About Md Amdadul Islam Khan

যে ৭ কাজ করলে রোজা হবে না

রমজানের রোজা মুসলমানের জন্য ফরজ ইবাদত। আল্লাহ তাআলা এ ইবাদতকে যুগে যুগে সব জাতির ওপরই ফরজ করেছিলেন। আর এ রোজার মাধ্যমেই মানুষ তাকওয়াবান হবে।

অনেকেই জানে না যে, কী কাজ করলে রোজা ভেঙে যাবে? কিংবা রোজা রেখে কি কি কাজ করা যাবে না, তাও অনেকে জানে না। সে লক্ষ্যেই উল্লেখ করা জরুরি- ‘যেসব কাজ করলে রোজা ভেঙে যাবে’।

শুরুতেই রোজা পরিচয় জেনে নেয়া দরকার। আর তাহলো-
‘সূর্যোদয়ের আগে (ভোর রাত) থেকে সূর্য ডোবা (সন্ধ্যা) পর্যন্ত নিয়তসহ খাওয়া-পান করা এবং স্ত্রীর সঙ্গে মেলামেশা থেকে বিরত থাকার নাম হচ্ছে সিয়াম বা রোজা।’

রোজার এ পরিচয় থেকে বুঝা যায় যে, সেসব লোকের রোজা ভেঙে যাবে; যদি-
– কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো কিছু খায়
– কেউ ইচ্ছা করে পান করে
– আবার কেউ যদি স্ত্রীর সঙ্গে দিনের বেলায় মেলামেশা এবং বীর্জপাত হয় তবে তার রোজা ভেঙে যাবে।
– কেউ ইচ্ছা করে বমি করলে।
– কেউ যদি হস্তমৈথুন করে, আর তাতে বীর্জপাত হয়।
– দিনের বেলায় হিজামা বা সিঙ্গা লাগালে, আর তাতে চায়ের কাপ পরিমাণ রক্ত বের হয়।
– ধূমপান করলেও রোজা ভেঙে যাবে।

ইচ্ছা করে কেউ যদি এ সাতটি কাজ করে তবে তাদের রোজা ভেঙে যাবে। আর এ কাজে ওই ব্যক্তির জন্য রোজার কাজা ও কাফফারা আদায় করতে হবে।

এ রোজার কাফফারা হলো- একটি রোজার জন্য লাগাতার ৬০টি রোজা রাখতে হবে। এর মধ্যে যদি কেউ রোজা ভেঙে ফেলে তবে তাকে পুনরায় আবার ৬০টি রোজা রাখা শুরু করতে হবে।

আর কেউ যদি ইচ্ছা করে একটা রোজা ভেঙে ফেলেছেন কিন্তু এখন একাধারে ৬০টি রোজা রাখা সম্ভব নয়; অসুস্থ। তবে তার কী করণীয়?

সে ক্ষেত্রে কাফফারা হলো- ৬০জন মিসকিনকে একবেলা খাবার খাওয়াবে। আর তাতে ওই ব্যক্তির রোজার কাফফারা আদায় হয়ে যাবে।

একটা কথা মনে রাখতে হবে-
রমজানের রোজা পালনের যে মর্যাদা ও ফজিলত। কাফফারা আদায়কালে সে রোজার মর্যাদা ও ফজিলত রমজানের রোজার মতো নয়। তাই ইচ্ছা করে রমজানের রোজা ভেঙে ফেলার কোনো সুযোগই নেই। এ কাজগুলো থেকে বিরত থাকা জরুরি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রোজার সময় বিশেষ করে রমজানের দিনের বেলায় উল্লেখিত ৭টি কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিশ্বকাপ জিতবে কে? জ্যোতিষীর গণনায় বেরিয়ে এসেছে

২০১৯ বিশ্বকাপ দরজায় দাঁড়িয়ে। এবারের বিশ্বকাপে ফেবারিট কে কিংবা কাদের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা প্রবল এ নিয়ে হিসেব নিকেশ শুরু হয়ে গেছে ইতোমধ্যে। যার যার দিক থেকে তারা হিসেব করছেন। যেমন একটা হিসেব কষে ফেললেন ভারতের মুম্বাইভিত্তিক বিখ্যাত জ্যোতিষী গ্রিনস্টোন লোবো।

এই লোবোই কদিন আগে ভারতের ক্রিকেট সমর্থকদের মন ভাঙার মতো এক খবর দিয়েছেন। তিনি হিসেব কষে বের করেছেন, বিরাট কোহলির দলের এবার বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা নেই। কারণ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য অধিনায়ক কোহলির জন্মসালের সঙ্গে যে গ্রহ-নক্ষত্রের অনুকূলে থাকার কথা ছিল, সেগুলো নেই।

ভারত যদি না-ই জিতে, তবে জিতবে কোন দল? সেটিও লোবো গণনা করে বের করে এনেছেন। এই গণনাটা তিনি করেছেন, বিশ্বকাপ দলের অধিনায়কদের জন্মসালের উপর ভিত্তি করে।

লোবোর হিসেব মতে, এবারের বিশ্বকাপ যে দল জিতবে তাদের অধিনায়কের জন্ম ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সালের মধ্যে হতে হবে। এই সময়টায় ইউরেনাস এবং নেপচুন সবচেয়ে শক্তিশালি অবস্থানে ছিল।

এবারের বিশ্বকাপে দলগুলোর অধিনায়কের মধ্যে এই সময়ে জন্ম নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ, ইংল্যান্ডের ইয়ন মরগান আর পাকিস্তানের সরফরাজ আহমেদ।

তবে লোবো মনে করছেন, এর মধ্যে সরফরাজকে বাদ দিতে হবে। কারণ পাকিস্তান অধিনায়ক ইতোমধ্যেই বড় একটি ট্রফি জিতে ফেলেছেন (২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি)।

তাহলে এবার বিশ্বকাপটা হাতে তুলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া কিংবা ইংল্যান্ড। এই দুই দলের মধ্যে আবার ভালো অবস্থানে আছে ইংল্যান্ড। কেননা অস্ট্রেলিয়া দলে গত বিশ্বকাপজয়ী দলের পাঁচজন সদস্য আছে, এটা তাদের ভাগ্যের বিপক্ষে যেতে পারে।

সেক্ষেত্রে ইংল্যান্ডের ইয়ন মরগান আছেন গ্রহ-নক্ষত্রের হিসেবে এগিয়ে। আসলে লোবো বিশ্বাস করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হবে স্বাগতিক দলই।

ভারতের তবে কি হবে? কোনো সম্ভাবনাই নেই? নিজের দেশের একটা উপায় দেখছেন লোবো। তার মতে, যদি কোহলি কোনো কারণে ইনজুরিতে পড়ে যান, তবে নেতৃত্ব দেবেন রোহিত। তখন ভারতের বিশ্বকাপ জেতার সম্ভাবনা থাকবে। কেননা রোহিতের জন্মসাল গ্রহ-নক্ষত্রের অনুকূলে।

আর বিশ্বকাপে পাকিস্তান-ভারত লড়াইয়ের মধ্যেও বরাবরের মতো ভারতই জিতবে বলে ভবিষ্যতবাণী করেছেন মুম্বাই ভিত্তিক এই জ্যোতিষী। দেখা যাক, তার গণনা কতটুকু সত্য হয়!

হিট স্ট্রোক হলে তাৎক্ষণিক করণীয়

ডা. সজল আশফাক : দাবদাহে দেশের মানুষ এখন মারাত্মক অবসাদগ্রস্ত। সেইসঙ্গে রোজা। রোজাদারদের জন্য খুব খারাপ সময় যাচ্ছে। কারণ প্রচণ্ড গরমে সীমাহীন ক্লান্তি এসে ভর করেছে দৈনন্দিন জীবনে। গরমের কারণে শরীরে প্রচুর ঘাম হয়। এই ঘামের সঙ্গে বেরিয়ে যায় শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান লবণ ও পানি। শরীর থেকে লবণ ও পানি বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে দেহের রক্তচাপও কমে যেতে থাকে। সেই সঙ্গে প্রস্রাবের পরিমাণও কমে। পাশাপাশি অবসাদ এসে শরীরে ভর করে। প্রচুর ঘাম হওয়ার কারণে শরীর দুর্বল লাগে। মাংসপেশিতে খিঁচুনি বা ক্র্যাম্প হতে পারে। গাঢ় হলুদ বর্ণের প্রস্রাব হতে পারে এবং প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হতে পারে। এটি গরমের কারণে সৃষ্ট প্রাথমিক অবস্থা। অসহ্য গরমে শুরুর দিকে এমনটিই হয়। এসব কিছুই হয় অতিরিক্ত ঘামের জন্য অর্থাৎ শরীর থেকে লবণ পানি বেরিয়ে যাওয়ার জন্য। প্রচুর পানি পান করার মাধ্যমে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। মাঝেমধ্যে লবণ পানি বা স্যালাইন খেলে আরো ভালো।

