About Azizur Rahman

শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যা জানান দেয়

ঘুম থেকে উঠে দেখা গেল চোখ ফুলে গেছে কিংবা ঠোঁটে ফোস্কা পড়েছে৷ আবার অনেকের হাতের নথ ভাঙা শুরু হয়৷ কিংবা হঠাৎ করেই হাড়ে ব্যথা করে৷ এসব কি কোনো অসুখের পূর্ব লক্ষণ? নাকি এমনিতেই সেরে যায় এসব?

হাতের নখ

অনেক সময় অল্পতেই হাতের নখ ভাঙতে দেখা যায়৷ বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে এমনটা বেশি হয়৷ তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর কারণ শরীরের মিনারেল বা ভিটামিনের অভাব৷ যারা ডায়েটিং করেন, তাদের ক্ষেত্রে এমনটা বেশি হয়ে থাকে৷ তবে বেশিদিন চলতে থাকলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে, কারণ, এর পেছনের কারণ হতে পারে থাইরয়েড বা ফুসফুসের কোনো অসুবিধা৷

ফোলা চোখ

সারারাত জেগে পার্টি করলে বা ক্লান্ত থাকলে চোখ ফুলতেই পারে৷ তাছাড়া কোনো গাছের পাতা বা কোনো জন্তুর লোম কিংবা ছারপোকার কামড়েও চোখ ফুলতে পারে৷ এমনটা হলে বেশি করে পানি খাওয়া বা চোখে ঠান্ডা পানির ঝাঁপটা দিলে চোখের ফোলাভাব চলে যাওয়ার কথা৷ তা না হলে হতে পারে হৃদপিণ্ডের দূর্বলতা, ব্লাডপ্রেশার কিংবা কিডনির কোনো সমস্যা৷ সেক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত৷

শুষ্ক বা ফাটা ঠোঁট

শরীরে আয়রন, জিঙ্ক বা ভিটামিন ‘বি’-এর অভাবে অনেক সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়৷ সে কারণেও ঠোঁট শুষ্ক হয় আর এর ফলে অল্পতেই ঠোঁট ফেটে যায়৷ এরকম হলে ঠোঁটে মধু এবং অলিভঅয়েল লাগালে সেরে যাওয়ার কথা৷ তা না হলে রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত৷

হাত-পায়ের জয়েন্টে ক্র্যাকিং

হাত বা পা সোজা বা টানটান করলে অনেকসময় কেমন যেন শব্দ হয়৷ এমনটা হয় সাধারণত জয়েন্টে পানি জমা হলে৷পিঠের এবং মেরুদণ্ডের কোনো অসুবিধার কারণে এমনটা হয়ে থাকে, কাজেই এমন হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত৷

রাতে পায়ের ব্যথা

অনেকেরই রাতে বা দিনে পায়ের পেশিতে ব্যথা হয় কিংবা পা কামড়ায়৷ এবং এতে কিন্তু প্রচণ্ড কষ্ট হয়, যা শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন৷এর আসল কারণ খুঁজে পাওয়া সবসময় ডাক্তারদের জন্য সহজ নয়৷ তবে শরীরে মিনারেল, বিশেষ করে ম্যাগনেশিয়ামের অভাব একটা কারণ হতে পারে৷ তাছাড়াও এক্ষেত্রে ব্লাডপ্রেশার বা ডায়েবেটিস পরীক্ষা করানোটা জরুরি৷ এই তথ্যগুলো দিয়েছেন জার্মানির দুজন বিশেষজ্ঞ ডা. আখিম ভোক্ট এবং ডা. ক্রিষ্টিয়ান শ্নাইডার।

গরমে জন্ডিস হলে যা খাবেন

তীব্র গরমে অনেকেরই পানি স্বল্পতায় জন্ডিসের সমস্যা হয়ে যায়। সাধারণত এই রোগের সাথে খাদ্যের সম্পর্ক রয়েছে। এটিকে খুব সাধারণ একটি সমস্যা মনে হলেও এটি মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। মূলত যকৃতের প্রাথমিক সমস্যা থেকেই জন্ডিস হয়ে থাকে। একে ভাইরাল হেপাটাইটিসও বলা হয়। জন্ডিস হলে রক্তে বিলিরুবিন এর মাত্রা বেড়ে যায়। ১০০ মিলিলিটার রক্তে ১.০ মিলিগ্রামের উপরে বিলিরুবিন থাকলে তাকে জন্ডিস হয়েছে বলা যাবে।

লক্ষণ:

জন্ডিস রোগের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা যায় চোখ, মূত্র, গায়ের রঙ হলদে হয়ে যাওয়া, খিদে না লাগা, দুর্বলতা, কাজে অনীহা, পেট খারাপ, মাথা ধরা, জ্বর ইত্যাদি। এই রোগের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা যায় মস্তিস্ক বাদ দিয়ে পুরো শরীর হলুদ হয়ে যায়। চোখের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়।

যা খাবেন:

জন্ডিসের খাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ সময় কোনো খাবার বাদ দেয়া হয় না। তবে যে সকল খাবারে রোগী বিরক্ত হয় সে খাবার না দেয়াই ভাল। তবে অবশ্যই এর সঙ্গে থাকবে প্রচুর পানি।

যকৃতের উপর চাপ কমানো ও যকৃতকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে আমিষ, শর্করা, মাঝারি পরিমান স্নেহ ও ভিটামিন গ্রহণের উপর গুরত্ব দেয়া হয়। প্রাথমিক অবস্থায় রোগীর যখন খাবারের অরুচি থাকে তখন তরল ও নরম খাদ্য অল্প অল্প পরিমানে বার বার দেয়া উচিত।

বাড়িতে তৈরি কম তেল ও কম মসলার খাবার রোগীর জন্য ভাল। ভাজা পোড়া এ সময় খাওয়া যাবে না। অর্থাৎ এমন খাবার খাওয়া উচিত না যা লিভারের উপর চাপ ফেলে। কারণ অধিক চর্বি লিভারের বিশ্রামে বাধা দেয়।

জন্ডিসের রোগী যা খাবে না:

ডুবো তেলে ভাজা খাবার, খাসির মাংস, গ্যাস হয় এমন সবজি পেঁয়াজ, ওলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, ফুলকপি, শিম, ডাটা, বেগুন, মিষ্টিকুমড়া, ইতাদি। এছাড়াও তেঁতুল, কাঁচা লবণ, অ্যালকোহল, মরিচ, সরিষার তেল, ইত্যাদি।

বিষন্নতার শঙ্কা বাড়ায় উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার


স্থূলতার একটি অন্যতম প্রধান কারণ হলো উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ। স্থূলকায় ব্যক্তিদের বিষণ্নতায় ভোগার আশঙ্কা বেশি। বিভিন্ন গবেষণায় তথ্যটি প্রমাণ হলেও ঠিক কোন উপায়ে স্থূলতা মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে এখনো পরিষ্কার কোনো চিত্র তুলে ধরতে পারেননি গবেষকরা। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, স্থূলকায় ব্যক্তিদের বিষন্নতায় ভোগার বড় একটি কারণ হলো উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ। গবেষণাগারে ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালানোর মাধ্যমে গবেষণাটি পরিচালিত হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো ও যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক গ্লাডস্টোন ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা যৌথ উদ্যোগের ভিত্তিতে এ গবেষণা চালান। গবেষণায় পাওয়া ফলাফল নিবন্ধ আকারে প্রকাশ হয়েছে ট্রান্সলেশনাল সাইকিয়াট্রি জার্নালে।

