About Forhad

..........একটা শিক্ষনীয় ঘটনা..........

দুই সন্তানকে ঘরে রেখে, মা-বাবা বাইরে গিয়েছেন।কাজ শেষে ঘরে ফিরে দেখেন,ঘরের বিছানা গুলো এলো মেলো।

মা জোরে ডাকলেন:-বরকত তুমি কোথায়❓বরকত বলল:-এই যে আম্মু,আমি এখানে! সিঁড়িঘরে!মা:-ওখানে কী করছো❓বরকত:-আমি আর ওমর জান্নাত জান্নাত খেলছি বাবা-মা দু’জনেই অবাক হয়ে বললেন হলেন:-এই খেলার নাম তো এর আগে কখনো শুনিনি মা বাবা দু’জনেই ভীষণ কৌতূহলী হয়ে গিয়ে দেখলেন, দুই ছেলে দস্তুরমতো কাঁথা-বালিশ বিছিয়ে দু’জন সিড়ির দুইটা ধাপে শুয়ে আছে।তাদের চোখের সামনে কোরআনুল কারীম খোলা। দু’জনের চোখই কুরআনে নিবদ্ধ। মৃদু স্বরে তেলাওয়াত করছে।
মা বললেন:-কী হচ্ছে এসব❓
বরকত ও ওমর একত্রে বলল:-কথা বলো না, আমরা এখন জান্নাতে আছি
মা রেগে বললেন:-জান্নাতে আছো মানে❓
বরকত বলল:-আজ হুজুর বলেছেন, আখেরাতে হাফেযরা এক আয়াত পড়বে আর জান্নাতের একটা ধাপ চড়বে আমরাও সেটা অনুশীলন করে দেখছি, কেমন লাগে
মা বললেন:-তাই বলে সিড়ির মধ্যে বিছানা বিছিয়ে শুয়েই পড়তে হবে❓
বরকত বলল:-বা রে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সিঁড়ি বাইলে কষ্ট লাগে না বুঝি জান্নাতে কি কষ্ট আছে❓
সন্তানের এই কথা শুনে মা বাবা দুজনেই হতবাক।তারা আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলল,হে আল্লাহ আমাদের সন্তানকে তুমি নেক সন্তান রূপে কবুল কর।(আমিন)
উপদেশঃ ছোট বাচ্চাকে শিশুকালে আপনি যা শিখাবেন সে তাই শিখবে।তাই আসুন আমরা আমাদের সন্তানকে নেক আমল করা এবং দ্বীনের পথে চলতে শিখাই।💞

সত্যি ভাই এটা আমি ছিলাম..............😁

😔😔😔🙏🙏😔😔😔

.নারী (মা) জাতিকে সম্মান করুন .
.ভুলে যাবেন না। যে আপনার ও কখনো পরিবার হবে..🙏

কেউ আপনাকে বাশ দিলে হতাস হবেন না।
বাশটাকে ভেঙে দেখবেন,
ভিতরে বিরিয়ানিও থাকতে পারে...

- মানুষ জীবনে ৬বার হেরে যায় |🙂

- (১) টাকার কাছে |💴
- (২) ভালোবাসার কাছে |💔
- (৩) সময়ের কাছে |🕗
- (৪) বিবেকের কাছে |😞
- (৫) বন্ধত্বের কাছে |👬
- (৬) অবশেষে মৃত্যুর কাছে |😥💔🥀

I'm post korci.......!
😂😂😛

😍SubhanALLAH

Legends Will Understand 😃😂😁

💖💖 কাবা ঘরের পরিচিতি 💖💖
একবারের জন্য হলেও স্বশরীরে কবুল করো মালিক💖💖💖

স্বামী স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর স্বামী রাগ করে অফিসে চলে গেল।
দশ মিনিট পরে স্ত্রীর ফোন "আমি চললাম, তোমার সংসার ছেলে মেয়ে সব ফেলে। যে দিকে দু চোখ যায়।"
স্বামী ঠিক আছে, যাও বলে ফোনটা কেটে দিল। #এটা_বিশ্বাস ।
দুপুরে লাঞ্চ টাইমে বাড়ী এসে দেখে স্ত্রী কোথাও যায় নি বাড়ীতেই আছে এবং রান্না বান্না করে টেবিলে খাবার সাজিয়ে রেখেছে। #এটা_সংসারের_মা
য়া।
এরপর দুজন দুই রুমে মুড অফ করে শুয়ে আছে, কারো কোন কথা নেই। কেউ কাউকে খেতেও ডাকছে না নিজেও খাচ্ছে না।
#এটা_অভিমান ।
বিকেলে স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে কোচিং-এ চলে গেল। #এটা_দায়িত্ববোধ ।
স্বামী বেচারি প্রচন্ড ক্ষুধার্ত হয়ে ডাইনিং টেবিলে গিয়ে দেখে দুটো প্লেট সাজানো, দুটো গ্লাসে জল ঢালা, তারপর কি ভেবে ফিরে এলো রুমে।
এসে স্ত্রীর মোবাইলে টেক্সট করলো, "তুমি যে কারনে যেতে পারোনি, আমিও সে কারণে খেতে পারিনি।"
#এটা_ভালোবাসা ।

