About জেনে রেখ

আজ চকোলেট দিবস। বিশ্বজুড়ে সকলের প্রিয় এই মুখরোচক খাদ্য
সামগ্ৰীটি। কিন্তু এর পিছনে রয়েছে শুধুইঅন্ধকার। এতটাই যেখানে নিশ্বাস নেওয়াও বারণ...
.
১.৮ মিলিয়ন আফ্রিকান শিশু যারা তাদের শৈশব র‍্যাপিং পেপারে মুড়ে ঢেলে দিচ্ছে আমার আপনার সন্তানের মুখে। আইভরি কোস্ট আর ঘানা। পশ্চিম আফ্রিকার এই দুটো দেশে পৃথিবীর মোট কোকোর ৭০% চাষ করা হয়। কালো মানুষ, কালো মাটি, কালো চকোলেট।
.
প্রতিদিন হাজার হাজার বাচ্চা পাচার হয়ে যায় মালি, বুরকিনা ফাসো এইসব প্রতিবেশী দেশ থেকে ঘানা, আইভরির কোকো ফার্মগুলোতে। স্কুল, কাজ, ডলারের লোভ দেখিয়ে বা রাস্তা থেকে তুলে আনা হয় বাচ্চাদের। সকাল ছটা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত অমানুষিক পরিশ্রম করানো হয়। খাদ্য বলতে সস্তার ভুট্টা সেদ্ধ আর কলা। রাত্রে জানোয়ারের মত জানলা দরজা হীন কাঠের আস্তাবলে ফেলে রাখা হয়। কখনো শিকল দিয়ে বেঁধে। তার মধ্যে যারা পালানোর চেষ্টা করে তাদের ভাগ্যে থাকে বেধরক মার। মার খেয়ে বা ধর্ষণে মরে গেলে নদীতে বা কুকুরের মুখে ছুঁড়ে দেওয়া হয় শরীর।
.
ভয় লাগছে? ঘেন্না লাগছে? আপনার শিশুটির মুখে লেগে থাকা চকোলেটের খয়েরী দাগের দিকে তাকাচ্ছেন? তাহলে আর পড়বেন না। কারণ ইন্টারন্যাশনাল লেবার ল এখানে অকেজো। মায়া, ভালোবাসা নেই এখানে। আছে নৃশংসতা, আছে রক্ত। যা শুকিয়ে কালো হয়ে আছে আপনার ফ্রিজে রাখা চকোলেটে...
.
বিশ্ববিখ্যাত চকোলেট কোম্পানিগুলো যেমন নেসলে, হার্সেস, মার্স এখান থেকে কোকো কেনে। প্রতিযোগিতার বাজারে কোকোর দাম কম রাখার জন্যই শিশু শ্রমিক দরকার। কারণ ৫-১২ বছর বয়সীরা মজুরী পায় না। তার ওপরে তারা কোকো ফিল্ডের দুর্গম জায়গায় যেতে পারে, যেখানে একটু বড়রা ঢুকতে পারবে না। হ্যা, পোকা, সাপ আর বিছের কামড়ে বেশ কিছু বাচ্চা মারা যায়, কিন্তু তাতে মালিকদের কিছু যায় আসে না। দারিদ্র‍্য থাকবে, বাচ্চার যোগানও থাকবে। বড় কোম্পানিগুলো চুপ করে থাকে সস্তায় কোকো পাওয়ার জন্য।কোকো ফার্মের শিশু শ্রমিকদের ৪০% মেয়ে। তাদের বয়সন্ধি আসে, যৌবন আসে এই কোকো বাগানেই। এদের অধিকাংশই সারা জীবনে তাদের পরিবারের সাথে দেখা করতে পারে না। কারণ এখানে আসা সোজা, বেরোনো কঠিন না, অসম্ভব। মালিক, ঠিকাদার, সুপারভাইজার, পুলিশ এমনকি মজুরদের যৌনতৃপ্তি মেটায় মেয়েরা। ১১ বছরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পাল্লা দিয়ে বাড়ে যৌনরোগ। পচে, গলে যায় শৈশব।
.
কাজের নমুনা? মেছেটে হল এমন একটি ছুরি যা চালালে একটা শিশুকে কিমা বানিয়ে দেওয়া যায় কয়েক মিনিটে। বাচ্চাদের কে মেছেটে ধরিয়ে দেওয়া হয় কোকো বিন পেড়ে সেটাকে বস্তায় পুড়ে ঝাড়াই বাছাই করার জন্য। কারোর আঙুল কাটা যায়, কারোর গায়ে গভীর ক্ষত। ১০ বছরের বাচ্চাকে পিঠে ১০০ কেজির বস্তা নিয়ে চলতে হয়। একটু বিশ্রামের জন্য চাবুকের বাড়ি পড়ে। এই ফেসবুকের যুগেই এই ক্রীতদাস প্রথা চলছে এবং এই অন্ধকার থেকেই বেরোচ্ছে আমার আপনার প্রিয় সুস্বাদু ডার্ক চকোলেট।
(ঋণ : দ্য ডার্ক সাইড অফ চকোলেট (২০১০)।
#collated

তাকাবুতি: খুন হয়েছিলেন সুন্দরী মিশরী ! ২৬০০ বছর পর মমি রহস্য ভেদ গবেষকদের...

উনবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে মমি পাচার ও বিক্রির ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠেছিল। ১৮৩৪ সালে ডিলারের কাছ থেকে খবরটা পেয়ে গিয়েছিলেন উত্তর আয়ারল্যান্ডের হলিউড শহরের শিল্প সংগ্রাহক থমাস গ্রেগ। মিশরীয় ডিলার জানিয়েছিলেন থমাস গ্রেগ যা খুঁজছিলেন তা মিশরের পশ্চিম থিবেসের সুপ্রাচীন সমাধিক্ষেত্র থেকে পাওয়া গেছে। কিছুদিনের মধ্যেই তা মিশর থেকে জাহাজে করে রওনা দেবে ইউরোপ।

নির্দিষ্ট সময়ে থিবেস থেকে বেলফাস্টে এসেছিল একটি মিশরীয় সারকোফেগাস (কফিন)। কফিনটির ভেতরে কয়েক হাজার বছর ধরে শুয়ে আছে এক মমি। নিজের সংগ্রহশালায় রাখার জন্য তিনি একটি মমি কিনতে চেয়েছিলেন। চড়া দাম দিয়ে কিনেও মমিটি নিজের কাছে রাখতে পারেননি গ্রেগ। কারণ, আয়ারল্যান্ডে আসা প্রথম মিশরীয় মমিটিকে ঘিরে প্রবল চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। স্থানীয় কাগজে হইচই পড়ে যায়। মমিটির কফিন খোলার জন্য প্রায় উন্মাদ হয়ে ওঠে আয়ারল্যান্ডের জনগণ। বাড়িতে মমিটি না রেখে এবং কফিনের ঢাকনা না খুলেই থমাস গ্রেগ ১৮৩৫ সালে মমিটি দিয়ে দেন উলস্টার মিউজিয়ামকে।বিখ্যাত মিশর বিশেষজ্ঞ পুরাতত্ত্ববিদ এডয়ার্ড হিঙ্কস, ১৮৩৫ সালের ২৭ জানুয়ারি ‘বেলফাস্ট ন্যাচরাল হিস্টরি মিউজিয়াম-এ কফিনটি খুলেছিলেন। সারকোফেগাসের ওপর লেখা হায়ারোগ্লিফিক লিপি পড়ে হিঙ্কস জানিয়েছিলেন কফিনের ভেতর শুয়ে আছেন এক বিবাহিতা যুবতী, যাঁর নাম তাকাবুতি। মৃত্যুর সময় যুবতীর বয়েস ছিল ২০ থেকে ৩০ এর মধ্যে। তাকাবুতি ছিলেন সম্ভ্রান্তবংশের মেয়ে এবং কোনও সম্ভ্রান্তবংশের পুরুষের স্ত্রী। তবে কোনও রাজপুরুষের রক্ষিতাও হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল তাকাবুতির। তাঁর বাবার নাম ছিল নেসপারে, যিনি ছিলেন দেবতা আমুনের পুরোহিত। মায়ের নাম ছিল তাসেনিরিক।

মমির শরীর থেকে ব্যান্ডেজ খুলে চমকে গিয়েছিলেন এডয়ার্ড হিঙ্কস ও তাঁর সহযোগীরা। কফিনের মধ্যে শুয়ে থাকা যুবতী তাকাবুতির মুখের রঙ অস্বাভাবিক রকমের কালো,মাথায় সোনালী চুল। বিশ্বে বিভিন্ন জায়গায় মমি পরীক্ষা করার অভিজ্ঞতা ছিল এডয়ার্ড হিঙ্কসের। কিন্তু এরকম মমি আগে কখনও দেখেননি। রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে গিয়েছিল তাকাবুতি নামের মমিটি। মমিটিকে নিয়ে লেখা হয়েছিল প্রচুর কবিতা ও গান। তাকাবুতির কফিনের ওপরের আঁকা মানুষের মুখের ছবি দেখে আঁকা হয়েছিল তাকাবুতির কাল্পনিক ছবি। এক কথায় কফিন খোলার পর আক্ষরিক অর্থেই সেলিব্রিটি হয়ে গিয়েছিলেন তাকাবুতি। এর পর কেটে গেছে ১৮৫ বছর। এই সময়কালে তাকাবুতিকে নিয়ে বহু গবেষণা ও পরীক্ষানিরীক্ষা হয়েছে। জানা গেছে তাকাবুতির বয়েস ২৬০০ বছর। মিশরের ২৫তম রাজবংশ বা নুবিয়ান রাজত্বের শেষদিকের কোনও সময়ে তিনি মারা গিয়েছিলেন। সম্ভবত ৬৬০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। সর্বাধুনিক ফেস-রিকন্সট্রাকশান পদ্ধতির সাহায্যে জানা গেছে,তাকাবুতি জীবিত অবস্থায় কেমন দেখতে ছিলেন। কিন্তু এত গবেষণার পরেও তাকাবুতির মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

