About HM. Shariful Islam $

‘‘বার্নিং ফুট সিনড্রোম’’ হলো পা জ্বালাপোড়া ও অতিরিক্ত ভার এ ধরনের এক অনুভূতি। এ সমস্যায় যে কেউ ভুগতে পারে। তবে ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সে এবং ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে যে কেউ এ রোগে আক্রান্ত হয়। পুরুষের তুলনায় মহিলারা বেশি ভোগে।
কারণ :
১. ভিটামিন বি-এর উপাদান যেমন : থায়ামিন (বি-১), পাইরোডোক্সিন (বি-৬), সায়ানোকোবালামিন (বি-১২), নিকোটানিক এসিড ও রাউবোফ্ল্যাভিন-এর অভাবে পা ও লেগ জ্বালা এবং ব্যথা করে।
২. অসঙ্গত বিপাকীয় প্রক্রিয়া ও গ্রন্থি সমস্যা (ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরোডিসম)।
৩. কিডনি ফেইলুর (হিমোডায়ালাইসিস রোগী)।
৪. যকৃত (লিভার) ফাংশন খারাপ।
৫. কেমোথেরাপি।
৬. দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মদপান।
৭. ইলফিটিং বা ডিফেক্টিভ জুতা পরিধান।
৮. এলার্জি জনিত কাপড় ও মোজা ব্যবহার করা।
৯. বংশানুক্রমিক অসঙ্গত স্নায়ু পদ্ধতি।
১০. স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ (ইনট্রাপমেন্ট) ও সংকোচন (কমপ্রেসন)।
১১. মানসিক পীড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিও এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন।

করণীয় :
চিকিৎসার শুরুতেই রোগের ইতিহাস, রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষা থেকে কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে যে, প্রতিকার ও চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায়।
★সুপরিমাপের খোলা ও আরামদায়ক জুতা পরিধান করতে হবে। আরামদায়ক সুতার মোজা ব্যবহার করা উত্তম।
★পায়ের পেশির ব্যায়াম ও ঠান্ডা পানির (বরফ না) সেঁক উপসর্গ নিরাময়ে অনেক উপকারী।

★রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সেবন করতে হবে এবং চিকিৎসায় ভিটামিন ইনজেকশন পুশ করতে হবে।
★ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে।

ডাঃ আমিনুল ইসলাম
MBBS

বাংলাদেশের প্রথম কোরআন এর ভাস্কর্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় অবস্থিত।

ব্যাঙ্গালোর ফিরে আসে দিল্লিতে...

সেই এক রানের পরাজয়। সেই মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের তিন বলে দুই রান নিতে না পারার আক্ষেপ। সেই স্তব্ধ হওয়া বাংলাদেশের ড্রেসিংরুম, সঙ্গে আমাদের পিনপতন নীরবতা।

চিন্নাস্বামীর সেই স্তব্ধতা ফিরে আসে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। তবে এবার শেষে জয়োল্লাস করে বাংলাদেশ দল। উইকেটে সেই মুশফিক আর রিয়াদ। এবার ভুল নয়, ভুল থেকে শিখে জয়ের আনন্দে ভাসার। মুশফিকের টানা চার বলে চার বাউন্ডারি, শেষে রিয়াদের ম্যাচ জেতানো ছয়। প্রথমবার ভারতের বিপক্ষে টি২০ জয়, সেটাও ভারতের মাটিতে।

দিল্লির অন্ধকার কাটিয়ে আলো হয়ে ওঠেন মুশফিক, রিয়াদরা। আক্ষেপ ঘোচানোর আনন্দে মেতে উঠুন রিয়াদ, মুশিরা।
লেখা: রিফাত এমিল

পুরস্কার- সম্মাননা।

১. ২০১৭ সালের (১৪২৩ বাংলা) আনন্দ পুরস্কার পান কে?
= ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

২. কমনওয়েলথ যুব পুরস্কার ২০১৬ লাভ করেন কোন বাংলাদেশী?
=সওগাত নাজবিন খান (ময়মনসিংহ )

৩. ২০১৫ সালে কোন বাংলাদেশী সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন?
= সেলিনা হোসেন।

৪. ২০১৫ সালে কোন বাংলাদেশী 'চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন?
= শেখ হাসিনা।

বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা: বলেছেন, ‘যে আমাদের ছোটদের (শিশুদের) স্নেহ ও মমতা করে না এবং আমাদের বয়স্কদের সম্মান ও মর্যাদা সম্পর্কে জানে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়’ (আবু দাউদ ও তিরমিজি)।

• মিনা কার্টুনের মিনারও আজ বিয়ে হয়ে গেছে।সেও আজ ঘর-সংসার সামলাতে ব্যস্ত।
• সিসিমপুরের ইকরি, সিকু, হালুম, টুকটুকিও আজ ভার্সিটিতে পড়ে।
• টম আর জেরিতো এখন বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছে।
• মিস্টার বিন এখন ব্যস্ত হলিউড নিয়ে।
• টেস্টে লারার ৪০০ রান আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।
• রক, আন্ডারটেকার, জন সিনাকেও আজকাল মারপিট করতে দেখা যায় না।
• মেসি, রোনালদো তো আগের মতো আর ড্রিবলিং করতে পারে না।
• "ইত্যাদি" তেও আজ রসকস নেই।
• "Boost" কিনলে আজ ব্যাট ফ্রি দেয়না।
• ঈদেও আজকাল তেমন আজ আনন্দ নেই।
• চিপসের প্যাকেটের সাথেও আজ স্টিকার, খেলনা, সৈন্য ফ্রি দেয় না।
• নোকিয়ে ফোনের সাপটাও আজ বুড়ো হতে হতে মৃত প্রায়।
• মান্না, রুবেলের ফাইটিং সিনগুলোতে আর "মার, মার" বলে চিল্লানো হয় না।
• তক্তা দিয়ে বানানো ব্যাট আর ৪ জনে মিলে ২০ টাকা দিয়ে কেনা বলে আর ক্রিকেট খেলা হয় না।
ছোটবেলায় ভাবতাম কবে বড় হবো। আজ বড়ো হয়ে ভাবছি, I wish I were a child again.
বড়ো হয়ে কর্মব্যস্ততা, লেখাপড়া আর প্রযুক্তির চাপে আজ আমরা জীবনের আসল আনন্দগুলিই ভুলতে বসেছি।আহ! কি সুন্দরই না ছিলো সেই সোনালী দিনগুলি।ছিলোনা কোনাকিছুর চাপ, ছিলোনা কোনো কৃত্তিমতা। ছিলো অসীম ভালোবাসা।মায়ের কোলে মাথা রেখে গল্প শোনা, বাবার সাথে রোজ বাজারে যাওয়া, বন্ধুদের সাথে প্রতি বিকেলে খেলতে যাওয়া, সিসিমপুরের নতুন এপিসোডের জন্য অপেক্ষা করা আরও কতো কি!
কিন্তু সবার উপরে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে।বড় হয়ে গেছি আমরা।ব্যস্ততার চাপে ওইসব আর মনে পড়ে না তা ঠিক কিন্তু ডিপ্রেশনে থাকা অবস্থায় ওইসব দিনগুলোকে মনে পড়লে মুচকি হাসিটা আটকে আর রাখা যায় না!
আজও যখন ছোটোরা আমাদের সামনে বসে টম এন্ড জেরি দেখতে থাকে তখন বড় বড় ভাবটা নেয়ার জন্য তাদেরকে চ্যানেলটা চেঞ্জ করতে বলি।কিন্তু মন চায়, বৃষ্টির দিনে দোকান থেকে ১০ প্যাকেট পটেটো ক্রাক্যার্স কিনে এনে শুয়ে তা খেতে খেতে কার্টুন দেখতেই একটা দিন পার করে দেই!
ভালো ছিল সেই সোনালি অতীতটা।
MD Rubel Amin

