About Abu Bakkar Siddique

মিলিমিশিতে আই.ডি ভেরিফিকেশনের জন্য আবেদন করলাম।

রসুন নিঃসন্দেহে একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। রসুনের মধ্যে রয়েছে সালফার উপাদান। এই উপাদানটি অ্যালাইসিন নামেও পরিচিত।

এটি প্যাথোজেনেটিক ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, প্যারাসাইট, ছত্রাকের সংক্রমণ, ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়, রসুন প্রায় ১৫০টির মতো দীর্ঘমেয়াদে রোগ কমাতে উপকারী।

রসুন প্রতিরোধ করতে পারে এমন কিছু অসুখের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট কিং ডেমিক।

১. রসুন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

২. এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৩. ভাসকুলার প্রদাহের সঙ্গে লড়াই করে।

৪. শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমাতে কাজ করে।

৫. রসুন হৃদপিণ্ডের পেশি ভালো রাখতে উপকারী। এটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।

৬. আর্টারির কার্যক্রম ভালো রাখে।

যেভাবে রসুন খাবেন

ঘুমানোর আগে দুটি রসুনের কোয়া কুচি করে নিন। কিছুক্ষণ একে রেখে দিন অ্যালাইসিন নামক উপাদানটি উদ্দীপ্ত হওয়ার জন্য। এর পর রসুন কুচিকে পানি দিয়ে গিলে খান।
কাঁচা রসুনের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়েও খেতে পারেন। এ ছাড়া রান্নাতেও ব্যবহার করতে পারেন রসুন।

শুক্রবারে মুভি দেখতে মজাই আলাদা

খুব সুন্দর একটা মুভি (সময় পেলে দেখতে পারেন)

ফুলকপির অসাধারণ ৬ উপকারিতা

ফুলকপি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি যা ক্রুসিফেরি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যাল ও থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে।

১. হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে
ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

২. মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়
ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।

৩. শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে
ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

৪. প্রদাহ কমায়
ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান।এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

৫. হজমের উন্নতি ঘটায়
যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

৬. ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

চাষ করা মাছ খেলে হবে ক্যান্সার

রোগে ভোগের পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি তা যে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে তো ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলি খেলে শরীরের ভেতরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে রয়েছে চাষ করা মাছের নামও। অথচ মাছে-ভাতে বাঙ্গালি এখন যে মাছ খায় তার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি কৃত্রিমভাবে চাষ করা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন ৮টি খাবারের কথা যেগুলো ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়:

১. প্রক্রিয়াজাত মাংস
আমেরিকার ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। আসলে এমন ধরনের খাবারে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ থাকে যেগুলি ‘কারসিনোজেন'। অর্থাৎ এক প্রকার বিষ, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

২. চাষ করা মাছ
বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিকভাবে বড় করা হয়। সেই সঙ্গে চাষের সময় মাছের নানাবিধ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবিদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে নানা ধরনের জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাশক ও অন্যান্য ‘কারসিনোজেনিক' রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফলে এই ধরনের মাছ খেলে শরীরে ওইসব কার্সিনোজেনিক উপাদানের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।

৩. লবন বেশি রয়েছে এমন খাবার এবং স্মোক ফুড
এই ধরনের খাবারে প্রচুর মাত্রায় প্রিজারভেটিভ, যেমন, ‘নাইট্রেইট' থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে শরীরে প্রিজারভেটিভের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে একসময় গিয়ে এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সার রোগের প্রথকে প্রশস্থ করে।

৪. ক্যানড ফুড
টিনজাত খাবারকে দীর্ঘদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়।

৫. আলুর চিপস
‌হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল এ ভাজা এই সব চিপসে প্রচুর মাত্রায় লবণ থাকে, যা ওজন বৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করে। সেই সঙ্গে আরও সব মরণ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৬. মাইক্রোওয়েভ তৈরি পপকর্ন
খাবারটি বানানোর পদ্ধতি, সব কিছুই এতো অবৈজ্ঞানিক যে এমন খাবার খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

৭. পরিশোধিত সাদা আটা
আটাকে যখন পরিশোধিত করা হয় তখন প্রায় তার সব পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করা হয়, যাতে ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় লাগে।

