About Badrul Hasan


ক্যানসার ও হৃদরোগ ঠেকাতে এই বিষয়েই ভরসা রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

হৃদয় ভাল রাখলেই শরীর থাকবে ফিট।

ছোটবেলায় কেনা সাইকেলটা এ বার ধুলো ঝেড়ে বার করুন!

ক্যানসার থেকে হার্টের অসুখ, মুশকিল আসান হবে এতেই! অন্তত এমনটাই মত গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের। প্রতি দিন এক বা দু’ক্ষেপে ঘণ্টাখানেক সাইকেল চালানো কমিয়ে দিতে পারে ৪৫ শতাংশ ক্যানসারের ঝুঁকি। হৃদরোগের ঘরেও কমে যেতে পারে ৪৬ শতাংশ ভয়।

স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নাল দ্য বিএমজে-তে প্রকাশিত রিপোর্টে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোর একদল গবেষক ২ লক্ষ ৬৪ হাজার জনের উপর পরীক্ষা করে এই তথ্য সামনে এনেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাস্কুলার ও মেডিক্যাল সায়েন্সের গবেষক জেসন গিলের মতে, কোনও রকম শারীরিক কসরত করার সময় না পেলেও অন্তত হাঁটাহাঁটি বা সাইকেল চালানোতেই অনেকটা কাজে হবে। কর্মক্ষেত্রের দূরত্ব খুব বেশি না হলে বাস, গাড়ি বা রিকশায় না চড়ে কেউ যদি তা সাইকেলে অতিক্রম করেন, তা হলেই অনেকটা কার্ডিওভাস্কুলার ব্যায়াম হয়।’’

আরও পড়ুন: ফ্যাটি লিভার খুব ভোগাচ্ছে? কী ভাবে জব্দ করবেন

গবেষকদের মতে, অন্তত একটা ঘণ্টা হাঁটতে পারলে তো উপকার মেলেই, তার উপর সাইকেল চড়লে সেই উপকারের মাত্রা বেড়ে যায় অনেকখানি। এতে হৃদপেশী সচল থাকে, কোলেস্টেরল জমতে পারে না। ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, ২০১৮-১৯-এও ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে যত জনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের প্রায় ৩০-৪০ শতাংশই ক্যানসারের শিকার হয়েছিলেন ওবেসিটি ও মদ্যপানের কারণে। শরীরের ওজন কমাতে ও মেদ রুখতে সাইক্লিং খুব কাজে আসে।

আর এক গবেষক কার্লোস সেলিস-মোরালেসের মতে, হাঁটাহাঁটিতেও অনেকটা উপকার মেলে। একটানা হাঁটাতেই লুকিয়ে সুফল। টুকটাক খুচরো হাঁটায় শরীরের কলকব্জা ভাল থাকে ঠিকই, কিন্তু ওতে ওজনে হেরফের হয় না। তাই সপ্তাহে ৩০০ মিনিট হাঁটতেই হবে একটানা। গড় হিসাবে যা দাঁড়ায় প্রায় ৪৩ মিনিট করে। একান্ত না পারলে অন্তত আধ ঘণ্টা একটানা হাঁটুন রোজ। আর তার চেয়েও বেশি কাজ পেতে চাইলে সাইক্লিংয়ে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন।

ফিটনেস বিশেষজ্ঞ চিন্ময় রায়ের মতে, সাইক্লিংয়ের মতো ভাল কার্ডিও এক্সারসাইজ খুব কম আছে। সাইকেল চালানোর অভ্যাস না থাকলে অন্তত জিমে গিয়ে ১৫-২০ মিনিট সাইক্লিং করতে পারলে ভাল। পায়ের পেশী, ফিমার হাড়, কোমরের পেশী যেমন এতে সচল হয় তেমনই এতে হৃদপেশীর জোর বাড়ে। হার্টের কার্য ক্ষমতাও বাড়ে অনেকটাই। দূরে সরানো যায় মেদও।’’

আরও পড়ুন: বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই শুরু করেছেন ডায়েট! জানেন কি পরিণতি?

সাইক্লিং কি হার্টের অসুখও ঠেকাবে? গবে,ণার সঙ্গে সহমত পোষণ করছেন কলকাতার অধিকাংশ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞই। দেবব্রত রায়ের মতে, ‘‘যে কোনও কার্ডিওভাস্কুলার ব্যায়ামই হার্টের জন্য ভাল। আজ স্কটল্যান্ডের গবেষকরা যা বলছেন, তার মূল ভাবনা কিন্তু আদি শরীরচর্চার উপর ভর করেই। প্রায় ৫ বছর ধরে তাঁরা নানা মানুষের উপর গবেষণা চালিয়ে যে তথ্য তুলে ধরেছেন, তা অবশ্যই বিজ্ঞানসম্মত। হৃদপেশীকে শক্তিশালী করতে সাইক্লিং খুবই উপকারী।’’

আর ক্যানসার? গবেষণার সেই অংশটুকুর সঙ্গেও সহমত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ সুকুমার সরকার। তাঁর মতে, ‘‘ওবেসিটি যে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা আজকাল আমরা অনেকেই জানি। মোটা হওয়ার জন্য, ভুল লাইফস্টাইলের জন্য চেপে ধরা অসুখকে নিয়ন্ত্রণ করতে শরীরচর্চা খুব জরুরি। আর এখানেই সাইক্লিংয়ের মতো কার্ডিও এক্সারসাইজগুলো ভরসা হয়ে ওঠে।’’

অতএব সাইকেলে সওয়ার হয়ে রোগ তাড়াতে তৈরি হয়ে যান আপনিও।

1. “মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি” গানটির গীতিকার কে.?
_____গোবিন্দ হালদার [সুরকার এবং গায়কঃ→আপেল মাহমুদ]।
2. “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি” গানটির বর্তমান সুরকার কে.? _____আলতাফ মাহমুদ [লেখকঃ→আব্দুল গাফফার চৌধুরী] [১ম সুরকারঃ→আব্দুল লতিফ]।
3. “সালাম সালাম হাজার সালাম”এই গানটির সুরকার ও শিল্পী কে.?
_____আব্দুল জব্বার [গীতিকারঃ→ফজল এ খোদা]।
4. “জয় বাংলা বাংলার জয়” গানটির গীতিকার কে.?
_____গাজী মাজহারুল আনোয়ার [সুরকারঃ→আনোয়ার পারভেজ]।
5. “এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা…” গানটির রচয়িতা কে.?

_____গোবিন্দ হালদার [সুরকারঃ→আপেল মাহমুদ] [১ম শিল্পীঃ→স্বপ্না রায়]।
6. “এক নদী রক্ত পেরিয়ে…” গানটির গীতিকার ও সুরকার কে.?
_____খান অাতাউর রহমান [শিল্পীঃ→শাহনাজ রহমতুল্লাহ]।
7. “ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়” গানটির রচয়িতা ও সুরকার কে.?
_____আব্দুল লতিফ।
8. “ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা” গানটির গীতিকার ও সুরকার কে.?
_____দ্বিজেন্দ্রলাল রায়।
9. “সব কটি জানালা খুলে দাও না” গানটির গীতিকার কে.?
_____নজরুল ইসলাম বাবু [শিল্পীঃ→সাবিনা ইয়াসমিন] [সুরকারঃ→আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবল]।
10. “ওরে নীল দরিয়া” গানটি কোন শিল্পীর গাওয়া?
_____আব্দুর জব্বার [সুরকারঃ→আলম খান] [গীতিকারঃ→মুকুল চৌধুরী]
Tags:

গীতিকার ও সুরকার


প্যালিনড্রোম 02 02 20 20

আজকের রোববারের তারিখটি একটি বিরল প্যালিনড্রোম যা ৯০০ বছরেরও বেশি সময় আর আসে নাই।

রোববারের তারিখটি একটি আন্তর্জাতিক প্যালিনড্রোম। আপনি যে তারিখটি "দেশ / মাস / দিন / বছর" বা "দিন / মাস / বছর" হিসাবে লেখেন না কেন এটি কার্যকর হয় যেকোনো বিপরীত দিক থেকে।

এই জাতীয় তারিখগুলোকে "সর্বব্যাপী প্যালিনড্রোমস" বলে এবং এটি ১০১ বছরের জন্য আর কোনও পাওয়া যাবে না। এর পরে, আপনাকে ৩ মার্চ, ৩০৩০ অবধি অপেক্ষা করতে হবে।

এই জাতীয় প্যালিনড্রোমের শেষ তারিখটি ছিল 11/11/1111 - ৯০০ বছর আগে।

প্যালিনড্রোম হল এমন কিছু বিশেষ শব্দ আর সংখ্যা যার আরম্ভ বা শেষ দুদিক থেকেই পড়লে শব্দের উচ্চারণ আর অর্থের কোন বদল হয় না; বা সংখ্যার মান একই থাকে (সংখ্যার ক্ষেত্রে)। মূল গ্রীক শব্দ প্যালিনড্রোমাস (অর্থ: Running back again) থেকে ইংরেজি প্যালিনড্রোম শব্দটি এসেছে καρκινικός থেকে। বাংলা ভাষায় একে দ্বিমুখী শব্দ বা সংখ্যা বলা যায়।

