About Mr. Mehedi Hasan

কোলন ক্যানসার কী? বুঝবেন যেভাবে

পরিবেশ বা বংশগত প্রভাবের কারণে মলাশয়ের মিউকোসাল এপিথেলিয়ামের টিউমারটি ম্যালিগন্যান্ট টিউমারে পরিণত হলে তখন তাকে কোলন বা মলাশয়ের ক্যানসার বলে। এটি সাধারণত মলাশয় এবং মলদ্বারের সংযোগস্থানে হয়। সম্ভাবনার দিক দিয়ে গ্যাস্ট্রিক, খাদ্যনালি এবং কোলন ক্যানসারের মধ্যে এর স্থান দ্বিতীয়। সাধারণত ৪০-৫০ বছর বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে এই ক্যানসার বেশি দেখা যায়। এছাড়া ৪০ বছরের নিচে কোলন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা ১৫ শতাংশ।

বৃহদান্ত্রের কোষগুলোর বৃদ্ধি অস্বাভাবিক হারে হলে এই শরীরে অসুখের লক্ষন দেখা দেয়। অন্ত্রে দীর্ঘস্থায়ী কোনো অংশের বৃদ্ধি এই রোগের অন্যতম লক্ষণ। অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি কারণে কোলন ক্যানসার হয়ে থাকে।

আসুন জেনে নেই যেসব লক্ষণে বুঝবেন বাসা বাঁধছে কোলন ক্যানসার।

কোষ্ঠকাঠিন্য
দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া এই দুটির যে কোনও একটি হলে সচেতন হোন। এছাড়া ক্যানসারের আক্রমণে তীব্র পেটব্যথা হয়। সঙ্গে হঠাৎ রক্তস্বল্পতা হয়ে থাকে।

আকস্মিক ওজন কমা
আকস্মিক ওজন কমে যেতে থাকলেও সতর্ক হোন। কোলন ক্যানসারে এমন উপসর্গ দেখা দেয়।

মলের সঙ্গে রক্ত
মলের সঙ্গে রক্ত বেরোলে তা অবহেলা করবেন না। যদিও মলের সঙ্গে নানা কারণেই রক্ত বেরোতে পারে, কিন্তু সবরকম সাবধানতা নেওয়ার পরেও রক্ত বেরোনো বন্ধ না হলে আর দেরি করবেন না। এছাড়া অনেক সময় এসব উপসর্গের সঙ্গে বমিভাব যোগ হয়।

চিকিৎসকদের মতে, স্বাস্থ্যকর খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা, মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ, রেড মিট খাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ, ঠিক সময় অন্যান্য ক্রনিক অসুখের চিকিৎসা।

পুরুষ ও কৃষ্ণাঙ্গরা কোলন ক্যানসারে বেশি আক্রান্ত হয়। বয়স ৫০ পেরোলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। অতিরিক্ত গরু বা ছাগলের মাংস খাওয়া, খাদ্যতালিকায় আঁশজাতীয় খাবারের অনুপস্থিতি, ধূমপান ও মদ্যপান এই ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।বৃহদান্ত্রের কোষগুলোর বৃদ্ধি অস্বাভাবিক হারে হলে এই অসুখের ছায়া নেমে আসে শরীরে। অন্ত্রে দীর্ঘস্থায়ী কোনো অংশের বৃদ্ধি এই রোগের অন্যতম লক্ষণ।অনিয়ন্ত্রিত মদ্যপান, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর খাবার ইত্যাদি কারণে কোলন ক্যানসার হয়ে থাকে।

আপনার শিশুর ত্বক উজ্জ্বল ফর্সা করার ১০টি টিপস

আপনার শিশুর ত্বক উজ্জ্বল ফর্সা করার ১০টি টিপসসুন্দর ত্বক কে না চায়! আমরা বড়রা নিজেরা চেষ্টা করি তো বটেই, সেই সঙ্গে চেষ্টা করি ছোট শিশুদের ত্বকেরও পরিচর্যা করতে শৈশব থেকেই যাতে বড় হয়ে তারা ভালো ত্বকের অধিকারী হয়। তবে ত্বকের পরিচর্যা করা আর ফর্সা গাত্রবর্ণের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করা ঠিক এক ব্যাপার নয়। ত্বকের রঙের ব্যাপারটি অনেকটাই বংশগত যদিও আজকাল অনেক আধুনিক উপায় বেরিয়েছে ত্বকের রং উজ্জ্বল করার। এই অবসরে আমরা আলোচনা করব কী কী উপায়ে শিশুর ত্বকের যত্ন নিয়ে তার গাত্রবর্ণকে আরও উজ্জ্বল করা যায়।

১ গরম তেল মালিশ
বাচ্চাদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার একটি ভীষণ কার্যকর উপায় হচ্ছে গরম তেল মালিশ করা। বংশানুক্রমে চলে আসা এই ত্বক পরিচর্যার পদ্ধতির মাধ্যমে শিশুর চামড়া আরও মসৃন হয় এবং উজ্জ্বল হয়। আপনার শিশুকে আপনি রোজ নিয়ম করে গরম তেল মালিশ করুন। ফল পাবেন হাতেনাতে।

২ ঘরোয়া বডি প্যাক
শিশুদের ত্বক বড়দের ত্বকের দোষগুণ বেশি সংবেদনশীল। সুতরাং তাদের ত্বকের যত্ন নিতে আপনাকেও সংবেদনশীল হতে হবে। শিশুর ত্বকের যত্ন নিতে সপ্তাহে একবার বডি প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। তবে বাইরের জিনিস না কিনে বাড়িতেই হলুদ, দুধ এবং চন্দনের গুঁড়োর মিশ্রণ বানিয়ে তা শিশুর ত্বকের জন্যে ব্যবহার করতে পারেন।

৩ বেবি স্ক্রাব
শিশুর সংবেদনশীল চামড়ার কথা মাথায় রেখে ঘরে বেসন, দুধ, হলুদ এবং গোলাপজল দিয়ে বানান একটি বিশেষ স্ক্রাব। বাচ্চার নরম ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই জিনিসটির জুড়ি মেলা ভার।

৪ ময়শ্চার
শিশুর ত্বক যাতে শুষ্ক না হয়ে পরে সেদিকে খেয়াল রাখুন। বাচ্চাদের জন্যে তৈরী ময়শ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার করুন। বাজারে এমন ক্রিম প্রচুর পাওয়া যায় তবে শিশুর জন্যে সেরাটাই নেবেন বলে আশা করা যায়। সঠিকটি বাছতে না পারলে চর্ম বিশেষজ্ঞরা সঙ্গে কথা বলুন। আপনার শিশুর ত্বক পরিচর্যার এটাই অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম।

৫ বেবি সোপকে গুলি মারুন
প্রস্তুতকারকরা যতই যাই দাবি করুক, ভুলেও বেবি সোপ দিয়ে আপনার শিশুর ত্বকের পরিচর্যা নিতে যাবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সাবানে যে ক্ষতিকারক রাসায়নিক থাকে, তা এখন সর্বজনবিদিত আর তাই তা এড়িয়ে চলাই ভালো। ৬ দুধের সর আর বাদাম তেল
এ’দুটি উপাদানও ব্যবহার করতে পারেন শিশুর ত্বকের পরিচর্যার জন্যে। দুধের সর শিশুদের চর্মরোগ নিরাময়ের ব্যাপারেও খুব উপকারী।

৭ ফলের রস
আঙ্গুর, আপেল বা কমলালেবুর মতো বিভিন্ন ফলের রস খাওয়ালেও শিশুদের ত্বক খোলতাই হয়। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন যে ফলের রস তিন মাসের কম বয়সী শিশুদের খাওয়ানো বিপজ্জনক কারণ তারা তখনও মায়ের দুধ বা ফর্মুলা মিল্কের উপরেই নির্ভরশীল থাকে।

৮ স্নান করানোর সময়ে খেয়াল রাখুন
শিশুকে স্নান করানোর সময়ে খেয়াল রাখুন জলের তাপমাত্রা যেন খুব বেশি বা কম না থাকে, তাতে আপনার শিশুর সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষতি হতে পারে এবং তার ঔজ্জ্বল্যও হারিয়ে যেতে পারে। সবসময় শিশুকে নাতিশীতোষ্ণ জলে স্নান করান। ৯ রৌদ্রস্নান – শিশুকে অবশ্যই রৌদ্রে নিয়ে যান স্নানের আগে। রৌদ্রে ভিটামিন ডি থাকে যা সুস্থ ত্বকের জন্যে খুব জরুরি।

১০ শিশুর গা মোছানোর দিকে নজর দিন
স্নানের পর শিশুর গা মোছানোর দিকেও নজর রাখুন। নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন যাতে অত্যধিক ঘষাঘষিতে তার গায়ে ফুসকুড়ি না বেরোয়। বাচ্চাদের ত্বকের পরিচর্যার এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, মাথায় রাখবেন।

তাহলে আর বিশেষ ভাববেন না। উপরের পরামর্শগুলো মেনে চলুন যাতে খুব শিগগিরই আপনার শিশুসন্তানের ঝলমলে ত্বক দেখে গর্বিত বোধ করতে পারেন।

স্ত্রীকে বেশি ঘুমাতে দিন, না হলেই বিপদ!

