জন্ম নিলে মরতে হবে। এটাই চিরন্তন সত্য। তবে কিছু মানুষ আছেন যারা মৃত্যুকে জয় করেননি বটে, কিন্তু নিজের বয়স দিয়ে অন্যকে চমকে দেওয়ার সাধ্য রাখেন। তেমনই এক ব্যক্তি গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে। যার বর্তমান বয়স ১১২ বছর ৩৪৪ দিন। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ মানুষ তিনিই।

যুবক বয়সে পেশায় একজন কৃষক ছিলেন তিনি। নিজের দীর্ঘায়ুর রহস্য হিসেবে তিনি জানিয়েছেন, ‘কখনও রাগ করা চলবে না, আর সর্বদা মুখে হাসি রাখতে হবে।’ ১৯০৭ সালে উত্তর জাপানের নিইগাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে। তিনি গ্রিনিস ওয়ার্ল্ডের তরফ থেকে সার্টিফিকেটও পেয়েছেন।

জাপানের এই বয়স্ক ব্যক্তি জানিয়েছেন, দাঁত না থাকলেও পুডিং এবং ক্রিম পাফ খেতে পছন্দ করেন তিনি। কারণ এই ধরণের খাবারগুলি দাঁত দিয়ে চাবাতে হয় না। এর আগে যে ব্যক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন, তার নাম মাসাজো নোনাকা। তিনিও জাপানেরই নাগরিক ছিলেন। ২০১৯ সালে ১১৩ বছরে মৃত্যু হয় তার।
গ্রিনিং চিতেস্তু ওয়াতানাবে সম্পর্কে বলতে গিয়ে তার বড় ছেলের পুত্রবধূ জানিয়েছেন, ওয়াতানাবেকে তিনি কখনও রাগতে দেখেননি। পাশাপাশি তিনি যথেষ্ট যত্নশীলও।

অন্যদিকে ওয়াতানাবে নিজের সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমি মনে করি, এক ছাদের নীচে একটি বড় পরিবারের সাথে বসবাস করছি, এখানে নাতি-নাতনিরা আমার মুখের হাসি বাঁচিয়ে রেখছে।’ তার এই কথা থেকেই পরিষ্কার তিনি তার নাতি-নাতনিদের কতটা ভালোবাসেন।



বিডি প্রতিদিন/সিফাত আব্দুল্লাহ

26-Feb-2020 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 10155+)
প্রশ্নঃ ১৯০০-এর দশকে নির্বাক এবং ১৯৫০-এর দশকে সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন শুরু হয়। চলচ্চিত্রের উৎপত্তি ১৯১০-এর দশকে হলেও এখানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫০-এর দশকেই। “বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে” গানটিতে নিচের কোন শিল্পী কন্ঠ দিয়েছেন?
(A) কুমার বিশ্বজিৎ
(B) এন্ডু কিশোর
(C) খালিদ হাসান মিলু