দুঃসহ গরমে হঠাৎ জ্ঞান হারানো বিচিত্র কিছু নয়। গরমে জ্ঞান হারানোর বিভিন্ন পর্যায় রয়েছে। দাবদাহের সবচেয়ে মারাত্মক পরিণতি হচ্ছে হিট স্ট্রোক। সাধারণভাবে মানুষের মস্তিষ্কের একটি অংশ শরীরের তাপমাত্রাকে উপযোগী এবং সহনীয় একটি মাত্রায় রাখার চেষ্টা করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। কিন্তু তীব্র গরমে শরীরকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠান্ডা রাখার এই প্রক্রিয়া কাজ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে শরীরে তখন গরমের কারণে ঘাম তৈরির জন্য কোনো পানি অবশিষ্ট থাকে না। শরীর তখন অনেক গরম ও শুষ্ক থাকে। এ অবস্থায় একজন মানুষ জ্ঞান হারিয়ে হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। হিট স্ট্রোকের ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি স্প্রে কিংবা ঢেলে শরীর ভিজিয়ে দিতে হবে। রোগী অজ্ঞান হলেও এই কাজটি করতে হবে। রোগীর শরীরে যে পানির প্রবাহ দেয়া হবে তা ঠান্ডা হওয়ার দরকার নেই। পানি খুব ঠান্ডা হলে সমস্যা হবে। ঠান্ডা পানি শরীরের বা কেন্দ্র থেকে দূরের অর্থাৎ প্রান্তীয় রক্তনালীসমূহকে সংকুচিত করে ফেলে, এতে রক্ত প্রবাহ কমে যায়। আর কোথাও রক্ত প্রবাহ কম থাকা মানেই সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ কম থাকা। যা মোটেও বাঞ্ছনীয় নয়।

এছাড়া রোগীর শরীরের পরিধেয় যতটুক সম্ভব খুলে ফেলতে হবে এবং ঘরের ফ্যান কিংবা এসি চালিয়ে দিতে হবে। এসবের ব্যবস্থা না থাকলে পাখা দিয়ে বাতাস দিতে হবে। ইতিমধ্যে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে হিট স্ট্রোক একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি।

হিট স্ট্রোকে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই এক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো খুবই জরুরি। হিট স্ট্রোক এড়াতে আগে থেকেই সচেতনতা অবলম্বন করে এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। হিট স্ট্রোক এড়াতে গরমে যতটা সম্ভব রোদে চলাফেরা বন্ধ করতে হবে। ছাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরিধান করতে হবে। সিনথেটিক এবং আঁটসাঁট পোশাক না পরাই ভালো। কারণ সিনথেটিক কাপড়ের মধ্য দিয়ে বাতাস সুবিধাজনকভাবে চলাচল করতে পারে না। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। যারা কায়িক পরিশ্রমের কাজ করেন এবং যাদের বেশি ঘাম হওয়ার প্রবণতা আছে তাদের ক্ষেত্রে পানি পানের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবে একজন পূর্ণ বয়স্ক লোকের ক্ষেত্রে তিন লিটার পানি পান করা দরকার। গরমের সময় সেই পানি পানের পরিমাণ আরো বাড়িয়ে দিতে হবে। মোট কথা যতক্ষণ না প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক হবে ততক্ষণ ধরে পানি পান করে যেতেই হবে। শরীরে ঘাম বেশি হলে সেক্ষেত্রে পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে। তবে খাবার স্যালাইন পান করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।

যেভাবে বুঝবেন আপনার লিভার ভালো নেই
আমাদের দেশে লিভারের রোগীরা কখনো লিভারের জন্য ডাক্তারের কাছে যায় না। বরং অন্য রোগের চিকিৎসা করতে গিয়ে ধরা পড়ে যে তার লিভার আক্রান্ত হয়েছে। যখন বুঝতে পারে তখন বেশি কিছু করার থাকে না।

লিভার সিরোসিস হলে লিভার ফেইলিউর হয়ে পেটে পানি চলে আসে, জন্ডিস হচ্ছে, অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে তখনই তারা ডাক্তারের কাছে যায়। তবে লিভারের রোগ হলে পেটের ডান পাশে হালকা ব্যাথা হয়, গ্যাসের সমস্যা হয়, খাওয়া দাওয়ায় রুচি থাকে না ইত্যাদি সমস্যা হয়।

না বললেই নয়, যেসব লিভার রোগী আমাদের কাছে আসেন তারা ঘটনাচক্রে আসেন। জ্বর হলে জ্বরের ডাক্তারের কাছে দৌঁড়ে মানুষ যায় কিন্তু লিভারের অসুখ নিয়ে দৌঁড়ে লিভারের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরিমাণ কম।

বি ভাইরাস বা সি ভাইরাসের ক্ষেত্রে যেটা হয়, টিকা দিতে গেলে বা আর্মির মিশনে যাওয়ার সময়, বিদেশ যাওয়ার সময় চেকআপ করতে গেলে তখন তারা ডাক্তারের কাছে আসে। ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে যা হয়, আলট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে যখন দেখে লিভারে ফ্যাট, তখন তারা আমাদের কাছে আসে।

লিভার রোগে আক্রান্ত হয়ে যদি লিভার ফেইলিউর হয়ে যায় তখন কিন্তু চিকিৎসার আর কোনো সুযোগ থাকে না। তখন আমরা সাপোর্টেড ট্রিটমেন্ট করে লিভার রোগীকে ভাল রাখি। হেপাটাইটিস বি, বি ভাইরাস, সি ভাইরাস, ফ্যাটি লিভার- এসব রোগীকে যদি আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে পাই তাহলেও চিকিৎসা করে ভাল করা সম্ভব।

কিন্তু যদি শেষ পর্যায়ে চলে যায় তাহলে চিকিৎসার সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের দেশে নেই। লিভার সিরোসিস বা অন্য কারণে লিভার ফেইলিউর হলে চিকিৎসা হচ্ছে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বা প্রতিস্থাপন করা।

হোম স্বাস্থ্য
শিশুর মেধার বিকাশে বাবা মায়ের জন্য ৬টি টিপস

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কিছু বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কিছু বছরের কার্যকলাপের উপরেই শিশুর পরবর্তি জীবনের বুদ্ধিমত্তা নির্ধারন করে। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন এই সময় শিশুর মেধাবিকাশের জন্য তেমন কোন কিছুর প্রয়োজন নেই।

কিন্তু এই অবহেলাই শিশুর পরবর্তি জীবনের বড় কোন মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই শিশুর প্রথম বছরে বাবা-মা তার বিকাশে অবদান রাখতে পারেন এমন ছয়টি টিপস আপনাদের জন্য নিচে উল্ল্যেখ করছি।

১। শিশুর সাথে প্রতিদিন অনেকটা সময় জুড়ে বারবার কথা বলুন ও গল্প করুন। শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেষ্ঠা করুন।

২। শিশুকে বিভিন্ন রকমের গল্পের বই পড়ে শোনান ও ছড়া পড়ে শোনান।

৩। শিশুর নাম ধরে বারবার ডাকততে থাকেন। তাকে বিভিন্ন সময় সাধারণ কথায় অভ্যস্ত করে তোলেন। এতে শিশু মূল ব্যবহৃত শব্দগুলো সহজেই অতিদ্রুত আয়ত্ব করতে পারবে।

৪। যদি দেখা যায় যে আপনার সন্তান কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বারবার আনন্দিত হচ্ছে কিংবা নিজের উৎফুল্লতা প্রকাশ করছে তবে এ বিষয় নিয়ে শিশুর সাথে কথা বলুন বারবার। যেমন অনেক সময় শিশুরা নির্দিষ্ট কোন খেলনা , কোন মিউজিক বা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি দেখলে আনন্দ পায়। এর প্রক্রিয়া যাতে সবসময় আপনার সন্তানের সাথে ঘটে সেদিকে নজর দিন।

৫। শিশু কি বলতে বা কি বোঝাতে চাইছে তা যথেষ্ঠ সময় ও ধৈর্য নিয়ে বুজতে চেষ্টা করুন। তার ব্যাপারটি বুঝতে পারছেন না বলে অযথা রাগ করবেন না বা ধৈর্য হারাবেন না। এতে শিশুর মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৬। শিশুর চোখের সামনে সবকিছু রঙ্গিন রাখতে চেষ্টা করুন। রঙ্গিন কাগজ, রঙ্গিন খেলনা এসব শিশুর মেধার বিকাশ ঘটাতে বেশ সাহায্য করে।

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কিছু বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কিছু বছরের কার্যকলাপের উপরেই শিশুর পরবর্তি জীবনের বুদ্ধিমত্তা নির্ধারন করে। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন এই সময় শিশুর মেধাবিকাশের জন্য তেমন কোন কিছুর প্রয়োজন নেই।

কিন্তু এই অবহেলাই শিশুর পরবর্তি জীবনের বড় কোন মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই শিশুর প্রথম বছরে বাবা-মা তার বিকাশে অবদান রাখতে পারেন এমন ছয়টি টিপস আপনাদের জন্য নিচে উল্ল্যেখ করছি।

১। শিশুর সাথে প্রতিদিন অনেকটা সময় জুড়ে বারবার কথা বলুন ও গল্প করুন। শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেষ্ঠা করুন।

