About Abu Bakkar

🌿১বছরের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে পরীক্ষায় পাশ করতে পারেনি...🌿
🌿১মাসের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে তার বেতন পায়নি...🌿
🌿১সপ্তাহের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলো...🌿
🌿১ দিনের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে রোজা রেখেছিলো...🌿
🌿১ ঘন্টার মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে প্রিয়জনের অপেক্ষায় ছিলো...🌿
🌿১ মিনিটের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে ট্রেন মিস করেছিলো...🌿
🌿১ সেকেন্ডের মূল্য বুঝতে চান?🌿
তাকে জিজ্ঞেস করুন🌿
যে এক্সিডেন্টের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলো...🌿
🌿প্রতিটি মূহুর্ত খুব মূল্যবান...🌿
গতকাল ইতিহাস... আগামীকাল অজানা...🌿
কিন্তু আজকের দিনটা আমাদের জন্য মহান🌿 আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে উপহার...🌿
🌿আর এজন্য আলহামদুলিল্লাহ🌿

শুধুমাত্র কিছু কোড মনে রাখলেই মাত্র ৩০ সেকেন্ড এ বের করতে পারবেন যেকোনো সালের কোন তারিখে কি বার ছিল,,,

THAT'S WHY আমরা বাঙালি 😂😂

বিয়ের আগে তিন তিনবার প্রেগনেন্ট হলেও বাসর'রাতের পুরুষটা হয়ে যায় তার জীবনের প্রথম পুরুষ!!! কারণ এটা বাংলাদেশ! এখানে অসম্ভব বলে কিছু নেই।এখানে ফরজের চাইতে নফলের কদর বেশি।

আপনি জানেন,আমি জানি, নেতা জানে,নেত্রী জানে কোনটা সত্য, কোনটা মিথ্যা। তবুও প্রকাশ্য দিবালোকে সাদা-কে কালো আর কালো-কে সাদা বলে গিলানো হচ্ছে!!! কারণ এটা বাংলাদেশ, এখানকার মানুষের লজ্জাতে ফরমালিন দেয়া আছে।

এখান কার যুবকেরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিদেশে গিয়ে রাস্তা ঝাড়ু দেই, অন্যদিকে গাঞ্জাখোর প্রতিবন্ধী অটিস্টিকরা আইটি উপদেষ্টার পদ দখল করে কোটি টাকা বেতন গুনে!!! কারণ, এটা বাংলাদেশ, এখানে মানুষের চাইতে অমানুষের কদর বেশি।

পৃথিবীর সব দেশে তাদের জাতীয় সংসদে আলোচনা হয় দেশ এবং মানুষের কল্যাণ নিয়ে, আর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে হয় সংগীত চর্চা!!! কারণ, এটা বাংলাদেশ, এখানকার প্রধানমন্ত্রীর ঘুম ভাঙ্গে রবীন্দ্র সংগীত শুনে। জাপানী কিংবা চায়নিজরা আবিষ্কার করে নতুন নতুন প্রযুক্তি, আর বাংলাদেশ আবিষ্কার করে রাজাকার আর মুক্তিযোদ্ধা বানানোর মেশিন!! কারণ, এটা বাংলাদেশ, এখানের একেকজন মুক্তিযোদ্ধা এগারহাজার ভোল্টেজের প্রযুক্তি।

আমেরিকা রাশিয়ার মানুষ পড়ালেখা করে গবেষক হয়, আর এখানকার মানুষ মুরগী ব্যবসা করে গবেষক হয়!! কারণ, এটা বাংলাদেশ, এখানে গবেষক হতে হলে লেখাপড়া নয় চামচামি করলেই চলে। এটা একমাত্র দেশ,যে দেশে ৭১এর ধর্ষণের ক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রশ্ন আসে, আর এখনকার ধর্ষণের ক্ষেত্রে ভাবমূর্তির প্রশ্ন আসে!! এটা একমাত্র দেশ, যে দেশে আলু পটলের মতো চেতনাও বিক্রি হয় কেজির মাপে!!!

যে যতবেশি মিথ্যা বলতে পারবে সে ততবেশি চেতনার মালিক। কবি মনেহয় আগাম আন্দাজ করেই বলেছিলেন, "এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি,সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি "। কোন দিক থেকে যে সেরা তা তো দেখতেই পাচ্ছি দুনয়নে।

বিবেক আপনারও আছে একটু ভেবে দেখেন ভালো বললাম নাকি খারাপ বললাম।।

Run the race of your life at your own pace.

মিন্নি তোমার নারী জন্ম আজ সার্থক।
তুমি অপরুপা সুন্দরী নয় (আমার চোখে) ঠিক। তবুও তুমি সার্থকভাবে দুইটা ছেলের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছিলে (নিজের শারীরিক যোগ্যতায়)।
একটাবার চিন্তা করে দেখেছো মিন্নি এই দুইটা ছেলের হৃদয়ের কতটা গভিরে তোমার অবস্থান ছিল??
শুধু তোমারই কারনে দুইটা ছেলে তাদের সবচেয়ে মুল্যবান জিনিস বিসর্জন দিলো। নি:স্ব হলো দুটি পরিবার। খালি হলো চারজন পিতামাতার বুক। তোমারই মত কয়েকটা মেয়ে হারিয়েছে তার আদরের ভাই। আবার আমারই মত কয়েকটা ছেলে ভাই হারানোর ব্যাথায় ব্যতীত হয়ে পাগল প্রায়।
তুমি সার্থক মিন্নি কারন একটা মানুষের হৃদয় গহীনে থাকা ভালোবাসা অর্জন এতো সহজ নয়। যা তুমি সহজেই পেয়েছিলে।
যাইহোক একটা সুন্দর ধ্বংসযজ্ঞের তুমিই কারন হতে পেরে ট্রয় নগরির হেলেনের মত কিছুটা হতে পেরেছো।
যখন এদুটি ছেলের শরীর মাটি হওয়ার পথে, তুমি তখন অন্য করো ঘরনি হয়ে দিব্যি সংসার করবে। নিজ যৌবনের স্বাধ আস্বাদনে নতুন কারো বুকে মাথা রেখে আনন্দের শীৎকার দিবে। আর নিজেকে গর্বিত ভাববে এটা ভেবে যে তোমার জন্য দুইটা ছেলে মরেছে তাই তুমি প্রিন্সেস সমতুল্য।
এসব মিন্নিরা যুগে যুগে ভালো থাকে, মাঝপথে শুধু হারিয়ে যায় নির্বোধ রিফাত আর নয়নরা।

ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
—আল কোরআন (সূরা: আল ইমরান, আয়াত:২৬)

