About Abu Bakkar

➖ধর্ষন কারীর আগে সেইসব উকিলদের ফাঁসি দেওয়া উচিৎ?✅😠🖕🤔

যারা ধর্ষনকারীর হয়ে কেস লড়ছেন।✔😓💯😔

#কি লাভ হলো হিজাব /পর্দা করে।তাই সবাইকে অনুরোধ করবো আপনী যদি আসলে ইসলামকে ভালোবেসে জাহান্নামের আগুনকে ভয় করে পর্দা করেন তাহলে ফ্যাসন পরিত্যাগ করুন।

⏩হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মতো নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো তবে পুরুষদের সাথে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে। তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।’ উম্মাহাতুল মুমিনীনগণের কেউ যদি পরপুরুষের সাথে কথাবার্তা বলতেন, তবে মুখে হাত রেখে বলতেন, যাতে কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়ে যায়। (সূরা আহজাবঃ আয়াত-৩২)

⏩স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোনো নারীর কাছেও যেও না। কারণ, শয়তান তোমাদের যেকোনো একজনের মধ্যে রক্তের মতো প্রবাহিত হয়।’ (তিরমিজি)।

⏩মহানবী সাঃ বলেছেন, ‘যদি কেউ এমন কোনো নারীর ‘হস্ত’ স্পর্শ করে যার সাথে তার কোনো বৈধ সম্পর্ক নেই তাহলে পরকালে তার হাতের ওপরে জ্বলন্ত অগ্নি রাখা হবে।’ প্রিয় নবী সাঃ আরো বলেছেন, ‘যদি কেউ তোমার বিনা অনুমতিতে তোমার গৃহে উপস্থিত হয়, তারপর তুমি তার ওপর কঙ্কর নিক্ষেপ করে তার চক্ষু কানা করে দাও, তাতে কোনো গোনাহ হবে না। (মুসলিম)

⏩মহিলারা যখন বাইরে যায়, শয়তান তখন তাদের পিছু নেয়। শয়তান ওই মহিলার রূপের ভেতর আকর্ষণ সৃষ্টি করে পুরুষের চোখে তুলে ধরে, আর তখনই উভয়ের জিনার গুনাহ হয়। নবীজি সাঃও এ ব্যাপারে বলেছেন, নারীরা পর্দার আড়ালে থাকার জিনিস। (তিরমিজি)।
তাই যখনই কোনো পর্দাহীন নারীর প্রতি কোনো পুরুষের দৃষ্টিপাত হয়, তখন তার মনে চাঞ্চল্য উপস্থিত হয়। আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তখন তাকে পাওয়ার জন্য নানা ছল-চাতুরীর আশ্রয় গ্রহণ করে থাকে।

⏩বেপর্দা নারীগণের নির্লজ্জ আচরণকে কেন্দ্র করে শয়তান তার অনুসারীদের দ্বারা অশ্লীল, অশালীন ও জঘন্যতম পাপের কাজ করিয়ে নেয়। তোমরা (নারীগণ) নিজগৃহে অবস্থান করো। বর্বর যুগের সৌন্দর্য প্রদানের মতো সৌন্দর্য প্রদর্শন করিও না। (সূরা আহজাবঃ আয়াত-২৩)।

⏩নবী করিম সাঃ বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে পর পুরুষের যাতায়াতকে আপত্তিজনক মনে না করে তাকে শরিয়তের ভাষায় ‘দাইউস’ বলা হয়। আর ‘দাইউস’ কখনো বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে না এবং দাইউসকে ৫০০ বছরের দূরত্ব থেকে দোজখে ফেলে দেয়া হবে। দাইউসের জন্য বেহেশত হারাম। (আল হাদিস)

⏩যে স্ত্রী কিংবা পুরুষ একে অন্যের প্রতি ইচ্ছাপূর্বক খারাপ দৃষ্টিতে তাকাবে তার চোখে গরম সিসা ঢেলে দেয়া হবে। (আল হাদিস)
নারীদের সৌন্দর্য গোপন রাখার বস্তু। সৌন্দর্য বলতে নারীদের পুরো শরীর বোঝায়। বেগানা নারী-পুরুষের নির্জনে ওঠাবসা ও চলাফেরা হারাম। কারণ, শয়তান তখন

রমজান মাসে এত বড় শয়তান আসলো কই থেকে 😂

#দরবেশ বাবার কেরামতি!

পাসপোর্ট অফিসে গেলাম একটা জরুরি পাসপোর্ট করার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কত দিন লাগবে। বল্লেন সাধারনত ১২ দিনে পাওয়ার কথা। তবে এখন বই সংকট। ১ মাসও লাগতে পারে। মন খারাপ করে বাইরে চলে এলাম। অমনি এক দরবেশ বাবা ডাক দিলো। হে বৎস, মন খারাপ করে কোথায় যাচ্ছিস? তোর কি লাগবে আমাকে বল। বললাম, বাবা আমার জরুরি পাসপোর্ট দরকার। কিন্তু ওনারা বলছে ১ মাসও লাগতে পারে।

হোক মাওলা, দেখি তোর কাগজপত্র গুলো। তারপর দরবেশ বাবা আমার কাগজ গুলো নিয়ে ফচাৎ করে ছিড়ে ফেললেন। তারপর নতুন ফরম দিয়ে বললেন এটা পুরন কর। বললাম, বাবা আমিতো অরিজিন্যাল কুমিল্লার রসমালাইর মতো খাটি ফার্স্ট ক্লাশ গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে এনেছিলাম। এখন আবার গ্যাজেটেড কর্মকর্তা পাব কোথায়?

