About Altaf Hossain

রোজায় মাংসপেশিতে টান : কারণ, কী করবেন?

রমজানে ছোটখাটো কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। সিয়াম পালনকারী অনেকের মাঝেমধ্যে মাংসপেশিতে টান লাগে। এতে মাংসপেশি মনে হয় ছিঁড়ে যাবে। এরপর শুরু হয় তীব্র ব্যথা।

ব্যথা কয়েক দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। টান বা ব্যথা আপনা-আপনি সেরে যায়।

সাধারণত শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম লবণের পরিমাণ কমে গেলে মাংসপেশিতে টান পড়তে পারে। আবার পানিস্বল্পতা থেকেও এমনটি হতে পারে।

তাই রমজানে খাবারের ব্যাপারে সচেতন হতে হবে। শাকসবজি, ফলমূল, দুধ ও দুধজাত খাবারে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম বেশি থাকে। কলা ও ডাবের পানিতে পটাশিয়াম বেশি থাকে। তাই এগুলো খেতে পারেন। খেজুরে কিন্তু এ খাদ্যপ্রাণগুলো বেশি থাকে। ডায়াবেটিস না থাকলে ইফতারিতে বেশ কিছু খেজুর খেতে পারেন।

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পানি ও অন্যান্য তরল খাবার, যেমন—ফলের জুস, ডাবের পানি, স্যালাইন বেশি করে পান করুন। তবে বোতলজাত জুস পান না করাই ভালো।

মাংসপেশিতে টান লাগলে যে মাংসে টান লেগেছে তা শক্ত করুন। যেমন : হাঁটুর নিচের মাংসে টান লাগলে পায়ের পাতা ওপরের দিকে তুলে মাংসপেশি শক্ত করুন। এবার টান লাগা মাংসে হালকা ম্যাসাজ করুন। কিছুক্ষণ পর টান ছেড়ে দেবে। ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল ট্যাবলেট সেবন কর‍তে পারেন। ঘন ঘন টান লাগলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

রমজানে দোয়া কবুল হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি সময়

রমজান মাস হলো আল্লাহর কাছ থেকে চেয়ে নেয়ার মাস। যে যতো বেশি চাইতে পারে, আল্লাহ তাআলা তাকে ততো বেশি দান করেন। এ মাসে আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ লাভের অতি মূল্যবান দুটি সময় আছে। যে সময় আল্লাহর কাছে কোনো কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ বান্দাকে ফেরত দেন না। মাহে রমজানে এ সময়গুলিতে দোয়া করে কাঙ্খিত জিনিস লাভের সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করতে পারি আমরা।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল কোন সময়ের দোয়া মহান আল্লাহ বেশি গ্রহণ করেন। জবাবে তিনি বলেছিলেন- ‘রাতের দুই তৃতীয়াংশ শেষের দোয়া অর্থাৎ রাতের দুইভাগ অতিক্রম করার পর যে দোয়া করা হয়।’ সে হিসেবে একটি সময় হলো- ফজরের আগে। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘোষিত রাতের দুই তৃতীয়াংশের পরের সময় এটি। এ সময় দোয়া কবুলের জন্য বিশেষ সময়। এ সময়টি আল্লাহ তাদের চাহিদা পূরণের আশ্বাস দিয়ে ডাকতে থাকেন- ‘কে আমাকে ডাকবে? যার ডাকে আমি সাড়া দেবো।’ এ মুহূর্তে যে আল্লাহকে কোনো কিছু পাওয়ার জন্য ডাকবে এবং আহ্বান করবে আল্লাহ তাআলা তাকে তার চাহিদা মোতাবেক দান করবেন- ‘কে আমার কাছে কিছু চাইবে? যা আমি তাকে দান করবো।’ আল্লাহ বান্দার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন- – ‘কে আছো আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো।’

সুতরাং ফজরের আগের (রাতের দুই তৃতীয়াংশের পরের) সময়টি আল্লাহর কাছে- অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মর্যাদা ও সম্মানের এবং বিশেষ সময়। এ সময়টিতে ‘আল্লাহ তাআলা সব সময় প্রথম আসমানে আসেন এবং বান্দাকে তাদের চাহিদা পূরণের আশ্বাস দিয়ে ডাকতে থাকেন। যারা এ সময়টিতে আল্লাহর কাছে কাঙ্খিত জিনিস চায়, আল্লাহ তাআলা তাদের ডাকে সাড়া দেন এবং কাঙ্খিত জিনিস দান করেন।

মনে রাখতে হবে, বিশেষ করে রমজানের শেষ রাতের কোনো আবেদন আল্লাহ অগ্রাহ্য করেন না। বান্দা যা চায় তাই কবুল করে নেন। তাই রমজানের শেষ রাতের গুরুত্ব অন্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। শেষ রাতের দোয়ার পরপরই রোজার জন্য সাহরি গ্রহণ করা জরুরি। কারণ দিনভর রোজা রেখে কুরআন তেলাওয়াত, নামাজ পড়া এবং রোজগারের জন্য শক্তি সঞ্চার করতে সাহরি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও কল্যাণের। আর যারা সাহরি গ্রহণ করে ফেরেশতারা তার কল্যাণ ও মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকেন।

দ্বিতীয় সময়টি হলো, একেবারে মাগরিবের আগে। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে বান্দা রোজায় ক্লান্ত, পিপাসার্ত ও ক্ষুধার্ত থাকে। এ সময়টিতে ইফতার সামনে নিয়ে আল্লাহর কাছে বান্দার যে কোনো প্রার্থনাই কবুল হয়ে যায়। এ সময় মানুষ দুর্বল থাকে। মানুষের হৃদয় নরম থাকে। আল্লাহর ভয় ও মহব্বতে হৃদয় ভরপুর থাকে। ভয় ও ভালোবাসায় হৃদয় থেকে আল্লাহর কাছে যে কোনো প্রার্থনাই কবুল হয়ে যায়।

আমাদের কর্তব্য, দোয়া কবুলের এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অবহেলায় নষ্ট না করা। শেষ রাতে তওবা-ইসতেগফারে অতিবাহিত করা এবং সাহরি খাওয়া। আর ইফতারের আগের মুহূর্তটিতে ইফতারি ও রান্না-বান্নাসহ অফিসিয়াল কাজ শেষ করে কিছু মুহূর্ত তওবা-ইসতেগফারের সঙ্গে ইফতারের অপেক্ষা করা। আল্লাহ পাক তাওফিক দান করুন। আমিন।

ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তেলাপিয়া মাছ

বাজারে সারা বছর পাওয়া যায়-এমন মাছের মধ্যে তেলাপিয়া অন্যতম। পুষ্টিবিদদের মতে, এ মাছের পুষ্টিগুণ অসাধারণ! তেলাপিয়ায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-১২ এবং ফসফরাসের মতো একাধিক অপরিহার্য উপাদান।

তবে সম্প্রতি একাধিক গবেষণায় তেলাপিয়া মাছের বেশ কয়েকটি ক্ষতিকর দিক সামনে এনেছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, তেলাপিয়া থেকে হাড়ের ক্ষয়, হাঁপানি এমনকি ক্যানসারের মতো মারণ রোগও শরীরে বাসা বাধতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (USDA) গবেষকদের দাবি, তেলাপিয়া মাছ খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের গবেষণায় দেখা গেছে, এশিয়ায় (আমেরিকায় আমদানি হওয়া তেলাপিয়া মাছের ৭০ শতাংশই আসে চীন থেকে) আমদানি করা তেলাপিয়া মাছের শরীরে মিলেছে মারাত্মক বিষ। মাছ চাষের সময় হাঁস, শুয়োর বা মুরগির দেহাবশেষ খেয়ে এই মাছগুলো দ্রুত বেড়ে ওঠে আর একই সঙ্গে হয়ে ওঠে বিষাক্ত।

বিজ্ঞানীদের দাবি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তেলাপিয়া মাছ চাষের সময় অত্যাধিক পরিমাণে অ্যান্টিবায়োটিক, কীটনাশক ও রাসায়নিকের ব্যবহার করা হয়। তেলাপিয়া চাষের জন্য ব্যবহৃত রাসায়নিকের মধ্যে ‘ডিবিউটিলিন’ (Dibutylin) নামে এক ধরনের রাসায়নিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন মার্কিন গবেষকরা। প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিস তৈরির ক্ষেত্রেও এই ‘ডিবিউটিলিন’-এর ব্যবহার করা হয়।

মার্কিন গবেষকরা জানিয়েছেন, এই ‘ডিবিউটিলিন’ মানব শরীরে প্রবেশ করলে স্থুলতা (ওবেসিটি), হাঁপানি, অ্যালার্জি এবং নানা রকমের রোগ বাসা বাধতে পারে। এ ছাড়াও তেলাপিয়া চাষের জন্য ব্যবহৃত ওষুধে ‘ডাইঅক্সিন’ নামে এক ধরনের রাসায়নিকের উপস্থিতি লক্ষ্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (USDA) গবেষকরা যা মানব শরীরে প্রবেশ করলে ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA)-এর একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৮০০-র বেশি নমুনা পরীক্ষা করে তেলাপিয়া মাছে ‘ডিবিউটিলিন’ এবং ‘ডাইঅক্সিন’ নামে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মাত্র ২ টাকায় সারবে কিডনির স্টোন!


