About HM. Shariful Islam $

যারা রক্তদান করেন না পোস্ট টি তাদের জন্য।

আপনারা ছবিতে যে টেস্ট গুলি দেখছেন তা যে কোন সাধারণ প্রাইভেট হাসপাতালে পরীক্ষা করতে আপনাদের মিনিমাম ১২০০-১৮০০/- টাকা খরচ হবে। ক্ষেত্র বিশেষে ৩০০০+

আর আমাদের সকল স্তরে এই সব পরীক্ষা কাজে লাগে। যেকোনো সরকারি চাকরি বা বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার এসব পরীক্ষা করা হয়। এছাড়াও আপনার এসব সমস্যা আছে কি না নিজে জানতে হলেও টেস্ট গুলো করতে হয়।

কিন্তু যারা রক্তদান করেন তাদের এসব টেস্ট করতে কোনো টাকা লাগে না।

আপনার রক্তের মধ্যে কোন সমস্যা আছে কি না এইসব পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়।

রক্তদানের ক্ষেত্রে আপনার এই পাঁচটি পরীক্ষা হয়ে যায়। রক্ত দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার শরীরে নতুন রক্ত তৈরি হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেরে যায়। আপনি সুস্থ থাকবেন।

রক্ত দিন জীবন বাঁচান

আয়াতুল কুরসির ফজিলতঃ-

১। আয়াতুল কুরসি পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে ৭০,০০০

ফেরেস্তা চর্তুদিক থেকে তাকে রক্ষা করে।

২। এটি পড়ে বাড়ি ঢুকলে বাড়িতে দারিদ্রতা প্রবেশ

করতে পারেনা।

৩। এটি পড়ে ঘুমালে সারারাত একজন ফেরেস্তা

তাকে পাহারা দেন।

৪। ফরজ নামাযের পর পড়লে তার আর বেহেস্তের মধ্য

একটি জিনিসেরই দূরত্ব থাকে; তা হলো মৃত্য। এবং

মৃত্য আযাব এতই হালকা হয়; যেন একটি পিপড়ার কামড়।

৫। ওজুর পর পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুন মর্যাদা বৃদ্ধি লাভ করে।(সহীহ হাদিস)

৬। জান্নাতের দরজা: আবু উমামা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল নুরে মুজাসসাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোনো কিছু বাধা হবে না। [নাসায়ী]

৭। হজরত আলী রা. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা.-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাত প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরে,প্রতিবেশির ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। [সুনানে বায়হাকী]

৮। মর্যাদাসম্পন্ন মহান আয়াত: আবু জর জুনদুব ইবনে জানাদাহ রা. রাসূল সা.-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসূল সা. ! আপনার প্রতি সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন কোন আয়াতটি নাজিল হয়েছে? রাসূল সা. বলেছিলেন, আয়াতুল কুরসী। [নাসায়ী]

৯। উবাই বিন কাব থেকে বর্ণিত, রাসূল সা: উবাই বিন কাবকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, তোমার কাছে কুরআন মজীদের কোন আয়াতটি সর্ব মহান? তিনি বলেছিলেন, (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল্ হাইয়্যূল কাইয়্যূম) তারপর রাসূলুল্লাহ্ নিজ হাত দ্বারা তার বক্ষে আঘাত করে বলেন: আবুল মুনযির! এই ইলমের কারণে তোমাকে ধন্যবাদ। [সহীহ মুসলিম]

১০। যে দোয়া পড়লে মৃত্যুর আযাব হবে পিপড়ার কামড়ের সমান।

সুবহানাল্লাহ

You scoundrel.
তুমি বদমাশ।
❖ You hippocrates.
তুমি ভন্ড।
❖ What a big devil!
কত বড় শয়তানরে বাবা!
❖ I will slap off your teeth.
থাপ্পর দিয়ে দাত ফেলে দেব।
❖ I will make you flat by beating.
তোমাকে পিটিয়ে সোজা করে দেব।
❖ Keep your voice down.
গলা নামিয়ে কথা বলো।
❖ Keep your eyes down.
চোখ নামিয়ে কথা বলো।
❖ Don't show your temper to me.
আমার দিকে চোখ পাকিয়ো না।
❖ I will dip you into dirty water.
তোমাকে পচা পানিতে চুবিয়ে দেব।
❖ I will teach you a good lesson. তোমাকে উচিত শিক্ষা দিবউচিত শিক্ষা দিবো।
❖ I will kick you out from here. তোমাকে লাথি দিয়ে বের করে দেব এখান থেকে।
❖ I will see you my foot.
তোমাকে দেখে নেব।
❖ Keep your finger down.
আঙ্গুল নামিয়ে কথা বলো।
❖ Mind your language.
ভাষা সংযত করো।
❖ Hold your tongue.
মুখ সামলে কথা বলো।
❖ Don't grow so far.
বেশি বার বেড়ো না।
❖ Do you think that I am a fool?
তুমি কি মনে কর আমি একটা বোকা?
❖ Don't cross your limit.
সীমা ছাড়িয়ে যেওনা।
❖ Have you gone mad?
তুমি কি পাগল হয়ে গেছ?

ইচ্ছাশক্তির দৃঢ়তা ও মনোবল বাড়ানোর উপায়
১. আল্লাহ, তাঁর গুণাবলি, তাকদির ইত্যাদির ওপর ইমান বাড়ানোর উপাদানগুলো শক্তিশালী করা এবং তাঁর ওপর সঠিক ভরসা ও ভালো ধারণা পোষণের উপকরণকে শক্তিশালী ও দৃঢ় করা।
.
২. নফসের কুপ্রবৃত্তি ও তার নোংরা কামনা-বাসনার বিরুদ্ধে প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ।
.
৩. বিভিন্ন ধরনের ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত রাখা। যেমন, সঠিক নিয়মানুবর্তিতা ও যত্বের সাথে নামাজ পড়া। কেননা, আল্লাহর ভয়, বিনয় ও একাগ্রতার সহিত নামাজ সম্পাদন মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে নফসের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধাচরণের ব্যাপারে অনেক শক্তিশালী করে তোলে। তেমনিভাবে রোজাকে অধিক গুরুত্ব ও যত্বসহকারে এবং আল্লাহর কাছ থেকে পুণ্য ও প্রতিদান লাভের আশায় পালন করা। একইভাবে অন্যান্য সকল ইবাদত স্বীয় ইচ্ছাশক্তি দৃঢ়করণের অন্যতম মাধ্যম।
.
৪. আবশ্যিকভাবে আল্লাহর সমস্ত আদেশের আনুগত্য করা এবং তাঁর নিষেধাবলি থেকে বিরত থাকা। বাধা-বিপত্তি আসার পূর্বে কল্যাণের কাজগুলোর দিকে দ্রুত অগ্রগামী হওয়া। এসব কাজে নিয়তকে পরিশুদ্ধ ও দৃঢ় করা।
.
৫. মুমিন বিভিন্ন উপায়-উপকরণ অবলম্বন করে নিজের ইচ্ছাশক্তি ও নিয়তের পরিশুদ্ধতাকে শক্তিশালী করতে পারে। যেমন, অধিকহারে আল্লাহর জিকির, কুরআন তিলাওয়াত, বেশি বেশি ইসতিগফার, দুআ ইত্যাদি।
.
৬. সবর্দা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভকেই কাজের আসল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বানানো। কল্যাণের কাজে ইচ্ছাশক্তি ও সংকল্পকে দৃঢ় করা। তেমনিভাবে আল্লাহর মহাপুরস্কার জান্নাত লাভ এবং মুত্তাকিদের জন্য তিনি যেসব নিয়ামত বরাদ্দ করে রেখেছেন, সেগুলোর যথাযথ উপলদ্ধিও সংকল্পকে বাড়িয়ে দেয়। আল্লাহর নিম্নোক্ত বাণীও সদা অন্তরে স্মরণ ও জাগরুক রাখার মাধ্যমে সংকল্পের ভিত মজবুত করা যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِ وَنَهَى النَّفْسَ عَنِ الْهَوَى. فَإِنَّ الْجَنَّةَ هِيَ الْمَأْوَى.
‘পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দণ্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং প্রবৃত্তির অনুসরণ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে, তার ঠিকানা হবে জান্নাত।’
.
৭. কর্মক্ষেত্রে কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় অবলম্বন, নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করা, কাজের সুষম বণ্টন ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা; সর্বোপরি নৈরাজ্য, অস্থিরতা ও অরাজকতা থেকে সম্পূর্ণভাবে নিজেকে বিরত রাখা।
৮. ইচ্ছাশক্তি তথা সংকল্পের দৃঢ়তা বৃদ্ধিকারী বিষয়াদির মধ্য থেকে সৌভাগ্যসূচক ‘ফাল’ নেওয়াও অন্যতম এবং অশুভ লক্ষণ গ্রহণ থেকে নিজেকে ফিরিয়ে রাখা। তবে শর্ত হলো, সব সময় আল্লাহর ব্যাপারে পূর্ণ সুধারণা পোষণ করা।
.
৯. ক্রোধের সময় নিজেকে ধরে রাখা, ভারসাম্য রক্ষা করা, অন্য কারও সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে নফসের রূদ্রমূর্তি ধারণের সময় নিজের একঘেয়েমি ও জিদকে দমন করা ও তা থেকে নিজেকে বিরত রাখা।
.
১০. কোনো অঘটন ও বালা-মুসিবতকে সংযমের সাথে হাসিমুখে বরণ করা। হারানো কোনো বিষয়ের জন্য খুব বেশি হতাশাগ্রস্ত না হওয়া এবং এ থেকে সম্পূর্ণ চিন্তামুক্ত থাকা। দুঃসাধ্য ও নাগালের বাইরের বিষয়াবলি অর্জন করার পেছনে না পড়া। তেমনই যা কিছু বাস্তবায়ন অসম্ভব, এরূপ কাজের জন্য অযথা সময় নষ্ট করে তার পেছনে বারবার না দৌঁড়ানো।(সূত্র : আল-আখলাকুল ইসলামিয়্যাহ)
...................

♦️বই : কীভাবে আল্লাহর প্রিয় হবো?
♦️লেখক : শাইখ খালিদ আল হুসাইনান রহ.
♦️অনুবাদ : হাসান মাসরুর
♦️বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৩৬০
♦️ধরন : হার্ডকভার

প্রচ্ছদ রচনা
ব্যতিক্রমী উদ্ভিদ ফ্লাইট্র্যাপ
জাহিদ ইকবাল

সৃষ্টির শুরু হতে যেদিন পৃথিবীতে প্রাণের সঞ্চার শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই শুরু হয়েছে তাদের বৈচিত্র্যময়তার। পুরো পৃথিবীব্যাপী নানা জাতের নানা প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী আছে যাদের সঠিক সংখ্যা জানাও মানুষের পক্ষে অসম্ভব।
বেঁচে থাকার জন্য এসকল উদ্ভিদ ও প্রাণী খাবারের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সব প্রাণী পুষ্টির জন্য একই প্রকার খাবারের ওপর নির্ভর করে না। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রায় সকল উদ্ভিদেরই পুষ্টি গ্রহণ পদ্ধতি একই রকম হয়ে থাকে। অর্থাৎ এরা মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ এবং বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে খাবার প্রস্তুত করে। কিন্তু কেমন হবে যদি কোনো উদ্ভিদ পুষ্টির জন্য প্রাণীর ওপর নির্ভরশীল হয় অর্থাৎ সহজে বলতে গেলে প্রাণীদের ভক্ষণ করে! কথাটা অবাস্তব মনে হলেও পৃথিবীতে এমন উদ্ভিদ আছে যাদের মাংসাশী উদ্ভিদ বলে এবং এদের মধ্যে ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপ একটি অন্যতম উদ্ভিদ।
ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপের দেহেই রয়েছে কীটপতঙ্গের ফাঁদ। পাতা দেখতে চোয়ালের মতো। কপাটের মতো দু’টি পাতার চারপাশে রয়েছে ছোট ছোট কাঁটা। মাংসাশী উদ্ভিদ সারা বিশ্বময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও ফ্লাইট্র্যাপ কেবল আমেরিকার উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলাইনার স্যাঁতস্যাঁতে জলাভূমি অঞ্চলেই পাওয়া যায়।

