড বেমানান গো !!💔
চাইলেও পাও না।আবার না চাইতে অনেক কিছু পাও !!💔

- তোমার ভালোবাসায় পাগল হয়ে !!
অনেকে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয় !!
তোমায় না পেয়ে পাগলা গারদেও আছে অনেকে !!🤡
বিশ্বাস না হলে পাবনায় একদিন ঘুরে এসো !!
তুমি চোখের জল না ফেলে আসতে পারবে না !!
মাঝে মাঝে নিজের আবেগের একটুও দাম পাও না !!
কত ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তুমি তুচ্ছ থাকো !!

- নারী তুমি সত্যিই সুন্দর গো !!🧚
তার সমান্তরালে তুমি আবার অবহেলিত !!
নারী তোমাকে বুঝার কিছু নাই গো !!
যে টুকু আছে সব টুকুই ভালোবাসা 🌷
কালেক্ট#

গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যৌন উত্তেজনায় জোড় করে স্ত্রী ব্রা খুললেই স্বামী হওয়া যায় না। আমরা স্বামীর দাবি নিয়ে ব্রা খুলতে শিখেছি।

কিন্তু কখনো কি স্ত্রীকে বলেছি, আজ তোমার শরীরটা কেমন? সারা দিন প্রচুর খাটাখাটনি হয়েছে তাই না? আজ তোমার শরীরটা একটু টিপে দেই? শরীর ব্যর্থা কমে যাবে!

যখনই যৌন উত্তেজনা উঠে, তখনই মনে পড়ে, আমার তো একটা স্ত্রী আছে! এর আগে কখনো স্ত্রী নামক মানুষটা কথা মনে পড়েছে?

অফিসে কাজের নামে অন্যের স্ত্রী সাথে কর্পোরেট ঘষাঘষি করি। কখনো কি মনে পড়ে কেউ একজন দিন শেষে বেলকুনির গ্রিল ধরে পথ চেয়ে আছে আমার অপেক্ষায়। অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত শরীরলে, মেজাজ গরমে স্ত্রীকে বলি দুধ চিনি ভাল করে দিয়ে, তারাতারি এক কাপ চা দাও!

তখন একবারের জন্য কি মনে হয় না, এই মানুষটাও তো সারাদিন আমার মতো কামলা দিয়েছে, তার আমার মধ্যে পার্থক্য, সে ঘরে দিয়েছে আর আপনি বাহিরে দিয়েছেন!

রাতে ঘুমের ভ্যান ধরে কম্বলের নিচে মেসেঞ্জারে ডিজিটাল পরকীয়া করার সময়, ঘুমন্ত স্ত্রী কথা একবারও মনে পরেনা, আপনি তার বিশ্বাস ও আস্থার জায়গাটা নষ্ট করে তাকে ঠকাচ্ছেন?

বাকি রইলো বিয়ে! দেনমোহর আর কবুল বলেই স্বামী হওয়া যায় না। স্বামী একটি অন্ধ বিশ্বাস, ভরসাময় অস্থা।

শুধু যৌনতায়ই স্ত্রী সুখ না, ভালবাসায়ই স্ত্রী অফুরন্ত সুখ, শান্তি।

অতৃপ্তির কারনে কনডমবিহীন সঙ্গম করেন। কখন কি বলেছেন আচ্ছা তোমার প্রতিদিন একই ট্যাবলেট খেতে ভাল লাগে? আজ থেকে বেশ কিছু দিন সঙ্গম বন্ধ রাখবো, তুমি আর এই ট্যাবলেট খেও না প্লিজ! তোমার কষ্ট আমার সহ্য হয় না!

স্ত্রী মানেই রোবট না, স্ত্রীও আপনার মতো রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ। তাকে বুঝোন, বোঝার চেষ্ঠা করুন, বোঝা উচিৎ। স্ত্রী আপনার, দায়িত্ব ও কর্তব্যের পাশাপাশি তাকে ভালবাসাটাও আপনার মহা দায়িত্ব!

