About Priya Dutta

আমলকী হলো সবচেয়ে উপকারী ভেষজের মধ্যে একটি। আমলকীর রস স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। আমলকী মানুষের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। এটি আপনি প্রতিদিনই খেতে পারেন এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসে খুবই কার্যকরী। আমলকীর এমন নানাবিধ গুণাগুণ রয়েছে।



তাহলে জেনে নিন আমলকীর এমন কিছু গুণাগুণ সম্পর্কে।

আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি।এটি যকৃতের কোষকে পুনরুজ্জীবন দেয়। আমলকী জন্ডিস নিরাময়েও অত্যন্ত উপযোগী।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আমলকীর রস অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন সি ইনসুলিন উৎপাদনকে নিয়ন্ত্রণ করে। কাঁচা বা রস বের করে অল্প গরম পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।
আমলকী ভিটামিন সি তে ভরপুর। এছাড়াও এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। যা চুল পড়া আটকায়। একইসঙ্গে চুল উজ্জ্বল করে। কাঁচা আমলকী বেটে লেবুর রস মিশিয়ে তা চুলে লাগান। দেড় থেকে ২ ঘণ্টা রেখে দিন। তারপর ধুয়ে নিন।
এটি লিভারকে ভালো রাখতে সাহায্য করে শুধু তাই নয়, লিভারকে সুরক্ষিত রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
প্রায় এক চা চামচ আমলকী গুঁড়া, এক গ্লাস গরম পানির সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন খালি পেটে পান করুন। কোলেস্টেরল লেভেলকে কমাতে এটি অন্যতম ভালো একটি ঘরোয়া প্রতিকার।
নানা রোগেই আমলকী মহৌষধির কাজ করে। এতে থাকা ভিটামিন সি অন্যান্য স্বাস্থ্যকর উপাদান হাইপারটেনশনকে কমায়। এছাড়া রক্তকে গাঢ় হতে দেয় না।
এতে উপস্থিত ভিটামিন সি শরীরে জমে থাকা টক্সিনকে টেনে বের করে দেয়। রোজ সকালে এক চামচ আমলকীর রস খেলে শরীর ও লিভার দুটিই চাঙা থাকবে।
আমলকীতে রয়েছে ভিটামিন সি ও অন্যান্য নানা পুষ্টিগুণ যা গরমে সুস্থ থাকতে ভীষণ প্রয়োজনীয়। অ্যানার্জি বাড়িয়ে দিতে এর জুড়ি নেই। ফলে কাঁচা, সেদ্ধ বা আচার যে কোনোভাবেই আমলকী খেয়ে উপকার পাবেন।
কালো রং বানাতে প্রয়োজন পড়ে এটির। যতটা রং বানাতে চান সেই মতো আমলকী কিনে প্রথমে শুকিয়ে নিন। তারপর সেগুলি সেদ্ধ করুন। সেদ্ধ হয়ে গেলে সারা রাত রেখে দিয়ে পরদিন পানির সঙ্গে মিশিয়ে নিন। দেখবেন কালো রং তৈরি হয়ে গেছে।

বিল গেটস একটি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে খাওয়ার পর বিল গেটস ওয়েটারকে ৫ ডলার বকশিস দিল...
বকসিস পেয়ে ওয়েটার বিল গেটস এর দিকে হা করে তাকিয়ে রইল.... ওয়েটারের কাণ্ড দেখে বিল গেটস জিজ্ঞেস করল "কি হয়েছে? আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?
ওয়েটার বলল "স্যার গতকাল আপনার মেয়ে এইখানে নাস্তা করার পর আমাকে ১০০ ডলার বকসিস দিয়েছেন আর আপনি তার বাবা এবং এত বড় ধনী হয়ে আমাকে মাত্র ৫ ডলার দিলেন?"
বিল গেটস হেসে ওয়েটারকে বলল "সে হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ধনী মানুষের মেয়ে আর আমি হচ্ছি একজন কাঠুরিয়ার ছেলে"
কখনো আপনার অতীতকে ভুলে যাবেন না। অতীত হচ্ছে একজন মানুষের সবচেয়ে ভাল শিক্ষক।