ইসলামে নারীদের কেমন চোখে
দেখে ?
.
♦ একটা নারীর যখন জন্ম হয়, ইসলাম বলে
"যার ঘরে
প্রথমে কন্যা সন্তান হয় সেইঘর বরকতময়"।
.
♦ নারী যখন যুবতী হয়, ইসলাম ঘোষনা
দেয় ''যে তার
মেয়েকে সঠিকভাবে লালন পালন
করে ভালপাত্র দেখে
বিয়ে দেয় তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব
হয়ে যায়।"
.
♦ নারী যখন বিবাহিত, ইসলাম বলে
"সেই পুরুষই
সর্বোত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে
উত্তম"।
.
♦ নারী যখন সংসারী, ইসলাম বলে
"স্ত্রীর দিকে দয়ার
দৃষ্টিতে তাকানো সওয়াবের কাজ।
এমনকি স্ত্রীকে আদর
করে মূখে এক লোকমা খাবার তুলে
দেয়াও"।
.
♦ নারী যখন গর্ভবতী, ইসলাম বলে
"গর্ভাবস্থায় যে
নারী মারা যায় সে শহীদের
মর্যাদাপায়"।
.
♦ নারী যখন মা, ইসলাম বলে "মায়ের
পদ তলে সন্তানের
বেহেশত"।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
কারন, যদি আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে সিজদা করার হুকুম থাকতো সে হতো আপনার স্বামী।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে ঘরে ফিরে আসে, এক টুকরো মিষ্টি হাসির মাধ্যমে। কারন সে আপনার হালাল রিজিকের চেষ্টায় সারাদিন খাটনি করে ক্লান্ত দেহে বাড়ী ফিরেছে।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে বলে, বৌ! তুমি আমার মা- বাবা পরিবার পরিজনের খেদমত করো। কারন এই মা-বাপ ছাড়া আপনি আপনার স্বামীটিকেই পেতেন না, আর আপনার স্বামীর জান্নাত, আয় উন্নতি তার মা-বাবার দোয়া, সন্তুষ্টির মাধ্যম যা আপনার সাথে জড়িত।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে বলে, বৌ! সংসারের কাজের পাশাপাশি ওয়াক্ত মতো নামাজটাও পড়ে নিও। কারন সে জান্নাতেও আপনার সাথেই থাকতে চায়।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে পরিপূর্ণ পর্দার সাথে চলতে বলে, কারন সে চায়না তার সুন্দরী বৌটিকে অন্য কোন পরপুরুষ দেখে ফেলুক এবং তার বৌ গুনাহগার হোক।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে একাকী বাহিরে বের হতে নিষেধ করে, কারন সে জানে মাহরাম পুরুষ ছাড়া অযথা মেয়েদের জন্য বাইরে বের হওয়া হারাম।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার জন্য কোন গিফট নিয়ে আসে, যদিও তা কম দামী হয়, বা আপনার পছন্দ না হয়। কারন সে ভালোবাসে বলেই আপনাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে সবসময় পরিপাটি হয়ে থাকতে বলে, কারন সে অন্য সকল নারীর থেকে দৃষ্টি হেফাজত করতে চায়।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার কাছে একটু সোহাগ কামনা করে, কারন সে অন্য নারীতে আসক্ত নয়।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার কাছে নিজেকে জাহির করতে চায়, কারন সব হাজবেন্ড-ই চায় তার স্ত্রীর কাছে সে হিরো হয়ে থাকুক।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে অসময়ে আপনার হাতের বিশেষ কোন আইটেমের খাবার খেতে চায়, কারন সে ভালবাসার মানুষটির সেই রান্নাটাকে এখন মিস করছে।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে কোন কারনে আপনার সাথে অভিমান করে, কারন অতিমাত্রায় ভালোবাসা থেকেই কিন্তু অভিমান সৃষ্টি হয়।

★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার লাইফ পার্টনার, যার সাথে জীবনটা পার করবেন বলে মা- বাবার ঘর ছেড়েছেন তাকে যদি ভালো না বাসেন তবে জীবনটা পার করবেন কি করে ?

♥পরিশেষে একটি বিশেষ সতর্কবাণীঃ-
স্বামী যখন কোন কারনে রেগে যায় তখন ভুল করেও আপনি তর্ক করতে যাবেন না। একেবারে চুপ করে থাকবেন। যদিও আপনি নির্দোষ ছিলেন। আর দোষ থাকলে তো কথাই নাই। এক্কেবারে চুপ। রাগ থেমে গেলে বিষয়টি বুঝিয়ে বলবেন, তখন সে নিশ্চয়ই লজ্জিত হবে এবং পরবর্তীতে এমনটি হবে না।

আর স্বামীর কাছে কোনকিছুর আবদার করার হলে অবশ্যই তার মন- মর্জি সামর্থ্যানুযায়ী বুঝে আবদার করবেন। প্রয়োজনে একটু পটিয়েও নিতে পারেন। দেখবেন আকাশের চাঁদও হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত সে।

আল্লাহ আমাদের সাংসারিক জীবনকে জান্নাতি জীবনের মতো করে দিন, আমীন♥

চুমু।
দিবে এবং যে স্ত্রী তার স্বামীকে একবার চুমু দিবে,
প্রতিটা চুমুর বিনিময়ে ১০০ টা নেকি তাদের আমলনামায় লিখা হয়।
---মুসনাদে আহমদ (স্বামী স্ত্রী অধ্যায়)☆
-= যে স্বামী তার স্ত্রীর নিকট গমন করে
এবং শারীরিক মিলনের আগে ২ রাকাত নামাজ পড়ে নেয় ও রাসুল সঃ এর সুন্নত মতো স্ত্রীর সাথে শারীরিক
মিলন করে তাদের প্রতিবার মিলনে একটি উট কুরবানি করার সওয়াব তাদের উভয়ের আমল নামায়
লিখা হয়।
--বায়হাকী ( স্বামী স্ত্রী ও পারিবারিক অধ্যায়)..☆
=যে স্বামী তার স্ত্রীকে কোরঅানের এলেম শিখাবে এবং নিজেও শিখবে এবং সে অনুযায়ী আমল করবে আল্লাহপাক মৃত্যুর পর তাদেরকে
জান্নাত দান করবেন।
=যে সন্তান তার পিতামাতার
ভরণ পোষন করবে বা সেবা করবে এবং নিজ স্ত্রীর ইজ্জতের হেফাজত করবে তাদের জীবনের সমস্ত
গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
-- মুসলিম শরীফ।
=যে স্ত্রী তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া সেবা করবে সে স্ত্রীর নিজের শরীরের ওজনের সমান সোনা ছদকা দান করার সওয়াব তার আমল নামায় প্রতিদিন লিখা হয় ৷ আর যে স্বামী তার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া তার সেবা করবে সে স্বামীর শরীরের ওজনের সমান সোনা দান করার সওয়াব তার আমল নামায় লিখা হয়।
- আবু দাউদ শরীফ
= যে স্বামী স্ত্রী উভয়ে একে অপরের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসি দিবে,
তাদের প্রতিটা হাসিতে তাদের আমলনামায় ১০ টা করে
নেকি দেওয়া হয়।
-- আবু দাউদ
=যে স্বামী বাহিরে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী ও সন্তানদেরকে সালাম করে বাসা থেকে বের হয় এবং যখন বাহির থেকে এসে আবার সালাম করে অথবা স্বামী বাসায় আসলে বা বাহিরে যাওয়ার
সময় স্ত্রী তার স্বামীকে সালাম করে সে ঘরে কখনো শয়তান প্রবেশ করতে পারেনা এবং সব সময় রহমত ও বরকত নাজিল হতে থাকে,
কখনো ঝগড়া বিবাদ হবে না সে ঘরে।
- আবু দাউদ,তিরমিজি।
=যখন কোন পুরুষ বিয়ের সময় তার স্ত্রীকে কালেমা পড়ে কবুল বলে দোয়া করলো তখন সেই সময় হতে মৃত্যু পর্যন্ত তাদের আমলনামায় সওয়াব লিখা হয়।
--মুসলিম।
হে আল্লাহ্ "সারা পৃথিবী জুড়ে প্রতিটি মুসলিম পরিবারকে এভাবে কবুল করুন। (আমিন)

