About Fatema

মৃত্যু সম্পর্কে ৯টি বিস্ময়কর তথ্য!

প্রাণ যার আছে মৃত্যু তার নিশ্চিত। মৃত্যুর থেকে অনিবার্য সত্য আর কিছুই হয় না। আমরা মৃত্যুকে নিয়ে অনেক ধরণের ব্যাখ্যা শুনে থাকি। কেউ কেউ আবার মৃত্যুকে ঘিরে রচনা করে রোম্যান্স। কেউ বা মৃত্যুকে একটা ভয়ের ব্যাপার বলেই ধরে নেই। আর এসবের ঊর্ধ্বে মৃত্যুর প্রসঙ্গ উঠলে কেমন একটা বিভ্রান্ত চোখে তাকান অনেকেই।

আজকের এই প্রতিবেদনে মৃত্যু সম্পর্কে এমন কিছু সন্ধান দেয়া হল-

১. পৃথিবীতে হৃদরোগেই বেশিরভাগ মানুষ মারা যান।

২. কম বয়সী পুরুষদের অধিকাংশই মারা যান দুর্ঘটনায়।

৩. অল্পবয়সী মহিলাদের অধিকাংশই মারা যান সন্তান প্রসব করতে গিয়ে।

৪. প্রতি সেকেণ্ডে যত জন শিশু জন্ম নেয়, তার দ্বিগুণেরও বেশি মানুষ মারা যায়।

৫. মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে। কিন্তু ৩৬ ঘণ্টা পরে রিগর মর্টিস উধাও হতে শুরু করে।

৬. মৃত্যুর পরে অগ্ন্যাশয় ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য অংশ হজমের সহায়ক এনজাইমে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে ওই অঙ্গগুলিই ‘হজম’ হয়ে যেতে শুরু করে। তার পরে পুরো দেহতেই এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর নাম ‘অটোলাইসিস’।

৭. মৃত্যুর পরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না।

৮. ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মৃতদেহে লেগে থাকা পোকার চরিত্র দেখে মোটামুটিভাবে বলতে পারেন মৃত্যু ঠিক কতক্ষণ বা কত দিন আগে হয়েছে।

৯. প্রতিদিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায় ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

৯ ঘণ্টাব্যাপী ফজরের আজান হয় পৃথিবীতে

আজান নামাজের জন্য ডাক দিয়ে যায়। মহাকল্যাণের হাতছানি দেয়। আজান নব উদ্যমে জাগরণের প্রতীক। ফজরের আজানের আওয়াজে পৃথিবীর ঘুম ভাঙে। কোনো কোনো গবেষণা বলছে, পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্তে সব সময় আজান হয়। লিখেছেন আতাউর রহমান খসরু ও মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা।

ফজরের পবিত্র আজানের ধ্বনিতে ঘুম ভাঙে মুসলমানের। তাওহিদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য, নামাজ ও কল্যাণের আহ্বানে দিন শুরু হয় তাদের। ঘোষণা করা হয়, হে মানব! ওঠো, ঘুমের চেয়ে নামাজ উত্তম। শুধু স্রষ্টার ইবাদত নয়, জাগতিক অনেক বিচারেও ফজরের আজানের এই আহ্বান কল্যাণের বাহক। আধুনিক যুগের চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা সকালের নির্মল বায়ু, সূর্যালোক ও কায়িক পরিশ্রমকে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মত দিয়েছেন। একই সঙ্গে সূর্যালোক ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্মঘণ্টা এগিয়ে নেওয়ার মতও দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। আর এর সবই সম্ভব হবে, যদি ফজরের আজানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ সূর্য জেগে ওঠার আগে জেগে ওঠে।

আজান কল্যাণের পথে আহ্বান করে, আজান কল্যাণের ধারক। আর সেই কল্যাণের ধারা পৃথিবীব্যাপী অব্যাহত থাকে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা। এটা মুসলিম বিশ্বের হিসাবে। আর যদি পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিমের শেষ শহর হিসাব করা হয় তাহলে ফজরের আজানের দৈর্ঘ্য হবে আরো বেশি।

মুসলিম বিশ্বের সর্বপূর্বের শহর ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়াসি এবং সর্বপশ্চিমের শহর মৌরিতানিয়ার নাওজিবো। গ্রিনিচ মান সময়ের হিসাবে উভয় দেশের মধ্যে সময়ের পার্থক্য ৯ ঘণ্টা। অর্থাৎ ইন্দোনেশিয়ায় ফজরের আজান শুরু হওয়ার ৯ ঘণ্টা পর আজান হয় আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়ায়। ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়াসি দ্বীপে আজান শুরু হওয়ার পর তা ক্রমেই পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হয়। অগ্রসরমাণ আজানের ধ্বনি প্রায় অবিচ্ছিন্নভাবেই অগ্রসর হতে থাকে।

আজানের ধ্বনি পূর্ব থেকে পশ্চিমে অগ্রসর হওয়ার ধারাক্রমটি এমন—ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, সৌদি আরব, মিসর, লিবিয়া, আলজেরিয়া, মালি, মৌরিতানিয়া। তবে তারও আগে আজান হয় জাপানের নিমুরো দ্বীপে। সেখানে ফজরের আজান হয় রাত ১টা ৫৭ মিনিটে (১২ মে)। আর সর্বশেষ আজান হয় আমেরিকার আলাস্কা প্রদেশের শেষ প্রান্তে। জাপানের নিমুরো দ্বীপে মুসলিম কমিউনিটির ছোট একটি মসজিদের সন্ধান পাওয়া গেলেও আলাস্কা প্রদেশের শেষ প্রান্তে ঠিক কোথায় মসজিদ রয়েছে তা নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। শুধু ফজর নয়, পৃথিবীতে প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আজান হয় ৯ ঘণ্টা ধরে।

পাঁচ দিনেই ওজন কমাবে আলু

বাড়তি ওজন মানেই বাড়তি বোঝা। আবার ঝুঁকিপূর্ণও। স্থূল শরীর ও মনে নানা রোগ বাসা বাঁধে। স্থূল ব্যক্তিদের ডায়াবেটিস সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি হয়। হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি। এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ারও ঝুঁকি থাকে।

বেশি মোটা ব্যক্তির মেরুদণ্ড, কোমর ও হাঁটুতে ব্যথা বা প্রদাহ বেশি মাত্রায় দেখা দেয়। এছাড়া স্থূলকায়রা ঘুমে নাক ডাকেন বেশি, তাদের স্লিপঅ্যাপনিয়া জাতীয় রোগ বেশি হয়। শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুবিধা হয়। যে কারণে ওজন কমাতে নানা রকম নিয়ম পালন করে থাকি আমরা। ওজন ঝরাতে বা ওজন যেন আর না বাড়ে তাই খাবারের মেন্যু থেকে আলু সরিয়ে দেন।

অনেকের ধারণা আলু খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। তারা বলছেন, আলু ওজন বাড়ায় না উল্টো দ্রুত ওজন নিয়ন্ত্রণে আনতে আলু বেশ উপকারী। ‘ইয়োরোপিয়ান ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল’-এর গবেষক দল এমনটাই দাবি করেছেন।

কিন্তু তাই বলে ইচ্ছামতো পেট পুরে আলু খেলে ওজন কমবে না বরং বাড়বে। কোনো ফলই পাওয়া যাবে না। নিয়মিত আলু খেয়ে ওজন কমাতে হলে ব্যক্তিকে সঠিক পদ্ধতি মেনে খেতে হবে।