এধরনের দ্বিমুখী শব্দ বা বাক্য সাজাতে যারা দক্ষ তাঁদের ‘পেলিনড্রোমিস্ট’ বলা হয়। প্যালিনড্রোমিক লেখা প্রাচীন ‘কিরাতার্জুনীয়’ কাব্যের বহু অনুচ্ছেদে দেখা যায়। এমনই একটি অনুচ্ছেদ হল- “সারস নয়না ঘন অঘ নারচিত রতার কলিক হর সার রসাসার রসাহর কলিকর তারত চিরনাঘ অনঘ নায়ন সরসা”, চতুর্দশ শতকে দৈবজ্ঞ সূর্য পণ্ডিতের লেখা ‘রামকৃষ্ণ বিলোম কাব্যম’ নামে ৪০টি শ্লোকের যে বিখ্যাত কবিতা রয়েছে তার রচনাশৈলীও ভারি অদ্ভুত। প্রতিটি শ্লোকই এক-একটি প্যালিনড্রোম।

আবার কবিতাটি সামনে থেকে পড়লে রাম ও রামায়ণের কাহিনি আর পেছন থেকে পড়লে কৃষ্ণ ও মহাভারতের কাহিনি। যেমন ৩ নং শ্লোকে রয়েছে “তামসীত্যসতি সত্যসীমতা মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা। মায়য়াক্ষমসমক্ষয়ায়মা তামসীত্যসতি সত্যসীমতা।।”


বেশি দিন বাঁচতে চান? আজই বাদ দিন এই ৪টি কাজ!

আজই বাদ দিন এই ৪টি কাজ! সুস্থ ভাবে বাঁচতে চাইলে- সব মানুষই চায় সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন।এর জন্য যে কাজ গুলো করতে হয় তা করতে গিয়ে অনেকেই হোঁচট খান। মানুষ ভবিষ্যতের লাভের জন্য বর্তমানের আনন্দকে ত্যাগ করাটা খুব কঠিন মনে করে।

বর্তমান শতাব্দীতে উন্নত ঔষধ, উন্নত স্যানিটেশন, নিরাপত্তা, কাজের পরিবেশ ও ব্যাক্তি সতর্কতার ফলে বিশ্বের প্রথম সাড়ির দেশ গুলুতে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে একজন পুরুষের গড় আয়ু ৬৮.৫ বছর এবং একজন মহিলার গড় আয়ু ৭৩.৫বছর। শুধুমাত্র দীর্ঘ জীবন নয় সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পাওয়ার জন্য কতগুলো পন্থা অবলম্বন করা প্রয়োজন। আসুন জেনে নেই সেই পন্থা গুলো ও এগুলো অনুসরণের মাধ্যমে সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভ করি:

১। প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ বন্ধ করুন: প্রক্রিয়াজাত খাবারে অনেক বেশি চিনি, লবণ ও ফ্যাট থাকে এবং এইসব খাবারে ফাইবার/ আঁশ কম থাকে। প্রক্রিয়াজাত খাবার খেলে হার্ট অ্যাটাক, হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।তাই আপনার খাদ্য তালিকা থেকে প্রসেসড ফুড বাদ দিয়ে শাকসবজি, ফলমূল ও আঁশ জাতীয় খাবার খান,ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বাদ দিন এবং প্রচুর পানি পান করুন।
ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন

২। নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিন: নেতিবাচকতা আপনার ভেতরের শক্তিকে নষ্ট করে দেয় এবং আপনার স্ট্রেস লেভেল বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে রাগ, হতাশা, বিষণ্ণতা ও উদ্বিগ্নতা বৃদ্ধি পায় এবং অধিক খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। তাই নেতিবাচকতা পরিহার করে ইতিবাচক হোন।

আপনার জীবনের লক্ষ্য ঠিক করুন এবং সেই অনুযায়ী কাজ করুন এতে আপনার স্ট্রেস কমবে ফলে আপনি দীর্ঘজীবী হবেন।

৩। একভাবে বসে থাকবেন না: বর্তমানের একটি গবেষণায় পাওয়া গেছে যে, ব্যায়ামের মাধমে দীর্ঘমেয়াদি অসুখ যেমন- ক্যান্সার ও স্থূলতা র সম্ভাবনা কমায়। দিনে ৩০ মিনিটের ব্যায়াম আপনার আয়ু বাড়িয়ে দেবে।

২০১১ সালে The Lancet e প্রকাশিত গবেষণা পত্রে দেখা গেছে যে, দিনে ১৫ মিনিটের ব্যায়াম যারা করেছেন তাদের আয়ু ৩ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যারা দিনে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করেছেন তাদের আয়ু ৪ বছর বৃদ্ধি পেয়েছে। তাইওয়ানের ৪১৬০০০ নারী ও পুরুষ কে নিয়ে এই গবেষণাটি করা হয়। তাই দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা লাভের জন্য সারাদিনের কিছুটা সময় বেছে নিন ব্যায়ামের জন্য।

৪। রাতের ঘুম ছাড় দেবেন না: ঘুমের ব্যাপারে কার্পণ্য করবেন না। স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন এর জন্য প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন । ২০০৭ সালে ঘুম বিষয়ক একটি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা পত্র থেকে জানা যায় যে , ঘুমের হ্রাস বৃদ্ধি মানুষের মৃত্যু হারের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

নিয়মিত কম ঘুমালে হৃদরোগ,ডায়াবেটিস ও স্থূলতার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। আর নিয়মিত ভালো ঘুম হলে স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ও হার্ট ডিজিজ দ্রুত ভালো হয়।

বড় কোন পরিবর্তন নয় ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে নিজের জীবনযাপনের ধরণের পরিবর্তন করুন। আপনার বাবা বা দাদা অনেকদিন বেঁচে ছিলেন বলে আপনিও অনেকদিন বেঁচে থাকবেন তাই সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন লাভের জন্য আপনাকে কোন চেষ্টা করতে হবেনা এমনটা ভাববেন না।

আবার আপনার পূর্ব পুরুষ রা দীর্ঘায়ু লাভ করেন নি বলে আপনি ও দীর্ঘজীবী হতে পারবেন না এই ধরণের ধারণা বা ভয় ও লালন করা ঠিক না। ইতিবাচক ভাবে চিন্তা করুন এবং জীবনে সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু লাভ করে জীবনকে পরিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করুন।

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস হতে নিজে বাঁচুন ও অন্যকে বাঁচান
================================
©মেডিকেল পরিবার

আসুন জেনে নেই কিভাবে মাস্ক ব্যবহার করতে হয়।
সাধারণত ওয়ান টাইম মাস্ক গুলোতে দুই পার্ট থাকে। একটা কালার পার্ট আর একটা সাদা পার্ট।
কালার পাশ ওয়াটার প্রুফ এবং সাদা পাশ বায়ু ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
★আপনে যদি নিজে সুস্থ থাকেন এবং নিজেকে বাইরের জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করতে চান সেক্ষেত্রে সাদা পাশ টা বাইরের দিকে এবং রঙিন পাশ টা ভিররের দিকে থাকবে।
★আর যদি আপনে নিজেই রোগের জীবাণুতে আক্রান্ত কিন্তু অন্য কারোর শরীরে যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেক্ষেত্রে সাদা পাশ ভিতরের দিকে এবং রঙিন পাশ বাইরের দিকে রেখে পরবেন৷

আসুন সবাই মিলে সতর্কতা অবলম্বন করি এবং করোনাভাইরাসের মত রোগ-জীবাণু থেকে নিজেদের রক্ষা করি ।

সারাদিনের শক্তি যোগাবে সকালের ৫ কাজ


ইংলিশে একটি প্রবাদ আছে, ‘মর্নিং শোজ দ্য ডে’। এর অর্থ হল, দিনের শুরুতেই বোঝা যায় পুরো দিনটি কেমন কাটবে। কথাটা বেশ কিছু ক্ষেত্রেই সঠিক। বিশেষত দিনের শুরুর ধরণটা যদি নিজের হাতে থাকে তাহলে তো কথাই নেই।

অনেকেই অভিযোগ করেন, সারাদিন কাজ করার মতো যথেষ্ট এনার্জি পাওয়া যায় না, শক্তি থাকে না, ক্লান্তি কাজ করে। এই সমস্যাগুলোকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দূর করা সম্ভব প্রতিদিনের সকালের রুটিনকে পরিবর্তন করার মাধ্যমে। আজকের ফিচারে তুলে আনা হলো সকালে পাঁচটি সাধারণ কাজকে, যা দিনভর শক্তি যোগাতে কাজ করবে।
পরিপাটিভাবে বিছানা গোছানো

সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানা গোছানো কতটা জরুরি তা হয়তো অনেকেই জানেন না। কিন্তু সকালে নিজ বিছানা গোছানোই আপনাকে সারাদিন সংগঠিত রাখতে সহায়তা করবে। দিনের শুরুটা বিছানা গোছানোর মাধ্যমে শুরু করলে পুরো দিনটিও গোছানোভাবে কাটবে। অনেকের কাছে এই কাজটিকে সাধারণ গৃহস্থালির কাজ মনে হতে পারে, কিন্তু এই সাধারণ কাজের একটি মনস্তাত্ত্বিক দিকও রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানা গোছানোর পর মানসিক তৃপ্তি ও প্রশান্তি কাজ করে এতে করে মনে হয়, দিনের প্রথম কাজটি শেষ হয়েছে। ফলে সামান্য এই কাজটি একটি দিনকে সুন্দরভাবে শুরু করতে সহায়তা করবে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
পানি পান

