About Abidur Rahman

কানাডার অভিবাসনের জন্য ECA কতটা জরুরি?
কানাডায় অভিবাসনের জন্য আমার অনেকেই চেষ্টা করে থাকি। তবে কি কি কাগজ লাগে? কিভাবে করব? এসব মাথায় ঘুরপাক খায়। তবে কানাডায় অভিবাসনে শিক্ষাগত যোগ্যতা ব্যাখ্যা করার জন্য Educational Credential Assessment (ECA) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কানাডিয়ান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া যে কোনো দেশের যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার জন্য ECA করানোটা জরুরি।


Educational Credential Assessment (ECA) রিপোর্ট হলো এমন একটা ডকুমেন্ট, যেটা ব্যাখ্যা করে কানাডিয়ান শিক্ষাগত যোগ্যতার পরিমাপে আপনার আন্তর্জাতিক শিক্ষার অবস্থান।

কানাডার ইমিগ্রেশনের জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে ECA করাতে পারেন সেগুলো হলো-

-World Education Services (WES)

-Comparative Education Service – University of Toronto (CES)

-International Credential Assessment Service of Canada (ICAS)

-International Qualifications Assessment Service (IQAS)

-International Credential Evaluation Services (ICES)

-Medical Council of Canada (ডাক্তারদের জন্য)

-Pharmacy Examining Board of Canada (ফার্মাসিস্টদের জন্য)
প্রতিটি অর্গানাইজেশন তাদের নিজস্ব নিয়মে ECA করে থাকে। তাই এই এভালুয়েশন প্রক্রিয়াটাও আলাদা আলাদা হয়। প্রার্থীকে প্রথমেই ঠিক করতে হবে যে, কোন প্রতিষ্ঠান তার জন্য ভালো হবে। সাধারণত World Education Services (WES) এর নিয়মকানুন একটু সোজা বিধায় বেশিরভাগ প্রার্থী WES থেকে Evaluation করে। এছাড়া WES এর এভালুয়েশন করার সময়টাও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কম লাগে।

ECA আবেদনের সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করতে হবে-

১. অ্যাকাউন্ট সাইন আপ করার সময় সঠিক রিপোর্ট টাইপ সিলেক্ট করতে হবে।

২. ডেলিভারি টাইপ: কানাডা পোস্টের স্ট্যাণ্ডার্ড মেইল ৭ ডলার অথবা ইন্টারন্যাশনাল কুরিয়ার সার্ভিস (UPS/ TNT based on Country) ৮৫ ডলার সিলেক্ট করবেন। স্ট্যাণ্ডার্ড মেইল তুলনামুলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন এবং কোনো ট্র্যাকিং নম্বর থাকবে না। তাই পথে হারিয়ে গেলে তেমন কিছুই করার থাকে না। তবে লক্ষ্য করবেন, যদি এভালুয়েশন রিপোর্টের হার্ড কপির সঙ্গে ইলেকট্রনিক PDF ভার্সন দেয়, তবে কোনো চিন্তা নেই।

৩. সাধারণত এভালুয়েশন প্রতিষ্ঠান Immigration, Refugees and Citizenship Canada (IRCC) এর কাছে একটি রিপোর্ট কপি সরাসরি পাঠিয়ে থাকে। তাই অতিরিক্ত রিপোর্ট কপি নেয়ার দরকার নাই। তাছাড়া অতিরিক্ত কপি লাগলে ইলেকট্রনিক PDF ভার্সন থেকে প্রিন্ট করে নিলেই হবে।

৪. আপনার যদি একের অধিক উচ্চতর ডিগ্রি থাকে, তবে সেগুলো একই অ্যাপ্লিকেশনে এভালুয়েশন করানোর জন্য অন্তর্ভুক্ত করবেন। এতে সময় এবং টাকা দুটোই বাঁচবে।

মনে রাখবেন ইমিগ্রেশন ECA এবং হায়ার স্ট্যাডি ECA দুটো সম্পূর্ণ আলাদা। ইমিগ্রেশনের ECA রিপোর্ট কপি সরাসরি IRCC এর কাছে চলে যাবে। তাই এটা দিয়ে হায়ার স্ট্যাডির কাজ করা যাবে না।

ইমিগ্রেশন ECA তে শুধুমাত্র কানাডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডে আপনার এভালুয়েশন লেভেল উল্লেখ থাকে। অন্যদিকে হায়ার স্ট্যাডি ECA তে আপনার পঠিত প্রতিটি বিষয়, তাতে অর্জিত শতকরা নম্বর, কোন মাধ্যমে পড়েছেন তা উল্লেখ থাকে। হায়ার স্ট্যাডি ECA রিপোর্ট কপি সরাসরি আপনার উল্লেখ করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে অথবা আপনার কাছে পাঠানো হয়।

ECA নিয়ে বিস্তারিত জানতে হলে 'ইমিগ্রেশন এ্যাণ্ড সেটেলমেন্ট' ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। ওয়েব সাইট লিংক: http://immigrationandsettlement.org/

ডায়াবেটিস রোগীরা শীতে যে ৬টি ফল খাবারের তালিকায় রাখবেনঃ
১.কমলা
কমলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কমলাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করার মতো বিপাকীয় চিহ্নগুলোকে তাদের সর্বোত্তম স্তরে বাধা দিতে পারে।
২.নাশপাতি
নাশপাতিতে নিম্ন গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে। এটি শরীর কতটা দ্রুত খাদ্যকে গ্লুকোজে রূপান্তর করে তার পরিমাপ করে। বলা হয়ে থাকে যে, নাশপাতিগুলোর ত্বক দুর্দান্ত পুষ্টির মূল্য এবং উচ্চ রক্তে শর্করার মাত্রা পরিচালনা করতে বিশেষভাবে উপকারী।
৩.পেয়ারা
এই ফলের একটি উল্লেখযোগ্য পুষ্টি প্রোফাইল রয়েছে। এটিতে পটাশিয়াম বেশি এবং সোডিয়াম কম। এটি ফাইবার এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, এবং কম গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে।
৪.কিউই
এই সবুজ ফলটি অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলির সদৃশতায় ভরা। এটি ডায়েটারি ফাইবার সমৃদ্ধ, এটি আপনার ডায়েটের নিখুঁত সংযোজন করে তোলে।
৫.আপেল
এই ফলের মধ্যে অ্যান্টোসায়ানিন নামে একটি বিশেষ ধরণের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে যা রক্তে শর্করাকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দেহের বিপাকীয় ভারসাম্যকে উন্নত করে তার স্তরটি পরীক্ষা করতে সহায়তা করে।
৬.আঙ্গুর
আঙ্গুর একটি শীতকালীন মজাদার ফল যা রক্তে শর্করার পরিচালনায় উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। ফলের মধ্যে রেসিভেরট্রোল নামক একটি ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যা দেহের ইনসুলিন নিঃসরণের ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে।

সবাই এটা ফেভারিট করে রাখুন, ভবিষ্যতে কাজে লাগবেইঃ

ড্রাইভিং লাইসেন্সের লিখিত পরীক্ষার স্ট্যান্ডার্ড প্রশ্ন ব্যাংক ও উত্তর

০১. প্রশ্ন : মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তর ঃ মোটরযান আইনে মোটরযান অর্থ কোনো যন্ত্রচালিত যান, যার চালিকাশক্তি বাইরের বা ভিতরের কোনো উৎস হতে সরবরাহ হয়ে থাকে।

০২. প্রশ্ন : গাড়ি চালনার আগে করণীয় কাজ কী কী ?

উত্তর ঃ ক. গাড়ির হালনাগাদ বৈধ কাগজপত্র (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট, ট্যাক্সটোকেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ইনসিওরেন্স (বিমা) সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ইত্যাদি) গাড়ির সঙ্গে রাখা।

খ. গাড়িতে জ্বালানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।

গ. রেডিয়েটর ও ব্যাটারিতে পানি আছে কি না পরীক্ষা করা, না থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।

ঘ. ব্যাটারি কানেকশন পরীক্ষা করা।

ঙ. লুব/ইঞ্জিন অয়েলের লেবেল ও ঘনত্ব পরীক্ষা করা, কম থাকলে পরিমাণ মতো নেওয়া।

চ. মাস্টার সিলিন্ডারের ব্রেকফ্লুইড, ব্রেকঅয়েল পরীক্ষা করা, কম থাকলে নেওয়া।

ছ. গাড়ির ইঞ্জিন, লাইটিং সিস্টেম, ব্যাটারি, স্টিয়ারিং ইত্যাদি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, নাট-বোল্ট টাইট আছে কি না অর্থাৎ সার্বিকভাবে মোটরযানটি ত্র“টিমুক্ত আছে কি না পরীক্ষা করা।

জ. ব্রেক ও ক্লাচের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা।

ঝ. অগ্নিনির্বাপকযন্ত্র এবং ফাস্টএইড বক্স গাড়িতে রাখা।

ঞ. গাড়ির বাইরের এবং ভিতরের বাতির অবস্থা, চাকা (টায়ার কন্ডিশন/হাওয়া/নাট/এলাইমেন্ট/রোটেশন/স্পেয়ার চাকা) পরীক্ষা করা।

০৩. প্রশ্ন : মোটরযানের মেইনটেনেন্স বা রক্ষণাবেক্ষণ বলতে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় একটি গাড়ি হতে দীর্ঘদিন সার্ভিস পাওয়ার জন্য প্রতিদিন গাড়িতে যে-সমস্ত মেরামত কাজ করা হয়, তাকে মোটরযানের মেইনটেনেন্স বলে।

০৪. প্রশ্ন : একটি মোটরযানে প্রতিদিন কী কী মেইনটেনেন্স করতে হয় ?