গবেষক দলটির যুক্তি, সামান্য পরিমাণে আলু খেলেই পেট বেশিক্ষণ ভরা থাকে। তাই যারা বারবার খেতে পছন্দ করেন ও এভাবে ওজন বাড়িয়ে ফেলেন তাদের খাবার মেন্যুতে আলু রাখা উৎকৃষ্ট একটি উপায়। তাদের ডায়েটে আলু রাখলেই চলবে।

পুষ্টিবিদরা বলেন, সহজেই হজম হওয়া খাদ্যের অন্যতম আলু। আলু খেলে শরীর তরতাজা থাকে। তাই শরীরের বাড়তি ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে কয়েকটি নিয়ম মেনে আলু খেলেই ফল মিলবে।

ওজন কমাতে আলু খাওয়ার উপায়: ১) অন্তত টানা পাঁচ দিন পেট ভরে শুধু সিদ্ধ আলু খেতে হবে। এই পাঁচ দিনে অন্য কোনো খাবার খাওয়া চলবে না।

২) শুধু সিদ্ধ আলু অনেকেই খেতে পারেন না। যারা একেবারেই তা খেতে না পারেন না তার সিদ্ধ আলুর সঙ্গে সামান্য লবন মিশিয়ে নিতে পারেন। তবে অন্য কোনো মশলা বা মুখরোচক চাট মশলা জাতীয় কিছু মেশানো যাবে না এই আলুতে।

৩) যাদের চা, কফির অভ্যাস তারা আলুর এই বিশেষ ডায়েট চলাকালীন দুধ ছাড়া এসব পানীয় গ্রহন করতে হবে।

৪) আলুর এই বিশেষ ডায়েটে থাকাকালীন এই পাঁচ দিন কোনোরকম ভারী ব্যায়াম বা ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রম করা যাবে না।

৫) এই পাঁচ দিন নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধ খেতেই পারেন। তবে কোনোরকম ফুড সাপ্লিমেন্ট খাওয়া চলবে না।

টানা পাঁচ দিন এই আলুই খেয়ে থাকতে হবে! কীভাবে সম্ভব এমন প্রশ্নের জবাব আগেই দিয়ে রেখেছেন ‘ইয়োরোপিয়ান ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিলের গবেষকরা।

তারা বলছেন, ওজন কমাতে মাসের পর মাস জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো, সকাল-বিকাল পার্কে দৌড়ানো, নানা ধরনের যন্ত্রাদি কিনে পয়সা খরচ করানো চাইতে পাঁচ দিন সিদ্ধ আলু খাওয়াটাই অনেক কম কষ্টের। আর বিষয়টি ফলদায়কও।


দাড়ির উপর ট্যাক্স

পানি, বিদ্যুৎ, খাবারদাবার থেকে শুরূ করে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য অনেক কিছুর উপরই ট্যাক্স বসানো হয়। কিন্তু সবচেয়ে বিচিত্র ট্যাক্স বসানো হয়েছিল ইংল্যান্ডে। সেখানে ১৫৩৫ সালে দাড়ির উপর ট্যাক্স বসিয়ে ছিলেন রাজা অষ্টম হেনরি।

যে ব্যক্তির সামাজিক অবস্থা যেরকম, সেই মতো কর ধার্য করা হত। হেনরির সেই অভিনব কর এক সময় অবশ্য বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু হেনরির পর সিংহাসনে বসা তাঁর মেয়ে রানি প্রথম এলিজাবেথও দাড়ির উপর কর বসিযেছিলেন। রানি এলিজাবেথ নিয়ম করেছিলেন, যে পুরুষ দু’ সপ্তাহের বেশি দাড়ি কাটবেন না, তাঁকেই সেই দাড়ির উপর ট্যাক্স দিতে হবে।
এই আইন এর পর ১৭০৫ সালে চালু করেছিলেন রাশিয়ার সম্রাট প্রথম পিটার। সম্রাট পিটার এক বিশেষ টোকেনের ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই রুপোর টোকেনের এক পাশে ছিল একটি ঈগলের ছবি। অন্য পাশে দাড়িওলা একজন মানুষের মুখের নীচের দিক। সেই টোকেনে লেখা থাকত, ‘দাড়ির ট্যাক্স নেয়া হল’ এবং ‘দাড়ি হল এক প্রকারের বোঝা’।

হজমের সমস্যা দূর করে নারকেল তেল

আমরা সাধারণত চুলের যত্নে ব্যবহার করি নারকেল তেল। কেউ কেউ আবার ত্বক পরিচর্চার জন্যও ব্যবহার করে এটি। তবে এখানেই এর পুষ্টিগুণ শেষ নয়। নারকেল তেলকে বলা হয় 'মিরাকেল অয়েল'। কারণ চুল কিংবা ত্বক পরিচর্চার পাশাপাশি অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধান করে থাকে এই নারকেল তেল। চলুন জেনে নেই নারকেল তেলের এমনই অজানা কিছু ব্যবহার।

১। ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে বগলে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। নারকেল তেলে থাকা উপাদান ঘাম শুষে নেয়, যা দুর্গন্ধ হওয়া রোধ করে।
২। হজমের সমস্যা দূর করতে
নারকেল তেলে কিছু উপকারি ফ্যাট রয়েছে। এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান পাকস্থলীর ইনফেকশন দূর করে। ফলে হজমের সমস্যা দূর হয়।

৩। অনিদ্রা দূর করতে
ঘুমের সমস্যা দূর করে দেবে নারকেল তেল। প্রতিদিন তিন টেবিল চামচ বিশুদ্ধ নারকেল পান করুন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ক্রিয়া ঠিক রাখে। যা আপনাকে ভালো ঘুমে সহায়তা করে।

৪। ছোটখাটো জ্বালাপোড়া
হঠাৎ করে হাত পুড়ে গেলে সেখানে কিছু পরিমাণ নারকেল তেল ব্যবহার করুন। দেখবেন জ্বালাপোড়া অনেকটা কমে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর পুড়ে যাওয়া স্থানে নারকেল তেল ব্যবহার করুন।

৫। এ্যার্নাজি বৃদ্ধিতে
খাবার উপযুক্ত নারকেল তেল প্রতিদিন খেলে তা দেহের এনার্জি বৃদ্ধি করে। এছাড়া নারকেল তেলের থাকা অ্যাসিড মস্তিষ্ক রিল্যাক্স করতে সাহায্য করে। তবে রান্নায় বিশুদ্ধ নারকেল তেল ব্যবহার করা উচিত।

৬। ব্যথা প্রশমিত করতে
জয়েন্টের ব্যথা কিংবা হাঁটু ব্যথাতে কুসুম গরম নারকেল তেল ম্যাসাজ করুন। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৭। ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে
ত্বক ময়েশ্চারাইজ করতে নারকেল ব্যবহার করা হয়। লোশন ব্যবহার না করে ত্বকে নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রিংকেল দূর করে দেয়।

৮। বলিরেখা দূর করতে
বলিরেখা এবং রিংকেল প্রতিরোধ করতে নারকেলের জুড়ি নেই। দিনে দুইবার ত্বকে নারকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান। এটি নিয়মিত করুন। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে।

স্মার্টফোন গরম হওয়া বন্ধে করণীয়

প্রযুক্তিনির্ভর এই যুগে প্রায় সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। তবে স্মার্টফোনের অন্যতম একটি সমস্যা হলো গরম হয়ে যাওয়া। তখন একটাই আতঙ্ক কাজ করে বেশির ভাগের মনে। ফোনটা ফেটে যাবে না তো! জেনে নিন ফোনের এই ব্যাটারি গরম হয়ে ওঠা বন্ধ করবেন কী করে-

