About Md Hasan Ali

কম্পিউটার বিষয়ক প্রশ্নোত্তর

১. অত্যাধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি);
২. কম্পিউটারের ব্রেইন হলো- Microprocessor
৩. আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়- চার্লস ব্যাবেজ কে;
৪. কম্পিউটারের আবিস্কারক- হাওয়ার্ড অ্যইকেন;
৫. আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতু নির্মিত অক্ষরের প্রয়োজনীয়তা শেষ হওয়ার কারণ- ফটো লিথোগ্রাফী;
৬. কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট;
৭. কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় পক্রিয়াকরণ অংশ গঠিত অভ্যন্তরীন স্মৃতি, গাণিতিক যুক্তি অংশ ও নিয়ন্ত্রণ অংশের সমন্বয়ে;
৮. কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ বা যন্ত্রকে বলা হয়- হার্ডওয়্যার;
৯. কম্পিউটার পদ্ধতির দু’টি প্রধান অঙ্গ- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার।
১০. কম্পিউটারের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে সম্পাদনের অনুক্রমে সাজানো নির্দেশাবলীকে বলা হয়- প্রোগ্রাম;
১১. কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
১২. ইন্টারনেটের মাধ্যমে উনড়বত চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয়- টেলিমেডিসিন;
১৩. নাফিস বিন সাত্তার- বাংলাদেশী সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ২০০৭ সালে অস্কার পুরস্কার অর্জন করেন;
১৪. কম্পিউটারের সফটওয়্যার বলতে বুঝায় এর প্রোগ্রাম বা কর্মপরিকল্পনা কৌশল;
১৫. মেশিনের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে বলা হয়- এসেম্বলি;
১৬. প্রোগ্রাম রচনা সবচেয়ে কঠিন মেশিনের ভাষায়;
১৭. বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টিকারী সিআইএইচ (চেং-ইয়ং-হো) ভাইরাস ২৬ এপ্রিল ১৯৯৯ তারিখে আμমণ করে।
১৮. তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী- ওয়াইম্যাক্স;
১৯. ঠঝঅঞ প্রযুক্তি ভূ-পৃষ্ঠ হতে স্যাটেলাইটে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহার করা হয়;
২০. প্রম ল্যাপটপ কম্পিউটার- এপসন, ১৯৮২;
২১. পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে কম্পিউটার বেশি সুবিধাজনক;
২২. কম্পিউটারের ক্ষেত্রে তথ্য পরিবহনের জন্য পরিবাহী পথকে বলা হয়- বাস;
২৩. উপাত্ত গ্রহণ ও নির্গমণ বাসের নাম ডেটাবেস;
২৪. ওরাকল- একটি ডেটাবেস সফটওয়্যার;
২৫. ডেটাবেস সফটওয়্যার এর জন্মতারিখ হলো একটি ফিল্ড;
২৬. শিক্ষার্থীরা সহজে আয়ত্ত করতে পারে ইঅঝওঈ প্রোগ্রাম;
২৭. System softwareথাকে Startup disc G
২৮. পাওয়ার অপেন- একটি অপারেটিং সিস্টেম;
২৯. প্রম সফল কম্পিউটার বাজারে আসে ১৯৭৬ সালে।
৩০. কম্পিউটারের কোন বুদ্ধি বিবেচনা নেই;
৩১. কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩২. মেকিনটোশ কম্পিউটারের সাহায্যে পৃথিবীর সব ভাষা ব্যবহারের প্র ম সুযোগ আসে;
৩৩. কমপ্লেক্স কম্পিউটারের নক্সা তৈরী করেন- ড. স্টিবিজ;

৩৪. ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমে দুইশ’র অধিক কমান্ড ব্যবহার করতে হয়;
৩৫. মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ দুইটি সংকেত সমন্বয়ে গঠিত;
৩৬. প্রাচীন ব্যাবিলনে গণনার পদ্ধতি ছিল ২ ধরনের;
৩৭. হেক্সাডেসিমেল গণনার মৌলিক অংশ ১৬টি;
৩৮. বিশ্বের প্রম ওয়েব ব্রাউজার- মোজাইক;
৩৯. প্র ম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ- ফরট্রান;
৪০. লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের জনক- ট্যাভেলড লিনাক্স;
৪১. পৃথিবীর প্র ম স্বয়ংμিয় গণনার যন্ত্র- মার্ক ১; যন্ত্রটি লম্বায় ছিল ৫১ ফুট দৈর্ঘ্য:
৪২. সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পনড়ব টেপ- ম্যাগনেটিক টেপ;
৪৩. ইন্টারপ্রেটার- অনুবাদক প্রোগ্রাম;
৪৪. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তিন ধরনের- খঅঘ, গঅঘ, ডঅঘ;
৪৫. কম্পিউটারে দেয়া অপ্রয়োজনীয় ইনফরমেশনকে বলা হয়- এরননবৎরংয;
৪৬. ঋষধংয সড়ারব তে তিন ধরনের ংুসনড়ষ ব্যবহার করা হয়।
৪৭. চযড়ঃড়ংযড়ঢ় এ এ্যাংকর পয়েন্ট ৫ প্রকার;
৪৮. তথ্য প্রযুক্তি একটি সমন্বিত প্রযুক্তি;
৪৯. বাংলাদেশে অনলাইন ইন্টারনেট সেবা চালু হয়- ৪ জুন, ১৯৯৬ তারিখে;
৫০. বিশ্বের প্রম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আরপানেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে;

পাট থেকে ঢেউটিন আবিষ্কার করলো বাংলাদেশি বিজ্ঞানী
*-*-*-**-*-*-*-*-*-*-*-*-*-*-****---*-***--**

সৃষ্টির শুরু থেকে প্রতিনিয়ত আমরা কোনো না কোনো আবিষ্কারের আভাস পেয়ে যাচ্ছি । তার মদ্ধ্যে কিছু ব্যতিক্রমী আবিষ্কার থাকে যা সত্যি ই অবাক করে দেওয়ার মত।

ঠিক তেমনি অবাক করার মত এক আবিষ্কার নিয়ে হাজির হলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. মুবারক আহমেদ খান। যখন আবিষ্কারের নামটি শুনবেন, তখন আপনিও অবাক হবেন এবং বিশ্বাস নাও হতে পারে আপনার।

আচ্ছা, আমরা তো সকলে টিন সম্পর্কে জানি। তবে যদি বলা হয় এই টিনই হতে পারে পরিবেশ বান্ধব, তবে কি অবাক হবেন?