⭕ আযানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অলৌকিক গনিতের খেলা।
আল্লাহর কসম এই আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।

১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ এবং শেষ শব্দ ও হল আল্লাহ। এর মানে আল্লাহই শুরু এবং আল্লহই শেষ।

২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার। আর আমাদের প্রতিদিন নামাজ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।

৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি। আর আল্লাহ মিরাজের সময় হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) কে সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।
পরে তা কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়। আর সহীহ হাদিস বলে একজন ব্যাক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলে আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সাওয়াব দিবেন।

৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।
আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল ১৭ রাকাত।

ফজর ২ + জোহর ৪ + আসর ৪ + মাগরিব ৩ + এশা ৪

মোট ১৭ রাকাত।

৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হল ( আল্লাহ)
আল্লাহ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযানে আছে মোট ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫ বার এবং হা অক্ষরটি ২০ বার।

সুতরাং ৪৭+ ৪৫ + ২০ = ১১২।
আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল সূরা ইখলাস। যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

-সংগ্রহীত

জান্নাতের
ভিতরতো তারাই
থাকবে,
যারা গোলামী
করার জন্য
একমাত্র
আল্লাহ্
তায়ালা কে বেছে
নিবে।

😢--- লজ্জা ---😑

নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।
হাত লাগলেই শেষ। সেটা স্বামীর হাত হোক বা
অন্য কোনো পুরুষের। এই হাত লাগা মানে শুধু
শারীরিক স্পর্শ না, পুরুষের সঙ্গতায়ও নারীর
লজ্জা কেটে যায়।
.
যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে,
তার লজ্জা তত কমবে। যেমন চিত্র নায়িকারা। শুধু ব্রা-
পেন্টি পরে অর্ধনগ্ন দেহ নিয়ে পুরুষের
সামনে ঘুরতেও দ্বিধা করে না। পুরুষের মাঝ
থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে তাদের। অথচ
কনজারভেটিভ ফ্যামিলির মেয়েকে ওড়না ছাড়া
দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।
.
ইদানীং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের ভূমিকা পালন
করছে। ফেসবুকে বন্ধু বেশি। অতি আধুনিকরা
ছেলে বন্ধুর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে।
ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা
বলে। মাইন্ড করলে বলে ''জাস্ট কিডিং, টেক ইট
ইজি"। ইজিলি নিতে নিতে সেসব অশালীন বিষয় আর
অশালীন লাগে না। মানে লজ্জা শেষ!
.
আবার ফেসবুকে প্রেমিক বেশি! কেউ প্রেমে
পড়েছে তো প্রেমিক রোমান্সের ছলে
অশ্লীল কথা বলে। একদম স্বামীর মতো।
এরপর ব্রেকআপ হয়। আবারও কারও প্রেমে
পড়ে। আবারও চুম্মা-চাটি আরও কত কী করে!
অতঃপর আবারও ব্রেকাপ! লজ্জা-শরমের মাথা
খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়।
অশ্লীল প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস
করে, ফলে নির্দিষ্ট একজন পুরুষের প্রতি
আকর্ষণটা বিলীন হয়ে যায়। জাগে বহু পুরুষের
সানিধ্য পাওয়ার ইচ্ছা।
.
নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি ইয়াবার মতো।
প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে
২০-২৫টা খেলেও কাজ হয় না। ব্যাস! এক সময়
পুরুষের প্রতি আর ফিলিংস কাজ করে না।
প্রেমিকের ভালোবাসা তার কাছে পানসে লাগে।
একটার পর একটা পুরুষ বদল করে। কিন্তু স্থির হতে
পারে না কোনোটাতেই। জানা-শোনা শেষ
হলেই আর ভালো লাগে না কাউকে। বোরিং
লাগে। কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতেই
ভালবাসার অনুভূতিই শেষ। তখন বর্তমান হয়ে যায়
এক্স। তারপর আবারও খোঁজা শুরু নতুন মুখ, নতুন
প্রেমিক।
.
মুরব্বীরা বলতেন, বিয়ের পরে মেয়ের লজ্জা
কমে। বাচ্চা হওয়ার পরে আরও কমে যায়। তখন
বুঝতাম না। ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়। এখন বুঝি। আগে
মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিল পুরুষ। তাই বিয়ের
পরের কথা এসেছে। এখন বিয়ে লাগে না,
পুরুষের কাছে আসতে ফেসবুক হলেই চলে।
ফেসবুকই সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
.
যাইহোক, নারীদের মাথায় রাখা উচিত; এভাবে বাসা
বদলের মতো প্রেমিক বদলের খেলাটা
নিজেকে খুবই সহজলভ্য করে দেয়। আর যে
জিনিস সহজে পাওয়া যায় তার কদর থাকে না। লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন। তবুও না বুঝলে মাথা খাটিয়ে একটু ভাবুন, তারপর মন্তব্য করুন। ধন্যবাদ!

কথালগুলো নারীদের উদ্দেশ্য হলেও, নারী
পুরুষ উভয়ের জন্যই শিক্ষণীয়।

১৮ বছরের আগে মেয়ে বিয়ে দিলে বাবা-মা ও কাজীর জেল হয়,
তাই ১৮ এর আগে গর্ভের সন্তান পরিবারের সম্মান বাঁচাতে ৫ তালা থেকে ফেলতে হয়।

রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম🤨রোজার দিন রাস্তার পাশে চা সিগারেট খাচ্ছে সবার সামনে🤭আমাদের শিক্ষিত সমাজের শিক্ষিত এই আপুকে আমার কিছু বলার নাই😠যা বলার আপনারাই বলেন😔😔

"ভারতের অপর নাম INDIA কেন..?

১. আমেরিকাকে ইংরেজিতে America বলে।
২. জাপানকেও ইংরেজিতে Japan ই বলে।
৩. ভুটানকেও ইংরেজিতে Bhutan ই বলে।
৪. শ্রীলংকাকেও ইংরেজিতে Sri Lanka ই বলে।
৫. বাংলাদেশকেও ইংরেজিতে Bangladesh ই বলে।
৬. নেপালকেও ইংরেজিতে Nepal ই বলে।
শুধু তা'ই নয়, প্রতিবেশী দেশ
৭. পাকিস্তানকেও
ইংরেজিতে Pakistan বলে।
তবে একমাত্র ভারতকেই ইংরেজিতে India বলা হয়
কেন??
India শব্দটা কোথা থেকে এসেছে ৯৯% মানুষেরই তা অজানা রয়েছে।

Oxford Dictionary এর ভাষ্যানুযায়ী.....
INDIA এর মিনিং নিম্নরূপ দেওয়া হল:
I, ইসলাম।
N, নে।
D, দি।
I, ইস মূলক কো।
A, আজাদী।
অর্থাৎ "ইসলাম নে দি ইস মুলক কো আজাদী"
(ইসলামই এই দেশকে স্বাধীনতা দিয়েছে।)
এই হলো India এর মিনিং।
ইতিহাস সাক্ষী মুসলমানরাই ইন্ডিয়া স্বাধীন করেছে। হিন্দুরা তো ইংরেজদের গোয়েন্দাগিরী এবং চামচামি করেই সময় পার করেছে।

বাল্য বিবাহকে যারা "না" বলে তাদের চোখে নিষিদ্ধ এই বাল্য প্রেম চোখে পড়ে না? বাল্য প্রেমকে প্রশ্রয় দিয়ে তারা মূলত সমাজে অনৈতিক কাজকেই উৎসাহিত করছে। কিছু দিন আগে সুটকেসে মিলল শিশু আর এবার পাঁচ তলা থেকে নিক্ষেপ করা হলো আরেক শিশু। আর কত শিশুর লাশ চাই?

