About S A Farhan

‘ভ্যালেন্টাইন'স ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’ এর আদ্যোপান্ত

১৪ই ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী পালিত হয় ভ্যালেন্টাইন'স ডে (Valentine's Day) বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স ডে। আমাদের দেশে অবশ্য এটি ‘ভালোবাসা দিবস’ নামেই বেশি পরিচিত ও সমাদৃত। তবে বলে রাখা প্রয়োজন, পাশ্চাত্যে উদ্ভূত এই দিনটি কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ দেশে সরকারি ছুটির দিন নয়।

দিনটিকে কেউ কেউ শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক, কেউ আবার ধর্মীয়, কেউ বা আবার নিছক বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত অনুষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দিলেও এর শুরুর ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়, এই দিনটির সাথে জড়িয়ে রয়েছে মানবতা, ত্যাগ আর ভালোবাসা।

কবে থেকে এবং কী কারণে দিনটি পালিত হয়ে আসছে তা নিয়ে বেশ কয়েকটি গল্প শুনতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বহুল চর্চিত গল্পটি থেকে জানা যায়, ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স (Valentinus) নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচারের অভিযোগে তৎকালীন রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্ল্যাডিয়াস তাকে বন্দী করেন, কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় ভ্যালেন্টাইন'স জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স এর জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। আর তখনই তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে সম্রাট তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। যে দিনটিতে ভ্যালেন্টাইন'সকে হত্যা করা হয়, সেটি ছিল ১৪ই ফেব্রুয়ারি। এরপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেন্টাইন'স এর আত্মত্যাগ ও ভালোবাসার স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন'স ডে ঘোষণা করেন। [১]

অন্য একটি গল্প থেকে জানা যায়, তৎকালিন সময়ে সৈনিকদের জন্য বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল। কারণ, সম্রাট ক্ল্যাডিয়াস মনে করতেন বিবাহিত সৈনিক হলো বাজে সৈনিক। কিন্তু সম্রাটের এই ধারণা ও নিষেধাজ্ঞাকে নিদারুণ অন্যায় মনে করতেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন'স। তাইতো তিনি গোপনে কতিপয় সৈনিকের বিবাহ সম্পন্ন করান। এতেই ক্ষেপে যান ক্ল্যাডিয়াস। ভ্যালেন্টাইন'সকে নিক্ষিপ্ত করা হয় কারাগারে, ঘোষণা করা হয় মৃত্যুদণ্ডের। কিন্তু এতেই ক্ষান্ত হননি উদার মনের প্রেমময় ভ্যালেন্টাইন'স। তিনি তখন কারারক্ষীর মেয়ের প্রেমে পড়েন। ফলশ্রুতিতে শীঘ্রই কার্যকর করা হয় তার মৃত্যুদণ্ড। আর মৃত্যুর আগে ভ্যালেন্টাইন'স তার প্রেমিকার উদ্দেশ্যে একটি চিঠিতে লিখে যান, “তোমার ভ্যালেন্টাইনের পক্ষ থেকে” (From Your Valentine)। [৩]

ভ্যালেন্টাইন'স ডে পালিত হয় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এ দিনে মানুষ তার প্রিয়জনকে ভালোবাসা-মিশ্রিত বাক্যে লেখা কার্ড (Valentines Card), ফুল ও চকলেট দেয়। অবশ্য পাশ্চাত্যে নানা পন্থায় দিনটি পালিত হয়। কোনো কোনো দেশে বালকেরা একটি বাক্স থেকে অসংখ্য বালিকাদের নাম থেকে একটি নাম তুলে নেয় এবং তাকেই প্রেমিকা হিসেবে গ্রহন করে ও বিয়ে করে। [৩]
আবার ইউরোপের কিছু দেশে ভ্যালেন্টান’স ডে পালনের পন্থাও বেশ মজার। সেখানে ভালোবাসার মানুষটিকে একটি চাবি (Key) উপহার দেওয়া হয়, যাতে করে সেই চাবি দিয়ে সে তার প্রিয়জনের মনের তালা খুলতে পারে। [২]