জীবনে ৭ টি জিনিস ত্যাগ করো ১=“প্রতারনা”
২=“ঘৃনা”
৩=“অবহেলা”
৪=“হিংসা”
৫=“পরনিন্দা”
৬=“অহংকার”
৭=“লোভ”

গ্রীন টির উপকারিতা
নিজেকে সুন্দর আর সতেজ রাখতে চান? তাহলে রোজ চা পান করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এক কাপ চা আপনার মন ও মেজেজ তাজা করে দিতে পারে। কিন্তু জানেন কি একধরণের চা এর কথা যা পান করলে শুধু মন নয় আপনার শরীরকেও চাঙ্গা করে তুলবে। এর পাশাপাশি ত্বক ও চুল সুন্দর রাখতে এই চা খুবই কার্যকারী। এটি হল গ্রীন টি সবুজ চা ( Green Tea )। তেঁতো স্বাদের কারণে অনেকেই পান করতে পছন্দ করেন না গ্রীন টি। তবে এর নানাবিধ গুণাবলির কারণে এর জনপ্রিয়তা এবং প্রচলন বাড়ছে । সকালে শুধু এক কাপ পান করলেই আপনার পুরো শরীরের খেয়াল রাখবে। অন্যান্য যেকোনো পানীয়র থেকে সবথেকে উপকারী পানীয় এই গ্রীন টি। আগে এটি ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হত।
শরীরের বিভিন্ন সমস্যা যেমন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে, শরীরের হাড় সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে, রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়, স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়, ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে ।
১. গ্রীন টির সবথেকে বড় গুণ হল এটি যেকোনো ধরনের ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং শরীরে ক্যানসার কে ছড়িয়ে পড়তে বাঁধা দেয়। যেমন স্কিন ক্যানসার, ব্রেস্ট ক্যানসার, লিভার ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার ইত্যাদি যেকোনো ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর মিনারেলস যা শরীরকে সতেজ ও সুস্থ রাখে ।
২. বিভিন্ন গবেশনা থেকে দেখা গেছে যে যাঁরা প্রতিদিন ১ কাপ গ্রীন টি পান করেন তদের তুলনায় যাঁরা প্রতিদিন ৫ কাপ গ্রীন টি পান করেন তদের হার্ট অনেক বেশি ফিট থাকে । এছাড়াও শরীর থেকে খারাপ কোলেসটরেল কমিয়ে আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে ও হার্টকে স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচাতে ভীষণভাবে সাহয্য করে।
৩ . আমরা প্রায় সবাই অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় কখনো না কখনো ভুগেছি । আর এই অতিরিক্ত ওজন কমাতে এর জুড়ি মেলাভার। শরীরের বিভিন্ন অংশের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দেয় গ্রীন টী।
৪ . গ্রীন টি ত্বক ও চুল কে সুন্দর রাখতেও ভীষণ ভাবে উপকারী। তার সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ব্রন , ফাটা ত্বকের সমস্যা এছাড়াও খুশকির মতো কঠিন সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় এই গ্রীন টি। এটি ত্বক ও চুলকে ভেতর থেকে উজ্বল করে।
৫ . গ্রীন টির আরেকটি অসাধারণ গুণ হল এটি আমদের ব্রেনে রক্ত সঞ্চালনকে ঠিক রাখে। তারফলে ব্রেন দ্রুত এবং ঠিকঠাক কাজ করে।
৬ . প্রত্যেক দিন গ্রীন টি পান করলে মুখের দুর্গন্ধ থকেও মুক্তি পাওয়া যায়। গ্রীন টি মুখের মধ্যে থাকা ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণ করে।