বাংলাদেশের কিংবদন্তী আলেমে দ্বীন। হাজারো আলেমদের উস্তাত। লাখো মানুষের আধ্যাত্মিক রাহবার শাইখুল হাদিস আল্লামা আহমদ শফী (বারাকাল্লাহু ফী হায়াতিহি)।

তোমরা কি কেউ দেখেছ ভাই
অমাবস্যার চাঁদ ?
না দেখলে দেখে নাও এবার
হিযবুত তাওহীদের ভান৷

নামের অর্থ একত্ববাদের দল
আসলে নাই ইমান।
নারী পুরূষ এক হয়ে গায়
একত্ববাদের গান।

নারী পূরুষ একসাথে যখন
ঘেষাঘেষি করে।
তাওহিদ তখন তরল হয়ে
নিন্ম পথে ঝরে।

শয়তানের হাড্ডির নাম
হিযবুত তাওহীদ।
আষাঢ় মাসে পাইতে আছে
পৌষ মাসের শীত।

মুসলমানদের কেউ তারা নয়
কাফেরদের দালাল।
বিশ্ব গোডাউন নাম দিয়াছে
ভিতরে নাই মাল।

কেয়ামতের আগে মানুষ মৃত্যু নিয়ে উপহাস করবে।

_____ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) 😭

প্রসঙ্গ ঃ ধনী হওয়া অপরাধ নয়, কেবল শুধুমাত্র অর্থের জন্যই ধনী হওয়া অপরাধ।

জীবনকে Control করুন
নাহলে জীবন একদিন
আপনাকে Control করবে।

মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন।
কারো সাথে হাত মেলাবার সময় দস্তানা পরতেন, মুখে মাস্ক লাগাতেন।

নিজের দেখাশোনা করার জন্য বাড়িতে 12 জন ডাক্তার নিযুক্ত করে ছিলেন,যারা তার মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত প্রতিদিন পরিক্ষা করতো।খাবার ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষা করে খাওয়ানো হত।

প্রতিদিন ব্যায়াম করানোর জন্য 15 জন লোক ছিল।
মাইকেল জ্যাকসন 150 বছর বেঁচে থাকার লক্ষ্যে এগিয়ে চলে ছিলেন।

Oxygen যুক্ত বেডে ঘুমাতেন।নিজের জন্য Organ Donar রেডি করে রেখেছিলেন।যাদের সমস্ত খরচ নিজে বহন করতেন,যাতে হঠাৎ দরকার পড়লেই তারা Kidney, Lungs,Eye etc organ মাইকেলকে দিতে পারে।

পারলেন না হেরে গেলেন। মাত্র 50 বছরে জীবনে।
25th June 2009 সালে ওনার হৃৎপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে গেল।
নিজের ঘরে থাকা 12 জন ডাক্তারের চেষ্টা কোনো কাজেই লাগলোনা।

Los Angeles, California র সমস্ত ডাক্তার একত্রে চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারলেন না।

জীবনের শেষ 25 বছর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একপাও চলতেন না।

যে নিজেকে 150 বছর বাঁচার স্বপ্ন দেখাতেন। তার স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।

মাইকেল জ্যাকসনের অন্তিমযাত্রা 2.5 million লোক Live দেখেছিল,যেটা আজ পর্যন্ত সব থেকে বড় Live telecast ছিল। তার মৃত্যু দিন অর্থাৎ 25th June 2009, 3.15pm Wekipedia, Twitter, AOL's Instant messagenger বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। Google's এ 8 lakh লোক একসাথে মাইকেল জ্যাকসন সার্চ করে ছিল। অতিরিক্ত সার্চের জন্য Google traffic জ্যাম হয়ে গিয়েছিল, প্রায় আড়াই ঘণ্টা Google কাজ করেনি।

মৃত্যুকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গিয়ে নিজেই চ্যালেঞ্জের কাছে হেরে গেলেন।

সাজানো পৃথিবীর,সাজানো জীবন স্বাভাবিক মৃত্যুর বদলে সাজানো মৃত্যুকেই আলিঙ্গন করে। এটাই নিয়ম।

(কিসের অহংকার, কিসের গর্ব,চারদিনের এই জীবনে
একদিন শুন্য হাতে, খালি পায়ে পৌছে যাবেন মৃত্যুর কাছে )

এবার একটু ভাবুন।

1.আমরা কি Builder, Engineer,Designer,Caterer, Decorator's দের জন্য রোজগার করে যাচ্ছি?

2. দামি বাড়ি,গাড়ি, বিলাসবহুল বিয়ে দেখিয়ে কাকে আমরা Impressed করছি?

3. আপনার নিজের কি মনে আছে দুদিন আগে কারো বিয়েতে কি কি খেয়ে ছিলেন?

4. জীবনের শুরু সময়ে কেন আমরা পশুর মত খেটে যাচ্ছি?

5. আগামী কত Generation এর ‌জন্য খাওয়া দাওয়া, লালন পালনের ব্যবস্থা করে যাবো?

6. আমাদের বেশিরভাগেরই 2টা করে সন্তান,কারো আবার একটা। আমাদের জীবনের প্রয়োজন কতটা আর কতটা পেতে চাই এটা কি ভেবেছেন?

7. আপনার কি মনে হয় আপনার সন্তানেরা রোজকার করতে পারবনা,তাই তাদের জন্য অতিরিক্ত Savings করা কি এতই দরকার?

8. আপনি কি সারা সপ্তাহে 1 দিনও নিজের পরিবার, বন্ধু বান্ধব,এমনকি নিজের জন্য খরচ করেন?

9. আপনার মাসিক আয়ের 5% ও নিজের খুশি ও আনন্দের জন্য ব্যয় করেন?

10. আমরা অর্থ উপার্জনের সাথেসাথে জীবনের আনন্দ কেন পাচ্ছিনা?

উত্তর হবে না না না!!!!!!!!!

