ইন্টারনেট থেকে পাওয়া..
--
নিজ শিশুর ধর্ষণ বা যৌন অত্যাচার ঠেকাতে আপনার যা করণীয় ।

উচিত কথা বললে তো অনেকের পছন্দ হয় না, তবু বলি। নিজের কন্যা সন্তান, এমনকি নবজাতক হলেও আপনার অনুপস্থিতিতে কোনো পুরুষ আত্মীয়ের জিম্মায় দিবেন না। যতো নিকট আত্মীয়ই হোক না কেন। এইখানে কেউ আবার এসে নারী পুরুষ ত্যানা প্যাঁচাইয়েন না। কারণ আপনিও জানেন আমিও জানি যে, অন্তত বাংলাদেশে যৌন নির্যাতকদের মধ্যে পুরুষের শতকরা হার ৯৯.৯৯%। ছেলে বাচ্চাদের ব্যাপারেও একইরকম সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

নিজের শিশু সন্তানকে নিজের অনুপস্থিতিতে স্বল্প পরিচিত মানুষ দূরে থাক, কোনো আত্মীয়ের বাসায় রাতে থাকতে দেবেন না, আই রিপিট, কোনো আত্মীয়ের বাসায়। ফুফুর বাড়ি, খালার বাড়ি, নানার বাড়ি, দাদার বাড়ি কোথাও না। কোথাও থাকতে দিলে আপনাকে দাওয়াত না দিলেও লজ্জা শরম ত্যাগ করে গাঁট্টি বোঁচকা নিয়ে তাদের বাসায় বাচ্চার সাথে থাকতে চলে যান, যদি আত্মীয়ের বাসায় রাতে সন্তানকে রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে। একটা জিনিস মনে রাখবেন। যতগুলো যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে তার অধিকাংশই ঘটে নিকট আত্মীয় বা পরিচিত লোকজনের মাধ্যমে। অমুকে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কাজেই মেয়েকে তার সাথে দোকানে পাঠিয়ে দিলাম, আংকেল চকলেট কিনে দিবে বলে, এতবড়ো বলদামি কইরেন না।

নিজের তত্ত্বাবধান ছাড়া প্রতিবেশীর বাসায় শিশুসন্তানকে খেলতে পাঠাবেন না। আপনার প্রতিবেশী আপনার জন্য ভালো, আপনার সন্তানের জন্য ভালো নাও হতে পারে।

বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দিয়ে বেহেশত কামাবেন ভালো কথা। আপনার বেহেশতের দাম যেন আপনার সন্তানকে জীবন দিয়ে চুকাতে না হয়। মাদ্রাসায় শিশু সন্তান যেতে না চাইলে, কান্নাকাটি করলে, ভয় পেলে তাকে জোর করে ওই নরকে ঠেলে পাঠাবেন না। সন্তান হুজুরের নামে কিছু বললে বিশ্বাস করতে শেখেন। “হুজুরের তো দাড়ি আছে অতএব বিরাট সুফী মানুষ” এই ধারণা নিয়ে বসে থাকবেন না। সন্তানের ঘাড়ে পাড়া দিয়ে বেহেশতে যাবেন এই চিন্তা ছেড়ে নিজে কষ্ট করে বেহেশত উপার্জন করেন।

শিশু সন্তানকে ড্রাইভারের সাথে স্কুলে পাঠাবেন না। কাজের লোকের সাথে দোকানে পাঠাবেন না। নিজেরা সাথে যাওয়া আসা করবেন। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। আপনার জীবনের কোনো কাজই আপনার সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে বেশি জরুরি না। যদি অন্যান্য কাজকে সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে জরুরি মনে করেন, তবে সন্তানের জন্ম দিয়েন না। এত অধিক জনসংখ্যার দেশে কেউ আপনাদের মতো মানুষদের পায়ে ধরে সাধে নাই বাচ্চা জন্ম দিতে।

শিশুর যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে করণীয়, শিশু যৌন নিপীড়ন, বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন

সবচেয়ে বড় কথা, নিজের সন্তান যখন তার সাথে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের কথা বলবে, তখন যার বিরুদ্ধে বলুক না কেন, নির্যাতক আপনার যতো আপনজনই হোক না কেন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করবেন। তাকে চুপ করিয়ে দিয়ে তার সামনেই ওই নির্যাতককে ডেকে খাতির যত্ন কইরেন না। এমন অনেক ছেলেমেয়েকে চিনি যাদের বাপ-মা সবকিছু জেনেও সন্তানের যৌন নির্যাতককে সন্তানকে দিয়েই চা-নাস্তা পরিবেশন করিয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মা বাবাকে দেবতা মনে করা হয় বলেই এইসব সন্তানরা এই ধরনের বাপ-মা গুলোকে দুই বেলা জুতায় না। কিন্তু ঠিকই সারাজীবন মনে মনে ঘৃণা করে যায়।

কাজেই সন্তানের নির্যাতককে সন্তানের সামনেই শাস্তি দিন। ঠুনকো ইজ্জত সম্মানের তোয়াক্কা না করে নির্যাতককে এক্সপোজ করুন, সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে বয়কট করুন। প্রয়োজনে মামলা করে চৌদ্দশিকের ভাত খাওয়ান।

রাস্তায় হাঁটার সময় কোনো শিশুর সাথে কাউকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখলে সাথে সাথে চ্যালেঞ্জ করুন। “আমি বাচ্চার চাচা/মামা/খালু হই” এইসব বললেও পিছপা হবেন না। প্রয়োজনে লোক জড়ো করে বাচ্চাসহ ওই লোককে নিয়ে বাচ্চার মা-বাপের কাছে চলে যান। আপনার একটু উদ্যোগ হয়তো একটা শিশুর জীবন বাঁচিয়ে দেবে।

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারেই শিশুবান্ধব না এবং ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে এমন কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না। এ অবস্থায় আমাদের সবার সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুদের জীবন আরেকটু বেশি নিরাপদ করতে

💗এমন চিন্তা ভাবনা করার খুব কমই আছে😮
💗এমন প্রতিযোগিতা সব জায়গায় হওয়া ভালো!... Read More>>

18-Nov-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3757 জন)
প্রশ্নঃ বাসা কিংবা অফিস বৈদুতিৎ দুর্ঘটনা মুক্ত রাখতে ‘সার্কিট ব্রেকার’ ব্যবহার করা প্রয়োজন। সার্কিট ব্রেকার কোন বৈদ্যুতি দুর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়। ভেজা হাতে কখনো সুইজ চালু/বন্ধ করা যাবে না। বৈদ্যুতি সুইজ, ক্যাবল (তার), মাল্টিপ্লাগ, সকেট ইত্যাদি উন্নত মানের সামগ্রি ব্যবহার করতে হবে। পুরান সু্ইজ, মাল্টিপ্লাগ, ক্যাবল (তার) জোড়া-তালি দিয়ে ব্যবহার করা উচিত নয় এবং সকল সুইজ শিশুদের নাগালের উপরে স্থাপন করতে হবে। 50ওয়ার্ডের দুইটি ভাল্প কতক্ষণ জ্বললে 1ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে? (আজকের কুইজটি কারো কারো জন্য একটু কঠিন হলেও, বাস্তবে কাজে লাগবে)।
(A) 10 ঘন্টা
(B) 24 ঘন্টা
(C) 12 ঘন্টা