বিষন্নতার চিকিৎসায় রোগীদের সাধারণ কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। স্থূলকায় রোগীদের ক্ষেত্রে এসব ওষুধে কাজ হয় খুব সামান্যই। এ গবেষণায় বিষন্নতার চিকিৎসায় এসব ওষুধের ব্যর্থতার কারণটি উঠে এসেছে।

গবেষণার জন্য পরীক্ষাগারে পর্যবেক্ষণাধীন ইঁদুরগুলোকে উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার দেয়া হয়। এসব খাবারের মোট উপাদানের ৬০ শতাংশই ছিল স্যাচুরেটেড ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট।

প্রসঙ্গত, মানুষসহ সব স্তন্যপায়ী প্রাণীর মস্তিষ্ক সচল রাখতে হলে ওমেগা-৩-এর মতো নির্দিষ্ট কিছু ফ্যাটি অ্যাসিড প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হলো, মানবদেহ নিজ থেকে এসব ফ্যাটি অ্যাসিড সংশ্লেষ করতে সক্ষম নয়। এ কারণে মানবদেহ প্রধানত খাবার থেকে শুষে নেয়া ফ্যাটি অ্যাসিডের ওপরই নির্ভরশীল বেশি। তবে ফ্যাটি অ্যাসিড মাত্রই স্বাস্থ্যকর নয় এবং তা দেহে অতিমাত্রায় জমা হলে স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণ হতে পারে।

নতুন গবেষণাটিতে বিশেষজ্ঞরা ইঁদুরের মস্তিষ্কে উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণের কারণে ফ্যাটি অ্যাসিড জমা হওয়ার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে যে ধরনের শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে বিবেচিত, সেগুলোর ওপর এসব পদার্থের প্রভাবের মাত্রাও নিরূপণ করে দেখেন তারা।

দেখা যায়, গবেষণাগারে ইঁদুরগুলোকে উচ্চচর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ানোর পর থেকেই সেগুলোর মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস অংশে (মস্তিষ্কের গোড়ায় পিটুইটারি গ্লান্ডের কাছাকাছি একটি অঞ্চল। এটি দেহের তাপমাত্রা, দৈনন্দিন শারীরবৃত্তীয় চক্র, ক্ষুধা ও যৌন আচরণ এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রক্তে কিছু হরমোন নিঃসরণ করে) পামিটিক অ্যাসিড নামে এক ধরনের স্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের প্রবাহ বেড়ে গেছে। মূলত অলিভ অয়েল, পনির, মাখন, মার্জারিন ও কিছু মাংসপণ্য পামিটিক অ্যাসিডের সবচেয়ে বড় উৎস।

আগের কিছু গবেষণায় স্থূলতা ও হূদরোগের মধ্যকার সংযোগ স্থাপনে পামিটিক অ্যাসিডের ভূমিকা উঠে এসেছে। নতুন গবেষণায় এর আরেকটি প্রভাব চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা। তারা দেখতে পান, হাইপোথ্যালামাসে পামিটিক অ্যাসিডের প্রবাহ বেড়ে গেলে তা মানসিক আবেগে নেতিবাচক প্রভাব ফেলার মাধ্যমে জন্ম দেয় বিষন্নতার।

বসের মন করুন সহজেই জয়

কর্মী হিসেবে লক্ষ্য হওয়া উচিত আপনার বসের জীবনকে আরো সহজ করা। আপনি যদি আপনার ম্যানেজারকে (বস) সহায়তা করতে পারেন তাদের পরিচালকদের কাছে ভালো লাগতে, তাহলে আপনিও কর্মক্ষেত্রে ভালো থাকবেন।

সারা সপ্তাহের কাজের একটি বৃত্তান্ত বসকে মেইল করুন : যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় কর্মস্থল বিশেষজ্ঞ লিন টেইলর বিজনেস ইনসাইডারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, নতুন কর্মস্থলে বসকে জিজ্ঞেস করুন তিনি কতদিন পর পর আপনার সম্পাদিত কাজ পরীক্ষা করতে চান। এ ছাড়াও, নিজে আগ্রহী হয়ে বসকে কাজের অগ্রগতি জানান। তাহলে কোন কাজ কতটুকু করেছেন সে বিষয়ে তিনি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাবেন। ‘বারকিং আপ দ্য রং ট্রি’ বইয়ের লেখক এরিক বারবারের পরামর্শ হচ্ছে, চলতি সপ্তাহে কী কী কাজ শেষ করেছেন তার একটি ছোট্ট বৃত্তান্ত সপ্তাহান্তে বসকে মেইল করুন।

কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে বিনয়ের সঙ্গে জানান : বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল ও অ্যাপলের সাবেক কর্মী কিম স্কট বলেন, প্রত্যেক ম্যানেজার তার কর্মীদলের কাজে অগ্রগতি নিয়মিত জানতে চান। সুতরাং কর্মীদের উচিত বিনয় ও সততার সঙ্গে বসকে কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানো।
তিনি আরো বলেন, অগ্রগতি বিষয়ে আপনার সদুত্তর হয়তো বসের দুশ্চিন্তা বাড়াতে পারে। কিন্তু আপনি যদি বসের জীবনকে আরো সহজ করতে চান, তাহলে নীরবে অপেক্ষা করবেন না। এমন সবদিকের কথা ভাবুন যেখানে কর্তৃপক্ষের উন্নতি করার প্রয়োজন রয়েছে এবং গঠনমূলক সমালোচনা করুন।

নিজের পেশাগত লক্ষ্যের ব্যাপারে বসকে অবগত করুন : ক্যারিয়ারবিষয়ক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম দ্য মিউসের ভাইস প্রেসিডেন্ট টনি থম্পসন বলেন, ‘পেশাগত জীবনে নিজেকে কোন পর্যায়ে দেখতে চান সে ব্যাপারে বসের সঙ্গে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করুন। তাহলে ঊর্ধ্বতন বস আপনার লক্ষ্য সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পাবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আপনি ততক্ষণ কাক্সিক্ষত পদোন্নতি পাবেন না, যতক্ষণ আপনার বস আপনার পেশাগত জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে না পারবেন। আপনার লক্ষ্য জানাটা বসের জন্যও সহায়ক হবে। কেমন ভ‚মিকা বা কেমন চ্যালেঞ্জ আপনি নিতে চান তা বসকে আর অনুমান করতে হবে না এবং তিনি সম্ভাব্য সেরা টিম গঠন করতে পারবেন।’

গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টগুলোতে ভূমিকা রাখুন : প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টগুলোতে ভূমিকা রাখতে চেষ্টা করুন। যদি সেগুলো আপনার কর্মপরিধির আওতায় নাও পড়ে। এটাই বসের কাছে প্রতিষ্ঠানের আর দশজনের থেকে আপনাকে আলাদা করে উপস্থাপন করবে।
টেইলর বলেন, ‘কর্মী হিসেবে আপনার সুনাম তখনই ছড়িয়ে পড়বে যখন কাক্সিক্ষত কাজ সম্পর্কে নিজের দক্ষতা নিশ্চিত করবেন এবং নিজের সাধ্যের বাইরের কাজগুলো করা থেকে বিরত থাকবেন।’

