About Mizanur Rahman

গরমে ঘামাচির সমস্যা? জেনে নিন সমাধান

গরমে একটু পরপর তৃষ্ণা পাওয়া, ঘাম এবং অস্বস্তির পাশাপাশি আরেকটি বড় সমস্যা হলো ঘামাচি। এই এক ঘামাচির কারণে সবটুকু স্বস্তি চলে যায় যেন। ঘামাচি হলে চুলকানি তো আছেই সেইসঙ্গে ত্বকের ধরন বুঝে এটি প্রভাব বিস্তার করতে থাকে। র‌্যাশ, প্রদাহ সব মিলিয়ে ত্বকের ক্ষতি তো হয়ই, সঙ্গে অস্বস্তি ও শারীরিক কষ্টও বাড়ায়।
বাজারে আপনি নানা ধরনের পাউডার বা সাবান পাবেন যেগুলো ব্যবহারে সাময়িক মুক্তি মিললেও পরবর্তীতে এই সমস্যা আবার দেখা দেবে। এমনকি তাতে রাসয়নিক মেশানো থাকে বলে থাকতে পারে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়। সেখান থেকে হয়তো আরও বড় কোনো সমস্যা দেখা দেবে।

ঘামাচির সমস্যা প্রকট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে ঘামাচি দূর করার ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় আছে। যেগুলো আপনাকে ঘামাচি থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে। চলুন জেনে নেয়া যাক- চার টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে পরিমাণমতো গোলাপজল মিশিয়ে ঘামাচির উপর লাগান। কিছুক্ষণ রেখে শুকিয়ে নিন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
এককাপ ঠান্ডা পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার কাপড় ডুবিয়ে ঘামাচির উপর ১০ মিনিট পর্যন্ত রেখে আলতো হাতে মুছতে থাকুন।

একটি শুকনো কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ নিয়ে ১০-১৫ মিনিট ধরে ঘামাচির উপর লাগান। দিনে ৩-৪ বার এভাবে করলে ভালো ফল পাবেন।

২ টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ার সঙ্গে পরিমাণ মতো গোলাপজল মিশিয়ে ঘামাচির উপর লাগান। দ্রুত উপকার পাবেন।

৩ টেবিল চামচ ওটমিলের সঙ্গে অর্ধেক টেবিলচামচ হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে ঘামাচির উপর লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

ঘামাচির মোক্ষম নিরাময় হল অ্যালোভেরা। ঘামাচির উপর শুধু অ্যালোভেরার রস বা হলুদের সঙ্গে অ্যালোভেরার রস মিশিয়ে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।

নিম পাতা ঘামাচির উপশম হিসাবে খুবই কার্যকরী। নিম পাতার রসের সঙ্গে গোলাপজল মিশিয়ে ঘামাচির উপর লাগান। ঘামাচি না চুলকে তার উপর নিম ডাল বোলালেও আরাম পাবেন।

মহানবীর ১০ হাদীস
১০ টি হাদীস:

* যে জ্ঞানের সন্ধানে বের হয় সে 'আল্লাহর' পথে বের হয়।

* ধৈর্য জান্নাতের ভান্ডারসমূহের একটি ভান্ডার। [বায়হাকি]

* স্বামী খুশি থাকা অবস্থায় কোন স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতি। [তিরমিযী ১১৬৯]

* মহিলাদের নামায তাদের ঘরের গোপন কক্ষে পড়া উত্তম। ( আবুদাউদ, হা, ৫৭০ ইঃফাঃ)

* পুলসিরাত জাহান্নামের মধ্যখানে স্থাপন করা হইবে। রাসুলের মধ্য আমিই সর্ব প্রথম স্বীয় উম্মত লইয়া ইহা অতিক্রম করিব। সে দিন নবী রাসুলগন ব্যতীত অন্য কেহ কথা বলিবে না। প্রত্যেক নবী বলিতে থাকিবে হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন। হায় আল্লাহ! নিরাপত্তা দান করুন।

* উত্তম স্ত্রী তো সেই যার দিকে তাকিয়ে স্বামী আনন্দিত হয়। স্বামী কোন কিছু আদেশ করলে তা পালন করে । এবং স্বামী যা অপছন্দ করেন ,স্ত্রী তা করে না ।
----মিশাকাত ৩২৭২ ।

* তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে নিবৃত্ত থাকবে। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমল বা পুণ্যগুলো এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।"
-----আবু দাউদ

*আমার উম্মতকে ভুল, বিস্মৃতি ও জবরদস্তির গুনাহ হতে নিষ্কৃতি দেয়া হয়েছে। --- সুনানে ইবনে মাজাহ (২০৪৫)

* একটি যুগ আসবে যখন মানুষ উপার্জন করতে একথা চিন্তা করবে না যে,আমি হালাল পন্থায় উপার্জন করছি,নাকি হারাম পন্থায়! [সহীহ বুখারী,হাদিস নং ১৯৪১]

হোম ক্রিকেট বিশ্বকাপ ক্রিকেট বিশ্বকাপের কিছু বিতর্কিত ঘটনা


ক্রিকেটকে জেন্টলম্যানস গেম নামেই ডেকে থাকে বিশ্ব। ইতিহাস বলে, সেই ১৬৪৬ সাল থেকে শুরু ক্রিকেটের। তারপর ক্রমাগত নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্রিকেট বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা। কিন্তু জেন্টলম্যানস গেম হলেও, এই খেলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক। বিশেষ করে বিশ্বকাপে। বিশ্বকাপের তেমনই কিছু বিতর্ক তুলে ধরা হল-

