About Abu Bakkar

🖊আদর্শিক দিক থেকে আলিয়া মাদরাসা তিনটি বাতিল ফিরকা তৈরী করে
👉১।মাজার পূজারী
👉২।আহলে হাদিস
👉৩।জামাত শিবির
+++++++++++++++++++++
🖊পক্ষান্তরে কওমি মাদরাসা আদর্শগত ভাবে এক সকলেই

👉আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী।
এটাই কওমির গৌরব।

👉এর পরও যখন দেখি জামাত শিবিরের সুন্নাহ ও সাহাবা বিদ্বেষীরা কওমি ওয়ালাদের কে যখন মাজার পুজারী বলে গালি দেয়।
তখন কিন্তু খুব হাসি পায় কারন এরা এত অধম মাজার পুজারী জন্মায় কোথায় তাও জানে না।

👉আজীবন কওমিরাই মাজার
পূজারীদের বিরুদ্ধে দালিলিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন,

কিছু কিছু নিয়ম তরুণদের ভেঙ্গে ফেলতে হবে...
মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত পরিবারে শুধু নিয়ম রক্ষার স্বার্থে বিয়ের খরচের নামে তার কোমর ভেঙ্গে দেয়া হয় ক্যারিয়ারের শুরুতেই। কেন এক একটা বিয়েতে এত টাকা খরচ? লোক দেখানো? অন্যদের খুশী করার জন্য?
লোণ নিয়ে অথবা এতদিনের সমস্ত সঞ্চয় বিলিয়ে দিয়ে বিয়ের এত আয়োজন কেন? বিয়ের ৩ মাস পর আপনার সংসারের মাসের খরচের টাকা মিটাতে যখন আপনি হিমশিম খান বা খাবেন, তখন ঐ আনন্দের লেশ মাত্র আপনাকে স্পর্শ করবে?
আমি মোটেও বলছি না যে আপনি বিয়েতে খরচ করবেন না। কিন্ত যা হচ্ছে সবার মন রক্ষার্থে, তার তিন ভাগের একভাগ খরচ করেও বিয়েতে আনন্দ করা যায়। বরং ঐ টাকাটা আপনি নিজে বা আপনার বাবা-মাকে বলতে পারেন, বিয়েতে কম খরচ করে ঐ টাকাটা আপনাকে দিতে, যা আপনি আপনার নতুন বিজনেসের মুল্ধন হিসাবে কাজে লাগাতে পারেন। শুরু করতে পারেন নতুন একটা কিছু।
যাদের অনেক টাকা আছে তাদেরকে কিছু বলছি না, তবে আপনিও ভাবতে পারেন, কিছুটা কম খরচ করে বাকী টাকাটা দিয়ে কোন অসহায় মানুষকে একটা ঘর করে দেয়া যায় কিনা বা একটা অসহায় বাবার মেয়েকে বিয়ের খরচ দিয়ে দেন। এটা করে আপনার বিয়েতে ২০০০ লোক খাওয়ানোর চেয়ে বেশী আনন্দ পাবেন।
আপনি হয়ত বলবেন, বিয়ে তো মানুষ জীবনে একবারই করে! এটা মনে রাখার জন্য একটু আড়ম্বর হওয়া দরকার। বিয়ে বা হানিমুন একদিনের কোন বিষয় নয়। জীবনটা সেভাবে সাজানো উচিৎ যাতে সারাজীবন ভালো থাকা যায় ও একসাথে থাকা যায়। জানেন তো সংসারে অভাব থাকলে ভালবাসা জানালা দিয়ে পালায়। এটা আপনি আপনার হবু বউের সাথে ও আলাপ করতে পারেন। সে যদি আপনাকে ভালোবাসে, নিশ্চয়ই একমত হবে।
আপনার ঐ একদিনের আড়ম্বর আপনাকে সারাজীবন ভালো থাকা থেকে বঞ্চিত করতে পারে। বিয়েতে কম খরচ করে ওটাকে আপনার বিজনেসের জন্য প্রাথমিক মুল্ধন হিসাবে নিয়ে, নিজের কিছু একটা শুরু করুন।

লোভ কী জিনিস............।

এক ছাত্র একবার তার শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করল, লোভ কী জিনিস?

সেই শিক্ষক ছিলেন প্রাজ্ঞ ব্যক্তি। তিনি তার ছাত্রের এই প্রশ্ন শুনে চিন্তা করলেন যদি তিনি তার ছাত্রটিকে লোভের সংজ্ঞা বলে দেন তাহলে সে কখনোই বুঝতে পারবে না প্রকৃত অর্থে লোভ কী জিনিস। তিনি ভাবলেন তার এই ছাত্রটিকে উপলব্ধি করাতে হবে লোভ কী জিনিস।

তিনি তার ছাত্রকে বললেন, তোমাকে আমি তোমার প্রশ্নের উত্তর দিব, কিন্তু তার আগে তোমাকে আমাদের স্কুলের পাশের ফ্যাক্টরিতে গিয়ে তোমার পছন্দমত একটা চকলেট নিয়ে আসতে হবে। তারপর আমি তোমাকে বলব লোভ কী জিনিস। তবে তোমাকে একটা শর্ত মানতে হবে, তুমি যখন চকলেট ফ্যাক্টরি দিয়ে হাঁটবে, কখনও পিছনে ফিরে তাকাতে পারবে না। তোমাকে সামনে আগানোর সময়ই তোমার পছন্দমত একটা চকলেট তুলে নিতে হবে।

এরপর শিক্ষকের কথামত সেই ছাত্রটি চকলেট ফ্যাক্টরিতে গেল। সে আগানোর সময় লক্ষ্য করল সুন্দর করে প্যাকেটে মোড়ানো একটা চকলেট তার সামনে পড়ে আছে। তার চকলেটটা খুব পছন্দ হল কিন্তু সে মনে মনে ভাবল সে হয়ত সামনে এর চেয়েও বড়, এর চেয়েও সুন্দর একটা চকলেট পাবে। এই কথা ভেবে আবার সে সামনে আগাতে থাকল। কিছুদূর যাওয়ার পর সে আরেকটা চকলেট পড়ে থাকতে দেখল। কিন্তু তার আবারও একই কথা মনে হল, আরো ভালো কিছু হয়ত সামনে অপেক্ষা করছে।

একসময় সে যখন চকলেট ফ্যাক্টরির একেবারে শেষপ্রান্তে পৌঁছে গেল সে দেখল সে আগে যে চকলেট ফেলে এসেছে তার চেয়ে বড় কোনো চকলেট আর পড়ে নেই। একটা চকলেটও তার পছন্দ হল না। সে আফসোস করতে শুরু করল কেন সে আগেই পছন্দমত চকলেট তুলে নেয়নি।

অবশেষে সে খুব হতাশ হয়ে, বিষণ্ণ হয়ে ফ্যাক্টরি থেকে বেরিয়ে আসল। সে তার শিক্ষকের সামনে একেবারে খালি হাতে গিয়ে হাজির হল। চকলেট ফ্যাক্টরির পুরো ঘটনা সে তার শিক্ষককে খুলে বলল।
তখন সেই শিক্ষক তাকে বললেন, প্রথমেই একটা চকলেট তুমি খুব পছন্দ করেছিলে কিন্তু তার চেয়েও বড় চকলেট পাওয়ার আশায় তুমি সেটা নাওনি। এবং পরবর্তীতে বুঝতে পেরেছ যে তুমি যেটা হাতছাড়া করেছ সেটাই ছিল সেখানে তোমার দেখা সেরা জিনিস। তুমি যে জানতে চেয়েছিলে লোভ কী জিনিস, এটাই হল সেই লোভ।

* * *

আমরা জীবনে অনেক ভাল জিনিসকে উপেক্ষা করি শুধুমাত্র এই কারণে যে আমরা মনে করি এর চেয়েও বেশি ভাল জিনিস হয়ত আমরা পাব। আমাদের প্রবৃত্তি এমন যে আমরা সবসময় ভালোর চেয়েও ভাল জিনিস চাই। কিন্তু সেই ভালোর চেয়েও ভাল জিনিসের আশায় আমরা এমন জিনিস ছেড়ে দেই যেগুলি আমাদেরকে একইরকম ভাবে সন্তুষ্ট করতে পারত ও একইরকম সুখী করতে পারত।

কোনো জিনিস পাওয়ার তাড়না থাকা বা সেটা পাওয়ার চেষ্টা করা ভালো জিনিস। কিন্তু কোনো জিনিস পাওয়ার পরও তৃপ্ত না হওয়া ও স্বস্তিতে না থাকতে পারাটাই লোভ। আমাদের চাহিদা যেন লোভে পর্যবসিত না হয় আমাদেরকে সেই বোধ অর্জন করতে হবে।

না দেখেই বিয়ে:
অতঃপর বাসরঘরে যা দেখলেন যুবক।

যুবতীর গুণের প্রশংসা শুনে তার প্রতি মুগ্ধ হয়ে না দেখেই বিয়ে করেন এক যুবক।
স্ত্রীকে বাসর ঘরে গিয়েই প্রথম দেখেন।
কিন্তু স্ত্রীর ঘোমটা খুলতেই তিনি মনোবেদনায় বিষণ্ণ হয়ে পড়েন।
দেখেন, তার পরম কাঙ্খিত স্ত্রী রূপসী নয়, কালো।

তাই তিনি স্ত্রীর কক্ষ ত্যাগ করেন।
মনের দুঃখে স্ত্রীর কাছে আর ফিরে আসেন না।
নাম তার #আমের_বিন_আনাস।
অবশেষে স্ত্রী নিজেই তার কাছে যান।
প্রিয় স্বামীকে বলেন, ওগো!
তুমি যা অপছন্দ করছো,
হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে, এসো।
অতঃপর #আমের স্ত্রীর কাছে যান এবং বাসর ঘরে রাত যাপন করেন।

কিন্তু দিনের বেলা স্ত্রীর অসুন্দর চেহারার প্রতি তাকাতেই তার মন খারাপ হয়ে যায় আবার।
মনের দুঃখে #আমের এবার বাড়ি ছেড়ে দেন।

চলে যান বহুদূরে, অন্য শহরে।
এদিকে বাসর রাতেই যে তার স্ত্রী গর্ভবতী হয়েছেন,
এ খবর তিনি রাখেন না।
#আমের ভিনদেশে লাগাতার বিশঁটি বছর কাটান।
বিশ বছর পর তিনি নিজ শহরে ফেরেন।

এসেই প্রথমে নিজ বাড়ির কাছের সেই প্রিয়
মসজিদে ঢোকেন।
ঢুকেই দেখেন এক সুদর্ষন যুবক পবিত্র কোরআনের মর্মস্পর্শী দরস পেশ করছেন।
আর বিশাল মসজিদ ভরা মানুষ পরম আকর্ষণে তা হৃদয়ে গেঁথে নিচ্ছে।
তাঁর হৃদয়গ্রাহী দরস শুনে আমেরের
অন্তর বিগলিত হয়ে যায়।

#আমের লোকদের কাছে এই গুণী মুফাসসিরের নাম জানতে চাইলে লোকেরা বলেন,
ইনি #ইমাম_মালেক। (আল্লাহু আকবার)