এবছর, অর্থাৎ ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁরা ঘোষণা করেছিলেন,” নির্মমভাবে খুন করা হয়েছিল সুন্দরী তাকাবুতিকে।” গবেষকদের দলে ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনিভার্সিটির প্রফেসর রোসাইলি ডেভিড, প্রফেসর টনি ফ্রিমন্ট, ডঃ বার্ট ভ্যান ডঙ্গেন,ডঃ কন্সটানটিনা ড্রোসউ,ডঃ শ্যারন ফ্রেজার, ডঃ রজার ফোরশ,ডঃ রবার্ট লয়েনস, ডঃ কেথ হোয়াইট। বেলফাস্ট ইউনিভার্সিটির এলিন মার্ফি এবং পওলা রেইমার। লিভারপুল জন মুর’স ইউনিভার্সিটির প্রফেসার ক্যারোলিন উইলকিনসন, ডঃ সারা শ্রিপটন এবং উলস্টার মিউজিয়ামের ডঃ ডেভিড টশ। অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে তাকাবুতি মমিটির এক্সরে, সিটি স্ক্যান, চুলের পরীক্ষা ও রেডিও কার্বন ডেটিং করা হয়েছে। করা হয়েছে ডিএনএ পরীক্ষাও। পরীক্ষাগুলির ফলাফল চমকে দিয়েছে গবেষকদের। সিটিস্ক্যানে দেখা গেছে তাকাবুতির বাঁদিকের পিঠে গভীর ক্ষত। ক্ষত পরীক্ষা করে গবেষকেরা নিঃসন্দেহ হয়েছেন বড় ও ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছিল রূপসী তাকাবুতিকে।

গবেষণা থেকে জানা গেছে আরও অনেক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ডিএনএ পরীক্ষা থেকে জানা গেছে তাকাবুতির জিনের সঙ্গে মিশরীয়দের জিনের মিলই নেই বরং মিল আছে ইউরোপীয়দের সঙ্গে। বিজ্ঞানী ডঃ কনস্টান্টিনা ড্রোসোউ বলেছেন তাকাবুতির H4a1 জিন মিশরে বিরল। মিশরের প্রাচীন ও আধুনিক মানুষের মধ্যে এই জিন পাওয়া যায়নি।এটা শুনে বিশ্বজুড়ে হইচই পড়ে গেছে। মিশরে সমাধিক্ষেত্রে ইউরোপীয় মহিলার ২৬০০ বছরের পুরোনো মমি! এ কী করে সম্ভব! কোনও মিশরীয় রাজপুরুষ কি তাহলে ইউরোপীয় মহিলাকে বিবাহ করেছিলেন বা রক্ষিতা করে এনেছিলেন! কিন্তু কফিনের গায়ে লেখা ছিল, তাকাবুতির পিতা ছিলেন মিশরের দেবতার পুরোহিত। সব কেমন যেন মাথা গুলিয়ে দেওয়ার মতো তথ্য। গবেষণা থেকে জানা গেছে, তাকাবুতির ৩২টির জায়গায় ৩৩টি দাঁত ছিল। তাঁর মেরুদণ্ডে ৩৩টি কশেরুকার জায়গায় ৩৪টি কশেরুকা বা ভাটিব্রা ছিল। তাকাবুতির চুলের রঙ স্বাভাবিক ভাবেই ছিল কালো, কিন্তু চুলগুলিকে কৃত্রিমভাবে কুঞ্চিত ও সোনালী করা হয়েছিল। জানা গেছে চর্বি দিয়ে চুলের যত্ন করতেন তাকাবুতি। খেতেন উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ও স্বাদু জলের মাছ। সেই যুগে অভিজাতবংশের নারীরা মাথার চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলতেন। তাকাবুতি কেন সেই প্রথা মানেননি, তা অবাক করেছে গবেষক দলটিকে।

মিশরীয় প্রথায় মমি করার সময় মৃত মানুষের শরীরের ভেতরের সমস্ত অঙ্গ বের করে নেওয়া হয়। কারণ প্রাচীন মিশরীয়রা মৃত্যুকে জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় বলে মনে করত। তারা বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও আরেকটা জীবন আছে। তাই তারা সমস্ত পুরোনো অঙ্গ খুলে নিত। কিন্তু তাকাবুতি হৃদপিণ্ডটি শরীরের সঙ্গে লাগানোই ছিল। আগেকার গবেষকেরা সেটা বুঝতে পারেননি, হৃদপিণ্ডটিকে ভেবেছিলেন দেহের ভেতরে থাকা ব্যান্ডেজের পুঁটলি।কিন্তু সাম্প্রতিক সিটিস্ক্যানে ধরা পড়ে, যে বস্তুটিকে ব্যান্ডেজের পুঁটলি ভাবা হচ্ছিল আসলে সেটি তাকাবুতির হৃদপিণ্ড। কিন্তু মিশরীয়রা মমি করার সময় কেন প্রথার বাইরে গিয়ে তাকাবুতির হৃদপিণ্ডটি শরীরের ভেতরে রেখে দিয়েছিল, এ প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। তবে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনিভার্সিটির রবার্ট লয়েনস, যিনি তাকাবুতির সিটিস্ক্যান করেছিলেন, তিনি বলেছেন, সিটিস্ক্যানের ফলাফল দেখলে বোঝা যাবে তাকাবুতিকে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে মমি করা হয়নি। তাকাবুতির ক্ষেত্রে কিছু কিছু প্রথাবহির্ভূত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল যা অন্যান্য মমির ক্ষেত্রে করা হয় না।

উলস্টার মিউজিয়ামের প্রাচীন মিশরের গ্যালারিতে তাকাবুতি আজ শুয়ে আছেন। তাঁকে দেখে মনে হবে পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে আছেন। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে তিনি অন্যের হাতে বীভৎসভাবে খুন হয়েছিলেন। তবে ইতিহাস ও বিজ্ঞান এখনও বলতে পারেনি তাকাবুতিকে কে খুন করেছিল, কেন খুন করেছিল। এ দুটি প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে অতীত ও ভবিষ্যতের গর্ভে। বর্তমানের কাছে আছে কেবলই অনুমান।তিনি হয়ত কারও স্ত্রী ছিলেন,হয়ত কারও রক্ষিতা ছিলেন,কিন্তু তাঁর জিন বলছে তাকাবুতি সম্ভবত ইউরোপীয় নারী ছিলেন। মনে তাই নানা প্রশ্ন জাগে। একজন ইউরোপীয় নারী হয়ে ক্রমশ কি সমাজের কোনও ক্ষমতার কেন্দ্রে চলে যাচ্ছিলেন তাকাবুতি, তাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে? যে সমাজে নারীদের মাথা কামানোর প্রথা ছিল, সেই সমাজে তাকাবুতির ছিল একমাথা কৃত্রিমভাবে রাঙানো ও কুঁচকানো চুল। মনে প্রশ্ন জাগে, তাকাবুতি কি প্রথার বিরুদ্ধে হাঁটা কোনও সাহসী নারী ছিলেন? তাই প্রথার বিরুদ্ধে হাঁটা বিশ্বের বেশিরভাগ নারীর মতো সময়ের আগেই তাঁকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল?নাকি তাকাবুতির হত্যার পিছনে ছিল রাজপুরুষ, তাঁর স্ত্রী ও রক্ষিতার মধ্যে থাকা বিষাক্ত ঈর্ষা ও অবিশ্বাস? নাকি চরিত্রের বদনাম দিয়ে তাকাবুতিকে সরিয়ে দিয়েছি্লেন তাঁর স্বামীই? নাকি দেবতার কাছে উৎসর্গ করা হয়েছিল তাকাবুতিকে? তবে এটা নিশ্চিত, মৃত্যুর হাত থেকে পালাতে চেয়েছিলেন তাকাবুতি। তাই ছুরির আঘাত পড়েছিল তাঁর পিঠে।

কল্পনার পাখায় চলে যান আজ থেকে ছাব্বিশশো বছর আগে
নীলনদের পূর্ব তীরের শহর থিবেসে এখন গভীর রাত। টিমটিমে মশালের লালচে আলো মাখা নির্জন এক গলিপথ ধরে প্রেমিকের উষ্ণ বিছানা ছেড়ে নিজের ঘরে ফিরছেন লাস্যময়ী যুবতী তাকাবুতি। মরুভূমি বুক থেকে ভেসে আসছে দিক ভুল করা বাতাসের আর্তনাদ। থামের আড়ালে অপেক্ষারত আততায়ী, হাতে রত্নখচিত হাতল দেওয়া আট ইঞ্চি ফলার ছুরি।তাকাবুতি থামটা পার হতেই ছুটে আসে আততায়ী। পায়ের শব্দ পেয়ে ছুটে পালাতে যান তাকাবুতি। পালাবার আগেই বিদ্যুৎবেগে আঘাত হানে আততায়ীর ছোরা। পাঁজর ভেদ করে ছোরার ফলা গেঁথে যায় তাকাবুতির হৃদপিণ্ডে। অন্ধকারে আততায়ীর মুখ দেখতে পাননি তাকাবুতি। মিশকালো রাতের আকাশে ওঠা ঝলমলে কালপুরুষ দেখতে দেখতে যন্ত্রণায় থির থির করে কাঁপতে থাকা চোখ দুটি একসময় নিথর হয়ে যায়। মনে হয়, গভীর ভালোবাসাই হয়ত তাঁর মৃত্যুর কারণ ছিল।কারণ মমি করার সময় সব অঙ্গ তাকাবুতিকে ছেড়ে চলে গেলেও, তাকাবুতিকে ছেড়ে যায়নি তাঁর হৃদপিণ্ড।

পোস্টটি র লেখক-রূপাঞ্জন গোস্বামী

লেখা নেওয়া:https://www.thewall.in/feature-shocking-truth-behind-takabutis-death-revealed/ />
ছবি: Google search

আমেরিকার বোস্টনে ১৯৮৬ সালে একটি অদ্ভুত পরীক্ষা করা হয় ৷ এক ফাঁসির আসামীকে ফাঁসির সাজা শোনানো হলো ৷ কতিপয় বিজ্ঞানী সে আসামীর উপর একটি পরীক্ষা করার প্রস্তাব করলেন । কয়েদীকে শোনানো হলো ফাঁসির বদলে তোমাকে বিষাক্ত কোবরা সাপ দংশন করিয়ে হত্যা করা হবে।