বাবা বললেন, আমার চেয়ে বড় কর্মকর্তা আর কে আছেরে এই জগতে। তুই পূরণ কর। সত্যায়িত আমি করব। ফরম পূরণ করে বাবার হাতে দিলাম। বাবা বললেন হাদিয়া দিয়ে ছবি তুলে তুই যাগা। ঠিক ৪ দিন পর তোকে স্বপ্নে কল দেব। এসে বই নিয়ে যাবি।
বলেন কি বাবা, মাত্র ৪ দিন! এ কি করে সম্ভব! সত্যি করে বলেন বাবা, আপনি মানুষ নাকি জিবন্ত অলি? পাসপোর্ট অফিসের লোকজন বলে ১ মাস লাগবে। আর সরকারি নিয়মে ১২ দিনের নিচে কোন ভাবেই বই পাওয়া যায় না, কিন্তু আপনি ৪ দিনে কিভাবে দেবেন?
এসব তুই বুঝবি নারে, সব উপরওয়ালার লীলা খেলা। তারাতারি টাকাটা দে, উপর ওয়ালাকে দিয়ে আসি।

৬.৫ হাজার সরকারি ফি। আর বাবার হাদিয়া ৮ হাজার। মোট ১৪.৫ হাজার টাকা দিলাম। বাবা কাগজগুলো নিয়ে উপরওয়ালার কাছে চলে গেলেন। এই টাকার ভাগ বাবা একা নেবেন না। ভাগ পাবেন বাবা, তার বাবা, তার বাবা পর্যন্ত। বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, পুলিশ বাড়িতে যাবে না ভেরীফিকেশন করতে?
বাবা বললেন তুইতো ভেরী বোকা লোকরে। পুলিশের দুই চোখে দুইটা কচকচে নোট নিয়ে চাপ দিয়ে একটা ফু দেব, অমনি তোর বাড়ি ঘর সব স্বপ্নে ভেরীফিকেশন করে ফেলবে। সব উপর ওয়ালার লীলা খেলারে। হোক মাওলা।

ঠিক চার ওয়ার্কিং ডে এর পর আজকে বাবা কল দিলেন। আয় বৎস পাসপোর্ট নিয়ে যা। আজকে ১৫মে, অথচ ডেলিভারী স্লিপে লিখা ডেলিভারী ডেট ১৯ মে ২০১৯।
সত্যি দরবেশ বাবার হেকমত বড় কড়া। আমি বাবার চরন দুটিতে লুটিয়ে পড়লাম। বাবা আপনিই সেরা। আপনার পদধুলি দেন।

হাসপাতাল, বিআরটিএ, পাসপোর্ট অফিস,ভূমি অফিস সহ সরকারী সব প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে এমন অনেক দরবেশ বাবা দলে দলে বসে জিকির আসগারে মত্ত আছেন। উপর ওয়ালার সাথে উনাদের ডাইরেক্ট কানেকশন।
😂😂

ফাসি চাই এই কুলাংগারের......।

মাত্র একটি শেয়ার করে, সমাজের খারাপ চরিত্রের লোক গুলোকে চিহ্নিত করে, ভালো চরিত্রের লোক গুলোকে যাচাই করার সুযোগ করে দিন।।

সবাইর মতামত আশা করি।....

মুসলিম দেশে তাকে
একথা বলার সাহস কে দিল?????

তাকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ভাবে বয়কট
করা হোক!!

এসব কুলাংগারকে দেশ থেকে
বহিঃস্কার করা হোক!!!"

পবিত্র মাহে রমজানে এই মানুষ গুলাকে তার প্রাপ্য ভাড়া থেকে ৫-১০ টাকা বাড়িয়ে দিন..... 😥😥

ইফতার আমাকে শিক্ষা দেয়,এক সেকেন্ড আগেও আল্লাহর হুকুম লঙ্ঘন করা যাবে না।

কেও আমাকে বুঝিয়ে বলতে পারবেন কি?
টিচার্স ট্রেনিং কলেজ (মহিলা), ময়মনসিংহ এর সামনের এই ভাস্কর্য টি আমাদের কি শিক্ষা দেয়?

মানুষ মৃত্যু থেকে বাঁচার চেষ্টা করে,জাহান্নাম থেকে নয়।অথচ চেষ্টা করলে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে,মৃত্যু থেকে নয় ।

