About Ms Muskan

লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ক্যানসার হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। লিভার, হাড়, স্টমাক, ব্রেস্ট ও কোলন ক্যানসার থেকে রক্ষা করে লেবুর রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা সবচেয়ে জটিল একটা সম্পর্ক।

কখনো মনে হয় এই মানুষটাকে ছাড়া চলবেই না।

আবার কখনো মনে হয় এই মানুষটার সাথে চলাই যায় না।

যখন মনোমালিন্য হয়, যখন একটা ভুল হয়, আমরা
ভুলে যাই সেই মানুষটাও মানুষ; ফেরেশতা না। যখন তার একটা দোষ চোখে পড়ে, ভুলে যাই আমারও বহু দোষ আছে।

কিন্তু কেন?

আমি সুখি না?

নাকি সুখি হতে চাই না?

একটু থামি আর চিন্তা করি।

হয়ত আজ আমার সাথে যা ঘটেছে তা মন খারাপ করার মতই বিষয়, কিন্তু তাই বলে কি এই সম্পর্কে ভাল কিছুই নেই? পৃথিবীর প্রতিটি সম্পর্ক দেনা পাওনার। তার মাঝে ভালো কিছু না থাকলে তাকে ভালবাসতেই পারতাম না।

এমন কিছু ভাল গুন কি তার নেই যা আমাকে সুখি করে?

এমন কিছু মুহূর্ত কি আমার জীবনে আসেনি যার জন্যে আমি কৃতজ্ঞ থাকব?

এই মানুষটা কি আমার ভরসার একটা মানুষ না?

এই মানুষটা পাশে থাকলে কি আমার নিজেকে নিরাপদ মনে হয় না?

এই মানুষটাই কি সে না যে আমার দোষগুলো সহ্য করে নেয়?

তবে থাক না আজ সে ভুল
তবে থাক না আজ আমি পরাজিত
তবে থাক না আজ রাগটুকু বাক্সে বন্দি
নাহয় আজ নাই বুঝল নিজের ভুল!

খুব কি ক্ষতি?

কি লাভ এ বিজয়ের, যদি সম্পর্কটাই তেতো হয়ে যায়?

এত হিসেব করে কি ভালোবাসা হয়?

যে আমার জন্যে পৃথিবীর সাথে যুদ্ধ করতেও তৈরি, কী আর হয়ে যাবে যদি আজ তার কাছে হেরে যাই?

কী আর হবে?

মানুষটার চেয়ে আমার ইগোর জয় তো বড় হতে পারে না।

হালাল ভালোবাসাগুলো ভালো থাকুক, যত্নে থাকুক।

…………………..
সুখি দাম্পত্য

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিজে) মিয়ানমারকে কয়েকটি অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের এসব নির্দেশনা সর্বসম্মত।এবং মানতে বাধ্য

আজ বৃহস্পতিবার নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত আইসিজে এই অন্তর্বর্তী আদেশ দেন। আদালতের প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবদুলকোয়াই আহমেদ ইউসুফ আদেশ পড়ে শোনান। এ সময় অপর ১৪ জন স্থায়ী বিচারপতি ও দুজন অ্যাডহক বিচারপতি আদালতকক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতের চারটি আদেশ হলো—মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সশস্ত্রবাহিনীগুলোকে সব ধরনের গণহত্যার অপরাধ ও গণহত্যার ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার নির্দেশ, গণহত্যা সনদের ধারা ২ এর আওতায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সব ধরনের সুরক্ষা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা মিয়ানমারকে পূরণ করতে হবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা, নিপীড়ন বন্ধ এবং বাস্তুচ্যুতির মতো পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে মিয়ানমারের বিরত থাকা।

সূত্র:প্রথম আলো

সেই জন্যই আমরা এই উচ্চ শিক্ষার ফল হাতেনাতে পাচ্ছি....

আগে দেখেছেন কখনো 🥺

নোয়াখালি এয়ারপোর্টের
বিমান এটি🙄🙄🙄
২০২০ সালের আবিস্কৃত নোয়াখালী এয়ারলাইন্স যা ১০৯ জন যাত্রী নিয়ে উড়তে সক্ষম, টিকিটের অফার চলছে,,,,,

👉নারীর উর্ধাঙ্গ হল ক্ষুধার্ত শিশুকে খাওয়ানোর জন্য আর নিম্নাঙ্গ হল জন্ম দেওয়ার জন্য। আর আমরা এই মাতৃত্ব সত্বার সঙ্গে প্রত্যেকেই পরিচিত।একই নারী কারোর মা বা বোন কিংবা স্ত্রী আর কন্যা সম্পর্কে সম্পর্কিত।

মায়ের কোলে শুয়ে থাকা শিশুটির কাছে এগুলোর কিছুই না""তার কাছে স্তন গুলো বেঁচে থাকার সম্বল"""!!!"

