About Kanij Fatema

শিক্ষকদের মহা সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়
এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ থেকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নবসৃষ্ট পদের আদেশ জারির পর শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নবসৃষ্ট পদে এমপিওভুক্তি নিয়ে কথা বলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যপক ড. মো আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, এটা মনে হয় বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত। এখন পর্যন্ত শিক্ষকরা স্কুলগুলো/কলেজগুলোতে যোগদান করেন এবং দীর্ঘ সময় চাকরি করার পরে যেই মাসে এমপিওভুক্ত হওয়ার ওই মাসেই এমপিওভুক্ত হন। মানে ভুতাপেক্ষ কাউকে এমপিওভুক্ত করা হয় না। এই প্রথম মনে হয় এমনটা হলো। এতে বুঝা যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় কতটা সহানুভূতিশীল এবং আন্তরিক শিক্ষকদের ব্যাপারে।

ড. মো আবদুল মান্নান বলেন, এখন আর সমস্যা থাকলো না। এখন যদি একমাস বা ‍দুমাস পরেও তারা এমপিওভুক্ত হয় তাহলে যেদিন থেকে যোগদান করেছেন সেদিন থেকে এমপিওভুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, যেসব শিক্ষকদের ব্যাপারে এ ঘটনা ঘটেছে আমরা তাদের তথ্য নিচ্ছি। এখন আমরা দেখব এই শিক্ষকদের সংখ্যা কত? এবং তাদের নিয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কিনা। এবং আমাদের কাছে যে তথ্যগুলো আসছে সেগুলো পরিষ্কারভাবে লিখে আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিবো এমপিওভুক্ত করার ব্যাপারে।

এর আগে গত ৩০ মে স্কুলের ৯টি এবং কলেজের ৭টি পদে নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির আদেশ জারি করা হয়। যদিও গত ফেব্রুয়ারিতে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষক এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়ে নবসৃষ্ট বিভিন্ন পদে যোগদান করেছেন।

সে আদেশের প্রেক্ষিতে বেসরকারি কলেজগুলোতে নতুন এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুযায়ী নবসৃষ্ট পদে নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়, নির্ধারিত আর্থিক বছরের আগে এসব পদে নিয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না। তাই, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নবসৃষ্ট পদে নিয়োগপ্রাপ্ত যারা এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়ে যোগদান করেছেন তাদের এমপিও আবেদন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে অগ্রায়ন করছিলেন না।এসব শিক্ষকদের কথা চিন্তা করে মন্ত্রণালয় এনটিআরসিএর মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকদের যোগদানের তারিখ থেকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

প্রসঙ্গত, নিম্ন মাধ্যমিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে সহকারী শিক্ষক পদে এবছরই অর্থাৎ ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর থেকেই নিয়োগ ও এমপিও প্রদান করা হবে। এ পদে কর্মরত শিক্ষকরা ১০ কোডে বেতন ভাতা পাবেন। এছাড়া কলেজের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রদর্শক ও একই বিষয়ে ল্যাব সহকারীদেরও ২০১৮-২০১৯ অর্থবছর থেকেই নিয়োগ ও এমপিও প্রদান করা হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের প্রদর্শকরা ১০ কোডে এবং একই বিষয়ের ল্যাব সহকারীরা ১৮ কোডে এমপিও পাবেন।

এদিকে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের ভৌতবিজ্ঞান এবং মাধ্যমিকের ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে এমপিওভুক্ত হতে পারবেন। এ দুই বিষয়ের শিক্ষকরা ১০ কোডে এমপিও পাবেন। এছাড়া কলেজের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং ২য় পদের ল্যাব সহকারীদেরও ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে নিয়োগ দেয়া যাবে।

এছাড়া ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কলেজের ৪র্থ পদের প্রদর্শক, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক এবং নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব সহকারীদের নিয়োগ দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে কলেজের ৪র্থ পদের প্রদর্শকরা ১০ কোডে, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষকরা ১০ কোডে এবং নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব সহকারীরা ১৬ কোডে এমপিও পাবেন।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে স্কুলে ৩টি ও কলেজের ১টি পদে নিয়োগের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। নিম্ন মাধ্যমিকের বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষক, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের নৈশ প্রহরী এবং নিম্ন মাধ্যমিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ২০২১-২০২২ অর্থবছর থেকে নিয়োগ ও এমপিও পাবেন। এছাড়া কলেজের ৩য় পদের ল্যাব সহকারীরা একই বছর থেকে নিয়োগ ও এমপিও পাবেন। এক্ষেত্রে নিম্ন মাধ্যমিকের বাংলা বিষয়ের সহকারী শিক্ষকরা ১০ কোডে, নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের নৈশ প্রহরীরা ২০ কোডে এবং নিম্ন মাধ্যমিকের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ২০ কোডে এমপিও পাবেন। এছাড়া কলেজের ৩য় পদের ল্যাব সহকারীরা ১৮ কোডে বেতন পাবেন।

এদিকে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের চারু ও কারুকলা শিক্ষকরা এবং কলেজের ৪র্থ পদের ল্যাব সহকারীরা নিয়োগ পেয়ে এমপিভুক্ত হতে পারবেন। এক্ষেত্রে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের চারু ও কারুকলা শিক্ষকরা ১০ কোডে এবং কলেজের ৪র্থ পদের ল্যাব সহকারীরা ১৮ কোডে এমপিও পাবেন।

নারীরা বিভিন্ন সময় স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। নানা কারণেই এ ব্যথা হতে পারে। তবে স্তনে ব্যথা হলে অনেক নারীই স্তন ক্যানসার নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্তনে ব্যথা স্তন ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