৭ জুন, ১৯৭৫ সাল। ইংল্যান্ডের মুখোমুখি ভারত। ভারতের সামনে ৩৩৫ রানের কঠিন টার্গেট। দর্শকেরা ভেবেছিলেন মুহুর্মুহু ৪ আর ৬ ধেয়ে আসবে গ্যালারির দিকে। কিন্তু হল ঠিক উল্টো। টেস্ট ম্যাচের মতো ব্যাট করল ভারত। ৬০ ওভারে মাত্র ১৩২/৩ করল ভারত। ১৭৪টা বল খেলে সুনীল গাভাস্কার করলেন মাত্র ৩৬ রান! প্রবল সমালোচিত হয়েছিল সেই ইনিংস।
১৯৯৬ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ। সেমিফাইনাল খেলছে ভারত। প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ভারতের সামনে টার্গেট ২৫২ রান। কিন্তু খেলতে নেমে মাত্র ১২০ রানেই ৮ উইকেট পড়ে যায় ভারতের। খেলাটা হচ্ছিল ইডেন গার্ডেন্সে। দলের খারাপ পারফরম্যান্সে উত্তেজিত হয়ে পড়েন দর্শক। কিছু ক্ষণের মধ্যেই মাঠের মধ্যে একটার পর একটা বোতল উড়ে আসতে শুরু করে গ্যালারি থেকে। আগুনও ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল পুলিশের পক্ষে। শেষমেশ খেলা বাতিল করে শ্রীলঙ্কাকেই জয়ী ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি ক্লাইভ লয়েড। বিশ্বকাপের অন্যতম লজ্জার অধ্যায় ছিল সে দিন।

ডোপ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার শেন ওয়ার্ন। ঘটনাটা ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে। বিশ্বকাপের আগের দিনই এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু যে ওষুধ খেয়ে তিনি বিশ্বকাপ খেলতে পারলেন না, সেটা কিসের ওষুধ ছিল জানেন? ওষুধটি ওয়ার্নের মা তাঁকে দিয়েছিলেন। ওষুধের প্রভাবে তাঁর শরীরে এমন কিছু হয়নি, যা খেলায় প্রভাব ফেলবে। বরং এই ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, তাঁকে আকর্ষণীয় করে তুলতে। বিষয়টা সামনে আসার পরই ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির তুমুল নিন্দা হয়।

১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপ। সেইবার নিরাপত্তার কথা ভেবে শ্রীলঙ্কায় খেলতে যেতে চায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং অস্ট্রেলিয়া। আইসিসি সম্পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়া সত্ত্বেও তারা শ্রীলঙ্কায় যেতে রাজি হননি। ফল? বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা।

পাকিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডের গ্রুপ ম্যাচের পর দিনই জামাইকার হোটেল রুমে পাকিস্তানের কোচ বব উলমারের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০৭ সালের ১৮ মার্চ। আচমকা তাঁর এই মৃত্যু ক্রিকেট দুনিয়ায় সমালোচনা বয়ে নিয়ে এসেছিল।

২০০৭ সালে আরও একটি কারণে ক্রিকেট কলঙ্কিত হয়। সেই বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনের কেনসিনটন ওভালে ফাইনাল চলছিল অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে। ব্রিজটাউনের ওই মাঠে ফ্লাডলাইট ছিল না। খারাপ আবহাওয়ায় মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। সঙ্গে সঙ্গে অন্ধকার নেমে আসে ফাইনালের মাঠেও। ম্যাচ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। এই রকম ম্যাচে কেন ফ্লাডলাইটের ব্যবস্থা নেই, তা নিয়ে প্রবল সমালোচনা হয়।

২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ২৮ বছর পর ফের ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি হাতে তুলে নেয় ভারত। কিন্তু এই ট্রফি আসল না নকল, তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। অনেকের মতে, ম্যাচ শেষে যে ট্রফি হাতে নিয়ে ভারতীয় দলের ছবি দেখা যায়, সেটা নাকি নকল ট্রফি ছিল। শোনা যায়, সেমিফাইনালের পর কলম্বো থেকে ভারতে নিয়ে আসার সময়ই বিমানবন্দরে মুম্বাইয়ের শুল্ক অফিসারেরা সেটা বাজেয়াপ্ত করেছিল।

২০১১ বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড খেলা চলছিল। ইয়ান বেলের বিরুদ্ধে এলবিডব্লিউর আবেদন খারিজ করেন আম্পায়ার বিলি বাওডেন। ডিআরএসের আবেদনও মানা হয়নি উইকেট থেকে আড়াই মিটার দূরে বল প্যাডে লাগায়। তুমুল বিতর্ক হয় সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে। পরে আইসিসি সেই নিয়ম পাল্টে ফেলে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রবল বিতর্ক হয়।

এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০, সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা


এ বছরের জনপ্রতি ফিতরা সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বায়তুল মোকাররমে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা শেষে ইসলামী ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ নিজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া মতে, আটা, খেজুর, কিশমিশ, পনির ও যব-এসব পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা দেওয়া যায়। ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা খেজুর, কিশমিশ, পনির বা যবের মধ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী যেকোনো একটি পণ্যের ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের বাজারমূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করা যায়।

মুহম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, সারাদেশের সব বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিশমিশ ও পনিরের সর্বোচ্চ বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। কেউ চাইলে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যেকোনো একটি পণ্য বা এর বাজারমূল্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতে পারবেন। পণ্যগুলোর স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

পৃথিবী সম্পর্কে জানা অজানা কিছু তথ্য
পৃথিবী সৌরজগতের মধ্যে একমাত্র জীবনধারণের উপযোগী একটি গ্রহ হিসেবে নিজের একটি স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। উঁচু পাহাড়, গভীর সমুদ্র, আর্দ্র বনভূমি থেকে শুষ্ক মরুভূমি, পৃথিবীকে অন্যান্য গ্রহ থেকে করেছে আলাদা। এর ১৯৫টি দেশে ৭.৫ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস করে।

পৃথিবী সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য:
১। পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটবর্তী গ্রহ। এর অনন্য প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের জন্যই এই গ্রহ জীবনধারণের উপযোগী।
২। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরতে সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড এবং সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন।
৩। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩৪° ফারেনহাইট এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -১২৮.৫° ফারেনহাইট।

