About Yeamin Hussain

যারা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় অপটিক্যাল মাউস ব্যবহার করেন, তাদের জন্য দু:সংবাদ। তারা অপটিক্যাল মাউস পরিবর্তন করে এখনই বল মাউস/অন্য কোন বিকল্প ব্যবহার শুরু করুন।
--
দীর্ঘদিন অপটিক্যাল মাউস ব্যবহারের ফালে আঙ্গুলের হাড়ে ক্যান্সার হতে পারে।
এটা এতদিন কোন গবেষণায় কেউ প্রকাশ করেনি... এমনকি চায়নার মাউস উৎপাদনকারী কোম্পানী গুলো এগুলা জানা সত্বেও অপ্রকাশিত রেখেছে...।

---
আমি বিগত 1 বছর ধরে আমি বিষয়টি বুঝতে পারলেও কোন প্রমাণের অভাবে কাউকে জানাতে পারিনি, নিজ অফিসরুমে ভিভিন্ন পরিক্ষা নিরিক্ষা করে এর ক্ষতিকর প্রভাব জানতে সক্ষম হলাম, তবুও কাউকে বলতে পারিনি, যদি গুজব হয়। এরপর ইন্টারনেটে বার বার সার্চ দিয়েও কোন তথ্য পাচ্ছিলাম না। অত:পর আবিষ্কার করার পর কৌতুহল জাগলো যে, HOW (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) তার প্রতিষ্ঠানে অপটিক্যাল মাউস ব্যবহার করেন কি না; পরে জানতে পারলাম,
---
বর্তমানে HOW (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) ও CNN তাদের অফিসের সব মাউস পরিবর্তন করেছে।

****
যারা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের জন্য কিচু পরামর্শ
১। চোখ ও মস্তিষ্কের ক্ষতি এড়াতে বেশি বেশি পুষ্টিকর খাবার খাবেন।
২। কিছুক্ষণ পর পর বিরতি নিবেন।
*৩। যথাসম্ভব অপটিক্যাল মাউস এড়িয়ে চলবেন।
৪। ইন্টারনেট মডেম ব্যবহার করলে USB ক্যাবল লাগিয়ে শরীরের নিকট থেকে দূরে রাখবেন।
৫। বেশিক্ষণ হেডফোন কখনোর ব্যবহার কবেন না। প্রয়োজনে সাউন্ডবক্স ব্যবহার করুন।
৬। স্কিনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন।
****
-ইয়ামিন হুসাইন।
ক্ষুদে প্রযুক্তিবিদ,
www.ictsky.com

রাজনীতিতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা পুতুল

লোকটি কে জানেন?

ছবিটির বেশ কয়েকটি ব্যাপার লক্ষ্যনীয়।
*** তার মাথার টিকিটি দেয়ালের সঙ্গে বাঁধা।
*** চেয়ারের হেলান দেয়ার অংশটি ভাঙ্গা।
*** তার টেবিলে অতিরিক্ত বইয়ের স্তুপ নেই।
*** দরজা বন্ধ।

তিনি একান্ত মনোনিবেশ সহকারে পড়ছেন। তার ব্যাপারে জনশ্রুতি আছে যে, তিনি এক বই দুইবার পড়তেননা।

♦তিনি টিকিটি বেঁধে রেখেছেন কারন এটা হাওয়ার দুলুনীতে পড়ার মনোযোগ নষ্ট করে। আর ঝিমুনি আসলে এটাতে টান লেগে ঝিমুনি ছুটে যাবে।

♦তিনি চেয়ারের হেলান দেয়ার অংশটা ভেঙ্গে ফেলেছেন কারন এতে হেলান দিলে তাকে আলস্য ঘিরে ধরবে।

♦তিনি অতিরিক্ত বই টেবিলে রাখেননি কারণ তিনি চাননা যেটা পড়ছেন সেখান থেকে তার মনোযোগ অন্যদিকে ছুটে যাক।