উত্তর ঃ ২ নং প্রশ্নের উত্তরের খ থেকে ঞ পর্যন্ত।

০৫. প্রশ্ন : সার্ভিসিং বলতে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ মোটরযানের ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের কার্যক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর যে-কাজগুলো করা হয়, তাকে সার্ভিসিং বলে।

০৬. প্রশ্ন : গাড়ি সার্ভিসিংয়ে কী কী কাজ করা হয় ?

উত্তর ঃ ক. ইঞ্জিনের পুরাতন লুবঅয়েল (মবিল) ফেলে দিয়ে নতুন লুবঅয়েল দেওয়া। নতুন লুবঅয়েল দেওয়ার আগে ফ্লাশিং অয়েল দ্বারা ফ্লাশ করা।

খ. ইঞ্জিন ও রেডিয়েটরের পানি ড্রেন আউট করে ডিটারজেন্ট ও ফ্লাশিংগান দিয়ে পরিষ্কার করা, অতঃপর পরিষ্কার পানি দিয়ে পূর্ণ করা।

গ. ভারী মোটরযানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গ্রিজিং পয়েন্টে গ্রিজগান দিয়ে নতুন গ্রিজ দেওয়া।

ঘ. গাড়ির স্পেয়ার হুইলসহ প্রতিটি চাকাতে পরিমাণমতো হাওয়া দেওয়া।

ঙ. লুবঅয়েল (মবিল) ফিল্টার, ফুয়েল ফিল্টার ও এয়ারক্লিনার পরিবর্তন করা।

০৭. প্রশ্ন : গাড়ি চালনাকালে কী কী কাগজপত্র গাড়ির সঙ্গে রাখতে হয় ?

উত্তর ঃ ক. ড্রাইভিং লাইসেন্স, খ. রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (ব্লু-বুক), গ. ট্যাক্সটোকেন, ঘ. ইনসিওরেন্স সার্টিফিকেট, ঙ.ফিটনেস সার্টিফিকেট (মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়) এবং চ. রুটপারমিট (মোটরসাইকেল এবং চালক ব্যতীত সর্বোচ্চ ৭ আসন বিশিষ্ট ব্যক্তিগত যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)।

০৮. প্রশ্ন : রাস্তায় গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারেন/কোন কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণকে গাড়ির কাগজ দেখাতে বাধ্য ?

উত্তর ঃ সার্জেন্ট বা সাব-ইনসপেক্টরের নিচে নয় এমন পুলিশ কর্মকর্তা, মোটরযান পরিদর্শকসহ বিআরটিএর কর্মকর্তা এবং মোবাইলকোর্টের কর্মকর্তা।

০৯. প্রশ্ন : মোটরসাইকেলে হেলমেট পরিধান ও আরোহী বহন সম্পর্কে আইন কী ?

উত্তর ঃ মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত ১ জন আরোহী বহন করা যাবে এবং উভয়কেই হেলমেট পরিধান করতে হবে (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১০০)।

১০. প্রশ্ন : সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ কী কী?

উত্তর ঃ ক. অত্যধিক আত্মবিশ্বাস, খ. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, গ. অননুমোদিত ওভারটেকিং এবং ঘ. অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন।

১১. প্রশ্ন : গাড়ি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালকের করনীয় কী ?

উত্তর ঃ আহত ব্যক্তির চিকিৎসা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তর করা এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটবর্তী থানায় দুর্ঘটনার বিষয়ে রিপোর্ট করা।

১২. প্রশ্ন : আইন অনুযায়ী গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা কত ?

উত্তর ঃ হালকা মোটরযান ও মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭০ মাইল, মাঝারি বা ভারী যাত্রীবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৫ মাইল এবং মাঝারি বা ভারী মালবাহী মোটরযানের ক্ষেত্রে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩০ মাইল।

১৩. প্রশ্ন : মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স কী ?

উত্তর ঃ সর্বসাধারণের ব্যবহার্য স্থানে মোটরযান চালানোর জন্য লাইসেন্স কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত বৈধ দলিলই মোটর ড্রাইভিং লাইসেন্স।

১৪. প্রশ্নঃ অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কাকে বলে ?

উত্তর ঃ যে-লাইসেন্স দিয়ে একজন চালক কারো বেতনভোগী কর্মচারী না হয়ে মোটর সাইকেল, হালকা মোটরযান এবং অন্যান্য মোটরযান (পরিবহনযান ব্যতীত) চালাতে পারে, তাকে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স বলে।

১৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স কত ?

উত্তর ঃ পেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং অপেশাদার চালকের ক্ষেত্রে ১৮ বছর।

১৬. প্রশ্ন : কোন কোন ব্যক্তি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে ?

উত্তর ঃ মৃগীরোগী, উন্মাদ বা পাগল, রাতকানারোগী, কুষ্ঠরোগী, হৃদরোগী, অতিরিক্ত মদ্যপব্যক্তি, বধিরব্যক্তি এবং বাহু বা পা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে অসুবিধা হয় এমন ব্যক্তি।

১৭. প্রশ্ন : হালকা মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭ কেজির অধিক নয়, তাকে হালকা মোটরযান বলে।

১৮. প্রশ্ন : মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ৬,০০০ পাউন্ড বা ২,৭২৭কেজির অধিক কিন্তু ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক নয়, তাকে মধ্যম বা মাঝারি মোটরযান বলে।

১৯. প্রশ্ন : ভারী মোটরযান কাকে বলে ?

উত্তর ঃ যে-মোটরযানের রেজিস্ট্রিকৃত বোঝাইওজন ১৪,৫০০ পাউন্ড বা ৬,৫৯০ কেজির অধিক, তাকে ভারী মোটরযান বলে।

২০. প্রশ্ন : প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান (ঢ়ৎরাধঃব ংবৎারপব াবযরপষব) কাকে বলে ?

উত্তর ঃ ড্রাইভার ব্যতীত আটজনের বেশি যাত্রী বহনের উপযোগী যে-মোটরযান মালিকের পক্ষে তার ব্যবসা সম্পর্কিত কাজে এবং বিনা ভাড়ায় যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রাইভেট সার্ভিস মোটরযান বলে।

২১. প্র্রশ্ন ঃ ট্রাফিক সাইন বা রোড সাইন (চিহ্ন) প্রধানত কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তর ঃ ট্রাফিক সাইন বা চিহ্ন প্রধানত তিন প্রকার। ক. বাধ্যতামূলক, যা প্রধানত বৃত্তাকৃতির হয়,

খ. সতর্কতামূলক, যা প্রধানত ত্রিভুজাকৃতির হয় এবং গ. তথ্যমূলক, যা প্রধানত আয়তক্ষেত্রাকার হয়।

২২. প্রশ্ন : লাল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?

উত্তর ঃ নিষেধ বা করা যাবে না বা অবশ্যবর্জনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

২৩. প্রশ্ন : নীল বৃত্তাকার সাইন কী নির্দেশনা প্রদর্শন করে ?

উত্তর ঃ করতে হবে বা অবশ্যপালনীয় নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

২৪. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজাকৃতির সাইন কী নিদের্শনা প্রদর্শন করে ?

উত্তর ঃ সতর্ক হওয়ার নির্দেশনা প্রদর্শন করে।

২৫. প্রশ্ন : নীল রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন ?

উত্তরঃ সাধারণ তথ্যমূলক সাইন।

২৬. প্রশ্ন : সবুজ রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা জাতীয় মহাসড়কে ব্যবহৃত হয়।

২৭. প্রশ্ন : কালো বর্ডারের সাদা রঙের আয়তক্ষেত্র কোন ধরনের সাইন?

উত্তরঃ এটিও পথনির্দেশক তথ্যমূলক সাইন, যা মহাসড়ক ব্যতীত অন্যান্য সড়কে ব্যবহৃত হয়।

২৮. প্রশ্ন : ট্রাফিক সিগন্যাল বা সংকেত কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তর ঃ ৩ (তিন) প্রকার। যেমন- ক. বাহুর সংকেত, খ. আলোর সংকেত ও গ. শব্দ সংকেত।

২৯. প্রশ্ন : ট্রাফিক লাইট সিগন্যালের চক্র বা অনুক্রম (ংবয়ঁবহপব) গুলি কী কী ?

উত্তর ঃ লাল-সবুজ-হলুদ এবং পুনরায় লাল।

৩০. প্রশ্ন : লাল, সবুজ ও হলুদ বাতি কী নির্দেশনা প্রদশন করে ?

উত্তর ঃ লালবাতি জ্বললে গাড়িকে ‘থামুনলাইন’এর পেছনে থামায়ে অপেক্ষা করতে হবে, সুবজবাতি জ্বললে গাড়ি নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে এবং হলুদবাতি জ্বললে গাড়িকে থামানোর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

৩১. প্রশ্নঃ নিরাপদ দূরত্ব বলতে কী বুঝায়?

উত্তরঃ সামনের গাড়ির সাথে সংঘর্ষ এড়াতে পেছনের গাড়িকে নিরাপদে থামানোর জন্য যে পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে গাড়ি চালাতে হয় সেই পরিমাণ নিরাপদ দূরত্ব বলে।

৩২. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে?