তবে বিশ্বের সব দেশেই আবার দিনটিকে সমাদর করা হয়, তা কিন্তু নয়। এই দিনটিতে গির্জা অভ্যন্তরেই মদ্যপানের অভিযোগে ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেন্টাইন'স ডে নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানে (২০১৭ সালে) ইসলামবিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন'স উৎসব নিষিদ্ধ করে সেদেশের আদালত। [২]
কে নিষিদ্ধ করলো আর কে করলো না, তাতে কিন্তু থেমে নেই এই উৎসব। পাশ্চাত্যের অধিকাংশ দেশেই দিবসটি উপলক্ষ্যেই ব্যাপক আয়োজনের খবর পাওয়া যায়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য শুভেচ্ছা কার্ড, ফুল, চকোলেট ও অন্যান্য উপহারসামগ্রী ক্রয় করে এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়। [৩]

অন্যদিকে আমেরিকায় এ উৎসবের খরচের কথা শুনলে আপনি অবাক না হয়ে পারবেন না। দিনটি পালনে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে দেশটি। বর্তমান সময়ে একজন আমেরিকান ভ্যালেন্টাইন'স ডে পালনের জন্য গড়ে ১৯৬.৩১ ডলার খরচ করে। আমেরিকার জাতীয় খুচরা বিক্রয় সংস্থার (National Retail Federation) দেওয়া হিসাব মতে, এ বছর উৎসবটি উপলক্ষ্যে বিক্রয়ের পরিমাণ আনুমানিক ২৭.৪ বিলিয়ন ধরা হয়েছে। [৪]

তথ্যসুত্র:

১. উইকিপিডিয়া বাংলা (http://bit.ly/2Soy2Ao) /> ২. উইকিপিডিয়া (http://bit.ly/2Soy2Ao)
৩. বিবিসি (
http://bit.ly/2Soy2Ao)
৪. ইউএসএ টুডে (
http://bit.ly/2Soy2Ao)

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা আপনার আমার জীবনকে বদলে দেবে-
.
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন
যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের
গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
.
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর
পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া
পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন
না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার পা পায়জামা বসে ডান পা আগে
পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে
কথা বলবেন না ।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো
কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান
খারাপ কিছু বের করে দেবে!
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন
সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা
সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন
কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে
আপনার!
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা
পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায়
করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্
পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো
মতো আপ্যায়ন করুন ।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও
ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ
পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার
আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ
ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
.
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই
উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার
তাওফীক দান করুক। (আমীন).......

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা আপনার আমার জীবনকে বদলে দেবে-
.
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন
যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের
গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
.
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর
পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া
পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন
না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার পা পায়জামা বসে ডান পা আগে
পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে
কথা বলবেন না ।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো
কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান
খারাপ কিছু বের করে দেবে!
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন
সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা
সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন
কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে
আপনার!
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা
পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায়
করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্
পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো
মতো আপ্যায়ন করুন ।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও
ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ
পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার
আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ
ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
.
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই
উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার
তাওফীক দান করুক। (আমীন).......

হাত দিয়ে খাওয়ার বিস্ময়কর ৫টি উপকারিতা!

উন্নত বিশ্ব তথা ইউরোপের মানুষ হাত দিয়ে না খেয়ে চামুচ দিয়ে খাবার খান। তবে আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য এবং এশিয়ার বেশিরভাগ মানুষ ছুরি ও চামচের পরিবর্তে হাত দিয়ে খান। আপনি হয়ত শুনে অবাক হবেন যে, হাত দিয়ে খাওয়ার উপকারিতা অনেক। কারণ, খাওয়া একটি ইন্দ্রিয়গত ও মনোযোগী প্রক্রিয়া।

দৃষ্টি, গন্ধ, শব্দ, স্বাদ এবং স্পর্শ এর মত আপনার অনুভূতিগুলো ব্যবহার হয় বলে সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটি পরিপূর্ণতা পায়। হাত দিয়ে খেলে শরীর, মন ও আত্মার মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। এ কারণেই পশ্চিমা দেশগুলোর অনেক রেস্টুরেন্টে হাত দিয়ে খাওয়াকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আসুন জেনে নিই হাত দিয়ে খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি-