#আমের আবার জানতে চান,
ইনি কার ছেলে? লোকেরা বললো,
এই এলাকারই #আমের বিন আনাস নামের এক ব্যক্তির ছেলে।

যিনি বিশ বছর আগে বাড়ি থেকে চলে গেছেন,
আর ফিরে আসেননি।

আবেগে উত্তাল #আমের ইমাম মালেকের কাছে
এসে বললেন,
আমাকে আপনার বাড়িতে নিয়ে চলুন।
তবে আমি আপনার মায়ের অনুমতি ছাড়া আপনার ঘরে প্রবেশ করবো না।
আমি আপনার ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকবো।
আপনি ভেতরে গিয়ে আপনার মাকে বলবেন,
দরজায় একজন লোক দাঁড়িয়ে আছেন।

তিনি আমায় বলেছিলেন,
তুমি যা অপছন্দ করছো,
হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে।
এ কথা শুনেই ইমাম মালেকের মা বললেন,
হে মালেক, দৌঁড়ে যাও,
সম্মানের সঙ্গে উনাকে ভেতরে নিয়ে আসো,
উনিই তোমার বাবা।

দীর্ঘ দিন দূরদেশে থাকার পর উনি ফিরে এসেছেন।
এই হলেন সেই গুণবতী মা,
যিনি ইমাম মালেক (রহ:) -এর মতো সন্তান গড়ে তোলার কারিগর।

তাই রূপবতী নারী দ্বারা নয়,
গুণবতী ও দ্বীনদার নারীদের মাধ্যমেই পৃথিবী আলোকিত হয়।
#আমিন

আর কত করবে জীবন নিয়ে.. খেলা পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখ চলে গেছে জীবনের অনেক.. বেলা!...

পর্দার প্রয়োজনীয়তা নিজের সতীত্ব রক্ষা করার জন্য

আজকে সমাজে আল্লাহর এই বিধান অনেকটাই অবহেলিত. তবে এই পর্দা নারী সমাজকে রক্ষা করতে অনেক বড় ভুমিকা রাখে. সেটা হয়তো সবসময় আমরা বুঝে উঠতে পারিনা।

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ, যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবে!
.
১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ) আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত এবং
গ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন, যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।
.
৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না; যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার বা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার ঠাণ্ডা করবেন না। প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে।
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না। ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুঁকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন; যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না। দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার।
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালোমতো আপ্যায়ন করুন।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং অনুশোচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। 'আলহামদুলিল্লাহ্' – আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না, এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন।
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে এগুলো মেনে চলার তৌফিক দিন। আমীন।।।

কিছু প্রয়োজনীয় টিপস জেনে নিন -
(১) এক কাপড়ের রং যাতে অন্য কাপড়ে না লাগে এজন্য কাপড় ভেজানো পানিতে লবন ছড়িয়ে দিন এক কাপড়ের রং অন্য কাপড়ে আর লাগবে না।
(২) আয়না চকচকে করতে ভেজা আয়না শুকনো পত্রিকার পাতা দিয়ে হালকা করে ঘষে নিন দেখুন গ্লাস ক্লিনার লাগবে না। চকচক করবে আয়না।
(৩) বাসনের বসে যাওয়া দাগ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন আর ম্যাজিক দেখুন।
(৪) ঘরে ফ্রিজ নেই অথচ পেয়াজঁ দীর্ঘদিন সংরক্ষন করতে হবে? তবে চিন্তা নেই পেয়াজেঁর খোসা ছাড়িয়ে
পত্রিকা দিয়ে মুড়ে রাখুন ভালো থাকবে।
(৫) আলু আর পেয়াজঁ এক সাথে স্টোর করবেন না, আলু দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
(৬) রান্না করার সময় তরকারিতে লবন বেশি হয়ে গেলে, এক টুকরো আলু ছেড়ে দিন আলু অতিরিক্ত লবন চুষে নেবে।
(৭) তরকারিতে বেশি হলুদ হয়ে গেলে সুপারি ছেড়ে দিন হলুদ ভাব কমে যাবে।
(৮) তরকারিতে বেশি তেল ঢেলে দিয়েছেন? সমস্যা নেই! কয়েক টুকরো বরফ ঠান্ডা তরকারিতে ছেড়ে দিন। বরফ তেল চুষে নিবে। সাথে সাথে বরফ গুলো উঠিয়ে ফেলে দিন।
(৯) ফ্রিজে বাজে গন্ধ লাগলে এক টুকরো লেবু কেটে
ফ্রিজে রেখে দিন। বাজে গন্ধটা আর থাকবে না। লেবু
ফ্রিজে ভালো গন্ধ ছড়াবে।
(১০) চাউলে যাতে পোকা না ধরে, এজন্য কয়েকটা নিম
পাতা চালের পাত্রে রেখে দিন। পোকা ধরবে না।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে জানাবেন ।
.........ধন্যবাদ

কিছু প্রয়োজনীয় টিপস জেনে নিন -
(১) এক কাপড়ের রং যাতে অন্য কাপড়ে না লাগে এজন্য কাপড় ভেজানো পানিতে লবন ছড়িয়ে দিন এক কাপড়ের রং অন্য কাপড়ে আর লাগবে না।
(২) আয়না চকচকে করতে ভেজা আয়না শুকনো পত্রিকার পাতা দিয়ে হালকা করে ঘষে নিন দেখুন গ্লাস ক্লিনার লাগবে না। চকচক করবে আয়না।
(৩) বাসনের বসে যাওয়া দাগ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন আর ম্যাজিক দেখুন।
(৪) ঘরে ফ্রিজ নেই অথচ পেয়াজঁ দীর্ঘদিন সংরক্ষন করতে হবে? তবে চিন্তা নেই পেয়াজেঁর খোসা ছাড়িয়ে
পত্রিকা দিয়ে মুড়ে রাখুন ভালো থাকবে।
(৫) আলু আর পেয়াজঁ এক সাথে স্টোর করবেন না, আলু দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে।
(৬) রান্না করার সময় তরকারিতে লবন বেশি হয়ে গেলে, এক টুকরো আলু ছেড়ে দিন আলু অতিরিক্ত লবন চুষে নেবে।
(৭) তরকারিতে বেশি হলুদ হয়ে গেলে সুপারি ছেড়ে দিন হলুদ ভাব কমে যাবে।
(৮) তরকারিতে বেশি তেল ঢেলে দিয়েছেন? সমস্যা নেই! কয়েক টুকরো বরফ ঠান্ডা তরকারিতে ছেড়ে দিন। বরফ তেল চুষে নিবে। সাথে সাথে বরফ গুলো উঠিয়ে ফেলে দিন।
(৯) ফ্রিজে বাজে গন্ধ লাগলে এক টুকরো লেবু কেটে
ফ্রিজে রেখে দিন। বাজে গন্ধটা আর থাকবে না। লেবু
ফ্রিজে ভালো গন্ধ ছড়াবে।
(১০) চাউলে যাতে পোকা না ধরে, এজন্য কয়েকটা নিম
পাতা চালের পাত্রে রেখে দিন। পোকা ধরবে না।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে জানাবেন ।
.........ধন্যবাদ

I fell out pf sorts today.
আমার গা আজ ম্যজ-
ম্যাজ করছে
.
I have a cold / i have
caught cold.
আমার ঠান্ডা লেগেছে
.
I have a headache.
আমার মাথা ব্যাথা
করছে / হয়েছে
.
I have a hoarse
আমার গলা ভেঙ্গেছে
.
I fell nauseous.
আমার গা বমি বমি
করছে
.
I am trembling with fever.
আমি জ্বরে কাপছি
.
The fever is accompanied by shivering.
আমার জ্বরের সঙ্গে
কম্পন আছে
.
I have a flatulent stomach.
আমার পেট ফাঁপিয়েছ
.
লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন।
ধন্যবাদ.....

একজন মহিলার জন্য ১৪ জন পুরুষের সাথে দেখা দেওয়া বৈধ।
_______________
* বাবার মত ৫ জন*
_______________
_১| নিজের বাবা_
_২| দুধ বাবা_
_৩| চাচা_
_৪| মামা_
_৫| শশুর_
_________________
* ভাইয়ের মত ৫ জন*
_________________
_১| আপন ভাই_
_২| দুধ ভাই_
_৩| দাদা ভাই_
_৪| নানা ভাই_
_৫| নাতী_
_______________
* ছেলের মত ৪জন*
_______________
_১| নিজের ছেলে_
_২| ভাইয়ের ছেলে_
_৩|বোনের ছেলে_
_৪| মেয়ের জামাতা_

মেয়েদের মাহরাম চার্ট, যেটা সাধারনত আমাদের বোনেরা মনে রাখেন না সেটা হল খালু আর ফুফাও তাদের জন্য নন মাহরাম।
অন্যদিকে ছেলেদের জন্য মামী, চাচী নন মাহরাম।

মাহরাম ,নন মাহরাম নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ

১ নং প্রশ্ন: মাহরাম বলতে কি বুঝায়? ১৪ জন ছাড়া বাকি সবাই কি গায়রে মাহরাম এ কথার অর্থ কি? যে ১৪ জনকে মাহরাম বলা হয়, সেটার দলীল কোথায় এবং তারা কারা?

উত্তর - মাহরাম শব্দের শাব্দিক অর্থ: হারাম, যা হালাল এর বিপরিত।

আর পারিভাষিক অর্থে মাহরাম বলা হয় যাদেরকে আত্মীয়তা, বা দুধপান করানো, অথবা শাশুরালয়ের সম্পর্কের কারণে বিবাহ করা জায়েয নয়।

(লিসানুল আরব খ:৩, পৃ:১৩৯, ফতোয়ায়ে শামী খ:২, পৃ:১৪৫)

*১৪ জন ছাড়া বাকী সবাই “গায়রে মাহরাম” একথার অর্থ হল যে, তাদের বিবাহ করা জায়েয। এবং তাদের সাথে সর্বক্ষেত্রে শরয়ী পর্দার বিধান মেনে চলতে হয়।

*যে ১৪ জনকে মাহরাম বলা হয় সেটার দলীল হল সূরায়ে নিসার ২৩ ও২৪ নং আয়াত:

حُرِّمَتْ عَلَيْكُمْ أُمَّهَاتُكُمْ وَبَنَاتُكُمْ وَأَخَوَاتُكُمْ وَعَمَّاتُكُمْ وَخَالاَتُكُمْ وَبَنَاتُ الأَخِ وَبَنَاتُ الأُخْتِ وَأُمَّهَاتُكُمُ اللاَّتِي أَرْضَعْنَكُمْ وَأَخَوَاتُكُم مِّنَ الرَّضَاعَةِ وَأُمَّهَاتُ نِسَآئِكُمْ وَرَبَائِبُكُمُ اللاَّتِي فِي حُجُورِكُم مِّن نِّسَآئِكُمُ اللاَّتِي دَخَلْتُم بِهِنَّ فَإِن لَّمْ تَكُونُواْ دَخَلْتُم بِهِنَّ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْكُمْ وَحَلاَئِلُ أَبْنَائِكُمُ الَّذِينَ مِنْ أَصْلاَبِكُمْ وَأَن تَجْمَعُواْ بَيْنَ الأُخْتَيْنِ إَلاَّ مَا قَدْ سَلَفَ إِنَّ اللّهَ كَانَ

غَفُورًا رَّحِيمًا

অর্থাৎ: তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভিনেগার ও পানির মিশ্রণে ১৫ মিনিট ফল বা সবজি ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফরমালিনই দূর হয়।

আজকে যারা বিচারকের চেয়ারে বসে ন্যায় বিচার বা সঠিক বিচার করছেন না। কাল কেয়ামতের মাঠে নিশ্চয় আল্লাহ রব্বুল আলামিন তাদেরকে এইরূপ চেয়ারে আসীন করাবেন।

#প্রেগন্যান্ট

মেয়েদের বিয়ের পরের জীবন নিয়ে কিছু কথা, দয়া করে খারাপ মন মানসিকতা নিয়ে পড়বেন না…

মেয়েটি প্রেগন্যান্ট হয়ে দিনে ২০-৩০ বার বমি আর নানান শারীরিক সমস্যায় ভুগছে।

খেতে বসলে পেটে বাচ্চা লাথি মারে, খেতে পারেনা। রাতে ঘুমাতে গেলে যন্ত্রনায় ছটফট করে,ঘুম আসেনা। সারা দিন শরীরটা কেমন যেন করে।বসতে গেলে,শুইতে গেলে,হাটতে গেলে মাথাটা কেমন যেন ঝিমঝিম করে।

আবার মনের ভিতর ভয়ও করে। কি হবে? পারবো তো সব সামলিয়ে উঠতে ?