ছোট্ট চারা গাছ যেমন মাটি থেকে তথা ধরিত্রী থেকে প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করে বেড়ে ওঠে তেমনিভাবে এই শিশুটির কাছেও তাই"""!!!"

“তখন তার কাছে 'মা' হল ধরিত্রী, যিনি তার সন্তানের জন্মের পর থেকে তাঁর চারাগাছ তথা তার সন্তানকে খাদ্য সরবরাহ করে বড় করে তোলে"""!!!"

“আপনি-আমি, আমার সবাই আমাদের মায়ের স্তন পান করেই বেঁচে থেকেছি, ছোট থেকে বড় হয়েছি"""!!!"

কিন্তু সেই পুত্র শিশুই বড় হয়ে কোনো না কোনো নারীর বক্ষ দেখে তাকে ধর্ষন করার ইচ্ছা পোষন করে, তাকে উদ্দেশ্য করে নোংরা ইঙ্গিত করে, বাজে কথা বলে কিংবা নিজেদের শরীরে যৌন সুড়সুড়ি অনুভব করে, ভুলে যায় তার অতীতের কথা"""!!!"

নারীকে নারী দিবসের শ্রদ্ধা জানাতে হবে না, নারীর নির্যাতন বন্ধ করার জন্য মানববন্ধন করতে হবে না, নারীকে ধর্ষিতা হওয়ার অশংকা নিয়ে ঘরের বাইরে বের হতে হবে না; যেদিন পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া নারীর বুকের দিকে পুরুষজাতি লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকাবে না, তার শরীর দেখে নোংরা ইঙ্গিত করবে না, নারীর শরীরকে খাদ্যদ্রব্য না ভেবে নারীকে মানুষ ভাববে"""!!!"

যেদিন পুরুষ নিজেকে পুরুষ না ভেবে মানুষ ভাবতে শুরু করবে, সেটাই হবে পুরুষ জাতির জন্য অনেক বড় অর্জন"""!!!"

পরিশেষে বলি, আপনি নারীর যে অঙ্গ দেখে উত্তেজিত হয়ে পরেন, নোংরা মন্তব্য করেন, নিজের অজান্তেই মানসিকভাবে আপনি পশুতে রূপান্তরিত হন; ভাই ওই অঙ্গের নাম স্তন, যা না থাকলে পৃথিবীর মানব সভ্যতা ৫০ হাজার বছর পার করতে পারত না""!!!"

গুহাবাসী আদিম শিশু গুহাতেই মারা যেত, পাথরে পাথর ঠোকার প্রস্তর যুগই শুরু হতো না"""!!!"

আরও সোজা বাংলায় বলি, আপনার-আমার জন্ম হতো না, মানব জাতির বিকাশ বন্ধ হয়ে যেত, তাই নারী জাতিকে সম্মানের চোখে দেখুন, তাদের মানুষ ভাবতে শিখুন- কারন আপনার মা, বোন, কন্যাও নারী"""!!!"

তাদের দেখেও অপনার মত অন্য পুরুষের মনে নোংরামী করার ইচ্ছা জাগ্রত হতে পারে"""!!!"

অতএব, পরিবর্তন শুরু হোক নিজের থেকেই নিজে বদলে যান, এটা যদি পুরুষ মনে বহন করে তাহলে পৃথিবীর কোন নারীই ধর্ষিতা হবে না।

পশুর কাছে পশু নিরাপদ আছে
আফসোস 👉
মানুষের কাছে আজ মানুষ নিরাপদ নয় 😭

ইহা পেস্টও না ফেসওয়াশও না। এটা পশ্চিম বাংলার বিখ্যাত নলেন গুড়। টিউবে বিক্রি হচ্ছে এই গুড়। নলেন গুড় অর্থ খেজুরের গুড়।

