About sk. ashraful kabir

Direct hit! I think he's gone

Ku ki point withdrawn koresen?

ইমাম সাহেবের মেয়েকে বিয়ে করার জন্য তিনজন প্রার্থী হাজির হয়েছে।😊
_____________________________________________
ইমাম: তোমার নাম কি?
প্রার্থী-১: ইব্রাহিম।
ইমাম: আমাকে সূরা ইব্রাহিম মুখস্থ শোনাও।
সে মুখস্থ শোনালো।
___________________________
ইমাম: তোমার নাম কি?
প্রার্থী-২: জী, ইউসুফ।
ইমাম: আমাকে সূরা ইউসুফ মুখস্থ শোনাও।
সে মুখস্থ শোনালো।
___________________________
ইমাম: তোমার নাম?

প্রার্থী-৩:🤔🤔🤔 ইয়ে আমার নাম ইয়াসিন, কিন্তু সবাই আমাকে কাউসার বলে ডাকে...

ইমাম:🙄🙄🙄🙄🙄🙄

আমি নবাব সিরাজুদ্দৌলা কে দেখিনি কিন্তু অটোর ভিতর বসে থাকা কিছু নবাবকে দেখেছি যারা দুনিয়াতে চোখ থাকিতেও অন্ধ😠😠

পাকিস্তানের একজন বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক প্রফেসর ডাঃ ইশান খান। তিনি নিউরো মেডিসিন (মস্তিষ্ক) বিশেষজ্ঞ। মস্তিষ্কের সব জটিল রোগের চিকিৎসায় তার খ্যাতি বিশ্বজোড়া।
একবার ডাঃ ইশান বিমানে চড়ে পাকিস্তানের করাচী থেকে অন্য একটি শহরে যাত্রা করলেন। কিছু দূরে যেতেই বিমান ঝড়ে কবলিত হলো। কোন উপায় না দেখে পাইলট বিমানের জরুরী অবতরণ করালেন দূরের ছোট্ট একটি বিমান বন্দরে। বিমান থেকে সব যাত্রীরা নেমে বাইরে দাঁড়ালো, ডাক্তার ইশানও নামলেন। তিনি পাইলটকে জিজ্ঞাসা করলেন অন্য কোন ভাবে ঐ শহরে যাওয়া যাবে কিনা। কারন ডাঃ সাহেবের ঐ শহরে যাওয়াটা খুব জরুরী।
কোন না কোন ভাবে ডাক্তার ইশান এর জন্য তিন চাকার একটি গাড়ীর ব্যবস্থা করা হলো। ডাক্তার সাহেব গাড়িতে রওয়ানা করলেন মূল সড়কে গিয়ে গাড়ি ধরার জন্য।
অচেনা গ্রামের মেঠো পথে আঁকাবাঁকা হয়ে গাড়ী চলছে। তখন গভীর রাত, চারদিকে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, যেনো আকাশের সব মেঘ আজ ধরার বুকে নামার প্রতিক্ষায় প্রহর গুনছে। নাহ, এ পরিস্থিতে আর এই ভ্যানগাড়ীতে বসে থাকা সম্ভব নয়। ডাঃ ইশান বড্ড ভয়ও পাচ্ছেন।
দূরে একটা ছোট্ট কুটির দেখা যাচ্ছে, সেখানে নিভু নিভু আলো জ্বলছে, ডাঃ ইশান দৌড়ে গেলেন ঘরের দিকে।
একবৃদ্ধা দরজা খুললেন, ডাঃ তাঁর সব ঘটনা খুলে বললেন এবং রাতে থাকার আশ্রয় চাইলেন। বৃদ্ধা ডাঃ কে আপ্যায়ন করলেন,ওজু নামাজের ব্যবস্থা করলেন। নামাজের বিছানার পাশে দেখলেন একটি অসুস্থ ছোট্ট শিশু ঘুমিয়ে আছে।
ডাঃ সাহেব বৃদ্ধাকে জিজ্ঞাসা করলেন এই শিশুটি কে এবং তাঁর কি হয়েছে?বৃদ্ধা উত্তর করলেন এ শিশুটি আমার নাতি, তাঁর মা বাবা মারা গেছে। সে খুব অসুস্থ, তাঁর চিকিৎসা এ দেশে কোন ডাক্তারই করতে পারছেনা, তবে একজন বিশেষজ্ঞ পারবেন বলে সবাই পরামর্শ দিচ্ছেন।
আমরা ডাঃ সাহেবের সাথে দেখা করার জন্য যখন চেষ্টা করলাম তখন তাঁরা আমাদের ৬ মাস পরের সিরিয়াল দিয়ে দেখা করতে বলেছেন।
আমি প্রতি ওয়াক্ত সালাতের শেষে আল্লাহর কাছে বলি ওগো দয়াময় এ শিশুটি এতিম, ও ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত, তোমার কুদরতী তাজাল্লী দিয়ে আমাদের সাহায্য করো।
ডাঃ সাহেবের সাথে আমার দেখা করার পথ সহজ করো।
প্রসেসর ডাঃ ইশান বললেনঃ মা সে ডাক্তারের কি নাম? বৃদ্ধা উত্তরে বললেনঃ ডাঃ ইশান!
এবার ডাক্তার অঝর ধারায় চোখের পানি ফেল কাঁদছেন আর বলছেন “মাগো আমিই ডাক্তার ইশান”এখন বুঝেছি কেন আমার প্লেন নষ্ট হলো, কেন এতো ঝড় তুফান নেমে এলো, কেনইবা আমি এ বাড়িতে আশ্রয় নিলাম।
বৃদ্ধা দুহাত তুলে অতঃপর মহান রবের সেজদায় চিৎকার করে কাদতে লাগলেন। বাইরে অঝর ধারায় বারি প্রবাহিত হচ্ছে, আর জীর্ণ কুটিরে চোখের পানিতে নামাজের মুসাল্লা ভিজিয়ে দিচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে নামী চিকিৎসক ডাঃ ইশান।
শিক্ষাঃ মুসলিম ভাই-বোনেরা, কখনো আপনার রবের ক্ষমতাকে সামান্য ভাববেননা, মনে রাখবেন, আল্লাহর জন্য অসম্ভব বলে কিছুই নেই।
লা তাকনাতু মির রাহমাতিল্লাহ- আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়োনা।
আপনি যত বড় পাপী হননা কেন, আল্লাহ্ তায়ালা আপনার ডাকে সাড়া দিবেনই, যদি আপনি পরিপূর্ণ ঈমানের সাথে আল্লাহ্ তায়ালাকে ডাকতে পারেন।
জাযাকা অাল্লাহু খাইরান।