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। এই স্বাস্থ্য যদি ভালো না থাকে তাহলে আপনি কি সুখে থাকবেন? পারবেন না। কারণ আপনার শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে কোন কিছুতেই আপনি ভালো থাকা যায় না। তাই সবার আগে চাই সুস্থ শরীর। আর শরীর সবসময় সুস্থ রাখার জন্য আমাদের অনেক নিয়ম মেনে চলতে হয় যা স্বাস্থ্য রক্ষায় খুব প্রয়োজনীয়। কিছু সহজ টিপস যা মেনে চললে আপনি সর্বদাই ভালো থাকবেন। জেনে নিন নিয়মগুলো।
১। যখন আপনি খেতে বসবেন কখনোই একবারে বেশি খাবেন না। অল্প করে খান, তবে একটু পর পর। প্রতিদিন ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
২। অফিসে সবসময় বাসা থেকে লাঞ্চ নিয়ে যান। তাহলে বাইরের খাবার খাওয়া থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। কাজের মঝে অবশ্যই টি ব্রেক নিন। কারণ একটানা কাজ করতে গেলে কিছুটা হলেও শরীরে চাপ পড়ে।
৪। যে কোন জায়গায় লিফট ব্যাবহার করা থেকে বিরত থাকুন। চেষ্টা করুন সিঁড়ি বেয়ে উঠতে।
৫। সবসময় রান্না করার সময় খাবারে লবণের ব্যবহার কম করুন।
৬। প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাইমে ঘুমাতে যান এবং সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠুন।
৭। সলিড ফ্যাট খাবার, যেমন- ফাস্টফুড, ঘি, মাখন, চিজ ইত্যাদি খাবার থেকে নিজেকে দূরে রাখুন।
৮। প্রতিদিন খাবারের মেনুতে সবজি ও মাছ রাখুন। এবং ফল খেতে ভুলবেন না।
৯। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। বাইরে সম্ভব না হলে বাসাতেই ১৫ থকে ২০ মিনিট নিজে নিজে ব্যায়াম করুন। তাহলে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রনে থাকবে।
১০। নিয়মিত নিজের ওজন, ব্লাড প্রেশার, শরীরে গ্লুকোজ এর পরিমাণ চেক করুন। মাসে অন্তত একবার রেগুলার চেকআপ এর জন্য ডাক্তার এর কাছে যান।