সারাদিন বাসার কাজ করলেও পুরুষের তুলনায় বেশিই ব্যস্ত থাকতে হয় নারীদের। ঘুমাতেও পারেন কম। সন্তান হওয়ার পর তো আরও কমে যায়। কিন্তু বাড়ির কাজ তেমনটা না থাকায় পুরুষের ঘুম একটু বেশিই হয়ে থাকে। তবে এ বৈষম্য কিনা বিপদ ডেকে আনতে পারে, বলছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা।

গবেষকরা বলছেন, পুরুষের তুলনায় মহিলাদের ২০ মিনিট বেশি ঘুম দরকার। আর এটা বেশি করে দরকার মধ্যবয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে। ব্রিটেনের লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমনটা দেখা গেছে।

গবেষণা বলছে, মেয়েদের মস্তিষ্ক বেশি জটিল, তাই ঘুমও দরকার বেশি। তা ছাড়া মেয়েদের মাথা সারাদিন বেশি খাটে। অন্তত পুরুষদের থেকে বেশি। আবার, অফিসের থেকে বাড়িতে থাকা মেয়েদের মাথা নাকি অনেক বেশি পরিশ্রম করে।

গবেষকদের বক্তব্য, ঘুম মস্তিষ্ককে পুনরুজ্জীবিত করে। ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পায় আর সেটাই খুব প্রয়োজনীয় চিকিৎসা। দিনের বেলা মস্তিষ্ক যত বেশি কাজ করবে, রাতে ঘুম তত বেশি প্রয়োজন। মেয়েরা একই সঙ্গে অনেক কাজ করেন, অনেক রকম চিন্তা করেন, তাই অন্তত ২০ মিনিট বেশি ঘুম দরকার তাদের।

পর্যাপ্ত ঘুমোতে পারলে মাথা খাটানো এবং ঘামানো আরও ভালভাবে করা যায় বলে গবেষকদের দাবি।

তবে এই সমীক্ষা যেন নারীরা না জানতে পারেন সেটাই ভালো। এমনটাও বলছে গবেষকরা। পুরুষদের উচিত তাদের একটু বেশি ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দেয়া।

ডিমের খোসার কয়েকটি গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে নিন

ডিম ভালবাসেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল! ডিম খেতেও যেমন ভাল, তেমনই স্বাস্থ্যকর। ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে মোটামুটি আমরা প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু জানেন কি ডিমের খোসাও খুবই উপকারী! আসুন জেনে নেওয়া যাক, ডিমের খোসা কয়েকটি আশ্চর্য গুণাগুণ সম্পর্কে…

১. সাধের ফুলের বাগানে বার বার পোকার উপদ্রবে গাছ নষ্ট হচ্ছে? গাছের গোড়ায় গোড়ায় ডিমের খোসা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিন। পোকা-মাকড় গাছের ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।
Spellbit Limited

২. কফির তিক্ত ভাব কমাতে কফির সঙ্গে ডিমের খোসার গুঁড়ো এক চিমটে মিশিয়ে দিন। কফি গুলিয়ে নেওয়ার পর একটু সময় দিন। ডিমের খোসার গুঁড়ো থিতিয়ে নীচে পড়ে যাবে আর কফির তিক্ত স্বাদও অনেকটাই কমে যাবে।

৩. ১টা ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে একটা বা দু’টো ডিমের খোসা ভাল করে গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এ বার ওই প্যাক মুখে ১৫ মিনিট মতো লাগিয়ে রেখে উষ্ণ জল দিয়ে আলতো ঘষে ধুয়ে ফেলুন! এতে ত্বকের কালচে ভাব কেটে যাবে। ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত! এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করতে পারলে (সপ্তাহে ২ বারের বেশি নয়), ব্রণর সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব!

৪. গাঁটের ব্যথা বা জয়েন্ট পেইন কমাতে একটি পাত্রে অ্যাপল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে একটা গোটা ডিমের খোসা ভাল করে গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এটাকে অন্তত ২-৩ দিন রেখে দিলে দেখবেন, ডিমের খোসাগুলি ভিনিগারের সঙ্গে একেবারে মিশে গিয়েছে। এই মিশ্রণ দিয়ে ব্যথার জায়গায় আলতো করে চাপ দিয়ে মালিশ করুন। ডিমের খোসায় থাকে কোলাজেন, গ্লুকোসামিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড যা ভিনিগারের সঙ্গে মিশে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

রান্নাঘরের ছোট ছোট কিছু টিপস
কাজ কীভাবে সহজ করবেন

পলার বিয়ের পরে নতুন সংসার শুরু করেছেন। চাকরি করে সংসারের সব কাজ সামলে উঠতে বেশ কষ্ট হচ্ছে তার। বিশেষ করে এই গরমে রান্নাঘরের সময়টা, এরপর যখন দেখে সব ঠিকমতো গোছানো নেই তখন মাঝে মাঝে মনে হয় আগের জীবনই ভালো ছিল।

এই যখন অবস্থা, হতাশ না হয়ে একবার ভাবুন তো, রান্নাঘরে নিজে কাজ করার সুবিধাও কিন্তু কম নয়। ছোট সংসারে একটু গুছিয়ে নিয়ে রান্না করলে খরচ বাঁচে, স্বাস্থ্যকরও হয়।

জেনে নিন কীভাবে সহজ করবেন প্রতিদিনের রান্নাঘরের কাজ:

• ফ্রি সময়ে ফল কেটে সামান্য লেবুর রস মেখে রেখে দিন ফ্রিজে৷ প্রয়োজনমতো বের করে খান

• অনেকদিন ফ্রিজে পড়ে থাকা সবজি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে প্যাকেট করে ফ্রিজে রেখে দিন। স্যুপ ও স্টু বানাতে ব্যবহার করুন

• মাখন বের করে রাখতে ভুলে গেছেন, শক্ত মাখনটা গ্রেট করে নিন৷ তার পর গরম টোস্টের ওপর ছড়িয়ে দিলেই দেখবেন মাখন গলতে আরম্ভ করেছে এবং বাটার নাইফ দিয়ে স্বচ্ছন্দে লাগানো যাচ্ছে৷

• কলা/ আম কাচা থাকলে কাগজের ঠোঙায় মুড়ে রেখে দিন, দ্রুত পেকে যাবে

• মাইক্রোওয়েভে পাউরুটি, নান বা পরোটা গরম করলেই শক্ত হয়ে যাচ্ছে? অল্প করে পানি ছিটিয়ে নিন৷ তারপর গরম করুন

• হাত থেকে আদা-রসুন বা মাছের গন্ধ দূর করতে লেবুর রস বা বেকিং সোডা দিয়ে হাত ধুয়ে নিন।

রোজা রাখলে ক্যান্সারের জীবাণুও মরে

রোজা রাখলে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায়। আর এই কারণেই রোজা রাখছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ভার্জিনিয়া টেক থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করে একটি প্রাইভেট ফার্মে চাকুরীরত উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা। ধর্মে বিশ্বাস না রাখলেও নিয়মতি রোজা রাখছেন তিনি। আবাক করার মত হলেও এটি সত্যি।

cancer feasting

তার মতে যেটাকে মুসলিমরা রোজা বলেন সেটাকে তিনি বলছেন অটোফেজি। আর এই অটোফেজিতে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায় বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘তোমরা যাকে রোজা বল, আমি তাকে বলি অটোফেজি। রোজার মাসে খাবার-দাবারের ঝামেলা, তাই এই মাসটা আমি অটোফেজি করি।’ তার মতে, বাংলায় অটোফজি'র অর্থ হচ্ছে আত্মভক্ষণ বা নিজেকে খেয়ে ফেলা। এটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে।

২০১৬ সালে প্রথম অটোফেজি শব্দটির আবিষ্কার হয়। জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ওই বছরই রোজার উপর গবেষণা করে ‘অটোফেজি আবিষ্কার করেন। এইজন্য নোবেল পুরস্কারও পান তিনি।

যখন উপবাস বা রোজা রাখ হয় তখন আমাদের শরীরের সক্রিয় কোষগুলো চুপচাপ বসে থাকে না। সারা বছর ধরে তৈরি হওয়া ক্ষতিকারক আর নিষ্ক্রিয় কোষগুলোকে খেয়ে ফেলে তারা। আর এর মাধ্যমে আমাদের শরীরকে নিরাপদ আর পরিষ্কার রাখা হয়। এই পক্রিয়াকেই অটোফেজি বলা হয়।

অটোফেজিতে ক্যান্সারের জীবণুও মারা যায় এমন কথা শোনার পর শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য স্বাস্থ্য সচেতন এমনকি ধর্ম মান না এমন মানুষরা সারা বছরের বিভিন্ন সময়ে অটোফেজি করে থাকেন। শুধু বিশ্বাসের উপর ভর করে মুসলিমরা রোজা পালন করে আসছেন হাজার বছর ধরে।

অটোফেজির আবিষ্কারক ওসুমি জাপানের নাগরিক। ১৯৬৭ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতক ও ১৯৭৪ সালে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৪ সাল থেকে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে নিউইয়র্ক সিটির রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

পরে ১৯৭৭ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী গবেষক হিসেবে যোদ দেন তিনি। ১৯৮৬ সালে নিযুক্ত হন প্রভাষক হিসেবে। সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান ১৯৮৮ সালে।

পরে ১৯৯৬ সালে অধ্যাপক হিসেবে স্থানান্তরিত হয়ে যান ওকাজাকি সিটিতে অবস্থিত জাতীয় বেসিক বায়োলজি ইনস্টিটিউটে। এছাড়াও তিনি অধ্যাপকের দায়িত্বে ছিলেন হেয়ামার গ্র্যাজুয়েট এডভান্সড স্টাডিজ বিশ্ববিদ্যালয়েও। ২০১৪ সালে অবসর নেন তিনি। কিন্তু এরপরেও অধ্যাপকের দায়িত্ব চালিয়ে যান ইনোভেটিভ গবেষণা ইনস্টিটিউট ও টোকিও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটে।

জুলাই থেকে নাগরিকরা পাবেন ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট

চলতি বছরের জুলাই থেকে পাঁচ বছরের পরিবর্তে নাগরিকদের ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট দেয়া হবে হবে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এতথ্য জানানো হয়।

বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খান সাংবাদিকদের বলেন, মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকেই ১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে। এতে মানুষের ভোগান্তি কমবে।