শরীরে হরমোন পরিবর্তনের কারণে কিশোরীদের মাসিকের সময় স্বাভাবিকভাবেই স্তনে হালকা ব্যথা হতে পারে। অনেক সময় মাসিকের আগেও ব্যথা হয়। এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

অন্তঃসত্ত্বা নারীরা গর্ভকালে স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভাবস্থার তিন মাস চলাকালে এ ব্যথা শুরু হয়। তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় স্তনের ওপর দিয়ে নীল শিরা দেখা যায়। এ সময় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ও হরমোনের হ্রাস–বৃদ্ধির কারণে এ ব্যথা হয়।


স্তনে ব্যথার একটি অন্যতম কারণ স্তনে প্রদাহ বা মাসটাইটিস। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাকের সংক্রমণে হয়ে থাকে। এমনকি স্তনে যক্ষ্মার কারণেও ব্যথা হতে পারে। ব্যথার সঙ্গে জ্বর আসতে পারে। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

স্তনের ভেতর সিস্ট হতে পারে, যার ভেতর তরলজাতীয় পদার্থ থাকে। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায়, তখন অনেক সময় সিস্ট হয়। সিস্টের কারণে ব্যথা হয়। বেশির ভাগ সিস্ট নিরীহ হলেও সন্দেহ হলেই দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও অনেক নারী স্তনে ব্যথা পান। শিশুকে বুকের দুধ দেওয়ার আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। অনেক সময় স্তনে ঘা বা ফোড়া হয়। জীবাণুর সংক্রমণে এমনটা হয় এবং স্তনে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

কী করণীয়:

স্তনের মাপ অনুযায়ী অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে। খুব ছোট বা আঁটসাঁট অন্তর্বাস এড়িয়ে চলতে হবে।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে প্রতিবার দুধ দেওয়ার আগে ও পরে স্তন ও নিপল পরিষ্কার করতে হবে। সব সময় পরিষ্কার কাপড় পরতে হবে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে, যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি থাকে।

দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাহলে হরমোন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ভিটামিন বি–৬, ভিটামিন বি–১ (থায়ামিন) এবং ভিটামিন–ই–সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

যেকোনো ব্যথা, ফোলা, রঙের পরিবর্তন লক্ষ করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

আমি ধন্য এখন সুন্দর একটা সোশাল সাইট পাওয়ার জন্য। ধন্যবাদ মিলিমিশি।

চারিদিকে এত মারামারি কেন? কি হয়েছে আমাদের?

নারীরা বিভিন্ন সময় স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। নানা কারণেই এ ব্যথা হতে পারে। তবে স্তনে ব্যথা হলে অনেক নারীই স্তন ক্যানসার নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্তনে ব্যথা স্তন ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

শরীরে হরমোন পরিবর্তনের কারণে কিশোরীদের মাসিকের সময় স্বাভাবিকভাবেই স্তনে হালকা ব্যথা হতে পারে। অনেক সময় মাসিকের আগেও ব্যথা হয়। এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

অন্তঃসত্ত্বা নারীরা গর্ভকালে স্তনে ব্যথা অনুভব করেন। সাধারণত গর্ভাবস্থার তিন মাস চলাকালে এ ব্যথা শুরু হয়। তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায় এবং অনেক সময় স্তনের ওপর দিয়ে নীল শিরা দেখা যায়। এ সময় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় ও হরমোনের হ্রাস–বৃদ্ধির কারণে এ ব্যথা হয়।


স্তনে ব্যথার একটি অন্যতম কারণ স্তনে প্রদাহ বা মাসটাইটিস। এটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া অথবা ছত্রাকের সংক্রমণে হয়ে থাকে। এমনকি স্তনে যক্ষ্মার কারণেও ব্যথা হতে পারে। ব্যথার সঙ্গে জ্বর আসতে পারে। এ রকম হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

স্তনের ভেতর সিস্ট হতে পারে, যার ভেতর তরলজাতীয় পদার্থ থাকে। স্তনের গ্রন্থি যখন বৃদ্ধি পায়, তখন অনেক সময় সিস্ট হয়। সিস্টের কারণে ব্যথা হয়। বেশির ভাগ সিস্ট নিরীহ হলেও সন্দেহ হলেই দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

মা হওয়ার পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও অনেক নারী স্তনে ব্যথা পান। শিশুকে বুকের দুধ দেওয়ার আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। এতে জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। অনেক সময় স্তনে ঘা বা ফোড়া হয়। জীবাণুর সংক্রমণে এমনটা হয় এবং স্তনে প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

কী করণীয়:

স্তনের মাপ অনুযায়ী অন্তর্বাস ব্যবহার করতে হবে। খুব ছোট বা আঁটসাঁট অন্তর্বাস এড়িয়ে চলতে হবে।

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ালে প্রতিবার দুধ দেওয়ার আগে ও পরে স্তন ও নিপল পরিষ্কার করতে হবে। সব সময় পরিষ্কার কাপড় পরতে হবে।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে, যাতে চর্বি কম ও পুষ্টি বেশি থাকে।

দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। তাহলে হরমোন সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

ভিটামিন বি–৬, ভিটামিন বি–১ (থায়ামিন) এবং ভিটামিন–ই–সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

যেকোনো ব্যথা, ফোলা, রঙের পরিবর্তন লক্ষ করলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

বিশ্ববিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। সম্প্রতি কোরা (Quora)-তে তিনি কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন, সেগুলোর মধ্য একটি
প্রশ্ন: শিক্ষার্থীদের জন্য আপনার উপদেশ কী?
কোন জিনিসের পেছনে ছুটবে, কী কাজে তোমার মূল্যবান সময় ব্যায় করবে – এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আমি তোমাকে দুটো জিনিস বিবেচনা করতে বলব –
১) তুমি যেটা করছ বা করতে যাচ্ছ, সেটা সমাজে, কিংবা মানুষের জীবনে কোনো পরিবর্তন আনবে কী না।
২) কাজটি করে তুমি কতটুকু শিখতে পারবে।