জীবনে দুজন মানুষকে ফলো করবেন
১ – পত্রিকার হকারঃ- যত ঝড় তুফান হোক সে ঠিক সকালে আপনার বাসায় পত্রিকা পৌঁছে দিবে। মায়ের অসুখ, সন্তানের মৃত্যু এইসব ট্র্যাজেডি তাদের জীবনেও আসে। তবু রোজ সকালে আপনার বাসায় পত্রিকা পৌঁছে দেয়।
ঝড় তুফান সাইক্লোনে যদি পত্রিকার হকার তার কাজটি নিয়মিত করতে পারে তাহলে আপনি কেন পারবে না?
২ – ভিক্ষুকঃ- সে তার উদ্দেশ্যে অটল, যে যা ইচ্ছে মনে করুক তার কিছু যায় আসে না। এত কিছু ভাবলে জীবন চলে না।
আপনি যখন কঠিন কোন কাজ শুরু করবেন তখন আশে পাশের মানুষ আপনাকে নিরুৎসাহিত করবে; যাদের কাছ থেকে সহযোগিতা আশা করেছিলে; তাদের অনেকেই করবে না। আপনি যদি কাজটা করতে ব্যর্থ হন তাহলে তারা বলবে, আগেই বলেছিলাম তোমাকে দিয়ে হবে না।
যদি আপনি সফল হন তাহলে তারা আপনার পাশে দাড়িয়ে যাবে। একজন সফল মানুষের বন্ধু হবার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করে না।
এই পৃথিবী মানুষের না ; বিজয়ীদের। বিজয়ীদের এক মাত্র পরিচয়, তারা বিজয়ী।কোন রাষ্ট্র নায়ক শয়তান হলেও তিনি বিজয়ী। বিখ্যাত গায়ক লম্পট হলেও বিজয়ী।
শিক্ষকরা প্রায় সময় আবেগিত হয়ে বলে উঠে , উমুক সফল ব্যক্তি এক সময় তার ছাত্র ছিল। সফল ছাত্রটি ধর্ষক হলেও সে সফল।
পরাজিত হবার অপরাধে নিখুঁত ভাল মানুষটি অনাদারে পরে থাকে। পরাজিতদের গল্প কেউ শুনতে চায় না; পরাজিতরাও না !

reality ..................

made by me

আশাহত হতে নেই! পরাজয় নিশ্চিত ভাবে জেনেও নিজেকে লড়াই করে যেতে হবে,
তবেই সফলতা হাতছানি দিয়ে ডাকবে।

edited by me

যে ছেলেটা ধূমপান ছাড়া এক মূহুর্তও চলতে পারে না, সে ছেলেটাও স্ট্যটাস দেয় "ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর"। সেও চায় অন্যরা ধূমপান না করুক। এটা তার চাওয়া।

যে মেয়েটা সারা বছর পাঠ্য বইটি খুলেও
দেখেনি, সেও চায় পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট। এটা
তার আশা।

যে ছেলেটা পাঁচ দিনেও পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েনা, সেও বলে "নামায বেহেশতের চাবি"। এটা তার উপলদ্ধি।

যে মেয়েটা নিজেকে হয়তো বহু আগেই হারিয়েছে অনেকের মাঝে, আজ সেও চায় একজন সৎ বর। এটা তার আকাংক্ষা।