কয়েদীকে চেয়ারে বসিয়ে তার হাত-পা বেঁধে দেয়া হলো, তারপর তার চোখে পট্টি বেঁধে বিষাক্ত কোবরা সাপ না এনে তার বদলে দুটি সেফ্টি পিন ফুটানো হলো। ফলে কয়েক
সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েদির মৃত্যু হলো ৷ পোস্টমর্টেম রিপোর্টে দেখা গেল সাপের বিষ রয়েছে তার শরীরের মধ্যে। প্রশ্ন হলো এই বিষ কোথা থেকে এলো, যা ঐ কয়েদীর প্রাণ কেড়ে নিল।

বলা হয় সেই বিষ তার নিজের শরীর থেকেই উৎপত্তি হয়েছিল।আমাদের সংকল্প থেকে positive এবং negative এনার্জির সৃষ্টি হয়। আর সে এনার্জি আমাদের শরীরে হরমোনের উৎপত্তি করে ৷ 75% রোগের মূল কারণ হলো আমাদের negative চিন্তাধারা। মানুষ নিজের চিন্তাধারা থেকে ভস্মাসূর হয়ে নিজ প্রজাতিকে বিনাশ করছে। আপনার চিন্তাধারা সর্বদা positive রাখুন এবং খুশী থাকুন।

২৫ বছর বয়স পর্যন্ত আমরা ভাবি যে '‘মানুষ কি মনে করবে!" ৫০ বছর আমরা ভয় পাই ‘মানুষ কি ভাববেন!‘ ৫০ বছর পরে আমরা বুঝতে পারি ‘'কেউ আমার কথা চিন্তাই
করেনি৷‘' কিন্তু তখন তেমন কিছু করার থাকে না!

তাই ইচ্ছেশক্তিকে কখনোই থামতে দেয়া যাবে না। কে কি বলে তা নিয়ে না ভেবে নিজের পজিটিভ চিন্তাগুলো নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তাহলেই সফলতা (Desired Goal) ধরা দেবে ।।

রবীন্দ্রসংগীত
...…....…….....

ভালোবেসে, সখী, নিভৃতে যতনে
আমার নামটি লিখো-- তোমার
মনের মন্দিরে।
আমার পরানে যে গান বাজিছে
তাহার তালটি শিখো-- তোমার
চরণমঞ্জীরে॥
ধরিয়া রাখিয়ো সোহাগে আদরে
আমার মুখর পাখি-- তোমার
প্রাসাদপ্রাঙ্গণে॥
মনে ক'রে সখী, বাঁধিয়া রাখিয়ো
আমার হাতের রাখী-- তোমার
কনককঙ্কণে॥
আমার লতার একটি মুকুল
ভুলিয়া তুলিয়া রেখো-- তোমার
অলকবন্ধনে।
আমার স্মরণ শুভ-সিন্দুরে
একটি বিন্দু এঁকো-- তোমার
ললাটচন্দনে।
আমার মনের মোহের মাধুরী
মাখিয়া রাখিয়া দিয়ো-- তোমার
অঙ্গসৌরভে।
আমার আকুল জীবনমরণ
টুটিয়া লুটিয়া নিয়ো-- তোমার
অতুল গৌরবে॥

রাগ: কীর্তন
তাল: একতাল
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৮ আশ্বিন, ১৩০৪
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1897
রচনাস্থান: সাজাদপুর
স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার

কাউকে #ব্লাডের জন্য কল দেওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস মাথায় রাখবেন।

ডোনারের যাতায়াত খরচ, যে বেলায় ব্লাড দিবে ঐ বেলার খাওয়ার খরচ, ডাব- স্যালাইন পানি- কিছু ফলমূল কিনে দেওয়ার খরচ এবং পরবর্তী ২৪ ঘন্টা ডোনারের খোঁজ খবর রাখতে হবে।

যারা #ব্লাড দেয় তারা বেশিরভাগ স্টুডেন্ট, মেসে থেকে পড়াশুনা করে। তারা প্রতিনিয়ত ব্লাড দেয়।অনেক সময় দেখা যায় পরের দিন এক্সাম তাও ব্লাড দেয়।
আবার, যারা ব্লাড খুজে দেয় তারা জানে #১ব্যাগ_ব্লাড খুঁজে বের করা কতটা কষ্টের। সময়, শ্রম দিয়ে ডোনারকে খুজে বের করতে হয়। অনেকেই তো সেগুলা জানেন ই না। এগুলা হাইড স্টোরি থাকে।

কিন্তু রোগীর রিলেটিভদের ব্যবহার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিবেকহীনতার পরিচয় দেয়। কোনো খোঁজ খবর ই নিতে চায়না। একজনকে বলে দেয়, তারপর মনে হয় সব দায়ভার ঐ বেচারার। নিজের সম্মান রক্ষার জন্য হলেও ডোনারকে কেয়ার করেন।

অনেক ডোনার জব করেনা। হয়তো আত্মীয় স্বজন, অথবা পরিচিত, নতুবা মানবতার জন্য মানুষের বিপদে এগিয়ে যায়।

আপনি রোগীকে নামীদামী হাসপাতালে ভর্তি করাতে পারেন, একদিনে ২/৪ হাজার টাকা করে কেবিন ভাড়া দিতে পারেন। কিন্তু যে মানুষটা তার সব থেকে মূল্যবান জিনিস দিয়ে আপনাকে হেল্প করছে, তার কদর থাকবেনা, এটা হতে পারেনা।

যে দেশে ২৫০ মিলি গ্রাম পানির বোতল টাকা দিয়ে কিনে খেতে হয়, সে দেশে বিনা টাকায় ৪৫০ মিলি গ্রাম #রক্ত_দাতাকে সম্মান করা আপনার কর্তব্য।

১৮ -২৫ বছরের একটা ছেলের মাথার উপর পাঁচ থেকে লক্ষ টাকার সুদের বুঝা চাপিয়ে দেশের বাহিরে পাঠিয়ে পরিবার ভাবছে এবার আমাদের কষ্টের দিন শেষ, পায়ের উপর পা তুলে দিন কাটানো আর বেশি দূরে নেই। পাশের বাড়ির মন্ডল বিল্ডিং করেছে এবার আমাদের বাড়িতেও হবে, মাঠে জমি কেনা শুরু হবে দেখি কে আমাদের থেকে বেশি জমি কিনতে পারে?

পরিবার ভাবল, প্রতিবেশিকে টাকার খেলা দেখাবে কিন্তু একবারও ভাবেনি এই পিচ্চি ছেলেটার কাধে এমন একটা বিশাল বোঝা চাপিয়ে দিলে সে সহ্য করতে পারবে কিনা। ছেলেটি পারোক আর না পারোক পরিবারের কিছু মানুষতো সুখে থাকতে পারবে এইটাই বড়, ছেলেটি বাচল নাকি মরল তা দেখার বিষয় না।

অথচ ভেবে দেখেনতো - যে ১৫-১৮ বছরের ছেলেটা খেলার মাঠে বন্ধুদের সাথে আড্ডায় থাকার কথা সে কিনা ভিন্ন পরিবেশে ভিন্ন দেশের মানুষের সাথে শ্রম বিক্রীতে ব্যস্ত, মাস শেষে বাড়িতে টাকা পাঠিয়ে একটু তৃপ্তি পাওয়ার পরিবর্তে পাচ্ছে তাচ্ছিল "কেন এত কম টাকা"
পরিবারের এই চাপটা সহ্য করতে না পেরে এই কিশোর ছেলেটা একদিন বৈধ কোম্পানি থেকে পালিয়ে অবৈধ পথে টাকা উপার্জন করতে চেষ্টা করে, সেখানেই শুরু হয় তার অমানুষিক কষ্ট। দিন রাত ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৪ ঘন্টাই পরিশ্রম করতে চাই, কেননা তার মাথার উপর ৫-৬ লক্ষ টাকা সুদের বুঝা। দেখতে দেখতে একদিন লোন শেষ হয়, পরিবারের মানুষগুলি অল্প অল্প দূরত্ব এখন রিক্সায় করে যায়। বাজারের দামী মাছটা বাড়িতে আসে, সব কিছুতেই সবাই বিলাসী জীবন জাপন শুরু করে। কিন্তু ঐ প্রবাসে বৈধ কাগজ ছাড়া অমানষিক জীবন যাপন করছে সদ্য কিশোর পেরিয়ে যৌবনে পা রাখা একটি ছেলে। এখানে আমার হিসাবেও একটু ভুল আছে, ৫-৬ লক্ষটাকার সুধ আর পরিবারের বিলাশী জীবন উপহার দিতে গিয়ে ছেলেটি এতদিনে ৩০/৩২ বছরের একজন পরিপূর্ণ যুবক। কিন্তু যে কেও দেখলেই বলবে এই ছেলেটার বয়স ৪০/৪৫, কেননা তার ভাঙ্গা চোয়াল আর গর্তে ঢুকে যাওয়া চোখ দেখে যে কেও অনুমান করবে ছেলেটির বয়স ৪০ পেরিয়ে গেছে..................

আবেগ ভুলতে শেখা ছেলাটা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে, প্রতিটা বিমান উড়ার শব্দের সাথে নিজেকে কল্পনা করে বিমানের যাত্রী হিসাবে। কিন্তু দূর্ভাগ্য বৈধ কাগজ না থাকায় ছেলেটি উড়তে পারেনা..........................
...............(সংগৃহীত)
ভাল লাগলো তাই দিলাম....
প্রবাসীদের কাছে এটাই বাস্তবতা!!!!!
তবুও তারা থেমে নেই, কেননা তাদের চিন্তা একটাই পরিবারের জন্য কিছু একটা করতে তো হবে.....