পৃথিবীর পরিধি
বিষুব রেখা ধরে মাপলে পৃথিবীর পরিধি ২৪৯০১.৫৫ মাইল। যেহেতু পৃথিবী গোলাকৃতি নয়, তাই মেরু অঞ্চল দিয়ে মাপলে এর পরিধি কমে দাঁড়ায় ২৪৮৫৯.৮২ মাইল। পৃথিবী একটু চ্যাপ্টা। বিষুবীয় অঞ্চল দিয়ে একটু চওড়া। এই আকৃতিকে বলা হয় এলিপসয়েড (Elipsoid)। পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা নিয়ে একটি মডেল কল্পনা করা হয়। একে বলা হয় জিওআইডি (Geoid)। বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাস ৭৯২৬.২৮ মাইল এবং মেরু অঞ্চলে এর ব্যাস ৭৮৯৯.৮০ মাইল।
ঘুর্ণন
আগেই বলেছি পৃথিবী নিজ অবস্থানে একবার ঘুরতে সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট চার সেকেন্ড (আরো নিখুঁত হিসাব করলে ৪.০৯০৫৩ সেকেন্ড)। যাই হোক, সূর্যের সামনে পৃথিবীর সেই একই অবস্থানে ঘুরে আসতে অতিরিক্ত ৪ মিনিট সময় লাগে। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে একবার সম্পুর্ণ ঘুরে আসতে সময় নেয় ৩৬৪.২৪২৫ দিন। যেহেতু ক্যালেন্ডার ৩৬৫ দিনের, এই সময়টা পূরণ করতে একটি অতিরিক্ত দিন চারবছর পর পর যোগ করা হয়, যাকে আমরা বলি লিপ ইয়ার, যার ফলে ক্যালেন্ডার ইয়ার এস্ট্রোনমিকাল ইয়ারের সাথে সুসংগত অবস্থায় থাকে।

সূর্য ও চাঁদ হতে দূরত্ব
যেহেতু চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে উপবৃত্তাকার পথে ঘুরছে আবার পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে উপবৃত্তাকার পথে ঘুরছে, তাই এদের মধ্যকার দূরত্ব সব সময় সমান নয়। পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার গড় দূরত্ব ৯৩,০২০০০০ মাইল এবং পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার দূরত্ব ২৩৮৮৫৭ মাইল।
জল বনাম স্থল
পৃথিবীর ৭০.৮ শতাংশ পানি এবং ২৯.২ শতাংশ স্থল । এই বিশাল জলরাশির ৯৬.৫৪ শতাংশ পানি সামুদ্রিক। ১.৭৪ শতাংশ পানি বরফ হয়ে আছে, ১.৬৯ শতাংশ পানি ভূ অভ্যন্তরীণ, মাটির সাথে মিশে আছে ০.০০১ শতাংশ পানি, পার্মাফ্রস্টে আছে ০.০২২ শতাংশ পানি, বিভিন্ন হ্রদে আছে ০.০১৩ শতাংশ পানি, বায়ুমন্ডলে আছে ০.০০০১ শতাংশ পানি এবং অন্যান্য যায়গায় প্রায় ০.০০১১ শতাংশ পানি রয়েছে।
রাসায়নিক গঠন
পৃথিবী ৩৪.৬ শতাংশ লোহা, ২৯.৫ শতাংশ অক্সিজেন, ১৫.২ শতাংশ সিলিকন, ১২.৭ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, ২.৪ শতাংশ নিকেল, ১.৯ শতাংশ সালফার এবং ০.০৫ শতাংশ টাইটানিয়াম দ্বারা গঠিত।
বায়ুমন্ডল
পৃথিবীর বায়ুমন্ডল মূলত ৭৭% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন দ্বারা গঠিত, এছাড়া রয়েছে আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি।
সর্বোচ্চ উচ্চতা
পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু মাউন্ট এভারেস্ট, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৯,০৩৫ ফিট উঁচু। ভূমি থেকে শীর্ষের হিসেবে সবচেয়ে লম্বা পর্বত হল হাওয়াই এর মাউনা কেয়া, যার দৈর্ঘ্য ৩৩,৪৮০ ফিট। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,৭৯৬ ফিট উঁচু।

সর্বনিন্ম গভীরতা
মৃত সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু যায়গা। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৬৯ ফুট নিচে অবস্থিত। এই সমুদ্রের উচ্চ লবণাক্ততার জন্য যে কেউ এই সমুদ্রে ভেসে থাকতে পারে। গভীরতার কথা বললে, পৃথিবীর সবচেয়ে যায়গা হল মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। এর গভীরতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬,০৭০ ফিট।
তাপমাত্রা
পৃথিবীর ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিলো ক্যালিফোর্নিয়ার ডেথ ভ্যালির গ্রিনল্যান্ড র‍্যাঞ্চে, ১০ জুলাই, ১৯১৩তে। যা ছিল ১৩৪° ফারেনহাইট। ১৯৮৩ সালে এন্টার্কটিকার ভস্টকে জুলাই মাসের ২১ তারিখে পৃথিবীর সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা ছিল ১২৮.৫ ° ফারেনহাইট।
দেশ ও জনসংখ্যা
ডিসেম্বর ২০১৮ এর হিসাব অনুযায়ী পৃথিবীর জনসংখ্যা ধরা হয় ৭৫৩৭০০০০০০০। পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহূল দেশগুলো হল চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল। পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.০৯ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতিবছর ৮৩ মিলিয়ন নতুন মুখ এই পৃথিবীতে যোগ দেয়।
পৃথিবীতে সর্বমোট ১৯৫ দেশ। এর মধ্যে দ্য হলি সি এবং স্টেট অফ প্যালেস্তাইন জাতিসংঘের নন মেম্বার অবসারভার স্টেট হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত। পৃথিবীর সবচেয়ে নতুন দেশ সাউথ সুদান, যা ২০১১ সালে রিপাবলিক অফ সুদান ভেঙে হয়।

অটোফ্যাগি কিভাবে আপনাকে সুস্থ্য রাখে?


না খেয়ে থাকা কি ভালো? সবাই জানে, সুস্থ্য থাকার জন্য শরীরের প্রয়োজনীয় উপদানগুলো সবসময় গ্রহণ করতে হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে বিজ্ঞান বলছে মাঝে মাঝে না খেয়ে থাকাও ভালো। এতে শরীরের বিভিন্ন সমস্যা নিজে থেকে সমাধান হয়ে যায়; এমনকি ক্যান্সারের মত প্রাণঘাতী রোগ থেকেও রক্ষা পায় মানব দেহ। কিভাবে হয় ব্যপারটা বুঝতে হলে আপনাকে জানতে হবে অটোফ্যাগি (Autophagy) বা স্ব-ভক্ষণ নামের প্রক্রিয়াটি।