- তার পেশা কি সেটা কোনো বিষয় নয়🧔

- সে আমার বাবা এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়🖤

#নবাব®

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার বিপরীতে শান্তি চুক্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছেন জাতিসংঘের দুই জন প্রতিনিধি😂😂

অসাধারণ একটি মুহুর্ত।

মা গ্র্যাজুয়েট হয়েছে আর সেই ছবি তুলছে রাখছে সন্তান।

মা..😘😘

কে তুলেছে জানিনা! এই ছবি দুনিয়ার সেরা ছবির একটা 💟

একমুঠো ভাতের যে কি মূল্য,
সেটা দরিদ্র না হলে বোঝা যায় না.

🤲আল্লাহর বান্দা🤲

অবৈধপ্রেম ও তার ভয়াবহ
পরিনতি______!!

যারা প্রেম নামক হারাম সম্পর্কে
ডুবে আছেন বা ছিলেন তাদের সবাই নিচের হাদিসের কোন না কোন অংশের মাঝে শামিল। অনেকই আছেন যারা প্রতিটি শাস্তির জন্যই উপযুক্ত।

আল্লাহ্ তাদেরকে হিদায়াত দান করুন, তাওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসার তাওফিক দান করুন।

আসোন হাদিসখানা পড়ে নিজে আমল কৱে অন্যকে আমল কৱতে উদ্বুদ্য কৱি .........!!
যে পুরুষ এমন মহিলার দেহে কামনার সাথে হাত দেবে যে তার জন্য হালাল নয়,কিয়ামতের দিন তার হাত তার কাঁধের সাথে বাঁধা অবস্থায় হাশরের ময়দানে উপস্থিত হবে। যদি সে ঐ
মহিলাকে চুমো খায় তবে জাহান্নামে তার ঠোঁট দুটি কাটা
হবে।
যদি সে তার সাথে ব্যভিচার
করে তবে তার উরু কেয়ামতের দিন তার বিরূদ্ধে সাক্ষ্য দিবে এবং বলবে, আমি হারাম কাজের জন্য তার উপর আরোহণ করেছি। তখন আল্লাহ্
তা'আলা তার দিকে ক্রোধের দৃষ্টিতে তাকাবেন এবং তার চেহারার গোশত খসে পড়বে। আল্লাহ বলবেন তুমি কি করেছ?
তখন তার জিহ্বা বলবে,
আমার জন্য যা হারাম ছিল তা বলেছি। তার হাত বলবে আমি হারাম বস্তু গ্রহণ করেছি।
তার চোখ দুটো বলবে আমি
হারামের দিকে দৃষ্টিপাত করেছি।
তার পা দুটো বলবে, আমি হারামের পথে অগ্রসর হয়েছি।

তার যৌনাঙ্গ বলবে, আমি ব্যভিচার করেছি। রক্ষী
ফেরেশতাদের একজন বলবে, আমি শুনেছি এবং অপরজন বলবে আমি তা লিখেছি।
আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন,
আমি এ সম্বন্ধে অবগত ছিলাম
কিন্তু তা গোপন রেখেছি। তারপর আল্লাহ্ তা'আলা বলবেন,
"হে আমার ফেরেশতাগণ! তাকে পাকরাও কর এবং আমার শাস্তির স্বাদ গ্রহণ করাও।
যার লজ্জা নেই তার প্রতি আমার ক্রোধের অন্ত নেই!"
[ইমাম হাফিজ শামসুদ্দীন আয
যাহাবী (র) এর "কিতাবুল কাবায়ের" থেকে উদ্ধৃত]

সবকিছু এখনও শেষ হয়ে যায়নি,
আন্তরিকভাবে তাওবা করে আল্লাহ সুবহানু ওতায়ালার কাছে ফিরে আসলে অবশ্যই তিনি ক্ষমা করবে,আৱ এৱপৱও যে বা যাৱা এমন হাৱাম কাজে লিপ্ত থাকবেন তাদেৱ দুনিয়া আখেৱাতে খবৱ আছে ।।।

প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা
মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।

সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।

১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।

৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।

৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।

৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।

৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।

১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।

১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।

Nice👍👍

অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালায় ।

---- শেক্সপিয়র


মায়ের গর্ভে শিশু প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণ ও করণীয়


অনেক সময় দেখা যায় দুর্ভাগ্যবশত অনেকের প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম হয়ে থাকে। যা একদমই অনাকাঙ্ক্ষিত। কারণ কেউ চায় না তার তার সন্তানটি কোনো প্রকার ত্রুটি নিয়ে পৃথিবীতে আসুক।
অটিজম বা প্রতিবন্ধী কী কারণে হয় এটি সুনির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তবে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম নেয়ার কিছু সাধারণ কারণ রয়েছে। নানান কারণে শিশু অটিস্টিক হতে পারে। এর মধ্যে কিছু জেনেটিক এবং কিছু পারিপার্শ্বিক কারণ রয়েছে। চলুন জেনে নেয়া যাক প্রতিবন্ধী সন্তান জন্ম নেয়ার কিছু কারণ-