তবে যাই হোক, প্রায় হারিয়ে যেতে বসা খেজুরের গুড়ের এমন অভিনব ব্র্যান্ডিং করে শহরের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া প্রশংসার দাবিদার।

কথাটার গভীরতায় অনেক বেদনা লুকিয়ে আছে।

এক বিদায়ের বেলায় চোখের ধার ভিজে যায়,
নিশ্চুপ কান্নায়----
কেন শিখালে আমায় ভালোবাসা,
কেন জাগিয়েছিলে মোর মনে শত আশা------
যদি এমনি হবে ভেবেছিল তোমার খেলাঘর,
কেন করেছিলে আপন, কেনইবা করলে পর------

দিনটা ছিল ২০১১ সালের ১২ই এপ্রিল ...

বাইশ বছরের একটা মেয়ে লক্ষনৌ থেকে পদ্মাবতী এক্সপ্রেসে উঠেছিল দিল্লী যাবে বলে। রাতের ট্রেন, তাড়াহুড়োয় সে একাই চলেছে।

মনে তার চাপা আনন্দ। CISF এ চাকরিটা এবার বোধ হয় হয়েই যাবে। আর হবে নাই বা কেন? জাতীয়স্তরের ভলিবল খেলোয়াড় সে, সঙ্গে ফুটবলও খেলে মাঝেমাঝেই। স্পোর্টস কোটায় অনেকদিন আগেই তার চাকরিটা হয়ে যাওয়া উচিৎ ছিল, এখনো যে হয়নি এটাই আশ্চর্যের।

মেয়েটা যখন লক্ষনৌ থেকে ট্রেনে উঠল তখন রাত প্রায় বারোটা। হঠাৎ ইন্টারভিউয়ের চিঠি আসায় তাড়াহুড়োয় রিজার্ভেশন কিছুতেই পাওয়া যায়নি, মেয়েটা কোনোরকমে জেনারেল কামরায় একটু জায়গা পেয়ে চুপ করে বসেছিল। ঘুমোলে চলবে না, সঙ্গের ব্যাগে টাকাপয়সা, রেজাল্ট, খেলার সার্টিফিকেট সবই আছে।

তবু একনাগাড়ে বসে থাকলে সবারই ঝিমুনি আসে। তার ওপর রাতের ট্রেন এমনিতেই জোরে চলে। ফলে পদ্মাবতী এক্সপ্রেস যখন চেনাতি ষ্টেশন থেকে জোরে হুইসল বাজিয়ে রওনা দিল, মেয়েটা ঘুমে প্রায় ঢুলে পড়েছে পাশের দেহাতী মহিলাটির কাঁধে। সারাদিন মাঠে প্র্যাকটিস করে এমনিতে ক্লান্ত ছিল, তার ওপর জানলা দিয়ে আসা ঠাণ্ডা হাওয়া, ঘুম তো আসতে বাধ্য।

কামরার অন্য লোকেরাও ঝিমোচ্ছে। কেউ বা তখনো জেগে আছে, হাই তুলছে ঘনঘন।

মেয়েটা একটা ব্যাপার বুঝতে পারেনি, ও যেখানে বসেছিল, তার চেয়ে কয়েকহাত দূরে তিনজোড়া চোখ ওর ওপর সমানে নজর রাখছিল। একা সোমত্ত মেয়ে রাতের সাধারণ কামরায় বিরল তো বটেই, তবে তার চেয়েও বেশি যেটা ওই চোখগুলোকে আকর্ষণ করছিল, সেটা হল মেয়েটার গলায় ট্রেনের দুলুনিতে মৃদুমন্দ দুলতে থাকা খাঁটি সোনার হারটা। টি-শার্টের ফাঁক দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

লোকতিনটে আরো কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল। যখন বুঝল মেয়েটা অকাতরে ঘুমোচ্ছে, ক্লান্ত চোখদুটো একদম বোজা, নিঃশ্বাস পড়ছে একলয়ে, তখন একজন আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়াল।

মেয়েটা বসেছিল লোয়ার বার্থের একদম কোণায়। লোকটা কিছুই হয়নি এমন ভাব করে বাথরুম যেতে যেতে একটুও না ঝুঁকে অভিজ্ঞ হাতটা রাখল মেয়েটার গলায়।