হতাশ হওয়ার কিছু নেই, পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক।
১) একজন কয়েদীর কথা জানি। কয়েদী নাম্বার ৪৬৬৬৪।
২৭ বছর জেলে থাকার পরেও উনি নোবেল শান্তি পুরষ্কার জিতেছেন।
- তিনি "নেলসন মেন্ডেলা"
২) আরেক পিতৃপরিচয়হীন যুবকের কথা জানি।
থাকার কোনো রুম ছিল না তার, বন্ধুদের রুমের ফ্লোরে ঘুমাতেন। ব্যবহৃত কোকের বোতল ফেরত দিয়ে পাঁচ সেন্ট করে কামাই করতেন, যেটা দিয়ে খাবার কিনতেন। প্রতি রোববার রাতে তিনি সাত মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ মন্দিরে যেতেন শুধু একবেলা ভালো খাবার খাওয়ার জন্য।
- তিনি অ্যাপল এবং পিক্সার অ্যানিমেশন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও- "স্টিভ জবস"
৩) আরেক যুবকের নাম জানি, মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম। তাঁকে বলা হয় হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে সফল ড্রপ আউট। স্যাট পরীক্ষায় ১৬০০ নম্বরে ১৫৯০ পান তিনি।
কিন্তু কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরির নেশায় তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাম কাটান। ড্রপ আউট হওয়ার ৩২ বছর পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন তিনি।
- তিনি "বিল গেটস"
৪) আরেক এতিমের কথা জানি।
১১ বছর বয়সে এতিম হন। ১২ বছর বয়সে ঘর থেকে পালিয়ে যান। হতাশ হয়ে ১৯ বছর বয়সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। অনেক বিখ্যাত বইয়ের লেখন তিনি তার মধ্যে “আমার বিশ্ববিদ্যালয়” একটি, যদিও তিনি কোন দিন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করা সুযোগ পান নাই।
- তিনি বিখ্যাত লেখক, নাট্যকার আর রাজনীতিবিদ "মাক্সিম গোর্কি"
৫) আরেকজন, বাবার সাথে মুদি দোকান করতো। পরিবারের এতই অভাব ছিলো যে- স্কুল নাগাত পড়েই তাকে থেমে যেতে হয়েছিলো। সেই ব্যাক্তিই একসময় হয়ে উঠে বিরাট বিপ্লবী নেতা।
- তিনি চীনের প্রতিষ্ঠাতা "মাও সেতুং"
৬) অভাবের তাড়ানায় কুলিগিরি করতো। একদিন বাসের কন্ডাক্টরের কাজের জন্য গেলে তাকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। যে যুবকটি অংকে পারদর্শী নয় বলে বাসের কন্ডাক্টর হতে পারেনি, পরবর্তীতে সে-ই হয় ব্রিটেনের অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী। - - নাম "জন মেজর"
৭) আরেক ছেলের, বাবা-মা এতই গরিব ছিলো যে, তার জন্মের পর নাম রেজিস্ট্রি করতেই দু’দিন দেরি হয়। কে জানেন?
সে-ই আজকের ফুটবল কিংবদন্তী!
- নাম "রোনাল্ডো"
৮)বাবা ছিলো জেলে। ছেলেকে সাথে করে বাবা মাছ ধরতো কারন অন্য স্বাভাবিক আর ১০ জন থেকে তিনি পানির নিচে মাছকে খুব ভাল ভাবে দেখতে পেতেন।
- সেই জেলের ছেলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট সুপারস্টার "জয়সুরিয়া"
৯) পড়ালেখায় মারাত্মক দুর্বল ছিলেন তিনি। কোন কিছু মনে থাকত না। ক্লাস এর শেষ বেঞ্চে বসে থাকেন। ফেল করেছেন বারবার। ক্লার্ক এর চাকরিও করছেন তিনি। পুরো পৃথিবীকে অবাক করেছেন তিনি তার থিউরি অফ রিলিটিবিটি দিয়ে। নোবেল ও জিতেছেন তিনি।
- তার নাম "আলবার্ট আইনস্টাইন"
১০) ক্লাস এর সবচেয়ে দুর্বল ছাত্র ছিলেন তিনি। স্কুল থেকে বহিস্কারও করা হয়েছে তাকে। পৃথিবী তিনি আলোকিত করেছেন তার আবিষ্কার দিয়ে।
- তার নাম "টমাস আলভা এডিসন"
১১) উল্টা লিখতেন তিনি শব্দগুলোকে। পড়ালেখায় একদম শুন্য। উড়োজাহাজ আবিস্কারের ৪০০ বছর আগে তিনি উড়োজাহাজের মডেল এঁকে গেছেন।
- তিনি "লিওনার্ড দ্য ভিঞ্ছি"
১২) পরীক্ষায় তিনি সব সময় ফেল। ২২ টা একাডেমিক পুরষ্কার জিতেছেন জিব্বদশায়। তিনি মিকি মাউস, ডোনাল্ড ডাক এর জন্মদাতা। মিকি মউসের গলার স্বর তার নিজের দেওয়া।
- তিনি "ওয়াল্ট ডিসনি"
১৩) শব্দের খেলা তিনি বুজতেন না। 7 নাম্বার কে তিনি বলতেন উল্টা নাক!!!! এই স্প্যানিশ ভদ্রলোক একজন কবি, লেখক, পেইন্টার, কেমিস্ট, স্টেজ ডিজাইনার, ভাস্কর।
- তিনি "পাবলো পিকাসো"
পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষই ইউনিক, তার ভাবনাগুলি তার মতই। সবাই যা পারে, আমাকেও তা-ই পারতে হবে, এমন কিছুতো নয়!!!!
শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দিয়ে নিজেকে প্রমান করতে হবে কেন? আমাদের সমস্যাটা ওখানেই। আমাদের প্রত্যেক ঘরে ঘরে Toppers আর Rankers চাই।
সবাইকেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার, ম্যাজিস্ট্রেট হতেই হবে!!!!
আঙ্গুলকে টেনে লম্বা করতেই হবে, যে ভাবেই হোক......!!!
দরকার হলে আঙ্গুল ভেঙ্গে যাক!!! একটা কথা মনে রাখ
""পৃথিবীতে সবাই জিনিয়াস, কিন্তু আপনি যদি একটি মাছকে তাল গাছ বেয়ে ওঠার ক্ষমতা দিয়ে বিচার করেন, তবে সে সারাজীবন নিজেকে অপদার্থই ভেবে যাবে""
আলবার্ট আইনস্টাইন।
(সংগৃহীত।)

https://www.aladdin.social/register?ref=HMSharifulIslam135

#রক্তদান সম্পর্কিত কিছু নতুন নিয়মাবলী

1)সাধারণভাবে, 18 থেকে 65 বছর বয়স পর্যন্ত রক্তদান করা যাবে। কিন্তু দাতা যদি প্রথমবারের জন্য রক্তদান করেন, তাহলে, বয়স 60 অতিক্রম করলে চলবে না। Age of first donor should not exceed 60years.

2)দুটি রক্তদানের মধ্যে gap বা অন্তর, পুরুষদের ক্ষেত্রে 90 দিন বা তিনমাস, এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে 120 দিন বা চারমাস হতে হবে।
Single donor platelet এর ক্ষেত্রে, সর্বাধিক একটি সপ্তাহে দুইবার এবং একটি বছরে সর্বোচ্চ 24 বার দান করা যাবে।

3)ব্লাড প্রেশার সর্বোচ্চ 160/100 এবং সর্বনিম্ন 110/60 হলে রক্ত দেওয়া যাবে।
প্রেশারের ওষুধ চললেও রক্তদান করতে বাধা নেই, কিন্তু---
ক)গত চার সপ্তাহের মধ্যে ওষুধ পরিবর্তন করে থাকলে কিংবা
খ)গত চার সপ্তাহের মধ্যে ওষুধের ডোজে তারতম্য হলে কিংবা
গ)গত চার সপ্তাহের মধ্যে ওষুধের সংখ্যা ডাক্তারের দ্বারা বাড়ানো হলে,
রক্ত দেওয়া যাবে না।

4)ডায়াবিটিস থাকলে রক্ত দিতে চাইলে, সর্বশেষ রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট আর ওষুধের প্রেসক্রিপশন সঙ্গে রাখতে হবে। একই কথা থাইরয়েডের রোগ থাকলেও প্রযোজ্য।

5)জেলবন্দি কয়েদী রক্ত দিতে পারবেন না।

6)রূপান্তরকামী বা তৃতীয় লিঙ্গের কেউ, রক্ত দিতে পারবেন না। Transgenders and hermaphrodites cannot donate blood.