১) রাতভর ফোন চার্জে দিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এর ফলে মোবাইল অত্যধিক গরম হয়ে যাওয়া ছাড়াও ব্যাটারির কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।
২) চার্জ দেওয়ার সময় ফোনের কভার অবশ্যই খুলে রাখুন। চার্জ দেওয়ার সময় ফোনে যে তাপ উৎপন্ন হয়, কভার থাকায় তা বেরতে পারে না। ফলে মোবাইল ফোন গরম হয়ে ওঠে।
৩) অন্য ফোনের ব্যাটারি বা অন্য ফোনের চার্জার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে হ্যান্ডসেট দ্রুত খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪) সরাসরি সূর্যালোকে মোবাইল ফোন দীর্ঘ ক্ষণ রাখবেন না। কারণ, সূর্যের আলো ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি করে।

৬) যে সব অ্যাপ চালালে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয় বা ফোন গরম হয়ে ওঠে, সেগুলো ফোন থেকে আনইনস্টল করে দেওয়াই ভাল।

এই শর্তগুলো না মানলে আপনার দোয়া কখনোই কবুল হবে না

আপনি আল্লাহ তা’য়ালার দরবারে দোয়া করলেন আর আল্লাহ তা’য়ালা আপনার সেই দোয়া কবুল করে নিলেন বিষয়টি কিন্তু এমন নয়। মূলত ৮টি শর্ত পূরণ না করলে মহান আল্লাহ তা’য়ালা কখনোই আপনার দোয়া কবুল করবেন না। তাই এখনই জেনে নিন, সেই ৮টি শর্ত।

১। মা-বাবার হক আদায় করা। যারা মা-বাবার অবাধ্য হয়, তাদের দোয়া কবুল হয় না। ২। হালাল উপায়ে জীবিকা অর্জন। খাদ্য-খাবার পোশাক পরিচ্ছদ সবকিছু হালাল আয়ের হতে হবে। ৩। সাধ্য অনুযায়ী আত্মীয়-স্বজনের হক আদায় করা। যারা আত্মীয় স্বজনের প্রতি লক্ষ রাখে না, তাদের হক আদায় করে না, তাদের দোয়া কবুল হয় না।

৪। কোনো মুসলমানের সাথে তিন দিনের বেশি কথা-বার্তা বন্ধ রাখা যাবে না। এ রকম লোকের দোয়া কবুল হয় না। এর দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে, মুসলমানের সাথে সু-সম্পর্ক থাকতে হবে। ৫। সাধ্য মতো ভালো কাজ করা ও করতে উৎসাহিত করা। হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘তোমরা মাথা উঁচু করে চিৎকার করতে থাক অথচ তোমাদের দোয়া কবুল হয় না। হবে কিভাবে? তোমাদের চোখের সামনে অনেক অন্যায় কাজ হয়, সাধ্য থাকা সত্ত্বেও তোমরা তাতে বাধা প্রদান করো না।

৬। গীবত বর্জন করা। গীবতকারীদের দোয়া কবুল হয় না। ৭। পরশ্রীকাতরতা অর্থাৎ অন্যের ভাল দেখে মনে মনে হিংসা লাগা এবং সেটা ধ্বংস হওয়ার কামনা করা অন্যায়। মনের এই হিংসা পরিত্যাগ করতে হবে। ৮। কৃপণতা বর্জন করতে হবে। যতটুকু ব্যয় করা প্রয়োজনব, সেখানেও ব্যয় না করে অর্থ জমা করে রাখার অভ্যাস বর্জন করতে হবে ।

আরো পড়ুন: মহানবী (সা.) এই ৭টি কাজ বিশেষভাবে করতে আদেশ করেছেন

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সঠিক সময়ে এবং নিয়মিত সালাত আদায়ের পাশাপাশি কিছু কাজ বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে করতে আদেশ করেছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মূলত ৭টি কাজ বিশেষভবে করতে আদেশ করেছেন। এ সম্পর্কে বুখারী শরীফ, তিরমিযী ও মুসলীম শরীফে স্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে।

আরবি হাদিস: وَعَنْ أَبي عُمَارَةَ البَرَاءِ بنِ عَازِبٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللهِ ﷺ بِسَبْعٍ: بِعِيَادَةِ المَرِيضِ، وَاتِّبَاعِ الجَنَائِزِ، وَتَشْمِيتِ العَاطِسِ، وَنَصْرِ الضَّعِيفِ، وَعَوْنِ المَظْلُومِ، وَإفْشَاءِ السَّلاَمِ، وَإبْرَارِ المُقسِمِ . متفقٌ عَلَيْهِ، هَذَا لفظ إحدى روايات البخاري

বাংলা হাদিস: আবূ উমারা বারা ইবনে আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাতটি (কর্ম করতে) আদেশ করেছেনঃ (১) রোগী দেখতে যাওয়া, (২) জানাযার অনুসরণ করা, (৩) হাঁচির জবাব দেওয়া, (৪) দুর্বলকে সাহায্য করা,

(৫) নির্যাতিত ব্যক্তির সাহায্য করা, (৬) সালাম প্রচার করা, এবং (৭) শপথকারীর শপথ পুরা করা। (বুখারি ১২৩৯, ২৪৪৫, ৫১৭৫, ৫৬৩৫, ৫৬৬০, ৫৮৩৮, ৫৮৪৯, ৫৮৬৩, ৬২২২, ৬২৩৫, ৬৬৫৪, মুসলিম ২০৬৬, তিরমিযি ১৭৬০, ২৮০৯) সূত্র: অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


সন্তানকে নামাজ পড়ার প্রতি উৎসাহিত করে তোলার কিছু কার্যকরী উপায় !!

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

আর এই কারণেই নামাজ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নামাজের মাধ্যমে আমরা নিজেদেরকে আল্লাহর সামনে পেশ করতে পারি। শিশু বয়স থেকে নামাজের অনুশীলন করলে পরবর্তী জীবনে এর বিরাট সুফল লাভ করা যায়। তাই পরিবারের অভিভাবকদের জ্ঞাতার্থে এমন কিছু উপায় উল্লেখ করা হলো, যার মাধ্যমে সন্তানকে নামাজ পড়ার প্রতি খুব সহজেই উৎসাহিত করতে পারবেন।

এক. শিশুরা সাধারণত মা-বাবার অনুকরণ করে থাকে। সুতরাং তাদেরকে দেখান যে আজান শুনার সাথে সাথে আপনি অজু করে নামাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মুসলিম মা-বাবা হিসেবে আপনি আপনার সন্তানের কাছে প্রথম উদাহরণ। আপনি যদি সবসময় ইবাদত-বন্দেগীকে অগ্রাধিকার দেন এবং এই ক্ষেত্রে কোন অলসতা বা অবহেলা না করেন তাহলেই আপনার সন্তান নামাজের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

দুই. আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে নামাজ শিক্ষা দাও, যখন তাদের বয়স থাকে সাত। আর যখন তারা দশ বছরে পৌঁছে যাবে তখন তোমারা তোমাদের সন্তানদেরকে নামাজের জন্য প্রহার করো। এবং তাদের বিছানা আলাদা করে দাও। (আবু দাউদ)

বুঝা গেল, যদিও সাত বছর বয়সে শিশুরা নামাজ আদায় করতে বাধ্য নয় কিন্তু তারা সাত বছর থেকে নামাজে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তরুণ হওয়ার পরেও নামাজের বিষয়ে অনাগ্রহী হবে না।

