লবঙ্গের এই গুণগুলো জানতেন?

রান্নায় স্বাদ বাড়াতে লবঙ্গ ব্যবহার করা হয়ে থাকে পৃথিবীর অনেক দেশেই। ছোট আকারের একটি লবঙ্গতে অকল্পনীয় প্রাকৃতিক শক্তি রয়েছে যা মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি লবঙ্গ শারীরিক নানা উপকার করে থাকে। চলুন জেনে নেওয়া যাক লবঙ্গের কিছু গুণ সম্পর্কে।

লিভারের শক্তি বাড়ায় :

লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা লিভারের ভেতরে জমে থাকা বিভিন্ন টক্সিক উপাদানগুলোকে শরীর থেকে বের করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। নিয়মিত লবঙ্গ খেলে টক্সিক উপাদানগুলো শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এর ফলে লিভারের কর্মদক্ষতা বাড়তে থাকে। এছাড়াও লবঙ্গে রয়েছে একাধিক হেপাট্রোপ্রটেকটিভ প্রপার্টিজ যা হজমের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

ত্বকের সুরক্ষা :

লবঙ্গ ত্বকের জন্য উপকারী একটি ভেষজ। ত্বকের মধ্যে কোনোরকম সংক্রমণ হলেই ব্যবহার করতে পারেন লবঙ্গ। নিয়মিত লবঙ্গ চা খেলে শরীরের ত্বক থাকে সুস্থ এবং সতেজ। এর মধ্যে উপস্থিত ভোলাটাইল অয়েল বিষাক্ত টক্সিকের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ক্ষতিকর জীবাণুদের ধ্বংস করতে লবঙ্গের জুড়ি নেই।

জ্বর সারায় :

প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান লবঙ্গে রয়েছে ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে। এই দুটি ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ। লবঙ্গ খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে শরীরে উপস্থিত ভাইরাস মারা পড়ে খুব দ্রুতই। ফলে ভাইরাল ফিবার বা জ্বরের মাত্রা কমতে সময় লাগে না। নিয়মিত লবঙ্গ খেলে নানা রকম রোগের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

দাঁতের চিকিৎসায় :

লবঙ্গতে অ্যান্টি–ইনফ্লেমেটোরি নামক একটি উপাদান আছে যা দাঁতের জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে দাঁতের যন্ত্রণা কমাতে এটির জুড়ি নেই। মাড়ি ফুলে যাওয়া বা দাঁত দিয়ে রক্ত পড়ার মতো ঘটনা ঘটলে লবঙ্গ চিবিয়ে মুখে রাখুন কতক্ষণ দেখবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং ব্যথা থেকে আরাম পাবেন। বেশিরভাগ টুথপেস্টেই ঠিক এ কারণেই লবঙ্গ থাকার দাবি করে থাকে।

ব্যথা উপশমে :

হাঁটু, পিঠ বা হাড়ের কোনো জয়েন্টে ব্যথা হলে বেশ ভুগতে হয়। এরকম ব্যথা থেকে খুব সহজেই উপশম দিতে পারে লবঙ্গ। কিছু লবঙ্গ হালকা আঁচে টেলে নিন। এরপর একটি গামছা জাতীয় কাপড়ে বেঁধে পুটলি তৈরি করুন। টেলে নেওয়া লবঙ্গ গরম থাকতে থাকতেই ব্যথার স্থানে সেঁক দিন। ব্যথা কমে গিয়ে আরাম পাবেন খুব দ্রুতই।

নিশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে :

মুখের দুর্গন্ধের জন্য অনেক জায়গাতেই পড়তে হয় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তি মিলেনা অনেকের। তবে লবঙ্গ কিন্তু মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে অব্যর্থ ওষুধ হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে কয়েকটি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবিয়ে রাখুন মুখেই। অল্পক্ষণ পর কুলি করে ফেলে দিন। দেখবেন আপনার নিশ্বাস হয়ে উঠেছে তরতাজা, সতেজ। নিয়মিত এই অভ্যাসটি চর্চা করলে নিশ্বাসের দুর্গন্ধ একসময় পুরোপুরিই দূর হয়ে যাবে।

মেজাজ ফুরফুরে করতে :

মানসিক অবসাদ দূর করে মেজাজ ফুরফুরে করতে লবঙ্গ বেশ উপকারী। কোনো বিষয়ে খুব দুশ্চিন্তা হলেও লবঙ্গ চিন্তা ভাবনাকে সতেজ রাখতে বেশ কার্যকর। কয়েক টুকরো লবঙ্গ মুখে পুরে চিবিয়ে দেখবেন মন ফুরফুরে হয়ে যাবে। অবসাদ কাটাতে লবঙ্গ চা বেশ উপকারী।

আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... আবু মালিক আল আশজাঈ (রহঃ) তার পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন লোক ইসলাম কবুল করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এ দু’আ বলতে শিখিয়ে দিতেন, “আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহ্‌দিনী ওয়ারযুকনী”। অর্থাৎ- হে আল্লাহ। আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং... Read More>>

--: জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেয়ার ফাযীলাত :--

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি আমার নিকট থেকে হাদিস শুনে তা মুখস্থ রাখলো এবং অন্যের নিকটও তা পৌঁছে দিলো, আল্লাহ তাকে চিরউজ্জ্বল করে রাখবেন। জ্ঞানের অনেক বাহক তার চেয়ে অধিক সমঝদার লোকের নিকট তার বহন নিয়ে যায়;... Read More>>

17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3477 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3467 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ
29-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3653 জন)
প্রশ্নঃ পৃথিবী প্রতিদিনই একটু একটু করে উষ্ণ (গরম) হচ্ছে। সেই সাথে পরিবর্তন হচ্ছে পৃথিবীর জলবায়ু, এভাবে চলতে থাকলে কিছু বছর পর পৃথিবীতে বসবাস করা আমাদের জন্য দুর্বিসহ হয়ে উঠবে। তাই আমাদের সকল প্রকার অপচয় রোধ করতে হবে এবং বেশি বেশি করে বৃক্ষ রোপন করতে হবে। অপচয় পরোক্ষভাবে পৃথিবী উষ্ণ করে, কেননা পন্য সামগ্রি উৎপাদন ও ষোধন করতে অনেক তাপ ও কার্বন নি:সরন করতে হয়। বাংলাদেশের বৃহত্তম প্লাস্টিক শিল্প নগরি কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
(A) মুন্সিগঞ্জ
(B) চট্টগ্রাম
(C) নারায়গঞ্জ