বিভিন্ন জেনেটিক ডিজঅর্ডারে অটিজম দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রেট সিনড্রোম, ফ্রেজাইল এক্স সিনড্রোম, ডাউন সিনড্রোম, নিউরাল টিউব ডিফেক্ট বা অনাকাঙ্ক্ষিত জেনেটিক মিউটেশন উল্লেখযোগ্য।

বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে- গর্ভাবস্থায় ভাইরাস সংক্রমণ, ক্ষতিকর ওষুধ সেবন, গর্ভস্থ জটিলতা, পরিবেশ দূষণ, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ বা রেডিয়েশনের প্রভাবে অনেক সময় গর্ভস্থ ভ্রুণের মস্তিষ্ক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে অটিজম হতে পারে। তাছাড়া গর্ভাবস্থায় মায়েদের রক্তক্ষরণ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস, হাই প্রেশারের জন্যও নবজাতকের অটিজম দেখা দিতে পারে।

কোনো ধরনের ভ্যাক্সিনের প্রভাবে শিশুদের অটিজম হবার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অটিজম ছেলে সন্তানদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। পরিবারের একটি সন্তানের অটিজম হলে পরবর্তী সন্তানের অটিজম হবার আশংকা বেশি থাকে। কখনো কখনো অটিস্টিক শিশুদের মা বা বাবার আচার আচরণেও কিছুটা অসামঞ্জস্য থাকা বিচিত্র নয়।

সময়ের আগেই জন্ম নেয়া নবজাতকের যাকে প্রি-টার্ম বেবী বলে তাদের মধ্যে অনেক সময় অটিজম হবার আশংকা বেড়ে যায়।

তাছাড়া মা বা বাবার অত্যাধিক অল্প বয়স কিংবা অত্যাধিক বয়সে জন্ম নেয়া সন্তানদের মধ্যে অনেক সময় অটিজম বেশি দেখা দেয়।

প্রতিকার
গর্ভাবস্থায় নানান জটিলতায় অটিজম হওয়ার শংকা বেড়ে যায় বলে গর্ভাবস্থায় মায়েদের সুষম খাবার, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক নানান রকম ভিটামিন মিনারেল সেবন, যেমন ফলিক এসিড, আয়রন, নুন্যতম চারবার শারীরিক চেক আপ ও প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির মাধ্যমে নবজাতকের অটিজম হবার আশংকা বহুলাংশে কমানো যায়

🐸🐸🐸 বন্ধুরা তোমাদের জন্য নিয়ে আসলাম 🐸🐸🐸

তোমার প্রতি ভালোবাসা অবিরাম

💕💕💕#মা💕💕💕

এইগুলো কি হচ্ছে

🙇...... পুরুষের আত্মকাহিনী ......... 🙇

একবার হলেও পড়বেন

মেয়েরাও পড়বে, একটু হলেও বুজবে

ছেলেরা মাসে ১০,০০০/=টাকা বেতনে চাকরি করে!

বাবার পকেটে খরচের জন্য ১৫০০/=!

মায়ের ওষুধের জন্য ১৫০০/=!

বউয়ের জন্য ১০০০/= টাকা!

ফ্যামিলি চালানোর জন্য ৪০০০/= বিকাশ

করেও!

দিব্যি ২০০০/= টাকায় মাস চালিয়ে নিতে জানে।

মাসে ১০,০০০/=টাকা মাইনের ছেলেটা বেতন পেয়ে! বউয়ের কাছে বলতে জানে " তোমার জন্য

কি পাঠাবো...?

সামান্য বেতন পাওয়া যে ছেলেটা নিজের পুরনো জুতো বদলাবে ঠিক করেছে , সেই ছেলেটাই মার্কেটে গিয়ে পরিবার আর বাবুর

জন্য জুতো কিনে নিজের ছেঁড়াজুতো সেলাই করে মাসের-পর-মাস পড়তে জানে।

উপোস পেটে কাজে গিয়ে মাকে বলতে জানে আমি

মাছ দিয়ে ভাত খেয়েছি তোমরা খেয়েছো তো...?

১০৩ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে কাজে গিয়ে বাবাকে বলে

' আমি অনেক ভালো আছি তোমরা ভালো আছো তো..?