তিন. আপনার বাসায় যদি জায়গা থাকে তাহলে নামাজের জন্য একটি রুমকে নির্দিষ্ট করে রাখুন। আর যদি অতিরিক্ত জায়গা না থাকে তাহলে অন্তত একটি রুমের এক কোণায় সামান্য জায়গা নামাজের জন্য নির্ধারণ করে রাখুন। যাতে করে আপনার সন্তান বুঝতে পারে নামাজ পড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। যার কারণে একটা নির্দিষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে। আপনার সন্তানদেরকে শিক্ষা দিন যে, এটা শুধু নামাজের জন্য নির্ধারিত জায়গা। এই জায়গাকে সব সময় পরিষ্কার ও পবিত্র রাখতে হবে।

চার. ছোটরা চাক্ষুষ বিষয় ও পুরস্কারের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে। আপনার বাসায় ইসলামী ক্যালেন্ডার ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। এটা আপনার সন্তানদের প্রার্থনা করতে উৎসাহিত করবে। কেননা ইসলামী ক্যালেন্ডারটি আপনার সন্তানের চাক্ষুষ অনুস্মারক হিসাবে কাজ করবে। আর প্রতিটি শুক্রবার তাকে স্মরণ করিয়ে দিন।

পাঁচ. যখন আপনার সন্তানের বয়স সাত হয়ে যাবে তখন তাদেরকে নামাজের সময় শিক্ষা দিন। তাদের জীবনের এই নতুন অধ্যায়কে উৎসাহিত করার জন্য আপনার সন্তানের বন্ধুদের বাসায় আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে হিজাব, তাজবিহ অথবা আজান দেয় এমন এলার্ম ঘড়ি গিফট করুন।

ছয়. আল্লাহর বিষয়টি বোঝা ছাড়া, প্রার্থনা শুধু একটি অনুষ্ঠান হয়ে উঠবে এবং পালনকর্তার সাথে আধ্যাত্মিক এবং মানসিক সংযোগের অভাব হয়ে পড়বে। শৈশব থেকে আপনার সন্তানদের আল্লাহর বিষয়ে শিক্ষা দিন। আল্লাহ কীভাবে কীভাবে সবকিছু তৈরি করেছেন। তাদেরকে কি কি দিয়েছেন এবং তাদেরকে কীভাবে রক্ষা করবেন ইত্যাদি বিষয়ে তাদের সাথে কথা বলুন। এর মাধ্যমে আপনার সন্তানদের অন্তরে আল্লাহর প্রতি এক গভীর ভালোবাসা তৈরি হবে।

সাত. নবীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাসায় আলোচনা করুন। তাদের জীবনী পাঠ করুন এবং তাদের সিরাত নিয়ে কথা বলুন। এটা আপনার জীবনে দৈনিক একটা রুটিন বানিয়ে নিন। নবীদেরকে তাদের সামনে মডেল হিসেবে তুলে ধরুন। তাহলে তারা তার মতো হতে চেষ্টা করবে।

আট. এটা একটা নাটকীয় পরিবর্তন হতে পারে, যে একদমই নামাজ পড়ে না সে প্রতিদিন পাঁচওয়াক্ত নামাজ পড়ছে। তো শুরু হোক এই ছোট পরিবর্তন দিয়ে।

নয়. আমরা সব সময়ই চাই আমাদের সন্তানরা নামাজকে ভালোবাসুক। কিন্তু এমন সময়ও আসবে যে, তারা অলসতা করবে এবং নামাজ পড়তে চাইবে না। মা-বাবা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হবে তারা যেন সব সময়ই নামাজ পড়ে- সেই ব্যবস্থা করা। বিশেষত তাদের বয়স যখন দশ বছর হয়ে যায়। তখন নামাজ ছেড়ে দেওয়া কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। নামাজ পড়ার বিষয়টা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেলে কঠিন কিছু নয়।

দশ. নামাজের প্রতি অনুরাগ একটি ইতিবাচক মনোভাব। এটাকে উৎসাহিত করার একটি উপায় হচ্ছে, এটি নিয়ে একটি যৌথ অনুশীলন করতে হবে। প্রতিদিন পরিবারিকভাবে কমপক্ষে একবার নামাজ পড়ার চেষ্টা করুন। আপনার সন্তান যদি আজান দিতে সক্ষম হয় তাহলে তাকে আজান দেওয়ার দায়িত্ব দিন।

দেহকে দ্রুত সতেজ করতে ইফতারে রাখুন জুস

রোজায় যেকোনো প্রকার ফল বা সবজির জুস পান করা খুবই উপকারী। ইফতারে জুস দেহকে দ্রুত সতেজ করে। জুস থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যানজাইম আমাদের দেহে দ্রুত কাজ করে। কারণ, এই উপাদানগুলো দেহের অভ্যন্তরে আরো ক্ষুদ্র অংশে বিশ্লিষ্ট হওয়ার প্রয়োজন হয় না। রস গ্রহণের ২০ মিনিটের মধ্যে এর কার্যকারিতা শুরু হয়ে যায়। রস থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন সি ও কে আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে শর্করাজাতীয় খাদ্য খাওয়ার সার্বিক মাত্রা কমে যায় বলে ওজন কমায়ও রসজাতীয় খাবারের বিশেষ ভূমিকা আছে।

যেসব ফলের জুস খেতে পারেন-

তরমুজের জুস : দেহে পানির ঘাটতি পূরণ করার মাত্রা ৯২ ভাগ। এর মূল উপাদান পানি ও চিনি। এ ছাড়া আরো রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম। এরা একযোগে দেহে পানিশূন্যতা রোধে কাজ করে।

কমলার জুস : দেহে পানির ঘাটতি পূরণের মাত্রা ৮৭ ভাগ। এটি স্বাদে মিষ্টি এবং দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণের ক্ষমতা শতভাগের চেয়েও বেশি।

জামের জুস : এটি ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। জামের রস আমাদের ধমনীগাত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং রক্তে চিনির পরিমাণ স্বাভাবিক করে।

ডুমুরের জুস : রক্তচাপ নিম্ন রাখে। পরিপাক ক্রিয়া উন্নত করে, ওজন কমাতে সাহায্য করে।

আঙুরের জুস : এতে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার রিজভেরাট্রল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখে।

জাম্বুরার জুস : ৯০ ভাগ পানিশূন্যতা রোধ করে। এর লিমোনোইড্স নামক উপাদান দেহের বিষাক্ত উপাদানগুলো দূর করে ক্যানসারের টিউমারকে প্রতিরোধ করে।

আমের জুস : এই রস ভিটামিন এ, বি৬ ও সি-এর উৎকৃষ্ট উৎস। এ ছাড়া এই রস থেকে খাদ্য আঁশও পাওয়া যায়।

ডাবের পানি : পানিশূন্যতা রোধের মাত্রা ৯৫ ভাগ। এতে নিম্ন মাত্রায় সোডিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এই রস আমাদের দেহে সতেজ অনুভূতির সৃষ্টি করে।

রমজানে আমাদের দেহে পানিশূন্যতা সৃষ্টির যে আশঙ্কা থাকে, তা প্রতিরোধে ফল ও সবজির রসের জুড়ি নেই। তাই সুস্থ শরীরে রোজা পালনের জন্য প্রতিদিনের সেহরি ও ইফতারের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে একটি ফলের রস খাওয়া উচিত।


২০১৯-২০ বাজেটে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ‘শেখ হাসিনা নকশী পল্লী প্রকল্প’

