About Asaduzzaman Sabbir

#ভাত খাওয়ার পরে যা করবেন না...

সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ নানা ভাবে ভাত খেয়ে থাকেন। বিশেষত, এশিয়া মহাদেশে প্রতিদিন ভাত খাওয়া লোকের সংখ্যা সবথেকে বেশি। আর ভারতের ও বাংলাদেশ কথা তো ছেড়েই দিলাম! বাঙালি সারাদিনে একবার ভাত খাবে না, সেটা হতেই পারে না। গরম হলে তো কথাই নেই পান্তা হলেও চলবে। ভাত অবশ্যই উপকারী খাবার।

কিন্তু এমন কিছু বদঅভ্যাস রয়েছে যেগুলো আমাদেরকে সুস্থ রাখার পরিবর্তে অসুস্থ করে তোলে। আর তাই সে সব অভ্যাস পরিত্যাগ করাই ভাল। এ অভ্যাস গুলো শরীরে নানা বিরূপ প্রভাব ফেলে। সাবধান! ভাত খাওয়ার পর এই ভুল কাজটি করলে আপনার মৃত্যু আনিবার্য!

১. খাবার খাওয়ার পরপরই অনেকে ফল খায়। এটা একদম ঠিক নয়। কারণ এতে বাড়তে পারে এসিডিটি। খাবার গ্রহণের দু’এক ঘণ্টা আগে বা পরে ফল খাওয়া ভাল।


২. অনেকে দেখা যায় খাবার শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ধূমপান শুরু করে। এটা খুবই মারাত্মক খারাপ অভ্যাস। চিকিত্‍সকরা বলেন, অন্য সময় ধূমপান যতটুকু ক্ষতি করে খাবার খাওয়ার পর ধূমপান করলে তা ১০ গুণ বেশি ক্ষতিকর।

৩. খাবার গ্রহণের পর পরই স্নান করবেন না। কারণ খাওয়ার পরপরই স্নান করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে পাকস্থিলির চারপাশের রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা পরিপাকতন্ত্রকে দুর্বল করতে পারে। ফলে খাবার হজমের স্বাভাবিক সময়কে ধীরগতি করে দেয়।

৪. অনেকে দেখা যায় খাবার গ্রহণের সময় বা পরপরই কোমড়ের বেল্ট কিংবা কাপড় ঢিলা করে দেয়। এটা ঠিক নয়। কারণ কোমরের বেল্ট বা কাপড় ঢিলা করলে খুব সহজেই ইন্টেসটাইন (পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনারীর নিম্নাংশ বেকে যেতে পারে বা পেঁচিয়ে যেতে পারে বা ব্লক হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যাকে ইন্টেসটাইনাল অবস্ট্রাকশন বলে।

৫. খাবার পরপরই ব্যয়াম করা ঠিক নয়।

৬. ভাত খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়া খুবই খারাপ অভ্যাস। এর ফলে শরীরে মেদ জমে যায়।

৭. খাবার পরেই অনেকে হাতে চায়ের কাপ নিয়ে বসে যান। চায়ে থাকে প্রচুর পরিমাণ টেনিক এসিড যা খাদ্যের প্রোটিনকে ১০০ গুণ বাড়িয়ে তোলে। এতে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। তাই কিছু সময় অপেক্ষা করার পর চা পান করুন।

৮. হাটা চলা করবেন না! অনেকেই বলে থাকেন যে , খাবার পর ১০০ কদম হাটা মানে আয়ু ১০০ দিন বাড়িয়ে ফেলা! কিন্তু আসলে বিষয়টা পুরোপুরি সত্য নয় খাবার পর হাটা উচিত , তবে অবশ্যই সেটা খাবার শেষ করেই তাত্‍ক্ষণিক ভাবে নয় ।

কারণ এতে করে আমাদের শরীরের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষনে অক্ষম হয়ে পড়ে।

How are all students?

