About HM. Shariful Islam

উপকারী ও জনপ্রিয় কিছু ডিটক্স পানি
• আদা ও লেবু: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক ইঞ্চি পরিমাণ আদাকুচি ও আধখানা লেবুর রস মিশিয়ে খালি পেটে পান করুন।
• লেবু ও পুদিনা পাতা: ১৫ থেকে ২০টি পুদিনা পাতা, পাতলা করে কাটা লেবুর ৫ বা ৬টি টুকরো বা আধখানা লেবুর রস ৫০০ মিলিলিটার পানিতে ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। সকালে খালি পেটে বা দিনে দুই থেকে তিনবার পান করতে হবে।
• লেবু, শসা ও পুদিনা পাতা: ৮ কাপ পানিতে একটি আধখানা লেবুর রস ও ওই পরিমাণ লেবু কুচি করে কেটে মিশিয়ে দিতে হবে। তারপর আধখানা শসা কুচি করে ৭টি পুদিনা পাতাসহ ওই পানিতে দিয়ে ২–৩ ঘণ্টা রেখে পান করুন।
• আপেল, দারুচিনি: ১ লিটার পানিতে একটি আপেল স্লাইস করে কেটে এক টেবিল চামচ দারুচিনি দিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে ঘুমানোর আগে পান করলে শরীরের চর্বি কমে ও বিপাকক্রিয়া ভালো হয়।
• চিয়া সিড ও লেবু: আধ চা–চামচা চিয়া সিড এক কাপ পানিতে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে যে জেল তৈরি হবে, তাতে এক চা–চামচ লেবুর রস ও আরও পানি মিশিয়ে নেড়ে পান করুন। এতে তন্তু বা আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
এ ছাড়া ডিটক্স পানি তৈরিতে স্ট্রবেরি, কমলা, সাইট্রাস ফলের খোসা, জাম্বুরা, বিট ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

#সর্তকতামূলক_পোস্ট

বাচ্চাকে #মুরগীর #কলিজা খাওয়ানো মানেই #বিষ খাওয়ানোঃ-

কলিজা বাচ্চার জন্য উপকারী বিধায় বেশিরভাগ মায়েরাই বাচ্চাকে কলিজা খাইয়ে থাকেন। কিন্তু বর্তমানে কলিজা খাওয়ানো আর বিষের বোতল খাওয়ানো একই সমান হয়ে গিয়েছে।

বাজার থেকে কেনা কক আর ফার্মের- ২ ধরণের মুরিগীকেই যে ট্যানারির বর্জ্য থেকে তৈরীকৃত খাদ্য খাওয়ানো হয়, তাতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত ক্রোমিয়াম থাকে।

কলিজা হলো দেহের শোধনাগার। তাই কলিজা,মুরগীকে বাচানোর জন্য বেশিরভাগ ক্রোমিয়াম সংগ্রহ করে নিজের মধ্যে জমিয়ে রাখে।

সাম্প্রতিক কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ডঃ আবুল হোসেনের গবেষনায় দেখা গিয়েছে মুরগীর দেহের মধ্যে কলিজাতে ৬১২ মাইক্রোগাম ক্রোমিয়াম জমে (যেখানে ক্রোমিয়াম খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হলো ৩৫ মাইক্রোগাম)।

তবে প্রথম ও দ্বীতিয় স্থানে আছে মগজ (৪৫২০ মাইক্রোগ্রাম) ও হাড় (২০০০ মাইক্রোগ্রাম)। আর সবচেয়ে কম আছে মাংসে, তবে সেটাও নিরাপদ মাত্রায় না। তাই কলিজা,মগজ আর হাড়ের সুপ খাওয়ানোর সময় অবশ্যই আরেকবার ভাবা উচিত।

খাওয়াতে চাইলে একদম ঘরে পালা মুরগী অথবা গরু/খাসীর কলিজা খাওয়ানো উচিত।

আর স্যুপ খাওয়াতে চাইলে, বাচ্চা মুরগীর খাওয়ানো উচিত, কারণ তাতে ক্রোমিয়াম কম জমা থাকে (বয়সের সাথে সাথে জমার পরিমাণ বাড়ে)
ক্রোমিয়াম এর ধারণা টা নতুন, তাই এটা নিয়ে কেউ ভাবেনা।