ভাবতে ভাবতে হয়তো আগেই Slipp Disc, কোলস্টেরল, অনিদ্রা আপনার হার্ট ব্লক করে দেবে।

সারমর্ম:
নিজের আনন্দের জন্য সময় দিন।
আমরা কেউই কোনো সম্পত্তির মালিক নই, কেবল কিছু কাগজপত্রে অস্থায়ীরূপে আমাদের নাম লেখা থাকে।
যখন আমরা বলি "এই জায়গার মালিক আমি"
সৃস্টিকতা' তখন মুচকি হাসি হাসেন।
কারো সুন্দর গাড়ী,বাহারী পোশাক দেখে তার উপর বিচার করবেন না।
আমার জীবন মৃত্যুর মালিক কে ? একমাত্র আল্লাহ্‌।।।

মসজিদ, মন্দির কি অপূর্ব জায়গা,
এখানে গরীব মানুষ বাইরে আর ধনী
ব্যক্তি ভিতরে ভিক্ষা চায়।।
বিচিত্র এই দুনিয়ার কঠিন সত্য !!
বরযাত্রার সময় বর সবার পিছনে থাকে,
আর সমস্ত মানুষ আগে আগে
যায়।
কবরযাত্রায় মৃতদেহ সবার আগে
থাকে,আর মানুষজন পিছনে।
সমস্ত দুনিয়া সুখের দিনে আগে
থাকে আর দুঃখের দিনে পিছনে।
অপূর্ব তুমি স্রষ্টা!
আর অদ্ভুত তোমার লীলা !!
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষ কে
স্মরণ করা হয় !!
মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন
করা হয় !!
সারাটা জীবন বোঝা বোইলো
দেওয়ালের পেরেক টা !
আর মানুষ সুনাম করল পেরেকে
টাঙ্গানো ছবিটার !!
যে নুনের মতো তিতকুটে জ্ঞান
দেয়,সেই আসল বন্ধু হয়।
মিষ্টি কথার আড়ালে থাকে চতুর
অভিসন্ধির ভয়।
ইতিহাস সাক্ষী আছে আজ পর্যন্ত
নুনে কখনোই পোকা ধরেনি !!
আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই
পোকা। পিঁপড়েরাও ছাড়েনি।
সঠিক পথে মানুষ চলতেই চায়না। আর
বাঁকা পথে সবাই যেতে চায় !!
এই কারণেই মদ বিক্রেতা কে
কোথাও যেতে হয়না !
দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায়
পাড়ায়,লোকের দরজায় দরজায়
যেতে হয় !!
আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি
জল মেশাননি তো !!
আর মদ নিজ হাতে জল মিশিয়ে
খাই !!......
কি বিচিত্র আমরা!!! তাই না ????

মৃত্যুকে ভয় করুন,,কারণ মৃত্যু খুবই ভয়ংকর।
একটি হাদিস দিলাম পড়ে দেখুন।
.
"মৃতকে খাটে রেখে যখন লোকেরা কাধে তুলে নেয়্, সে নেককার হলে বলে, আমাকে তাড়াতাড়ি সামনে নিয়ে চল। আর সে নেককার না হলে নিজের পরিজনদের বলে, হায় তোমরা আমাকে কোথায় নিয়ে চলছ ?
মানুষ ছাড়া সকল বস্তু তার আওয়াজ শুনতে পায়্, মানুষ যদি তা শুনতে পেত, তবে বেহুশ হয়ে পরত।"
[সহীহ বুখারী : ১২৩৮]
.
ইয়া আল্লাহ আমাদের মৃত্যুকে তুমি শান্তিময় করে দিও। (আমিন)

প্রেসিডেন্ট হযরত উমর(রা)এর ঈদ শপিং!

প্রেসিডেন্ট উমর ইবনে আল খাত্তাব (রা) ২৩শে আগষ্ট ৬৩৪ থেকে ৩রা নভেম্বর ৬৪৪ সাল পর্যন্ত আরবের (দ্বিতীয় খলিফা হিসাবে) দায়িত্ব পালন করেন।

প্রায় অর্ধেক পৃথিবীর শাসক উমর (রা) এর খিলাফতের প্রথম দিকে আবু উবাইদা (রা) তখন অর্থমন্ত্রী হিসাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার দেখাশুনা করতেন।

ঈদের আগের দিন প্রেসিডেন্ট উমরের (রা) স্ত্রী নিজ স্বামীকে বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।

আরব জাহানের শাসক প্রেসিডেন্ট উমর (রা) বললেন, ‘আমার তো নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’।

পরে প্রেসিডেন্ট উমর (রা) তার অর্থমন্ত্রী আবু উবাইদা (রা) কে এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।

সমগ্র মুসলিম জাহানের প্রেসিডেন্ট যিনি, যিনি সেই সময় প্রায় অর্ধেক পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পেয়ে আবু উবাইদার (রা) চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন আবু উবাইদা (রা) বাহককে টাকা না দিয়ে চিঠির উত্তরে লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে।

প্রথমত, আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও দেশের জনসাধারণ আপনাকে সেই মেয়াদ পর্যন্ত খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’

চিঠি পাঠ করে প্রেসিডেন্ট উমর (রা) কোন প্রতি উত্তর তো করলেনই না, বরং এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে আবু উবাইদার (রা) জন্য দোয়া করলেন- একজন যোগ্য অর্থমন্ত্রী নির্বাচিত করতে পেরেছেন ভেবে।

সমুদ্রের মাঝখানে এক জাহাজ প্রচন্ড ঝড়ের মধ্যে পরে লন্ডভন্ড হয়ে গেল। সেই জাহাজের বেঁচে যাওয়া এক যাত্রী ভাসতে ভাসতে এক নির্জন দ্বীপে এসে পৌছালো। জ্ঞান ফেরার পর প্রথমেই সে আল্লাহর কাছে প্রাণখুলে ধন্যবাদ জানালো তার জীবন বাঁচানোর জন্যে। প্রতিদিন সে দ্বীপের তীরে এসে বসে থাকতো যদি কোনো জাহাজ সেদিকে আসে এই আশায়।কিন্তু প্রতিদিনই তাকে হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হতো।সে সমুদ্রতীরে তার জন্যে একটা ছোট ঘর তৈরী করে ফেললো। সমুদ্রের মাছ ধরে এবং বন থেকে ফলমূল শিকার করে খেয়ে সে বেঁচে থাকলো।
সে একদিন খাবারের খোঁজে বনের মধ্যে গেল। বন থেকে সে যখন ফিরে এলো তখন দেখলো যে তার রান্না করার চুলা থেকে আগুন লেগে পুরো ঘরটিই ছাই হয়ে গিয়েছে এবং তার কালো ধোঁয়ায় আকাশ ভরে গিয়েছে।লোকটি চিৎকার করে উঠলো,
‘হায় আল্লাহ,তুমি আমার ভাগ্যে এটাও রেখেছিলে!’
পরদিন সকালে এক জাহাজের আওয়াজে তার ঘুম ভাঙলো।জাহাজটি সেই দ্বীপের দিকে তাকে উদ্ধার করার জন্যই আসছিলো। সে অবাক হয়ে বললো,
‘তোমরা কিভাবে জানলে যে আমি এখানে আটকা পরে আছি!’
জাহাজের ক্যাপ্টেন জানালো,‘তোমার জ্বালানো ধোঁয়ার সংকেত দেখে।
কোন কোন সময় বিপদ ও সুখের বার্তা নিয়ে আসে। তাই আমাদের উচিত বিপদে ধৈর্য ধারণ করা।
"যে ব্যাক্তি বিপদে ধৈর্য্যধারন করতে পারবে সে কখনো সফলতা থেকে বঞ্চিত হবেনা হয় তবা সফলতা আসতে একটু সময় লাগতে পারে"
---হযরত আলী (রাঃ)।

আমাদের 🇧🇩দেশে নারী সমাজ কত দুর আগাই ছে
নিজ চোঁখে দেখুন 🚭🚭🚭🚭🏃

পিক সংগৃহিত.......