যে ছেলেটা নষ্টামির গুরু ছিল, সেও চায় সৎ আদর্শবান রমনী। এটা তার প্রত্যাশা।

জীবনের সংজ্ঞাটা আসলে বড়ই অদ্ভুত রকমের ! অদ্ভুত এই জীবনটা গড়ে উঠে একরাশ আশা-আকাংক্ষা আর চাওয়া-পাওয়ার সমীকরনকে ঘিরে। সমীকরন মিলে গেলে মানুষ এটা বুঝেনা যে- জীবনের ওপিঠও আছে। আর না মিললে বুঝে নেয়- এটাই বুঝি জীবনের ব্যর্থতা।

অথচ জীবনে ব্যর্থতা বলে কিছু নেই। যা আছে তা হলো আমাদের চাওয়া আর প্রচেষ্টার অসামঞ্জস্যতা!

post theke point dewa ki off kore dilo ?

গ্রীষ্মের প্রথম দিকে তেমন গরম অনুভূত না হলেও জ্যৈষ্ঠের সাথেই শুরু হয়েছে দাবদাহ। ইতোমধ্যে রাজধানীসহ সারা দেশেই পারদ ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে। আবহাওয়া অফিস থেকেও জানানো হয়েছে আগামী দুই দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পূর্বাভাস বলছে চলমান দাবদাহ আরো চার দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এমন গরমে দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে হিটস্ট্রোক হয়ে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে লোকজন। শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই ঝুঁকি আরো বেশি।

গরম থেকে রক্ষা পেতে যা করবেন

১. পাতলা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন

২. বাড়ির বাইরে থাকার সময় সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন

৩. শরীরে পানিশূন্যতা এড়াতে অতিরিক্ত পানি ও শরবত পান করতে হবে

৪. স্যালাইন পানিতে থাকা সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও চিনি শরীর সজীব রাখতে বিশেষভাবে কার্যকর। দীর্ঘ সময় গরমে থাকলে স্যালাইন পান করুন।

৫. গ্রীষ্মকালীন ফল দিয়ে তৈরি তাজা জুস পান করুন

৬. মাংস এড়িয়ে বেশি করে ফল ও সবজী খান

৭. প্রস্রাবের রঙ খেয়াল করুন। প্রস্রাবের গাঢ় রঙ পানি স্বল্পতার লক্ষণ।

৮. সব সময় ছাতা বা টুপি সাথে রাখুন

৯. ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন

১০. চেষ্টা করুন যেন দিনে কম বাইরে যেতে হয়।

১১.এসি না থাকলেও সমস্যা নেই। ঘরের ভেতর ফ্যানের নিচে একটি পানিভর্তি বালতি রাখুন, যা ঘরকে খানিকটা ঠাণ্ডা করে তুলবে।

১২.গরমের সময় প্রতিদিন অবশ্যই গোসল করতে হবে, যা শরীর ঠাণ্ডা রাখবে। দিনে একাধিকবার হাত, মুখ, পায়ে পানি দিয়ে ধুতে পারলে ভালো। বাইরে বের হলে একটি রুমাল ভিজিয়ে সঙ্গে রাখতে হবে, যা দিয়ে কিছুক্ষণ পর পর মুখ মুছে নেওয়া যাবে।

১৩/গরমের সময় খোলামেলা জুতা পরা উচিত, যাতে পায়ে বাতাস চলাচল করতে পারে। কাপড় বা সিনথেটিক বাদ দিয়ে চামড়ার জুতা হলে ভালো। কারণ এতে গরম কম লাগে। সম্ভব হলে মোজা এড়িয়ে চলা যেতে পারে।

আজ বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস। আমাদের প্রত্যাশা, শিশুশ্রম নয়, প্রতিটি শিশুর শৈশব কাটুক ভবিষ্যতের স্বপ্ন নির্মাণে।

প্রেম করলেই স্বামী স্ত্রী হওয়া যায়না–
একজন পল্টি মারলে বুঝবেন।
.
•শালী কখনো বোন হতে পারে না–
আড়ালে একা থাকলে বুঝবেন।
.
•দেবর কখনো ভাই হতে পারে না–
একটু চান্স দিলেই বুঝবেন।
.
•কাজিন কখনো আপনার মায়ের সন্তান হতে পারে না–
হাতে হাত রাখলে বুঝবেন।
.
•বিপরীত লিংগের ফ্রেন্ড কখনো হালাল হয় না–
চোখ কান খোলা রাখলে বুঝবেন।
.
•ধর্মের ভাই-বোন,মা-বাপ বলতে কিছু নাই–
স্বার্থের পরীক্ষায় পড়লে বুঝবেন।
*টাকা কখনও সুখ আনেনা!
টাকাওয়ালা হলে বুঝবেন!
*মা-বাবার মতো আপন কেউ হয় না!
মা-বাবা হারালে বুঝবেন!
*স্বামীর চেয়ে বয়ফ্রেন্ড,স্ত্রীর চেয়ে গার্লফ্রেন্ড উত্তম হয় না!
সংসার ভাঙ্গলে বুঝবেন!
*শাশুড়ি আপনার ভালোই চাইতো!
নিজে শাশুড়ি হলে বুঝবেন!
*দুনিয়ার সম্পদের বড়াই পরিনতি জাহান্নাম!
মরলে বুঝবেন,,,,,,,,,