শারীরিক কার্যকলাপ স্বাভাবিক রাখার জন্য পানি পান আবশ্যিক। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পানে করা প্রয়োজন নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য। কিন্তু এই ৮-১০ গ্লাস পানি দিনের যেকোন সময়ে একবারে নয়, পুরো দিনভর ধাপে ধাপে পান করতে হয় এবং পানি পান করা শুরু করতে হয় দিনের শুরুতে খালি পেটে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস পানি পান করলে, তা শরীর থেকে সব ধরনের টক্সিন পদার্থ বের করতে সাহায্য করবে। সাধারণ পানি পান করলেও কাজ হবে, তবে কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে বেশি উপকারিতা পাওয়া যাবে।
শরীরচর্চায় ব্যয় করুন ৩০ মিনিট

শারীরিক সুস্থতার জন্য শরীরচর্চা করার কথা বলা হলেও, দিনের শুরুতে শরীরচর্চা করার ফলে দিনভর এনার্জি পাওয়া যাবে এবং শরীর-মন উভয়ই প্রফুল্ল থাকবে। এ কারণে শরীরচর্চা প্রতিদিনের সকালের অবশ্য কাজগুলোর মাঝে একটি করে নিতে হবে। খুব ভারি কোন শরীরচর্চার প্রয়োজন নেই। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ, দ্রুত হাঁটার মতো সাধারণ শরীরচর্চা থেকেই উপকার পাওয়া যাবে। বিজ্ঞান জানাচ্ছে, সকালে যেকোনও ধরনের শারীরিক পরিশ্রম করলেই ভালো থাকার হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা পুরো দিনভর কার্যকর থাকে।
পেট ভরে নাশতা করুন


খাদ্যাভ্যাসের খুব সহজ ও প্রচলিত নিয়ম হচ্ছে- সকালে খেতে হবে সবচেয়ে বেশি, দুপুরে তার চেয়ে কম এবং রাতের বেলা দুপুরের চেয়েও কম। তবেই ওজনসহ নিয়ন্ত্রণে থাকবে শারীরিক সুস্থতা। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে ঘটে ঠিক তার উল্টোটা। তাই সকালের নাশতার দিকে নজর দিতে হবে সবচেয়ে বেশি। পেট ভরে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে নাশতায়। এতে করে ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেবে না, দিনভর এনার্জি পাওয়া যাবে এবং কাজ করার মতো পর্যাপ্ত শারীরিক শক্তি পেয়ে যাবে শরীর।
তৈরি করে নিন তালিকা
তালিকা

সকালবেলা নাশতা শেষে পুরো দিনের কাজের একটি তালিকা তৈরি করে ফেলুন। এতে করে পুরো দিনের কাজের ধরণ সম্পর্কে আগে থেকেই আইডিয়া হয়ে যাবে এবং গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে আপনার কাজ করা তুলনামূলক অনেক সহজ হয়ে যাবে।


হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে কতক্ষণ ঘুমাবেন?

আপনি ধূমপান করেন না। আপনার হার্ট-রক্তনালী রোগের বংশগত ঝুঁকিও নেই। কিন্তু তারপরও আপনার হার্ট অ্যাটাকের বাড়তি ঝুঁকি থাকবে, যদি আপনি কম ঘুমান অথবা বেশি ঘুমান।

এমনটা দাবি করছে ইউনিভার্সিটি অব কলোরোডো বল্ডারের একটি নতুন গবেষণা। এ গবেষণাটি প্রায় অর্ধ-মিলিয়ন মানুষের ওপর চালানো হয়। জার্নাল অব দ্য আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত এ গবেষণায় আরো পাওয়া গেছে, যাদের হার্ট অ্যাটাকের বংশগত ঝুঁকি রয়েছে তারা প্রতিরাতে ছয় থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমিয়ে ঝুঁকির পরিমাণ কমাতে পারেন।

ইউনিভার্সিটি অব কলোরোডো বল্ডারের ইন্টিগ্রেটিভ ফিজিওলজির সহকারী অধ্যাপক ও গবেষণার সিনিয়র লেখক সেলিন ভেটার বলেন, ‘এ গবেষণায় আমরা শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছি যে হার্টের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে ঘুমের স্থায়িত্ব একটি প্রধান ফ্যাক্টর। একথা সবার জন্য সত্য।’

ডা. ভেটার, ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হসপিটাল ও ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টারের গবেষণা লেখকরা যুক্তরাজ্যের বায়োব্যাংক থেকে ৪০ থেকে ৬৯ বছর বয়সি ৪,৬১,০০০ জন মানুষের বংশগত তথ্য, ঘুমের অভ্যাস ও মেডিক্যাল রেকর্ড খতিয়ে দেখেন। এদের পূর্বে হার্ট অ্যাটাক হয়নি। তারপর তাদেরকে সাত বছর পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এ গবেষণা চলাকালে যারা প্রতিরাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমিয়েছেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি যারা ছয় থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন তাদের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি ছিল। বিস্ময়কর হচ্ছে, যারা নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমিয়েছেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আরো বেশি ছিল- ৩৪ শতাংশ! গবেষকরা হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস বা বংশগত ঝুঁকি রয়েছে এমন লোকদের ঘুমের স্থায়িত্ব বিশ্লেষণে জানতে পেরেছেন, প্রতিরাতে ছয় থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমালে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কমে যেতে পারে।

এ গবেষণার প্রধান লেখক আয়াস ডাগলাস বলেন, ‘এ গবেষণা আমাদেরকে আশাবাদী করে তুলেছে যে হার্ট অ্যাটাকের জিনগত ঝুঁকি যেমনই হোক না কেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘুমিয়ে ঝুঁকি কমানো যাবে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চললে, ধূমপান বর্জন করলে ও জীবনযাপনে অন্যান্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনলে ঝুঁকি আরো কমে যাবে।’

পূর্বের গবেষণাগুলো থেকেও এ ধারণা পাওয়া গেছে যে, হার্টের রোগ ও ঘুমের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে, কিন্তু এসব গবেষণা শুধু পর্যবেক্ষণমূলক ছিল বলে (যেখানে বিভিন্ন গ্রুপে কার রোগ হয়েছে তা দেখা হয়েছে) এটা নিশ্চিত হওয়া কঠিন যে ঘুমের ভারসাম্যহীনতা থেকে হার্টে সমস্যা হয়েছে নাকি হৃদরোগের কারণে ঘুমের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। অনেকগুলো ফ্যাক্টর হার্টের স্বাস্থ্য ও ঘুমকে প্রভাবিত করে, যার ফলে কারণ ও প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

নতুন গবেষণাটিতে গবেষকরা যুক্তরাজ্যের বায়োব্যাংকের উপাত্ত ব্যবহার করেছেন এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পর্যবেক্ষণমূলক ও জিনগত গবেষণাও বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। তারা ৩০টি ফ্যাক্টরকে বিবেচনায় রাখেন, যেমন- শরীরের গাঠনিক উপাদান, শারীরিক সক্রিয়তা, আর্থসামাজিক অবস্থা ও মানসিক স্বাস্থ্য। দেখা গেল যে, ঘুমের স্থায়িত্ব এসব ফ্যাক্টরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াতে বা কমাতে পারে। যেসব লোকের ঘুমের স্থায়িত্ব ‘ছয়-নয় ঘন্টা সীমা’ এর যত নিচে নেমেছিল অথবা ওপরে ওঠেছিল তাদের ঝুঁকি তত বেড়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, যারা প্রতিরাতে পাঁচ ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি যারা সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন তাদের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি ছিল। অন্যদিকে যারা প্রতিরাতে ১০ ঘন্টা ঘুমিয়েছেন তাদের ঝুঁকি এর প্রায় দ্বিগুণ ছিল।

এরপর গবেষকরা যারা বংশগত কারণে কম ঘুমায় তাদের হার্ট অ্যাটাকের বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে কিনা মূল্যায়ন করতে মেন্ডেলিয়ান রেন্ডমাইজেশন নামক মেথড ব্যবহার করে জেনেটিক প্রোফাইল পর্যবেক্ষণ করেন। কম ঘুমের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সাতাশটি জেনেটিক ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেছে। গবেষকরা সিদ্ধান্তে আসেন যে, বংশগত কারণে কম ঘুমের প্রবণতাও হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম রিস্ক ফ্যাক্টর। এ বিষয়টা আমাদেরকে এটা বলতে আরো আত্মবিশ্বাসী করেছে যে ঘুমের স্থায়িত্ব হার্টের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে, বলেন ডা. ভেটার।

এ গবেষণায় কম ঘুম বা বেশি ঘুমের কোন মেকানিজম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় তা অনুসন্ধান করা হয়নি, কিন্তু পূর্বের গবেষণাগুলো থেকে আমরা কিছু ব্যাখ্যা পেয়েছি। অত্যল্প ঘুম ধমনীর ভেতরের স্তর বা এন্ডোথেলিয়াম ও অস্থিমজ্জার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া অত্যধিক ঘুমও শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করে, যার সঙ্গে হার্ট-রক্তনালী রোগের সম্পৃক্ততা রয়েছে।

গবেষকরা আশা করছেন যে, এ গবেষণা চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য এজেন্সি ও সাধারণ মানুষকে ঘুমের হার্ট সংশ্লিষ্ট উপকারিতা সম্পর্কে সচেতন করে তুলবে। ডা. ভেটার বলেন, ‘ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাবারের মতো পর্যাপ্ত ঘুমও হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।’

ওষুধ ছাড়াই ‘জ্বর’ দূর করে লাল শাক!


