About md shohag

ইনশাআল্লাহ, আগামী ৩০/০১/২০২০ শুভ শুচনা হতে যাচেছ বহুল কাংখিত কক্সবাজার - সেন্টমাটিন নৌ রোডে বিলাশ বহুল জাহাজ এমবি কর্ণফুলি এক্সপ্রেস।

উক্ত শুভ শুচনা লগ্নে প্রধান অতিথি থাকবেন নৌ-পরিবহন মএনালয়ের মাননীয় প্রতি মএী জনাব খালিদ মাহামুদ চৌধরী। বিশেষ অতিথি মাননীয় নৌ সচিব জনাব এম এ সামাদ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়।

নোট: কক্সবাজারে আসার জন্য প্রস্তুত এমবি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস।

বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি 😥 আজ রাতে দায়িত্ব থাকাকলীন নিজের গুলিতে আত্মহত্যা করেন তিনি।###Collected

👉একেই বলে আন্তরিকতার বর্হিপ্রকাশ॥☝
যেখানে ইন্ডিয়া আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও এতো সম্মান আর মর্যাদা দেয়না বরঞ্চ আরো অপমান জনক আচরন করে টাইগারদের সাথে।
কিন্তু পাকিস্তান আমাদের চির শত্রু হয়েও মর্যাদা আর নিরাপত্তার কোনো কমতি রাখলো নাহ✊✌✌
ইমরান খাঁনের কাছ থেকে নরেন্দ্র মোদীর ভালোবাসা ও মর্যাদাবোধ শেখা উচিত👍
অবিরাম ভালোবাসা রইলো প্রিয় ইমরান খাঁনের প্রতি❤❤####Collected

৯ বছরের ছেলে সাইফকে নিজ বাসায় হাত,পা বেধে বালতির পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করেছে সৎ মা।

গত ১৮ই জানুয়ারি ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন বিশ্বাস বেতকা এলাকায়।
অভিযুক্ত মহিলা বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছেন।

ছবি- সদর থানার ফেসবুক থেকে



ই-পাসপোর্টে মানুষ আর ধোঁকায় পড়বে না: প্রধানমন্ত্রী

ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের কারণে মানুষকে আর ধোঁকায় পড়তে হবে না। অতীতে একটা সমস্যা ছিল পাসপোর্ট নিয়ে। একসময় ‘গলাকাটা’ পাসপোর্টও প্রচলিত ছিল। আধুনিক ই-পাসপোর্টের কারণে সেটা আর কখনও হবে না। এখন আর মানুষ ধোঁকায় পড়বে না।

২০১৫ সালে ২৪ নভেম্বর আমরা জনগণের জন্য মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) শুরু করি। আমরা যে প্রকল্প ই-পাসপোর্টের জন্য গ্রহণ করেছি, তাতে মনে করি বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। কারণ আমরা যে পাসপোর্ট দিতে যাচ্ছি, সেটি বায়োমেট্রিক। এতে এম্বেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রো প্রসেসর চিপ থাকবে। সেখানে যে পাসপোর্ট গ্রহণ করবে তার বায়োগ্রাফি ও বায়োমেট্রিক অর্থাৎ তার ছবি, ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং চোখের কর্নিয়া থাকবে। কাজেই আর মানুষ ধোঁকায় পড়বে না।

বিশ্বের অনেক দেশ এই আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন পাসপোর্ট গ্রহণ করেছে। প্রায় ১১৮টি দেশে এটি চালু হয়ে গেছে। কাজেই বাংলাদেশ হলো ১১৯তম দেশ। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করতে সক্ষম হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তির জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিত জাতি হিসেবে বাংলাদেশ যেন গড়ে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের সরকার চায় বাংলাদেশ উন্নত, সমৃদ্ধশালী ও আত্মমর্যাদাশীল হবে। আমরা অর্থনৈতিকভাবে আজকে এগিয়ে গেছি। দেশের মানুষেরও আর্থিক সচ্ছলতা এসেছে। এখন অনেকেই বিদেশে যায়। আমাদের প্রবাসী বিদেশিরা কাজ করে রেমিট্যান্স পাঠায়, যা এদেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রেখেছে। কাজেই তারা যেন কোনও হয়রানির শিকার না হয়, সেদিকে আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।

----- বুধবার (২২ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।##Collected

গাম্বিয়ার করা মামলায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আদালতের ৪ আদেশ

রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চারটি আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে)। এই চার আদেশে বলা হয়েছে-

১! রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে হবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা, নিপীড়ন, বাস্তুচ্যুতির মতো পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বা অন্য রাষ্ট্রীয় অন্য কোনো বাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালাতে পারবে না। এমনকি নির্যাতনের ষড়যন্ত্রও করতে পারবে না।

২! দায়ী সেনাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
৩! প্রতি মাসে মিয়ানমার সরকারকে গাম্বিয়ার সঙ্গে বসতে হবে এবং গাম্বিয়ার প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

৪! আগামী ৪ মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপের রিপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে।এরপর প্রতি ছয় মাস পরপর প্রতিবেদন দিতে হবে।গাম্বিয়া এই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের কাছে আবেদন করতে পারবে।

এর পর ও আমি বলবো এটা রোহিঙ্গাদের জন্য সঠিক বিচার হয়নি?আইসিজে উচিত ছিলো কঠিন হস্তে বিচার করা। কারণ ভ্যবিষতে কোন দেশ গণহত্যা চলানোর আগে মিয়ানমার কথা স্মরন করতো?
আশা করি চূরান্ত বিচারে জয় মনবতার হবে,মিয়ারমার নামে অর্তচারী দেশটি ধ্বংস হবে,ইনশাআল্লাহ
###Collected