অটোফ্যাগি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘অটো’ এবং ‘ফ্যাগি’ থেকে। প্রথমটির অর্থ নিজে এবং দ্বিতীয়টির অর্থ খাওয়া। অটোফ্যাগি এক দৈহিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষগুলো তার বর্জ্যকে ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদন করে থাকে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ও মৃতপ্রায় কোষ থেকে দেহকে পরিত্রাণ পেতে সহায়তা করে। আর অটোফ্যাগি প্রক্রিয়াটি ঘটে মাঝে মাঝে খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকলে। যেমনটা রোজার সময় ঘটে থাকে। তখন পুষ্টির অভাবে কোষ নিজের মধ্যকার বর্জ্য ব্যবহার করে। ফলে কোষের ভেতরটা পরিষ্কার হয়ে যায়। আবার মৃতপ্রায় কোষগুলোকে মেরে ফেলে সেখানে নয়া কোষের গঠন সম্পন্ন হয়। এভাবে দেহের কোষগুলো নবজীবন লাভ করে। এই অটোফ্যাগি নিয়ে গবেষণা করে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানের বিজ্ঞানী ইয়োশিনোরি ওশুমি।

এই প্রক্রিয়া জীবে দেহকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি অল্পবয়সে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। আর সবচেয়ে বেশি অটোফ্যাগি হয় উপোস থাকা অবস্থায়। মানে আপনি যখন টানা দীর্ঘ সময় (সাধারণত দিনের একটা বড় অংশ) খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, অটোফ্যাগির সমস্যার কারনে যেহেতু ডায়াবেটিস , পারকিনসন্স এমনকি ক্যান্সার (Cancer) পর্যন্ত হয়; তাই এই আবিষ্কারকে কাজে লাগিয়ে ডায়াবেটিকস, জিনবাহী রোগসহ বহু দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা আবিষ্কার করা সম্ভব হতে পারে।

বর্জ্য থেকে জ্বালানী; এক লিটার ডিজেলের মূল্য ২০ টাকা

প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য থেকে জ্বালানী, এলপিজি গ্যাস ও অ্যাভিয়েশন বা জেট ফুয়েল উৎপাদনের কথা জানালেন ড. মইন উদ্দিন সরকার ও ড. আনজুমান সেলী।

প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে জ্বালানি তৈল উৎপাদনে প্লান্ট স্থাপন করে বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে পরিবেশ বান্ধব করতে চান তারা। তাদের তৈরি যন্ত্রগুলো দিয়ে এক টন প্লাষ্টিকসহ বিভিন্ন বর্জ্য থেকে ১৩০০ লিটার ডিজেল, ১০ সিলিন্ডার এলপিজি গ্যাস এবং ২৩ লিটার অ্যাভিয়েশন বা জেট ফুয়েল উৎপাদন করা সম্ভব। এতে ডিজেলের মূল্য হবে লিটার প্রতি ২০ টাকা। এ ব্যতিক্রমী কাজের জন্য বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক সহায়তা চেয়েছেন তারা।

রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ড. মইনউদ্দিন সরকার ও ড. আনজুমান সেলী এ সব তথ্য জানান।

এ সময় ড. মইনউদ্দিন বলেন, ‘সারা দুনিয়ায় দিনে দিনে বাড়ছে প্লাস্টিক সামগ্রীর ব্যবহার, সেই সঙ্গে আমাদের চার পাশে জমছে প্লাস্টিক বর্জ্য। যা হয়ে ওঠেছে আমাদের পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। প্লাস্টিক পচনশীল নয় বিধায় মাটি হারাচ্ছে তার উর্বর শক্তি। খাল গুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে, নদী তার নাব্যতা হারাচ্ছে। ড্রেনের পয়ঃনিষ্কাষন ব্যবস্থা রোধ হচ্ছে ফলে মশা মাছির প্রকোপ বেড়েই যাচ্ছে এবং বৃষ্টি হলে শহরে নৌকা চালাতে হচ্ছে। প্লাস্টিক ও পলিথিন-এর প্রাদুর্ভাবে বন ও জলজ জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে।’

‘শুধু আমেরিকাতেই প্রতি বছর ৮০ বিলিয়ন পাউন্ড প্লাস্টিক উৎপাদন হয় যার মাত্র ৬ শতাংশ অর্থাৎ ৪.৮ বিলিয়ন পাউন্ড পূণঃপ্রক্রিয়াজাত করা হয়। আমাদের জানামতে, বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৮ মিলিয়ন মেট্রিকটন মিউনিসিপ্যাল সলিড ওয়্যাস্ট (এমএস ডব্লিউ)বর্জ্র্য উৎপাদন হয় যার মধ্যে ১৫ শতাংশই প্লাস্টিক অর্থাৎ ৪.২মিলিয়ন প্লাস্টিক। যার মাত্র ১০ শতাংশ পূণঃপ্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হয়। ১৯৫০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সারাবিশ্বে প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন টন প্লাস্টিক উৎপাদন হয়েছে যার মাত্র ৯ শতাংশ পূণঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষম হয়েছে।’

‘২০১২ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন টন বর্জ্যপ্লাস্টিক সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। যা প্রায় ৭০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণীকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তাই বর্জ্য প্লাস্টিকের সমস্যা সমাধানের জন্য ২০০৫ সাল থেকে আমি ও আমার সহকর্মী ড. আনজুমান সেলী গবেষণা শুরু করি এবং ২০১০ সালে প্লাস্টিক থেকে তেল উৎপাদনের একটি প্রযুক্তি ও তার পেটেন্ট তৈরি করি। যা নবায়ন যোগ্য শক্তি, যুক্ত-রাষ্ট্রের দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা প্রযুক্তি গুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রায় দুই দশক গবেষণার পর আমরা সাফল্যের সাথে একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করতে সক্ষম হই , যার প্রতি টন পরিত্যাক্ত প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য থেকে ১৩০০ লিটার জ্বালানী তেল, ১০ সিলিন্ডার এল.পি.জি গ্যাস, এবং ২৩ লিটার জেট ফুয়েল উৎপাদন করা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিজের গবেষণার সাফল্যেকে বাস্তব রুপ দিতে আমি নিজেই আমেরিকায় প্লান্ট গড়ে তুলেছি। পরিত্যাক্ত প্লাস্টিক থেকে জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তুলছি। উৎপাদন কোম্পানির নাম Waste technologies LLC, (আমেরিকা-যুক্তরাষ্ট্র) কোম্পানি প্লাস্টিকের বর্জ্য থেকে তেল তৈরির কাজসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার। বর্তমানে কোম্পানিটি বাংলাদেশেও এ রকমের প্লান্ট করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশে এই কেন্দ্র স্থাপন হলে একাধারে যেমন দেশকে ক্ষতিকারক প্লাস্টিকের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে, তেমনি দেশের স্বল্পশিক্ষিত থেকে শুরু করে শিক্ষিত যুবকদের ব্যাপক কর্মসংস্থান ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। দেশ অর্জন করতে পারবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা । এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো সক্ষম হবে। বাংলাদেশকে এশিয়ার বর্জ্য প্লাস্টিক পূনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি প্রদানের মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে দেশের আলাদা একটি জায়গা করতে সক্ষম হবে।