সবার কাছেই খুব পরিচিত লাল শাক। যা অনেকরই পছন্দের, আবার অনেকেরই অপছন্দের। তবে নানান গুণে পরিপূর্ণ এই শাক। অনেকেই হয়ত শুনেছেন, তবে সেগুলো কি তা এখনো অজানা।

১০০ গ্রাম লাল শাকে রয়েছে ১০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ডায়াটারি ফাইবার, ৪.৬ গ্রাম প্রোটিন, ৪২ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ৩৪০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ১১ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ৩৬৮ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ২ মিলিগ্রাম আয়রন, ১.৯ মিলিগ্রাম ভিটামিন এ এবং ৮০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।

আর এই সবকটি উপাদানই যে শরীরের গঠনে ভীষণভাবে কাজে লাগে, তা আলাদা করে বলার কিছু নেই। বিশেষত ওজন কমাতে এই শাকের জুড়ি নেই। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক লাল শাকের গুণাগুণ সম্পর্কে-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: প্রতিদিন লাল শাক খাওয়া শুরু করলে শরীরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। ফলে রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

জ্বরের চিকিৎসায়: ঋতু পরিবর্তনের কারণে যারা জ্বরে ভুগছেন, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একটা প্যানে পরিমাণ মতো পানি নিয়ে তাতে এক মুঠো লাল শাক ফেলে দিন। তারপর পানিটা ফোটাতে শুরু করুন। যখন দেখবেন ফুটতে ফুটতে পানির পরিমাণ অর্ধেক হয়ে গেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন। এরপর পানিটা ঠাণ্ডা করে সেটা পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন জ্বর পালিয়েছে।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: লাল শাকে থাকা ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম দেখেন বা পরিবারে গ্লকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: লাল শাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন কে, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার হাড় শক্তপোক্ত হয়ে উঠলে অস্টিওপরোসিস মতো হাড়ের রোগ যে আর ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: লাল শাকে থাকা “ফাইটোস্টেরল” নামক একটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগের অ্যান্টিডোট হিসেবেও কাজ করে। সপ্তাহে কম করে ২-৩ দিন যদি লাল শাক খাওয়া যায়, তাহলে হার্টের ক্ষমতা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে কোনো ধরনের হার্টের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

অ্যানিমিয়ার দূরে পালায়: লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। অ্যানিমিয়া রোগীরা এই শাকটি খেতে পারেন। দুই আঁটি লাল শাককে পিষে রস সংগ্রহ করে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে শরীরে কখনও রক্তের অভাব হবে না।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: লাল শাকে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও হ্রাস পায়।

কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে: লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।

দাঁতের স্বাস্থ্যে: লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। সেই সঙ্গে পোকা লাগাসহ মাড়ি এবং দাঁত সম্পর্কিত নানাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

চুল পড়া কমায়: এক আঁটি লাল শাঁক ভালো করে বেটে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর তাতে ১ চামচ লবণ মিশিয়ে ভালো করে নাড়ান। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ঠিক মতো মিশে গেছে, তখন মিশ্রনটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে চুল পড়ার হার অনেক কমবে।

অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমে: লাল শাকে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে অ্যাস্থেমার প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেসপিরেটরি সিস্টেমের উন্নতিও ঘটে চোখে পড়ার মতো। দেশে যে হারে বায়ু দূষণের মাত্রা বাড়ছে, তাতে লাল শাক খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই!

দৈনন্দিন রূপচর্চায় জাদুকরী কিছু টিপস!
🍁 কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে কয়েকদিন ঠোটে ঘষুন ,কালো দাগ উঠে যাবে।
🍁 ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে।
🍁 প্রাণখোলা হাসি শারীরিক চাপ এবং স্ট্রেস মুক্ত হতে সাহায্য করে। একটি ভালো হাসির পরে ৪০ মিনিট পর্যন্ত শরীরের পেশী শিথিল থাকে।
🍁 রসুন, পিয়াজ, আমলকী আর কোকোনাট অয়েল একসাথে মিশিয়ে হাল্কা গরম করে মাথায় দিয়ে শ্যাম্পু করুন। এটি চুল বৃদ্ধি করবে আর চুল পরা বন্ধ করবে।
🍁 একটি হট ওয়াটার ব্যাগে গরম পানি ভরে আপনার কপালে ও ঘাড়ে লাগান। এর ফলে ওই স্থানের মাসেলগুলো রিলেক্স হবে এবং মাথা ব্যথা ও টেনশন কমবে।
🍁 কয়েকটি পেয়ারা পাতা নিন। তারপর এক গ্লাস পানিতে সিদ্ধ করুন। এবার ওই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। দাঁত ব্যাথা কমে যাবে।
🍁 তরমুজের বীচি বেটে ত্বকে লাগালে ত্বক ভালো থাকে। এ ছাড়া ত্বকে সরাসরি তরমুজের বীচির তেল লাগালে ব্রণের সমস্যা দূর হয়ে যায়।
🍁 খালি পেটে ফলের রস পান করা, কিংবা ফল খাওয়া ডায়াবেটিস রোধে খুবই কার্যকর। তবে দেখা গেছে, স্বাদে তিতা ফলের রস খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে করোল্লা বা উচ্ছা জাতীয় খাবার সাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। এগুলো জুস বা ভাঁজি করে খাওয়া যেতে পারে। এজন্য অবশ্য আপনার নিয়মিত খাবারের তালিকা পরিবর্তনের দরকার হবে না
ঘাড়, গলায় ও মুখে পাউডার লাগানোর সময় হালকা ভেজা স্পঞ্জ ব্যবহার করুন। কমপ্যাক্ট পাউডার সহজে সেট করবে এবং বেশিক্ষণ মেকআপটিকে থাকবে।
🍁 নিয়মিত সাইকেল চালালে ওজন কমে। সাইকেল চালালে ক্যালোরি খরচ বৃদ্ধি পায় এবং মেটাবলিজম বা বিপাকের হার বৃদ্ধি করে, যার ফলে ওজন কমতে সাহায্য করে।
🍁 নেল পলিশ ব্যবহারের আগে স্বচ্ছ নেল পলিশ লাগান। এতে নখ হলুদ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
🍁 অনেক সময় কোক, পেপসির বোতল ফ্রিজে রেখে দিলেও ঠাণ্ডা হতে সময় নেয়। এক টুকরো ভেজা তোয়ালে দিয়ে বোতলটি পেঁচিয়ে রাখুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে কোকের বোতল ঠান্ডা হয়ে গেছে।


শারীরিক শক্তি বাড়ায় আলকুশি

আলকুশি একটি ওষধি গাছ। এর রয়েছে অনেক গুণ। এ গাছ ব্যবহার করে নানাবিধ অসুখ থেকে আরোগ্য লাভ করার সুয়োগ রয়েছে।

দেখে নিন কি কি উপকার করে আলকুশি:

১) কোন পোকা মাকড়ের কামড়ে বা বিছের দংশনে আলকুশীর বীজের গুড়া লাগালে অনেক যন্ত্রণা কমে যায়।
২) এর শিকড়ের রস এক চামচ করে একমাস খেলে আমাশয় রোগ সারে।
৩) আলকুশির পাতার রস ফোঁড়ায় দিলে অচিরেই সেটি ফেটে যায়।
৪) এর বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শুক্র বৃদ্ধি ও গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।

৫) এর শিকড়ের রসে জ্বর, সর্দি-কাশি ভালো করে।
৬) আলকুশির শিকড়ের মণ্ডু মূত্রবর্ধক ও মূত্রযন্ত্রের রোগ নিরাময়ে বেশ উপকার।
৭) এর কাণ্ডের রস চোখের রোগের ক্ষেত্রেও ফলপ্রসূ।
৮) শিকড়ের রস জীবজন্তুর গায়ের ঘায়ে লাগালে ক্ষত দ্রুত সরে যায়।

আলকুশির বৈজ্ঞানিক নাম: মুকুনা পুরিয়েন্স। ইংরেজিতে এর নাম Velvet bean, Cowitch, Cowhage, Kapikachu, Nescafe, Sea bean। এটি ফ্যাবাসি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। বোটানিক্যাল নামের পুরিয়েন্স শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ভাষা থেকে, যার অর্থ চুলকানির অনুভূতি। ফলের খোসা ও পাতায় আছে- সেরাটোনিন, যার কারণে চুলকানির উদ্রেক হয়।