হ্যাঁ অবশ্যই অবাক হবেন। বিজ্ঞানী ড.মুবারক আহমেদ খান সকল কে অবাক করে দিতেই এমন এক অদ্ভুত আবিষ্কার নিয়ে হাজির হলেন। আবিষ্কারটি হচ্ছে পাট দিয়ে পরিবেশ বান্ধব টিন তৈরি। পাটের ইংরেজী প্রতিশব্দ হচ্ছে Jute । তাই পাট দিয়ে তৈরি বলে এই টিনের নাম জুটিন। বাংলাদেশের এই বিজ্ঞানীর বিশ্বাস, এই জুটিন ১০০ বছর অনায়াসে রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ের মোকাবেলা করে টিকে থাকতে পারে। টিনের প্রধান উপকরণ লেড এবং জিংকের যোগান পুরোটাই আমদানি নির্ভর। এই অর্থসাশ্রয়ের কথা চিন্তা করেই বিজ্ঞানী এই আবিষ্কারটি করেন। কারণ এই জুটিনের ব্যবহার বাড়লে প্রতি বছর সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা।

এছাড়াও আমরা প্রতিনিয়ত যে ধাতব টিনগুলো দেখে থাকি সেগুলো কিছুদিন পরেই মরিচা ধরে যায়, ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে এবং এতে পরিবেশ নানাবিধ হুমকির সম্মুখীন হয়। কিন্তু এই জুটিনের ব্যবহার বাড়লে এই সমস্যা অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব।

এখন সবার প্রশ্ন থাকতেই পারে, এই জুটিন তৈরি হয় কিভাবে?
শুনতে অবিশ্বাস্য হলেও এই জুটিন মাত্র বিশ (২০) মিনিটের মধ্যে তৈরি করা যায়। পাটের জট এবং বিভিন্ন রাসায়নিকের মিশ্রনই মাত্র বিশ (২০) মিনিটের মধ্যে তৈরি করতে সক্ষম হবে এই জুটিন। যদি বাণিজ্যিকভাবে এই জুটিন উৎপাদন করা হয় তবে এই জুটিন তৈরির সময় আরো কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। এতে প্রয়োজন হবে না কোনো বিশেষ কারিগরীর এবং প্রয়োজন হবে না গ্যাস, বিদ্যুৎ বা অন্য বিশেষ কোনো জ্বালানীর। এই জুটিন অন্যান্য ঢেউটিনের থেকে শতভাগ মজবুত। যদি এই জুটিনের ব্যবহার দিনে দিনে বৃদ্ধি পায় তবে কমিয়ে আনা সম্ভব পরিবেশের ক্ষতি এবং সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা।

এক রাতেই পা ফাটা দূর করবে পেঁয়াজ!

শীতে অনেকেই পা ফাটার সমস্যায় ভুগে থাকেন। সবাই চায় দ্রুত এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে। কিন্তু স্থায়ীভাবে পা ফাটা থেকে রক্ষা পাওয়া বেশ কঠিন। তবে কঠিন হলেও একেবারে যে অসম্ভব বিষয়টি তেমন নয়। পেঁয়াজ ব্যবহারের মাধ্যমেই মিলবে এই সমস্যার সমাধান।

ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই পেঁয়াজ ব্যববহার করার মাধ্যমে পা ফাটার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ব্যবহার পদ্ধতি-

প্রথমে একটি পাত্রে পানি নিয়ে কুসুম গরম করে নিন। এরপর কুসুম গরম পানিতে ফাটা পা ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। নির্দিষ্ট সময় পর পা খুব ভালোভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে ফেলুন। এরপর পা ভালো করে মুছে নিন। এবার একটি পেঁয়াজ থেকে রস বের করুন। সেই পেঁয়াজের রস ঠিকঠাক ভাবে পায়ের ফাটা স্থানে লাগিয়ে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে মাত্র এক রাতেই ভালো ফল পাওয়া যাবে।

জীবনে সফল হতে কে না চাই? সবাই চাই জীবনে ভালো কাজ করে , ভালো টাকা রোজগার করে সুখে জীবন কাঁটাতে। চাণক্য নীতি অনুযায়ী এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলি কারও সঙ্গে শেয়ার করলে জীবনে সফলতার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাহলে আসুন জেনেনিন কি সেই বিষয় গুলি-

১, আপনি কত টাকা রোজগার করেন বা আপনার কত টাকার সম্পত্তি আছে,

২. আপনার জীবনের যে গুরু বা পথপ্রদর্শক থাকবেন, তিনি আপনাকে যে পরামর্শ দেবেন তা অন্যকে বলবেন না।

৩. পরিবারে বা আত্মীয়দের ব্যাপারে কোনও কথা বাইরের লোকের কাছে প্রকাশ করবেন না।

৪. কাউকে কিছু দান করে বলে বেরাবেন না।

কিছু অজানা কথা ও অনুভূতি

“ মানুষের জীবনে কিছু কিছু অজানা কথা থাকে দুঃখ ও অনুভূতি ভরপুর ”



পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী মানুষটির দুঃখী হওয়ার কারণ খুঁজতে গিয়ে,প্রায় দু’ঘন্টা কথা বলে, অবশেষে আমি আবিস্কার করলাম, আসলে সে একজন নিঃসঙ্গ মানুষ। তার আপন থেকেও আজ কেউ তার আপন নেই। সেই কারণেই অন্যের জীবনের দুঃখ বা সুখ কোনটাই তার ভালো লাগে না। ভাবছিলাম তার উপর রাগ করবো, তাকে ঘৃণা করবো, তাকে উচিৎ শিক্ষা দেব। কিন্তু অবশেষে উপলব্ধি করলাম আমি তার জন্য সমবেদনা অনুভব করছি,তার উপর রাগ করা উচিৎ হবে না আমার।



তার কষ্ট হচ্ছে ভালোবাসা না পাওয়া নিঃসঙ্গতা, পদে পদে সে আঘাত পেয়েছেন, তারচাইতে বেশী আঘাত করেছেন তার আপনজনরা।আমার বিবেক বললো আমি কি করে সেই মানুষটিকে আঘাত করি ? আমার মনে হচ্ছে আমি সেই মানুষটিকে কী শাস্তি দেব সৃষ্টিকর্তা যাকে নিঃসঙ্গতা-একাকীত্ব নামক শাস্তি দিয়ে দিয়েছেন বহু আগেই! আমি আরও অনুভব করলাম যে পৃথিবীর সব 'ভিলেন'- দের ভিলেন হবার পেছনে একটা খুব দুঃখের গল্প থাকে। খুব মন খারাপ করা আর বেদনার হয় সেই গল্পটা। সেই দুঃখটাই আসলে তাকে মন্দ করে দিয়েছে, নইলে তার আগে সেও ছিলো একজন নিতান্তই সাদামাটা মানুষ।



দুঃখ পেতে পেতে আজ সে রত্ন নীলা পাথর না হয়ে, হয়েছেন দুঃখের কালো পাথর।

তাই আমি পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী মানুষটিকে মনে মনে ক্ষমা করে দিলাম। তাই আমি পৃথিবীর সবচেয়ে দুঃখী মানুষটির দুঃখের দিকগুলোর কারণ জানার পর অনুভব করলাম তাকে আমার বড় আপন লাগছে। একটা অজানা বোধ কাজ করছে তার জন্য, যার নাম স্নেহ ভালোবাসা ও মায়া।