২ টাকায় মিরাকল। পাতিলেবুর রস আর এক গ্লাস জল। হাজারো রোগ থেকে মুক্তি। প্রত্যেক বাঙালির হেঁশেলেই থাকে পাতিলেবু। কিন্তু এর উপকারিতা সম্পর্কে কজন বাঙালিই বা অবহিত? জানেন কি, খালি পেটে প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস জলে আধখানা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে মুক্তি পেতে পারেন হাজারো সমস্যা থেকে। বিশেষ করে কিডনির পাথর।

কিডনি স্টোন হতে পারে ৪ রকম। ১ রকমের কিডনি স্টোন বংশানুক্রমে হয়। অন্য ৩ রকমের কিডনি স্টোন ৮০ শতাংশ ক্যালসিয়ামভিত্তিক। পরিবারের কারও কিডনিতে স্টোন হয়ে থাকলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। দীর্ঘদিনের কিডনির রোগ থাকলে কিডনিতে স্টোন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২ টাকায় মিরাকল। কিডনির স্টোন থেকে মুক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাতিলেবুর রস করতে পারে মুশকিল আসান। পাতিলেবুর রসে থাকে সাইট্রিক অ্যাসিড। এটা ক্যালসিয়ামজাত পাথরগুলিকে তৈরি হতে দেয় না। এ ছাড়াও বড় আকারের পাথরগুলিকে সাইট্রিক অ্যাসিড ছোট টুকরোতে ভেঙে দিতে পারে। যাতে সেগুলি সহজেই সরু মূত্রনালি দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। এবং ব্যথা কমায়।

শুধু কিডনির স্টোনই নয়। পাতিলেবুর রসে রয়েছে আরও নানা গুণ। শক্তি বাড়ায় পাতিলেবুর রস। ঘন ঘন সর্দি-কাশিতে উপকারী। এক গ্লাস জলে আধখানা পাতিলেবুর রস গুলে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে বন্ধ নাক থেকে মুক্তি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওজন কমায়। দাঁতব্যথা কমায়। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। চোখ ভাল রাখে। ত্বক পরিষ্কার রাখে। লিভার পরিষ্কার রাখে।


কীভাবে চিনবেন ভেজাল দুধ?
✍ খাদ্যে ভেজাল এ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ভেজাল নেই কোথায় সেটিই এখন প্রশ্ন। ফলমূল, মাছ-মাংস ও শাকসবজি কোথায় নেই ভেজাল! ভেজাল খাদ্য শনাক্ত করতে নাভিশ্বাস ভোক্তাদের।

দৈনন্দিন রুটিনে প্রায় প্রতি পরিবারে অতিপ্রয়োজনীয় যে খাবারটি, সেটি হচ্ছে দুধ। আর এ দুধেও পড়েছে ভেজালের আগ্রাসন। তবে দুধে ভেজাল মিশছে বললে ভুল বলা হবে। পুরো দুধটাই ভেজাল দিয়ে তৈরি বলাই শ্রেয়।

কীভাবে তৈরি হয় ভেজাল দুধ?

সম্প্রতি ভেজাল দুধ হাতেকলমে তৈরি করে দেখিয়েছে ভারতের হলদিয়ার একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

অক্টোবর মাসে দুই ধাপে হলদিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজের খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ এবং ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ফুড সায়েন্সটিস্টস অ্যান্ড টেকনোলজিস্টসের (ইন্ডিয়া) যৌথ উদ্যোগে খাদ্য সুরক্ষা সচেতনতা ক্যাম্প করে তারা।

সেখানে প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থীর সামনে দুধে ভেজালের ভয়ঙ্কর দিকটি উপস্থাপন করা হয়। শিক্ষার্থীরা ভেজাল দুধ তৈরির পদ্ধতি দেখে বিস্মিত হন।

ভেজাল দুধ তৈরি হয় গুঁড়োদুধের সঙ্গে একাধিক উপকরণ মিশিয়ে। যে উপকরণগুলোর প্রায় সবটিই শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।

হলদিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি কলেজছাত্রী বর্ণালি সাহার দাবি, গুঁড়োদুধের সঙ্গে ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পু ইত্যাদি মিশিয়ে তৈরি করা হয় ভেজাল দুধ।

তিনি ৪০ মিলিলিটার গুঁড়োদুধের সঙ্গে ঘি, ডিটারজেন্ট, শ্যাম্পুসহ অন্যান্য উপাদান এক মিলিলিটার করে মেশান। এভাবে তৈরি হয় ৩৫০ মিলিলিটার ভেজাল দুধ।

বিস্ময়ের ব্যাপার হল- এই ভেজাল দুধের সঙ্গে আসল দুধের কোনো পার্থক্য খুঁজে পায়নি শিক্ষার্থীরা। আসল দুধের সঙ্গে এর গন্ধ-বর্ণ সব কিছু মিলে যায়।

কেন দুধে ভেজাল না দিয়ে পুরো দুধটাই ভেজাল উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়? এ প্রশ্নে এ ক্যাম্পের গবেষকরা বলেন, কৃত্রিম উপায়ে বানানো দুধ একদিনের বেশি টাটকা থাকে।

কিন্তু ভেজাল দুধ এত দ্রুত নষ্ট হয় না। সে কারণে অসাধু ব্যবসায়ীরা এটি তৈরি করে দেশের যে কোনো প্রান্তে রফতানি করার সুযোগ নিয়ে থাকে।

ভেজাল দুধ ফুটিয়ে খেলেও তা ধরার উপায় নেই বলে জানান গবেষকরা। তা হলে কীভাবে চেনা যাবে ভেজাল দুধ! সে উপায়টিও জানিয়েছেন গবেষকরা।

তাদের দাবি, ভেজাল দুধে এক টুকরো সয়াবিন ফেলে দিলে ঝাঁঝালো গন্ধ বেরোবে। এর কারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া। ভেজাল দুধের উপকরণ কস্টিক সোডা আর সয়াবিনে থাকা উৎসেচক জারিত হয়ে অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে। তাই ভেজাল দুধ থেকে ঝাঁঝালো গন্ধ বেরোতে থাকে।

হারাম উপার্জন সন্তানের ওপর প্রভাব ফেলে

ইসলাম ধর্মমতে সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার জন্য রিজিক হালাল হওয়া জরুরি। হালাল রিজিকের প্রভাব শুধু নিজের দুনিয়া ও আখেরাতের সৌভাগ্যের জন্যই যে জরুরি তা নয়, নিজের সন্তানের ওপরও এর প্রভাব থাকে। রুজি-রোজগারে খুব সামান্য, এমনকি বিন্দু পরিমাণ হারামের প্রভাব সন্তানের মাঝে প্রকাশ পায়।

মানুষ হিসেবে আমরা ভুল-ক্রুটির ঊর্ধ্বে নই। ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, জেনে না জেনে আমাদের থেকে ভুল আচরণ প্রকাশ পেতেই পারে। আমাদের জীবনে যদি এ জাতীয় ঘটনা ঘটে থাকে। অর্থাৎ আমরা যদি অন্যের কোনো কিছু ভোগ করে থাকি বিনা অনুমতিতে এবং এ জন্য পরে মালিকের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা না করি- তাহলে অবিলম্বে ক্ষমা বা তার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

যদি মালিক মারা গিয়ে থাকেন তাহলে তার সন্তানদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর যদি তাদের কাউকেই পাওয়া সম্ভব না হয় তাহলে ওই পরিমাণ সম্পদ তাদের নামে সদকা দেয়া উচিত। সেই সঙ্গে তওবাও করতে হবে, ভবিষ্যতে এ কাজ আর না করার।