আমরা স্ত্রী যৌন উত্তেজনা বাড়াতে শিখেছে! কখনো কি তাকে জিজ্ঞাস করেছে, মাসের প্রথমে অথবা শেষ তার শরীর থেকে যেই বিষাক্ত রক্তপাত হয়, তা কতটা কষ্টের ও যন্ত্রনাদায়ক? যৌনতায় ভালবাসা থাকেনা, ভালবাসা থাকে গভীর রাতে যৌন মিলন না করে স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে নিজের হৃদপিন্ডে ঢুকেয়ে তার কষ্টের কথা গুলো শুনার মাঝে, তাকে শান্তনার মাঝে।

ঠোটে চুম্বন করে যৌন উত্তেজনা করতে শিখেছি! কখন কি বাসার থেকে বাহির হওয়ার বা ফেরার পর স্ত্রী কপালে চুম্বন করে বলেছি এই নেও তোমার সারাদিনে আদর।

স্ত্রী যোনীতে দুই ফোঁটা বীর্জ দিলেই সন্তান আপনার দাবী করা যায় না। সন্তান প্রস্রব চলাকালীন ঘন্টার পর ঘন্টা যন্ত্রনাদায়ক সেটা উপলব্ধি করতে মাত্র দুই মিনিট মরিচের গুড়া আপনার লিঙ্গে লাগিয়ে দেখুন সন্তান প্রসব কতটা কষ্টদায়ক।

দশমাস নয়, মাত্র দশদিন, দশ কেজি ওজনের একটি পাথর আপনার পেটে বেধে দেওয়া হবে। তা নিয়ে এই দশদিন আপনি সমস্ত কাজ করতে পারলেই আপনার সন্ত্রান সেটা স্বীকৃতি পাবেন।

স্ত্রী কে ভোগ করতে না ভালোবাসতে শিখুন।
বুঝতে শিখুন যে সে কি চায়।
লেখাটা পড়ার পর অনেকে খারাপ লাগবে কিন্তু
এটাই বাস্তব তাই একটু প্লিজ নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করুন

লিভারের সব রোগ সারাবে ‘তেঁতুল’, রইল ব্যবহারের নিয়ম

আজকাল অনেকেই ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন। লিভারে চর্বি জমে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। মুঠো ভরে ওষুধ খেয়ে এই সমস্যা দমিয়ে রাখেন সবাই।
তবে প্রাকৃতিকভাবেও যে লিভার পরিষ্কার করা সম্ভব তা অনেকেরই অজনা। এজন্য দরকার স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলা। আপনি জানেন কি? এই সমস্যার সমাধান রয়েছে তেঁতুলে।

যেকোনো ধরনের লিভারের সমস্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে তেঁতুল। এটি শরীর থেকে ক্ষতিকর সব পদার্থ বের করে দেয়। সেইসঙ্গে হজম প্রক্রিয়াও তরান্বিত করে। তেঁতুল লিভার সুরক্ষায় বেশ কার্যকর। এটি খারাপ কোলেস্টেরল ধ্বংস করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

লিভার সুস্থ রাখতে তেঁতুল যেভাবে ব্যবহার করবেনঃ-
দুই মুঠো খোসা ছাড়ানো পাকা তেঁতুল নিন, সঙ্গে এক লিটার পানি ও মধু। একটি ব্লেন্ডারে তেঁতুল ও পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেড করুন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয়টি সারাদিন সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই পানীয়টি পান করতে হবে।

বার জেনে নিন কেন আপনি এই তেঁতুল পানীয়টি প্রতিদিন পান করবেন?

১. তেঁতুলে থাকা ল্যাক্সেটিভ উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর।

২. এই পানীয় শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন বের করতে সক্ষম। এজন্য লিভারে জমা ফ্যাট গলে যায়। এতে করে আপনার লিভারের বয়স ২০ বছরের মতোই তরুণ থাকবে।

৩. কোলন ক্যান্সারের সমস্যায় অনেকই ভুগে থাকেন। জানেন কি? তেঁতুলের এই পানীয় আপনার কোলনকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করবে।

৪. উচ্চ মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে তেঁতুলে। এটি আপনার ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে।

৫. হৃদরোগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করবে তেঁতুলের এই পানীয়। কারণ এতে থাকা উপকারী উপাদানসমূহ খারাপ কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে ধ্বংস করে।

সূত্র: ডেমিক

গরুর গাড়ীর বহর যা আমাদের দেশে বিলুপ্তির পথে...!!!

"পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস,কিন্তু আমরা যদি একটি মাছকে তার গাছ বেয়ে উঠাার সামর্থ্যের উপর বিচার করি তাহলে সে সারা জিবন নিজেকে শুধু আপদার্থই ভেবে যাবে।।"

কিছু কিছু ছবির ক্যাপশন লাগে না...

26-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 10154+)
প্রশ্নঃ ১৯০০-এর দশকে নির্বাক এবং ১৯৫০-এর দশকে সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন শুরু হয়। চলচ্চিত্রের উৎপত্তি ১৯১০-এর দশকে হলেও এখানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫০-এর দশকেই। “বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে” গানটিতে নিচের কোন শিল্পী কন্ঠ দিয়েছেন?
(A) কুমার বিশ্বজিৎ
(B) এন্ডু কিশোর
(C) খালিদ হাসান মিলু