২। শিশুকে বিভিন্ন রকমের গল্পের বই পড়ে শোনান ও ছড়া পড়ে শোনান।

৩। শিশুর নাম ধরে বারবার ডাকততে থাকেন। তাকে বিভিন্ন সময় সাধারণ কথায় অভ্যস্ত করে তোলেন। এতে শিশু মূল ব্যবহৃত শব্দগুলো সহজেই অতিদ্রুত আয়ত্ব করতে পারবে।

৪। যদি দেখা যায় যে আপনার সন্তান কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বারবার আনন্দিত হচ্ছে কিংবা নিজের উৎফুল্লতা প্রকাশ করছে তবে এ বিষয় নিয়ে শিশুর সাথে কথা বলুন বারবার। যেমন অনেক সময় শিশুরা নির্দিষ্ট কোন খেলনা , কোন মিউজিক বা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি দেখলে আনন্দ পায়। এর প্রক্রিয়া যাতে সবসময় আপনার সন্তানের সাথে ঘটে সেদিকে নজর দিন।

৫। শিশু কি বলতে বা কি বোঝাতে চাইছে তা যথেষ্ঠ সময় ও ধৈর্য নিয়ে বুজতে চেষ্টা করুন। তার ব্যাপারটি বুঝতে পারছেন না বলে অযথা রাগ করবেন না বা ধৈর্য হারাবেন না। এতে শিশুর মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৬। শিশুর চোখের সামনে সবকিছু রঙ্গিন রাখতে চেষ্টা করুন। রঙ্গিন কাগজ, রঙ্গিন খেলনা এসব শিশুর মেধার বিকাশ ঘটাতে বেশ সাহায্য করে।

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কিছু বছর তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই কিছু বছরের কার্যকলাপের উপরেই শিশুর পরবর্তি জীবনের বুদ্ধিমত্তা নির্ধারন করে। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন এই সময় শিশুর মেধাবিকাশের জন্য তেমন কোন কিছুর প্রয়োজন নেই।

কিন্তু এই অবহেলাই শিশুর পরবর্তি জীবনের বড় কোন মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই শিশুর প্রথম বছরে বাবা-মা তার বিকাশে অবদান রাখতে পারেন এমন ছয়টি টিপস আপনাদের জন্য নিচে উল্ল্যেখ করছি।

১। শিশুর সাথে প্রতিদিন অনেকটা সময় জুড়ে বারবার কথা বলুন ও গল্প করুন। শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার চেষ্ঠা করুন।

২। শিশুকে বিভিন্ন রকমের গল্পের বই পড়ে শোনান ও ছড়া পড়ে শোনান।

৩। শিশুর নাম ধরে বারবার ডাকততে থাকেন। তাকে বিভিন্ন সময় সাধারণ কথায় অভ্যস্ত করে তোলেন। এতে শিশু মূল ব্যবহৃত শব্দগুলো সহজেই অতিদ্রুত আয়ত্ব করতে পারবে।

৪। যদি দেখা যায় যে আপনার সন্তান কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে বারবার আনন্দিত হচ্ছে কিংবা নিজের উৎফুল্লতা প্রকাশ করছে তবে এ বিষয় নিয়ে শিশুর সাথে কথা বলুন বারবার। যেমন অনেক সময় শিশুরা নির্দিষ্ট কোন খেলনা , কোন মিউজিক বা কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তি দেখলে আনন্দ পায়। এর প্রক্রিয়া যাতে সবসময় আপনার সন্তানের সাথে ঘটে সেদিকে নজর দিন।

৫। শিশু কি বলতে বা কি বোঝাতে চাইছে তা যথেষ্ঠ সময় ও ধৈর্য নিয়ে বুজতে চেষ্টা করুন। তার ব্যাপারটি বুঝতে পারছেন না বলে অযথা রাগ করবেন না বা ধৈর্য হারাবেন না। এতে শিশুর মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

৬। শিশুর চোখের সামনে সবকিছু রঙ্গিন রাখতে চেষ্টা করুন। রঙ্গিন কাগজ, রঙ্গিন খেলনা এসব শিশুর মেধার বিকাশ ঘটাতে বেশ সাহায্য করে

সিলিন্ডারে গ্যাস কতটুকু আছে জানার সহজ উপায়

রান্নার গ্যাসের একটা সিলিন্ডার কতদিন চলতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা ব্যবহারকারীদের অনেকেরই আছে। কিন্তু যতই ধারণা থাকুন না কেন, একটা দুশ্চিন্তা কিন্তু বার বার ফিরে আসে... এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল!
রান্নাবান্না জোর কদমে চলছে, এরই মধ্যে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে গেলেই সর্বনাশ! কারণ, রান্না চলাকালীন এমনটা হলে ঝক্কি তো কম হয় না! কিন্তু সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা কী করে বুঝবেন?
অনেকেই এ ক্ষেত্রে এলপিজি সিলিন্ডার হাতে তুলে ধরে বা ঝাঁকিয়ে বোঝার চেষ্টা করেন যে, সিলিন্ডারে আর কতটুকু গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। কিন্তু এ পদ্ধতিতেও অনুমানের উপরেই নির্ভর করতে হয়। নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না। তবে একটা পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সহজেই বুঝে নেওয়া যায় যে, সিলিন্ডারে আর ঠিক কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক সেই উপায়...
পদ্ধতি :
১. প্রথমে একটা ভিজে কাপড় দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডারটিকে খুব ভালো করে মুছে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডারের গায়ে যেন কোনো ধুলোর আস্তরণ জমে না থাকে।
২. সিলিন্ডার ভালো করে মোছা হয়ে গেলে ২-৩ মিনিট পর দেখবেন, সিলিন্ডারের কিছুটা অংশের ভিজে ভাব শুকিয়ে গিয়েছে আর বাকি অংশ তখনো ভিজে রয়েছে।
৩. সিলিন্ডারের যে অংশটা শুকোতে বেশি সময় নিচ্ছে, সেই অংশটুকুই রান্নার গ্যাসে ভরা রয়েছে। আর যে অংশটা তাড়াতাড়ি শুকিয়ে গিয়েছে, সিলিন্ডারের সেই অংশটি খালি! কারণ, সিলিন্ডারের যে অংশে তরল রয়েছে, সেখানকার তাপমাত্রা খালি জায়গার তুলনায় কিছুটা হলেও কম হবে। তাই সিলিন্ডারের যে অংশে গ্যাস রয়েছে, সেই অংশটির তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম বলে শুকোতে বেশি সময় লাগে।
সুতরাং, ‘এই বুঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেল’ ভেবে দুশ্চিন্তা করার আর প্রয়োজন নেই। সিলিন্ডারেস কতটা গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় থাকলে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নিজেই দেখে নিন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। ঈদের আগে দুই ধাপে নির্ধারিত তারিখের পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব পালনে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। পবিত্র রমজানের কারণে সারা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এ জটিলতার কথা মাঠ প্রশাসন থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিপিই’র মহাপরিচালক এ এফ এম মনজুর কাদির আজকালের খবরকে বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আগামী ১৭ মে আয়োজনের সকল প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থগিত হওয়া একটি পরীক্ষা ১৭ মে আয়োজন করায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগেও নানা কারণে একাধিকবার নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চার ধাপে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০১৮’ পরীক্ষা নেওয়া হবে। ঈদের আগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা নিতে আমরা কাজ করছি। নির্ধারিত তারিখে পরীক্ষা নিতে সকল প্রস্তুতি শেষ পর্যায়। তারপরও জটিলতা দেখা দিলে পিছিয়ে দেওয়া হবে।

ডিপিই সূত্র জানায়, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা চার ধাপে নেওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যে ২৪ মে ২৫ জেলা, ৩১মে ২৬ জেলা, ১৪ জুন ২৭ জেলা ও ২১ জুন ২৩ জেলায় নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। রমজান মাসে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আগামী ২৪ ও ৩১ মে ৫১ জেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ছুটিতে থাকায় পরীক্ষায় পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালণের জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যাচ্ছে না বলে বিভিন্ন জেলা থেকে জানানো হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, গত ৫ মে থেকে রমজান ও ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। আগামী ১৫ জুন ছুটি শেষ হবে। এসব কারণে ঈদের আগে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে একাধিক জেলা প্রশাসকরা লিখিতভাবে জানিয়েছেন। নির্ধারিত যেসকল কেন্দ্রে পরীক্ষা আয়োজন করার কথা রয়েছে শিক্ষক সংকট থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না বলেও ডিপিইতে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এ কারণে ঈদের আগে দুই ধাপে দেশের ৫১ জেলায় শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে প্রথম দুই ধাপের প্রার্থীদের ১৭ মে থেকে ডিপিই’র ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। প্রবেশপত্র ছাড়া হলে প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ লিখিত পরীক্ষার সময় চার দফায পিছিয়ে দেওয়া হয়। নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হওয়ায় গত ১৭ মে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। এর আগে ১০ মে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করেও স্থাগিত করা হয়। এর আগে ১ ফেব্রæয়ারি থেকে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-১৮’ লিখিত পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মন্ত্রণালয়। এসএসসি পরীক্ষার কারণে সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। গত ১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সভা করে ১৫ মার্চ পরীক্ষা আয়োজনে সকল প্রস্তুতি নিতে ডিপিইকে নির্দেশনা দেয়। তবে ১৩ মার্চ ‘জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ পালিত হওয়ায় ওই সময়ও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ভাবে চার ধাকে পরীক্ষার তারিখ পিছানা হয়।

মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পরে। প্রশ্নফাঁস ছাড়া এক সঙ্গে এতো প্রার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোন প্রকার বিতর্ক ছাড়া পরীক্ষা আয়োজন করতে কয়েক দফায় বুয়েটসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সেসব বৈঠকে পরীক্ষার দিন সময় ঠিক করা হলেও তা চার দফায় পিছিয়ে দিয়ে পঞ্চম দফায় সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে বার বার তারিখ পরিবর্তনের কারণে আবেদকারীদের অনেকে ক্ষুব্ধ। একাধিক চাকরি প্রত্যাশী অভিযোগ করেন, নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে রীতিমত প্রতারণা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি না নিয়েই বার বার তারিখ ঘোষণা করছে। এতে করে মানষিক প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটছে। তারা আরো বলেন, দেশে বেকারত্ব বেশি হওয়ায় নিয়োগকর্তারা নিয়োগ দেওয়ার নামে চাকরি প্রত্যাশীদের জীবন থেকে মূল্যবান সময় কেড়ে নিচ্ছে। এর কোন বিচার বা জবাবদিহিতা না থাকায় এসব ঘটনা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অনেকে জীবন থেকে চাকরির নির্ধারিত বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে। বাকী জীবনে শুধু হতাশা আর কষ্ট নিয়ে কাটিয়ে দিতে হয় বলেও মন্তব্য করেন প্রার্থীরা

জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা শতভাগ স্বচ্ছাতা নিশ্চিত করতে প্রশ্ন তৈরি, ছাপানো, উত্তরপত্র তৈরি, স্বক্রিয় পদ্ধতিতে সিট নির্ধারণ সবাই বুয়েটের তত্বাবধানে হচ্ছে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা ডিসির কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে। পৌর এলাকার মধ্যে এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে এবার আট সেট প্রশ্ন তৈরি করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩০ জুলাই ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়। ১২ হাজার পদের বিপরীতে ২৪ লাখ পাঁচ জন আবেদন করেছেনন। সে হিসাবে প্রতি পদের বিপরিতে লড়বেন ২০০ জন।

লিভার রোগীরা কি রোজা রাখতে পারবে?


বছর ঘুরে আবারও আমাদের মাঝে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। এই রমজানে অনেক লিভার রোগী ডাক্তারদের কাছে জানতে চান তাদের রোজা রাখা ঠিক হবে কী হবে না?

এটা আসলে বড় আঙ্গিকে আলাপের বিষয়। কোন কোন লিভার রোগী রোজা রাখতে পারবেন আর কোন লিভার রোগীর জন্য রোজা রাখা বাঞ্ছনীয় না। শুধু লিভার রোগ না, অনেক রোগের ক্ষেত্রেই রোজা রাখা বাঞ্ছনীয় নয়।

যেসব রোগীদের লিভারে ফ্যাট বা চর্বি আছে তাদের জন্য রোজা রাখা ভাল। কারণ, যদি আমরা সত্যিকার অর্থে রোজা রাখি, রোজা রাখার মতো করে রাখি, খাবার গ্রহণে সংযমী হই, নানা ধরনের ফার্স্টফুড জাতীয় খাবার বা চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করি তাহলে সেটা লিভারে চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

তবে যারা লিভার সিরোসিস রোগী, যাদের লিভার সিরোসিস খারাপের দিকে আছে, অ্যাডভান্স সিরোসিস বা ফেইলিউর আছে এমন লিভার রোগীরা যদি রোজা রাখেন তাহলে ঝামেলা হয়ে যেতে পারে। প্রশ্ন করতে পারেন কেন ঝামেলা হবে?

আমরা জানি, লিভারের অন্যতম একটা কাজ হচ্ছে, আমরা যে খাবারগুলো গ্রহণ করি সেগুলো প্রসেস করে শরীরে শক্তি হিসেবে সংরক্ষণ করে রাখে। কিন্তু যাদের লিভার ঠিক মতো কাজ করছে না তাদের এই কাজগুলো ঠিক ভাবে হবে না। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের রক্তে সুগারের মাত্রা নিচের দিকে নেমে যেতে পারে।

ডায়াবেটিস না থাকলেও তা ঠিকভাবে কাজ করতে পারবে না। তাই যাদের লিভার সিরোসিস, লিভার ফেইলিউর বা জটিল কোন জন্ডিস থাকে তাদের জন্য রোজা রাখা বাঞ্ছনীয় নয়।

এক কথায়, লিভার যখন সিরিয়াসলি আক্রান্ত থাকবে- লিভার সিরোসিস, লিভার ফেইলিউর, হেপাটাইটিস, লিভার ক্যান্সার- অর্থাৎ লিভারের কার্যক্ষমতা যখন স্বাভাবিক থাকবে না তখন রোজা রাখা যাবে না। অন্যথায় যাবে।

গরমে শিশুর ঘামাচি হলে করনীয়

গ্রীষ্মের গরমে অধিকাংশ মানুষ আক্রান্ত হয়ে থাকে বিভিন্ন অসুখে। বিশেষ করে বাচ্চারা সহজেই এ সময় আক্রান্ত হয়ে পড়ে অসুখে। এর ওপর ঘামাচির যন্ত্রণায় তারা আরও বেশি অস্থির হয়ে উঠতে পারে। ভ্যাপসা গরমে শিশুর ঘামাচি হতে পারে। অনেকে আবার সর্দি-কাশির ভয়ে শিশুকে নিয়মিত গোসল করান না। এতেও কিন্তু শিশুর ঘামাচি হতে পারে।

ঘামাচি মূলত ঘর্মগ্রন্থির রোগ। মানুষের শরীরে ঘাম তৈরি হলে ঘর্মগ্রন্থির মাধ্যমে তা ত্বকের উপরিভাগে চলে আসে। প্রচণ্ড গরমে ঘামও বেশি তৈরি হয়। তখন এত বেশি পরিমাণ ঘাম ঘর্মগ্রন্থির ছিদ্রপথে বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলে ওই নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থিকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে এবং সে স্থান ফুলে ওঠে। একই সঙ্গে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি ও সামান্য জ্বালাপোড়া ভাব।

ঘামাচি হলে করনীয়: গরমে শিশুকে ঘামাচি থেকে রক্ষার জন্য সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

– ঘামাচির স্থানে নখ দিয়ে খোঁচানো যাবে না।

– পাতলা কাপড় সামান্য ভিজিয়ে শিশুর শরীর মুছে দিতে হবে। বরফকুচিও ব্যবহার করা যেতে পারে।

– শিশুকে যথাসম্ভব ঠাণ্ডা পরিবেশে রাখতে হবে। শিশু যত ছোটই হোক, ফ্যান ব্যবহারে বাধা নেই। ফ্যানের বাতাসে শিশুর ঠাণ্ডা লাগার ভয় নেই। তার চেয়ে গরমে ঘাম থেকে ঠাণ্ডা লাগার আশঙ্কাই বেশি।

– শিশুকে প্রতিদিন গোসল করাতে হবে। গোসলের পানিতে কোনো অ্যান্টিসেপটিক দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

– শিশুকে হালকা সুতির কাপড় পরাতে হবে। গরমে তেল, লোশন একেবারে ব্যবহার করবেন না। তবে প্রিকলিহিট পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

লালচে দানার মতো দেখতে সব র‌্যাশই কিন্তু ঘামাচি নয়। তাই এ ধরনের র‌্যাশের সঙ্গে জ্বর, সর্দি-কাশি বা অন্য জটিলতা থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অ্যালো ভেরাতে আছে নানান পুষ্টি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর প্রদাহরোধী উপাদান, চুল মসৃণ ও কোমল করে।
রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে অ্যালো ভেরার কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে এখানে জানানো হল।
- অ্যালো ভেরার রসে মাথার ত্বক ও চুলের মতো পিএইচ আছে। তাই এর ব্যবহার রাসায়নিক উপাদানের চেয়ে নিরাপদ।
- অ্যালো ভেরাতে রয়েছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড ও খনিজ, যেমন- তামা ও জিংক। এগুলো চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং চুল শক্ত করে।
- অ্যালো ভেরা প্রদাহরেধী উপাদান সমৃদ্ধ যা মাথার ত্বক মসৃণ করে ও অস্বস্তি কমায়। এছাড়াও এটা মাথার ত্বক আর্দ্র রাখে।
- অ্যালো ভেরায় পানির পরিমাণ বেশি যা চুল কন্ডিশন করে। এই জেল পুষ্টিগুণ ও হাইড্রেইশন সমৃদ্ধ, এটা খুশকি দূর করতে সহায়ক। খুশকি ভাইরাস সংক্রমণের জন্য হয়ে থাকে। এর জেল ফাঙ্গাস ও ভাইরাস রোধী উপাদান সমৃদ্ধ। তাই এটা খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
- অ্যালো ভেরার জেল উচ্চ প্রোটিওলেটিক এনজাইম সমৃদ্ধ এবং এটা মাথার ত্বকের কোষের ক্ষয় দূর করে। অ্যালো ভেরা চুলের গোড়া উন্নত করে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- অ্যালো ভেরা জেল প্রোটিন, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ যা চুলের গোড়া মসৃণ রাখতে সাহয্য করে। এটা চুল পড়া কমায়, আগা ফাটা কমায় এবং চুল সুস্থ করে ঘনভাব আনে।
- তেল ও এর অবশিষ্টাংশ চুলের বৃদ্ধিকে বাধা দেয়। অ্যালো ভেরার জেল প্রাকৃতিক পরিষ্কারক এবং সিবাম বা মাথার ত্বকের তৈলাক্তভাব কমায়।
- অ্যালো ভেরা সুরক্ষা পরত হিসেবে কাজ করে এবং চুলকে আর্দ্র রাখে। রোদ, দূষণ ও পরিবেশের অন্যান্য সমস্যা থেকে নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।
- অ্যালো জেল বহুমুখী প্রসাধনীতে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে কন্ডিশনার ও জট ছাড়ানোর প্রসাধনীতে। এটা চুলকে মসৃণ ও উজ্জ্বল করে।