আমাদের বর্তমান প্রজন্ম খেলতে খেলতে পড়ে। টিভি দেখতে দেখতে পড়ে। খেতে খেতে পড়ে। পড়া লেখায় জ্ঞান অর্জনের বিষয়টা এখন আর নেই। এটা নেহাত টাইম পাস। পড়ার জন্যই পড়া। তাই পরীক্ষার আগে আমাদের প্রজন্ম পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। টাকা দিয়ে প্রশ্ন কেনে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে নকল করে।
অথচ একটু কষ্ট করলে তার নকল আর প্রশ্ন ফাঁসের দিকে তাকাতে হতোনা।
আমাদের নকল করে পাস করা প্রজন্ম চাকরী পায়না। কারন, ইন্টারভিয়ুতে টেকার মত জ্ঞান তাদের নেই। যাদের মামা খালুর জোর আছে তাদের ব্যাপার আলাদা।

ছবির মানুষটি আর কেউ নয়। প্রবাদপ্রতিম পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অবশেষে পৃবিথীর সব চেয়ে দ্রুত সময়ে টাকা দিগুণ করার পদ্ধতিটি আবিষ্কার করলাম...!!
পদ্ধতিঃ প্রথমে একটি আয়না নিন.. অত:পর আপনার টাকাগুলো তার সামনে রাখুন.. ব্যাস ঝটপট আপনার টাকা দ্বিগুণ হলে গেল....!!
✈️ নোবেল পাঠানোর ঠিকানাঃ (বিমান থেকে মেনে ফোন দিলেই আমি চলে আসবো)

নিয়মিত লেবু খাবেন যে কারণে
১। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। একে অ্যাসকরবিক অ্যাসিডও বলা হয়। লেবুর রস কোলাগেন তৈরিতে সাহায্য করে। চামড়ায় ভাঁজ পড়া থেকে রক্ষা করে এই কোলাগেন। বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না এই কোলাগেন।

২। ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে থাকা থিয়ামিন ও রিবোফ্লাবিন শরীরে এনার্জি তৈরি করে। শরীরে কোষের বৃদ্ধি ও কোষকে কার্যক্ষম করে তুলতে সাহায্য করে লেবুর রস।

৩। খাবারে থাকা সালমোনেলা জীবাণুকে মারতে সাহায্য করে লেবুর রস। এই লেবুর রসের সঙ্গে অল্প ভিনিগার মিশিয়ে বাথরুমে ঢাললে ১৫ মিনিটে তা পরিষ্কার হয়ে যায়।

৪। লেবুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ক্যানসার হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে। লিভার, হাড়, স্টমাক, ব্রেস্ট ও কোলন ক্যানসার থেকে রক্ষা করে লেবুর রসের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

৫। হার্টের রোগ সারাতেও কার্যকরী লেবুর রসে থাকা ফ্ল্যাভানয়েডস। শরীরের রক্ত থেকে ফ্যাট ও মিষ্টি দূর করতে সাহায্য করে এটি।
৬। মাড়ি থেকে রক্ত পরা, ফুলে যাওয়া এমন নানা কাজে আসে লেবুর রস। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি দাঁতের মাড়িকে রক্ষা করে।

বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হবে!!!!!
আমরা সবাই তো বাঙ্গালি ছিলাম..
কিন্তু এখন হিন্দু-মুসলিম ভাগ করে গৃহযুদ্ধ করার প্রয়োজন কি?
সৃষ্টিকর্তার দৃষ্টিতে সবাই সমান, তিনি সবাইকে সমানভাবে লালন পালন করেন, তাহলে আমাদের এত সমস্যা কোথায়? যার ধর্ম সে পালন করবে, কোন ধর্মেই তো নিজের ধর্ম অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে বলা হয়নি। পরকালে/মৃত্যুর পরে যার যার বিশ্বাস অনুযায়ী সে সে কর্মফল পাবে। পৃথিবীতে হানাহানি করে অশান্তি করে লাভ কি? পৃথিবীর কোন ধর্মগ্রন্থে কি অন্য ধর্মের উপর জোর করে নিজের ধর্ম চাপিয়ে দিতে বলা হয়েছে?
*****
হিন্দু উগ্রবাদি, মুসলিম উগ্রবাদি সবাইকে এখনই দমন করতে হবে, নয়তো খুবি শ্রিঘ্রই বাংলাদেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হবে।

‘ডেঙ্গু ’ স্প্যানিশ শব্দ। যার অর্থ হাড়ভাঙা জ্বর। তবে স্পেনে শব্দটি এসেছে পূর্ব আফ্রিকার সোহাইলি আদিবাসীদের কাছ থেকে। তাদের বিশ্বাস ছিল ‘খারাপ আত্মার সংস্পর্শে হাড়গোড় ভাঙার ব্যথাঅলা’ এ জ্বর হয়।
১৯৫২ সালে আফ্রিকাতে দেখা যায়। পরবর্তীতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ যেমন- ভারত,শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার এবং ইন্দোনেশিয়াতে এটি বিস্তার লাভ করে। বাংলাদেশে ২০০০ সালে প্রথম এডিসবাহিত ডেঙ্গু রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়।

হেরে গিয়ে আমি জিতে যেতে চাই..