7)শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রক্ত দেওয়ার অন্তরায় নয়। যদি তাঁর অন্যান্য কোনো রোগ না থাকে আর হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে, যে কোনো শারীরিক প্রতিবন্ধী রক্ত দিতে পারেন।

8)কোনো মানসিক প্রতিবন্ধী রক্ত দিতে পারবেন না।

9)ছোটখাটো অপারেশন বা দাঁত তোলার পরে ছ'মাস রক্ত দেওয়া যাবে না।
বড় অপারেশন, টাইফয়েড, জন্ডিসের পরে একবছর রক্ত দেওয়া যাবে না।
ম্যালেরিয়া হলে তিনমাস রক্ত দেওয়া যাবে না।
ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া হলে ছ'মাস রক্ত দেওয়া যাবে না।
কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত ব্যক্তি কোনোদিনই রক্ত দিতে পারবেন না।

10)শরীরে কোথাও ট্যাটু করালে, আগে ছ'মাস রক্ত দেওয়া যেতো না, এখন এক বছর দেওয়া যাবে না।

11)কোলেস্টেরল কমানোর ওষুধ, ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের ওষুধ, ব্যথার ওষুধ বা জ্বরের ওষুধ খেলে রক্ত দিতে বাধা নেই।
Antibiotic খেলে কোর্স শেষ করার বাহাত্তর ঘন্টার আগে রক্ত দেওয়া যাবে না।

12)হেপাটাইটিস বি এর টিকা নেওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে রক্ত দেওয়া যাবে না।
টিটেনাস টক্সয়েড ইনজেকশন নেওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে রক্ত দেওয়া যাবে না।
কুকুরের বা অন্য কোনো জন্তুর কামড়ের পরে,জলাতঙ্কের টিকা নিলে, এক বছর রক্ত দেওয়া যাবে না।

13)মহিলারা ঋতু চলাকালীন রক্ত দিতে পারেন, যদি বেশি স্রাব না হয়, এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক থাকে।

14)মহিলারা সন্তানকে স্তন্যপান করালে রক্ত দিতে পারবেন না।
গর্ভপাতের তিনমাসের মধ্যে রক্ত দেওয়া যাবে না।প্রসবের এক বছরের মধ্যে রক্ত দেওয়া যাবে না।

15)মদ্যপ ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবেন না।মদ্যপানের বারো ঘন্টার মধ্যে রক্ত দেওয়া যায় না।
Regular and habitual drinkers cannot donate blood.

16)উপবাসী অবস্থায় রক্ত দেওয়া যাবে না।আবার পূর্ণ উদরেও রক্ত দেওয়া যাবে না। হালকা কিছু খেয়ে রক্ত দেওয়া উচিত। ভরাপেট থাকলে অন্তত দুই ঘন্টা অপেক্ষা করে তবেই রক্ত দিতে হবে।

17)কোনো বিদেশী নাগরিকের রক্ত নেওয়া যাবে না। কারণ, তাঁর স্থায়ী বাসস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য বেশিরভাগ সময়েই জানা সম্ভবপর হয় না। যদি তাঁর বাসস্থান এমন কোনো জায়গায় হয়, যেখানে সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে(endemic areas of communicable diseases), তবে রক্তসুরক্ষার সঙ্গে আপস করা হয়ে যাবে।
Courtesy:প্রফেসর ভাস্কর সাহা

যে কোনো একটা চাঞ্চল্যকর হত্যার পরপরই টিভি সাংবাদিকরা ক্যামেরা হাতে নিয়ে ছুটে যান ভিক্টিমের বাসা বা বাড়িতে। সেখানকার হৃদয় বিদারক দৃশ্য দেখতে হয় প্রতিবার।
ট্রেডটা বরং এখন বদলে যাক। এবার ক্যামেরা ছুটে যাক চিহ্নিত অপরাধীদের বাসায়।
ভিক্টিমের বাসার চিত্র কখনো বদলায় না। এ দেশের প্রতিটা মা সন্তান হারিয়ে বিলাপ করেন। মাটিতে বা মেঝেতে হাত চাপড়ে বুক চাপড়ে সন্তানদের নাম মুখে নেন। বিলাপ করতে করতে স্মরণ করেন সন্তানের সাথে তাঁর শেষ স্মৃতি। শেষ কী কথা হয়েছে, সন্তান কী খেতে চেয়েছিল সর্বশেষ, সন্তানের স্বপ্ন কী ছিল সে সব সুর করে করে বলেন প্রতিটা মা।
বাবারা কাঁদেন নিঃশব্দে। তাদের মুখের চেহারা বদলে যায় অবর্ণনীয় যন্ত্রণায়। তারা বিলাপ করেন না বা করতে পারেন না। চোখ দিয়ে অশ্রু ধারা বর্ষণ করতে করতে আশেপাশের মানুষদের বলেন সন্তানের স্বপ্ন বা স্মৃতি। প্রতিটা বাবাই মিডিয়ার মাইকে বলেন "আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই। ফাঁসি চাই যারা আমার ছেলে/মেয়েকে হত্যা করেছে।"
পাত্র-পাত্রী বদল হয়, কিন্তু দৃশ্যগুলো সব সময় একই থাকে। কয়েক সেকেন্ডের মিডিয়া ফুটেজে মানুষগুলো যেন একটা নাটকের চেনা চরিত্রে অভিনয় করে ভিন্ন ভিন্ন সময়।
হ্যাঁ, এই দৃশ্য আর না দেখালেও চলে। আমরা কল্পনাতে সন্তান হারানো প্রতিটা বাবা মায়ের আর্তি দেখতে সক্ষম। এবার ক্যামেরা ছুটে যাক ভিন্ন ঠিকানায়।
যে সব নরপশু একেকটা তাজা প্রাণ নিতে পারে অবলীলায় তাদের বাবা মা কে দেখানো হোক টিভিতে।
মাকে প্রশ্ন করা হোক তিনি যে বস্তুটিকে ২৮০ দিন পেটে রেখেছিলেন সেটা এক সময় খুনী হবে ভেবেছেন কখনো?
সর্বশেষ বার যখন ছেলেকে খাবার খাইয়েছেন তখন জানতেন তার ছেলের পক্ষে মানুষ খুন করা সম্ভব?
খুনীর মা হিসেবে অনুভূতিটা কেমন হচ্ছে?
বাবাকে ধরে আনা হোন ক্যামেরার সামনে।
সন্তানটিকে কীভাবে মানুষ থেকে খুনীতে পরিণত হলো তার জবাবদিহি চাওয়া হোক। প্রশ্ন করা হোক, ছেলের কৃতিত্বে তিনি কতটা গর্বিত?
প্রশ্ন করা হোক, ছেলের কী পরিমাণ শাস্তি তিনি চান?
প্রশ্ন করা হোক, ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হলে তিনি মানতে পারবেন কিনা?
প্রশ্ন করা হোক,সন্তানকে মানুষ করার প্রক্রিয়া তিনি ঠিক কোন জায়গায় ব্যর্থ হয়েছিলেন?
সর্বোপরি জানার চেষ্টা করা হোক তার সন্তানটি যখন জেল থেকে বের হয়ে আসবে তখন তিনি তাকে হাসিমুখে বরণ করবেন কিনা? এমন একটি জঘন্য কর্মের জন্য সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন কিনা?
জানি এমনটা করা হলে বেশিরভাগ জবাব হবে মিথ্যে। কারণ অমানুষ সন্তানের বীজ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অমানুষ বাবা মায়ের মধ্যেই লুকায়িত থাকে।
তবুও চেহারাগুলো দেখানো হোক। ভিক্টিমের বাবা মাকে দেখিয়ে শোক বর্ষণ করানোর পাশাপাশি আমাদেরকে খানিকটা ঘৃণা বর্ষণের সুযোগ দেয়া হোক।
[copied]