“আপনি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে না পারলে,
অন্তত অন্যায়কারীর পক্ষে তালি বাজাবেন না।”

চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, প্রায় ২০০ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পায় মুখগহ্বরের ঘা-এর থেকেই। বর্তমানে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ থেকে শুরু করে ক্যানসার, এমনকি এইডস-এর মতো মারাত্মক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।
--
মুখে ঘাঁ হলে
# লেবুর শরবত, পানি, লেবু, পেয়ারা, আনারস, কমলা ইত্যাদি বেশি করে খাবেন।
# বেশি করে বিশ্রাম নিবেন।
# বেশি রাত জাগা যাবে না। ঘুম অবশ্যই পরিপূর্ণ হতে হবে।
# দির্ঘদিন স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

উচ্চ শিক্ষা (অনার্স ভর্তি) পদ্ধতিতে এত প্যাচ কেন? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শেষ হওয়ার আগেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি শেষ হয়েছে। ভর্তির সময় আবার HSC আসল মার্কসিট জমা দেওয়া বাধ্যতা মূলক। এখন কথা হলো কেউ যদি পাবলিকে (ঢাবি, রাবি, জাবি)তে চাঞ্চ পেয়ে যায় তাহলে তো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ক্যান্সেল করতে হবে, মার্কসীট তুলতে হবে, ভর্তির টাকাগুলোও আর কোন কলেজ ফেরত দিবে না, এমনকি ভর্তি ক্যান্সেল করতে আবার টাকাও দাবি করবে।
অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম পাবলিক ভার্সিটির পরে শুরু হলে এই বিড়ম্বনা আর থাকে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি দেখার জন্য বিশেষভাবে আবেদন করছি।

অবশেষে আমি
ডিভোর্স পেয়েছি..

1. এখন আমার একটু দেরিতে ঘুম ভাঙ্গলে শুনতে হয় না আমার বাবা মা আমাকে কিছু শেখায় নি।

2. এখন আমার জ্বর আসলে কেউ বলে না রোগ ধরা মেয়েকে বৌ করে ঘরে এনেছি৷

3. এখন আমি ভাত রান্না করতে গেলে কেউ এসে বলে না চাল কি আমার বাবার বাড়ি থেকে এনেছি কিনা।

4. এখন আমি বারান্দায় একটু মন খারাপ করে দাঁড়ালে কেউ বলে না, আমি বাইরের পুরুষ মানুষ দেখার জন্য দাঁড়িয়েছি৷

5. এখন আমার মায়ের ফোন আসলেই কেউ বলে না এত বারবার মেয়ের খোঁজ নেওয়ার কি আছে?

6. এখন আমি না খেয়ে কারো জন্য অপেক্ষা করার পর কেউ বলে না এসব ঢং৷

7. এখন আমি কাঁদতে গেলে কেউ বলে না আমি নাটক করি৷

8. এখন আমি আমার পছন্দের একটা জামা কিনতে গেলে, আমাকে ভাবতে হয় না এই রং টা আমার জন্য নিষিদ্ধ।

9. এখন আমি চুলটা খুলে আয়নার সামনে দাঁড়ালে আমাকে কেউ বলে না আমি বেহায়া৷

10. এখন আমি রান্না করতে গিয়ে আমার হাত পুড়িয়ে ফেললে, আমাকে শুনতে হয় না আমি কোন কাজই পারি না।

11. এখন আমার মা আমাকে একটা জামা দিলে কেউই বলে না এসব মিথ্যে কথা।

12. এখন আমাকে আমার আশেপাশের মানুষ কেমন আছি জিজ্ঞেস করলে আমাকে মিথ্যা বলতে হয় না যে 'আমি ভাল আছি।'

13. এখন আমি প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে আমার স্বামীর হাতের মার খেতে হয় না।

14. এখন আমি আমার অধিকার চাইলে গালি শুনতে হয় না।

15. এখন আমি ক্লান্ত থাকলেও আমার উপর কারো শরীরের খিদা মিটানোর অধিকার নাই।

16. এখন আমি চাকরি করতে গেলে আমাকে কেউ বলে না, তার পরিবারের কোন মেয়ে বাইরে গিয়ে নিজের ট্যালেন্ট দেখায় না।

17. এখন কেউ আমাকে বলে না আমার সার্টিফিকেট গুলো শুধু মানুষকে বলার জন্য যে আমি শিক্ষিত।

18. এখন আমাকে শুনতে হয় না কারো ঘরের অশান্তির কারনটা আমি।

19. এখন আমাকে কোন বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে কেউ ঐখানের বৌ কে উদ্দেশ্য করে দেখায় না আমার বাপের বাড়ি থেকে আমাকে ভরিভরি গয়না দেয় নি।

20. এখন আমার মা অসুস্থ হলেও আমাকে দুদিন যাবৎ কাউকে বুঝিয়ে কাকুতি মিনতি করে আমার মা কে দেখতে আসতে হয় না।

21. এখন আমায় শুনতে হয় না 'ঐ মেয়েটার সাথে বিয়ে করলে আমি সুখী হতাম, তোমার সাথে আমি সুখী নই।'

22. এখন আমাকে রাতের পর রাত জেগে একটা ঘুমিয়ে থাকা মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে ভাবতে হয় না এই মানুষটাকেই কি ভালবেসেছিলাম যে আজ আমাকে মেরেছে?