মেধাবী এই বিজ্ঞানী বলেন, বাংলাদেশে একটি প্লান্ট স্থাপন করতে ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারাও এটিকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করে সার্বিক সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার মাধ্যমে এ আবিষ্কারকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে।

প্রাণীদের যত অদ্ভুত মজার তথ্য!

প্রাণীজগত এক রহস্যের নাম। নানান রঙের ,নানান ঢং এর প্রাণী দিয়ে সমৃদ্ধ এই জগত। প্রতিটি প্রাণীই নিজস্ব কিছু স্বভাব, বৈশিষ্ট্য ধারণ করে নিজের স্বকীয়তা বজায় রাখে। কিছু প্রাণীর সেরকম কিছু বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই লেখা।
বাদুড়ঃ

বাদুড় Animalia জগতের Chordata পর্বের Mammalia শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত। প্রজাতি সংখ্যা হিসেব করলে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রজাতি এরা। মূলত এরা নিশাচর প্রাণী।

কিছু অনন্য বৈশিষ্ট্যঃ

বাদুড় একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যে উড়তে পারে।
এই পর্যন্ত প্রায় ১১০০ এর ও বেশি প্রজাতির বাদুড় পাওয়া গেছে।
একটি মাঝারি সাইজ এর বাদুড় ঘন্টায় যে পরিমাণ পোকা খায় তা একজন মানুষের এক রাতে ২০ টা পিজ্জা খাওয়ার সমান।
ব্যাট কনজারভেশান ইন্টারন্যাশনাল এর মতে, ১৫০ টি বাদুড় বছরে ফসলের জন্য ক্ষতিকর যে পরিমাণ পোকা খেয়ে ফেলে তা কৃষক কে অন্তত ১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
বাদুড় এর সবচেয়ে বড় কলোনী বলা হয় টেক্সাস এর ব্র্যাকেন গুহা কে(Bracken Cave, Texas)ধারণা করা হয় এই এক গুহাতেই প্রায় ২০ মিলিয়ন বাদুড় আছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকানরা বাদুড় কে প্রশিক্ষণ দিয়ে বোমা ফেলার জন্য চেষ্টা করেছিল।
চীন এবং জাপানে বাদুড় আর হ্যাপিনেস একই শব্দ দিয়ে বোঝানো হয়। এই দুই দেশে "হ্যাপিনেস" এবং "বাদুড়" এই দুই শব্দকেই "ফু(fu) " দিয়ে বোঝানো হয়।
বেশিরভাগ বাদুড় বিশ্রাম, ঘুম, মিলিত হওয়া এবং বাচ্চা জন্ম দেয়ার কাজটি করে উল্টা হয়ে।

রেখে দিন কাজে লাগবেঃ-

পরিমিতির সূত্রঃ
১. আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য× প্রস্থ
২. আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৩. আয়তক্ষেত্রের কর্ণ =√ (দৈর্ঘ্য²+ প্রস্থ²)
৪. বর্গ ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ( একবাহু)²
৫. বর্গ ক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × একবাহুর দৈর্ঘ্য
৬. বর্গ ক্ষেত্রের কর্ণ =√2 × একবাহুর দৈর্ঘ্য
৭. রম্বসের ক্ষেত্রফল = 1/2 × (কর্ণদুইটির গুণফল)
৮. রম্বসের পরিসীমা = 4 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য
৯. সামান্তরিকের ক্ষত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
১০. সামান্তরিকের পরিসীমা = 2 × (সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি)
১১. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 1/2 ×(সমান্তরাল বাহু দুইটির যোগফল)× উচ্চতা
১২. সমকোণি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = 1/2 × ভূমি × উচ্চতা
১৩. সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্যa হলে ক্ষেত্রফল = √3 a²/4
১৪. সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান সমান বাহুর দৈর্ঘ্যa এবং ভূমি b হলে ক্ষেত্রফল = b/4 √(4a²-b²)

পানি শূন্যতায় শরীরে যা ঘটে

শরীরে পানিশূন্যতা বা পানির স্বল্পতাকে ডাক্তারি পরিভাষায় বলে ডিহাইড্রেশন। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীর থেকে প্রতিদিন মূত্র, ঘাম, বাম্পীভবন, মলত্যাগ ইত্যাদির মাধ্যমে পানি বের হয়ে যায়। এছাড়াও গরমের দিন অতিরিক্ত ঘাম এর ফলে অথবা ডায়রিয়া জনিত রোগ এর কারণেও শরীরে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়।

পানিশূন্যতার কারণে সৃষ্ট সমস্যাগুলোঃ

পানি শূন্যতা যে কোন সময়ে হতে পারে তবে গ্রীষ্মকালে এর প্রকোপ বেড়ে যায় কারণ দেহে অন্য সময়ের তুলনায় বেশী পানির প্রয়োজন হয়। পানিশূন্যতার কারণে যে যে সকল সমস্যা দেখা যায়-

এজমা বা এলার্জি
ক্লান্তি বা অবসাদ
উচ্চ রক্তচাপ
কোলেস্টেরল
ত্বকের সমস্যা
কিডনির সমস্যা
পরিপাকে সমস্যা
কোষ্ঠকাঠিন্য
সংযোগস্থলে ব্যথা
ওজন বৃদ্ধি
অকালে বার্ধক্য
পানি শূন্যতার লক্ষণ সমূহঃ

প্রচন্ড তৃষ্ণাবোধ
মুখ শুকিয়ে যাওয়া
শারীরিক দুর্বলতা
মাথা ঘোরানো
বুক ধড়ফড় করা
প্রস্রাব কম হওয়া
গাঢ় হলুদ প্রস্রাব
কোষ্ঠ কাঠিন্য
জ্ঞান হারানো