আসছে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের বাজেটে অগ্রাধিকার পাচ্ছে ‘শেখ হাসিনা নকশী পল্লী প্রকল্প’। প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণে ৭০০ কোটি টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বরাদ্দ চেয়ে অর্থ সচিবকে আধা সরকারি (ডিও) পত্রও দিয়েছেন বস্ত্র ও পাট সচিব।

শেখ হাসিনা নকশী প্রকল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, নকশী, কারু ও তাঁত শিল্পীদের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পাটের গৌরব ফিরিয়ে আনাসহ পাটখাত সংস্কারের প্রস্তাবনা থাকছে মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেটে। এই সংস্কার কাজের মধ্যে থাকছে পাটকল করপোরেশনের অধীনে থাকা ৩টি মিল সুষমকরণ, আধুনিকায়ন, পুনর্বাসন ও বর্ধিতকরণ।

বস্ত্র ও পাট সচিব মো. মিজানুর রহমানবলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বস্ত্র ও পাটখাতকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পাটখাতের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে নানা উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের মন্ত্রণালয়ের বাজেটে আমরা কারু ও তাঁত শিল্পীদের জন্য ‘শেখ হাসিনা নকশী প্রকল্প’ এর ওপর জোর দিচ্ছি বেশি। এজন্য আগামী বাজেটে উন্নয়ন খাতের সিলিং (অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত বরাদ্দ সীমানা) ৭০০ কোটি টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।’

অর্থ বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো ডিও লেটারে বলা হয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন ও শেখ হাসিনা নকশী পল্লী জামালপুর প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ ও ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ করতে হবে। এজন্য, আগামী অর্থবছরের বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় সীমা ৭০০ কোটি টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার সুপারিশ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, শেখ হাসিনা নকশী পল্লী প্রকল্পকে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। এ প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে মূলত নকশী ও তাঁত শিল্পীদের দারিদ্র্য বিমোচন, জীবনযাত্রা ও উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য। এজন্য সার্ভিস সেন্টার ও ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপন করা হবে। গত ১২ মার্চ একনেকে এ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।

৭২২ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২১ সালের ১ মার্চ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে জামালপুর সদর উপজেলায় ৩০০ একর জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাসজমি প্রায় ৮৯ একর এবং বাকিটা ব্যক্তি মালিকানাধীন। যা পর্যায়ক্রমে অধিগ্রহণ করা হবে।

প্রকল্পের জমির মূল্য ধরা হয়েছে ৫৮১ কোটি টাকা এবং ভূমি উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা।

ডিও লেটারে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩০টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জুন মাসে ২টি প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। অসমাপ্ত বাকি ২৮টি প্রকল্প আগামী অর্থবছরের নতুন এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এসব প্রকল্প ছাড়াও চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) আরও চারটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে, আগামী অর্থবছরে এডিপিতে নতুন প্রকল্পের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩২টি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, পাটকলে লোকসানের পরিমাণ কমিয়ে আনতেও বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১৪টি পাটকল সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে পরিচালনার একটি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি পাটশিল্পের উন্নয়নে প্রয়োজনে ভর্তুকি এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে।

পাট মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, নকশী প্রকল্প ছাড়া আগামী বাজেটে পাটখাতের উন্নয়নে মধ্যমেয়াদী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। মধ্যমেয়াদী সংস্কারের মধ্যে থাকছে- পাটকল করপোরেশনের আওতাধীন ৩টি মিল সুষমকরণ, আধুনিকায়ন, পুনর্বাসন ও বর্ধিতকরণ। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭৪ কোটি টাকা। এছাড়া একহাজার ২৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে পাট খাত থেকে ‘ভিসকোস’ উৎপাদন প্ল্যান্ট প্রকল্প নেওয়া হবে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, সংস্কারের আওতায় ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এগুলো হচ্ছে করিম জুট মিলস ও দৌলতপুর জুট মিলসে ফেল্ট কারখানা স্থাপন এবং কেএফডি মিলসের বহুমুখী ইউনিটের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন কার্যক্রম।

এদিকে অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের জন্য প্রাথমিক সিলিং নির্ধারণ করা হয়েছিলো ৭৮২ কোটি ৩০ লাখ টাকা। এর মধ্যে উন্নয়ন ব্যয় হচ্ছে ৫৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। তবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে আগামী অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৯৮১ কোটি টাকা প্রয়োজন।

উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য এর আগেও অর্থ বিভাগকে একটি পত্র দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি জানান, পত্র পাওয়ার পর অর্থ বিভাগ ১৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ বাড়িয়ে উন্নয়ন ব্যয় ৬০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। কিন্তু তারপরও উন্নয়ন কাজ শেষ হবে না। এজন্য উন্নয়ন ব্যয়ের সিলিং ৭০০ কোটি টাকা নির্ধারণের জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় থেকে সুপারিশ করা হয়েছে।

যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তসমূহ

ইসলামের ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে যাকাত অন্যতম। যাকাতের আভিধানিক অর্থ পরিশুদ্ধ হওয়া,বৃদ্ধি পাওয়া। আল্লাহ তাআলা কুরআন মাজিদে ৮২ স্থানে নামাজের সাথে সাথে যাকাতের কথা উল্লেখ করেছেন। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, দৈহিক ইবাদত হিসেবে নামাজ যেমন খুবই জরুরি, তেমনি আর্থিক ইবাদত হিসেবে যাকাতও খুবই জরুরি।

ইসলামে প্রতিটি অবস্থাপন্ন মুমিনের জন্য যাকাত আদায় একটি অবশ্য কর্তব্য বা ফরজ বলে বিবেচিত। যাকাত আদায় যাদের জন্য ফরজ তারা তা আদায় না করলে পরকালে তাদের কঠিন সাজার সম্মুখীন হতে হবে। ইসলামী বিধান অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পদ বা সঞ্চয় থাকলে যাকাত আদায় বাধ্যতামূলক। সাধারণত দরিদ্র আত্দীয় স্বজন, দুস্থজন যাকাতের প্রধান দাবিদার।

যাকাতের হক্বদার প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘য়ালা ইরশাদ করেন: “এ সদকা (যাকাত) তো ফকির-মিসকিনদের জন্য, যারা সদকার কাজে নিয়োজিত তাদের জন্য, যাদের মন জয় করা উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্থদের জন্যে, আল্লাহর পথে এবং মুসাফেরদের জন্যে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে ফরয বিধান এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ প্রজ্ঞাময়। (সূরা তাওবাহ-৬০)

যাকাত ফরজ হবার কিছু শর্ত রয়েছে সেগুলো তুলে ধরা হলো।

যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তসমূহ :

১. নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হওয়া। অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ, বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা,কিংবা সমপরিমাণ মূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসার মালের মালিক হওয়া।

২. মুসলমান হওয়া। কাফেরের উপর যাকাত ফরজ নয়।

৩. বালেগ হওয়া। নাবালেগের উপর যাকাত ফরজ নয়।

৪. জ্ঞানী ও বিবেক সম্পন্ন হওয়া। সর্বদা যে পাগল থাকে তার নেসাব পরিমাণ মাল থাকলেও তার উপর যাকাত ফরজ নয়।

৫. স্বাধীন বা মুক্ত হওয়া। দাস-দাসীর উপর যাকাত ফরজ নয়।

৬. মালের উপর পূর্ণ মালিকানা থাকা। অসম্পূর্ণ মালিকানার উপর যাকাত ফরজ হয় না।

৭. নেসাব পরিমাণ মাল নিত্য প্রয়োজনীয় সম্পদের অতিরিক্ত হওয়া।

৮. নেসাব পরিমাণ মালের উপর এক বছর অতিবাহিত হওয়া।

৯. মাল বর্ধনশীল হওয়া। যাকাতের ফজিলত, আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা যা কিছু (আল্লাহর রাস্তায়) ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দান করবেন। আর তিনিই উত্তম রিজিকদাতা। (সুরা সাবা,আয়াত:৩৯)