নিজের পকেট ফাঁকা জেনেও বউকে বলে ' একটু

ধৈর্য ধরো সামনের মাসে তোমার জন্য একজোড়া বালা কিনে দিব',,,,

ছেলেরা এমনই অনেক অনেক কিছু জানে,,,,,,,

সকালবেলা লোকাল বাসে ঝুলে অফিসে যেতে জানে,

লেট হলে বসের ঝাড়ি খেতে জানে,৫ টার অফিস রাত ৮ টা পর্যন্ত করতে জানে,

অফিস থেকে ফিরতে লেট হলে বউয়ের,বাচ্চার,মা বাবার কাছে জবাব দিতে জানে,

রিস্কা ভাড়া বাচিয়ে হেঁটে হেঁটে বাড়ী আসার পথে বাবুর জন্য মজা কিনতেও জানে।

শুধু জানে না প্রকাশ্য চোখের জল ফেলতে

ছেলেদের জীবন মানেই কষ্ট

এটাই হলাম আমরা ছেলেরা ।

তুলসি পাতার অসামান্য ৩১ স্বাস্থ্য উপকারিতা
তুলসী একটি ঔষধিগাছ। তুলসী অর্থ যার তুলনা নেই। সুগন্ধিযুক্ত, কটু তিক্তরস, রুচিকর। এটি সর্দি, কাশি, কৃমি ও বায়ুনাশক এবং মুত্রকর, হজমকারক ও এন্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবে বিশেষ করে কফের প্রাধান্যে যে সব রোগ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে তুলসী বেশ ফলদায়ক। মানুষ একসময় প্রকৃতি থেকেই তাঁর অসুখ বিশুখের পথ্য আহরন করতো। বিভিন্ন গাছ , লতা , পাতা বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ব্যবহৃত হতো। এসবে কোন পার্স প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষ যত আধুনিক হচ্ছে, এসবকে পরিত্যাগ করছে। তবে চীন এবং ভারতে এই ভেষজ চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে।

১। নিরাময় ক্ষমতা

তুলসী পাতার অনেক ঔষধি গুনাগুণ আছে। তুলসি পাতা নার্ভ টনিক ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি কারী। এটা শ্বাস নালী থেকে সর্দি–কাশী দূর করে। তুলসীর ক্ষত সারানোর ক্ষমতা আছে। তুলসী পাকস্থলীর শক্তি বৃদ্ধি করে ও অনেক বেশি ঘাম নিঃসৃত হতে সাহায্য করে।

২। জ্বর ভালো করে

তুলসীর জীবাণু নাশক, ছত্রাক নাশক ও ব্যাক্টেরিয়া নাশক ক্ষমতা আছে। তাই এটা জ্বর ভালো করতে পারে। সাধারণ জ্বর থেকে ম্যালেরিয়ার জ্বর পর্যন্ত ভালো করতে পারে তুলসী পাতা।

– আধা লিটার পানিতে কিছু তুলসী পাতা ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে ফুটিয়ে নিন
– এক্ষেত্রে তুলসী ও এলাচ গুঁড়ার অনুপাত হবে ১:০.৩
– জ্বাল দিতে দিতে মিশ্রণটিকে অর্ধেক করে ফেলুন
– মিশ্রণটির সাথে চিনি ও দুধ মিশিয়ে ২-৩ ঘণ্টা পর পর পান করুন
– এই মিশ্রণটি শিশুদের জন্য অনেক কার্যকরী।

বিভিন্ন প্রকার জ্বরে তুলসীপাতার রসের ব্যবহার অনেকটা শাস্ত্রীয় বিষয় হিসেবে পরিচিত। বিশেষত ঋতু পরিবর্তন হেতু যে জ্বর, ম্যালেরিয়া জ্বর এবং ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসায় এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে সমাজে। এর জন্য কচি তুলসীপাতা চায়ের সাথে সেদ্ধ করে পান করলে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ হয়ে থাকে।

*. একিউট জ্বরে তুলসীপাতার সেদ্ধ রসের সাথে এলাচিগুঁড়া এবং চিনি ও দুধ মিশিয়ে পান করলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। গলক্ষতের জন্য তুলসীপাতা সেদ্ধ পানি পান করলে এবং গারগল করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

তুলসী পাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে ফুসফুসীয় সমস্যায়। ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, কাশি এবং ঠাণ্ডাজনিত রোগে তুলসী পাতার রস, মধু ও আদা মিশিয়ে পান করলে উপশম পাওয়া যায়। ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে তুলসী পাতার রস, লবণ ও লবঙ্গ মিশিয়ে পান করলে ফল পাওয়া যায়। এ ধরনের রোগের ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতা আধা লিটার পানিতে সেদ্ধ করতে হয় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষন তা অর্ধেকে পরিণত হয়।

৩। ডায়াবেটিস নিরাময় করে

তুলসী পাতায় প্রচুর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও এসেনশিয়াল অয়েল আছে যা ইউজেনল, মিথাইল ইউজেনল ও ক্যারিওফাইলিন উৎপন্ন করে। এই উপাদান গুলো অগ্নাশয়ের বিটা সেলকে কাজ করতে সাহায্য করে( বিটা সেল ইনসুলিন জমা রাখে ও নিঃসৃত করে)। যার ফলে ইনসুলিন এর সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায়। এতে ব্লাড সুগার কমে এবং ডায়াবেটিস ভালো হয়।

৪। কিডনি পাথর দূর করে

রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।

৫। ক্যান্সার নিরাময় করে

তুলসীর অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি কারসেনোজেনিক উপাদান ব্রেস্ট ক্যান্সার ও ওরাল ক্যান্সার এর বৃদ্ধিকে বন্ধ করতে পারে। কারণ এর উপাদানগুলো টিউমারের মধ্যে রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। উপকার পেতে প্রতিদিন তুলসীর রস খান।