এভাবে নয় মাস কেটে যায়। হঠাৎ প্রসব বেদনা উঠে। চারদিকে বিষাদের ছায়া,বাঁচবে তো মেয়েটি, আর অনাগত শিশুটি ?

মৃত্যুকে হাতে নিয়ে মেয়েটি শুয়ে পড়ে। জরায়ু ছিড়ে স্রোতের মত রক্ত ঝরে। চিৎকার করে উঠে মেয়েটি, যেন পৃথীবিটা তার অবস্থানে নেই। সে সুর্যের আলো যেন আজ ক্ষীণ দেখাচ্ছে।

প্রচন্ত আলোতেও সব কিছু কেমন যেন আবছা লাগছে। চারদিকে তাকায়। আপন মানুষগুলোকে খামছে ধরে। যেন মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে।

বাচ্চাটি পৃথীবির মুখ দেখে। সবাই বাচ্চাকে নিয়ে কত আনন্দ উল্লাস করে। নতুন নতুন জামা কিনে নিয়ে আসে। বাচ্চাকে নিয়ে হাজারো স্বপ্নের বীজ বপন হয়।

কে কি নামে ডাকবে তা ঠিক করতে হুলস্থুল অবস্থা শুরু হয়ে যায়। আত্মীয়় কুটুমরা বাচ্চার এ গালে, ও গালে চুমু খায়।

মেয়েটি বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসে। কে জানে সেই হাসির মাঝেও কত বেদনা লুকিয়ে আছে।

নবাগত অতিথিকে পেয়ে সবাই মেয়েটির কথা বেমালুম ভুলে যায়।

মেয়েটি সেই ময়লা বেডে শুয়ে থাকে। মুখ ফুটে তার শরীরের অবস্থার কথা বলতে পারেনা। কিছুটা ভয়ে, কিছুটা লজ্জায়।

সংসারের সব কিছুর জন্য সবার হাতে টাকা থাকে, শুধু মেয়েটির চিকিৎসার জন্য কারো পকেটে টাকা থাকেনা।

ঝরে যাওয়া রক্তের পরিপূর্ণতার জন্য প্যাকেটে প্যাকেটে দুধ আসেনা। বাচ্চা গর্ভে থাকাকালীনও মেয়েটি কারো কদর পায়নি। না মায়া–দরদ, না একটু পুষ্টিকর খাবার। তবু সবার আক্ষেপ বাচ্চাটা আরেকটু মোটা হলে ভাল হতো।

কেউ বাচ্চার মায়ের কথা ভাবলো না। কি দিয়েছে বাচ্চার মাকে ??

দুধ,কলা,মাখন,কি পেয়েছে মেয়েটি ?

তিন বেলার ভাত মাছ আর সবজি ছাড়া কতটুকু পেয়েছে ?

শাড়ি খানা মলিন, মুখখানা আরো মলিন। হাতে ফোসকা ধরে গেছে। আগের মত আর মোলায়েম হাতখানা নেই বলে স্বামীর কাছেও সে অনাদৃত।

সেই লাবণ্য নেই বলে, শ্বাশুড়ী মাঝে মাঝে লোকদের কাছে বুড়ি বউ বলে সম্বোধন।

শিক্ষামূলকঃ
কিভাবে বুঝবেন যে ঔষধ খাচ্ছেন সেটার মেয়াদ আছে কি নেই?

যারা জানেন খুব ভালো, যারা জানেন না দয়াকরে দেখে নিন। দোকান থেকে ঔষধ কেনার সময় হয় সম্পূর্ণ স্ট্রিপ বা ঔষধের পাতা কিনছেন বা দোকানদার পূর্ণ স্ট্রিপ থেকে কেটে কয়েকটি দিচ্ছেন, পূর্ণ স্ট্রিপ কিনলে কেনার আগে কিছু জিনিস খেয়াল করুন বা যে স্ট্রিপ থেকে কেটে দিচ্ছে, কাটার আগে দোকানদারের হাত থেকে নিয়ে চেক করুন, ঔষধের স্ট্রিপ এর গায়ে উপরে বা নিচের অংশে স্পষ্ট কিছু ইংরেজি সংখ্যা এবং অক্ষরে ওই ঔষধের মেয়াদ উত্তীর্ণের সময় কাল লেখা আছে।

লাল তীর চিহ্ন দিয়ে ইংরেজি "E" অক্ষরের পাশে মেয়াদ উত্তীর্ণের মাস এবং বছর দেয়া থাকে, এখানে "E" তে Expire বুঝানো হয়েছে, প্রথম দুটো সংখ্যা মাস কে বুঝায়, পরের দুটো সংখ্যা বছর বুঝায়, যেমন : E0221, মানে হলো এই ঔষধের মেয়াদ ২০২১ এর ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত। এইভাবে সব ঔষধের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের দিকনির্দেশনা পাবেন, কেনার আগে দেখে কিনবেন।

সবার বোঝার স্বার্থে এখানে ঔষধের স্ট্রিপের ছবি দেওয়া হলো।

🌷এক লোক চুরি করত। লোকটি সহযোগী হিসেবে তার ছোট ছেলেকে সব সময় সাথে রাখত। সে ছেলেকে বলল, বাবা আমি যখন চুরি করার জন্য ঘরে প্রবেশ করব তুমি তখন বাইরে পাহারা দিবে। যদি কেউ চলে আসে তাহলে দেখে ফেলছে বলে সংকেত দিলে আমি সতর্ক হয়ে যাবো।

বাবার নির্দেশ অনুযায়ী ছেলেটি দিনের বেলায় পড়াশুনা করতো এবং রাতের বেলায় চুরির কাজে বাবাকে সহযোগিতা করত।

একদিন ছেলেটি সকালে মক্তবে পড়তে গেল। মক্তবের শিক্ষক পড়া শেষে সব ছাত্রকে জামায়েত করে উপদেশ দিলেন, "দেখ বাচ্চারা কখনো মিথ্যা কথা বলবে না। কোন অন্যায় কাজ করবে না। তুমি যদি গোপনেও অন্যায় কর মনে রাখবে কেউ না দেখলেও আল্লাহ কিন্তু দেখেন। তুমি সবার চোখকে ফাঁকি দিতে পারবে কিন্তু আল্লাহর চোখকে কখনো কোন অবস্থাতেই ফাঁকি দিতে পারবে না"।

উস্তাদের উপদেশ ছেলেটির অন্তরে খুব রেখাপাত করল, সে ভাবতে লাগল আমি আর আমার বাবা মিলে যে অপরাধ করছি কেউ না দেখলেও আল্লাহ তো দেখেন। একদিন রাতে বাপ-ছেলে মিলে চুরি করতে বের হল। পিতা চুরি করার জন্য একটি ঘরে প্রবেশ করল।

আর ছেলে বাইর থেকে পাহারা দিচ্ছিল। হঠাৎ উস্তাদের উপদেশ তার মনে পড়ে গেল "কেউ না দেখলেও আল্লাহ দেখেন" তাই সে বাবার শিখানো বাক্য "দেখে ফেলছে" বলে সংকেত দিল, বাবা সাথে সাথে সতর্ক হয়ে গেল। কিন্তু বাবা অনেক্ষণ উঁকি ঝুঁকি দিয়ে কোন মানুষজন দেখতে না পেয়ে ছেলেকে জিজ্ঞেস করল।

কি বাবা! আমি তো কোন লোকজন দেখছি না। তাহলে তুমি কেন বললে "দেখে ফেলছে।" ছেলে দরদভরা কন্ঠে বলল, বাবা আমরা যা করছি তা কেউ না দেখলেও আমার আপনার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা'আলা তো দেখতে পান।

সবাইকে ফাঁকি দেয়া যায় কিন্তু মহান আল্লাহ পাককে ফাঁকি দেয়া যায় না। ছেলের এ কথা শুনে বাবার চক্ষু অশ্রু সজল হয়ে গেল। অতঃপর সে খাটি দিলে তাওবা করল এবং আর কোনদিন চুরি না করার সংকল্প করল।
_____________
🌹#শিক্ষাঃ- আপনারা দেখছেন তো? আল্লাহর ভয় ছেলেটির অন্তরে কেমন ছিল। যার কারণে ছেলের কথায় বাবা খাটি তাওবা করে ফেলে। এখন আমরাও যদি অন্যায় কাজে লিপ্ত হওয়ার সময় আল্লাহকে স্বরণ করি। তাহলে কখনো সেই কাজটি আমার থেকে বের হবে না।

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক সবথেকে বেশি বন্ধুত্বের..❤️

★বাইরে থেকে বাসায় ফিরে স্ত্রীকে সালাম ও কিছু হাদিয়া দেয়া সুন্নাত।🌼
★স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়া সুন্নাত।🌸
★স্ত্রীর মেসওয়াক দিয়ে মেসওয়াক করা সুন্নাত।🌼
★স্ত্রীর সাথে এক প্লেটে বসে খাওয়া সুন্নাত।🌸
★পানির পাত্রে স্ত্রীর ঠোঁট লাগানো স্থানে ঠোঁট লাগিয়ে পানি পান করা সুন্নাত।🌼
★স্ত্রীর মুখের থেকে খাবার নিয়ে সেটা খাওয়া সুন্নাত।🌸
★নামাজে যাওয়ার আগে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরা ও চুমু দেয়া সুন্নাত।🌼
★স্ত্রীর সাথে সালাত আদায় করা সুন্নাত।🌸
★স্ত্রীর কোলে মাথা রেখে কোরআন তিলাওয়াত করা সুন্নাত।🌼
★স্ত্রীকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া ও সময় কাটানো সুন্নাত।🌸
★স্ত্রীর সাথে রাতের বেলা হাঁটতে হাঁটতে গল্প করা সুন্নাত।🌼
★দুজন একসাথে খেলার প্রতিযোগিতা করা সুন্নাত।🌸
★স্ত্রীর সাথে সৎ ব্যবহার করা সুন্নাত।🌼
★বিয়ের সময় স্ত্রীর মহরানা পরিশোধ করা ফরজ।🌸
★স্ত্রীর হক আদায় ও তাকে পর্দায় রাখা ফরজ।🌼
★স্ত্রীর ইজ্জতের হেফাজত করা ফরজ।🌸

সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম,যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম।
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে থাকে আল্লাহর রহমত। স্বামী স্ত্রী দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে হাসলে, আল্লাহ্ তা'আলাও তাদের দিকে তাকিয়ে হাসেন..সুবহানআল্লাহ!❣️
আপনার ও আমাদের সব বৈধ সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার রহমত দান করুক, আমিন..!
💖

হু হু করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও, বাড়েনি আয়।
হিমশিম খাচ্ছে কোটি কোটি পরিবার।

তবে কি (!)
#দায়িত্বহীন_সরকার ?