মধ্য আমেরিকায় আলকুশির বীচি আগুনে ভেজে চূর্ণ করা হয় কফির বিকল্প হিসেবে। এ কারণে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে এর প্রচলিত নাম হচ্ছে নেস ক্যাফে। গুয়েতেমালায় কেচি সম্প্রদায়ের মানুষ এখনও খাদ্যশস্য হিসেবে এটি আবাদ করে, সবজি হিসেবে রান্না হয়।

ভাত খেয়েও ওজন কমাবেন যেভাবে

অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরানো কিংবা ওজন কমানোর দিকে নজর দিলেই সবার আগে খাবার তালিকা থেকে বাদ পড়ে ভাত। নিজের মর্জিমতো ডায়েট তৈরি করতে গিয়ে এমনটা হয়। কিন্তু আপনি যদি একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শমতো ডায়েট চার্ট তৈরি করেন, তিনি ভাতকে বাদ নাও দিতে পারেন। বরং ভাত খেয়েও কীভাবে ওজন আর মেদ বশে রাখা যায় সেই পরামর্শই দেবেন।

ভাতকে বলা হয় ‘ফ্রি ফুড’। কারণ এতে সোডিয়াম, কোলেস্টেরল, গ্লুটেন ইত্যাদি ক্ষতিকর উপাদান থাকে না। চর্বি থাকেই না প্রায়। বিশেষ করে ট্রান্স ফ্যাট, যা খেলে কোলেস্টেরল বাড়ার আশঙ্কা থাকে। স্যাচুরেটেড ফ্যাটও থাকে না। বরং থাকে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট বা স্টার্চ, শরীরকে শক্তি জোগাতে যার বিরাট ভূমিকা। ফাইবারের উপস্থিতিও পেটের সমস্যা কমাতে, ওজন-সুগার-রক্তচাপ বশে রাখতে যার ভূমিকা আছে।


ভাত খেলে মেদ জমার যে ধারণা রয়েছে সেটিও ঠিক নয়। ভাত যদি নিয়ম মেনে খাওয়া যায়, তাহলে তা থেকে শরীরে মেদ জমে না তেমন। মূলত ভাতের গ্লাইকোজেন সহজে গলে না বলেই ভাত এড়িয়ে চলেন অনেকে, নিয়ম মানলে সে ভয়ও দূর হয়।

দিনে যদি ১৫০ গ্রাম চালের ভাতও খান, তাতেও ৫০০ ক্যালোরির বেশি ঢোকে না শরীরে। দিনে ২০০০-২২০০ ক্যালোরি বরাদ্দ থাকলে এর সঙ্গে সালাদ, স্যুপ, কম তেলে রান্না করা ডাল-তরকারি-মাছ-মাংস, যাই খান না কেন, একদিকে যেমন সুষম খাবারের হিসেব মেলে কাঁটায় কাঁটায়, অন্য দিকে ক্যালোরি বজায় রাখাও সহজ হয়।

ভাতের সঙ্গে সমপরিমাণ সালাদ ও সবজি খান। এককাপ ভাত খেলে, সমান কাপের মাপে সালাদ ও সবজি থাকুক পাতে। এতে ভাতের গ্লাইকোজেন জমে থাকবে না, সহজে গলার সুয়োগ পাবে। তাই লোভে পড়ে অনেকটা ভাত একসঙ্গে নয়। ততটাই ভাত খান, যতটা তরিতরকারি সঙ্গে নিচ্ছেন।

ভাতের পরিমাণটা কমান। বরং তার জায়গায় পেট ভরাতে বেশি করে মাছ, মাংস বা উদ্ভিদজ নানা প্রোটিন খান। ডাল, সবজির পরিমাণ বাড়িয়েও ভাত খেতে পারেন।

সাদা চালের বদলে লাল বা বাদামি চাল খান। এককাপ বাদামি, লাল, কালো বা ওয়াইল্ড রাইস খেলে সারা দিনে যতটা হোল গ্রেন খাওয়ার কথা তার দুই-তৃতীয়াংশই পূরণ হয়ে যায়। বাড়ে না ওজনও।

ভাত খেয়ে উঠেই চা-কফি নয়। এতে ভাতের স্টার্চ শরীরে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করে।

ভাত খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েন অনেকে। সকাল থেকে তেমন কিছু না খেয়ে নানা কাজের পর দুপুরে পেটে কিছু পড়লেই ঝিমুনি আসবে। কিন্তু ভরপেট খেয়ে ঘুমোলেই বিপাকহার কমে শরীরে জমে মেদ। তাই ভাত খেয়ে ভাতঘুম নয়।

শীতকালে বেশি বিয়ে হয় কেন?

শীতকে বলা হয় বিয়ের মৌসুম। কারণ শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায়। প্রতিবছর শীতে নিশ্চয়ই অনেকগুলো করে বিয়ের দাওয়াত পেয়ে থাকেন? একটু ভেবে বলুন তো, শীত এলেই কেন চারপাশে বিয়ের এত আয়োজন? এভাবে ভেবে দেখেননি? তাহলে জেনে নিন-

ছুটি: ডিসেম্বর মাসে ছেলেমেয়েদের বার্ষিক পরীক্ষার শেষে স্কুল বন্ধ থাকে। এসময় তাদের সঙ্গে ছুটি মিলিয়ে বড়রাও সহজে বেড়াতে যেতে পারেন। আর এই সুযোগেই সব আত্মীয়-পরিজন একত্রিত হতে পারেন। বছরের অন্যান্য সময় সবাইকে একত্রে পাওয়া এমন সহজ হয় না। তাই বিয়ের জন্য বেশিরভাগ মানুষ শীতকালই বেছে নেন।

খাওয়া দাওয়া: গরমের সময়ে খেতে হয় রয়ে-সয়ে। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই পেটের ভেতর গুড়গুড় শুরু হয়ে যায়। কিন্তু শীতকালে সেই চিন্তা নেই। এমনিতেই নানা পিঠাপুলি পেট ভরে খাওয়া হয়, পাশাপাশি দাওয়াতেও খাওয়া যায় কবজি ডুবিয়ে। আর বিয়ে মানেই বিশেষ খানাপিনা। তাই বিয়ের জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়।

খাটা-খাটনি: গরমের দিনে একটু পরিশ্রম করলেই হাপিয়ে উঠতে হয়। ঘেমেনেয়ে একাকার হতে হয়। কিন্তু শীতে সেই ভয় একদমই নেই। বরং কাজ করলে শীতের অনুভূতিটা কম হয়। বিয়েতে হাজারটা কাজ করার লোকের অভাব হয় না। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করে দিতে আগ্রহী থাকে। তাই এসময় বিয়ের ধুম পড়ে যায়।

ফুলের সাজ: ফুল ছাড়া আবার বিয়ে হয় নাকি! আর কে না জানে, শীত মানেই ফুলে ফুলে রঙিন চারদিক। হাত বাড়ালেই ফুল আর ফুল। ফুলের সহজলভ্যতা বিয়ের উৎসবকে আরও বেশি জমকালো আর অভিজাত করে তোলে। ফুলের রঙ আর গন্ধে মন ভালো হয়ে যায় সবার।

সাজ: বরের সাজ নিয়ে খুব বেশি মাথাব্যথা না হলেও চলে কিন্তু কনের সাজ? বিয়ের সাজে কনেকে দেখতে সবার থেকে সুন্দর লাগা চাই। আর তাইতো মনের মতো করে সাজতে চান প্রত্যেক কনেই। কিন্তু গরমের সময়ে তা কতটুকু সম্ভব? যত দামি প্রসাধনীই ব্যবহার করা হোক না কেন, গরমে ঘেমে সব নষ্ট হবে। আর শীতে? যত খুশি সাজুন, নষ্ট হওয়ার এতটুকু ভয় নেই।

হানিমুন: শীতের সময়টা ঘোরাঘুরির জন্য উপযুক্ত সময়। তাই এসময় বিয়ে এবং এর পরে হানিমুনে ঘোরাঘুরিটা জমে বেশ। পরস্পরের পাশাপাশি থেকে উষ্ণতাও ভাগাভাগি, সেই সুযোগে সঙ্গীকে চিনে নেয়া, জেনে নেয়া। তাই বিয়ে এবং হানিমুনের জন্য শীতের সময়টাই উপযুক্ত।

# নয়নে যাহা পড়ে তাহাই Noun,
# Verb এর হল হাটাহুটা,
# Pronoun এর বদলি খাটা;
# Adverb এর রকম সকম।।
# Adjective দোষ-গুনে গায় গান,
# Preposition এর অবস্থান;
# যোগ-বিয়োগে Conjunction
# সুখে-দূঃখে Interjection.