১. খাওয়াকে অনুভূতিময় অভিজ্ঞতায় পরিণত করেঃ
আয়ুর্বেদ মতে, প্রতিটা আঙ্গুলেরই ৫টি উপাদানের সাথে সংযোগ থাকে যেমন- বৃদ্ধাঙ্গুলি স্থানের সাথে, তর্জনী বাতাসের সাথে, মধ্যমা আগুনের সাথে, অনামিকা পানির সাথে এবং কনিষ্ঠা মাটির সাথে সম্পর্কিত থাকে। হাত দিয়ে খাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটিতে এই ৫ টি উপাদান উদ্দীপিত হয় এবং আপনাকে খাবারের থেকে শক্তি পেতে সাহায্য করে। অনুভূতি অঙ্গগুলো আরো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই ৫ টি অনুভূতি উদ্দীপিত হলে তা আপনাকে খাদ্যের স্বাদ, গন্ধ ও গঠনের বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হতে সাহায্য করে।

২. হজমের উন্নতিঃ
আপনার হাতের তালু ও আঙ্গুলে ভালো ও খারাপ উভয় ধরনের ব্যাকটেরিয়াই থাকে। ভালো ব্যাকটেরিয়া পরিবেশের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে আপনাকে সুরক্ষা দেয়। চামচ দিয়ে খাওয়ার সময় এই ব্যাকটেরিয়াগুলো আপনার অন্ত্রে প্রবেশ করে না। তাছাড়া আপনি যখন হাত দিয়ে খাবার স্পর্শ করবেন তখন মস্তিস্কে বার্তা পৌঁছায় পরিপাক রস ও এনজাইম নিঃসৃত করার জন্য। খাবারের ধরনের উপর নির্ভর করে  আপনার বিপাক পরিচালিত হয় এবং সে অনুযায়ী কাজ করে, যা ভালোভাবে হজমের জন্য প্রয়োজনীয়। সুস্থ দেহ ও মনের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিপাক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৩. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়ঃ
চামচ দিয়ে খেলে খাওয়া সহজ ও দ্রুত হয়। কিন্তু এর ফলে রক্তের চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায় বলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ও বৃদ্ধি পায়। ২০১২ সালে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ এন্ডোক্রাইনোলজিতে প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, যারা দ্রুত খান তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি যারা আস্তে খান তাদের তুলনায় আড়াই গুণ বেশি। তাই বলা যায় যে দ্রুত খাওয়া ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে, এই সমস্যাটি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য হাতে খাওয়া শুরু করতে পারেন। হাতে খেলে সময় লাগে এবং অল্প খাবার মুখে পোরা হয়। ধীরে খাওয়া হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে এবং আপনাকে পেট ভরার অনুভূতি দেয়, ফলে কম খাবার খাওয়া হয়।

৪. মনোযোগ দিয়ে খাওয়া হয়ঃ
চামচ দিয়ে খাওয়া একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং তাই আপনি কী খাচ্ছেন ও কতটুকু খাচ্ছেন সে বিষয়ে আপনাকে সচেতন করে না। চামচ দিয়ে খাওয়ার সময় আপনি অন্য কাজও করতে পারেন যেমন- টিভি দেখা, মোবাইল চেক করা বা পেপার পড়া ইত্যাদি। খাওয়ায় পরিপূর্ণ মনোযোগ না দিলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। অমনোযোগী হয়ে খাওয়াই ওজন বৃদ্ধির বড় কারণ। হাত দিয়ে খেলে অন্য কাজ করাটা কঠিন।

৫. বেশি স্বাস্থ্যকরঃ

হাত দিয়ে খাওয়াকে অনেকেই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস মনে করেন। কিন্তু আসল ঘটনা সম্পূর্ণ বিপরীত। যারা হাত দিয়ে খান তারা প্রতিবেলায় খাওয়ার সময় হাত ধুয়ে নেন। তাই হাত দিয়ে খাওয়া অনেকবেশি স্বাস্থ্যকর।

হাত দিয়ে খাওয়ার বিস্ময়কর ৫টি উপকারিতা!