#ছিদ্রযুক্ত বালতি এবং আমাদের রোযা.....
.
পুকুরঘাট থেকে আপনি এক বালতি পানি আনতে গেলেন। হাঁটার সময় ঝাঁকুনিতে পানি যাতে উপচে না পড়ে সেজন্য বালতির উপর একটি ঢাকনা লাগালেন। কিন্তু বালতি নিয়ে যখন ঘরে ফিরলেন, তখন দেখলেন অর্ধেক বালতি খালি অথবা পুরো বালতিতে কোনো পানি নেই।
.
এতো কষ্ট করে পানি ভর্তে করলেন, পানি যাতে না পড়ে সেজন্য ঢাকনা লাগালেন, কষ্ট করে বালতি বয়ে আনলেন, তবুও বালতিতে পানি নেই কেনো? কারণ, আপনি খেয়ালই করেননি যে, বালতিতে অনেকগুলো ছিদ্র ছিলো। বালতির সব পানি ছিদ্র দিয়ে পড়ে গেছে। যার ফলে পুরো কষ্টটাই বিফলে গেলো।
.
.
রোযা রাখাকে আমরা মনে করি কেবল না খেয়ে থাকা। রোযা আর উপোসের মধ্যে আমরা কোনো পার্থক্য রেখা টানি না। আমরা ধরেই নিয়েছি ফজরের ওয়াক্ত থেকে মাগরিবের ওয়াক্ত পর্যন্ত না খেয়ে থাকার নামই মনে হয় রোযা। অথচ রোযা মানে স্রেফ না খেয়ে থাকা নয়।
.
রোযা মাসে আমরা অনেকেই হেলায় সময় নষ্ট করি। অযথা বকবক করি। রোযা রেখে টাইম-পাস করার জন্য মুভি দেখি, আড্ডা দেই, গান শুনি, খেলা দেখি। আর আড্ডার বেশিরভাগ অংশ জুড়ে থাকে মিথ্যাচার আর অন্যের সমালোচনা (গিবত)। সারাদিন উপোস থাকার দরুন অনেক সময় মন-মেজাজ ভালো থাকে না। রাগের বশে কখনো কাউকে গালি দেই, কখনো বা মারামারি করি। এভাবে কোনোরকম কষ্ট করে দিন কাটিয়ে দিতে পারলেই মনে করি যে, আমিতো রোযা রেখে ফেলছি।
.
অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “কতো রোযাদার আছে, যাদের রোযার বিনিময়ে ক্ষুধা ছাড়া আর কিছুই জোটে না।” (সুনানে ইবনে মাজাহঃ ১৬৯০)
.
অর্থাৎ, স্রেফ উপোস থেকে দিন কাটানোর নামই রোযা নয়। রোযা রাখার সংযমটা প্রকাশ পাবে আমাদের কথাবার্তায়, আচার-আচরণে। রোযা রেখে যদি মিথ্যে কথা বলি, ফেসবুকে মিথ্যাচার ছড়াই, কমেন্ট বক্সে গালাগালি করি, সারাদিন আরেকজনে দোষ খোঁজায় ব্যস্ত থাকি, রিক্সা চালককে চড়-থাপ্পড় দেই, তাহলে আমার সেই রোযা রাখার মানেটাই বা কী? এই রোযা রেখে আমি তো স্রেফ উপোস থাকলাম!
.
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা এবং সেই অনুযায়ী আমল ত্যাগ করেনি, তার এই পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।” (সহীহ বুখারীঃ ১৯০৩)
.
আমাদের রোযা রাখা যেন বালতিতে করে পানি আনা লোকটির মতো না হয়। লোকটি কষ্ট করে পানি আনলো ঠিকই, কিন্তু ঘরে এসে দেখলো বালতিতে পানি নেই। বালতির উপরে ঢাকনা দিলেও এর চারপাশে ছিলো ছিদ্র। আমাদের রোযাও যেন স্রেফ উপোস থাকার জন্য না হয়; সকল ছিদ্র যেন বন্ধ থাকে। নতুবা দেখবো, কষ্ট করে রোযা রাখলাম ঠিকই, কিন্তু এই রোযার ফলে ক্ষুধার কষ্ট ছাড়া আর কিছুই পেলাম না!
.
আল্লাহ তাওফিকদাতা।

কোরআন নাযিলের মাসে আসুন কোরআন বুজতে চেষ্টা করি....
#সূরা_নাস...
#জীবনে কতবার পড়েছি...তার ইয়ত্তা নেই...
......কিন্তু কখনো এইভাবে ভেবে দেখেছেন কি...???
....আসুন পড়ি ও জানি....

‘বলুন আমি আশ্রয় চাইছি মানুষের রবের কাছে’

‘মানুষের অধিপতির (মালিক) কাছে’

‘মানুষের ইলাহ-র কাছে’

‘(আমি আশ্রয় চাই) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে যে দ্রুত আত্মগোপন করে’।

‘(আরো আশ্রয় চাইছি) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয় (তার কাছ থেকে)’

‘(এই কুমন্ত্রণাদাতারা হলো) জ্বীনদের মধ্য থেকে এবং মানুষদের মধ্য থেকে’।

এই সূরার শুরুতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা তাঁর তিনটা গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমটা হলো ‘রব’, দ্বিতীয়টা হলো ‘মালিক’ আর তৃতীয়টা হলো ‘ইলাহ’। এই গুণগুলোকে একশব্দে বা একবাক্যে বুঝানো কখনোই সম্ভব না। তবুও, যদি সংক্ষিপ্তাকারে বলতে হয়, তাহলে ‘রব’ মানে হলো পালনকর্তা। অর্থাৎ, যিনি আমার দেখভাল করেন। ‘মালিক’ মানে হলো ‘রাজা’, স্বত্ত্বাধিকারী। অর্থাৎ, আমি আগাগোড়া তারই। আমার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, আমার অন্তর-হৃদয়, মোদ্দাকথা, আমার সবকিছু তার দেওয়া। তিনি অনুগ্রহ করে সেগুলো আমাকে দিয়েছেন স্বত্ত্ববিহীন। এর উপর আমার কোন অধিকার নেই। কোন মালিকানা নেই। ‘ইলাহ’ মানে হলো যার ইবাদাত করা হয় বা করতে হবে।

এখন, আরেকটু সংক্ষিপ্তাসারেঃ

রব- যিনি আমার দেখভাল করেন।

মালিক- যিনি আমার সবকিছুর মালিক তথা স্বত্ত্বাধিকারি।

ইলাহ- যার ইবাদাত করা হয় বা করতে হবে।


সূরা আন-নাসে মোট ছয়টি আয়াত। প্রথম তিনটি আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা তার তিনটি গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। পরের তিনটি আয়াতে তিনি কার এবং কিসের কার্যকলাপ থেকে আমরা আশ্রয় চাইবো তার বর্ণনা দিয়েছেন।

তাহলে, সূরাটাকে আমরা দুইভাগে ভাগ করতে পারি। প্রথমভাগে প্রথম তিন আয়াত। দ্বিতীয় ভাগে পরের তিন আয়াত। প্রথম ভাগে আল্লাহর গুণের বর্ণনা। দ্বিতীয় ভাগে কোথা থেকে আশ্রয় চাইবো তার বর্ণনা। এবার, দুই ভাগ থেকে প্রথম দুটো আয়াত নিয়ে আগানো যাক।

প্রথম ভাগের প্রথম আয়াত- ‘আমি আশ্রয় চাইছি মানুষের রবের কাছে’।

দ্বিতীয় ভাগের প্রথম আয়াত- ‘(আমি আশ্রয় চাই) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে যে দ্রুত আত্মগোপন করে’।

অর্থাৎ, আমি আশ্রয় চাইছি মানুষের রবের কাছে। আমি আশ্রয় চাইছি যিনি মানুষকে লালন-পালন করেন। প্রতিপালন করেন। যিনি মানুষের দেখভাল করেন।