এই বর্ষায় সিগারেটের টাকা দিয়ে গাছ লাগান.....
নিজে বাঁচুন, অন্য কে বাঁচান, পরিবেশ বাঁচান দেশ বাঁচান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সেনাবাহিনী একদিকে যেমন স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত অন্যদিকে উন্নয়ন কর্মকান্ডেও অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীকে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিক করে গড়ে তোলা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে নোয়াখালীর স্বর্ণদ্বীপে সেনাবাহিনীর শীতকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শন করে এসব কথা বলেন তিনি।

পাসপোর্ট নিতে আর রিয়াদ দূতাবাসে যেতে হবে না প্রবাসীদের

....
.....
রিয়াদ ও তার আশপাশ অঞ্চলের প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবা সহজীকরণ এবং পাসপোর্ট সেবাকে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থানীয় প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য রিয়াদ দূতাবাসে যেতে হবে না।

বুধবার রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান: সৌদি আরবের সাথে বর্তমান সরকারের যে অভূতপূর্ব সম্পর্ক রয়েছে, তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক প্রবাসীদের কল্যাণে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রবাসীদের আর পাসপোর্ট সেবা নিতে দূতাবাসে এসে দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে না। প্রাথমিকভাবে এই সেবা শুধু রিয়াদ ও তার আশেপাশে কর্মরত প্রবাসীদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
সৌদি সরকারের রাষ্ট্রীয় ডাক বিভাগ সৌদি পোস্ট এর ৩৪টি এবং রিয়াদে অবস্থিত প্রবাসী সেবা কেন্দ্রের চারটি শাখার মাধ্যমে প্রবাসীরা সহজে পাসপোর্ট নবায়ন সেবা নিতে পারবেন এবং নবায়নকৃত পাসপোর্ট এর ডেলিভারিও সংশ্লিষ্ট পোস্ট অফিস ও সেবা কেন্দ্র থেকেই দেয়া হবে।
....
....
এই সেবা শীঘ্রই জেদ্দা, মদিনা, মক্কা, দাম্মাম আল জুবাইল তাবুক আবহা খামিস মোশায়েত ও তার আশপাশ এলাকায় চালু হবে।

তিনি জানান: আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রবাসীরা, রিয়াদের বাথা পোস্ট অফিস, ওয়েস্টার্ন ওরাইজা ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল সিফা ডিস্ট্রিক পোস্ট অফিস, ওয়েস্টার্ন নাসিম ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল্ল রাওদা ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল ওয়াদি ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল মালাজ ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল মাসেফ ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল সানাইয়া ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল ওলাইয়া ডিস্ট্রিক্ট পোস্ট অফিস, আল উলা পোস্ট অফিস, আল সানাইয়া আলথানিয়া পোস্ট অফিস, নাসেজ পোস্ট অফিস, সাফারাত পোস্ট অফিস, হায়ের পোস্ট অফিস, আরকাহ পোস্ট অফিস, আল খারিজ অঞ্চলের আল খারিজ পোস্ট অফিস, আফলাজ অঞ্চলের জন্য আফলাজ পোস্ট অফিস, আল হারিক অঞ্চলের জন্য আল হারিক পোস্ট অফিস, দাঁড়াইয়া অঞ্চলের দাঁড়াইয়া পোস্ট অফিস, দোয়া দমি অঞ্চলের জন্য দোয়া দমি পোস্ট অফিস ,জুলফা অঞ্চলের জন্য জুলফা পোস্ট অফিস, আল সিলেট অঞ্চলের পোস্ট অফিস, আলকোয়া অঞ্চলের আলকোয়া পোস্ট অফিস, মাজমাহ অঞ্চলের পোস্ট, মু জামিয়াহ অঞ্চলের জন্য মু জামিয়াহ পোস্ট অফিস, তাহদিক অঞ্চলের জন্য তাহদিক পোস্ট অফিস, হুরাই মেলা অঞ্চলের জন্য হুরাই মেলা পোস্ট অফিস, হাউতাট বনি তামিম অঞ্চলের জন্য হাউতাট পোস্টঅফিস, রেমাহ অঞ্চলের পোস্ট অফিস, শাখরা অঞ্চলের পোস্ট অফিস , ধারমা অঞ্চলের পোস্ট অফিস, আফিফ অঞ্চলের জন্য অফিফ পোস্ট অফিস, ওয়াদি দাওয়াসির অঞ্চলের জন্য ওয়াদি দাওয়াসির পোস্ট অফিস এর সার্ভিসসমূহ থেকে পাসপোর্ট নবায়নের নির্ধারিত চার্জ জমা দিয়ে রশিদ সংগ্রহ করে সহজেই এই সেবা নিতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ থেকে সেবা নিতে গিয়ে যেকোনো ধরনের হয়রানি অথবা অতিরিক্ত ফি প্রদান সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ সরাসরি দূতাবাসে জানাতে পারবেন ভুক্তভোগী প্রবাসীরা।###Collected

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার করা মামলার শুরুতেই হারলো মিয়ানমার। রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে জানিয়ে অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত বলেছে, মামলা চলবে। একই সঙ্গে রাখাইনে বসবাসরত অবশিস্ট রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে মিয়ানমারকে চার দফা নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত। ডেস্ক রিপোর্ট।