৬। তুলসীপাতার রস শিশুদের জন্য বেশ উপকারী। বিশেষত শিশুদের ঠাণ্ডা লাগা, জ্বর হওয়া, কাশি লাগা, ডায়রিয়া ও বমির জন্য তুলসীপাতার রস ভালো কাজ করে। জলবসন্তের পুঁজ শুকাতেও তুলসীপাতা ব্যবহৃত হয়।

৭। মানসিক চাপ কমায়: মানসিক চাপে অ্যান্টিস্ট্রেস এজেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানসিক অবসাদ প্রশমনে এমনকি প্রতিরোধে তুলসী চমৎকার কাজ করে। কোনো সুস্থ ব্যক্তি যদি প্রতিদিন অন্তত ১২টি তুলসীপাতা দিনে দু’বার নিয়মিত চিবাতে পারেন তাহলে সেই ব্যক্তি কখনো মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হবেন না বলে গবেষকরা জানিয়েছেন। কর্টিসলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে মানসিক চাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। স্নায়ু শিথিল করে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা মানসিক চাপ সৃষ্টিকারী ফ্রি রেডিকলকে নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত অবসাদ এবং মানসিক চাপ অনুভূত হলে ১০ থেকে ১২টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন, উপকৃত হবেন।তুলসীর স্ট্রেস কমানোর ক্ষমতা আছে। সুস্থ মানুষও প্রতিদিন ১২ টি তুলসী পাতা চিবালে স্ট্রেস মুক্ত থাকতে পারবেন।

৮। মুখের ঘা দূর করতেঃ তুলসী পাতা মুখের আলসার ভালো করতে পারে। মুখের ঘা শুকাতেও তুলসীপাতা ভালো কাজ করে। মুখের ইনফেকশন দূর করতে তুলসীপাতা অতুলনীয়। প্রতিদিন কিছু পাতা (দিনে দুবার) নিয়মিত চিবালে মুখের সংক্রমণ রোধ করা যেতে পারে। চর্মরোগে তুলসীপাতার রস উপকারী। দাউদ এবং অন্যান্য চুলকানিতে তুলসীপাতার রস মালিশ করলে ফল পাওয়া যায়। ন্যাচার অ্যাথিতে শ্বেতীরোগের চিকিৎসায় তুলসীপাতার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

৯। মাথা ব্যথা ভালো করতে পারে।এর জন্য চন্দনের পেস্ট এর সাথে তুলসী পাতা বাটা মিশিয়ে কপালে লাগালে মাথাব্যথা ভালো হবে।

১২। তুলসী পাতা রক্ত পরিষ্কার করে, কোলেস্টেরল কমায় ।

১৩। পোকায় কামড় দিলে তুলসীর রস ব্যবহার করলে ব্যথা দূর হয়।

১৪। ডায়রিয়া হলে ১০ থেকে বারোটি পাতা পিষে রস খেয়ে ফেলুন।

১৫। তুলসীর বীজ গায়ের চামড়াকে মসৃণ রাখে। বীজ সেবনে প্রস্রাবের মাত্রা বেড়ে থাকে।

১৬। চোখের ক্ষতে এবং রাতকানা রোগে নিয়মিত তুলসীপাতার রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহারে ফল পাওয়া যায়। দাঁতের সুরক্ষায় তুলসীপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে দাঁত মাজলে দাঁত ভালো থাকে। এ ছাড়া সরিষার তেলের সাথে তুলসীপাতার গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাঁত মাজলেও দাঁত শক্ত থাকে। মুখের দুর্গন্ধ রোধে তুলসীপাতার মাজন ভালো ফল দিয়ে থাকে।

১৭। তুলসীর বীজ পানিতে ভিজালে পিচ্ছিল হয়। এই পানিতে চিনি মিশিয়ে শরবতের মত করে খেলে প্রস্রাবজনিত জ্বালা যন্ত্রনায় বিশেষ উপকার হয়। এছাড়াও তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন ।

১৮। মুখে বসন্তের কাল দাগে তুলসীর রস মাখলে ঐ দাগ মিলিয়ে যায়। হামের পর যে সব শিশুর শরীরে কালো দাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে তুলসী পাতার রস মাখলে গায়ে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে।

১৯। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে দিনে ৪-৫ বার তুলসী পাতা চেবান ৷

২০। ত্বকের চমক বাড়ানোর জন্য, এছাড়াও ত্বকের বলীরেখা এবং ব্রোন দূর করার জন্য তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগান ৷

২১। কোন কারনে রক্ত দূষিত হলে কাল তুলসিপাতার রস কিছুদিন খেলে উপকার পাওয়া যায়। শ্লেষ্মার জন্য নাক বন্ধ হয়ে কোনো গন্ধ পাওয়া না গেলে সে সময় শুষ্ক পাতা চূর্ণের নস্যি নিলে সেরে যায়। পাতাচূর্ণ দুই আঙ্গুলের চিমটি দিয়ে ধরে নাক দিয়ে টানতে হয়, সেটাই নস্যি।

২২। তুলসি পাতার রসে লবন মিশিয়ে দাদে লাগালে উপশম হয়।

২৩। যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে, তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