উত্তর ঃ ২৫ মিটার।

৩৩. প্রশ্ন : পাকা ও ভালো রাস্তায় ৫০ মাইল গতিতে গাড়ি চললে নিরাপদ দূরত্ব কত হবে ?

উত্তর ঃ ৫০ গজ বা ১৫০ ফুট।

৩৪. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।

৩৫. প্রশ্ন : নীল বৃত্তে ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. লেখা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ সর্বনিম্ন গতিসীমা ঘণ্টায় ৫০ কি.মি. অর্থাৎ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটারের কম গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না।

৩৬. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের মধ্যে হর্ন আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ হর্ন বাজানো নিষেধ।

৩৭. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতরে একটি বড় বাসের ছবি থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ বড় বাস প্রবেশ নিষেধ।

৩৮. প্রশ্ন : লাল বৃত্তে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ পথচারী পারাপার নিষেধ।

৩৯. প্রশ্ন : লাল ত্রিভুজে একজন চলমান মানুষের ছবি আঁকা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ সামনে পথচারী পারাপার, তাই সাবধান হতে হবে।

৪০. প্রশ্ন : লাল বৃত্তের ভিতর একটি লাল ও একটি কালো গাড়ি থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ ওভারটেকিং নিষেধ।

৪১. প্রশ্ন : আয়তক্ষেত্রে ‘চ’ লেখা থাকলে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান।

৪২. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ ?

উত্তর ঃ নীরব এলাকায় গাড়ির হর্ন বাজানো নিষেধ। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠানসমূহের চতুর্দিকে ১০০ মিটার পর্যন্ত এলাকা নীরব এলাকা হিসাবে চিহ্নিত।

৪৩. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে ওভারটেক করা নিষেধ ?

উত্তর ঃ ক. ওয়ারটেকিং নিষেধ সম্বলিত সাইন থাকে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্ট ও তার আগে পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব, ঘ. সরু রাস্তায়, ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়।

৪৪. প্রশ্ন : কোন কোন স্থানে গাড়ি পার্ক করা নিষেধ ?

উত্তর ঃ ক. যেখানে পার্কিং নিষেধ বোর্ড আছে এমন স্থানে, খ. জাংশনে, গ. ব্রিজ/কালভার্টের ওপর, ঘ. সরু রাস্তায়,

ঙ. হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায়, চ. পাহাড়ের ঢালে ও ঢালু রাস্তায়, ফুটপাত, পথচারী পারাপার এবং তার আশেপাশে, ছ. বাস স্টপেজ ও তার আশেপাশে এবং জ. রেলক্রসিং ও তার আশেপাশে।

৪৫. প্রশ্ন : গাড়ি রাস্তার কোনপাশ দিয়ে চলাচল করবে ?

উত্তর ঃ গাড়ি রাস্তার বামপাশ দিয়ে চলাচল করবে। যে-রাস্তায় একাধিক লেন থাকবে সেখানে বামপাশের লেনে ধীর গতির গাড়ি, আর ডানপাশের লেনে দ্রুত গাতির গাড়ি চলাচল করবে।

৪৬. প্রশ্ন : কখন বামদিক দিয়ে ওভারটেক করা যায় ?

উত্তর ঃ যখন সামনের গাড়ি চালক ডানদিকে মোড় নেওয়ার ইচ্ছায় যথাযথ সংকেত দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি স্থানে যেতে থাকবেন তখনই পেছনের গাড়ির চালক বামদিক দিয়ে ওভারটেক করবেন।

৪৭. প্রশ্ন : চলন্ত অবস্থায় সামনের গাড়িকে অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত ?

উত্তরঃ (ক) সামনের গাড়ির গতি (স্পিড) ও গতিবিধি, (খ) সামনের গাড়ি থামার সংকেত দিচ্ছে কি না, (গ) সামনের গাড়ি ডানে/বামে ঘুরার সংকেত দিচ্ছে কি না, (ঘ) সামনের গাড়ি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় থাকছে কি না।

৪৮. প্রশ্ন : রাস্তারপাশে সতর্কতামূলক ‘‘স্কুল/শিশু” সাইন বোর্ড থাকলে চালকের করণীয় কী ?

উত্তরঃ (ক) গাড়ির গতি কমিয়ে রাস্তার দু-পাশে ভালোভাবে দেখে-শুনে সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতে হবে।

(খ) রাস্তা পারাপারের অপেক্ষায় কোনো শিশু থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

৪৯. প্রশ্ন : গাড়ির গতি কমানোর জন্য চালক হাত দিয়ে কীভাবে সংকেত দিবেন ?

উত্তর ঃ চালক তার ডানহাত গাড়ির জানালা দিয়ে সোজাসুজি বের করে ধীরে ধীরে উপরে-নীচে উঠানামা করাতে থাকবেন।

৫০. প্রশ্ন : লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং কত প্রকার ও কী কী ?

উত্তর ঃ লেভেলক্রসিং বা রেলক্রসিং ২ প্রকার। ক. রক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদার নিয়ন্ত্রিত রেলক্রসিং, খ. অরক্ষিত রেলক্রসিং বা পাহারাদারবিহীন রেলক্রসিং।

৫১. প্রশ্নঃ রক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?

উত্তর ঃ গাড়ির গতি কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে। যদি রাস্তা বন্ধ থাকে তাহলে গাড়ি থামাতে হবে, আর খোলা থাকলে ডানেবামে ভালোভাবে দেখে অতিক্রম করতে হবে।

৫২. প্রশ্নঃ অরক্ষিত লেভেলক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?

উত্তর ঃ গাড়ির গতি একদম কমিয়ে সতর্কতার সাথে সামনে আগাতে হবে, প্রয়োজনে লেভেলক্রসিংয়ের নিকট থামাতে হবে। এরপর ডানেবামে দেখে নিরাপদ মনে হলে অতিক্রম করতে হবে।

৫৩. প্রশ্ন : বিমানবন্দরের কাছে চালককে সতর্ক থাকতে হবে কেন ?

উত্তর ঃ (ক) বিমানের প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির চালক হঠাৎ বিচলিত হতে পারেন, (খ) সাধারণ শ্রবণ ক্ষমতার ব্যাঘাত ঘটতে পারে, (গ) বিমানবন্দরে ভিভিআইপি/ভিআইপি বেশি চলাচল করে বিধায় এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।

৫৪. প্রশ্নঃ মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীর হেলমেট ব্যবহার করা উচিত কেন ?

উত্তর ঃ মানুষের মাথা শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। এখানে সামান্য আঘাত লাগলেই মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই দুর্ঘটনায় মানুষের মাথাকে রক্ষা করার জন্য হেলমেট ব্যবহার করা উচিত।

৫৫. প্রশ্ন : গাড়ির পেছনের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য কতক্ষণ পর পর লুকিং গ্লাস দেখতে হবে ?

উত্তর ঃ প্রতিমিনিটে ৬ থেকে ৮ বার।

৫৬. প্রশ্নঃ পাহাড়ি রাস্তায় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?

উত্তরঃ সামনের গাড়ি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ১ নং গিয়ারে বা ফার্স্ট গিয়ারে সতর্কতার সাথে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার কাছে গিয়ে আরো ধীরে উঠতে হবে, কারণ চূড়ায় দৃষ্টিসীমা অত্যন্ত সীমিত। নিচে নামার সময় গাড়ির গতি ক্রমে বাড়তে থাকে বিধায় সামনের গাড়ি থেকে বাড়তি দূরত্ব বজায় রেখে নামতে হবে। ওঠা-নামার সময় কোনোক্রমেই ওভারটেকিং করা যাবে না।

৫৭. প্রশ্নঃ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালনার বিষয়ে কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?

উত্তরঃ বৃষ্টির সময় রাস্তা পিচ্ছিল থাকায় ব্রেক কম কাজ করে। এই কারণে বাড়তি সতর্কতা হিসাবে ধীর গতিতে (সাধারণ গতির চেয়ে অর্ধেক গতিতে) গাড়ি চালাতে হবে, যাতে ব্রেক প্রয়োগ করে অতি সহজেই গাড়ি থামানো যায়। অর্থাৎ ব্রেক প্রয়োগ করে গাড়ি যাতে অতি সহজেই থামানো বা নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেইরূপ ধীর গতিতে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি চালাতে হবে।

৫৮. প্রশ্ন : ব্রিজে ওঠার পূর্বে একজন চালকের করণীয় কী ?

উত্তর ঃ ব্রিজ বিশেষকরে উঁচু ব্রিজের অপরপ্রান্ত থেকে আগত গাড়ি সহজে দৃষ্টিগোচর হয় না বিধায় ব্রিজে ওঠার পূর্বে সতর্কতার সাথে গাড়ির গতি কমিয়ে উঠতে হবে। তাছাড়া, রাস্তার তুলনায় ব্রিজের প্রস্থ অনেক কম হয় বিধায় ব্রিজে কখনো ওভারটেকিং করা যাবে না।

৫৯. প্রশ্ন : পার্শ্বরাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার সময় কী কী সতর্কতা অবলম্বন করতে হয় ?

উত্তর ঃ পার্শ্বরাস্তা বা ছোট রাস্তা থেকে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করার আগে গাড়ির গতি কমায়ে, প্রয়োজনে থামায়ে, প্রধান রাস্তার গাড়িকে নির্বিঘেœ আগে যেতে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রধান সড়কে গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে সুযোগমত সতর্কতার সাথে প্রধান রাস্তায় প্রবেশ করতে হবে।

৬০. প্রশ্ন : রাস্তার ওপর প্রধানত কী কী ধরনের রোডমার্কিং অঙ্কিত থাকে ?