বিশ্বের এক নম্বর নষ্ট ও বোকা জাতির নাম হচ্ছে বাঙালী_ যাদের বসবাস এই বাংলাদেশে,,

এটা এমন এক দেশ ৪/৫ দিন আগে- যেখানে মা হারা ১৩ বছরের মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করে বাবা😭😭

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ব্লেড দিয়ে কেটে যৌনাঙ্গের প্রবেশ পথ বড় করে ৫ বছরের শিশুকে রাতভর ধর্ষন করা হয়।,😭😭

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে মা কে অচেতন করে রাত বর মেয়ে কে ধর্ষন করে বাবা।😡😡

❌এটা এমন এক দেশ যেখানে ছোট্ট শিশুকে ধর্ষন
করায় বাবা থানায় বিচার চাইতে গেলে ১০০০ টাকা দিয়ে পুলিশ কিনতে চায় বাচ্চাটির হারানো ইজ্জত।😠😠

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক পুলিশ এক গরীব মেয়েকে পরপর ২ রাত টানা ধর্ষন করে।🤭🤭

❌ এটা এমন এক দেশ
যেখানে ১১ বছরের বাচ্চাকে আটকে রেখে ৮ জন জানোয়ার সারা রাত ধর্ষন করলো, অথচ পাশে ফ্লাটে থাকা মানুষগুলো টেরই পায়না।🤫🤫🤫

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে জন্মদিনের পার্টির কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীদের বিলাস বহুল হোটেলে নিয়ে বন্দুকের মুখে জিম্মি করে ধর্ষন করা হয়।🙅🙅

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ৮০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষন করতে দ্বিধা বোধ করেনা মানুষ নামের পশুগুলো।😭😭

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ধর্ষনের পরে ২য় বার আবার নগ্ন হতে হয় ধর্ষিতার প্রমান দিতে।🙊🙊

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে একজন ধর্ষিতাকে সহমর্মিতার পরিবর্তে ‘বেশ্যা’, ‘নষ্টা’,চরিত্রহীন’ ...... ইত্যাদি উপাধি নিয়ে সমাজে বেঁচে থাকতে হয়।👬👬

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ধর্ষন মামলা হয় কিন্তু ৯৯.৯৯% ই বিচার হয়না।🔨🔨

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে মান সম্মান ও সামাজিক নিরাপত্তার কথা ভেবে ৯০% পরিবারই ঘটে যাওয়া ধর্ষন নিরবে সহ্য করে।🔕🔕

❌ এটা এমন এক দেশ
যেখানে সহ্য করতে হয় বিচারের নামে নানা প্রহসন।📃📃📜📗📘

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ধর্ষনের বিচার না পেয়ে বাবা মেয়েকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেয়।🚷🚷

❌ এটা এমন এক দেশ
যেখানে আছে মানবতাবাদী, প্রগতিশীল, সভ্য মানুষ।তাদের কাছে ধর্ষন আধুনিক যুগের সামান্য দুষ্টামি মাত্র।🚩🚩

❌এটা এমন এক দেশ
যেখানে ফেসবুকের প্রোফাইলে ২ দিন কালো ছবি ঝুলানো হয় কিংবা 'Justice for অমুক, তমুক' স্ট্যাটাসের ঝড় উঠে কয়েকদিন...তারপর আর কোন সাড়া-শব্দ থাকেনা....❎❎

❌আর এখন আমার এইটা ভাবতেও ঘৃন্ন্যা হয় যে আমিও এই দেশেরি একজন নাগরিক 😣

আমার জন্ম টা ও এই দেশেতেই হয়েছে,,, 😭😭
কপি পোস্ট

এ ছবিটার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে ছিলাম!
কে বলেছে? পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘুরে!🤔
পৃথিবী তো আমার চারদিকে ঘুরে😩😒
নাকী আমি পৃথিবীর চারদিকে ঘুরি🤔😂🤣🤐😑

Collected

ক্যামেরার দায়িত্বে যে ছিলো তাকে বলা হয়েছিলো!
বরের কোন মোমেন্টই যেন মিস না হয় সব কটা ছবি তুইলা দিবা'ই দিবা!☹

ক্যামেরাম্যান নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছে 🤣🤣Collected

Sad News & 100% True Advice.###collected

সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ ১৮০০ ঘটিকায় র‍্যাব-৪ এর চৌকস আভিযানিক দল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং এবং সহকারী পুলিশ সুপার সাগর দীপা বিশ্বাস এর নেতৃত্বে মহানগরীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেশাদার প্রতারকচক্রের ৩০ সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত নানাবিধ নথিপত্র ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত অনেক আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এদের প্রতারণার অফিস রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের সংগঠন ও প্রতারণা কৌশল সম্পর্কে বিবিধ তথ্য প্রদান করেছে।

প্রতারক সংগঠনের কার্য পদ্ধতি টার্গেট/ভিকটিম/চাকুরীরপ্রার্থী সংগ্রহঃ

ক। চাকুরীর প্রার্থী সংগ্রাহকঃ প্রতারকচক্রের প্রতিটি সদস্য প্রতারণাকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহণ করায় তাদের এ সংগঠনের একটি সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। এরা নিজেদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। এরা প্রতারক চক্রের মাঠ পর্যায়ের কর্মী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেকার যুবকদেরকে চাকুরী প্রদানের লোভনীয় অফার দিয়ে নিয়ে আসে। ভিকটিমদের বলা হয় একমাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করেই চাকুরী পাওয়া যাবে। ভিকটিমদের নিকট এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যাপারে লোভনীয় অফার দেয়। ভিকটিমকে প্রলুব্ধ করে এবং তথ্যাদি সংগ্রহ করে প্রতারক চক্রের অফিস কার্যালয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে। এই টার্গেটে সংগ্রহকরাই মূলত নিজেরাও পূর্বে প্রতারিত হয়েছে। টাকা বিনিয়োগ করে এবং বিনিয়োগকৃত টাকা উদ্ধারের প্রলোভনে পড়ে নিজেরাও প্রতারনার সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং নতুন নতুন সদস্য সংগ্রহ করে। এদেরকে প্রতি গ্রাহক/টার্গেট সংগ্রহের জন্য নির্দিষ্ট অংকের টাকা (Percentage) দেওয়া হয়।