অন্যান্য উদ্ভিদের মতোই ফ্লাইট্র্যাপ মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ অর্থাৎ পুষ্টি এবং বায়ু থেকে প্রয়োজনীয় গ্যাসীয় উপাদান সংগ্রহ করে। কিন্তু বাস্তবে এই পুষ্টি এই উদ্ভিদের জন্য অপ্রতুল এবং এরা মাটি ও বায়ু থেকে খুব কম পরিমাণ পুষ্টিই সংগ্রহ করে থাকে। সাধারণত যেসব পরিবেশে নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের মাত্রা কম, সেসব পরিবেশে এরা জন্মায়। উল্লেখ্য, নাইট্রোজেন এবং ফসফরাস উদ্ভিদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধারণা করা হয় এ কারণেই ফ্লাইট্র্যাপ বিকল্প পুষ্টির উৎস হিসেবে প্রাণীর প্রতি নির্ভর করে।
জার্মানির ইউনিভার্সিটি অব উর্জবার্গের বিজ্ঞানীরা উদ্ঘাটন করেছেন ভয়ঙ্কর এ গাছটি স¤পর্কে নতুন একটি তথ্য। তারা জানান, ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপের চুলটানা রেখার পাতায় যখন কোনো পোকা স্পর্শ করে তখন ফ্লাইট্র্যাপ স্পর্শগুলো গুনতে পারে।
সাধারণ উদ্ভিদ হতে ভিন্ন কিছু শারীরতত্ত্ব এবং বৈশিষ্ট্যময় অভিযোজনিক ক্ষমতার জন্য চার্লস রবার্ট ডারউইন তার ‘ওহংবপঃরাড়ৎড়ঁং চষধহঃং’ নামক রচনায় একে পৃথিবীর সব থেকে অদ্ভুত উদ্ভিদ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যদিও তিনি এর অদ্ভুত খাদ্যগ্রহণ পদ্ধতি স¤পর্কে জানতেন, কিন্তু কোনো সঠিক ব্যাখ্যা তিনি দিতে পারেননি।
এই উদ্ভিদে ৪ থেকে ৭টির মতো পাতা থাকে। এদের পাতা মূলত দুই অংশে বিভক্ত- সালোকসংশ্লেষণে সক্ষম, চ্যাপ্টা, হৃদপিণ্ডসদৃশ অংশ এবং দু’টি চ্যাপ্টা লোব যারা পাতার মধ্যশিরা বরাবর একসঙ্গে যুক্ত থাকে। বলা যায় লোব সদৃশ দু’টি পাতা একসাথে মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ পাতা তৈরি করে। লোবের ভেতরের পৃষ্ঠে এন্থোস্যায়ানিন নামক পিগমেন্ট থাকে ফলে তা লাল বর্ণ ধারণ করে এবং এই পৃষ্ঠ মিউসিলেজ নিঃসরণ করে। লোব দু’টির মাঝে একটি ভাঁজ থাকে এবং এদের কিনারা জুড়ে থাকে ট্রিগার নামক কিছু সংবেদনশীল সুতাসদৃশ অংশ। এই ট্রিগার পাতার ফাঁদে আটকা পড়া শিকারকে পালিয়ে যেতে প্রতিরোধ করে।
এরা বুঝতে পারে যার স্পর্শ পেলো তা ভোজ্য উপকরণ নাকি মিথ্যা সংকেত। ফলে যখন এক, দুই, তিন করে পাঁচবার কোনো উদ্দীপক অর্থাৎ, কীটপতঙ্গ তার পাতায় স্পর্শ করে তখন সে উদ্দীপকের ওপর পাচক রস ক্ষরণ করে শুষে নেয় ও অবশিষ্টাংশ ফেলে দেয়।

ফ্লাইট্র্যাপের খাদ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া খুব মজার। পতঙ্গকে আকৃষ্ট করতে এরা এক প্রকার সুগন্ধী রস উৎপাদন করে এবং এই সুগন্ধের প্রলোভনে পতঙ্গ এগিয়ে যায় তার অনাকাক্সিক্ষত পরিণতির দিকে। গবেষণায় দেখা যায়, ভেনাস ফ্লাইট্র্যাপের পাতায় যখন কোনো পোকা বসে তখন গাছটি প্রথম সঙ্কেত পেয়ে পাতার গায়ের কাঁটা দাঁড়িয়ে যায় ও কপাট বন্ধ করার প্রস্তুতি নেয়। দ্বিতীয় স্পর্শ পাওয়ার পর সে কপাট বন্ধ করে দেয়, এরপর আটকা পড়া শিকারের ওপর পাচক রস ছেড়ে দেয়। এই পাচক রস পোকার দেহকে গলিয়ে দেয়। যদি পতঙ্গটি খুব ছোট হয় তখন লোব দু’টি আস্তে আস্তে বন্ধ হয় যেন পতঙ্গটি বেরিয়ে যেতে পারে।
এর কারণ এই যে ক্ষুদ্র পতঙ্গ থেকে খুব কম পরিমাণ পুষ্টিই পাওয়া যায়। তবে কোনো পতঙ্গ না হয়ে যদি কোনো জড় পদার্থ এই ফাঁদে প্রবেশ করে তাহলে ফাঁদটি ১২ ঘণ্টার মধ্যেই আবার খুলে যায়।
কিন্তু যদি পতঙ্গ আকারে বড় হয়ে যায়, তখন ফাঁদ সহজে এবং স¤পূর্ণভাবে বন্ধ হতে পারে না। ফলে পতঙ্গটি বেরিয়ে আসতে পারে। এতে করে ব্যাকটেরিয়া ভেতরে প্রবেশ করে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো সিলিয়াকে আক্রমণ করে এবং পাতাকে পচিয়ে ফেলে। পরিশেষে আক্রান্ত পাতাটি ঝরে যায়।
পতঙ্গের বহিরাবরণ বা কঠিন অংশগুলো উদ্ভিদ হজম করতে পারে না। প্রায় পাঁচ থেকে বারো দিনের মধ্যে পরিপাকক্রিয়া স¤পন্ন হয় এবং পাতাটি পুনরায় উন্মুক্ত হয় নতুন পতঙ্গের অপেক্ষায় ।
কঠিন ও অপাচনযোগ্য অংশগুলো পরে বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায় বা বায়ুপ্রবাহের দ্বারা উড়ে যায়। লোব হতে এন্টিসেপ্টিক রসও ক্ষরিত হয় যা মৃত পতঙ্গটিকে প্রায় ১২ দিন পর্যন্ত সংরক্ষিত ও জীবাণুমুক্ত রাখে।

মজার ব্যাপার হচ্ছে যদি কেউ উদ্ভিদটিকে খাওয়াতে কোনো মৃত পতঙ্গ এর পাতার ফাঁদে দেয়, তাহলে লোবগুলো বন্ধ না-ও হতে পারে। কারণ জীবন্ত পতঙ্গের নড়াচড়ার কারণেই লোবের ট্রিগার বন্ধ হয় এবং লোব ভাঁজ হয়ে যায়। যেহেতু মৃত পতঙ্গ নড়াচড়া করতে অক্ষম, সেহেতু লোব বন্ধ হতে পারে না। তবে মৃত পতঙ্গটিকে যদি নাড়াচাড়া করা হয় তখন ফাঁদ বন্ধ হতেও পারে।
গঠনগত এবং বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার কারণে এই গাছের প্রতি সবার আকর্ষণ বেশি। ভ্রমণকারীরা ভালো লাগার কারণে এই উদ্ভিদগুলো অতিরিক্ত মাত্রায় সংগ্রহ করে যার ফলে এই গাছটি আজ বিলুপ্তির পথে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে গ্রিন হাউজের ভেতর এই উদ্ভিদের চাষ করে সংগ্রহ করা হচ্ছে।

১০ জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৯:- “সাইন্স” জার্নালে প্রকাশিত হয় জীবাষ্ম তেল ব্যাবহারের ফলে পৃথিবী দিন দিন উষ্ণ হচ্ছে।

২০১৮:- জেফ বেজোস ২য় ব্যাক্তি হিসেবে ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ অতিক্রম করেন।
২০১৫:- মোজাম্বিকে বিষক্রিয়ায় ৭২ জন মারা যান এবং ১৬৯ জন হাসপাতালে এডমিড হন।

২০১৩:- পাকিস্তানের কুয়েটায় বোমা হামলায় ৮১ জন নিহত এবং ১২০ জন আহত হয়।

২০১১:- ব্রাজিলিয়ান মহিলা ফুটবল টিমের ফরওয়ার্ড মার্টা টানা ৫ বার মহিলা ব্যালন ডি-অর জিতেন।

২০০৫:- ক্যালিফোরনিয়ার লা কনচিটাতে ভুমি ধ্বশে ১০ জন নিহত হয় এবং অনেকে আহত হয়। ১০১ হাইওয়ে বন্ধ হয়ে যায়।

২০০২:- ভ্রাম্যমান ডাভি আন্তর্জাতিক টেবিল-টেনিস চীনের থিয়েচিং শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৯৭:- আরনল্ডো আলমান নিকগুয়ারার রাষ্ট্রপতি হিসেবে সপথ নেন।

১৯৯৬:- জর্ডানের রাজা হুসাইন ইজরাইলে যান।
১৯৯৪:- উজবেকিস্তান এবং কাজাকিস্তান শুল্ক বাতিল করতে সম্মত হয়।

১৯৮৬:- নোবেল জয়ী চেক কবি ও সাংবাদিক ইয়ারোস্লাভ সেইফের্তর মৃত্যবরন করেন।
১৯৮২:- সঙ্গিত স্রষ্ঠা সুধিন দাশগুপ্ত পরলোকগমন করেন।

১৯৭৮:- আমেরিকান গায়ক ব্রেন্ট স্মিথ জম্মগ্রহন করেন।

১৯৭৭:- জায়ারে অগ্নুৎপাতে দুই হাজার লোক মৃত্যবরন করে।

১৯৭৬:- আমেরিকান বেসবল খেলোয়াড় এডাম কেনেডি জম্মগ্রহন করেন।

১৯৭৫:- ৫০০ বছর পর পর্তুগালের করদ থেকে এঙ্গোলা স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৪:- ভারতীয় ফিল্মস্টার হৃতিক রোশান জম্মগ্রহন করেন।

১৯৭২:- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯৭০:- সার্বিয়ান দাবা গ্রান্ডমাস্টার আলিসা মারিখ জম্মগ্রহন করেন।

১৯৬৪:- চীন ও তিউনিসিয়িার মাঝে কুটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পানামা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৫৭:- ম্যাকমিলান বৃটিনের প্রধানমন্ত্রী হন এবং চিলির নোবেল জয়ী মহিলা সাহিত্যীক গ্যাব্রিয়েল মিস্ট্রাল মৃত্যু বরন করেন।

১৯৫১:- নোবেল জয়ী মার্কিন ঔপন্যিাসিক সিনক্লেয়ার লুইস মৃত্যুবরন করেন।

১৯৪৮:- জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে বিশ্ব মানবধিকার দিবস ঘোষনা গৃহিত হয়।

১৯৪৬:- জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের প্রথম বৈঠক লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৪০:- বিশ্ব ট্রেড ইউনিয়ন এর যুক্ত সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৩:- বেলজিয়ামের সৈন্যরা জার্মানীর লুয়ে এলাকা দখল করে নেয়।

১৯২০:- লীগ অব নেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১০:- শিশু সাহিত্যিক মোঃ নাসির আলি জম্মগ্রহন করেন।

১৯০১:- টেক্সাসের তেল খনির শ্রমিকরা মহা ধর্মঘটে যুক্ত হয়।

১৮৮৯:- আইভরি কোস্টের উপর ফ্রান্সের অধিকার প্রতিষ্ঠা পায়।

১৮৬৩:- লন্ডনে প্রথম পাতাল রেল চালু হয়।

১৮৬১:- ফ্লোরিডা আমেরিকার অঙ্গরাজ্য হয়।
১৮৩৯:- ভারত থেকে বৃটিনে প্রথম চায়ের চালান আসে।

১৮২৪:- বৃটিনের জোসেফ অ্যাসপডিন এক নতুন ধরনের সিমেন্ট আবিস্কার করেন।

১৮১৫:- বৃটেন শ্রীলংকার ক্যান্ডির রাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে।

১৮১১:- যুক্তরাষ্ট্র নিউ অরলেন্স অঙ্গরাজ্যের কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের বিদ্রোহ অতি নিষ্ঠুরভাবে দমন করে।

১৬৬৩:- বৃটেনের রাজা ২য় চার্লস আফ্রিকান উপনিবেশ এর সনদ মন্জুর করেন।
১৬৪২:- রাজা প্রথম চার্লস সপরিবারে লন্ডন থেকে অক্সফোর্ড পালিয়ে যান।

১৬১৬:- রাজদূত টমাস রো মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর দরবারে হাজির হন।