আমরা একটা দৃশ্য কল্পনা করার চেষ্টা করি। ছোটবেলায় আমাদের দেখাশুনা করেন কে? আমাদের মা। আমরা যখন বাইরে খেলতে গিয়ে ব্যথা পেতাম, যখন রাস্তায় পড়ে গিয়ে পা মচকে আসতাম- তখন আমাদের সেই ব্যথায়, সেই ক্ষতে মলম লাগাতো কে? আমাদের মা।

এখন, প্রথম আয়াতে ‘রব’ শব্দ দিয়ে আমরা আশ্রয় চাইছি তার কাছে যিনি মানুষের দেখভাল করেন। কোন জিনিস থেকে আশ্রয় চাইছি? শয়তানের ওয়াসওয়াসা তথা কুমন্ত্রণা থেকে। শয়তান কুমন্ত্রণা দিয়ে আমাদের অন্তরে একধরণের ক্ষতের সৃষ্টি করে। সেই ক্ষতে যদি মলম না লাগানো হয়, তাহলে সেটা ইনফেকশন হয়ে বড় ধরণের রোগে পরিণত হয়ে যেতে পারে। তাই, শয়তানের তৈরি করে দেওয়া ক্ষতে মলম দরকার। এখন, সেই মলম দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন কে? যিনি আমাদের দেখভাল করেন তিনিই। যিনি আমাদের লালন-পালন করেন তিনিই। যিনি আমাদের প্রতিপালক তিনিই। তিনি কে? তিনি হলেন ‘আল্লাহ’। একমাত্র তিনিই পারেন শয়তানের ওয়াসওয়াসার ফলে সৃষ্টি হওয়া ক্ষতে মলম লাগাতে। কেবলমাত্র তিনিই সারাতে পারেন এই ক্ষত। এই ক্ষমতা দুনিয়ার আর কারো নেই।

তাহলে, প্রথম ভাগের প্রথম আয়াতে ‘রব’ শব্দ ব্যবহার করে, তার সাথে দ্বিতীয় ভাগের প্রথম আয়াতের সাদৃশ্যটা বুঝতে পেরেছেন?

এবার প্রথম ভাগের দ্বিতীয় আয়াত হলো- (আমি আশ্রয় চাইছি) মানুষের মালিক তথা অধিপতির কাছে’।
আর, দ্বিতীয় ভাগের দ্বিতীয় আয়াত হলো- ‘যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয় (তার কাছ থেকে)’।

আগেই বলেছি, আমাদের সবকিছুর মালিক তথা স্বত্ত্বাধিকারি হলেন আল্লাহ। চলার পথে আমরা কিছু কিছু দেওয়ালে লেখা দেখি, ‘এই দেওয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ’। নিচে ছোট্ট করে লেখা থাকে, আদেশক্রমে কর্তৃপক্ষ। মানে হলো, দেওয়াল কর্তৃপক্ষের আদেশ হলো যে- এই দেওয়ালে পোস্টার লাগানো যাবেনা। দেওয়ালের মালিক কে? যিনি কর্তৃপক্ষ তিনিই।

এখন, মানুষকে কুমন্ত্রণ দেয় কে? শয়তান। কোথায় দেয়? মানুষের মনে। সেই ‘মন’- এর মালিক তথা স্বত্ত্বাধিকারি কে? মানে, কেই এই মন মানুষের শরীরে স্থাপন করেছেন? আল্লাহ। আমি কেবল এটার ধারণকারী মাত্র। এখন, মনের মধ্যে দেওয়া শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে আমি ঠিক এই অর্থেই আল্লাহর সাহায্য কামনা করছি এখানে। এই মনের যে আসল মালিক, যে আসল সত্ত্বাধিকারি, তাকেই বলছি এই মনকে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে হেফাজত করতে। অর্থাৎ, আমরা বলছি- মাবূদ! এই মনের আসল মালিক তো তুমিই। আমি কেবল এর ধারণকারী মাত্র। এটার উপর যে আঘাতগুলো আসে, এটাতে যে কুমন্ত্রণাগুলো আসে, সেগুলো হতে তুমি এটাকে রক্ষা করো...’।

প্রথম ভাগের শেষ আয়াত হলো- ‘(আমি আশ্রয় চাইছি) মানুষের ইলাহর কাছে’।
দ্বিতীয় ভাগের শেষ আয়াত হলো- এই কুমন্ত্রণাদাতারা হলো জ্বীনদের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে’।

খেয়াল করুন, আশ্রয় চাইছি কার কাছে? মানুষের ইলাহ-র কাছে। ইলাহ মানে কি? আগেই বলেছি- যার ইবাদাত করা হয় বা করতে হবে। তো, কাদের কাছ থেকে আশ্রয় চাইছি? কুমন্ত্রণাদানকারী জ্বীন (শয়তান জ্বীন জাতির অন্তর্ভুক্ত) এবং মানুষের মধ্য থেকে’।

আচ্ছা, প্রথম ভাগের শেষ আয়াতে ‘ইলাহ’ শব্দ আছে। আবার, দ্বিতীয় ভাগের শেষ আয়াতে আছে ‘জ্বীন এবং মানুষের কথা’।
ইলাহ মানে- যার ইবাদাত করা হয়।
আবার, সূরা আয-যারিয়াতে বলা হয়েছে,- ‘আল্লাহ জ্বীন এবং মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন তার ইবাদাত করার জন্য’।

প্রথমত, ওদিকে ‘ইলাহ’ শব্দের ব্যবহার, অন্যদিকে ‘জ্বীন এবং মানবজাতির’ কথা। কো-ইন্সিডেন্স? নাহ।

এই আয়াতে আমরা বলছি- আল্লাহ! জ্বীন এবং মানুষকে তো আপনি আপনার ইবাদাতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। এখন, যাদের আপনি সৃষ্টি করেছেন, তাদের ভিতরকার মেকানিজম তো আপনিই জানেন। যেহেতু তাদের মেকানিজম সম্পর্কে একমাত্র আপনিই জ্ঞাত, তাই এই মেকানিজম দ্বারা যদি তারা আমার কোন অনিষ্ট করতে চায়, সেই অনিষ্ট থেকে আমাকে উদ্ধারের মেকানিজমও আপনি জানেন। সুতরাং, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি। আমাকে রক্ষা করুন’।