উন্নত বিশ্ব তথা ইউরোপের মানুষ হাত দিয়ে না খেয়ে চামুচ দিয়ে খাবার খান। তবে আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য এবং এশিয়ার বেশিরভাগ মানুষ ছুরি ও চামচের পরিবর্তে হাত দিয়ে খান। আপনি হয়ত শুনে অবাক হবেন যে, হাত দিয়ে খাওয়ার উপকারিতা অনেক। কারণ, খাওয়া একটি ইন্দ্রিয়গত ও মনোযোগী প্রক্রিয়া।

দৃষ্টি, গন্ধ, শব্দ, স্বাদ এবং স্পর্শ এর মত আপনার অনুভূতিগুলো ব্যবহার হয় বলে সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটি পরিপূর্ণতা পায়। হাত দিয়ে খেলে শরীর, মন ও আত্মার মধ্যে সংযোগ স্থাপিত হয়। এ কারণেই পশ্চিমা দেশগুলোর অনেক রেস্টুরেন্টে হাত দিয়ে খাওয়াকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আসুন জেনে নিই হাত দিয়ে খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি-

১. খাওয়াকে অনুভূতিময় অভিজ্ঞতায় পরিণত করেঃ
আয়ুর্বেদ মতে, প্রতিটা আঙ্গুলেরই ৫টি উপাদানের সাথে সংযোগ থাকে যেমন- বৃদ্ধাঙ্গুলি স্থানের সাথে, তর্জনী বাতাসের সাথে, মধ্যমা আগুনের সাথে, অনামিকা পানির সাথে এবং কনিষ্ঠা মাটির সাথে সম্পর্কিত থাকে। হাত দিয়ে খাওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটিতে এই ৫ টি উপাদান উদ্দীপিত হয় এবং আপনাকে খাবারের থেকে শক্তি পেতে সাহায্য করে। অনুভূতি অঙ্গগুলো আরো বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই ৫ টি অনুভূতি উদ্দীপিত হলে তা আপনাকে খাদ্যের স্বাদ, গন্ধ ও গঠনের বিষয়ে আরো বেশি সচেতন হতে সাহায্য করে।

২. হজমের উন্নতিঃ
আপনার হাতের তালু ও আঙ্গুলে ভালো ও খারাপ উভয় ধরনের ব্যাকটেরিয়াই থাকে। ভালো ব্যাকটেরিয়া পরিবেশের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে আপনাকে সুরক্ষা দেয়। চামচ দিয়ে খাওয়ার সময় এই ব্যাকটেরিয়াগুলো আপনার অন্ত্রে প্রবেশ করে না। তাছাড়া আপনি যখন হাত দিয়ে খাবার স্পর্শ করবেন তখন মস্তিস্কে বার্তা পৌঁছায় পরিপাক রস ও এনজাইম নিঃসৃত করার জন্য। খাবারের ধরনের উপর নির্ভর করে  আপনার বিপাক পরিচালিত হয় এবং সে অনুযায়ী কাজ করে, যা ভালোভাবে হজমের জন্য প্রয়োজনীয়। সুস্থ দেহ ও মনের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিপাক প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৩. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়ঃ
চামচ দিয়ে খেলে খাওয়া সহজ ও দ্রুত হয়। কিন্তু এর ফলে রক্তের চিনির মাত্রা বৃদ্ধি পায় বলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ও বৃদ্ধি পায়। ২০১২ সালে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অফ এন্ডোক্রাইনোলজিতে প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে, যারা দ্রুত খান তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি যারা আস্তে খান তাদের তুলনায় আড়াই গুণ বেশি। তাই বলা যায় যে দ্রুত খাওয়া ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে, এই সমস্যাটি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য হাতে খাওয়া শুরু করতে পারেন। হাতে খেলে সময় লাগে এবং অল্প খাবার মুখে পোরা হয়। ধীরে খাওয়া হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে এবং আপনাকে পেট ভরার অনুভূতি দেয়, ফলে কম খাবার খাওয়া হয়।