ডিফেন্স এভিয়েশন টেকনোলজি এডিফেন্স এভিয়েশন টেকনোলজি এর ১১০ বছর
সামরিক এবং ডিফেন্স এভিয়েশন টেকনোলজি এণ্ড ডেভেলপমেন্টে মানব জাতি ইতোমধ্যেই ১১০ বছর অতিক্রম করে আজ পঞ্চম প্রজন্মে পা দিয়েছে। যা সামরিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মার্কিন সেনা সিগন্যাল কর্পস ২রা আগস্ট ১৯০৯ এ বিশ্বের বুকে সর্ব প্রথম একটি রাইট মডেল-এ সিরিজের বিমান সার্ভিসে আনে। যা কিনা মানব ইতিহাসে পাতায় প্রথম কোন সামরিক বিমান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আবার ১৯১১ সালের দিকে ইতালিয়ান সামরিক বাহিনী ইতালি-তুর্কি যুদ্ধের সময় আকাশ পথে নজরদারি, আকাশে থেকে শত্রুর ভূমিতে ছবি তোলা এবং স্বল্প পরিসরে বোমা বর্ষণে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরণের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করেছিল। তবে আজ কিন্তু ডিফেন্স এভিয়েশন প্রযুক্তির প্রথমিক স্তরের মাত্র ১০০ কিলোমিটার গতিবেগ থেকে এই এক বিংশ শতাব্দীতে এসে সর্বোচ্চ ৬,৭০০ কিলোমিটারের ব্যাপক মাত্রায় প্রতি ঘন্টার উড্ডয়ন গতি অর্জন করেছে। তবে যাই হোক না কেন, বর্তমানে কমব্যাট এণ্ড নন কম্ব্যাট অপারেশনে পাইলট বিহীন ড্রোন এরিয়াল সিস্টেম খুব অল্প সময়ে নিজের যোগ্য স্থান করে নিয়েছে।
ড্রোন
আজ সুপার পাওয়ার প্রতিটি দেশে এমনকী মধ্যম এবং স্বল্প সামরিক সক্ষমতা সম্পন্ন বেশ কিছু দেশের বিমান বাহিনীতে শতাধিক ড্রোন এরিয়াল সিস্টেম থাকার বিষয়টি এক রকম সাধারণ ব্যাপারে পরিনত হয়েছে। তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের কথিত সুপার এডভান্স মার্কিন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের নজর এড়িয়ে ইয়েমেন থেকে প্রায় ১,১০০ কিলোমিটারের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে সৌদি আরবের আরামকোর নিজস্ব সুরক্ষিত তেল ফ্যাসালিটিতে ইরানের নিজস্ব হালকা প্রযুক্তির ১০টি সুসাইড ড্রোন এবং ক্রুজ মিসাইল হামলা সৌদি আরব এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এক মারাত্বক চিন্তার বিষয় হয়ে দেখা দিয়েছে। আর এই এক হামলাতেই নজিরবিহীনভাবে সৌদি আরবের তেল উৎপাদন ক্ষমতা ৬০% এর নিচে নেমে এসেছে। সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে যে কোন ধরণের ভয়াবহ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বা ব্যাপক সুসাইড ড্রোন হামলার মুখে গোটা মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদন ০% এ যে পৌছে যাবে না তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ টেকনোলজি
পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ টেকনোলজি
যা হোক ড্রোন প্রযুক্তি এবং ব্যবস্থাপনায় এখনো পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের সেরা দেশ বলে মনে করা হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বলছে কিন্তু ভিন্ন কিছু কথা। বিশ্বে ব্যাপক ব্যবহৃত জ্বালানী নির্ভর এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমান প্রযুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে বিশ্বের সেরা এবং প্রথম সারির দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কমব্যাট ড্রোন প্রযুক্তি এবং এরিয়াল সিস্টেম ডেভলপমেন্ট এণ্ড ম্যানেজমেন্টে ইসরাইল, চীন, জাপান, তুরস্ক এবং বিশেষ করে ইরান বর্তমান সময়ে কল্পনাতীতভাবে এগিয়ে গেছে।
যার প্রমান ইতোমধ্যেই বিশ্ব সমাজ বেশ ভালো ভাবেই অনুধাবন করতে পেরেছে বলে মনে করা হয়। বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলো এভিয়েশন টেকনোলজির পঞ্চম এবং কেউ কেউ আবার ষষ্ঠ প্রজন্মের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করলেও বিশ্বের বেশ কিছু দেশ যেমন- ইরান, ইসরাইল এবং তুরস্ক তাঁদের নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে ঠিকই পঞ্চম প্রজন্মের স্টিলথ টেকনোলজির ব্যাপক ব্যয়বহুল প্রজেক্টের সমান্তরালে অত্যন্ত কম খরচে এবং অতি মাত্রায় কার্যকর এবং ছোট আকারের কমব্যাট কিম্বা সুসাইড ড্রোন এরিয়াল সিস্টেম বিশ্বের সামনে এনে এক নতুন যুগের সূচনা করতে যাচ্ছে।
ধ্বংশপ্রাপ্ত ড্রন
হয়ত বা বিষয়টি এমন হতে পারে যে, এ জাতীয় ছোট আকারের মানুষ্য দূর নিয়ন্ত্রিত সুসাইড ড্রোন আগামী এক দশকেই ব্যয়বহুল মূল ধারার এভিয়েশন প্রযুক্তিকে একেবারেই গুরুত্বহীন করে দিতে পারে। আপাতত দৃষ্টিতে ইরানের আকাশ সক্ষমতা এবং বিমান বাহিনীর এয়ার ফ্লীটে থাকা যুদ্ধবিমানগুলো সৌদি আরবের এফ-১৫ কিম্বা ইউরো ফাইটার তাইফুন অপেক্ষা খুবই কম আধুনিক এবং নিম্ন সক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হলেও ইরান কিন্তু ঠিকই তার নিজস্ব কমব্যাট ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং দীর্ঘ মেয়াদী প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানী তেল নির্ভর যুদ্ধবিমানের স্বল্পতা এবং ঘাটতি দুটোই দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করে যাচ্ছে। তাছাড়া মাস খানেক আগে মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রনালীতে মার্কিন সুপার স্টিলথ গ্লোবাল হক নজরদারী ড্রোন সরাসরি খোরদার-৩ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মিসাইল হীটের মাধ্যমে ধ্বংস করে মার্কিন বাহিনীর সম্মান এবং গৌরব মাটিতে নামিয়ে আনে। এ মুহুর্তে মার্কিন বিমান, নৌ এবং সেনা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ড্রোন ব্যবহার করলেও ২০০১ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তাঁদের প্রায় ৪০০টি ড্রোন আকাশে ধ্বংস বা ক্রাস হয়েছে।
মার্কিন রাডার ‍সিস্টেম
আর যদি এ হিসাবটি ২০১৯ এর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিবেচনা করা হয় তাহলে এই দীর্ঘ ১৮ বছরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রায় ৬০০টি এর কাছাকাছি এরিয়াল কমব্যাট এণ্ড নন-কম্ব্যাট ড্রোন শত্রুর আকাশে ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে। যার প্রকৃত তথ্য উপাত্ত মার্কিন প্রশাসন কখনোই বিশ্বের সামনে প্রকাশ করে না। তাছাড়া বর্তমানে বিশ্বের উদীয়মান অর্থনৈতিক এবং সামরিক পরাশক্তি রেড জায়ান্ট চায়নার পিপলস লিবারেশন নেভাল এণ্ড এয়ার ফোর্সে মান যাই হোক না কেন প্রায় এক হাজারের অধিক সার্ভেলাইন্স এবং কমব্যাট ড্রোন সার্ভিসে আনা হয়েছে। তাই সৌদি আরবে থাকা চার স্তরের মার্কিন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং বিলিয়ন ডলারের রাডার ব্যবস্থা স্বল্প মূল্যের ইরানী ড্রোন সনাক্ত করতে ব্যর্থ হওয়া এবং সর্বপরি এগুলোকে ১১০০ মাইলের দীর্ঘ পথে ইন্টারসেপ্ট করতে অক্ষম হওয়ায় উচ্চ দামের মার্কিন রাডার ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের প্রকৃত সক্ষমতা এবং কার্যকারিতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার যথেষ্ঠ সুযোগ রয়েছে বলেই প্রতিয়মান হয়। সৌদি আরবে মোতায়েন থাকা বিলিয়ন ডলারের মার্কিন প্রেটিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইয়েমেন থেকে আগত অসংখ্য ব্যালেস্টিক এণ্ড ক্রুজ মিসাইল সৌদি আরবের নাজরান এবং রিয়াদে এখনো পর্যন্ত ইন্টারসেপ্ট করে গেলেও সৌদি আরবকে কিন্তু শত ভাগ আকাশ নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিতে পেরেছে বলে মনে হয় না।

ফটো সোর্স: গুগল ও ইন্টারনেট
লেখকঃ সিরাজুর রহমান,
সহকারী শিক্ষক ও লেখক
সিংড়া, নাটোর, বাংলাদেশ।