তাহলে, প্রথম ভাগের প্রথম আয়াত = দ্বিতীয় ভাগের প্রথম আয়াত।
প্রথম ভাগের দ্বিতীয় আয়াত = দ্বিতীয় ভাগের দ্বিতীয় আয়াত।
প্রথম ভাগের শেষ আয়াত = দ্বিতীয় ভাগের শেষ আয়াত।

#তাবাব্বুরে_কুরআন
#সূরা_আন_নাস

গণিতে ফেইল করা ছেলেটির দেহ ঝুলছে সিলিং ফ্যান এ।পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়াটা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারে নি।বন্ধু-বান্ধব
,আত্মীয়-স্বজন,পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা মা-বাবার সামনে দাড়িয়ে তার ফলাফল জানানোর সাহস তার হয় নি।তার মাথায় শুধু একটা জিনিসই কাজ করছিল,কিভাবে সবার সামনে গিয়ে দাড়াবে?কি করে সমাজে মুখ দেখাবে?তাকে দেখে তো সবাই ছিঃ ছিঃ করবে,গালি দেবে মনে মনে।সবার চোখে হাসির খোরাক হয়ে যাবে সে।মা হয়ত খুব করে মারবে,বাবা বের করে দিবে বাসা থেকে।বন্ধুরা কেউ মিশবে না তার সাথে।প্রেয়সী হয়ত চলে যাবে তার জীবন থেকে।এসব কিছুই হয়ত তার মাথায় কাজ করছিল জীবনের চরমতম এই সিদ্ধান্তটি নেওয়ার আগে।তার মাথায় নিশ্চয়ই তখন সব নেগেটিভ চিন্তা কাজ করছিল।একটা পজেটিভ চিন্তা মাথায় আসলেও আজ সে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারত না,কার্যকর করা তো দূরের কথা।
.
বন্ধ ঘরে ছেলেটির মৃতদেহ যখন ঝুলছে,ছেলেটির মা দরজায় এসেসে কড়া নাড়ে।মা দরজার বাইরে থেকে বলছে,"মন খারাপ করিস না খোকা।তোর পছন্দের ইলিশ মাছের ঝুল রান্না করে এনেছি।খেয়ে নে বাবা।"এরপর বাবা এসে বলছে,"এ বছর হয় নি তো কি হইছে?পরেরবার ভালো রেজাল্ট করে সবাইকে দেখিয়ে দিবি।তোর জন্য নতুন বই আর কাপড় কিনে এনেছি।দেখ তো সব ঠিক আছে কিনা!"প্রিয় বন্ধু বাসার সামনে বাইক নিয়ে এসে বলছে,"কিরে ঘুরতে যাবি না?অনেকদিন তো হল দূরে কোথাও যাওয়া হয় না।চলনা দূরে কোথাও ঘুরে আসি!!"এরপর মুঠোফোনে প্রেয়সীর মুঠোবার্তা,"তোমার ফলাফলে তোমার প্রতি ভালোবাসা আমার একটুও কমে যায় নি;বরং আরও বেড়ে গেছে।পাশে আছি সবসময়।আমরা একসাথে বাচঁব।তুমি থাকবে তো আমার সাথে!!"
.
.
ছেলেটি ভীষণভাবে সাড়া দিতে চাইছে সবার ডাকে।মায়ের হাতের ইলিশ মাছের ঝুল খুব করে খেতে ইচ্ছে করছে।বাবার কথা অনুযায়ী ভালো ফলাফল করে দেখিয়ে দিতে ইচ্ছে করছে।বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে ছুটে বেড়াতে ইচ্ছে করছে।প্রেয়সীকে বুকে জড়িয়ে খুব করে বলতে ইচ্ছে করছে,"ভালোবাসি তোমায়,আজীবন থাকতে চাই তোমার সাথে।"সকলের এত ভালোবাসা দেখে আনন্দ উল্লাসে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করছে।ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে আপনজন,বন্ধুদের কাছে।তার কি মিনতি সকলের মাঝে ফেরার,চিৎকার করে কাঁদছে সে।কিন্তু সে তো কিছুতেই ফিরতে পারবে না।ইতিমধ্যে সে ইহলোক ছেড়ে অন্য জগতে পারি জমিয়েছে যেখান থেকে ফিরে আসার রাস্তা কারো জানা নেই।তার নির্বাসিত আত্মাটা সকলের কাছে গিয়ে চিৎকার করে কাঁদছে,মিনতি করছে।কিন্তু কেউ তাকে দেখছে না,বুঝতে পারছে না তার অস্তিত্ব।মায়ার ভরা এই সংসার ছেড়ে কিছুতেই যেতে ইচ্ছে করছে না তার।তবুও সে মৃত।নির্বাসিত আত্মাটা চলে গেছে,নিথর দেহটি ঝুলে আছে তার রিডিং রুম এর সিলিং ফ্যান এ।
.
.
.
এভাবেই প্রতিনিয়ত আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় অনেক তরুণ-তরুণী।জীবনের চরমতম সিদ্ধান্তটি নেওয়ার আগে ঠাণ্ডা মাথায় কেউ ভাবে না।তারা বুঝে না,বাবা মায়ের কাছে রেজাল্টের চেয়ে ছেলেমেয়ের জীবন বড়।আত্মহত্যার পূর্ব মুহূর্তে ১০০ টি চিন্তার ১০০ টিই নেগেটিভ আসবে।এর মধ্যে একটাও পজেটিভ চিন্তা আসলে কেউ কখনো আত্মহত্যা করতে পারত না।
.
.
.
আগামীকাল ৬ মে,২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।কেউ হয়ত ভালো ফলাফল করবে,আবার কেউ হয়ত আশানুরূপ ফলাফল করতে পারবে না।তাই বলে জীবনের মায়াকে তুচ্ছ করা যাবে না।নিজের জন্য না হোক,সকলের জন্য বাঁচতে হবে তোমাকে।অভিভাবকদের প্রতি আমার অনুরোধ,ছেলে মেয়েদের উপর পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে এমন কোন চাপ সৃষ্টি করবেন না যাতে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।সবসময় চেষ্টা করুন তাদের অনুপ্রানিত করার।আপনাদের এই অনুপ্রেরণাই পারে তরুন তরুণীদের এই বিকৃত চিন্তাধারা থেকে মুক্তি দিতে।এক্ষেত্রে কবির এই উক্তিটিই হয়ত উপযুক্ত,
"পারিব না এ কথাটি বলিও না আর,
কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার।
দশজনে পারে যাহা তুমিও পারিবে তাহা।
পার কিনা পার কর যতন আবার,
একবারে না পারিলে দেখ শতবার।"