#ত্বক ভালো রাখে #মেথি শাক
একই সঙ্গে এই শাক ত্বক আর চুলের সৌন্দর্যও রক্ষা করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ত্বকের নীচে জমে থাকা ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল কমিয়ে ত্বকে আনে বাড়তি উজ্জ্বলতা। সেই সঙ্গে অন্যান্য ভিটামিন ত্বকের অনেক সমস্যা কমায়। খাওয়ার পাশাপাশি এই শাকের পেস্ট মুখে মাখলেও অনেক উপকার পাবেন। মেথিগুঁড়ো তেলে মিশিয়ে নিয়মিত স্কাল্পে মাসাজ করলে চুল পড়া কমে যায়। খুশকি হয় না। মজবুত থাকে চুলের গোড়া। অকালপক্কতাও কমে।

রক্তে চর্বি জমতে দিলেই হয় স্ট্রোক

বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে


যুগের সাথে পাল্লা দিয়ে যেন সমান হারে বেড়েই চলছে অসুখ-বিসুখ। তার ওপর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই তেমন স্বাস্থ্য সচেতন নন। কিন্তু ক্ষতিকর ও ভয়াবহ কিছু রোগে আশঙ্কা থাকে প্রানহানির। এসব রোগের মধ্য অন্যতম স্ট্রোক।

স্ট্রোকের কারণ হলো রক্তে জমে থাকা চর্বি। আর রক্তে চর্বির পরিমাণ বেড়ে গেলেই তা চিন্তার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। রক্তে চর্বির পরিমাণ বাড়ার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- অতিরিক্ত চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ এবং ব্যায়াম না করা।

চিকিৎসকরা বলেন, রক্তে চর্বি বেশি হলে ধমনীর গায়ে সেগুলো জমা হতে থাকে। ফলে ধমনী ক্রমশঃই সরু হতে থাকে। ধমনী সরু হয়ে গেলে রক্তের সঞ্চালনও সীমিত হতে থাকে। কখনো কখনো রক্ত সঞ্চালন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই বন্ধ হওয়া যদি হার্টের করোনারি ধমনীতে হয় তখন দেখা দেয় হার্ট অ্যাটাক। হার্ট অ্যাটাকের কারণে বিভিন্ন জটিলতাসহ তাৎক্ষণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। আর যদি মস্তিষ্কের মধ্যে এই ঘটনা হয় তবে তাকে বলা হয় স্ট্রোক। যেহেতু চর্বির আধিক্যের কারণেই বিভিন্ন জটিলতা ঘটে তাই চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণ এবং শরীরের বাড়তি চর্বির ব্যাপারে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

এক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে প্রচুর টাটকা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া। কমিয়ে দিতে হবে তেলে ভাজা খাবার। বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল টেস্ট নামে পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তের চর্বি পরিমাপ করাতে হবে।

আমাদের রক্তে বিভিন্ন রকমের চর্বি থাকে। এর মধ্যে আছে ট্রাইগ্লিসারাইড, কোলেস্টেরল, এলডিএল ও এইচডিএল। রক্তে এসবের নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। প্রতি বছর পরীক্ষা করে দেখতে হবে এই মাত্রা স্বাভাবিক আছে কি না। এগুলোর আদর্শ মাত্রা হচ্ছে ট্রাইগ্লিসারাইড ১৫০ মিলি গ্রামের কম, কোলেস্টেরল ২০০ মিলি গ্রামের কম, এলডিএল ১০০ মিলি গ্রামের কম এবং এইচডিএল ৪০ মিলিগ্রামের বেশি।

মাত্রাধিক্য দেখা দিলেই স্ট্রোক, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যানসার, হৃদরাগ, ফ্যাটি লিভারসহ নানারকম রোগ দেখা যায়। তাই সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আবার হোটেল-রেস্টুরেন্টের খাবার, দাওয়াতের খাবারে প্রচুর তেল চর্বি থাকে। এসব বেশি খেলে রক্তের চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।

এছাড়াও অনেক পরিবারে বংশানুক্রমিকভাবে বাড়তে থাকে চর্বির মাত্রা। মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি খেলেও রক্তে চর্বি বেড়ে যায়। স্ট্রোক এবং হৃদেরাগের হাত থেকে বাঁচতে অবশ্যই চর্বি গ্রহণ কমাতে হবে। তা না হলে দুর্ঘটনার আশংকা বাড়তেই থাকে।

রক্তে যদি ইউরিক এসিড বেড়ে যায়

রক্তে ইউরিক এসিড হয় ৭ মিলিগ্রাম /১০০ মিলিলিটারের বেশি হলে। তা থেকে হতে পারে বেদনার আরথ্রাইটিস "গাউট " গেঁটে বাত। রক্তে ইউরিক এসিডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে হৃদরোগ, কিডনি রোগ, ডায়েবেটিস। পিউরিন শরীরে ভাঙলে ইউরিক এসিড শরীরে তৈরি হয়। রেড মিট, অরগান মিট, বিনস, সামুদ্রিক খাবার ইত্যাদিতে পিউরিন পাওয়া যায়।

সাধারণত প্রস্রাবের সঙ্গে ইউরিক এসিড বেরিয়ে যায়। যখন খুব বেশি ইউরিক এসিড তৈরি হয় বা যা তৈরি হয় তা কিডনি নিস্কাসন করতে পারে না তখন রক্তে জমতে থাকে। বেশি ইউরিক এসিড রক্তে হলে গঠিত হয় স্ফটিক। এসব জমা হয় হাড়ের গিঁটে আর কিডনিতে। দেহের রোগ প্রতিরোধী শ্বেতকনিকা এদের আক্রমণ করে। এতে ব্যথা আর প্রদাহ হয়।
গেঁটে বাত গিঁটে খুব ব্যথা হলে হয়। গিঁট দৃঢ় হয়ে যায়, আক্রান্ত গিঁট নড়াতে কষ্ট হয়। লাল হয়ে যায়, ফুলে যায়। অনেক দিন রক্তে ইউরিক এসিড বেশি থাকলে হয় টো ফাই TOPHI। শক্ত এই স্ফোটক জমা হয় ত্বকের নিচে, গিঁটের চার পাশে , কানে। কিডনিতে হতে পারে পাথুরি।

যে কারণে এটা হয়
মদপান, কিছু হৃদরোগের ওষুধ খেলে, সিসার কাছাকাছি এলে, কীটনাশকের মুখোমুখি হলে। এছাড়া কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ রক্তগ্লুকোজ, স্থুলতা ও হাইপ থাইরয়েডের কারণেও এটা হতে পারে।

রোগ নির্ণয়ে রক্তে ইউরিক এসিড মান আর ক্রিয়েটিনিনের মান নির্ণয় করতে হবে। পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা প্রস্রাবে ইউরিক এসিড মান পরীক্ষা করতে হবে। চিকিৎসার জন্য ওষুধ দেবেন ডাক্তার এনএসএআইডি, কলচিসিন, প্রবেনেসি ড, এলপিউরিনল ফেবুক্সস টাট ।

কি কি খাবার এড়িয়ে যাবেন
রেড মিট, চিনিযুক্ত খাবার আর পানীয়, অরগান মিট যেমন কলিজা, মিট গ্রাভিস, সামুদ্রিক খাবার, শীতল পানির মাছ, পালং শাক, মটর শুঁটি, মাশরুম, বিনস, ডাল, ও টমিল, তুষ, বিয়ার আর এলকোহল। পাশাপাশি প্রচুর পানি খান, ব্যায়াম করুন এবং ওজন ঠিক রাখুন।

সাধারণ জ্ঞাণ প্রশ্ন ও উত্তর

১। বর্তমানে দেশে প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর-২১ টি
২। ২১তম প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর- আমঝুপি নীলকুঠী জাদুঘর, মেহেরপুর
৩। দেশে ই-নামজারি চালু হয়- ১জুলাই ২০১৯
৪। দেশের ১৮তম কমিউনিটি রেডিও- রেডিও বড়াল
৫। ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আঘাত হানে- ৯নভেঃ ২০১৯
৬। বেলজিয়ামের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী- সোফি উইলমস
৭। ভারতের বর্তমান প্রধান বিচারপতি- শারদ অরবিন্দ বোবদে
৮। বলাকা, দোয়েল, শতাব্দী- গমের জাত
৯। বঙ্গভঙ্গ রদ হয়- ১৯১১সালে
১০। ঢাকা সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়- ১৬১০ সালে

লেবুর খোসার যত উপকারিতা


লেবু খাওয়ার পর অনেকে খোসাকে অপ্রয়োজনীয় ভেবে ফেলে দেন। এই লেবুর খোসা যে কতটা উপকারী এটা অনেকের অজানা। লেবু খেলে যতটা শারীরিক উপকার পাওয়া যায়, তার থেকে অনেক বেশি পাওয়া যায় লেবুর খোসা খেলে। বেশ কিছু গবেষণার পর একথা পানির মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে, লেবুতে যে পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে, তার থেকে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি ভিটামিন রয়েছে লেবুর খোসায়। সেই সঙ্গে আরও রয়েছে বিটা ক্যারোটিন, ফলেট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম, যা আমাদের শরীরের জন্য বহু উপকারী।

চলুন জেনে নেই লেবুর খোসার উপকারিতা-

রোগ প্রতিরোধের উন্নতি ঘটে

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, লেবুতে উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার এবং ভিটামিন সি শরীরে প্রবেশ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে সংক্রমণের মতো রোগও দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

কিডনি স্টোনের মতো রোগ দূরে থাকে

নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে শরীরে সাইট্রিক অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যার প্রভাবে কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে থাকে না বললেই চলে। তাই এ ধরনের রোগের খপ্পরে পরতে না চাইলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেতে ভুলবেন না যেন।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে

