About Mostafa

উইন্ডোজে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করবেন কিভাবে ?

Widows আমাদের ব্যবহৃত ইন্টারনেটের গতির প্রায় 20% কমিয়ে রেখে দেয় । Windows এটা করে, কারন তার Update নেয়ার জন্য । আর তাই আমরা Windows Update এর বেশীর ভাগ সময় বুঝতে পারিনা । কিন্তু Internet Browsing সময় এই 20% কম গতিতে ব্রাউজিং করতে হয় । তবে সামান্য কিছু পরিবর্তন করলেই ইন্টারনেটের গতি কিছুটি বাড়িয়ে নিতে পারি ।




কিভাবে এই কাজটি করবেন ?

1. প্রথমে ক্লিক করুন Run option ।
2. এখানে gpedit.msc টাইপ করে এন্টার কী প্রেস করুন ।
3. এরপর Administrative Templates -এ ডাবল ক্লিক করুন ।
4. Network -এ ডাবল ক্লিক করুন ।
5. QoS Packet Scheduler -এ ক্লিক করুন ।
6. বামদিকে Limit Reservable Bandwidth লেখাটির উপর ডাবল ক্লিক করুন ।
7. এখন Enable অপশনে ক্লিক করে Bandwidth Limit(%) 0 করে দিন ।
8. এরপর Apply -এ ক্লিক করে OK বাটনে ক্লিক করুন ।

শিশুর ঠাণ্ডা সমস্যা দূর করার ঘরোয়া সমাধান 'হলুদ দুধ'


প্রাচীন কাল থেকেই নানা রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয় হলুদ। আর এ হলুদ ব্যবহারের মাধ্যমে শিশুর ঠাণ্ডা সমস্যা দূর করা সম্ভব। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
শিশুর ঠাণ্ডা সমস্যা অনেক শিশুরই নানা সমস্যা তৈরি করে। এ সমস্যা দূর করার জন্য অনেকেই অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। ফলে চিকিৎসকের দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিক কিংবা অহেতুক কড়া ওষুধ খেতে হয় শিশুকে। এ সমস্যা দূর করতে পারে একটি সহজ বিকল্প-হলুদ মিশ্রিত দুধ।
যেভাবে বানাবেন
বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ বিভিন্নভাবে হলুদ দুধ বানানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা হলুদ-দুধে আগ্রহী, তারা এ লেখায় দেওয়া পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন।
উপকরণ-
এক ইঞ্চি লম্বা হলুদ খণ্ড, কয়েকটি গোলমরিচের দানা (সাদা হলে ভালো হয়) ও এক কাপ দুধ ও বিশুদ্ধ পানি।
এছাড়া সামান্য মধু, চিনি ও ঘি ব্যবহার করতে পারেন।
পদ্ধতি-
১. এক টুকরো হলুদ ও গোলমরিচের দানা পৃথকভাবে চূর্ণ করুন,
২. এক কাপ দুধের সঙ্গে সমপরিমাণ পানি মেশান,
৩. দুধ ও হলুদ চূর্ণ মিশিয়ে চুলায় ২০ মিনিট সেদ্ধ করুন,
৪. দুধের পরিমাণ কমে গেলে জ্বালও কমিয়ে দিন,
৫. চুলা থেকে নামিয়ে ছেকে দুধ কাপে ঢালুন,
৬. প্রয়োজনে এতে মধু, সামান্য চিনি ও আধ চামচ ঘি দিতে পারেন,
৭. হালকা গরম থাকতেই পরিবেশন করুন।

বেশি পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা জানেন?

কলা খেতে পছন্দ করেন অনেকে। তবে দেখতে অতটা সুন্দর না হওয়ায় অতি পাকা বা বেশি পাকা কলা খেতে অপছন্দ করেন অনেকে। আর এর জায়গা হয় ডাস্টবিনে।

তবে পুষ্টিবিদদের মতে, কলা বেশি পেকে গেলে এর পুষ্টিগুলো পরিবর্তন হয়ে যায়। এর মানে এই নয় যে এটি তার পুষ্টিগুলো হারিয়ে ফেলে, বরং অতিপক্বতার কারণে এই ফলটি আরো পুষ্টিগুণে ভরপুর হয়ে ওঠে। এই তত্ত্বের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র্যের করনেল ইউনিভার্সিটি কলেজ অব হিউম্যান ইকোলজি।

বেশি পাকা কলা ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর থাকে। বেশি পাকা কলার কিছু গুণের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগ।

১. কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে বেশি পাকা কলা ইন্টারনাল কোষ ও রেডিক্যাল কোষের কারণে হওয়া ক্ষতি প্রতিরোধে সাহায্য করে। এতে রোগের ঝুঁকি কমে।

২. উচ্চ রক্তচাপ কমায়

অতি পাকা কলার মধ্যে উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম থাকে এবং কম সোডিয়াম থাকে। নিয়মিত এই কলা খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমতে সাহায্য হয়। স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে।

৩. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে

আয়রন থাকার কারণে বেশি পাকা কলা রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৪. শক্তি জোগায়

উচ্চ পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট ও সুগার থাকার কারণে বেশি পাকা কলা শরীরে শক্তি জোগাতে কাজ করে। দুটো পাকা কলা টানা ৯০ মিনিট ব্যায়ামের শক্তি জোগায়।

৫. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

কলার মধ্যে আঁশ থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে উপকারী। এটি হজম ভালো করতেও কার্যকর।

শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়
**********************************************

হাড় ক্ষয় প্রধানত বেশি বয়সের রোগ হলেও শিশু-কিশোরদেরও কিছু কিছু সময় হাড় ক্ষয় রোগে ভুগতে দেখা যায়। যা শিশুর বৃদ্ধি, চলা ফেরার সামর্থ্যকে প্রকটভাবে ব্যহত করতে পারে। অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েদের পড়ে যাওয়া ও হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদের সচেতনতা কম থাকায়, চিকিৎসাটি ব্যয়-বহুল হওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অনেক সময় পাওয়া যায় না। শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয় সরাসরি হাড়ের নিজস্ব সমস্যার জন্যই হতে পারে (প্রাইমারি), আবার অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা হাড় ক্ষয়ের কারণ হতে পারে (সেকেন্ডারি)। হাড় ক্ষয়ের প্রাইমারি কারণগুলোর মধ্যে জিনগত ত্রুটি প্রধান জায়গা দখল করে আছে। কোন জিনটি হাড় ক্ষয়ের কারণ ঘটাচ্ছে তার দ্বারা কোন বয়সে হাড় ক্ষয় হবে সেটি নিরূপিত হয়, হাড় ক্ষয়ের মাত্রাও এর দ্বারাই প্রভাবিত।
হাড় ক্ষয়ের কারণে দীর্ঘ তালিকা রয়েছে, যারা দু’টি দলভুক্ত হবে: ক) গ্লুকোকর্টিকয়েড ব্যবহার জনিত। খ) চলৎ ক্ষমতা সীমিত কারক কারণ সমূহ। শিশুদের হরমোন চিকিৎসার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশি করে হাড় ক্ষয়ের রোগী শনাক্ত হচ্ছে। শিশুদের রক্তের ক্যান্সার, মাংশপেশী ও হাড়ের গাঠনিক জিনগত ত্রুটি হাড় ক্ষয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে। এগুলোর দীর্ঘকাল ব্যাপী প্রভাব থেকে যায়। শিশুদের রক্তের ক্যানসারের চিকিৎসাও (কেমোথ্যারাপি) অনেক সময় হাড়ের ঘনত্ব কমাবার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জন্মগত হাড় ও মাংশের রোগ এবং অন্যান্য ক্যানসারও শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের কারণ হতে পারে। বেশির ভাগ শিশু-কিশোরই কোনো রকম শারীরিক সমস্যা নিয়ে শুরুতে নাও আসতে পারে। কিন্তু যারা গ্লুকোকর্টিকয়েডের চিকিৎসা পাচ্ছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার শুরু থেকেই কি ডোজে এ ওষুধটি সেবন করছে, কতদিন ধরে চিকিৎসা চলছে, সেটি হিসাব করে হাড় ক্ষয়ের মাত্রার অনুমান করা যেতে পারে। যে সকল শিশু স্টেরয়েড চিকিৎসা পাচ্ছে, তাদের ৬ থেকে ১৬ শতাংশ প্রতি বছর হাড় ক্ষয়ে আক্রান্ত হতে পারে। একই সঙ্গে যদি অন্য কোনো কারণ উপস্থিত থাকে তাহলে এর মাত্রা বেড়ে যাবে। শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের অন্যতম প্রধান জায়গা হলো কশেরুকা। এরপরে আছে পাঁজরের হাড়, হাত ও পায়ের লম্বা হাড়গুলো এবং কোমরের হাড়। শিশু-কিশোরদের হাড় ক্ষয়ের অনেকগুলো তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘস্থায়ী ফলশ্রুতি থাকে। হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি যেমন বৃদ্ধি পাই, তেমনি দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার সম্ভাবনা থেকে যায়। পায়ের হাড় ভেঙে গেলে চলাফেরার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার সমূহ সম্ভাবনা থাকবে। মেরুদণ্ডের হাড়, পাঁজরের হাড় এবং বুকের হাড় ভেঙে গেলে আকৃতিগত স্থায়ী অস্বাভাবিকতা দেখা দিতে পারে। শিশুদের দৈহিক কাঠামো গতিশীলভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সময় যে কোনো হাড় ভেঙে গেলে, এ গতিকে তা মারাত্মকভাবে ব্যহত করে।
এ সকল কিছু বিবেচনায় নিয়ে যে সকল শিশু-কিশোর হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদেরকে নিয়মিত মনিটরিং এর আওতায় আনাটা প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের একটি দায়িত্ব হতে পারে। অধিকাংশ উন্নত দেশেই এ কাজের জন্য সুনির্দিষ্ট কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট সময় পর পর হাড়ের ঘনত্ব মাপা (ইগউ), নির্দিষ্ট কিছু রক্তের পরীক্ষা করা ও শিশুটির দৈহিক বৃদ্ধির মাত্রা দেখা হয়।
রোগটি শনাক্ত হবার পরে শিশু বা কিশোরটির চিকিৎসার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়। এর অংশ হিসেবে শিশুটির দেহে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, কপার, আয়রন, ফ্লোরাইড, জিংক, এবং ভিটামিন এসি ও কে-এর মাত্রা নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ঘাটতি পূরণের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। এ কাজে ওষুধের চেয়ে জীবন-যাপন আদর্শকরণ ভিত্তিক উন্নতি বেশি ফলদায়ক। সে উদ্দেশে খাদ্য ব্যবস্থাপনা ও শারীরিক শ্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশু-কিশোদের কমপক্ষে ১০০ওট ভিটামিন-ডি প্রতিদিন খাওয়া উচিত। কিন্তু যাদের ঘাটতি আছে, তাদের আরো বেশি লাগতে পারে। বাংলাদেশে খাবার থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি-পাবার তেমন কোনো সুযোগ নেই। তাই নিয়মিত রোদ পোহানোই সবচেয়ে সহায়ক পদ্ধতি হতে পারে। যে সব শিশুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ আছে, তার পর্যাপ্ত চিকিৎসা করতে হবে। যে সব রোগের জন্য স্টেরয়েড সেবন প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে স্টেরয়েডটির ন্যূনতম প্রাত্যহিক মাত্রা নিরূপণ করে সেবন করতে হবে। সকল ক্ষেত্রেই আদর্শ মানের মনিটরিং দরকার।
শিশুর হাড় ক্ষয়ের মাত্রা নিশ্চিত করার পরে ওষুধ বাছাই করার দরকার হবে। সেক্ষেত্রে ইনজেকশন ও মুখে খাবার ওষুধ দু’রকমই আছে। হরমোন বিশেষজ্ঞ শিশুর বয়স, হাড় ক্ষয়ের কারণ, হাড় ক্ষয়ের মাত্রা ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা বিবেচনা করে শিশু বা কিশোরটির জন্য আদর্শ ওষুধ ও এর মাত্রা ঠিক করবেন।

