About sk. ashraful kabir

১০ টাকা মাজারে না দিয়ে একজন অসহায় লোককে দিন। কারণ, টাকা দরকার হয় জীবিত মানুষের, মৃত মানুষের নয়!

যারা ড্রিংক করে তাদের পয়সা ঠিক জুটে যায় । মাতালদের একটা আলাদা ভগবান আছেন ,তিনি দেখাশুনা করেন ।
_______ সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

যাদের রক্তে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীন বাংলা
তাদের তরে জানাই হাজারও বিনম্র শ্রদ্ধা এবং সালাম

-সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল

সেলুনে এক ভদ্রলোক চুল কাটাচ্ছিলেন। নাপিত তাঁকে ফিসফিস করে বললো, " ঐ যে পিচ্চি পোলাডা আছে, ঐডার মতন বোকা আর নাই!"

ব্যপারটা প্রমাণ করতে ভদ্রলোকের সামনেই নাপিত পকেট থেকে একটা পাঁচ টাকার নোট আর একটা একটাকার কয়েন বের করে ছেলেটিকে ডাকলো, "ঐ পিচ্চি, কোনডা নিবি?"

ছেলেটি এক টাকার কয়েন বেছে নিল।

নাপিত হাসতে হাসতে ভদ্রলোককে বললো, "কইছিলাম না?! বোকারা কখনোই শিখে না!"

চুল কাটা শেষে ভদ্রলোক সেলুন থেকে বের হয়ে দেখলেন ছেলেটা আইসক্রিম খাচ্ছে। তাকে জিজ্ঞেস করলেন, " এই পোলা! তুই প্রত্যেকদিন পাঁচ টাকা থুইয়া এক টাকার কয়েন নেস কেন?? "

ছেলেটা আইসক্রিম খেতে খেতে জবাব দিল,

"কারন, যেইদিন আমি পাঁচ টেকা নিমু, সেইদিনই এই খেলা শেষ হইয়া যাইবো!"

মিস ইউনিভার্স হলেন আফ্রিকান সুন্দরী জোজিবিনি তুনঝি
What a brilliant reply she made:
Questioning on social issues and one final chance to explain why she was the right choice, she replied-

"I grew up in a world where a woman who looks like me — with my kind of skin and my kind of hair — was never considered to be beautiful," she said in her last response. "I think it is time that that stops today. I want children to look at me and see my face and I want them to see their faces reflected in mine."

দায়িত্ব বড় কঠিন জিনিস,
মন চাইলেই যা ইচ্ছা, তাই করা যায় না।
দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য নিজেকে লোভ থেকে দূরে রাখতে হয় 😔😔
যদিও তা পাহাড় সমান কঠিন। দায়িত্ব নিজের ঘাড়ে না আসলে তা কখনোই বুঝা যায় না!!
এম আর আতিক

দেশের অনেক জায়গায় মানুষকে বিভ্রান্ত করে খাবার লবণের বাড়িয়ে দিয়েছে একটা দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট।

জনগণও হুমড়ি খেয়ে লবণ কিনতেছে ৫/১০/২০ কেজি বা যে যা পারে। মনে হ‌চ্ছে তারা লব‌নের শরবত খা‌বে। লবন, পিয়া‌জের ম‌তোন পচনশীল নয় যে দ্রুত নস্ট হ‌য়ে যা‌বে! এর মধ্যে আমরা জানতে পেরেছি লবণ ১৫০-১৬০ টাকা কেজি হয়ে গেছে দেশের কোনো কোনো স্থানে।

সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে এখন খবর ছড়াতে সময় লাগেনা।

যাহোক, এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কি???