" জুলিয়া পাস্ত্রানা "
(১৮৩৪ --১৮৬০)
যাকে বলা হতো পৃথিবীর কুৎসিততম নারী।

(পোস্টটি কাওকে কষ্ট দেওয়ার জন্য নয় শুধুমাত্র জানার জন্য)

সৃষ্টিকর্তা কাওকে দুনিয়াতে সুন্দর রুপে, কাওকে অসুন্দর রুপে প্রেরন করেন। এর পিছনে স্হান ,কাল ,পাত্র কারোই হাত নেই। এমনই একটি নির্মম ও হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে জুলিয়া পাস্ত্রানার জীবনে। মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাকে এই অসুন্দরের বোঝা নিয়া বেড়াতে হয়েছে। আজ জানবো তারই জীবন কাহিনী।

সারা শরীরে বড় বড় লোম, অস্বাভাবিক বড় চোখ, কান আর নাক, পুরু ঠোঁট। মুখের ভিতর অসংখ্য দাঁত মাড়ি ঠেলে উঠেছে। উচ্চতা মাত্র চার ফুট পাঁচ ইঞ্চি। মার্কিন চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে রায় দিয়েছিলেন, সে মানুষই নয়, মানুষ আর ওরাং ওটান - এর মিশ্রণ। নাম জুলিয়া পাস্ত্রানা, জন্ম মেক্সিকোর সিনালোয়া অঞ্চলে, ১৮৩৪ সালে।

জন্মের পর পরিবার তাকে ত্যাগ করেছিল, সম্ভবত বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল। দাসী হিসেবে সিনালোয়ার গভর্নরের বাড়িতে কাজ জোটে এই কুৎসিত মেয়েটির। ধারণা করা হয় গভর্নরের ভোজসভায় তাকে দেখিয়ে অভ্যাগতদের বিনোদন দেয়া হতো। একটু বড় হলে এক কাস্টমস অফিসার জুলিয়াকে কিনে নেয় ও তাকে আমেরিকা নিয়ে যায়। আমেরিকায় তখন সার্কাস বা ফ্রীক শো'র নামে মানব প্রদর্শনীর রমরমা ব্যবসা চলছিল। হাত বদল হয়ে হয়ে বিভিন্ন ভাবে জন্তুর মতো জুলিয়া প্রদর্শিত হতে থাকে এই সব শো'-তে ।

১৮৫৪ সালে বিধাতা সম্ভবত মুখ তুলে চাইলেন এই কুৎসিত নারীর প্রতি। থিওডোর লেন্ট নামের এক ব্যক্তিকে ভালবেসে ফেললেন জুলিয়া, থিওডোরও বাসলেন। পশুর মতো বন্দী জীবন শেষ হলো জুলিয়ার। থিওডোরের হাত ধরে তিনি পালিয়ে গেলেন বাল্টিমোরে, এবং সেখানেই তাদের বিয়ে হলো।
কিন্তু বিধি বাম। হাতের মুঠোয় পাওয়া মাত্র স্বরূপে আবির্ভুত হলেন জুলিয়ার প্রেমিক স্বামী I তিনিও আমেরিকা জুড়ে বিভিন্ন প্রদর্শনীর আয়োজন করে জুলিয়াকে দেখিয়ে অর্থ উপার্জন করতে লাগলেন। জুলিয়ার স্বামী এইসব শো'- এর বিজ্ঞাপনে নিজের স্ত্রীকে 'মানুষ আর ওরাং ওটান-এর মিশ্রণ' বলে দাবী করতেন। তাকে 'ভালুক নারী' (বেয়ার উওম্যান) বলেও ডাকা হতো। গল্প চালু হলো -- মেক্সিকোর একটি আদিবাসী গোষ্ঠীর সদস্য জুলিয়ার মাকে গোষ্ঠী থেকে বিতাড়িত করে জঙ্গলে পাঠিয়ে দেয়া হয়, এবং ওখানেই একটি গরিলা অথবা ওরাং ওটান দ্বারা গর্ভবতী হয়ে তিনি এই কুৎসিত প্রাণীটির জন্ম দেন।

অথচ জুলিয়া ছিলেন একজন স্বাভাবিক মানুষ, যিনি Hypertrichosis lanugingosa ও Gingival hyperplasia নামের দুটি বিরল রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুর শত বছর পরে এই রোগ সনাক্ত করা হয়েছিল। দাসী অবস্থায় থাকার সময় তিনি লেখাপড়া শিখেছিলেন। তিনটি ভাষা জানতেন। তার গানের গলা ছিল অসাধারণ, চমৎকার নাচতেও পারতেন। অথচ শিল্পী হিসাবে তো দূরের কথা, জীবিতাবস্থায় মানুষ হিসাবেও তার কোনো স্মীকৃতি জোটেনি।