তিনি জানান, বৈঠকে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোকে পাসপোর্ট ইস্যু ও নবায়ন কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার সুপারিশ করে কমিটি।

জানা যায়, বৈঠকে ২০২০ সালের ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ স্থায়ী কমিটিকে অবহিত করার সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া গৃহীত কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করে সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য সাব- কমিটি গঠন এবং সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়।

এছাড়াও ‘মুজিব বর্ষ’ পালনকালে সকল মিশনের সামনে দৃষ্টিনন্দন ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান পালনের আবহ তৈরির সুপারিশ করা হয়

বৈঠকে তিউনেশিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবৈধভাবে বিদেশ গমনের সময় নিহত বাংলাদেশিদের জন্য শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়। যে সকল দালাল চক্র অবৈধ মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মিশনসমূহকে আহত ও নিহতদের সহযোগিতা প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে বিদেশি মিশনগুলোকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা, ডাটাবেইজ তৈরির মাধ্যমে প্রবাসীদের সম্পৃক্ত করে সেবার মানোন্নয়ন এবং মিশনে কর্মরতদের মাধ্যমে যাতে প্রবাসীরা কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে খেয়াল রাখার সুপারিশ করে।

বৈঠকে বিদেশে বাংলাদেশি মিশন ও মন্ত্রণালয় সম্পর্কে গণমাধ্যমে কোন বিরুপ সংবাদ প্রকাশিত হলে তাৎক্ষণিক সন্তোষজনক জবাব প্রস্তুত করে পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মো. আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) অংশ নেন।

এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মাহবুবুজ্জামান, মেরিটাইম এফেয়ার্স ইউনিটের সচিব খোরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুরআন কোন খাদ্যটি খেতে বলে?

যে কোনো কিছু খাওয়ার আগে, আল কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী, খাবারের দুটি বৈশিষ্ট্য দেখে নেয়া উচিত।

১। খাবারটি হালাল কিনা?

২। খাবারটি বিশুদ্ধ কিনা?

আল্লাহ তায়ালা বলছেন –
يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ
“হে মানবজাতি, তোমরা যমিন থেকে আহার করো, যা হালাল ও বিশুদ্ধ। আর তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” [সূরা ২/বাকারা – ১৬৮]

১। কোনো খাদ্য বিশুদ্ধ, কিন্তু তা হালাল নাও হতে পারে। যেমন, অন্যের মালিকানাধীন এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি, বিনা অনুমতিতে খাওয়া আমাদের জন্যে হালাল নয়। অথবা, আল্লাহর নাম ছাড়া অন্যের নাম নিয়ে জবাই করা প্রাণীর মাংস বিশুদ্ধ হলেও তা হালাল নয়। কিংবা, হারাম উপার্জনের টাকায় কেনা বিশুদ্ধ মধুও হালাল নয়।

২। একইভাবে, কোনো খাদ্য হালাল, কিন্তু বিশুদ্ধ নাও হতে পারে। যেমন, রাস্তার পাশে বিক্রি করা চটপটি, ফুচকা, ফাস্টফুড জাতীয় খাবারগুলো হালাল হলেও সাধারণত তা বিশুদ্ধ হয় না। অথবা, ফরমালিন যুক্ত কোনো ফল হালাল হলেও তা বিশুদ্ধ না। কিংবা, অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার হালাল হলেও তা অনেক সময় শরীরের জন্যে খারাপ হয়ে থাকে।

সুতরাং, কুরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী কেউ যদি খাবার খেতে চায়, তাহলে তাঁকে দুটি জিনিস লক্ষ রাখতে হবে। ১। খাবারটি হালাল কিনা? ২। খাবারটি বিশুদ্ধ কিনা? কিংবা খাবারটি স্বাস্থ্যের জন্যে উপকারী কিনা?

রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে হারাম ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করে সবসময় হালাল, বিশুদ্ধ ও উপকারী খাদ্য গ্রহণের তাওফিক দান করুন। আমীন।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ও প্রধান যত নদী

পৃথিবীর তিনভাগ জল, এক ভাগ স্থল। আর এই বিশাল জলরাশির একটি বড় অংশের ধারক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ও প্রধান নদীগুলো। এসব নদী একটি দেশকে অন্য দেশের সঙ্গে যুক্ত করেছে। অনন্তকাল ধরে দূর-দূরান্তের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে এই নদী। প্রধান এই নদীগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে নানা সভ্যতা। মানব সভ্যতার উত্তরণ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন ছাড়াও সভ্যতা ধ্বংসেরও কারণ হয়েছে কিছু নদী।
নীল নদ আফ্রিকা
দৈর্ঘ ৬ হাজার ৬৫০ কিমি প্রস্থ- ২.৮ কিমি
বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীল নদ অবস্থিত আফ্রিকা মহাদেশে। নীলের উত্তরাংশ সুদানে শুরু হয়ে মিসর পাড়ি দিয়ে প্রায় পুরোটায় মরুভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
আমাজন যুক্তরাষ্ট্র
দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ৪০০ কিলোমিটার
পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন। তবে আয়তনের দিক থেকে এটি সবচেয়ে বড়। এর উৎপত্তিস্থল আন্দিজ পর্বতমালার ব্রাজিল অংশের নেভাদো মিসমি নামক চূড়া। আমাজন নদী দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৬ হাজার ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, ভেনেজুয়েলা হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে।

ইয়াংজি চীন
দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার
পৃথিবীর তৃতীয় দীর্ঘতম নদী চীনের ইয়াংজি। নদীটি শুধু চীনা সভ্যতা গড়ে তুলতে নয়, চীনের আর্থ-সামাজিক টেকসই উন্নয়নেও রেখেছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ইয়াংজি নদীর দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার। ইয়াংজি নদীর অববাহিকার আয়তন ১৮ লাখ বর্গকিলোমিটার যা চীনের মোট আয়তনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ।
মিসিসিপি যুক্তরাষ্ট্র
দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ২৭০ কিলোমিটার
অজিবওয়ে শব্দ মিসি-জিবি থেকে এসেছে মিসিসিপি যার অর্থ ‘মহানদী’। এই নদীর সঙ্গে মিলেছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দীর্ঘতম নদী মিজুরি। দুই নদীর দৈর্ঘ্য একসঙ্গে হিসাব করলে উত্তর আমেরিকার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের চতুর্থ দীর্ঘতম নদী মিসিসিপি-মিজুরি। এর দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ২৭০ কিলোমিটার (৩ হাজার ৯০০ মাইল)। মিসিসিপির প্রধান শাখা ওহাইও নদী। উত্তর আমেরিকার ড্রেনেজ সিস্টেম ব্যবস্থাপনার প্রধান সহায়ক মিসিসিপি। যুক্তরাষ্ট্রজুড়েই নদীটি প্রবাহিত হয়েছে।
হোয়াংহো চীন
দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৪৬৪ কিলোমিটার
চীনের হোয়াংহো নদীর পানিতে রয়েছে প্রচুর বালি। এই বালি মিশে পানিকে পুরোপুরি হলুদ দেখায়। আর হলুদ পানির কারণেই নদীটির নাম হোয়াংহো। চীনা শব্দ হোয়াং অর্থ হলুদ আর হো অর্থ নদী। হোয়াংহো নদীর অপর নাম হলো পীত নদী। কারণ নদীটি কুনলুন পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে পীত সাগরে পতিত হয়েছে। আর যতদূর জানা যায়, পীত সাগরের নামকরণও হয়েছিল তার হলুদ পানির কারণে। হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘ নদী। এর উৎস চীনের ছিহাই-তিব্বতি মালভূমি।
কঙ্গো কঙ্গো
দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৭০০ কিলোমিটার
বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ নদী পশ্চিম আফ্রিকার কঙ্গো নদী। এটি আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। স্থানীয়ভাবে নদীটি জায়ারে নামেও পরিচিত। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোজুড়ে নদীটি প্রবাহিত হয়েছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ হাজার ৭০০ কিলোমিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৩.৭ লাখ বর্গকিলোমিটার। কঙ্গো নদী অববাহিকায় কঙ্গো, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের পুরো এলাকা রয়েছে।
আমুর চীন
দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৮৭৪ কিমি
পূর্ব মধ্য এশিয়ার একটি নদী আমুর। শিল্কা ও আর্গুন নদীর মিলিত স্রোতধারায় এর উৎপত্তি। আমুর নদী দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে রাশিয়া ও গণচীনে প্রায় ১ হাজার ৬১০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। এরপর এটি উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে নিকোলাইয়েভস্ক-না-আমুরে শহরের কাছে তাতার প্রণালিতে পতিত হয়েছে। আমুর নদীর মোট দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৮৭৪ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম নদীগুলোর একটি।
ভলগা রাশিয়া
দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৬৪৫ কিমি
ইউরোপের বৃহত্তম নদী ভলগা প্রবাহিত হয়েছে রাশিয়ার মধ্য দিয়ে। এটি রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম নদী। একে রাশিয়ার জাতীয় নদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মস্কোসহ রাশিয়ার বৃহত্তম ১১টি শহর ভলগা অববাহিকায় অবস্থিত। বিশ্বের বৃহত্তম জলাধারগুলোর অধিকাংশই এই অঞ্চলে পাওয়া যায়। রাশিয়ান সাহিত্য ও রূপকথায় ভলগাকে ‘ভোলগা মাতুস্কা’ বা ভোলগা মা বলে আখ্যায়িত করা হয়। মস্কোর ভলগে পাহাড়ের উত্তর-পশ্চিমে ২২৫ মিটার উঁচুতে এর উৎপত্তি। ৩ হাজার ৬৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মিশেছে কাসপিয়ান সাগরে।
গঙ্গা ভারত
দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫২৫ কিমি
ভারত-বাংলাদেশে প্রবাহিত একটি আন্তর্জাতিক নদী গঙ্গা। এই নদী ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় নদী হিসেবে খ্যাত। এর দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫২৫ কিলোমিটার। গঙ্গার উৎপত্তিস্থল পশ্চিম হিমালয়ে ভারতের উত্তরাখ- রাজ্যে। জলপ্রবাহের ক্ষমতা অনুযায়ী এটি বিশ্বের প্রথম ২০টি নদীর একটি। গঙ্গা নদীর অববাহিকায় প্রায় ৪০ কোটি জনগণের বাস। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নদী অববাহিকা।