উত্তর ঃ রাস্তার ওপর প্রধানত ০৩ ধরনের রোডমাকিং অঙ্কিত থাকে।

ক. ভাঙালাইন, যা অতিক্রম করা যায়।

খ. একক অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ, তবে প্রয়োজনবিশেষ অতিক্রম করা যায়।

গ. দ্বৈত অখন্ডলাইন, যা অতিক্রম করা নিষেধ এবং আইনত দণ্ডনীয়। এই ধরনের লাইন দিয়ে ট্রাফিকআইল্যান্ড বা রাস্তার বিভক্তি বুঝায়।

৬১. প্রশ্ন : জেব্রাক্রসিংয়ে চালকের কর্তব্য কী ?

উত্তর ঃ জেব্রাক্রসিংয়ে পথচারীদের অবশ্যই আগে যেতে দিতে হবে এবং পথচারী যখন জেব্রাক্রসিং দিয়ে পারাপার হবে তখন গাড়িকে অবশ্যই তার আগে থামাতে হবে। জেব্রাক্রসিংয়ের ওপর গাড়িকে থামানো যাবে না বা রাখা যাবে না।

৬২. প্রশ্ন : কোন কোন গাড়িকে ওভারটেক করার সুযোগ দিতে হবে ?

উত্তর ঃ যে-গাড়ির গতি বেশি, এ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস ইত্যাদি জরুরি সার্ভিস, ভিভিআইপি গাড়ি ইত্যাদিকে।

৬৩. প্রশ্ন : হেড লাইট ফ্ল্যাশিং বা আপার ডিপার ব্যবহারের নিয়ম কী ?

উত্তর ঃ শহরের মধ্যে সাধারণত ‘লো-বিম বা ডিপার বা মৃদুবিম’ ব্যবহার করা হয়। রাতে কাছাকাছি গাড়ি না থাকলে অর্থাৎ বেশিদূর পর্যন্ত দেখার জন্য হাইওয়ে ও শহরের বাইরের রাস্তায় ‘হাই বা আপার বা তীক্ষ্ম বিম’ ব্যবহার করা হয়। তবে, বিপরীতদিক থেকে আগত গাড়ি ১৫০ মিটারের মধ্যে চলে আসলে হাইবিম নিভিয়ে লো-বিম জ্বালাতে হবে। অর্থাৎ বিপরীতদিক হতে আগত কোনো গাড়িকে পাস/পার হওয়ার সময় লো-বিম জ্বালাতে হবে।

৬৪. প্রশ্ন : গাড়ির ব্রেক ফেল করলে করণীয় কী ?

উত্তর ঃ গাড়ির ব্রেক ফেল করলে প্রথমে অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিতে হবে। ম্যানুয়াল গিয়ার গাড়ির ক্ষেত্রে গিয়ার পরিবর্তন করে প্রথমে দ্বিতীয় গিয়ার ও পরে প্রথম গিয়ার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে গাড়ির গতি অনেক কমে যাবে। এই পদ্ধতিতে গাড়ি থামানো সম্ভব না হলে রাস্তার আইল্যান্ড, ডিভাইডার, ফুটপাত বা সুবিধামত অন্যকিছুর সাথে ঠেকিয়ে গাড়ি থামাতে হবে। ঠেকানোর সময় যানমালের ক্ষয়ক্ষতি যেনো না হয় বা কম হয় সেইদিকে সজাগ থাকতে হবে।

৬৫. প্রশ্ন : গাড়ির চাকা ফেটে গেলে করণীয় কী ?

উত্তর ঃ গাড়ির চাকা ফেটে গেলে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। এই সময় গাড়ির চালককে স্টিয়ারিং দৃঢ়ভাবে ধরে রাখতে হবে এবং অ্যাক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে ক্রমান্বয়ে গতি কমিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে গাড়ি থামাতে হবে। চলন্ত অবস্থায় গাড়ির চাকা ফেটে গেলে সাথে সাথে ব্রেক করবেন না। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।

৬৬. প্রশ্ন : হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি কী ?

উত্তর ঃ প্রতিটি গাড়ির সামনে ও পিছনে উভয়পাশের কর্ণারে একজোড়া করে মোট দু-জোড়া ইন্ডিকেটর বাতি থাকে। এই চারটি ইন্ডিকেটর বাতি সবগুলো একসাথে জ্বললে এবং নিভলে তাকে হ্যাজার্ড বা বিপদ সংকেত বাতি বলে। বিপজ্জনক মুহূর্তে, গাড়ি বিকল হলে এবং দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এই বাতিগুলো ব্যবহার করা হয়।

৬৭. প্রশ্ন : গাড়ির ড্যাশবোর্ডে কী কী ইন্সট্রুমেন্ট থাকে ?

উত্তর ঃ ক. স্পিডোমিটার- গাড়ি কত বেগে চলছে তা দেখায়।

খ. ওডোমিটার - তৈরির প্রথম থেকে গাড়ি কত কিলোমিটার বা মাইল চলছে তা দেখায়।

গ. ট্রিপমিটার- এক ট্রিপে গাড়ি কত কিলোমিটার/মাইল চলে তা দেখায়।

ঘ. টেম্পারেচার গেজ- ইঞ্জিনের তাপমাত্রা দেখায়।

ঙ. ফুয়েল গেজ- গাড়ির তেলের পরিমাণ দেখায়।

৬৮. প্রশ্ন : গাড়িতে কী কী লাইট থাকে ?

উত্তর ঃ ক. হেডলাইট, খ. পার্কলাইট, গ. ব্রেকলাইট, ঘ. রিভার্সলাইট ঙ. ইন্ডিকেটরলাইট, চ. ফগলাইট এবং ছ. নাম্বারপ্লেট লাইট।

৬৯. প্রশ্ন : পাহাড়ি ও ঢাল/চূড়ায় রাস্তায় গাড়ি কোন গিয়ারে চালাতে হয় ?

উত্তর ঃ ফার্স্ট গিয়ারে। কারণ ফার্স্ট গিয়ারে গাড়ি চালানোর জন্য ইঞ্জিনের শক্তি বেশি প্রয়োজন হয়।

৭০. প্রশ্ন : গাড়ির সামনে ও পিছনে লাল রঙের ইংরেজি “খ” অক্ষরটি বড় আকারে লেখা থাকলে এরদ্বারা কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ এটি একটি শিক্ষানবিশ ড্রাইভারচালিত গাড়ি। এই গাড়ি হতে সাবধান থাকতে হবে।

৭১. প্রশ্ন : শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিয়ে গাড়ি চালানো বৈধ কী ?

উত্তর ঃ ইনসট্রাক্টরের উপস্থিতিতে ডুয়েল সিস্টেম (ডাবল স্টিয়ারিং ও ব্রেক) সম্বলিত গাড়ি নিয়ে সামনে ও পিছনে “খ” লেখা প্রদর্শন করে নির্ধারিত এলাকায় চালানো বৈধ।

৭২. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলতে কী বুঝায় ?

উত্তর ঃ সাধারণত ইঞ্জিন হতে গাড়ির পেছনের দু-চাকায় পাওয়ার (ক্ষমতা) সরবরাহ হয়ে থাকে। বিশেষ প্রয়োজনে যে-গাড়ির চারটি চাকায় (সামনের ও পিছনের) পাওয়ার সরবরাহ করা হয়, তাকে ফোরহুইলড্রাইভ গাড়ি বলে।

৭৩. প্রশ্ন : ফোরহুইলড্রাইভ কখন প্রয়োগ করতে হয় ?

উত্তর ঃ ভালো রাস্তাতে চলার সময় শুধুমাত্র পেছনের দু-চাকাতে ড্রাইভ দেওয়া হয়। কিন্তু পিচ্ছিল, কর্দমাক্ত রাস্তায় চলার সময় চার চাকাতে ড্রাইভ দিতে হয়।

৭৪. প্রশ্ন : টুলবক্স কী ?

উত্তর ঃ টুলবক্স হচ্ছে যন্ত্রপাতির বাক্স, যা গাড়ির সঙ্গে রাখা হয়। মোটরযান জরুরি মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও মালামাল টুলবক্সে রাখা হয়।

৭৫. প্রশ্ন : ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৪ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৮ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন।

৭৬. প্রশ্ন : গাড়িতে গাড়িতে নিষিদ্ধ হর্ন কিংবা উচ্চশব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র সংযোজন ও তা ব্যবহার করলে শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ ১০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৩৯ ধারা)।

৭৭. প্রশ্ন : রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও রুটপারমিট ব্যতীত গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী?