১৮৫৯ সালে জুলিয়ার স্বামী তাকে ইওরোপ নিয়ে যান, যেখানেও বিভিন্ন শহরে চলে তার প্রদর্শনী । ইউরোপে এইসব শো' চলার সময় জুলিয়া গর্ভবতী ছিলেন, তবে প্রদর্শনী থেকে মুক্তি পাননি। অন্তঃসত্ত্বা জুলিয়াকে প্রদর্শনীর জন্য নিয়ে যাওয়া হয় মস্কোয়, সেখানে ১৮৬০ সালের মার্চ মাসে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন জুলিয়া। দেখা যায় শিশুটির মুখও জুলিয়ার মতো লোমাবৃত। দুঃখজনকভাবে জন্মের ৩৫ ঘন্টা পর শিশুটি মারা যায়। এর তিনদিন পর, সন্তান জন্মদান সংশ্লিষ্ট জটিলতায় ভুগে মাত্র ২৬ বছর বয়সে জুলিয়া পাস্ত্রানা মৃত্যুবরণ করেন। তারিখটা ছিল ১৮৬০ সালের ২৫ মার্চ।

সন্তান ও স্ত্রীর মৃত্যুর পর থিওডোর লেন্ট যা করেছেন তা অভাবনীয়। স্ত্রী ও সন্তানকে সমাধিস্ত না করে তিনি তাদের মৃতদেহদুটো বিক্রি করে দেন মস্কো বিশ্ববিদ্যায়লের একজন অধ্যাপকের কাছে, ৫০০ পাউন্ডের বিনিময়ে। প্রফেসর সুকোলভ নামের ঐ অধ্যাপক বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করে মৃতদেহদুটো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেন। যখন জুলিয়ার স্বামী দেখলেন যে মৃতদেহদুটো নিখুঁতভাবে সংরক্ষিত হয়েছে, তখন তিনি আবার দেহদুটোর মালিকানা দাবি করে বসলেন এবং দেহদুটো দ্বিগুন অর্থের বিনিময়ে কিনে নিলেন । এরপর স্ত্রী ও সন্তানের মৃতদেহ কাঁচের বাক্সে ভরে বাণিজ্যিকভাবে আবারও প্রদর্শন করতে থাকেলেন ইয়োরোপের বিভিন্ন শহরে।

এভাবে প্রদর্শনীর এক পর্যায়ে জুলিয়ার স্বামী জার্মানিতে আরেকটি নারীর সন্ধান পান, যার মুখেও জুলিয়ার মতো লোম ছিল। লেন্ট ওই নারীকেও বিয়ে করে ফেলেন, এবং তাকে জেনোরা পাস্ত্রানা নাম দিয়ে প্রদর্শন করতে থাকেন। তিনি বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করতেন -- জেনোরা পাস্ত্রানা হচ্ছে জুলিয়া পাস্ত্রানার বোন। এভাবে একই প্রদর্শনীতে প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের মৃতদেহ ও দ্বিতীয় স্ত্রীকে দেখিয়ে টাকা উপার্জন করতেন লেন্ট। এভাবে বছরের পর বছর অর্থ উপার্জন করে অবশেষে থিওডোর লেন্টের স্থান হয় রাশিয়ার একটি মানসিক হাসপাতালে, এবং ১৮৮৪ সালে সেখানেই তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

এরপর বহু বছরের জন্য লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যায় জুলিয়া পাস্ত্রানা ও তার শিশুপুত্রের দেহ। ১৯২১ সালে নরওয়েতে আবারও আবির্ভুত হয় দেহদুটো, বিভিন্নভাবে হাত বদল হয়ে বাণিজ্যিকভাবে প্রদর্শিত হতে থাকে পৃথিবীর কুৎসিততম নারী ও তার হতভাগ্য শিশুপুত্রের মৃতদেহের । প্রায় অর্ধ শতাব্দী ধরে এমনি চলেছিল। ১৯৭০ সালে দেহদুটো আমেরিকায় নিয়ে যাবার প্রচেষ্টাকালে নরওয়েতে বিপুল সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয় প্রদর্শনীর আয়োজকদের। বিরোধিতার মুখে আবারও লোক চক্ষুর অন্তরালে চলে যায় মৃতদেহদুটো, ঠাঁই হয় একটি গুদামে।