আপনাকে যদি ১ গ্লাস পানি দিয়ে বলা হয় এতে আর্সেনিক আছে, অথবা ফল দিয়ে বলা হয় এটা এই মাত্র ফরমালিন এ চুবিয়ে আনা হয়েছে, আপনি কি বাচ্চাকে খাওয়াবেন? না।

ফরমালিন আর আর্সেনিক সম্পর্কে আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি এবং জানি।

তাই ঘরে ঘরে রোগাক্রান্ত মানুষ দেখার আগেই আমাদের ক্রোমিয়াম সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত।

মানুষ কে এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে এবং সহযোগীতা করতে পোষ্টটি শেয়ার করুন
(কপি পোস্ট করলে সবচেয়ে ভাল হয়)।

যাকাত ও সাদাকার বিবরণ:

১. আল্লাহর রাস্তায় যা কিছু দান করবে তা শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যেই করবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্য যুক্ত করে নিজের পবিত্র আমলকে নষ্ট করবে না। এমন আকাঙ্খা কখনো রাখবে না যে, যাদেরকে দান করেছো তারা দানকারীর অনুগ্রহ স্বীকার করবে অথবা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে, মুমিনগণ নিজের আমলের প্রতিদান বা পুরস্কার শুধু আল্লাহর নিকটই চায়। পবিত্র কুরআনে মুমিনের মনের আবেগ এভাবে প্রকাশ করেছেন:

“আমরা তোমাদের একান্তভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যেই খাওয়াচ্ছি, এজন্যে তোমাদের প্রতিদান ও কৃতজ্ঞতা চাইনা।”

২. লোকিকতা, বাগাড়ম্বর ও লোক দেখানো কাজ থেকে বিরত থাকবে, রিয়া ভালো আমলকেও ধ্বংস করে দেয়।

৩. যাকাত প্রকাশ্যভাবে দেবে। যেনো অন্যের মধ্যেও ফরয আদায়ের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। তবে অন্যান্য (নফল) সাদাকা গোপনে দেবে। আল্লাহর নিকট ঐ আমলেরই মূল্য আছে যা একান্ত আন্তরিকতার সাথে করা হয়। কিয়ামতের মাঠে যখন কোনো ছায়া থাকবেনা সেদিন আল্লাহ ঐ বান্দাহকে নিজের আরশের নিচে ছায়া দান করবেন। যে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে আল্লাহর পথে দান করেছে। এমনকি তার বাম হাতও জানেনি ডান হাতে কি খরচ করেছে।

৪. আল্লাহর পথে দান করার পর উপকারের কথা বলে বেড়াবেনা। আর যাদেরকে দান করা হয়েছে তাদেরকে কষ্টও দেবেনা। দান করার পর অভাবগ্রস্ত ও গরীবদের সাথে তুচ্ছ আচরণ করা, তাদের আত্ম-মর্যাদায় আঘাত হানা, তাদেরকে উপকারের কথা বলে বলে তাদের অন্তরে কষ্ট দেয়া, এটা চিন্তা করা যে, তারা তার উপকার স্বীকার করবে এবং তার সামনে নত হয়ে থাকবে, এগুলো অত্যন্ত ঘৃণ্য কাজ। মুমিনের অন্তর এ ধরনের হওয়া উচিত নয়।

এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:

“হে মুমিনগণ! উপকারের কথা বলে গরীব-দুঃখীদের অন্তরে কষ্ট দিয়ে ঐ ব্যক্তির ন্যয় ধ্বংস হয়োনা যে ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্যে ব্যয় করে।”

৫. আল্লাহর পথে দান করার পর অহংকার ও দৌরব করবেনা। লোকদের ওপর নিজের প্রাধান্য বিস্তার করবেনা বরং একথা চিন্তা করে সংশয় পোষণ করবে যে, আল্লাহর দরবারে এ দান কবুল হলো কি হলো না। আল্লাহ তায়ালা বলেন-

“তারা দান করে, যাই দান করে বস্তুতঃ কখনো তাদের অন্তর এ জন্যে ভীত যে, তারা তার প্রভুর নিকট প্রত্যাবর্তনকারী।”