কিডনির পাথর সারাবে তুলসি পাতা

তুলসি পাতায় রয়েছে একাধিক ঔষধি গুণ এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা। ছোটোখাটো অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে এই তুলসি পাতা ব্যবহার করা হয়। আজ দেখে নেওয়া যাক এমনই ৫টি শারিরীক সমস্যায় প্রতিকার হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার।

১) গলা ব্যথা: সামান্য গরম পানিতে তুলসি পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে কুলকুচি করলে বা পান পারলে গলার ব্যথা দ্রুত সেরে যাবে।

২) সর্দি ও কাশি: সর্দি-কাশি প্রায় প্রত্যেকটি মৌসুমের খুব সাধারণ একটি সমস্যা যা সবাইকে কষ্ট দেয়। এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে গেলে তুলসি পাতা ৫ মিনিট ধরে চিবিয়ে রসটি গিলে নিন। তাহলে এই সমস্যার হাত থেকে সহজেই সমাধান পেয়ে যাবেন।

৩) ত্বকের সমস্যা: ত্বকে ব্রণর সমস্যা সমাধানের একটি সহজলভ্য ও অন্যতম উপাদান হল তুলসি পাতা। এ ছাড়াও নানা রকম অ্যালার্জির সমস্যায় তুলসিপাতা অত্যন্ত কার্যকর। তুলসি পাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি অনেকটাই কমে যায়।

৪) জ্বর: তুলসি পাতা সব থেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করবে তা হল জ্বর। চায়ে তুলসি পাতা সেদ্ধ করে পান করলে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আপনার পরিবারের কারো জ্বর হলে তাকে তুলসি পাতা এবং দারুচিনি মেশানো ঠাণ্ডা চা পান করান। জ্বর সেরে যাবে দ্রুত।

৫) কিডনির সমস্যা: তুলসি পাতা কিডনির বেশ কিছু সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। তুলসি পাতার রস প্রতিদিন একগ্লাস করে খেতে পারলে, কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। যদি কিডনিতে পাথর জমে যায়, সে ক্ষেত্রে তুলসিপাতার রস টানা ৬ মাস খেতে পারলে সেই স্টোন মূত্রের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

কিডনির পাথর প্রতিরোধে চার খাবার কম খান

কিডনির পাথর খুব প্রচলিত একটি সমস্যা। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের অভাব কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ। আরেকটি কারণ হলো, শরীরে অতিরিক্ত অক্সালেট অথবা ফসফেটের উপস্থিতি।

কিডনির পাথর প্রতিরোধে ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো কিডনির পাথর হওয়ার প্রক্রিয়া বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে যাওয়া বা কম খাওয়াই ভালো।

কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সোডিয়াম

কিডনি ভালো রাখতে লবণ কম খাওয়া ভালো। সোডিয়াম ক্যালসিয়াম তৈরিতে কাজ করে এবং এর আধিক্য হলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন; খাবারে লবণ কম ব্যব্হার করুন।

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি এর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন কিডনির ক্ষতি করতে পারে-কথাটি শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন? আসলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি গ্রহণ শরীরের জন্য ভালো। তবে অতিরিক্ত ভিটামিন সি গ্রহণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া ভালো। তবে এর বেশি ভিটামিন গ্রহণ অক্সালেট তৈরি করতে পারে। আর এ থেকে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

সফট ড্রিংক

ঠান্ডা ঠান্ডা সফট ড্রিংক খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সোডার মধ্যে থাকা ফসফরিক এসিড শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ, এতে ফসফেট রয়েছে। আর এটি কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। তাই এই পানীয়টি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

প্রাণীজ প্রোটিন

হ্যাঁ, অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন, যেমন, লাল মাংস( গরু, খাসি), সিফুড ইত্যাদি বেশি পরিমাণ খাওয়া কিডনির পাথর তৈরি করতে পারে। এই ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়ায় এবং সাইট্রেটের পরিমাণ কমায়। ইউরিক এসিড কিডনির পাথর তৈরি করতে পারে। তাই কিডনির পাথর প্রতিরোধে এই ধরনের খাবার কম খাওয়াই ভালো।

Integration Formulas

আপনার স্মরণ শক্তি কি কমে যাচ্ছে?

প্রয়োজনীয় জিনিষপত্র কোথায় রাখছেন তা আপনি কি মনে করতে পারেন না? কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে গিয়ে ভুলে যাচ্ছেন? অথবা কিছু একটা মনে করে আবার ভুলে যাচ্ছেন? যদি আপনার ক্ষেত্রে এমনটা হয়ে থাকে তাহলে বুঝবেন আপনার স্মরণ শক্তি কমে যাচ্ছে!

ধীরে ধীরে অসুস্থতায় পরিণত হতে যাচ্ছেন আপনি। নিজের স্মরণ শক্তি দৃঢ় করে তোলার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন বা সংসারের কাজ করুন।

গবেষণা করে দেখা গেছে, বার্ধক্যের ফলে যাদের মধ্যে আলজাইমারের লক্ষণ দেখা যায়, তারা যদি নিয়মিত ব্যায়াম করে বা প্রতিদিন সংসারের কাজ করে, তাহলে তাদের স্মৃতি শক্তি ফিরে আসতে পারে। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে শরীর ও মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো এবং সস্তা উপায় হল নিয়মিত ব্যায়াম করা।

আমেরিকার রশ বিশ্ববিদ্যালয়ের এরোন এস বুচম্যান বলেছেন, যারা এই গবেষণায় অংশ গ্রহণ করেছিল, গড়ে দুই বছর বাদেই তারা মারা যায়। আমরা তাদের শারীরিক গতিবিধির পরীক্ষা করে দেখেছিলাম। মৃত্যুর পর তারা নিজেদের শরীর দান করার জন্য তাদের মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা করা সম্ভব হয়েছিল। আমরা দেখেছি যে, তাদের জীবনশৈলী সক্রিয় হওয়ার জন্য তাদের মস্তিষ্কের ওপরে তা রক্ষাত্মক প্রভাব বিস্তার করেছিল।

গবেষকদের মতে মস্তিষ্কে যখন আলজাইমারের লক্ষণ দেখা যায়, তখন শরীর সক্রিয় রাখতে পারলে আমাদের স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি পায়।

ধর্ষকদের এমন শাস্তিই হওয়া উচিৎ-

প্রথমে বলে রাখি এটি জোকস না


একটি মেয়ে ৫ জন মিলে ধর্ষণ করছিল, কিন্তু মেয়েটি Non Stop হাসছিল...!!
ধর্ষণের এক পর্যায়ে ৫ জন বিরক্ত হয়ে মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করল-
তুই হাসছিস ক্যান...?

মেয়েটি অট্ট হেসে জবাব দিল-
আমি HIV[Aids] Positive...তাই!!

গ্রীনহাউজ ইফেক্ট: অজানা তথ্য....