১৯৭৬ সালের আগস্ট মাসে একদল দুর্বৃত্ত ঐ গুদামে ঢুকে পড়ে। তারা ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃতভাবে জুলিয়ার শিশুপুত্রের মৃতদেহটিকে ক্ষত বিক্ষত করে। শিশুটির দেহের বাকি অংশ যায় ইঁদুরের পেটে । ১৯৭৯ সালে একদল চোর আবারও গুদামে হানা দেয়, ও চুরি করে নিয়ে যায় জুলিয়ার মৃতদেহটি। সম্ভবত তারা এটিকে পুতুল ভেবেছিল। যাহোক, পরে তারা দেহটিকে একটি ডাস্টবিনে আবর্জনার মধ্যে ফেলে রেখে যায়, যাবার সময় আবার একটি হাত ভেঙ্গে সাথে নিয়ে যায়। পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করলেও সনাক্ত করতে পারেনি এটি কার দেহ। এরপর বেওয়ারিশ লাশ হিসাবে বহু বছর দেহটি পড়ে থাকে অসলো ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে। ১৯৯০ সালে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় মৃতদেহটি জুলিয়া পাস্ত্রানার। ১৯৯৭ সালে এটিকে স্থানান্তরিত করা হয় অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনাটমি বিভাগে, যেখানে সিল করা কফিনে ঠাঁই হয়ে জুলিয়ার।
এরপরও বহু বসন্ত কেটে গেছে, নরওয়ের গ্লোম্মা নদীতে বয়ে গেছে কত স্রোত, কত জল। পৃথিবীর আরেক প্রান্তে, আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত লরা এন্ডারসন বারবাটা নামক এক নারী জুলিয়া পাস্ত্রানার কাহিনী শুনে বেদনার্ত হলেন, ২০০৫ সালে তিনি শুরু করলেন এক অভিনব প্রচারণা। বারবাটা নরওয়ে ও মেক্সিকোর কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলেন ও জুলিয়ার মৃতদেহ তার জন্মভূমিতে ফিরিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টা চালাতে থাকলেন । পরবর্তীতে জুলিয়ার জন্মভূমি সিনালোয়ার মেয়র এতে সমর্থন দেন, ও নরওয়েতে মেক্সিকোর রাষ্ট্রদূত নরওয়ের কাছে এই মৃতদেহ ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানান। তাদের দাবি ছিল, জুলিয়া পাস্ত্রানাকে যেন মানুষ হিসাবে তার প্রাপ্য সন্মান দেয়া হয়। নরওয়ে অবশ্যই এই সন্মান দিতে রাজি হয়, ও বিভিন্ন দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে জুলিয়ার মৃতদেহ মেক্সিকো কর্তৃপক্ষের কাছে ফিরিয়ে দেয়।

অবশেষে মৃত্যুর দেড়শ' বছরেরও বেশি সময় পরে মানুষের মর্যাদায় জন্মভূমি মেক্সিকোর সিনালোয়ায় ফিরে আসেন জুলিয়া পাস্ত্রানা I ২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সিনালোয়ার মেয়র ও উর্ধতন কর্মকর্তাসহ শত শত লোকের উপস্থিতিতে সসম্মানে সমাহিত হন তিনি নিজ মাতৃভূমিতে