অনলাইন ফোরামে নিজের চাহিদা লিখে পাত্র চাই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন পূজা চৌহান নামে পঁচিশ বছর বয়সের এক যুবতী। যুবতীর পোস্টটি পড়ে উত্তর দিলেন স্বয়ং ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। ছোট্ট ওই পোস্টেই মুকেশ বুঝিয়ে দিলেন, কেন তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি।

মুকেশ আম্বানি ও জনৈক পূজা চৌহানের সেই পোস্ট নিয়ে এখন জোর চর্চা অনলাইন দুনিয়ায়। কী রয়েছে পোস্টটিতে?

পূজা চৌহান লিখছেন,

আমি এই বছর ২৫ বছরে পা দেব। খুবই সুন্দরী। স্টাইলিশ, রুচিশীল। আমি এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর বার্ষিক বেতন হবে ১০০ কোটি বা তার বেশি। আপনি হয়তো বলবেন, আমি একটু বেশিই উচ্চাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু বর্তমানে বার্ষিক ২ কোটি টাকা বেতনে একেবারেই মধ্যবিত্তের মতো জীবনযাপন করতে হয়। সেদিক থেকে আমার চাহিদা একেবারেই বেশি নয়। এই ফোরামে এমন কেউ আছেন, যাঁর বার্ষিক বেতন ১০০ কোটি টাকা? তাঁরা কি সবাই বিবাহিত?

কেন আপনাকে আমি বিয়ে করব? এখনও পর্যন্ত আমি যতগুলো ডেটে গিয়েছি, তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতনের পুরুষটির বেতন ছিল বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা। অতএব আমি ৫০ কোটি টাকার পর থেকেই ভাবছি। তার কারণ কেউ যদি নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে অভিজাত এলাকায় বসবাস করেন, তাহলে বার্ষিক ৫০ কোটি টাকা বেতন একেবারেই যথেষ্ট নয়। আমি কিছু প্রশ্ন করছি।

কেন সব ধনী ব্যক্তিদের স্ত্রীরা দেখতে মোটামুটি মানের হয়? আমার কিছু বান্ধবী আছে, তারা দেখতে খুব একটা ভালো নয়, কিন্তু তাদের বিয়ে হয়েছে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে। ধনী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে আমার প্রশ্ন, আপনি কী দেখে সিদ্ধান্ত নেন, যে এই মহিলা আমার স্ত্রী হবেন, আর ইনি গার্লফ্রেন্ড?

ওই ফোরামটিতে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ আম্বানি রয়েছেন। তিনি পোস্টটি দেখে উত্তর দেন। বুদ্ধিদীপ্ত সেই উত্তরটি হল---

প্রিয় পূজা,

আমি আপনার পোস্টটি খুব মন দিয়ে পড়েছি। এবং দেখলাম, আরও বহু মেয়ের আপনার মতোই প্রশ্ন রয়েছে। দয়া করে একজন পেশাদার লগ্নিকারী হিসেবে আপনার প্রশ্নগুলিকে একটু বিশ্লেষণ করতে দিন।

আমার বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকার বেশি। আপনার চাহিদা মতোই। কিন্তু একজন ব্যবসায়ী হিসেবে, আপনাকে বিয়ে করা খুবই খারাপ সিদ্ধান্ত হবে। খুব সহজ উত্তর। দেখুন, আপনি চাইছেন, সৌন্দর্য ও টাকার বিনিময়। অর্থাৎ আপনাকে বিয়ে করলে একজন সুন্দরী স্ত্রী পাওয়া যাবে। তার বদলে আপনি হবেন ধনী। কিন্তু সমস্যা হল, আপনার এই যৌবন ও সৌন্দর্য একসময় শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু আমার টাকা শেষ হবে না। বস্তুত, প্রতি বছর আমার আয় বাড়বে। কিন্তু প্রতি বছরই আপনি আরও সুন্দরী হয়ে উঠবেন না।