জুতা আবিষ্কার

পায়ের নিরাপত্তা ও আরামের জন্যই পাদুকার প্রচলন করেছিলেন ৪০ হাজার বছর আগের মানুষেরা। সে জুতাই মানুষের হাতে যুগে যুগে পেয়েছে নতুন রূপ, নতুন আকৃতি। জুতার বিবর্তনের কথাই থাকছে সময়রেখায়।

খ্রিষ্টপূর্ব ৪০,০০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৪০,০০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৪০,০০০ অব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞানী এরিক ট্রিঙ্কাউস ২০০৫ সালে তুষারযুগের মানুষদের দৈহিক গড়ন ও সে যুগের নিদর্শনের ওপর গবেষণা করে প্রমাণ হাজির করে বলেছেন, মানুষ জুতা পরতে শুরু করেছিল প্রায় ৪০ হাজার বছর আগে।

খ্রিষ্টপূর্ব ৭০০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৭০০০ অব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগন অঙ্গরাজ্যের ফোর্ট রক গুহায় পাওয়া সেইজব্রাশ গাছের বাকলের তৈরি জুতা থেকে ধারণা করা যায়, খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৭ হাজার বছর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের গুহাবাসীরা জুতা পরত।

খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দ

স্পেন থেকে পাওয়া নব প্রস্তরযুগের পাদুকা জোড়া এ সময়ে জুতা ব্যবহারের প্রমাণ দিয়ে থাকে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঞ্চলের একটি প্রাচীন গুহায় হদিস মেলে চামড়ার তৈরি জুতার, যা এ সময়ের।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দ

ইউরোপ-এশিয়ার সীমান্তে অবস্থিত আর্মেনিয়ার অ্যারেনি-১ গুহায় পাওয়া গেছে (৫৫০০ বছরের পুরোনো) এখন পর্যন্ত পাওয়া সবচেয়ে পুরোনো প্রায় অক্ষত চামড়ার জুতাটি।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০০ অব্দ

অস্ট্রীয় আল্পস পর্বতমালা থেকে ১৯৯১ সালে ওৎজি দ্য আইসম্যানের ৫৩০০ বছরের পুরোনো যে মমি উদ্ধার করা হয়েছিল, তাঁর পায়ে পাওয়া গিয়েছিল একটি ফিতা দিয়ে বাঁধা জুতা। এ থেকে ধারণা করা যায় যে খ্রিষ্টের জন্মের ৩৩০০ বছর আগেই আল্পস পর্বতমালার আশপাশের অধিবাসীরা জুতা ব্যবহার করতেন।

খ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০-১২০০ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ১৬০০-১২০০ অব্দ

এ সময়কালের মধ্যে ইরানের সীমান্তবর্তী মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের বাসিন্দারা পর্বতে চড়ার সময় একধরনের আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করতেন বলে জানা গেছে গবেষণায়।

খ্রিষ্টপূর্ব ৫৬ অব্দখ্রিষ্টপূর্ব ৫৬ অব্দ

বর্তমান যুক্তরাজ্যের ডারলিংটনে একটি পুরোনো রোমান দুর্গের পাশে থেকে পাওয়া রোমান রাজনীতিবিদ ট্যাসিটাসের (৫৬ খ্রিষ্টপূর্ব থেকে ১২০ খ্রিষ্টাব্দ) একটি লেখায় জানা যায়, রোমানরা সেই যুগে একধরনের শক্ত পাদুকা ব্যবহার করত।

১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দ

রেনেসাঁর পূর্বে ইউরোপের অভিজাত ব্যক্তিরা বিভিন্ন নকশার জুতা পরতেন বলে জানা যায়। তবে এখন যে ধরনের ফিতাযুক্ত জুতা দেখা যায় তা আবিষ্কৃত হয় ১৭৯০ সালে, ইংল্যান্ডে।

১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দ

মার্কিন উদ্ভাবক লিম্যান রিড ব্লেক ১৮৫৮ সালে জুতা সেলাই করার জন্য একটি বিশেষায়িত মেশিন পেটেন্ট করান।

১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দ

আইরিশ-আমেরিকান উদ্ভাবক হামফ্রে ও’সুলিভান রাবার হিলের পেটেন্ট পান।

১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সফলভাবে তৈরি স্নিকার উৎপাদন ও বিক্রয় শুরু হয়। প্রথম দিকে এই স্নিকার শিশু ও টেনিস খেলোয়াড়েরা ব্যবহার করত।

১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের পর১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের পর

রাবার, প্লাস্টিক, সিনথেটিক কাপড় এবং আরও বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে জুতার নতুন নতুন নকশা শুরু হলো।

১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ

ফরাসি ফ্যাশন ডিজাইনার এই সময় স্টিলেটো হিল নামে লম্বা, চিকন হিলের জুতা বাজারে আনেন। সারা বিশ্বে নারীদের কাছে তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দ

বিশ শতকের শুরুতে যে অ্যাথলেট জুতা পরিচিতি পেয়েছিল এই সময়টাতে বিশ্বব্যাপী তা ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ধূমপানের চেয়ে জাংক ফুডে বেশি মানুষ মারা যায়!
: সুস্থ থাকার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি ধূমপানকে স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর বিবেচনা করা হয়। ধূমপানের কারণে ক্যানসার, হৃদরোগ, শ্বাসকষ্টজনিত রোগের আশঙ্কা বাড়ে। তবে এই ধূমপানের চেয়েও প্রাণঘাতী এক কারণে মানুষ মারা যাচ্ছে বেশি।

আমেরিকার সিয়াটলের প্রতিষ্ঠান হেলথ মেট্রিক্স অ্যান্ড এভালুয়েশন ১৯৫টিরও বেশি দেশে নতুন এক গবেষণা চালিয়েছে। এতে দেখা গেছে, মানহীন খাবার খাওয়ার কারণে ধূমপানের চেয়েও বেশি দ্রুত হারে মানুষ মারা যাচ্ছে এখন। এক্ষেত্রে জাংক ফুডকেই দায়ী করছেন গবেষকরা। ফাস্ট ফুড, অপরিমিত স্ন্যাকস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তা আগে থেকেই বলে আসছিলেন পুষ্টিবিদরা। এছাড়া মাঝরাতে চিপস, ডোনাটসের মতো স্ন্যাকস খাওয়া, নিয়মিত চকোলেট খাওয়া এসবও বিশ্বজুড়ে মানুষকে মৃত্যুর দিকে দ্রুত ঠেলে দিচ্ছে, বলছেন গবেষকরা।

জাংক ফুড মৃত্যুর কারণ : সিয়াটলের প্রতিষ্ঠানটি যে গবেষণা পরিচালনা করে, তার নাম দেয়া হয় ‘গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ’। এতে জানা যায় বিশ্বজুড়ে এখন ধূমপানের চেয়ে বেশি মারা যায় জাংক ফুড খাওয়ার কারণে। গবেষণায় জানা গেছে, ধূমপানের কারণে যেখানে ৮ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়, তার বিপরীতে জাংক ফুড ও অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কারণে উচ্চ রক্তচাপের প্রভাবে মারা যায় ১১ মিলিয়ন মানুষ। আর জাংক ফুড খেয়ে মারা যাওয়া মানুষের মাঝে কম বয়সীরাই বেশি। মৃতদের ২২ শতাংশই ৭০ বছরের কম বয়সী জানা গেছে। গবেষণায় উঠে এসেছে- শাকসবজি বা পুষ্টিকর খাবারের পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার কারণেই মৃত্যুর হার বাড়ছে মানুষের। স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ার কারণে হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, টাইপ টু ডায়াবেটিসের মতো রোগ বাড়ছে। গবেষণাটিতে আরেকটি বিষয় উঠে এসেছে, তা হলো বিশ্বে ধনী লোকরাই বেশি মাংস, প্রক্রিয়াজাত খাবার, জাংক ফুড খায় বেশি।

কিভাবে জাংক ফুডের প্রভাব কমানো যায়? : নতুন গবেষণাটিতে মজার একটি উপায়ও বলা হয়েছে। আর তা হলো- জাংক ফুড হুট করে যদি কমানো না যায়, তাহলে এর সঙ্গে খাদ্যশস্য ও শাকসবজি জাতীয় খাবার খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে হবে। জাংক ফুড পরিহার করার ক্ষেত্রে কয়েক মাস আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসর আরেকটি গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি জানান, কেউ যদি দিনে ৬টির বেশি ফ্রেঞ্চ ফ্রাই না খায়, তাহলে ওই ব্যক্তি ভবিষ্যতে সুস্থ থাকবেন। আর ৬টি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের সঙ্গে স্বাস্থ্যকর সালাদ খেলে শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য রক্ষা হয়।

আশা করি মহান আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের নতুন কিছু তথ্য জানাতে আসলাম। হয়ত এর অনেক তথ্য আপনি জানেন, হয়ত অনেক তথ্য জানেন না। জানার শেষ নেই। চলুন জেনে নেই নতুন আরও কিছু তথ্য।
অজগর সাপ সম্পর্কে কিছু তথ্য..
►► অজগর সাপ তার শিকারকে ছোবল বা বিষ প্রয়োগে মারে না!! বরং, সেই শিকারকে নিজের শরীর দিয়ে পেঁচিয়ে ধরে জোরে জোরে চাপ দেয়!! এক পর্যায়ে শিকারটি শ্বাস নিতে না পেরে মারা যায়!!