মেয়ে শিশুর ৫২৮টি ইসলামিক নামঃ

শেয়ার ক‌রে সংগ্র‌হে রাখুন

১.আফরা=অর্থ =সাদা
২.সাইয়ারা=অর্থ =তারকা
৩.আফিয়া =অর্থ =পুণ্যবতী
৪.মাহমুদা =অর্থ =প্রশংসিতা
৫.রায়হানা =অর্থ =সুগন্ধি ফুল
৬.রাশীদা =অর্থ =বিদুষী
৭.রামিসা =অর্থ =নিরাপদ
৮.রাইসা =অর্থ = রাণী
৯.রাফিয়া=অর্থ = উন্নত
১০.নুসরাত =অর্থ = সাহায্য
১১.নিশাত =অর্থ =আনন্দ
১২.নাঈমাহ =অর্থ =সুখি জীবন যাপনকারীনী
১৩.নাফীসা =অর্থ =মূল্যবান
১৪.মাসূমা =অর্থ =নিষ্পাপ
১৫.মালিহা =অর্থ =রুপসী
১৬.হাসিনা =অর্থ =সুন্দরি
১৭.হাবীবা =অর্থ =প্রিয়া
১৮.ফারিহা =অর্থ =সুখি
১৯.দীবা =অর্থ = সোনালী
২০.বিলকিস =অর্থ =রাণী
২১.আনিকা =অর্থ =রুপসী
২২.তাবিয়া =অর্থ =অনুগত
২৩.তাবাসসুম =অর্থ = মুসকি হাসি
২৪.তাসনিয়া =অর্থ = প্রশংসিত
২৫.তাহসীনা =অর্থ = উত্তম
২৬.তাহিয়্যাহ =অর্থ = শুভেচ্ছা
২৭.তোহফা =অর্থ = উপহার
২৮.তাখমীনা =অর্থ = অনুমান
২৯.তাযকিয়া =অর্থ = পবিত্রতা
৩০.তাসলিমা =অর্থ = সর্ম্পণ
৩১.তাসমিয়া =অর্থ = নামকরণ
৩২.তাসনীম =অর্থ = বেহেশতের ঝর্ণা
৩৩.তাসফিয়া =অর্থ = পবিত্রতা
৩৪.তাসকীনা =অর্থ = সান্ত্বনা
৩৫.তাসমীম =অর্থ = দৃঢ়তা
৩৬.তাশবীহ =অর্থ = উপমা
৩৭.তাকিয়া শুদ্ধ চরিত্র
৩৮.তাকমিলা =অর্থ = পরিপূর্ণ
৩৯.তামান্না =অর্থ = ইচ্ছা
৪০.তামজীদা =অর্থ = মহিমা কীর্তন
৪১.তাহযীব =অর্থ = সভ্যতা
৪২.তাওবা =অর্থ = অনুতাপ
৪৩.তানজীম =অর্থ = সুবিন্যস্ত
৪৪.তাহিরা =অর্থ = পবিত্র
৪৫.তবিয়া =অর্থ = প্রকৃতি
৪৬.তরিকা =অর্থ = রিতি-নীতি
৪৭.তাইয়্যিবা =অর্থ = পবিত্র
৪৮.তহুরা =অর্থ = পবিত্রা
৪৯.তুরফা =অর্থ = বিরল বস্তু
৫০.তাহামিনা =অর্থ = মূল্যবান
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
৫১.তাহমিনা =অর্থ = বিরত থাকা
৫২.তানমীর ক্রোধ প্রকাশ করা
৫৩.ফরিদা =অর্থ = অনুপম
৫৪.ফাতেহা =অর্থ = আরম্ভ
৫৫.ফাজেলা =অর্থ = বিদুষী
৫৬.ফাতেমা =অর্থ = নিষ্পাপ
৫৭.ফারাহ =অর্থ = আনন্দ
৫৮.ফারহানা =অর্থ = আনন্দিতা
৫৯.ফারহাত =অর্থ = আনন্দ
৬০.ফেরদাউস বেহেশতের নাম
৬১.ফসিহা =অর্থ = চারুবাক
৬২.ফাওযীয়া =অর্থ = বিজয়িনী
৬৩.ফারজানা =অর্থ = জ্ঞানী
৬৪.পারভীন =অর্থ = দীপ্তিময় তারা
৬৫.ফিরোজা =অর্থ = মূল্যবান পাথর
৬৬.ফজিলাতুন =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী
৬৭.ফাহমীদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী
৬৮.ফাবিহা বুশরা =অর্থ = অত্যন্ত ভাল শুভ
নিদর্শন
৬৯.মোবাশশিরা =অর্থ =সুসংবাদ বাহী
৭০.মাজেদা =অর্থ = সম্মানিয়া
৭১.মাদেহা =অর্থ = প্রশংসা
৭২.মারিয়া =অর্থ = শুভ্র
৭৩.মাবশূ রাহ =অর্থ = অত্যাধিক সম্পদ
শালীনী,
৭৪.মুতাহাররিফাত =অর্থ = অনাগ্রহী
৭৫.মুতাহাসসিনাহ =অর্থ = উন্নত
৭৬.মুতাদায়্যিনাত =অর্থ = বিশ্বস্ত ধার্মিক
মহিলা,
৭৭.মাহবুবা =অর্থ = প্রেমিকা
৭৮.মুহতারিযাহ =অর্থ = সাবধানতা অবলম্বন
কারিনী
৭৯.মুহতারামাত =অর্থ = সম্মানিতা
৮০.মুহসিনাত =অর্থ = অনুগ্রহ কারিনী
৮১.মাহতরাত =অর্থ = সম্মিলিত
৮২.মাফরুশাত =অর্থ = কার্ণিকার
৮৩.মাহাসানাত =অর্থ = সতী-সাধবী
৮৪.মাহজুজা =অর্থ = ভাগ্যবতী
৮৫.মারজানা =অর্থ = মুক্তা
৮৬.আমিনা =অর্থ = নিরাপদ
৮৭.আনিসা =অর্থ =কুমারী
৮৮.আদীবা =অর্থ =মহিলা সাহিত্যিক
৮৯.আনিফা =অর্থ =রুপসী
৯০.আতিয় =অর্থ =আগমনকারিণী
৯১.আছীর =অর্থ =পছন্দনীয়
৯২.আহলাম =অর্থ = স্বপ্ন
৯৩.আরজা =অর্থ =এক
৯৪.আরজু =অর্থ = আকাঙ্ক্ষা
৯৫.আরমানী =অর্থ =আশাবাদী
৯৬.আরীকাহ =অর্থ =কেদারা
৯৭.আসমাহ =অর্থ = =সত্যবাদীনী
৯৮.আসীলা =অর্থ = =চিকন
৯৯.আসিফা =অর্থ = =শক্তিশালী
১০০.আসিলা =অর্থ = =নিখুঁত
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
১০১.আদওয়া =অর্থ = =আলো
১০২.আতিকা =অর্থ = =সুন্দরি
১০৩.আফনান =অর্থ = =গাছের শাখা-প্রশাখা
১০৪.আসিয়া =অর্থ = শান্তি স্থাপনকারী
১০৫.মাছুরা =অর্থ = নল
১০৬.মাহেরা =অর্থ = নিপুনা
১০৭.মোবারাকা =অর্থ = কল্যাণীয়
১০৮.মুবতাহিজাহ =অর্থ = উৎফুল্লতা
১০৯.মাবশূ রাহ =অর্থ = অত্যাধিক সম্পদ
শালীনী
১১০.মুবীনা =অর্থ = সুষ্পষ্ট
১১১.মুতাহাররিফাত =অর্থ = অনাগ্রহী
১১২.মুতাহাসসিনাহ =অর্থ = উন্নত
১১৩.মুতাদায়্যিনাত =অর্থ = বিশ্বস্ত ধার্মিক
মহিলা
১১৪.মুতাকাদ্দিমা =অর্থ = উন্নতা
১১৫.মুজিবা =অর্থ = গ্রহণ কারিনী
১১৬.মাজীদা =অর্থ = গোরব ময়ী
১১৭.মহাসেন =অর্থ = সৌন্দর্য
১১৮.মুহতারিযাহ =অর্থ = সাবধানতা অবলম্বন
কারিনী
১১৯.মুহতারামাত =অর্থ = সম্মানিতা
১২০.মুহসিনাত =অর্থ = অনুগ্রহ
১২১.শান্তা =অর্থ = শান্ত
১২২.তানিয়া =অর্থ = রাজকণ্যা
১২৩.শামীমা =অর্থ = সুগন্ধি
১২৪.তাহিয়া =অর্থ = সম্মানকারী
১২৫.ইসরাত =অর্থ = সাহায্য
১২৬.জুঁই একটি ফুলের নাম
১২৭.নাজমা =অর্থ = দামী
১২৮.সায়মা =অর্থ = রোজাদার,
১২৯.শারমিন =অর্থ = লাজুক
১৩০.জাকিয়া =অর্থ = পবিত্র
১৩১.হামিদা =অর্থ = প্রশংসিত
১৩২.নাদিয়া =অর্থ = আহবান ১৩৩.তানজুম
=অর্থ = তারকা
১৩৪.মুনতাহা =অর্থ = পরিক্ষিত
১৩৫.লতিফা =অর্থ = ঠাট্টা
১৩৬.রিমা =অর্থ = সাদা হরিণ
১৩৭.পাপিয়া =অর্থ = সুকণ্ঠি নারী
১৩৮.নাসরিন =অর্থ = সাহায্যকারী
১৩৯.মনিরা =অর্থ = জ্ঞানী
১৪০.আফসানা =অর্থ = উপকথা
১৪১.জারা =অর্থ = গোলাম
১৪২.ফারিয়া =অর্থ = আনন্দ
১৪৩.ইরতিজা =অর্থ = অনুমতি
১৪৪.সুলতানা =অর্থ = মহারানী
১৪৫.নাদিরা =অর্থ = বিরল
১৪৬.হালিমা =অর্থ = দয়ালু
১৪৭.শিরিন =অর্থ = সুন্দরী
১৪৮.আক্তার =অর্থ = ভাগ্যবান
১৪৯.সামিয়া =অর্থ = রোজাদার
১৫০.শাহিনুর =অর্থ = চাঁদের আলো
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
১৫১.ইয়াসমিন =অর্থ = ফুলের নাম
১৫২.হাবিবা =অর্থ = প্রেমিকা
১৫৩.রোমানা =অর্থ = ডালিম
১৫৪.মমতাজ =অর্থ = উন্নত