ভালবাসার আর এক নাম - দাদা'💞

আমাদের এ নশ্বর জীবনে আমরা অনেক সময়ই অসুস্থ হয়ে পড়ি, বিপদ-বিপর্যয় আমাদের গ্রাস করে নেয়। এই অসুস্থতা ও বিপদ-মুসিবতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভালো দিক হলো, এগুলো আমাদের গুনাহ মাফের জন্য এক শক্তিশালী প্রতিষেধক। অসুস্থতা ও দুনিয়ার জীবনের বিভিন্ন বালা-মুসিবত আমাদের কৃত গুনাহর কাফফারা আদায়ের জন্য অধিক শক্তিশালী কার্যকরী কিছু কষ্টের মুহূর্ত। কুর’আন ও হাদীসের বিভিন্ন জায়গায় এর সমর্থনে আয়াত ও হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
.
কুর’আনুল কারিমের সূরা আশ-শুরার ৩০ নং আয়াতে বলা হয়েছে,
.
وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ
.
“তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি এর মাধ্যমে তোমাদের অনেক গুনাহ ক্ষমা করে দেন।”
.
মানুষের উপর যেই বিপদ-আপদ বা অসুস্থতা আপতিত হোকনা কেন, তার সকলকিছুই মানুষের নিজ হাতের উপার্জন মাত্র। এই বিপদ-আপদ বা অসুস্থতা আবার মুমিনদের জন্য আর্শীবাদ হতে পারে যদি তারা তা সম্পর্কে ধৈর্য ধারণ করতে পারে।
.
রাসূল (সা.) একবার তার জ্বরে আক্রান্ত এক অসুস্থ সাহাবীকে দেখতে গিয়ে বলেন, ‘আমি তোমাকে সুসংবাদ দিচ্ছি। আমার রব আল্লাহ আমাকে বলেছেন, “জ্বর হলো আমার প্রতি বিশ্বাসীদের জন্য সেই প্রতিষেধক, যা কিয়ামতের দিন তাদের গুনাহের জন্য শাস্তির পরিবর্তে আমি এখানেই প্রদান করি।”
.
সুতরাং জ্বর হলো মানুষের পাপমোচনের এমন এক প্রতিষেধক, যার ফলে আখেরাতে মানুষ তার পাপের জন্য নির্ধারিত শাস্তি হতে ক্ষমা পেতে পারে।
.
অপর একটি হাদীসের বর্ণনায় এসেছে, রাসূল (সা.) জ্বরকে দুনিয়ার জীবনের আগুন হিসেবে উল্লেখ করেছেন যেটি আখেরাতের জীবনের জাহান্নামের আগুন থেকে মুমিনদের রক্ষা করবে।
.
আরো একটি বর্ণনায় এসেছে, একবার রাসূল (সা.) এর এক মহিলা সাহাবী হযরত উম্মে সায়েব (রা.) জ্বরে আক্রান্ত হলে তিনি তাকে দেখতে গেলেন। উম্মে সায়েব জ্বরে কাঁতরাতে থাকলে রাসূল (সা.) তাকে প্রশ্ন করেন তার সমস্যা সম্পর্কে। তখন তিনি উত্তর দিলেন, ‘আমার প্রচণ্ড জ্বর হয়েছে। আল্লাহ একে অভিশপ্ত করুন।’ রাসূল (সা.) তখন বলেন, ‘জ্বরকে অভিশাপ দিয়ো না। কেননা এটি গুনাহকে এমনভাবে দূর করে, যেমন হাপরের মধ্যে লোহা থেকে মরিচা দূর হয়।’
.
রাসূল (সা.) অসুস্থতা সম্পর্কে অপর বর্ণনায় বলেছেন, অসুস্থতা গুনাহকে এমনভাবে ঝরিয়ে মুক্ত করে, যেভাবে শীতে গাছের পাতা ঝরে যায়।
.
মুমিনের জন্য সকল প্রকার অসুস্থতা ও বিপদকে তার গুনাহ থেকে মুক্তির উপকরণ হিসেবে রাসূল (সা.) বর্ণনা করেছেন। এমনকি পায়ে যদি ছোট একটি কাঁটাও বিঁধে, তবে এর মাধ্যমেও মুমিনের কিছু না কিছু গুনাহ’র উপশম হয়।
.
বুখারী ও মুসলিম উভয়গ্রন্থেই সংকলিত একটি হাদীসে রাসূল (সা.) বলেন, ‘মুমিনদের জন্য যা কিছুই ঘটুক না কেন, সবকিছুই তার জন্য কল্যাণকর এবং এটি শুধু মুমিনদের জন্যই প্রযোজ্য। যখন তার জন্য কল্যাণকর কোনো ঘটনা ঘটে, তখন সে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এবং এটি তার জন্য উত্তম। আর যখন সে কোনো দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে পড়ে, তখন সে ধৈর্য ধারণ করে এবং এটিও তার জন্য কল্যাণকর হয়।’
.
সুতরাং, মুমিন যে পরিস্থিতির মধ্যেই থাকুকনা কেন, সকলকিছুই তার জন্য উত্তম প্রতিদানে পরিণত হবে যদি সে উপরের হাদীস অনুযায়ী আমল করে।
.
আল্লাহ আমাদের সকল প্রকার বিপদ-আপদ ও অসুস্থতায় ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.

humanity

এটা কোন লন্ডন আমেরিকা নয় এটা হল আমাদের #বাংলাদেশ #খাগড়াছড়ি এলাকার অপরূপ একটি দৃশ্য...

আল্লাহর আদেশ তো এমনই যে, তিনি যখন কোন কিছু সৃষ্টি করতে চান, তখন তিনি বলেন, হয়ে যাও। আর সাথে সাথে তা হয়ে যায়।” (সূরা ইউনুছঃ ৮২)

এই রকম, হাজারো মানুষ অাছে😰
যারা এখনো নিজের বাচ্চাকে ঈদের নতুন একটা জামা কিনে দিতে পারে নাই😰😰হে আল্লাহ সবাইকে তফিক দান করুন অসহায় মানুষের কষ্ট থেকে একটু সহঅনুভতি হাত বারিয়ে দেন

সবাই পড়বেন..........না পড়লে চরম মিস..............

#দরবেশ বাবার কেরামতি!

পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম জরুরি পাসপোর্ট করার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কত দিন লাগবে? উনি বল্লেন সাধারনত ১২ দিনে পাওয়ার কথা তবে এখন বই সংকট তাই ১ মাসও লাগতে পারে। মন খারাপ করে বাইরে চলে এলাম। অমনি এক দরবেশ বাবা ডাক দিলো,,

হে বৎস, মন খারাপ করে কোথায় যাচ্ছিস? তোর কি লাগবে আমাকে বল?

বললাম, বাবা আমার জরুরি পাসপোর্ট দরকার। কিন্তু ওনারা বলছে ১ মাসও লাগতে পারে।

হক মাওলা, দেখি তোর কাগজপত্র গুলো। তারপর দরবেশ বাবা আমার কাগজ গুলো নিয়ে ফচাৎ করে ছিড়ে ফেললেন। তারপর নতুন ফরম দিয়ে বললেন এটা পুরন কর। বললাম, বাবা আমিতো অরিজিন্যাল কুমিল্লার রসমালাইর মতো খাটি ফার্স্ট ক্লাশ গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে এনেছিলাম। এখন আবার গ্যাজেটেড কর্মকর্তা পাব কোথায়?