একমাস রোজা রাখলে আপনার শরীরে যা ঘটে

প্রতি বছর কোটি কোটি মুসলমান রোজা রাখেন সূর্যোদোয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে। গত কয়েক বছর ধরে উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে রোজা পড়েছে গ্রীষ্মকালে। ফলে এসব দেশের মুসলিমদের রোজা রাখতে হচ্ছে গরমের মধ্যে অনেক দীর্ঘসময় ধরে।
যেমন ধরা যাক নরওয়ের কথা। সেখানে এবছর মুসলিমদের প্রায় ২০ ঘন্টা সময় ধরে রোজা রাখতে হবে। কিন্তু মুসলিমরা যে একমাস ধরে রোজা রাখেন, সেটা তাদের শরীরে কী প্রভাব ফেলে?
প্রথম কয়েকদিন: সবচেয়ে কষ্টকর
শেষবার খাবার খাওয়ার পর আট ঘন্টা পার না হওয়া পর্যন্ত কিন্তু মানুষের শরীরে সেই অর্থে উপোস বা রোজার প্রভাব পড়ে না। আমরা যে খাবার খাই, পাকস্থলীতে তা পুরোপুরি হজম হতে এবং এর পুষ্টি শোষণ করতে অন্তত আট ঘন্টা সময় নেয় শরীর।
যখন এই খাদ্য পুরোপুরি হজম হয়ে যায়, তখন আমাদের শরীর যকৃৎ এবং মাংসপেশীতে সঞ্চিত থাকে যে গ্লুকোজ, সেটা থেকে শক্তি নেয়ার চেষ্টা করে। শরীর যখন এই চর্বি খরচ করতে শুরু করে, তা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
তবে যেহেতু রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যায়, সে কারণে হয়তো কিছুটা দুর্বল এবং ঝিমুনির ভাব আসতে পারে।
এছাড়া কারও কারও ক্ষেত্রে মাথাব্যাথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা নিশ্বাসে দুর্গন্ধ হতে পারে। এ সময়টাতেই আসলে শরীরে সবচেয়ে বেশি ক্ষুধা লাগে।
৩ হতে ৭ রোজা: পানিশূন্যতা থেকে সাবধান
প্রথম কয়েকদিনের পর আপনার শরীর যখন রোজায় অভ্যস্ত হয়ে উঠছে, তখন শরীরে চর্বি গলে গিয়ে তা রক্তের শর্করায় পরিণত হচ্ছে। কিন্তু রোজার সময় দিনের বেলায় যেহেতু আপনি কিছুই খেতে বা পান করতে পারছেন না, তাই রোজা ভাঙ্গার পর অবশ্যই আপনাকে সেটার ঘাটতি পূরণের জন্য প্রচুর পানি পান করতে হবে। নইলে আপনি মারাত্মক পানি-শূন্যতায় আক্রান্ত হতে পারেন। বিশেষ করে গরমের দিনে যদি শরীরে ঘাম হয়।
আর যে খাবার আপনি খাবেন, সেটাতেও যথেষ্ট শক্তিদায়ক খাবার থাকতে হবে। যেমন কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা এবং চর্বি। একটা ভারসাম্যপূর্ণ খাবার খুব গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ধরণের পুষ্টি, প্রোটিন বা আমিষ, লবণ এবং পানি থাকবে।
৮ হতে ১৫ রোজা: অভ্যস্ত হয়ে উঠছে শরীর
এই পর্যায়ে এসে আপনি নিশ্চয়ই অনুভব করতে পারছেন যে আপনার শরীর-মন ভালো লাগছে, কারণ রোজার সঙ্গে আপনার শরীর মানিয়ে নিতে শুরু করেছে। প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরেছে বিবিসি বাংলা।
ওই প্রতিবেদনে আরও তুলে ধরা হয়- ক্যামব্রিজের এডেনব্রুকস হাসপাতালের ‘অ্যানেসথেসিয়া এন্ড ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিনের’ কনসালট্যান্ট ড: রাজিন মাহরুফ বলেন, এর অন্যান্য সুফলও আছে।
‘সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে আমরা অনেক বেশি ক্যালরিযুক্ত খাবার খাই এবং এর ফলে আমাদের শরীর অন্য অনেক কাজ ঠিকমত করতে পারে না, যেমন ধরুণ শরীর নিজেই নিজেকে সারিয়ে তুলতে পারে।’
‘কিন্তু রোজার সময় যেহেতু আমরা উপোস থাকছি, তাই শরীর তখন অন্যান্য কাজের দিকে মনোযোগ দিতে পারে। কাজেই রোজা কিন্তু শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এটি শরীরের ক্ষত সারিয়ে তোলা বা সংক্রমণ রোধে সাহায্য করতে পারে।’
১৬ হতে ৩০ রোজা: ভারমুক্ত শরীর
রমজান মাসের দ্বিতীয়ার্ধে আপনার শরীর কিন্তু পুরোপুরি রোজার সঙ্গে মানিয়ে নেবে।
আপনার শরীরের পাচকতন্ত্র, যকৃৎ, কিডনি এবং দেহত্বক এখন এক ধরণের পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে যাবে। সেখানে থেকে সব দূষিত বস্তু বেরিয়ে আপনার শরীর যেন শুদ্ধ হয়ে উঠবে।
‘এসময় আপনার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তাদের পূর্ণ কর্মক্ষমতা ফিরে পাবে। আপনার স্মৃতি এবং মনোযোগের উন্নতি হবে এবং আপনি যেন শরীরে অনেক শক্তি পাবেন’”, বলছেন ড: মাহরুফ।
‘শরীরের শক্তি জোগানোর জন্য আপনার আমিষের ওপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হবে না। যখন আপনার শরীর ‘ক্ষুধার্ত’ থাকছে তখন এটি শক্তির জন্য দেহের মাংসপেশীকে ব্যবহার করছে। এবং এটি ঘটে যখন একটানা বহুদিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে আপনি উপোস থাকছেন বা রোজা রাখছেন।’
‘যেহেতু রোজার সময় কেবল দিনের বেলাতেই আপনাকে না খেয়ে থাকতে হয়, তাই আমাদের শরীরের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট খাবার এবং তরল বা পানীয় গ্রহণের সুযোগ থাকছে রোজা ভাঙ্গার পর। এটি আমাদের মাংসপেশীকে রক্ষা করছে এবং একই সঙ্গে আমাদের আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করছে।’
তাহলে রোজা রাখা কি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো
ড: মাহরুফ বলেন, অবশ্যই, তবে একটা ব্যাপার আছে।
‘রোজা রাখা শরীরের জন্য ভালো কারণ আমরা কী খাই এবং কখন খাই সেটার ওপর আমাদের মনোযোগ দিতে সাহায্য করে। কিন্তু একমাসের রোজা রাখা হয়তো ভালো। কিন্তু একটানা রোজা রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া যাবে না। শরীরের ওজন কমানোর জন্য একটানা রোজা রাখা কোন উপায় হতে পারে না। কারণ একটা সময় আপনার শরীর চর্বি গলিয়ে তা শক্তিতে পরিণত করার কাজ বন্ধ করে দেবে। তখন এটি শক্তির জন্য নির্ভর করবে মাংসপেশীর ওপর। এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ আপনার শরীর তখন ক্ষুধায় ভুগবে।’
ড: মাহরুফের পরামর্শ হচ্ছে রমজান মাসের পর মাঝে মধ্যে অন্যধরণের উপোস করা যেতে পারে। যেমন ৫:২ ডায়েট (পাঁচদিন কম খেয়ে দুদিন ঠিকমত খাওয়া-দাওয়া করা)। যেখানে কয়েকদিন রোজা রেখে আবার স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাওয়া-দাওয়া করা যেতে পারে।