খ। ভাইভা অফিসারঃ পরবর্তীতে এদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর এবং মাকেটিং অফিসার এর মাধ্যমে সদস্যদেরকে ভাইভা অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যরা তাদের ভাইভা নেয় এবং তাদের কাছ থেকে চাকুরী দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের অফিসে ভুয়া Receptionist অফিস সহকারী ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের রেখে প্রকৃত অফিসের আবহ তৈরী করে। টাকা গ্রহনের পরে ট্রেনিং এর নামে ট্রেনিং অফিস নামে কথিত অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেয়।

গ। ম্যানেজারঃ ভিকটিম এর নিকট থেকে সংগ্রহকৃত অর্থ জোনাল ম্যানেজার সংগ্রহ করে থাকে।

ঘ। এজিএম এবং জিএমঃ ম্যানেজার উক্ত অর্থ সংগ্রহ করে এজিএম এর মাধ্যমে জিএম এর কাছে পৌছানো হয়।

ঙ। চেয়ারম্যানঃ চেয়রম্যান চাকুরীর প্রার্থীদের প্রশিক্ষণে কিভাবে জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রার্থীরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে তার প্রেষনা দিয়ে থাকে। এজিএম এবং জিএম এর মাধ্যমে সংগ্রহকৃত অর্থ চেয়ারম্যান এর নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়।

চ। ট্রেনিং সেন্টারঃ ভাইভা অফিস থেকে ভিকটিমদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর/মার্কেটিং অফিসার এর অধীনে ট্রেনিং সেন্টার এ প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ছ। প্রশিক্ষকঃ এখানে ভুয়া প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে ভিকটিমদের ০১ মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে আটকে রাখা হয়। যখন ভিকটিম বুঝতে পারে তারা প্রতারিত হয়েছে এবং তাদের প্রদেয় অর্থ দাবি করে। তখন প্রতারক চক্র তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং তাদের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরবর্তীতে রাতারাতি প্রতারক চক্র অফিস গুটিয়ে তাদেরকে রেখে পালিয়ে যায়। প্রশিক্ষদের মধ্যে রুম সুপার ম্যাস ম্যানেজার বিভিন্ন পর্যায়ে জনবল নিয়োগ দেওয়া থাকে।

জ। ডায়মন্ড এবং সিলভার পদবী: প্রতারক চক্রের মধ্যে যে সকল সদস্য ৫০ জনের অধিক সদস্য সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতে পারে তাদেরকে ডায়মন্ড উপাধি দেওয়া হয় এবং ২৫-৩০ জন সদস্য সংগ্রহকারিকে সিলভার পদবী প্রদান করা হয়।

৩। ঘটনাস্থল হতে ২০৩ জন ভুক্তভুগীদের উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রতারকচক্রটি ৫০,৮০০ টাকা করে সর্বমোট ১,০৩,১২,৪০০/- টাকা আত্মসাৎ করে। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা গ্রামের মধ্যশিক্ষিত বেকার ও নিরীহ যুবকদের চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রায় এক হাজার এর অধিক চাকুরী প্রত্যাশিদের সাথে প্রতারণা করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এইরুপ অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাব-৪ এর জোড়ালো সাঁড়াসি অভিযান অব্যাহত থাকবে।Collected

একজন দাঁতের ডাক্তারের বিয়ের গাড়ি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তুমি কোন দাদার!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ'র গতকাল ছিল মৃত্যুবার্ষিকী। যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল, বুয়েটের মতো দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দাঁড়িয়ে আছে। অথচ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে এইসব প্রতিষ্ঠানে কোন দোয়ার আয়োজন করা হয়নি। করা হয়নি কোনো স্মৃতিচারণামূলক অনুষ্ঠান। অন্যদিকে তৎকালীন সময়ে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাঙালি বিদ্বেষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় বিরোধীতার কথা কমবেশি সবারই জানা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় শুধু কঠোরভাবে বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হননি বরং তিনি ব্রিটিশদের সাথে রীতিমতো দেন-দরবার করেছিলেন যাতে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় না করা হয়। সেসময় রবীন্দ্রনাথ এক অনুষ্ঠানে দাম্ভিকতার সাথে বলেছিলেন "মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা!" অন্যত্র এক অনুষ্ঠানে এদেশের মানুষকে তীব্রভাবে কটাক্ষ করে রবী ঠাকুর বলেছিলেন "সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছো বাঙালী করে মানুষ করোনি"। অথচ সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন, মৃত্যুদিন, সাহিত্য উৎসবসহ আরো অনেক অায়োজন ধুমধামের সাথে পালন করা হয়।
আর যে বঙ্গসন্তান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপকার সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহকে আজকের শিক্ষার্থীদের অনেকেই চেনাতো দূরের কথা নামটাও জানেনা। আমরা এতোটা অকৃতজ্ঞ যে বলতেও লজ্জা লাগে!