প্রতি ৬টি মৃত্যুর ১টির কারণ ক্যান্সার। তাই ক্যান্সারকে বলা হয় ‘মরণব্যাধি’। তবে প্রাকৃতিকভাবে কিছু খাবার আছে যা এই মরণব্যাধিকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম। শুনে অবাক হওয়ার কিছু নেই। দিন যত যাচ্ছে ততই রোগের প্রতিকারের নিত্যনতুন গবেষণা ও চিকিৎসায় পরিবর্তন আসছে। চিকিৎসকরাও বর্তমানে পুষ্টিকর খাদ্যের মাধ্যমেই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের কথা বলছেন। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখা হলে মরণব্যাধি ক্যান্সারকে দূরে রাখা সম্ভব। আজকে আমরা ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে এমনই কিছু খাবারের নাম জেনে নেব।

রসুন: অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যারা রসুন খান তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম থাকে। এটি ক্যান্সারের জীবাণু প্রতিরোধ করে। এমনকি কিছু ক্যান্সারের জীবাণু ভেঙ্গে ফেলে।

গ্রিন টি: গ্রিন টি বা সবুজ চা ক্যান্সার প্রতিরোধে অনেক উপকারী। এই সবুজ চায়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যাটচীন নামক উপাদান থাকে, যা বিভিন্ন ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সক্ষম। গবেষণায় আরো দেখা গেছে গ্রিন টি টিউমার হওয়া প্রতিরোধ করে থাকে। সাধারণ চায়ের চেয়ে গ্রিন টি বেশি উপকারী। তাই চা না খেয়ে গ্রিন টি বা সবুজ চা খেতে পারেন।

টমেটো: টমেটো এক প্রকারের ফল, আবার অনেকে একে সবজি বলে কারণ এতে বীজ আছে তাই। কিন্তু এতে মসলাদার সুগন্ধের জন্য সবজি হিসেবেও ব্যবহৃত হয় বেশি। টমেটো ফল না সবজি সেটা কোন বিষয় না। টমেটো হচ্ছে “নিউট্রিশনাল পাওয়ার হাউজ” যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। টমেটোতে লাইকোপেন নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা হৃদরোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে থাকে। টমেটোতে ভিটামিন এ, সি, এবং ই থাকে যা কিনা ক্যান্সার বান্ধব মৌলের শত্রু। টমেটোর রস ক্ষতিকর ডিএনএ এর কোষ নষ্ট করে ফেলে।

বাদাম: বাদামে প্রচুর পুষ্টিগুণ থাকে। আর হৃদপিণ্ডের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় ফ্যাট থাকে বাদামের মধ্যে। যদি আপনি ক্যান্সারের সাথে সম্পর্কযুক্ত ক্ষুধাহীনতায় ভুগে থাকেন অথবা ওজন কমাতে চান তাহলে বাদাম সবচেয়ে ভাল, কারণ অল্প পরিমাণ বাদাম আপনাকে অনেক পরিমাণ পুষ্টি প্রদানে সক্ষম। বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকার পাশাপাশি পটাশিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, ফোলেট, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন ই থাকে। এছাড়াও কিছু প্রোটিন ও ফাইবারও থাকে। আখরোট প্রদাহ রোধী ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার একটি উৎস। কিছু গবেষণায় জানা গেছে যে, সাপ্লিমেন্টের চেয়ে খাদ্য থেকে এই পুষ্টি উপাদানটি শোষণ করা ভাল। বাদামে সেলেনিয়াম নামক অ্যান্টি ক্যান্সার উপাদান বিদ্যমান থাকার কারণে কোলন, ফুসফুস, যকৃত, এবং অন্যান্য ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া বাদামের মাখনও আপনার শরীরকে ক্যান্সার থেকে দূরে রাখতে পারবে।

হলুদ: আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি এক গবেষণায় বলা হয়েছে হলুদে ‘কারকিউমিন’ নামক উপাদান আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করে তুলে। প্রতিদিন কাঁচা হলুদের দুধ, বা মাছ ও মাংসের মত তরকারিতে প্রয়োজন মত হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। হলুদ ক্যান্সার কোষকে শরীরের ভাল কোষকে নষ্ট করতে বাধা দেয় এবং ক্যান্সার কোষকে নিস্তেজ করতে সাহায্য করে। সুতরাং নিয়মিত খাদ্যের মধ্যে হলুদ খেতে চেষ্টা করবেন।

মাশরুম: আধুনিক খাবার হিসেবে বাংলাদেশে মাশরুমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটছে। যে-সকল ব্যক্তি মাশরুম সংগ্রহ করে খায়, তারা মাইকোফেজিস্টস বা ‘মাশরুম খাদক’ হিসেবে পরিচিত। মাশরুম খোঁজার প্রক্রিয়াকে সাধারণত মাশরুমিং বা মাশরুম শিকারি নাম বলা হয়। মাশরুমে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান। এছাড়াও রয়েছে পুষ্টি ও ভেষজগুণ যা রোধ করবে ক্যান্সার।

সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হৃদযন্ত্রকে সক্রিয় ও কার্যক্ষম রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হৃদযন্ত্রের রিদমকে দ্রুততর করে, ধমনীতে চর্বি জমার মাত্রাকে কমিয়ে দেয়, ধমনীতে পুরনো প্রদাহকে ঠাণ্ডা রাখতে এবং রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক। গবেষকেরা জানিয়েছেন হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর জন্য প্রতি সপ্তাহে একজন মানুষের ১৭৫০ মিলিগ্রাম ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড দরকার পড়ে। আর এই সামুদ্রিক মাছের মধ্যে বিদ্যমান থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাট এসিড যা প্রদাহ প্রতিরোধ করে ফলে দেহের ক্যান্সারের রূপ নিতে বাধা দেয়।

খেজুর: অবাক হলেও সত্য খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এক গবেষণায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটা কমে যায় অনেকখানি।

এছাড়াও দই, বাঁধাকপি, পেঁয়াজ, গাজর, ডালিম, বেদানা, তরমুজ, সবুজ শাক ইত্যাদি খাবারেরও ক্যান্সার প্রতিরোধী কার্যকারীতা আছে। তাই আমাদের সকলের উচিত নিয়মিত এই খাবারগুলো খাদ্য তালিকায় রাখা।

বান্দরবানের লামা পৌরসভার সাবেক বিল ছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক বন্ধ করে বৌদ্ধবিহারের উন্নয়নের কাজ চলছে।

আজকে সকালে আমি ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছিলাম যখন আমি কিছু হলুদ টি শার্ট পরা ছেলেমেয়েকে বাসে উঠতে দেখলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম তারা ডোনেশন চাবে, পরে দেখলাম তারা বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষদের সচেতন করছে।

তাদের উদ্যোগ আমার অনেক ভালো লেগেছে আর আমি চাই এই ধারাবাহিকতা যেন আমাদের তরুণ প্রজন্ম চালিয়ে যেতে পারে।

#StopCoronaVirus #CreateAwareness #SaveBangladesh

-কালেক্টেড

আজকের তারিখটা খুব সুন্দর।
02-02-2020 = 02-02-2020
ডান দিক থেকে বাম দিকে গেলে যে সংখ্যা, আবার বাম দিক থেকে ডান দিকে একই সংখ্যা অর্থাৎ উল্টো করে পড়লে (শুরু থেকে শেষ বা শেষ থেকে শুরু করলে) তারিখের কোন পরিবর্তন হয় না। একে প্যালিনড্রোম বলে।

“হাট্টিমাটিম টিম”

আপনি জানেন কী হাট্টিমাটিম’ আসলে ৫২ লাইনের একটি ছড়া, চার লাইনের নয়।
বাঙালি মাত্রই ছোটবেলায় পড়া এই ছড়াটি কোনও দিনই ভুলবেন না কেউ।

কিন্তু ছড়াটি মোটেই মাত্র চার লাইনের নয়।

মোটামুটি কথা ফুটলেই বাঙালি শিশুদের যে কয়েকটি ছড়া কণ্ঠস্থ করানো হয়, তার মধ্যে একটি অবশ্যই

“হাট্টিমাটিম টিম”।
তারা মাঠে পাড়ে ডিম,
তাদের খাড়া দুটো শিং,
তারা হাট্টিমাটিম টিম।

এর চেয়ে বেশি তথ্য শতকরা ৮০ শতাংশ বাঙালির কাছে রয়েছে কি না সন্দেহ।

আদতে ছড়াটি মোটেই ৪ লাইনের নয়। রোকনুজ্জামান খানের লেখা একটি ৫২ লাইনের সম্পূর্ণ ছড়া।

রোকনুজ্জামান খান জন্মেছিলেন ১৯২৫ সালের ৯ এপ্রিল অবিভক্ত বঙ্গের ফরিদপুর জেলায়। বাংলাদেশে তিনি “দাদাভাই” নামে পরিচিত ছিলেন। সেদেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্রের শিশু-কিশোরদের বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন তিনি বহু বছর।

তাঁর রচনার বেশিরভাগই শিশু-কিশোরদের জন্য। হাট্টিমাটিম সম্ভবত তাঁর রচনাগুলির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়।

১৯৬২ সালে রচিত হয় ছড়াটি। ১৯৬৮ সালে বাংলা আকাডেমী সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ১৯৯৯ সালের ৩ ডিসেম্বর ৭৪ বছর বয়সে মারা যান রোকনুজ্জামান।

সেই ৫২ লাইনের আসল ছড়াটা এই :–

টাট্টুকে আজ আনতে দিলাম
বাজার থেকে শিম
মনের ভুলে আনল কিনে
মস্ত একটা ডিম।

বলল এটা ফ্রি পেয়েছে

নেয়নি কোনো দাম
ফুটলে বাঘের ছা বেরোবে
করবে ঘরের কাম।

সন্ধ্যা সকাল যখন দেখো
দিচ্ছে ডিমে তা
ডিম ফুটে আজ বের হয়েছে
লম্বা দুটো পা।

উল্টে দিয়ে পানির কলস
উল্টে দিয়ে হাড়ি
আজব দু'পা বেড়ায় ঘুরে
গাঁয়ের যত বাড়ি।

সপ্তা বাদে ডিমের থেকে
বের হল দুই হাত
কুপি জ্বালায় দিনের শেষে
যখন নামে রাত।

উঠোন ঝাড়ে বাসন মাজে
করে ঘরের কাম
দেখলে সবাই রেগে মরে
বলে এবার থাম।

চোখ না থাকায় এ দুর্গতি
ডিমের কি দোষ ভাই
উঠোন ঝেড়ে ময়লা ধুলায়
ঘর করে বোঝাই।

বাসন মেজে সামলে রাখে
ময়লা ফেলার ভাঁড়ে
কাণ্ড দেখে টাট্টু বাড়ি
নিজের মাথায় মারে।