গ্রীনহাউজ ইফেক্ট সম্বন্ধে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এর ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাতাসে কার্বন-ডাই অক্সাইড এর উপস্থিতি এর জন্য দায়ী সেটাও আমরা সবাই জানি। তবে যে বিষয়গুলো সবাই জানে না সেগুলো অবগত করাই আজকের লেখাটির উদ্দেশ্য।


কার্বন-ডাইঅক্সাইড ছাড়াও গ্রীনহাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী বেশ কিছু গ্যাস রয়েছে। এগুলো হচ্ছে মিথেন(১৯%), ক্লোরো-ফ্লোরো-কার্বন(১৭%), ওজোন(৮%), নাইট্রাস অক্সাইড(৪%), জলীয় বাস্প(২%)। বন্ধনীর ভিতরে লেখা সংখ্যাগুলো দ্বারা গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কোন গ্যাস কতটা দায়ী সেটা দেখানো হলো। কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা ৫০% দায়ী। অর্থাৎ বোঝা যাচ্ছে গ্রীনহাউজ ইফক্টের জন্য কার্বন-ডাইঅক্সাইড একা দায়ী নয়। এর পাশাপাশি আরো কিছু গ্যাসের দায়িত্ব আছে।

মিথেন:আমরা রান্না-বান্নার কাজে কিংবা সিনজি হিসেবে যে গ্যাস ব্যবহার করি সেটাই মিথেন গ্যাস। মাটির নীচে পোট্রোলিয়াম থেকে মিথেন গ্যাস সৃষ্টি হয় আবার জলাভূমির তলদেশ থেকেও অনেক সময় মিথেন গ্যাস নির্গত হয়। গবাদি পশুর গোবর মিথেন গ্যাসের একটি উৎকৃষ্ট উৎস। এই গোবর থেকেই বায়োগ্যাস উৎপাদন করা হয়। প্রতিবছর গরুর গোবর থেকে বিপুল পরিমান মিথেন গ্যাস বায়ুমন্ডলে নিঃসৃত হয়ে গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিমান বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন: এটা CFC বা ফ্রেয়ন নামেও পরিচিত। এটা ওজন স্তর ধ্বংস করে সে ব্যাপারে অনেকেই অবগত। কিন্তু গ্রীনহাউজ ইফেক্টেও এর ভূমিকা কম নয়। একসময় এরোসল এবং রেফ্রিজারেটরে শীতলকারক হিসেবে CFC ব্যবহার করা হত। তবে বর্তমানে এর ক্ষতিকর প্রভাব অনুধাবন করায় এবং বিকল্প আবিষ্কৃত হওয়া নিঃসরনের পরিমান কমেছে।

ওজোন: এটা অক্সিজেনের একটি রূপভেদ। সাধারন অক্সিজেন গ্যাসের অনুতে দুটি অক্সিজেন পরমানু থাকে, কিন্তু ওজোন অনুতে তিনটি অক্সিজেন পরমানু থাকে। বায়ুমন্ডলের ওজোন-স্তর গঠিত হয় ওজোন দ্বারা। এটা সূর্য থেকে ক্ষতিকর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি শোষণ করে আমাদেরকে রক্ষা করে। তবে গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য কিছুটা অভিযুক্ত।
নাইট্রাস অক্সাইড: নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের একটি যৌগ। বজ্রপাতের সময় বাতাসের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের সমন্বয়ে তৈরি হয়।

জলীয় বাস্প: পানির গ্যাসীয় রূপ। মেঘ সৃষ্টি করে ও বৃষ্টিপাত ঘটায়।

তবে গ্রীনহাউজ ইফেক্ট নিজের গ্রীনহাউজ ইফেক্টের জন্য অনেকাংশে দায়ী! এই ব্যাপারটা কয়েকভাবে ঘটতে পারে।

প্রথমত, পৃথিবীর দুই মেরুতে এবং সুউচ্চ পর্বত-শৃঙ্গগুলোতে বিপুল পরিমান বরফ সঞ্চিত আছে। এই বরফের পৃষ্ঠগুলো বেশ মসৃন এবং এর ফলে বরফপৃষ্ঠ বেশ ভালো প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে। ফলে সূর্য রশ্মির বেশ বড় একটা অংশ এই বরফপৃষ্ঠগুলোতে প্রতিফলিত হয়ে মহাশূন্যে ফিরে যায়। তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে যদি বরফ গলতে থাকে তাহলে এই প্রতিফলনের হার কমে যাবে এবং সূর্যরশ্মি আর আগের মত ফিরে যেতে পারবে না এবং সেই রশ্মি পৃথিবীতে শোষিত হয়ে উষ্ঞতা বাড়িয়ে দেবে।

দ্বিতীয়ত, পৃথিবীর মহাসাগরগুলো কার্বন-ডাইঅক্সাইডের সিংক হিসেবে কাজ করে। বাতাসের কার্বন-ডাইঅক্সাইড সগরের পানিতে দ্রবীভূত হয়ে বাতাসে এই গ্যাসের উপস্থিতি কম রাখতে সাহায্য করে। সাগরের গভীরে গিয়ে এই গ্যাস চুনাপাথর তৈরি করে এবং কঠিন পাথর হিসেবে সঞ্চিত থাকে। তবে বর্তমানে এত বেশী পরিমানে কার্বন-ডাইঅক্সাইড নিঃসৃত হচ্ছে যে মহাসাগরে দ্রবীভূত হওয়ার চেয়ে বাতাসে আগমনের হার অনেক বেশী। ফলস্রুতিতে পৃথিবীর উষ্ঞতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর উচ্চ তাপমাত্রার পানিতে কার্বন-ডাইঅক্সাইডের দ্রবণীয়তা হ্রাস পায়। ফলে মহাসাগর গুলো কার্বন-ডাইঅক্সাইড সিংক হিসেবে আর ফলপ্রসুভাবে কাজ করতে পারছে না। অর্থাৎ গ্রীনহাউসের পরিমান বেড়ে যাচ্ছে।

তৃতীয়ত, তাপমাত্রা যত বাড়বে পানির বাষ্পীভবনের হারও তত বাড়বে। ফলে গ্রীনহাউজ ইফেক্টে জলীয় বাষ্পের প্রভাবও বেড়ে যাবে। তাছাড়া পৃথিবীর তাপমাত্রা যত বাড়তে থাকবে পৃথিবী থেকে বিকিরিত রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য তত কমতে থাকবে। আর জলীয়বাষ্প অপেক্ষাকৃত কম তরঙ্গদৈর্য্যের বিকিরন বেশী শোষণ করে।.

ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষার ৭ উপায়
নভেম্বর ২২, ২০১৮ শিরোনাম ডট কম
ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষার ৭ উপায়

আধুনিক প্রযুক্তির কারণে মানুষের সুযোগ-সুবিধা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে তথ্য চুরির ঘটনা।

জেনে নিন ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষার ৭ উপায়।

১. পাসওয়ার্ড নিজের কাছে রাখুন
কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পাসওয়ার্ড যেন কখনই এক না হয়। আর ব্যাংক কার্ডের সঙ্গে যেন এই পাসওয়ার্ডের মিল না থাকে। এছাড়া কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে কোনও পাসওয়ার্ড লিখে রাখবেন না। এর ফলে আপনার তথ্য চুরির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়৷ বাড়ির বাইরে গেলে এগুলি ‘লক’ করে যাবেন।

২. নিজ নামে ‘গুগল অ্যালার্ট’ ব্যবহার করুন
এটা খুব সহজ পন্থা৷ আপনি যদি দেখতে চান ইন্টারনেটে আপনার সম্পর্কে সবাই কী বলছে। সোজা এই ঠিকানায় যান – https://www.google.com/alerts এবং আপনার নাম লিখুন। তারপর আপনার নামের বিভিন্ন ধরন লিখে, তার আগে ও পরে ‘কোটেশন মার্ক’ জুড়ে দিন।

৩. ব্যবহারের পর লক্ষ্য রাখা
আপনি যদি অন্য কারও কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ব্যবহার করেন, তবে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জিনিস লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। আপনার পর যিনি সেটা ব্যবহার করবেন, তিনি যাতে আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে না পারে – সেটা খেয়াল রাখুন। আপনি যদি এটা করতে ভুলে যান, তাহলে ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।

৪. ফোন, ই-মেইল বা জিপ কোড ব্যবহার করতে না দেওয়া
অচেনা কোনও মানুষ এই নম্বরগুলো জানতে চাইলে, আপনারা দেবেন না। দেখা যায় কোনও অফিস তাঁর কর্মীর কাছ থেকে এই সব তথ্য চাইলে, অনেকেই স্বেচ্ছ্বায় তা দিয়ে দেয়। বহু অফিস এই নিয়ে একটি প্রোফাইল তৈরি করে। আপনার কিন্তু এই সব তথ্য না দেওয়ার অধিকার আছে। তাই আপনি যদি এতে স্বাচ্ছ্বন্দ্যবোধ না করেন, তবে দেবেন না।

৫. কার্ড নয় ক্যাশ
আপনি যদি চান আপনি যে পণ্যটি কিনছেন, সেই কোম্পানি আপনারা পরিচয় না জানুক, তবে নগদ অর্থে জিনিস কিনুন।

৬. ফেসবুকে নিরাপত্তার জন্য ‘ফ্রেন্ডস’ ব্যবহার করুন
ফেসবুকে সবসময় ‘সিকিউরিটি’ বা নিরাপত্তা পরীক্ষা করুন৷ পোস্ট করার পর লক্ষ্য রাখুন আপনি আপনার ছবি বা মন্তব্য ‘ফ্রেন্ডস’ করে রেখেছেন, নাকি ‘পাবলিক’ করেছেন। আপনি যদি ‘স্পেশ্যাল’ নির্বাচন করেন এবং ঠিক করে দেন কে কে আপনার পোস্ট দেখতে পাবে, তবে সেটা আপনার তথ্য নিরাপত্তার জন্য তুলনামূলকভাবে ভাল।

৭. ‘হিস্ট্রি’ এবং ‘কুকিস’ মুছে ফেলুন
আপনি সবশেষ কবে এটা করেছেন? আপনি যদি নিশ্চিত না হন, ব্রাউজারে গিয়ে এটা পরিবর্তন করুন৷ ব্রাউজারের ‘প্রাইভেসি সেটিংস’-এ যান, সেখানে ‘নেভার রিমেমবার হিস্ট্রি’ নির্বাচন করুন। এর ফলে ইন্টারনেটে আপনাকে ‘ট্র্যাক’ করাটা হ্যাকারদের জন্য কঠিন হবে। এছাড়া আপনি ‘অ্যাড অন’-ও ব্যবহার করতে পারেন।

এক. ড্রাফট করার সময় ভুলে মেইলটি কারও কাছে চলে যায়। এক্ষেত্রে কী করা। জিমেলের নতুন পদ্ধতিতে, সহজেই ওই মেইলটি ফেরত আনা যাবে। জি-মেইলের পক্ষে এখন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘আনডু’ করার সময়সীমা। ফলে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ভুলবশত প্রেরিত মেইলটি ফিরিয়ে আনা যাবে ড্রাফট বক্সে। জি-মেইলের সেটিংস বিভাগে থাকা ‘আনডু’ অপশনটিতে ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।
দুই. লক অপশনে আরও একটা নতুন বিষয় যোগ করেছে জি-মেইল। কোনও মেইল পাঠানোর আগে সেই মেইলের সঙ্গে একটা নির্দিষ্ট টাইম সেট করে দেওয়া যাবে। যাকে মেইলটা পাঠানো হবে, তিনি মেইলটি খোলার সঙ্গে সঙ্গে সেই টাইম কাউন্ট শুরু হয়ে যাবে এবং ওই নির্দিষ্ট সময়ের পর আর মেইলটি খোলা যাবে না।
তিন. অনেক সময় দেখা যায়, একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আপনাকেও কোনও একটি মেইলে সিসি করা হয়েছে। প্রত্যেকেই নিজের মতো মেইলের উত্তর দিচ্ছে এবং প্রত্যেকবারই আপনার ইনবক্সে এসে জমা হচ্ছে নতুন বাড়তি ও অপ্রাসঙ্গিক মেইল। স্বভাবতই আপনি অস্বস্তি বোধ করবেন। এক্ষেত্রে নিস্তার পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় মেইলটি মিউট করে দেওয়া।
চার. কেবল অনলাইনই নয়, এখন অফলাইনেও ব্যবহার করা যাবে জি-মেইল। সেটিংস অপশনে গেলেই পাওয়া যাবে এই অফলাইন পরিষেবা। এক্ষেত্রে আপনি মেইল কম্পোজ করা থেকে শুরু করে, অন্য মেইল দেখা- সবই করা যাবে। কেবল কোনও মেইল পাঠানো যাবে না। সেভ করে রাখা যাবে। ইন্টারনেট যোগ করার সঙ্গে সঙ্গে ওই সেভ মেইলটি নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
পাঁচ. পুরানো মেইলের সন্ধান করা বা তা ডিলিট করা এখন আরও সুবিধাজনক হয়ে গেছে। সার্চ অপশনে গিয়ে, যে মেইলটার খোঁজ করছেন সেটা সম্পর্কিত কিছু লিখলে বা প্রেরকের নাম লিখলেই চলে আসবে নির্দিষ্ট মেইলটি, ডিলিট করা যাবে।

✯ চীনারা খাবারের সঙ্গে কিন্তু ঠাণ্ডা পানির বদলে গরম চা পান করে। খাওয়ার পরপরই ঠাণ্ডা পানি তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে তোলে, পরিপাকক্রিয়াকেও করে তোলে ধীর।
✯ খাওয়ায় অরুচি ও ক্ষুধা মন্দা হলে ১-৩ গ্রাম আদা খোসা ছাড়িয়ে মিহি করে কুচিয়ে নিন এবং তার সাথে লবন এবং কয়েক ফোটা লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন একবার করে ৭-৮ দিন খান।
✯ প্রতিদিন রাত্রে ঘুমতে যাওয়ার আগে যদি কষ্ট করে একটু সাবান বা ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে পারেন আর তার সাথে প্রতিদিন ৩থেকে ৪ লিটার পানি পান করতে পারেন এবং নিয়মিত মল ত্যাগের মাধ্যমে পাকস্থলীই পরিষ্কার রাখুন। তাহলে ব্রন নামক এই কুৎসিত রোগটি আপনার ১০০ গজ এর ভিতরে আসতে পারবে না।
✯ টমেটোর রস ও দুধ একসঙ্গ মিশিয়ে মুখে লাগালে রোদে জ্বলা বাব কমে যাবে।