আত্মহত্যার কারণ এবং প্রতিরোধে ৩টি করণীয়
ইদানিং বেড়ে চলেছে আত্মহত্যার হার। অনেক তরুণ-তরুণীরাই কারণে-অকারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। মূলত উচ্চমাত্রার স্ট্রেস বা মানসিক চাপ, ক্য়ারিয়ার বা জীবন নিয়ে কনফিউশন কিংবা পারিবারিক সমস্যার কারনে অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকে। এই ধরণের পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পেরে মৃত্যুকেই সমাধান মনে করে নেয় কেউ কেউ। ছেলেদের আত্মহত্যার চেষ্টাগুলো একটু বেশি মারাত্মক হয়, তাই তারা সফলও হয় বেশি। অন্যদিকে মেয়েরা আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেশি, কিন্তু সফল হয় কম।
আত্মহত্যার ঝুঁকিতে কারা আছে?
১. যেসব তরুণ-তরুণীরা ইতিমধ্যেই এক বা একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে।
২. কোন মানসিক সমস্যা বা রোগ বিশেষ করে ডিপ্রেশন, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত কেউ।
৩. অ্যালকোহল বা অন্যান্য মাদকে আসক্ত ব্যক্তি।
৪. পারিবারিক বা অন্য কোন ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হলে।
৫. পরিবারের অন্য কেউ বা কাছের কোন বন্ধু-বান্ধবী আত্মহত্যা করে থাকলে।
৬. বড় ধরণের কোন শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হলে।
৭. ভালোবাসার সম্পর্কে টানাপোড়ন ঘটলে।
৮. বিশাল কোন আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হলে।
আত্মহত্যা প্রতিরোধে করনীয়:
১. কখনো (একবারের জন্য হলেও) আত্মহত্যা করার চিন্তা এলে দেরী না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞর শরণাপন্ন হন। ডাক্তারের সাথে মন খুলে কথা বলুন, পরামর্শ নিন।
২. পরিবারের কেউ কিংবা কোন বন্ধু-বান্ধবী আত্মহত্যার কথা শেয়ার করলে বা হুমকি দিলে কখনোই তা হালকা ভাবে নিবেন না। যত দ্রুত সম্ভব তার মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। তার সাথে কথা বলুন এবং দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হন।
৩. পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কগুলো আরো শক্তিশালী করে তুলুন। ধর্মীয় অনুশাসনগুলো মেনে চলতে আগ্রহী হন।

আপনি জানেন কি
►নীল তিমি সবচেয়ে বড় প্রাণী। এর ওজন গড় পড়তা ১২৫ টন হয়ে
থাকে। যা প্রায় ১৮০০ জন মানুষের ওজনের যোগফল।

►আপনি কি জানেন, একটি মাছির গড় আয়ু মাত্র ১৭ দিন।
►সিংহের গর্জন ৫ মাইল দূর থেকেও দিব্যি শোনা যায়।


►নারহোয়েল (Narwhal) এক প্রকার তিমি মাছ। যার দাঁত ৮ ফিট লম্বা
হয়ে থাকে।

►আপনি কি জানেন, টমেটো আসলে এক প্রকার সবজি, কোন ফল নয়।

►আইসক্রিম সর্বপ্রথম চীনে তৈরী হয়েছিল, তাও খ্রীস্টের জন্মের ২০০০
বছর আগে।

►পৃথিবীর প্রথম নভোচারী কিন্তু মানুষ নয়, একটি কুকুর।

►শিম্পাঞ্জি অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে (মানুষ ছাড়া) বেশী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারে।

শিংওয়ালা দাদিমা

২০১০ সালে চীনের ১০১ বছর বয়সী ঝ্যাং রুফাং তার পাড়া-প্রতিবেশী আর সাংবাদিকদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেন যখন তারা আবিষ্কার করে যে ঝ্যাং-এর কপালে একটি শিং গজাচ্ছে! এলাকার লোকজন কুসংস্কার বশে অনেক কিছু মনে করলেও ডাক্তাররা মনে করেন কোন এক রোগেই এমন হচ্ছে।

লবঙ্গ খাওয়ার অজানা উপকারিতা

প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গসহ নানা ধরণের গরম মশলা পাওয়া যায়। কিন্তু লবঙ্গের গুণাগুণ শুধু রান্নাতেই নয়, তার বাইরেও আছে। সুস্বাস্থ্যে লবঙ্গ নানাভাবে আমাদের উপকারে আসে। যেমন-

১) দাঁতের যন্ত্রণায় কষ্ট পেলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমবে।
২) লবঙ্গ মুখে রাখলে বা জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলে আপনার বমি বমি ভাব দূর হবে।

৩) হাল্কা গরম পানিতে ১০ ফোঁটা লবঙ্গ তেল ও মধু যোগ করে, সেটা খেয়ে নিন। ভাইরাল ফিভারে কাজে দেবে।

৪) মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ। পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। লবঙ্গের সঙ্গে তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা ও দারচিনি মিশিয়ে আপনি ফ্লেভার্ড চা তৈরি করতে পারেন।

৫) সর্দি, কাশিতে লবঙ্গ খেলে আরাম পাওয়া যায়। কফ দূর হয়। নিঃশ্বাসে বাজে দুর্গন্ধও দূর হয়।


৫ মে: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

২০১৩ সালের এই দিনে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের একটি গণসমাবেশ এবং আন্দোলন সংঘটিত হয় এবং সরকার কর্তৃক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বিত বাহিনী দ্বারা অপারেশন সিকিউর শাপলা অভিজান চালিয়ে তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়।

আজ ৫ মে ২০১৯, রোববার। ২২ বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ১২৫ তম (অধিবর্ষে ১২৬ তম) দিন। এক নজরে দেখে নিন ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:

১৫৭০ - ডেনিশদের বিরুদ্ধে তুরস্কের যুদ্ধ ঘোষণা।

১৭৮৯ - ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।

১৭৯৯ - বীর সেনানী টিপু সুলতানকে সমাহিত করা হয়।

১৯৩০ - ভারত শাসনকারী বৃটিশ সরকার মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে বিনা বিচারে বন্দি করে।