শিঙের দেখা মিলল ডিমে
মাস খানিকের মাঝে
কেমনতর ডিম তা নিয়ে
বসলো বিচার সাঁঝে।

গাঁয়ের মোড়ল পান চিবিয়ে
বলল বিচার শেষ
এই গাঁয়ে ডিম আর রবে না
তবেই হবে বেশ।

মনের দুখে ঘর ছেড়ে ডিম
চলল একা হেঁটে
গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে
ডিম গেলো হায় ফেটে।

গাঁয়ের মানুষ একসাথে সব;
সবাই ভয়ে হিম
ডিম ফেটে যা বের হল তা
হাট্টিমাটিম টিম।

হাট্টিমাটিম টিম-
তারা মাঠে পারে ডিম
তাদের খাড়া দুটো শিং
তারা হাট্টিমাটিম টিম।

হাঁচি হলো, নাক দিয়ে পানি পড়লো, এটা কোনো রোগ হল**************

প্রথম প্রথম কেউ এ লক্ষণগুলো রোগ বলে মনে করেন না। ভাবেন এমনিতে সেরে যাবে। তবে যখন বারবার হতে শুরু করে, বিশেষ করে পুরানো জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে গেলে বা ফুলের গন্ধ নিলে বা ফুলের বাগানে হাঁটলে অনবরত হাঁচি বা নাক বন্ধ হয়ে যায় তখন এ লক্ষণগুলোকে রোগ হিসেবে ভাবতে শুরু করেন এবং নিজে নিজেই অথবা ওষুধের দোকানদারের সঙ্গে আলাপ করে দুএকটি অ্যান্টিহিস্টামিন খেয়ে নেন। এতে রোগের লক্ষণ কিছুটা উপসম হয়।

যখন বারবার হয় তখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অ্যান্টিহিস্টামিনের পাশাপাশি স্প্রে আকারে স্টেরয়েড নাসারন্ধ্রে ব্যবহার করতে পরামর্শ দেন। এতে অবশ্য রোগী আগের তুলনায় অনেক বেশি ভালো অনুভব করেন।

তবে বাস্তবতা হল যতদিন স্টেরয়েড স্প্রে ব্যবহার করা হয় ততদিনই ভালো থাকা যায়। বন্ধ করলেই সঙ্গে সঙ্গে না হলেও কিছুদিন পরই শুরু হয়ে যায় আগের অবস্থা।

এরকম হলে ধরে নিতে হবে আপনি এলার্জিজনিত রোগে বিশেষত এলার্জিক রাইনাইটিস রোগে ভুগছেন।

তাহলে এই এলার্জিক রাইনাইটিস রোগটি কী, কেনো হয় এবং কীভাবে এড়ানো যায়? তা নিয়ে কিছু আলোচনা করা যাক।

এলার্জিক রাইনাইটিস রোগটি হল এলার্জিজনিত নাকের প্রদাহ। উপসর্গগুলো হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া, এবং নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারও কারও চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

প্রকারভেদ

এলার্জিক রাইনাইটিস থাকলে সারা বছর ধরেই এই রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। বিশেষ করে পুরানো ধুলাবালি (যাতে মাইট থাকে), ছত্রাক বা পোষা প্রাণীর লোম সংস্পর্শ এলেই এর লক্ষণ শুরু হয়।

ঋতুনির্ভর এলার্জিক রাইনাইটস অনেক ঋতুতে ফুলের রেণু আধিক্য থাকে এবং ওই রেণুর সংস্পর্শে এলেই রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। সাধারণত গ্রীষ্মের শেষে এবং বর্ষা ও শরতে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

যদিও বাংলাদেশে কতজন এই রোগে ভুগে থাকেন তার সঠিক তথ্য নেই তবে মোট জনগণের শতকরা ১০ থেকে ১৫ ভাগ মানুষ এই রোগে ভোগেন বলে অনেকের ধারণা। বিশ্বের কোনও কোনও দেশ বিশেষত অস্ট্রেলিয়াতে শতকরা ৩০ শতাংশ জনগণ এ রোগে ভোগেন।

এ রোগের লক্ষণ যে কোনো বয়সেই দেখা দিতে পারে। তবে শিশুদেরই এ রোগ আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। এ রোগ বংশানুক্রমিক ভাবেও আসতে পারে।

তাছাড়া নতুন পোষা প্রাণী অথবা বাসস্থান পরিবর্তনে নতুন পরিবেশে এলার্জিক রাইনাইটিস রোগের লক্ষণ প্রকোট আকারে হতে পারে।

যেভাবে হয়: যে সব রোগীর বংশানুক্রমিকভাবে এলার্জি হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে তাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু কিছু এলারজেনের সংস্পর্শে এলে রক্তের আইজিইয়ের মাত্রা অনেক বেড়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গাতে বিশেষত নাকে অবস্থিত মাস্ট সেল নামক এক ধরনের কোষের সঙ্গে লেগে থাকে। কোনো ভাবে শরীরে আবার এই এলারজেনের সংস্পর্শে এলে মাস্ট সেলগুলো ভেঙে যায় এবং এর থেকে ভাসো একটিভএমাইন নির্গত হয়। এই রাসায়নিক পদার্থগুলো প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং উপসর্গগুলো ঘটায়।

সম্ভাব্য কারণ: মাইট (যা পুরানো ধুলাবালিতে থাকে) ঘরের ধুলা, ময়লা, ফুলের রেণু, প্রাণীর পশম বা চুল, প্রসাধনী সামগ্রী।

প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা

১)রক্ত পরীক্ষা বিশেষত ইয়োসিনোফিলের মাত্রা বেশি আছে কিনা তা দেখা।
২)সিরাম আইজিইয়ের মাত্রা: সাধারণত এলার্জি রোগীদের ক্ষেত্রে আইজিইয়ের মাত্রা বেশি থাকে।
৩) স্কিন প্রিক টেস্ট: এই পরীক্ষায় রোগীর চামড়ার ওপর বিভিন্ন এলারজেন দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এবং এই পরীক্ষাতে কোন কোন জিনিসে রোগীর এলার্জি আছে তা ধরা পড়ে।

এছাড়াও রয়েছে সাইনাসের এক্স-রে।

সমন্বিতভাবে এ রোগের চিকিৎসা হল

#এলারজেন পরিহার: ওষুধ প্রয়োগ করে সাময়িকভাবে এলার্জির উপসম অনেকটা পাওয়া যায়। এ রোগের প্রধান ওষুধ হল এন্টিহিস্টামিন ও নেসাল স্টেরয়েড। এন্টিহিস্টামিন, নেসাল স্টেরয়েড ব্যবহারে রোগের লক্ষণ তাৎক্ষণিক উপসম হয়। যেহেতু স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি তাই এ ওষুধ এক নাগারে বেশিদিন ব্যবহার করা যায় না। যতদিন ব্যবহার করা যায় ততদিনই ভালো থাকে এবং ওষুধ বন্ধ করলেই আবার রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়।

#এলার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি: এলার্জি জিনিস থেকে এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি এলার্জিক রাইনাইটিস রোগীদের সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি।

এলার্জি ভ্যাকসিন বা ইমুথেরাপির মূল উদ্দেশ্য হল যে ‘মাইট’ থেকে এলার্জিক রাইনাইটিস সমস্যা হচ্ছে সেই ‘মাইট’ এলারজেন স্বল্প মাত্রায় প্রয়োগ করা হয়। ক্রমান্বয়ে সহনীয় বেশি মাত্রায় দেওয়া হয় যাতে শরীরের এলার্জির কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা না দেয়। তবে শরীরের বিপাকীয় প্রক্রিয়ার পরিবর্তন ঘটায় বা শরীরের এলার্জির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলে।

মানে আইজিইকে আইজিজিতে পরিণত করে, যাতে দীর্ঘ মেয়াদি এলার্জি ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফলে রোগের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসে। তবে এলার্জির কোনো পরিবর্তন করতে পারে না।

যদিও স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ এলার্জির জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ ধরনের এলার্জিক রাইনাইটিসের ক্ষেত্রে ইমুনোথেরাপি বা ভ্যাকসিন বেশি কার্যকর।

বিশ্বের অধিকাংশ দেশ বিশেষত উন্নত দেশগুলোতে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়ে থাকে। বর্তমানে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থাও এই ভ্যাকসিন পদ্ধতির চিকিৎসাকে এলার্জিক রাইনাইটিস রোগের অন্যতম চিকিৎসা বলে অভিহিত করেন। এটাই এলার্জিক রাইনাইটিস রোগীদের দীর্ঘমেয়াদি সুস্থ থাকার একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি।

অনেকের ধারণা এলার্জিজনিত রোগ একবার হলে আর সারে না। তবে বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থা যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। প্রথম দিকে ধরা পড়লে এলার্জিজনিত রোগ একেবারে সারিয়ে তোলা সম্ভব।

অবহেলা করলে এবং রোগ অনেক দিন ধরে চলতে থাকলে নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং এলার্জিজনতি রোগের কোনো চিকিৎসা বাংলাদেশে নেই।

তাই গরিব রোগীরা তাবিজ-কবজের দিকে ঝুঁক পড়েন আর সচ্ছল রোগীরা আশপাশের দেশসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দেশের মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ও সময় দুটিই অপচয় করছেন।

এজন্য রোগীদের জানা দরকার যে সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা গ্রহণ করলে এ রোগ থেকে পরে হাঁপানি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ছবিটি ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের। পড়াশোনার খরচ যোগাতে তিনি দিনের বেলায় খবরের কাগজ বিক্রি করতেন। একদম সাধারন পরিবার থেকে ওঠে আসা কালাম ধীরে ধীরে কঠোর পরিশ্রম করেই স্বপ্ন জয় করেছেন।বিজ্ঞানী কালামের কথাগুলো এখন বিশ্ব উপমা ।
#apjabdulkalam#