কয়েক মাইক্রোসেকেন্ড। তারপরেই টান মেরে ছিঁড়ে নিল হারটা।

পরিকল্পনাটা ছিল, লোকটা হারটা ছিনিয়ে নিয়েই বাথরুমের দিকে চলে যাবে, আর সেটা মেয়েটা বা অন্য কেউ দেখে ফেলার আগেই বাকি দুজন গিয়ে পরিস্থিতি বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে।

কিন্তু প্ল্যানমাফিক ব্যাপারটা এগোল না। মেয়েটার গলা থেকে হারটা ছিনিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেয়েটার ঘুম ভেঙে গেল, মুহূর্তে কি হচ্ছে বুঝতে পেরে হাত দিয়ে লোকোটার কাছ থেকে হারটা টানতে শুরু করল মেয়েটা।

মুশকো লোকটা পরিস্তিহিত বেগতিক দেখে সেই অবস্থাতেই টানতে টানতে বাথরুমের দিকে চলল। বাকি দুজন লোকও এগিয়ে আসতে লাগল। মেয়েটাও ছাড়ার বান্দা নয়, এই হারটা তার সর্বস্ব, সে হ্যাচড়াতে হ্যাচড়ড়াতে লোকটার সঙ্গে যেতে লাগল, সঙ্গে মুখে চিৎকার করতে লাগল, “চোর! চোর! বচাইয়ে মুঝে!”

অদ্ভুত ব্যাপার! মেয়েটার তারস্বরে চিৎকারে যারা জেগেছিল তারা তো সচকিত হয়ে উঠলই, কামরায় যারা ঘুমোচ্ছিল, তারাও ধড়মড়িয়ে উঠল। কিন্তু তিনটে লোকের সঙ্গে একটা মেয়ে একা লড়ে যাচ্ছে দেখেও তাদের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। তারা শুধু নিজেদের চোখগুল দিয়ে উঁকিঝুঁকি মেরে দৃশ্যটা গিলতে লাগল।

একজনও এগিয়ে এল না।

ওদিকে মেয়েটা লোকতিনটের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে করতে বাথরুমের আগের ফাঁকা জায়গাটায় এসে পড়েছে। ট্রেন ততক্ষণে বেরিলির কাছাকাছি এসে গেছে, হু হু করে হাওয়া ঢুকছে খোলা দরজা দিয়ে।

মেয়েটার হাতদুটো মুচড়ে ধরেছিল একটা লোক, সেই অবস্থাতেই একটা হাত ছাড়িয়ে নিয়ে সে প্রাণপণে ঘুষি চালাল লোকটার মুখে। সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় লোকটা ওর পেটে প্রচণ্ড জোরে হাত দিয়ে আঘাত করল। আঘাতের তীব্রতায় মেয়েটার নাকমুখ কুঁচকে গেলেও সে ততক্ষণে দাঁত বসিয়ে রক্তাক্ত করে দিয়েছে তৃতীয় লোকটার হাত, চামড়া ছিঁড়ে মাংস দেখা যাচ্ছে সেখানে।

মিনিটতিনেকের মধ্যেই লোকগুলো প্রমাদ গুণল। বেরিলি ষ্টেশন আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢুকবে ট্রেন, এই মেয়ে তো সহজে ছাড়ার বান্দা নয়! এত কিল-চড়-ঘুসিতেও ঠাণ্ডা হচ্ছে না!

লোকতিনটে একঝলক নিজেদের মধ্যে চোখাচোখি করল, তারপর চোখ বুলিয়ে কামরার ভেতরের দিকে। সেখানে তখনো অন্তত তিরিশজোড়া চোখ এদিকে উৎসুক নয়নে চেয়ে আছে, কিন্তু কারুর কোন বক্তব্য নেই। নাহ, এদের নিয়ে চাপ নেই।

যে লোকটা হারটা প্রথম ছিঁড়তে গিয়েছিল, সে নিজের ঠোঁটটা চেটে নিল একবার, মেয়েটার দুটো হাতই পেছন দিকে চেপে ধরা আছে, তবু সে পা দিয়ে লাথি কষিয়ে যাচ্ছে।

প্রথম লোকটা ইশারা করতেই প্রায় আলোর গতিতে লোক তিনটে গিয়ে গেল দরজার দিকে, তারপর হু হু গতিতে ছুটতে থাকা ট্রেন থেকে পোড়া সিগারেটের টুকরো ফেলার মত ছুঁড়ে ফেলে দিল বাইশ বছরের জাতীয় স্তরে ভলিবল খেলা মেয়েটাকে।