দোকানে গিয়ে লবণ কিনবেন এবং দাম পরিশোধের সময় আপনার আর দোকানির মধ্যকার কথোপকথনের ভিডিওটা সুন্দর করে ধারণ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করে দিন। ব্যস, কাজ হয়ে যাবে। দুর্নীতিবাজদের দমন করতে এটার আর বিকল্প দেখছি না আপাতত।

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের কার্যক্রমে আমাদের শতভাগ আস্থা আছে।

অভিযোগ করার নিয়মঃ

"কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করে প্রতারিত হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরে অভিযোগ করুন-
জাতীয় ভোক্তা অভিযোগ কেন্দ্র:
ফোনঃ ০২-৫৫০১৩২১৮ মোবাইল: ০১৭৭৭-৭৫৩৬৬৮.
ই-মেইল: [email protected]

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, যদি কোন ভোক্তা প্রতারনার শিকার হন দয়া করা ওনাদের জানান।"
#Collected

এই মেয়েটির নাকের ডগায় লাল বিন্দুটি দেখতে পাচ্ছ? এই বিন্দুটির দিকে ১৫ সেকেন্ড তাকিয়ে থাকো, এরপর চোখ বন্ধ করো ,তারপর মসৃণ একটা দেওয়ালের দিকে তাকাও ম্যাজিক দেখতে পাবে। আমিও দেখলাম তাই শেয়ার করলাম😊,, মনে হলো পুরাই ভূতুরে কান্ড👻👻💀

এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প ------

একবার এক রাজা তার তিন মন্ত্রীকে ডেকে বললেন, এই নাও তোমাদের একটা করে খালি বস্তা দিলাম। তোমাদের কাজ হবে বনে গিয়ে বিভিন্ন ফল কুড়িয়ে এই বস্তা ভরে নিয়ে আসবে, দেখি কে কত তাড়াতাড়ি বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে আসতে পার। তিন জন চলে গেল জংগলে।

🧒👦১ম মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা বলেছেন তাই ভালো ভালো ফল কুড়িয়ে বস্তা পূর্ণ করি এবং সেই মত জঙ্গলের ভালো ফল দিয়ে বস্তা ভরে ফিরে আসল।

🧒🧑২য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজা তো সব ফল দেখবেন না তাই হাবিজাবি পচা ফল দিয়ে সে নীচের দিকে পূর্ণ করে, উপরের দিকে শুধু কিছু ভালো ফল দিয়ে বস্তা পূর্ণ করলো এবং ফিরে আসল।

🧑👦৩য় মন্ত্রী চিন্তা করলো, রাজার এত সময় কোথায় বস্তা খুলে খুলে দেখবে, সে শুধু দেখবে বস্তা পূর্ণ হয়েছে কিনা। জঙ্গলে মরা পাতা, ঘাস, কাঠ দিয়ে বস্তা পূর্ণ করে নিয়ে এলো ।

তিন মন্ত্রী রাজার দরবারে হাজির, রাজা সবার বস্তা পূর্ণ দেখে খুশী হলেন। তিনি বস্তাগুলো খুলেও দেখলেন না। ৩য় মন্ত্রী নিজের বুদ্ধির কথা চিন্তা করে নিজেকে বেশ বুদ্ধিমান মনে করতে লাগলো। রাজা একটু সময় নিয়ে তার মসনদে বসলেন এবং ঘোষণা করলেন, এই তিন মন্ত্রীদের তাদের বস্তা সহ ৭ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হোক এবং প্রত্যেককে তিনটা আলাদা আলাদা কক্ষে রাখা হোক। এই সাত দিন তাদের কোন প্রকার খাবার দেয়া হবে না।

যেই কথা সেই কাজ, তিনজনকেই কারাগারে পাঠানো হলো। ১ম মন্ত্রী এই সাত দিন তার বস্তার ফল গুলো খেয়ে কাটিয়ে দিলেন।

দ্বিতীয় মন্ত্রী তার যত ভালো ফল ছিল ২ দিন খেতে পারলো, বাকী দিন পচা ফল খেয়ে কাটানোর চেষ্টা করলো কিন্তু তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন।

৩য় মন্ত্রীর বস্তায় কোন ফল ছিলোনা তাই তিনি না খেতে পেরে কারাগারেই মারা গেলেন ।

এই গল্পের শিক্ষণীয় বিষয় হলো-
যদি আমরা ফাকি না দিয়ে সঠিকভাবে শিখে, পড়ালেখা করি তবে এর ফল আমরা যখন কর্মক্ষেত্রে যাবো তখন ভোগ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
collected............