শীতল হাওয়া বইছে
ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ছে ঘরের চালে...
প্রভু সব তোমার অনুগ্রহ আলহামদুলিল্লাহ

বিবাহিত কাপলদের জন্যঃ
একবার একলোক একজন শাইখের কাছে প্রশ্ন করল-
হে শাইখ, আমি বিয়ে করেছি কয়েকবছর হলো এবং আমার সন্তান-সন্তানাদি আছে।
কিন্তু আমি কয়েক মাস যাবত থেকে খেয়াল করছি আমার স্ত্রীর প্রতি আমি আগের মত আর ভালোবাসা অনুভব করছি না। সে আমাকে আগের মত আর আকর্ষণ করে না।
শাইখঃ কেন?
তার কোন এক্সিডেন্টে অঙ্গহানি হয়েছে?
সে কি তার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলেছে?
তার কি ওজন কমে গেছে?
লোকটি জবাব দিলঃ না!
তার সব কিছু ঠিকই আগের মতই আছে।
শাইখ জিজ্ঞেস করলেনঃতাহলে কি তুমি রাস্তায় চলতে
দৃষ্টির খেয়ানত করো? বেগানা নারীদের থেকে নিজের দৃষ্টির হিফাজাত করো না?
তুমি কি পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত কিংবা যেকোন ধরনের অশ্লীলতার সাথে জড়িত?
লোকটি বিস্ময়াভিভূত হয়ে উত্তর দিলঃ হ্যা!
কিন্তু আপনি কিভাবে জানলেন?
শাইখ জবাব দিলঃ যখন তুমি হারামে আসক্ত হয়ে পড়বে,যখন তুমি হারামকে ভালোবাসতে শুরু করবে, যখন হারাম খাবে, হারামে ঘুমাবে আর হারামের মধ্যেই নিঃশ্বাস নিবে তখন হালাল তোমার কাছে অসহ্য,অসুন্দর, অনাকার্ষণীয় আর বিরক্তিকর মনে হবে -এটাই স্বাভাবিক।

সেক্স হচ্ছে ক্ষুধার মতো ৷ ক্ষুধা লাগলে যেমন খাবার প্রয়োজন হয় , তেমনি নারী পুরুষ একটি নির্দিষ্ট বয়সে উপনীত হলে তাদের যৌন চাহিদা সৃষ্টি হয় ৷ এটা আল্লাহর একটি সৃষ্টি ৷ তাই প্রতিটি ছেলে মেয়ের অল্প বয়সে বিবাহ হওয়াটাই শ্রেয় ৷ কিন্তু আমাদের সমাজে পড়াশোনার নামে , ক্যারিয়ার গড়ার নামে নির্দিষ্ট সময় থেকে অনেক পরে ছেলেমেয়েদের বিবাহ দেয়া হয় ৷ ফলে যৌন চাহিদার বর্শবর্তি হয়ে যেনা ব্যভিচারে পা বাড়ায় যুবক যুবতীরা ৷ আর এমনটা হওয়াই স্বাভাবিক ৷ কারণ আপনি যদি একটি বিড়াল পালেন , আর তাকে খেতে না দেন তাহলে সুযোগ পেলেই বিড়াল আপনার হাড়ির খাবার চুরি করবে ৷ অভিভাবকরা ইচ্ছে করেই ছেলেমেয়ের বিয়ে দেরীতে দিচ্ছে , সুতরাং যেনা তো হবেই ৷ আপনার মেয়ে অন্য ছেলের সাথে তো পালাবেই ৷ এটা আপনারই কর্মফল ৷ সরকারি বিধান মোতাবেকও যদি একজন নারীর বিয়ের বয়স ১৮ বছর এবং একজন পুরুষের বিয়ের বয়স ২১ বছর হয় তারপরও অভিভাবকেরা ছেলের বয়স নিয়ে গেছে ৩৫ এ এবং মেয়ের বয়স নিয়ে গেছে ২৮এ ৷ অথচ ইসলামিক রাষ্ট্রে ছেলে মেয়েদের এত দেরীতে বিবাহ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই ৷ অভিভাবকের কাছে এখন বিবাহ হয়ে গেছে কঠিন আর যেনা হয়েছে সহজ ৷ এর জন্য এই সমস্ত দীনহিন অভিভাবকরাই দায়ী !!!

বউকে খুশি করার ৬টি সহজ উপায়
১. অফিস থেকে বাসায়ে ফিরে প্যান্ট থেকে মানিব্যাগ বের করে তার হাতে ধরিয়ে দিন
২.পিছনে নয়,তার সামনে গুণগান করুন
৩.বউ ঘুমানোর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিন
৪.নিজের খাওয়া শেষ হওয়ার পরেও তার শেষ হওয়া পর্যন্ত বসে থাকুন
৫. দুপুরে/ সন্ধায়ে কাজের ফাকে কল করে খোজ নিবেন কি করছে, খেয়েছে কি না।
৬. প্রতিদিন না পারলেও সপ্তাহে একদিন বাসায়ে আসার সময়ে চকলেট , ফুল , চটপটি , আইসক্রিম যেকোন একটা দিয়ে সারপ্রাইজ দিবেন।
মেয়েরা ছোট ছোট জিনিস আর সারপ্রাইজ গুলা আজীবন মনে রাখে
ভালো থাকুক সকলের সংসার,খুশি থাকুক সকল জামাইদের বউ।
আমি কিন্তু সিঙ্গেল পোলা😊😊😊

মেয়েদের শরীরের সব
থেকে আকর্ষণীয় অঙ্গ
হলো তাদের " স্তন "
.
কিন্তু দুঃখের বিষয়
বর্তমানে ৯৬%
মেয়েরা তাদের বুকের
ওড়না গলায়
পেচিয়ে বুক
টানটান করে
পথঘাটে চলাফেরা করে।।
.
অথচ ওড়নাটা কিন্তু
বুক ডেকে রাখার জন্য।
.
আর কিছু মেয়েরা নাভি বের
করে পাতলা জর্জেট
বা সিল্কের শাড়ির
সঙ্গে পিঠে ৩
ইঞ্চি ঘেরা দেওয়া
বাউজ পরে বুক
টানটান করে কোমর
দোলাতে দোলাতে
বাইরে চলাফেরা করেন।
.
এই অবস্থা দেখলে 6০
বছরের বুড়োর যৌবনে
ধাক্কা দেবে।
মন চাইবে.........! !
.
আপুরা কিসের
জন্য শরীরটা
খোলামেলা রাখেন?
.
পুরুষের দৃষ্টি
আকর্ষণের জন্য ??
.
শ্রদ্ধেয় মা-বোনেরা
একবার ও ভেবে
দেখেছেন আপনাদের
শরীরটা খোলামেলা দেখার
অধিকার একমাত্র
আপনার স্বামীর,
পর পুরুষের নয়।
.
আপনাদের কি একটু
লজ্জা করে না
এরকম চলতে??
.
আপনাদের কারনে
ধ্বংস হচ্ছে যুব
সমাজ, গোটা দেশ।
.
মা-বোনদের আমি
অনুরোধ করছি,
.
প্লীজ আপনারা মানসম্মত
পোষাক পরে চলাফেরা করুন।
তাহলে প্রকৃত সম্মান পাবেন।
------------------------------
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন।