১৫৫৪:- জার্মান জ্যোতিরবিদ সায়মন মারিয়াস জম্মগ্রহন করেন।

১৪৭৫:- ৩য় মালদিভোয়ার স্টিফেন ওসলুইয়ের যুদ্ধে অটোমানদের পরাজিত করেছিলেন।

সোর্স:- গুগল ও ইন্টারনেট।

৯ জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৯:- সীমান্ত প্রাচীরের প্রশ্নে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শাট-ডাউন এর ঘোষনা দেন।

২০১৮:- প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২ লক্ষ অস্থায়ী অভিবাসির মর্যদা বাতিল ঘোষনা করেন।

২০১৪:- তালেবানের আত্মঘাতি গাড়ি বোমা হামলায় পুলিশ অফিসার আসলাম চৌধুরীসহ মোট চার জন নিহত হয়।

২০০৭:- অ্যাপল এর সিইও স্টিভ জবস আই ফোনের ঘোষনা দেন।

২০০৫:- প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) প্রধান পদে নির্বাচনে রুহি ফতোয়া জয়ী হন।

১৯৯৭:- শ্রীলংকার সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় প্রবেশ করে তামিল গেরিলারা ১৪২ জন সেনাকে হত্যা করে।

১৯৯৫:- রাশিয়া এবং ইরাকের মাঝে পারমানবিক চুল্লি তৈরীরে চুক্তি সম্পাদিত হয়।
১৯৯২:- বাংলাদেশের সংসদে বিভক্তি ভোটে সরকারি দল পরাজিত হয়।

১৯৯১:- উপসাগরীয় যুদ্ধ থামানোর লক্ষে অনুষ্ঠিত “জেনেভা বৈঠক” ব্যার্থ হয়।
১৯৮৯:- ব্রিটিনের বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি আকাশে উড়ার ১৭ মিনিটের মাথায় মাটিতে ভুপাপিত হয়।

১৯৮৩:- পানামার কংডাডোলা দ্বীপে পানামা, কলম্বিয়া, মেক্সিকো এবং ভেলারিয়া্র পররাষ্ট্রমন্ত্রিরা বৈঠকে বসেন। তারা মধ্য আমেরিকার বিরোধের সম্পত্তি নিয়ে আলোচনায় বসেন।

১৯৮২:- ইজরাইল সিনাই উপত্যকা থেকে তাদের সেনা সরিয়ে নিতে সম্মত হয়।
১৯৭২:- বীণকার ওস্তাদ দবির খা ইন্তেকাল করেন।

১৯৬৮:- সৌদি আরব, কুয়েত এবং লিবিয়ার যৌথ উদ্যোগে তেল বিক্রয়কারি দেশের সংস্থা ওপেক গঠিত হয়। যার সদর দপ্তর কুয়েতে অবস্থিত। এবং মার্কিন মহাকাশযান সার্ভেয়ার চাদে অবতরন করে।

১৯৬৪:- পানামা খালে মার্কিন পতাকা উড্ডয়ন কেন্দ্র করে মার্কিন সেনা স্থানীয়দের মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে করে চার মার্কিন সেনা এবং এবং ২১ জন পানামার নাগরীক নিহত হয়।

১৯৬০:- নীল নদের উপর আসোয়ান বাধ নির্মান শুরু হয়।

১৯৫৪:- সুদানে নিজস্ব সরকার ব্যাবস্থা প্রবর্তিত হয়।

১৯৫১:- যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘের সদর দপ্তর উদ্বোধন করা হয়।
১৯৪৫:- ইংরেজ দার্শনিক ও ঐতিহাসিক রবিন জর্জ কলিংউড মৃত্যুবরন করেন। এবং মার্কিন বাহিনি ফিলিপাইনের লুজন আক্রমন করে।

১৯৪২:- জাপান মালয়শিয়ার রাজধানি কুয়ালালামপুর দখল করে।

১৯২৭:- মন্ট্রিলের লরিয়াল প্যালেসে সিনেমায় ৭৮ জন শিশু মৃত্যুবরন করে।

১৯২৩:- প্রথম ভারতিয় ‍সিভিলিয়ান সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর মৃত্যুবরন করেন।

১৯২২:- নোবেলজয়ী ভারতীয় জীববিজ্ঞানী হরগোবিন্দ খোরানা জম্মগ্রহন করেন।

১৯১৭:- ফিলিস্তিনের কাছে মিশরের রাফায় যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯১৫:- ব্রিটিশ সেনাবহিনি গালিবুলি যুদ্ধে যোগ দেয় এবং মোহন দাস করম চাদ গান্ধি ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন।

১৯১৩:- যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন জম্মগ্রহন করেন।

১৯০৮:- নারীবাদি সিমন বেভোয়ার জম্মগ্রহন করেন।

১৮৯০:- চেক লেখন ও নাট্যকার ক্যারেল কাপেক জম্মগ্রহন করেন।

১৮৮৪:- আইনজিবি ও সাহিত্যিক সৌরিন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায় জম্মগ্রহন করেন।
১৮৬২:- পিস্তলের আবিস্কারক স্যামুয়েল কোল্ট মৃত্যুবরন করেন।

১৮১৬:- স্যার হামফ্রে ডেভির নিরাপত্তাবাতি সর্বপ্রথম কয়লার খনিতে ব্যাবহার করা হয়।

১৮১১:- প্রথম মহিলা গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়।
১৭৯৯:- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট আয়কর ব্যাবস্থা চালু করেন।

১৭৭৮:- কানেকটিকাট আমেরিকার ৫ম রাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

১৭৭৬:- বিপ্লবি লেখক টমাস পেইনের “কমনসেন্স” প্রকাশিত।

১৭৬০:- আফগানরা মারাঠিদের পরাজিত করে বারারি ঘাটের ‍যুদ্ধে।

১৭৫৭:- রবার্ট ক্লাইভ হুগলি দখল করেন।
১৭১৮:- ফ্রান্স স্পেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে।

১৬৯৩:- কলকাতা শহরের গোড়াপত্তনকারি জোব চার্নকের মৃত্যু হয়।

১৫৭০:- জার ইভান দ্যা টেরিবল নভগর্ডের ১-২০০০ বাসিন্দাকে হত্যা করে।
১৫৫৪:- পোপ ১৫ গ্রেগরি জম্মগ্রহন করেন।

১৫২২:- অ্যড্রিয়ান এফ বোয়েন্স পোপ নির্বাচিত হন।

১৪৫৪:- নেদারল্যান্ডর এর স্টেট জেনারেলদের মাঝে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৩৪৯:- সুইজারল্যান্ডের বাসেলে ৭০০ জন ইহুদিকে তাদের বাসায় পুড়িয়ে মারা হয়।

১৩১৭:- ৫ম ফিলিপ্‌স ফ্রান্সের রাজা হন।
১২৯৬:- আর্ল ফোরিস-৫ ফরাসি রাজার সাথে চুক্তি করেন।

১২৮৩:- চীনের প্রধানন্ত্রী ওয়েন তিনজিয়ানের মৃত্যু হয়।

৪৭৫:- বাইজেন্টাইন সম্রাট জেনো তার রাজধানী কনস্ট্যাটিনপোলে পালাতে বাধ্য হন।

সোর্স:- গুগল ও ইন্টারনেট।

সংগ্রহে রাখতে পারেন...

রক্তের গ্রুপ মোট ৮ ধরণের:- এবি পজিটিভ, এবি নেগেটিভ, এ পজিটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজিটিভ, বি নেগেটিভ, এবং ও পজিটিভ, ও নেগেটিভ।

রক্ত দেয়ার উপকারিতা:-
দেশের বিভিন্ন ব্লাডব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় নিয়মিত রক্ত দেয়ার কিছু উপকার রয়েছে। সেগুলো হলো:-

১. এতে একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সম্ভব।

২. নিয়মিত রক্তদাতাদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

৩. বছরে তিনবার রক্ত দিলে শরীরে নতুন লোহিত কণিকা তৈরির হার বেড়ে যায়। এতে অস্থিমজ্জা সক্রিয় থাকে। দ্রুত রক্ত স্বল্পতা পূরণ হয়।

৪. রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা কমে যায়, এতে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

৫. রক্ত দিলে যে ক্যালোরি খরচ হয়, তা ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৬. শরীরে হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, এইচআইভি বা এইডসের মতো বড় কোন রোগ আছে কি না, সেটি বিনা খরচে জানা যায়।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৮. রক্তদাতার যদি নিজের কখনো রক্তের প্রয়োজন হয় তাহলে ব্লাড ব্যাংকগুলো তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রক্তের ব্যবস্থা করে দেয়।

সূত্র:- বিবিসি।

৬ জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৯: মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান মুহাম্মদ ৫ দুই বছর শাসন করার পর সিংহাসন বর্জন করেন।

২০১৮: সাংহাই উপকূলে অয়েল ট্যাংকার সাচির সাথে একটি ফ্রেইটের সংঘর্ষ হয় এতে প্রায় ৩২ জন মারা যায়।

২০১৬: উত্তর কোরিয়া তাদের চতুর্থ পারমানবিক অস্ত্রের পরিক্ষা চালায়। বিশেষজ্ঞদের মতে এটি হাইড্রোজেন বোমার পরিক্ষা ছিলো।

২০১৪: উত্তর দামেস্কে ফ্রি সিরিয়ান আরমি এবং প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদের সেনাদের মাঝে সংঘর্ষ শুরু হয়।

২০১২: সিরিয়ার দামেস্কের একটি পুলিশ স্টেশনে আত্মঘাতি বোম হামলায় ২৬ মারা যায় এবং ৬৩ জন আহত হয়।

২০০৯: ঈসরাইল গাজায় আক্রমন শুরু করে।
২০০০: সর্বশেষ পাইরেনিয়ান ইবেক্স গাছে পৃস্ট হয়ে মারা যায়।

১৯৯৬: রেকর্ড তিনজন ৪২ মিলিয়ন ইউরোর ব্রিটিশ লটারি জিতে।

১৯৯৪: ঝোং ওয়েজু ২৫ মিটারের পুলে সাতার কেটে বিশ্ব রেকর্ড করেন এবং ইয়াট ওয়েজু পুলে ৫০ মিটার বাটাফ্লাইয়ে বিশ্বরেকর্ড করেন।

১৯৯৩: জম্মু এবং কাশ্মিরের শপরে ৫৫ কাশ্মিরি সিভিলিয়ান মারা যায় ইন্ডিয়ান বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স দ্বারা।

১৯৮৪: সঙ্গিতশিল্পি এবং অভিনেত্রি আঙুরবালা মৃত্যবরন করেন।

১৯৮০: গায়ক ও সুরকার ‍দিলিপ কুমার রায় মৃত্যুবরন করেন।

১৯৭১: যাদুকর ‍পিসি সরকার পরলোক গমন করেন।

১৯১৯: মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট জম্মগ্রহন করেন।

১৯১২: নিউ মেক্সিকো আমেরিকার ৪৭ তম অংগরাজ্য হয়।

১৮৯৮: সিমন লেক সাবমেরিন থেকে প্রথম টেলিফোন মেসেজ প্রেরন করেন।

১৮৯৬: আমেরিকার ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে প্রথম মহিলা ৬ দিনের বাইসাইকেল রেস অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৮৪: উদ্ভিদতত্ববিদ এবং বংশতত্ববিদ্যার পথিকৃত মেন্ডেল মৃত্যুবরন করেন।

১৮৫২: অন্ধদের জন্য বর্ণমালা ও পঠন পদ্ধতীর আবিস্কারক লুই ব্রেইল মৃত্যুবরন করেন।

১৮৩৮: বিজ্ঞানী স্যামুয়েল মোর্স জনসম্মুখে টেলিগ্রাফের কাজ প্রদর্শন করেন।

৫ জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৪: বিএনপি ও তার জোটের দল ছারাই প্রাধনমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৯৬: ফিলিস্তিনি স্বধীনতা আন্দোলনের যোদ্ধা হামাস কর্মী ইয়াহিয়া আয়াস ইজরাঈলী বেমা হামলায় নিহত হন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী তোমিচ মুরায়ামার পদত্যাগ করেন।

১৯৯৫: প্রথম বাঙ্গালী অভিনেত্রি বনানী চেীধুরীে ইন্তেকাল করেন।

১৯৯৪: কথাসাহিত্যিক ও সঙ্গিতশিল্পি সুচরিত চেীধুরী মৃত্যুবরন করেন।

১৯৮১: নোবেল জয়ী মার্কিন রসায়নবিদ হেরল্ড কেটউইন মৃত্যুবরন করেন।

১৯৭১: প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হয়, এতে অংশগ্রহন করে অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড।