হরিন এক লাফে ১৩ হাত পর্যন্ত যেতে পারে আর বাঘ এক লাফে ১২ হাত পর্যন্ত যায়।
এদের একসাথে দৌড়াতে দিলে বাঘ হরিন কে কখনো ধরতে পারবে না।

কিন্তু হরিন মাঝে মাঝে পিছনের দিকে তাকিয়ে বাঘের দুরত্ব দেখার চেষ্টা করে।
হরিনের সব থেকে বড় ভুল করতেছে, পিছনের দিকে তাকিয়ে অন্যের অবস্থান জানতে চাওয়া।

তাই হরিনের মতো আমরা কোন ভূল করবো না,
জীবনে অনেক ভূল ও স্মৃতিময় গল্প থাকবে এটা নিয়ে এত বেশি চিন্তা করা যাবে না।

বার বার ভুল ও স্মৃতি গুলোর দিকে না তাকিয়ে
নিজের লক্ষ নিয়ে সামনের দিন গুলোতে ব্যস্ত থাকতে হবে তবেই মিলবে সফলতা।
কপি পোস্ট।

নোট গুনছেন তিনি। ৫০০বা ১হাজার টাকার নোট নয়। ১০,২০ কিংবা ৫০টাকার ভাংতি কয়েকটি নোটে তার এক দিনের কামাই। ঘর্মাক্ত চেহারা, ক্লান্ত দেহ নিয়ে এভাবেই তিনি বাড়ি ফিরেন প্রতিদিন।

দুপুর তখন দুটো। তার থেকে একটা বিস্কিট নিয়ে বললাম, চাচা! চলেন আজ আপনাকে আমি খাওয়াবো। কিন্তু তিনি জানালেন, আজ তিনি রোজা। আশ্চর্য লাগলো, এই গরমে রোজা রেখেছেন! তাও এই শরীরে, এত পরিশ্রম করে....

জিজ্ঞেস করাতে উত্তরহীন সরল একটা হাসি।
———

ছোট্ট ঘটনা, কিন্তু হৃদয়ে দাগ কাটার মত। আমাদের দৈনন্দিন হাত খরচের সমপরিমান টাকা এসমস্ত চা বিস্কুট এক সপ্তাহ বিক্রি করেও হয়তো তারা কামাতে পারেন না। বৃদ্ধ বয়সেও ফ্লাক্স নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরতে হয়। বৃষ্টিতে ভিজতে হয়, রোদে পুড়তে হয়। অথচ এত কষ্টের পরও আল্লাহর পক্ষ থেকে আরোপিত দায়িত্বগুলো তারা যথাযথভাবে পালন করে চলছেন। এনাদের ফেস নাই, ফেইসবুকও নাই। সমাজে তাঁদের কোন মর্যাদাও নাই। কিন্তু হয়ত তারা আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয়।

সম্ভবত এদের সম্পর্কেই আল্লাহর রাসুল (স) বলেছেন,
সমাজে এমন কিছু মানুষ রয়েছে, উশখুস্ক চুল, মলিন বস্ত্র পরিহিত। কারো কাছে গেলে মুখ ফিরিয়ে কেউ তাকিয়েও দেখে না। কিন্তু তারা আল্লাহর কাছে এতটা প্রিয়, কোন বিষয়ে কসম করে ফেললে, আল্লাহ তা পূর্ণ করে দেন। (তিরমিযি)

বউয়ের বাপের দেওয়া মোটরবাইক চালিয়ে,কলেজে আসা শিক্ষক ও ক্লাসে এসে বলে যৌতুক একটা সামাজিক ব্যাধি

সুন্দরবন বাঁচায়নি বাংলাদেশকে, সুন্দরবনের মাধ্যমেই বাংলাদেশকে বাঁচিয়েছে মহান আল্লাহ। সেইজন্য আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ, আরো শুকরিয়া যে সুন্দরবনেরর মতো এতো বড় প্রাকৃতিক সম্পদ মহান আল্লাহ পাক আমাদের দান করেছেন। আমাদের সবার উচিত হবে সুন্দরবন রক্ষায় আরো সচেষ্ট হওয়া।