এক নজরে নবাব সলিমুল্লাহর জীবনীঃ
-----------------------------------------------------
'নবাব স্যার সলিমুল্লাহ'- একটা জীবন, একটা ইতিহাস।
নবাব সুলিমুল্লাহ যার জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রিয়। ফলে অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি অবস্থান করতেন। সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি অকাতরে দান-খয়রাত করতেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল, ইলেকট্রিসিটি এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি জীবনের প্রথম দিকে জনগণের কথা চিন্তা করে নবাবীর লোভ না করে মোমেনশাহীর ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে তাঁর নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন, বাবার নামে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল (বর্তমানে বুয়েট) প্রতিষ্ঠা করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদী ও তাদের দোসরদের ক্রমাগত আক্রমন থেকে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যার আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্মণ্যবাদী চক্রান্তে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কোচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন, তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি ১৯০৫ সালে বঙ্গদেশকে দুই ভাগে ভাগ করে, ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসাম নিয়ে ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববঙ্গ গঠন করেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।

--- নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে। আচ্ছা আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা? এই ঢাবি না থাকলে আজকে কারা ভাষা এনে দিতো আমাদের? এই ঢাবি না থাকলে কারা স্বাধীনতাকে এনে দিতো? এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনারই আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে যেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায় ? (!!!)

রহস্যজনক মৃত্যুঃ
--------------------------
ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর পূর্ব পুরুষ ইংরেজদের দালালি করলেও নবাব সলিমুল্লাহ তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়। কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। নবাব সবসময় একটা ছড়ি নিয়ে ঘুরতেন। যখন বড়লাট রাজী হচ্ছেন না ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে তখন নবাব রেগে গিয়ে ছড়ি দিয়ে বড়লাটের টেবিলে বাড়ি মারেন। বড়লাটের দিকে এগিয়ে আসেন। তখন বড়লাটের হুকুমে বড়লাটের হিন্দু দেহরক্ষী নবাবকে গুলি করেন। পরে প্রচার করা হয় যে তিনি হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যায়। আজ নবাব সলিমুল্লাহ মৃত্যু বার্ষিকী। অথচ যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়িয়ে আছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে তাকে স্মরণ করা হয়না। মানুষের এমন অকৃতজ্ঞতা দেখে নবাব হয়তো কবর থেকেই বিস্মিত হচ্ছেন।
জ্বি, ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিন।

[সংগৃহীত]

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু হচ্ছে আজ থেকে। পাসপোর্ট করানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ প্রায় সময়ই শোনা যায়। আপনি কি কখনও কোন রকম ভোগান্তিতে পড়েছেন? এই ই-পাসপোর্ট চালু হবার ফলে কেমন সুবিধা পাবেন বলে মনে করেন?

ভালোবেসে তাঁর সুন্নাহ পালন করেছেন কি?

আংটি পড়ে যাওয়ার অজুহাতে একজন সাহাবী রাসুল ﷺ এর কবরে দ্বিতীয়বার নেমেছিলেন। সর্বশেষ বিদায় নিয়েছিলেন তাঁর কাছ থেকে। এই ঘটনা পড়ে কেঁদেছিলাম।
"একটি মাত্র ফুল তুমি ওগো রাসুল" গানটা লেখার সময় কেঁদেছিলাম আর আজ কাঁদলাম এই লেখাটি পড়ে।(আমিও কাঁদলাম)

একদিন মা আইশা (রাঃ) রাসূল ﷺ সাথে ছিলেন। রাসূল ﷺ কে বেশ উৎফুল্ল দেখে আইশা (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। রাসূল ﷺ আইশার জন্য দোয়া করলেন। "হে আল্লাহ আইশাকে মাফ করে দাও। তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দাও, তার আগামীর গুনাহ মাফ করেদাও, তার গোপনে করা গুনাহ মাফ করে দাও, তার প্রকাশ্যে করা গুনাও মাফ করে দাও।" রাসূল ﷺ দোয়া শুনে আইশা (রাঃ) হাসলেন। রাসূল ﷺ আইশাকে জিজ্ঞেস করলেন, আমার এই দোয়া কি তোমাকে আনন্দিত করেছে? আইশা বললেন, কি করে এমন দোয়া কাউকে সন্তুষ্ট করতে না পারে!

আমাদের প্রিয় নবী আইশাকে বললেন, আল্লাহর কসম! আমি আমার উম্মতের জন্য আমার প্রতিটি নামাজে এই একই দোয়া করি।

যে দোয়া রাসূল ﷺ উনার প্রিয়তম স্ত্রীর জন্য করেছেন সেই একই দোয়া প্রতি নামাজে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য করেছেন, আপনার জন্য, আমার জন্য করেছেন। তিনি আমাদের রাসূল ﷺ।

একদিন চলার পথে রাসূল ﷺ কেঁদে উঠলেন। সাহাবারা কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমি আমার ভাইদের জন্য কাঁদছি। সাহাবারা জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমরা কি আপনার ভাই নই? রাসূল ﷺ তোমরা তো আমার সাথী। আমার ভাই হল তারা যারা আমার পরে আসবে আর আমাকে না দেখেই আমার উপর ঈমান আনবে।