23. এখন আমি শ্বাস নেওয়ার সময় কারও অনুমতির প্রয়োজন হয় না।
.
.

তবে আমাকে এখন শুনতে হয় অন্যকিছু।

#এক. আমি ভাল না তাই আমি সংসার করতে পারিনি, দোষটা আমারই৷
#দুই. আরো কিছুদিন নাকি আমার সহ্য করার দরকার ছিল।
#তিন. আমার নাকি চুপ করে সহ্য করা উচিত ছিল।
#চার. আমি এখন দুশ্চরিত্রা একটা মেয়ে৷
#পাঁচ. অনেক সিঙ্গেল ছেলে আমাকে দেখে বলে "ডিভোর্সী মাল, একটু পটালেই পাওয়া যাবে"৷
#ছয়. আমার আত্মীয়স্বজন আমার বাবা মাকে বলে "তোমাদের আল্লাদে মেয়ে খারাপ হয়েছে"৷
#সাত. বন্ধুবান্ধব বলে "মা তোর সাথে মিশতে মানা করছে, তুই ডিভোর্সী"৷
.
.
আমার প্রশ্নঃ.........

#a কোথায় ছিলেন আপনারা যখন আমি রাত জেগে কাঁদতাম।
#b. কোথায় ছিল আমাকে নিয়ে এত সমালোচনা যখন আমার চোখের নিচে এত কালি পরেছিল যে আমার চোখ গুলোই দেখা যেত না।
#c. কোথায় ছিলেন আপনারা যখন আমার স্বামী আমাকে নোংরা ভাষায় গালাগালি করত৷
#d. কোথায় ছিল আপনাদের সম্মান যখন আমাকে আমার বাবা মা কে প্রতি মুহুর্তে অপমান করা হত৷
#e. কোথায় ছিল আমার বন্ধু বান্ধব দের চিন্তা যখন আমার বিয়ের পিড়িতে আমার শ্বশুড় শ্বাশুড়ী আমার বাবা মা কে অপমান করছিল আর তারা ঐ মুহুর্তে সেলফি তুলায় ছিল ব্যস্ত।
#f. কোথায় ছিল সবার এই বিবেক যখন আমি শরীরের ব্যথায় কাঁদতে কাঁদতে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পরতাম।
.
.
#সত্যি করে বলুন তো কেউ কি ছিলেন? সংসার ছেড়েছি অন্যায় করেছি আর যেগুলো আমার সাথে হচ্ছিল সেগুলা কি ন্যায় হচ্ছিল? তখন তো কেউ এভাবে আমাকে নিয়ে একটু সচেতনতা দেখান নি.... এখন কেন আপনাদের গল্পের আসরের মূল বিষয় টা আমি? এই দুনিয়ার কোন মেয়ে ই চায় না তার সংসার ভাঙ্গুক। সবাই সুখের আশাতেই আরেকটা মানুষের হাত ধরে। আমিও তো তাই চাইতাম৷ ভুল কয়েকটা মানুষের মাঝে পরে গেছিলাম।
আপনার মেয়ে অথবা বোনের সাথে যদি এমনটা হত তাহলে ভেবে দেখেছেন আপনি কি করতেন! সে জায়গায় আমার এই অবস্থায়... আমার বাবা মা আমাকে আশ্রয় দেওয়াতে আপনারা তাকে খারাপ বলছেন?
কোনটা ভাল হতো বলুন তো? আমি আত্মহত্যা করলে? তখন হয়তো সবার টনক নড়ত৷ বলতেন "আহারে মেয়েটা ভাল ছিল। অনেক সহ্য করছে ঈশ্বর ওর আত্মাকে শান্তি দিক"৷ ফেসবুকে আমাকে নিয়ে তোলপাড় পড়ত "নিড জাস্টিস ফর অমুক/তমুক"৷ কিন্তু যারা জন্ম দিয়েছে তারা কি করত? আমি অন্তত বেঁচে আছি এতেই তারা খুশী।
আপনারা কিছু হলেই কেন মেয়েটার দোষ বের করেন? সম্পূর্ণ ঘটনাটা জেনেই কি সমালোচনা টা করছেন? আমি বেঁচে আছি। ভাল না থাকি অন্তত খারাপ নেই। কাঁদছি না৷ আমি মনে করি... এটা আমার ব্যার্থতা না যে আমি সংসার ছেড়ে এসেছি....এটা তার ব্যার্থতা যে এটা বুঝতে পারেনি... যে একটা মেয়ে তার জন্য একটা পৃথিবী ছেড়ে শুধু মাত্র তার হাত ধরে সম্পূর্ণ জীবন পারি দেওয়ার আশা করেছিল। সম্মান, ভালবাসা, অধিকার ছিল আমার প্রাপ্য৷ যেটা সে দিতে পারে নি। সে পেরেছে আমাকে ভিতর থেকে শেষ করে দিতে।

দয়া করে একটা মেয়ের সম্পর্কে আঙ্গুল তোলার আগে অন্তত সম্পূর্ণ ঘটনা টুকু জানুন। তারপর বিচার করুন!