৪. মনোযোগ দিয়ে খাওয়া হয়ঃ
চামচ দিয়ে খাওয়া একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং তাই আপনি কী খাচ্ছেন ও কতটুকু খাচ্ছেন সে বিষয়ে আপনাকে সচেতন করে না। চামচ দিয়ে খাওয়ার সময় আপনি অন্য কাজও করতে পারেন যেমন- টিভি দেখা, মোবাইল চেক করা বা পেপার পড়া ইত্যাদি। খাওয়ায় পরিপূর্ণ মনোযোগ না দিলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। অমনোযোগী হয়ে খাওয়াই ওজন বৃদ্ধির বড় কারণ। হাত দিয়ে খেলে অন্য কাজ করাটা কঠিন।

৫. বেশি স্বাস্থ্যকরঃ

হাত দিয়ে খাওয়াকে অনেকেই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস মনে করেন। কিন্তু আসল ঘটনা সম্পূর্ণ বিপরীত। যারা হাত দিয়ে খান তারা প্রতিবেলায় খাওয়ার সময় হাত ধুয়ে নেন। তাই হাত দিয়ে খাওয়া অনেকবেশি স্বাস্থ্যকর।

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা আপনার আমার জীবনকে বদলে দেবে-
.
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন
যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের
গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
.
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর
পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত
থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া
পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন
না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাঝবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার পা পায়জামা বসে ডান পা আগে
পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে
কথা বলবেন না ।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো
কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান
খারাপ কিছু বের করে দেবে!
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকুলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন
সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা
সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন
কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে
আপনার!
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা
পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায়
করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্
পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো
মতো আপ্যায়ন করুন ।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও
ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।
আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ
পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার
আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ
ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
.
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে এই
উপদেশ মূলক বাণী গুলো মেনে চলার
তাওফীক দান করুক। (আমীন).......

★শত্রু সব সময়ই শত্রু,তাকে আপন ভেবে কখনোই ভুল করবেন না।কেননা সুযোগ পেলেই সে ফোঁস করে উঠবে।

★মা কে তার স্থানে,বোন কে তার স্থানে,স্ত্রীকে তার স্থানে,বন্ধুকে তার স্থানে মর্যাদা দিন।তা হলে আপনিও মর্যাদা পাবেন।

★আপন মানুষ কে কখনও পর করে দিবেন না। কারন আপনার বিপদে আপনার আপনজনই এগিয়ে আসবে।

★আপনি সুস্থ সবল বলে ভাববেন না যে, সব সময় সুস্থ সবল থাকবেন। মনে রাখবেন আপনি যখন তখন বিপদগ্রস্ত হতে পারেন।

★ অন্যের দুর্বলতা নিয়ে কখনও উপহাস করবেন না। বরং তাহাকে সাহায্য করার চেষ্টা করবেন।নচেৎ কারও কাছে আপনিও উপহাসের পাত্র হবেন।

★পরকে আপন করতে চাইলে,আগে নিজের পরিবার কে ভালবাসতে শিখুন। কারন যে নিজের পরিবারকে ভালবাসতে জানেনা, সে কখনই পরকে আপন করতে সক্ষম হয় না।

★জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বার বার ভেবে সিদ্ধান্ত নিন বা বড়দের পরামর্শ নিন। হুট করে কোন পথে পা দিবেন না। তাহলে তার মাশুল সারাটি জীবন ধরে দিয়েও শেষ হবে না।

★যতদূর সম্ভব ক্রোধ কে পরিহার করুন বা দমন করুন। কেননা ক্রোধের কারনেই আমরা অনেক মূল্যবান কিছু হারিয়ে ফেলি।

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা,
আমরা তোমাদের ভুলব না.....❤❤