মিষ্টি আলু’র উপকারিতা
গোল আলুর সকল স্বাস্থ্য উপকারিতাই মিষ্টি আলুতে রয়েছে এবং এছাড়াও মিষ্টি আলু আরো কিছু উপকার করে। মিষ্টি আলু বিভিন্ন রঙের হয়ে থাকে এবং তা পুষ্টিতে ভরপুর। এটি আপনার হার্ট ও ত্বকের স্বাস্থ্য উন্নত করে, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষিত রাখে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

মিষ্টি আলুর পুষ্টি উপকারিতা কী?
সকল আলু পুষ্টিতে সমৃদ্ধ এবং আপনার জন্য স্বাস্থ্যকর, বলেন নিউ ইয়র্কে অবস্থিত বিজেড নিউট্রিশনের স্বত্ত্বাধিকারী ও ডায়েটিশিয়ান ব্রিজিটি জিটলিন। কিন্তু মিষ্টি আলুতে (কমলা, হলুদ ও পার্পল রঙের মিষ্টি আলু) গোল আলুর তুলনায় কম ক্যালরি ও কার্বোহাইড্রেট থাকে। মিষ্টি আলুতে উচ্চ মাত্রায় ‘ভিটামিন এ’ থাকে। ‘ভিটামিন এ’ হচ্ছে একটি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা ইমিউনিটি বৃদ্ধি করে এবং সুস্থ ত্বক ও দৃষ্টি বজায় রাখতে সাহায্য করে। একটি মিষ্টি আলু আপনাকে দৈনিক সুপারিশকৃত ১০০ শতাংশের বেশি ভিটামিন এ সরবরাহ করে, ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার অনুসারে।

মিষ্টি আলুতে প্রচুর ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে হার্টের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া একটি মিষ্টি আলুতে প্রায় চার গ্রাম উদ্ভিজ্জ ফাইবার রয়েছে, যা আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়, যেমন- টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ কোলেস্টেরল।

মিষ্টি আলুতে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট থাকে?
স্টার্চি রুট ভেজিটেবল হিসেবে মিষ্টি আলুতে নন-স্টার্চি ভেজিটেবলের (যেমন- ব্রকলি) চেয়ে বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে। অর্ধ বাটি মিষ্টি আলুতে প্রায় ১৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে, যেখানে সমপরিমাণ ব্রকলিতে থাকে প্রায় ৩ গ্রাম। কিন্তু এটি হতে পারে মিষ্টি আলু খাওয়ার অন্যতম কারণ, ভয় পাওয়ার নয়। নন-স্টার্চি সবজির তুলনায় মিষ্টি আলু বেশি শক্তির যোগান দেয়, যে কারণে এটি দৈনন্দিন কার্যক্রম ও অ্যাথলেটিক পারফরম্যান্সের জন্য একটি ব্যতিক্রমী জ্বালানি উৎস। সারকথা হচ্ছে, সকল শাকসবজিই আপনার ডায়েটে যুক্ত করার মতো স্বাস্থ্যকর অপশন এবং তারা বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সরবরাহ করে থাকে, বলেন জিটলিন।

মিষ্টি আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় কি?
কেনার সময় গাঢ় রঙের মিষ্টি আলু কিনুন। কিছু গবেষণায় পাওয়া গেছে, মিষ্টি আলুর রঙ (এটি কমলা, হলুদ অথবা পার্পল যে রঙেরই হোক না কেন) যত বেশি গাঢ় হবে, পুষ্টিগুণ তত বেশি হবে। খোসা ছাড়িয়ে মিষ্টি আলু খাবেন না। সব ধরনের আলু খাওয়ার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হচ্ছে খোসাসহ খাওয়া, কারণ এতে প্রচুর ফাইবার থাকে, বলেন জিটলিন। খোসায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও থাকে।

মিষ্টি আলু রান্নার সর্বোত্তম উপায়?
আপনি স্টিমিং, রোস্টিং, বেকিং অথবা বয়েলিং যেভাবেই মিষ্টি আলু খান না কেন, পুষ্টি পাবেন। তাই মিষ্টি আলু প্রস্তুতের সকল পদ্ধতিই পুষ্টিকর। আপনি সয়ামিল্ক, প্রোটিন পাউডার ও দারুচিনিসহ স্মুদিতে মিষ্টি আলু মেশাতে পারেন অথবা মিষ্টি আলু ব্লেন্ড করে স্যূপে যোগ করতে পারেন। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ ডেজার্ট হিসেবে মিষ্টি আলুর ভর্তা চমৎকার: এতে মধু যোগ করুন এবং আখরোট ছিটান। মিষ্টি আলুকে বেশিক্ষণ রান্না করবেন না, কারণ দীর্ঘক্ষণ রান্না করলে পুষ্টিগুণ কমে যায়। ফ্যাটের কথা ভুলে যাবেন না। ভিটামিন এ এর মতো ফ্যাট-সলিউবল ভিটামিন ফ্যাট সোর্সের সঙ্গে ভালোভাবে শোষিত হয়, তাই মিষ্টি আলুর সঙ্গে অল্প পরিমাণে ফ্যাট খান। মিষ্টি আলুর সঙ্গে ফ্যাট সমন্বয়ের একটি স্বাস্থ্যসম্মত অপশন হচ্ছে অলিভ অয়েল- বেকিংয়ের পূর্বে মিষ্টি আলুর ওপর অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল ছিটাতে পারেন। অন্য একটি উপায় হচ্ছে অ্যাভোক্যাডো, পিক্যান অথবা আখরোটের পাশাপাশি মিষ্টি আলু খাওয়া।

পানিশূন্যতা দূর করবে যে ১০টি খাবার
জীবন ধারনের জন্য পানি অপরিহার্য। শরীরে পানির ঘাটতি হলে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এমনকি কখনো কখনো তা জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। শরীরে পানির চাহিদা পূরনের জন্য শুধু যে পানি, স্যালাইন বা অন্যান্য তরল জাতীয় খাবারই খেতে হবে এমন কোন কথা নেই। বরং প্রচলিত বেশ কিছু খাবারই যথেষ্ট পরিমাণ পানির উৎস হিসাবে ভূমিকা রাখে।

সাধারনত আমাদের দৈনিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পানি আসে খাবার থেকে। অথচ অনেক সময়ই আমরা তা খেয়াল করি না। এসব খাবারের বড় সুবিধা হচ্ছে, খাবার থেকে দেহে পানি শোষণে বেশ কিছু সময় লাগে। অর্থাৎ খাবার থেকে ধীরে ধীরে পানি শোষিত হয়। এর ফলে খাদ্য উপাদানগুলো এই পানির সাথে খুব সহজে শরীরে কাজ করতে পারে। আমাদের শারীরিক সুস্থতার জন্য এটা খুবই জরুরী। চলুন, জেনে নেয়া যাক কোন খাবারগুলো পানিশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

শসা: শসার ৯৫ শতাংশই পানি, আর এর ক্যালরী খুবই কম। শসার আরো কিছু উপকারী দিক আছে। যেমন: যেকোন প্রদাহ বা ব্যথায় এটি দ্রুত সুস্থতা এনে দিতে পারে। এছাড়া বয়সের ছাপ দূর করতে শসার উপকারিতা অপরিসীম। মনে রাখতে হবে, মুখে মাখার চেয়ে শসা খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। বিশেষ করে সালাদ হিসেবে শসা অতুলনীয়।