সফেদার এতো গুণ!


আমাদের খুবই পরিচিত ফল সফেদা। ফলটি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন সুস্বাদু। শুধু দেখতে ও খেতে নয়, সফেদা গুণেও অনন্য।

১. সফেদায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ ও সি থাকে। ভিটামিন এ চোখের পক্ষে খুবই ভাল। আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি’র জুড়ি মেলা ভার।

২. সফেদায় প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে। এটি শরীরকে চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করে।

৩. যারা পেটে জ্বালাপোড়া ভাব অনুভব করেন তারা সফেদা খেতে পারেন। কয়েকদিন খেলেই উপকার পাবেন। সফেদা হজমশক্তি বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

৪. সফেদায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে. যা ওরাল ক্যাভিটি ক্যানসারের মতো রোগকে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৫. মফেদা প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন রয়েছে। ফলে এটি যেমন আপনার হাড় মজবুত করে, শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে।

৬. সফেদা শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৭. সফেদায় একাধিক ভিটামিন ও ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে। তাই এটি গর্ভবতী মহিলাদেরও নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে বমি বমি ভাবটিও কেটে যায়।

৮. সফেদায় জলীয় অংশের পরিমাণ বেশি থাকে তাই ক্ষুধা মেটাতে এটি খুবই কার্যকরী। ফলে ডায়েটিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফল ভীষণ উপকারী।

৯. প্রতিদিন একটি করে সফেদা খেলে তা শরীরে টক্সিনের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এর ফলে ত্বক উজ্জ্বল থাকে। চুলের গ্রোথও ভাল হয়। ত্বকে ময়েশ্চার বজায় থাকে।

গরমে দরকার অধিক লেবুর শরবত

প্রকৃতিতে চলছে তীব্র তাপদাহ। বৈশাখের ছাতি ফাটা রোদে প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়। তবু জীবিকা ও কাজের প্রয়োজনে আমাদের বাইরে বের হতেই হয়। গরমের প্রকোপ থেকে স্বস্তি পেতে অনেকেই এ সময়ে নানা ধরনের কোমল পানীয়, জুস, বিভিন্ন ধরনের ফলের রস, শরবত পান করে থাকেন। কিন্তু এখন রাস্তাঘাট, ফাস্টফুড কিংবা স্ন্যাকসের দোকানে ঠান্ডা পানীয় ও শরবতের নামে আমরা যা গলাধঃকরণ করছি সেসবের বেশিরভাগই প্রিজারভেটিভ এবং কার্বন ডাইঅক্সাইডযুক্ত হওয়ায় শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই গরমে শরীর ও মন সতেজ রাখতে এবং সুস্থতার জন্য তাই দরকার প্রাকৃতিক কিছুর ওপর নির্ভরতা। লেবুর শরবত হতে পারে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী পানীয়। গরমে প্রশান্তি লাভেরও অন্যতম উপায় লেবুর শরবত পান করা। লেবু অত্যধিক পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ একটি ফল। এক গস্নাস লেবুর শরবত গরমে শরীরের পানি স্বল্পতা দূর করে আমাদের এনে দেবে প্রশান্তি। এতে দেহের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদান নেই। উল্টো মানুষকে সুস্থ রাখাসহ বিভিন্ন রোগ থেকে প্রতিরোধে লেবুর শরবতের রয়েছে অসাধারণ ক্ষমতা। লেবু শরবত তৈরি তেমন কষ্টসাধ্য নয় বিধায় আপনি চাইলেই স্বল্প সময়ে এটা নিজেই বানিয়ে পান করতে পারেন। এক গস্নাস পানিতে মাত্র দুই থেকে তিন টুকরো লেবুর রস দিয়ে তৈরি করতে পারেন শরবত। আপনি যদি মিষ্টি পছন্দ করেন তবে পছন্দমতো চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। লেবুর শরবতের রয়েছে বিশেষ কিছু পুষ্টিগুণ। যা শরীরকে সতেজ রাখার পাশাপাশি ভিটামিনের ঘাটতিও পূরণ করে। নিশ্চিত করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সাধারণত প্রতি ১০০ গ্রাম লেবুর রসে থাকে- ১২ কিলোক্যালরি, পানি ৯৬ শতাংশ, ফাইবার ১.৮ গ্রাম, সুগার ৩ গ্রাম, ভিটামিন সি ৪০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি ১০.০৬ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি ৬০.০৪ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন বি-ই ০.৪ মিলিগ্রাম। লেবুর রয়েছে নানা জাত ও নাম। সব লেবুর উপকারিতা একই রকম না হলেও মানব শরীরের জন্য সব লেবুই উপকারী। বাংলাদেশে লেবুর মধ্যে উলেস্নখযোগ্য হলো, কাগজি, এলাচি, গোড়া, জারা, ঝোটা, চায়না, বীজশূন্য শরবতী ও চট্টগ্রামী লেবু।

খোসপাঁচড়া কেন হয়?