বাবা বললেন, আমার চেয়ে বড় কর্মকর্তা আর কে আছেরে এই জগতে। নে তুই কথা না বাড়িয়ে ফরম পূরণ কর। সত্যায়িত আমি করব চিন্তা করিস না। ফরম পূরণ করে বাবার হাতে দিলাম। বাবা বললেন হাদিয়া দিয়ে ছবি তুলে তুই যাগা। ঠিক ৪ দিন পর তোকে স্বপ্নে কল দেব, এসে বই নিয়ে যাবি।

বলেন কি বাবা, মাত্র ৪ দিন! এ কী করে সম্ভব! সত্যি করে বলেন বাবা, আপনি মানুষ নাকি জীবন্ত অলি? পাসপোর্ট অফিসের লোকজন বলে ১ মাস লাগবে, আর সরকারি নিয়মে ১২ দিনের নিচে কোনভাবেই বই পাওয়া যায় না, কিন্তু আপনি ৪ দিনে কিভাবে দেবেন?
এসব তুই বুঝবি নারে, সব উপরওয়ালার লীলা খেলা। তারাতারি টাকাটা দে, উপর ওয়ালাকে দিয়ে আসি।

৬.৫ হাজার সরকারি ফি, আর বাবার হাদিয়া ৮ হাজার, মোট ১৪.৫ হাজার টাকা দিলাম। বাবা কাগজগুলো নিয়ে উপরওয়ালার কাছে চলে গেলেন। এই টাকার ভাগ বাবা একা নেবেন না। ভাগ পাবেন বাবা, তার বাবা, তার বাবা পর্যন্ত। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুলিশ বাড়িতে যাবে না ভেরীফিকেশন করতে?

বাবা বললেন তুইতো ভেরী বোকা লোকরে। পুলিশের দুই চোখে দুইটা কচকচে নোট নিয়ে চাপ দিয়ে একটা ফু দেব, অমনি তোর বাড়ি ঘর সব স্বপ্নে ভেরীফিকেশন করে ফেলবে। সব উপর ওয়ালার লীলা খেলারে। হক মাওলা....!!

ঠিক চার ওয়ার্কিং ডে এর পর গতকাল বাবা কল দিলেন। আয় বৎস পাসপোর্ট নিয়ে যা। গতকাল ১৬মে, অথচ ডেলিভারী স্লিপে লিখা ডেলিভারী ডেট ১৯ মে ২০১৯।

সত্যি দরবেশ বাবার হেকমত বড় কড়া। আমি বাবার চরণ দুটিতে লুটিয়ে পড়লাম। বাবা আপনিই সেরা। আপনার পদধুলি দেন।

হাসপাতাল, বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস, ভূমি অফিসসহ সরকারী সব প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে এমন অনেক দরবেশ বাবা দলে দলে বসে জিকির আসগারে মত্ত আছেন। উপরে থাকা উপর ওয়ালার সাথে উনাদের আবার ডাইরেক্ট কানেকশন'কপি

এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন.. তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন। একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে। কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন। মাখনগুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল। যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে। শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখনগুলো দিয়ে পরিবর্তে চা চিনি তেল ও তার সংসারের প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন।

আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোলগুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক। মাখনের রোলগুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে।

পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন। দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে লাগলেন.. 'বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে। এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যাবসা কর। আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না। ৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা।”

কৃষক বিনম্রভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন- ”দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না। আসলে আমি খুবই গরিব মানুষ.. দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই.. তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম.. সেটাই দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম।”

#শিক্ষণীয়_বিষয়:
আপনি অপরকে যেটা দেবেন.. সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে..তা সেটা সম্মান হোক বা ঘৃণা শুধু সময়ের অপেক্ষা......

বিদ্যাসাগর আজও আছেন ❤
যারা এখনো ল্যাম্প পোস্টের নিছে পড়াশোনা করে

#এক গ্রাম্য লোকের ২৫ টি প্রশ্ন আর রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উত্তর

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর।

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।

।।আমিন।।

মাসজিদুল হারামের ইমাম শাইখ মাহির রমাদানের শেষ দশ দিনের জন্য এক চমৎকার আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন:
=====================
১) প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর (১০০০ মাস) পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।
.
২) প্রতিদিন দু' রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দু' রাকা'আত সালাতের সাওয়াব পাবেন।
.
৩) প্রতিদিন তিন বার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন ।
.
তিনি আরও বলেন, উপরের কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার কথা শুনে এ আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমান সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
.
কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
"ভালো কাজের পথ প্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।..." [মুসলিম ২৬৭৪]

12-Sep-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3637 জন)
প্রশ্নঃ তিনি ছিলেন একজন ওলন্দাজ-অস্ট্রেলীয় সামরিক কমান্ডো অফিসার। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী যিনি এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। আলোচ্য ব্যক্তিটির নাম কি?
(A) হ্যারল্ড উইলসন
(B) উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড
(C) এডওয়ার্ড হীথ
17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3494 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3470 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