মুহূর্তে একরাশ কালো শূন্যতা। অন্ধকার হয়ে গেল একটা সোনালী ভবিষ্যৎ। গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গেল অনেক স্বপ্ন।

মেয়েটা ছিটকে পড়ল পাশের রেললাইনের ট্র্যাকে। আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই নিয়তির টানে সেই লাইনে ছুটে এল আরেকটা ট্রেন। ওর বাঁ পা’টা ট্রেন থেকে পড়ে আগেই ভেঙে গিয়েছিল, এবার তার ওপর ট্রেন ছুটে গিয়ে বড় থেকে ছোট, সবরকম হাড়গুলোকে ধুলোর মত গুঁড়ো গুঁড়ো করে দিল। তলপেটে আগে থেকেই রক্তক্ষরণ শুরু হয়েছিল, এখন প্রচণ্ড আঘাতে চিড় ধরল তলপেটের নীচের হাড়গুলোতেও। কোমরের প্রধান হাড়টাও মড়মড়িয়ে ভেঙে গেল।

অমানুষিক কষ্ট সহ্য করতে করতে মেয়েটা জ্ঞান হারাল।

কি ভাবছেন? কষ্টে মুচড়ে উঠছে মন? রাগ হচ্ছে কামরার নীরব দর্শকগুলোর প্রতি?

গল্প এখনো শেষ হয়নি ....

২০১১ থেকে এবার সোজা চলে আসুন ২০১৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি।
হ্যাঁ হ্যাঁ, সেই মেয়েটাই অ্যান্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ 'মাউন্ট ভিনসন' জয় করেছে। বিশ্বের প্রথম মহিলা অ্যাম্পিউইটি হিসেবে।

হ্যাঁ বন্ধুরা, এই ভারতকন্যার নাম অরুনিমা সিনহা।

অরুণিমা ২০১৩ সালেই মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ফেলেছে, তার একটা পা প্রোস্থেটিক, অর্থাৎ অ্যাম্পিউট করা। আর বাকি শরীরটা অজস্র জায়গায় ভাঙা।

একটা রাতের মধ্যে সে যখন জাতীয় স্তরের খেলোয়াড় থেকে প্রতিবন্ধীতে পরিণত হয়েছিল, আশপাশের মানুষগুলর চোখে ফুটে উঠেছিল বেদনা, হতাশা।

আহা! এমন মেয়েটা শেষ হয়ে গেল!

সেই করুণা অরুণিমা নিতে পারেনি। সে কারুর করুণার পাত্রী নয়। সেই ভয়াবহ ঘটনার পর মাসকয়েক হাসপাতালে থেকে সে যখন ছাড়া পেয়েছিল, তারপর থেকেই শুরু করে দিয়েছিল বিরামহীন ট্রেনিং। মাত্র দুইবছরের মধ্যে প্রথম মহিলা অ্যাম্পিউটি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে সে চমকে দিয়েছিল সবাইকে।

সঙ্গে সে শুরু করেছে নিজের সংস্থা অরুণিমা ফাউন্ডেশন যারা দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী শিশুদের খেলায় প্রেরণা জোগায়, সাহায্য করে। ২০১৫ সালে সে পেয়েছে পদ্মশ্রী, সংবর্ধিত হয়েছে দেশেবিদেশে।

গতকাল অ্যান্টার্কটিকার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট ভিনসন জয় করার পর সে জানিয়েছে পৃথিবীর সব উঁচু শৃঙ্গগুলো সে জয় করতে চায়। চূড়ায় উঠে সে বলতে চায়, “দ্যাখো আই এম অন দ্য টপ!"

ছুঁড়ে ফেলে দিতে চায় হতাশা, অসম্ভব, শেষের মত শব্দগুলোকে। পাল্টে দিতে চায় সেই মানুষগুলোর ধারণাকে যারা ভেবেছিলেন ও চিরকালের মত শেষ হয়ে গেছে।

আসুন মন থেকে শুভেচ্ছা জানাই, গর্বিত হই এই ভারতীয়ের জন্য।

এই জয় সে উৎসর্গ করেছে তার সবচেয়ে শ্রদ্ধার ব্যক্তিত্ব স্বামী বিবেকানন্দকে।

রুপোলি পর্দার সামান্য মুচমুচে খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি, কিন্তু এই ধরণের সত্যিকারের হিরোদের আমরা কজন চিনি? কজন জানি?