রাসূল ﷺ আপনার জন্য কেঁদেছেন, আপনাকে মিস করেছেন, আপনি এই দুনিয়াতে আসার আগেই। আপনি কখনও প্রিয় নবীকে মিস করেছেন? কেঁদেছেন কখনও? যে নবী আপনার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজে দোয়া করতেন সেই নবীর নামে দরুদ পড়েছেন কোনদিন? ভালোবেসে কোনদিন তার একটা সুন্নাহ পালন করেছেন?রাসূল ﷺ একটি গাছে হেলান দিয়ে খুতবাহ দিতেন, তখনও মিম্বার তৈরী হয়নি। পরের সপ্তাহে রাসূল ﷺ যখন মিম্বরে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিচ্ছিলেন সাহাবারা বলেন, গাছের ভেতর থেকে শিশুর মত অঝোরে কান্না তারা শুনতে পেয়েছেন। একটি গাছও রাসূল ﷺ মিস করেছে, তার জন্য চোখের পানি ফেলেছে।রাসূল ﷺ এর মৃত্যুর পর বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আর আযান দিতে পারেনি। এরপর একদিন বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মদীনা ছেড়েই চলে গিয়েছিলেন। একদিন তিনি রাসূল ﷺ স্বপ্নে দেখলেন। রাসূল ﷺ বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলছেন, "এতদিনেও কি তোমার সময় হয়নি আমার রওজায় আসার।?"ছয় বছর পর বিলাল মদীনায় আসলেন সবাই তাকে আযান দিতে অনুরোধ করলেন। কিন্তু তিনি মনঃস্থির করেছেন রাসূলের জন্য যে আযান দিতেন তা আর কোনদিন কারো জন্য দিবেন না। শেষে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর অনুরোধে বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু আযান দেওয়া শুরু করলেন। সেই আযান, সেই মধুময় সময়, রাসূলুল্লাহর স্মৃতি সব একসাথে ভেসে আসা শুরু করল। কিছুক্ষণের জন্য মানুষ মনে করল রাসূল ﷺ আবার ফিরে এসেছেন, মদীনার ঘর থেকে সবাই বেরিয়ে আসা শুরু করল, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আযানে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহর জায়গায় এসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েছিলেন, পুরো মদীনা জুড়ে হু হু কান্নার শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যায়নি।

শেষ কবে আপনি আপনার প্রিয় নবীর জন্য কেঁদেছেন? শেষ কবে? কতটি তাঁর সুন্নাহ ফলো করেছেন, করছেন?

সংগৃহীত

এটি চীন কিংবা রাশিয়া না,
জাপান কিংবা আমেরিকা না,
ইরাক কিংবা ইরান না,
পাকিস্থান কিংবা ভারত না,
এমনকি এটি আমাদের বাংলাদেশও না..
আসলে এটি কোন জায়গা আমি নিজেও জানিনা....!#collected

এই ফাঁদে আমিও পা দিতে চেয়েছিলাম

#সতর্কতামূলক_পোস্ট

কানাডা ভিসা ২০ লাখ !! আমেরিকা ভিসা ২০ লাখ !! ইউরোপ ভিসা ১৫ লাখ !! ভিসার আগে বা পরে ১ টাকাও নয়, সমস্ত পেমেন্ট পৌঁছানোর পরে।।
এরকম রংচং মাখা বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা দিয়ে, আমার পরিচিত এক ভাই এই ফাঁদে পা দিয়ে তার সর্বশেষ খুয়িয়েছেন।। তার করুন কাহিনী হুবহু তুলে ধরা, যদি কারো কোনও উপকার এ আসে।।

সে এমনই কোনও এক বিজ্ঞাপন দেখে ঢাকায় অভিজাতো এলাকায় একটা অফিসে গিয়েছিলেন, সেখানে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত জানতে চায়। এবং তারা বলে যে, আমরা গ্রান্টি দিয়ে আপনাকে বিদেশ নিয়ে যাবো, ২ বছর এর জন্যে জব ভিসা, মাসিক ২০০০-২৫০০ ডলার বেতন, ৫ বছর পরে নাগরিকত্ত পেতে আমরাই সাহায্য করবো।। এমনকি ভিসার আগে ও পরে কোনও অর্থ প্রদান করতে হবে না, সমস্ত খরচ আপনি বিদেশ পৌঁছানর পরে আপনি যখন বিদেশ থেকে আপনার পরিবার কে ফোন দিয়ে বলবেন যে আপনি ভালোভাবে পৌঁছে গেছেন, তার পর আপনার পরিবার আমাদের টাকা দিবে।। আমাদের আমেরিকা কানাডা তে সরাসরি প্রতিনিধি আছে, তারাই সরসরি আমেরিকা কানাডা থেকে আপনার নামে ভিসা ইসু করে পাঠাবে, তাই এখানে এম্বাসি ফেস করার কোনও ঝামেলা নেই।।

এক সঙ্গে এতো অফার পেয়ে বেচারা কনফিউস হয়ে গেলো !! সে নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলো বিদেশ যাওয়া এতো সোজা ?? নিজে নিজে উত্তর ও খুজে নিলো, আরে কি আর, এক বার চেষ্টা করে দেখি, আমার তো ২৫ পয়সাও আগে দিতে হবে না, সমস্ত খরচ যেখানে আমেরিকা/কানাডা পৌঁছানর পরে, সেখানে আমার আবার টেনশন কি !! যেই কথা সেই কাজ, বাড়িতে গিয়ে বাবা-মা এর সাথে আলোচনা করলো।। যেখানে সমস্ত খরচ পৌঁছানর পরে সেহেতু বাবা-মা আর দ্বিধা না করে রাজী হয়ে গেলো, শুরু হয়ে গেলো সুদের টাকা গুছানো ও অবশিষ্ট জমিজমা বিক্রি করার প্রস্তুতি।। ১৮-২০ দিনের মাথায় টাকা গুছানোর প্রস্তুতি শেষ করে পাসপোর্ট নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে নিজের নামটা বুকিং দিয়ে আশা, বুকিং এর সময় অরিজিনাল পাসপোর্ট সহ ২ কপি ফটো ও ন্যাশনাল আইডি এর ফটোকপি রাখলো সঙ্গে মোবাইল নাম্বার।।