যে তিনটি কারণে আমরা
সুইসাইড করি...
জাপানে "সি অফ ট্রি" নামে
একটি বন আছে... যেখানে
কিছুদূর হাঁটলেই দেখতে
পাবেন গাছ গুলোর ডালে
মানুষের কঙ্কাল ঝুলছে ...
প্রতি বছর এখানে প্রচুর মানুষ
সুইসাইড করতে আসে... কেউ
কেউ অনেক দূর দেশ থেকে
টাকা খরচ করে মরতে আসে।
মানুষ নিরিবিলিতে মারা
যেতে পছন্দ করে।
.....মৃত্যুর জন্য এই জায়গাটি
বেছে নেয় কেন জানেন? যেন
কেউ কখনো খুঁজে না পায়...
মানুষ বড় অভিমানী প্রাণী...
মনোবিজ্ঞানীরা এখন
আমাদের বলছে প্রতিটি
সুইসাইডের রক্তে তিনটি
জিনিস মিশে থাকে... ১-
অভিমান ২ – হতাশা ৩–
আত্মবিশ্বাসের অভাব...
......পুলিশ সদর দপ্তরের হিসেব
অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি
বছর সুইসাইড করছে প্রায় দশ
হাজার ! অর্থাৎ গড়ে
প্রতিদিন ২৭ জন !! এই টুকু একটা
দেশে প্রতি ঘণ্টায় ১ জনের
বেশি সুইসাইড করছে !!! এত
অভিমানী কেন আমরা ?
একজন মানুষ সকালে ঘুম থেকে
উঠে অফিস করলেন। ফেরার সময়
মেয়ের জন্য জ্যামিতি বক্স
কিনে আনলেন। রাতে খাবার
খেয়ে নাটক দেখলেন।
ঘুমানোর আগে স্ত্রীর সাথে
ছোট খাট ঝগড়া হল। ঘণ্টা
খানেক পর বিষ খেয়ে
ফ্লোরে পরে আছে ...
......এই ব্যাপার গুলো কেন
ঘটে ? মানুষ সাধারণত একটি
বিশেষ ঘটনায় সুইসাইড করে
না। এই রোগটি সে তার
ভেতরে অনেক দিন থেকে
লালন করে।
.....মানুষের অনুভূতি অনেক
বেশি...মানুষ আত্মহত্যা করে...
পাখিরা কেন করে ? প্রতি বছর
একটি নির্দিষ্ট সময়ে ভারতের
একটি বিশেষ জায়গায় এক
সাথে অনেক পাখি দলবদ্ধ
ভাবে সুইসাইড করে।
এর ব্যাখ্যা কী আমি জানি
না।
.....একজন আমাকে বলেছে ,
সেখানে এক সময় পাখিদের
খাবার ফুরিয়ে আসে... বাচ্চা
পাখি গুলোকে বাঁচার সুযোগ
করে দিতেই বৃদ্ধ পাখিরা
দলবদ্ধ ভাবে আত্মহত্যা করে।
এ নিয়ে বেশ কিছুদিন আগে
আমি একটা গল্প লিখেছিলাম।
গল্পটি সিজোফ্রেনিয়া
রোগে আক্রান্ত একটি পাখি
কে নিয়ে। মারাত্মক সব
ডিলিউশন কী শুধু মানুষের
ক্ষেত্রেই হয় ?
স্কটল্যান্ডের ‘ ওভার টাউন’
ব্রীজের রহস্য কী ? প্রতি বছর শত
শত কুকুর এখানে এসে আত্মহত্যা
করছে। তারা ব্রীজ থেকে
নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ছে... এই
নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা
হয়েছে...
নিশ্চিত করে কেউ কিছু বলতে
পারছে না...
.....কুকুর কিংবা পাখিদের
অভিমান- হতাশা বলে কিছু
থাকতেই পারে... এই নিয়ে
আমার মাথা ব্যথা নাই।
আমার চিন্তা মানুষের
মস্তিষ্ক নিয়ে... এরা চাইলে
এই পৃথিবী ছিদ্র করে ছিদ্রের
ফাঁক দিয়ে বের হয়ে অন্য
পৃথিবীতে চলে যেতে
পারে... এরা কষ্টকে
কেমিস্ট্রির বোতলে ঢুকিয়ে
ল্যাবে গিয়ে গবেষণা করতে
পারে...
.....
এরা বিশাল সাইজের হাতি
দিয়ে সার্কাস খেলে... অজগর
সাপ হাতে নিয়া ঘুরে
বেড়ায়..... মানুষের মত দেখতে
রোবট মানুষ বানায় !
যে রোবটের ভেতর ইমোশন
থাকবে... ! কী আশ্চর্য !
প্রতিটা মানুষই একজন
বিজ্ঞানী...আপনি চাইলেই
দেখবেন ক্ষুদ্র কিছু হলেও সৃষ্টি
করতে পারবেন...
.....প্রতিটি মানুষ একজন
লেখক...একজন গায়ক... একজন
কবি... একজন নেতা...( দেখবেন
কেউ কেউ আছে যারা আপনার
প্রতিটি কথা অক্ষরে অক্ষরে
মানছে )
এই পৃথিবীতে আপনার
উপস্থিতি আপনার মস্তিস্কের
ব্যাবহার অনেক বেশি
প্রয়োজন...সেটা ব্যাবহার
করুন...
.....অভিমান করে চলে যাবার
জন্য আপনার জন্ম হয় নি...
সব থেকে বড় ব্যাপার কী
জানেন ?
একজন ধর্ষক , একজন মাতাল ,
ঘুষখোর , বেশ্যা এরা
প্রত্যেকেই প্রায়শ্চিত্ত করার
সুযোগ পাবে... ; আত্মহত্যা
আপনাকে প্রায়শ্চিত্ত করার
কোন সুযোগ দিবে না...

মায়ের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা অফুরন্ত।যেটা কখনো কোনো কিছুর দ্বারা পরিমাপ করা যায় না।

23-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ বেশির ভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি হল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কিছু জলবিদ্যুৎ ও গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
(A) তামিলনাড়ু
(B) পশ্চিমবঙ্গ
(C) বিহার