নীল নবঘনে আষাঢ়গগনে তিল ঠাঁই আর নাহি রে।
ওগো, আজ তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে॥
বাদলের ধারা ঝরে ঝরো-ঝরো, আউষের ক্ষেত জলে ভরো-ভরো,
কালিমাখা মেঘে ও পারে আঁধার ঘনিয়েছে দেখ্‌ চাহি রে॥

ওই শোনো শোনো পারে যাবে ব'লে কে ডাকিছে বুঝি মাঝিরে।
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে।
পুবে হাওয়া বয়, কূলে নেই কেউ, দু কূল বাহিয়া উঠে পড়ে ঢেউ--
দরো-দরো বেগে জলে পড়ি জল ছলো-ছল উঠে বাজি রে।
খেয়া-পারাপার বন্ধ হয়েছে আজি রে॥



ওই ডাকে শোনো ধেনু ঘন ঘন, ধবলীরে আনো গোহালে
এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে।
দুয়ারে দাঁড়ায়ে ওগো দেখ্‌ দেখি, মাঠে গেছে যারা তারা ফিরিছে কি,
রাখালবালক কী জানি কোথায় সারা দিন আজি খোয়ালে।
এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে॥



ওগো, আজ তোরা যাস নে গো তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।
আকাশ আঁধার, বেলা বেশি আর নাহি রে।
ঝরো-ঝরো ধারে ভিজিবে নিচোল, ঘাটে যেতে পথ হয়েছে পিছল--
ওই বেণুবন দোলে ঘন ঘন পথপাশে দেখ্‌ চাহি রে॥

মিলিমিশির অ্যাডমিন কে বলছি :

কিছু দিন আগে এই পোস্ট আমি আপলোড করি but আমার পোস্ট selected হয় নি . 08-11-2019 তারিখে এই পোস্ট কিভাবে selected হলো সেটা মিলিমিশির কাছে জানতে চাই . "load my post" option টি বন্ধ থাকায় link / screenshot দিতে পারলাম না . পোস্ট সিলেকশন এর জন্য মিলিমিশি কে আরো সচেতন হওয়া উচিত.

post Theke points dicca na keno............. milimishi

ক্রিকেটার তাসকিন তার বাসার কাজের মেয়ের জম্মদিন পালন করেন।।
..
বিষয় টা ভালো লাগলো।আসলে ভালবাসতে টাকা লাগে না,লাগে একটা মন,,

ক্রিকেটার তাসকিন তার বাসার কাজের মেয়ের জম্মদিন পালন করেন।।
..
বিষয় টা ভালো লাগলো।আসলে ভালবাসতে টাকা লাগে না,লাগে একটা মন,,

Every bad situations have something positive even a stop clock is correct twice a day ........ author unknown

অতিরিক্ত সম্মান দিলে,
বিড়াল ও নিজেকে বাঘ মনে করে।----------আবির রায়হান

পুলিশ বুঝতে পারছেনা, কি গাড়ির কাগজ চেক করবে! সাইকেল, মটর সাইকেল, বাস, ট্রাক!!!!!!!!!!

হতাশা, ব্যর্থতা, বিষণ্ণতা কেন আসে ? হতাশা, ব্যর্থতা এলে কী করণীয় আর কী করছি আমরা ?