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে নীচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন-
১। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।
২। এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অ’ত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।
৩। এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পিরিয়ডের র’ক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আ’ট’কে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
৪। এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আ’ঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আ’ঘাতেই মা’রাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার,জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁ’কি থাকে।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের র’ক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমা’র বা ক্যান্সারের আকার ধারণ
করতে পারে।
দয়াকরে এই তথ্যটুকু আপনার স্ত্রী’,মা,কন্যা সকলের কাছে পৌঁছে দিন। আপনার
শেয়ার করার মাধ্যমে যদি একজন নারীও উপকৃত হয় সেটাও পরম পাওয়া।
জরায়ু ক্যান্সার ও বন্ধ্যান্ত মুক্ত হোক আমাদের মা
বোনেরা।
১। চুলকানি জাতীয় চর্ম’রোগে নিমপাতা ও কাঁচা হলুদ বেটে গোসলের আধা ঘন্টা পূর্বে লাগালে ভাল হবে।
২। র’ক্ত আমাশয়ে ডুমুর গাছের শিকড়ের রস দিনে দু’বার খান।
৩। দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।
৪। দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে র’ক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।
৫। ফোঁড়া হলে তা অনেক সময় না পেকে শক্ত দলার মত হয়ে যায়। কলমি শাকের কচি ডগা ও শিকড় একসঙ্গে বেটে ফোঁড়ার ওপর প্রলেপ দিয়ে দীর্ঘক্ষণ রেখে দিন। এতে ফোঁড়া পেকে যাবে।
৬। মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
৭। ঠোঁটের দু’পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।
৮। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।
৯। অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।
১০। মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।
১১। কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।
১২। দাঁতের ব্যথায় পেয়ারা পাতা চিবালে ব্যথা উপশম হয়।
১৩। দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।
১৪। গ*লায় মাছের কাঁ’টা আ’ট’কে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁ’টা নরম হয়ে নেমে যাবে।
১৫। ছু’রি/দা/বটিতে হাত কে’টে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কা’টা জায়গায় লাগান। র’ক্ত বন্ধ হবে।
১৬। শ্বা’সক’ষ্ট কমাতে বাসক গাছের পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন।
১৭। জিভে বা মুখে সাদা ঘা হলে পানির সঙ্গে কর্পূর গুলে দিনে ২ বার মুখ ধুয়ে নিন।
১৮। ঘুম ভাল হওয়ার জন্য ডালিমের রসের সঙ্গে ঘৃতকুমা’রীর শাঁস মিশিয়ে খেতে পারেন।

১. আপনি হিজাব পড়েন , পর্দানশীন কিন্তু সাথে মেকাপ আর পারফিউম দিয়ে বের হন(ফুটা বালতি!)
২. আপনি সুন্নতি দাড়ি রেখেছেন কিন্তু বেপর্দা মেয়ে দেখে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয় নেই, দৃষ্টি নত করেন না (ফুটা বালতি!)
৩. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই যথাসময়ে পড়েন আপনি কিন্তু নামাজে মোটেও মনোযোগ না , মহব্বত নেই, খুশুখুজু নেই ! (ফুটা বালতি!)
৪. সাধারণ মানুষের সামনে আপনি খুবই বিনয়ী কিন্তু বাসায় আসলেই পরিবারের সাথে কর্কষভাষী আর বদমেজাজি (ফুটা বালতি!)
৫. বাসায় মেহমান আসলে যত্নের সাথে মেহমানদারী করেন কিন্তু তারা চলে গেলে তাদের খুঁটিনাটি দোষত্রুটির গীবত করা শুরু করেন (ফুটা বালতি!)
৬. আপনি অনেক দানসদকা করেন আবার যাদেরকে দান করলেন তাদেরকে খোঁটা দিয়েও কথা বলেন (ফুটা বালতি!)
৭. আপনি প্রতিদিন তাহাজ্জুদ পড়েন, কুরআন তিলাওয়াত করেন কিন্তু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছেন (ফুটা বালতি!)
৮. রোযা রেখে ক্ষুধা - তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য করছেন অথচ আপনিই কাউকে গালি দেন, উপহাস করেন, অভিশাপ দেন , আচরণ বিনয়ী না। (ফুটা বালতি!)
৯. আপনি মানুষের অনেক উপকার করেন কিন্তু সেটা করেন মানুষের মধ্যে আপনার নামধাম প্রচার হওয়ার জন্য, খ্যাতির জন্য, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই না (ফুটা বালতি!)
১০. আপনি ফেসবুকে দ্বীনী পোস্ট দেন, ইসলামিক লেখালেখি করেন, কিন্তু তা লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য, আল্লাহর জন্য না (ফুটা বালতি!)
ফুটা বালতিতে যতই পানি ভরেন, তা যেমন সেখানে থাকে না,তেমনি উপরের দোষগুলো থাকলে যতই আমল করেন কোনো ভালো আমলও আপনার আমলনামায় থাকবে না ভাই।
[#Collected](https://www.facebook.com/hashtag/collected?source=feed_text&epa=HASHTAG&__xts__[0]=68.ARAwkV4hGzPUDmQNpbW1QAs_QrQ248RBRE4moBBpVmwdh-bmODCPAFIVW4U1JDeFz1I5USbKeWJdGx9IU4d-17ik-_JOrnls57sxcKeL26r2kJMRMdvAI8lYdzks-jJC7uNz8G9sTGsLYW8rK_PxhqG7K9wBCjLpZ1UttoYCrwmq-2qViSD6ee0Sk0GKlXDzpWO-mmvnIteXGgeYXZwLioFdeynYJNVs_6SFSQ2AWCnh3dpurdgcPmi2F3xYNx8MPeWKqvIEoWkKWoupUN_-d3q1KpLYE4fGIdER__sHqxoTcazgdqkMKspd_yULqPQOqxhR&__tn__=*NK-R1.g)

হাই বন্ধুরা !� যদি কখনো তোমার ফোন হারিয়ে যায় তাহলে নিচের পদক্ষেপগুলি অনুসরণ করো:
1. আপনার ফোনে সেট আপ করা google অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার জন্য আপনার কম্পিউটার ব্রাউজার ব্যবহার করুন । �
2. আপনার পিসিতে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে "আমার ফোন খুঁজুন" বাক্যটি টাইপ করুন । � �
উত্তরে, গুগল একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে � যা আপনার ডিভাইসের অবস্থানে শূন্য করার চেষ্টা করে । আপনি আপনার ফোন রিং তৈরি করতে পারেন � ফাইল মুছে ফেলুন � অথবা ডিভাইস লক করুন �
NOTE:এই পদ্ধতি শুধুমাত্র কাজ করে যদি ফোনটি ফ্ল্যাশ দেয়া না হয় এবং ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকে।

জেনে নিন মেহেদি পাতার ঔষধি গুণ :

পায়ের জ্বালাপোড়া কমায়

মেহেদি পাতা ভিনেগারে ভিজিয়ে এক জোড়া মোজার ভেতরে রেখে দিন। এবার এই মোজাটি পায়ে সারা রাত পরে থাকুন। এটি পায়ের জ্বালাপোড়া কমিয়ে দিবে অনেকখানি।

টাক পড়া কমায়

কয়েকটি মেহেদি পাতা সরিষার তেলের সঙ্গে দিয়ে জ্বাল দিন। এটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে মাথার তালুতে ব্যবহার করুন। এটি টাক পড়া প্রতিরোধ করবে।

মাথাব্যথা নিরাময় করে

মেহেদি গাছের ফুল মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এই ফুল পেস্ট করে এর সঙ্গে ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এটি কপালে অথবা ব্যথার স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এছাড়া আপনি মেহেদির পেস্টও ব্যবহার করতে পারেন।

চুলকানি বা ঘা শুকাতে সাহায্য করে

মেহেদির পেস্ট পিঠ, ঘাড় এবং ঘামাচি আক্রান্ত অন্যান্য স্থানে লাগান। এটি ঘামাচির চুলকানি এবং জ্বালাপোড়া হ্রাস করতে সাহায্য করে। এই মেহেদি দিয়ে তৈরি করে নিতে পারেন মাউথ ওয়াশ। মেহেদি পাতা গুঁড়ো পানিতে গুলিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মুখের ঘা দ্রুত ভাল করে থাকে এবং মুখ জীবাণুমুক্ত করে তোলে।

খুশকি দূর করে

খুশকি দূর করতে মেহেদি বেশ কার্যকরী। সরিষা তেল, মেথি, মেহেদি পাতা সেদ্ধ একসঙ্গে যোগ করে এটি চুলে ব্যবহার করুন। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ফেলুন। এটি খুশকি দূর করে চুলকে করবে ঝলমলে সুন্দর।

ক্ষত সারায়

পুরনো ক্ষত, যেগুলো বার বার ফিরে আসে, এসব ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে মেহেদি। মেহেদিপাতা বেটে এরকম ক্ষতে লাগিয়ে রাখুন।

পানি পচা রোগে

সাধারণত নোংরা, জীবাণুযুক্ত পানি লেগে এই রোগ হয়। আবার দীর্ঘক্ষণ পানিতে কাজ করলেও এ রোগ হতে পারে। এতে দুই আঙ্গুলের মাঝের অংশে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষতে মেহেদির প্রলেপ লাগিয়ে রাখলে ঘা ভালো হয়ে যায়।