বস্তুত আল্লাহর প্রতি দৃঢ়-বিশ্বাস ও ভরসা করাই হচ্ছে খাঁটি মুমিনের বৈশিষ্ট্য। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘তোমরা মন-ভাঙ্গা হয়ো না, হীনবল হয়ো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।’ আল্লাহতায়ালা সূরা ইবরাহিমে আরও বলেছেন, ‘যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করো, তবে তোমাদেরকে আরও দেব এবং যদি অকৃতজ্ঞ হও তবে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হবে কঠোর।’

তাই সর্বাগ্রে আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। আমাদের প্রচেষ্টা যদি আন্তরিক হয়, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়- তাহলে আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা আমাদের সমস্ত বৈধ বাসনা পূরণ করবেন, আমাদের দোয়াসমূহ কবুল করবেন।

আল্লাহতায়ালা আমাদের সব সমস্যার সমাধান দিতে পারেন এই দৃঢ়-বিশ্বাস আমাদের রাখা উচিত। আন্তরিকভাবে আল্লাহর কাছে পথ-নির্দেশনা কামনা করলে, আল্লাহ অবশ্যই তা কবুল করবেন। আল্লাহর মর্জি হলে, যা ঘটা আপাতদৃষ্টিতে অসাধ্য বলে মনে হয় তাও সাধন সম্ভব।

অনেক খোদাভীরু ব্যক্তির কথা জানা যায়, যারা ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বলে নদীর পানির ওপর দিয়ে এমনভাবে হেঁটে নদী পার হয়েছেন যেভাবে আমরা পার হই মাটির রাস্তা। আল্লাহর প্রিয়পাত্রদের জন্য এসব খুবই সাধারণ ঘটনা। তার মানে এটা নয় যে, সবাইকে পানির ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে হবে। বিষয়টি শুধু শিক্ষা অর্জনের জন্য উল্লেখ করা হলো।

আমাদের সন্তানরা ভালো থাকুক, এটা সবারই কাম্য। কিন্তু তাদের ভালো রাখতে যেয়ে, শান্তি নিশ্চিত করতে তাদের মুখে হারাম খাবার, গায়ে হারাম পোষাক দেওয়া ঠিক হবে না। এটা তাদের ভবিষ্যতকে ধ্বংস করারই নামান্তর। তথ্যসূত্র: অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

Blood Pressure Stages

মা দিবসের বিস্ময়কর ইতিহাস
সন্তানের অস্তিত্বের সঙ্গে যে শব্দটি সবচেয়ে বেশি জড়িত তা হলো মা। কবি-সাহিত্যিকেরা ছন্দে ছন্দে কিংবা গল্প-উপন্যাসের লাইনে লাইনে প্রকাশ করেছেন যে মায়ের মতো আপন কেউ হতে পারে না। হ্যাঁ এটাই বাস্তবতা, মায়ের স্থান কেউ দখলে নিতে পারে না, মায়ের বিকল্প কেবল মা-ই। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালোবাসা নিঃশর্ত এবং এ ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে খাঁটি বস্তুটির চেয়েও খাঁটি। মা যখন সন্তান লালন-পালন করেন তখন তার মনে এটা থাকে না যে এ সন্তান বড় হয়ে আমার ভরণপোষণ করবে। তিনি সন্তানকে প্রকৃতির দেয়া স্বতঃস্ফূর্ত ও স্বয়ংক্রিয় ভালোবাসা ছড়াতে ছড়াতে বড় করে তোলেন।

মায়ের ভালোবাসা হলো প্রকৃতির দেয়া নিয়ামত। এ নিয়ামত না পেলে একটা সন্তান সুষ্ঠুভাবে বেড়ে ওঠতে পারে না- এর প্রমাণ পাওয়া যায় সেসব ছেলেমেয়েদের দিকে তাকালে যারা মায়ের সঙ্গ তেমন একটা পায়নি অথবা বাক ফোটার আগেই মাকে হারিয়েছে। মায়ের আদর-স্নেহ-ভালোবাসা কিংবা সঙ্গ না পেলে শিশুর অস্থিরতা বাড়তে থাকে এবং শিশুর মানসিক ভারসাম্য বিশৃঙ্খলের দিকে এগুতে থাকে। আমাদের মানসিক বিকাশ থেকে জীবনের সফলতা সবকিছুতেই মায়ের অবদানকে অস্বীকার করা যাবে না, কারণ আপনি নিজে নিজে যত উচ্চতর ডিগ্রিই অর্জন করেন না কেন মূল ভিত্তিটা কিন্তু মায়ের কাছ থেকে অর্জিত। তাই সন্তানকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যে তার আচার-আচরণে যেন গর্ভধারিণী মায়ের চোখ থেকে এক ফোঁটা জলও গড়িয়ে না পড়ে।

প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রোববার মা দিবস পালন করা হয়, এ দিবসটিকে অনেকে বিতর্কিত করতে চাইলেও আপনি ইতিবাচক ভাবতে পারেন যে, এ দিবসে মাকে বিশেষভাবে সম্মানিত করতে পারাটা সৌভাগ্যেরই ব্যাপার। এ দিবসে মাকে বিশেষভাবে ভালোবাসতে কিংবা শ্রদ্ধা জানাতে ক্ষতি নেই, বরং এতে মা-সন্তানের আত্মার বন্ধন আরো মজবুত হয়।

মা দিবসের উত্থান আকস্মিকভাবে হয়নি, ইতিহাসের অনেক পথ পেরিয়ে মা দিবসের এ আধুনিক সংস্করণ। আসুন আজকের মা দিবসে এ দিবসের বিস্ময়কর ইতিহাস সম্পর্কে জেনে নিই।

* মা দিবসের প্রাথমিক ইতিহাস
অন্যান্য অনেক আধুনিক ছুটির দিনের মতো মা দিবস হঠাৎ করে আবির্ভূত হয়নি। প্রাচীন গ্রীক ও রোমানরা মা দেবী রিয়া ও সাইবেলিকে উৎসব উৎসর্গ করতো। ষোড়শ শতকে ইংল্যান্ডে মাদারিং সানডে’র উদ্ভব হয়। এ দিবসটি উদযাপন করা হতো লেন্টের (খ্রিস্টানদের ৪০ দিনের পর্ব) চতুর্থ রোববারে। মাদারিং সানডেতে ছেলেমেয়েরা পারিবারিক চার্চ বা মাদার চার্চের উদ্দেশ্যে পবিত্র যাত্রা শুরু করতো। এ দিবসটি পারিবারিক পুনর্মিলনের সুযোগ করে দিত এবং ঘরের ভৃত্যদের (বিশেষ করে মেয়েদেরকে) ছুটি দেওয়া হতো, যেন তারা মায়েদেরকে দেখতে পায়। যুক্তরাজ্যে এখনো লেন্টের চতুর্থ রোববারে মাদারিং সানডে উদযাপন করা হয়, যদিও এটি আধুনিক সময়ে ধর্মনিরপেক্ষ ছুটির দিনে রূপান্তরিত হয়েছে।




* মা দিবসের মা
ঐতিহাসিক ঘটনা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রে মা দিবসের আধুনিক সংস্করণের জন্য আন্না জারভিসের অক্লান্ত প্রচেষ্টা অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য, যিনি প্রকৃতপক্ষে নিজে মা ছিলেন না। তিনি ১৯০৮ সালে তার নিজের মাকে সম্মান জানাতে অথবা স্মরণ করতে প্রথম উদযাপন করেন, যিনি তিন বছর পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। ‘মেমোরিয়ালাইজিং মাদারহুড: আন্না জারভিস অ্যান্ড দ্য স্ট্রাগল ফর কন্ট্রোল অব মাদারিং ডে’ নামক বইয়ের লেখক ক্যাথেরিন অ্যান্টলিনি বলেন, ‘সকল মায়েদের উদ্দেশ্যে এ দিবসটি উদযাপন করা হতো না। এটি উদযাপন করা হতো শ্রেষ্ঠ মায়েদের উদ্দেশ্যে- প্রত্যেকের কাছে শ্রেষ্ঠ মা হলো নিজের মা।’ ১৯১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মা দিবসকে ছুটির দিন ঘোষণা করেন।

* মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা পরিবারেই বহমান ছিল
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে একটি আকর্ষণীয় বিষয় জানা যায়, আন্না জারভিসের মা অ্যান জারভিস উনিশ শতকের মধ্যভাগে মায়েদের জন্য একটি ছুটির দিন প্রতিষ্ঠা করতে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তার আইডিয়াটি ভিন্ন ছিল: তিনি অন্য মায়েদের প্রয়োজনে সেবা করতে মায়েদের জন্য একটি কমিউনিটি সার্ভিস ডে বা স্বেচ্ছাসেবা দিবসের স্বপ্ন দেখতেন। এমন দিবস প্রতিষ্ঠার জন্য তার নিজের জীবনের বিয়োগান্তক ঘটনা থেকে কিছুটা অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন: তিনি ১৩টা সন্তান জন্ম দেন, কিন্তু মাত্র চারজনই সাবালকত্বে পৌঁছেছিল, অন্যান্য সন্তানেরা তার আগেই মারা যায়। সেসময়টাতে তার অ্যাপালেশিয়ান সম্প্রদায়ে টাইফয়েড জ্বরের প্রাদুর্ভাব ছিল। তিনি ও তার ডাক্তার ভাই মাদারস’ ডে ওয়ার্ক ক্লাবস নামক একটি ইনফরমেশনাল সেশনের মাধ্যমে নারীদেরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অবহিত করেছেন, যেন তারা সন্তানদেরকে সুস্থ রাখতে পারেন।

* শান্তির জন্য মায়েদের একটি মিশন
মা দিবসের একটি যুদ্ধবিরোধী ইতিহাসও রয়েছে। ১৮৭০ সালের দিকে দাসপ্রথাবিরোধী, নারীবাদী ও নারীর ভোটাধিকার প্রত্যাশী জুলিয়া ওয়ার্ড হাউই ‘ব্যাটল হাইম অব দ্য রিপাবলিক’ এ যে লিরিকগুলো লিখেছেন তাতে মা দিবস প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত রয়েছে। এটি মায়েদেরকে শান্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছে। পরবর্তীতে তিনি মাদার’স পিস ডে (মায়ের শান্তি দিবস) নামক একটি ছুটির দিন প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু সফল হতে পারেননি। প্রায় একই সময়ে অ্যান জারভিস মাদারস’ ফ্রেন্ডশিপ ডে বা মায়েদের বন্ধুত্ব দিবস প্রতিষ্ঠা করেন। এ দিবসে মায়েরা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পুনঃস্থাপন ও দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন পথের সন্ধান পেতে ইউনিয়ন ও কনফেডারেসির সাবেক সৈন্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন।

* যে কারণে আন্না জারভিস মা দিবসের প্রতিবাদ করেছেন
ভাগ্যের কি নির্মম বাঁক! একটা সময় আন্না জারভিস মা দিবসের প্রতি বিরক্ত হয়ে পড়েন। তিনি লক্ষ্য করলেন যে, তার মৌলিক লক্ষ্যের সঙ্গে মা দিবসের উদযাপন মিলছে না। তিনি অনুভব করলেন যে, এ ছুটির দিনটি শুভেচ্ছা কার্ড, চকলেট ও ফুল সরবরাহ প্রতিষ্ঠানের দ্বারা জিম্মি হয়ে আছে। তিনি এ ধরনের উদযাপনের প্রতিবাদ করেন এবং এ দিনটিকে যেন চ্যারিটির জন্য অর্থসংগ্রহে ব্যবহার করা হয় তার প্রচেষ্টা চালান। তিনি মা দিবসের বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে ১৯৪৪ সালের মধ্যে ৩৩টি মামলায় জড়িয়ে পড়েন। তার এ প্রতিবাদ থেমে থাকেনি এবং তিনি তার পুরো জীবন ও সঞ্চয় এ ছুটির দিনের বাণিজ্যিকীকরণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ব্যয় করেছেন। তিনি তার শেষ জীবনের কিছু বছর কাটান স্যানিটারিয়াম বা স্বাস্থ্যনিবাসে এবং ১৯৪৮ সালে কপর্দকহীন অবস্থায় মারা যান।

* মায়েদের আরেক সংগ্রাম
মা হলো সন্তানের প্রধান অবলম্বন। ইতিহাসের পাতা উল্টালে দেখা যাবে যে, সন্তানের অনেক বড় সফলতার পেছনে মায়ের শক্তিশালী ভূমিকা ছিল। অ্যান জারভিসের পদাঙ্ক অনুসরণ করে কিছু নারী বিশ শতকের দ্বিতীয় অর্ধাংশে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মা দিবসকে ব্যবহার করেন। উদাহরণস্বরূপ, হিস্ট্রি ডটকমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে আমেরিকান লেখক, রাজনৈতিক পরিবর্তনকামী কর্মী ও নাগরিক অধিকার আদায়ের নেত্রী কোরেট্টা স্কট কিং ১৯৬৮ সালে সুবিধাবঞ্চিত নারী ও শিশুদের জন্য একটি মার্চ করেন এবং ১৯৭০ সালের দিকে নারীরা সমানাধিকার আদায় ও শিশুসেবা পাওয়ার জন্য এ দিবসটি ব্যবহার করেন।

* বিশ্বজুড়ে উদযাপন
প্রত্যেক দেশে মা দিবসের নিজস্ব ইতিহাস ও উদযাপনমূলক বাঁক রয়েছে। এ দিবসে মেক্সিকান মায়েরা খাবার, ফুল ও সংগীত দ্বারা সম্মানিত হন। মেক্সিকান ছেলেমেয়েরা মায়েদের উদ্দেশ্যে লাস মানানিতাসের মতো জনপ্রিয় গান গাওয়ার জন্য মেক্সিকোর মারিয়াচি ব্যান্ডে যোগ দিয়ে থাকে। ইথিওপিয়াতে বর্ষাকালের শেষে মায়েদের সম্মানার্থে তিন দিনব্যাপী অ্যাট্রোস্থ উৎসব উদযাপন করা হয়- ইথিওপিয়ান পরিবার মায়েদের জন্য মিট হ্যাশ তৈরি করে, এটির জন্য কন্যারা শাকসবজি ও পনির আনে এবং পুত্রেরা আনে মাংস। ফ্রান্সে ঐতিহ্যবাহী গিফট হলো ফুলাকৃতির কেক- সেদেশে ১৯২০ সালে সেসব মায়েদেরকে পদকে ভূষিত করা হয় যারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর পরিবার বড় করে দেশের জনসংখ্যা বাড়াতে অবদান রেখেছেন। এছাড়া অন্যান্য দেশেও মা দিবসের উদযাপনে নিজস্ব ঐতিহ্যের ছাপ পাওয়া যায়।

জানেন কি ফল কখন খাবেন?

বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ শরীর সুস্থ রাখতে তাজা ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়ার নির্দেশ দেন। কারণ এসব খাবারে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি দফতরের তথ্য অনুযায়ী, খাবারের প্লেটের অন্তত অর্ধেকটাতে ফল আর শাকসবজি থাকা উচিত। শাকসবজি যেকোন সময়ে খাওয়া গেলেও ফল খাওয়ার কিন্তু নির্দিষ্ট সময় আছে । কারণ ফলে প্রচুর শর্করা থাকে।

শরীরে পুষ্টি উপাদান পাওয়ার অন্যতম প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে ফল।দিনের ঠিক কোন সময়ে ফল খাওয়া উচিত তা অনেকেই জানেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফল খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এতে শর্করার সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট আর ব্যাকটেরিয়া মিশে শরীরের হজমশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফল এমনিতে একটি পরিপূর্ণ খাবার। প্রধান খাবারের সঙ্গে এটা মেলানো ঠিক নয়। যদি ফলের সঙ্গে উচ্চমানের প্রোটিন খাওয়া হয় তাহলে ফলে থাকা শর্করা আরও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে ।তখন এটা হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তারা আরও বলেন, মুল খাবার ও ফল খাওয়ার মধ্যে অন্তত আধঘণ্টা ব্যবধান রাখা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে এক গ্লাস পানি খাওয়ার পর ফল খাওয়া উচিত। তবে সাইট্রাস জাতীয় ফল যেমন- আঙ্গুর, কমলা, জাম্বুরা -এগুলো খেলে এসিডিটি বেড়ে যেতে পারে। অন্যান্য ফল যেমন- আপেল, কলা, নাশপাতি, জাম ইত্যাদি খালি পেটে খেলে তা শরীরের কার্যক্রমে সহায়তা করে, শরীরে শক্তি জোগায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার এবং সন্ধ্যার নাস্তার আগে ফল খাওয়া উচিত, পরে নয়।

বিশেষজ্ঞরা জানান, খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে ফল খেলে বেশি খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। মূল খাবার খাওয়ার আগে ফল খেলে পাকস্থলীতে কম ক্যালরি জমা হয়। এছাড়া খাওয়ার আগে ফল খেলে খাবারে বেশি পরিমাণ ফাইবার যোগ হয়। এ জাতীয় খাবার খেলে পেট তুলনামূলক ভরা লাগে এবং তা হজমেও সহায়তা করে।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ফল খাওয়া এড়ানো উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ফলের শর্করা শরীর সক্রিয় করে এবং ঘুমাতে বাঁধা দেয়। এজন্য ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

ডাক্তারদের আনন্দ আর আমাদের দুঃখ!!!!!
=মহামারির কথা শুনলে আমরা দুঃখ পাই কিন্তু ডাক্তাররা খুশী কারন তাদের আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়!!!