খুব তো ডাকছিলা
" এসো হে বৈশাখ এসো এসো"🤔
এখন ফনী আসতেছে🙄
তাকে বসতে দিয়ো ঘরে 😜

***আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন***

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় 'ফণী'।
ঘূর্ণিঝড় ফণী গত ২৪ ঘন্টায় যে ভয়ংকর রুপ ধারন করেছে তাতে বাংলাদেশের মানুষের শংকার কারন আছে । সমুদ্র উপকুল থেকে ১০০০ কিলোমিটার দূরে থাকা অবস্থায় ঘন্টায় এর গতিবেগ ১৮০ কিলোমিটার কম কথা নয় । এর গতি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

আমরা কতটা প্রস্তুত ???

বিভিন্ন স্থানের আবহাওয়া এমূহুর্তে গুমোট, বৃষ্টিপাত নেই, বাতাস নেই। তাই বেড়েছে শংকা। তবে আতকিংত না হয়ে সতর্ক থাকুন সকলে। #প্রস্তুতি_নিন_ঘূর্ণিঝড়_মোকাবেলার। পর্যাপ্ত পরিমাণ মোমবাতি, দিয়াশলাই, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কিছু পরিধেয় বস্ত্র আলাদা করে মজুদ রাখুন। মোবাইল ফোন, চার্জার লাইট পর্যাপ্ত চার্জ দিয়ে রাখুন। প্রশাসনের ঘোষণা অনুসারে যতটা সম্ভব কাছাকাছি আশ্রয়কেন্দ্র, উঁচুস্থান বা কোন ভবনে আশ্রয়ে যাবার প্রস্তুতি রাখুন। যাবার সময় কোন পোষা পশু-পাখি থাকলে তাদেরও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন।
চট্টগ্রামে ৪ লাখ ৪৫ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ৪৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র আছে। এছাড়া দূর্যোগ মোকাবেলায় চট্টগ্রামের ১৪টি উপজেলায় ওষুধ নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে ২৮৪টি মেডিকেল টিম। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকেও দূর্যোগ মোকাবেলায় নেওয়া হচ্ছে নানান ব্যবস্থা। তাই আতংকিত না হয়ে সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০৩১-৬১১৫৪৫ নম্বরে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০৩১-৬৩০৭৩৯ ও ৬৩৩৬৪৯ নম্বরে যোগাযোগ করুন। ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
জনস্বার্থে : কল্যাণ _ রক্ত দিয়ে স্বজন হোন

আফসোস,.....
একজন কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক সারা দিন মাদ্রাসায় পড়ায়! মাস শেষে বেতন ৭০০০-৮০০০ টাকা বা এর চাইতেও কম আবার কখন কখন ২/৪ মাস বাকিও থাকে ! এই শিক্ষক অন্য কোথাও চাকরী করলে ১৫০০০-২০০০০ টাকা বেতন পেতো! তারপরও দ্বীনের জন্য ইসলামের খেদমতের জন্য মাদ্রাসা ছেড়ে যায় না! তারপরও কিছু আবাল মূর্খ জাহেল তাদের এই ত্যাগকে দ্বীনের খেদমত হিসেবে মানতে চায় না। অথচ, মাদ্রাসার শিক্ষকগন এই ত্যাগ স্বীকার না করলে আজ আপনি আমি কোরআন শিখতে পারতাম না, আমাদের নামাজের ইমামতি করার জন্য ইমাম পেতাম না, জুম্মার খুতবা দেয়ার জন্য খতিব পেতাম না, ইসলামের বিধিবিধান জানার জন্য মুফতি পেতাম না! আল্লাহ পাক হকপন্থি আলেমদের মাধ্যমে ইসলামের খেদমত করিয়ে নিবেন কেয়ামত পর্যন্ত ইনশাআল্লাহ।
সর্বশেষ কথা, ওহে মূর্খ জাহেল ভাই তুমি জদি হকপন্থি আলেম বিদ্বেষী হও তোমার ধ্বংস অনিবার্য।
## আবু বাকরাহ (রাঃ) - নবী (সাঃ) বলেছেন : তুমি হয়তো আলেম হও অথবা তলবে এলেম হও অথবা মনোযোগ সহকারে এলেম শ্রবণকারী হও অথবা এলেম ও আলেমদের মহব্বত কর্নে ওয়ালা হও। এই চার ব্যতীত পঞ্চম প্রকার হইও না নতুবা ধ্বংস হইয়া যাইবে। পঞ্চম প্রকার এই যে তুমি এলেম ও আলেমদের সহিত শত্রুতা পোষণ কর। [ তাবারানী ; মাজমায়ে যাওয়ায়েদ ; মুন্তাখাব হাদিস ]

নারী তুমি তেলা"পোকা কে ভয় পাও !!
অথচ" মা হতে গিয়ে দুনিয়াতে সব চেয়ে বেশী,,
কষ্টই চুপ করে সহ্য করে নাও !!

প্রেশারের ঔষধ খেতে মনে থাকে না !!
অথচ সন্তান এর অসুখ হলে ঠিকই সময় মত,,
প্রতিবেলার ঔষধ খাইয়ে দাও !!

