About Ashikur Rahman

মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত
মাত্র ২ টা মিনিট চাচ্ছি সবার কাছে এড়িয়ে যাবেননা,
লেখাটা পরে দেখুন আপনি হয়তো কান্না থামাতে পারবেন না
*******************************************************************
মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে।'
হঠাৎ সেখানে একজন লোক এসে বললেন 'সালাম' আমি কি ভিতরে আসতে পারি।
ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্ত।
- ফাতিমা (রঃ) দরজা বন্ধকরে রাসূলের কাছে গেলেন। মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন, কে সেই লোক?
ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি।আমি তাকে চিনি না।
-শুনো ফাতিমা ,সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল।
এটা শুনে ফাতিমার অবস্থা তখন ক্রন্দনরত বোবার মতো হয়ে গিয়েছে।
-রাসূল (সাঃ) বললেন, হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে?আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে?
জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না,আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।
-মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাইকাত মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন।
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রিলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে,ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনা
দায়ক জান কবজ করা।
-ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন,আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন,
জিবরাঈল তারমু খটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।
-রাসুলল(সঃ) বললেন,
হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন,আমার প্রতি তুমি বিরক্ত ?
জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ সাকারাতুল মউতের অবস্থায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে
সহ্য করতে পারি।
- ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন।
রাসূলুল্লাহ বললেন,হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জানকবজের সময়) যতই ভয়াবহ
হোক, সমস্যা নেই,আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাহকে ব্যথা দিওনা।রাসূলের শরিরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো।তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না
এখন আর।রাসূলের চোখের পানির সাথেতার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো,তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।
-আলি (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো।রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবংতোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ননাও।
-রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ,
সাহাবীরা একজন আরেক জনকে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত।
আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্থায় বলতে থাকলেন
,ইয়া উম্মাতি, ইয়া উম্মাতি,ইয়া উম্মাতি।

রাসুল (সাঃ) বলেছেনঃ যখন একজন
রোজাদার মুসলমান ইফতারি সামনে নিয়ে আজানের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে, কিন্তু ইফতারি স্পর্শ করে না; তখন মহান আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাদের
বলেনঃ “এই বান্দা-রা বসে আছে কেন? এদের সামনে তো খাবার আছে!”
ফেরেশতারা উত্তর দেনঃ “হে আল্লাহ! এঁরা আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আজ সারাদিন দানা-পানি স্পর্শ না করে সংযম করে রোজা রেখেছে; আর, এখন
অপেক্ষা করছে—আপনার হুকুমের
(আযানের) জন্য; যদি-ও তাঁদের সামনে অনেক খাবার আছে, তাঁরা আপনার হুকুম (আজান) পেলে-ই
স্পর্শ করবে” আল্লাহ ফেরেশতাদের
কে বলেনঃ “আমি যখন এঁদের সৃষ্টি
করি, তখন তোমরা বলেছিলেঃ এঁরা কেবল বিবাদ করবে! অথচ, এঁরা শুধু আমাকে সন্তুষ্ট করার জন্য সংযম করছে ,ইফতারি স্পর্শ করছে না!”
ফেরেশতারা তখন ভুল স্বীকার
করে নিশ্চুপ থাকবে। মহান আল্লাহ
বলবেনঃ “ইফতারি স্পর্শ করার
সাথে সাথে (আযানের সাথে সাথে) এই সংযম- পালন কারীদের সকল চাওয়া-পাওয়া, দোয়া, মনের ইচ্ছা পুরন করে দাও; যারা রোজাদার— তাঁদের কে আমার পক্ষ থেকে ক্ষমার সু-সংবাদ
দিয়ে দাও; তাঁরা যা কল্পনা-ও করেনি, সেই রহমত, বরকত, দিয়ে দাও।”,,,,, (সুবাহানআল্লাহ্)
.
[বুখারী শরিফ]

পৃথিবীর জন্য একটা মূল্যবান উপহার 😍😍😍

এখন আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম । তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ / আঠি / বিচি / দানা / seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না । সেগুলো ভালো করে জলে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন । পাহাড়, ঝর্না, নদী, হাওর কতো যায়গায়না আমাদের বিচরণ। ঘুরতে যাওয়ার সময় সেই বীজগুলো একটু সচেতনতার সাথে ঐসব রাস্তা ও পথের ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন । বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে । যদি এদের মধ্যে একটা গাছ ও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সব থেকে বড় উপহার । ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে ।
তাই আসুন আমরাও সাধ্য মত চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার।
হ্যাপি ট্রাভেলিং
হ্যাপি ইটিং
গিফট ফর আরথ 😍😍😍


19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3614 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4051 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4207 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