-দুর্ঘটনার কথা শুনলে আমরা দুঃখ পাই কিন্তু ডাক্তাররা খুশী কারন তাদের আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়!!!

-প্রচন্ড শীত পড়লে আমরা দুঃখ পাই কিন্তু ডাক্তাররা খুশী কারন তাদের আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়!!!

-প্রচন্ড গরম পড়লে আমরা দুঃখ পাই কিন্তু ডাক্তাররা খুশী কারন তাদের আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়!!!

-প্রাকিতিক দুর্যোগের কথা শুনলে আমরা দুঃখ পাই কিন্তু ডাক্তাররা খুশী কারন তাদের আয়ের উৎস সৃষ্টি হয়!!!

-সন্ত্রাসী, ছিনতাইকার শিবির ও ছাত্রলীগকে ডাক্তাররা বন্ধু মনে করে কারন তারা ডাক্তারদের আয়ের উৎস সৃষ্টি করে!!!
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কিন্তু
কেউ মারা গেলে আমরা দুঃখ পাই, ডাক্তাররাও দুঃখ পায় কারন তাদের আয়ের উৎস ধংস হয়ে যায়!!!!

একজন সত্যিকারের বন্ধু, কখনো বন্ধুর আচরণে ক্ষুব্ধ হয়না। …..চার্লস ল্যাম্ভ

মানবদেহে ধুমপানের ক্ষতিকর দিক
১. ধুমপানের কারণে ফুসফুসে ক্যান্সার হয়।
২. হার্ট এটাক ও স্ট্রোক ঘটায়।
৩. ধমনীতে (করনারি আর্টারি) ব্লকেজ তৈরি করে। তখন এনজিওপ্লাস্টি করে আর্টারিতে রিং পরাতে হয়, এই রিং ১০ বছরের মতন থাকে। এরপর অবস্থার উন্নতি না হলে বাইপাস সার্জারি (ওপেন হার্ট) করানো ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।
৪. দিনে ২০টি সিগারেট খাওয়া স্মোকার প্রতি বছর প্রায় ১ কাপ পরিমান আলকাতরা ধোঁয়ার সাথে ভেতরে নেয়। এই পরিমান আলকাতরা ফুসফুসে ঝুল সৃষ্টি করে আবৃত করে রাখে।
৫. কার্বন মনোক্সাইড আমাদের পেশী, টিস্যু ও ব্রেনের অক্সিজেনকে নিঃশেষ করে দেয়। এসব টিস্যুকে অক্সিজেনেটেড রাখতে ফলে হার্টকে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় । ফলে একসময় দেহের বায়ু প্রবেশপথ ফুলে ওঠে ও শেষে দেখা যায় ফুসফুসে কম বাতাস প্রবেশ করে।
৬. ধুমপানের কারনে ফুসফুসে ‘এমফাইসেমা’ সৃষ্টি করে। ‘এমফাইসেমা’ হলে ধীরে ধীরে ফুসফুস পঁচে যায়। ‘এমফাইসেমা’ রোগীর যখন তখন ব্রংকাইটিস হয়ে থাকে। যেকোনো সময় হার্ট কিংবা ফুসফুসের স্পন্দন বন্ধ করে দিতে পারে।
৭. গর্ভাবস্থায় স্মোকিং করলে ঘনঘন গর্ভপাত, জন্মের আগেই বাচ্চার মৃত্যু হতে পারে, আর বাচ্চার যদি জন্ম হয়ও দেখা যায় সেই বাচ্চা কম ওজন নিয়ে বা অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহন করে।
৮. এছাড়া ধুমপান মুখে বাজে গন্ধ সৃষ্টি করে। দাঁতের ও মাড়ির ক্ষয় ঘটায়।
৯. ধুমপানের কারণে শরীরের ত্বকে অক্সিজেন কম আসে, ফলে অল্প বয়সে বৃদ্ধদের মত রুক্ষ্য ত্বকের সৃষ্টি হয়। এমনকি কম অক্সিজেনের কারণে অঙ্গে পঁচন দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত তা কেটে ফেলা ছাড়া উপায় থাকে না।
১০. হাড়ের ক্ষয় ঘটায়। মেয়েদের ক্ষেত্রে এটি আরো মারাত্মক। কেননা মেয়েরা এমনিতেই অস্টিওপরেসিসে ভোগে বেশি, তার উপর ধুমপায়ী মেয়েরা ১০-১৫% বেশি এ রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকিতে পড়ে।
১১. পাকস্থলীর ক্যান্সার বা আলসার, কিডনি, অগ্ন্যাশয়, ব্লাডারের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, যেই ধুমপানের জন্য ১০০টাকা খরচ করে আসলে আমরা প্রতিদিন নিজের মৃত্যুকে কিনে নিচ্ছি। তাই আশাকরি সচেতন হয়ে এই ভয়ংকনর ধুমপান ছেড়ে দিতে উদ্যোগী হব। যেই টাকা খরচ করছেন মৃত্যু কেনার জন্য, সেই টাকা দিয়ে ভাল কিছু খাওয়া শুরু করেন।

হ্যাকাররা যেভাবে অ্যাকাউন্টে হানা দেয়

এমন কিছু অত্যাধুনিক পদ্ধতি আছে যা থেকে সহজেই আপনার গোপন পাসওয়ার্ডটি হাতিয়ে নিয়ে চুপচাপ কাজ সারছে হ্যাকাররা।

১. প্লেন টেক্সট পাসওয়ার্ড
প্লেন টেক্সট-এ পাসওয়ার্ড সেভ করলে হ্যাকাররা সহজেই তা হাতিয়ে নিতে পারে। এক্ষেত্রে হ্যাকাররা অত্যাধুনিক সাউন্ডিং মেথড ব্যবহার করে। আর হার্ড ডিস্ক চুরি করে নিতে পারলে তো কথাই নেই। সেই কারণে বড় সংস্থাগুলি কখনোই প্লেন টেক্সট-এ পাসওয়ার্ড সেভ করে না।

২. সার্ভার-ক্লায়েন্ট-রাউটার
সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট, অথবা দু’জন ক্লায়েন্ট বা রাউটারের সঙ্গে ক্লায়েন্টের যোগাযোগের মাঝখানে থাবা বসায় হ্যাকাররা। এর পরে দু’পক্ষের মধ্যে ছদ্মবেশে যোগাযোগ চালিয়ে গিয়ে তথ্য হাতিয়ে নেয়।

৩. মেমরি ডাম্পিং
আসলে ট্রজান, কিন্তু আপাত নিরীহ ফ্রি ডাউনলোডেবেল প্রোগ্রাম হিসেবে ই-মেইল অথবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার কাছে আসবে। ডাউনলোড করলেই সর্বনাশ। অনেক সময়ে যে কম্পিউটারে ডাউনলোড করা হয়, সেই কম্পিউটার থেকে কোনও সাইটে লগ ইন করতে কি- বোর্ডে যাই টাইপ করা হয়, সেখান থেকে সম্ভাব্য পাসওয়ার্ডকে উদ্ধার করে হ্যাকারের কাছে পাঠিয়ে দেয়। যাকে বলা হয় ‘মেমরি ডাম্পিং’।