২৪। সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস পান করলে খাবার রুচী বাড়ে।

২৫। ঘা যদি দ্রুত কমাতে চান তাহলে তুলসী পাতা এবং ফিটকিরি একসঙ্গে পিষে ঘা এর স্থানে লাগান, কমে যাবে ৷

২৬। তুলসী মূল শুক্র গাঢ় কারক। তুলসী পাতার ক্বাথ, এলাচ গুঁড়া এবং এক তোলা পরিমাণ মিছরী পান করলে ধাতুপুষ্টি সাধিত হয় যতদিন সম্ভব খাওয়া যায়। এটি অত্যন্ত ইন্দ্রিয় উত্তেজক। প্রতিদিন এক ইঞ্চি পরিমাণ তুলসী গাছের শিকড় পানের সাথে খেলে যৌনদূর্বলতা রোগ সেরে যায়।

২৭। চোখের সমস্যা দূর করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।

২৮। শরীরের কোন অংশ যদি পুড়ে যায় তাহলে তুলসীর রস এবং নারকেলের তেল ফেটিয়ে লাগান, এতে জ্বালাপোড়া কমে যাবে। পোড়া জায়গাটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং পোড়া দাগ ওঠে যাবে।

২৯। চর্মরোগে তুলসী পাতা দূর্বাঘাসের ডগার সংগে বেটে মাখলে ভালো হয়ে যায়।

৩০। পেট খারাপ হলে তুলসীর ১০ টা পাতা সামান্য জিরের সঙ্গে পিষে ৩-৪ বার খান ৷ হাগু একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে!!! মানে পায়খানার ওই সমস্যাটা আর কি!

৩১। মানবদেহের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে তুলসীর পাতা অনন্য। এতে রয়েছে জীবাণুনাশক ও সংক্রমণ শক


বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে যেসব ভুল কখনই করবেন না

গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সচেতনতার মাধ্যমে এসব দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

দেখে নিন বাসায় গ্যাস সিলিন্ডার থাকলে যেসব ভুল কখনোই করা যাবে না-

গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্গে যে রাবার পাইপটি থাকে, সেটিতে ‘বিএসটিআই’ ছাপ থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু তার সঙ্গে আরও একটি বিষয় খেয়াল রাখুন। গ্যাসের পাইপটি যেন দৈর্ঘ্যে এক থেকে দেড় ফুটের বেশি লম্বা না হয়। সে ক্ষেত্রে পাইপ পরীক্ষার সময়ে অসুবিধা হবে।

রেগুলেটরের নজেলটি যাতে পাইপ দিয়ে ভালো করে কভার করা থাকে সেটা লক্ষ্য রাখুন। গরম বার্নারের সঙ্গে যাতে গ্যাসের পাইপ কোনভাবে লেগে না থাকে এদিকেও নজর রাখতে হবে।

পাইপটি নিয়মিত ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। কিন্তু ভুলেও সাবান পানি ব্যবহার করবেন না। ২ বছর পরপর অবশ্যই পাইপটি বদলে ফেলুন।

পরিষ্কার রাখার জন্য গ্যাসের পাইপটিকে কোন রকমের কাপড় বা প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস দিয়ে মুড়ে রাখবেন না। যদি পাইপটি মুরে রাখা হয় তাহলে পাইপটি ফেটে গেলে বা লিক হলে ধরা পড়বে না।

গ্যাস লিক হচ্ছে বুঝতে পারলে বাড়ির কোনও ইলেক্ট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স অন করবেন না। ওভেন, রেগুলেটর বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিন।

গ্যাস লিক করার পরে যদি কিছুক্ষণের মধ্যে গন্ধ আসা বন্ধ না হয়, তাহলে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরের অফিস বা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করুন। সিলিন্ডার থেকে রেগুলেটর আলাদা করে দিয়ে সিলিন্ডারের মুখে সেফটি ক্যাপও পরিয়ে দিতে পারেন।

খালি সিলিন্ডার থেকে গ্যাসের রেগুলেটর খোলার সময় আশপাশে কোনও মোমবাতি বা প্রদীপ জাতীয় জিনিস যাতে না জ্বলে, তাও খেয়াল রাখুন।

একটি ঘরে দুটি সিলিন্ডার রাখার জন্য অন্তত ১০ বর্গফুট জায়গা থাকা জরুরি। এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখবেন না, যেখানে সহজেই তা অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে।

সিলিন্ডারের ওপরে কখনোই কোনও কাপড়, বাসন ইত্যাদি রাখবেন না।


দূর হোক চোখের নিচের কালি
সুন্দর এক জোড়া চোখ সবারই কাম্য। চোখকে সুন্দর করে উপস্থাপন করে তোলার জন্যই এতো প্রসাধনী আর প্রচেষ্টা। চোখকে সুস্থ ও সুন্দর রাখার জন্য প্রয়োজন চোখ সহ চোখের পাপড়ি ও চোখের উপরিভাগ এবং নীচের মাংসপেশীর যত্ন।