অতএব অর্থশাস্ত্রের নিরিখে, আমি একজন অ্যাপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। আর আপনি ডেপ্রিসিয়েশন অ্যাসেট। অর্থাৎ আপনার যৌবন ও রূপই যদি আপনার সম্পত্তি হয়ে থাকে, তাহলে ১০ বছর পর আপনার সম্পত্তি অনেকটাই কমে যাচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিটে একটি প্রবাদ আছে, প্রত্যেক ট্রেডিংয়ের একটি পজিশন থাকে। আপনার সঙ্গে ডেটিং-ও একটা ট্রেডিং পজিশন। যদি ট্রেড ভ্যালু কমে যায়, তাহলে তা আমরা বিক্রি করে দিই। খামোখা দীর্ঘমেয়াদী ফেলে রেখে লাভ নেই। একই ভাবে আপনাকে বিয়ে করলেও তাই হবে। শুনতে খুব খারাপ লাগলেও সত্যি, যে কোনও সম্পত্তি, যার ডেপ্রিসিয়েশন ভ্যালু বেশি, তা বিক্রি করে দেওয়া বা লিজ দেওয়াই লাভজনক।

যে ব্যক্তির বার্ষিক আয় ১০০ কোটি টাকা, সে নিশ্চয়ই বোকা নয়। ব্যবসায়ী দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনার সঙ্গে ডেট করাই যায়, কিন্তু বিয়ে করা যায় না। অতএব কোনও ধনীকে বিয়ে করার স্বপ্ন আপনার না দেখাই বুদ্ধিমানের। বরং নিজে ১০০ কোটি আয় করার চেষ্টা করুন। কোনও ধনীকে বোকা বানানোর চেয়ে ভালো হবে। আশা করি এই উত্তরটি আপনাকে ভাবতে সাহায্য করবে।

হিসাব করে দেখলাম !!!
সামন্য কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষা/লোভের জন্য সমস্ত বাংলাদেশের মানুষ ভোগান্তিতে পড়ে...
যেমনঃ
=> সিটি কর্পোরেশনের সামান্য কিছু লোকের লোভের জন্য গোটা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিয়েছে.. ( যে মশক নিধন ঔষধ ক্রয় করা হয়েছিল, তা ভেজাল)।

=> ‘ওয়াসা’ এর সামান্য কিছু লোকের অবহেলা/লোভের জন্য গোটা ঢাকার মানুষ দূষিত পানি পান করছে / ঐ পানি ফোটাতে গিয়ে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার গ্যাস অপচয় হয়, সময় নষ্ট হয়, প্রতিদিন গৃহিনীদের বাড়তি কষ্ট করতে হয়।

এভাবে প্রতিটি সেক্টরে সামান্য কিছু মানুষের স্বার্থ রক্ষা/লোভের জন্য গোটা দেশ অসহায়, গোড়া দেশের মানুষ ভোগান্তির স্বিকার। ওরা আওয়ামীলীগ-বি.এন.পি নয়, ওরা স্বার্থসিদ্ধির জন্য আওয়ামী-বিএনপি ভান ধরে থাকে, ওরা রাষ্ট্রের শত্রু।
-
ওদের সংখ্য সব মিলিয়ে ১লক্ষের বেশি নয়, এই ১লক্ষ মানুষের জন্য ১৮কোটি মানুষ জিম্মি।

good nt every body.

মিলিমিশিতে এখন জোন ওপেন করা যায়। ফেইজবুকে যেভাবে পেইজ ওপেন করা যায় তেমন

তিনি এখন নিউজিল্যান্ডে ‘সবচেয়ে ঘৃণিত বাবা’!
--
বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে সমর্থন নিয়েছেন বেন স্টোকসের বাবা জেরার্ড স্টোকস। জন্মসূত্রে তিনি নিউজিল্যান্ডের নাগরিক। বেন স্টোকস ইংল্যান্ডের হয়ে খেললেও তাঁর জন্মও নিউজিল্যান্ডে

দম আটকানো ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জিতল ইংল্যান্ড। আর শিরোপাটা জেতালেন কিনা নিউজিল্যান্ডের এক ক্রিকেটার!