১৯৬৯: আমেরিকান গায়ক মার্লিন ম্যালসন জম্মগ্রহন করেন এবং আয়ুব খান বিরোধী আন্দোলনে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

১৯৫০: ইলা মিত্র এর নেতৃত্বে নাচোলে কৃষক বিদ্রোহ শুরু হয়।

১৯৪২: ৫৫টি জার্মান ট্যাংক উত্তর আফ্রিকা পৌছায়।

১৯৪০: লেখক অনুবাদক ফরুজ্জামান চৌধুরী জম্মগ্রহন করেন।

১৯৩৮: ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া জম্মগ্রহন করেন।

১৯৩৪: কলকাতায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাধে এবং কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ভারত-ইংল্যান্ড প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৩৩: গোল্ডেন গেট ব্রিজ এর নির্মান কাজ শুরু হয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম রাষ্ট্রপতি ক্যালভিন কুলিজ মৃত্যুবরন করেন।

১৯২৯: দক্ষিন স্লাভিয়াতে রাজা আলেকজান্ডারের উথান হয়।

১৯২৮: পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলি ভুট্টো জম্মগ্রহন করেন।

১৯২২: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয়।
১৯১৯: জার্মানীতে ন্যাশনাল সোসালিস্ট পার্টি গঠিত হয়।

১৯১৮: জার্মান ওয়ার্কার পিস গঠিত হয় যা পরবর্তিতে নাৎসি পার্টি নামে পরিচিত হয়।
১৯১৫: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কি বাহিনি ককেসাসে পরাজয় বরন করে।

১৯০৯: কলম্বিয়া পানামাকে স্বাধীন ঘোষনা করে।

১৯০০: আইরিশ নেতা জন রেডমন্ড ব্রির্টিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।

১৮৯৬: অস্ট্রিয়ান সংবাদপত্র প্রথম এক্সরে এর ব্যাপারে সংবাদ প্রকাশ করে।

১৮৯০: প্রথম ভারতীয় ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুর পরলোক গমন করেনে।

১৮৮৫: ইতালিয়ান বংশদ্ভোদ ইংরেজ কবি হামবার্ট উলফ জম্মগ্রহন করেন।

১৮৬৭: জোড়াসাকো ঠাকুর বাড়িতে “জোড়াসাকো থিয়েটার” এর উদ্বোধন করা হয়।
১৮৫৫: সেফটি ব্লেডের আবিস্কারক কিং জিলেট জম্মগ্রহন করেন।

১৮৫৪: ফ্রানসিসকোতে ‍স্টিমারে বিশ্ফোরন হয় এত প্রায় ৩০০ জন মারা যায়।
১৮০৯: ব্রিটিশ ও উসমানিয়দের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি শাক্ষরিত হয়।

১৭৮২: ফ্রান্সের সেনাবাহিনি সেন্ট কিটসে ব্রিটিশ সেনাবাহিনিকে অবরোধ করে রাখে।
১৭৮১: ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড বন্দর জ্বালিয়ে দেয় ব্রিটিশ নৌ-বাহিনি।

১৭৫৯: আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন মার্থা কসটিসকে বিয়ে করেন।
১৬৯১: ইউরোপে সর্বপ্রথম কাগুজে মুদ্রা ছাপানো হয়।

১৬৬৫: প্যারিসে পৃথিবীর প্রথম সাময়ীকি প্রকাশিত হয়।

১৫৯২: মুঘল সম্রাট শাহজাহান জম্মগ্রহন করেন।

১৩২৬: আলাদ্দিন খিলজি মৃত্যুবরন করেন।
১২২৯: রোমান সম্রাট রিচার্ডের জম্ম হয়।

১০৬৬: ইংল্যান্ডের রাজা এডওয়ার্ড মৃত্যু বরন করেন।

৮৪২: খলিফা আবু মুহতাসিম মৃত্যু বরন করেন।
৬০৩: ইরান ও রোম সাম্রাজ্যের মাঝে ২৪ বছর ব্যাটি দীর্ঘ যুদ্ধ শুরু হয়।

৪ জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০০৪: মঙ্গল গ্রহে স্পিরিট অবতরন করে।
১৯৯৯: ইউরোপীয় ইউনিয়নে অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে ইউরোর আবির্ভাব হয়।

১৯৯৭: কথাসাহিত্যিক আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস মৃত্যুবরন করেন।

১৯৯০: বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যাবস্থা চালু হয়।

১৯৮৩: রবীন্দ্র সঙ্গিতশিল্পি সাগর সেন মৃত্যুবরন করেন।

১৯৭২: বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর আনুষ্ঠানিক গোড়াপত্তন।

১৯৭১: জাতীয় মুজাহীদ সংঘ পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তানের আলাদাকরন এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জনের প্রয়োজনিয়তা উল্লেখ করে একটি পুস্তীকা প্রকাশ করে।

১৯৬৫: ফরাসি টেনিস খেলোয়াড় গি ফোর্জে জম্মগ্রহন করেন।

১৯৬১: অস্ট্রিয় পদার্থবীদ এরউইন শ্রোডিঙ্গা মৃত্যুবরন করেন।

১৯৫১: চীন ও উত্তর কোরিয়ার যৌথবাহিনি দক্ষিন কোরিয়ার রাজধানী সিওল দখল করে।

১৯৫০: কবি ও সাহিত্য সমালোচক খন্দকার আশরাফ হোসেন জম্মগ্রহন করেন।
১৯৪৮: বার্মা বা মিয়ানমার ইংরেজদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে এবং পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয় যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ আওয়ামী ছাত্রলীগ।

১৯৪৭: দিনাজপুরে কৃষকদের মিছিলে গুলি চালালে সাওতাল শিবরাম এবং কৃষক ছমির উদ্দিন শহীদ হন।

১৯৪১: নোবেল জয়ী ফরাসি দার্শনিক অরি বেগস মৃত্যুবরন করেন।

১৯৩৪: ডেনমার্কে প্রথম সবাক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

১৯৩১: খেলাফত আন্দোলনের নেতা মাওলানা মোহাম্মদ আলি ইন্তেকাল করেন।

১৯২৯: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপন্যাস ”পথের দাবি” বৃটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত করা হয়।

১৮৮৫: পৃথিবির বুকে প্রথম এপেন্ডিসাইটিস এর অপারেশন হয়।

১৮৭৭: টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ আবিস্কার করেন।

১৮৬১: মাইকেল মধুসূদন দত্তের মহাকাব্য ”মেঘনাথবধ” প্রকাশিত হয়।

১৮৪৭: স্যামুয়েল কল্ট মার্কিন সরকার এর কাছে প্রথম রিভালবার বিক্রি করেন।

১৮১৩: শর্টহ্যান্ড লেখার উদ্ভাবক স্যার আইজ্যাক পিটম্যান জম্মগ্রহন করেন।

১৮০৯: অন্ধদের পড়াশুনা করন পদ্ধতীর উদ্ভাবক লুই ব্রেইল জম্মগ্রহন করেন।

১৭৭৭: আমেরিকান বাহিনি প্রিন্সটনে ব্রিটিশ বাহিনিকে পরাজিত করেন।

১৭৬২: ইংল্যান্ডে এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে।

১৬৪৩: স্যার আইজ্যাক নিউটন জম্মগ্রহন করেন।

১৪৯৩: কলম্বাস আমেরিকা থেকে স্পেনের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।

৩জানুয়ারী, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৯: চীনের চ্যাং-৪ স্পেসক্রাফ্ট প্রথমবারের মতো চাদের অন্ধকার পৃষ্ঠে ল্যান্ড করে। এর আগে কোন ল্যান্ডার চাদের অন্ধকার পাশে ল্যান্ড করেতে পারেনি।
২০১৮: রোমে শহরে ল্যাবের বাহিরে প্রথম বারের মতো বায়নিক হাত ব্যবহার করা হয়, যা দ্বারা স্পর্শ করার অনুভুতি পাওয়া সম্ভব।

২০১৫: নাইজেরিয়ার উত্তর-পুর্বের শহর বাগাতে বোকো হারামের হামলায় ২০০০ লোক মারা যায়।

২০০৯: প্রথমবারের মতো ডিজিটাল কারেন্সি হিসেবে বিট কয়েন এর আবির্ভাব ঘটে। সাতোশি নাকামটো নামের এক ব্যাক্তি এর প্রচলন করেন।

১৯৯৯: ”মার্স পোলারল্যান্ডার” উৎক্ষেপন করা হয় এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রি নওয়াজ শরিফ বোমা হামলায় একটুর জন্য বেচে যান।

১৯৯৮: ডেনিয়েল আরোপ ৫ম বারের মতো কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট হন।

১৯৯৪: সাইবেরিয়ায় রাশিয়ান বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২০ জন যাত্রী মৃত্যু বরন করেন।
১৯৯৩: আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বুশ এবং রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ইয়েলিৎসিন দুই তৃতিয়াংশ পারমানবিক অস্ত্র কমিয়ে ফেলার চুক্তি ষ্বাক্ষর করেন।

১৯৯০: মার্কিন সৈন্যদের কাছে পানামার প্রেসিডেন্ট জেনারেল নরিয়েগার আত্মসমর্পন করেন।

১৯৮৩: কবি কাদের নেওয়াজ মৃত্যুবরন করেন।
১৯৮২: খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে দলে যোগ দেন।

১৯৭৬: গ্রীসের স্বৈরাচারি শাসক জর্জ পাপান্ডু পোলাস এবং তার কয়েকজন সহচর সহ কারাগারে দন্ডিত হন।
১৯৬৮: শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে পাকিস্তানি সরকার।

১৯৬২: ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ন পশ্চিম নিউগিনিকে স্বাধীন প্রদেশ ঘোষনা করেন।

১৯৬১: যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সাথে কুটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।

১৯৫৯: ৪৯তম রাজ্য হিসেবে আলাস্কা যুক্তরাষ্ট্রের ‍যুক্ত হয়।

১৯৫৮: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফেডারেশন গঠিত হয় এবং স্যার এডমন্ড হিলারি দক্ষিন মেরুতে পদার্পন করেন।

১৯৫৬: অভিনেতা মেলস গিবসন জম্মগ্রহন করেন।

১৯৫২: ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৯: ফিলিপাইনের কেন্দ্রিয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯২৪: বৃটিশ প্রত্নতত্ববিদ হাওয়ার্ড কার্টার ফারাও তুতেন খানেমের শবাদার আবিষ্কার করেন।

১৯১৯: প্যারিস শান্তিচুক্তিতে ইরাকের আমির ফয়সাল ইহুদি নেতা ক্লেন ওয়াইজম্যানের সাথে প্যালাস্টাইনে ইহুদি বসতি নির্মানের চুক্তি করে।

১৮৯১: ফ্রান্সের রাজা ৫ম ফিলিপের মৃত্যু।

১৮৭০: ব্রুকলিন সেতু তৈরীর কাজ শুরু হয়।
১৮৬১: আমেরিকার গৃহযুদ্ধ এ ডেলওয়্যার যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের হতে অস্বীকৃতি জানায়।

১৭৮২: বাংলাদেশের সিলেট জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৭৭৭: আমেরিকার স্বাধিনতার যুদ্ধে বৃটিশ সেনাপতি কর্নওয়ালিসকে পরাজিত করেন জর্জ ওয়াশিংটন।

১৭৩২: মুসলিম দানবির হাজী মুহাম্মদ মহসীন জম্মগ্রহন করেন।
১৫২১: খ্রিস্টান ধর্মবীদ মারটিন লুথারকে ক্যাথলিক চার্চ থেকে বহিস্কার করেন পোপ দশম লিও।

১৪ ডিসেম্বর, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

১৯৯৯:- ভাষা সৈনিক আব্দুল লতিফের মৃত্যু হয় এবং কিরিবাতী, নাউরু এবং টোঙ্গা জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৯৬:- ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশ বাতিল বিলে প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করেন।

১৯৯৫:- প্যারিসে এক সম্মেলনে ডেইটন চুক্তি চূড়ান্ত হয় এবং প্যারিসে বসনীয় শান্তি চুক্তি আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাক্ষর করা হয়।

১৯৯৪:- সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে চীনের তৎকালিন প্রধানমন্ত্রি লি ফেং সারা বিশ্বের কাছে আনুষ্ঠানিক ভাবে “ইয়াংসি নদীর” তিন গিরিখাত প্রকল্পের ঘোষনা দেন।