৪. ফিশিং
এই পদ্ধতিটা অনেকটা ডেবিট কার্ডের পিন নম্বর হাতিয়ে নেওয়ার মতো। এই পদ্ধতির নাম ‘ফিশিং’। ই-মেইলের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোনও একটি বৈধ ওয়েবসাইটে বা অ্যাকাউন্ট থেকে আপনার তথ্য অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে। আপনাকে সাহায্য করার নামে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে। সেই লিঙ্কে ক্লিক করলেই যে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য পাচারের দাবি করা হচ্ছে, সেই রকমই একটি নকল ওয়েবসাইটে আপনি অজান্তে ঢুকে পড়বেন। এরপরে পুরনো পাসওয়ার্ড বদলানোর নামে আপনার থেকে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নেওয়া হবে।

৫. বিশেষ কোন তারিখ
আর সর্বশেষ পদ্ধতিটা অত্যন্ত কমন। সেটা হল যাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হচ্ছে, তাঁর জন্ম বা বিয়ের তারিখ, অথবা প্রিয়জনের নাম জাতীয় কোনও কিছু ব্যবহার করে হ্যাকাররা। কারণ অনেকেই এগুলিকে পাসওয়ার্ড হিসেবে নির্ধারণ করেন।

রাত্রে ঘন্টাখানেক জ্ঞান চর্চা করা সারা রাত জেগে ( ইবাদতে নিরত ) থাকার চেয়ে উত্তম। [দারমী]

ঘূর্ণিঝড়ের আগে করণীয়

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ৪৩ বছরের ইতিহাসে এটিই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। প্রকৃতিসৃষ্ট এসব দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। তাই ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়ার পর কী করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি।

দুর্যোগ হতে পারে এমন মাসগুলোতে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ থেকে জুন এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে ঘূর্ণিঝড় হবার আশঙ্কা থাকে।

আবহাওয়ারে পূর্বাভাস শোনার অভ্যাস করা জরুরি। সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত শুনুন। নৌকা, লঞ্চ ও ট্রলারের ক্ষেত্রে অবশ্যই রেডিও রাখতে হবে।

Ghurnijhor

বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম যেমন ব্যান্ডেজ, অ্যান্টিসেপটিক প্রভৃতি রাখুন; কাজে লাগতে পারে নিজের ও প্রতিবেশির।

ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে অথবা অন্য আশ্রয় নিতে যাবার সময় কী কী জরুরি জিনিস সঙ্গে নেয়া অতি আবশ্যক এবং কী কী জিনিস মাটিতে পুঁতে রাখা যেতে পারে; তার তালিকা তৈরি করে সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিন।

আর্থিক সঙ্গতি থাকলে ঘরের মধ্যে অথবা বাড়ির কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় পাকা গর্ত তৈরি করে রাখতে পারেন। এই পাকা গর্তের মধ্যে অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখতে পারবেন।

Ghurnijhor

ঘূর্ণিঝড়ের প্রস্তুতি হিসেবে খাদ্যের প্রস্তুতি জরুরি। বাড়িতে বিভিন্ন রকম শুকনো খাবার যেমন-চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট ইত্যাদি সংরক্ষণ করুন।

নোংরা পানি কিভাবে ফিটকিরি ও ফিল্টার দ্বারা খাবার ও ব্যবহারের উপযোগী করা যায় সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিন।

ঘূর্ণিঝড়ের ফোন ফুল চার্জ করে রাখুন। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের পরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। ফোন ফুল চার্জ না থাকলে আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অসুবিধা হবে।

বড় ড্রাম কিংবা বালতিতে যতটা সম্ভব পানি ধরে রাখুন। কারণ ঘূর্ণিঝড়ের পরে পানির লাইনও সাময়িক বন্ধ থাকতে পারে।

Ghurnijhor

হাতের কাছে পর্যাপ্ত মোমবাতি, গ্যাস লাইট ইত্যাদি রাখুন।

ঘূর্ণিঝড় শুরু হয়ে গেলে বাড়ির সমস্ত বৈদ্যুতিক সামগ্রী থেকে বৈদ্যুতিক লাইন বিচ্ছিন্ন করুন।

ঘূণিঝড় সম্পর্কে নিতে বিস্তারিত জানুন; পরিবার সদস্যদের অবহিত করুন; আশপাশের মানুষকেও জানান।

বীজ গনিতের সুত্র সমূহঃ-
▪ (a + b)² = a² + 2ab + b²
▪ (a + b)² = (a – b)² + 4ab
▪ (a – b)² = a² – 2ab + b²
▪ (a – b)² = (a + b)² – 4ab
▪ a² + b² = (a + b)² – 2ab
▪ a² + b² = (a – b)² + 2ab
▪ a² – b² = (a + b)(a – b)
▪ 2(α² + в²) = (a + в)² + (a – в)²
▪ 4ab = (a + b)² -(a – b)²
▪ ab = {(a + b)/2}² – {(a – b)/2}²
▪ (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc +
ca)
▪ (a + b)³ = a³ + 3a²b + 3ab² + b³
▪ (a + b)³ = a³ + b³ + 3ab (a + b)
▪ (a – b)³= a³ – 3a²b + 3ab² – b³
▪ a³ + b³ = (a + b) (a² – ab + b²)
▪ a³ + b³ = (a + b)³ – 3ab (a + b)
▪ a³ -b³ = (a – b) (a² + ab + b²)
▪ a³ – b³ = (a – b)³ + 3ab (a – b)
▪ (a + b + c)² = a² + b² + c² + 2(ab + bc +ca)


মহাবিশ্বের বয়স কত?

মহাবিশ্বের বয়স কত? কত দ্রুতই–বা এটি প্রসারিত হচ্ছে? এসব প্রশ্ন অনেক পদার্থবিজ্ঞানীর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, কসমোলজি বা মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে অধ্যয়নে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করেন অনেকে।

এত দিন বিজ্ঞানীদের মধ্য মহাবিশ্বের বয়স নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সময়ও নির্ধারণ ছিল। তবে নতুন এক গবেষণা আগের ওই ধারণার ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে।

আগের ধারণা ছিল, এ মহাবিশ্ব প্রায় ১৩ দশমিক ৬ থেকে ১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন বছরের পুরোনো। তবে নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হচ্ছে, এ মহাবিশ্ব অতটা বয়স্ক নয়। আগের ধারণা থেকে এটা কমপক্ষে এক বিলিয়ন বছরের ছোট। এ ছাড়া আগের ধারণার থেকেও দ্রুতগতিতে প্রসারিত হচ্ছে এটি।

নতুন ওই গবেষণা করেছেন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যাডাম রিয়েস। তিনি ২০১১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। বার্তা সংস্থা এএফপি বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল জার্নালের বরাত দিয়ে জানাচ্ছে, রিয়েস দুই বছর ধরে এ বিষয়ে গবেষণা করে ওই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।

রিয়েস তাঁর গবেষণার নমুনা হিসেবে ৭০টি সাফিয়েড নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর তিনি সাফিয়েড নক্ষত্রগুলোর দূরত্ব ও কম্পনের হার গণনা করেন। তাঁর ওই হিসাব পরে একটি সুপার নোভার সঙ্গে তুলনা করেন। নাসার হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এই হিসাব করতে দুই বছর ধরে কাজ করেছেন রিয়েস। এরপর তিনি কম্পনের হার নির্ধারণ করেছেন ৭৪।

কম্পনের হার ৭৪–এর অর্থ দাঁড়ায়, এই মহাবিশ্বের বয়স ১২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ও ১৩ বিলিয়নের মাঝামাঝি। এ কারণে এটি আগের হিসাবকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। তাঁর গবেষণার পরে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাঁদের কাছে বিষয়টা এতটাই বিভ্রান্তিকর ঠেকছে যে এ সমস্যা সমাধানে পদার্থবিজ্ঞানের নতুন তত্ত্বের কথা ভাবছেন।

রিয়েস বলেছেন, বিষয়টা এখন এমন এক জায়গায় ঠেকেছে যে নতুন কোনো ধারণা ছাড়া এটা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

নাসার জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞানী জন মাদার ওই গবেষণার ফলাফলের বিষয়ে বলেন, এ ঘটনা বিজ্ঞানীদের সামনে দুটো বিষয় তুলে ধরেছে। প্রথমটি, তাঁরা যে ভুলগুলো করছেন, তা এখনো ধরতে পারেননি। দ্বিতীয়টি, প্রকৃতি এমনই রহস্যময়, যেটি এখনো ভেদ করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনা যা–ই হোক না কেন, বিজ্ঞানী রিয়েস অবশ্য হালকা রসিকতা করতে ছাড়েননি। তিনি বলেছেন, ‘আরে, এটি বেশ ভালো সংবাদ। সবাইকে তো দেখতে বেশ কম বয়সী লাগছে!’