লেবুর খোসায় উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু পরির্বতন আসে যে, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। সেইসঙ্গে আলসার এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্সের মতো সমস্যাও কমে যায়।

ক্যানসারের মতো মারণ রোগ দূরে পালায়

লেবুর খোসায় উপস্থিত সয়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ এবং লিমোনেন্স নামে দুটি উপাদান ক্যানসার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরের অন্দরে ক্যানসার সেলের জন্ম নেওয়ার কোনো সম্ভাবনাই থাকে না। এখানেই শেষ নয়, লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

মুখ গহ্বরের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিসসহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সারা শরীরে রক্তের প্রবাহে উন্নতি ঘটে

লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র শরীরের অন্দরে এমন কিছু রদবদল হতে শুরু করে যে সারা শরীরে রক্তের সরবরাহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোনায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যাওয়ার কারণে সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না। ফলে ছোট-বড় সব ধরনের রোগই দূরে পালায়।

দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে

পেকটিন নামে একটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় থাকায় লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বিকে ঝড়িয়ে ফেলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে থাকে।

হার্টের ক্ষমতা বাড়ে

লেবুর খোসায় উপস্থিত পলিফেনল নামে একটি উপাদান শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের রাগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা প্রতিদিনের ডায়েটে লেবুর খোসাকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

লিভারের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে লিভারের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বাড়তে সময় লাগে না।

হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে

প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেইসঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লেবুর খোসার অন্দরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা যেমন কমে, তেমনি ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। এই কারণেই তো বয়স ৩০-এর কোটা পরলেই প্রতিদিন লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

হজম ক্ষমতার উন্নতি

ফাইবার সমৃদ্ধ যেকোনো খাবার হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে লেবুর খেসায়। তাই তো বদ-হজম থেকে গ্যাস-অম্বল, যেকোনো ধরনের হজম সংক্রান্ত সমস্যায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুণ উপকারে আসে।

স্ট্রেসের মাত্রা কমে

লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের অন্দরে প্রবেশ করলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই যখনই দেখবেন শরীর আর চলছে না, তখন অল্প করে লেবুর খোসা নিয়ে চটজলদি খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন উপকার মিলবে।

হাত কাঁপে কেন?

সাধারণত কোনো সাক্ষাৎকার দিতে গেলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কিছু করার আগে অনেকের হাত কাঁপে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে হাত কাঁপা স্বাভাবিক। তবে অনেক সময় বিনা কারণেও অনেকের হাত কাঁপে। যদি দীর্ঘদিন কেউ এ ধরনের সমস্যায় ভোগেন তাহলে তা পারকিনসন রোগের ইঙ্গিত দেয়। তবে আরও কিছু কারণে হাত কাঁপা সমস্যা হতে পারে। যেমন-

১. ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়, বিরক্ত লাগে। অনেক সময় ঘুম না হলে শরীরে নানা ধরনের কম্পনও দেখা দেয়। শরীর সুস্থ রাখতে দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। কিন্তু ঘুম ভালো না হলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়। তখন কাজ করতেও অনেকে চাপ অনুভব করেন। এতে শরীর কার্যক্ষমতা হারায়। পাশাপাশি হাত কাঁপা সমস্যা দেখা দেয।

২. অতিরিক্ত কফি খেলে স্নায়ুর কার্যকারিতার ওপর প্রভাব পড়ে। এতে শরীরে কম্পন সৃষ্টি হয়। অতিরিক্ত চা কিংবা অ্যালকোহল পানেও একই সমস্যা হতে পারে।

৩. অনেক ধরনের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হলেও হাত কাঁপে।

৪. অনেকে মনে করেন, ধূমপান মানসিক চাপ কমায়। ধূমপান কিন্তু উৎকণ্ঠা বাড়ায়ও। সিগারেটে থাকা নিকোটিন হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়। এতে উৎকণ্ঠা বাড়ে। সেই সঙ্গে হাতও কাঁপে।

৫. শরীরের নার্ভ পদ্ধতি ঠিক রাখতে ভিটামিন ১২ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে এ ভিটামিনের ঘাটতি হলে হাঁত কাপা সমস্যা হতে পারে।

#ওজন কমাতে #লাউয়ের ভুমিকা

আপনি যদি ওজন কমানোর কথা ভেবে থাকেন তাহলে খাবার তালিকায় লাউ রাখুন। লাউ একটি কম ক্যালোরি সম্পন্ন ডায়েট। লাউয়ের ৯৬% হলো পানি। লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে এবং খুবই কম ক্যালোরি থাকে যা ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। তাই ওজন কমানোর চিন্তা করছেন যারা তাঁরা বেশি করে লাউ খান। তাহলে শরীরে কম ক্যালোরি যুক্ত হবে এবং পেটও ভরবে।

কেমন ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী রাসুল (সঃ)?
১/ তিনি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন।
২/ তিনি কম হাসতেন।
৩/ তিনি মুচকি হাসতেন,হাসি ওনার ঠোঁটে লেগে থাকতো।
৪/ তিনি অট্রহাসি হাসতেন না।
৫/ তিনি তাহাজ্জুদ নামাজ ত্যাগ করতেন না।
৬/ তিনি শতবার ক্ষমা প্রার্থণা করতেন।
৭/ তিনি নিজের জন্যে কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না।
৮/ তিনি যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি।
৯/ তিনি বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক নামাজে দাড়িয়ে যেতেন।
১০/ তিনি অসুস্থ হলে বসে নামাজ পড়তেন।
১১/ তিনি শিশুদের সালাম দিতেন।
১২/ তিনি সমাবেত মহিলাদের সালাম দিতেন।
১৩/ তিনি শিশুদের পরম স্নেহ করতেন।
১৪/ তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন।
১৫/ তিনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন।
১৬/ তিনি ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন।
১৭/ তিনি মিথ্যাকে সার্বাধিক ঘৃণা করতেন।
১৮ তিনি উপহার গ্রহণ করতেন।
১৯/ তিনি সাদকাহ (দান) করতেন।
২০/ তিনি সব সময় আল্লাহ কে স্মরণ করতেন।
২১/ তিনি আল্লাহ কে সার্বাধিক ভয় করতেন।
২২/ হাতে যা আসত, তা আল্লাহর রাস্তায় দান করে দিতেন।
১. কেউ কথা বলতে বসলে সে ব্যক্তি উঠা না
পর্যন্ত তিনি উঠতেন না।
২. লৌকিকতার প্রয়োজনেও ছোট প্লেটে
খাবার খেতেন না।
৩. সর্বদা আল্লাহর ভয়ে ভীত থাকতেন।
৪. অধিকাংশ সময়ই নিরব থাকতেন।
৫. বিনা প্রয়োজনে কথা বলতেন না।
৬. কথা বলার সময় সুস্পষ্টভাবে বলতেন যাতে
শ্রবনকারী সহজেই বুঝে নিতে পারে।
৭. বক্তব্য দীর্ঘস্হায়ী করতেন না যাতে
শ্রোতারা বিরক্ত হয়ে যায়।
এবং এত সংক্ষিপ্ত করতেন না যাতে কথা
অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
৮. কথা, কাজে ও লেন-দেনে কঠোরতা
অবলম্বন করতেন না।
৯. নম্রতাকে পছন্দ করতেন ।
১০. তার নিকট আগত ব্যক্তিদের অবহেলা
করতেন না।
১১. কারো সাথে বিঘ্নতা সৃষ্টি করতেন না।
১২. শরীয়ত বিরোধী কথা হলে তা থেকে
বিরত রাখতেন বা সেখান থেকে উঠে
যেতেন।
১৩. আল্লাহ তায়ালার প্রতিটি নিয়ামতকে
কদর করতেন।
১৪. খাদ্য দ্রব্যের দোষ ধরতেন না। মন চাইলে
খেতেন না হয় বাদ দিতেন।
১৫. ক্ষমাকে পছন্দ করতেন।
১৬. যে কোন প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতেন,
যাতে প্রশ্নকারী সে ব্যাপারে পরিপূর্ণ
অবহিত হয়।
১৭. সর্বদা ধৈর্য্য ধরতেন।
রাসুল (সা.) এর গুণাবলী বর্ণনা করে শেষ করা
যাবে না।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে নবী (সা.) এর
চরিত্রে চরিত্রবান হওয়ার তাওফীক দান
করুন,