►► অজগর একটি শিকারকে হত্যার পর সেটি পুরোটুকু গিলে ফেলে!! বাদ দেয় না এক কানাকড়ি অংশ!!

►► শিকারের আকার যতো বড় হয়, অজগরের পেট সেই খাবার হজম করতে ততো বেশি টাইম নেয়!! মাঝে মাঝে এমনকি একটি শিকার হজম করতে অজগরের কয়েকমাস সময় লেগে যায়!!

►► গভীর বনে যেইসব অজগর পাওয়া যায় এরা মূলত বছরে মাত্র ৪-৫ টি শিকার ধরে থাকে!!

►► অজগর সাপ একসাথে ১২টি - ৩৬টি ডিম পাড়তে পারে!!

►► পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অজগর সাপের সাইজ হলো ৩০ ফিট!! এরা রেটিকুলেটেড অজগর নামে পরিচিত!!

►► অজগর সাপ মানুষের জন্য তেমন বিপদজনক নয়!! আক্রমনের সম্মুখীন না হলে এরা মানুষকে আঘাত করে না।

“যে ইচ্চা পূর্বক তার বন্ধুকে ঠকায়, সে তার খোদাকেও ঠকাতে পারে।” লভাটার

আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র হচ্ছে সূর্য। সূর্য থেকে পৃথিবীসহ বাকি গ্রহগুলির দূরত্ব:

সূর্য থেকে গ্রহগুলির দূরত্ব



সূর্য থেকে গ্রহগুলির দূরত্ব:

নেপচুন: ৪.৫ বিলিয়ন কি.মি.

ইউরেনাস: ২.৮৮ বিলিয়ন কি.মি.

শনি: ১.৪ বিলিয়ন কি.মি.

বৃহস্পতি: ৭৭৯ মিলিয়ন কি.মি.

মঙ্গল: ২২৮ মিলিয়ন কি.মি.

পৃথিবী: ১৫০ মিলিয়ন কি.মি.

শুক্র: ১০৮ মিলিয়ন কি.মি.

বুধ: ৪৬-৬৯.৮ মিলিয়ন কি.মি.
সূর্য হচ্ছে আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র এবং এটি সৌরজগতের ৯৯.৮% ভর ধারণ করে রয়েছে।



বয়স: ৪.৬ বিলিয়ন বছর

সূর্যের মধ্যে ৭.৯ শতাংশ হিলিয়াম এবং ৯২.১ শতাংশ হাইড্রোজেন।

কেন্দ্রের কাছাকাছি তাপমাত্রা ১,৩৬,০০,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা!

গবেষণায় দেখা গেছে টেবিল-চেয়ারে বসে খাবার খেলে পেট ভরে ঠিকই, কিন্তু শরীরের কোনও মঙ্গল হয় না। বরং নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। অন্যদিকে মাটিতে বাবু হয়ে বসে খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। সেই সঙ্গে শরীরও রোগ মুক্ত হয়। মাটিতে বসে খাবার খাওয়ার বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা!বোল্ডস্কাই এর প্রতিবেদন অনুযায়ী নিচে মাটি বসে খাওয়ার উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

মাটিতে বসে খেলে একাধিক আসন করা হয়: মাটিতে বসে খাওয়ার সময় আমরা নিজেদের অজান্তেই একাধিক আসন, যেমন- সুখাসন, সোয়াস্তিকাসন অথবা সিদ্ধাসন করে ফেলি। ফলে মাটিতে বসে খাওয়ার সময় পেট তো ভরেই সেই সঙ্গে শরীর ও মস্তিষ্ক, উভয়ই ভিতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

শরীর শক্তপোক্ত হয়: মাটিতে বসে খাওয়ার অভ্যাস করলে থাই, গোড়ালি এবং হাঁটুর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শিরদাঁড়া, পেশি, কাঁধ এবং বুকের ফ্লেক্সিবিলিটিও বাড়ে। ফলে সার্বিকভাবে শরীরে সচলতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি নানাবিধ রোগও দূরে থাকে।

হজম ক্ষমতার উন্নতি হয়: বাবু হয়ে বসে খেলে হজম ক্ষমতার উন্নতি হয়। তাই যাদের বদ হজমের সমস্যা রয়েছে বা যারা প্রায়শই গ্যাসের সমস্যায় ভোগেন তাদের ভুলেও টেবিল চেয়ারে বসে খাওয়া উচিত নয়। পরিবর্তে মাটিতে বসে পাত পেরে খাওয়া উচিত। আসলে বাবু হয়ে বসে খাওয়ার সময় আমরা কখনও আগে ঝুঁকে পরি, তো কখনও সোজা হয়ে বসি।

এমনটা বারে বারে করাতে হজম সহায়ক ডায়জেস্টিভ জুস’র ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে হজম প্রক্রিয়া খুব সুন্দরভাবে হতে থাকে। এখানেই শেষ নয়, মাটিতে বসে থাকার সময় আমাদের শিরদাঁড়ার নিচের অংশে চাপ পরে ফলে স্ট্রেস লেভেল কমে গিয়ে সারা শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

আয়ু বৃদ্ধি পায়: মাটিতে বসে খেলে শরীরের সচলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে শরীরের অন্দরে কোনও ধরনের ক্ষয়-ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে ইউরোপিয়ান জার্নাল অব প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে বলা হয়েছিল যারা কোনও সাপোর্ট ছাড়া মাটিতে বসে থাকতে থাকতে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পরতে পারেন,

তাদের শরীরে ফ্লেক্সিবিলিটি বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি একাধিক অঙ্গের কর্মক্ষমতার বৃদ্ধি ঘটে, ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আয়ু বৃদ্ধি পায়। আর যারা এমনটা করতে পারেন না, তাদের আয়ু অনেকাংশেই হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, এই গবেষণাটি ৫১-৮০ বছর বয়সীদের মধ্যে করা হয়েছিল।

ব্যথা কমে: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে মাটিতে বসে খাওয়ার সময় আমরা মূলত পদ্মাসনে বসে থাকি। এইভাবে বসার কারণে পিঠের, পেলভিসের এবং তল পেটের পেশীর কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে সারা শরীরের কর্মক্ষমতা এত মাত্রায় বৃদ্ধি পায় যে সব ধরনের যন্ত্রণা কমে যেতে সময় লাগে না।

ওজন কমে: মাটিতে বসে খাওয়ার সময় আমাদের ভেগাস নার্ভের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়। ফলে পেট ভরে গেলে খুব সহজেই ব্রেনের কাছে সে খবর পৌঁছে যায়। ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। এমনটা যত হতে থাকে তত ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কাও কমে।

প্রসঙ্গত, আমাদের পেট ভরেছে কিনা সেই খবর ব্রেনের কাছে পৌঁছালেই আমাদের খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। আর এই খবর মস্তিষ্ককে পাঠায় ভেগাস নার্ভ।

হার্টে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: হাঁটু মুড়ে বসে থাকাকালীন শরীরের উপরের অংশে রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে হার্টে কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে হ্রাস পায় কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।

সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে: আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রতিটি অঙ্গে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়াটা জরুরি। যত এমনটা হবে, তত রোগের প্রকোপ কমবে। সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরও চাঙ্গা হয়ে উঠবে। আর যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে বাবু হয়ে বসে থাকাকালীন সারা শরীরে বিশুদ্ধ অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের চলাচল বেড়ে যায়।

স্ট্রেসের মাত্রা কমে: শুনতে আজব লাগলেও একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মাটিতে বসে থাকলে শরীর এবং মস্তিষ্কের অন্দরে বেশ কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। ফলে মানসিক অবসাদ তো কমেই, সেই সঙ্গে স্ট্রেস এর মাত্রাও কমতে শুরু করে।

ঝড়-তুফান থেকে হিফাজতের দোয়া

আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে নানাবিধ আপদ-বিপদ ও মুসিবত দিয়ে বান্দাকে পরীক্ষা করেন। সব রকম বিপদ-আপদে হিফাজত থাকার কলা-কৌশল, দোয়া, জিকির-আজকার কুরআন ও হাদিসে এসেছে। মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান ও অধিক বৃষ্টির অনিষ্ট থেকে হিফাজত থাকারও রয়েছে দোয়া। জাগো নিউজে তা তুলে ধরা হলো-

মেঘের গর্জনে পঠিতব্য দোয়া
ক. হজরত আব্দুল্লাহ ইবন যুবাইর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন মেঘের গর্জন শুনতেন তখন কথা বলা বন্ধ করে দিতেন এবং কুর`আন মাজীদের এই আয়াত তিলাওয়াত করতেন-

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ، والـمَلائِكَةُ مِنْ خِيْفَتِهِ

উচ্চারণ : সুবহানাল্লাজি ইউসাব্বিহুর রা`দু বিহামদিহি ওয়াল মালাইকাতু মিন খিফাতিহি
অর্থ : পাক-পবিত্র সেই মহান সত্তা- তাঁর প্রশংসা পাঠ করে বজ্র এবং সব ফেরেশতা, সভয়ে। (মুয়াত্তা)
খ. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মেঘের গর্জন শুনলে বা বিদ্যুতের চমক দেখলে সঙ্গে সঙ্গেই এই দোয়া করতেন-

اللَّهُمَّ لا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ ، وَلا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ ، وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

উচ্চারণ- আল্লা-হুম্মা লা- তাক্বতুলনা- বিগযাবিকা ওয়া লা-তুলহিকনা- বিআ’জা-বিকা, ওয়া আ’-ফিনা- ক্বাব্লা জা-লিকা।
অর্থ : হে আমাদের প্রভু! তোমার ক্রোধের বশবর্তী হয়ে আমাদের মেরে ফেলো না আর তোমার আযাব দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না। বরং এর আগেই আমাদেরকে ক্ষমা ও নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে নিও। (তিরমিজি)