৭ দিন পরে, তাকে ফোন করে অফিসে ডাকা হলও।। যথারীতি, অফিসে যাবার পরে দেখলও সেখানে তার মতো আরও ১১ জন অপেক্ষা করছে কানাডা বা আমেরিকা যেতে চায়।। এর পরে অফিস থেকে তাদের বলা হলও, টোটাল ১২ জন এর একটা গ্রুপ এদের প্রত্যেকের (৯ জন কানাডা, ৩ জন আমেরিকা) ভিসা রেডি, এনাদের ফ্লাইট আগামী ৪ দিন পরে।। ফ্লাইট ভারতের নিউ দিল্লী থেকে সরাসরি, তাই প্রত্যেকের পাসপোর্ট এ ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানো আছে, ২ দিন এর ভীতর ১২ জন এর গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে নিউ দিল্লী এর উদ্দেশে রউনা দিতে হবে, সঙ্গে তাদের প্রতিনিধি থাকবে।। তাদের প্রত্যেকের ভিসা অনলাইন এ ইসু হয়ে গেছে, অনলাইন ভিসা কপি ও বিমান টিকিট নিউ দিল্লী থেকেই উনাদের প্রতিনিধি প্রত্যেক ক্যান্ডিডেট এর হাতে দিয়ে দেবে।।

এই ১২ জন এর ভীতর ২/১ জন এর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছিলো যে, পাসপোর্ট এর স্টাম্প ছাড়া কি আসলেই তারা কানাডা যেতে পারবে তো, আবার নির্ভয়ে ২/১ জন এই প্রশ্ন করেও ফেলে, কিন্তু তারা রিতিমত ধমক খেয়ে যায়।। আরে মিয়া, আপ্নারা কি আমাদের থেকে বেশি বোঝেন, আমরা ২৫ বছর ধরে এই লাইন এ, আমাদের অভিজ্ঞতা আছে, আপনাদের আগে আমাদের যে সব ক্যান্ডিডেট বিদেশ গেছে, এই নেন ফোন নাম্বার, এদের সাথে কথা বলেন।।

আপনাদের কি টেনশন ?? আপনার কি ২৫ পয়সা পেমেন্ট করেছেন??? আপনাদের পিছনে আমাদের কত করে ইনভেস্ট করতে হয়েছে জানেন?? একটা কানাডা এর ভিসা রেডি করতে কতো টাকা লাগে জানেন?? এর পরে প্লেন এর টিকিট নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন কত খরচ ।। কথাগুলি (ঝারি) শোনার পরে সবাই চুপ হয়ে গেলো ও নির্ধারিত তারিখ সবাই নিউ দিল্লী এর উরদ্দেশে রউনা দিলো।।

ঢাকা থেকে ট্রেনে কোলকাতা, এর পর কোলকাতা থেকে নিউ দিল্লী ট্রেনে সবমিলিয়ে ২/৩ দিন পরে তারা নিউ দিল্লী পউছালো !! নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে প্রায় ৩/৪ ঘন্টা প্রাইভেটকারে করে কোথায় নিয়ে গিয়ে রাতে এই ১২ জন এর গ্রুপ কে রাখা হলো কেউ সঠিক বলতে পারলো না।।
((একটা নিরিবিলি এপার্টমেন্ট, আশেপাশে ফাঁকা সর্বশান্ত পরিবেশ))

প্রত্যেকে ২/৩ ঘন্টা করে পিটালো আলাদা ভাবে, এবং সারারাত রাতে কোনও ফাঁকা রুমে আটকিয়ে রাখলো (খাবার পানি ছাড়াই সারারাত)।। পরেরদিন সকাল এ এক একজন করে অন্য ফাঁকা রুমে নিয়ে গেলো এবং মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাদ্ধ করলো যে " মা/বাবা আমার আজ রাতে কানাডা এর ফ্লাইট আমার জন্যে দোয়া করবে সবাই" !!

প্রত্যেকে আলাদাভাবে তাদের পরিবার এর সাথে একই কথা বলালো এবং এর পরে ২ দিন তাদের একসাথে সেই বদ্ধ ঘরে আটকিয়ে রাখলো (দিনে ১ বার খাবার সহ)।।

২ দিন পরে একই স্টাইল এ মাথায় পিস্টল ঠেকিয়ে বাড়িতে ফোন করতে বাধ্য করলো যে " মা/বাবা আমি ভালো ভাবে কানাডা পৌঁছে গেছি, কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি, এমন কি আগামিকাল থেকে আমি কাজে জয়েন্ট করবো, তোমরা এনাদের প্রাপ্প টাকা দিয়ে দাও "!!

নিরিহ বাবা মা দ্বিধা না করে সবাই সবার চুক্তি সরূপ টাকা দিয়ে দিলো !!! টাকা হাতে পাবার গ্রিন সিগ্নাল পাবার পরে, প্রত্যেক কে একই স্টাইল এ নিউ দিল্লী স্টেশন এ পৌঁছে দেয় কোনও এক রাতের বেলায়, সঙ্গে কোলকাতা ফেরার ট্রেন এর টিকিট সহ।

আমাদের অনেক পরিচিত আত্মীয়সজন যাতে এইরুপ প্রতারণার না পড়ে তাই পোস্ট করা....