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ন্যাটো জোটের অন্যতম সামরিক অংশীদার এবং মিত্র হওয়ার সুবাদে তুরস্ক পর্যায়ক্রমে আগামী ১০ বছরে মোট ১০০টি এফ-৩৫এ স্টিলথ জেট ফাইটার ক্রয়ের পরিকল্পনা করেছিল। তাছাড়া এই প্রজেক্টের অন্যতম প্রযুক্তিগত সহায়তাকারী অংশীদার হওয়ায় এফ-৩৫ এর ফিউজলেস, ল্যান্ডিং গিয়ার এবং উচ্চ প্রযুক্তির ককপিট ডিসপ্লের বেশ কিছু গুরত্বপূর্ণ অংশ ম্যানুফ্যাকচারিং করছে তুরস্কের একাধিক এভিয়েশন ইন্ড্রাস্টিজ হাবগুলো। তাছাড়া মাল্টি ন্যাশন এফ-৩৫ প্রজক্টে তুরস্ক ১.২৫ বিলিয়ন ডলার ইতোমধ্যেই বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছে। তবে এ প্রজক্টে তুরস্কের অবিচ্ছেদ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সত্ত্বেও, মার্কিন কর্মকর্তারা গত সপ্তাহে রয়টার্সকে জানায় যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাল্টি ন্যাশন ট্রিলিয়ন ডলারের এফ-৩৫ প্রজেক্টি তুরস্কের যন্ত্রাংশ সরবরাহ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা ছাড়াও কার্যকরভাবে অগ্রসর হতে পারে, যদিও এক্ষেত্রেপ্রকল্পটির ব্যয় আরও অনেক বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার আশাঙ্খা করা হয়েছে।

Hello

18. যে পরিশুদ্ধ হয়না , তার সালাত হয়না। [মিশকাত]

Thanks Milimishi

আমার বাংলাদেশ

অক্টোবর ২০১৮ থেকে ১২ এপ্রিল ২০১৯ সময় পর্যন্ত মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে ২টি সুপার এডভান্স এফ-৩এ সিরিজের লাইটনিং স্টিলথ জেট ফাইটার নন কমব্যাট মিশনে ক্রাশ করায় মার্কিন ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১.৫৩ ট্রিলিয়ন ডলারের স্টিলথ জেট ফাইটার প্রজেক্টের গ্রহণ যোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।
quizolympiadbd.com
আমেরিকান প্রযুক্তি ও এফ-৩৫ ক্রাশ - Quiz Olympiad of Bangladesh
2828
1 comment2 shares
Like
Comment
Share
See all
Recommendations and reviews
Recommended by 8 people
it is a nice and trusted quiz side...
13 March
online quiz practice is very important for acquiring knowledge.
21 March
অনলাইন প্লাটফর্মে খুবই ভাল একটি পদ্ধতি।শুভ কামনা।

সাথে অাছি সব সময়
4 April
Would you recommend Quiz Olympiad of Bangladesh?
Yes
No
See All
Videos
♥♥ অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতাঃ ১০ ♥♥ আজকের প্রশ্নঃ ১. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন? ২. তিনি কত সালে ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন? ৩. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে কোথায় সমাহিত করা হয়? ♦♦প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের নিয়ম♦♦ ১/ এই প্রতিযোগিতাটি শুধু মাত্র আমাদের পেজের Liker and Followers দের জন্য। তাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পুর্ব শর্ত পেজে Like দিতে হবে এবং Follow করতে হবে। (পেজের লাইকার বা ফলোয়ার বাদে অন্য কারো উত্তর গ্রহনযোগ্য নয়) ২/পেজ টিতে Like দিয়ে active থাকতে হবে এবং Follow করতে হবে। ৩/ প্রত্যেক প্রতিযোগিতার প্রশ্নটি Public View দিয়ে যার যার Timeline Share করতে হবে। ( শেয়ার থেকে শেয়ার গ্রহনযোগ্য নয়, পেজ থেকে মূল প্রশ্নটি শেয়ার করতে হবে) ৪/ বিজয়ী হওয়ার জন্য তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে খুব ভাল হবে। ৫/ প্রতি শুক্রবার রাতে নতুন প্রশ্ন দেওয়া হবে এবং বুধবার রাত 10 টার ভিতর উত্তর দিতে হবে। ৬/ সবাইকে উত্তর ইনবক্সে দিতে হবে। **নিয়ম রক্ষা না করলে উত্তর গ্রহনযোগ্য হবে না** ............ নমুনা উত্তর/উত্তর দেওয়ার নিয়ম......... উত্তর ১/ ২/ ৩/ নামঃ পেশাঃ ইমেইলঃ ........................... অথবা.................... Answer 1/ 2/ 3/ Name: Profession: E-Mail: বিঃ দ্রঃ উত্তর লুকানো আছে, আমাদের বিগত এক সপ্তাহের পোস্টের মাঝেই। ****** পুরস্কার ****** ৫ জন বিজয়ীর জন্য থাকবে আমাদের মোবাইল রিচার্জ। ১ম বিজয়ী-১০০ ২য় বিজয়ী-৮০ ৩য় বিজয়ী-৫০ ৪র্থ বিজয়ী-৫০ ৫ম বিজয়ী-৫০ সবার উত্তর সঠিক হলে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারন করা হবে।
406
♥♥ অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতাঃ ১৫ ♥♥ আজকের প্রশ্নঃ ১. সম্রাট আকবর কত বছর বয়সে মুগল সিংহাসনে আরোহণ করেন? ২. বারো ভুইয়াদের নেতৃত্বে কে ছিলেন ? ৩. সম্রাট আকবর কত সালে মৃত্যু বরন করেন? ♦♦প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের নিয়ম♦♦ ১/ এই প্রতিযোগিতাটি শুধু মাত্র আমাদের পেজের Liker and Followers দের জন্য। তাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পুর্ব শর্ত পেজে Like দিতে হবে এবং Follow করতে হবে। (পেজের লাইকার বা ফলোয়ার বাদে অন্য কারো উত্তর গ্রহনযোগ্য নয়) ২/পেজ টিতে Like দিয়ে active থাকতে হবে এবং Follow করতে হবে। ৩/ প্রত্যেক প্রতিযোগিতার প্রশ্নটি Public View দিয়ে যার যার Timeline Share করতে হবে। ( শেয়ার থেকে শেয়ার গ্রহনযোগ্য নয়, পেজ থেকে মূল প্রশ্নটি শেয়ার করতে হবে) ৪/ বিজয়ী হওয়ার জন্য তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে খুব ভাল হবে। ৫/ প্রতি শুক্রবার রাতে নতুন প্রশ্ন দেওয়া হবে এবং বুধবার রাত 10 টার ভিতর উত্তর দিতে হবে। ৬/ সবাইকে উত্তর ইনবক্সে দিতে হবে। **নিয়ম রক্ষা না করলে উত্তর গ্রহনযোগ্য হবে না** ............ নমুনা উত্তর/উত্তর দেওয়ার নিয়ম......... উত্তর ১/ ২/ ৩/ নামঃ পেশাঃ ইমেইলঃ ........................... অথবা.................... Answer 1/ 2/ 3/ Name: Profession: E-Mail: বিঃ দ্রঃ উত্তর লুকানো আছে, আমাদের বিগত এক সপ্তাহের পোস্টের মাঝেই। ****** পুরস্কার ****** ৫ জন বিজয়ীর জন্য থাকবে আমাদের মোবাইল রিচার্জ। ১ম বিজয়ী-১০০ ২য় বিজয়ী-৮০ ৩য় বিজয়ী-৫০ ৪র্থ বিজয়ী-৫০ ৫ম বিজয়ী-৫০ সবার উত্তর সঠিক হলে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারন করা হবে।
442
33
♥♥ অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতাঃ ১১ ♥♥ আজকের প্রশ্নঃ ১. এ কে ফজলুল হকের পদবী কি ছিলো? ২. তার পিতার নাম কি? ৩. তিনি কত সালে মৃত্যু বরন করেন?? ♦♦প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের নিয়ম♦♦ ১/ এই প্রতিযোগিতাটি শুধু মাত্র আমাদের পেজের Liker and Followers দের জন্য। তাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পুর্ব শর্ত পেজে Like দিতে হবে এবং Follow করতে হবে। (পেজের লাইকার বা ফলোয়ার বাদে অন্য কারো উত্তর গ্রহনযোগ্য নয়) ২/পেজ টিতে Like দিয়ে active থাকতে হবে এবং Follow করতে হবে। ৩/ প্রত্যেক প্রতিযোগিতার প্রশ্নটি Public View দিয়ে যার যার Timeline Share করতে হবে। ( শেয়ার থেকে শেয়ার গ্রহনযোগ্য নয়, পেজ থেকে মূল প্রশ্নটি শেয়ার করতে হবে) ৪/ বিজয়ী হওয়ার জন্য তিনটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলে খুব ভাল হবে। ৫/ প্রতি শুক্রবার রাতে নতুন প্রশ্ন দেওয়া হবে এবং বুধবার রাত 10 টার ভিতর উত্তর দিতে হবে। ৬/ সবাইকে উত্তর ইনবক্সে দিতে হবে। **নিয়ম রক্ষা না করলে উত্তর গ্রহনযোগ্য হবে না** ............ নমুনা উত্তর/উত্তর দেওয়ার নিয়ম......... উত্তর ১/ ২/ ৩/ নামঃ পেশাঃ ইমেইলঃ ........................... অথবা.................... Answer 1/ 2/ 3/ Name: Profession: E-Mail: বিঃ দ্রঃ উত্তর লুকানো আছে, আমাদের বিগত এক সপ্তাহের পোস্টের মাঝেই। ****** পুরস্কার ****** ৫ জন বিজয়ীর জন্য থাকবে আমাদের মোবাইল রিচার্জ। ১ম বিজয়ী-১০০ ২য় বিজয়ী-৮০ ৩য় বিজয়ী-৫০ ৪র্থ বিজয়ী-৫০ ৫ম বিজয়ী-৫০ সবার উত্তর সঠিক হলে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারন করা হবে।
359
4
See all
Photos
Image may contain: text
Image may contain: text and outdoor
No photo description available.
See all
Posts
Quiz Olympiad of Bangladesh
14 April at 16:35 ·