[সংগৃহীত]

শাশুড়িরা কখনা ‘মা’ হতে জানে না, তারা থাকে রাজত্ব চিকিয়ে রাখার চিন্তায় বউদের দাসী করে রাখার মনোভবে বিভোরিত।

উঠতি বয়সী মেয়েদের যা জানা প্রয়োজন
*********
অটুট থাকুক ভবিষ্যতের লক্ষ্য : একজন ভালো সন্তান, ভালো স্ত্রী, ভালো মা হবার পাশাপাশি একজন ভালো ও সফল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার প্রেরণা দিন তাকে। সে জীবনে কী করতে চায় বা কী হতে চায়, তার জীবনের লক্ষ্য কী হওয়া উচিত এ ব্যাপারে তাকে দিক নির্দেশনা দিন। তাকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করুন।

পরিবার সবার আগে : টিনএজের মেয়েরা ঘরের চেয়ে বাইরের লোকেদের কথা অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। মেয়েকে এটা অনুভব করান যে, একটা মানুষের জন্য পরিবার সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। মূলত একজন নারীই থাকেন পরিবারের শেকড় হিসেবে। মেয়েকে বোঝান, তারও একসময় নিজের পরিবার হবে, সংসারের দায়িত্ব নিতে হবে।

কিছু ব্যাপার গোপন থাক : মেয়েকে নিজের ব্যাপারে কিছু গোপনীয়তা রক্ষা করতে বলুন। বিশেষ অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত লোকদের কাছে। আজকাল সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমের কল্যাণে খুব সহজেই মানুষের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে। আপনার টিনএজ কন্যাটি যেন কোনো সাইবার ক্রাইমের শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। তাকে বলুন, নিজের ফোন নম্বর, বাড়ির ঠিকানা বা এমন কোনো তথ্য কাউকে না জানাতে যাতে সে বিপদে পড়ে। তার ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য যতটা সম্ভব কম লোকজনকে জানাতে বলুন।

সবার জীবনে প্রেম আসে : সবার জীবনেই প্রেম আসে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনি যখন একজন টিনএজ কন্যার মা, তখন আপনাকে এটা মেনে নিতেই হবে যে, আপনার মেয়েরও কাউকে ভালো লাগতে পারে।টিনএজ বয়সটাই হলো অল্পতেই ভালো লাগার বয়স! বিশেষ করে এ সময়টাতেই মেয়েদের আগ্রহ জন্মায় ছেলেদের প্রতি। এই আগ্রহ জন্ম দেয় বিশেষ একজনকে ভালো লাগার। কিন্তু ভালোলাগা আর ভালোবাসা যে এক নয়, তা বোঝার মতো বোধবুদ্ধি থাকে না এ সময়। তাই অনেক মেয়েই ভালোলাগাকে ভুল করে ভেবে বসে ভালোবাসা!

মেয়েকে এটাই বোঝান যে, ভালোলাগা এবং ভালোবাসা এক নয়। আর যদি প্রেম হয়েও যায়, তাকে চাপ প্রয়োগ না করে এটাই বোঝান যে, প্রেম জীবনের সবকিছু নয়, বরং জীবনের একটা অংশ মাত্র! তাই এর পেছনে পড়াশোনা বাদ দিয়ে সময় ব্যয় করা মানে নিজেরই ক্ষতি করা। সাথে এটাও বুঝিয়ে বলুন যে, নির্দিষ্ট সময় এলে সে তার জন্য একজন ভালো সঙ্গী পাবেই।

শারীরিক সম্পর্কের নেতিবাচক দিক : মায়েরা মেয়ের সাথে এ বিষয়টি সম্পর্কে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। অথচ এটা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারণ সাধারণত টিনএজ বয়সের মেয়েরাই চিন্তাভাবনা না করে আবেগের বশে প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে। মেয়েকে অসময়ে বা অপরিণত বয়সে শারীরিক সম্পর্কের কুফল সম্পর্কে জানান, তাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করুন। এর ফলে হওয়া শারীরিক সমস্যা, অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, অকাল গর্ভপাত ইত্যাদির নেতিবাচক দিক সম্পর্কে অবহিত করুন।

পুরুষদের প্রলোভনের ফাঁদ : টিনএজ একটি কমনীয় বয়স, নমনীয় সময়। মেয়েরা এ সময় থাকে সরল, এ সময়েই মেয়েরা তাদের সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন হয়। ফলে কেউ তাদের রূপের প্রশংসা করলে সহজেই অভিভূত হয়। অনেক পুরুষই এর ফায়দা লোটে। সরলতার সুযোগ নেয়। আপনার মেয়েকে পুরুষদের প্রলোভনের ফাঁদ সম্পর্কে অবহিত করুন। তাকে সতর্ক করুন পুরুষদের কুটিল মানসিকতা সম্পর্কে। সংগৃহিত

পিরিয়ডের সময় যে যে কাজ থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবেঃ

সারা দিন একটাই প্যাড পরে থাকবেন নাঃ
পিরিয়ডের সময় কোনও ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে খেয়াল করে প্রতি ৩-৪ ঘন্টা অন্তর অন্তর প্যাডটা বদলে ফেলতে ভুলবেন না যেন!

অনিয়ন্ত্রিত হারে ডেয়ারি প্রোডাক্ট খাওয়া চলবে নাঃ
পিরিয়ডের সময় দুধ, চিজ বা দইয়ের মতো ডেয়ারি প্রোডাক্ট বেশি মাত্রায় খেলে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় শারীরিক কষ্ট মাত্রা ছাড়াতে সময় লাগে না। অর্থাৎ এক্ষেত্রে দুগ্ধজাত খাবার অনেকটা কাটা ঘায়ে লবণের ছেটা দেয় মাত্র। তাই তো এই পাঁচদিন দুধ এবং তা থেকে বানানো খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

ভাজাভুজি খাওয়া চলবে নাঃ
এমনিতেই জাঙ্ক ফুড খাওয়া শরীরের পক্ষে ভাল না। আর এই সময় এমন খাবার খেলে তো আরও বিপদ! প্রসঙ্গত, পিরিয়ডের সময় ফ্রায়েড খাবার খেলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

শারীরিক সম্পর্ক থেকে বিরত থাকতে হবেঃ
এই সময় নিরাপদ শারীরিক সম্পর্ক না করলে গর্ভবতী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কিন্তু বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে সংক্রমণেরও ভয় থাকে। তাই তো এই সময় এমনটা না করাই ভাল। নচেৎ মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হতে পারে।