গাজর: সুস্বাদু ও পুষ্টিকর গাজরের অধিকাংশটাই পানিপূর্ণ। দেখা যায়, এর প্রায় ৯০ শতাংশই পানি। এছাড়া গাজর খুব উচ্চ পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার। গাজরে প্রচুর পরিমানে বিটা-ক্যারোটিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি হৃদপিন্ডের জন্যেও উপকারী। গাজর সরাসরি, তরকারীর সাথে কিংবা সালাদ হিসেবে খেতে পারেন।

বাঁধাকপি: বাঁধাকপির ৯৫ শতাংশই পানি, এছাড়াও অন্যান্য নিউট্রিয়েন্ট উপস্থিত আছে। বাধাকপিতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার আছে যা আপনার পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। এছাড়াও বাধাকপিতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ম্যগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে, যা আপনার সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরী।

পালং শাক: শাক হিসেবে পালং শাক বেশ জনপ্রিয়। পালং শাকেও প্রচুর পরিমাণে পানি বিদ্যমান। এছাড়া পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে, ফলিক এসিড, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো শরীরের যেকোন প্রদাহ ও ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে।

বাংলা সাহিত্যের যে ১০টি কালজয়ী উপন্যাস না পড়লেই নয়!

হাজার বছর ধরে, কবি, লালসালু, পথের পাঁচালী, চিলেকোঠার সেপাই, ক্রীতদাসের হাসি, পদ্মানদীর মাঝি, সংশপ্তক, সূর্য দীঘল বাড়ী, পথের দাবি

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ

যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ এবং পরবর্তী সময়ে কাজা আদায় করতে হয়

১. অসুস্থতার কারণে রোজা রাখার শক্তি না থাকলে কিংবা রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলে অথবা সুস্থতা লাভে বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ।

২. অন্তঃসত্ত্বা নারী ও স্তন্যদানকারিণী নারী যদি রোজা রাখেন, আর এতে যদি তার কিংবা সন্তানের প্রাণনাশের কিংবা অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে, তা হলে তার জন্য রোজা ভঙ্গ করা জায়েজ।

৩. মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখা কিংবা ভঙ্গ করার অনুমতি আছে।

আমি আল্লাহকে সবচেয়ে ভয় পাই। তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না। - শেখ সাদী
**********************************************
সম্পদ বলে- আমাকে উপার্জন করো,বাকী সব কিছু ভুলে যাও
ভবিষ্যত বলে- আমার জন্য সংগ্রাম করো,বাকী সব কিছু ভুলে যাও
সময় বলে- আমাকে অনুসরন করো,বাকী সব কিছু ভুলে যাও
আল্লাহ বলেন- শুধু আমাকে স্বরন করো,বাকী সব কিছু আমি দেব।

হিজরি নবম মাস রমাদান। উর্দু, ফারসি, হিন্দি ও বাংলা উচ্চারণে এটি হয় রমজান। রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে বহু প্রতিক্ষিত এই মাহে রমজান। রমজানে ক্ষুধা-তৃষ্ণায়, পাপতাপ পুড়ে ছাই হয়ে রোজাদার নিষ্পাপ হয়ে যায়। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি সবল মুসলমানের জন্য রমজানে রোজা পালন বাধ্যতামূলক। নিচে রোজা রাখা ও ইফতারের নিয়ত উল্লেখ করা হলো।

রোজা রাখার নিয়ত:
نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم

(নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিং শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম)

অর্থ: হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

রোজার বাংলা নিয়তঃ
হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।

ইফতারের দোয়া:

(আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আ'লা রিজক্বিকা ওয়া আফতারতু বি রাহমাতিকা ইয়া আর্ হামার রা-হিমীন।)

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।

ইফতারের বাংলা দোয়াঃ
হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার আরম্ভ করছি। তারপর "বিসমিল্লাহি ওয়া'আলা বারাকাতিল্লাহ" বলে ইফতার করা।

সামান্য পুণ্যকাজও বদলে দিতে পারে জীবন
রমজান মাস চলছে। আত্মশুদ্ধির মাস। নিজেকে পরিশুদ্ধ করার অপার সুযোগ রয়েছে এ মাসে। সমাজের সাধারণ একজন মুসলিমও এ মাসে নিজের কিছুটা আত্মশুদ্ধিতার জন্য সচেষ্ট হয়। যারা শুক্রবার ব্যতীত কখনও মসজিদে আসে না, তারাও চেষ্টা করে দিনে দু-একবার হলেও মসজিদে এসে নামাজ আদায়ের। নিয়মিত রমজানের রোজা রাখার চেষ্টা করেন প্রায় সবাই। এ প্রচেষ্টা আত্মশুদ্ধিতার পথে মানুষকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যায়।
যারা ধর্ম বিষয়ে সহানুভূতিশীল, যারা প্র্যাকটিসিং মুসলিম; তাদের উচিত এসব কম আমলের মানুষদের সকল পুণ্যকাজে উৎসাহ প্রদান করা। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, আমরা যারা নিয়মিত ধর্ম-কর্ম করি তারা এমন মৌসুমি আমলকারী ব্যক্তিদের খানিকটা তাচ্ছিল্যভরা দৃষ্টিতে দেখি। আবার দেখা যায়, যারা রোজা রাখে কিন্তু সময়মতো নামাজ পড়তে পারে না, তাদের বলি, নামাজ না পড়ে রোজা রেখে কী হবে?

এমনটা করা ঠিক নয়। এটা রমজান মাস, হতে পারে এ মাস থেকেই তার জীবনে শুদ্ধতার নতুন যাত্রা শুরু হবে। সারা দিনের উপবাসের মাধ্যমেও তার জীবনের গতিধারা আমূল পরিবর্তন হতে পারে। সে দিনমান উপবাস থাকছে, এটাও সাধারণ বিষয় নয়। তার ভেতরে আল্লাহর ভয় আছে বলেই সে ষোল ঘণ্টা না খেয়ে রোজা রাখছে। ইফতার করার সময় তার হৃদয়ও ধর্মের আবেগে আপ্লুত হয়। ইফতার সামনে নিয়ে যখন সে আজানের অপেক্ষায় বসে থাকে, তখন আল্লাহও তার দিকে অনুগ্রহের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন। আল্লাহর কোনও বান্দাই আল্লাহর রহমতের বাইরে নয়। তিনি সকলের জন্য সমান দয়াশীল ও মেহেরবান।



সামান্য একটু পুণ্যকাজও আল্লাহর নিকট ফেলনা নয়। সামান্য পুণ্যকাজ আল্লাহর কাছে হতে পারে অনেক মূল্যবান, যদি কোনও মানুষ হৃদয়ের ভালোবাসা দিয়ে সে পুণ্যকাজে শরিক হয়। যারা প্র্যাকটিসিং মুসলিম তাদের উচিত, এই রমজান মাসে এমন মুসলিমদের ব্যাপারে অধিক পরিমাণে যত্নবান হওয়া। তাদের ছোট ছোট পুণ্যকাজে বেশি বেশি উৎসাহ প্রদান করা, তারা যতটুকু আমল করতে পারে সেটুকু আমলের ফজিলত তাদের সামনে বড় করে তুলে ধরা। ছোট আমলে এমন সওয়াব, যদি সে আরও বেশি আমল করতে পারে তাহলে আরও অনেক সওয়াবের অধিকারী সে হতে পারবে-এভাবে তাদের মনে আমলের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করতে হবে।

কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট বলেছেন,

فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ

‘(পরকালে) অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে।’ (সুরা যিলযাল : আয়াত ৭)

একজন সত্যিকারের মুসলিম হিসেবে আপনার-আমার সবার কাজ হলো, মানুষকে ধর্মের পথে সহনশীলতার সঙ্গে আহ্বান করা। কারো আমলকে খাটো করে দেখা, কারো সামান্য পুণ্যকাজকে তাচ্ছিল্য করা, ধর্মের পথে কারো ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে অহেতুক বলে হেয় করা একজন মুসলিম হিসেবে আপনার কাছে অপর মুসলিম কখনোই কামনা করে না।

কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَلْتَكُن مِّنكُمْ أُمَّةٌ يَدْعُونَ إِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ

‘আর তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা উচিত, যারা আহ্বান জানাবে সৎকর্মের প্রতি, নির্দেশ দেবে ভালো কাজের এবং বারণ করবে অন্যায় কাজ থেকে, আর তারাই হলো সফলকাম।’ (সুরা আলে ইমরান : আয়াত ১০৪)

রমজানের প্রতিটি দিন আমাদের জন্য হেদায়েত এবং আত্মশুদ্ধির পসরা সাজিয়ে বসে আছে। প্রতিদিন শুদ্ধতা আমাদের ডাকছে শুভ্র জীবনের দিকে, আমাদের সকলকে। এই শুভ্রতার পথে এক মুসলিম অপর মুসলিমের হাত ধরে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই উম্মতে মুহাম্মদির প্রতিটি মুসলিমই হেদায়েতের জামিনদার, মানুষকে হেদায়েতের পথে ডাকার জন্য সবাই সমান হকদার। এ দায়িত্ব আমাদের সকলের। এটাই প্রকৃত মুসলিমের পরিচয়।

এ পরিচয়ের কথাই আল্লাহ কুরআনে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন,

وَالْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاء بَعْضٍ يَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَيُقِيمُونَ الصَّلاَةَ وَيُؤْتُونَ الزَّكَاةَ وَيُطِيعُونَ اللّهَ وَرَسُولَهُ أُوْلَـئِكَ سَيَرْحَمُهُمُ اللّهُ إِنَّ اللّهَ عَزِيزٌ حَكِيمٌ

‘আর ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী একে অপরের সহায়ক। তারা ভালো কথার শিক্ষা দেয় এবং মন্দ থেকে বিরত রাখে। নামাজ প্রতিষ্ঠা করে, জাকাত দেয় এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের নির্দেশ অনুযায়ী জীবনযাপন করে। এদের ওপরই আল্লাহ তাআলা অনুগ্রহ করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ পরাক্রমশীল, সুকৌশলী।’ (সুরা তওবা : আয়াত ৭১)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের এমন মহান দিনগুলোতে শুভ্রতার আলোয় আলোকিত করুন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদ সংকেতের অর্থ
প্রাকৃতিক দুর্যোগে আবহাওয়া অধিদফতর থেকে বিপদ সংকেত জানানো হয়। বিপদ সংকেতের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয় বা দুর্যোগের ভয়াবহতা সম্পর্কে সজাগ করা হয়। আমরা কি জানি, কত নম্বরের ভয়াবহতা কেমন? আসুন জেনে নেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপদ সংকেতের অর্থ।

১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত : বঙ্গোপসাগরের কোন একটা অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া বইছে। সেখানে ঝড় সৃষ্টি হতে পারে। এর নিশানা একটি লাল পতাকা।

২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত : সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হয়েছে।

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত : সমুদ্র বা নৌ বন্দর দমকা হাওয়ার সম্মুখীন হতে যাচ্ছে। এর নিশানা দুইটি লাল পতাকা।

৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত : সমুদ্র বা নৌ বন্দর ঝড়ের সম্মুখীন হচ্ছে। তবে বিপদের আশঙ্কা এমন নয় যে, চরম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৫ নম্বর বিপদ সংকেত : অল্প বা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সমুদ্রবন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে।

৬ নম্বর বিপদ সংকেত : অল্প বা মাঝারী ধরনের ঝড় হবে। আবহাওয়া দুযোগপূর্ণ থাকবে। ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে।

৭ নম্বর বিপদ সংকেত : অল্প অথবা মাঝারী ধরনের ঘূর্ণিঝড় হবে। এজন্য আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি সমুদ্রবন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর নিশানা থাকবে তিনটি লাল পতাকা।

৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় হবে এবং বন্দরের আবহাওয়া খুবই দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষিণ দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে মংলা বন্দরের বেলায় পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করতে পারে।
৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম বন্দরের উত্তর দিক দিয়ে উপকূল অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। তবে মংলা বন্দরের বেলায় পশ্চিম দিক দিয়ে অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরের আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ থাকবে। ঘূর্ণিঝড়টির বন্দরের খুব কাছ দিয়ে অথবা উপর দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ctg

১১ নম্বর মহাবিপদ সংকেত : এটা যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার সংকেত। ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় অধিকর্তার বিবেচনায় চরম প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

দুধে ভাতে নয়, আমার মা বোন থাকুক নিরাপদে


পত্রিকার পাতা খুললেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। এখানে, ওখানে হরদম পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে আমার মা, বোন, বান্ধবী।
দুদিন এসব নিয়ে সবাই মাতামাতি করে, মানববন্ধন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, লাঠি কিংবা মশাল মিছিল তারপর আবার চুপ, যে যার মতো। এটা যেন আমার নিত্যকার অভ্যাস হয়ে উঠছে।

লাভের লাভ কিছুই হয় না। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে বেরিয়ে যায় অপরাধী। শুধু কেউ হারায় তনু, নুসরাত, হাসির মতো মা, বোন, কিংবা মেয়ে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারাদেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের মামলা হয়েছে এক হাজার ১৩৯টি এবং হত্যা মামলা হয়েছে ৩৫১টি।

বেসরকারি সংগঠন 'মানুষের জন্য' ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলের মাসের প্রথম ১৫ দিনে সারা দেশে ৪৭ জন শিশু পাশবিক নির্যাতন চেষ্টা ও যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। যাদের ৪৭ জনের মধ্যে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয় ৩৯ জন।

সম্প্রতি, রংপুরে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক, ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে অধ্যক্ষ এবং ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১২) চিকিৎসকের দ্বারা পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়।

এছাড়া মসজিদের ইমামও শিশুর উপর পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে এমন খবর গণমাধ্যমে পেয়েছি।

সবার কাছে আমার প্রশ্ন মসজিদ, স্কুল, কলেজে যখন আমার বোন নিরাপদ নয় তাহলে কোথায় নিরাপদ? উত্তর আছে কি?

টাঙ্গাইলে পার্কে ঘুরতে এসে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এক নারী। ঘটনাটি খুব দাগ কাটে মনে, মাঝে মাঝে মনে হয় এ কেমন দেশে জন্মেছি। যেখানে নারীর স্বাধীনতা চার দেওয়ালে বন্দি।

হে রাষ্ট্র আমি চাই না আমার মা, বোন দুধে ভাতে থাকুক। আমি শুধু চাই তারা নিরাপদে থাকুক।

এখন থেকেই শুরু হোক রমজানের প্রস্তুতি

ভাল তো সবাই

বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগ হয়েছে? উত্তর : বগুড়ায়।

Hi Friend

hellow

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2340 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)