hi

⭕ তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ = এক বার কোরআন পাঠ করার সমান।
⭕চার বার সূরা কাফিরুন পাঠ = এক খতম কোরআন পাঠ করার সমান।
⭕ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ = মৃত্যু ছাড়া জান্নাতে যেতে আর কোন বাধা থাকে না।
⭕ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে = একজন ফেরেশতা সারারাত পাহারা দিবে।
⭕ঘুমানোর সময় সূরা কাফিরুন পাঠ করা = শির্ক থেকে মুক্ত।
⭕রাতে সূরা মূলক পাঠ = কবরের আযাব থেকে মুক্তি।
⭕জামাতে নামাজ আদায় = ২৫/২৭ গুন বেশি সওয়াব।
⭕রমজান মাসের উমরা = হজ্বের সমতুল্য!
⭕জানাযার নামাজ আদায় করা = ১ কীরাত সওয়াব (১ কীরাত হল উহুদ পাহাড়ের সমান)
⭕জানাযার নামাজ আদায় করা + দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত থাকা = ২ কীরাত সওয়াব!
⭕উযূ করে নামাজের উদ্দেশ্যে মসজিদে রওনা করা = প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি গুনাহ মাফ ও একটি মর্যাদা বৃদ্ধি।
(সূত্র : বুখারী ৬৪৮,৭৯৯,৫০১৫।আবু দাউদ ৫০৫৫।।তিরমিযী ৯৩৯,২৮৯৩)
আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন।

একনজরে শসার কিছু উপকারিতা

১. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
২. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।

৩. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।

৪. কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।

৫. এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।

৬. শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

৭. শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

৮. মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য করে।

৯. ডাক্তারের পরামর্শনুযায়ী শসার রস খেলে আর্থ্রাইটিস, অ্যাগজিমা, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার হতে পারে।

১০.গাজরের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে খেতে পারেন, ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।

একনজরে শসার কিছু উপকারিতা

১. ফাইবার ও ফ্লুইডসমৃদ্ধ শসা শরীরে ফাইবার এবং পানির পরিমাণ বাড়ায়। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফাইবার থাকার কারণে শসা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে।
২. শসায় রয়েছে স্টেরল নামের এক ধরনের উপাদান, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এ ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, শসার খোসায়ও স্টেরল থাকে।

৩. ওবেসিটি নিয়ন্ত্রণে শসা খুব উপকারী।

৪. কিডনি, ইউরিনারি, ব্লাডার, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের সমস্যায় শসা বেশ সাহায্য করে থাকে।

৫. এরেপসিন নামক অ্যানজাইম থাকার কারণে শসা হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধান করে থাকে।

৬. শসা বা শসার রস ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও বেশ উপকারী।

৭. শসার রস আলসার, গ্যাস্ট্রাইটিস, অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও উপকারী।

৮. মিনারেলসমৃদ্ধ শসা নখ ভালো রাখতে, দাঁত ও মাড়ির সমস্যায় সাহায্য করে।

৯. ডাক্তারের পরামর্শনুযায়ী শসার রস খেলে আর্থ্রাইটিস, অ্যাগজিমা, হার্ট ও ফুসফুসের সমস্যায় উপকার হতে পারে।

১০.গাজরের রসের সাথে শসার রস মিশিয়ে খেতে পারেন, ইউরিক অ্যাসিড থেকে ব্যথার সমস্যা হলে অনেক কাজে দেবে।

লেবু খাওয়ার অসাধারণ ১০টি স্বাস্থ্য উপকারিতা!

এই গরমে যখন তীব্র দাবদাহে ক্লান্ত, ঠিক তখনই এক গ্লাস লেবুর শরবত হলে প্রাণটা জুরিয়ে যায়। শুধু শরবত হিসেবেই নয়, ওজন কমাতেও অনেকেই সকালে লেবুর শরবত খান। কিন্তু জানেন কি লেবুর শরবত শুধু ওজন কমানো নয়, আরও অনেক উপকার পাচ্ছেন আপনি? রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে পেট পরিষ্কার রাখার মতো প্রচুর উপকার করে লেবু। জেনে নিন লেবুর অসাধারণ ১০ উপকারিতা।


১। হজম শক্তি বাড়ায়: লেবুর রস শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। বদহজম, বুক জ্বালার সমস্যাও সমাধান করে লেবু পানি।

২। ক্ষত সারায়: লেবুর মধ্যে থাকা অ্যাবসরবিক অ্যাসিড ক্ষতস্থান দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। হাড়, তরুনাস্থি ও টিস্যুর স্বাস্থ্যা ভাল রাখে।