ঝড় তুফানের সময়ের দোয়া

اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلاَ عَلَيْنَا

উচ্চারণ : `আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা
অর্থ : হে আল্লাহ! আমাদের থেকে ফিরিয়ে নাও, আমাদের ওপর দিয়ো না। (বুখারি) ঝড়-তুফানের সময় এ দোয়া বেশি বেশি পড়তে হবে।

اللهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

উচ্চারণ : `আল্লাহুম্মা ইন্নী আস্আলুকা খায়রাহা ওয়া খায়রা মা ফিহা- ওয়া খায়রা মা উরসিলাতবিহি; ওয়া আউযুবিকা মিন শাররিহা ওয়া শাররি মা ফিহা ওয়া শাররি মা উরসিলাতবিহি।`

অর্থ : হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট এর মঙ্গল, এর মধ্যকার মঙ্গল ও যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার মঙ্গলসমূহ প্রার্থনা করছি এবং আমি আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি এর অমঙ্গল হতে, এর মধ্যকার অমঙ্গল হতে এবং যা নিয়ে তা প্রেরিত হয়েছে, তার অমঙ্গলসমূহ হতে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে উল্লেখিত দোয়া ও আমলগুলো যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে ঝড়-তুফানসহ যাবতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Ami valo achi

অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না,সকলকেইসে নিজের মত ভাবে। -হজরত আলী (রা.)
ঘষা খেতে যদি ভয় পাও, তাহলে চকচক করবে কীভাবে?
-জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ রুমি

এস-৪০০ ডিফেন্স সিস্টেম বনাম যুক্তরাষ্ট্র

Indians: Gautam Gambhir, Kuldeep Yadav, Manish Pandey, Piyush Chawla, Robin Uthappa, Sheldon Jackson, Suryakumar Yadav, Umesh Yadav, Yusuf Pathan.

Overseas: Andre Russell, Sunil Narine (both from West Indies), Brad Hogg, Chris Lynn (both from Australia), Shakib Al Hasan (Bangladesh), Morne Morkel (South Africa).

Good News For KKR: Sunil Narine, who is banned from bowling in international cricket, has been retained by KKR.

অ্যান্ড্রয়েড জগতে এখন ফোনের অভাব নেই। ৫ হাজার থেকে করে ৬৭ হাজার পর্যন্ত অনেক অ্যান্ড্রয়েড ফোন এই পাওয়া যায়। কিন্তু বাংলাদেশে যারা কমদামে (২০ হাজার টাকার নিচে) অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনতে চাচ্ছেন, তারা সবাই বড় ধরনের দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন। তাদের দোষ দেয়া যায় না অবশ্য, কারণ সিম্ফনি ও ওয়াল্টনের এতোগুলো ফোনের মধ্যে এক্সপার্টরাই দ্বিধায় পড়ে যান। আর সাধারণ মানুষ যিনি প্রথম অ্যান্ড্রয়েড কিনতে যাচ্ছেন, তার মাথা খারাপ হবার যোগাড় হলে তাকে দোষ দেয়া যায় না।

আজকের এই পোস্টে খুব সংক্ষেপে আলোচনা করে জানাচ্ছি আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ১৬ হাজার টাকার বাজেটে সেরা মনে হচ্ছে। তুলনা করতে গেলে সাধারণ হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন নিয়ে বড় আকারে তুলনা করতে হয়, যেমনটা আপনারা দেখেছেন অ্যান্ড্রয়েড কথনের নেক্সাস ৭ বনাম আইপ্যাড মিনি কিংবা গ্যালাক্সি এস ৩ বনাম আইফোন ৫ পোস্টে। কিন্তু আমরা বলছি একসঙ্গে ৫টি ফোনের কথা। ৫টি ফোনের এভাবে বিস্তারিত রিভিউ করতে গেলে পাঠকই পড়া বাদ দিয়ে চলে যাবেন। তাই সংক্ষেপেই পোস্টটি লেখা হলো।
পোস্টটি লেখার কারণ

Untitled

প্রতিদিন অ্যান্ড্রয়েড কথন ফেসবুক গ্রুপ ও অ্যান্ড্রয়েড কথন ফোরামে এরকম অনেক প্রশ্ন দেখি। এ জন্য আমি আজকে এখনের জনপ্রিয় ৫টি ফোন নিয়ে আলোচনা করব, সেগুলো হল Walton G1, Walton G2, Walton R1, Symphony W90 এবং Micromax A110 Canvas 2।
ডিসপ্লে দিয়ে শুরু করা যাক

Walton G1 এর ৪.৩ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে, রেজুলেশন ৮০০x৪০০ পিক্সেল।(WVGA)
Walton G2 এর ৪.৫ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে, রেজুলেশন ৫৪০×৯৬০ পিক্সেল।(qHD)
Symphony W90 এর ৫.০ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে, রেজুলেশন ৮০০x৪০০ পিক্সেল।(WGVA)
Micromax A110 এর ৫.০ ইঞ্চি ডিসপ্লে, রেজুলেশন ৪৮০x৮৫৪ পিক্সেল।(FWGVA)
Walton R1 এর ৪ ইঞ্চি আকারের ডিসপ্লে, রেজুলেশন ৮০০x৪৮০ পিক্সেল (WVGA)

এখানে ডিসপ্লে এর রেজুলেশন এর দিক দিয়ে Walton G2 সবচেয়ে উন্নত। কিন্তু অনেকে বড় ডিসপ্লে চান তাদের জন্য Micromax A110- ই ভাল হবে। আর যারা ছোট ডিসপ্লেতে সব চান তাদের জন্য Walton R1।
প্রসেসর, জিপিইউ

Walton G1 এ থাকছে ডুয়েল কোর ১ গিগাহার্জ Mediatek এর প্রসেসর এবং PowerVR SGX531,
Walton G2, ডুয়েল কোর ১.২ গিগাহার্জ Qualcomm এর প্রসেসর এবং Adreno 203,
Symphony W90, ডুয়েল কোর ১ গিগাহার্জ Mediatek এর প্রসেসর এবং PowerVR SGX531,
Micromax A110, ডুয়েল কোর ১ গিগাহার্জ Mediatek এর প্রসেসর এবং PowerVR SGX531,
Walton R1, ডুয়েল কোর ১.২ গিগাহার্জ Mediatek এর প্রসেসর এবং PowerVR SGX531,

আমাদের এই ৫টি ফোন এর মধ্যে ৪টি’তে আছে Mediatek এর প্রসেসর। Mediatek বেশ ভালো মানের প্রসেসর বানালেও Qualcomm সাধারণ মিডিয়াটেকের চেয়ে উন্নত প্রসেসর তৈরি করে থাকে। ফলে, সাধারণত কোয়ালকমের প্রসেসর সমৃদ্ধ ডিভাইসগুলোয় ভালো পারফরম্যান্স লক্ষ্য করা যায়। তাই কোয়ালকমের প্রসেসর থাকার কারণে ওয়াল্টন জি২ এই ডিভাইসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে।
Android এর যে ভার্সন চলছে ফোনগুলোতে

এই সবগুলো ফোন এ-ই চলছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.০.৪ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ। কিন্তু Symphony, Walton অ্যান্ড্রয়েড ৪.০.৪ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ কে একটু পরিবর্তন করে দিয়েছে। অর্থাৎ, একটু Customize করেছে এবং আরও অনেক অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে দিয়েছে যেগুলো হয়তো আপনার প্রয়োজন পড়বে না। উপরন্তু ওদের অনেক অ্যাপ দেওয়ার কারনে ডিভাইস অনেক সময় ধীরগতির হয়ে যেতে পারে। কিন্তু অন্যদিকে Micromax তাদের ফোনে ব্যবহার করে স্টক অ্যান্ড্রয়েড। অর্থাৎ, গুগল যেভাবে রিলিজ করে, ঠিক সেভাবেই তারা এতে অপারেটিং সিস্টেমটি দিয়ে দেয়। বাড়তি কেবল তাদের ৩টি অ্যাপ দেওয়া থাকে।

হুম, বুঝলাম কিন্তু কোনটা নিব ?

Walton G1 – ১২৪৯০ টাকা
Walton R1 – ১৩৯৯০ টাকা
Symphony W90 – ১৪৯৯০ টাকা
Micromax A110 – ১৫,০০০ টাকা
Walton G2 – ১৪০০০-১৬০০০ টাকা

এটা আসলেই একটি কঠিন প্রশ্ন, কিন্তু আমার মতে আপনাদের Micromax A110-ই এই দামে সবচেয়ে ভালো ফোন। স্পেসিফিকেশনের পাশাপাশি রুট করা, কাস্টম রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইন্টারন্যাশনালি ডেভেলপারদের সাপোর্ট পাওয়া যাবে। তবে মাইক্রোম্যাক্স ডিভাইস নিতে কাউকে পরামর্শ দেয়ার আগে আমরা দ্বিতীয়বার ভাবি কারণ এদের সার্ভিস সম্পর্কে আমরা সন্দিহান। কোনো কারণে আপনার ডিভাইসে কোনো সমস্যা থাকলে আপনাকে ভোগান্তিতে পড়তে হতে পারে।



তাই আফটার-সেলস সার্ভিসের কথা চিন্তা করলে ওয়াল্টন কিংবা সিম্ফনির ডিভাইসগুলো থেকেই যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন। আরেকটি বিষয় হলো কোন ডিভাইস নেবো এর উত্তর আসলেই এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়। সবচেয়ে ভালো হয় অন্ততঃপক্ষে দু’টি ডিভাইস পছন্দ করুন, তারপর দু’টো কোম্পানিরই শোরুমে গিয়ে ডিভাইসগুলো হাতে নিয়ে দেখে আসুন।