বয়সের ছাপ দূর করে

বয়সের ছাপ (বলিরেখা) দূর করতেও মেহেদির তুলনা নেই। ভাবছেন ত্বক লাল হয়ে যাবে কি না? মুখের ত্বকে মেহেদি ব্যবহারের নিময়টি পুরো আলাদা। আপনার প্রতিদিনের ফেসপ্যাকে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোটা মেহেদি পাতার রস। আর ফেসপ্যাক ১০ মিনিটের বেশি রাখবেন না। নিয়মিত ব্যবহারে বলিরেখা হবে বিলম্বিত।

পা ফাটা

শীতকালে তো পা হরদম ফাটে। তবে কারো কারো বার মাসই পা ফাটার সমস্যা থাকে। এ ছাড়া চামড়া ওঠার সমস্যাও থাকে অনেকের। মেহেদি পাতা বেটে ফাটা জায়গায় পুরু প্রলেপ দিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে পা ফাটা প্রতিরোধ হবে।

যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সলাত (অর্থাৎ ফাজর ও 'আসর) আদায় করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে
হাদিসটি নিচে👇👇👇👇
وعن أبي موسى قال قال رسول الله ﷺ من صلى البردين دخل الجنة. متفق عليه

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সলাত (অর্থাৎ ফাজর ও 'আসর) আদায় করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [১]

ফুটনোটঃ
[১] সহীহ : বুখারী ৫৭৪, মুসলিম ৬৩৫, আহমাদ ১৬৭৩০, দারেমী ১৪৬৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২১৮৫, সহীহ আল জামি‘ ৬৩৩৭।

মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৬২৫
হাদিসের মান: সহিহ

"মানুষের সাথে দেখা হলে এমন আচরণ করবে, যেন তোমার মৃত্যুতে তারা কাঁদে এবং তুমি বেঁচে থাকলে তারা তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করে।
—হযরত আলী (রাঃ)।

গ্রামীণফোন, রবি, এয়ারটেল, বাংলালিংক যেমন অফার দেয় ; ঠিক তেমনি স্বেচ্ছায় রক্তদান করলে ও অফার অাছে 😎 প্রতিবার রক্তদানে এই অফার পাবেন 😊 - - - - - - - - - - - - - - - - - অাপনার ফ্রিতে রক্তের টেষ্ট হবেঃ i) হেপাটাইটিস বি ii) হেপাটাইটিস সি iii) এইচঅাইভি এইডস iv) সিফিলিস v) ম্যালেরিয়ার জীবাণু সুতরাং নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদান করুন ও নিজে সুস্থ অাছেন কি না প্রতি তিন-চার মাস অন্তর অন্তর চেক করে নিন।

রক্তদান কেন করা উচিত!?
১. প্রথম এবং প্রধান কারণ, আপনার দানকৃত রক্ত একজন মানুষের জীবন বাঁচাবে। রক্তদানের জন্য এর থেকে বড় কারণ আর কি হতে পারে!
২. হয়তো একদিন আপনার নিজের প্রয়োজনে/বিপদে অন্য কেউ এগিয়ে আসবে।
৩. নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
৪. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমনঃ হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, ম্যালেরিয়া, এইচআইভি (এইডস)।
৫. দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুণ বেড়ে যায়।
৬. নিয়মিত রক্তদানে শরীরে ক্যান্সারের এন্টিসেল তৈরি হয়।
৮. নিয়মিত রক্তদাতাদের বয়সের ছাপ দেরিতে পরে।
৯. রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। পবিত্র কোরআনের সূরা মায়েদার ৩২ নং আয়াতে আছে, ‘একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ।’
১০. নিজের মাঝে এক ধরনের আত্মতৃপ্তি উপলব্ধি করা যায়। "আমাদের ছোট পরিসরের জীবনে কিছু একটা করলাম" এই অনুভূতি আপনার মনে জাগ্রত হতে পারে।

বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা আমাদের দেশে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। আসুন জেনে নেই ডেঙ্গু জ্বরের কিছু লক্ষণঃ-
১. রক্তের প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. শরীরের বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‌্যাশ হতে পারে।
৩. হেমোরেজিক বা রক্তক্ষরণজনিত ডেঙ্গু হলে দাঁত ও মাড়ির গোড়া থেকে, নাক দিয়ে বা বমির সঙ্গে, পায়ুপথসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।
আমাদের সচেতনতাই পারে ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা থেকে আমাদের মুক্তি দিতে।
সূত্রঃ- সংগৃহীত।

"হযরত উসমানের দানশীলতা ও মিতব্যয়িতা"

একদিন এক নিঃস্ব লোক রাসূলের নিকট এসে কিছু সাহায্য চাইল। তখন রাসূলের নিকট কিছুই ছিল না। তিনি লোকটাকে হযরত উসমানের নিকট পাঠালেন। দরিদ্র ব্যক্তিটি হযরত উসমানের গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখে যে একদল পিঁপড়ে বেশ কিছু শস্য একটি স্তুপ থেকে গর্তে নিয়ে যাচ্ছে। হযরত উসমান শস্যগুলো একত্রিত করে কিছু শস্য পিঁপড়ের গর্তের কাছে ছড়িয়ে বাকীগুলি আবার স্তুপে রেখে দিচ্ছিলেন। লোকটি ধারণা করলো যে হযরত উসমান বড় কৃপণ। সে মনে মনে ভাবলো যে দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও সে নিজে পিঁপড়ের মুখ হতে শস্য কেড়ে নিতো না। তাই কিছুই না চেয়ে লোকটি চলে গেল।

পরদিন লোকটি আবার রাসূলের নিকট উপস্থিত হল এবং কিছু চাইল। সে রাসূলকে জানাল যে, কৃপণ উসমানের (রা) নিকট কিছুই আশা করা যায় না, তাই সে কিছুই চায় নি। রাসূল(সা) তাকে আবার হযরত উসমানের নিকট পাঠালেন। অনিচ্ছা সত্ত্বেও গেল এবং দেখতে পেল যে হযরত উসমান(রা) তাঁর চাকরকে বাতির সলতে উঁচু করে দেয়ার দায়ে বকাঝকা করছেন। কারণ তাতে অধিক তেল খরচ হয়।

দরিদ্র লোকটি মনে মনে ভাবলো যে তার বাড়িতে আলো আরো উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে এবং সে কখনও এরূপ তেলের হিসাব করে না। হযরত উসমানের কৃপণতা সম্বন্ধে তার ধারণা আরো জোরদার হলো। কিছু না চেয়েই সে আবার রাসূল(সা) এর নিকট ফিরে গেল। হযরত উসমানের বিরুদ্ধে কৃপণতার অভিযোগ শুনে রাসূল(সা) মৃদু হাসলেন এবং লোকটিকে আবার বললেন হযরত উসমানের কাছে ফিরে যেতে এবং কিছু চাইতে।

তৃতীয়বার লোকটি হযরত উসমানের নিকট এসে দেখে যে হযরত উসমানের বাড়ীতে তুলা শুকাতে দেয়া হয়েছে। ঢেকে দেয়া হয়েছে জাল দিয়ে। জালের নিচ হতে কিছু তুলা উড়ে উড়ে যাচ্ছিল। হযরত উসমান সেগুলিকে ধরে আবার জালের নিচে রাখছেন। লোকটির মন অত্যন্ত বিরূপ হয়ে উঠলো। ভাবলো এমন কৃপণও কি কিছু দান করতে পারে? তবুও যেহেতু রাসূল তাকে তিনবার উসমান(রা) এর কাছে পাঠিয়েছেন, তাই সে গিয়ে কিছু চাইলো।

হযরত উসমান ভাবলেন, লোকটিকে কি দেওয়া যায়, যে লোককে রাসূল (সা) তার নিকট সাহায্যের জন্য পাঠিয়েছেন, তার চাইতে সাহায্য নেওয়ার যোগ্য আর কে হতে পারে?