দইগোটা(Achiote বা lipstick tree) একটি ছোট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bixa orellana। দইগোটা গাছের সঠিক পরিচয় অনেকের অজানা। কেউ কেউ জাফরান বলেও ভুল করেন। আদতে জাফরান বর্ষজীবী ও পিঁয়াজকন্দীয় গাছ। জন্মে শীতের দেশে। আমাদের দেশে জাফরান চাষ হয় না। তাছাড়া আকার-আকৃতিতেও গাছ দুটি একেবারেই আলাদা। আলোচ্য গাছটি মূলত দইগোটা নামেই বেশি পরিচিত। এই ফুলে পাপড়ির কিঞ্চিত গোলাপি আভা যেন স্নিগ্ধতার পরশ বুলিয়ে দেয় হৃদয়-মনকে। ফুলের মাঝে ঘন পুংকেশরগুলো কুকড়িয়ে ফুলের সৌন্দর্য্যকে আরো বাড়িয়ে দেয়। এ গাছের ফলগুলোও বেশ সুন্দর। ফলগুলো লাল বর্নের এবং এর ত্বক স্পাইনযুক্ত। এর বীজ থেকে হলুদাভ-কমলা বর্ণের রঞ্জক (বিক্সিন) পাওয়া যায়। কিছু দেশে এর রঞ্জক শরীর, বিশেষ করে ঠোট রং করার কাজে ব্যবহার করা হয়, তাই এর ডাকনাম হচ্ছে- লিপস্টিক গাছ। এর রঞ্জক মিস্টি দইয়ের রং করতে ব্যবহৃত হয়। এজন্যে এ গাছকে আঞ্চলিকভাবে দই-গোটা গাছ বলে। এই গাছ বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মায়। দই গোটা ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
উপকারিতাঃ

১। মেয়েদের মাথার চুল লাল হলে দইগোটার বীজ থেঁতো করে মাথায় দিলে চুল কালো হয়।

২। দইগোটা গাছের শিকড় সিদ্ধ করে এই ক্বাথ মাইক্রোবিয়াল দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণে ব্যবহার করা হয়।

৩। প্রমদ রোগ দেখা দিলে দইগোটা গাছের ফলের শ্বাস খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৪। মৃগীরোগ দেখা দিলে দইগোটা গাছের শিকড় সিদ্ধ করে এই ক্বাথ সকাল বিকেল সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।

তুমি ভূল করেও, ভূল করোনি,
তাই আমি অপরাধী।তুমি পথ দেখিয়েও,

পাশে হাটনি,তাই এখন আমি একলা হাটি।

জীবনের চাইতেওবেশী""ভালবাসি যারে""একবারও দেখিনাইতারে""জানিনা আমার ভালবাসায়" "আছে কি ভুল""একবার হলেও দেখা দাও""হে প্রিয় রাসূল (সঃ)"

জেনে রাখুন নোবেল পুরষ্কার ২০১৯ বিজয়ীদের তালিকা


বিশ্বের সবচেয়ে সন্মানজনক পুরষ্কার হচ্ছে নোবেল পুরষ্কার। ১৯০১ সাল থেকে এ পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান

চিকিৎসা ক্ষেত্রে নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন
ক। অধ্যাপক স্যার পিটার র‍্যাটক্লিপ (যুক্তরাজ্য)
খ । উইলিয়াম ক্যালিন (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। গ্রেগ সেমেঞ্জা (যুক্তরাষ্ট্র)।
কোষ কিভাবে অক্সিজেনেব উপস্থিতি টের পায় ও স্বল্প অক্সিজেনে কিভাবে কোষ নিজেদের মানিয়ে নেয় সেসব বিষয় আবিষ্কার করে তারা এই পুরষ্কার অর্জন করেন।

পদার্থ বিজ্ঞান

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো পদার্থ বিজ্ঞানেও নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। এরা হলেন –
ক। জেমস পিবলস (কানাডা)
খ। মাইকেল মেয়র (সুইজারল্যান্ড)
গ। দিদিয়ের কুলোজ (সুইজারল্যান্ড)
সৌরজগতের বাইরে একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়নমান গ্রহ আবিষ্কার করে এ পুরষ্কার পান।

রসায়ন বিজ্ঞান

ক। জন গুডেনো (যুক্তরাষ্ট্র)
খ। স্টানলি হুইটিংহ্যাম (যুক্তরাষ্ট্র)
গ। আকিবা ইউশিনো (জাপান)।
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি উদ্ভাবনের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার পান।

শান্তি

নোবেল পুরষ্কারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুরষ্কার বলা যায় শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পাওয়া। এ বছর এ পুরষ্কার পান আবি আহমেদ আলী ( ইথিওপিয়া)। পার্শ্ববর্তী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে ২০ বছরের যুদ্ধাবস্থার অবসান।

সাহিত্য

অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হান্দক।
গত বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তাই সে পুরষ্কার এ বছর দেওয়া হয়েছে। এ বছর ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল জয়ী হচ্ছেন লেখক ওলগা তোকারজুক (পোল্যান্ডের নাগরিক)।

অর্থনীতি

১৯৬৯ সাল থেকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐ বছর সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থায়নে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় অর্থনীতিতে। অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরষ্কার পান ৩ জন। তারা হলেন –
ক। অভিজিৎ ব্যানার্জি (ভারতীয় বংশোদ্ভুূত বাঙালি)
খ। অ্যাস্থার ডাফলো (ফ্রান্স, ইনি অভিজিৎ ব্যানার্জীর স্ত্রী)
গ৷ মাইকেল ক্রেমার (যুক্তরাষ্ট্র)।
উন্নয়ন অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দারিদ্র বিমোচনে অবদানে ভূমিকা রেখে এ পুরষ্কার পান।

গর্ভবতী_মহিলাদের_আমলঃ-
🌾প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান দামী হবে।
🌾দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান সুন্দর হবে।
🌾তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান সবরকারী হবে।
🌾চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান হেকমত ওয়ালা হবে।
🌾পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান চরিত্রবান হবে।
🌾ষষ্ঠ মাসে সূরায়ে ইয়াসিন পড়লে সন্তান জ্ঞানী হবে।
🌾সপ্তম,অষ্ঠম,নবম এবং দ্বশম মাসে সূরা-ইউসুফ,মুহাম্মদ এবং ইবরাহিম এর প্রথম থেকে দশ আয়াত পড়বে।
✓✓ ব্যাথা উঠলে সূরা-ইনশিকাক পড়ে পানিতে ফুক দিয়ে পান করবে।
আল্লাহ তাআ‘লা সকল গর্ভবতি মহিলাদেরকে উক্ত আমলগুলো করার তাওফীক দান করুন৷ আমীন!!

আমাদের উপর কুরআনের যে হকগুলো রয়েছে তা হলো—
১. কুরআনের ওপর ঈমান আনা
২. কুরআন শিক্ষা করা
৩. বুঝা ও উপলব্ধি করা
৪. অপরকে শিক্ষা দেয়া
৫. তিলাওয়াত করা ও শ্রবণ করা (বুঝে-বুঝে)
৬. হিফয বা মুখস্থ করা
৭. আমল করা (বাস্তবায়িত করা)
৮. যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেয়া
৯. কুরআন প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করা

১। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে ?
= ১০০বিলিয়ন( Green Climate Fund)
২। বাংলাদেশের জাতীয় পতাক কবে গৃহীত হয় ?
= ১৭জানুয়ারী , ১৯৭২ ।
৩। সমুদ্র পৃষ্ঠ ৪৫সে.মি. বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ক্লাইমেট শরণার্থী হবে ?
= ৩.৫ কোটি
৪। বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ
বাংলাদেশকে দেবে ?
= ৩০%
৫। সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া যায় কার ?
=কাহ্নপা
৬। The Phrase ' Nouveau Riche ' means
- New Rich
7. protocol means
= Records of rules
8. Let us beging by looking at the minutes of the meeting . here 'Minutes means
= Written record
9. অলিভ টারটল কোথায় পাওয়া পায় ?
= সেন্ট মান্টিনে
১০. প্রান্তিক হৃদ কোথায় অবস্থিত?
= বান্দরবানে
১১. অতিথি পাখির জন্য পরিচিত যার অন্য নাম প্যারা দ্বীপ তার আসল নাম কি?
= সোনাদিয়া
১২। দ্যা ব্লাড টেলিগ্রাম গ্রন্থটির লেখক কে ?
= গ্যারি জে বোস ( অন্য গ্রন্থ > দি ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ )
১৩। মংডু কোন দেশ দুটির সীমান্ত এলাকা ?
- বাংলাদেশ - মিয়ানমার
১৪। প্রশান্ত মহাসাগরে যুক্তরাষ্টের ৭ম নৌবহরের সদর দপ্তর হচ্ছে
= ইউকোসুক
১৫। ১৯৮২সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের সীমা হবে
= ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
১৬। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্ব-পশ্চিম দ্বন্দ্বের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম
= কমেকন
১৭। ডমিনো তত্ত্বটি কোন অঞ্চলের জন্য প্রযোজ্য হবে ?
= দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়া
১৮। শান্তির সংবিধান বলা হয়
= জাপান
১৯। ১৯৮৯ থেকে ওজনস্তর বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কতবার সংশোধন করা হয়েছে ?
= ৪বার
২০। বাংলাদেশে কাল বৈশাখী হয় কখন
= প্রাক- মৌসুমী বায় ঋতুতে

17-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4156+)
প্রশ্নঃ অপচয় কর না, অভাব হবে না। কাগুজে টাকা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক "বাংলাদেশ ব্যাংক" কর্তৃক প্রবর্তিত হয়। কিন্তু; ৳১, ৳২ এবং ৳৫ টাকার নোট এবং ধাতব মুদ্রা যেগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে প্রচলিত হয়। বাংলাদেশে এক হাজার টাকা মূল্যের নোট কোন সাল থেকে চালু হয়?
(A) ২০০৮
(B) ২০০০
(C) ২০১০