ভালো কে ভালোর জন্য ভালোবাসতে এবং মন্দ কেও মন্দ হবার থেকে ফিরিয়ে আনার কারনের জন্য ভালোবাসতে হয় এই জগতে, তা পারে কেবল মানুষ নামক প্রানীরাই আর কেউ পারে বা না পারে।


অরবিন্দ ঘোষ শৈশব, শিক্ষা, পরিবার এবং কর্মজীবন

পুরো নামঃ শ্রী অরবিন্দ ঘোষ

জন্মঃ ১৫ ই আগস্ট, ১৮৭২

জন্মস্থানঃ কলকাতা

জাতীয়তাঃ ভারতীয়

বাবার নামঃ কৃষ্ণ ধন ঘোষ

মায়ের নামঃ স্বর্ণলতা দেবী

শিক্ষাঃ লোরেটো কনভেন্ট স্কুল, লন্ডনের সেইন্ট পলস

মৃত্যুঃ ৫ ডিসেম্বর, ১৯৫০

মৃত্যুস্থানঃ পন্ডিচেরি

অরবিন্দ ঘোষ বহুমুখী মানুষ ছিলেন। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা, কবি, পণ্ডিত, যোগী এবং মহান দার্শনিক ছিলেন। তিনি তার জীবনে ভারতের স্বাধীনতা এবং পৃথিবীতে জীবনের উন্নয়নের দিকে উৎসর্গ করেছিলেন।
অরবিন্দ ঘোষের জীবনীঃ

অরবিন্দ ঘোষের শৈশব এবং পারিবার (Aurobindo Ghose’s Early Life & Family):

Sri aurobindoসূত্রঃ- upload . wikimedia . org

অরবিন্দ ঘোষ কলকাতায় ১৮৭২ সালে ১৫ ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন কৃষ্ণ ধন ঘোষ এবং মা স্বর্ণলতা দেবী। তার বাবা একজন সার্জন। অরবিন্দ ঘোষ প্রভাবশালী রাজবংশে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত নেতা রাজ নারায়ণ বোস ছিলেন শ্রী অরবিন্দ ঘোষের মাতামহ।
অরবিন্দ ঘোষের শিক্ষাজীবন (Aurobindo Ghose’s Education Life):

অরবিন্দ ঘোষের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন তাকে দার্জিলিংয়ের লোরেটো কনভেন্ট স্কুলে পাঠানো হয়েছিল। দু’বছর পরে, ১৮৭৯ সালে, অরবিন্দ ঘোষকে তার ভাইয়ের সাথে উচ্চ শিক্ষার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠানো হয়েছিল। অবশেষে তিনি লন্ডনের সেইন্ট পলস থেকে পড়াশোনা শেষ করেন এবং ১৮৯০ সালে ১৮ বছর বয়সে অরবিন্দ ঘোষ কেমব্রিজে ভর্তি হন। বাবার ইচ্ছাকে অনুসরণ করতে তিনি কেমব্রিজে থাকাকালীন আইসিএসের জন্যও আবেদন করেছিলেন। ১৮৯০ সালে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তবে তিনি অশ্বারোহীদের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা চালিয়ে যেতে ব্যর্থ হন এবং তাই তাকে ভারত সরকারের সিভিল সার্ভিসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
অরবিন্দ ঘোষের কর্মজীবন (Aurobindo Ghose’s Career):

১৮৯৩ সালে অরবিন্দ ঘোষ ভারতে ফিরে আসেন এবং বরোদার একটি সরকারী বিদ্যালয়ের উপ-অধ্যক্ষ হন। তাকে ৭৫০ টাকা বেতন দেওয়া হয়েছিল। বরোদার মহারাজা তাঁকে অত্যন্ত সম্মানিত করেছিলেন। অরবিন্দ গ্রীক এবং লাতিন ভাষায় দক্ষ ছিলেন। ১৮৯৩ সাল থেকে ১৯০৬ সাল পর্যন্ত তিনি সংস্কৃত, বাংলা সাহিত্য, দর্শন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান সম্পর্কে গবেষণা করেছিলেন।

১৯০৬ সালে বঙ্গভঙ্গের পরে তিনি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন এবং দেড়শ টাকা বেতনে বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজে যোগদান করেন। এরপরে তিনি ক্রমবর্ধমান বিপ্লবী আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯০৮ সাল থেকে অরবিন্দ ঘোষ ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ছিলেন ভারতের রাজনীতি জাগ্রত করার অন্যতম গাইড।


স্বাস্থ্যের জন্য তোকমার উপকারিতা এবং নানা গুণাগুণ

তোকমার উপকারিতা

তোকমা নাম নিশ্চয়ই শুনেছেন। এই তোকমার উপকারিতা জানে আছে আপনাদের। ছোট কালো রঙের এই বীজটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক কার্যকরী। এই বীজ বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন সবজা বীজ, মিষ্টি বসিল ইত্যাদি। এটি নানা ধরনের মিষ্টি খাবারে ব্যবহার করা হয়।

এটিতে স্বাস্থ্য সুবিধা রয়েছে অনেক। এটি আয়ুর্বেদিক এবং চীনা চিকিৎসায় পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়। এই তোকমার বীজ বহু বছর ধরে ঘরোয়া প্রতিকারে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এতে প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। তোকমা সাধারণত হজম, ওজন হ্রাস, কাশি এবং সর্দির পাশাপাশি নিরাময় রোগ প্রতিরোধ বৃদ্ধি এবং অনেক স্বাস্থ্য উপকার সরবরাহ করে। তোকমার উপকারিতা আমাদের প্রতেকের জেনে রাখা উচিত। আসুন তাহলে আজকের এই নিবন্ধ থেকে জেনে নিই স্বাস্থ্যের জন্য তোকমার উপকারিতা এবং নানা গুণাগুণ।

ঠাণ্ডা কাশির সমস্যা থেকে রেহাইঃ

তোকমা বীজে অ্যান্টি স্পাজমেডিক রয়েছে, যা ঠাণ্ডা প্রতিরোধী উপাদান। যা স্বাস্থ্যের ঠাণ্ডা জনিত সমস্যার হাত থেকে রেহাই দেয়। এছাড়াও তোকমাতে উপস্থিত উপাদান অ্যান্টি ফাইরেটিক জ্বর কমাতে সহায়তা করে। শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দূর করতে তোকমার উপকারিতা বহু। তাই ঠাণ্ডা কাশির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে নিয়মিত তোকমা খেতে পারেন।


রোগ প্রতিরোধরে ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করেঃ

তোকমা উচ্চমাত্রার ফ্ল্যাভনয়েড এবং ফেনোলিক উপাদান বিদ্যমান। এই দুটি উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তোকমা বীজে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান, যা শরীরের ফ্রি রেডিকেলসের ক্ষতির হাত থেকে সুরক্ষা দেয়।

পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়ঃ

পেটের জন্য তোকমার উপকারিতা অনেক। এটি পাচনতন্ত্রের উন্নতি করে। জলে ভিজালে এটি ফুলে যায় এবং উপরে জেলটিন স্তর গঠন করে। জলে ভিজিয়ে এটি খেলে পেট ভালো থাকে। এতে উপস্থিত ফাইবারগুলি অন্ত্রগুলি ভালোভাবে পরিষ্কার করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি এবং বদহজম দূর করে।

ওজন কম করতে সহায়তা করেঃ

তোকমায় কম ক্যালোরি থাকে এবং ক্ষুধা কমায়। সুতরাং এটি ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে। তোকমায় উচ্চ পরিমাণে ফাইবার বিদ্যমান থাকায় অনেকটা সময় ধরে পেট ভর্তি থাকে । যার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায় না। তাই ওজন কমাতে এটি খাবার তালিকায় যুক্ত করতে পারেন।

মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়ঃ

তোকমা মস্তিষ্কের উপর খুব ভালো প্রভাব ফেলে। এটি চাপ এবং উদ্বেগের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করে। তাই তোকমা সেবন করলে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

শরীরের প্রদাহ হ্রাস করতে সহায়তা করেঃ

তোকমায় অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে যা দেহের প্রদাহ হ্রাস করে। এটি শরীরে প্রদাহ বাধা প্রভাবের কারণে ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভবনা থাকে।


হৃদরোগ নিরাময় করতে সহায়তা করেঃ

তোকমা আয়ুর্বেদে হাইপারটেনশনের চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এটি সেবনে কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে । উচ্চ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ দুটি সমস্যা যা হৃৎপিণ্ডের জন্য মারাত্মক। এই দুটি সমস্যার তোকমা ভালো বলে বিবেচিত করা হয়েছে। যার জন্য এটি সেবনে হার্টের সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করেঃ

তোকমা শরীরে ডিটক্স এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে ব্যবহৃত হয়। এর জন্য কয়েকদিন ঘুমানোর আগে আপনার এক গ্লাস দুধে তোকমার বীজ মিশিয়ে পান করুন। এটি আপনার পেট পরিষ্কার করতে কাজ করে। এই বীজে প্রয়োজনীয় তেল থাকে যা গ্যাস থেকে মুক্তি দেয় এবং হজমে সহায়তা করে।

দুঃসময়ের অন্ধকার কখনো কখনো আমাদের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুহূর্তটির দ্বার খুলে দেয়।

আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে,
তবে,
আমার অস্তিত্বের কোন মূল্য নেই

– সুইফট

মানুষে বিশ্বাস হারানো উচিত নয়। মানবতা হলো মহাসমূদ্র।

এর কোনো এক বিন্দু যদি দূষিতও হয়

সমূদ্র তাতে দূষিত হয় না।”

– মহত্মা গান্ধী


প্রেম-ভালোবাসা সম্পৃক্ত কিছু মজার তথ্য



১। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে , প্রত্যেক ছেলে মানুষ বিয়ের আগে ৭ বার প্রেমে পড়ে।

২। কিছু কিছু দেশে ভালোবাসার ড্রেস কোড নামক কোড আছে যার ফলে আপনি বুঝতে পারবেন একটা মানুষ ভালোবাসার কোন পর্যায়ে আছে।

লাল ড্রেস------- কারো সাথে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ।
গোলাপিড্রেস---- এখনো ফ্রি এবং সিঙ্গেল আছে।
কমলা ড্রেস------ কারো জন্য অপেক্ষা করছে।
হলুদ ড্রেস------- বন্ধুত্ব করার জন্য প্রস্তুত।
নীল বা আকাশী ড্রেস-- কাউকে প্রপোজ করার পথে।
সবুজ ড্রেস-----আপনার প্রোপোসাল গ্রহণ করেছে।
সাদা ড্রেস-----বিরক্ত না করার নির্দেশ।

৩। সেক্স করলে ভালোবাসা বাড়েও না কমেও না।

৪। ভালোবাসার গানিতিক সুত্র :
I (5+5)v.e.y(5-5)u. = I LOVE YOU

৫। কাপলদের জন্য যেমন বিশ্ব ভালোবাসা দিবস আছে। তেমনি যাদের কেউ নেই তাদের জন্য U.S তে সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে "সিঙ্গেল ডে " পালন করা হয়।

অদ্ভুত এমব্রয়ডারি!

নীল পানির অদ্ভুত পুকুর

জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের একটি শহর বিয়েগোয়া। শহরটি অবস্থিত একটি নদীর তীরে। এ নদীর তীরে খুব অদ্ভুতুড়ে একটি পুকুর আছে, যার পানির রঙ অস্বাভাবিক রকমের নীল। খুব বেশিদিন আগেও এ পুকুরটি কথা মানুষ জানতো না। তবে পর্যটকদের কাছে ইদানীং দর্শনীয় আর আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পুকুরটি।

নীল পানির ওই পুকুরটির উৎপত্তি কিন্তু প্রাকৃতিকভাবে নয়, আবার মানুষও তৈরি করেনি পুকুরের ওই নীল পানি।

জানা যায়, শহরটির কাছেই মাউন্ট তোকাচি নামে একটি আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে কাদামাটির বন্যা তৈরি হতো। এ কাদামাটির বন্যা থেকে শহরকে রক্ষা করার প্রচেষ্টা হিসেবে একটি বাঁধ নির্মাণের সময় এ পুকুরটিও খনন করা হয়েছিল।

১৯৮৮ সালে মাউন্ট তোকাচিতে প্রথম অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে। যার ফলে শহরকে রক্ষা করার জন্য এ বাঁধ ও পুকুরটি নির্মাণ করা হয়।

মজার বিষয় হচ্ছে, পুকুরের পানির রঙ সব সময় কিন্তু একই রকম থাকে না, একেক মৌসুমে একেক রকম হয়। এছাড়া দর্শক কোন অ্যাঙ্গেল বা কোণে তাকাচ্ছে সেটাও একটি গুরত্বপূর্ণ বিষয়।

একটি নির্দিষ্ট মাত্রার আলো ও কোণে, দর্শক এ পুকুরের নীল পানিকে সবুজ রঙ ধারণ করতেও দেখতে পারেন! কিন্তু কেন এরকম হয় তার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত মেলেনি।

অনেকেরই ধারণা, পুকুরটির পানিতে অতি উচ্চ মাত্রার অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড আছে। এছাড়া এ পানিতে হয়তো প্রাকৃতিকভাবে এরকম কোনো খনিজ পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে, যা স্বল্প তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের নীল আলোকে প্রতিফলিত করতে পারে। তাছাড়া আমরা সবাই জানি পানির নিজস্ব কোনো রঙ নেই! তবু অদ্ভুত ওই নীল কেমন যেন মায়া ছড়ায় আশপাশের পুরো পরিবেশে।

একটি মানুষ তার দেহের কোষের দশগুণ বেশি ব্যাকটেরিয়া কোষ বহন করে। কিভাবে?