৬. দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের সাথে নম্র আচরণ করবে, কখনো তাদেরকে ধমক দেবেনা, তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করবেনা, তাদের হীনতা প্রকাশ করবেনা, ভিক্ষুককে দেবার মতো কিছু না থাকলেও নম্র ও ভদ্র ব্যবহার দ্বারা অপারগতা প্রকাশ করবে যেন সে কিছু না পেয়েও দোয়া দিতে দিতে বিদায় হয়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা এ সম্পর্কে বলেন, তোমরা যদি তাদের থেকে বিমুখ হতে বাধ্য হও, তোমার প্রতিপালকের দয়ার আশায় তাহলে তাদের সাথে নম্রভাবে কথা বলো। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে অন্যত্র বলেছেন, “ভিক্ষুককে ধমক দিওনা”।

৭. আল্লাহর পথে উন্মুক্ত মনে ও আগ্রহের সাথে খরচ করবে। সংকীর্ণমনা, বিষন্ন মন, জবরদস্তি ও জরিমানা মনে করে খরচ করবেনা। ভাগ্যবান ও সফলকাম তারাই হতে পারে যারা কৃপণতা, সংকীর্ণতা হীনমন্যতা থেকে নিজের অন্তরকে পবিত্র রাখতে পারে।

৮. আল্লাহর পথে হালাল মাল খরচ করবে। আল্লাহ শুধু হালাল ও পবিত্র মালই কবুল করেন। যে মুমিন আল্লাহর পথে দান করার আকাঙ্খা রাখে তার পক্ষে কি করে সম্ভব হতে পারে যে, তার রুজির বা মালের মধ্যে হারামের মিশ্রণ থাকবে?

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন,

“হে মুমিনগণ! (আল্লাহর পথে) তোমাদের হালাল রুজি থেকে ব্যয় করো।”

৯. আল্লাহর পথে উত্তম মাল ব্যয় করবে। আল্লাহ বলেন, “তোমরা কখনো নেকী অর্জন করতে পারবে না, যে পর্যন্ত তোমাদের অতীব প্রিয় বস্তু আল্লাহর পথে ব্যয় না করবে।”

ছদকা দেয়া মাল পরকালের চিরস্থায়ী জীবনের জন্যে জমা হচ্ছে, একজন মুমিন কি করে চিন্তা করতে পারে যে, তার চিরস্থায়ী জীবনের জন্যে সে খারাপ ও অকেজো মাল সঞ্চয় করবে?

১০. যাকাত ওয়াজিব হয়ে যাওয়ার পর দেরি না করে তাড়াতাড়ি আদায় করার চেষ্টা করবে এবং ভালো করে হিসেব করে দেবে, আল্লাহ না করুন যেন কিছু বাকি থেকে না যায়।

১১. যাকাত সামাজিকভাবে আদায় করবে এবং ব্যয়ও সামাজিকভাবেই করবে। যেখানে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠত নেই সেখানে মুসলমানদের সমিতিসমূহ ‘বায়তুল মাল’ প্রতিষ্ঠা করে তার সৎ ব্যবস্থা করবে।

23-Oct-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 1134 জন)
প্রশ্নঃ আমাজন জঙ্গলের আয়াতন প্রায় বাংলাদেশের ৪৭গুন (৭০ লক্ষ বর্গকিলোমিটার )। ৯ টি দেশ জুড়ে এই অরণ্য বিস্তৃত। ধারনা করা হয় পৃথিবীর প্রায় ৭-১০ শতাংশ অক্সিজেন এই বন থেকেই উৎপন্ন হয়। সম্প্রতি এই বনে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, এমনকি পৃথিবীতে অক্সিজের স্বল্পতা দেখা দিতে পারে, ইতোমধ্যেই পৃথিবীর উষ্ণতা পরিমাণের চেয়ে বেশি বাড়তে শুরু করেছে। বিজ্ঞানীদের অভিমত এই গ্রহে টিকে থাকতে হলে, গাছ লাগানোর কোন বিকল্প নেই। ৯টি দেশের মধ্যে উক্ত জঙ্গলের বেশি ভাগ কোন দেশের অংশে পড়েছে?
(A) ব্রাজিলের অংশে
(B) আর্জেন্টিনার অংশে
(C) কানাডার অংশে