৮. সোডা বা কোল্ড ড্রিঙ্ক
গত দশক ধরে একাদিক গবেষণা হয়েছে এর উপর। সবকটিতেই দেখা গেছে এমন পানীয়তে হাই ফ্রকটোস কর্ন সিরাপ, নানাবিধ কেমিক্যাল এবং ডাই থাকে, যা শরীররে অন্দরে মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি করে। তাই একথা বলা যেতে পারেই যে, এমন ঠান্ডা পানীয় খাওয়া প্রায় বিষ খাওয়ারই সমান।

শরীর থেকে রুহ কিভাবে বের হবে-
❤️নবী করিম (সা:) বলেছেনঃ❤️
“যখন একজন মু'মিন বান্দা মৃত্যু বরণ করার
সময় হয়, তখন ফেরেশতারা জান্নাত থেকে
সুগন্ধি নিয়ে দুনিয়াতে নেমে আসে এবং সেই
মু'মিন বান্দার সামনে বসে।
তারপর মৃত্যুর ফেরেশতা (আজরাঈল) অবতরণ
করে এবং সেই মু'মিন ব্যক্তিকে বলে,"খুশি হও,
আনন্দিত হও ! তোমার সাথে আল্লাহ্ তা'আলার
করা ওয়াদার ব্যাপারে আনন্দিত হও!" তারপর
তিনি (আজরাঈল) রূহকে বেরিয়ে আসতে
বলেন।
তিনি বলেন "হে প্রশান্ত আত্মা!শান্তির
সাথে বেরিয়ে এসো ! তোমাকে আল্লাহ্
সুবহানাহুওয়া তা'আলা যে নি'আমত দিবেন,সে
দিকে বেরিয়ে এসো",
নবী করিম (সা:) বলেন , সেই মু'মিন বান্দার রূহ
তখন এত সহজে বেরিয়ে আসে, ঠিক
যেমনিভাবে পানির জগ উপুড় করলে তা থেকে
পানির ফোঁটা গড়িয়ে পড়ে। দেহ থেকে এই
রূহ যেন অতি সহজে, পিছলে বের হয়ে আসে।
(ইবনে মাজা-৫৩৪)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ভালো কাজ
করার তৌফিক দান করুক। আমিন।

পেটে গ্যাস হওয়া খুব প্রচলিত একটি সমস্যা। এটি অস্বস্তি ও বিব্রতকর। পেটে অস্বস্তি লাগা, পেট ফেঁপে থাকা, জোরে জোরে ঢেঁকুর ওঠা ইত্যাদি হলে বুঝতে হবে পেটে গ্যাস হয়েছে।

গ্যাসের সমস্যা অতিরিক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে। তবে তার আগে কিছু বিষয় মেনে দেখতে পারেন।

পেটে গ্যাস হলে শুয়ে না থেকে বসে থাকবেন। এতে অনেকটা আরামবোধ হয়।
পেটে গ্যাস হলে বেশি করে পানি পান করতে হবে।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে আগে খাবার না খেয়ে অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেতে হবে। সাধারণত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে রাতের খাবার সেরে নেওয়াই ভালো।
পেটে গ্যাস কমাতে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ঝাল মসলা বা তেলে ভাজা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা ভালো। ‌

* জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘বাংলাদেশ লাউঞ্জ’ বরাদ্দ পায় কবে?

(ক) ১৭ মার্চ ২০১৫ (খ) ১৮ মার্চ ২০১৫

(গ) ১৯ মার্চ ২০১৫ (ঘ) ২০ মার্চ ২০১৫

বর্তমানে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত ?
1) 71%
2) 63%
3) 87%
4) 54%

বুকে সর্দি জমে থাকলে অনেক সময় বুকে ব্যথার সৃষ্টি হয়। এর থেকে মুক্তি পেতে একটি সহজ ঘরোয়া পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। ছোট কাপড়ের টুকরো গরম জলের মধ্যে ডুবিয়ে বুকের মধ্যে তা মালিশ করলে অনেক আরাম পাওয়া যায়।

* প্রথম ভারতীয় উপগ্রহের নাম কী ?
1) কলম্বিয়া
2) ভাস্কর
3) আর্যভট্ট
4) রোহিনী

17-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4155+)
প্রশ্নঃ অপচয় কর না, অভাব হবে না। কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক "বাংলাদেশ ব্যাংক" কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। কিন্তু; ৳১, ৳২ এবং ৳৫ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। বাংলাদেশে এক হাজার টাকা মূল্যের নোট কোন সাল থেকে চালু হয়?
(A) ২০০৮
(B) ২০০০
(C) ২০১০