১৫৫.শাকিলা =অর্থ = সুন্দরী
১৫৬.পারভেজ =অর্থ = বিজয়
১৫৭.সাইমা =অর্থ = উপবাসী
১৫৮.আয়েশা =অর্থ = সমৃদ্ধিশালী
১৫৯.নাহিদা =অর্থ = উন্নত
১৬০.মাহিয়া =অর্থ = নিবারণকারীনি
১৬১.সানজিদা =অর্থ = বিবেচক
১৬২.জেসমিন =অর্থ = ফুলের নাম।
১৬৩.নূসরাত =অর্থ = সাহায্য।
১৬৪.নাজীফা =অর্থ = পবিত্র।
১৬৫.নাইমাহ =অর্থ = সুখি
জীবনযাপনকারীনী।
১৬৬.নাফিসা =অর্থ = মূল্যবান।
১৬৭.মুরশীদা =অর্থ = পথর্শিকা।
১৬৮.মাসূদা =অর্থ = সৌভাগ্যবতী।
১৬৯.আসিয়া =অর্থ = শান্তি স্থাপনকারী।
১৭০.আশরাফী =অর্থ = সম্মানিত।
১৭১.আনিসা =অর্থ = কুমারী।
১৭২.আনিফা =অর্থ = রূপসী।
১৭৩.আনওয়ার =অর্থ = জ্যোতিকাল।
১৭৪.আরিফা =অর্থ = প্রবল বাতাস।
১৭৫.আয়িশা =অর্থ = জীবন যাপন কারিণয়
১৭৬.আমীনা =অর্থ = আমানত রক্ষাকারণী।
১৭৭.আফরোজা =অর্থ = জ্ঞানী।
১৭৮.আয়মান =অর্থ = শুভ।
১৭৯.আকলিমা =অর্থ = দেশ।
১৮০.ইসমাত আফিয়া =অর্থ = পূর্ণবতী।
১৮১.কামরুন =অর্থ = ভাগ্য
১৮২.রীমা =অর্থ = সাদা হরিণ।
১৮৩.সায়িমা =অর্থ = রোজাদার।
১৮৪.শাহানা =অর্থ = রাজকুমারী।
১৮৫.শাফিয়া =অর্থ = মধ্যস্থতাকারিনী।
১৮৬.সাজেদা =অর্থ = ধার্মিক।
১৮৭.সাদীয়া =অর্থ = সৌভাগ্যবর্তী!
১৮৮.সালমা =অর্থ = প্রশন্ত।
১৮৯.তাসনিম =অর্থ = বেহশতী ঝর্ণা।
১৯০.হুমায়রা =অর্থ = রূপসী
১৯১.লাবীবা =অর্থ = জ্ঞানী
১৯২.ফাহমিদা =অর্থ = বুদ্ধিমতী
১৯৩.নার্গিস =অর্থ = ফুলের নাম
১৯৪.আফিফা =অর্থ = সাধ্বী
১৯৫.সাদিয়া =অর্থ = সৌভাগ্যবতী।
১৯৬.জাবিরা=অর্থ =রাজিহওয়া।
১৯৭.জাদিদাহ=অর্থ =নতুন।
১৯৮.জাদওয়াহ=অর্থ =উপহার।
১৯৯.জাহান=অর্থ =পৃথিবী।
২০০.জালসান=অর্থ =বাগান।
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
২০১.জমিমা=অর্থ =ভাগ্য।
২০২.আমিনা=অর্থ = বিশ্বাসী।
২০৩.আনজুম=অর্থ = তারা।
২০৪.আকিলা=অর্থ = বুদ্ধিমতি।
২০৫.সাইদা=অর্থ =নদী
২০৬.সালীমা=অর্থ =সুস্থ
২০৭.সালমা আফিয়া=অর্থ = প্রশান্ত পূণ্যবতী
২০৮.সালমা আনিকা =অর্থ =প্রশান্ত সুন্দরী
২০৯.সালমা আনজুম =অর্থ = প্রশান্ত তারা
২১০.সালমা ফারিহা =অর্থ = প্রশান্ত সুখী
২১১.সালমা ফাওজিয়া =অর্থ = প্রশান্ত সফল
২১২.সালমা মাহফুজা=অর্থ = প্রশান্ত নিরাপদ
২১৩.ফারযানা =অর্থ = কৌশলী
২১৪.দিলরুবা =অর্থ = প্রিয়তমা
২১৫.নওশীন =অর্থ = মিষ্টি
২১৬.তূবা =অর্থ = সুসংবাদ
২১৭.জুলফা =অর্থ = বাগান
২১৮.যীনাত =অর্থ = সৌন্দর্য
২১৯.ঈশাত =অর্থ = বসবাস
২২০.রওশন =অর্থ = উজ্জ্বল
২২১.জেবা =অর্থ = যথার্থ।
২২২.শাবানা =অর্থ = রাত্রিমধ্যে।
২২৩.রহিমা =অর্থ = দয়ালু।
২২৪.আসমা =অর্থ = অতুলনীয়।
২২৫.দীনা =অর্থ = বিশ্বাসী।
২২৬.লায়লা =অর্থ = শ্যামলা।
২২৭.মুমতাজ =অর্থ = মনোনীত।
২২৮.মায়মুনা =অর্থ = ভাগ্যবতী।
২২৯.রশীদা =অর্থ = বিদূষী।
২৩০.রাওনাফ =অর্থ = সৌন্দর্য।
২৩১.রোশনী =অর্থ = আলো।
২৩২.রুমালী =অর্থ = কবুতর।
২৩৩.রুম্মন =অর্থ = ডালিম।
২৩৪.সাবিহা =অর্থ = রূপসী।
২৩৫.সাকেরা =অর্থ =কৃতজ্ঞ।
২৩৬.সাইদা =অর্থ = নদী।রা।
২৩৭.আমীরাতুন নিসা =অর্থ = নারীজাতির
নেত্রী।
২৩৮.ইসমাত আফিয়া =অর্থ = পূর্ণবতী।
২৩৯.কামরুন =অর্থ = ভাগ্য
২৪০.সুফিয়া =অর্থ = আধ্যাত্মিক
সাধনাকারী।
২৪১.জামিলা=অর্থ =সুন্দরী।
২৪২.আনতারা=অর্থ = বীরাঈনা।
২৪৩.সাগরিকা =অর্থ = তরঙ্গ
২৪৪.সহেলী =অর্থ = বান্ধবী
২৪৫.সাহিরা=অর্থ = পর্বত
২৪৬.সাইদা =অর্থ = নদী
২৪৭.মিনা =অর্থ = স্বর্গ
২৪৮.রুকাইয়া =অর্থ = উচ্চতর
২৪৯.রাবেয়া =অর্থ = নিঃস্বার্থ
২৫০.জোহরা =অর্থ = সুন্দর
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
২৫১.রাফা =অর্থ = সুখ
২৫২.নাঈমা =অর্থ = সুখ
২৫৩.আতিয়া =অর্থ = উপহার
২৫৪.আতিকা =অর্থ = সুন্দরী
২৫৫.আদিবা =অর্থ = লেখিকা
২৫৬.সুমাইয়া =অর্থ = উচ্চউন্নত।
২৫৭.মেহেরিন =অর্থ = দয়ালু।
২৫৮.মেহজাবিন =অর্থ = সুন্দরি।
২৫৯.মালিহা =অর্থ = সুন্দরি।
২৬০.ফাহিমা =অর্থ = জ্ঞানী
২৬১.আফরিন =অর্থ = ভাগ্যবান
২৬২.ফেরদৌস =অর্থ = পবিত্র
২৬৩.শাহিদা =অর্থ = সৌরভ সুবাস
২৬৪.নুসাইফা =অর্থ = ইনসাফ
২৬৫.উমায়ের =অর্থ = দীর্ঘায়ু বৃক্ষ
২৬৬.মাইমুনা =অর্থ = ভাগ্যবতী
২৬৭.নাবীলাহ =অর্থ = ভদ্র
২৬৮.নাফিসা আতিয়া =অর্থ =মুল্যবান উপহার
২৬৯.নাফিসা আয়মান =অর্থ = মুল্যবান শুভ
২৭০.নাফিসা গওহার =অর্থ = মুল্যবান মুক্তা
২৭১.নাফিসা লুবাবা =অর্থ = মুল্যবান খাঁটি
২৭২.নাফিসা লুবনা =অর্থ = মুল্যবান বৃক্ষ
২৭৩.নাফিসা মালিয়াত =অর্থ = মুল্যবান সম্পদ
২৭৪.নাফিসা নাওয়াল =অর্থ = মুল্যবান উপহার
২৭৫.নাফিসা রায়হানা =অর্থ = মুল্যবান
সুগন্ধী ফুল
২৭৬.নাফিসা রুমালী =অর্থ = মুল্যবান কবুতর
২৭৭.নাফিসা রুম্মান =অর্থ =মুল্যবান ডালিম
২৭৮.নাফিসা শাদাফ =অর্থ = মুল্যবান ঝিনুক
২৭৯.নাফিসা শামা =অর্থ =মুল্যবান
মোমবাতী
২৮০.নাফিসা শামীম =অর্থ =মুল্যবান সুগন্ধী
২৮১.নাফিসা তাবাসসুম =অর্থ =পবিত্র হাসি
২৮২.নাহলা =অর্থ =পানি
২৮৩.নায়লা =অর্থ =অর্জন কারিনী
২৮৪.নাসেহা =অর্থ =উপদেশ কারিনী
২৮৫.নাওশিন আনবার =অর্থ =সুন্দর ও সুগন্ধী
২৮৬.নাওশিন আনজুম =অর্থ =সুন্দর তারা
২৮৭.নাওশিন আতিয়া =অর্থ =সুন্দর উপহার
২৮৮.নাওয়াল গওয়ার =অর্থ =সুন্দর মুক্তা
২৮৯.নাওশিন রুমালী =অর্থ =সুন্দর ফুল
২৯০.নাওশিন সাইয়ারা =অর্থ =সুন্দরী তারা
২৯১.নাজীবাহ =অর্থ =ভত্র গোত্রে
২৯২.নিবাল =অর্থ =তীর
২৯৩.নীলূফা =অর্থ =পদ্ম
২৯৪.নিশাত আফাফ =অর্থ = চারিত্রিক
শুদ্ধতা
২৯৫.নিশাত আফলাহ =অর্থ =আনন্দ
অধিককল্যাণকর
২৯৬.নিশাত আনান =অর্থ =আনন্দ মেঘ
২৯৭.নিশাত আনবার =অর্থ =আনন্দ সুগন্ধী
২৯৮.নিশাত আনজুম =অর্থ =আনন্দ তারা
২৯৯.নিশাত আতিয়া =অর্থ =আনন্দ উপহার
৩০০.নিশাত ফরহাত =অর্থ =আনন্দ উল্লাস
৩০১.নিশাত গওহার =অর্থ =আনন্দ মুক্তা