অনেক্ষণ থেকে লক্ষ্য করলাম যে উনার কাছে কেউ ওজন মাপছেননা। তিনি অন্যদের মতো ডাকছেন ও না। আমি ওজন মাপার পরে বললাম চাচা কতো টাকা দিবো। উনি বললেন ২ টাকা। আমি খুশি হয়ে উনাকে ৫ টাকা দিলাম। উনি নিতেই চায়নাই পরে অনেকবার বলার পর রেখে দিয়েছেন।আমি চেয়েছি কিছুটা সাহায্য করতে কিন্তু উনি নিতেই রাজি নন। তারপর উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম চাচা এইটা দিয়েই কি সংসার চলে আপনার ছেলে মেয়ে নেই?উনি বললেন আছে বাবা কিন্তু দেখেনা।তারপর উনার কাছে অনুরোধ করলাম চাচা আপনার একটা ছবি তুলি উনিতো চুপ হয়ে গেলেন হয়তোবা এমন পরিস্থিতিতে কখনো পরেননাই।পিছনে তাকিয়ে দেখি কে যানি মুচকি হাসছে পরে বুঝলাম উনি তার সহধর্মিনি।এভাবেই চলে যাচ্ছে তাদের সুখের সংসার।
আর যাই করুক ভিক্ষাবৃত্তি তো করছেন না নিজে উপার্জন করে চলছেন।এইসব মানুষদের প্রতি এমনিতেই সম্মান চলে আসে।অনেক শ্রদ্ধা করি তাদের.
সামনেও একটা Couple পিছনেও একটা Couple; উভয়ের পার্থক্য শুধু বাস্তবতা..... আবির রায়হান

এক বিয়ের অনুষ্ঠানে এক যুবক তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে যুবক তাঁর কাছে ছুটে গেলেন এবং বললেন, "স্যার, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন ?"

শিক্ষক বললেন, ''না, আমি খুব দুঃখিত, তোমাকে চিনতে পারছি না।"

যুবক তখন বললেন, "স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রিতে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটি কলম চুরি হয়েছিল।
সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে লাগলাম। কারণ কলমটি ছিল আমার পকেটে।

আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা আবিষ্কার হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে 'চোর' বলে ডাকবে এবং এটি জানার পর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এই সমস্ত ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে হল।

একসময় আমার পালা এল । আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না এবং আপনি বাকী শিক্ষার্থীদের পকেট অনুসন্ধান করে চলেছেন।

তারপর যখন অনুসন্ধান শেষ হল, আপনি আমাদের চোখ খুলতে বললেন এবং আমাদের সবাইকে বসতে বললেন। ভয়ে আমি বসতে পারছিলাম না, কারণ আমার মনে হচ্ছিল একটু পরেই আপনি আমাকে ডাকবেন। না, আপনি তা না করে কলমটি সবাইকে দেখালেন এবং মালিককে ফেরৎ দিলেন।

কলমটি যে চুরি করেছে তার নাম আপনি আর কখনও কাউকে বলেননি। আপনি আমাকে একটি কথাও বলেননি, এবং আপনি কখনও কারও কাছে গল্পটির উল্লেখও করেননি।

স্যার , আপনি সেদিন আমার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন।
এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনে আর অন্যের জিনিস ছুঁয়েও দেখব না। "

"স্যার, এখন গল্পটি মনে পড়েছে কি ? গল্পটি আপনার ভোলার কথা না !!"

শিক্ষক জবাব দিলেন, " হ্যাঁ! গল্পটি খুব ভালভাবেই মনে আছে আমার। তবে কার পকেটে কলমটি পাওয়া গিয়েছিল তা কখনো জানতে পারিনি। কারণ যখন আমি সবার পকেট চেক করছিলাম তখন আমি ইচ্ছে করেই তোমাদের মত নিজের চোখও বন্ধ করে রেখেছিলাম।"

এভাবেই প্রাথমিক শিক্ষকরা আত্মমর্যাদা বোধসম্পন্ন জাতি গঠনে কাজ করে চলেন নিরন্তর। কিন্তু তাঁরা যথাযথ মর্যাদা পায়না। যতদিন না আমলারা এটা বুঝতে পারবে, ততদিন প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়, জাতির প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়।

একটি দূর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না"।আমরা সবাই আইন মেনে চলি।

যে ধরনের কথা বলার কারনে আপনি নিজের অজান্তেই বড় গোনাহ করছেন,

.

● কি ব্যাপার,দাড়ি রেখেছিস যে.? দেখতে তো ছাগলের মত দেখায়! জঙ্গি বাহিনীর মত দেখায়! ফালা এগুলো।

.