অরুণিমা-র মত হিরো আরো উঠে আসুক, সমস্ত নেগেটিভিটিকে হেলায় ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়ে জয় করুক তারা স্বপ্ন, এমনই আশা রইল।

যারা প্রতিনিয়ত জীবনসংগ্রামে, পরীক্ষায়, বা সামাজিক সমস্যায় হতাশ হয়ে পড়েন, তাঁদের মনেও কিন্তু কোন এককোণে অরুণিমা সিনহা লুকিয়ে রয়েছে।

দরকার শুধু তাকে মন থেকে বের করে আনার!

👉সফলতার কিছু উপায়,,
যা আমাদের বাড়ির মধ্যেই বিদ্যমান।

➡ছাদ বলে,,লক্ষটাকে উঁচু রাখো।
➡পাখা বলে,,সবসময় ঠান্ডা থাকো।
➡ঘড়ি বলে,,এক সেকেন্ডও নষ্ট করো না।
➡জানালা বলে,,মনকে উদার রাখো।
➡আয়না বলে,, কোন কাজ করার আগে
নিজের যোগ্যতা দেখে নাও।

# Collected.

পরিবর্তন

রোগমুক্তির দুয়া কোনটি পড়বেন?
==============================
আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (সা) নিজের পরিবারের কোন রোগীকে দেখতে গেলে তার ওপর ডান হাত বুলাতেন এবং বলতেনঃ

أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يُغَادِرُ سَقَمَاً

“আল্লাহুমা রাব্বান নাস, আযহিবিল বা’স্ ওয়া আশফি আনতাশ শাফী, লা-শিফাআ ইল্লা শিফাউকা শিফাআন লা-ইউগাদিরু সাকামা।

অর্থ- হে আল্লাহ! হে মানুষের প্রভু! রোগ দূর করুন, আরোগ্য দান করুন, আপনিই আরোগ্য দানকারী, আপনার আরোগ্য ব্যতীত আর কোন আরোগ্য কার্যকর নয়, এমন আরোগ্য যা কোন রোগকে অবশিষ্ট রাখে না।” (বুখারী ও মুসলিম)

আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি সাবিত (র)-কে বলেনঃ তোমাকে কি আমি রাসূলুল্লাহ (সা) যে ঝাড়-ফুঁক করেছিলেন সে ঝাড়-ফুঁক করবো না? হযরত সাবিত (র) বলেনঃ অবশ্যই, করুন। আনাস (রা) বললেনঃ

أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ شِفَاءٌ لَا يُغَادِرُ سَقَمَاً

‘আল্লাহুম্মা রাব্বান নাস, মুযহিবাল বা’স ইশফি আনতাশ শাফী, লা শাফিয়া ইল্লা আনতা শিফাআন লা-ইউগাদিরু সাকামা”

–“হে আল্লাহ! মানুষের প্রভু! বিপদ দূরকারী আরোগ্য দান করুন। আপনিই আরোগ্য দানকারী, আপনি ব্যতীত আরোগ্য দানকারী আর কেউ নেই, এমন আরোগ্য যার পর আর কোন রোগ থাকে না।” (বুখারী)

এমন ঠিকাদার আমাদের দেশে থাকলে
👉বাংলাদেশটা কবেই বদলে যেত।

কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।

কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন! ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি। কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।

কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে। কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!

কেউ বছরে কতোজন ভালবাসার মানুষ বদলে ফেলছে! কেউ শুধু একটা সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে চলছে।

কেউ দামি শাড়ি হাতে পেয়ে তবু খুশি নয়! কেউ তাঁতের নতুন শাড়ির বারবার গন্ধ শুঁকছে।

কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা! কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে।

কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! হিমেল হাওয়ায় কেউ অঘোরে ঘুমোচ্ছে।

কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে
করছেনা। কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!

কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো? কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।

সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! জীবনের নিজস্ব আলাপনে, বাস্তবতার হাত ধরে!!
সংগৃহীত

26-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ ব্যবসা/প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার নিকট থেকে করাতে হয়। কোন প্রতিষ্ঠানকে ‘লিমিটেড’ করার করার কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদন নিতে হয়?
(A) শিল্প মন্ত্রণালয়
(B) জয়েন স্টক
(C) বানিজ্য মন্ত্রণালয়