১৯৩৬ - ইতালীয় বাহিনী আদ্দিস আবাবা দখল করে।

১৯৪২ - ব্রিটিশ বাহিনী মাদগাস্কার অধিকার করে।

১৯৪৫ - চেকোশ্লোভাকিয়ার কমিউনিস্ট পার্টি আত্মগোপন অবস্থা থেকে বের হয়ে দেশব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে যোগ দেয়।

১৯৫৫ - জার্মানি সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত।

১৯৬১ - প্রথম মার্কিন নভোচারি এলান শেপহার্ড জুনিয়রের মহাকাশ যাত্রা।

১৯৮১ - দক্ষিণ বেলফাস্টের কুখ্যাত মেজ কারাগারে আটক আইরিশ-ক্যাথলিক নেতা ববি স্যান্ডস ৬৬ দিন টানা অনশনের পর পরলোকগমন করেন।

২০০০ - ইউশিরো মোরি জাপানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত।

২০১৩ - ঢাকায় মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের একটি গণসমাবেশ এবং আন্দোলন সংঘটিত হয় এবং সরকার কর্তৃক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবির সমন্বিত বাহিনী দ্বারা অপারেশন সিকিউর শাপলা অভিজান চালিয়ে তাদেরকে বিতাড়িত করা হয়।

জন্ম

১৮১৩ - সারেন কিয়েরকেগর ডেনীয় দার্শনিক এবং তাত্ত্বিক।

১৮১৮ - কার্ল মার্কস, প্রভাবশালী জার্মান সমাজ বিজ্ঞানী ও মার্ক্‌সবাদের প্রবক্তা।

১৮৪৬ - নোবেলজয়ী (১৯০৫) পোলিশ কথাশিল্পী হেনরিক সিয়েনকিয়েভিচ।

১৮৫০ - বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ছোটগল্পকার গি. দ্য. মোপাসাঁ।

১৮৮৮ - বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী।

১৮৯৬ - ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ভি কে কৃষ্ণমেনন।

১৯১১ - প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের আত্নহুতি দানকারী বাঙালি নারী।

মৃত্যু:

১৮২১ - নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসী শাসক

১৯৮৬ - এভারেস্ট জয়ী তেনজিং নোরগ।

দিবস:

নেদারল্যান্ড: মুক্তি দিবস (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার স্মরণে)

ডেনমার্ক: মুক্তি দিবস।

পালাউ: সিনিয়র সিটিজেন দিবস

শিশুদিবস (জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া)

ইউরোপ দিবস (কাউন্সিল অফ ইউরোপ)

দিন যত যাচ্ছে স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে সব অ্যাপ হালনাগাদ হচ্ছে আর বাড়ছে আকারে। যার ফলে কিছুদিন আগেও যে স্মার্টফোনটি আপনার সব কাজ গুছিয়ে করে দিয়েছে, তা এখন আর নাও করতে পারে। তাই কাজের খাতিরে আপনি না হয় নতুন আরেকটি ফোন কিনলেন, কিন্তু পুরোনো ফোনটির কী হবে? ফেলে তো আর দেওয়া যায় না। তাহলে চলুন, পুরোনো স্মার্টফোনের ভিন্ন কিছু ব্যবহার জেনে নিই।

আপনার ঘরে যদি কোনো বাচ্চা থাকে আর তার আগ্রহ যদি থাকে ছবি তোলায়, তাহলে আপনার পুরোনো স্মার্টফোনটিই হতে পারে তার জন্য লোভনীয় একটি উপহার। বাড়তি হিসেবে পিক্সেল-প্লের মতো একটি প্রটেকটিভ কেস এ যদি বসিয়ে দিতে পারেন আপনার পুরোনো স্মার্টফোনটিতে, তাহলে পড়ে গিয়ে ফোনটি ভেঙে যাওয়ার ভয় থেকেও মুক্ত থাকতে পারবেন।
আপনার বাড়িটি যদি ওয়াই-ফাইয়ের আওতায় থাকে, তাহলে পুরোনো ফোনটিকে ডেডিকেটেড ভিডিও কলিং ডিভাইস বানিয়ে ফেলতে পারেন। আর তখন ফোনে কল করার কাজটি না হয় হয়ে যাক বাড়তি সুবিধা।
আপনার পুরোনো স্মার্টফোনটির আকার আপনার টেবিলঘড়িটির চেয়ে খুব একটা ছোট তো নয়ই, বড়ও হতে পারে। তাহলে প্লে-স্টোর থেকে নামিয়ে নিন যেকোনো ঘড়ির অ্যাপ আর একটি স্ট্যান্ডে বসিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্মার্ট টেবিল ঘড়ি।
মুভি দেখতে ভালোবাসেন? আছে কোনো পুরোনো স্মার্টফোন? তাহলে গুগল কার্ডবোর্ড বা স্যামসাং গিয়ার ভিআর বক্সের মতো কোনো একটি গেজেট কিনে নিন আর প্লে-স্টোর থেকে নামিয়ে নিন ভার্চুয়াল রিয়েলিটির কোনো একটি অ্যাপ। এবার বসে যান ভার্চুয়াল মুভি থিয়েটারে।
এখনকার দিনে সবার ঘর ভরা থাকে বিভিন্ন স্মার্ট ডিভাইসে। বেশিরভাগেরই আবার নিয়ন্ত্রণ থাকে রিমোটে। যার কারণে রিমোটের সংখ্যা হয় অনেক। এর থেকে দু-একটি হারিয়ে যাওয়া বা নষ্ট হওয়া অস্বাভাবিক কিছুই না। আর যদি নষ্ট হয়েই যায়, সেই রিমোট আলাদা কিনতে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। সে ক্ষেত্রে আপনার পুরোনো মোবাইলটি হতে পারে বড় সমাধান। বর্তমানে প্রতিটি স্মার্ট ডিভাইসেরই নিজস্ব অ্যাপ আছে। আর যদি আপনার ফোনে আইআর পোর্ট থাকে, তাহলে ইউনিভার্সাল রিমোট অ্যাপ ইন্সটল করে সব ডিভাইস এক রিমোট দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। বেঁচে যাবেন অনেক রিমোটের হিসাব রাখার ঝামেলা থেকে।
ধরলাম আপনার বই পড়ার অভ্যাস আছে। আবার এমন কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন যে বেশি বই নিয়ে যেতে পারছেন না। সমস্যা নেই। কিন্ডেল অ্যাপটি ফোনে নামিয়ে নিন আর অ্যামাজন স্টোর থেকে ই-বুক পড়ুন যত খুশি। আবার কোনো শ্রুতি ভার্সনের বই পড়ার অ্যাকউন্টে যদি আপনি সাবস্ক্রাইব করে থাকেন, তাহলে হাতের কাজ করতে করতে পড়া শুনতে পারেন আপনার পছন্দের অডিও বইটির।
এখনকার সময়ে অনেক মাল্টিমিডিয়া স্পিকার পাওয়া যায় যেগুলোতে ব্লু-টুথ বা ওয়াই-ফাই যুক্ত করা। সে ক্ষেত্রে আপনার ফোনে যদি কোনো মিউজিক স্ট্রিমিং সার্ভিসে লগইন করা থাকে, তাহলে ফোনটি চার্জে লাগিয়ে কানেক্ট করে দিন স্পিকারের সঙ্গে আর অ্যাপে চালিয়ে দিন গান। মিউজিক প্লেয়ার একদম রেডি।
আপনার পুরোনো ফোনটি যদি সচল থাকে আর আপনার কোনো কাজে না লেগে থাকে, তাহলে আপনি অবদান রাখতে পারেন বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায়। অ্যাপ স্টোরে খুঁজে পাবেন বিওআইএনসি বা এমন অন্য অনেক অ্যাপ, যেগুলো আপনার ফোনে চালু করলে ফোনটাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করবে ওই প্রকল্পের গবেষকরা। আপনি খালি বেছে নিন আপনার পছন্দের প্রজেক্ট, ফোনটি কানেক্ট করুন ওয়াই-ফাইতে আর ভবিষ্যতের পথে এগোনোর যাত্রায় শামিল হয়ে যান।
পুরোনো ফোনটি হয়তো বন্ধই করে ফেলে রেখেছেন। সিমটি চালু করেছেন নতুন ফোনে। তাই বলে পুরোনো ফোনটি অকার্যকর ভাববেন না। এটা কি জানেন যে ৯১১-এর মতো ইমার্জেন্সি নম্বরে ফোন করতে সিম লাগে না, লাগে না ডাটা কানেকশনও? তাহলে আজ থেকে পুরোনো ফোনটি মাঝেমধ্যে চার্জ দিয়ে অন করে রেখে দিন আপনার ঘরে বা গাড়িতে। বিপদ তো আর বলে কয়ে আসে না।