ম্যাচসেরা হয়েছেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। তাঁর জন্ম নিউজিল্যান্ডে। ফাইনালের আগে তাঁর বাবা জেরার্ড স্টোকস জানিয়েছিলেন, এ ম্যাচে ছেলের হার কামনা করতে হবে। জেরার্ড যে মনেপ্রাণে নিউজিল্যান্ডের সমর্থক। শেষ পর্যন্ত বাবার ইচ্ছে পূরণ হয়নি। উল্টো ছেলের অসাধারণ নৈপুণ্যের কাছে হার মেনেছে বাবার ইচ্ছা। শুধু কি তাই, জেরার্ড স্টোকস এখন নিউজিল্যান্ডের মধ্যে সবচেয়ে ঘৃণিত বাবাও!

কারণটা খুব সহজেই অনুমেয়। কাল লর্ডসের ফাইনালে তাঁর ছেলের ৮৪ রানে ভর করে ম্যাচটা শেষ বল পর্যন্ত টেনে নিতে পেরেছে ইংল্যান্ড। সুপার ওভারে ইংল্যান্ড যে ১৫ রান করেছে, তার মধ্যে ৮ রানই স্টোকসের। জেরার্ড তাই কৌতুক করেই কথাটা জানালেন, ছেলে নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটপ্রেমীদের স্বপ্ন চূর্ণ করায় তিনি এখন সেখানে সবচেয়ে ঘৃণিত বাবা। ক্রাইস্টচার্চে নিজেদের ঘরে বসে ফাইনাল দেখেছেন স্টোকসের বাবা-মা জেরার্ড ও ডেবোরাহ।

জেরার্ড নিউজিল্যান্ড রাগবি জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড়। দেশটির হয়ে রাগবি টেস্টও খেলেছিলেন একটি। অবশ্য খেলোয়াড় হিসেবে যতটা, তার চেয়েও বেশি নাম কুড়িয়েছিলেন কোচ হিসেবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই কালকের ফাইনালে তাঁর জন্মভূমিকে সমর্থন করার কথা। ডেবোরাহও সমর্থন দিয়েছেন কেন উইলিয়ামসনের দলকে। প্রতিবেশীদের বেশির ভাগ তাঁদের উভয়সংকটের পড়ার বিষয়টি বুঝেও সানন্দে খেলা দেখেছেন একসঙ্গে। তবে দু-একটা কটু কথাও শুনতে হয়েছে জেরার্ডকে। নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ওয়ান নিউজকে সেসব কথা কৌতুকের সুরেই বলেছেন জেরার্ড, ‘দু-একজন বলেছে, এ মুহূর্তে আমি নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে ঘৃণিত বাবা। তবে কেউ সীমা ছাড়ায়নি বলেই মনে হয়।’

ম্যাচ শেষে আবেগে কেঁদেছেন স্টোকসের মা ডেবোরাহ, ‘খেলা শেষে খুব কেঁদেছি। ব্ল্যাক ক্যাপসের জন্য খারাপ লেগেছে। এটা ড্র হলে সবচেয়ে ভালো হতো।’ বেন স্টোকস ইংল্যান্ডে থিতু হলেও তাঁর বাবা-মা ২০১৩ সাল থেকে ক্রাইস্টচার্চে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। জেরার্ড এখন ক্রাইস্টচার্চে ছেলেদের জেলখানায় কনস্ট্রাকশন প্রোগ্রাম সুপারভাইজার। ছেলের জয় আর নিজের পছন্দের হার নিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘ব্ল্যাক ক্যাপসদের জন্য সত্যি খারাপ লাগছে। তবে বেনের জন্য আনন্দে আত্মহারা হলেও আমি এখনো নিউজিল্যান্ডেরই সমর্থক। এটা আমার দেখা অন্যতম সেরা ক্রিকেট ম্যাচ। নাটকীয় সব রকম উপাদানই ছিল।’

সুপার ওভারেও ম্যাচ টাই হওয়ার পর বেশি বাউন্ডারি মারার নিয়মে ভর করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। জেরার্ড স্টোকস প্রশ্ন তুলেছেন এ নিয়ম নিয়ে, ‘সিদ্ধান্ত নিতে ওটা (বাউন্ডারি নিয়ম) এত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়নি। শিরোপাটা ভাগ করে নেওয়া যেত, যদিও এখন আর এসবের প্রচলন নেই।’

বেন স্টোকসের জন্ম আর শৈশবের পুরোটাই কেটেছে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে। তাঁর বাবা নানা জায়গায় কোচিং করিয়ে ডাক পান ইংল্যান্ডের ওয়ার্কিংটন টাউন রাগবি লিগ ক্লাবের কোচ হতে। সে ডাকে সাড়া দিয়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান জেরার্ড, সঙ্গে পুরো পরিবার। ফলাফল হিসেবে নিউজিল্যান্ডের বেন স্টোকস হয়ে যান ইংল্যান্ডের। ১৬ বছর হলো ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন স্টোকস।

এবারের বিশ্বকাপ তাহলে অষ্ট্রেলিয়াই নিবে...? না ইন্ডিয়া?