বিভিন্ন কারণে চোখের নীচে কালি জমতে পারে বা চোখের পাপড়িতে ময়লা জমে অসুখ হয়। সামান্য কিছু স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচর্যা আপনার চোখকে করবে আরো বেশী আকর্ষণীয়।

চোখের নীচে কালি জমে যাবার কারণ ঃ

১।অতিরিক্ত রাত জেগে পড়া, টিভি দেখা বা কম্পিউটারে কাজ করা এবং দিনে সঠিক ভাবে বিশ্রাম না নেয়া। বিশ্রাম নেয়া মানে ঘুমানো নয়। অরিক্তি কাজের পরে বিশেষত চোখ ও চোখের পাতা বন্ধ করে রাখলে চোখের বিশ্রাম হয়।

অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্যও চোখের নীচে কালি জমতে পারে। যদি সঠিক সময়ে খাওয়া না হয় দীর্ঘদিন যাবৎ এমন অনিয়ম হলে এই সমস্যা হয়।

২।অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যাতেও এমন হয়। দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড (দেহের জন্য জরুরী উপাদান) বের হয়ে গেলে রক্তে অম্ল ক্ষারের সাম্যাবস্থাতে বিঘ্ন ঘটে। তখন প্রচুর পরিমাণে লবণ পানি বা পানি খেতে হয়। এই সমস্যাতে চোখের নীচে বসে যায়। অতিরিক্ত ঘেমে যাবার পরেও এই সমস্যা হতে পারে (খেয়াল রাখতে হবে, উচ্চ রক্ত চাপের রোগীরা রান্না ব্যতীত লবণ খাবেন না। কাঁচা লবণ দ্রুত রক্তচাপ বাড়ায়)।

৩।টাকা বাঁচানোর জন্য যেন তেন কোম্পানির তেল, প্রসাধনীর বিরুপ প্রতিক্রিয়ার জন্য চোখের নীচে কালি জমনে পারে।অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক অবসাদ, পারিবারিক ভাবে চোখের নীচের গঠন, দীর্ঘ বছর যাবৎ উচ্চ রক্তচাপ বা জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল খাওয়ার জন্যও এমন হতে পারে। তবে সবার ক্ষেত্রে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পিল (ট্যাবলেট) বা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের জন্য চোখের নীচে কালি জমে না।

৪।সঠিকভাবে মুখ পরিষ্কার না করলে দিনের পর দিন ময়লা জমে চোখের নীচে কালি, চোখের পাতাতে ইনফেকশানও হতে পারে। চোখের মেকআপ সঠিকভাবে নিয়মিত পরিষ্কার না করলেও চোখের পাপড়িতে রোগ জীবাণু আক্রমণ করে, হতে পারে ইনফেকশান বা এ্যালার্জি জাতীয় যাবতীয় সমস্যা।

৫।মেয়াদ উত্তীর্ণ কম দামী, অখ্যাত কোম্পানীর প্রসাধনীও তৈরী করতে পারে চোখের নীচে কালি।

মারাত্বক ডায়রিয়া, বড় কোন অপারেশন, গর্ভাবস্থা, সন্তান জন্ম দানের পরে, অতিরিক্ত বমি বা ডায়রিয়া।

৬।ফেসিয়াল করার সময় চোখের নরম মাংসপেশীতে অসাবধানতা বশত ঘষাঘষির জন্যও দাগ হতে পারে। প্রথর রোদের তাপে দীর্ঘক্ষণ থাকলে চোখের ও উপরে কালি জমে। দীর্ঘদিন কড়া রোদে থাকলে দাগ স্থায়ী হয়ে যায়। রক্ত শূন্যতা, হঠাৎ করে প্রচুর ব্যায়াম, আবহাওয়ার পরিবর্তনও এই অবস্থার জন্য দায়ী।

চোখের নীচে কালি প্রতিরোধে করণীয়ঃ

১। নিয়মিত মুখ, মাথা সহ পুরো শরীর পরিষ্কার রাখতে হবে। সৌন্দর্যের আশাতে প্রসাধনী ব্যবহারের পূর্বে যাচাই, বাছাই না করে ব্যবহার করবেননা।

সানস্ক্রীন ক্রীম চোখের নীচে ও পাতার উপরে লাগাবেন না। পরিহার করুন মেয়াদ উত্তীর্ণ প্রসাধনী, খাবার, অতিরিক্ত রৌদ্রের তাপ, দীর্ঘ দিন যাবৎ রাত জেগে পড়া বা ল্যাপটপে কাজ করা, হঠাৎ করে কঠোর ভাবে ব্যায়াম বা ওজন নিয়ন্ত্রণ করা।

ধীরে ধীরে খাবার নিয়ন্ত্রণ করুন। হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যায়াম ও খাবার নিয়ন্ত্রণে বিরূপ প্রভাব পড়ে ত্বক, চুল, নখ, চোখের নীচের মাংসপেশী ও হাড়ের উপর।

২।একই প্রসাধনী দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহারের পরিবর্তে ভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত রাত জাগা, দুশ্চিন্তা, দীর্ঘ বছর যাবৎ জন্ম নিয়মন্ত্রণ বড়ি পরিহার করুন।