✯ হাড়িঁ-বাসন ধোয়ার পরে হাত খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য বাসন মাজার পরে দুধে কয়েক ফোঁটা লেবু মিশিয়ে হাতে লাগান। এতে আপনার হাত মোলায়েম হবে।
🍻 ‘খালি পেটে জল, আর ভরা পেটে ফল।’ প্রতিদিন সকালে দাঁত ব্রাশ করার আগে চার গ্লাস পানি পান করুন। 👨 সকালে পানি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতাঃ
👨 সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।

প্রশ্নঃ পৃথিবীর উপগ্রহ কয়টি ?
উঃ। ১টি, চাদঁ
প্রশ্নঃ পৃথিবীর আয়তন কত?
উঃ প্রায় ৫১,০১,০০,৫০০ বর্গ
কিলোমিটার।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর পরিধি কত?
উঃ প্রায় ৪০,২৩৪ কি.মি. বা ২৫,০০০
মাইল।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর ব্যাস কত?
উঃ প্রায় ১২,৭৬৫ কি.মি.।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কত?
উঃ প্রায় ৬,৪৩৬ কি.মি.।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর স্থলভাগের আয়তন কত?
উঃ ১৪,৮৯,৫০,৩২০ বর্গ কি.মি. (মোট
আয়তনের ২৯ ভাগ)।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর জলভাগের আয়তন কত?
উঃ ৩৬,১১,৪৮,২০০ বর্গ কি.মি. (মোট
আয়তনের ৭১ ভাগ)।
প্রশ্নঃ সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে
পৃথিবীর কত সময় লাগে?
উঃ ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭
সেকেন্ড।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর নিজ অক্ষের উপর
একবার আবর্তন করতে কত সময় লাগে?
উঃ ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট।
প্রশ্নঃ পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব
কত?
উঃ ১৪,৯৫,০০,০০০ কি.মি.।
প্রশ্নঃ পৃথিবী থেকে চাঁদের গড়
দূরক্ব কত?
উঃ ৩,৮৪,৪০০ কি.মি.।
প্রশ্নঃ পৃথিবীতে কয়টি মহাদেশ
রয়েছে ও কী কী?
উঃ ৭ টি। যথাঃ এশিয়া, ইউরোপ,
আফ্রিকা,
উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা,
অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টাকর্টিকা
মহাদেশ।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ
কোনটি?এর আয়তন কত?
উঃ এশিয়া মহাদেশ। আয়তন
৪,৪৪,৯৩,০০০বর্গ কি.মি.।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাদেশ
কোনটি?
উঃ অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ।
প্রশ্নঃ আয়তনে পৃথিবীর বড় দেশ
কোনটি?
উঃ রাশিয়া।
প্রশ্নঃ আয়তনে পৃথিবীর ছোট দেশ
কোনটি?
উঃ ভ্যাটিকান।
প্রশ্নঃ জনসংখ্যায় পৃথিবীর বড় দেশ
কোনটি?
উঃ চীন।
প্রশ্নঃ জনসংখ্যায় পৃথিবীর ছোট
দেশ কোনটি?
উঃ ভ্যাটিকান।
প্রশ্নঃ পৃথিবীতে মোট রাষ্ট্র
সংখ্যা কত?
উঃ ২৩৩ টি।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর সার্বভৌম রাষ্ট্রের
সংখ্যা কত?
উঃ ২০৩ টি।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর স্বাধীন রাষ্ট্রের
সংখ্যা কত?
উঃ ১৯৫ টি।
প্রশ্নঃ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত
পৃথিবীর স্বাধীন রাষ্ট্রের সংখ্যা কত?
উঃ ১৯৩ টি।
প্রশ্নঃ পৃথিবীতে গণতান্ত্রিক দেশ
কতটি?
উঃ ১২২ টি।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরের
নগরী কোনটি?
উঃ হ্যামারফাস্ট (নরওয়ে)।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবচেয়ে দক্ষিণের
নগরী কোনটি?
উঃ পুয়োটো উইলিয়াম (চিলি)।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবচেয়ে সরু রাষ্ট্র
কোনটি?
উঃ চিলি।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র
কোনটি?
উঃ ইতালি (কারণ ইতালির মধ্যে
ভ্যাটিকান ও সান ম্যারিনো রাষ্ট্র
অবস্থিত)।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর খন্ডিত রাষ্ট্রগুলো
কী কী?
উঃ জাপান, ইন্দোনেশিয়া।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর কোন কোন দেশ দুটি
মহাদেশে অবস্থিত?
উঃ রাশিয়া ও তুরস্ক (এশিয়া ও ইউরোপ
মহাদেশে)।
প্রশ্নঃ বিশ্বের সর্বাধিক দ্বীপ
রাষ্ট্র
কোনটি?
উঃ ইন্দোনেশিয়া।
প্রশ্নঃ বিশ্বের অধিক সীমান্তবর্তী
দেশ কোনটি?
উঃ চীন। ১৪ টি দেশের সাথে
সীমান্ত
সংযোগ রয়েছে।
প্রশ্নঃ পৃথিবীতে মহাসাগর রয়েছে
কতটি ও কী কী?
উঃ ৫ টি। যথাঃ প্রশান্ত মহাসাগর,
আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর,
উত্তর
মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাসাগর
কোনটি?
উঃ প্রশান্ত মহাসাগর। (১৬ কোটি ৬০
লক্ষ বর্গ কি.মি.)।
প্রশ্নঃ পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম মহাসাগর
কোনটি?
উঃ আর্কটিক বা উত্তর মহাসাগর (১
কোটি ৫০ লাখ বর্গ কি.মি.)।

নতুন চাঁদ দেখার দো‘আ :

اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ-

উচ্চারণ : আল্লা-হু আকবার, আল্লা-হুম্মা আহিল্লাহূ ‘আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমা-নি, ওয়াস্সালা-মাতি ওয়াল ইসলা-মি, ওয়াততাওফীক্বি লিমা তুহিববু ওয়া তারযা; রববী ওয়া রববুকাল্লা-হ ।

CHENNAI SUPER KINGS (CSK)
Retained: MS Dhoni (C), Suresh Raina, Deepak Chahar, KM Asif, Karn Sharma, Dhruv Shorey, Faf du Plessis, M Vijay, Ravindra Jadeja, Sam Billings, Mitchell Santner, David Willey, Dwayne Bravo, Shane Watson, Lungi Ngidi, Imran Tahir, Kedar Jadhav, Ambati Rayudu, Harbhajan Singh, N Jagadeesan, Shardul Thakur, Monu Kumar, Chaitanya Bishnoi
Bought: Mohit Sharma (Rs 5 crore), Ruturaj Gaikwad (Rs 20 lakh)

ভারতের সাথে বাংলাদেশের অচিহ্নিত সীমান্তের দৈর্ঘ্য কত কোথায় অবস্থিত?
২ কিলোমিটার, ফেনীর মুহুরীর চরে অবস্থিত।