উত্তর ঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড অথবা ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী সময়ের জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড অথবা ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৫২ ধারা)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।

৭৮. প্রশ্ন : মদ্যপ বা মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তী সময়ে প্রতিবারের জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং নির্দিষ্ট মেয়াদে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৪ ধারা)।

৭৯. প্রশ্ন : নির্ধারিত গতির চেয়ে অধিক বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ প্রথমবার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ দিন কারাদণ্ড বা ৩০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড। পরবর্তীতে একই অপরাধ করলে সর্বোচ্চ ৩ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়দণ্ড এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা ১ মাসের জন্য স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪২ ধারা)।

৮০. প্রশ্ন : বেপরোয়া ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং যে-কোনো মেয়াদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্সের কার্যকারিতা স্থগিত (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ১৪৩ ধারা)।

৮১. প্রশ্ন : ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ ২০০ টাকা জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫০)।

৮২. প্রশ্ন : নির্ধারিত ওজন সীমার অধিক ওজন বহন করে গাড়ি চালালে বা চালানোর অনুমতি দিলে শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ প্রথমবার ১,০০০ পর্যন্ত জরিমানা এবং পরবর্তী সময়ে ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয়দণ্ড (ধারা-১৫৪)। এই ক্ষেত্রে মালিক ও চালক উভয়েই দণ্ডিত হতে পারেন ।

৮৩. প্রশ্ন : ইনসিওরেন্স বিহীন অবস্থায় গাড়ি চালনার শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ ২,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা (মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ এর ধারা-১৫৫)।

৮৪. প্রশ্ন : প্রকাশ্য সড়কে অথবা প্রকাশ্য স্থানে মোটরযান রেখে মেরামত করলে বা কোনো যন্ত্রাংশ বা দ্রব্য বিক্রয়ের জন্য সড়কে রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে শাস্তি কী ?

উত্তর ঃ সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানা। অনুরূপ মোটরযান অথবা খুচরা যন্ত্র বা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করা যাবে (ধারা-১৫৭)।

মিলিমিশি তে যে হারে সবাই যোগ দিতেছে তাতে তো মনে হয় আজ রাতেই ১০হাজার হয়ে যাবে।

অবশেষে মিলিমিশির প্রেমে পড়লাম। কাজের ফাকে ফাকে মিলিমিশিতে না আসলে ভাল লাগে না।
মিলিমিশির পোস্ট গুলো ওসাম। শুধু পড়ি, লাইক কমেন্ট করি না। এমবি বেশি খরচ হবে তাই।
জব সেকশনটা নিয়মিত আপগ্রেড করলে আমাদের মত সরকারী চাকুরী প্রার্থীদের একটু উপকার হোত।

যুক্তরাজ্যে পড়ার জন্য শেভেনিং বৃত্তিঃ
---
যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বেশ জনপ্রিয় একটি বৃত্তি হলো ‘শেভেনিং স্কলারশিপ’। যুক্তরাজ্যের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস (এফসিও) ও বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন বৃত্তির অর্থায়ন করে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মেধাবী শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবেন—এমন যোগ্যতাসম্পন্ন তরুণদের বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয় শেভেনিং বৃত্তি। এই বৃত্তির আওতায় যুক্তরাজ্যের একটি নির্ধারিত বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পাওয়া যায়।

শেভেনিং বৃত্তি পেয়ে আমি এখন লন্ডনের কিংস কলেজ ও লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনে গ্লোবাল মেন্টাল বিষয়ে স্নাতকোত্তর করছি। বৃত্তির পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ভিন্ন ভিন্ন ধাপে আমার প্রায় ছয় মাস সময় লেগেছে। তবে এই বৃত্তি পাওয়ার যোগ্যতা আসলে অর্জন করেছি গত ১০ বছরে। আমি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করি ২০০৯ সালে।

এরপর আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশে (আইসিডিডিআরবি) কাজ করেছি। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে এমপিএইচ ডিগ্রি অর্জন করি ২০১৫ সালে। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার নিয়ে গবেষণার জন্য ২০১৭ সালে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল থেকে তরুণ গবেষক হিসেবে পাওয়া সম্মাননা আমাকে বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে দিয়েছে। যাঁরা শেভেনিং বৃত্তির জন্য আবেদন করতে চান, তাঁদের সঙ্গে আমার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করতেই এই লেখা।

বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী শেভেনিং বৃত্তির মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে পড়ছেন। বৃত্তি প্রদানের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা, নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা, নিজের দেশ ও সমাজের ওপর ইতিবাচক প্রভাবের দিকে বেশ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৃত্তির মাধ্যমে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরে শিক্ষার্থীদের দুই বছর কাজের অঙ্গীকার করতে হয়।


বৃত্তির সাধারণ যোগ্যতা
শেভেনিং কর্তৃপক্ষ বৃত্তির আবেদনের জন্য যোগ্যতা হিসেবে পড়াশোনাকে বেশ গুরুত্ব দেয়। স্নাতক পর্যায়ে দ্বিতীয় শ্রেণির ডিগ্রি আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে ধরা হয়। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তির সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করা হয় বৃত্তির ক্ষেত্রে। বৃত্তির জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে ন্যূনতম দুই বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া বৃত্তির জন্য ইংরেজি ভাষা দক্ষতার পরীক্ষা আইইএলটিএসে ন্যূনতম ৬.৫ স্কোর থাকতে হবে।

যেভাবে আবেদন করবেন
যুক্তরাজ্য সরকারের শেভেনিং বৃত্তির জন্য অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্সে আবেদন করতে হবে। আবেদনের জন্য বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রয়োজন। ইংরেজি ভাষায় দুটি রেফারেন্স লেটার বা সুপারিশপত্র, পাসপোর্ট/জাতীয় পরিচয়পত্র, সর্বশেষ যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন তার সনদ আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হবে। বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে ভর্তির ‘অফার লেটার’ সংযুক্ত করতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচনের পর মৌখিক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয় ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনে।

যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে
 আবেদনে সময় সব তথ্য ঠিকঠাকভাবে দিতে হবে

 নেটওয়ার্কিংয়ের দক্ষতা, আগামী দিনের নেতৃত্বদানের সম্ভাবনা বৃত্তিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায়।

 আপনি যদি বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেটিও কাজে আসবে।

এ বছরের বৃত্তির আবেদনের শেষ তারিখ ৫ নভেম্বর। বৃত্তির বিস্তারিত জানা যাবে chevening.org ওয়েবসাইট থেকে।

৩ দিনের সফরে মালয়েশিয়া যাবো, ভালো কোন দর্শনীয় স্থান থাকলে বন্ধুরা কমেন্ট করে জানাবেন।

নতুন সাইটটি দ্রুত সবার মনে জায়গা করে নিতেছে। সাইটটি আরো আপডেট করা হলে আশাকরি ভাল একটা শোসাল মিয়াতে পরিনত হবে।

শেষমেষ ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা-নিকের!

"কারনেট ডি প্যাসেজ" এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে একজন পর্যটক বা ভ্রমণকারী নিজ গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারেন। সাময়িক আমদানিসুবিধার আওতায় গাড়িটি কোনো ধরনের শুল্ক-কর পরিশোধ ছাড়াই চলাচল করতে পারে। কিন্তু এই সুবিধায় আনা গাড়ি বিক্রি করা যায় না। এটি ব্যবহার শেষে ফেরত নিয়ে যেতে হয়।

আমাদের এলাকার পোলাপাইন

আজকাল অনেকেই লিভারে চর্বি (ফ্যাটি লিভারে) রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
লিভারের এই রোগটি প্রাণ সংশয়ের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে।
শরীরে চর্বি বিপাকপ্রক্রিয়ার অসামঞ্জস্য এবং ইনসুলিন অকার্যকারিতার জন্য লিভারের কোষগুলোতে অস্বাভাবিক চর্বি, বিশেষ করে ট্রাইগ্লিসারাইড জমে।
এতে লিভারের ওজন হিসেবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ চর্বির পরিমাণ বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জীবনাচরণ ও খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব রয়েছে এ সমস্যার মূলে।
অ্যালকোহল সেবনকারী এবং স্থূল ব্যক্তিদের মধ্যে এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি ৭৫ শতাংশ।
নারী-পুরুষ উভয়ই এতে আক্রান্ত হতে পারেন।
শি’শু-কিশোররাও এ থেকে মুক্ত নয়।লিভারে চর্বি বা চর্বিজনিত রোগ মোটা দাগে দুই রকম অ্যালকোহলজনিত এবং অন্যান্য কারণজনিত।

উভয় ক্ষেত্রেই, সাধারণ চর্বি জমা থেকে শুরু করে রোগটি নানা জটিল ধাপে অগ্রসর হতে পারে, যেমন- লিভারে প্রদাহ, প্রদাহ’জনিত ক্ষত বা সিরোসিস, লিভারে অকার্যকারিতা ইত্যাদি।
অ্যালকোহলজনিত কারণে এ থেকে যে সিরোসিস হয়, তাতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁ’কি বেশি, প্রায় ১০ শতাংশ।

যখন এই চর্বিযুক্ত সেলগুলো লিভার টিসুদের বাধা দেয়, তখনই লিভার ধীরে ধীরে কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
এমন কী’ এই ধরনের পরিস্থিত তৈরি হলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লিভার ফুলতেও শুরু করে।
লিভারে মেদ জমা যদি ঠিক সময়ে আ’ট’কানো না যায় তাহলে তা থেকে রোগীর মৃ’ত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

লিভারে চর্বি জমা’র ঝুঁ’কি ও কারণগুলোকে কেবল প্রতিরোধের মাধ্যমেই এ রোগের প্রতিকার সম্ভব।
কেননা রোগটির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।
তবে আশাহত হবেন না। ঠিক সময়ে যদি চিকিৎসা শুরু করা যায় তাহলে লিভারের রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠা যায়।
তবে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা আছে যা অনুসরণ করলে লিভারের চর্বি গলে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