তখন দেখা গেল বেশ দূরে একটি সরু রেখা। রেখাটিকে একটি উটের কাফেলা বলেই মনে হলো। কিছুক্ষণ পর হযরত উসমান বুঝতে পারলেন, যে কাফেলা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে সিরিয়ায় গিয়েছিল সেটিই ফিরে আসছে। হযরত উসমান তাকে লিখে দিলেন যে ঐ কাফেলার সবচেয়ে ভাল উটটি এবং যার উপর সবচেয়ে বেশি দ্রব্যসম্ভার আছে সেটিই সে নিতে পারে।

লোকটি প্রথম মনে করলো যে হযরত উসমান তামাসা করছেন। কিছুক্ষণ কথাবার্তার পরও লোকটি তার দান সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হতে পারলো না। সন্দিগ্ধ চিত্তে সে গেল কাফেলার নিকট। সবচেয়ে ভালো এবং প্রথম উটটিই তার পছন্দ হলো। সেটি সে নিতে চাইল। কাফেলার পরিচালক অনুমতি দিল। কিন্তু মরুভূমিতে চলাকালে প্রথম উটটিকে কাফেলা হতে সরিয়ে নেয়া সহজ নয়। সবগুলো উটই প্রথমটিকে অনুসরণ করল। কাফেলার পরিচালক তখন লোকটিকে বললো যে আস্তানায় ফিরে যাওয়ার পর উটটি দেয়া হবে।

হযরত উসমানের নিকট খবর দেয়া হল যে, একটি উটকে কাফেলা হতে সরিয়ে নেয়া সম্ভব হয় নি। তাই তখন তার নির্দেশ পালন করা হয় নি। খবর শুনে হযরত উসমান(রা) বললেন, হয়ত আল্লাহর ইচ্ছা এই যে, কাফেলার সবগুলি উটই লোকটি পাবে। অতঃপর তিনি কাফেলার পরিচালককে নির্দেশ দিলেন যে সবগুলো উটই যেন লোকটিকে দেয়া হয়। লোকটিতো বিস্ময়ে অবাক! অতো বড় কৃপণের কিভাবে এতো বড় দান করা সম্ভব হলো? হতবাক হয়ে সে তার পূর্ববর্তী তিন অভিজ্ঞতা জানাল এবং দু’প্রকার ব্যবহারের তাৎপর্য কি জানতে চাইল।

হযরত উসমান যে জবাব দিলেন তার সারমর্ম এই যে, আল্লাহ বিশ্বের সমস্ত সম্পদের মালিক, মানুষ হলো তত্ত্বাবধানকারী বা পাহারাদার। সে শুধু আল্লাহর ইচ্ছানুসারে সম্পদ নিজের জন্য এবং সমাজের অপরাপর ব্যক্তির কল্যাণের জন্য ব্যয় করতে পারবে। মানুষের কাজ হলো আল্লাহর সম্পদ নিজের মর্জিমত রক্ষণাবেক্ষণ করা। যদি কোনো ব্যক্তির তত্ত্বাবধানকালে কোনো সম্পদের এক কণামাত্র বিনষ্ট হয় তবে তার জন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। সম্পদের অধিকার শুধু বিশেষ সুবিধা নয়, বরং একটি বিরাট দায়িত্ব।”

শিক্ষাঃ মুমিনকে অবশ্যই দানশীল হতে হবে, কিন্তু সে কখনো অপচয়কারী ও অপব্যয়কারী হতে পারবে না। কেনান “অপচয়কারী ও অপব্যয়কারী শয়তানের ভাই।”(আল কুরআন)।

• ডেঙ্গু হয়েছে সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রচুর পানি, তরল খাবার (স্যালাইন, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস) খেতে থাকুন। জ্বর ও ব্যথা কমানোর জন্য প্যারাসিটামলের বাইরে অন্য কোনো ব্যথার ওষুধ অথবা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ খাবেন না।

• দাঁতের মাড়ি, পায়খানা, প্রস্রাব, মেয়েদের মাসিকের সঙ্গে অতিরিক্ত রক্ত গেলে, চামড়ার নিচে রক্ত ফোঁটা জমা হলে সতর্ক হোন। শ্বাসকষ্ট হলে, পেট ফুলে গেলে, অতিরিক্ত বমি হলে, চোখ হলুদ হয়ে গেলে; মাথা ঘুরিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

• প্লেটলেট কাউন্ট কমে গেলেই অস্থির হওয়ার কিছু নেই। অনেক সময় ৫,০০০-১০,০০০ হলেও প্লেটলেট দিতে হয় না। শুধু শরীরের কোথাও রক্তপাত হলে অথবা রক্তপাতের লক্ষণ দেখা দিলেই রক্ত/প্লেটলেট দিতে হবে।

• মুখে একদমই খেতে না পারলে অথবা অতিরিক্ত বমি/পাতলা পায়খানা হলেই কেবল শিরাপথে স্যালাইন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

রমযানুল মুবারকের আমলসমূহ:

১. রমযানুল মুবারকের উপযুক্ত মর্যাদাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য শাবান মাসেই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে নিবে এবং শাবান মাসের ১৫ তারিখের আগেই অর্থাৎ প্রথম পনের তারিখের মধ্যে অধিক পরিমাণে রোযা রাখবে। হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত, রাসূল (সা) শাবান মাসে অন্য সব মাস হতে বেশি রোযা রাখতেন।

২. অত্যন্ত গুরুত্ব ও আগ্রহের সাথে রমযানুল মুবারকের চাঁদ দেখার চেষ্টা করবে। এবং চাঁদ দেখে এই দোআ পাঠ বলবে।

“আল্লাহ মহান! আয় আল্লাহ! এ চাঁদকে আমাদের জন্য নিরাপদ ঈমান, শান্তি ও ভালবাসার চাঁদ হিসেবে উপস্থাপন করো। যা তুমি ভালবাস ও যাতে তুমি সন্তুষ্ট এ মাসে আমাদেরকে তা করার তাওফীক দাও। (হে চাঁদ!) আমাদের প্রতিপালক ও তোমাদের প্রতিপালক একই আল্লাহ।”

৩. রমযান মাসে ইবাদতের সাথে বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করবে। ফরয নামায ব্যতীত নফল নামাযেও বিশেষ গুরুত্ব দিবে এবং বেশি বেশি নেকী অর্জনের চেষ্টা করবে। এ মহান ও প্রাচূর্যময় মাস আল্লাহ তাআলার বিশেষ দান ও দয়ার মাস।

শা’বানের শেষ তারিখে রাসূল (সা) রমযান মাসের বরকতের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: তোমাদের জন্য এমন এক মহান মর্যাদা ও বরকতপূর্ণ মাস আসছে যাতে এমনি এক রাত আছে যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। আল্লাহ তাআলা ঐ মাসের রোযা ফরয করে দিয়েছেন এবং রাত্রি জাগরণকে (তারাবীহ এর সুন্নাত) নফল করে দিয়েছেন এবং যে ব্যক্তি এ মাসে মনের আনন্দে নিজ ইচ্ছায় কোন একটি নেক আমল করবে সে অন্য মাসের ফরয আদায়ের সমতুল্য সাওয়াব পাবে। যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরয আদায় করবে আল্লাহ তাআলা তাকে অন্য মাসের ৭০টি ফরয আদায় করার সমতুল্য সওয়াব দান করবেন।

৪. সারা মাসের রোযা মনের আনন্দ, আগ্রহ ও গুরুত্বের সাথে রাখবে। যদি কখনও রোগের কারণে বা শরয়ী কোন ওজরবশতঃ রোযা রাখতে অক্ষম হও তা হলেও রমযান মাসের সম্মানে খোলাখুলি পানাহার হতে বিরত থাকবে এবং এমন ভাব দেখাবে যেন রোযাদারের মত দেখায়।

৫. কুরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্ব প্রদান করবে। এ মাসের সাথে কুরআনের বিশেষ সম্পর্ক আছে। পবিত্র কুরআন এ মাসেই অবতীর্ণ হয়েছে এবং অন্যান্য আসমানী কিতাবও অবতীর্ণ হয়েছে এ মাসের প্রথম অথবা তৃতীয় তারিখে। হযরত ইবরাহীম (আ) এর ওপর কয়েকটি ছহীফা বা ছোট কিতাব অবতীর্ণ হয়। এ মাসের ১২ অথবা ১৮ তারিখে হযরত দাউদ (আ) এর ওপর যবুর কিতাব অবতীর্ণ হয়। এ বরকতময় মাসের ৬ তারিখে হযরত মূসা (আ) এর ওপর তাওরাত কিতাব অবতীর্ণ হয়।

এ বরকতময় মাসেরই ১২ অথবা ১৩ তারিখে হযরত ঈসা(আ) এর ওপর ইঞ্জিল অবতীর্ণ হয়। সুতরাং এ মাসে বেশি বেশি পবিত্র কুরআন পাঠের চেষ্টা করবে। হযরত জিবরাঈল (আ) প্রতি বছর এ মাসে রাসূল (সা) কে পূর্ণ কুরআন পাঠ করে শোনাতেন, রাসূল(সা) হতে শুনতেন এবং নব্যুয়তের শেষ বছর তিনি রাসূল(সা) এর কাছ হতে দু’বার পালাক্রমে শুনান ও শুনেন।

৬. পবিত্র কুরআন ধীরে ধীরে থেমে থেমে এবং বুঝে সুঝে পড়তে চেষ্টা করবে। অধিক তেলাওয়াতের সাথে সাথে বুঝার এবং ফল লাভেরও চেষ্টা করবে।