ছাতা

১৫-১৬ টি কালোজিরা ছোট ১ টি পিয়াজ ও ২ চামচ মধু সহ বিকালে বা রাতে খেলে চির যৌবন রক্ষা হয়। সকালে খালি পেটে ১২-১৩ ফোটা কালোজিরার তেল ও ১৫-১৬ ফোঁটা মধু খেলে ডায়াবেটিসের উপকার হয়। ১০/১২ ফোঁটা কালোজিরার তেল গরম পানিতে মিশিয় খেলে বাত রোগের উপকার হয়।



গরমে সুস্থ থাকতে প্রচুর পানি পান করুন

সূরা ফীল:
আলাম তারা কাইফা ফায়ালা রাব্বুকা বি আসহাবিল ফিল। আলাম ইয়াজ আল কাইদাহুম ফি তাদলিলিও। ওয়া আরছালা আলাইমি ত্বাইরান আবাবিল। তারমিহিম বিহিজারাতিম মিন্‌সিজ্জিলিন। ফাজাআলাহুম কা’ছফিম্মাকুল।

আজ বুধবার,
২০ মার্চ ২০১৯,
৬ চৈত্র ১৪২৫,
১২ রজব ১৪৪০



মনোবাসনা পূরণে আল্লাহর জিকির
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তার সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-খাফিদু’
অর্থ : ‘কাফির মুশরিকদের হীন ও নীচুকারী।’

আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْبَاسِطُ)-এর আমল

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামটি মধ্য রাতে বা দ্বিপ্রহরের সময় ১০০ বার পাঠ করবে মহান আল্লাহ তাকে তাঁর সৃষ্টির মধ্যে মনোনীত ও অর্থশালী করেন এবং মুখাপেক্ষীহীন করে দেন।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْخَافِضُ) ‘আল-খাফিদু’ নামের জিকির প্রতিদিন ৫০০ বার মনোযোগের সঙ্গে পড়ে, আল্লাহ তাআলা তার মনোবাসনা পূরণ করেন।

কবরের আজাব থেকে নিরাপদ থাকার আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْقَابِضُ) ‘আল-আলিমু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ক্বাবিদু’
অর্থ : ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’

আল্লাহর ‍গুণবাচক নাম (اَلْعَلِيْمُ)-এর আমল

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ নামটি চল্লিশ দিন পর্যন্ত চার টুকরো রুটি বা অন্য কিছুর ওপর লিখে আহার করে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় সে ক্ষুধা ও কবরের আজাব হতে নিরাপদ থাকবে।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ প্রতিদিন ৪০ বার পড়বে, সে পিপাসার্ত হবে না।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র নাম ৪০ দিন পর্যন্ত রুটির প্রথম লোকমায় লিখে খাবে; জীবনে কখনও ক্ষুধায় কষ্ট পাইবে না এবং জীন-ভূতের আছর ও যাদুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে।

আত্মার পেরেশানি দূর করার আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْفَتَّاحُ) ‘আল-ফাত্তাহু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘হুকুমকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْفَتَّاحُ) ‘আল-ফাত্তাহু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ফাত্তাহু’
অর্থ : ‘হুকুমকারী; রহমতের রিযিকের দরজা প্রশস্ততাকারী।’

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর নিজের বক্ষের ওপর উভয় হাত রেখে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْفَتَّاحُ) ‘আল-ফাত্তাহু’ নামটি ১৭ বার পাঠ করে; তার অন্তরের মরিচীকা ও অন্ধকার চলে যায় এবং তাঁর অন্তর্জগৎ অত্যন্ত স্বচ্ছ ও পরিষ্কার হয়ে যায়।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْفَتَّاحُ) ‘আল-ফাত্তাহু’ নামের জিকির ৭ থেকে ৭০ বার করলে মনের কালিমা দূর হয়; সকল কাজ সহজসাধ্য হয়; অভাব দূর হয় এবং ভাগ্যের উন্নতি হয়। আবার কেউ কেউ বলেছেন, ‘এ পবিত্র গুণবাচক নামের জিকির দশ বার পাঠ করলে সে ব্যক্তির ঘরে দুঃখ-দুর্দশা ও দারিদ্রতা কখনো আসবে না।

রিযিক বৃদ্ধির আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلرَّزَّاقُ) ‘আর-রায্‌যাকু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘রিযিক সৃষ্টিকারী, সৃষ্টি জগতের নিকট রিযিক প্রেরণকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلرَّزَّاقُ) ‘আর-রায্‌যাকু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আর-রায্‌যাকু’
অর্থ : ‘রিযিক সৃষ্টিকারী, সৃষ্টি জগতের নিকট রিযিক প্রেরণকারী।’

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পূর্বে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلرَّزَّاقُ) ‘আর-রায্‌যাকু’ নামের জিকির করবে তাঁর রিযিক বৃদ্ধি পাবে।

>> যে ব্যক্তি সুবহি সাদেকের পর ফজরের নামাজের পূর্বে নিজ ঘরের চার কোণে গিয়ে আল্লাহ তাআলার এ পবিত্র গুণবাচক (اَلرَّزَّاقُ) ‘আর-রায্‌যাকু’ নামটি দশ দশ বার পাঠ করবে; সে ঘরে দুঃখ-দুর্দশা ও দারিদ্রতা কখনো আসবে না।

এ তাসবিহ পড়ার নিয়ম হলো- ঘরের ডান কোণ হতে শুরু করবে এবং ক্বিবলামুখী হয়ে তাসবিহ পড়বে।


গুরুত্বপূর্ণ কাজ সহজে সম্পাদনের আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’ একটি। যার অর্থ হলো ‘অত্যন্ত ক্ষমতাধর অর্থাৎ তাঁর সম্মুখে সবই অক্ষম।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’
অর্থ : ‘অত্যন্ত ক্ষমতাধর অর্থাৎ তাঁর সম্মুখে সবই অক্ষম।’
ফজিলত
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’ নামটির জিকির বেশি বেশি করবে, তার অন্তর থেকে আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার ভালোবাসা দূর করে দেবেন এবং তার শেষ পরিণাম হবে অত্যন্ত ভালো।

>> যে ব্যক্তি তার গুরুত্বপূর্ণ কাজে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’ নামটির জিকির ১০০ বার করবে, তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজটি অত্যন্ত সহজ হয়ে যাবে।

>> যে ব্যক্তি ফরজ, সুন্নাত ও নফল নামাজের পর মধ্যে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’ নামটির জিকির করবে, তবে তার বড় বড় দুশমনও পরাস্ত হয়ে যাবে।

>> যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’-এর জিকির করবে; আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির সমস্ত বিপদ ও সমস্যা দূর করে দিবেন।

>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْقَهَّارُ) ‘আল-ক্বাহ্‌হারু’ নামটির জিকির সব সময় করবে; সে ব্যক্তির অন্তর থেকে দুনিয়ার সংসারের মায়া-মমতা দূর হবে; আল্লাহ ব্যতিত অন্য কোনো খেয়াল থাকবে না এবং শত্রুর উপর বিজয় লাভ করবে।
গোনাহ থেকে ক্ষমা লাভের ছোট্ট আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ একটি। যার অর্থ হলো ‘বান্দার পাপসমূহ ক্ষমাকারী; দোষ ত্রুটি আবৃতকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-
উচ্চারণ : ‘আল-গাফ্‌ফারু’
অর্থ : বান্দার পাপসমূহ ক্ষমাকারী বা দোষ-ত্রুটি আবৃতকারী।