সবাই রাজনীতি কইরা খাইতে চায়,
তাহলে কাম করবো কারা?
দ্যাশ উন্নত হইবে ক্যামনে???

যা আপনার পরিবার ও আপনার জানা প্রয়োজন।

খুব জানতে ইচ্ছা করে...
পৃথিবীর কোন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাথীরা বাংলাদেশের মত সংঘর্ষ করে কি না!!???

উপকার করলে, এমনই প্রতিদান পাবেন... তাই বলে কি উপকার করবেন না।

বাংলাদেশে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দুই সমাধিক্ষেত্র
১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বার্মায় নিহত সৈনিকদের দু’টি সমাধিক্ষেত্র রয়েছে বাংলাদেশের কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে৷ প্রতিবছর প্রয়াত বীরসেনাদের সম্মান জানাতে প্রচুর দর্শনার্থী যান যায়গা দুটিতে৷
--
ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রি তৈরি হয়েছে ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৪-এর মধ্যে৷ কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরে কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টের কাছেই এর অবস্থান

চেষ্টা করতে থাকুন.. হয়ে যাবে।
একবার না হইলে দেখ হাজার বার...

শিরোনাম-3 (সূত্র: সমকাল) তারিখ:20-Jun-2019
জনপ্রিয় অনলাইন গেম প্লেয়ার আননোন'স ব্যাটলগ্রাউন্ডস (পাবজি) ইসলাম ধর্মের জন্য অবমাননাকর বলে দাবি করেছে ইন্দোনেশিয়ার একটি মুসলিম গোষ্ঠী।

ইরাক এবং নেপালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই গেম নিষিদ্ধ ঘোষণার পর ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে বুধবার ফতোয়া দিয়ে ওই দাবি করা হয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ভারতের গুজরাটেও নিষিদ্ধ করা হয়েছ ২০১৭ সালে শুরু হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়া এই পাবজি খেলা।...বিস্তারিত >>

শিরোনাম-1 (সূত্র: কালের কন্ঠ) তারিখ:20-Jun-2019
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ২১ হাজার ‘শরণার্থী’র (রিফিউজি) উৎস বাংলাদেশ। এর বাইরে বিভিন্ন দেশে এমন ৫৯ হাজার ব্যক্তির ‘অ্যাসাইলাম’-এর (আশ্রয়ের) আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে যাদের উৎস রাষ্ট্রও বাংলাদেশ। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস সামনে রেখে গতকাল বুধবার জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) প্রকাশিত ‘২০১৮ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বৈশ্বিক প্রবণতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।...বিস্তারিত >>

শ্যামলীতে পেট্রোল পাম্পে আগুন

নতুন আইনে ইনজেকশন দিয়ে নপুংসক করা হবে ধর্ষককে

যাদের প্রচুর বিনোদনের প্রয়োজন, তারা এটা দেখুন।

শূন্য হতে ১৮ বছরের নাগরিকরাও পাবে এনআইডি

ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টায় ৬৪ জন বাংলাদেশিসহ ৭৫ জন অভিবাসন প্রত্যাশী ১৪ দিন ধরে তিউনিসিয়া উপকূলে নৌকায় ভাসছেন।

রেড ক্রিসেন্টের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, বাংলাদেশি ছাড়া ওই নৌকায় মরক্কো, সুদান এবং মিশরের নাগরিক রয়েছেন। শরণার্থী শিবিরগুলোতে স্থান সঙ্কটের কারণ দেখিয়ে নৌকাটিকে তীরে ভিড়তে দেয়নি তিউনিশিয়া।

হৃদরোগের কারণ কোল্ড/এনার্জি ড্রিংক। পরিত্যাগ করুন, একেবারে পরিত্যাগ করা সম্ভব না হলে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন।

