পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে কি লেখা ছিল?

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের দলিলে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪.৩১ মিনিটে ঢাকার রমনা রেস কোর্স ময়দানে জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী সই করেন।

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল তিন প্রস্থে প্রস্তুত করা হয়েছিল। একটি প্রস্থ ভারত সরকার এবং দ্বিতীয় প্রস্থ পাকিস্তান সরকারের নিকট সংরক্ষিত আছে।

যে টেবিলে পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ঢাকা ক্লাব থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। এই টেবিলটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ৩৭ সংখ্যক প্রদর্শনী কক্ষে সংরক্ষিত আছে।

আত্মসমর্পণের দলিলের নাম ছিল "INSTRUMENT OF SURRENDER"।

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে কি লেখা ছিল?

পূর্ব রণাঙ্গনে ভারতীয় ও বাংলাদেশ বাহিনীর জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ, লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে পাকিস্তান পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড বাংলাদেশে অবস্থানরত পাকিস্তানের সকল সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে আত্মসমর্পণে সম্মত হলো। পাকিস্তানের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সব আধা-সামরিক ও বেসামরিক সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষেত্রে এই আত্মসমর্পণ প্রযোজ্য হবে। এই বাহিনীগুলো যে যেখানে আছে, সেখান থেকে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কর্তৃত্বাধীন নিয়মিত সবচেয়ে নিকটস্থ সেনাদের কাছে অস্ত্রসমর্পণ ও আত্মসমর্পণ করবে।
এই দলিল স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ড লেফটেন্যান্ট-জেনারেল অরোরার নির্দেশের অধীন হবে। নির্দেশ না মানলে তা আত্মসমর্পণের শর্তের লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে এবং তার প্রেক্ষিতে যুদ্ধের স্বীকৃত আইন ও রীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আত্মসমর্পণের শর্তাবলীর অর্থ অথবা ব্যাখ্যা নিয়ে কোনো সংশয় দেখা দিলে, লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার সিদ্ধান্তই হবে চূড়ান্ত।

লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা আত্মসমর্পণকারী সেনাদের জেনেভা কনভেনশনের বিধি অনুযায়ী প্রাপ্য মর্যাদা ও সম্মান দেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করছেন এবং আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সামরিক ও আধা-সামরিক ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও সুবিধার অঙ্গীকার করছেন। লেফটেন্যান্ট-জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার অধীন বাহিনীগুলোর মাধ্যমে বিদেশি নাগরিক, সংখ্যালঘু জাতিসত্তা ও জন্মসূত্রে পশ্চিম পাকিস্তানি ব্যক্তিদের সুরক্ষাও দেওয়া হবে।

স্বাক্ষর করেন:
জগজিৎ সিং অরোরা
লেফটেন্যান্ট-জেনারেল
জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ইন চিফ
পূর্ব রণাঙ্গনে ভারত ও বাংলা দেশ যৌথ বাহিনী
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

আরও স্বাক্ষর করেন:
আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি
লেফটেন্যান্ট-জেনারেল
সামরিক আইন প্রশাসক অঞ্চল বি
অধিনায়ক পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড (পাকিস্তান)
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

তথ্যসূত্র:- উইকিপিডিয়া

হাত দিয়ে খাওয়ার বিস্ময়কর ৫টি উপকারিতা!

উন্নত বিশ্ব তথা ইউরোপের মানুষ হাত দিয়ে না খেয়ে চামুচ দিয়ে খাবার খান। তবে আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য এবং এশিয়ার বেশিরভাগ মানুষ ছুরি ও চামচের পরিবর্তে হাত দিয়ে খান। আপনি হয়ত শুনে অবাক হবেন যে, হাত দিয়ে খাওয়ার উপকারিতা অনেক। কারণ, খাওয়া একটি ইন্দ্রিয়গত ও মনোযোগী প্রক্রিয়া।

দৃষ্টি, গন্ধ, শব্দ, স্বাদ এবং... Read More>>

পাসপোর্ট নিতে আর রিয়াদ দূতাবাসে যেতে হবে না প্রবাসীদের

....
.....
রিয়াদ ও তার আশপাশ অঞ্চলের প্রবাসীদের পাসপোর্ট সেবা সহজীকরণ এবং পাসপোর্ট সেবাকে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থানীয় প্রবাসীদের পাসপোর্ট নবায়ন করার জন্য রিয়াদ দূতাবাসে যেতে হবে না।

বুধবার... Read More>>

Shakil Talukder ভাই ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি কমিউনিটি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে | যেখানে আপনি অনলাইন এবং ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে যে কোন সাহায্য পাবেন | ওয়েবসাইটটি যেহেতু নতুন তাই ভাই আপনাদের সহায়তা কামনা করছে | সাইটটি শুধুমাত্র বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত |
সাইটটির নাম হচ্ছে বিডি হেল্প ডট টেক ( bdhelp.tech )
https://bdhelp.tech/
অবশ্যই শেয়ার করুন এবং... Read More>>

রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার করা মামলার শুরুতেই হারলো মিয়ানমার। রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে জানিয়ে অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত বলেছে, মামলা চলবে। একই সঙ্গে রাখাইনে বসবাসরত অবশিস্ট রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে মিয়ানমারকে চার দফা নির্দেশনাও দিয়েছেন আদালত। ডেস্ক রিপোর্ট।... Read More>>

আগে দেখেছেন কখনো 🥺... Read More>>

পাকিস্তানের লাহোরে টি-টোয়েন্টি ট্রফি উন্মোচন করলেন, ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও বাবর আজম, অভিনন্দন অভিনন্দন বাংলাদেশ ।... Read More>>

23-Jan-2020 তারিখের কুইজ
প্রশ্নঃ বেশির ভাগ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলি হল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কিছু জলবিদ্যুৎ ও গ্যাস বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। ব্যান্ডেল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
(A) তামিলনাড়ু
(B) পশ্চিমবঙ্গ
(C) বিহার