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি জুমআর নামাজের পর ১০০ বার আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ নামাজের জিকির করবে; আল্লাহ তাআলা তাঁর গোনাহ মাফ করবেন এবং অভাব দূর করবেন।
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ নামটি জুমআর নামাজের পর ১০০ বার পড়বে; আল্লাহ তাআলা তাঁর গোনাহ ক্ষমা করবেন এবং (দুনিয়ার) যাবতীয় অভাব দূর করবেন এবং সুখ-শান্তি দান করবেন।

আর বান্দার গোনাহ মাফে নিম্নোক্ত দোয়াটিও পড়া যায়-

উচ্চারণ : ইয়া গাফ্‌ফারু ইগফির লি জুনুবি।’
অর্থ : হে অপরাধ ক্ষমাকারী!আমার অপরাধ ক্ষমা করুন।

মানুষের অত্যাচার থেকে নিরাপদ থাকার আমল
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, তোমরা যদি আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। এ কথায় প্রমাণিত হয় যে, জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যাধিক। আল্লাহ তাআলা অনেক আয়াতেই তাঁর সুন্দর সুন্দর (গুণবাচক) নামের জিকিরের নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ গুণবাচক নামের জিকিরের ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ঝাব্বারু’

অর্থ : বিধ্বস্ত কর্মসমূহকে সঠিককারী, পরাক্রমশালী। আবার কেউ কেউ এ গুণবাচক নামের অর্থ করেছেন এভাবে, ‘বান্দাহকে সেই কাজ করতে বাধ্য করা, যার ইচ্ছা তিনি করেছেন’।

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার গুণবাচক মুবারক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি প্রত্যেক দিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর ২১৬ বার পড়বে, সে যাবতীয় যুলুম তথা অত্যাচারের হাত থেকে নিরাপদ থাকবে।
>> অন্যত্র এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি ২১ বার পাঠ করবে সে অত্যাচারীর অমঙ্গল থেকে রক্ষা পাবে।
>> সব সময় গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটির জিকির করলে সে মানুষের মন্দ আচরণ থেকে নির্ভয় ও নিরাপদ থাকবে।
>> যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদশালী ও নেতা হতে চায়, সে আল্লাহ তাআলার এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি আংটির মধ্যে লিখে তা পরিধান করবে। এর ফলে মানুষের অন্তরে ঐ ব্যক্তির ভয় ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।

যে আমলে জান্নাতবাসী হওয়া যায়
ইসলামের প্রতিটি বিধি-নিষেধ মানুষের কল্যাণেই আরোপিত। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর পথে মতে চলার এবং পরকালীন জীবনে পরিপূর্ণ সফলতার জন্য অনেক পথই দেখিয়েছেন। কুরআন এবং হাদিসে তার বর্ণনা বিদ্যমান। আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক একটি নাম মুহাইমিন (اَلْمُهَيْمِنُ)। এ নামের নিয়মিত আলমকারী ফজিলত বর্ণনায় এসেছে যে, ঐ ব্যক্তি জান্নাত বা বেহেশতবাসী হবে। আমলটি তুলে ধরা হলো-
উচ্চারণ : আল-মুহাইমিনু।’
অর্থ : সকল বস্তুর রক্ষাকারী।

ফজিলত
(اَلْمُهَيْمِنُ) আল-মুহাইমিনু আল্লাহ তাআলা গুণবাচক নাম। এ শব্দের অর্থ হলো- সকল বস্তুর রক্ষক। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই শুধুমাত্র সৃষ্টির সকল কিছুর রক্ষক। এ গুণবাচক নামের জিকিরের ফজিলত বর্ণনায় এসেছে-
>> যে ব্যক্তি গোসলের পর এ গুণবাচক নামটি ১১৫ বার পড়বে সে অদৃশ্য জগতের বিষয়াবলী সম্পর্কে অবহিত হবে।

>> আর যে ব্যক্তি সব সময় এ গুণবাচক নামের জিকির করবে সে সব ধরনের মসিবত থেকে রক্ষা পাবে এবং জান্নাত তথা বেহেশতবাসী হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর এ ছোট্ট গুণবাচক নাম (اَلْمُهَيْمِنُ) ‘আল-মুহাইমিনু’-এর জিকির করার মাধ্যমে ঘোষিত ফজিলত অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
মানুষের শত্রুতা থেকে হিফাজাত থাকার আমল কুরআন-সুন্নাহর উপদেশ হচ্ছে মানুষ মানুষের উপকার করবে। অমঙ্গল বা ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকবে। তারপরও মানুষ মানুষের সঙ্গে শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। কারণ মানুষের প্রকাশ্য দুশমন হলো শয়তান। সে মানুষকে অন্যায় ও ক্ষতির পথে পরিচালিত করতে কঠিন প্ররোচনা দিয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলা সুরা নাস-এর মাধ্যমে এ বিষয়ে মানব জাতিকে সতর্ক করেছেন। মানুষ শয়তান এবং জিন শয়তান থেকে তাঁর নিকট আশ্রয়ের প্রার্থনার পদ্ধতি শিখিয়েছেন।

সুতরাং মানুষের শত্রুতা, ক্ষতি এবং অমঙ্গল থেকে বেঁচে থাকতে সুরা নাস, ফালাক ছাড়াও আল্লাহ তাআলা গুণবাচক নামের ছোট্ট একটি আমল রয়েছে। যা তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : আল-মু`মিনু

(اَلْمُؤْمِنُ) আল-মু`মিনু শব্দে অর্থ হলো- নিরাপত্তা প্রদানকারী। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা মানুষসহ সমস্ত মাখলুককে সকল অকল্যাণ ও ক্ষতি থেকে নিরাপত্তা প্রদান করেন। তাছাড়া প্রত্যেক বান্দার উচিত অন্যকে বিপদ-মসিবত ও কষ্ট হতে নিরাপদ রাখা।
ফজিলত
>> যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার (اَلْمُؤْمِنُ) এ পবিত্র গুণবাচক নামের বেশি বেশি জিকির করে অথবা লিখে নিজের কাছে রাখে আল্লাহ তাআলা তাকে শয়তানের অমঙ্গল হতে নিরাপদে রাখেন এবং কোনো ব্যক্তি তার সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে না।

>> আল্লাহ তাআলা (اَلْمُؤْمِنُ) আল-মু`মিনু গুণবাচক নামের জিকির কারীর অন্তর্জগৎ এবং বাহির জগৎ নিরাপদ রাখেন।

>> সর্বোপরি যে ব্যক্তি এ নামটি জিকির বেশি বেশি করে দুনিয়ার সকল সৃষ্টিজীব তার আনুগত্য স্বীকার করে।



স্ত্রী পালিয়ে গেছে

মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামালো ট্রাফিক পুলিশ। বললো, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বললো, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন!

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2340 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)