এটি এক প্রকার ছোঁয়াচে রোগ। চর্মের ওপর প্রথম রস ও পুঁজযুক্ত বড় বড় ফুসকুড়ি প্রকাশ পায়। প্রথমে আক্রান্ত স্থান অত্যন্ত চুলকায়। কতগুলো উদ্ভেদ একসঙ্গে উৎপন্ন হলে চুলকানির জন্য ছিঁড়ে গিয়ে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং পরে মামড়ি পড়ে। Sarcoptes Scabies নামক পরজীব Parasite এ রোগের কারণ। এরা চামড়া দিয়ে ঢুকে, চামড়ার নিচে বাসা বাঁধে। এদেরকে চুলকানি পোকও বলা যায়। স্ত্রী পোকা চর্মের একদম উপরিভাগের মৃত কোষে গর্ত করে এবং এ গর্ত করা বাসায় Burrow অসংখ্য ডিম পাড়ে। এভাবে এরা অসংখ্য Burrow সৃষ্টি করে ও ডিম ছড়াতে ছড়াতে এরা এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে হানা দেয়। ২/৪ দিনের মধ্যেই ডিম ফুটে অসংখ্য বাচ্চা পোকাদের সৃষ্টি হয় এবং এক সঙ্গে সব জমা হয়ে চর্মের Hair follicles বা কেশগর্ভগুলোতে আশ্রয় নেয়। ফলে এসব স্থানে চুলকানি হয়। যখন এ পোকাগুলো গর্ত বা নালীর Burrow মধ্যে নড়াচড়া করে তখন চুলকানি সৃষ্টি হয়। অপরিষ্কার জামা-কাপড় ও বিছানা পত্র থেকে এ রোগ বেশি ছড়ায়। যেহেতু রোগটি ছোঁয়াচে, সেহেতু খুব সহজেই পরিবারের অন্য সদস্যরা আক্রান্ত হয়। সাধারণত একই বিছানায় শোয়া বা ঘনিষ্ঠ সাহচার্যে থাকলে, একই কাপড় চোপড় ব্যবহার করলে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে চামড়ার নানা সমস্যা দেখা দেয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ও আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ
পরিহার করা। আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা করতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্য যারা একই বিছানা, তোয়ালে ও কাপড় চোপড় ব্যবহার করে, ঘনিষ্ঠ সাহচর্যে থাকে তাদের রোগের উপসর্গ থাকুক বা না থাকুক তাদের চিকিৎসা করতে হবে।

কিডনি রোগী কী খাবেন, কী খাবেন না

কিডনি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত খাওয়া-দাওয়া, অতিরিক্ত ওজন ছাড়া আরো নানা কারণে কিডনি রোগ হতে দেখা যায়। যে কারণেই কিডনির সমস্যা হোক না কেন দীর্ঘ মেয়াদি কিডনি রোগের চিকিৎসায় একমাত্র উপায় হলো সঠিক পথ্য। অন্যান্য রোগের চেয়েও খুব হিসাব-নিকাশ করে কিডনি রোগীর চিকিৎসার পথ্য নির্ধারণ করতে হয়। রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বৃদ্ধিকে ধীরগতিতে চালোনার ক্ষেত্রে সঠিক পথ্য দারুণভাবে কার্যকরী। কিছু ক্ষেত্রে সঠিক পথ্য মেনে চললে রক্তে ক্রিয়েটিনিনের মাত্রাকে অনেকটা নামিয়ে আনা সম্ভব। তবে রোগী ভেদে কিডনির পথ্য নির্ধারণে কিছুটা ভিন্নতা থাকে। কেননা রক্তে ইলেকট্রোলাইটসের পরিমাণ, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, ইউরিয়া ও ইউরিক এসিডের পরিমাণ, রক্ত ও ইউরিনে এলবুমিনের পরিমাণ এবং ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ভেদে পথ্যটিকে সাজাতে হয়। সে ক্ষেত্রে একজন ক্লিনিক্যাল ডায়েটেশিয়ানের পরামর্শ নেয়া একান্ত জরুরি। তার পরও সাধারণভাবে যে বিষয়গুলো মনে রাখা প্রয়োজন সেগুলো হলো :

১. ক্যালরি
কিডনি রোগীদের সাধারণত ক্যালরির চাহিদা অন্যান্য রোগীর তুলনায় বাড়ানো হয়। যথাযথ শক্তি প্রদান করার মাধ্যমে রোগীর সঠিক মাংসপেশিকে বজায় রাখতে ক্যালরি সাহায্য করে। সাধারণত প্রতি কেজি ওজনের জন্য রোগী ভেদে ৩০ থেকে ৩৫ কিলোক্যালরি পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। এই ক্যালরি রোগীকে শক্তি দেয়া ছাড়াও সচল এবং কর্মক্ষম রাখে। যা রোগীকে এই রোগ মোকাবেলায় দারুণভাবে সাহায্য করে।

২. কার্বোহাইড্রেট
কিডনি রোগী মোট ক্যালোরি চাহিদার বেশির ভাগই কার্বোহাইড্রেটের মাধ্যমে পূরণ হয়। কার্বোহাইড্রেট কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে বন্ধুবৎসল। খাবারে অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ করতে হয় বলে কার্বোহাইড্রেটকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে শর্করার মাত্রা বিবেচনা করে কার্বোহাইড্রেট হিসাব করা হয়। ভাত, ময়দা, রুটি, চিঁড়া, সুজি, চালের গুঁড়া, চালের রুটি, সাগু, সেমাই ইত্যাদি কিডনি রোগীর জন্য উত্তম কার্বোহাইড্রেট।

৩. প্রোটিন
কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে প্রোটিন নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘ মেয়াদি কিডনি রোগে প্রতি কেজি ওজনের জন্য পয়েন্ট পাঁচ থেকে পয়েন্ট আট গ্রাম প্রোটিন বরাদ্দ করা যেতে পারে। যদিও এই হিসাব নির্ভর করবে রোগীর অবস্থা ও বিভিন্ন পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর। সাধারণত ডাল, বাদাম, কাঁঠালের বীচি, সিমের বীচি ইত্যাদি রোগীকে বর্জন করতে হয়। প্রতিদিনের দৈনিক প্রোটিনের চাহিদা ডিমের সাদা অংশ, মাছ, মুরগির গোশত ও দুধ বা দই ইত্যাদি থেকে হিসাব করে বরাদ্দ করা হয়। গরু, খাসির গোশত, কলিজা, মগজ ইত্যাদি অবশ্যই এড়িয়ে যেতে বলা হয়।

৪. চর্বি
বেশির ভাগ কিডনির রোগীই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগে। এ ছাড়া কিডনি রোগীদের যাতে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে না যায়, প্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে তাই চর্বির হিসাব যথাযথভাবে করতে হয়। সাধারণত স্যাচুরেটেট বা সম্পৃক্ত চর্বি জাতীয় খাবার, ভাজাপোড়া খাবার, ফাস্ট ফুড, ডিমের কুসুম এড়িয়ে যেতে হয়। রান্নার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে উদ্ভিজ্জ তেল, সূর্যমুখী, কর্ন অয়েল, ক্যানোলা অয়েল ইত্যাদি ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়। অনেক কিডনি রোগীকে ভয়ে তেল খাওয়া বন্ধ করতে দেখা যায়। যা একেবারেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। প্রতিদিনের রান্নায় চার চা চামচ (২০ এমএল) তেল ব্যবহার করলে ভালো।

৫. সবজি
রক্তে পটাশিয়াম, ইউরিক এসিডের মাত্রা, ফসফরাস ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে সবজি হিসাব করা হয়। অতিরিক্ত পিউরিন ও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাকসবজি, পিচ্ছিল ও গাড় লাল রঙের শাক সবজি এড়িয়ে যেতে হবে। তবে কিডনি রোগীদের জন্য চালকুমড়া, চিচিঙ্গা, ঝিংগা ইত্যাদি পানীয় সবজি উপকারী। উপকারী হলেও এগুলোর পরিমাণ মেনে চলাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা সবজির সালাদ, সবজি স্যুপ ইত্যাদি কিডনি রোগীদের এড়িয়ে চলতে হয়।

৬. ফল
কিডনি রোগীদের ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সতর্ক হতে হয়। অক্সালিক এসিড, ইউরিক এসিড, পটাশিয়াম, রক্তচাপ ছাড়াও আরো অনেক কিছু বিবেচনা করে ফল নির্ধারণ করা হয়। তিন-চারটি ফল রোগী ভেদে সীমিত আকারে দেয়া হয়। যেমন : আপেল, পাকা পেঁপে, পেয়ারা ইত্যাদি। অনেকই কিডনি রোগ হলে ফল খাওয়া বন্ধ করে দেয়, যা স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এ ক্ষেত্রে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বিবেচনা করে ফল নির্ধারণ করতে হবে।

৭. লবণ
লবণ বা সোডিয়াম নিয়ন্ত্রিত পথ্য কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরি। রক্তচাপ, রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা, ইডিমা বা শরীরের পানির পরিমাপের ওপর ভিত্তি করে লবণের পরিমাপ করা হয়। সাধারণত দুই থেকে পাঁচ গ্রাম লবণ নির্ধারণ করা হয়, যা নির্ভর করবে আপনার শারীরিক অবস্থা ও ডায়েটেশিয়ানের ওপর। তবে আলাদা লবণ অবশ্যই পরিহার করতে হবে এবং অতিরিক্ত সোডিয়ামযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন : চিপস, পাপর, চানাচুর, আচার ইত্যাদি। যা শুধু কিডনি রোগীর চিকিৎসায় নয়, কিডনি রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।