৩। পেট পরিষ্কার রাখে: শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকারক পদার্থ বের করতে সাহায্য করে লেবু পানি। ফলে ইউরিনেশন ভাল হয়। লিভার ভাল থাকে।

৪। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: লেবুর মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি সর্দি-কাশির সমস্যা দূর করতে অব্যর্থ। স্নায়ু ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়। ফুসফুস পরিষ্কার করে হাঁপানি সমস্যার উপশম করে।

৫। ত্বক দাগ মুক্ত রাখে: লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ত্বকের বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে। ব্যাকটেরিয়া রুখে অ্যাকনে সমস্যার সমাধান করে। রক্ত পরিষ্কার রেখে ত্বকের দাগ ছোপ দূরে রাখে।

৬। এনার্জি বাড়িয়ে মুড ভাল রাখে: লেবু খেলে শরীরে পজিটিভ এনার্জি বাড়ে। উত্কণ্ঠা ও অবসাদ দূরে রেখে মুড ভাল রাখতে সাহায্য করে লেবু।

৭। পিএইচ ব্যালান্স: লেবু শরীরের পিএইচ ব্যালান্স সঠিক রাখতে সাহায্য করে। লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড মেটাবলিজমের পর ক্ষার হিসেবে কাজ করে। ফলে রক্তের পিএইচ ব্যালান্স বজায় থাকে।

৮। শ্বাস- প্রশ্বাস ভাল রাখে: লেবু ফুসফুস পরিষ্কার রাখার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস তাজা রাখে। খাওয়ার পর লেবু পানি দিয়ে মুখ ধুলে ব্যাকটেরিয়া দূর হয়।
৯। লিম্ফ সিস্টেম: গরম পানিতে লেবু দিয়ে খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। শরীরে ফ্লুইডের সঠিক মাত্রা বজায় রেখে কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্লান্তি, রক্তচাপজনিত সমস্যা দূরে রাখে। ঘুম ভাল হয়।

১০। ওজন কমায়: সব শেষে আসি ওজনের কথায়। লেবুতে থাকা পেকটিন ফাইবার খিদে কমাতে সাহায্য করে। সকালে উঠে লেবু দিয়ে গরম পানি খান। সারা দিন কোন খাবার খাবেন, কোনটা খাবেন না তা বেছে নিতে সাহায্য করে লেবু পানি।

প্রতিদিন কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা...
১। হজমে সাহায্য করে।
২। রক্তশুন্যতা দূর করে।
৩। জর নিরাময় করে।
৪। ক্যান্সার এর ঝুকি কমায়।
৫। এসিডিটি কমায়।
৬। চোখের যত্নে।
৭। দাতের ও হাড়ের সুরক্ষা।
৮। অনিন্দ্রার সমস্যা দূর করে।
৯। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্ট্ররেল কমায়।
১০। ইনফেকশন হতে বাধা প্রদান করে।
১১। কাজে মনোযোগ বাড়ায়।

আপনার শরীর আর মন সবচেয়ে সুস্থ রাখতে আপনার প্রয়োজন বয়স অনুযায়ী ঘুম, খাওয়া, ব্যয়াম, পরিশ্রম। তবে আপনি যদি প্রতিদিন ফজরের নামায আদায় করে শারীরীক ও মানসিক ব্যায়াম করেন তারপর গোসল করেন... তাহলে দেখবেন যে, প্রতিদিনের চেয়েও এই দিনটি আপনার অনেক ভালো কাটবে, মাইন্ড অনেক ভালো কাজ করবে... সহজে দৈনন্দিন কাজে মনোনিবেশ করতে পারবেন। দিন শেষে দেখবেন আপনার অনেক ভালো লাগছে।

পানি পান করার জন্য কার্যকারীতা সময় গুলো হলো...
১। ঘুম থেকে উঠার পর ২ গ্লাস, শরীর কে চালু করার জন্য ।
২। খাওয়ার আগে ১ গ্লাস, হজম শক্তি ভালো হওয়ার জন্য।
৩। গোসলের আগে ১ গ্লাস, ব্লাড প্রেসার কমানোর জন্য।
৪। ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস, স্ট্রোক এবং হার্ট এটাক হওয়ার সম্ভাবনা কমানোর জন্য।