বৃদ্ধাশ্রমে যাও,,
কিন্তু সন্তানের জন্যে দোয়া করতে ভুল হয় না তোমার !!
বিয়ের আগে কেউ একটা কটু কথা বললে তোমার কাছে রেহাই, পেতো না আর বিয়ের পর কত কথা চুপচাপ সহ্য করে থাকো !!

ছোট বেলা থেকে পছন্দের কিছু না পেলে,,
কত রাগ আর অভিমান করতে !!
আর সেই তুমি চুপচাপ তোমার পছন্দের পুরুষকে,,
বিসর্জন দাও শুধুমাত্র পরিবারের হাসির কথা ভেবে !!

যখন দেখতে পাশের কেউ ছোট্ট বাচ্চাদের মল মূত্র পরিষ্কার,, করে তখন বলতে আমার বাচ্চা দরকার নেই,ছি ছি !!
পারবো না এগুলা করতে !!
আর সেই তুমি সন্তানের প্রস্রাব করা !!
সেই ভিজে যায়গায় চুপচাপ শুয়ে থাকো !!

নারী তুমি পারো ও বটে !!
তোমার চাওয়ার সাথে পাওয়া গুলো বড্ড বেমানান গো !!
চাইলেও পাও না !!
আবার না চাইতে অনেক কিছু পাও !!

তোমার ভালোবাসায় পাগল হয়ে !!
অনেকে নিজেকে উৎসর্গ করে দেয় !!
তোমায় না পেয়ে পাগলা গারদেও আছে অনেকে !!
বিশ্বাস না হলে পাবনায় একদিন ঘুরে এসো !!

তুমি চোখের জল না ফেলে আসতে পারবে না !!
মাঝে মাঝে নিজের আবেগের একটুও দাম পাও না !!
কত ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও তুমি তুচ্ছ থাকো !!

নারী তুমি সত্যিই সুন্দর গো !!
তার সমান্তরালে তুমি আবার অবহেলিত !!
নারী তোমাকে বুঝার কিছু নাই গো !!
যে টুকু আছে সব টুকুই ভালোবাসা !!

তাগুত কাকে বলে?
উত্তর: আল্লাহ ছাড়া যত কিছুর ইবাদত করা হয় সবই তাগুতের অন্তর্ভুক্ত।
: তাগুত কতটি এবং মূল তাগুতগুলো কি কি?
উত্তর: তাগুতের সংখ্যা অনেক। তবে সেগুলোর মধ্যে প্রধান হল ৫টি।

❖ প্রধান প্রধান তাগুতগুলো কি কি?
উত্তর: সেগুলো হল:
• ১) শয়তান।
• ২) যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করা হলেও তার কোন প্রতিবাদ করেনা বা তাকে ঘৃণা করেনা বরং তাতে রাজি থাকে।
• ৩) যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ইবাদতের দিকে মানুষকে আহবান করে এবং এজন্য কাজ করে।
• ৪) যে ব্যক্তি ইলমে গায়ব তথা অদৃশ্যের খবর দিতে পারে বলে দাবি করে ।
• ৫) যে শাসক আল্লাহর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করেন না।

পৃথিবীর সবচেয়ে জটিল অংকের নাম "জীবন"। যে সূত্রেই প্রয়োগ করা হোক না কেন, ফলাফল কিন্তু মৃত্যুই আসবে।।

“বিনম্র হওয়া মু’মিনদের আচরণের একটি অংশ। নম্রতা হলো মানুষের প্রতি বিনয়ের ডানা নামিয়ে দেয়া, কোমলভাবে কথা বলা এবং তাদের সাথে রূঢ়ভাবে কথা না বলা — এগুলো পারস্পারিক একতা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ উপায়।”
— ইবনে বাত্তাল (রাহিমাহুল্লাহ)

এদেশে যতো দিন কোন মন্ত্রীর মেয়ে ধর্ষিতা হবে না,

ততো দিন ধর্ষণ এর সঠিক বিচার ও হবে না।

বিড়ালের সামনে মাছ রেখে তারপর বলে-
এই বিড়াল মাছ কিন্তু খাবি না !!
তার মানে মেয়েরা Open করে হাটবে
আর ছেলেদের বলবে দেখবি না।
শেয়ালে ভরা জঙ্গলে মুরগি কে ছেড়ে দিয়ে
যদি বলে
শেয়াল মুরগি না খেয়ে নিজের মানসিকতা
বদলাতে !!
সেটা কি আদৌ সম্ভব ??
কখনো সম্ভব না।
কারণ শেয়ালকে বানানো
হয়েছে মুরগির প্রতি দূর্বলতা দিয়ে।
ঠিক মানুষের উত্তেজনা টা কেও বানানো
হয়েছে বিপরীত লিঙ্গের বিশেষ কিছু
অঙ্গের প্রতি দূর্বতলতা রেখে।
এখন আপনি যদি মানুষের সেই সব বিশেষ অঙ্গ
রাস্তায় দেখিয়ে বেড়ান আর বলেন যে
আপনার উত্তেজনা জেগে উঠতে পারবে না,
নিজের মানসিকতা বদলান।
সেটা কি সম্ভব ??
কখনো না !!
কেনোনা মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছেই এমন
ভাবে। আর মানুষের বিশেষ অঙ্গ গুলা
দেখলেই উত্তেজনা জেগে উঠবে বলেই তো
বলা হয়েছে মানুষ কাপড় পড়তে আর পর্দা
করতে। কিন্তু আপনি সেটা না করে রাস্তায়
খোলা মেলা চলবেন আর বলবেন আপনার
মানসিকতা বদলান !!
এটা পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই না।
জৈনক মানবতাবাদীরা বলে থাকে নারীকে
ভোগ্য পণ্য ভাবিয়েন না !! আপনারা
মানসিকতা বদলান। মেয়েদের মেয়ে নয়,
মানুষ ভাবুন।
এগুলা শুনলে আমার চরম হাসি পায়।
আমি বলি নারী দামী জিনিস। তাদের ইজ্জত
অমূল্য। আর এ দামী ও অমূল্য জিনিসটা কে
চোরের হাত থেকে বাঁচাতে দরকার পর্যাপ্ত
নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আর সে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করে পর্দা।
গরুর হাটে গিয়ে গরুর লাথি খেয়ে যেমন
প্রতিবাদ করার থাকেনা !! একগাদা উশৃঙ্খল
পুরুষের মাঝখানে গিয়ে শ্লীলতাহানির
পরেও তেমনি কোনো নারীর প্রতিবাদ করা
চলেনা।
মনে রাখবেন, পর্দা মানেই পরাধীনতা নয়।
পর্দা মানে নিরাপত্তা।

Good morning.