1 . must you go? = তুমি কি অবশ্যই গিয়েছ?
2 . must you come ? = তুমি কি অবশ্যই এসেছ?
3 . must you take ? = তুমি কি অবশ্যই নিয়েছ?
4 . must you give ? = তুমি কি অবশ্যই দিয়েছ?
5 . must you bring ? = তুমি কি অবশ্যই এনেছ?
6 . must you send ? = তুমি কি অবশ্যই পাঠাইয়াছ?
7 . must you see ? = তুমি কি অবশ্যই দেখেছ?
8 . must you hear? = তুমি কি অবশ্যই শোনেছ?
9 . must you speak ? = তুমি কি অবশ্যই কথা বলেছ?
10 . must you say ? = তুমি কি অবশ্যই বলেছ?
11 . must you get ? = তুমি কি অবশ্যই পেয়েছ?
12 . must you know ? = তুমি কি অবশ্যই চিনেছ?
13 . must you inform? = তুমি কি অবশ্যই জানিয়েছ?
14 . must you notice? = তুমি কি অবশ্যই লক্ষ করেছ?
15 . must you buy ? = তুমি কি অবশ্যই কিনেছ?

মাস্টার্স পাশ করা ২৬, ২৭ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়।

কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় লক্ষ টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে?

হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা!

অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয়?

ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না। টাকা গুলো সঞ্চয় হতো।

চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না। না পারছে তারা উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে পাড়া-পড়শির খোটা সহ্য করতে। শুধু এক বুক নিঃশ্বাস ফেলে আফসোস করছে- এ দেশে জন্ম নেয়ার জন্য।

আমাদের অবস্থা আজ এমন দাঁড়িয়েছে যে, যেন গাধার দিকে তাকালে দেখতে পাই নিজের প্রতিচ্ছবি।

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কেন?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি।

এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া.

কানাডার মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ।

বিশ্বের একাধিক গবেষণা রিপোর্ট অনুযায়ী, গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। চিকিৎসকদের মতে, গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিত।

সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।

# গোসলের সঠিক নিয়মঃ-

প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিত।

এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।

এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় পরিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন।