লেবু রতঃ
প্রতিদিন লেবু রত পানের অভ্যাস করুন। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন- সি থাকে, যা লিভারকে দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করে।

গ্রিন-টিঃ

প্রতিদিন সকালে ও বিকালে এক কাপ করে গ্রিন-টি পান করুন। এটি লিভার ফাংশন ঠিক করতে সাহায়তা করে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগারঃ

এক কাপ গরম জলে কেয়েক ফোঁটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে প্রতিদিন খাবার আগে পান করুন। কয়েক মাস এটা খেলেই দেখবেন লিভারে জমে থাকা চর্বি সব গায়েব হয়ে গেছে।

আদা জলঃ

এক চা চামচ আদা গুঁড়া গরম জলে মিশিয়ে দিনে দুবার পান করুন। এই পানীয় টানা ১৫ দিন খেলেই দেখবেন অনেক সুস্থ বোধ করছেন। কারণ এটি লিভারে চর্বি জমা’র প্রক্রিয়াটি প্রায় বন্ধ করে দেয়। ফলে লিভার আস্তে আস্তে ঠিক হতে শুরু করে।

আমলার রসঃ

আমলায় ভিটামিন-সি থাকায় এটি লিভারকে দূষণমুক্ত করে। তাই লিভারের অ’সুখে আক্রান্ত রোগী যদি টানা ২৫ দিন এই রস, এক চামচ করে প্রতিদিন সকালে খান, তাহলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন

লিভার সিরোসিস খুবই জটিল ও ভয়ংকর একটি রোগ। প্রতি বছর এই রোগে অনেক মানুষ মারা যায়। লিভারে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ হতে থাকলে একটি সময় পরে গুটি তৈরি হয়। গুটি তৈরি হওয়ার পরে একে আমরা লিভার সিরোসিস বলি।


যেসব কারণে লিভার সিরোসিসের এ সমস্যা হয়-

১.হেপাটাইটিস বি-এর সংক্রমণ।

২.ফ্যাটি লিভার ডিজিস।

৩.হেপাটাইটিস সি ভাইরাস ইনফেকশন।

৪.জন্মগত কোনো অসুখের কারণে লিভার সিরোসিস হয়ে থাকে।

যেসব লক্ষণে বুঝবেন লিভার সিরোসিস

১. সাধারণত খাদ্যে অরুচি।

২. হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া।

৩. বমি ভাব বা বমি, বমি বা মলের সঙ্গে রক্তপাত।

৪. শরীরে পানি আসা।

৫. পরে যকৃতের অকার্যকারিতার সঙ্গে কিডনির অকার্যকারিতা।

৬. রক্তবমি, রক্তে আমিষ ও লবণের অসামঞ্জস্য জটিলতা। চিকিৎসা

বাঁচতে কী করবেন?

লিভার সিরোসিস একটি জটিল সমস্যা। তবে কিছু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে লিভার সিরোসিস থেকে অনেকটা দূরে থাকা যায়।

১.হেপাটাইটিস বি'র টীকা নিন।

২.অনিরাপদ যৌনতা, একই সুঁই বা সিরিঞ্জ বহুজনের ব্যবহার পরিহার করুন।

৩.নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন ও ডিজপজেবল সুঁই ব্যবহার করুন।

৪.ব্লেড, রেজার, ব্রাশ, ক্ষুর বহুজনে ব্যবহার বন্ধ করুন।

৫.ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন শাকসবজি ও ফলমূল বেশি করে খান।

৬. চর্বিযুক্ত খাবার কম খান।

৭.মদ্যপান ও অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিহার করুন।

৮.বিশুদ্ধ পানি ও খাবার গ্রহণ করুন।

৯.ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ যায়েদ, ঢামেক টেলিমেডিসিন বিভাগের কো-অর্ডিনেটর।

ইফতির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে যা আছে-

-৪ অক্টোবর বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান ওরফে রবিন শেরেবাংলা হল ছাত্রলীগের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে একটি নির্দেশনা দেয়। এতে বলা হয়, আবরার শিবির করে, তাকে ধরতে হবে।

-এরপর মেসেঞ্জার গ্রুপে সাড়া দেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক উপসম্পাদক অমিত সাহা। আবরার তখন বাড়িতে থাকায় ও সকালকে বলে, ‘ওকে বাড়ি থেকে ফিরতে দেন।’

-৬ অক্টোবর রাত আটটার কিছু পর আবরারকে ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়।

-জিজ্ঞাসাবাদের শুরু রবিন বেশ কয়েকটি চড় মারে আবরারকে

-রাফাত স্টাম্প এনে সকালের হাতে দেয়, স্টাম্প দিয়ে চার-পাঁচটি আঘাত করে সকাল। এতে স্টাম্পটি ভেঙে যায়।

-বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক অনিক সরকার স্টাম্প দিয়ে আবরারের হাঁটু, পা, পায়ের তালু ও বাহুতে মারতে থাকে।

-তখন জিয়ন আবরারকে চড় মারে এবং স্টাম্প দিয়ে হাঁটুতে বাড়ি দেয়।

-রাত সাড়ে ১০টার দিকে সকাল ক্যানটিনে খেতে যায়। মিনিট বিশেক পর ফিরে এসে দেখে, আবরার অসুস্থ হয়ে পড়েছে, মেঝেতে শুয়ে আছে। সকাল তখন আবরারকে ধমক দিয়ে উঠে দাঁড় করায়। কয়েকটি চড় মারে।

-মুজাহিদ তখন কক্ষে থাকা স্কিপিং রোপ দিয়ে আবরারকে মারে। সকাল আবার স্টাম্প দিয়ে আবরারের হাঁটু ও পায়ে আঘাত করে।

-তানভীর তখন চড়-থাপ্পড় মারে।

-রাত ১১টার দিকে অনিক আসে। হঠাৎ অনিক স্টাম্প দিয়ে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করে এলোপাতাড়ি শতাধিক আঘাত করে। আনুমানিক রাত ১২টার পর অনিক আবরারকে মারা থামিয়ে কক্ষের বাইরে যায়।

-তখন আবরার অসুস্থ হয়ে পড়ে ও জানায় তাঁর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পরই আবরার বমি করে।

-তখন রবিন আবরারকে দেখে বলে, ‘ও নাটক করছে’।

-এরপর আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে শুইয়ে দেওয়া হয়।

-এ সময় অমিত সাহা খুদে বার্তা পাঠিয়ে সবকিছু জানতে চায় এবং আবরারকে আরও মেরে আরও তথ্য বের করতে বলে। আবরারের অবস্থা খুব খারাপ জানালে অমিত তাঁকে হল থেকে বের করে দিতে বলে।

-এর কিছুক্ষণ পর রবিন ও অনিক ২০০৫ নম্বর কক্ষে আসে। আবরারকে দেখে তাঁরা বলেন, ‘ও ঠিক আছে।’ এরপর তাঁরা চলে যায়।

-এ সময় আবরার আবার বমি করে। রবিন তখন আবরারকে পুলিশের হাতে দেওয়ার জন্য নিচে নামাতে বলে।

-১৭ ব্যাচের ছেলেরা আবরারকে নিচে নামানোর চেষ্টা করে। ব্যর্থ হলে তোশকসহ আবরারকে ধরে দোতলা ও নিচতলার সিঁড়িতে নামিয়ে রাখে।

-তখন আবরার বলছিল যে তাঁর খুব খারাপ লাগছে।

-সাধারণ সম্পাদক রাসেল তখন নিচে নেমে হলের প্রধান ফটকে পুলিশের সঙ্গে কথা বলছিল।

-এ সময় মুনতাসির দৌড়ে এসে বলেন, আবরারের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। সকাল তাঁকে মালিশ করতে বলে।

-ইসমাইল ও মনির তখন অ্যাম্বুলেন্সে ফোন দেয়। অ্যাম্বুলেন্স আসতে দেরি হওয়ায় তামিম বাইক নিয়ে বুয়েট মেডিকেলের চিকিৎসক নিয়ে আসে।

-চিকিৎসক আসার পরপরই অ্যাম্বুলেন্স আসে। চিকিৎসক সিঁড়িতে আবরারকে দেখে বলেন, ‘ও মারা গেছে।’

-পরে সকাল একটি কক্ষে গিয়ে শুয়ে থাকে। সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

নুরু রাজ পথে নেমেছে একা। তারপর মার খেয়েছে,ভিপি হয়েছে,আবার মার খেয়েছে, প্রধান মন্ত্রীর সামনে গিয়ে বলেছে আপনাকে দেখলে আমার মৃত মায়ের কথা মনে পড়ে।বেড়িয়ে এসে বলেছে ছাত্রলীগ নামক হাতুরী বাহিনীকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠ পোষকতায় আমাদের ওপর লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আবারও মার খেয়েছে। কিন্তু নুরু কাপুরুষের মত ঘরের অন্ধর মহলে গৃহ বধূ হয়ে বসে থাকেনি।

সে জানতো শত্রুরা অত্যন্ত শক্তিশালী, জানতো বাংলাদেশের আনাচে কানাচে লাশের স্তুপ।
জানতো গুম হয়ে যেতে পারে ইলিয়াস আলীর মত।
জানতো হয়ত ঘর থেকে বের হলে সে আর ফিরে নাও আসতে পারে।

জানতো তাকে শেল্টার দেবার জন্য প্রশাসন এগিয়ে আসবেনা,তার নেই কোন রাজনৈতিক সংগঠন, তাহলে নুরু কিভাবে বট বৃক্ষের মত রাজ পথে দাড়িয়ে গেলো?