আর আমার মতে সেই দু’টি দেশীয় ডিভাইস হতে পারে ওয়াল্টন জি১ ও সিম্ফনি ডব্লিউ ৯০।

আপনার কি মতামত? আপনি কোনটি নিবেন ও কেন নিবেন সেটি নিচে মন্তব্য করে জানাবেন! আর যদি ইতোমধ্যেই কোনো ডিভাইস কিনে থাকেন, তাহলে সেটির পারফরম্যান্স সম্পর্কেও মন্তব্য করতে ভুলবেন না। এতে আরেকজন ক্রেতা উপকৃত হবেন।

জন্মদিনে গাছ লাগানো অনেক ভাল একটা অভ্যাস

অন্তবিহীন পথ চলাই জীবন শুধু জীবনের কথা বলাই জীবন। জীবন প্রসব করে চলাই জীবন, শুধু যোগ বিয়োগের খেলাই জীবন।




প্রতীকী ছবিরাজধানীর বসুন্ধরার নদ্দায় শিক্ষার্থী আবরার আহমেদ চৌধুরীকে চাপা দেওয়া সুপ্রভাত বাসের চালকের ভারী যান চালানোর লাইসেন্স ছিল না। হালকা যান চালানোর লাইসেন্স নিয়ে তিনি বাসের মতো ভারী যান চালাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে সকাল ১০টা থেকে রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থীরা। রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখে অবস্থান নেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসসহ (বিইউপি) বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক শ শিক্ষার্থী। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া ও বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল এমদাদ উল বারী। এ সময় তাঁরা দুর্ঘটনাস্থলে আবরারের নামে একটি পদচারী সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।

Eprothom Alo
মেয়র বলেন, চালকের ভারী যান চালানোর লাইসেন্স ছিল না। যে ড্রাইভার সুপ্রভাত পরিবহনের বাসটি চালাচ্ছিলেন, তাঁর হালকা যান চলাচলের লাইসেন্স ছিল। এটি নিয়ে তিনি বাসের মতো ভারী যান চালাচ্ছিলেন। এটা কীভাবে সম্ভব! তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইন অনুযায়ী তাঁর দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

এ সময় ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, সুপ্রভাত পরিবহনের সব বাসের সার্ভিস বন্ধ রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটির রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে মেয়র জানান, তাদের দাবি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে। দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে ছাত্রদের ফিরে যেতে বলেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে নদ্দা এলাকায় সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাসের চাপায় নিহত হন বিইউপির ছাত্র আবরার আহমেদ চৌধুরী। ঘটনার পর সুপ্রভাত পরিবহনের ওই বাসের চালক সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে গতকাল রাতে এ ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা হয়।

এ ঘটনার পর রাস্তায় নামেন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। তাঁরা সেখানে সড়ক অবরোধ করে রাখেন। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আট দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাসচালকের শাস্তি, নতুন বাসচালকেরা যেন যথাযথ নিয়মে ড্রাইভিং লাইসেন্স পান, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় জেব্রাক্রসিংয়ের ব্যবহার, জেব্রাক্রসিংয়ের সামনে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন, প্রগতি সরণির সামনে পদচারী সেতু স্থাপন।
আরও সংবাদ
বিষয়:
নিরাপদ সড়ক আন্দোলন
সড়ক দুর্ঘটনা
অপরাধ
রাজধানী
দুর্ঘটনা
ঢাকা
ঢাকা মহানগর
ঢাকা বিভাগ
‘দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়া হবে না’

🔰☞ (a+b)²= a²+2ab+b²
🔰☞ (a+b)²= (a-b)²+4ab
🔰☞ (a-b)²= a²-2ab+b²
🔰☞ (a-b)²= (a+b)²-4ab
🔰☞ a² + b²= (a+b)²-2ab.
🔰☞ a² + b²= (a-b)²+2ab.
🔰☞ a²-b²= (a +b)(a -b)
🔰☞ 2(a²+b²)= (a+b)²+(a-b)²
🔰☞ 4ab = (a+b)²-(a-b)²
🔰☞ ab = {(a+b)/2}²-{(a-b)/2}²
🔰☞ (a+b+c)² = a²+b²+c²+2(ab+bc+ca)
🔰☞ (a+b)³ = a³+3a²b+3ab²+b³
🔰☞ (a+b)³ = a³+b³+3ab(a+b)
🔰☞ a-b)³= a³-3a²b+3ab²-b³
🔰☞ (a-b)³= a³-b³-3ab(a-b)
🔰☞ a³+b³= (a+b) (a²-ab+b²)
🔰☞ a³+b³= (a+b)³-3ab(a+b)
🔰☞ a³-b³ = (a-b) (a²+ab+b²)
🔰☞ a³-b³ = (a-b)³+3ab(a-b)
🔰☞ (a2 + b2 + c2) = (a + b + c) 2 – 2(ab + bc + ca)
🔰☞ 2 (ab + bc + ca) = (a + b + c) 2 – (a2 + b2 + c2)
🔰☞ (a + b + c) 3 = a3 + b3 + c3 + 3 (a + b) (b + c) (c + a)
🔰☞ a3 + b3 + c3 – 3abc = (a+b+c)(a2 + b2+ c2–ab–bc– ca)
🔰☞ a3 + b3 + c3 – 3abc = (a+b+c) { (a–b) 2+(b–c) 2+(c–a) 2}
-
🔰☞ (x + a) (x + b) = x2 + (a + b) x + ab
🔰☞ (x + a) (x – b) = x2 + (a – b) x – ab
🔰☞ (x – a) (x + b) = x2 + (b – a) x – ab
🔰☞ (x – a) (x – b) = x2 – (a + b) x + ab
🔰☞ (x+p) (x+q) (x+r) = x3 + (p+q+r) x2 + (pq+qr+rp) x +pqr


☑️ভুলে যাওয়া মোবাইল নাম্বারঃ
--------------------
🔰গ্রামীণফোনঃ *2#
🔰রবিঃ *140*2*4#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *511#
🔰টেলিটকঃ *551#
🔰এয়ারটেলঃ *121*6*3#
--------------------
☑️ইমারজেন্সী ব্যালেন্স কোডঃ --
🔰গ্রামীণফোনঃ *1010*1#
🔰রবিঃ *8811*1#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *874#
🔰টেলিটকঃ *1122#
🔰এয়ারটেলঃ *141*10#
------------------
☑️ইন্টারনেট ব্যালেন্স কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ *566*10#, *566*13# , *567#
🔰রবিঃ *8444*88#, *222*81#
🔰বাংলালিঙ্কঃ*124*5#, *222*3#
🔰টেলিটকঃ *152#
🔰এয়ারটেলঃ *778*39#, *778*4#
-------------------
☑️মোবাইল ব্যালেন্স কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ *566#
🔰রবিঃ *222#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *124#
🔰টেলিটকঃ *152#
🔰এয়ারটেলঃ *778#
🔰আউটসাইড নলেজ
----------------
☑️প্যাকেজ চেক কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ *111*7*2#
🔰রবিঃ *140*14#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *125#
🔰টেলিটকঃ unknown
🔰এয়ারটেলঃ *121*8#
🔰আউটসাইড নলেজ
-----------------
☑️চেক অফার কোডঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ *444*1*2#
🔰রবিঃ *999#
🔰বাংলালিঙ্কঃ *7323#
🔰টেলিটকঃ unknown
🔰এয়ারটেলঃ *222*1#
-----------------
☑️কাস্টমার কেয়ার নাম্বারঃ
🔰গ্রামীণফোনঃ 121, 01711594594
🔰রবিঃ 123, 88 01819 400400
🔰বাংলালিঙ্কঃ 121
🔰টেলিটকঃ 121, 01500121121-9
🔰এয়ারটেলঃ 786, 016 78600786


ক্রিপস মিশন
English

ক্রিপস মিশন ১৯৪২ সালের ২৩ মার্চ ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপসের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক ভারতে প্রেরিত একটি মিশন। এ মিশনের মাধ্যমে ভারতকে নতুন কিছু প্রস্তাব দেওয়া হয়। শ্রমিক দলের একজন চরমপন্থি সদস্য ও সে সময়ের হাউস অব কমন্স-এর নেতা ক্রিপস ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের একজন প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দুটি বিষয়ের ওপর বিবেচনা করে ক্রিপস মিশন প্রণোদিত হয়। প্রথমত, ১৯৪০ সালের অক্টোবরে গান্ধী কর্তৃক সত্যাগ্রহ আন্দোলনের আহবান, যার উদ্দেশ্য ছিল ভারতে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ব্রিটিশদের যুদ্ধ তৎপরতাকে বিঘ্নিত করা এবং ব্রিটিশদের স্বার্থে এর সমাপ্তি টানা। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধে জাপানিদের হাতে সিংগাপুর (১৯৪২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি), রেঙ্গুন (৮ মার্চ) ও আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের (২৩ মার্চ) পতন সমগ্র ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামোকে হুমকির সামনে ফেলে দিয়েছিল। এরকম সংকটময় পরিস্থিতিতে ব্রিটিশগন উপলব্ধি করেছিল যে, ভারতীয়দের সমর্থন পেতে হলে কিছু কাজ করতে হবে।

ক্রিপস প্রস্তাবে যুদ্ধের পরে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিটিশ কমনওয়েলথের ভেতর একটি ভারতীয় ইউনিয়ন গঠনের ইচ্ছার কথা পুনরাবৃত্তি করা হয়, এবং তার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তাব পেশ করা হয়। ইলেক্টরাল কলেজের ন্যায় কার্য সম্পাদনের জন্য প্রাদেশিক আইন পরিষদ কর্তৃক একটি সংসদীয় সভা নির্বাচিত করতে হবে। এ সংসদই এর পর চুক্তি সম্পাদনের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সাথে আলাপ-আলোচনা করবে। এতে কমনওয়েলথ থেকে ভবিষ্যতে বের হয়ে যাওয়ার অধিকারের কথা স্পষ্টভাবে উল্লিখিত ছিল। যোগদানের বিষয়টি ভারতীয় রাষ্ট্রসমূহের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়। নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ব্রিটিশ সরকারের সাথে দেশীয় রাজন্যবর্গের সম্পাদিত চুক্তি পরিবর্তনের সুযোগ রাখা হয়।

