সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখ ১৮০০ ঘটিকায় র‍্যাব-৪ এর চৌকস আভিযানিক দল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার উনু মং এবং সহকারী পুলিশ সুপার সাগর দীপা বিশ্বাস এর নেতৃত্বে মহানগরীর উত্তরা পশ্চিম থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পেশাদার প্রতারকচক্রের ৩০ সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত নানাবিধ নথিপত্র ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত অনেক আসামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় এক বা একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে এদের প্রতারণার অফিস রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের সংগঠন ও প্রতারণা কৌশল সম্পর্কে বিবিধ তথ্য প্রদান করেছে।

প্রতারক সংগঠনের কার্য পদ্ধতি টার্গেট/ভিকটিম/চাকুরীরপ্রার্থী সংগ্রহঃ

ক। চাকুরীর প্রার্থী সংগ্রাহকঃ প্রতারকচক্রের প্রতিটি সদস্য প্রতারণাকে তাদের পেশা হিসেবে গ্রহণ করায় তাদের এ সংগঠনের একটি সুনির্দিষ্ট সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। এরা নিজেদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে। এরা প্রতারক চক্রের মাঠ পর্যায়ের কর্মী। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেকার যুবকদেরকে চাকুরী প্রদানের লোভনীয় অফার দিয়ে নিয়ে আসে। ভিকটিমদের বলা হয় একমাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করেই চাকুরী পাওয়া যাবে। ভিকটিমদের নিকট এই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধার ব্যাপারে লোভনীয় অফার দেয়। ভিকটিমকে প্রলুব্ধ করে এবং তথ্যাদি সংগ্রহ করে প্রতারক চক্রের অফিস কার্যালয়ে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে। এই টার্গেটে সংগ্রহকরাই মূলত নিজেরাও পূর্বে প্রতারিত হয়েছে। টাকা বিনিয়োগ করে এবং বিনিয়োগকৃত টাকা উদ্ধারের প্রলোভনে পড়ে নিজেরাও প্রতারনার সাথে জড়িয়ে পড়ে এবং নতুন নতুন সদস্য সংগ্রহ করে। এদেরকে প্রতি গ্রাহক/টার্গেট সংগ্রহের জন্য নির্দিষ্ট অংকের টাকা (Percentage) দেওয়া হয়।

খ। ভাইভা অফিসারঃ পরবর্তীতে এদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর এবং মাকেটিং অফিসার এর মাধ্যমে সদস্যদেরকে ভাইভা অফিসে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যরা তাদের ভাইভা নেয় এবং তাদের কাছ থেকে চাকুরী দেওয়ার নাম করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের অফিসে ভুয়া Receptionist অফিস সহকারী ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মীদের রেখে প্রকৃত অফিসের আবহ তৈরী করে। টাকা গ্রহনের পরে ট্রেনিং এর নামে ট্রেনিং অফিস নামে কথিত অন্য জায়গায় পাঠিয়ে দেয়।

গ। ম্যানেজারঃ ভিকটিম এর নিকট থেকে সংগ্রহকৃত অর্থ জোনাল ম্যানেজার সংগ্রহ করে থাকে।

ঘ। এজিএম এবং জিএমঃ ম্যানেজার উক্ত অর্থ সংগ্রহ করে এজিএম এর মাধ্যমে জিএম এর কাছে পৌছানো হয়।

ঙ। চেয়ারম্যানঃ চেয়রম্যান চাকুরীর প্রার্থীদের প্রশিক্ষণে কিভাবে জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রার্থীরা আর্থিক ভাবে লাভবান হবে তার প্রেষনা দিয়ে থাকে। এজিএম এবং জিএম এর মাধ্যমে সংগ্রহকৃত অর্থ চেয়ারম্যান এর নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়।

চ। ট্রেনিং সেন্টারঃ ভাইভা অফিস থেকে ভিকটিমদেরকে ডিস্ট্রিবিউটর/মার্কেটিং অফিসার এর অধীনে ট্রেনিং সেন্টার এ প্রশিক্ষণের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ছ। প্রশিক্ষকঃ এখানে ভুয়া প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে ভিকটিমদের ০১ মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়ার নাম করে আটকে রাখা হয়। যখন ভিকটিম বুঝতে পারে তারা প্রতারিত হয়েছে এবং তাদের প্রদেয় অর্থ দাবি করে। তখন প্রতারক চক্র তাদেরকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং তাদের মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরবর্তীতে রাতারাতি প্রতারক চক্র অফিস গুটিয়ে তাদেরকে রেখে পালিয়ে যায়। প্রশিক্ষদের মধ্যে রুম সুপার ম্যাস ম্যানেজার বিভিন্ন পর্যায়ে জনবল নিয়োগ দেওয়া থাকে।

জ। ডায়মন্ড এবং সিলভার পদবী: প্রতারক চক্রের মধ্যে যে সকল সদস্য ৫০ জনের অধিক সদস্য সংগ্রহ করে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতে পারে তাদেরকে ডায়মন্ড উপাধি দেওয়া হয় এবং ২৫-৩০ জন সদস্য সংগ্রহকারিকে সিলভার পদবী প্রদান করা হয়।

৩। ঘটনাস্থল হতে ২০৩ জন ভুক্তভুগীদের উদ্ধার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রতারকচক্রটি ৫০,৮০০ টাকা করে সর্বমোট ১,০৩,১২,৪০০/- টাকা আত্মসাৎ করে। আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা গ্রামের মধ্যশিক্ষিত বেকার ও নিরীহ যুবকদের চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রায় এক হাজার এর অধিক চাকুরী প্রত্যাশিদের সাথে প্রতারণা করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অদূর ভবিষ্যতে এইরুপ অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে র‍্যাব-৪ এর জোড়ালো সাঁড়াসি অভিযান অব্যাহত থাকবে।Collected

{মাত্র ১ মিনিট সময় নিয়ে পড়বেন, আর আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম আপনারাই সিদ্ধান্ত নেবেন আসলে আমরা কি করছি!

ফুল দিতে যাচ্ছিলাম হটাত্‍ পথ আগলে দাঁড়ালো রফিক, সালাম, বরকত ও জব্বার .....!!!

★রফিকঃ -- কই যাও?

★আমিঃ --জ্বী, শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাচ্ছি।

★সালামঃ -- ফুল দিয়ে কি হবে?

★আমিঃ -- না, মানে আপনাদের
স্মরণ করা হল। আপনাদের আত্মা শান্তি পাবে।

★বরকতঃ -- হা... Read More>>

বাংলা সিনেমায় যার নাম স্মরণ করা হবে চিরকাল...... Read More>>

21-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3281+)
প্রশ্নঃ ভাষা আন্দোলনে কতজন শহীদ হয়েছিল তার সংখ্যা সঠিকভাবে পাওয়া যায় না, তবে পুলিশের গুলিতে ২৬ জন নিহত এবং ৪০০ জনের মতো আহত হয়েছিলেন এমন কিছু তথ্য পাওয়া যায়। ১৯৫২ সালের পর থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালিদের সেই আত্মত্যাগকে স্মরণ করে দিনটি উদ্যাপন করা হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। জাতিসংঘের ছয়টি অফিসিয়াল ভাষা রয়েছে, নিচের কোনটি জাতিসংষের অফিসিয়াল ভাষা নয়?
(A) ফরাসি
(B) জাপানি
(C) স্পেনীয়