বেশি মাত্রায় লবণ খাওয়া চলবে নাঃ
একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে, পিরিয়ডের সময় বেশি মাত্রায় লবণ রয়েছে এমন খাবার, যেমন ধরুন ফ্রেঞ্চ ফ্রাই জাতীয় পদ বেশি পরিমাণে খেলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে পিরিয়ডের সময়কার কষ্ট আরও বেড়ে যায়। তাই তো মাসের এই নির্দিষ্ট সময়ে যতটা সম্ভব কম পরিমাণে লবণ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

খালি পেটে থাকা চলবে নাঃ
পিরিয়ডের সময় খালি পেটে একেবারেই থাকবেন না। এই সময় যেহেতু মাত্রতিরিক্ত পরিমাণে এনার্জি লস হয়, তাই এই ঘাটতি পূরণের জন্য ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করাটা একান্ত প্রয়োজন।

কোল্ড ড্রিংক থেকে দূরে থাকতে হবেঃ
এই নিয়মটা না মানলেও কিন্তু শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই সময় এই ধরনের পানীয় খেলে ইউটেরাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বছর পরে গিয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়।

বেশি মাত্রায় শরীরচর্চা করা চলবে নাঃ
এই সময় অল্প বিস্তর শরীরচর্চা চলতে পারে। কিন্তু ইনটেন্স ওয়ার্কআউট করা একেবারেই চলবে না। আর যদি পেটে এবং পিঠে ব্যথা থাকে, তাহলে তো একেবারেই শরীরচর্চা করা যাবে না। এই নিয়মটা না মানলে কিন্তু যন্ত্রণা বাড়বে।

রাত জাগা চলবে নাঃ
এমনিতেই এই সময় শরীর খুব দুর্বল হয়ে যায়। তার ওপর রাত জাগলে শরীরের কাজ করার ক্ষমতা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে আরও অসুস্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। শুধু তাই নয়, ঘুম না হওয়ার কারণে ক্লান্তিভাব এতটাই বেড়ে যায় যে দৈনন্দিন কাজ কর্মেও বাঁধা আসতে শুরু করে। তাই পিরিয়ডের সময় রাত জাগা একেবারেই চলবে না।

শসা খাওয়া যাবে নাঃ
পিরিয়ডের সময় শসা খেলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। আসলে শসাতে উপস্থিত কিছু উপাদান এই সময় শরীরের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে, যে কারণে পরিস্থিত আরও খারাপ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রাকৃতিক কাজ আটকে রাখাঃ
এই বদঅভ্যাসটা অনেকেরই আছে। প্রস্রাব পেলে তা আটকে রাখা কখনোই উচিত নয়। এটি কিডনির ওপরে ভয়াবহ রকমের চাপ ফেলে। বারবার প্যাড পাল্টানোর ভয়ে অনেকেই পিরিয়ডের সময় প্রস্রাব চেপে রাখেন। এটি খুবই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। এই সময়ে একাজ তলপেটের ওপর চাপ ফেলে এবং ব্যথা দীর্ঘসময় থাকে।


পানি কম পান করাঃ
ঘন ঘন প্রস্রাব লাগবে ভেবে অনেকেই এ সময় পানি কম খান। অথচ পিরিয়ডের সময়েই বেশি করে পানি খাওয়া উচিত। প্রচুর পরিমাণে পানি পান শরীরকে দুর্বল হবার হাত থেকে বাঁচায়। এ ছাড়া রক্তের তরল্যের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্যেও এ সময় প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার খাওয়া উচিত।

মিলিমিশিতে এখন নিয়মিত কুইজ দেওয়া হয় না কেন? আর পয়েন্ট কবে থেকে চালু হবে।

ঢাকাতে এত গরম পড়তেছে কেন?

একটি সুন্দর স্বাক্ষাতকারঃ
------
সানজিদা বারী: আমার জন্ম নারায়ণগঞ্জে। এমনকী বেড়ে ওঠাও এই শহরে। নারায়ণগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। সবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেছি।


পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
সানজিদা বারী: পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমার কখনো কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল না। আমি পড়াশোনাটা সব সময়ই উপভোগ করতাম এবং এখনো করি। ভালো ফলাফল বা কোন কিছু পাওয়ার উদ্দেশ্যে কখনো পড়াশোনা করিনি। এমনকী এখনো করি না। জানার জন্য পড়ি এবং মনে হয় প্রচুর পড়ি! আমার মা সব সময়ই বলেন, আমি নাকি বইয়ের মহাসমুদ্রে বসবাস করি। কারণ আমার কক্ষে এবং আমার আশেপাশে আর কিছু পাওয়া যায় না, শুধু বই ছাড়া!

জাতিসংঘে কাজ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন কবে থেকে?
সানজিদা বারী: মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা সব সময়ই ছিল। আমার মনে হয়েছে, মানুষের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের চেয়ে ভালো কোন প্লাটফর্ম হতে পারে না। আমার মনে হয়, মানুষের উচিত দেশ, কাল, পাত্রভেদে সব মানুষের প্রতি সহমর্মিতা, ভালোবাসা এবং মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। যেই ভালোবাসা কাঁটাতারের সীমান্তে ভাগ হয়ে যায়। মানুষের সাথে মানুষের ভেদাভেদ তৈরি করে, সেই ধারণার সাথে আমি একমত নই। জাতিসংঘে কাজ করার মানে হলো পৃথিবীর জন্য কাজ করা এবং বিশ্ব নাগরিক হয়ে ওঠার একটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