🌄 কোন দেশের তিনটি রাজধানী রয়েছে.?
✍ দক্ষিন আফ্রিকা।
-
🌄 সবচেয়ে বেশি নিরপেক্ষ দেশ হচ্ছে.?
✍ সুইজারল্যান্ড।
-
🌄 পৃথিবীর যে অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে অতিথি পাখি আসে.?
✍ সাইবেরিয়া।
-
🌄 A _____ in need is a _____ indeed.
✍ friend
-
🌄 বিশ্বের সকল জনবহুল দেশের তালিকায় ঢাকার অবস্থান.?
✍ ১১তম।
-
🌄 সর্বাধিক টাইম জোন রয়েছে-
✍ ফ্রান্সে।
-
🌄 বর্তমানে 4G চালু রয়েছে বিশ্বের কয়টি দেশে.?
✍ ১৬৫ টি।
-
🌄 বাল্যবিবাহের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশ.?
✍ ২য়।
-
🌄 বর্তমানে গেজেটপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা-
✍ ১৮৮ জন।
-
🌄 বর্তমান বিশ্বে ইলিশ উৎপাদিত হয় কয়টি দেশে.?
✍ ১১ টি দেশে।
🔰১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা তারিখ ছিল.?
🚭৮ ফাল্গুন।
-
🔰'চর্যাপদ' কোন, ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য.?
🚭সহজিয়া বৌদ্ধ।
-
🔰
-
🔰বাংলাদেশের মানচিত্র প্রথম এঁকেছিলেন কে.?
🚭জেমস রেনেল।
-
🔰'সৈনিক কবি'কে.?
🚭কাজী নজরুল ইসলাম।
-
🔰এ পর্যন্ত নোবেল পাওয়া বাঙালি কতজন.?
🚭৩ জন।
-
🔰ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কোথায় অবস্থিত ছিল.?
🚭কলকাতা।
-
🔰সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল কি.?
🚭চর্বি।
-
🔰কচুশাকের মূল্যবান উপাদন কি.?
🚭লৌহ।
-
🔰পূর্বে চীন কি নামে পরিচিত ছিল.?
🚭ক্যাথে।
-
🔰কোন দেশের অপর নাম 'নিপ্পন'.?
🚭জাপান
-

২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কিডনির পাথর গলবে পাঁচ উপায়ে
===============================
বিনা অস্ত্রোপচারে শুধু প্রাকৃতিক উপায়েই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কিডনির পাথর গলবে! অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়ই! জানেন কি? প্রাকৃতিক কিছু উপায়ে কিডনির পাথর দ্রুত গলানো সম্ভব।

প্রথমেই জেনে নিন, কিডনির পাথর কীভাবে সৃষ্টি হয়? কিডনিতে সৃষ্ট পাথরগুলো ক্যালশিয়াম, অক্সেলেট এবং ইউরিক এসিডের সমন্বয়ে হয়ে থাকে। কিডনিতে পাথর হওয়ার ফলে এর প্রভাব পড়ে প্রস্রাবে। অল্প পরিমাণে প্রস্রাব ও এসময় জ্বালা-পোড়া ও ব্যথা অনুভব হয়ে থাকে।

কম পানি খাওয়ার ফলে এ সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। এছাড়াও বারবার কিডনিতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর জন্য যথাযথ চিকিত্‍সার ব্যবস্থা না করায় কিডনিতে পাথর দেখা দেয়। এবার তবে জেনে নিন যে পাঁচ উপায়ে প্রাকৃতিকভাবেই কিডনির পাথর গলাবেন-

১. লেবুর রস ও অলিভ অয়েল একটি কার্যকরী উপায়। এজন্য প্রয়োজন এক টেবিল চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও দেড় মগ পানি। পানিতে এই উপাদান দুটি ভালোভাবে মিশিয়ে দিনে অন্তত তিনবার পান করুন। তবে টানা তিন দিন এই পানীয়টি পান করুন। কিডনির পাথর বেরিয়ে যাবে ফ্লাশের মাধ্যমে।

২. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার আরো একটি কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদান। এটি শুধু কিডনির পাথর নয় বরং শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলা করে। এজন্য ২ টেবিল চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার পানিতে মিশিয়ে তিন বেলা খাওয়ার পূর্বে পান করুন। তবে কখনো পানি ব্যতীত এই উপাদানটি গ্রহণ করবেন না।

৩. মুলার রস কিডনির পাথর গলাতে সাহায্য করে। এটি কিডনি পরিষ্কার করে থাকে। এতে রয়েছে ফাইবার, ফলিক এসিড, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভোলেটাইলস অয়েল। মুলার রস হজমশক্তি বাড়ায় এছাড়াও মূত্রনালীর সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। এজন্য একটি মুলা ধুয়ে নিয়ে কেটে ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে নিন। সকালে খালি পেটে এই রস পান করুন। ভালো ফল পেতে মুলার সঙ্গে গাজর ও শসার রসও মিশিয়ে নিতে পারেন।

৪. বাসিল (তুলসি) পাতার রস ইউরিক এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও বাসিলে থাকা অ্যাসিটিক এসিডের কারণে কিডনির পাথর আস্তে আস্তে নরম হতে থাকে। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানের কারণে এটি কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। এজন্য চার থেকে পাঁচটি বাসিল পাতা সাত থেকে আট মিনিট পানিতে ফুটিয়ে নিন। এবার ছেঁকে পানিতে সামান্য মধু মিশিয়ে দিনে বিভিন্ন সময় চায়ের মতো পান করুন।

৫. ডাবের পানিতে প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে। কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ডাবের পানির বিকল্প নেই। দিনে দুই ঘণ্টা পর পর এক মগ করে হলেও পানির পাশাপাশি ডাবের পানি পান করুন। এতে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ পাবে। সঙ্গে কিডনির পাথর গলতেও সাহায্য করবে। এর ফলে প্রস্রাবের জ্বালা-পোড়া ভাবও কমবে।

কিডনির পাথর গলানোর জন্য যেসব খাবার পরিহার করবেন:-

১. যেসব খাবারে সোডিয়াম রয়েছে।

২. প্রাণীজ প্রোটিন রয়েছে যেসব খাবারে।

৩. ভাজা পোড়া খাবার পরিহার করতে হবে।

৪. সেইসঙ্গে বোতলজাত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন।

সূত্র: রাইটহোমরেমেডিস

স্ট্রেচ মার্ক দূর করার সহজ উপায়

গর্ভকালীন সময়, হরমোনের সমস্যা কিংবা হঠাৎ করে মোটা হয়ে যাবার কারণে শরীরে স্ট্রেচ মার্ক বা ফাটা দাগ পরে। সাধারণত কোমর, ঘাড়ের ভাঁজে, পেটে, হাত বা পায়ের ভাঁজে স্ট্রেচ মার্ক পড়ে কালো দাগ হয়ে যায় যা দেখতে খারাপ দেখায়। বেশিরভাগ মেয়েরাই এই দাগ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় ভোগেন।

এই দাগ দূর করার জন্য বাজারে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ধরনের ক্রিম, লোশন ও জেল পাওয়া যায়। আপনি চাইলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন অথবা ব্যবহার করতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপাদান। যা কোনো প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই দূর করবে এই কালো দাগ। তাহলে জেনে নিন কি সেই উপাদানগুলো-

• অলিভ অয়েল: ফাটা দাগ দূর করার জন্য অলিভ অয়েলের তুলনা হয় না। কোনো ঝামেলা ছাড়াই অল্প সময়ে দূর করা যাবে এই দাগ। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দাগের ওপর অলিভ অয়েল লাগিয়ে শুয়ে পরুন এবং সকালে গোসল করে ফেলুন। এতে ত্বক থাকবে মসৃণ। দেখবেন কিছুদিন পর দাগ হালকা হওয়া শুরু হয়েছে।

• ডিম: ডিমের সাদা অংশ প্রাকৃতিকভাবে দাগ দূর করে। দাগের ওপর ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে শুকাতে দিন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কয়দিন লাগালেই দাগ দূর হয়ে যাবে।

• স্ক্রাব: লেবুর রস, চিনি ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে প্রতিদিন ফাটা দাগের ওপর ১০ মিনিট মাসাজ করুন। এই স্ক্রাব ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করবে।

• লেবু: লেবুর রসে রয়েছে প্রাকৃতিক এসিড যা দাগ দূর করতে সাহায্য করে। একটি লেবু থেকে রস বের করে দাগে লাগিয়ে ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া চাইলে লেবুর রসের সঙ্গে আলুর রস অথবা শসার রস কিংবা টমেটোর রস মেশাতে পারেন।

• আলু: আলুতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও আয়রন যা ত্বক উজ্জ্বল করে। প্রাকৃতিকভাবে ব্লিচ করতে পারে আলু। তাই একটি আলু নিয়ে তা ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপরে ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন এবং ধুয়ে ফেলুন।

• অ্যালোভেরা জেল: বাজারে অ্যালোভেরা জেল এবং পাতা দুটিই কিনতে পাওয়া যায়। আপনি চাইলে সরাসরি অ্যালোভেরা জেল কিনতে পারেন। অথবা পাতা কিনে তার ভিতরের জেল বের করে দাগের ওপর লাগাতে পারেন।

প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন। এছাড়া খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি, ই, জিংক সমৃদ্ধ খাবার রাখার চেষ্টা করুন। নানারকম ফল যেমন স্ট্রবেরি, গাজর, শাক, সবুজ মটরশুটি, বাদাম ইত্যাদি খান।

ছবিটি ১৯৭২ সালের ১৪ জুন ব্রিটিশ ফটোগ্রাফার ক্রিস স্টিল-পার্কিন্স তুলেছিলেন।
একজন অসহায় মা স্মলপক্সে আক্রান্ত শিশুকে নিয়ে বসে আছেন।

মৃত্যুযাত্রী শিশুকে কোলে নিয়ে বসে আছেন মা - জগতে এরচে ভয়াবহ কিছু থাকতে পারে বলে মনে হয় না।
,🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸🌸

কেন চেয়ে আছ, গো মা, মুখপানে ।
এরা চাহে না তোমারে চাহে না যে, আপন মায়েরে নাহি জানে।
এরা তোমায় কিছু দেবে না, দেবে না— মিথ্যা কহে শুধু কত কী ভাণে।।
তুমি তো দিতেছ, মা, যা আছে তোমারি— স্বর্ণশস্য তব, জাহ্নবীবারি,
জ্ঞান ধর্ম কত পুণ্যকাহিনী।
এরা কী দেবে তোরে ! কিছু না, কিছু না। মিথ্যা কবে শুধু হীনপরানে।।
মনের বেদনা রাখো, মা, মনে । নয়নবারি নিবারো নয়নে।।
মুখ লুকাও, মা, ধুলিশয়নে— ভুলে থাকো যত হীন সন্তানে।
শূন্য-পানে চেয়ে প্রহর গণি গণি দেখো কাটে কিনা দীর্ঘ রজনী।
দু:খ জানায়ে কী হবে, জননী, নির্মম চেতনা

অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে ,,
মা এবং শিশুরা , সকলেই সুস্থ আছে ,, ♥️ ....