আমরা প্রতিনিয়ত জীবাণু যেমনঃ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস ইত্যাদি থেকে দূরে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত হাত ধুয়ে থাকি, মুখে পানি ছিটাই, হাচি আসলে মুখে হাত দিয়ে থাকি। আসলে কি তাদের ছাড়া থাকতে পারি??

কিন্তু সত্যি কথা বলতে আমরা কিন্তু এদের উপর নির্ভর করে থাকি। আইডোহা ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবায়োলোজিস্ট ক্যারোলিন বোহাকের মতে, আমাদের দেহে যেই ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে তা হাফ গ্যালন জগ ভর্তি করতে পারে। তাছাড়া মানব কোষের চেয়ে ১০ গুন বেশি ব্যাকটেরিয়া কোষ থাকে মানুষের শরীরে। আসলে, আমরা তাদের ছাড়া বেঁচে থাকতে পারবো না।

ব্যাকটেরিয়া যে রাসায়নিক পদার্থ উৎপাদন করে তা আমাদের খাদ্য থেকে শক্তি এবং পুষ্টি উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। জীবাণু বিহীন প্রাণী তাদের ওজন ঠিক রাখতে সাধারণ প্রাণী থেকে ৩ গুন বেশি ক্যালরি খরচ করে। যখন সেই প্রাণীকে পরে ব্যাকটেরিয়ার ভ্যাকসিন/ডোজ দেওয়া হয় তখন তাদের শরীরের চর্বি মাত্রা কমে যায়, এমনকি তারা আরও বেশি খেতে পারে না। তাই ব্যাকটেরিয়ার বিমুক্ত হওয়া নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।



প্রথমেই বসার ভঙ্গি ঠিক করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করলে কাঠের চেয়ারে বসুন। দ্বিতীয় হল স্পাইনাল স্টেবিলাইজ়েশন। অর্থাৎ মেরুদণ্ডকে সুস্থির রাখার জন্য কিছু ব্যায়াম। দেখা গিয়েছে, লো-ব্যাক পেন শতকরা নব্বই শতাংশ লোকের ক্ষেত্রেই ঝুঁকে কাজ করার কারণে হয়। এ জন্য দরকার এক্সটেনশন, মেরুদণ্ডকে প্রসারিত করার ব্যায়াম।

বার্ড ডগ: দু’হাতের তালু ও হাঁটু মাটিতে রেখে মেরুদণ্ড টানটান রাখুন। ডান হাত ও বাঁ পা প্রসারিত করে ধরে রাখুন। দশ সেকেন্ড করে ধরে রাখতে হবে। দু’দিকেই অর্থাৎ ডান হাত, বাঁ পা এবং বাঁ হাত, ডান পা, ছ’ থেকে আট বার করতে হবে।

ব্রিজ: মেঝেতে সোজা হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুটো হাঁটু নব্বই ডিগ্রি অ্যাঙ্গলে ভাঁজ করে কোমরটাকে শূন্যে ধরে রাখুন। বুক এবং হাঁটু যেন এক রেখায় থাকে। দশ সেকেন্ড করে ধরে রাখতে হবে। ছ’ থেকে আটবার এক্সারসাইজ়টি করতে হবে।

সাইড প্ল্যাঙ্ক: পাশাপাশি কনুই আর পায়ের পাতায় ভর দিয়ে শরীরটাকে শূন্যে তোলা। ডান কনুই ও ডান পায়ের পাতায় ভর রেখে শরীরকে শূন্যে দশ সেকেন্ড তুলে রাখুন। এ ভাবে বাঁ দিকেও করুন। তিন থেকে চার বার এক্সারসাইজ় করুন।

ডেড বাগ: মাটিতে শুয়ে পড়ুন। দুটো হাঁটু শূন্যে ভাঁজ করে কোমরের উপরে তুলুন। দুটো হাত একসঙ্গে সোজা করে তুলে রাখুন। এ বার সাইকেল চালানোর ভঙ্গিতে ডান হাত ও বাঁ পা এবং বাঁ হাত ও ডান পা প্রসারিত করুন। পর্যায়ক্রমে ডান পা ও বাঁ হাত, বাঁ পা ও ডান হাত প্রসারিত করুন। দু’দিকেই বারো বার করে করুন। এই ব্যায়ামটি অবশ্য ডান হাত ও ডান পা প্রসারিত করেও করতে পারেন। তিন থেকে চারবার করে রিপিট করুন।

এক্সারসাইজ় বাছার সময়ে দেখতে হবে, জীবনযাত্রার ধরন এবং কী কারণে ব্যথা হচ্ছে। এই ক’টি এক্সারসাইজ় কিন্তু যাঁরা বসে কাজ করেন, তাঁদের জন্য খুব উপকারী। আবার দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য যাঁদের কোমরে ব্যথা, তাঁদের জন্য ফ্লেকশন বেসড এক্সারসাইজ় উপকারী, যাতে মেরুদণ্ডের সামনের দিকের পেশির জোর বাড়ে।

ব্যথা কমানোর জন্য যে রকম জোর বাড়ানো দরকার, তেমনই অ্যালাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্যও পেশির স্ট্রেচি‌ং দরকার। মেরুদণ্ডের স্টেবিলিটি এক্সারসাইজ়ের সঙ্গেই যে পেশি সঙ্কুচিত হয়েছে, তা দীর্ঘায়িত করার জন্য স্ট্রেচ করতে হবে। তবেই মেরুদণ্ডের অ্যালাইনমেন্ট ঠিক থাকবে। তাই কোর এক্সারসাইজ়ের সঙ্গে স্ট্রেচও করতে হবে।

হ্যামস্ট্রিংয়ের স্ট্রেচ: হাঁটুর পিছনের পেশির (হ্যামস্ট্রিং) স্ট্রেচ করতে মাটিতে বসে এক পা ভাঁজ করে, অন্য পা সোজা করে সামনের দিকে ঝুঁকুন। পায়ের পাতা স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। মেরুদণ্ড যেন টানটান থাকে। দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে চেয়ারে বসেও স্ট্রেচটি করতে পারেন। একটি চেয়ারে বসে পা সামনের দিকে টানটান করে রাখুন। ডান পা ও বাঁ পা এ ভাবে দশ সেকেন্ড করে ধরে রাখুন। দু’ বার করে রিপিট করুন।

গ্লুট (হিপের পেশির) স্ট্রেচ: চেয়ারে বসে ইংরেজি ফোর-এর মতো করে পা রেখে বসুন, (যে ভাবে চেয়ারের উপর পা তুলে বসে গল্প করি) সামনের দিকে ঝুঁকুন। দশ সেকেন্ড করে দু’-তিন বার করুন।