● মাদ্রাসায় পড়ে কী করবি? মাদ্রাসায় পড়লে কি তোর ভাত মিলবে?

.

● কিরে, আবার দেখি টুপি পরেছিস? টুপির নিচে শয়তান থাকে জানিস না...?

.

● মুসলমান জাতটাই খারাপ। এদের চেয়ে বিধর্মী ইহুদী-খৃষ্টান ও হিন্দুরা অনেক ভালো।

.

● কিরে তুই আবার কবে থেকে বোরকাওয়ালী হইলী? বোরকা-টোরকা পরে একেবারে ভূত হয়ে গেছিস। ঘোমটা তলে পোংটা নাচে। বোরকাওয়ালীরাই আরো বেশি খারাপ।

.

● রাখ তোর পর্দা ! এত পর্দা পর্দা করিস না। পর্দা পর্দা করার কারনের তো আজ মুসলমান জাতি এত পিছিয়ে, আর ইউরোপ-আমেরিকার মেয়ে কত এগিয়ে গেছে। আমরা পর্দা না করলে কী হবে, আমরা কি মুসলমান না? মনের পর্দা-ই বড় পর্দা।

.

● আরে বাদ-দে মোল্লাদের কথা। মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত। ওরা কি বুঝে? ওরা তো মূর্খ আর গোঁড়া।

.

● কে বলেছে সুদ হারাম? হারাম হলে সারা দুনিয়ার মানুষ এটা খাইতো? সুদ কোন খারাপ জিনিস না। এটা ব্যবসার মত লাভ। সুদ খারাপ জিনিস হইলে কি ইউরোপ-আমেরিকা এত উন্নত হইতে পারতো!!!

.

● কেউ বললো, কিরে রোযা রেখেছিস..? উত্তরে সে বললো বাদ-দে রোযা। রোযা রাখে যাদের ঘরে ভাত নেই তারা।

.

● সব জায়গায় এত ইসলাম ইসলাম করিস না। ইত্যাদি

.

.

এরূপ আরো অনেক কুফরী কথা মুসলিম সমাজে চালু আছে,যা তাদের ঈমানকে তাদের অজান্তেই ধ্বংস করে দিচ্ছে।

.

মহান আল্লাহ্ বলেন – "(হে নবী) তুমি বল, তোমরা কি আল্লাহর সাথে, তাঁর হুকুম আহকামের সাথে এবং তাঁর রাসূলের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছিলে? ছলনা কর না, তোমরা যে কাফের হয়ে গেছ ঈমান প্রকাশ করার পর।" (সুরাহ আত-তাওবাহ, আয়াত : ৬৫-৬৬)

****মানুষ বড়ই আজব***
👉ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি, কিন্তু মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই ধরে, পিঁপড়াও ছাড়েনা।

👉মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয়, আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।

👉মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না আর বাকা পথে সবারই আগ্রহ বেশি। সেজন্যই মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,আর দুধ বিক্রেতাকে বাজারে যেতে হয়।

👉আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি দুধে পানি মেশাননি তো, অথচ মদে মানুষেরাই পানি মিশিয়ে খায়।

👉ফজরের আজান শুনে ঘুম ভেঙে
নামাজে যায়, আর এখন রাত ভর জেগে থেকে আজান শুনে ঘুমায়।

👉আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই চিনলাম, জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায় কিন্তু বাঘের বাচ্চা বললে খুশি হয়। অথচ দুটোই পশুর বাচ্চা!!