১৯৮৯:- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়র এর পরমানু বিজ্ঞানী, মানবধিকার কর্মি এবং ভিন্নমতালম্বি আন্দ্রে শাখারভ মৃত্যুবরন করেন।

১৯৮৪:- সুরকার ও সঙ্গিত পরিচালক ধীর আলি মিয়ার মৃত্যু হয়।

১৯৮১:- ইসরাইল কতৃক গোলান মালভুমিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের অংশ ঘোষনা করা হয়।

১৯৭১:- পাক হানাদার বাহিনি বুদ্ধিজিবী শহিদুল্লাহ কায়সার, বুদ্ধিজিবী মুনির চৌধুরী, বুদ্ধিজিবী মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরীসহ অন্যান্য বুদ্ধিজিবিদের খুন করে। বীরশ্রেষ্ট ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহীদ হন।

১৯৭০:- কবি কুমুদরন্জন এর মৃত্যু হয়।

১৯৬১:- তান্জানিয়া জাতিসংঘে যোগ দেয়।
১৯৬০:- সোমালিয়ার সথে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।

১৯৫৫:- আলবেনিয়া, অস্ট্রিয়া, বুলগেরিয়া, কম্বোডিয়া, ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জর্দান, লাউস, লিবিয়া, পতৃুগাল, রোমনিয়া, স্পেন ও শ্রিলংকা জাতিসংঘে যোগ দেয়।

১৯৪৭:- রোমানিয়া প্রজাতন্ত্র দেশে পরিনত হয়।

১৯৪৬:- ইংরেজ ঐতিহাসিক এন্টনি বিভোরের জম্ম হয় এবং জাতিসংঘের জেনালে এসেম্বলি নিউইয়র্কে স্থাপনের জন্য ভোট দেয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) জাতিসংঘের সহায়ক সংস্থা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

১৯১৮:- ব্রিটেনের সাধারন নির্বাচনে মহিলারা ভোট দেন।

১৯১৫:- প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে জ্যাক জনসন মুস্টিযুদ্ধে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হন।

১৯১২:- সুরকার ও সঙ্গিতশিল্পি হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জম্ম হয়।

১৯১১:- নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী রোল্ড এমুন্ডেসন তার দল নিয়ে প্রথম দক্ষিন মেরুতে পা রাখেন।

১৯০৩:- রাইট ভাতৃদয় আমেরিকার উত্তর ক্যারোলিনায় প্রথম আকাশযান উড্ডয়নের প্রচেস্টা করে।

১৯০১:- বিজ্ঞানী ম্যাক্স প্লাংক কোয়ান্টাম তত্ব উপস্থাপন করেন।

১৮০৫:- ফসিল বা খনিজ জ্বালানি হিসেবে পাথুরে কয়লার তীব্র তাপ শক্তি উৎপাদনের বিষয়টি আবিস্কৃত হয়।
১৭৯৯:- আমেরিকার প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটন ভার্জিনিয়ার মাউন্ট ভারননে মৃত্যুবরন করেন।

১৬৫৬:- প্রথম কৃতিম মুক্তা তৈরী করা হয়।

১৬২৬:- জাপানের সম্রাট গো-সুজাকোর জম্ম হয়।

১৫৭৫:- ইস্টভান বাথোরী পোল্যান্ডের রাজা হন।

১৫৬৮:- রাজকুমারী মেরী স্টুয়ার্ট স্কটল্যা্ন্ডের রানী হন।

১৫৪৬:- ডেনিশ জোতির্বিদ এবং রসায়নবীদ টাইকো ব্রাহে জম্মগ্রহন করেন।

১৫৪২:- স্কটল্যান্ডের রাজা ৫ম জেমস মৃত্যুবরন করেন।

১৫০৩:- ফরাসি ভবিষ্যৎবক্তা নাস্তাদামুস জম্মগ্রহন করেনে।

১১৩৬:- নরওয়ের সম্রাট চতুর্থ হেরাল্ড মৃত্যুবরন করেন।

১১২৪:- থিওবাল্ড বুক্কাপেকাস পোপ নির্বাচিত হন।
সোর্স:- গুগল ও ইন্টারনেট।

১২ ডিসেম্বর, চলুন জেনে নেই ইতিহাসে আজকের দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।

২০১৩:- হাই কোর্টের রায়ে জামায়াত এর কাদের মোল্লার ফাসি কার্যকর করা হয়।

২০০৩:- আজারবাইজান এর প্রেসিডেন্ট হায়দার অলিয়েভ মৃত্যুবরন করেন।

১৯৯৭:- তৎকালিন বিশ্বের নাম্বার-০১ সন্ত্রাসী কার্লোস এর বিচার শুরু হয়।

১৯৯৬:- বাংলাদেশ ভারত পানিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৯৪:- চীনের সাংহাই এক নং পাতাল রেলপথ চালু হয়।
১৯৯৩:- অক্টোবর বিপ্লব এর পর প্রথমবারের মতো রাশিয়ায় বহুদলিয় নির্বাচন হয়।

১৯৯২:- ইন্দোনেশিয়ায় রিখটার স্কেল এর ৬.৮ মাত্রার ভুমিকম্পে প্রায় ২৫০০ লোক প্রান হারায়।
১৯৯১:- উত্তর এবং দক্ষিন কোরিয়ার মাঝে অনাক্রমন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং রাশিয়ান ফেডারেশন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়ে যায়।

১৯৮৯:- জাতিসংঘ শিশু নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত একটি সনদ গ্রহন করে।

১৯৮৮:- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি গোলাম ইসহাক খান পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

১৯৮৬:- চিত্রশিল্পি রশিদ চৌধুরি মৃত্যুবরন করেন।

১৯৮৫:- যুক্তরাষ্ট্রের একটি যাত্রীবাহি বিমান কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ডে বিধ্বস্ত হয় এর ফলে ২৫০ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রুর সবাই মারা যায়।

১৯৮১:- ভারতিয় ক্রিকেটার যুবরাজ ‍সিং জম্মগ্রহন করেন।

১৯৭১:- সাংবাদিক নিজামুদ্দিন আহমদ শহীত হন।

১৯৬৪:- কেনিয়ার স্বাধীনতার নায়ক জোমো কেনিয়াত্তা কেনিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।

১৯৬৩:- জাপানী চলচিত্রকার ইয়াসুজিরো ওজুর মৃত্যু হয় এবং কেনিয়া বৃটেনের কাছে থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৫৮:- গায়ানা জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৫৪:- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী, বিপ্লবি কিরনসংকর রায়ের মৃত্যু।

১৯৪১:- যুক্তরাজ্য বুলগেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে, হাঙ্গেরী এবং রোমানিয় আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে এবং ভারত জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে।

১৯৩৪:- সাংবাদিক, গ্রন্থাকার এবং কলাম লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী জম্মগ্রহন করেন।

১৯৩০:- আমেরিকান সাংবাদিক বিল বুটাল জম্মগ্রহন করেন।

১৯২৭:- ইন্টেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট নর্টন নয়েস জম্মগ্রহন করেন।

১৯২৫:- ইরানের মজলিশ রেজা খানকে ইরানের নতুন শাহ ঘোষনা করে, এবং রাজবংশের পরিবর্তন ঘটে।

১৯১৫:- আমেরিকার গায়ক এবং অভিনেতা ফ্রাঙ্ক সিনাত্রার জম্ম।

১৯১১:- বঙ্গভঙ্গ আইন রদ করা হয় এবং ব্রিটিশ ইন্ডিয়ার রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়।

১৯০৪:- আলেম এবং স্বাধীনতাকামিরা তেহরান থেকে কোমে অভিবাসন শুরু করেন।

১৯০১:- বিজ্ঞানী মার্কনি আটলান্টিক মহাসাগরের এক পার থেকে অন্য পারে রেডিও তরঙ্গ পাঠাতে সফল হন।

১৮৯৭:- ব্রাজিরের প্রথম পরিকল্পিত শহন বেরো হরিজেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮৯:- ইংরেজ কবি রবার্ট ব্রাউনিং এর মৃত্যু হয়।

১৯৮০:- মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাষানী জম্মগ্রহন করেন।

১৮৪৬:- কবি ও সাহিত্য সমালোচক অক্ষয়চন্দ্র সরকার জম্মগ্রহন করেন।

১৮০৪:- বৃটেনের বিরুদ্ধে স্পেন যুদ্ধ ঘোষনা করে।

১৭৩১:- লেখক ও চিকিৎসক ইরামাস ডারউন জম্মগ্রহন করেন।

১৬৮৫:- ইংরেজ গনীতবিদ, জোতির্বিদ এবং জ্যামিতজ্ঞ জন পেল মৃত্যুবরন করেন।

১০৯৮:- প্রথম ক্রুসেডে, ক্রুসেডারগন মানাত আল নুমানে গনহত্যা করে।

৬৩৯:- মুসলিমরা মিসর জয় করে।

থ্যালাসেমিয়া কেন হয়, প্রতিকার কী?
মরণব্যাধি থ্যালাসেমিয়া বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত একটি রোগ। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ ভাগ অর্থাৎ প্রায় দেড় কোটি নারী-পুরুষ নিজের অজান্তে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। আমাদের দেশে প্রতি বছর প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মায়।

মরণব্যাধি থ্যালাসেমিয়া বেশির ভাগ রোগী রক্তস্বল্পতায় ভোগে। প্রতি দুই থেকে চার সপ্তাহ পরপর তাদের নিয়মিত রক্ত নিতে হয়। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওষুধ এবং অন্যের কাছ থেকে রক্ত নিতে হয়। এটি আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়। সত্যিকার অর্থে থ্যালাসেমিয়া রোগের স্থায়ী চিকিৎসা নেই। এই রোগের স্থায়ী চিকিৎসা হচ্ছে ‘ব্যোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন’ ও জীন থ্যারাপি। তবে এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল।অথচ একটু সতর্কতা অবলম্বন করা হলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি এড়ানো যাবে। তাই রোগটি প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি আমাদের সবার দায়িত্ব।

থ্যালাসেমিয়া কেন হয়?

অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন জিনের কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা অথবা মা অথবা মা-বাবা উভয়েরই থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে বংশানুক্রমে এটি সন্তানের মধ্যে ছড়ায়

লক্ষণ

জন্মের পর পরই এ রোগ ধরা পড়ে না। শিশুর বয়স এক বছরের বেশি হলে বাবা-মা খেয়াল করেন শিশুটি ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে, বাড়ছে শিশুর দুর্বলতা, অবসাদ অনুভব, শ্বাসকষ্ট, মুখমণ্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, ত্বক হলদে হয়ে যাওয়া (জন্ডিস), মুখের হাড়ের বিকৃতি, ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি, পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব।

থ্যালাসেমিয়া হলে শিশুর শরীরে কী ঘটে

মানুষের রক্তের লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল তিন মাস। লোহিত রক্ত কণিকা অস্থিমজ্জায় অনবরত তৈরি হচ্ছে এবং তিন মাস শেষ হলেই প্লীহা এ লোহিত কণিকাকে রক্ত থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল অনেক কমে যায়। তাদের হিমোগ্লোবিন ঠিকমতো তৈরি না হওয়ায় লোহিত কণিকাগুলো সহজেই ভেঙে যায় এবং অস্থিমজ্জার পক্ষে একই হারে লোহিত কণিকা তৈরি সম্ভব হয়ে ওঠে না। এতে একদিকে যেমন রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে প্লীহা আয়তনে বড় হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত আয়রন জমা হয়ে হার্ট, প্যানক্রিয়াস, লিভার, অণ্ডকোষ ইত্যাদি অঙ্গের কার্যক্ষমতাকে নষ্ট করে দেয়। বার বার রক্ত পরিবর্তনের কারণে থ্যালাসেমিয়ার রোগীদের রক্ত বাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন-হেপাটাইটিস হতে পারে, অস্থিমজ্জা প্রসারিত হয়ে যায় এবং এতে হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। এতে মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

থ্যালাসেমিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে যারা

যাদের শরীরে থ্যালাসেমিয়া রোগের জিন আছে, কিন্তু রোগের কোনো উপসর্গ প্রকাশ পায় না, তাদের থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক বলা হয়। এরা স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারে। তবে এরা এদের সন্তানদের মধ্যে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার ঘটায়। পিতা-মাতা উভয়েই বাহক হলে থ্যালাসেমিয়া শিশুর জন্ম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। যে কেউ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক হতে পারে। কাজেই বিয়ের আগে সবারই জেনে নেওয়া দরকার, তিনি থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক কি-না।

থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক জানার জন্য যা করবেন

রক্তের বিশেষ ধরনের পরীক্ষা হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস দিয়ে আমরা এই রোগ নির্ণয় করতে পারি।

গর্ভস্থ সন্তানের থ্যালাসেমিয়া জানার জন্য যে পরীক্ষাগুলো করতে হবে :

• কোরিওনিক ভিলিয়াস স্যাম্পলিং (Chorionic villus sampling)

• অ্যামনিওসেনটিসিস (Amniocentesis)

• ফিটাল ব্লাড স্যাম্পলিং (Fetal blood sampling)

প্রতিরোধ

• দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই রোগ সম্বন্ধে সচেতন করে তুলতে হবে।

• যদি পরিবারের কোনো সদস্যের থ্যালাসেমিয়া রোগের ইতিহাস থাকে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। গর্ভধারণ করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

• থ্যালাসেমিয়া থেকে বাঁচতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, এ রোগের বাহকদের শনাক্ত করা। এ জন্য স্ক্রিনিং কর্মসূচি গ্রহণ করে বাহকদের চিহ্নিত করে পরামর্শ দিতে হবে। দুজন বাহক যদি একে অন্যকে বিয়ে না করে তাহলে কোনো শিশুরই থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করা সম্ভব নয়।

• প্রতিরোধের একমাত্র উপায় বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করা। থ্যালাসেমিয়ার জিন বহনকারী নারী গর্ভধারণ করলে তার সন্তান প্রসবের আগে অথবা গর্ভাবস্থায় ৮ থেকে ১৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রি-মেটাল থ্যালাসেমিয়া নির্ণয় করিয়ে নিতে হবে। এ পরীক্ষার যদি দেখা যায়, অনাগত সন্তান থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে সন্তানটির মারাত্মক পরিণতির কথা ভেবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সন্তান গ্রহণ থেকে বিরত থাকা যেতে পারে।

💻⌨️🖥️⌨️💻⌨️🖥️⌨️💻⌨️🖥️⌨️💻⌨️🖥️
Important Shortcut Keys for Computer-

CTRL+A. . . . . . . . . . . . . . . . . Select All
CTRL+C. . . . . . . . . . . . . . . . . Copy
CTRL+X. . . . . . . . . . . . . . . . . Cut
CTRL+V. . . . . . . . . . . . . . . . . Paste
CTRL+Z. . . . . . . . . . . . . . . . . Undo
CTRL+B. . . . . . . . . . . . . . . . . Bold
CTRL+U. . . . . . . . . . . . . . . . . Underline
CTRL+I . . . . . . . . . . . . . . . . . Italic
F1 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Help
F2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Rename selected object
F3 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Find all files
F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Opens file list drop-down in dialogs
F5 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Refresh current window
F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Shifts focus in Windows Explorer
F10 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Activates menu bar options
ALT+TAB . . . . . . . . . . . . . . . . Cycles between open applications
ALT+F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . Quit program, close current window
ALT+F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . Switch between current program windows
ALT+ENTER. . . . . . . . . . . . . . Opens properties dialog
ALT+SPACE . . . . . . . . . . . . . . System menu for current window
ALT+¢ . . . . . . . . . . . . . . . . . . opens drop-down lists in dialog boxes
BACKSPACE . . . . . . . . . . . . . Switch to parent folder
CTRL+ESC . . . . . . . . . . . . . . Opens Start menu
CTRL+ALT+DEL . . . . . . . . . . Opens task manager, reboots the computer
CTRL+TAB . . . . . . . . . . . . . . Move through property tabs
CTRL+SHIFT+DRAG . . . . . . . Create shortcut (also right-click, drag)
CTRL+DRAG . . . . . . . . . . . . . Copy File
ESC . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Cancel last function
SHIFT . . . . . . . . . . . . . . . . . . Press/hold SHIFT, insert CD-ROM to bypass auto-play
SHIFT+DRAG . . . . . . . . . . . . Move file
SHIFT+F10. . . . . . . . . . . . . . . Opens context menu (same as right-click)
SHIFT+DELETE . . . . . . . . . . . Full wipe delete (bypasses Recycle Bin)
ALT+underlined letter . . . . Opens the corresponding menu
PC Keyboard Shortcuts
Document Cursor Controls
HOME . . . . . . . . . . . . . . to beginning of line or far left of field or screen
END . . . . . . . . . . . . . . . . to end of line, or far right of field or screen
CTRL+HOME . . . . . . . . to the top
CTRL+END . . . . . . . . . . to the bottom
PAGE UP . . . . . . . . . . . . moves document or dialog box up one page
PAGE DOWN . . . . . . . . moves document or dialog down one page
ARROW KEYS . . . . . . . move focus in documents, dialogs, etc.
CTRL+ > . . . . . . . . . . . . next word
CTRL+SHIFT+ > . . . . . . selects word
Windows Explorer Tree Control
Numeric Keypad * . . . Expand all under current selection
Numeric Keypad + . . . Expands current selection
Numeric Keypad – . . . Collapses current selection
¦ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Expand current selection or go to first child
‰ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Collapse current selection or go to parent
Special Characters
‘ Opening single quote . . . alt 0145
’ Closing single quote . . . . alt 0146
“ Opening double quote . . . alt 0147
“ Closing double quote. . . . alt 0148
– En dash. . . . . . . . . . . . . . . alt 0150
— Em dash . . . . . . . . . . . . . . alt 0151
… Ellipsis. . . . . . . . . . . . . . . . alt 0133
• Bullet . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0149
® Registration Mark . . . . . . . alt 0174
© Copyright . . . . . . . . . . . . . alt 0169
™ Trademark . . . . . . . . . . . . alt 0153
° Degree symbol. . . . . . . . . alt 0176
¢ Cent sign . . . . . . . . . . . . . alt 0162
1⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0188
1⁄2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0189
3⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0190
PC Keyboard Shortcuts
Creating unique images in a uniform world! Creating unique images in a uniform world!
é . . . . . . . . . . . . . . . alt 0233
É . . . . . . . . . . . . . . . alt 0201
ñ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0241
÷ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0247
File menu options in current program
Alt + E Edit options in current program
F1 Universal help (for all programs)
Ctrl + A Select all text
Ctrl + X Cut selected item
Shift + Del Cut selected item
Ctrl + C Copy selected item
Ctrl + Ins Copy selected item
Ctrl + V Paste
Shift + Ins Paste
Home Go to beginning of current line
Ctrl + Home Go to beginning of document
End Go to end of current line
Ctrl + End Go to end of document
Shift + Home Highlight from current position to beginning of line
Shift + End Highlight from current position to end of line
Ctrl + f Move one word to the left at a time
Ctrl + g Move one word to the right at a time
MICROSOFT® WINDOWS® SHORTCUT KEYS
Alt + Tab Switch between open applications
Alt +
Shift + Tab
Switch backwards between open
applications
Alt + Print
Screen
Create screen shot for current program
Ctrl + Alt + Del Reboot/Windows® task manager
Ctrl + Esc Bring up start menu
Alt + Esc Switch between applications on taskbar
F2 Rename selected icon
F3 Start find from desktop
F4 Open the drive selection when browsing
F5 Refresh contents
Alt + F4 Close current open program
Ctrl + F4 Close window in program
Ctrl + Plus
Key
Automatically adjust widths of all columns
in Windows Explorer
Alt + Enter Open properties window of selected icon
or program
Shift + F10 Simulate right-click on selected item
Shift + Del Delete programs/files permanently
Holding Shift
During Bootup
Boot safe mode or bypass system files
Holding Shift
During Bootup
When putting in an audio CD, will prevent
CD Player from playing
WINKEY SHORTCUTS
WINKEY + D Bring desktop to the top of other windows
WINKEY + M Minimize all windows
WINKEY +
SHIFT + M
Undo the minimize done by WINKEY + M
and WINKEY + D
WINKEY + E Open Microsoft Explorer
WINKEY + Tab Cycle through open programs on taskbar
WINKEY + F Display the Windows® Search/Find feature
WINKEY +
CTRL + F
Display the search for computers window
WINKEY + F1 Display the Microsoft® Windows® help
WINKEY + R Open the run window
WINKEY +
Pause /Break
Open the system properties window
WINKEY + U Open utility manager
WINKEY + L Lock the computer (Windows XP® & later)
OUTLOOK® SHORTCUT KEYS
Alt + S Send the email
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + P Open print dialog box
Ctrl + K Complete name/email typed in address bar
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + R Reply to an email
Ctrl + F Forward an email
Ctrl + N Create a new email
Ctrl + Shift + A Create a new appointment to your calendar
Ctrl + Shift + O Open the outbox
Ctrl + Shift + I Open the inbox
Ctrl + Shift + K Add a new task
Ctrl + Shift + C Create a new contact
Ctrl + Shift+ J Create a new journal entry
WORD® SHORTCUT KEYS
Ctrl + A Select all contents of the page
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + N Open new/blank document
Ctrl + O Open options
Ctrl + P Open the print window
Ctrl + F Open find box
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + K Insert link
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + V Paste
Ctrl + Y Redo the last action performed
Ctrl + Z Undo last action
Ctrl + G Find and replace options
Ctrl + H Find and replace options
Ctrl + J Justify paragraph alignment
Ctrl + L Align selected text or line to the left
Ctrl + Q Align selected paragraph to the left
Ctrl + E Align selected

#Collected

ঢাকা কলেজ:- বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই ‘ঢাকা গভর্নমেন্ট স্কুল’ নামে এটি যাত্রা শুরু করে। এর মাধ্যমে ঢাকাতেই বাংলার প্রথম সরকারি ইংরেজি স্কুল স্থাপিত হয়। স্কুলের জন্য সদরঘাটের কাছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পুরানো দোতলা বাণিজ্য কুঠিটি ভাড়া নেওয়া হয়। সরকারের এই উদ্যোগের সঙ্গে স্থানীয়রা গভীর উৎসাহের সাথে সাহায্য ও সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে। ঢাকার খুব কাছেই অবস্থিত বৈরাগিদী গ্রামের অধিবাসী ও কলকাতার সদর বোর্ড অব রেভেনিউ এর সেরেস্তাদার বা অফিস প্রধান রামলোচন ঘোষ স্কুলটির জন্য এক হাজার টাকা অনুদান দেন এবং ঢাকার অন্যান্য সুধীজনও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। এই অনুদান খুব শিগগিরই ৫ হাজার টাকায় উন্নীত হয়। স্কুলটির প্রশাসনিক ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করার জন্য একটি স্থানীয় কমিটি বা লোকাল পাবলিক ইনস্ট্রাকশন কমিটি গঠন করা হয়।

ঢাকাতে নতুন ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তনে প্রথমে এগিয়ে আসেন শ্রীরামপুরের ব্যাপটিস্ট মিশনারিরা। ১৮১৫ সালে তারা মূলত গরিব ইউরোপিয়ান এবং ইউরোশিয়ান সন্তানদের শিক্ষার জন্য ক্যালকাটা বেনেভোলেন্ট ইনস্টিটিউশন-এর একটি শাখা খোলার নিমিত্তে রেভারেন্ড ওয়েন লিওনার্দ নামে একজন আয়ারল্যান্ডবাসীকে ঢাকাতে পাঠান। ১৮১৬ সালের এপ্রিল মাসে লিওনার্দ চকবাজারের কাছে ছোট কাটরা ভবনে ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল খোলেন। ঐ বছরই গ্রিক ও আর্মেনিয়ানসহ ৩৯ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই স্কুলটি যাত্রা শুরু করে। শিক্ষার্থীদের ইংরেজি, ব্যাকরণ, গণিত, বাইবেল ওয়াট্সের হিম অর্থাৎ ধর্ম সংগীত আর ক্যাটেসিজমের (প্রশ্নোত্তর) মাধ্যমে ধর্ম শিক্ষা দেওয়া হত। এ স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয়দের খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করা। ১৮১৭ সালে মুসলমান ছাত্রদের আকর্ষণ করার জন্য লিওনার্দ ৭টি বাংলা স্কুল খোলেন। এ সময় ইংরেজি স্কুলটিকেও অখ্রিস্টান ছাত্রছাত্রীদের জন্য খুলে দেন। উজ্জ্বল সম্ভাবনা নিয়ে এ স্কুলটি যাত্রা শুরু করলেও লিওনার্দের মৃত্যুর পর স্কুলটি বন্ধ হয়ে যায়।