এবার মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় ১০৭ প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী ফেল করেছে। আর শতভাগ পাস করেছে এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজার ৫৮৩টি।চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফল থেকে এমন তথ্য জানা গেছে।সোমবার সকাল ১১ টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এর আগে বোর্ড চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফলের সার-সংক্ষেপ তুলে দেন। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৭টি, গতবছর যা ছিলো ১০৯টি। কমেছে ২টি।

এবছর ঢাকায় ১৪৬, রাজশাহীতে ৪৩১, কুমিল্লায় ১৩২, যশোরে ২৭৫, চট্টগ্রামে ৩০, বরিশালে ৫০, সিলেটে ২২, দিনাজপুরে ১৩৮, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ২৬৩ ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৯৬ প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

শূন্য শতাংশ পাসের হার রাজশাহীতে ১, যশোরে ১, বরিশালে ২, দিনাজপুরে ১ এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে।

শূন্য ভাগ পাস প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, ওই সব প্রতিষ্ঠান কেন ফল খারাপ করল সেসব বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কারণ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এবার এসএসসি ও সমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪১ জন ছাত্র ও ৮ লাখ ৮২ হাজার ২২৪ জন ছাত্রী।

তিনি জানান, এ বছর গড় পাশের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ।আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৩ ও কারিগরি বোর্ডে ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ।

গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে, তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দশ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবার পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫ হাজার ৩৫ জন।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ ছাত্র।

এসএসসিতে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ।

ফল জানবেন যেভাবে

শিক্ষার্থীরা দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন। নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামে প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।

আর মাদ্রাসা বোর্ডের ক্ষেত্রে Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

এ ছাড়া কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল জানতে ssc লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

গর্ভাবস্থায় চা-কফি কি নিরাপদ?
কফি এবং চা শারীরিক ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে, পাশাপাশি মনকেও করে চাঙ্গা। অনেকের হয়তো দিন শুরু হয় এককাপ চা অথবা কফি পান করে। তবে গর্ভাবস্থায় কফি খাওয়া নিরাপদ কি না এ নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। মা যখন কোনো খাবার বা পানীয় গ্রহণ করেন, এর পুষ্টিগুলো শিশুর শরীরে যায়। তেমনিভাবে খাবারের মধ্যে থাকা বিষাক্ত পদার্থগুলোও শিশুর শরীরে প্রবেশ করে।

যদি জিজ্ঞেস করা হয়, কফি খাওয়া কি গর্ভাবস্থায় নিরাপদ? উত্তরে বিশেষজ্ঞরা বলেন, গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত কফি খাওয়া কখনোই নিরাপদ নয়। এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন ও অন্যান্য উপাদান ভ্রূণের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এমনকি গর্ভপাতও ঘটাতে পারে।

'বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, কফি গর্ভপাত ঘটাতে পারে এবং এটি কম ওজনের শিশু জন্মদানের কারণও হতে পারে।'

এ ছাড়া কফির ক্যাফেইন হিমোগেস্নাবিন শোষণে বাধা দেয়। এতে রক্তশূন্যতা হতে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে রুচি কমিয়ে দেয়। এতে গর্ভাবস্থায় খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী আরো বলেন, 'গর্ভাবস্থায় অনেকেরই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে। আর এটি কোষ্ঠকাঠিন্যকে বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার গর্ভাবস্থায় মাকে বিশ্রাম নেয়ার কথা বলা হয়। তবে চা-কফি খেলে ঘুম কমে যেতে পারে। এতে সন্তানসম্ভবা নারীর বিশ্রামের ব্যাঘাত ঘটতে পারে।'

কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ চায়ের তুলনায় বেশি থাকে বলে জানান তামান্না চৌধুরী। 'তবে আমাদের দেশে যেভাবে চা দুধ দিয়ে বা জাল দিয়ে তৈরি করা হয় এতে ক্যাফেইনের পরিমাণ বাড়তে পারে'।

গাড়িতে উঠলে বমি হয়? সমাধানের দারুণ উপায়

অনেক মানুষের ভ্রমনের কথা শুনলেই মন আনন্দে ভরে যায়, ঠিক তেমনি কিছু মানুষের ভ্রমনের কথা শুনলেই গাঁয়ে যেন জ্বর এসে যায়। মাথা ঘোরা, গাঁ গোলানো, বমি বমি ভাব, অস্বস্তিবোধ কিছু মানুষকে অসহ্য করে তোলে গাড়িতে।

গাড়িতে এসব কিছুর কারণ হল মোশন সিকনেস। সাধারণত মোশন সিকনেসের কারণে গাড়িতে বমি বমি ভাব হয়। আর গাড়িতে মোশন সিকনেস কমিয়ে আনে তাজা লেবু। তেমনি তাজা লেবুর মতো আরো অনেক উপাদান আছে যা মোশন সিকনেস কমাতে সাহায্য করে।

আসুন জেনে নেয়া যাক গাড়িতে বমি কমিয়ে আনার কিছু দারুণ উপায়:

তাজা লেবুর গন্ধ নিমেষে গাঁ গোলানো কমিয়ে দিতে পারে। কাঁচা লেবু চুষে খেলেও হজমে সাহায্য করবে। বমি ভাব কেটে যাবে। আদা যে শুধু হজমে সাহায্য তাই নয়, গাঁ গোলানো, বমি ভাব কাটিয়ে দেয়। মুখে রাখুন আদা কুচি।

আকুপাংচার এবং আকুপ্রেশারেও বমি ভাব দূর করতে এই জায়গাটির ব্যবহার করা হয়। আপনার মধ্যমা এবং তর্জনী দিয়ে অথবা বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কব্জির প্রেশার পয়েন্টে চাপ দিন। কব্জির ভাঁজ থেকে দুই ইঞ্চি ওপরে দুই টেন্ডনের মাঝে চাপ প্রয়োগ করুন এভাবে।

কাঁচা আপেলের মধ্যে থাকা চিনি অ্যাসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। গাঁ গোলাতে শুরু করলে আস্তে আস্তে কামড়ে খেতে থাকুন। খুব বেশি গন্ধযুক্ত খাবার খেলে বেশি স্যালাইভা ক্ষরণ হয়। যার ফলে গাঁ গোলাতে পারে। খান শুকনো ক্র্যাকার।

মধু, পুদিনা পাতা খেলে বমি বমি ভাব কেটে যাবে। কারও কারও ক্ষেত্রে কাজে লাগে এসেনশিয়াল অয়েল। শরীরের অন্যান্য ইন্দ্রিয়কে উদ্দিপ্ত করলে মোশন সিকনেস কেটে যায়।

মোশন সিকনেস কমানোর জন্য অলিভের কোনও তুলনা নেই। কমলা লেবুর কোয়া বিটনুন লাগিয়ে খেলে বমি ভাব, গা গোলানো কমবে। শুধু বিটনুন জিভে দিলেও উপকার পাবেন।

গরম দুধের সঙ্গে দারচিনি মিশিয়ে খেলে বমি ভাব কাটে। তবে বাস বা ট্রেনে তা সম্ভব নয়। এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। অথবা শুধু দারচিনি শুঁকলেও আরাম পাবেন।

কোন বয়সের শিশুর কতক্ষণ টিভি বা মোবাইল ঘাঁটা নিরাপদ, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা।নির্দেশিকায় বলা হয়েছ, যে সমস্ত বাচ্চাদের বয়স এক বছরেরও কম তাঁদের মোটেই টিভির সামনে বা কম্পিউটার মোবাইলের সামনে বসিয়ে দেবেন না।জানানো হয়েছে, টিভিতে চোখ নয়, খেলার মাঠে দৌড়াতে হবে বাচ্চাদের।

মায়েরা অনেক সময় বাচ্চাদের শান্ত করতে বা খাওয়ানোর সময় তাদেরকে টেলিভিশনের সামনে বসিয়ে দেন অথবা তাদের হাতে মোবাই তুলে দেন। হু'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যন্ত্র হিসেবে যত বেশি আমরা মোবাইল, টিভি ও কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে, শিশুদের স্বাস্থ্যের ততই অবনতি ঘটছে দ্রুত।

ওই নির্দেশিকাতে স্পষ্টতই উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাঁচ বছরের কম বয়স যে সব বাচ্চাদের তাদেরকে টিভি মোবাইল বা কম্পিউটারে যতটা সম্ভব কম সময় কাটাতে হবে। টিভি বা মোবাইলে যত কম চোখ রাখবে বাচ্চাদের তত ঘুম ভালো হবে। ভালো ঘুমের জন্য এবং স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠতে গেলে টিভির পর্দা নয়, খেলার মাঠেই বেশি নিয়ে যেতে হবে বাচ্চাদের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, যে সমস্ত বাচ্চাদের বয়স একেবারেই কম, অর্থাৎ এক বছরেরও কম তাঁদের টিভি দেখানো বা কম্পিউটার গেম খেলতে দেওয়াটাও বন্ধ করুন।এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে অজান্তেই নিজের শিশুকে ঠেলে দিচ্ছেন আপনি। ২ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের বেশি করে শারীরিক ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত করা উচিত। অনেক বেশি খেলাধুলো এবং অন্যান্য কাজে নিজের শিশুকে নিযুক্ত করুন। সব শেষে দিনে খুব বেশি হলে এক ঘন্টা টিভি বা কম্পিউটারে মন দিতে দিন, তার বেশি একেবারেই নয়

বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। ইতোমধ্যে এটির (কেন্দ্রের) গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এটা ১৮০ থেকে ২১০ কিলোমিটার গতিতে উপকূলে উঠে আসতে পারে। ঘূর্ণিঝড় ফণী কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়টি এর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হতে পারে কোন এলাকা দিয়ে উপকূলে উঠে আসতে পারে। এটা সামান্য পূর্বদিকে সরে আসলেই বাংলাদেশের সুন্দরবন ও বরিশাল উপকূল দিয়ে উঠে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এটা প্রতিনিয়ত গতিপথ পরিবর্তন করে যাচ্ছে। আমেরিকান আবহাওয়া অফিস ফণী মডেল ও এর গতি সম্বন্ধে জানিয়েছে, উপকূলে উঠে আসার সময় ফণীর গতি হতে পারে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার। যা হতে পারে অতি ধ্বংসাত্মক। এতে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে ওই অঞ্চলগুলো।
আবহাওয়াবিদরা জানান, বাংলাদেশের উপকূল থেকে এর দূরত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ফণী ১২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এটি মাত্র ২০ কিলোমিটার এগিয়েছে।

Good morning

অনিলাদেবী কার ছন্দ নাম?

গর্ভাবস্থায় সাধারণত মহিলাদের শরীরে এমনিতেই রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আর এই গর্ভধারণ যদি হয় গরমের সময় তাহলে তার ভোগান্তি হয় অনেক বেশী। তাই এসময় গর্ভবতী নিজে ও তার আশপাশের লোকজনকে বেশী সচেতন হওয়া দরকার। তাই গরমে গর্ভবতী মায়েরা যদি নিম্নের কয়েকটি টিপস মেনে চলেন তাহলে অনেক উপকার পাবেন।

১। প্রচুর পানি ও তরল জাতীয় পানীয় পান করা

গরমের সময় প্রচুর ঘামার কারণে ড্রিহাইড্রেশন বা পানিশূনতা একটি সাধারণ সমস্যা। এই পানিশূন্যতা দূরীকরণে গর্ভবতী মাকে সারাদিন প্রচুর পানি পান করা উচিত। দেহে পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীর অনেক দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যায়। তাই এরুপ ঘটার পূর্বেই তাঁকে প্রচুর তরল জাতীয় খাবার যেমন ডাবের পানি, ফলের জুস, লাচ্ছি, লেবু মিশ্রিত পানি, দই ইত্যাদি দিতে হবে। আর প্রস্রাবের রঙ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এরুপ পানীয় খাওয়াতে থাকতে হবে। শরীর যদি অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে তাঁকে স্যালাইন পানি খাওয়াতে হবে।

২। সরাসরি রোদের সংস্পর্শ থেকে দুরে থাকা

গরমের সময় গর্ভবতী মায়েদের বিশেষ করে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সরাসরি রোদের মধ্যে না যাওয়াই ভাল। তবে একান্তই যদি যেতে হয় তাহলে সানগ্লাস পড়ে ও সানস্ক্রিন প্রটেক্টেড লোশন গায়ে মেখে তারপরেই তাদের বাহিরে যাওয়া উচিত। এছাড়া ছাতা কিংবা মাথায় টুপি ব্যবহার করেও সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। আর বাড়ীতে অবস্থান কালেও খেয়াল রাখতে হবে সে যেন বেশীর ভাগ সময় ছায়ার মধ্যে থাকে। এসময় হাতে একটা পানির স্প্রে বোতল সাথে রাখা যেতে পারে যাতে গরম বেশী অনুভূত হলেই শরীরে হাল্কা পানি স্প্রে করিয়ে নেওয়া যায়।

৩। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া

গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় বলে গর্ভবতী মায়েদের অতিরিক্ত বিশ্রামের দরকার হয়। এছাড়া এসময় তার পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও জরুরী। গরমে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকেও তাঁকে বিরত রাখতে হবে। তাঁকে এসময় চুলাতে রান্নার কাজ থেকে দুরে রাখাই ভালো। অন্যজনের সাহায্য নিয়ে এসব কাজ করা ভালো। আর ঘরের বিভিন্ন কাজ যদি একান্তই তাঁকেই করতে হয় তবে সেটা সকালের দিকে করে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ কারণ এসময় তুলনামূলকভাবে তাপমাত্রা কম থাকে।

৪। হালকা ও আরামদায়ক কাপড় পরা

গরমের সময় সবার পোশাকই হালকা, ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক হওয়া উচিত। পোশাকটি এমন হওয়া উচিত যাতে শরীরে প্রচুর বাতাস লাগে। এজন্য পরনের কাপড় সিনথেটিক না হয়ে সুতি কাপড় হওয়াই ভালো কারণ সুতি কাপড়ে তাপ শোষণ ক্ষমতা কম থাকে বলে গরম কম অনুভূত হয়। বিভিন্ন প্রকার কৃত্রিম কাপড় যেমন পলিস্টার কাপড়ে তাপ শোষণ ক্ষমতা কম বলে এগুলো পরিহার করাই উত্তম।

৫। গরমের সময় নিয়মিত গোসল করা

গরমের সময় বাহিরের তাপমাত্রা যেমন বেশী থাকে তেমন শরীরের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশী অনুভূত হয়। এজন্য শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে নিয়মিত ও প্রতিদিন গোসল করা দরকার, পারলে দিনে একাধিকবার গোসল করে নেওয়া যেতে পারে বিশেষ করে ঘুমাবার পূর্বে গোসল করে নিতে পারলে শরীরের তাপমাত্রা কমে এবং আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করা যায়।

৬। অল্প করে বার বার খাওয়া

গর্ভবতী মায়েদের এসময় অভ্যন্তরীন পরিপাক ও বিপাক প্রক্রিয়া ক্রিয়া সহজ করতে একবারে বেশি না খেয়ে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়া তার জন্য অনেক উপকারী । বারবার অল্প অল্প করে খেলে তার বিপাক ক্রিয়া সহজ হওয়ার পাশাপাশি তার শরীরের উপর চাপ কম পড়ে এবং শরীর অধিক পরিমানে তাপ উৎপাদন হওয়া থেকে রক্ষা পায়।

৭। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত খাবার খাওয়া

গর্ভকালীন সময়ে খাবার দাবার হওয়া চাই বিভিন্ন মিনারেল ও ভিটামিন যুক্ত। তাই যেসব খাবারে প্রোটিন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রন বেশী পাওয়া যায় যেমন নানা প্রকার ফলমূল, শাকসবজি ,ডাল,ডিম ,সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খেতে হবে। আর এসময় চর্বিযুক্ত খাবার যতটা পারা যায় এড়িয়ে চলাই উচিত। এছাড়া এসময় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

৮। ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পরিত্যাগ করা

ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন চা,কফি পান করলে রক্তচাপ সহ দেহে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এসব পানীয় অনেকের উদ্বিগ্নতা ও বিরক্তিভাব বাড়ায়। এছাড়া এগুলো অনিয়মিত হৃদস্পন্দন সহ গর্ভবতীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে । তাই এ সময়ে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় না গ্রহন করাই গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী। এছাড়া ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় তার গর্ভের সন্তানের উপরও বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে যেমন শিশু অপরিপক্ক কিংবা স্বাভাবিক এর চেয়ে ছোট হয়ে জন্ম নিতে পারে এমনকি শিশু জন্মগত ত্রুটি নিয়েও জন্মানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খুব অল্প পরিমানে করা যেতে পারে।

৯। বাইরের খোলা ও বাসী খাবার না খাওয়া

বাহিরে যখন খুব গরম পড়ে তখন ক্লান্তি দূর করতে অনেকেই রাস্তার ধুলাযুক্ত খোলা খাবার দাবার ও পানীয় খেয়ে থাকেন। গরমের সময় মাছি ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বাড়ে এবং খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি নষ্ট হয় এবং বিভিন্ন প্রকার রোগবালাই ছড়ায় যেমন কলেরা, ডায়রিয়া, জন্ডিস ইত্যাদি। তাই বিভিন্ন রোগের প্রকোপ থেকে বাঁচতে সবাইকে বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের রাস্তার এসব নোংরা ও খোলা খাবার খাওয়া থেকে নিবৃত রাখা জরুরী ।

১০। ঠাণ্ডা ও আরামদায়ক স্থানে ঘুমানো

গর্ভবতী মায়েদের শোবার ঘর ঠাণ্ডা ও আরামদায়ক হওয়া জরুরী। এছাড়া তাদের নিরবিচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করতে তাদের ঘরে প্রচুর বাতাস প্রবাহের ব্যবস্থা করা জরুরী। এসময় যতটুকু সম্ভব বাম পাশে কাত হয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করা ভালো যা তার শরীরের ডান দিকের শিরায় চাপ কম পড়বে,এর ফলে তার দেহের নিম্নাংশ থেকে হৃদপিণ্ডে নিঃছিদ্র রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত হবে। এছাড়া তার বিছানার চাদর সুতি কাপড়ের হওয়া চাই যাতে ঘুমানোর সময় তার গরম কম লাগে।