৮. তরল/পানি
কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে তরল নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি। দৈনিক চা, দুধ, পানি সব মিলিয়ে তরলের হিসাব করা হয়। কোন রোগীকে কতটুকু তরল বরাদ্দ করা হবে তা নির্ভর করবে রোগীর অবস্থার ওপর। শরীরের ইডিমা, হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, সোডিয়ামের মাত্রা, ইজিএসআর- এসবের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে এক থেকে দেড় লিটার, কখনো কখনো দুই লিটার পর্যন্ত তরল বরাদ্দ হয়। অনেকেই অসুস্থ কিডনিকে সুস্থ করার জন্য অতিরিক্ত পানি খায়, এটি ভুল।

দীর্ঘ মেয়াদি ক্রনিক কিডনি রোগী এ ধরনের খাবার মেনে চললে কিডনিকে মারাত্মক জটিলতা থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। কিছুটা একঘেয়েমি হলেও ধৈর্যের সাথে সঠিক পথ্য ব্যবস্থাপনা মেনে চলা প্রত্যেক কিডনি রোগীর জন্য একান্ত জরুরি।

বি: দ্র: ডায়ালাইসিসের আগ পর্যন্ত রোগাক্রান্ত কিডনি সুরক্ষার জন্য এই খাবারগুলো মেনে চলা যায়।

সাবধান! শিশুর এই ৫ ধরনের ছবি ভুলেও পোস্ট করবেন না


সোশ্যাল মিডিয়ায় শিশুদের বিভিন্ন কীর্তিকলাপ দেখতে কে না ভালবাসে। হাসি-খুশি মিষ্টি মুখের শিশুদের ছবি-ভিডিও তাই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হতেও বিশেষ সময় লাগে না। কিন্তু সাবধান! ছবি পোস্ট করার আগে অবশ্যই বাছবিচার করে নিন। এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কোনওরকম ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। মনে রাখবেন, এর সঙ্গে জড়িয়ে আপনার শিশুর ভবিষ্যত এবং নিরাপত্তা। তাই জেনে নিন অনলাইনে বাচ্চাদের কোন ধরনের ছবি না দেওয়াই শ্রেয়।

নগ্ন ছবি:
শিশুদের শরীর ও মন ফুলের মতোই নিরীহ-কোমল। কিন্তু সমাজের কিছু বিকৃতকামদের মনে কী ঘুরপাক খায়, কে বলতে পারে। তাই নগ্ন অবস্থায় শিশুদের স্নান বা খেলাধুলোর ছবি পোস্ট না করাই ভাল। আপনার অজান্তে সেসব ছবির অপব্যবহারও হতে পারে।

অসুস্থতার ছবি:
সন্তান অসুস্থ থাকলে অনেকেই সে ছবি পোস্ট করে ভারচুয়াল দুনিয়ার বন্ধুদের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেন। ভেবে দেখুন। তা কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। কখন আপনার শিশু বাড়ি থাকছে, আপনি তার জন্য কতক্ষণ কর্মস্থলে থাকতে পারছেন না, সে সব খবরই ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে। ফলে আপনার গতি-প্রকৃতির উপর নজর রাখা বেশ সহজ হয়ে দাঁড়ায়। আর শিশু বিশেষজ্ঞরা সোশ্যাল দুনিয়া থেকে ব্যক্তিগত জীবনকে দূরে রাখার পরামর্শই দিচ্ছেন।

বকাবকি কিংবা হেয় করার ছবি:
আপনার শিশু স্কুলে বকা খেলে কিংবা বন্ধুরা তাকে নিয়ে মশকরা করলে, সেসব ছবি দিয়ে ভারচুয়াল দেওয়াল না ভরানোই ভাল। আপনি তাঁকে বকলে তা চার দেওয়ালের মধ্যেই আবদ্ধ থাকুক। কারণ এমন ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলে তার মনের উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। ভাবতে পারেন, ঠিক-ভুল ভাবার মতো সন্তানের এখনও বয়স হয়নি। কিন্তু এ ধারণা ভুল। বড় হয়েও সে ছবি সে দেখতে পাবে। তাছাড়া বন্ধুমহলে সে ছবি পৌঁছালে তার আত্মবিশ্বাসেও জোর ধাক্কা লাগতে পারে।

ব্যক্তিগত তথ্যের ছবি:
সন্তানের স্কুলের পোশাক পরা ছবি কিংবা পড়াশোনার বোঝা বোঝানোর চক্করে একগুচ্ছ স্কুল পাঠ্যের ছবি পোস্ট করে দিলেন। এতেও কিন্তু বিপদ লুকিয়ে। এমন ছবি প্রকাশ্যে এনে অপহরণকারীদেরই সুবিধা করে দিলেন আপনি। শুধু নিজেরই নয়, আপনার সন্তানের বন্ধুদেরও এমন ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত রাখুন।

শৌচালয়:
শিশুর শৌচকর্মের ভিডিও বা ছবি দেখে নেটিজেনরা বেশ মজাই পান। শৌচালয়ে তাদের নানা কাণ্ডকারখানা দেখতে মন্দ লাগে না। সাবধান হোন। সন্তানের শৌচকর্মের ছবি পরবর্তীকালে তাদের লজ্জায় ফেলে দেয়।

শরীরে যে ৪টি লক্ষণ দেখলে পরামর্শ নিন চিকিৎসকের

মানবদেহে কখন কী ভাবে রোগ বাসা বাঁধে, তার কোনও ঠিক ঠিকানা নেই। অনেক সময় তৎক্ষণাৎ বোঝা গেলেও, এমন বহু রোগ আছে যা বুঝতে আপনার বেশ কয়েক বছর সময় লেগে যায়। আর তত দিনে সেই রোগ অনেক গভীরে পৌঁছে যায়।

শরীরে যে সব রোগ বাসা বাঁধে, তার অধিকাংশই স্ট্রেস থেকে আসে। এমনকী মানসিক ব্যাধিও দেখা দিতে পারে স্ট্রেস থেকে। তবে শরীরে চারটি লক্ষণ আগে থেকেই জানান দেয় যে, আপনার দেহে রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে দেখে নেওয়া যাক, কী সেই লক্ষণগুলি-

১। কাজ করার ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমতে থাকলে বা শরীরে এনার্জির অভাব বোধ করলে বুঝবেন রোগ বাসা বাঁধছে। মূলত স্ট্রেস থেকেই এই লক্ষণ আসে। এর থেকে হরমোন জনিত সমস্যাও তৈরি হয় ও মানসিক ব্যাধি, ঘুম কম হওয়া ইত্যাদিও শুরু হয়।

২। চোয়ালে ব্যথা বা দাঁত কিড়মিড় করা, মাথায় ব্যথা, দাঁতের সমস্যা ইত্যাদিও হয় স্ট্রেস ও অ্যাংজাইটি থেকে। অনেক সময়ে ঘুমের মধ্যেও অনেকে দাঁতে দাঁত ঘষতে থাকেন, যার ফলে মাড়ি বা জিভি কেটে যায়। এর থেকে মুখে ইনফেকশন পর্যন্ত হতে পারে। মুখের ইনফেকশন বছরের পর বছর ফেলে রেখে দিলে মুখে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে।

৩। প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অর্থাৎ শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে গেছে। নিয়মিত এমন হতে থাকলে এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান।

৪। স্ট্রেস থেকে প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও বদলে যায়। স্ট্রেস থাকলে তখন ভাত রুটির থেকেও চটজলদি খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। ক্ষুধা খুব বেড়েও যেতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন মানে পেটের বড় অসুখের ইঙ্গিত। তাই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ঠাণ্ডা পানি পানে হতে পারে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি

গরম হোক আর শীতকাল হোক, ঠাণ্ডা পানি ছাড়া চলে না এমন মানুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। তবে সবসময় ঠাণ্ডা পানি খাওয়া কি শরীরের জন্য উপকারী? আসুন জেনে নেই ঠাণ্ডা পানি খাওয়ার কুফল।

১. বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার পরে ঠাণ্ডা পানি পানের অভ্যাস অস্বাস্থ্যকর। কারণ, এর ফলে শ্বাসনালীতে অতিরিক্ত পরিমাণে শ্লেষ্মার আস্তরণ তৈরি হয়, যা থেকে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. মাত্রাতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পানের ফলে রক্তনালী সংকুচিত হয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পানে আমাদের স্বাভাবিক পরিপাকক্রিয়াও বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হজমের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।

৩. শরীরচর্চা বা ওয়ার্কআউটের পর ঠাণ্ডা পানি একেবারেই পান করা যাবে না। কারণ, ঘণ্টাখানেক ওয়ার্কআউটের পর শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটা বেড়ে যায়। এই সময় ঠাণ্ডা পানি পান করলে শরীরের তাপমাত্রার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তাপমাত্রার সামঞ্জস্য বিঘ্নিত হয়। ফলে হজমের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়ার্কআউটের পর ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে কুসুম গরম পানি পান করলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