মানবদেহ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ

১। হাড় সংখ্যা - ২০৬
২। পেশী সংখ্যা - ৬৩৯
৩। কিডনি সংখ্যা - ২
৪। দুধ দাঁতের সংখ্যা - ২০
৫। পাঁজড় সংখ্যা - ২৪ (১২ জোড়া)
৬। হৃদয়ের চেম্বার সংখ্যা - ৪
৭। স্বাভাবিক রক্তচাপ - ১২০/৮০
৮। রক্তের PH - ৭.৪
৯। মেরুদন্ড মেরুদন্ডের সংখ্যা - ৩৩
১০। নেক মধ্যে Vertebrae সংখ্যা - ৭ টি
১১। মাঝারি কানের হাড়ের সংখ্যা - ৬
১২। মুখে হাড় সংখ্যা - ১৪
১৩। স্কাল মধ্যে হাড় সংখ্যা - ২২
১৪। বুকে হাড় সংখ্যা - ২৫
১৫। অস্ত্র হাড় সংখ্যা - ৬
১৬। মানুষের প্রতিটি কানের ভিতরে ৩টি করে হাড় থাকে। এগুলোর নাম হলঃ ম্যালিয়াস, ইনকাস, স্টেপিস (কানের বাহির থেকে ভিতরের দিকে সিরিয়াল অনুযায়ী। মনে রাখার সূত্র: MIS।)
২ কানে মোট ৬ টি হাড় থাকে। এগুলোর মধ্যে স্টেপিস হল মানব দেহের ক্ষুদ্রতম হাড়।
১৭। মানুষের বাহুতে পেশীর সংখ্যা - ৭২
১৮। হৃদয়ের পাম্প সংখ্যা - ২
১৯। বৃহত্তম অঙ্গ - চামড়া
২০। বৃহত্তম গ্রান্তি - লিভার
২১। ছোট কোষ - রক্তের কোষ
২২। বৃহত্তম কোষ - ডিম সেল (ডিম্ব)
২৩। ছোট হাড় - স্ট্যাপ
২৪। সর্বাধিক ধমনী - বারোটাবারোটা
২৫। আমাদের দেহের রক্তে একটি সমুদ্রের সম পরিমাণ লবন রয়েছে।
২৬। দৈনিক আমাদের হৃদপিণ্ড ১০০বার করে আমাদের দেহে রক্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে প্রবাহিত করে।
২৭। আমাদের চোখের একটি পাপড়ি ১৫০ দিন বেঁচে থাকে। এর পর নিজে থেকেই ঝড়ে পড়ে।
২৮। আমাদের চোখের ওপর ভ্রুতে তে ৫০০ টি লোম আছে।
২৯। ১০০ বিলিয়ন এর অদিক নার্ভ সেল নিয়ে আমাদের দেহ গঠিত।
৩০। মানুষ চোখ খুলে হাঁচি দিতে পারেনা।
৩১। পাথর থেকে মানুষের দেহের হাড় ৪ গুণ বেশি শক্তিশালী।
৩২। আমরা যখন খাবার খাই আমাদের মুখে সে খাবারের স্বাদ ১০ দিন পর্যন্ত থাকে।
৩৩। মানুষ হাঁটুর ক্যাপ ছাড়া জন্মগ্রহণ করে এবং তা ২ থেকে ৬ বছর পর্যন্ত দেখা যায়না।
৩৪। মানব শিশু বসন্ত কালে দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩৫। আমাদের চোখ সবসময় একই রকম থাকে কিন্তু কান ও নাক বৃদ্ধি পাওয়া কখনোই থেমে থাকেনা।
৩৬। আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে।
৩৬। আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন হাড় দিয়ে তৈরি।
৩৮। আমাদের হাতের নখে যেই পদার্থ আছে ঠিক সেই পদার্থ দিয়ে আমাদের চুল তৈরি হয়ে থাকে, ফলে হাত এবং চুল উভয়ই একই জিনিস তবে দুইটির ঘনত্ব আলাদা।
৩৯। অবাক হবেন না, আমরা যখন হাঁচি দেই তখন আমাদের শরীরের ভিতর সমস্ত ধরণের কাজ বন্ধ হয়ে যায় এমনকি হার্টবীটও থেমে যায়।
৪০। মানুষের দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি হচ্ছে জিহ্বা।
৪১। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন ৬ বার বাথরুমে যায়।
৪২। আমাদের মুখ থেকে পেটে খাদ্য পৌছাতে মাত্র ৭ সেকেন্ড সময় লাগে।
৪৩। প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে শিশুদের মুখে যেকোন খাবারের স্বাদ থাকে বেশি।
৪৪। মানুষ হাঁচি দিলে যে বাতাস বের হয় তা প্রতি ঘণ্টায় ১০০ মাইল গতিতে বাহির হয়।
৪৫।মানব দেহের সবচেয়ে বড় হাড় হল উরুর হাড় (Thighbone)। এর নাম হল ফিমার।
৪৬। আমাদের শরীরের ক্ষুদ্রতম হাড় হল কানের হাড়।
৪৭। রাতের তুলনায় সকালে আমাদের দেহ লম্বা হয় দ্রুত।
৪৮।মুত্র প্রস্তুত হয় কিডনীতে। মুত্র হলুদ দেখায় বিলিরুবিনের জন্য।
৪৯। নার্ভের মাধ্যমে প্রবাহিত আবেগের গতি প্রতি সেকেন্ডে ১২৫ মিটার।
৫০। একজন সুস্থ মানুষের একটি হৃদ কম্পন সম্পূর্ণ হতে কত সময় ০.৪ সেকেন্ড।

26-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 10155+)
প্রশ্নঃ ১৯০০-এর দশকে নির্বাক এবং ১৯৫০-এর দশকে সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন শুরু হয়। চলচ্চিত্রের উৎপত্তি ১৯১০-এর দশকে হলেও এখানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫০-এর দশকেই। “বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে” গানটিতে নিচের কোন শিল্পী কন্ঠ দিয়েছেন?
(A) কুমার বিশ্বজিৎ
(B) এন্ডু কিশোর
(C) খালিদ হাসান মিলু