৭. তারাবীহর নামাযে পূর্ণ কুরআন শুনার চেষ্টা করবে। রমযান মাসে একবার পূর্ণ কুরআন শোনা সুন্নাত।

৮. তারাবীহর নামায বিনয়, মিনতি, আনন্দ, ধৈর্য ও আগ্রহের সাথে পড়বে, যেনতেনভাবে বিশ রাকাআতের গণনা পূর্ণ করবে না এবং নামাযকে নামাযের মতই পড়বে যেনো জীবনের ওপর ইহার ষোলআনা প্রভাব পড়ে, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত হয় এবং আল্লাহ তাওফীক দিলে তাহাজ্জুদ পড়ারও চেষ্টা করবে।

৯. দান খয়রাত করবে। গরীবদের, বিধবাদের, এতিমদের খোঁজখবর রাখবে, গরীব ও অভাবীদের সাহরী ও ইফতারের ব্যবস্থা করবে। রাসূল (সা) বলেন, “রমযান সহানুভূতির মাস।” (অর্থাৎ গরীব ও অভাবগ্রস্থদের সাথে সহানুভূতির দ্বারা অর্থনৈতিক ও মৌখিক উভয় প্রকার সহযোগিতা করাই আসল উদ্দেশ্য। তাদের সাথে কথাবার্তা ও আচরণে নম্র ব্যবহার করবে। কর্মচারীদের শ্রম লাঘব করে আরাম দেবে এবং আর্থিক সাহায্য দেবে।

হযরত ইবনে আব্বাস(রা) বলেন যে, রাসূল (সা) দানশীল ও দয়ালুতো ছিলেনই তবুও রমযান মাসে তাঁর দানশীলতা আরো অধিক বেড়ে যেতো। যখন জিব্রাইল (আ) প্রতিরাতে এসে কুরআন পাঠ করতেন ও শুনতেন তখন ঐ সময় তিনি তীব্রগতি সম্পন্ন বাতাস হতে তীব্র গতিময় দানশীল ছিলেন।

১০. শবেকদর বা সম্মানিত রাতে খুব বেশী নফল নামায পড়ার চেষ্টা করবে এবং কুরআন তিলাওয়াত করবে। এ রাতের গুরুত্ব হলো, এ রাতেই পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে।

পবিত্র কুরআনের সূরা ক্বদরে আল্লাহ পাক বলেনঃ

“নিশ্চয়ই আমি এ কুরআনকে লাইলাতুল ক্বদরে অবতীর্ণ করেছি। আপনি জানেন লাইলাতুল ক্বদর কি? লাইলাতুল ক্বদর হলো হাজার মাস হতেও উত্তম। ঐ রাতে ফেরেশতাগণ ও জিব্রাঈল (আ) আল্লাহর নির্দেশে প্রতিটি কাজ সুচারূরূপে পরিচালনার জন্য অবতীর্ণ হয়। তাঁরা ফজর অর্থাৎ সুবহে ছাদিক পর্যন্ত অপেক্ষা করে।” (সূরা ক্বদর)।

হাদীসে আছে যে, শবেক্বদর রমজানের শেষ দশ রাতের যে কোন এক বেজোড় রাতে (গোপন) আছে। সে রাতে এ দোআ বলবে,

“আয় আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমাকে ভালবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করুন।”

হযরত আনাস (রা) বলেছেন, এক বৎসর রমযান সামনে রেখে রাসূল (সা) বলেন, তোমাদের নিকট এমন একটি মাস আসছে যার মধ্যে এমন রাত আছে যা হাজার মাস হতেও উত্তম। যে ব্যক্তি এ রাত হতে বঞ্চিত থাকলো সে রাতের সকল প্রকার উত্তম ও প্রাচুর্য থেকে মাহরূম বা বঞ্চিত হলো। (ইবনু মাজাহ)।

১১. রমযানের শেষ দশদিন এতেকাফ করবে, রাসূল (সা) রমযানের শেষ দশদিন এতেকাফ করতেন।

হযরত আয়েশা (রা) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূল (সা) রমযানের শেষ দশ দিন রাতে ইবাদত করতেন এবং তাঁর স্ত্রীদেরকেও ঘুম হতে জাগাতেন এবং পূর্ণ উদ্যম ও আন্তরিক একাগ্রতার সহিত ইবাদতে মগ্ন হয়ে যেতেন।

১২. রমযান মাসে মানুষের সহিত অত্যন্ত নম্র ও দয়াপূর্ণ আচরণ করবে। কর্মচারীদের কাজ সহজ করে দিবে এবং মেটাবার চেষ্টা করবে। খোলা মনে তাদের প্রয়োজনসমূহ পূরণ করে দিবে এবং ঘরের লোকদের সাথেও দয়া ও দানশীলতার আচরণ করবে।

১৩. অত্যন্ত বিনয়, খুশী ও আগ্রহের সাথে বেশী বেশী করে দোআ পাঠ করবে। “দুররে মানসুর” গ্রন্থে আছে যে, যখন রমযান আসতো তখন রাসূল (সা) এর স্বরূপ পরিবর্তন হয়ে যেতো, নামায বেশী বেশী পড়তেন, দোআয় অত্যন্ত বিনয় প্রকাশ করতেন এবং অত্যন্ত ভীত হয়ে পড়তেন।

১৪. ছাদক্বায়ে ফিতর আগ্রহ ও পূর্ণ মনোযোগ সহকারে আদায় করবে। ঈদের নামাযের আগেই ছাদকা আদায় করবে এবং এতটুকু আদায় করবে যে, অভাবী ও গরীব লোকেরা যেন ঈদের জরুরী জিনিসপত্র যোগাড় করার সুযোগ পায় এবং তারাও যেন সকলের সাথে ঈদের মাঠে হাসিমুখে যেতে পারে আর ঈদের খুশিতে শরীক হতে পারে।

হাদীসে আছে যে, রাসূল (সা) উম্মতের উপর ছদক্বায়ে ফিতর এজন্য আবশ্যকীয় (ওয়াযিব) করে দিয়েছেন যেন রোযাদার ব্যক্তি রোযা থাকা অবস্থায় যেসব অনর্থক ও অশ্লীল কথাবার্তা বলেছে তার কাফফারা হয়ে যায় এবং গরীব মিসকিনদের খাদ্যের সংস্থান হয়। (আবু দাউদ)।

১৫. রমযানের বরকতময় দিনসমূহে নিজে বেশী বেশী নেকী অর্জনের সাথে সাথে অন্যকেও অত্যন্ত আবেগ ও উদ্বেগ, নম্রতা ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে নেকী এবং ভাল কাজের দিকে উৎসাহিত করবে যাতে ভাল পরিবেশে আল্লাহর ভয়, উত্তম অভিরুচি ও ভাল কাজের প্রতি আকর্ষণ বিরাজ করে এবং সম্পূর্ণ সমাজ রমযানের অমূল্য বরকতের দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
(সংগৃহীত)।

রমজান ও কোরআনের উদ্দেশ্য:

রমজান ও কোরআন উভয়ের উদ্দেশ্যও এক। আর তা হলো তাকওয়া অর্জন। দেখুন, কোরআনে এসেছে : তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পারো। (সুরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)

আবার কোরআন যদিও সমগ্র মানবজাতির জন্য অবতীর্ণ হয়েছে, কিন্তু এর দ্বারা শুধু মুত্তাকি ব্যক্তিরাই প্রকৃত উপকার লাভ করবেন—তা-ও উল্লেখ রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন : এটি আল্লাহর কিতাব। এতে কোনো সন্দেহ নেই, মুত্তাকিদের জন্য হিদায়াত। (সুরা বাকারা, আয়াত ২)

jugantor

12-Nov-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4189 জন)
প্রশ্নঃ শিশুদের জন্য খেলাধুলা ‘মানসিক বিকাশ” ঘটানোর সহায়ক। খেলা সম্প্রীতির বন্ধন, খেলাধুলা শরীর ও মনকে ভাল রাখে। শরীর সুস্থ্য রাখার জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০মি. ব্যায়াম/খেলাধুলা করতে হবে। বয়ষ্কদের খেলা-ধুলার সুয়োগ না থাকলে সকালে/বিকালে কমপক্ষে ১৫-২০মি. দৌড়ান/ব্যায়াম করা উচিত। একটা দৌড় প্রতিযোগিতায় আপনি দ্বিতীয় রানারকে টপকে গেলেন। আপনি এখন এই দৌড়ে কত নম্বরে আছেন?
(A) ১ম স্থানে
(B) ২য় স্থানে
(C) ৩য় স্থানে