একজন সুস্থ মা-ই একটি সুস্থ শিশুর জন্ম দিতে পারে। তাই গর্ভকালীন সময়ে তাদের দরকার বিশেষ যত্ন। আর গরমের সময়ে নেওয়া প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। এসময় একটু অসাবধানতা গর্ভবতীর নিজের ও তার অনাগত শিশুর জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই গরমের সময় কোন নারী গর্ভাবস্থায় থাকলে তার জন্য অবশ্যই বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

শুভ সকাল

অনেকেরই মুখে বা জিভে ঘা হলে জ্বালা করা, ব্যথা ছাড়াও পুঁজ বের হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। সাধারণত, মুখে গালের ভেতরের অংশে বা জিভে কোনোভাবে কেটে ছড়ে গেলে ঘা হতে পারে। শক্ত ব্রাশের খোঁচা লেগেও এই সমস্যা অনেকেরই হয়। মুখের ভেতরের মাংসে বা জিভে ঘা হলে তা খুবই কষ্টকর! কিছু খেতে গেলেই জ্বালা করে, ব্যথা করতে থাকে।
চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, প্রায় ২০০ রোগের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ পায় মুখগহ্বরের ঘা-এর থেকেই। বর্তমানে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ থেকে শুরু করে ক্যান্সার, এমনকি এইডস (AIDS)-এর মতো মারাত্মক রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। শুধু তাই নয়, গর্ভাবস্থাতেও শরীরে নতুন করে বাসা বাঁধা অনেক রোগের লক্ষণ মুখগহ্বরের ঘা-এর থেকেই প্রকাশ পায়।
খুব গরম খাবার বা পানীয় খেতে গিয়ে ছাল উঠে গেলে বা গালের ভেতরে কামড় লাগলেও এই রকম ঘা হতে পারে। মুখের ঘায়ের ক্ষেত্রে এগুলো খুবই সাধারণ কারণ। তবে এছাড়াও নানা মারণব্যধির প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে মুখের ভেতরে ঘা হতে পারে।
যাদের হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস আছে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম এবং দীর্ঘদিন ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের মুখেও এক ধরনের ক্ষতিকর জীবাণু বাসা বেঁধে বাড়তে থাকে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, যাদের ধূমপান বা জর্দা দিয়ে পান অথবা নানা ধরনের পান মশলা খাওয়ার অভ্যাস আছে, তাদের মধ্যে মুখের ঘা বা মুখে ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। বিশেষত, যারা পানের সঙ্গে জর্দা খান এবং অনেকবার পান খান তাদের মুখের ঘা বেশি হয়।
সাধারণত, ভিটামিন বি-১২ বা আয়রনের অভাবেই এই সমস্যা বেশি হয়। সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন, ফল, দুধ, শাক-সবজি, মাছ এবং চর্বি ছাড়া মাংস খাওয়া জরুরি। এসব খাবারে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, আয়রন, জিঙ্ক থাকায় মুখের ঘা-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মুখ আমাদের শরীরের খুবই স্পর্শকাতর একটি অংশ। তাই নিজে নিজে কোনো ওষুধ ব্যবহার করতে যাবেন না। যা-ই করবেন, তা অবশ্যই যেন হয় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল চিকিৎসার পরও মুখের ঘা যদি দু’সপ্তাহ থেকে তিন সপ্তাহ স্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই বায়োপসি বা মাংসের টিস্যু পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
কারণ, মুখের বেশ কিছু ঘা বা সাদা ক্ষতকে বিজ্ঞানীরা ‘প্রি-ক্যান্সার লিশন’ বা ক্যান্সারের পূর্বাবস্থার ক্ষত বলেই ব্যাখ্যা করে থাকেন। সুতরাং, আগেভাগেই সতর্ক হওয়া জরুরি আর মুখের ভিতরের অংশে ঘা হওয়া মাত্রই চিকিৎসার ব্যবস্থা নিন।

শুভ সকাল

নারকেল তেল চুলের জন্য উপকারী। আর লেবু সাইট্রাস ফল। নারকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগলে চুলের গোড়া শক্ত হয়, চুল পড়া কমে।
চুল পড়া কমাতে কীভাবে লেবুর রস ব্যবহার করবেন, এ বিষয়ে জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট ফেমিনা।
যেভাবে ব্যবহার করবেন
সমপরিমাণ নারকেল তেল ও লেবুর রস একত্রে মেশান। এবার মিশ্রণটি ধীরে ধীরে স্ক্যাল্প মাখুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুল ধোয়ার পর কন্ডিশনার দিতে ভুলবেন না যেন। সপ্তাহে একবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন। এভাবে ছয় সপ্তাহ ব্যবহার করুন। এতে চুল পড়া কমতে সাহায্য হবে।

প্রশ্ন: মোবাইলে সফটওয়্যারের মাধ্যমে কোরআন শরিফ সংরক্ষণ করা যায়। এ সফটওয়্যার চালু করলে স্ক্রিনে কোরআন মাজিদ দেখা ও পড়া যায়। প্রশ্ন হলো, মোবাইলের স্ক্রিনে দৃশ্যমান কোরআন মাজিদ ওজু ছাড়া স্পর্শ করা যাবে?
উত্তর: বিষয়টি মতভেদপূর্ণ। কারো মতে, যে বস্তুতে কোরআন মাজিদ স্থায়ীভাবে লেখা থাকে তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা জায়েজ নয়। যেমন কাগজে লেখা কোরআন মাজিদ।
কিন্তু মোবাইলের স্ক্রিনে দৃশ্যমান কোরআন মাজিদ স্থায়ী নয়। কিছু আলোকরশ্মির মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সুতরাং তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা যাবে। সমকালীন বিখ্যাত ফকীহ শাইখ আব্দুর রহমান ইবনে নাসের, শাইখ সালেহ ফাওযান প্রমুখ এমনই ফতোয়া দিয়েছেন।
দেখুন-(আলইসলাম,সুওয়াল-জওয়াব,ফতোয়া নং:১০৬৯৬৬১)
এছাড়া এর ওপরে গ্লাসের আবরণও থাকে। এ কারণেও কেউ কেউ বলেন তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা যায়।
অপরদিকে কিছু গবেষক আলেমের মতে,কোরআন মাজিদের যথাযথ মর্যাদা রক্ষার্থে মোবাইলের স্ক্রিনে দৃশ্যমান অংশও বিনা ওজুতে স্পর্শ করা যাবে না। সারকথা,বিষয়টি যেহেতু মতভেদপূর্ণ। তাই স্ক্রিনে দৃশ্যমান কোরআনের আয়াত বিনা ওজুতে স্পর্শ না করাই শ্রেয়।

Good morning

বর্তমানে বিশ্বের সেরা ধনী কে?

Good morning

কোর্মা শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?

নামাজ কায়েম করুন

Good night

বাংলাদেশের কোন বিভাগের সাথে মায়ানমারের সংযোগ রয়েছে?

২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন কোন দেশ?

Good morning

বিশ্বে জ্বালানি তেল উৎপাদনে শীর্ষ কোন দেশ?

Honesty is the best policy

মুক্তিযুদ্বে ব্যবহৃত উড়োজাহাজের নাম কী?

Good morning

চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?

সবাইকে জুম্মা মোবারক।

ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানের বর্তমান নাম সোহরাওয়ার্দী উদ্দান।

Good night

ইলিশের বৈজ্ঞানিক নাম কী?

Good Morning

সংসদে সাংবাদিকদের আসন কতটি ?
উত্তরঃ ৮০টি

Good morning

সুস্থতা এখন হাতের মুঠোয়। এখনই আপনার স্বাস্থ্য, মানসিক ও আইনি সমস্যায় সম্পূর্ণ ফ্রিতে সরাসরি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে লিঙ্কটিতে
https://maya.com.bd/invite/h82uy2 ক্লিক করুন অথবা h82uy2 কোডটি এপ্লাই করুন

Good night

3G - এর পূর্ণরূপ কী?

শুভ সকাল

২০১৮ সালে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হয়েছে কোন দেশ থেকে।

আজকের কুইজ (19-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2133 জন
প্রশ্নঃ ‘মাফিয়া’ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাশী একটি দলের নাম। প্রায় ৫ হাজার সদস্য রয়েছে এই দলে, যারা মাদক চোরাচালান থেকে শুরু করে খুন, অপহরন এর মত কাজ করে থাকে। বাংলাদেশেও এর যথেষ্ট প্রভাব লক্ষ করা যায়। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর বিশ্বের শীর্ষ পলাতক অপরাধীদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন এই সন্ত্রশী গ্রুপের প্রধানের নাম। ‘মাফিয়া’ এর প্রধানের নাম কি?
(A) দাউদ ইব্রাহিম
(B) জুবিনা জেরিন
(C) ছোটা শাকিলক