ফল ও সবজি ধূমপায়ীদের ক্যান্সার ঝুঁকি কমায়

দীর্ঘ নয় বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ধূমপায়ী বিভিন্ন রকমের ফল এবং শাক-সবজি খান, অন্যদের চেয়ে তাদের ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

দীর্ঘ নয় বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ধূমপায়ী বিভিন্ন রকমের ফল এবং শাক-সবজি খান, অন্যদের চেয়ে তাদের ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সংখ্যায় বা পরিমাণে বেশি খাওয়া এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং ধূমপায়ীর খাদ্যতালিকায় যত বেশি ধরনের ফলমূল ও শাকসবজি থাকবে, তার ক্যান্সারের ঝুঁকি তত কমবে।

রোজ সকালে মাথাব্যথার কারণ ও প্রতিকার


ঘুম ভাঙলেই মাথাব্যথা এসে হানা দেয়? যে ক্লান্তি কাটাতে ঘুমিয়েছিলেন, ঘুম ভাঙার পরে সেই ক্লান্তি আরও বেশি করে এসে ভর করে? তাই প্রতিদিনই মাথাব্যথা দূর করতে ওষুধের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন? এমন চলতে থাকলে তা অচিরেই বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। জেনে নিন এর কারণ ও প্রতিকার-

কারণ:
-সকালে মাথাব্যথা হয় ও রাতে ঘুমের মধ্যে খুব নাক ডাকলে অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া সিনড্রোম আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে।

-অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অস্থিরতা, শোক-দুঃখ, হতাশা চললে সমস্যা হতে পারে।

-মাইগ্রেনের সঠিক চিকিৎসা না করে যারা ব্যথার ওষুধের উপর ভরসা করে থাকেন, তাদের সকালের দিকে সমস্যা হয়।

-কিছু বিশেষ ধরনের ঘুমের ওষুধ, শর্ট অ্যাকটিং স্লিপিং পিলে অনেক সময় হয় এমন।

-অতিরিক্ত চা-কফি খেলে বা হঠাৎ বন্ধ করে দিলে উইথড্রয়াল এফেক্ট হিসেবে সকালে মাথাব্যথা হতে পারে।

-প্রচুর ধূমপান করলেও এক সমস্যা৷ ঘুম কম হওয়া, ভুলভাবে বা ভুল বালিশে শোওয়া থেকে সমস্যা হয়।

-ঠান্ডা লাগা, নাক বন্ধ, আগের দিন একভাবে প্রচুর কাজ করা ইত্যাদি কারণে মাথাব্যথা নিয়ে ঘুম ভাঙতে পারে।

-কিছু বিশেষ ধরনের ব্রেন টিউমারে এ রকম হওয়ার আশঙ্কা আছে।

সমাধান:

-মাথা ও কপালে মালিশ করুন।

-চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিন৷ ঘুমোতে পারলে কষ্ট কমে যায় অনেক সময়। তবে সকালে ঘুম থেকে উঠেই তো আর ঘুমোনো সম্ভব নয়। কাজেই ব্যথার মলম লাগিয়ে কষ্ট না কমলে এক-আধটা প্যারাসিটামল খেতে পারেন।

-হঠাৎ করে মাথা ব্যথা শুরু হলে ও দিনের পর দিন চলতে থাকলে জীবনযাপনে কোনো বড় পরিবর্তন এসেছে কিনা ভেবে দেখুন। এলে তা পাল্টানোর চেষ্টা করে দেখুন কষ্ট কমে কিনা।

-সমস্যা চলতে থাকলে সঙ্গে আর কী কষ্ট আছে দেখে সেই সংক্রান্ত অসুখের জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সেভাবে বুঝে উঠতে না পারলে বুঝতে না পারলে নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

-উদ্বেগ,হতাশা ও মানসিক চাপের সমাধান স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট। যার মধ্যে বিহেভিয়ারথেরাপি, ব্রিদিং এক্সারসাইজ ও মেডিটেশন অন্যতম। তবে মাইগ্রেন থাকলে ঠিক সময়ে চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

-বেশি চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে হঠাৎ বন্ধ করে দেবেন না। প্রথম দিকে কাপের মাপ ছোট করে পরিমাণ একটু করে কমান। এতে শরীর অভ্যস্ত হয়ে গেলে দিনে দু-একবার কম খেয়ে দেখুন কেমন থাকেন৷ তারপর আস্তে আস্তে আরও কমাবেন।

ডাবের পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেয়েছেন কখনো?


কিছুই না, শুধু একটা ডাব আর এক চামচ মধু। প্রতিদিন সকালে নাশতার আগে এক গ্লাস ডাবের পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে যদি পান করা যায়, তাহলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে শরীরের কর্মক্ষমতাও মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। এখানেই শেষ নয়, আরও নানাভাবে এই প্রানীয়টি শরীরের কাজে লেগে থাকে। আসুন সেগুলো জেনে নিই ...

হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ে : ডাবের পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শরীরের পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে হার্টের পেশির কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। ফলে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে ব্লাড প্রেসারও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

এনার্জির ঘাটতি দূর হয় : সকালে ঘুম থেকে উঠে থালি পেটে এই পানীয়টি খেলে শরীরে বিশেষ কিছু খনিজের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের ক্ষমতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়। সারা দিন ধরে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : এই পানীয়টিতে উপস্থিত ভিটামিন এবং মিনারেল কোষকে উজ্জীবিত করে। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। কোনও রোগই আপনাকে ছুঁতে পারবে না।

শরীর এবং ত্বকের বয়স কমায় : ডাবের পানি এবং মধু মিশিয়ে বানানো পানীয়টিতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন- এ রয়েছে, যা শরীরকে নানা রকমের ক্ষতিকর উপাদানের প্রভাব থেকে বাঁচায়। ফলে শরীর ভেতর থেকে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তখন শরীরের উপর যেমন বয়সের ছাপ পরে না, তেমনি ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে চোখে পরার মতো।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : প্রতিদিন ডাবের পানির সঙ্গে মধু খেলে অ্যাসিড উৎপাদনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে বদহজম, অ্যাসিডিটি এবং কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দূরে থাকে।

খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় : এই পানীয়টি খেলে কোলেস্টেরল লেভেল একেবারে নরমাল হয়ে যায়। রক্তনালীতে জমতে থাকা কোলেস্টরল বা ময়লাও ধুয়ে যায়। ফলে হার্ট অ্যাটাক সহ একাধিক জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমে।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : শরীরে প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি যে কোনও ধরনের সংক্রমণের প্রকোপ কমাতে ডাবের পানি এবং মধুর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ এই দুটিতেই রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক প্রপাটিজ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত লড়াই চালিয়ে যায়।

কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে : শরীর থেকে ময়লা এবং ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয় কিডনি। এই পানীয়টি কিডনিকে পরিষ্কার রাখে। ফলে শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন তো বেরিয়েই যায়, সেই সঙ্গে কিডনিও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

প্রস্রাব দিয়ে জ্বলবে বাতি!