পরবর্তী যুদ্ধকালীন সম্পূর্ণ সময়ে এ প্রস্তাব ভারতীয় রাজনীতিতে প্রাধান্য বজায় রাখে। যদিও ব্রিটিশ কর্মকর্তাগণ দাবি করেন যে, ক্রিপস প্রস্তাব তার সরলতা ও স্পষ্টতার জন্য চিহ্নিত, তথাপি ব্যাপক দ্ব্যর্থবোধকতা ও ভুলবোঝাবুঝির জন্য শেষ পর্যন্ত এটি বিফল হয়। শাসকদের দ্বারা রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধি মনোনয়ন সম্পর্কে কংগ্রেস ভীষণ সমালোচনা মুখর ছিল। জওহরলাল নেহরু ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুদ্ধে ভারতীয়দের সমর্থন সংগঠিত করার জন্য জোরালোভাবে মত প্রকাশ করলেও কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং গান্ধী নিজেও এ ব্যাপারে ছিলেন উদাসীন। ফলে কংগ্রেস-ব্রিটিশ সম্পর্ক তিক্ত হয় এবং অন্যান্য ঘটনা ভারত ছাড় আন্দোলন এর মতো সম্পূর্ণ সংঘাতময় পরিস্থিতির দিকে দ্রুত টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। মিশনের ব্যর্থতার জন্য ক্রিপস কংগ্রেসকে দায়ী করে, অন্যদিকে কংগ্রেস এ দায়ভার চাপায় ব্রিটিশ সরকারের ওপর। এভাবে অবিভক্ত স্বাধীন ভারত প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ নষ্ট হয়ে যায়। [মোহাম্মদ শাহ]

সহজে আমলযোগ্য ১৫ টি জরুরী ছোট ছোট দোয়া
ইসলাম ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর. দোয়া শব্দটির আক্ষরিক অর্থ 'আবাহন' বা 'ডাকা', যা একটি পদ্ধতি-সিদ্ধ মিনতি প্রক্রিয়া। ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ বলেছেন: "দোয়া উপাসনার সারাংশ"; আর আল্লাহ তার প্রেরিত ধর্মগ্রন্থ কোরআন-এ বলেছেন: এবং তোমার প্রতিপালক বলেন: "আমায় ডাকো; আমি উত্তর দেবো (তোমাদের প্রার্থণার)" । দুনিয়ার বুকে মানুষের উপকার হয় ও বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়- এমন অনেক দোয়া পবিত্র কোরআনে কারিম ও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। দোয়াগুলো খুবই ছোট তাই সহজে মুখস্থ করা যায়। সহজে আমলযোগ্য কয়েকটি ছোট ছোট দোয়া পাঠকদের জন্য পেশ করা হল:
১৫ টি জরুরী দোয়া ও আয়াত সমূহের বিবরণ
০১. আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম।
[অর্থঃ বিতারিত শয়তানের হাত থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি।] .
০২. বিস্মিল্লাহির রহমানির রাহিম।
[অর্থঃ পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।] .
০৩. রাব্বানা আ’তিনা ফিদ্দুনিয়া হাছানাতাঁও ওয়াফিল আখিরাতি হাছানাতাঁও ওয়াক্বিনা আজাবান্নার।
[অর্থঃ হে আল্লাহ্ তুমি আমাকে ইহকালীন যাবতীয় সুখ-শান্তি ও পরকালীন যাবতীয় সুখ-শান্তি প্রদান কর। আর দোজখের আগুন থেকে আমাকে রক্ষা কর।]
০৪. মাতা-পিতার জন্য সন্তানের দোয়াঃ রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বা ঈয়ানী সাগিরা। (সূরা বণী ইসরাইল, আয়াতঃ ২৩-২৫)
[অর্থঃ হে আল্লাহ্ আমার মাতা-পিতার প্রতি আপনি সেই ভাবে সদয় হউন, তাঁরা শৈশবে আমাকে যেমন স্নেহ-মমতা দিয়ে লালন-পালন করেছেন।]
০৫. ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ করার দোয়াঃ রাব্বানা লা’তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাবলানা মিল্লাদুনকা রাহমাতান, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহাব। (সুরা আল ইমরান, আয়াতঃ ০৮)
[অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা, সরলপথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে বক্র করে দিওনা এবং তুমি আমাদের প্রতি করুনা কর, তুমিই মহান দাতা।]
০৬. ভুল করে ফেললে ক্ষমা চাওয়ার দোয়াঃ রাব্বাবা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফির্লানা ওয়াতার হামনা লানা কুনান্না মিনাল খা’সিরিন।
[অর্থঃ হে আল্লাহ্, আমি আমার নিজের উপর জুলুম করে ফেলেছি। এখন তুমি যদি ক্ষমা ও রহম না কর, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।]
০৭. গুনাহ্ মাফের দোয়াঃ রাব্বানা ফাগফিরলানা যুনুবানা ওয়া কাফফির আন্না সাইয়্যিআতিনা ওয়া তাওয়াফ্ফানা মায়াল আবরার। (সূরা আল ইমরান, আয়াতঃ ১৯৩)
[অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের গুনাহসমূহ মাফ করে দাও, আমাদের থেকে সকল মন্দ দূর করে দাও এবং আমাদের নেক লোকদের সাহচার্য দান কর।]
০৮. স্বামী-স্ত্রী-সন্তানদের জন্য দোয়াঃ রাব্বানা হাবলানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া যুররিইয়াতিনা কুররাতা আইইনিও ওয়াজ আলনা লিল মুত্তাক্বিনা ইমামা। (সূরা আল ফুরকান, আয়াতঃ ৭৪)
[অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদিগকে আমাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিগণ হতে নয়নের তৃপ্তি দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানাও।]
০৯. ঈমান ঠিক রাখার আমলঃ ইয়া মুক্বাল্লিবাল কুলুবি ছাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিকা।
[অর্থঃ হে মনের গতি পরিবর্তনকারী, আমার মনকে সত্য দ্বীনের উপর স্থিত কর।]
১০. সন্তানদের প্রতি মাতা-পিতার দোয়া ও মাতা-পিতার জন্য সন্তানদের দোয়াঃ রাব্বিজ আলনী মুতিমাছ ছালাতি ওয়ামিন জুররি ইয়াতি, রাব্বানা ওয়াতাকাব্বাল দুয়া, রাব্বানাগ ফিরলি ওয়ালি ওয়ালি দাইয়া ওয়ালিল মু’মিনিনা ইয়াওয়া ইয়াকুমুল হিসাব। (সূরা ইব্রাহিম, আয়াতঃ ৪০-৪১)
[অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নামাজ কায়েমকারী বানাও আর আমার সন্তানদের মধ্য থেকেও। হে আল্লাহ্ আমার দোয়া কবুল করে নাও। হে আল্লাহ্ আমাকে ও আমার মাতা- পিতাকে আর সকল ঈমানদার লোকদের সেদিন ক্ষমা করে দিও, যেদিন হিসাব কার্যকর হবে।]
১১. নেক সন্তানদের জন্য দোয়াঃ রাব্বি হাবলি মিনাস সালেহীন।
[অর্থঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে নেককার সৎ-কর্মশীল সন্তান দান কর।]
১২. অবাধ্য সন্তান বাধ্য করার দোয়াঃ ওয়াছলিহলি ফী যুররিইয়াতি, ইন্নি তুবতু ইলাইকা, ওয়া ইন্নি মিনাল মুসলিমীন। (সূরা আহকাফ, আয়াতঃ ১৫)
[অর্থঃ আমার জন্য আমার সন্তানদের মধ্যে প্রীতি দান কর, অবশ্যই আমি তোমারই দিকে ফিরিতেছি এবং অবশ্যই আমি মুসলমানদের অন্তর্ভূক্ত।]
১৩. সকল মুসলমানদের জন্য দোয়াঃ আল্লাহুম্মাগ ফিরলী ওয়ালিল মু’মিনিনা ওয়াল মু’মিনাতি, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি।
[অর্থঃ হে আল্লাহ্ তুমি আমার ও সমস্ত মু’মিন নর-নারীর এবং সমস্ত মুসলমান পুরুষ ও স্ত্রীলোকের পাপ সমূহ মোচন করে দাও।]
১৪. কাফেরদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার দোয়াঃ রাব্বানাগ ফিরলানা যুনুবানা ওয়া ইসরাফানা ফী আমরিনা ওয়া ছাব্বিত আক্কদামানা ওয়ানছুরনা আলাল কাওমিল ক্বাফিরীন। (সূরা আল ইমরান, আয়াতঃ ১৪৭)
[অর্থঃ হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের গুনাহ এবং কোন কাজের সীমা লঙ্ঘনকে তুমি ক্ষমা কর, আমাদের ঈমান দৃঢ় রাখ এবং কাফেরদের বিরুদ্ধে আমাদের বিজয়ী কর।]
১৫. ক্ষমা ও রহমতের দোয়াঃ রাব্বিগ ফির ওয়ারহাম ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন।
[অর্থঃ হে আল্লাহ্, আমাকে ক্ষমা করে দাও, আর আমার প্রতি রহম কর, তুমিই তো উত্তম দয়ালু।]

12-Sep-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3637 জন)
প্রশ্নঃ তিনি ছিলেন একজন ওলন্দাজ-অস্ট্রেলীয় সামরিক কমান্ডো অফিসার। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী যিনি এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। আলোচ্য ব্যক্তিটির নাম কি?
(A) হ্যারল্ড উইলসন
(B) উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড
(C) এডওয়ার্ড হীথ
17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3494 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3470 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