আপনার জাতিসংঘ যাত্রার গল্প শুনতে চাই—
সানজিদা বারী: আমার ক্যারিয়ার যাত্রার গল্পটা শুরু করতে হবে কলেজ থেকে। কলেজে পড়ার সময়ে সর্ব প্রথম সাহিত্য, লেখালেখি এবং জীবন সম্বন্ধে ভাবতে শুরু করি। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হই। সেখান থেকে ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং মার্স্টাস অব সোশ্যাল সায়েন্স সম্পন্ন করি। আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ছিল বৈচিত্রময়। আইএলওতে কাজ করার আগে বিভিন্ন এনজিও, বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করেছি। ইউনাইটেড ন্যাশন্স ভলান্টিয়ার্সের যোগাযোগ বিভাগে কাজ করেছি। এছাড়াও অনেক সেচ্ছাসেবী সংস্থায় কাজ করেছি। আমি বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং এখানে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের পাঠাভ্যাস নিয়ে কাজ করেছি। মাঝে কিছু সময় অভিনয়ও করেছি। আমার অভিনীত প্রিয়-অপ্রিয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত।

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কি?
সানজিদা বারী: জাতিসংঘে যারা কাজ করে তাদের বলা হয় ইন্টারন্যাশনাল সিভিল সার্ভেন্ট। তাই এখানে কাজ করার প্রথম ধাপ হচ্ছে- আপনাকে শুধু নাগরিক নয়, বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠতে হবে। নিজের সংকীর্ণ মনোভাব বাদ দিয়ে মানবিক আচরণ করতে হবে। জাতিসংঘে কাজ করার জন্য তিনটি বিষয় খুব জরুরি- অভিজ্ঞতা, ভালো লিখতে পারা এবং তুখোড় বিশ্লেষণী দক্ষতা। এছাড়া ইংরেজিতে ভালো লিখতে এবং কথা বলার দক্ষতা অবশ্যই থাকতে হবে। জাতিসংঘে যোগ দেওয়ার আগে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে এনজিও অথবা অন্য কোন সংস্থায় বা লেখালেখির সাথে যদি কোনোভাবে জড়িত থাকেন, তাহলে সেটা আপনার জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। প্রচুর সহশিক্ষামূলক কাযর্ক্রমে অংশগ্রহণ থাকতে হবে। পাঠ্য বইয়ের বাইরের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, কোন একটা ঘটনাকে বিশ্লেষণ করার দক্ষতা থাকতে হবে। তার জন্য দেশ-বিদেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি সম্বন্ধে ধারণা থাকা প্রয়োজন। আর জেন্ডার সেনসেটিভ হতে হবে। একজন নারী কেন নারী হওয়ার জন্য বৈষম্যের শিকার হয়। পুরুষ কীভাবে নারীকে শোষণ করে। সে সম্বন্ধে সজাগ এবং বিশ্লেষণী দক্ষতা থাকা জরুরি। সচেতন, মানবিক এবং তুখোড় বিশ্লেষণী দক্ষতা হলো জাতিসংঘে কাজ করার প্রধানতম যোগ্যতা।

কারো কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কী?
সানজিদা বারী: আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার মা। তিনি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুও। আমার সব ভালো কাজের পেছনে মা-ই আমার প্রধানতম অনুপ্ররেণা। আর বাবা আমার সব অর্জন নিয়ে বরাবরই গর্বিত। ছোটভাই আমার সব কাজের প্রধান সমালোচক। তাই বলা যায়, আমার পরিবারই আমার প্রধানতম শক্তি। এছাড়া রুমী ও লিও তলস্তয় আমার প্রিয় লেখক। তারাও অনুপ্রেরণার একটা বড় উৎস হিসেবে কাজ করে। আমার জীবনে শিক্ষকদেরও ভূমিকা আছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

কাজ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
সানজিদা বারী: পিঙ্ক ফ্লয়েড আমার প্রিয় ব্যান্ড। তাদের একটা গান আছে। সেই গানের লিরিক্স হচ্ছে এরকম—

হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করি। আমার নিজের এবং আমাদের সমাজের গুণগত পরির্বতন আনার চেষ্টাটা আমি করেই যাবো আজীবন। হয়তো বা সারাজীবন! এছাড়াও নিজেকে শুধু দেশের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। এখন কাজ করছি জাতিসংঘ বাংলাদেশে। ভবিষ্যতে হয়তো বা কাজ করবো অন্য দেশে শ্রমিক অথবা শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে। এছাড়াও লেখক হওয়ার ইচ্ছা আছে। যা জানছি, শিখছি অথবা অনুভব করি, তা জানাতে চাই সবাইকে। তাই অচিরেই বের হবে আমার নতুন বই!

বৃষ্টিতে এবার বিশ্বকাপ যেন বর্ষা কাপ হয়ে গেল।

আজ প্রায় পনের দিন পর মিলিমিশিতে আসলাম। সবাই কেমন আছেন।

গুগল মামাও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করতেছে। ধন্যবাদ গুগলকে।

বুকের দুধ বৃদ্ধি করার ঘরোয়া উপায়
১। গরম দুধ এবং জিরা পান করুন, এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এটি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করে থাকে।
২। প্রচুর পরিমাণে পানি পান, বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা। আর এইজন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করবে।
৪। রসুন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেতে পারেন। এটিও আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাঁচা রসুন খেতে না পারলে রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। এছাড়া এক কাপ পানিতে ৩ কোয়া রসুন দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। পানি কমে অর্ধেক হয়ে আসলে এতে এক কাপ দুধ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে চুলা নিভিয়ে দিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য মধু মিশাতে পারেন। এটি প্রতিদিন সকালে পান করুন।