আসছে ছয়টি নিম্নচাপ, যার মধ্যে দুটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে

বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকান্ডে নিজ হাতে বাঁচিয়েছেন অনেকগুলো জীবন। সে সময় উদ্ধার কাজ করতে গিয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন ফায়ার ফাইটার সোহেল রানা। আজ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আমরা এই সাহসী হিরোকে শ্রদ্ধা জানাই। সোহেল রানা, সাহস এবং মানবিকতার একটি উদাহরণ হয়ে থাকবেন।

-জান্নাতে সবই আছে,
শুধু মৃত্যু নাই-

আল্লহু আকবার, সুবহানাল্লাহ ৷ ♥♥♥

হাই,
বন্ধুরা আপনারা কেমন আছেন।

ভাই উত্তর অনেক বার সঠিক হছে।
But
বিজয় একবার ও হতে পারলাম।
কেন?

সবাই কেমন আছেন।

শুনলাম জী বাংলা বন্ধ হয়ে গেছে? 😁😁

ঢাকার বস্তির ছেলে
নাঈম কে নিয়ে নাটকে ডাকা পরলো
৩৩ জন মৃতু মানুষের শোক....???

Assalamu alaikum.
kmn asen sobay.

Hi,friends kmn asen apnara....

Good night all friend.

অাজ মহান স্বাধীনতা দিবস।যে ভাষার জন্য বাংলার দামাল ছেলেরা জীবন দিলো সেই ভাষা অাজ ভীনদেশি অপসংস্কৃতির স্বীকার।

অাজ মহান স্বাধীনতা দিবস।যে ভাষার জন্য বাংলার দামাল ছেলেরা জীবন দিলো সেই ভাষা অাজ ভীনদেশি অপসংস্কৃতির স্বীকার।

অাজ মহান স্বাধীনতা দিবস।যে ভাষার জন্য বাংলার দামাল ছেলেরা জীবন দিলো সেই ভাষা অাজ ভীনদেশি অপসংস্কৃতির স্বীকার।

#হেফাজত_বনাম_সিন্নি।

১. হেফাজত সফল : গণজাগরণ মঞ্চ হটিয়েছে।

২. হেফাজত সফল : রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রয়েছে ।

৩. হেফাজত সফল : স্কুলের বিকৃত পাঠ্যসূচি পরিবর্তন করিয়েছে ।

৪. হেফাজত সফল : গ্রীকদেবী সরাতে সরকার এর ঘোষনা ।

৫. হেফাজত সফল : কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে তাদের প্রাপ্য সনদ আদায় করে দিয়েছে ।

৬. হেফাজত সফল : রাম বাম নাস্তিক প্লাস্টিকদের গায়ে জ্বলুনি ধরিয়ে দিয়েছে ।

৭. হেফাজত সফল : দ্বীনের প্রতিটি অঙ্গনে একদল নিবেদিত প্রাণ তৈরি হওয়ার মনস্তাত্ত্বিক জাগরণ সৃষ্টি করেছে ।

#সুতরাং কীভাবে তোমরা বল? শহিদের রক্ত বৃথা গেল-?!

কিভাবে বলো?
আল্লামা আহমদ শফী সাহেব
শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানী করেছেন-?!!

তাহলে কি আমরা বলবো যে, মায়ের চাইতে মাসীর দরদ বেশি!

বিরুদ্ধবাদীদের বলছি, তোমরা ইসলামের জন্য কী করেছ?

তোমাদের দ্বারা ইসলাম ও মুসলমানদের কী উপকার হয়েছে?

উপরের কোন একটি কর্মকান্ডে তোমাদের অবদান কী?

হ্যাঁ, একটি জায়গায় সিন্নিরা সফল! সেটা হলো,জীলাপি মার্কা বেদাতি মিলাদের প্যাচে মন্ত্রীকে আটকিয়েছে।এটাই ওদের একমাত্র কামনা,বাসনা,সাধনা।

kmn asen.

Hi,kmn asen sobai.

Sobai kmn asen.

পৃথিবীতে যা কিছু করবা কর,কিন্তু নামাজ বাদ দিও না। কারন নামাজ তোমাকে সব বিপদ থেকে রক্ষা করবে ।

আজ আমরা মাটির উপর রাজত্ব করছি
হয়তো কাল মাটি আমাদের উপর রাজত্ব করবে
ভেবেছি কি কভু?
কি নিয়ে যাব মাটির নিচে

আজ আমরা মাটির উপর রাজত্ব করছি
হয়তো কাল মাটি আমাদের উপর রাজত্ব করবে
ভেবেছি কি কভু?
কি নিয়ে যাব মাটির নিচে

এই যুগে পাত্রের
যোগ্যতা নির্ভর
করে ইনকামের
উপায় আর পাত্রীর
যোগ্যতা নির্ভর
করে চামড়ার উপর

সর্বদা ছোট ছোট গুনাহ গুলো থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখ, কেননা মানুষ কখনও পাহাড়ের সাথে হোচট খায়না। ছোট পাথরের সাথে খায়।

#প্রশ্ন : প্রথম সন্তানের বয়স যদি
#দশ বছর হয়,তাহলে বাবার
বয়স কত...?

Sobai kmn asen.

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2340 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)