আমরা প্রতিদিন যা বিসর্জন করছি তা থেকে বিকল্প জ্বালানি তৈরির পথে বিজ্ঞানীরা বেশ খানিকটা এগিয়েছেন৷ তাদের চেষ্টা সফল হলে শীঘ্রই হয়ত শরণার্থী শিবিরগুলোতে মলমূত্র দিয়ে তৈরি বিদ্যুৎ দিয়ে জ্বালানো হবে বিজলি বাতি৷ আর এভাবে একসময় আমাদের দৈহিক বর্জ্য আমাদের সবচেয়ে প্রিয় মিত্রে পরিণত হতে পারে৷

শ্যাওলা খামার
শ্যাওলা দিয়ে জ্বালানি উৎপাদনের ধারণাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে৷ বিজ্ঞানীদের চেষ্টা হচ্ছে ভবিষ্যতে এ সব জলীয় উদ্ভিদ দিয়ে বায়োফুয়েল তৈরি৷ তবে এখন পর্যন্ত গবেষণা থেকে যা জানা যাচ্ছে, তাতে এভাবে খুব বেশি জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব হবে না৷

মৃদু বাতাস থেকে জ্বালানি উৎপাদন
দক্ষিণ আফ্রিকার এক উদ্ভাবক তৈরি করেছেন এই পন্থা৷ ট্রেন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের মতো জায়গায়, যেখানে ট্রেন এসে থামে কিংবা পাশ থেকে দ্রুত চলে যায়, সেখানে পাতলা এক ধরনের পাত বসিয়ে দিলেই হলো৷ এরপর ট্রেনের চলাচল থেকে পাওয়া মৃদু বাতাসকে কাজে লাগিয়ে সেগুলো তৈরি করবে জ্বালানি৷

কয়লার বদলে নারিকেল
বিশ্বের একটা বড় অংশে এখনো জ্বালানির মূল উৎস হিসেবে কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে৷ আর এর ফলে বন উজাড় অব্যাহত রয়েছে৷ নারিকেলের খোলস এবং শাঁস এক্ষেত্রে বিকল্প হতে পারে৷ সাধারণ কাঠকয়লার চেয়ে নারিকেলের খোলস বেশিক্ষণ জ্বলে৷ বিশেষ করে কেনিয়া এবং কম্বোডিয়ায় জ্বালানি হিসেবে নারিকেলের ভবিষ্যত উৎস৷

মাছের আঁশ এবং কাঁটা
মাছ ফ্যাক্টরির ফেলে দেয়া মাছের আঁশ এবং কাঁটা হতে পারে বিকল্প জ্বালানির উৎস৷ এটা পরিবেশের জন্যও সহায়ক, কেননা আবর্জনা হিসেবে এগুলো ফেলে দেয়া হয়৷ হন্ডুরাস, ব্রাজিল এবং ভিয়েতনামে আঁশ এবং কাঁটা দিয়ে জ্বালানি তৈরির গবেষণা কিছুটা আগালেও পর্যাপ্ত অর্থাভাবে তা গতি পাচ্ছে না৷

ডেস্কো থেকে জ্বালানি
ডান্স ফ্লোরের নীচে একটা বিশেষ সারফেস বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব৷ ইতোমধ্যে এই নিয়ে গবেষণা বেশ খানিকটা এগিয়েছে৷ শুধু ডান্স ফ্লোর নয়, ফুটবল স্টেডিয়াম, মেট্রো স্টেশনের মতো যেসব স্থানে মানুষের চলাচল অনেক বেশি, সেসব স্থানে এই সারফেস বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে, যা দিয়ে কম-ভোল্টেজের বাতি জ্বালানো যাবে৷

রাস্তায় সোলার প্যানেল
হ্যাঁ, শুধু বাড়ির ছাদেই নয়, রাস্তার উপরও এভাবে ফটোভোল্টেইক সোলার প্যানেল বসানো সম্ভব৷ নেদারল্যান্ডসে ইতোমধ্যে সত্তর মিটার সোলার বাইক পথ তৈরি করা হয়েছে৷ আর ফ্রান্স এক হাজার কিলোমিটার রাস্তায় আগামী কয়েকবছরে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে৷

[যে হৃদের পানি নিয়মিত রঙ বদলায়!]


ইন্দোনেশিয়ার কেলিমুতু আগ্নেয়গিরির তিনটি হ্রদের পানির রঙ বদলানোর খেলা নিয়ে পর্যটকদের কৌতুহলের শেষ নেই। কয়েক মাস আগে যেখানে পানির রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন রঙে। আজও জানা যায়নি এর রহস্য।

কেলিমুতুর পশ্চিম প্রান্তের হ্রদ তিওউ আতা ম্বুপু-র রঙ সাধারণত নীল। আর দু’টি হ্রদ তিওউ নুওয়া মুরি কু ফাই ও তিওউ আতা পোলো-র রঙ যথাক্রমে সবুজ এবং লাল। কিন্তু এই রঙ সর্বদা এক থাকে না। প্রায়শই এরা রঙ বদলায়।

বদলাতে বদলাতে হ্রদের পানি মাঝে মাঝে কালোও হয়ে যায়। কয়েক মাস আগে যেখানে পানির রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন। এই ঘটনা ২০০৯-এর।

আবার ২০১০ এ তিনটি হ্রদের পানির রঙই সবুজের তিন রকম শেড হয়ে দাঁড়ায়।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা জানান, জলাশয়ের পানির রঙয়ের জন্য দায়ী থাকে ওই জলে অবস্থানরত ব্যাকটেরিয়া, শ্যওলা ইত্যাদি। কিলিমুতুর হ্রদগুলোর রং-রহস্য কিন্তু সেদিকে হাঁটে না। অনেকে মনে করেন এই রং-বাহারের পিছনে আগ্নেয়গিরির গ্যাসের কিছু ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কিছু নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না।

রাতে ভালো ঘুম বাড়াবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

রাতের ঘুম যদি ভালো হয় তাহলে শরীরের অনাক্রম্য কোষ বা টি-সেলের কার্যকারিতা বাড়তে থাকে। যার ফলে সহজে কোনো রোগ আক্রমণ করতে পারবে না।

মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য ঘুম যে খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা বার বার বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। সম্প্রতি জার্মানি টুবিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ে একদল গবেষক পরীক্ষা করে দেখেছেন, রাতের ঘুম যদি ভালো হয় তাহলে শরীরের অনাক্রম্য কোষ বা টি-সেলের কার্যকারিতা বাড়তে থাকে। যার ফলে সহজে কোনো রোগ আক্রমণ করতে পারবে না।