অবশেষে আরো একবার বিজয়ী হইলাম। ধন্যবাদ মিলিমিশি।

কুইজের অপেক্ষায় বসে থেকে থেকে মাত্র নতুন কুইজ পেলাম।

কিছু অলিখিত ‘কমনসেন্স’
* কখনোই শব্দ করে খাবেন না। আপনার হাড় চিবানোর কড়কড়ে শব্দ অন্যের জন্য বিপত্তিকর কিন্তু। মুখ বন্ধ করে ধীরস্থিরভাবে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
* অন্য কেউ যখন কথা বলবেন, তখন তাঁর কথার মধ্যে তাঁকে থামিয়ে দেবেন না। অন্যের কথা শেষ হলে তারপর কথা বলুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন।
* রেস্টুরেন্টের ওয়েটার, লিফটম্যান কিংবা শপিং মলের সেলসম্যান বা গাড়ির চালক, যাঁরা আপনাকে সেবা দিচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে মার্জিত আচরণে কথা বলুন।
* চুইংগাম খাওয়া শেষে তা যেখানে-সেখানে ফেলবেন না। কাগজে বা টিস্যুতে মুড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলুন।
* সাইকেল পার্কিংয়ে কখনোই অন্যের সাইকেলের সঙ্গে নিজের সাইকেলের তালা বা লক আটকাবেন না।
* শপিং মলে এসকেলেটর সিঁড়িতে পাশাপাশি দুজন দাঁড়াবেন না। এসকেলেটর সিঁড়িতে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে ডান পাশের চলাচলের পথ খালি রাখুন, যেন কেউ হেঁটে উঠতে চাইলে যেতে পারে।
* প্রকাশ্যে মুঠোফোনের লাউডস্পিকারে কথা বলা কিংবা গান শুনবেন না।
* কেউ আপনাকে কোনো সহযোগিতা করলে ধন্যবাদ বলুন। ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলার চর্চা করুন।
* ছোট শিশুদের আদর করার ক্ষেত্রে বাবা-মা কিংবা অভিভাবকের অনুমতি চেয়ে নিন। নবজাতককে স্পর্শ করতে চাইলে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিন।
* প্রত্যেক মানুষেরই একটি ব্যক্তিত্বের বলয় থাকে, তার প্রতি সম্মান দিন।
* অন্যের জন্য দরজা খুলে ধরে রাখা কিংবা চেয়ার টেনে দেওয়ার সৌজন্য চর্চা করুন।
* খাবারের টেবিলে জোর করে কাউকে খাবার প্লেটে তুলে দেবেন না।
* ব্যাংকে কিংবা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে কখনোই কোনো ধরনের লাইন অমান্য করবেন না। আপনার আগে যিনি এসেছেন, তাঁকে সেবা নেওয়ার সুযোগ দিন।
* কারও বাড়িতে বেড়াতে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার, মুঠোফোন ধরবেন না। এমনকি বেড়াতে গেলে অন্যের বেডরুমে উঁকি দেবেন না। অন্যের ব্যক্তিগত ডায়েরি কখনোই পড়বেন না।
* কাউকে বয়স, বিয়ে করেছেন কি না ও বেতন কত, এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবেন না।
* অন্যের বাড়িতে বেড়াতে গেলে বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হলে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
* অফিসে আপনার কাছে অতিথি কিংবা কেউ এলে তাঁর সঙ্গে হাসাহাসি কিংবা জোরে চিৎকার করে কথা বলবেন না।

All Dhaka so jam.

ইয়াহু.. আমি পেরেছি।
আজকের কুইটার উত্তর দিতে অনেক IQ খরচ করতে হয়েছে।

বুকের দুধ বৃদ্ধি করার ঘরোয়া উপায়
১। গরম দুধ এবং জিরা পান করুন, এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এটি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করে থাকে।
২। প্রচুর পরিমাণে পানি পান, বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা। আর এইজন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করবে।
৪। রসুন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেতে পারেন। এটিও আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাঁচা রসুন খেতে না পারলে রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। এছাড়া এক কাপ পানিতে ৩ কোয়া রসুন দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। পানি কমে অর্ধেক হয়ে আসলে এতে এক কাপ দুধ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে চুলা নিভিয়ে দিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য মধু মিশাতে পারেন। এটি প্রতিদিন সকালে পান করুন।

ওয়াও মিলিমিশি দেখি ভালই জনপ্রিয়তা পাইতেছে :)

আমি এমন একটা বানাবো

অনেক কিছু শিখলাম। ফুল স্কিন করে দেখুন

শুধুমাত্র আপুদের জন্য। (ভাইয়ারা দেখবেন না)

হাতি কত শক্তিশালি, ভয় পাইলাম।

সকালে উঠেই এই গজটা দেখে মন ভরে গেল। তার পোস্ট না করে পারলাম নাহ্

happy new year all my friends!

12-Nov-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4191 জন)
প্রশ্নঃ শিশুদের জন্য খেলাধুলা ‘মানসিক বিকাশ” ঘটানোর সহায়ক। খেলা সম্প্রীতির বন্ধন, খেলাধুলা শরীর ও মনকে ভাল রাখে। শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০মি. ব্যায়াম/খেলাধুলা করতে হবে। বয়ষ্কদের খেলা-ধুলার সুয়োগ না থাকলে সকালে/বিকালে কমপক্ষে ১৫-২০মি. দৌড়ান/ব্যায়াম করা উচিত। একটা দৌড় প্রতিযোগিতায় আপনি দ্বিতীয় রানারকে টপকে গেলেন। আপনি এখন এই দৌড়ে কত নম্বরে আছেন?
(A) ১ম স্থানে
(B) ২য় স্থানে
(C) ৩য় স্থানে