৩০২.নিশাত লুবনা =অর্থ =আনন্দ বৃক্ষ
৩০৩.নিশাত মালিয়াত =অর্থ =আনন্দ সম্পদ
৩০৪.নিশাত মুনাওয়ারা =অর্থ =আনন্দ
দিপ্তীমান
৩০৫.নিশাত নাবিলাহ =অর্থ = ভদ্র
৩০৬.নিশাত =অর্থ = সাদা হরিণ
৩০৭.হাসনা =অর্থ = সুন্দরী
৩০৮.সুরাইয়া =অর্থ = বিশেষ একটি নক্ষত্র
৩০৯.রামলা =অর্থ = বালিময় ভূমি
৩১০.মাশকুরা=অর্থ = কৃতজ্ঞতাপ্রাপ্ত
৩১১.নাফিসা=অর্থ = মূল্যবান।
৩১২.নাওয়ার=অর্থ = সাদা ফুল।
৩১৩.গওহর=অর্থ = মুক্তা।
৩১৪.বশীরা=অর্থ = উজ্জ্বল।
৩১৫.সাহেবী=অর্থ = বান্ধবী।
৩১৬.কানিজ =অর্থ = অনুগতা
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
৩১৭.আজরা রায়হানা=অর্থ = কুমারী সুগন্ধী
ফুল ৩১৮.আজরা রাশীদা =অর্থ =কুমারী
বিদুষী ৩১৯.আজরা রুমালী =অর্থ =কুমারী
কবুতর ৩২০.আজরা সাবিহা =অর্থ =কুমারী
রূপসী ৩২১. আজরা সাদিয়া =অর্থ =কুমারী
সৌভাগ্যবতী ৩২২.আজরা সাদিকা=অর্থ =
কুমারী পুন্যবতী ৩২৩.আজরা সাজিদা =অর্থ
=কুমারী ধার্মিক ৩২৪.আজরা শাকিলা=অর্থ
=কুমারী সুরূপা ৩২৫. আজরা সামিহা =অর্থ
=কুমারী দালশীলা ৩২৬.আজরা তাহিরা =অর্থ
=কুমারী সতী ৩২৭.আফিয়া আবিদা =অর্থ
=পুণ্যবতী ইবাদতকারিনী ৩২৮.আফিয়া
আদিবা =অর্থ =পুণ্যবতী শিষ্টাচারী
৩২৯.আফিয়া আদিলাহ =অর্থ =পুণ্যবতী
ন্যায়বিচারক ৩৩০.আফিয়া আফিফা =অর্থ
=পুণ্যবতী সাধ্বী আফিয়া ৩৩১.আয়েশা=অর্থ =
পুণ্যবতী সমৃদ্ধি শালী ৩৩২.আফিয়া আমিনা
=অর্থ =পুণ্যবতী বিশ্বাসী ৩৩৩.আফিয়া
আনিসা =অর্থ =পুণ্যবতী কুমারী ৩৩৪.আফিয়া
আনজুম=অর্থ = পুণ্যবতী তারা ৩৩৫.আফিয়া
আনতারা=অর্থ = পুণ্যবতী বীরাঙ্গনা
৩৩৬.আফিয়া আকিলা =অর্থ =পুণ্যবতী
বুদ্ধিমতী ৩৩৭.আফিয়া আসিমা =অর্থ
=পুণ্যবতী সতী নারী ৩৩৮.আফিয়া আয়মান
=অর্থ =পুণ্যবতী শুভ ৩৩৯.আফিয়া
আজিজাহ=অর্থ = পুণ্যবতী সম্মানিত
৩৪০.আফিয়া বিলকিস=অর্থ = পুণ্যবতী রানী
৩৪১.আফিয়া ফাহমিদা =অর্থ =পুণ্যবতী
বুদ্ধিমতী ৩৪২.আফিয়া হামিদা=অর্থ =
পুণ্যবতী প্রশংসাকারিনী ৩৪৩.আফিয়া
হুমায়রা =অর্থ =পুণ্যবতী রূপসী ৩৪৪.আফিয়া
ইবনাত =অর্থ =পুণ্যবতী কন্যা ৩৪৫.আফিয়া
মাহমুদা =অর্থ =পুণ্যবতী প্রশংসিতা
৩৪৬.আফিয়া মালিহা =অর্থ =পুণ্যবতী রূপসী
৩৪৭.আফিয়া মাসুমা =অর্থ =পুণ্যবতী নিষ্পাপ '
৩৪৮.আফিয়া মাজেদা =অর্থ =পুণ্যবতী মহতি
৩৪৯.আফিয়া মুবাশশিরা =অর্থ =পুণ্যবতী
সুসংবাদ বহনকারী ৩৫০.আফিয়া মুকারামী
=অর্থ =পুণ্যবতী সম্মানিতা ৩৫১.আফিয়া
মুনাওয়ারা =অর্থ =পুণ্যবতী দিপ্তীমান
৩৫২.আফিয়া মুরশিদা =অর্থ =পুণ্যবতী পথ
প্রদর্শিকা ৩৫৩.আফিয়া মুতাহারা =অর্থ
=পুণ্যবতী পবিত্র ৩৫৪.আফ;য়া নাওয়ার =অর্থ
=পুণ্যবতী ফুল ৩৫৫.আফিয়া সাহেবী =অর্থ
=পুণ্যবতী বান্ধবী ৩৫৬.আফিয়া
সাইয়ারা=অর্থ = পুণ্যবতী তারা ৩৫৭.আফরা
আনিকা =অর্থ =সাদা রূপসী ৩৫৮.আফরা
আনজুম =অর্থ =সাদা তারা ৩৫৯.আফরা
আসিয়া=অর্থ = সাদা স্তম্ভ ৩৬০.আফরা
বশীরা =অর্থ =সাদা উজ্জ্বল ৩৬১.আফরা
গওহর =অর্থ =সাদা মুক্তা ৩৬২.আফরা ইবনাত
=অর্থ =সাদা কন্যা ৩৬৩.আফরা নাওয়ার=অর্থ
= সাদা ফুল ৩৬৪.আফরা রুমালী =অর্থ =সাদা
কবুতর ৩৬৫.আফরা সাইয়ারা =অর্থ =সাদা
তারা ৩৬৬.আফরা ওয়াসিমা =অর্থ =সাদা
রূপসী ৩৬৭.আফরা ইয়াসমিন =অর্থ =সাদা
জেসমিন ফুল ৩৬৮.আইদাহ =অর্থ
=সাক্ষাৎকারিনী ৩৬৯.আশেয়া =অর্থ
=সমৃদ্ধিশীল ৩৭০.আমিনাহ=অর্থ = বিশ্বাসী
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
৩৭১.আনবার উলফাত =অর্থ =সুগন্ধী উপহার
৩৭২.অনিন্দিতা =অর্থ =সুন্দরী
৩৭৩.আনিকা=অর্থ = রূপসী ৩৭৪.আনিসা=অর্থ =
বন্ধু সুলভ ৩৭৫.আনিসা বুশরা =অর্থ =সুন্দর শুভ
নিদর্শন ৩৭৬.আনিসা গওহর =অর্থ =সুন্দর মুক্তা
৩৭৭.আনিসা নাওয়ার =অর্থ =সুন্দর ফুল
৩৭৮.আনিসা রায়হানা=অর্থ = সুন্দর সুগন্ধী
ফুল ' ৩৭৯.আনিসা শামা =অর্থ =সুন্দর
মোমবাতি ৩৮০.আনিসা শার্মিলা =অর্থ
=সুন্দর লজ্জাবতী ৩৮১.আনিসা
তাবাসসুম=অর্থ = সুন্দর হাসি ৩৮২.আনিসা
তাহসিন=অর্থ = সুন্দর উত্তম ৩৮৩.আনতারা
আসীমা =অর্থ =বীরাঙ্গনা সতীনারী
৩৮৪.আনতারা আনিকা =অর্থ =বীরাঙ্গনা
সুন্দরী ৩৮৫.আনতারা আনিসা=অর্থ =
বীরাঙ্গনা কুমারী ৩৮৬.আনতারা আজিজাহ
=অর্থ =বীরাঙ্গনা সম্মানিতা ৩৮৭.আনতারা
বিলকিস=অর্থ = বীরাঙ্গনা রানী
৩৮৯.আফিয়া শাহানা =অর্থ =পুণ্যবতী
রাজকুমারী ৩৯০.আফিয়া জাহিন =অর্থ
=পুণ্যবতী বিচক্ষন ৩৯১.আফিয়া যয়নাব =অর্থ
=পুণ্যবতী রূপসী ৩৯২.আফিফা সাহেবী =অর্থ
=সাধবী বান্ধবী ৩৯৩.আফরা আবরেশমী =অর্থ
=সাদা সিল্ক ৩৯৪.আনতারা ফাহমিদা =অর্থ
=বীরাঙ্গনা বুদ্ধিমতী ৩৯৫.আনতারা ফায়রুজ
=অর্থ =বীরাঙ্গনা সমৃদ্ধিশালী '
৩৯৬.আনতারা হামিদা =অর্থ =বীরাঙ্গনা
প্রশংসাকারিনী ৩৯৭.আনতারা
হোমায়রা=অর্থ = বীরাঙ্গনা সুন্দরী
৩৯৮.আনতারা খালিদা=অর্থ =বীরাঙ্গনা অমর
৩৯৯.আনতারা লাবিবা=অর্থ = বীরাঙ্গনা
জ্ঞানী ৪০০.আনতারা মালিহা=অর্থ =
বীরাঙ্গনা রূপসী ৪০১. আনতারা মাসুদা=অর্থ
= বীরাঙ্গনা সৌভাগ্যবতী ৪০২. আনতারা
মুকাররামা =অর্থ =বীরাঙ্গনা সম্মানীতা
৪০৩. আনতারা মুরশিদা=অর্থ = বীরাঙ্গনা পথ
প্রদর্শিকা ৪০৪.আনতারা রাইদাহ =অর্থ
=বীরাঙ্গনা নেত্রী ৪০৫.আনতারা
রাইসা=অর্থ = বীরাঙ্গনা রানী ৪০৬.
আনতারা রাশিদা=অর্থ =বীরাঙ্গনা বিদূষী
৪০৭. আনতারা সাবিহা =অর্থ =বীরাঙ্গনা
রূপসী ৪০৮.আনতারা শাহানা=অর্থ =
বীরাঙ্গনা রাজকুমারী ৪০৯.আনতারা
শাকেরা =অর্থ =বীরাঙ্গনা কৃতজ্ঞ
৪১০.আনতারা সামিহা=অর্থ = বীরাঙ্গনা
দানশালী ৪১১.আতকিয়া বাশীরাহ=অর্থ =
ধার্মিক সুসংবাদদানকারীনী ৪১২.আসমা
আফিয়া =অর্থ =অতুলনীয় পুণ্যবতী ৪১৩. আসমা
আনিকা =অর্থ =অতুলনীয় রূপসী ৪১৪.আসমা
আনিসা =অর্থ =অতুলনীয় কুমারী ৪১৫.আসমা
আকিলা=অর্থ = অতুলনীয় বুদ্ধিমতী
৪১৬.আসমা আতেরা =অর্থ =অতুলনীয় সুগন্ধী
৪১৭.আসমা আতিকা =অর্থ =অতুলনীয় সুন্দরী