তাদের গবেষণা জার্নাল অফ এক্সপেরিমেন্টাল মেডিসিন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ঘুম এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মধ্যে সম্পর্ক কী। ইমিউন কোষগুলি প্যাথোজেনকে শনাক্ত করে তারপর তাকে সক্রিয় করে, যা এক ধরনের প্রোটিন। টি কোষগুলির সঙ্গে সংযুক্ত হয় সেই প্রোটিন এবং তাদের লক্ষ্য হয় রোগের মোকাবিলা করা।

গবেষণার উদ্দেশ্যে, জিএস আলফা-কাপেলড্ রিসেপটর অ্যাগোনিস্ট যা অণুকে সংকেত দেয়, রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থার কাজকে বাধা দেয়। এছাড়া দেখা গেছে যে কিছু গ্যাস-যুক্ত রিসেপ্টর অ্যাগনিস্টরা টি কোষগুলির সঙ্গে ইন্টেগ্রিনগুলির সক্রিয় হওয়ার কাজে বাধা দেয়।

গবেষক ড্রিমিট্রোভ বলছেন, “এই অণুর সক্রিয়তা রোধ করা প্রয়োজন।” অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, টিউমার, ম্যালেরিয়া সংক্রমণ, হাইপোক্সিয়া এবং অতিরিক্ত চাপের ফলে অনেক রোগের সৃষ্টি হয়েছে। এই রোগের প্রতিরোধের জন্য শরীরে প্রয়োজন প্রতিবন্ধক ক্ষমতা।

“যেহেতু অ্যাড্রেনালিন এবং প্রোস্টাগ্ল্যানডিন স্তর ঘুমের সময় হ্রাস পায়, গবেষকরা কিছু স্বেচ্ছাসেবকের কাছ থেকে ঘুমের সময় টি কোষ নেযন এবং জেগে থাকাকালীন তাঁদের দেহ থেকেই টি কোষ সংগ্রহ করেন। এই নমুনাগুলি নিয়ে পরীক্ষা করার পর ডিমিট্রোভ এবং তাঁর সহকর্মীরা দেখেন, জেগে থাকাকালীন টি কোষগুলির তুলনায় ঘুমন্ত সময়ের টি কোষগুলির সক্রিয়তা উচ্চতর মাত্রার।”

“গবেষণায় দেখা গেছে যে ঘুমের ফলে টি কোষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে বিষণ্নতা, দীর্ঘস্থায়ী চাপ, বার্ধক্য জনিত ও সংক্রামক রোগ আক্রমণ করতে পারবে না,” বলেছেন গবেষণার সহকারী লুসিয়ানা বেসেডভস্কি।

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে যা করবেন

সাধারণত মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয়ে থাকে। বজ্রপাতের সময় পাকাবাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে এবং উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এসময় জানালা থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলা, টিভি-ফ্রিজ না ধরা, গাড়ির ভেতর অবস্থান না করা এবং খালি পায়ে না থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। আসুন জেনে নেই বজ্রপাতের সময় কী করবেন?

*ঘন ঘন বজ্রপাতের সময় খোলা বা উঁচু জায়গায় না থেকে দালানের নিচে আশ্রয় নিন।
*বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি সংস্পর্শ থেকে দূরে থাকুন। ল্যান্ডফোন ব্যবহার থেকেও বিরত থাকুন।
*বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব ধরনের যন্ত্রপাতির প্লাগ খুলে রাখুন।টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও স্পর্শ করা ঠিক হবে না।
*বজ্রপাতের সময় গাড়িতে থাকলে দ্রুত বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করুন।
*বৃষ্টি হলে রাস্তায় পানি জমতে পারে। অনেক সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে সেই পানিতে পড়ে হতে পারে দুর্ঘটনা।
*বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক।
*ভয় পাবেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখুন।
*বিদ্যুতের খুঁটি, টাওয়ার – এসব থেকে দূরে থাকুন।

অকালে টাক পড়বে না যে ৪ খাবারে

চুল ঝরা শুরু হলেই আমাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। অথচ এটি নিতান্তই একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। চুল এবং চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সেস্কো ফুস্কোর মতে, প্রতিদিন যতটা পরিমাণ চুল ঝরে যায়, মোটামুটি সেই পরিমাণ চুলই আবার নতুন করে গজিয়ে যায়। দৈনিক ৫০ থেকে ১০০টি চুল ঝরে যাওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু রোজ ঠিক কতটা পরিমাণ চুল ঝরছে আর কতটা চুল নতুন করে গজাচ্ছে, তার হিসেব রাখা কি সম্ভব?

বেশ কয়েকটি কারণে অকালে চুল ঝরে যেতে পারে। তার মধ্যে মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপ, ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমণ বা অ্যালার্জি, রক্তাল্পতা, আবহাওয়া, অপুষ্টি এবং দূষিত পানি অন্যতম। তবে অকালে চুল ঝরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কারণ হিসেবে সামনে আসে অপুষ্টি।

পুষ্টিবিদদের মতে, কয়েকটি খাবার বা মশলা নিয়মিত খেতে পারলে অপুষ্টিজনিত কারণে চুল ঝরা বন্ধ হয়ে যাবে। নতুন চুলও গজাবে। খাবারগুলো হলো-

* পালং শাকে রয়েছে ভিটামিন বি, সি, ই, আর ভিটামিন এ। এ ছাড়াও এতে রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও আয়রন। এই উপাদানগুলো চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে।

* আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। চুলের পরিচর্যায় যুগ যুগ ধরেই আমলকির ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন একটা করে আমলকি খেতে পারলে অকালে চুল ঝরে যাওয়া থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।

* নারকেল তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লরিক অ্যাসিড যা চুলে প্রোটিনের জোগান দিয়ে গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে। মাথায় নারকেল তেল মাখার সঙ্গে সঙ্গে নারকেল তেলে রান্না করে খেতে পারলেও অকালে চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যায় দুর্দান্ত ফল মিলবে।

* চুলের পরিচর্যায় মেথি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও নিকোটিনিক অ্যাসিড যা চুলের গোড়া শক্ত করে অকালে অতিরিক্ত চুল ঝরে যাওয়া রুখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মেথি ভেজানো পানি খেতে পারলে ফল পাবেন হাতেনাতে।

23-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4697+)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশটা আসলেই অপরূপ! আমরা বাংলাদেশের সৌন্দয্য সম্পর্কে জানিনা বিধায় দেশের বাহিরে ঘুরতে যাই।পাহার, ঝণা, অপরূপ চা বাগান, নদী, সুন্দরবন, সমুদ্র ইত্যাদি দিয়ে অপরূপ সৌন্দয্য মোড়ানো ৬৪টি জেলা। আমরা বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাই দেখে শেষ করতে পারি না, অথচ অবসর সময় কাটাতে চলে যাই দেশের বাহিরে। বাংলাদেশে একমাত্র গরম পানির ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
(A) সীতাকুণ্ড পাহাড়, চট্টগ্রাম
(B) হীমছড়ি, কক্সবাজার
(C) তাজিংডং, বান্দরবন