সে সময় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কিত দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ ‘জেনারেল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন’ লর্ড বেন্টিং-এর কাছে ১৮৩৫ সালের ২০ এপ্রিল পেশকৃত এক প্রতিবেদনে সরকারের বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে বাংলা প্রেসিডেন্সির প্রধান প্রধান জনবহুল শহরে ইংরেজি সাহিত্য ও বিজ্ঞান শিক্ষা দেওয়ার জন্য যতগুলি সম্ভব স্কুল খোলার প্রস্তাব করেন। এ কার্যক্রম ঢাকা এবং পাটনা দিয়ে শুরু করার সুপারিশও করেন। কমিটি ঢাকায় স্কুল খোলার সম্ভাবনা এবং প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা মিলবে কিনা জানতে চান। উত্তরে ঢাকার সিভিল সার্জন ডাঃ জেমস টেইলর কমিটিকে জানান যে, এ ধরণের স্কুলের জন্য ঢাকা শুধু উপযুক্ত জায়গাই নয় বরং এটিকে ঢাকার জনগণ দারুণভাবে স্বাগত জানাবে এবং প্রয়োজনে অর্থ সহায়তাও দিবে। এই উৎসাহব্যঞ্জক সংবাদ প্রাপ্তির পর জেনারেল কমিটি ভারত সরকারকে অবিলম্বে ঢাকায় একটি সরকারি স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন এবং ব্যয় বাবদ বার্ষিক ৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। ১৮৩৫ সালের ২৪ জুন ভারত সরকার এই প্রস্তাব গ্রহণ করে। এ উদ্দেশ্যে কমিটি কলকাতা থেকে দু’জন শিক্ষক জে. রিজ এবং পার্বতী চরণ সরকারকে স্কুল প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ঢাকায় প্রেরণ করেন। ১৮৩৫ সালের ১৫ জুলাই সদরঘাটের কাছে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পুরানো দোতলা বাণিজ্য কুঠিতে স্কুলটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এবং নাম দেওয়া হয় ‘ঢাকা গভর্নমেন্ট স্কুল’। স্কুলটির প্রশাসনিক ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করার জন্য একটি লোকাল কমিটি অব পাবলিক ইনস্ট্রাকশন বা স্থানীয় কমিটি গঠন করা হয়।

ঢাকা গভর্নমেন্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা ঢাকা শহরের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে এক নবযুগের সূচনা করে। এ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের আধুনিক কলাবিদ্যা, বিজ্ঞান এবং দর্শনের সঙ্গে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রথম পরিচয় ঘটে। এই নতুন শিক্ষার আলোকে শিক্ষার্থীরা দেশ ও সমাজকে নবরূপে গড়তে প্রয়াসী হয়। ইংরেজি শিক্ষার চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে ছাত্রসংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।

১৮৩৮-৩৯ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা গভর্নমেন্ট স্কুলে ৮টি ক্লাস ছিলো এবং ছাত্র সংখ্যা ছিল ৩৪০। শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন ৭ জন ইংরেজ এবং ৪ জন বাঙালি। ১৮৪১ সালে স্কুলটি কলেজের মর্যাদায় উন্নীত হয় এবং এর নাম হয় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল কলেজ’। ১৮৪১ সালের ২০ নভেম্বর কলকাতার বিশপ রেভারেন্ড ড্যানিয়েল সদরঘাটে কলেজের মূল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৮৪৪ সালে। প্রথম ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে ছিল প্রধানত মুসলমান, হিন্দু, আর্মেনীয় এবং পর্তুগিজ। ব্যবসায়িক কারণে তখন ঢাকায় অনেক আর্মেনীয় ও পর্তুগিজ বাস করতেন। ১৮৭৩ সালে স্থান সঙ্কুলানের অভাবে ভিক্টোরিয়া পার্কের পূর্বে একটি প্রশস্ত দালানে কলেজটি সরিয়ে নেওয়া হয়। সেখান থেকে আবার ১৯০৮ সালে বর্তমান কার্জন হলে স্থানান্তরিত করা হয়।

১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তার প্রভাব ঢাকা কলেজের উপরও এসে পড়ে। শিক্ষা-দীক্ষার কাজে এবং অন্যান্য নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাই ভাটা পড়ে এমনকি কলেজ ভবনগুলি সামরিক বাহিনীর দখলে চলে যাওয়ারও নানা রকম সম্ভাবনা দেখা দেয়। কৌশলগত কারণে ১৯২০ সালের জুলাই মাস থেকে ঢাকা কলেজের ইন্টারমিডিয়েট অর্থাৎ এফ.এ ক্লাসকে কলেজের বি.এ, বি.এস.সি এবং এম.এ, এম.এস.সি ক্লাস থেকে পৃথক করে নতুন একটি ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ গঠন করা হয়। এই নব গঠিত ইন্টারমিডিয়েট কলেজকে ২০ আগস্ট কার্জন হল থেকে সরিয়ে তদানীন্তন ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শুভ উদ্বোধনকে নির্ঝঞ্ঝাট করার উদ্দেশ্যে কলেজের অপর অংশটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে একীভূত করে নেয়া হয়। একই সাথে প্রাক্তন ঢাকা কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বহু পুস্তক, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ইত্যাদি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়কে সরবরাহ করে এবং এর যাত্রাকে সুগম করে দেয়।

কুমিল্লা মুক্ত দিবস আজ। ১৯৭১ সালের এদিনে পাকহানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয় কুমিল্লা।

ওইদিন বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরী দলীয় পতাকা ও কুমিল্লার প্রথম প্রশাসক অ্যাড. আহমদ আলী স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর রাতে মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্রবাহিনী কুমিল্লা বিমানবন্দরে পাক বাহিনীর ২২ বেলুচ রেজিমেন্টের প্রধান ঘাঁটিতে আক্রমণ শুরু করে। মিত্রবাহিনীর ১১ গুর্খা রেজিমেন্টের আর.কে মজুমদারের নেতৃত্বে কুমিল্লা বিমানবন্দরের তিনদিক থেকে আক্রমণ চালানো হয়।

#কপি_পোস্ট

🇧🇩বাংলাদেশ নামকরনের ৫০ বছর🇧🇩
১৯৬৯ সালে আইয়ুব পতন আন্দোলনের সময় গণঅভ্যুত্থানের স্লোগান ছিল-
"বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো"।
তখনই প্রথম পূর্ব বাংলাকে "বাংলাদেশ" নামে ডাকা হয়। ওই বছর ৫ই ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে ‘বাংলা’ আর স্বাধীন দেশের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে ‘দেশ’ এক করে ঘোষণা করেন “বাংলাদেশ"
উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৬তম মৃত্যু বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধা,,,,

যে ব্যবধানে ব্যালন ডি অর জিতলেন মেসি


ব্যালন ডি অর ২০১৯ এর পরিপূর্ণ ভোটের রেজাল্ট প্রকাশ করেছে ফ্রান্স ফুটবল। যেখানে দেখা যাচ্ছে, রেজাল্টের শীর্ষে থাকা মেসির সাথে দ্বিতীয়স্থানে থাকা ভ্যান ডাইকের পয়েন্টের পার্থক্য মাত্র ৭ পয়েন্ট।


আর এই ব্যবধান গড়ে ষষ্ঠবারের মতো ব্যালন ডি অর জিতলেন লিওনেল মেসি। সেইসঙ্গে ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ছয়বার বর্ষসেরা হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।
এবারের ব্যালন ডি অর পুরস্কারটি জিততে ভ্যান ডাইক এবং রোনালদোর মতো তারকাদের পেছনে ফেলেন মেসি।

দেখে নেওয়া যাক ব্যালন ডি অরের পরিপূর্ণ তালিকা
লিওনেল মেসি ৬৮৬
ভ্যান ডাইক ৬৭৯
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ৪৭৬
সাদিও মানে ৩৪৭
মোহাম্মদ সালাহ ১৭৮
কিলিয়ান এমবাপে ৮৯
এলিসন বেকার ৬৭

সাবধান,অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থেকে হতে পারে ক্যান্সার।।।
👆ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত রোগীরা জানেন,যে রক্তের শর্করা যদি নিয়মিত ভাবে অনিয়ন্ত্রিত থাকে,তবে তা শরীরে বিভিন্ন ধরণের জটিলতা সৃষ্টি এবং দেহের প্রতিটি অর্গানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
👆শুধু তাই,নয় এই অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস থেকে হতে পারে বেশ কিছু ধরণের ক্যান্সার।
👆মনে রাখতে হবে যে,ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে অতিরিক্ত শর্করা অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসকে নির্দেশ করে।
👆অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এর কারণে হতে পারে“ "ডিএনএ” ড্যামেজ এবং এই “ডিএনএ” ড্যামেজ, ডায়াবেটিস রোগিদের মধ্যে ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ হিসাবে কাজ করে।
👆যখন রক্তের গ্লুকোজ বেশি থাকে তখন “ডিএনএ” ড্যামেজ অনেকটা স্থায়ী হয়।
👆যাদের ডায়াবেটিস নেই,তাদের তুলনায় যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের মধ্যে ওভারিয়ান,ব্রেস্ট,কিডনি এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা দিগুনের থেকে বেশি থাকে।
👆আমরা জানি,মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের স্তন ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা অনেক কম।তবে,যেসব পুরুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের স্তন ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা মহিলাদের তুলনায় বেশি।
👆জর্জ ইন্সটিটিউটের গবেষকগন বিশ্বের প্রায় ২ কোটি মানুষের উপর পর্যবেক্ষনের ভিত্তিতে জানিয়েছেন যে, টাইপ-১ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের মাঝে উল্লেখযোগ্য হারে ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
👆তাদের মতে,সাধারণ মহিলাদের তুলনায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মহিলাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার হবার সম্বাবনা প্রায় ২৭% বেশি।অপরদিকে,সাধারণ পুরুষদের তুলনায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের ক্ষেত্রে তা ১৯% বেশি।
👆“জর্জ ইন্সটিটিউটের” রিসার্চ ফেলো Toshiaki Ohkuma, PhD,এর মতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের যেকোন ধরণের ক্যান্সারে ভোগার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
👆তবে,ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষের তুলনায় নারীদের ক্যান্সারের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।
👆বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী,টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্যান্সার হবার ঝুঁকি বেশি হবার কারণ হল হরমোনাল ডিসরেগুলেশন।
👆টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে,রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রনের জন্য ইনসুলিন হরমোন কার্যকর ভাবে কোষে গ্লুকোজ সরবরাহ করতে পারেনা।
👆ফলে,রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের জন্য অগ্নাশয় আরো বেশি পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করে।ফলে,দেহে হাইপার ইনসুলিনেমিয়া,সংঘটিত হয়।রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ইনসুলিন হরমোন,কোষের বৃদ্ধিকে উদ্দীপ্ত করতে পারে সম্ভবত এই ব্যাপারটি ক্যান্সার হবার কারণ হতে পারে।
👆আরেকটি ব্যাপার লক্ষনীয় যে,অধিকাংশ টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওজন এবং শরীরে ফ্যাট তুলনামূলক বেশি থাকে।
👆যাদের ওজন স্বাভাবিক,তাদের তুলনায় যাদের ওজন বেশি তাদের অতিরিক্ত ফ্যাট টিস্যু থেকে অতিরিক্ত পরিমানে "অ্যাডিপোকিন"হরমোন উৎপন্ন করে।এই হরমোন গুলো দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করে যা ক্যান্সার হবার সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
👆অপর দিকে,টাইপ-১ ডায়াবেটিসে রোগীদের স্টমাক এবং সারভিক্স ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি।
👆সুতরাং,বলা যায় সাধারণত মানুষের তুলনায় টাইপ-১ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
👆তবে,ইচ্ছাএবং আন্তরিকতা থাকলে আমরা খুব সহজেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারি।হেলদি প্লান্ট বেসড ডায়েট,পরিমিত সরল শর্করা প্রতিদিন ৪৫-১ ঘন্টা হাঁটা বা সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১৫০ মিনিট ২০০ মিনিট ব্যায়াম বা শারীরীক পরিশ্রম করার চেষ্টা করা,পর্যাপ্ত ঘুম,সময় মত মেডিসিন/ইনসুলিন নিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে রাখার মাধ্যমে ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের অন্যান্য জটিলতা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
লেখক:আছিয়া পারভীন আলী শম্পা
পুষ্টিবিদ, বেক্সিমকো ফার্মা লিমিটেড