কি সেই শক্তি?
হ্যা, নুরুর ভেতরে ছিলো সততা দেশ প্রেম আর মানুষের অধিকার আদায়ের এক দূর্বার আত্ম উপলব্ধি, যা তাকে সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়েছে,যা তাকে শাসকের রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করার সাহস যুগিয়েছে।

এ সাহস সবার থাকেনা।অনেক বড় রাজনৈতিক দলও তার এই বীরত্বপূর্ণ সাহসী মনোভাব থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে

পথনাট্যের মাধ্যমে আবরার হত্যার প্রতীকী দৃশ্য

তাহিরীরে পোলাপাইনে কি পাইছে

মোগো দেশের মাইয়াগো অবস্থা দেখুন

আমার বেলায় সবাই যা করে...

#দাজ্জালের মরন গেইট!!!

দাজ্জালকে কোথায় কতল করা হবে জানেন?
ইহুদিদের দেশে সাদা স্বেত পাথরের বিশাল এক গেইট এর নীচে।
সেই গেইট ইতিমধ্যে ইহুদিরা নির্মাণ করে ফেলছে তেলআবিব থেকে প্রায় পনের কিলোমিটার দূরে।
গুগলে সার্চ দিলেই পাবেন।

কে কতল করবেন জানেন?
হযরত ইসা আঃ, তিনি আকাশ থেকে দুই ফেরেশতার কাধে ভর করে সিরিয়ার দামেস্ক শহরের বিশাল মসজিদের সাদা মিনারে এসে নামবেন।
খোঁজ নিয়ে জানলাম সেই বিশাল মসজিদ আজ থেকে ৭০০ বছর আগেই তৈরী হয়ে গেছে।
একি স্থানে একি বর্ণনা অনুযায়ী, একদম হযরত আবু হুরায়রা রঃ এর বর্ণনানুযায়ী।

তখন সমুদ্রের নীচে আগুন থাকবে আগুনের নীচে পানি থাকবে।
শুনতে আজিব লাগছে না তাই না?
প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন স্থানে পানির নীচ থেকে এখন ধাউ ধাউ করে আগুন বেরুচ্ছে।

তখন আরব দেশে বরফ জমতে থাকবে। গত দুই বছর ধরে সেটাই হচ্ছে।

তখন ইরাক সিরিয়ার মধ্যবর্তী ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে।
সেখানে বিশাল এক স্বর্নের পাহাড় ভেসে উঠবে, এটা নিয়ে সবাই যুদ্ধ করবে।
আজকে ফুরাত নদী প্রায় ৯৫ ভাগ শুকিয়ে গেছে, বিভিন্ন দেশের আর্মিরা সে জায়গাটা ঘিরে রেখেছে।

এর আগে ইমাম মাহদি ( অর্থাৎ সু পথ প্রাপ্ত নেতা) আত্ম প্রকাশ করবেন। যার নাম হবে মোহাম্মদ, পিতার নাম আব্দুলাহ।
তিনি হুবহুব হযরত মোহাম্মদ সঃ এর মতো সুন্দর ও সুঠাম দেহের অধিকারী হবেন। সুবহানাআল্লাহ।

ইমাম মাহদি যেদিন আত্ম প্রকাশ করবেন সেদিন হবে রোজ শক্রবার এবং মক্কার ১৫ রমজানের দিন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো গত ২০১০ সাল থেকে মক্কার প্রতিটা ১৫ই রমজান ছিলো শুক্রবার এবং ক্যালেন্ডার দেখলে জানতে পারবেন আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত মক্কার প্রতিটি ১৫ রমজান হবে শুক্রবার।

ডেঙ্গু দমন নিয়ে অসন্তোষ হাইকোর্টের

ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার ছিলেন একজন মুসলিম নারী
২২ শে জুলাই ভারতের জাতীয় পতাকার জন্মদিন। ১৫ আগষ্ট ভারতের স্বাধীনতার জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সর্ববৃহত এই গণতান্ত্রীক দেশটিকে পতাকা উত্তোলন করা হয় মহা সমারোহে। কিন্তু তেরঙ্গা এই পতাকার ডিজাইনার হিসেবে নাম রয়েছে এক মুসলিম নারীর। ভারতের ইতিহাস বিবৃতির আশ্রয় নিয়ে সেই মুসলিম নারীর নাম গোপন করে ফেলা হয়েছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে। “ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা বানিয়েছিলেন একজন মুসলীম নারী, ICS বদরুদ্দীন তায়েবজী’র স্ত্রী সুরাইয়া” এমনটাই লেখা রয়েছে ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে। সুরাইয়ার করা নকশা পন্ডিত নেহেরুর ভালো লাগায় তিনি নিজের গাড়ীর বনেটে তা লাগিয়ে নিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে সেটাই ভারতের জাতীয় পতাকার মর্যাদা পায়। এই নারী অহিংস স্বাধীনতা আন্দোলনেও অগ্রনী ভূমিকা নিয়েছিলেন, কিন্তু হিন্দুপ্রধান ভারতে তিনি বিস্মৃতির অতলে চলে গিয়েছেন। একে নারী, তাও আবার মুসলিম- হিন্দু ভারতে এটাই তো তার ভবিতব্য ছিলো।

কিন্তু ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলেও কোথাও না কোথাও ইতিহাস সংরক্ষিত থেকেই যায়। এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে Ferdousi Beacon এর “ভারতের ইতিহাস বিকৃতি ও সুরাইয়ার অস্বীকৃতি” নামক লেখায়।

তিনি লিখেছেন, ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে সর্বত্র যে নামটি পাওয়া যায় সেটি হলো পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। কিন্তু তিনি কী বাস্তবে ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার? না! বরং অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে এক মুসলিম নারীর নাম। যার নাম সুরাইয়া বদরুদ্দিন তায়াবজি। সুরাইয়ার স্বামী ছিলেন বদরুদ্দিন ফাইজ তায়াবজি। তিনি একজন ভারতীয় সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) অফিসার হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।

সে সময়েই ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন তার স্ত্রী। এরপর নেহরুর কাছে পতাকাটি নিয়ে গেলে তিনি তা পছন্দ করেন এবং তার গাড়িতে লাগিয়ে নেন। এরপর এ পতাকাটিই গৃহীত হয় ভারতের জাতীয় পতাকা হিসেবে।

কিন্তু ডিজাইনার হিসেবে অজ্ঞাত কারণে কখনোই সুরাইয়ার নামটি ইতিহাসে তোলা হয়নি। সুরাইয়া তায়াবজির তৈরি করা জাতীয় পতাকাটি প্রথম গৃহীত হয় ১৭ জুলাই ১৯৪৭ সালে। ভারতীয় কোনো ইতিহাসবীদের লেখায় সুরাইয়ার তৈরি করা পতাকাটির বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে সুরাইয়ার নাম পাওয়া যায়। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, ভারতীয় জাতীয় পতাকাটির ডিজাইনার বদরুদ্দিন তায়াবজির স্ত্রী সুরাইয়া তায়াবজি।

ব্রিটিশ এ ইতিহাসবিদ লিখেছেন, “ভারতের ইতিহাসের মাঝে চলমান বিতর্কের মাঝে আরেকটি হলো জাতীয় পতাকার ডিজাইন একজন মুসলমানের করা, (সুরাইয়া) বদর-উদ-দিন তায়াবজি।

ভারতের জাতীয় পতাকার কেন্দ্রে ২৪টি দণ্ডযুক্ত নীল ‘অশোকচক্র’ সহ গেরুয়া, সাদা ও সবুজ আনুভূমিক আয়তাকার ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা। এ পতাকার কেন্দ্রে রয়েছে অশোকচক্র, যা সম্রাট অশোক নির্মিত সিংহ শীর্ষযুক্ত অশোকস্তম্ভ থেকে নেওয়া। সম্রাট অশোক হিন্দু-মুসলিম সবার নিকটই শ্রদ্ধেয় হওয়ায় এ অশোকচক্রও গৃহীত হয় সবার নিকট। স্বাধীনতা প্রাপ্তির কয়েকদিন পূর্বে ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই বিশেষভাবে গঠিত গণপরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে ভারতের জাতীয় পতাকাকে সব দল ও সম্প্রদায়ের নিকট গ্রহণযোগ্য করে হতে হবে।

বাস্তবে তিন রঙের পতাকাতে ছিল একটি চরকা, যা গান্ধী তার পার্টির চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করতেন। তায়াবজি মনে করেন এটি ভুল বিষয় উপস্থাপন করবে। এরপর বহু চাপের পর গান্ধী এ চাকাটি পতাকায় নিতে রাজি হন।

এলাকার ছোট ভাইয়েরা

এ দেশে কিছুদিনের মধ্য হিন্দু-মুসলিম ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ শুরু হবে। গৃহ যুদ্ধও হতে পারে।

কবে থেকে ইউথড্র নেওয়া যাবে?