পান করুন প্রচুর পরিমাণে পানি। এতে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসট্রিকের পরিমাণও কমবে। আর পানি দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌছে দেয়। নিয়মিত ও প্রচুর পানি পান করলে এবং তৈলাক্ত খাবার তুলনামূলক ভাবে কম খেলে চোখের নীচে কালি পড়বে কম।

৩।অতিরিক্ত ঘেমে যাবার পরে ওরস্যালাইন বা লবণ পানি খান। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে লবণ পানির পরিবর্তে লেবুর শরবতন খেতে পারেন।

ডায়াবেটিস থাকলে অনুচিৎ, খুব বেশি ঘেমে গেলে রক্তের চিনির মাত্রাও অনেক সময় কমতে পারে। এক্ষেত্রে খেতে পারেন। তবে পরিমাণে সামান্য চিনি খাওয়াই ভালো।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা ও ব্লাড প্রেসার মাপাবেন। দীর্ঘ বছর যাবৎ একই রকম ডায়াবেটিস বা প্রেশারের ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অনেক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চোখের নীচে কালি জমতে পারে।

৪।দৈনিক রাতে ৬-৭ ঘন্টা ঘুম ভীষণ জরুরী। বাহির থেকে এসে সঠিক ভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মেকআপ থাকলে তা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত প্রসাধনীর পরিবর্তে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পাশ্বপ্রতিক্রিয়া কম থাকে। রোদে বের হলে ছাতা বা সানগ্লাস ব্যবহার করবেন। খুব ক্লান্তিতে কাজের ফাঁকে ১৫-২০ মিনিট চোখের পাতা বন্ধ করে রাখুন। একটা তুলা হালকা ভিজিয়ে রাখতে পারেন। এতে ময়লা পরিষ্কার হয় আর সেই সাথে চোখের মাংসপেশীর বিশ্রাম হবে।

৫।ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম এর মাত্রা অল্প থেকে ধীরে ধীরে বাড়ান। মৌসুমী ফল, শাক সব্জি দেহের প্রতিটি অঙ্গের জন্য ভীষণ জরুরী। বিশেষত শাক, ছোট মাছ চোখের পাতা ও মাংসপেশীর পুষ্টির জন্য অপরিহার্য্য। আর দূর করতে হবে বিষন্নতা বিষন্নতাতেও চোখের নিচে কালি জমে।

বাংলাদেশে অনেক উন্নত হচ্ছে,,

তবে ঘন কুয়াশার কারনে দেখা যায় না😂😂

পেঁপের পুষ্টিগুণ
(১) পাকা পেঁপে কালো দাগ দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে আক্রান্ত স্থানে ভালো করে ঘষে দিন। আধা ঘণ্টা রাখুন, তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ৩/৪ বার এভাবে করতে থাকেন। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে তোলে।

(২) হজমশক্তি কমে গেলে অম্বল হয়ে যায়, মুখে চোকা ঢেকুর ওঠে, পেট ব্যথা শুরু হয়। কখনো চিনচিনে ব্যথা, কখনো ভয়ঙ্কর ব্যথা হয়। কখনো কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না আর কখনো পেট খারাপ হয়। শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীরে অবসাদ দেখা দেয়। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম আছে যা খাবার হজমে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও প্রচুর পানি ও দ্রবণীয় ফাইবার আছে। হজমের সমস্যায় যে সকল মানুষ ভুগে থাকেন তারা নিয়মিত পাকা বা কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন।

(৩) রক্ত আমাশয় দেহের অনেক বড় সমস্যা। প্রত্যেহ সকালে কাঁচা পেঁপের আঠা ৫/৭ ফোঁটা ৫/৬ টি বাতাসার সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। ২/৩ দিন খাওয়ার পর রক্তপড়া কমতে থাকবে।

(৪) যে কোনো প্রকারের কৃমি হলে, পেঁপের আঠা ১৫ ফোঁটা ও মধু ১চা চামচ একসঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এরপর আধা ঘন্টা পরে উঞ্চ পানি আধ কাপ খেয়ে তারপরে ১ চামচ বাখারি (শসা-ক্ষীরার মতো এর স্বাদ) চুনের পানি খেতে হয়। এভাবে ২ দিন খেলে কৃমির উপদ্রব কমে যাবে। কৃমি বিনাশের ক্ষেত্রে পেঁপে এটি ফলপ্রদ ওষুধ।

(৫) চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।

আল্লাহু আকবর,,,

মা কইছিলো আনার খাইলে রক্ত হবে এখন দেখি আনার ই রক্ত শূন্যতায় ভুগছে 🐸🤣

নিন্দা থেকে সাবধান

- অতিরিক্ত সরল হতে যেওনা...💔

- এই স্বার্থপর সমাজ তোমাকে ঠকিয়ে দিবে...😢

23-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ বেশির ভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি হল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কিছু জলবিদ্যুৎ ও গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
(A) তামিলনাড়ু
(B) পশ্চিমবঙ্গ
(C) বিহার