৪১৮.আসমা আতিয়া =অর্থ =অতুলনীয় দানশীল
৪১৯.আসমা গওহার =অর্থ =অতুলনীয় মুক্তা
৪২০.আসমা হোমায়রা=অর্থ = অতুলনীয় সুন্দরী
৪২১.আসমা মালিহা=অর্থ = অতুলনীয় রূপসী
৪২২.আসমা মাসুদা =অর্থ =অতুলনীয়
সৌভাগ্যবতী ৪২৩.আসমা নাওয়ার=অর্থ =
অতুলনীয় ফুল ৪২৪.আসমা রায়হানা =অর্থ
=অতুলনীয় সুগন্ধী ফুল ৪২৫.আসমা
সাবিহা=অর্থ = অতুলনীয় রূপসী ৪২৬.আসমা
সাদিয়া=অর্থ = অতুলনীয় সৌভাগ্যবতী
৪২৭.আসমা সাহেবী =অর্থ =অতুলনীয় বান্ধবী
৪২৮.আসমা সাহানা =অর্থ =অতুলনীয়
রাজকুমারী ৪২৯.আসমা তাবাসসুম =অর্থ
=অতুলনীয় হাসি ৪৩০.আসমা তারাননুম =অর্থ
=অতুলনীয় গুন গুন শব্দ
মেয়ে শিশুর ইসলামিক নাম click to collapse
contents
৪৩১.আসমা উলফাত =অর্থ =অতুলনীয় উপহার
৪৩২.আতেরা =অর্থ =সুগন্ধী ৪৩৩.আতিকা=অর্থ
= সুন্দরী ৪৩৪.আতিকা তাসাওয়াল=অর্থ =
সুন্দর সমতা ৪৩৫.আতকিয়া ফারিহা =অর্থ
=ধার্মিক সুখী ৪৩৬.আতিয়া আদিবা =অর্থ
=দালশীল শিষ্টাচারী ৪৩৭.আতিয়া আফিয়া
=অর্থ =দানশীল পূর্নবতী ৪৩৮.আতিয়া
আফিফা=অর্থ = দানশীল সাধবী বান্ধবী
৪৩৯.আতিয়া আয়েশা =অর্থ =দানশীল
সমৃদ্ধিশালী ৪৪০.আতিয় আনিসা=অর্থ =
দালশীলা কুমারী ৪৪১.আতিয়া আজিজা
=অর্থ =দানশীল সম্মানিত ৪৪২.আতিয়া
বিলকিস=অর্থ = দানশীল রানী ৪৪৩.আতিয়া
ফিরুজ =অর্থ =দানশীল সমৃদ্ধিশীলা
৪৪৪.আতিয়া হামিদা =অর্থ =দানশীল
প্রশংসাকারিনী ৪৪৫.আতিয়া হামিনা=অর্থ
= দানশীল বান্ধবী ৪৪৬.আতিয়া ইবনাত=অর্থ =
দানশীল কন্যা ৪৪৭.আতিয়া যয়নব =অর্থ
=দানশীল রূপসী ৪৪৮.আতিয়া মাহমুদা =অর্থ
=দানশীল প্রসংসিতা ৪৪৯.আতিয়া
মাসুদা=অর্থ = দানশীল সৌভাগ্যবতী
৪৫০.আতিয়া রাশীদা=অর্থ = দানশীল বিদূষী
৪৫১.আতিয়া সাহেবী =অর্থ =দানশীল রূপসী
৪৫২.আতিয়া সানজিদা =অর্থ =দানশীল
বিবেচক ৪৫৩.আতিয়া শাহানা =অর্থ
=দানশীল রাজকুমারী ৪৫৪.আতিয়া শাকেরা
=অর্থ =দানশীল কৃতজ্ঞ ৪৫৫.আতিয়া তাহিরা
=অর্থ =দানশীল সতী ৪৫৬.আতিয়া উলফা
=অর্থ =সুন্দর উপহার ৪৫৭.আতিয়া ওয়াসিমা
=অর্থ =দানশীল সুন্দরী ৪৫৮.আতকিয়া
গালিবা=অর্থ = ধার্মিক বিজয়ীনি
৪৫৯.আতকিয়া আবিদা =অর্থ =ধার্মিক
ইবাদতকারিনী ৪৬০.আতকিয়া আদিবা=অর্থ =
ধার্মিক শিষ্টাচারী ৪৬১.আতকিয়া আদিলা
=অর্থ =ধার্মিক ন্যায় বিচারক ৪৬২.আতিয়া
আফিয়া =অর্থ =ধার্মিক পুণ্যবতী
৪৬৩.আতকিয়া আয়েশা =অর্থ =ধার্মিক
সমৃদ্ধিশালী ৪৬৪.আতকিয়া আমিনা =অর্থ
=ধার্মিক বিশ্বাসী ৪৬৫.আতকিয়া আনিকা
=অর্থ =ধার্মিক রূপসী ৪৬৬.আতকিয়া আনিসা
=অর্থ =ধার্মিক কুমারী ৪৬৭.আতকিয়া আনজুম
=অর্থ =ধার্মিক তারা ৪৬৮.আতকিয়া
আনতারা =অর্থ =ধার্মিক বীরাঙ্গনা
৪৬৯.আতিয়া আকিলা=অর্থ = ধার্মিক
বুদ্ধমতী ৪৭০.আতকিয়া আসিমা =অর্থ
=ধার্মিক কুমারী ৪৭১.আতকিয়া আতিয়া=অর্থ
=ধার্মিক দানশীল ৪৭২.আতকিয়া আয়মান
=অর্থ =ধার্মিক শুভ ৪৭৩.আতকিয়া আজিজাহ
=অর্থ =ধার্মিক সম্মানিত ৪৭৪.আতকিয়া
বাসিমা =অর্থ =ধার্মিক হাস্যোজ্জ্বল
৪৭৫.আতকিয়া বিলকিস =অর্থ =ধার্মিক রানী
৪৭৬.আতকিয়া বুশরা=অর্থ = ধার্মিক শুভ
নিদর্শন ৪৭৭.আতকিয়া ফাবলীহা =অর্থ
=ধার্মিক অত্যন্ত ভাল ৪৭৮.আতকিয়া
ফাহমিদা =অর্থ =ধার্মিক বুদ্ধিমতি
৪৭৯.আতকিয়া ফাইরুজ =অর্থ =ধার্মিক
সমৃদ্ধিশালী ৪৮০.আতকিয়া ফাইজা=অর্থ =
ধার্মিক বিজয়ীনি ৪৮১.আতকিয়া ফাখেরা
=অর্থ =ধার্মিক মর্যাদাবান ৪৮২.আতকিয়া
ফান্নানা=অর্থ = ধার্মিক শিল্পী
৪৮৩.আতকিয়া ফারজানা =অর্থ =ধার্মিক
বিদূষী ৪৮৪.আতকিয়া ফাওজিয়া =অর্থ
=ধার্মিক সফল ৪৮৫.আতকিয়া হামিদা =অর্থ
=ধার্মিক প্রশংসাকারিনী ৪৮৬.আতকিয়া
হামিনা=অর্থ = ধার্মিক বান্ধবী
৪৮৭.আতকিয়া জালিলাহ=অর্থ = ধার্মিক
মহতী ৪৮৮.আতকিয়া জামিলা =অর্থ =ধার্মিক
রূপসী ৪৮৯.আতকিয়া লাবিবা =অর্থ =ধার্মিক
জ্ঞানী ৪৯০.আতকিয়া মাদেহা=অর্থ =
ধার্মিক প্রশংকারিনী ৪৯১.আতকিয়া
মাহমুদা =অর্থ =ধার্মিক প্রশংসিতা
৪৯২.আতকিয়া মায়মুনা =অর্থ =ধার্মিক
ভাগ্যবতী ৪৯৩.আতকিয়া মালিহা=অর্থ =
ধার্মিক রূপসী ৪৯৪.আতকিয়া মাসুমা =অর্থ
=ধার্মিক নিষ্পাপ ৪৯৫.আতকিয়া মোমেনা
=অর্থ =ধার্মিক বিশ্বাসী ৪৯৬.আতকিয়া
মুকাররামা =অর্থ =ধার্মিক সম্মানিত
৪৯৭.আতকিয়া মুনাওয়ারা =অর্থ =ধার্মিক
দীপ্তিমান ৪৯৮.আতকিয়া মুরশিদা =অর্থ
=ধার্মিক প্রশংসিতা ৪৯৯.আতকিয়া
সাদিয়া=অর্থ = ধার্মিক সৌভাগ্যবতী
৫০০.আতকিয়া সাঈদা =অর্থ =ধার্মিক
পুণ্যবতী ৫০১.আতকিয়া সাহেবী =অর্থ
=ধার্মিক বান্ধবী ৫০২.আতকিয়া
সামিহা=অর্থ = ধার্মিক দানশীলা
৫০৩.আয়মান উলফাত =অর্থ =শুভ উপহার
৫০৪.আযহা উজ্জল আজিজা =অর্থ =সম্মানিতা
৫০৫.আজরা=অর্থ = কুমারী আজরা
৫০৬.আবিদা =অর্থ =কুমারী ইবাদতকারিনী
৫০৭.আজরা আদিবা =অর্থ =কুমারী শিষ্টাচার
৫০৮.আজরা আদিলা =অর্থ =কুমারী ন্যায়
বিচারক ৫০৯.আজরা আফিয়া =অর্থ =কুমারী
পুণ্যবতী ৫১০.আজরা আফিফা =অর্থ =কুমারী
সাধবী ৫১১.আজরা আনতারা .কুমারী
বীরাঙ্গনা ৫১২.আজরা আকিলা =অর্থ
=কুমারী বুদ্ধিমতী ৫১৩.আজরা আসিমা =অর্থ
=কুমারী সতী নারী ৫১৪.আজরা আতিকা=অর্থ
= কুমারী সুন্দরী ৫১৫.আজরা আতিয়া =অর্থ
=কুমারী দানশীল ৫১৬.আজরা বিলকিস =অর্থ
=কুমারী রানী ৫১৭.আজরা ফাহমিদা =অর্থ
=কুমারী বুদ্ধিমতী ৫১৮.আজরা গালিবা =অর্থ
=কুমারী বিজয়ীনি ৫১৯.আজরা হামিদা =অর্থ
=কুমারী প্রশংসাকারিনী ৫২০.আজরা
হোমায়রা =অর্থ =কুমারী সুন্দরী ৫২১.আজরা
জামীলা =অর্থ =কুমারী সুন্দরী ৫২২.আজরা
মাবুবা =অর্থ =কুমারী প্রিয়া ৫২৩.আজরা
মাহমুদা=অর্থ = কুমারী প্রশংসিতা
৫২৪.আজরা মায়মুনা =অর্থ =কুমারী ভাগ্যবতী
৫২৫.আজরা মালিহা =অর্থ =কুমারী নিষ্পাপ
৫২৬.আজরা মাসুদা =অর্থ =কুমারী
সৌভাগ্যবতী ৫২৭.আজরা মুমতাজ =অর্থ
=কুমারী মনোনীত ৫২৮.আজরা মুকাররামা
=অর্থ = কুমারী সম্মানিত.....

