About Hm.Nasir

সংবাদ
দেশ টিভি প্রোগ্রাম

০৮ মার্চ ২০১৯

দেশ টেলিভিশন - Desh Television
জীবনধারা


বুধবার, ০১ মার্চ, ২০১৭ (১২:৪৪)

উত্তাল মার্চ: বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের সবচেয়ে ঘটনাবহুল মাস
উত্তাল মার্চ: বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের সবচেয়ে ঘটনাবহুল মাস

বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের সবচেয়ে ঘটনাবহুল মাস মার্চের প্রথম দিন আজ-বুধবার। ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার সংগ্রামের পথ পেরিয়ে পাকিস্তানি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙতে ১৯৭১ সালের এ মাসেই শুরু হয়েছিল দুর্বার আন্দোলন। তাই পরিণতি পায় সশস্ত্র সংগ্রামে শুরু হয় গৌরবের মুক্তিযুদ্ধ। নয় মাসের যুদ্ধ জয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশ।

হাজার বছরের ইতিহাসে বাঙালির সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীনতা। সেই স্বাধীনতার মাস মার্চ ফিরে এলো আবার।



বাঙালির আত্মপরিচয়ের উন্মেষ ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে। বাঙালি জাতীয়তাবাদের সেই বীজ, স্বাধিকার আন্দোলনের পথ ধরে ধীরে ধীরে তা মহীরুহের রূপ ধারণ করে। ৭০-এর নির্বাচন ছিল টার্নিং পয়েন্ট। কিন্তু নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে টালবাহানা শুরু করে পাকিস্তানি শাসকযন্ত্র।

জেনারেল ইয়াহিয়া ১ মার্চ হঠাৎ করেই ৩ মার্চের পূর্বনির্ধারিত জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন। মুহূর্তে উত্তাল হয়ে ওঠে পুরো বাংলা। রাস্তায় রাস্তায় স্বতঃস্ফূর্ত অবরোধ শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধ।

হোটেল পূর্বাণীতে তখন বঙ্গবন্ধুর সংবাদ সম্মেলন চলছিল। সম্মেলনে ইয়াহিয়ার ষড়যন্ত্র রুখে দেবার জন্য বাঙালির প্রতি আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধু। ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারাদেশে হরতালের ডাক দেন বাঙালির কণ্ঠস্বর।

বিক্ষোভের দাবানল আর জনমনে স্বাধীনতার তৃষ্ণা অকেজো করে দেয় ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র পাকিস্তানের ভিত। উন্মেষ উত্তেজনায় ফুঁসতে থাকে বাংলাদেশ। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে সংগ্রামের পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনা বাহিনী। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

এর পরের ঘটনাপ্রবাহ প্রতিরোধের ইতিহাস। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলা হয়। এরপর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্রযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে জাতি লাভ করে স্বাধীনতা।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আজ দেশ পরিচালনা করছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার পাশাপাশি ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান ইতিবাসবিদ মুনতাসীর মামুন।

তবে বাঙালির স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হলে পাঠ্যবইকে মৌলবাদের আগ্রাসনের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে বলেও মত দেন তিনি।


ইউটিউবে দেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখুন। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেলটি:

Desh TV YouTube Channel
এছাড়াও রয়েছে
ফুলেল শ্রদ্ধায় শিক্ত হলেন মুহম্মদ খসরু
ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতি
কবি আল মাহমুদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন, দাফন আগামীকাল
‘সোনালী কাবিন’ খ্যাত কবি আল মাহমুদ আর নেই
ভালোবাসা ক্ষণিকের নয়-ভালোবাসা চিরন্তন
বিদ্যা-বুদ্ধি-জ্ঞান দেবী সরস্বতী
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা শাহজাহান আর নেই
ভাষা সৈনিক হালিমা খাতুনসহ ২১ জন পাচ্ছেন একুশে পদক
এক বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭,২২১
নয়াপল্টনে তরিকুলের জানাজা সম্পন্ন
না ফেরার দেশে তরিকুল ইসলাম
আজ শুভ বিজয়া দশমী
আইয়ুব বাচ্চুর শেষ ঠিকানা মায়ের কবরে
মহাষষ্ঠীতে আচার-অর্চনায় দেবীর অধিষ্ঠান মণ্ডপে মণ্ডপে
দুর্গোৎসবের পূণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া আজ
ডিএনসিসির প্যানেল মেয়র ওসমান গণি আর নেই
একাত্তরের জননী গ্রন্থের লেখক রমা চৌধুরী আর নেই
পূজা, আরাধরায় পালন শ্রীকৃষ্ণের পবিত্র জন্মতিথি
কোন সময়ে মধু খেলে উপকার বেশি পাবেন
ভিটামিন এ’র অভাব পূরণে লাল শাক
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মাধ্যমে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঈদ-উল-আযহা পালন
ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত গোর এ শহীদ ময়দান-শোলাকিয়া
হাতের যত্নে যা যা করবেন কোরবানির ইদে
মিনায় লাখো মানুষের ঢল, শুরু হলো হজের আনুষ্ঠানিকতা
সবচেয়ে পঠিত
সর্বশেষ সংবাদ
মোবাইল অ্যাপেই মিলবে ট্রেনের টিকিট-সময়
খালেদার মুক্তি, দলকে শক্তিশালী করে দুর্বার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন কাদের, আশা হানিফের
ক্রমেই উন্নতির দিকে যাচ্ছে কাদের, কিডনিতে সমস্যা আছে
ভারতকে দেয়া জিএসপি প্রত্যাহার করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
রাজস্থানে পাকিস্তানের ড্রোন ভূপাতিত
গ্যাসের দাম বাড়ানোর হলো জনপ্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
তথ্যসূত্রঃ দেশটিভি

18-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4757+)
প্রশ্নঃ পদ্মা সেতুর ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪৪,০০০ বর্গ কিঃমিঃ বা বাংলাদেশের মোট এলাকার ২৯% অঞ্চলজুড়ে ৩ কোটিরও অধিক জনগণ প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবে। বরিশালসহ পুরো দক্ষিণ অঞ্চলের সাথে রাজধানীর পরিবহণ ব্যায় ও সময় কমে আসবে। রেল, গ্যাস, বৈদ্যুতিক লাইন এবং ফাইবার অপটিক কেবল সম্প্রসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। এই সেতুর ফলে দেশের জিডিপি উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। পদ্মা সেতুর দৈঘ্য কত?
(A) ৬.১৫ কি. মি.
(B) ৪.৮ কিমি
(C) ৯.৫০ কি. মি.