💎16 রকমের খেলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দ💎

*ভলিবল* - বেসলাইন , ব্লকিং , ডাবলিং , ফুট হল্ট , হিভ , হোল্ডিং , জাম্প সেট , লাভ অল , ট্যাকটিক্যাল বল , ভলি , উইন্ডমিল সার্ভিস , লবপাস , পয়েন্ট , গেম , কুইকস্ম্যাশ , অ্যাঙ্গেলড ড্রাইভ সার্ভ , ব্যাকহ্যান্ড সার্ভ , ফোরহ্যান্ড স্ম্যাশ , স্ম্যাশ , নেটশেট , লব , ফল্ট , ডবল ড্রপ , ডিউস , বার্ড , রাশ

*ব্যাডমিন্টন* - ডিউস , অ্যাডভান্টেজ , হফ ভলি , লভ , স্ম্যশ , গ্রাউন্ড স্ট্রোক , ডিপ ভলি , ' এস সার্ভিস ' , স্লাইস , ড্রপশট , ব্যাকহ্যান্ড স্ট্রোক , ডবল ফল্ট , আউট , নেট

*লন টেনিস* - পাঞ্চ , ব্রেক , কাট , ডিফেন্স , নক , নক আউট , সেকেন্ড আইট , উইন বাই নক আউট , আপার কাট , ওয়েট ইন , বাবিট পাঞ্চ

*বক্সিং* - বেস্টবল , ফোরসাম , বোগিই , বাংকার , হোল , ক্যাড্ডিই , ডরমি , ফেয়ারওয়ে , ফোরবল , গ্রীড হোলস , লিংকস , নিবলিক , পার , পিউট , টি , স্টাইমিড , রাফ

*দাবা* - বিশপ , ক্যাসলিং , ক্যাপচার , ড্র , চেকমেট , এন প্যাশান্ট , গ্যামবিট , গ্র্যান্ড মাস্টার , অস্কার , আন্ডার প্রমোটিং , পন , নাইট , কিং , স্টেলনেট , রুক

*গলফ* - আকা , চাকুগান , দাচি , এনেচোসেন , ফিউডোটাচি , গেডান , গেরি , ওবি , হাজিমে , আইবুকি , জিওন , কাকাটো , কোকো , নিদান , সানবোন , সিরো , উদে

*ক্যারাটে *- বাঙ্কার , চুক্কার , মালেট

*তাস* - অক্সান , ব্রিজ , চিকেন , কাট , লিটল স্লাম , নোট্রাম পস , রেভোক , সাফল , ভালনারাবেল

*হকি *- ব্যাকস্টিস , বুলি , কারি, ড্রিবল , ক্যারেট , কর্নার , পেনাল্টি কর্নার , জোনাল মারকিং , সিক্সটিন ইয়ার্ড হিট , স্কুপ , গোললাইন , গ্রীণকার্ড , ক্লিক

*বেসবল* - বস , ব্যাটারী , বান্টিং , ক্যাচার , ডায়মন্ড , হিটার , হোম , ইনফিল্ড , আউটফিল্ড , শর্টস্টপ , পুল আউট , পিচার প্লেট , পিঞ্চ

*জুডো* - আশি-ওয়াজা , চুই , ডান , ডজো , হাজিমি , ইপ্পোন , জিগোটাই , কোকা , মাকিকোমি , নাগে-ওয়াজা , ও-গোশি , রানডোরী , টানি-ওটোশি , উচি-কোমভি , ইয়োশি , ইউকো

*জিমন্যাস্টিক* - এরিয়েল , ব্লকস , ডিস ইনলোকেট , তারিফ , বিম , ফ্লোর এক্সারসাইজ , ভারটুশাসিটি , র‍্যাপ

*বিলিয়ার্ড *- বাল্কলাইন , ব্রেক , বোলটিং , ক্যানন , কিউ , স্ট্রোক

*রোইং* - বো , বাকেট , কউ , এরগোমিটার , ফেদার , প্যাডেল , রিগাট্টে

*বাস্কেটবল* - বল , বাস্কেট , ব্লকিং , ড্রিব্লিং , ফ্রী-থ্রো , হেল্ড-বল , জাম্প বল , পিভট

*টেবিল টেনিস* - ব্যাকস্পীন , লুপ , পেনহোস্তগ্রীপ , পুশ , স্পিন , টুইডিল
(সংগৃহীত)

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছবি😯😯

উপরে যেয়ে বিচার দিবো, মা-বাবা চলে গেলো, আর ফেরত আসলো না... 😢

যারা মনের আনন্দে পাখি শিকার করে যায়, তারা যদি এই ছবির মর্মটা বুঝতো একটু... 😰

নিজেদের ৫টি সামান্য ভুলের জন্য ৩৩% মেয়েদের জরায়ুতে ক্যানসার হয়?

বিভিন্ন মরণব্যাধি গুলির মধ্যে একটি হলো জরায়ুতে টিউমার। এই টিউমার ধীরে ধীরে ক্যান্সারের দিকে পা বাড়ায়। বিবাহিত বা অবিবাহিত সকল মেয়েদের জরায়ুতে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে কিছু সচেতনতা অবলম্বন এই সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।জেনে নিন কেন জরায়ুতে টিউমার হয় ও কিভাবে এই টিউমার এড়ানো সম্ভব।

১: পিরিওড চালাকালীন অনেকেই নিয়মিত স্নান করে না অথবা শহরতলীর সাপ্লাইয়ের জলে স্নান করে। তাই কোন জলে জীবাণু আছে বা নেই সেটা জানা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এইসব কারনেই জরায়ুতে জীবাণুর সংক্রমণে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেক্ষেত্রে পিরিওড চলাকালীন নিয়মিত স্নান ও স্নানের আগে জলে ডেটল বা স্যাভলন দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে জরায়ুর টিউমার প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে।

২: পিরিয়ড চলাকালীন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা টি সব থেকে বেশি জরুরী, সে বিবাহিত মহিলাদের জন্য হোক বা অবিবাহিত মহিলা। পিরিয়ডের সময় অনেকে কাপড় ব্যবহার করে এবং সেই কাপড় ধুয়ে পুনরায় আবার ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে জীবাণু সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে।

তাই বলা হয় পিরিওড চলাকালীন ব্যবহৃত কাপড় পুনরায় ব্যবহার না করতে। এর চেয়ে প্যাড ব্যবহার করার শ্রেয়। তবে কাপড় বা প্যাড যা-ই ব্যবহার করুন না কেন সেটি ছয় ঘণ্টার বেশি ব্যবহার করবেন না। ছয় ঘণ্টার বেশি এক জিনিস ব্যবহার করলে এতে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৩: অতিমাত্রায় জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট খাওয়া জরায়ুতে টিউমার এর সৃষ্টি করে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ট্যাবলেট খাওয়াই ঠিক নয়।এছাড়া জন্মনিয়ন্ত্রণ করার জন্য অনেকে ৩/৬/১২ মাস থেকে শুরু করে ৫ বছর পর্যন্ত ইনজেকশন দিয়ে নিজেদের পিরিয়ড বন্ধ করে রাখে। যার ফলে জরায়ুতে টিউমার ও ক্যান্সার এর ঝুকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। তাই এই ইনজেকশন নেওয়ার পদ্ধতি থেকে বিরত থাকা উচিত।

৪: অনেকই অসময়ে বাচ্চা নিতে চায় না তাই এবরশন বা ডিএনসি করায় যা জরায়ুর জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। এছাড়া আর বেবি নিতে না চেয়ে অনেকে লাইকেশন করিয়ে নেয়। এটি জরায়ুতে টিউমার ও ক্যান্সারের জার্ম তৈরি করে।

৫: মেয়েদের নরমাল ডেলিভারি হওয়ার পর জরায়ুতে ছোট ছোট ক্ষত থাকে। ডাক্তাররা বলেন নরমাল ডেলিভারির সময় শিশুরা তাদের নখ দিয়ে জরায়ুতে আচর দেয় ফলে এই ক্ষত সৃষ্টি হয়। তাই নরমাল ডেলিভারির পর যদি কেউ হাজবেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয় তবে সেক্ষেত্রে জরায়ুর মধ্যে ছোট ছোট টিউমার সৃষ্টি হয় যা পরবর্তী সময়ে ক্যানসারের রূপ নেয়। তাই নরমাল ডেলিভারির পর সেই ক্ষত না শুকনো পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকা উচিত।

৬: ফরমালিনযুক্ত খাবার খেলে শরীরে জরায়ুতে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে সে ক্ষেত্রে ফরমালিনযুক্ত খাবার খাওয়ার আগে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা প্রয়োজন সেক্ষেত্রে ফরমালিন যুক্ত খাবার খাওয়ার আগে সেটি এক ঘন্টা লবণ জলে ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের বিষ খাওয়ার থেকে চলে যায়

এছাড়া অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধে টিউমারের সৃষ্টি হয়। আমরা সাধারণত কোনো ছোটখাটো সমস্যায় পেনকিলার বা প্যারাসিটামল খেয়ে থাকি। এই ওষুধগুলো আমাদের ভিতর একটু একটু করে টিউমারের জার্ম সৃষ্টি করছে তাই যে কোনো সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো রকম ওষুধ খাওয়াই উচিত নয়।