৪. দন্ত চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পানের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে দাঁতের ভেগাস স্নায়ুর ওপর। এই ভেগাস স্নায়ু আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করলে ভেগাস স্নায়ু উদ্দীপিত হয়ে ওঠে। ফলে আমাদের হৃদযন্ত্রের গতি অনেকটা কমে যেতে পারে।

তাই ঠাণ্ডা পানি পানের অভ্যাস থাকলে বদলে ফেলুন। সুস্থ থাকুন।

পাইলস থেকে মুক্তির উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন৷ গরমে ডিহাইড্রেশন, হজমের সমস্যা বাড়ে৷ তবে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গেলে পাইলস হয়ে যায়৷ যা এক মারাত্মক সমস্যা৷ পাইলস সারাতে অব্যর্থ পাকা পেঁপে৷ এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা৷

পাকা পেঁপেতে থাকে এনজাইম প্যাপেইন যা হজমে সাহায্য৷ যেকোনও জটিল খাবার সহজে পরিপাক করাতে পারে পেঁপে৷ যে কারণে খাসির মাংস রান্নার সময় তাড়াতাড়ি সিদ্ধ করতে মেশানো হয় পেঁপে৷ সেই সঙ্গেই পেঁপেতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার ও জল৷ এই প্যাপেইন, ফাইবার ও জলের মিশ্রণই কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটি দূরে রাখতে অব্যর্থ৷ আমরা সবাই জানি পাইলসের প্রধান কারণই হল কোষ্ঠকাঠিন্য৷

ঠিক তেমনই পেঁপেতে থাকে আরও একটি জরুরি উপাদান কোলিন৷ যা শরীরে পেশীর সংকোচন, প্রসারণে সাহায্য করে৷ স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়ায়৷ পাইলস বা অ্যানাল হেমারয়েডসের সমস্যা দূর করতে স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা খুবই প্রয়োজনীয়৷ এর ফলে অ্যানাল মাসলের সংকোচন, প্রসারণ ভাল হয়৷

দ্বীন ইসলামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে আল্লাহর খাঁটি বান্দাহ হিসেবে গড়ে তোলা। ইবাদত বন্দেগী একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত করা এবং তার পাশাপাশি উত্তম আচার ব্যবহার অবলম্বনে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।কিন্তু আমরা নামায রোযার ন্যায় উত্তম চরিত্র ও আচার ব্যবহারকেও অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল হিসেবে তেমন গুরুত্ব দেই না।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ হতে পারেন যারা!
এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে নবীন যারা, বা যাদের প্রথম দেখেছি, তাদের মধ্যে যাদের খেলা ভালো লেগেছে…

হাসান মুরাদ:

সবার আগে তার নামটি লিখেছি কারণ সবচেয়ে বেশি মনে ধরেছে এই বাঁহাতি স্পিনারকেই। প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টিতে প্রথম চোখে পড়ল, এরপর মূল প্রিমিয়ার লিগেও দেখলাম। বিকেএসপির হয়ে ছেলেটি এবার ২২ উইকেট নিয়েছেন প্রিমিয়ারে।

যতটুকু দেখেছি, ভালো জায়গায় ক্রমাগত বল রাখতে পারে। টেম্পারামেন্ট দুর্দান্ত। ব্যাটসম্যানকে পড়ে বোলিং করছে বলে মনে হয়েছে। এক জায়গায় টানা বল করে যাওয়া হয়তো খুব দারুণ কিছু মনে হচ্ছে না, কিন্ত এই ছেলেটি সেই কাজ করেছে ওভারের পর ওভার, ম্যাচের পর ম্যাচ। আমার কাছে মনে হয়েছে, অসাধারণ সহজাত সামর্থ্য এটি তার। এজন্যই লিগে তার ইকোনোমি রেট ছিল অবিশ্বাস্য, ৩.৭৫!

তার পরও যদি এসবকে স্পেশাল কিছু মনে না হয়, তার বয়সটা জানলে সবকিছুই স্পেশাল মনে হবে। অফিসিয়াল বয়স মোটে ১৭! বয়সের কারণেই তার বোলিং, তার টেম্পারান্টে, তার ধারাবাহিকতা, সবকিছু আরও বাড়তি নম্বর পাচ্ছে। আমি সাধারণত দ্রুত কাউকে নিয়ে মন্তব্য করি না, পর্যাপ্ত না দেখে ভবিষ্যত নিয়ে বলি না, কিন্তু এই ছেলেটিকে দেখে বলতে বাধ্য হচ্ছি, হি ইজ ওয়ান ফর দা ফিউচার। হয়তো খুব নিকট ভবিষ্যতই।

সাব্বির হোসেন:

প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে তার একটি ছক্কা দেখে প্রথমে ভালো করে দেখতে বাধ্য হই। সেদিন আরও দুটি ছক্কায় ৩২ বলে করেছিলেন ৪৭। তার পরও মূল প্রিমিয়ার লিগেও বেশ ভালো করেছেন। ব্যাটিংয়ে জড়তা নেই। শট খেলতে পছন্দ করেন। নিজের জোনে বল পেলে শট খেলতে দ্বিধা করে না। উইকেটে তার অ্যাপ্রোচ, স্বতস্ফূর্ততা, নড়াচড়া, সবই ভালো লেগেছে। অফিসিয়াল বয়স ২২। শাইনপুকুরের হয়ে লিগে ১০ ইনিংসে করেছেন ৩৭৩ রান। বোলিংটাও খারাপ না। নিয়েছেন ১০ উইকেট।

আনিসুল ইসলাম ইমন:

গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ম্যাচে কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে দুর্দান্ত দুটি ফ্লিক শটে ছক্কা দেখে মুখ দিয়ে আচমকাই বেরিয়ে এলো, “এই মার্ক ওয়াহটা কে!” এই রে, মারতে আসবেন না যেন। মার্ক ওয়াহ বানিয়ে ফেলিনি তাকে। স্রেফ স্টাইলিশ শট দেখে হুট করেই বলা। হ্যাঁ, এই ছেলেটির ব্যাটিং বেশ স্টাইলিশ, বিশেষ করে ফ্লিক, কাভার ও স্কয়ার ড্রাইভ নান্দনিক।

সাব্বিরের মতো ইমনের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ, দলের জন্য খেলার তাড়না ভালো লেগেছে। যতক্ষণ উইকেটে থাকেন, দারুণ স্বচ্ছন্দ। মনেই হয় না কোনো সমস্যা হচ্ছে খেলতে। তবে ভালো খেলতে খেলতেই হুট করে আউট হয়ে যান। ১৩ ম্যাচে ৩২.৬১ গড়ে ৪২৪ রান, এই পরিসংখ্যান আরও ভালো হতে পারত টেম্পারামেন্ট আরও ভালো হলে, কিংবা আচমকা মনোযোগ হারিয়ে না ফেললে। অফিসিয়াল বয়স ২১, নিশ্চয়ই এসব আরও শিখবেন সামনে।

সুমন খান:

তাকেও প্রথম দেখেছি প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে। সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছিলেন এই পেসার। এরপর মূল প্রিমিয়ার লিগে ১১ ম্যাচে নিয়েছেন ১৫ উইকেট। যতটুকু দেখেছি, গতি শুরুতে ভালোই থাকে। লেংথে খুব ধারাবাহিক নন, তবে আচমকা অস্বস্তিকর লেংথ থেকে বল তুলে ব্যাটসম্যানকে বিপাকে ফেলে দেন। টেম্পারামেন্ট ততটা পোক্ত নয়, তবে কিছু কিছু বোলারের উইকেট শিকারের প্রবণতা থাকে, তাকেও তেমন মনে হয়েছে। তিনিও বিকেএসপির, বয়স ১৯।

মুকিদুল ইসলাম:

এইচএসসি পরীক্ষার কারণে খুব বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি। তবে যতটুকু খেলেছেন, নজর কাড়ার জন্য যথেষ্ট ছিল সেটুকুই। মূল কারণ তার উচ্চতা, গতি ও আগ্রাসী বোলিং। ৬ ফুটের বেশি লম্বা। ১৮ বছর বয়স বিবেচনায় গতিও বেশ। অ্যাপ্রোচে বেশ আক্রমণাত্মক। নিজেকে দেখিয়ে দেওয়া, প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার একটা তাড়না দেখা যায় বোলিংয়ের ধরণে। তাকে নিয়ে আলাদা করে ভালো লাগার কথা বলেছেন জাতীয় নির্বাচকেরা, বর্তমান-সাবেক বেশ কজন ক্রিকেটার। দারুণ সম্ভাবনাময় একজন, যাকে খুব যত্ন করে গড়ে তোলার দরকার।

অনারেবল মেনশনস:

১। তানজিদ হাসান তামিম (উত্তরা স্পোর্টিং ক্লাব, বাংলাদেশ অ-১৯ দলের ওপেনার)
২। আমিনুল ইসলাম (বিকেএসপি, ব্যাটসম্যান, বয়স ১৯)
৩। মানিক খান (প্রাইম দোলেম্বর, পেসার, বয়স ২২)

গত মৌসুমে অভিষিক্ত নবীনের ধারাবাহিকতা…

মোহাম্মদ নাঈম:

কয়েকদিন আগের আরেকটি লেখায় উল্লেখ করেছি নাঈমের কথা। গত মৌসুমে প্রিমিয়ারে অভিষেকে ৫৫৬ রান করেছিলেন। সেঞ্চুরি ছিল না, ফিফটি ছিল চারটি। এবার ৩ সেঞ্চুরি, ৫ ফিফটিতে করেছেন লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮০৭ রান।

সহজাত স্ট্রোকমেকার, হ্যান্ড আই কো-অর্ডিনেশন ভালো, ন্যাচারাল টাইমার। গতবারের চেয়ে তার রান ক্ষুধা বেড়েছে। শটের রেঞ্জ বেড়েছে। বড় ইনিংস খেলার তাড়না বেড়েছে। সবই দারুণ ব্যাপার। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোয় রান করেছেন, দলের ত্রাতা হয়েছেন। তার মানে টেম্পারামেন্ট ভালো হচ্ছে। তবে অফ স্টাম্পের বাইরে আরও আঁটসাঁট হতে হবে, খুব গভীরভাবে কাজ করতে হবে এখানে। ফুট ওয়ার্ক ভালো করতে হবে আরও। বাউন্ডারি শটের বাইরে তার অন্য শটের অনেকগুলো সোজা ফিল্ডারের হাতে যায়, গ্যাপে বা আলতো খেলে এক-দুই বের করায় উন্নতি করতে হবে। ফিটনেস আরও ভালো করতে হবে। জানি, একজন ১৯ বছর বয়সী ব্যাটসম্যানের কাছে হয়তো খুব বেশিই দাবি করে ফেলছি। তবে দাকে দারুণভাবে মনে ধরেছে বলেই এত কিছু। সহজাত সামর্থ্যের সঙ্গে এসব ঘষামাজা করতে পারলে লম্বা দৌড়ের ঘোড়া হবেন।
Image Source: bdnews24.com

রবিউল হক:

গত মৌসুমে প্রিমিয়ারে অভিষেকে নিয়েছিলেন ১৪ ম্যাচে ২৭ উইকেট। এবার ১১ ম্যাচে ২২ উইকেট।

উইকেট শিকারের প্রবণতার কথা বলছিলাম। রবিউলের এটি বেশ ভালো আছে। এমনিতে খুব বিপজ্জনক কিছু মনে হবে না, কিন্তু আচমকাই উইকেট নেওয়ার মতো ডেলিভারি করে বসবেন। একটু রিদম বোলার, কখনও ছন্দ পেয়ে গেলে উইকেট শিকারি ডেলিভারি নিয়মিতই করতে থাকেন। এজন্যই ২৫ ম্যাচে ৪৯ উইকেট হয়ে গেছে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে, দুই মৌসুমে ৩ বার ৫ উইকেট নিয়ে ফেলেছেন।


পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি আরও ৩০ কোটি বছর বেশি আগে!

আমাদের জানামতে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে। কিন্তু নতুন এক গবেষণার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী বলছেন ভিন্ন কথা! তারা বলছেন, বিজ্ঞানীদের প্রচলিত ধারণার চেয়েও হয়তো আরও ৩০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে।

গবেষকেরা বলছেন, এখন থেকে ৪১০ কোটি বছর আগেও হয়তো জীবসত্তার অস্তিত্ব ছিল এ গ্রহে। বিষয়টি নিশ্চিত হলে এর মানে দাঁড়াবে, পৃথিবী সৃষ্টির তুলনামূলকভাবে অল্প সময় পরেই প্রাণের উৎপত্তি হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্যের চারপাশের আদি ধূলিকণা ও গ্যাসের সমন্বয়ে ৪৬০ কোটি বছর আগে গঠিত হয়ে এই গ্রহ।

গবেষকেরা ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার জ্যাক হিলস এলাকা থেকে সংগৃহীত বিপুল পরিমাণ পুরোনো জিরকন ধাতুর স্ফটিকের মধ্যে গ্রাফাইটের চিহ্ন আবিস্কার করেন । গ্রাফাইটের পরমাণুগুলো হচ্ছে কার্বনের স্ফটিক রুপ, যা জৈব উপাদানের উৎসের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। এগুলো হালকা কার্বন আইসোটোপের সমৃদ্ধ। সাধারণত জীবন্ত প্রাণীর মধ্যেই এ উপাদান থাকে।

রেখে দিন কাজে লাগবে
২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে। টুর্নামেন্টের দ্বাদশ আসরে অংশ নিচ্ছে ১০টি দল। এবারের বিশ্বকাপে মোট ৫১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচগুলো সাধারণত বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৩টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম খেলা ২ জুন লন্ডনের দ্য ওভালে। টাইগারদের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ৮টি ভেন্যুতে ঘুরে ঘুরে বিশ্বকাপের প্রাথমিক পর্বের ৯ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি নিচে দেয়া হলো

৩০ মে ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ওভাল, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

৩১ মে উইন্ডিজ-পাকিস্তান ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম ৩.৩০ মিনিট

০১ জুন নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান কার্ডিফ ৩.৩০ মিনিট

০১ জুন আফগানিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ব্রিস্টল সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

০২ জুন বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ওভাল, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

০৩ জুন ইংল্যান্ড-পাকিস্তান ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম ৩.৩০ মিনিট

০৪ জুন আফগান্তিান-শ্রীলঙ্কা কার্ডিফ ৩.৩০ মিনিট

০৫ জুন ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা হ্যাম্পশায়ার বোল, সাউদাম্পটন ৩.৩০ মিনিট

০৫ জুন বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওভাল, লন্ডন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

০৬ জুন অস্ট্রেলিয়া-উইন্ডিজ ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম ৩.৩০ মিনিট

০৭ জুন পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ব্রিস্টল ৩.৩০ মিনিট

০৮ জুন বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড কার্ডিফ ৩.৩০ মিনিট

০৮ জুন আফগানিস্তান-নিউজিল্যান্ড টনটন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

০৯ জুন ভারত-অস্ট্রেলিয়া ওভাল, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

১০ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা-উইন্ডিজ হ্যাম্পশায়ার বোল,সাউদাম্পটন ৩.৩০ মিনিট

১১ জুন বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ব্রিস্টল ৩.৩০ মিনিট

১২ জুন অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান টনটন ৩.৩০ মিনিট

১৩ জুন ভারত-নিউজিল্যান্ড ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম ৩.৩০ মিনিট

১৪ জুন ইংল্যান্ড-উইন্ডিজ হ্যাম্পশায়ার বোল, সাউদাম্পটন ৩.৩০ মিনিট

১৫ জুন শ্রীলঙ্কা-অস্ট্রেলিয়া ওভাল, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

১৫ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান কার্ডিফ সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

১৬ জুন ভারত-পাকিস্তান ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার ৩.৩০ মিনিট

১৭ জুন বাংলাদেশ-উইন্ডিজ টনটন ৩.৩০ মিনিট

১৮ জুন ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার ৩.৩০ মিনিট

১৯ জুন নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা এজবাস্টন, বার্মিংহাম ৩.৩০ মিনিট

২০ জুন বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ট্রেন্ট ব্রিজ, নটিংহ্যাম ৩.৩০ মিনিট

২১ জুন শ্রীলঙ্কা-ইংল্যান্ড হেডিংলি-লিডস ৩.৩০ মিনিট

২২ জুন ভারত-আফগানিস্তান হ্যাম্পশায়ার বোল, সাউদাম্পটন ৩.৩০ মিনিট

২২ জুন উইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

২৩ জুন পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা লর্ডস, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

২৪ জুন বাংলাদেশ-আফগানিস্তান হ্যাম্পশায়ার বোল, সাউদাম্পটন ৩.৩০মিনিট

২৫ জুন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া লর্ডস, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

২৬ জুন নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান এজবাস্টন, বার্মিংহাম ৩,৩০ মিনিট

২৭ জুন ভারত-উইন্ডিজ ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার ৩.৩০ মিনিট

২৮ জুন শ্রীলঙ্কা-দক্ষিণ আফ্রিকা চেস্টার লি স্ট্রীট ৩.৩০ মিনিট

২৯ জুন পাকিস্তান-আফগানিস্তান হেডিংলি লিডস ৩.৩০ মিনিট

২৯ জুন নিউজিল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া লর্ডস, লন্ডন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