সাবধান! কাগজে মোড়ানো খাবার খেলে হতে পারে ক্যান্সার!
খবরের কাগজে মোড়ানো খাবার শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করছে বলে জানিয়েছে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান যাচাইয়ের সংস্থা ফ্যাসাই। অথচ চপ, সিঙাড়া থেকে শুরু করে যে কোনও ধরণের রান্না করা খাবার কাগজে মুড়ে দেওয়াটা স্বাভাবিক অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই অভ্যাসের জন্যই শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগও হতে পারে। বলা হয়েছে, সাধারণত খবরের কাগজের ঠোঙা বা ছেঁড়া কাগজে খাবার মুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেই কাগজ ছাপা হয় নানা রকম রাষায়নিক দিয়ে তৈরি করা কালি দিয়ে। সেই কালি সরাসরি পেটে গেলে শরীর খারাপ, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত সম্ভব।

খবরের কাগজে কালি কিছুটা মিশে যায়, কিছুটা আলগা থাকে। যখন কোনও রান্না করা খাবার কাগজে মুড়ে দেওয়া হয়, তখন সেই আলগা কালি লেগে যায় খাবারের গায়ে। ফলে সরাসরি সেই মারাত্মক ক্ষতিকর কালি চলে যায় পেটে। দীর্ঘদিন ধরে খবরের কাগজে মোড়া খাবার খেলে তাই শারীরিক ক্ষতি হওয়া নিশ্চিত।
চিকিৎসকদের মতে, খবরের কাগজে মুড়ে দেওয়া খাবার শরীরের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর। এ নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি হওয়া খুবই দরকার।

বালিকারা সাবধান!!
[ বর্তমানে 70 শতাংশ মেয়ের মধ্যে যা দেখা যাচ্ছে...]
স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সকালে নাস্তা না খেয়ে বা কম খেয়ে স্কুলে যাওয়ার প্রবনতা বেশি। ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এই কাজ বেশি করে থাকে। অনেকে সকালে খেয়ে গেলেও দুপুরে কিছুই খায় না, কেউ আবার স্কুলের সামনে থেকে অস্বাস্থকর ফুসকা, আচার ইত্যাদি থেয়ে থাকে। এভাবে ধীরে ধীরে শরীরে রোগ জমা হতে থাকে 3-4 বছর পর, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে + অস্বাস্থকর খাবার খাওয়ার কারণে নাড়িতে আলসার (ঘাঁ), কঠিন আকারে গ্যাসটিক, কিডনিতে পাথর, বুকের মধ্যে যন্ত্রণা, পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা ইত্যাদি সঠিল রোগ শরীরে বাসা বাধে। যার জন্য শিক্ষাথীকে অনেক ভোগান্তিতে পড়তে হয়... অভিভাবকদের হাসপাতাল ও ডাক্তারের খরচ বাবদ অনেক অর্থ+ সময় নষ্ট করতে হয়।
--
শুধু তাই নয়, উপরোক্ত রোগের কারণে কোন কোন শিক্ষাথী স্থায়ীভাবে বন্ধাত্বও হয়ে যেতে পারে।
-
তাই সকলের নিকট পরামর্শ একটু অলশতা/অসাবধনতা যেন মৃত্য+ভোগান্তির কারণ না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখা।

17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3477 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3467 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ
29-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3653 জন)
প্রশ্নঃ পৃথিবী প্রতিদিনই একটু একটু করে উষ্ণ (গরম) হচ্ছে। সেই সাথে পরিবর্তন হচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ু, এভাবে চলতে থাকলে কিছু বছর পর পৃথিবীতে বসবাস করা আমাদের জন্য দুর্বিসহ হয়ে উঠবে। তাই আমাদের সকল প্রকার অপচয় রোধ করতে হবে এবং বেশি বেশি করে বৃক্ষ রোপন করতে হবে। অপচয় পরোক্ষভাবে পৃথিবী উষ্ণ করে, কেননা পন্য সামগ্রি উৎপাদন ও ষোধন করতে অনেক তাপ ও কার্বন নি:সরন করতে হয়। বাংলাদেশের বৃহত্তম প্লাস্টিক শিল্প নগরি কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
(A) মুন্সিগঞ্জ
(B) চট্টগ্রাম
(C) নারায়গঞ্জ