এই রকম অনেক চুরি হইছে ধরা পড়ছে হাতে গোনা কইটা???
দেশটায় তো চোরের খনি হইয়া গেছে😀

পৃথিবীতে মনে হয় বাংলাদেশই অদ্ভূত দেশ,যেখানে অপরাধীরা অপরাধ করেও মুক্তি পায় রাজনৈতিক কোটায়!!
বিশ্বজিত তোমার কাছে আমরা লজ্জিত, ক্ষমা করো আমাদের।

➖ধর্ষন কারীর আগে সেইসব উকিলদের ফাঁসি দেওয়া উচিৎ?✅😠🖕🤔

যারা ধর্ষনকারীর হয়ে কেস লড়ছেন।✔😓💯😔

#কি লাভ হলো হিজাব /পর্দা করে।তাই সবাইকে অনুরোধ করবো আপনী যদি আসলে ইসলামকে ভালোবেসে জাহান্নামের আগুনকে ভয় করে পর্দা করেন তাহলে ফ্যাসন পরিত্যাগ করুন।

⏩হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মতো নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তবে পুরুষদের সাথে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে। তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।’ উম্মাহাতুল মুমিনীনগণের কেউ যদি পরপুরুষের সাথে কথাবার্তা বলতেন, তবে মুখে হাত রেখে বলতেন, যাতে কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়ে যায়। (সূরা আহজাবঃ আয়াত-৩২)

⏩স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোনো নারীর কাছেও যেও না। কারণ, শয়তান তোমাদের যেকোনো একজনের মধ্যে রক্তের মতো প্রবাহিত হয়।’ (তিরমিজি)।

⏩মহানবী সাঃ বলেছেন, ‘যদি কেউ এমন কোনো নারীর ‘হস্ত’ স্পর্শ করে যার সাথে তার কোনো বৈধ সম্পর্ক নেই তাহলে পরকালে তার হাতের ওপরে জ্বলন্ত অগ্নি রাখা হবে।’ প্রিয় নবী সাঃ আরো বলেছেন, ‘যদি কেউ তোমার বিনা অনুমতিতে তোমার গৃহে উপস্থিত হয়, তারপর তুমি তার ওপর কঙ্কর নিক্ষেপ করে তার চক্ষু কানা করে দাও, তাতে কোনো গোনাহ হবে না। (মুসলিম)

⏩মহিলারা যখন বাইরে যায়, শয়তান তখন তাদের পিছু নেয়। শয়তান ওই মহিলার রূপের ভেতর আকর্ষণ সৃষ্টি করে পুরুষের চোখে তুলে ধরে, আর তখনই উভয়ের জিনার গুনাহ হয়। নবীজি সাঃও এ ব্যাপারে বলেছেন, নারীরা পর্দার আড়ালে থাকার জিনিস। (তিরমিজি)।
তাই যখনই কোনো পর্দাহীন নারীর প্রতি কোনো পুরুষের দৃষ্টিপাত হয়, তখন তার মনে চাঞ্চল্য উপস্থিত হয়। আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তখন তাকে পাওয়ার জন্য নানা ছল-চাতুরীর আশ্রয় গ্রহণ করে থাকে।

⏩বেপর্দা নারীগণের নির্লজ্জ আচরণকে কেন্দ্র করে শয়তান তার অনুসারীদের দ্বারা অশ্লীল, অশালীন ও জঘন্যতম পাপের কাজ করিয়ে নেয়। তোমরা (নারীগণ) নিজগৃহে অবস্থান করো। বর্বর যুগের সৌন্দর্য প্রদানের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করিও না। (সূরা আহজাবঃ আয়াত-২৩)।

⏩নবী করিম সাঃ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে পর পুরুষের যাতায়াতকে আপত্তিজনক মনে না করে তাকে শরিয়তের ভাষায় ‘দাইউস’ বলা হয়। আর ‘দাইউস’ কখনো বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং দাইউসকে ৫০০ বছরের দূরত্ব থেকে দোজখে ফেলে দেয়া হবে। দাইউসের জন্য বেহেশত হারাম। (আল হাদিস)

⏩যে স্ত্রী কিংবা পুরুষ একে অন্যের প্রতি ইচ্ছাপূর্বক খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে তার চোখে গরম সিসা ঢেলে দেয়া হবে। (আল হাদিস)
নারীদের সৌন্দর্য গোপন রাখার বস্তু। সৌন্দর্য বলতে নারীদের পুরো শরীর বোঝায়। বেগানা নারী-পুরুষের নির্জনে ওঠাবসা ও চলাফেরা হারাম। কারণ, শয়তান তখন

রমজান মাসে এত বড় শয়তান আসলো কই থেকে 😂

#দরবেশ বাবার কেরামতি!

পাসপোর্ট অফিসে গেলাম একটা জরুরি পাসপোর্ট করার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কত দিন লাগবে। বল্লেন সাধারনত ১২ দিনে পাওয়ার কথা। তবে এখন বই সংকট। ১ মাসও লাগতে পারে। মন খারাপ করে বাইরে চলে এলাম। অমনি এক দরবেশ বাবা ডাক দিলো। হে বৎস, মন খারাপ করে কোথায় যাচ্ছিস? তোর কি লাগবে আমাকে বল। বললাম, বাবা আমার জরুরি পাসপোর্ট দরকার। কিন্তু ওনারা বলছে ১ মাসও লাগতে পারে।

হোক মাওলা, দেখি তোর কাগজপত্র গুলো। তারপর দরবেশ বাবা আমার কাগজ গুলো নিয়ে ফচাৎ করে ছিড়ে ফেললেন। তারপর নতুন ফরম দিয়ে বললেন এটা পুরন কর। বললাম, বাবা আমিতো অরিজিন্যাল কুমিল্লার রসমালাইর মতো খাটি ফার্স্ট ক্লাশ গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে এনেছিলাম। এখন আবার গ্যাজেটেড কর্মকর্তা পাব কোথায়?