ইন্টারনেট থেকে পাওয়া..
--
নিজ শিশুর ধর্ষণ বা যৌন অত্যাচার ঠেকাতে আপনার যা করণীয় ।

উচিত কথা বললে তো অনেকের পছন্দ হয় না, তবু বলি। নিজের কন্যা সন্তান, এমনকি নবজাতক হলেও আপনার অনুপস্থিতিতে কোনো পুরুষ আত্মীয়ের জিম্মায় দিবেন না। যতো নিকট আত্মীয়ই হোক না কেন। এইখানে কেউ আবার এসে নারী পুরুষ ত্যানা প্যাঁচাইয়েন না। কারণ আপনিও জানেন আমিও জানি যে, অন্তত বাংলাদেশে যৌন নির্যাতকদের মধ্যে পুরুষের শতকরা হার ৯৯.৯৯%। ছেলে বাচ্চাদের ব্যাপারেও একইরকম সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

নিজের শিশু সন্তানকে নিজের অনুপস্থিতিতে স্বল্প পরিচিত মানুষ দূরে থাক, কোনো আত্মীয়ের বাসায় রাতে থাকতে দেবেন না, আই রিপিট, কোনো আত্মীয়ের বাসায়। ফুফুর বাড়ি, খালার বাড়ি, নানার বাড়ি, দাদার বাড়ি কোথাও না। কোথাও থাকতে দিলে আপনাকে দাওয়াত না দিলেও লজ্জা শরম ত্যাগ করে গাঁট্টি বোঁচকা নিয়ে তাদের বাসায় বাচ্চার সাথে থাকতে চলে যান, যদি আত্মীয়ের বাসায় রাতে সন্তানকে রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে। একটা জিনিস মনে রাখবেন। যতগুলো যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে তার অধিকাংশই ঘটে নিকট আত্মীয় বা পরিচিত লোকজনের মাধ্যমে। অমুকে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কাজেই মেয়েকে তার সাথে দোকানে পাঠিয়ে দিলাম, আংকেল চকলেট কিনে দিবে বলে, এতবড়ো বলদামি কইরেন না।

নিজের তত্ত্বাবধান ছাড়া প্রতিবেশীর বাসায় শিশুসন্তানকে খেলতে পাঠাবেন না। আপনার প্রতিবেশী আপনার জন্য ভালো, আপনার সন্তানের জন্য ভালো নাও হতে পারে।

বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দিয়ে বেহেশত কামাবেন ভালো কথা। আপনার বেহেশতের দাম যেন আপনার সন্তানকে জীবন দিয়ে চুকাতে না হয়। মাদ্রাসায় শিশু সন্তান যেতে না চাইলে, কান্নাকাটি করলে, ভয় পেলে তাকে জোর করে ওই নরকে ঠেলে পাঠাবেন না। সন্তান হুজুরের নামে কিছু বললে বিশ্বাস করতে শেখেন। “হুজুরের তো দাড়ি আছে অতএব বিরাট সুফী মানুষ” এই ধারণা নিয়ে বসে থাকবেন না। সন্তানের ঘাড়ে পাড়া দিয়ে বেহেশতে যাবেন এই চিন্তা ছেড়ে নিজে কষ্ট করে বেহেশত উপার্জন করেন।

শিশু সন্তানকে ড্রাইভারের সাথে স্কুলে পাঠাবেন না। কাজের লোকের সাথে দোকানে পাঠাবেন না। নিজেরা সাথে যাওয়া আসা করবেন। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। আপনার জীবনের কোনো কাজই আপনার সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে বেশি জরুরি না। যদি অন্যান্য কাজকে সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে জরুরি মনে করেন, তবে সন্তানের জন্ম দিয়েন না। এত অধিক জনসংখ্যার দেশে কেউ আপনাদের মতো মানুষদের পায়ে ধরে সাধে নাই বাচ্চা জন্ম দিতে।

শিশুর যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে করণীয়, শিশু যৌন নিপীড়ন, বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন

সবচেয়ে বড় কথা, নিজের সন্তান যখন তার সাথে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের কথা বলবে, তখন যার বিরুদ্ধে বলুক না কেন, নির্যাতক আপনার যতো আপনজনই হোক না কেন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করবেন। তাকে চুপ করিয়ে দিয়ে তার সামনেই ওই নির্যাতককে ডেকে খাতির যত্ন কইরেন না। এমন অনেক ছেলেমেয়েকে চিনি যাদের বাপ-মা সবকিছু জেনেও সন্তানের যৌন নির্যাতককে সন্তানকে দিয়েই চা-নাস্তা পরিবেশন করিয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মা বাবাকে দেবতা মনে করা হয় বলেই এইসব সন্তানরা এই ধরনের বাপ-মা গুলোকে দুই বেলা জুতায় না। কিন্তু ঠিকই সারাজীবন মনে মনে ঘৃণা করে যায়।

কাজেই সন্তানের নির্যাতককে সন্তানের সামনেই শাস্তি দিন। ঠুনকো ইজ্জত সম্মানের তোয়াক্কা না করে নির্যাতককে এক্সপোজ করুন, সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে বয়কট করুন। প্রয়োজনে মামলা করে চৌদ্দশিকের ভাত খাওয়ান।

রাস্তায় হাঁটার সময় কোনো শিশুর সাথে কাউকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখলে সাথে সাথে চ্যালেঞ্জ করুন। “আমি বাচ্চার চাচা/মামা/খালু হই” এইসব বললেও পিছপা হবেন না। প্রয়োজনে লোক জড়ো করে বাচ্চাসহ ওই লোককে নিয়ে বাচ্চার মা-বাপের কাছে চলে যান। আপনার একটু উদ্যোগ হয়তো একটা শিশুর জীবন বাঁচিয়ে দেবে।

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারেই শিশুবান্ধব না এবং ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে এমন কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না। এ অবস্থায় আমাদের সবার সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুদের জীবন আরেকটু বেশি নিরাপদ করতে

মিন্নির হাটার গতি এত স্লো কেন সেটা বুঝতেছি না।

মানুষ এতটা নির্মম হয় জানা ছিলনা?
----
এবার চট্টগ্রামে বিশ্ব কলোনিতে মহসীন নামে এক যুবককে দিন দুপুরে প্রকাশ্য কুপিয়ে ও স্টাম দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে দূর্বৃত্তরা। গতকাল ( ৩০ জুন) বিকেল ৫ ঘটিকায় বিশ্ব কলোনি এন ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

বর্ষাকালে কেউ বিদ্যুতের ঘুটি স্পর্ষ করবেন না।

ভাগ্য গণনাকারি জানতেন না তার ভাগ্যে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ছিল
ভাগ্য গণনাকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি পাথর বিক্রয়কারক প্রতিষ্ঠান শেষ দর্শন আজমেরি জেমসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা সিটিতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানে বুধবার বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল, সহকারী পরিচালক মো মাসুম আরিফিন ও আফরোজা রহমান।

অভিযান শেষে শাহরিয়ার বলেন, ‘আমরা শেষ দর্শনের কাছে তিনটা বিষয় জানার ছিলো, প্রথমতো তারা যে পাথরগুলো বিদেশ থেকে নিয়ে আসে তার আমদানি কারকের স্টিকার আছে কি না, দ্বিতীয় তাদের কাছ থেতে যারা পাথর ক্রয় করে তাদের কোন ভাগ্য পরিবর্তন হয় কি না? প্রত্যেকটা পাথরের মূল্য প্রদর্শন করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মূলত আজকে মূল্য প্রদর্শন না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেছি। আগামীতে আমরা তাদের পাথরগুলো পরীক্ষা করবো। আমরা তাদেরকে পাথর রপ্তানির কাগজপত্র এবং কিভাবে ভাগ্য পরিবর্তন হয় তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’

এসময় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তাকে প্রশ্ন করেন, আপনারা অন্যদের ভাগ্য গণনা করেন কিন্তু আজকে যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে আমরা আসবো এটা আপনারা জানতেন না? এমন প্রশ্নেরর জবাবে ভাগ্য গণনাকারি প্রতিষ্ঠান লিটন দেয়ানের ম্যানেজার বললেন, ‘স্যার আপনারা ঈদের আগে জরিমানা করলে কিভাবে টাকা পরিশোধ করবো। এখন আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো তাদের শিশুদের উপর কোন ব্যাড ইফেক্ট না পড়ে সে জন্য বিভিন্ন প্রকার কম্পিউটার ও মোবাইল গেইম নিষিদ্ধ করে। যেমন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাবজি গেম নিষিদ্ধ। আর আমারা বুঝে না বুঝে সব গেইম বিনোদনের জন্য শিশুদের হাতে তুলে দেই ।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

18-Nov-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3758 জন)
প্রশ্নঃ বাসা কিংবা অফিস বৈদুতিৎ দুর্ঘটনা মুক্ত রাখতে ‘সার্কিট ব্রেকার’ ব্যবহার করা প্রয়োজন। সার্কিট ব্রেকার কোন বৈদ্যুতি দুর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। ভেজা হাতে কখনো সুইজ চালু/বন্ধ করা যাবে না। বৈদ্যুতি সুইজ, ক্যাবল (তার), মাল্টিপ্লাগ, সকেট ইত্যাদি উন্নত মানের সামগ্রি ব্যবহার করতে হবে। পুরান সু্ইজ, মাল্টিপ্লাগ, ক্যাবল (তার) জোড়া-তালি দিয়ে ব্যবহার করা উচিত নয় এবং সকল সুইজ শিশুদের নাগালের উপরে স্থাপন করতে হবে। 50ওয়ার্ডের দুইটি ভাল্প কতক্ষণ জ্বললে 1ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে? (আজকের কুইজটি কারো কারো জন্য একটু কঠিন হলেও, বাস্তবে কাজে লাগবে)।
(A) 10 ঘন্টা
(B) 24 ঘন্টা
(C) 12 ঘন্টা