৩০ জুন ভারত-ইংল্যান্ড এজবাস্টন, বার্মিংহাম ৩.৩০ মিনিট

০১ জুলাই শ্রীলঙ্কা-উইন্ডিজ চেস্টার লি স্ট্রীট ৩.৩০ মিনিট

০২ জুলাই বাংলাদেশ-ভারত এজবাস্টন, বার্মিংহাম ৩.৩০ মিনিট

০৩ জুলাই ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড চেস্টার লি স্ট্রীট ৩.৩০ মিনিট

০৪ জুলাই আফগানিস্তান-উইন্ডিজ হেডিংলি লিডস ৩.৩০ মিনিট

০৫ জুলাই বাংলাদেশ-পাকিস্তান লর্ডস,লন্ডন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

০৬ জুলাই ভারত-শ্রীলঙ্কা হেডিংলি লিডস ৩.৩০ মিনিট

০৬ জুলাই অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট

০৯ জুলাই ১ম সেমিফাইনাল ওল্ড ট্রাফোর্ড, ম্যানচেস্টার ৩.৩০ মিনিট

১০ জুলাই বিরতি

১১ জুলাই ২য় সেমফিাইনাল এজবাস্টন, বার্মিংহাম ৩.৩০মিনিট

১২ জুলাই বিরতি

১৪ জুলাই ফাইনাল লর্ডস, লন্ডন ৩.৩০ মিনিট

১৫ জুলাই রিজার্ভ ডে লর্ডস, লন্ডন

মানসিক চাপ দেখা যায় না ঠিকই কিন্তু এ সমস্যা যেকোনো শারীরিক সমস্যার মতোই কঠিন। এর প্রভাব খুব সহজেই পড়ে আমাদের শরীরে। উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হজমের সমস্যা এমনকি স্নায়ুর সমস্যা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত ডার্ক চকলেট খান। পাশাপাশি আরও কিছু খাবার রয়েছে, যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে-


ডার্ক চকলেট মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি খাবার। চকলেট খেলে ‘এন্ডোরফিন’ নামের এক রকম হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা আমাদের মানসিক চাপ বা উদ্বেগ দ্রুত কাটাতে সাহায্য করে। তবে সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, ডার্ক চকলেট খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।

যখন আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে, তখন আমরা মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যায় কম ভুগি। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টি কাঠবাদাম পাতে রাখুন। কারণ কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন বি আর ভিটামিন ই, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে কার্যকর।

মানসিক চাপ কাটাতে চিনি খেতে পারেন। এতে আমাদের মস্তিষ্কের উদ্দীপ্ত পেশিগুলো শিথিল হওয়া শুরু করে এবং মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যায়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত যারা, তাদের জন্য এ পদ্ধতি একেবারেই উচিত নয়।

চিনির বিকল্প হিসেবে অনেকেই আজকাল মধু ব্যবহার করেন। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কমাতেও মধু খুবই উপকারী।

মিষ্টিআলু খেলে আমাদের মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাই মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যায় মিষ্টিআলু সিদ্ধ করে খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

প্রতিদিন পাতে রাখুন সবুজ শাক-সবজি। দেখবেন মানসিক চাপের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

✎ প্রকৃতির সাথে একাত্ম হোন। প্রকৃতি মন, দেহ ও আত্মার মাঝে সব সময় ভারসাম্য এনে দেয়।
✎ নীরব মুহূর্তে প্রতিদিন অন্তত একবার করে বলুন, 'আমি সাহসী'।
✎ একটি কাজ না করার পেছনে হাজারটি অজুহাত দেখানো যায়, কিন্তু কাজটি করার জন্যে একটি কারণই যথেষ্ট।
✎ জীবনে ব্যর্থতার প্রধান দুটি কারণ হচ্ছে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের অভাব।
✎ সমস্যায় পড়লেই সমাধানের জন্যে উৎকন্ঠিত হবেন না। সমস্যাকে তার প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার মধ্যে ছেড়ে দিন। প্রতিটি সমস্যার মধ্যেই নতুন সম্ভাবনা লুকিয়ে থাকে।
✎ যে কোন ঘটনাকে সহজ ভাবে গ্রহন করাই হচ্ছে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।
✎ প্রশান্ত মনই হচ্ছে শক্তির আসল ফল্গুধারা। মন প্রশান্ত হলে অন্তরের শক্তি জাগ্রত হয় এবং আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভবকে সম্ভব করে।
✎ প্রো-একটিভ হোন। প্রো-একটিভ মানুষের প্রতি অন্যরা আকৃষ্ট হয়। রি-একটিভ ব্যক্তি সবসময়ই মানুষের বিতৃষ্ণার কারণ হয়।
✎ কারও রুমে ঢোকার সময় আত্মপ্রত্যয়ের সাথে ঢুকুন।
✎ রাগান্বিত অবস্থায় কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না।
✎ দৃষ্টিভঙ্গি বদলান জীবন বদলে যাবে।
✎ যার হারানোর কিছু নেই, তার ব্যাপারে সর্তক থাকুন।
✎ সাহসী ও ঝুঁকি গ্রহনে উৎসাহী হোন। সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। পেছনের দিকে তাকালে দেখবেন, কাজ করে অনুতপ্ত হওয়ার চেয়ে যে সুযোগ আপনি হাতছাড়া করেছেন, তা নিয়েই অনুতপ্ত হচ্ছেন বেশি।
✎ কান পেতে থাকুন। সুযোগ অনেক সময়ই দরজায় খুব আস্তে করে টোকা দেয়।
✎ হেসে কথা বলুন। এতে আপনি শুধু নিজেই আনন্দিত হবেন না, অন্যরাও খুশি হবে।

আমস্টারডাম হলো নেদারল্যান্ডের রাজধানী এবং অন্যতম প্রধান শহর। উত্তর সাগরের পাশেই এর অবস্থান। ফূর্তিবাজ, ভ্রমণপ্রিয়, ইতিহাসবোদ্ধা সবার জন্যই এটি একটি কাঙ্ক্ষিত শহর।
শহরের হৃদয় দিয়ে রক্তনালীর মতো প্রবাহিত ক্যানেল। ক্যানেলের ভেতর ভেসে যাচ্ছে নৌকা, স্টিমার। স্পিডবোটও রয়েছে। রয়েছে ওয়াটার বাস। ক্যানেলের দুই ধারে মধ্যযুগীয় গির্জা, রাজপ্রাসাদ।

আমস্টারডামকে ভাসমান শহরও বলা হয়ে থাকে। পুরো শহরে রয়েছে ১৬৫টি খাল। এ কারণেই এটিকে ভাসমান শহর বলা হয়। এছাড়াও এতে রয়েছে ৯০টি ছোট, বড় দ্বীপ আর প্রায় এক হাজার ২০০শ এর কাছাকাছি সেতু। মূলত মাছ ধরার একটি ছোট গ্রাম থেকে আজ ইউরোপের একটি উন্নত শহর হচ্ছে আমস্টারডাম।

আমস্টারডামে প্রায় আট লাখ মানুষের বসবাস। রাজধানী ঢাকা যেরকম রিকশার শহর হিসেবে পরিচিত, ঠিক তেমনি আমস্টারডাম হচ্ছে সাইকেলের শহর। এখানে ছোট-বড়, ছেলে-মেয়ে সকলেই সাইকেল চালায়। রাস্তার পাশে সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে সাইকেল। আমস্টারডামে নিরাপদে বাইক চালানোর জন্য রয়েছে প্রশস্ত রাস্তা। বলা হয়ে থাকে যে, আমস্টারডামে বসবাসরত মানুষের তুলনায় বাইকের সংখ্যার বেশি!