যোগ্য উস্তাদের সাহচর্য ব্যতীত অর্জিত বিদ্যা খুব কম উপকারি হয়।
কখনও কখনও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিভ্রান্ত হয়ে ভুল পথে পরিচালিত হন।

দাম বেড়ে যাবে শুনে মানুষ যে পরিমানে লবণ-চাউল কেনা শুরু করছিলাম
মৃত্যু হবে জেনে যদি সে পরিমানে নামাজ পড়তাম তাহলে মসজিদে জায়গা হতনা!

আহ আফসোস... 😭😭😭😭
আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সঠিকভাবে সঠিক সময়ে আদায় করার তাওফিক দান করুক... ♥♥♥

বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে এক দ্বীনদার যুবকের ব্যতিক্রমী ৩টি প্রশ্ন অতঃপর যা ঘটলো কল্পনাতীত!!

এক মা তার ছেলের জন্য বিয়ের ব্যাপারে এক ধার্মিক
মেয়ের সাথে সাক্ষাতের আয়োজন করল।ছেলে ও মেয়ে দুইজনই আলাদা একটি রুমে নিজেদের সাথে কথা বলার সুযোগ পেল।
ছেলে মেয়েটিকে প্রথমে প্রশ্ন করতে আশ্বস্ত করল।
মেয়েটি ছেলেকে অনেক প্রশ্নই জিজ্ঞেস করল।
সে তার দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাদীক্ষা, বন্ধুবান্ধব,
আত্মীয়স্বজন, স্বভাব, পছন্দের বিষয়, অবসর, অভিজ্ঞতা আরো অনেক কিছু সম্পর্কে জানতে চাইল।
ছেলেটি মেয়ের হাসিমুখে ভদ্রতার সাথে সকল
প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেল।

এরপর মেয়ে জানতে চাইল, "আমার সম্পর্কে আপনার
কোন প্রশ্ন আছে?"জি, আমার মাত্র তিনটি প্রশ্ন আছে।”
ছেলেটি উওরে বলল।মেয়েটি ভাবল, "ও, শুধু তিনটি প্রশ্ন!"

ছেলেটির প্রথম প্রশ্ন ছিল, "আপনি কাকে সবচেয়ে
বেশি ভালবাসেন, যার চাইতে বেশি ভালবাসা আর কাউকে সম্ভব না?”

সে বলল, "এটা তো খুব সহজ প্রশ্ন। অবশ্যই আমার মাকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।"

ছেলেটির দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল, "আপনি বলেছেন যে,
আপনি কুরআন মাজিদ পড়েন।আপনি কি আমাকে আপনার পছন্দমত যেকোন একটি সুরার অর্থ বলতে পারেন?"

এটা শুনে মেয়েটি একটু বিব্রত হল এবং বলল, "আমি এখনো জানিনা।কিন্তু শীঘ্রই আমি শিখে ফেলব ইনশা আল্লাহ।আমি একটু ব্যস্ত থাকি তো।"

ছেলেটির তৃতীয় প্রশ্ন ছিল, "বিয়ের ব্যাপারে আমি বেশ
কয়েকজন মেয়ের সাথে কথা বলেছিলাম, যারা আপনার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো আপনি কি বলবেন, কেন আপনাকে আমার বিয়ে করা উচিত?"

এটা শুনে মেয়েটি ভীষণ ক্ষেপে গেল এবং রাগী
গলায় তার পিতামাতাকে বলল, "আমি এই ছেলেকে
মোটেই বিয়ে করবনা। সে আমাকে অপমান করেছে।
আমার সৌন্দর্য নিয়ে খোঁটা দিয়েছে।"

ছেলের মা বাবাও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিয়ে নিয়ে আর কোন কথাবার্তা না বলেই তারা প্রস্থান করল।
এবারে ছেলের পিতামাতা সত্যিই ছেলের উপর ক্রুদ্ধ হল,বলল! "তুমি মেয়েটিকে কী বলেছ যে মেয়েটি
রেগে গেল?এই ফ্যামিলি অনেক ভাল, মর্যাদাপূর্ণ, তুমি যেরকম ধার্মীক খুঁজছো, সেরকমই।কী বলেছ তাকে তুমি?"

ছেলে বলতে লাগল,“প্রথমে তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, সে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে কাকে।সে উত্তর দিল যে, তার মাকে।”এটা শুনে তারা আশ্চর্য হলেন, বললেন, "তো এটাতে ভুল কোথায়?"
ছেলেটি বলল,
“প্রকৃত বিশ্বাসী হচ্ছে সে, যে আল্লাহ ও তার
রাসুলকে যেকোন কিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি
ভালবাসে। যে স্ত্রীলোক আল্লাহ ও তার রাসুলকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে, সে আমাকে ভালবাসবে এবং সম্মান করবে।তাদের ভালবাসার কারণে আমার সাথে সে বিশ্বস্ত থাকবে এবং এই ভালবাসার কারণে আমরাও নিজেদেরকে নিজেদের ভালবাসা শেয়ার করতে পারব, যে ভালবাসা লোভ লালসা,সৌন্দর্য অথবা অন্য সকল জাগতিক বস্তুর ঊর্ধ্বে।”

ছেলেটি বলতে লাগল,
“আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন ছিল যে, আমি জিজ্ঞেস
করেছিলাম, সে যেন তার পছন্দমত কোন একটি সুরার অর্থ আমাকে শোনায়। সে বলতে পারেনি।
কারণ তার এখনো সময় হয়ে উঠেনি।তখন, আমার এই হাদীসটা মনে হয় যে, "সকল মানুষ মারা যায়,
তবে তারা ব্যতীত, যাদের জ্ঞান আছে।"
সে তো বিশ বছরেরও বেশি সময় পেয়েছে।
অথচ তার এখনো জ্ঞান অর্জন করার সময় হয়নি!
আমি কি করে এমন মেয়েকে বিয়ে করতে পারি, যে
এখনো তার দায়িত্ব ও অধিকার সম্পর্কে জানেনা।
সে বাচ্চাদেরকে কী শিক্ষা দিবে। একজন মা-ই তো তার বাচ্চাদের জন্য সর্বোত্তম শিক্ষক।এবং এমন এক স্ত্রীলোক, আল্লাহকে দেওয়ার মত সময়
যার হয়না, স্বামী ও সন্তানদেরকে দেওয়ার মত সময় তার নাও হতে পারে।

আমার তৃতীয় প্রশ্ন ছিল যে, বিয়ের ব্যাপারে
আরো কিছু মেয়ের সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে যারা তার চেয়ে সুন্দর ছিল। তো তাকে কেন আমার বিয়ে করা উচিত। মূলত এ কারণেই সে ক্রুদ্ধ হয়েছিল।”

ছেলের মা-বাবা এখানে আপত্তির সুরে মন্তব্য করল,
"এভাবে বলাটা তো অপ্রীতিকর।তুমি কেন এটা বলতে গেলে?"ছেলে উত্তর করল,
“আমি এটা এ উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে, সে তার রাগকে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কিনা।

যখন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে, জিজ্ঞেস করা হয়েছিল পূণ্যবান হওয়ার গুণ গুলো সম্পর্কে, তখন তিনি বলেছিলেন, "রাগান্বিত হয়োনা,
রাগান্বিত হয়োনা, রাগান্বিত হয়োনা।

কারণ, রাগ শয়তান হতে আসে।"
যে মেয়ে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথে নিজের রাগ
নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা, যার সাথে সে মাত্রই কথা
বলেছে এবং তাদের সব কথাবার্তা তার পিতামাতাকে মুহূর্তেই
বলে দিল, সে কী করে সারাজীবন ধরে, তার স্বামীর
সাথে এসব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকতে পারবে।"

এর থেকে শিক্ষা.....
১) অবশ্যই, আপনার ভালবাসা হবে আপনার রব ও তার রসুলের জন্য সকল কিছুর ঊর্ধ্বে।

২)আহা, দুঃখজনক! এখনো আমাদের সময় হয় নি কোরআন বুঝে বুঝে অর্থ পড়ার,তাফসীর, তরজমাসহ,আমরা আজ এতোটাই ব্যস্ত,দুনিয়াবি কাজে!!

৩)"রাগ" শয়তানের ওয়াসওয়াসা! অবশ্যই, শয়তান হতে আসে!
যে রেগে গেল সে অবশ্যই, অবশ্যই হেরে গেল।

আল্লাহ আমাদের এমন সঙ্গী দান করুন, যে চক্ষুশীতল
করবে এবং জান্নাতে যাওয়ার উত্তম মাধ্যম হবে।
-ওয়ামা তাওফিকী ইল্লাহ বিল্লাহ

"আমিন"ইয়া আল্লাহ♥♥

সবাই মনে হয় Bear কে পলো করছে তাই পিঁয়াজের দাম কমে যাচ্ছে 😂😁😀

#মোটর_সাইকেলের_ক্ষেত্রে:

#হেলমেট না থাকলে হেলমেট ক্রয় বাবদ ২০০০ টাকা জরিমানা, পরদিন ট্রাফিক অফিস থেকে হেলমেট সংগ্রহ করতে হবে।

#ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে লাইসেন্স বাবদ ৫০০০ টাকা জরিমানা, ১৫ দিনের মধ্যে বিআরটিএ অফিস থেকে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে, লাইসেন্স সংগে না থাকলে ৫০০ টাকা জরিমানা।

#রেজিষ্ট্রেশন না করা থাকলে রেজিষ্ট্রেশন বাবদ জরিমানা ১৫/২০ হাজার টাকা, ১ মাসের মধ্যে যাবতীয় কাগজ বুঝিয়ে দিতে হবে।

#ইন্সুরেন্স করা না থাকলে ইন্সুরেন্স করা বাবদ ৫০০ টাকা জরিমানা। পরদিন ট্রাফিক অফিস থেকে ইন্সুরেন্স এর কাগজ সংগ্রহ করতে হবে।

#যদি এমন হতো ভেবে দেখুন তাহলে কত সুন্দর হতো।
এভাবে আইন হলে সমস্যাগুলোর পুরোপুরি সমাধান হতো কিন্তু আমাদের যে প্রচলিত আইন তাতে সমস্যা গুলো জিইয়ে রাখা হচ্ছে।
আপনাদের মতামত কি??

হে মুমিনগণ? তোমাদের ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি যেন
তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে।
যারা এ কারণে গাফেল হয়,তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত।
( মুনাফিকুন৯)

17-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4156+)
প্রশ্নঃ অপচয় কর না, অভাব হবে না। কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক "বাংলাদেশ ব্যাংক" কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। কিন্তু; ৳১, ৳২ এবং ৳৫ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। বাংলাদেশে এক হাজার টাকা মূল্যের নোট কোন সাল থেকে চালু হয়?
(A) ২০০৮
(B) ২০০০
(C) ২০১০