👉 অশ্লীলতায় পূর্ণ গ্রুপে মানুষকে ইনভাইট করতে হয় না কিন্তু অশ্লীলতা মুক্ত গ্রুপে ইনভাইট করেও পাওয়া যায়না।

👉তার পরেও যিনি এই পোস্টটি পড়ছেন তাকে ইনভাইট করছি জয়েন করুন।
জয়েন নিজে হন এবং অন্যদের এই ভালো দিকে আহ্বান করুন।।

Success is not obtained overnight. It comes in installments; you get a little bit today, a little bit tomorrow until the whole package is given out

দোকানে গিয়ে বললাম ভাই ৫ কেজি পিয়াজ দেন, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আন্টি আংকেল এর কানে কানে বলে এই ছেলে আমাদের মেয়ের জন্য পারফেক্ট -------------

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ছিলেন মেধাবী মেহেদী হাসান খান। কিন্তু শিক্ষকরা বলেছিলেন, এই ছেলে ডাক্তার হওয়ার অযোগ্য। মেডিকেল কলেজ ছেড়ে দেওয়া উচিত মেহেদীর। কারণ ডাক্তারির পড়াশুনা বাদ দিয়ে, দিন-রাত এক করে, খাওয়া-ঘুম ভুলে হস্টেলের ঘরেই একটা ছোট্ট কম্পিউটার সম্বল করে মেহেদী তখন লড়ছিলেন অন্য লড়াই। বাংলা ভাষার জন্য লড়াই।

১৮ বছর বয়সের যুবক স্বপ্ন দেখছিলেন বাংলা ভাষাকে সারা পৃথিবীর কাছে খুব সহজে পৌঁছে দেওয়ার। কম্পিউটারে বাংলা লিখতে তাঁর খুব অসুবিধা হয়, এবং সেই পদ্ধতি মেহেদীর পছন্দ নয়। তাই তিনি চান এমন একটা সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করেই বাংলা লেখা সম্ভব।

বন্ধুরা মেহেদীকে বলে পাগল, ডাক্তারি পড়তে এসে কেউ সময় নষ্ট করে! তাও আবার নাকি বাংলা লেখার সুবিধার্থে! কিন্তু মেহেদী মেহেদীই। বাংলা ভাষার জন্য তাঁর দেশের মানুষ প্রাণ দিতে পারেন, আর সেই বাংলাকে লেখার দিক থেকে সহজ করতে কেরিয়ার বিসর্জন দিতে পারবেন না! হাল ছাড়েননি মেহেদী।

২৬ মার্চ,২০০৩ সাল, মেহেদীর জীবনে শুধু নয়, লক্ষ লক্ষ বাঙালির জীবনের একটি বিশেষ দিন। সেই দিন মেহেদী বিশ্বের সামনে আনলেন ‘অভ্র’ সফটওয়ার। যা আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের সব চেয়ে পছন্দের বাংলা রাইটিং সফটওয়ার। আজ বাঙালির কম্পিউটার, ল্যাপটপ খুললেই স্ক্রিনে একটি স্লোগান ভেসে ওঠে , ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’। এটিই ডাক্তার মেহেদী হাসান খানের তৈরি করা স্লোগান। তাঁর স্বপ্ন ছিল, ভাষাকে উন্মুক্ত করতে হবে সবার জন্য, বেঁধে রাখা যাবে না জটিলতার নাগপাশে।

আজ কিন্তু তিনি ডাঃ মেহেদী হাসান খান। হাজার তাচ্ছিল্য সত্ত্বেও তিনি ‘অভ্র’ আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেছেন ডাক্তারিও। আজ ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘অভ্র কিপ্যাড’। লেখা হচ্ছে সরকারি ফাইল থেকে পরিচয়পত্র। মেহেদীর এই আবিষ্কার বাঁচিয়ে দিয়েছে দুই দেশের কোটি-কোটি টাকা। যার জন্য এত কিছু, সেই মানুষটাকে আমরা চিনিই না। চিরকাল প্রচারবিমুখ, ৩২ বছরের এই বিনয়ী তরুণ বাংলা ভাষার জন্য এত বড় অবদান রেখে গেলেও, রয়ে গেলেন প্রচারের আলোর বাইরেই।

17-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4155+)
প্রশ্নঃ অপচয় কর না, অভাব হবে না। কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক "বাংলাদেশ ব্যাংক" কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। কিন্তু; ৳১, ৳২ এবং ৳৫ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। বাংলাদেশে এক হাজার টাকা মূল্যের নোট কোন সাল থেকে চালু হয়?
(A) ২০০৮
(B) ২০০০
(C) ২০১০