26 April.19

20. প্রত্যেক ব্যক্তি তার কাজের সেই ফলই পাবে,যা সে নিয়্যত করেছে।[সহীহ বুখারী]

প্রশ্ন: থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত প্রানরসের নাম কী ?
উ: থাইরক্সিন।

৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস

জানাযার নামাযের কিছু দোয়া দরূদ উচ্চারন সহ
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ وَتَبَارَكَ اسْمُكَ وَتَعَالَى جَدُّكَ وَجَلَّ ثَنَاءُك
وَلاَ اِلَهَ غَيْرُكَ
উচ্চারণ : সুবহা-নাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারা কাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা, ওয়া জাল্লা ছানাউকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক।

ছানার পর ২য় তাকবীর বলবে, তারপর দরুদে ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম পড়বে।
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى اِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَ اهِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌ مَّجِيْدٌ – اَللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى اَلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى اِبْرَا هِيْمَ وَعَلَى اَلِ اِبْرَا هِيْمَ اِنَّكَ حَمِيْدٌمَّجِيْدٌ
উচ্চারন : আল্লাহুম্মা সাল্লিআলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আ-লি মুহাম্মাদ, কামা- সাল্লাইতা আলা- ইব্রাহীমা ওয়া আলা- আ-লি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামী-দুম্মাজী-দ। আল্লাহুম্মা বা-রিক আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ, কামা বা-রাকতা আলা- ইব্রাহীমা ওয়া আলা- আ-লি ইব্রাহীম, ইন্নাকা হামী-দুম্মাজী-দ।

দরুদে ইব্রাহীমের পর ৩য় তাকবীর বলবে, তারপর মৃত ব্যক্তির জন্য দু’আ পড়বে।
اَلَّهُمَّ اغْفِرْلحَِيِّنَا وَمَيِّتِنَا وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا وَذَكَرِنَا وَاُنْثَانَا اَللَّهُمَّ مَنْ اَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَاَحْيِهِ عَلَى الاِْسْلاَمِ وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الاِْيمَانِ بِرَحْمَتِكَ يَا َارْحَمَ الرَّحِمِيْنَ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাগফিরলি হাইয়্যিনা ওয়া মাইয়্যিতিনা ওয়া শাহিদিনা ওয়া গায়িবিনা ও ছাগীরিনা ও কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনছানা। আল্লাহুম্মা মান আহইয়াইতাহু মিন্না ফাআহয়িহি আলাল ইসলাম, ওয়া মান তাওয়াফ্ ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফ ফাহু আলাল ঈমান, বিরাহমাতিকা ইয়া আর হামার রাহিমীন।

মাইয়্যিত যদি নাবালক ছেলে হয় তবে নিচের দু’আ পড়বে।
اَللَّهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرْطًا وْاَجْعَلْهُ لَنَا اَجْرًا وَذُخْرًا وَاجْعَلْهُ لَنَا شَا فِعًا وَمُشَفَّعًا
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাজ্ আল হুলানা ফারতাঁও ওয়াজ্ আল হুলানা আজরাও ওয়া যুখরা, ওয়াজ্ আল হুলানা শাফিয়াও ওয়া মুশাফ্ফায়া।

মাইয়্যিত যদি নাবালেগা মেয়ে হয় তবে নিচের দু’আ পড়বে।
اَللَّهُمَّ اجْعَلْهَا لَنَا فَرْطًا وَاجْعَلْهَا لَنَا اَجْرًا وَذُخْرًا وَاجْعَلْهَا لَنَا شَا فِعًة وَمُشَفَّعةَ
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাজ্ আল হা-লানা ফারতাঁও ওয়াজ্ আল হা-লানা আজরাঁও ওয়া যুখরা, ওয়াজ্ আল হা-লানা শাফিআতাউ ওয়া মুশাফ্ফায়াহ্।

19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3623 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4053 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4208 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