#কালেক্টেড

রাসুল (সাঃ) বলেছেন-মৃত ব্যক্তির জন্য ঐ সময়টা খুব কষ্টকর হয়, যখন তাকে তার গৃহ হতে বের করা হয় এবং তার পরিবারের সবাই তার জন্য কাঁদতে থাকে।
এর চেয়ে বেশি কষ্ট হয় তখন, যখন তাকে কবরে শুয়ায়ে তাকে মাটি দেয়া হয়, এবং তাকে একা ফেলে সবাই চলে আসে।
আরো কষ্ট হয় যখন শরীর হতে কাপড়,অলংকার,
আংটি,খুলে নেয়া হয়। সেই সময় তার রুহ উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে, এ চিৎকার জীন ও মানুষ ছাড়া অন্য সবাই শুনতে পায়। সে তখন চিৎকার করে বলতে থাকে- তোমাদেরকে আল্লাহর কসম আমার শরীরের কাপড় চোপর, অলংকার, ধীরে ধীরে খুলো, যেহেতু এই মাত্র আমি মালাকুল মউতের কঠিন আযাব হতে নিস্কৃতি পেয়েছি।
যখন মৃত ব্যক্তির দেহ মর্দন করা হয়- তখন সে বলেতে থাকে-হে গোসল দাতাগণ, আমার দেহে জোরে মর্দন করোনা, কেননা মালাকুল মউতের কঠিন আযাবে আমার দেহ,ক্ষত -বিক্ষত হয়ে গেছে।
যখন মৃতকে কাফন পড়ানো হয় তখন মৃত দেহ বলতে থাকে, হে কাফন দাতাগণ, আমাকে এত তাড়াতাড়ি কাফন পরাইও না, আমার স্ত্রী/স্বামি,সন্তান,আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদেরকে শেষ বারের মত দেখতে দাও।
তাদের সাথে ইহাই আমার শেষ দেখা। কেয়ামতের আগে আর তাদের সাথে আমার দেখা হবে না।
যখন মৃত ব্যক্তিকে তার বাড়ি থেকে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয় তখন সে বলতে থাকে হে আমার আত্মীয়-স্বজন, তোমাদেরকে আল্লাহর কসম, এত তাড়াতাড়ি আমাকে কবরস্থানে নিয়ে যেওনা, আমার বাড়ি,ঘর, স্ত্রী/স্বামি,কন্যা,সবার কাছ থেকে বিদায় লওয়ার
জন্য একটু সুযোগ দাও।
হে আমার আত্মীয় -স্বজন, আমি আমার স্ত্রীকে বিধবা এবং সন্তানদেরকে এতিম করে যাচ্ছি। তোমরা তাদেরকে কষ্ট দিওনা। তাদের প্রতি অবিচার করোনা। আমি এখন সবকিছু ছেড়ে চলে যাচ্ছি, আর কখনো ফিরে আসবো না। তোমরা তাড়াতাড়ি করোনা, আমাকে সবার কাছ থেকে বিদায় লওয়ার সুযোগ দাও। যখন মৃত ব্যক্তিকে-গুরস্তানের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন সে বলেতে থাকে হে আমার বংশধরগণ, হে আমার আত্মীয়-স্বজন, হে আমার প্রতিবেশী, তোমরা যেন আমার
মত দুনিয়ার মায়ায় পড়ে আরাম আয়েশে আখেরাতের কথা ভুলে যেওনা।
তোমরা লক্ষ করে দেখ, আমি আল্লাহর নাফরমানি করে হালাল হারামের প্রতি লক্ষ না করে,যে ধন দৌলত কামায় করেছিলাম তার কিছুই আমার সাথে যাচ্ছে না। সব ওয়ারীশগণ বন্টন করে নিচ্ছে। আমার সাথে যাচ্ছে শুধু আমার পাপরাশি। যাদের জন্য আমি পাপ করেছিলাম তারা বিন্দুমাত্র পাপের ভাগ নিচ্ছে না।
যখন জানাজার নামাজ শেষে কিছু লোক চলে যেতে থাকে তখন মৃতব্যক্তি বলতে থাকে- হে বন্ধুগণ তোমাদের সাথে আমার কত ভালবাসা ছিল, এখন কেমন করে আমাকে ছেড়ে চলে যাচ্ছো! দাফনের কাজ শেষ করে আমার জন্য একটু দোয়া করে যাও।
হে বন্ধুগণ-সত্যিই তোমাদের কাছে আজ আমি অপ্রিয় হয়ে গেছি। কিন্তু এমন এক সময় ছিলো তোমরা আমাকে না দেখে এক দিনও থাকতে পারতেনা।
টাকা,পয়সা, ধনসম্পদ, সব কিছু তোমাদের জন্য রেখে যাচ্ছি, আর কোনো কিছু তোমাদের কাছে চাইবো না। শুধু একটু দোয়া করে যাও।
টাকা,পয়সা, সবকিছু আমি রেখে গেছি। ভোগ বিলাসে মক্ত হয়োনা। আমার জন্য কিছু দান-খয়রাত করিও, দোয়া কালাম পড়িও, আমার রুহের উপর বখশিশ দিও।
মনে রেখ, আমার মত তোমাদেরকেও একদিন চলে যেতে হবে।
হে আল্লাহ আমাদের সবাইকে তুমি মাফ করে দাও।
(আমিন)🤲

23-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ বেশির ভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি হল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কিছু জলবিদ্যুৎ ও গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
(A) তামিলনাড়ু
(B) পশ্চিমবঙ্গ
(C) বিহার