পরীক্ষায় সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট করার উপায়সমূহ...
এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি পড়ুয়া মেধাবী হয়ে উঠবেন ইনশাআল্লাহ...
১। মোবাইল বা অন্য কোনো কিছু সময় অপচয়কারী বস্তুর সাথে যুক্ত না থাকা।
২। প্রশ্নের উত্তর তাড়াহুড়ো করে না দেওয়া।
৩। অতিরিক্ত চাপ না নেওয়া।
৪। পড়ার টেবিলে বসে ফাকি না দেওয়া।
৫। সবসময় রেজাল্ট কি হবে হবে এমন চিন্তা না করা।
৬। যে সাব্জেক্ট দুর্বল সেই সাব্জেক্ট একেবারে বাদ দেওয়া যাবে না।
৭। নিজেকে অতিরিক্ত মেধাবী মনে না করা।
৮। ছোট খাটো বিষয়ে বড় ভাইদের বা অন্য কাউকে বিরক্ত না করা।
৯। বার বার প্র্যাকটিস করা।
১০। পড়ার নিয়মিত রুটিন থাকা।

এই গরমের দিনে যদি বেশি অসস্থি লাগে তাহলে ওরস্যালাইন এন খাওয়া উচিত।

মিষ্টি আলু, টমেটো, কলা, টক দই, গাজর ইত্যাদি হার্ট অনেক ভালো রাখে।

ধরূন আপনি খারাপ ছিলেন, কিন্তু এমন কিছুর কারণে আপনি খারাপ কাজ ছেড়ে দিয়ে ভালো কাজ করেছেন । এটাই শিক্ষা।

আঙ্গুর ভুলে যাওয়া রোগ নিরাময় করে।

বৃদ্ধ দেরকে সবসময় খুশি রাখা উচিত।

এই গরমের দিনে প্রায় প্রতিদিন শষা, তরমুজ ইত্যাদি খাওয়া উচিত। যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

বাবা মানে... ভয় কিসের আমি তো আছি সাথে।

ডাবের জল কিডনির ক্ষ্মতা বাড়ায়।

friends how are you?

কচুর লতি হাড়ের গঠন মজবুত রাখে।

সময় সর্বদা ভাল যাবে এরকম ভেবো না।।।কখনো ভাল যাবে কখনোবা খারাপ।।। তাইবলে হতাশ হয়ে হাল ছাড়লে চলবে না।।।আধারের মাঝেও আশার আলো খুজো।।তুমিই একদিন সফল হবে।।

মুখমন্ডলে কোন দাগ থাকলে তা সহযেই দূর করা যায় লেবুর রস ব্যবহার করে।

সবার থেকেই কিছু না কিছু শিখার থাকে , তাই কাউকে ছোট করা উচিত না।

তুমি যার থেকে একটি অক্ষর হলেও শিখেছো,,,সেও তোমার একজন শিক্ষক।।। তার সম্মান দিতে কখনো ভুল করিও না।।।নইলে তোমার জ্ঞান কনো কাজেই আসবে না।।।

প্রায় সময় দেখবেন খুব মাথাব্যাথা করে, তখন লাল চা সাথে আদা, লং দিয়ে খাওয়া উচিত। ইনশাআল্লাহ মাথাব্যাথা কমে যাবে।

শিক্ষাক্ষেত্রে হেরে গেলে হাল ছেড়ে দিয়োনা পুনরায় চেস্টা করো এবং আগের থেকে ভালো ভাবে।

কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের চেয়ে
২৮,০০০ গুণ বেশি।

কচুর লতি তক ও চুল ভালো রাখে।

Subject: Principal of Software Engineering
1. SRS full form?

গরমে সুস্থ থাকতে প্রতিদিন খান তরমুজ। তরমুজে থাকা ভিটামিন এ ও সি শরীরে পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি পানির জোগানও দেয়।

12-Sep-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3640 জন)
প্রশ্নঃ তিনি ছিলেন একজন ওলন্দাজ-অস্ট্রেলীয় সামরিক কমান্ডো অফিসার। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী যিনি এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। আলোচ্য ব্যক্তিটির নাম কি?
(A) হ্যারল্ড উইলসন
(B) উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড
(C) এডওয়ার্ড হীথ
17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3495 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3471 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