আমস্টারডামে অনেকগুলো জাদুঘর রয়েছে। এর মধ্যে রাজকীয় রিকস মিউজিয়াম, ভ্যানগঘ মিউজিয়াম, আনা ফ্রাঙ্ক মিউজিয়াম, মাদাম তুশোর আমস্টারডাম শাখা, হার্মিটেজ এবং আমস্টারডাম মিউজিয়াম বেশি বিখ্যাত।

রিকস মিউজিয়ামটি একসময় ছিল রাজপ্রাসাদ। ১৮৮৫ সালে জাদুঘর হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। রিকস মিউজিয়ামে রয়েছে বিশ্ববিখ্যাত ডাচশিল্পীদের চিত্রকর্মের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ। ভ্যান ডার হেস্ট, ভারমির, ফ্রানস হালস, ফার্ডিনান্দ বল, অ্যালবার্ট সুপ, জ্যাকব ভ্যান রুইসডেল, পাউলুস পটারের মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের চিত্রকর্ম রয়েছে এখানে। আরও রয়েছে মধ্যযুগের বিভিন্ন শিল্প সামগ্রী।

ভ্যানগঘ মিউজিয়ামে ভ্যানগঘের সান ফ্লাওয়ার ও পটেটো ইটারসের মতো বিখ্যাত চিত্রকর্ম রয়েছে। ইমপ্রেশনিস্ট, মডার্ন ও পোস্ট মডার্ন যুগের খ্যাতনামা শিল্পীদের শিল্প কর্ম রয়েছে এই জাদুঘরে।

আমস্ট্রামে অবস্থিত আনা ফ্রাঙ্কের জাদুঘরটি একবারে অন্যরকম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক তার পরিবারের সঙ্গে আমস্টারডামের একটি বাড়ির এক গুপ্ত প্রকোষ্ঠে লুকিয়ে ছিলেন। এই বাড়িতে থাকার সময়ই আনা লেখে তার ডাইরি যা পরে ‘ডাইরি অফ আনা ফ্রাঙ্ক’ নামে বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের দুঃখের দলিল হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে জার্মান সেনারা এই বাড়ি থেকে তাদের বন্দি করে নিয়ে যায়। বন্দিশিবিরে আনার মৃত্যু হয়। আনার বাবা যুদ্ধের পর এই বাড়ির মেঝেতে ডাইরিটি খুঁজে পান। আনার সেই বাড়িটিকে মিউজিয়ামে রূপান্তরিত করা হয় পরবর্তীতে। এই মিউজিয়ামটি যুদ্ধবিরোধী একটি জাদুঘর হিসেবে পৃথিবীতে বিখ্যাত।

আমরা প্রায় প্রত্যেকেই সিনেমা বা টিভির পদার্য় ইউরোপ দেখেছি। ইউরোপীয় সৌন্দর্যের আকর্ষণীয় দিকটি হলো পাথরের তৈরি বিশাল সব প্রাচীর স্থাপনা আর ছোট গলির রাস্তা।

শুধু আমস্টারডাম নয়, ইউরোপের সাইক্লিং বান্ধব শহর যেমন কোপেনহেগেন, অসলোর মতো দেশগুলোর থেকে জানা যায়, সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে সাইকেল চালিয়ে যাতায়াত করলে যানজট, পরিবেশ দূষণ ও যাতায়াতের সময় কমে। এর ফলে জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায় এবং শহর আরোও বসবাসযোগ্য হয়ে ওঠে।

আমস্টারডামে বহু পর্যটক সারা বছরই ভ্রমণে যান। আমস্টারডামের মানুষের মতো আমাদের দেশের মানষও যদি সাইকেলে চলাচল করা তাহলে কি মন্দ হয় বন্ধুরা?

বাংলাদেশের উপজাতি


বাংলাদেশের মোট ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টীর জনসংখ্যা কত ?

⇒১৫,৮৬,১৪১ [পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১] ।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরুষ ও নারীদের জনসংখ্যা কর ?

⇒পরুষ-৭,৯৭,৪৭৭ (৫০.২৮%) ও নারী-৭,৮৮,৬৬৪ (৪৯.৭২%) ।

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মোট জনসংখ্যা কত ভাগ ?

⇒১.১০% {পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১} ।

বাংলাদেশের বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত ?

⇒৪৫টি [সূত্রঃ বাংলাদেশের আদিবাসী ফোরাম] ।

বাংলাদেশের কোন দুটি উপজাতি পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক ?

⇒খাসি/খাসিয়া ও গারো ।

কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইসলাম ধর্ময়ালম্বী ?

⇒পাঙন ।

মগ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পাহাড়ি এলাকায় কি নামে পরিচিত ?

⇒মারমা ।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মগ সমতল এলাকায় কি নামে পরিচিত ?

⇒রাখাইন ।

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মগ কোন বংশোদ্ভূত ?

⇒মঙ্গোলীয় ।

মগদের আদিনিবাস কোথায় ছিল ?

⇒আরাকান (মিয়ানমার) ।

খাসিয়া গ্রাম গুলো কি নামে পরিচিত ?

⇒পুঞ্জি ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসতি রয়েছে ?

⇒১১টি ।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল কতটি ?

⇒৩টি ।

চাকমা সমাজের প্রধান কে ?

⇒চাকমা রাজা।

বোমাং সমাজের প্রধান কে ?

⇒বোমাং রাজা।

মং সমাজের প্রধান কে ?

⇒মং রাজা।

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় সবুজ রং হলো বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক এবং বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য ও স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক।

প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস করে, পুরুষের
যৌবনে যার প্রেম এলোনা তার জীবন বৃথা। __জ্যা পল বিশার।

প্রেম মানুষকে শান্তি দেয়, কিন্তু স্বস্তি দেয় না। __বায়রন।

Valo To

মুজিবনগর ছোট্ট একটি স্থানের নাম।

Good Afternoon

চার লেন করার একটা যন্ত্রণা আছে, জন্মযন্ত্রণা। আমাদের এটা মেনে নেওয়া উচিত।
- ওবায়দুল কাদের

অন্যের দুভার্গ্য দেখে নিজে সাবধান হওয়া উচিত।

এক গ্লাস পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলেই রোগ বলবে পালাই পালাই!- প্রতিদিন যদি এক গ্লাস পানিতে এক বা দু চামচ মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে শরীরটাকে নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকবে না। সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগ থেকেও বেঁচে থাকা সম্ভব হয়। কী কী কাজে আসে এই মিশ্রনটি?
১. আর ভুগতে হবে না বদ-হজমেঃ
প্রতিদিন সকালে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদ-হজম বা গ্যাস-অম্বলের সমস্যা মাথা তোলার সুযোগই পায় না।
সেই সঙ্গে মধুতে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই আপনাকে যদি মাঝেমধ্যে বাইরের খাবার খেয়ে ক্ষিদে মেটাতে হয়ে, তাহলে আজ থেকেই পানি এবং মধুকে সঙ্গী বানান। দেখবেন কোনও ধরনের পেটের রোগ আপনাকে ছুঁতেও পারবে না।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করেঃ
বাড়ির বাইরে থাকলে মায়ের হাতের খাবার জোটে না। ফলে এদিক-সেদিক করে দিনযাপন করতে হয়। ফলে ঠিক মতো খাবার না পাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে শুরু করে। আর একবার যদি শরীরের এই রোগপ্রতিরোধী দেওয়াল ভেঙে যায়, তাহলে আর রক্ষা নেই।
তখন হাজারো রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধার সুযোগ পেয়ে যায়। তাই দেহের রোগপ্রতিরোধ সিস্টেমকে চাঙ্গা রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? খুব সহজ! প্রতিদিন মধু এবং হালকা গরম পানি খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন রোগের ভোগান্তি আর পোয়াতে হবে না।
মধুতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরের অন্দরে খারাপ ব্যাকটেরিয়াদের বাঁচতে দেয় না। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই চাঙ্গা করে তোলে যে অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণুও শরীরের ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
প্রসঙ্গত, জেনারেল মাইক্রোবায়োলজিস স্পিং কনফারেন্সে মধুর কার্যকারিতা নিয়ে আলোচনা চালাকালীন চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন মধুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের খতম করে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়ঃ
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক গ্লাস গরম জলে মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের আশেপাশে ঘুরে বেড়ানো পলেন বা অ্যালার্জি সৃষ্টিকারি উপাদানগুলি সেভাবে আমাদের উপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যালার্জির প্রভাব কমতে শুরু করে।

Kemon Achen Bondhura

ঠিক যেন নৌকার মতো। নিচের অংশে লাগানো হয়েছে ইঞ্জিন। চালু হলেই এর একপাশ দোলনার মতো উপরে উঠে যায়, অপর পাশটি নেমে যায় নিচে। মনে হবে ছলাৎ ছলাৎ ঢেউয়ের তালে মনে দোল দিয়ে যায় যান্ত্রিক এ শহরে। মজা করে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ম্যাজিক বোট’। মেলায় আগত শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ এটি ঘিরেই।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চলা ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শিশু পার্কে ম্যাজিক বোটটি বেশ সাড়া ফেলেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেলার শিশুপার্কে থাকা রাইডগুলোর মধ্যে ম্যাজিক বোটে বেশি উঠছে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীরা। এজন্য জনপ্রতি ৫০ টাকা করে খরচ করতে হচ্ছে।

মেলার শিশুপার্কের অন্য রাইডগুলোর মধ্যে ওয়ান্ডার হুইল ৬০ টাকা, হানি সুইং ৫০ টাকা, ট্রেন ৫০ টাকা, কিডস রাইডস ৪০ টাকা এবং নাইন-ডি মুভি ১০০ টাকা খরচ করে উপভোগ করা যাচ্ছে।

12-Sep-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3637 জন)
প্রশ্নঃ তিনি ছিলেন একজন ওলন্দাজ-অস্ট্রেলীয় সামরিক কমান্ডো অফিসার। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী যিনি এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। আলোচ্য ব্যক্তিটির নাম কি?
(A) হ্যারল্ড উইলসন
(B) উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড
(C) এডওয়ার্ড হীথ
17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3494 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3470 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