বাবা বললেন, আমার চেয়ে বড় কর্মকর্তা আর কে আছেরে এই জগতে। তুই পূরণ কর। সত্যায়িত আমি করব। ফরম পূরণ করে বাবার হাতে দিলাম। বাবা বললেন হাদিয়া দিয়ে ছবি তুলে তুই যাগা। ঠিক ৪ দিন পর তোকে স্বপ্নে কল দেব। এসে বই নিয়ে যাবি।
বলেন কি বাবা, মাত্র ৪ দিন! এ কি করে সম্ভব! সত্যি করে বলেন বাবা, আপনি মানুষ নাকি জিবন্ত অলি? পাসপোর্ট অফিসের লোকজন বলে ১ মাস লাগবে। আর সরকারি নিয়মে ১২ দিনের নিচে কোন ভাবেই বই পাওয়া যায় না, কিন্তু আপনি ৪ দিনে কিভাবে দেবেন?
এসব তুই বুঝবি নারে, সব উপরওয়ালার লীলা খেলা। তারাতারি টাকাটা দে, উপর ওয়ালাকে দিয়ে আসি।

৬.৫ হাজার সরকারি ফি। আর বাবার হাদিয়া ৮ হাজার। মোট ১৪.৫ হাজার টাকা দিলাম। বাবা কাগজগুলো নিয়ে উপরওয়ালার কাছে চলে গেলেন। এই টাকার ভাগ বাবা একা নেবেন না। ভাগ পাবেন বাবা, তার বাবা, তার বাবা পর্যন্ত। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুলিশ বাড়িতে যাবে না ভেরীফিকেশন করতে?
বাবা বললেন তুইতো ভেরী বোকা লোকরে। পুলিশের দুই চোখে দুইটা কচকচে নোট নিয়ে চাপ দিয়ে একটা ফু দেব, অমনি তোর বাড়ি ঘর সব স্বপ্নে ভেরীফিকেশন করে ফেলবে। সব উপর ওয়ালার লীলা খেলারে। হোক মাওলা।

ঠিক চার ওয়ার্কিং ডে এর পর আজকে বাবা কল দিলেন। আয় বৎস পাসপোর্ট নিয়ে যা। আজকে ১৫মে, অথচ ডেলিভারী স্লিপে লিখা ডেলিভারী ডেট ১৯ মে ২০১৯।
সত্যি দরবেশ বাবার হেকমত বড় কড়া। আমি বাবার চরন দুটিতে লুটিয়ে পড়লাম। বাবা আপনিই সেরা। আপনার পদধুলি দেন।

হাসপাতাল, বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস,ভূমি অফিস সহ সরকারী সব প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে এমন অনেক দরবেশ বাবা দলে দলে বসে জিকির আসগারে মত্ত আছেন। উপর ওয়ালার সাথে উনাদের ডাইরেক্ট কানেকশন।
😂😂

ফাসি চাই এই কুলাংগারের......।

মাত্র একটি শেয়ার করে, সমাজের খারাপ চরিত্রের লোক গুলোকে চিহ্নিত করে, ভালো চরিত্রের লোক গুলোকে যাচাই করার সুযোগ করে দিন।।

সবাইর মতামত আশা করি।....

মুসলিম দেশে তাকে
একথা বলার সাহস কে দিল?????

তাকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভাবে বয়কট
করা হোক!!

এসব কুলাংগারকে দেশ থেকে
বহিঃস্কার করা হোক!!!"

পবিত্র মাহে রমজানে এই মানুষ গুলাকে তার প্রাপ্য ভাড়া থেকে ৫-১০ টাকা বাড়িয়ে দিন..... 😥😥

ইফতার আমাকে শিক্ষা দেয়,এক সেকেন্ড আগেও আল্লাহর হুকুম লঙ্ঘন করা যাবে না।

কেও আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারবেন কি?
টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা), ময়মনসিংহ এর সামনের এই ভাস্কর্য টি আমাদের কি শিক্ষা দেয়?

মানুষ মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করে,জাহান্নাম থেকে নয়।অথচ চেষ্টা করলে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে,মৃত্যু থেকে নয় ।

#ছিদ্রযুক্ত বালতি এবং আমাদের রোযা.....
.
পুকুরঘাট থেকে আপনি এক বালতি পানি আনতে গেলেন। হাঁটার সময় ঝাঁকুনিতে পানি যাতে উপচে না পড়ে সেজন্য বালতির উপর একটি ঢাকনা লাগালেন। কিন্তু বালতি নিয়ে যখন ঘরে ফিরলেন, তখন দেখলেন অর্ধেক বালতি খালি অথবা পুরো বালতিতে কোনো পানি নেই।
.
এতো কষ্ট করে পানি ভর্তে করলেন, পানি যাতে না পড়ে সেজন্য ঢাকনা লাগালেন, কষ্ট করে বালতি বয়ে আনলেন, তবুও বালতিতে পানি নেই কেনো? কারণ, আপনি খেয়ালই করেননি যে, বালতিতে অনেকগুলো ছিদ্র ছিলো। বালতির সব পানি ছিদ্র দিয়ে পড়ে গেছে। যার ফলে পুরো কষ্টটাই বিফলে গেলো।
.
.
রোযা রাখাকে আমরা মনে করি কেবল না খেয়ে থাকা। রোযা আর উপোসের মধ্যে আমরা কোনো পার্থক্য রেখা টানি না। আমরা ধরেই নিয়েছি ফজরের ওয়াক্ত থেকে মাগরিবের ওয়াক্ত পর্যন্ত না খেয়ে থাকার নামই মনে হয় রোযা। অথচ রোযা মানে স্রেফ না খেয়ে থাকা নয়।
.
রোযা মাসে আমরা অনেকেই হেলায় সময় নষ্ট করি। অযথা বকবক করি। রোযা রেখে টাইম-পাস করার জন্য মুভি দেখি, আড্ডা দেই, গান শুনি, খেলা দেখি। আর আড্ডার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে থাকে মিথ্যাচার আর অন্যের সমালোচনা (গিবত)। সারাদিন উপোস থাকার দরুন অনেক সময় মন-মেজাজ ভালো থাকে না। রাগের বশে কখনো কাউকে গালি দেই, কখনো বা মারামারি করি। এভাবে কোনোরকম কষ্ট করে দিন কাটিয়ে দিতে পারলেই মনে করি যে, আমিতো রোযা রেখে ফেলছি।
.
অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “কতো রোযাদার আছে, যাদের রোযার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না।” (সুনানে ইবনে মাজাহঃ ১৬৯০)
.
অর্থাৎ, স্রেফ উপোস থেকে দিন কাটানোর নামই রোযা নয়। রোযা রাখার সংযমটা প্রকাশ পাবে আমাদের কথাবার্তায়, আচার-আচরণে। রোযা রেখে যদি মিথ্যে কথা বলি, ফেসবুকে মিথ্যাচার ছড়াই, কমেন্ট বক্সে গালাগালি করি, সারাদিন আরেকজনে দোষ খোঁজায় ব্যস্ত থাকি, রিক্সা চালককে চড়-থাপ্পড় দেই, তাহলে আমার সেই রোযা রাখার মানেটাই বা কী? এই রোযা রেখে আমি তো স্রেফ উপোস থাকলাম!
.
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা এবং সেই অনুযায়ী আমল ত্যাগ করেনি, তার এই পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (সহীহ বুখারীঃ ১৯০৩)
.
আমাদের রোযা রাখা যেন বালতিতে করে পানি আনা লোকটির মতো না হয়। লোকটি কষ্ট করে পানি আনলো ঠিকই, কিন্তু ঘরে এসে দেখলো বালতিতে পানি নেই। বালতির উপরে ঢাকনা দিলেও এর চারপাশে ছিলো ছিদ্র। আমাদের রোযাও যেন স্রেফ উপোস থাকার জন্য না হয়; সকল ছিদ্র যেন বন্ধ থাকে। নতুবা দেখবো, কষ্ট করে রোযা রাখলাম ঠিকই, কিন্তু এই রোযার ফলে ক্ষুধার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই পেলাম না!
.
আল্লাহ তাওফিকদাতা।

19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3623 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4053 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4208 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