ফ্যালকন হেভি
==========
২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। লঞ্চ কম্প্লেক্স 39, কেনাডি স্পেস সেন্টার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথমবারের মতো উড়ে ছিল ফ্যালকন হেভি। ফ্যালকন হেভি স্পেসএক্সের তৈরি বর্তমান কালের সবচেয়ে ক্ষমতাশীল রকেট। ৭০ মিটার দীর্ঘ এবং ১২.২ মিটার চওড়া এই রকেট ৬৩ হাজার ৮০০ কেজি ভর বহন করতে পারে। এর সাথে পরীক্ষামূলক ভর হিসেবে নিয়ে গিয়েছিল একটি গাড়ি, টেসলা রোডস্টার। পুরো রকেটটি ৩টি অংশ বিভক্ত। এর মোট ইঞ্জিন ২৭টি।

স্পেসএক্সের একটি বিশেষত্ব হলো,এর পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট। ফ্যালকন-9 এর ফার্স্ট স্টেজ রকেটগুলো ব্যবহারের পর নির্দিষ্ট স্থানে অবতরণ করেছে। যার ফলে এগুলোকে পরবর্তীতে কাজে ব্যবহার করা যায়। ফ্যালকন হেভির ক্ষেত্রে উৎক্ষেপনের পরপরই মূল ইঞ্জিনটি স্থবির হয়ে থাকবে এবং দুইপাশের বুস্টারগুলোর জ্বালানি ব্যবহার করে রকেট ওপরে উঠে যেতে থাকবে। জ্বালানি শেষ হলে বুস্টারগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে পুনরায় মাটিতে ফিরে আসবে। এদিকে মূল ইঞ্জিন পুরোপুরি সচল হয়ে যাবে এবং রকেটটি সমান এগিয়ে যাবে।

ইলন মাক্স স্পেসএক্স প্রতিষ্ঠার আগে সবচেয়ে বেশি ভেবেছেন এর খরচ নিয়ে। বুস্টারগুলো পুনরায় ব্যবহার করতে পারার কারণে ব্যয় অনেক কমে যাচ্ছে। ইলন মাস্কের কথায়, প্রতি কেজি কার্গোর পেছনে খরচ মাত্র ১ হাজার ১০০$ ডলার নামিয়ে আনা হয়েছে। ১৪ হাজার ২০০ কেজি ভরের এই রকেটের প্রতি যাত্রায় খরচ পরে ৩৫০ মিলিয়ন ডলার, অর্থ্যাৎ কেজি প্রতি ২৪ হাজার ৬৪০$ ডলার!

Written by W. Shanto

YouTube - https://www.youtube.com/wshanto_30

কিছু কিছু মানুষের শরীরের জোরের থেকে মনের জোর অনেক বেশী হয় ....

বাংলাদেশের চেয়ে যেসব দেশের টাকার মান কম
.............................................
দেশের বাইরে বেড়াতে গেলে মানি এক্সচেঞ্জ জরুরি বিষয়। মুদ্রা বদল করতে গিয়ে যদি দেখেন বাংলাদেশি ১ হাজার টাকা ভাঙিয়ে স্থানীয় মুদ্রায় পাচ্ছেন প্রায় দুই লাখ টাকা! হ্যাঁ, হাজার দ্বীপের দেশ ইন্দোনেশিয়া বেড়াতে গেলে এমন অভিজ্ঞতাই হবে আপনার। সেখানে ১০ হাজার টাকার বদলে পাবেন ১৭ লাখ ৪৭ হাজার ৩৬০ ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়াহ। চলুন দেখে নিই এমন কিছু দেশ সম্পর্কে যাদের মুদ্রার মান বাংলাদেশের চেয়ে কম।

নেপাল

হিমালয়কন্যা নেপাল। এটি এমন এক জনপদ যেখানে দুনিয়ার সর্বোচ্চ উচ্চতম পবর্তশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত। ফলে পর্বতারোহনের জন্য প্রতি বছর দেশটিতে ভিড় করে দুনিয়ার বিভিন্ন প্রান্তের বিপুলসংখ্যক পর্যটক। তবে নেপালি রুপির দাম অনেক কম। বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে ১ দশমিক ৩৪ নেপালি রুপি পাবেন আপনি। কাজেই বাংলাদেশি ১০ হাজার টাকা পকেটে থাকলে মিলে যাবে ১৩ হাজার ৪১৭ টাকা।

শ্রীলঙ্কা

সার্কভুক্ত দেশ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১ দশমিক ৯২ শ্রীলঙ্কান রুপি। দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র ‌‘পার্ল অব ইন্ডিয়ান ওশান’ বা ‘ভারত মহাসাগরের মুক্তা’ নামেও পরিচিত।

ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রভাবশালী দেশ ইরান। সেখানে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৫৭১ দশমিক ৭২ ইরানিয়ান রিয়াল। পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত ইরান বিশ্বের সবচেয়ে পর্বতময় দেশগুলোর একটি। এই রাষ্ট্রে রয়েছে এশিয়ার অন্যতম সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ দামভান্দ। দেশটিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ভাণ্ডার আছে। পারস্য উপসাগরের অন্যান্য তেলসমৃদ্ধ দেশের মতো ইরানেও তেল রফতানি অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

ইরাক

প্রাচীন মেসোপটেমিয়া সভ্যতার দেশ ইরাক। বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে সেখানে পাওয়া যায় ১৪ দশমিক ২২ ইরাকি দিনার। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে পর্যটন শিল্প স্থবির হয়ে পড়লেও দেশটিতে পর্যটকদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে। দেশটির সামারা শহর ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্থাপনার একটি। সেখানকার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোতে প্রায় ৭ হাজার বছরের পুরনো সংস্কৃতির সন্ধান পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে মূলত মৃৎশিল্পের নিদর্শনই বেশি। আব্বাসীয় খলিফারা অষ্টম শতকে বাগদাদ থেকে রাজধানী সামারায় সরিয়ে নেন। ফলে অনেক নতুন স্থাপত্যের সৃষ্টি হয় ইরাকে।

আলবেনিয়া

দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ আলবেনিয়ায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১ দশমিক ৩২ আলবেনিয়ান লিক। সমৃদ্ধ ইতিহাসের দেশটি বিভিন্ন সময়ে রোমান, বাইজেন্টাইন ও উসমানীয় খিলাফতের অধীনে শাসিত হয়েছে। দুই ডজনেরও বেশি আলবেনীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি অটোমান সুলতানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।

আলজেরিয়া

ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত আলজেরিয়া হলো আফ্রিকা মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। দেশটির একটি বড় অংশই সাহারা মরুভূমিতে অবস্থিত। আলজেরিয়ায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১ দশমিক ৪২ আলজেরিয়ান দিনার।

আলজেরিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম ও আরবিভাষী। ফ্রান্সের সাবেক এই উপনিবেশটিতে ফরাসি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

অ্যাঙ্গোলা

মধ্য আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৩ দশমিক ২৩ অ্যাঙ্গোলান কানজা। আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে অবস্থিত দেশটিতে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের উপনিবেশ ছিল।

আর্মেনিয়া

পশ্চিম এশিয়ার দেশ আর্মেনিয়ায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৫ দশমিক ৭৭ আর্মেনিয়ান ড্রাম। ১৯৩৬ সালে দেশটি আর্মেনীয় সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। ১৯৯১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে এই রাষ্ট্র।

কম্বোডিয়া

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়ায় বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৪৮ দশমিক ৫৯ কম্বোডিয়ান রিয়েল। ১৯৫৩ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে দেশটি। কম্বোডিয়ার উত্তর-পূর্বে লাওস, পূর্বে ও দক্ষিণ-পূর্বে ভিয়েতনাম, পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে থাইল্যান্ড এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে থাইল্যান্ড উপসাগর।

কেপ ভার্দে

সংগীত, সংস্কৃতি ও সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে। সেখানে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১ দশমিক ১৬ কেপ ভার্দেয়ান ইস্কুডো।

চিলি

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ চিলিতে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৭ দশমিক ৯৮ চিলিয়ান পেসো। চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোকে একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইয়েমেন

মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন বসতি মধ্যপ্রাচ্যের ইয়েমেন। দেশটিতে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ২ দশমিক ৯৯ ইয়েমেনি রিয়াল। তবে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েক বছরের সামরিক আগ্রাসনে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে এই রাষ্ট্রে।

লেবানন

ভূমধ্যসাগরের উপকূলে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যমণ্ডিত দেশ লেবানন। সেখানে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ১৮ দশমিক ২ লেবানিজ পাউন্ড। লেবাননের সরকারি ভাষা আরবি। এছাড়া আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে ফরাসি ভাষা।

উজবেকিস্তান

মধ্য এশিয়ার দেশ উজবেকিস্তানে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ৯৩ দশমিক ১ উজবেকিস্তানি সম। হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যমণ্ডিত দেশটি পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্য।

ভিয়েতনাম

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ২৭৮ দশমিক ১৩ ভিয়েতনামিজ ডং।

বুরুন্ডি

পূর্ব আফ্রিকার দেশ বুরুন্ডিতে বাংলাদেশি ১ টাকার বিনিময়ে পাওয়া যাবে ২১ দশমিক ৩ বুরুন্ডিয়ান ফ্রাঙ্ক।

টাকা এমনি একটা জিনিস, যার কাছে যায় সেই বলে আমার!!!

টাকা ধার দেওয়ার সময়,
নিজেকে মহৎ মনে হয়।
টাকা নিতে হলে ভীহ্মুক সাজতে হয়.....

18-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 2749+)
প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪৪,০০০ বর্গ কিঃমিঃ বা বাংলাদেশের মোট এলাকার ২৯% অঞ্চলজুড়ে ৩ কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। বরিশালসহ পুরো দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে রাজধানীর পরিবহণ ব্যায় ও সময় কমে আসবে। রেল, গ্যাস, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ফাইবার অপটিক কেবল সম্প্রসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সেতুর ফলে দেশের জিডিপি উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। পদ্মা সেতুর দৈঘ্য কত?
(A) ৬.১৫ কি. মি.
(B) ৪.৮ কিমি
(C) ৯.৫০ কি. মি.