দুষ্টুমির ফল
মুহাম্মাদ আলী মজুমদার

সারা বিকেল খোঁজার পরও রাফির কোনো সন্ধান পাননি মা। খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়ে এক পর্যায়ে ক্ষান্ত হন। ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেন ছেলেকে। মনে মনে ভাবতে লাগলেন বেঁচে থাকলে এমনিতেই ফিরে আসবে তার ছেলে।
সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসছে। মিনার থেকে ভেসে আসছে মুয়াজ্জিনের সুমধুর আজান। আঁধারে ছেয়ে যাচ্ছে সব। ডানা মেলে পাখিরা ফিরছে আপন নীড়ে। শত উৎকণ্ঠা নিয়ে ছেলের জন্য অপেক্ষা করছেন মা। অপেক্ষার প্রহর যেনো শেষ হচ্ছে না। না, এখনো রাফি আসার কোনো নামগন্ধও নেই। অজানা আতঙ্কে কেঁপে উঠল মায়ের মন। তাহলে কি তার ছেলে হারিয়ে গেছে! হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে তার। পুরো শরীর ঘেমে ভিজে গেছে। দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে গেল তার। হঠাৎ আওয়াজ ভেসে এলো-মা, মা! দরজা খোলো। দরজা খুলতেই মায়ের মন খুশিতে ভরে যায়। তার রাফি তাহলে ফিরে এসেছে! বাইরে দাঁড়িয়ে আছে! কিন্তু দরজা খুলতেই তার চক্ষু ছানাবড়া হয়ে ওঠে। একি! তার ছেলের হাতে আস্ত একটি বাবুই পাখির বাসা। বাসার ভেতরে পাখির ছানার আওয়াজ। চিঁউ চিঁউ করে কাঁদছে। মা মনে মনে ব্যথিত হলেন। ভাবলেন, ছেলেটা বুঝি আর ঠিক হবে না! পাখির বাসা ভাঙতে কতবার যে তিনি নিষেধ করেছেন তার হিসেব নেই। কত বুঝিয়েছেন, মারধর করেছেন! কিন্তু কে শুনে কার কথা!
রাফি। চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র। পড়ালেখায় দুর্বল। স্কুলের হাজিরা খাতা খুললে দেখা যাবে মাসে তার উপস্থিতি বড়জোর চার/পাঁচ দিন। সারাদিন বনে বাদাড়ে ঘুরে ঘুরে পাখির বাসা ভাঙা-ই তার একমাত্র কাজ। গাছে গাছে লাফালাফি করাই যেনো তার নেশা। কোন গাছে কোন পাখির বাসা, কোন বাসায় কয়টা ছানা- এসব তার পুরো মুখস্থ। কত পাখির বাসা যে তার খাটের নিচে পড়ে আছে তার হিসেব সে নিজেও জানে না। এখনো দোয়েল, বাবুই এবং মাছরাঙার ছয়টি বাচ্চা তার খাঁচায়। সারাদিন পাখি নিয়েই ব্যস্ত থাকে সে। পাখিদের আদর করবে, খানা খাওয়াবে, গোসল করাবে নিয়মিত। পাখির ডাকাডাকি তার খুব পছন্দ। পাখি দেখলেই তার মন খুশিতে ভরে যায়। বিশেষ করে যখন সে কোন নতুন পাখির সন্ধান পায়, তখন আর তার খুশির সীমা থাকে না।
রাফির দাদা তাকে অনেক বুঝিয়েছেন পাখির বাসা না ভাঙতে। পাখিদের দুঃখ নিয়ে কত গল্প শুনিয়েছেন তাকে! কিন্তু কথায় আছে-চোর না শুনে ধর্মের কথা। তার অবস্থাও সে রকম।
একদিন রাফির ছোটভাই কাফিকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছিল না। সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজার পরও তার কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মা’র তো কী করুণ দশা! মাটিতে গড়াগড়ি করে বিলাপ করছিলেন। কত মানুষ এসে দেখে যাচ্ছিল এ দৃশ্য। সবাই তার মাকে সান্ত¡না দিচ্ছিল। গ্রামের সবাই মিলে খুঁজছিল তাকে। রাফিরও সে কী কান্না! কাঁদতে কাঁদতে তার হেঁচকি ওঠে। সারা গ্রাম দৌড়ে দৌড়ে খোঁজ করে তার ভাইকে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে নদীর চরে পাওয়া যায় কাফিকে। ভাইকে ফিরে পাওয়ার পর রাফিরও কী আনন্দ! মা যেনো হাতে পায় আকাশের চাঁদ। কান্না থেমে যায় তার। ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে প্রাণভরে আদর করেন।
এই ঘটনার দু’দিন পর বিকেলবেলা দাদার সাথে ঘুরতে বের হয় রাফি। দাদা তাকে বোঝাতে লাগলেন। বললেন,
– শোনো দাদাভাই, ঐদিন কাফিকে না পেয়ে তুমি কান্না করছিলে কেন?
– আমার খুব খারাপ লাগছিল দাদাভাই। কাফিকে আমি খুব ভালোবাসি। আমি মনে করছিলাম সে চিরতরে হারিয়ে গেছে। আর কোনোদিন ফিরে পাব না তাকে। জানো দাদাভাই, তখন কষ্টে আমার বুকে চিন চিন করছিল।
– তোমার আম্মুর অবস্থা দেখেছিলে তখন?
– আম্মুকে দেখে আমার তো আরো মন খারাপ হয়ে যায়। মায়ের কান্না দেখে আমি আর ঠিক থাকতে পারিনি। তখন মনে মনে আল্লাহর কাছে দোয়া করছি-আল্লাহ আমার ভাইকে তুমি ফিরিয়ে দাও।
– এবার আসল কথা শোনো দাদাভাই। তোমার যে রকম ভাই আছে, মা আছে, পাখিদেরও আছে। তুমি যে রকম কষ্ট পেয়েছিলে, পাখিদের কোনো ভাই হারিয়ে গেলে তারাও এরকম কষ্ট পায়। তোমার মা যেমন কান্না করছিল, পাখিদের মাও তার সন্তানের শোকে এ রকম কান্না করে।
রাফি বুঝে গেছে দাদা কী বোঝাতে চাচ্ছেন। এসব উপদেশ তার কাছে খুব বিরক্ত লাগে। আগেও দাদা তাকে পাখির বাসা না ভাঙতে অনেক বুঝিয়েছেন। মাও অনেক বারণ করেছেন। কিন্তু এসবের ধার ধারে না সে।

আজ সোমবার। স্কুলে যায়নি রাফি। চলে গেছে সোজা নদীর চরে। সেখানে ঝোপঝাড়ে অনেক পাখির বাসা। মাসে দুয়েকবার চরে যায় সে। দশদিন আগেও এসেছিল। চরের উত্তর পাড়ের একটি গর্তে মাছরাঙার বাসা আবিষ্কার করেছিল সে। বাসার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দশটি ছানা বের করেছিল। কী ছোট ছানাগুলো! তখনো চোখ ফোটেনি। পালক গজায়নি। সবে মাত্র জন্ম নিয়েছিল। হাতের মধ্যে চিঁউ চিঁউ করে কান্না করছিল। মনে মনে ভাবতে লাগল এই দশ দিনে নিশ্চয়ই ছানাগুলো অনেক বড় হয়ে গেছে। চোখ ফুটেছে। পালক গজিয়েছে। একটু একটু উড়তেও পারে। ছানাগুলো হাতে পেলে অনেক মজা হবে। বাড়িতে নিয়ে পালবে। বড় হলে মজা করে খাবে। এসব ভাবতে ভাবতে চলে আসল মাছরাঙার বাসার সামনে। খুশিতে নাচছে তার মন। উত্তেজনা বেড়ে গেছে তার। ধুকপুকানি শুরু হয় বুকে। না, আর দেরি করা যায় না। ডান হাত ঢুকিয়ে দিলো গর্তের ভেতর। কিন্তু কই? কোনো পাখির অস্তিত্ব অনুভব করছে না সে। তাহলে কি পাখি চলে গেছে? সাত পাঁচ ভেবে আরো ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিল সে। হঠাৎ কী যেন একটা ছোবল মারে তার কব্জিতে। ‘ও মাগো’ বলে সজোরে একটা চিৎকার মারল। তাড়াতাড়ি করে হাত বের করে নিয়ে আসল। একদম দাঁত বসে গেছে কব্জিতে। চুঁইয়ে চুঁইয়ে রক্ত বের হচ্ছে। একটু পরই বড় একটা সাপ বের হলো গর্ত থেকে। ফণা তুলে দাঁড়িয়ে ফোঁসফাঁস করছে সাপ। ভয় পেয়ে যায় রাফি। বুকের ভেতর ধুকধুক শব্দ হতে লাগল। ব্যথায় সারা শরীর নীল হয়ে গেছে তার। যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়ে সে। ডান হাতটা কয়েক মণ ভারী মনে হলো তার কাছে। আল্লাহ……
বাঁচাও! বলে দৌড়ানো শুরু করল বাড়ির দিকে।

নিচের একই ফ্রেমে দুটো ছবি। ছবি দুটোর মাঝে প্রায় ৮০০ বৎসরের ব্যাবধান।

প্রথমটি বা উপরের ছবিটি ন্যাশনেল জিওগ্রাফি চ্যানেল থেকে নেয়া খুব সাম্প্রতিক কালের। এটি একটি বাস্তব ছবি।

আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে #ইমাম_আবু_আব্দুল্লাহ_বিন_জাকারিয়া_বিন_মুহাম্মাদ_আল_কোযয়িনী (জন্ম ৬০৫ হিজরী, মৃত্যু ৬৮২ হিজরী) এর লিখিত বই "#আজাইবুল_মাখলুকাত" থেকে সংগৃহীত। এটি অঙ্কিত চিত্র।
উক্ত কিতাবটিতে উনি এমন এক পাখির কথা উল্লেখ করেছেন যাহা কুমিরের দাঁতের মধ্যে থাকা খাবারের অংশ খুঁজে নিজের খাবার আর কুমিরও ইহাতে প্রশান্তি লাভ করে।
প্রায় আটশো বছর আগেও জ্ঞান বিজ্ঞানে এভাবেই এগিয়ে ছিলেন মুসলিমরা।

অবশেষে ইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম ঘোষণা করল ইউনেস্কো।

islamইসলামকে বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম বলে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক অঙ্গসংগঠন ইউনেস্কো (UNESCO)। গত ৭ জুলাই এ সম্পর্কিত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

এর আগে ইউনেস্কো ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশন-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের সবগুলো ধর্ম নিয়ে গবেষণা চালায়।

ওই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বের সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ধর্ম কোনটি তা খতিয়ে বের করা।এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের তুলনামূলক গবেষণা বিভাগের প্রধান রবার্ট ম্যাকগি বলেন, ছয় মাসব্যাপী গভীর গবেষণা ও বিশ্লেষণের পর আমরা এই উপসংহারে উপনীত হয়েছি যে, ইসলামই বিশ্বের সবচেয়ে শান্তির ধর্ম। সংবাদ সম্মেলনে ইউনেস্কোর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্প্রতি ঢাকা ও বাগদাদের সন্ত্রাসী হামলাসহ ইসলামের নামে চালানো সন্ত্রাসী হামলাগুলোর সঙ্গে ইসলাম ধর্মের কোনো যোগ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন ইউনেস্কো কর্মকর্তারা।

তারা বলেন, সন্ত্রাসবাদের কোনো ধর্ম নেই। ইসলামের অর্থ শান্তি।

এদিকে, বিশ্বের বড় বড় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতারা ইউনেস্কোর এই সনদ ও ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে। তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাইলামাও অন্যান্য ধর্মগুলোকে ইসলামের কাছ থেকে শান্তির শিক্ষা গ্রহণ করতে বলেছেন।

আর কী করে অহিংস এবং অপরের প্রতি সহনশীল থাকা যায় সে চেষ্টাও করতে বলেছেন।

এদিকে, অনেক ইসলামী পণ্ডিতের মতে, ইসলাম আগে থেকেই শান্তির ধর্ম এবং বিশ্বসেরা ও সর্বশেষ ধর্ম হিসেবে পরিচিত ছিল।

সূতরাং ইউনেস্কোর এই ঘোষণার কোনো দরকার ছিল না। এতে বরং বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক বাড়বে।

26-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ ব্যবসা/প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার নিকট থেকে করাতে হয়। কোন প্রতিষ্ঠানকে ‘লিমিটেড’ করার করার কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অনুমোদন নিতে হয়?
(A) শিল্প মন্ত্রণালয়
(B) জয়েন স্টক
(C) বানিজ্য মন্ত্রণালয়