তবে বাংলা নববর্ষের শুরু কিভাবে হলো, এটা নিয়ে অনেক তত্ব ও মতামত আছে। সর্বজন স্বীকৃত মতামত হলো এর প্রচলন করেছেন সম্রাট আকরব। তবে আরো কিছু তত্ব আছে যার ফলে কিছু লোকের নাম চলে আসে, চলুন আজকে আমরা তা জানার চেস্টা করি।
quizolympiadbd.com
বাংলা নববর্ষ ও তার ইতিহাস ।। ইতিহাস।। Quiz Olympiad of Bangladesh
5959
3 comments11 shares
Like
Comment
Share
Comments
Most relevant
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Asad Mirza
Asad Mirza সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

Image may contain: text
1

Like

· Reply · 1d

Asad Mirza
Asad Mirza অনেক তথ্যবহুল পোস্ট।

Like

· Reply · 1d

View 1 more comment
Quiz Olympiad of Bangladesh
13 April at 09:40 ·

এক শতাব্দীতে সারা বিশ্বজুড়ে উৎপাদিত এভিয়েশন এন্ড এরিয়াল সিস্টেমের ৬৫% একাই দখল করে রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি বিংশ শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মিত্র বাহিনী প্রায় ৫ লক্ষ যুদ্ধবিমান এবং বোম্বার তৈরি করেছিল।
quizolympiadbd.com
গত ১০০ বছরের বিমান তৈরীর ইতিহাস এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - Quiz Olympiad of Bangladesh
7777
1 comment13 shares
Like
Comment
Share
Comments
Most relevant
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Nazmul Islam
Nazmul Islam অনেক কিছু জানতে পারছি আপনাদের পেজ থেকে।ধন্যবাদ

Like

· Reply · 2d

Quiz Olympiad of Bangladesh
11 April at 22:00 ·

অনলাইন কুইজ ফলাফলঃ ৩৪

এর উত্তর মালা....

১. পিপিলিকা... See more
Yeasin Arafat
Yeasin Arafat
8282
26 comments
Like
Comment
Share
Comments
Most relevant
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Badrul Hasan
Badrul Hasan Congratulation all winner

Like

· Reply · 3d

Md Amdadul Islam Khan
Md Amdadul Islam Khan Congratulations all

Like

· Reply · 4d

View 24 more comments
Quiz Olympiad of Bangladesh
11 April at 16:11 ·

বাংলাদেশের সীমা ও আয়তন
quizolympiadbd.com
বাংলাদেশের সীমা ও আয়তন - Quiz Olympiad of Bangladesh
বাংলাদেশের সীমা রেখা কি ? ⇒বাংলাদেশের উত্তরে ভারতে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং .....
6060
5 shares
Like
Comment
Share
Comments
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Quiz Olympiad of Bangladesh
11 April at 14:35 ·

১. বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান কি?

২০ ডিগ্রি ৩৪ মিনিট থেকে ২৬ ডিগ্রি ৩৮ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ ডিগ্রি ০১ মিনিট থেকে ৯২ ডিগ্রি ৪১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। পুর্ব – পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিন-দক্ষিন পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
quizolympiadbd.com
বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান ও রেখা - Quiz Olympiad of Bangladesh
6969
5 shares
Like
Comment
Share
Comments
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Quiz Olympiad of Bangladesh
10 April at 22:37 ·

রাত ১০ টা। উত্তর দেওয়ার সময় শেষ
ফলাফল, আগামীকাল রাত ১০ টার পর।
8181
5 comments2 shares
Like
Comment
Share
Comments
Most relevant
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Sh Ai Ka
Sh Ai Ka akake quiz kibabe kelta hoi bolben plz

Like

· Reply · 5d

Md Amdadul Islam Khan
Md Amdadul Islam Khan সাথেই আছি

Like

· Reply · 5d

View 3 more comments
Quiz Olympiad of Bangladesh
10 April at 14:00 ·

বাংলাদেশের কোন কোন এলাকা নিয়ে সোপান অঞ্চল গঠিত ?
⇒বরেন্দ্র, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় অঞ্চল নিয়ে সোপান অঞ্চল গঠিত ।
quizolympiadbd.com
Quiz Olympiad of Bangladesh - কুইজে অংশ নিন পুরস্কার জিতুন,মজার তথ্য ও সাধারন জ্ঞান দিয়ে আপনার মেধাকে আরো সমৃদ্ধ
কুইজে অংশ নিন পুরস্কার জিতুন,মজার তথ্য ও…
7979
5 comments5 shares
Like
Comment
Share
Comments
Most relevant
Prosinjit Biswas
Write a comment...

Saiful Islam
Saiful Islam নিয়মিত অংশ নিচ্ছি বিজয়ী হলাম কই

Like

· Reply · 5d

View 3 more replies

Quiz Olympiad of Bangladesh
Quiz Olympiad of Bangladesh আর নিয়ম রক্ষা না হলে যে কোন বিজয়ীকে বাদ দেওয়া হতে পারে। আর আপনি শেয়ার করলেন কি, করলেন না এটা আপনার ব্যাপার কিন্তু বিজয়ী শেয়ার না করলে তাকে বাদ দেওয়া হবেই। আমাদের কাজ হলো ভালভাবে দেখা কেও নিয়ম মেনে উত্তর দিলো কি না!!!

Like

· Reply · 4d
"Most relevant" is selected, so some replies may have been filtered out.

See more
Quiz Ol

লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বাংলা সনের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নেয়। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন উৎসব।

সকালে/বিকালে কমপক্ষে ১৫-২০মি. দৌড়ান/ব্যায়াম করা উচিত

Hello Friend

সবাই ভাল আছেন

আসমানের দরজা খুলে যাওয়ার দোয়া
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে শিখিয়েছেন আচার-আচরণ তথা জীবনাচরণ। শিখিয়েছেন উত্তম জীবন-যাপনের নিয়ম-কানুন। শিখিয়েছেন অধিক আমল লাভের উপায়। এরূপ একটি জিকির এসেছে মুসনাদে আহমদের হাদিসে। যে জিকির করলে আসমানের দরজাগুলো খুলে যায়।
জিকিরের শব্দগুলো-
উচ্চারণ- ‘আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়াল হামদুলিল্লাহি কাছিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা’
অর্থ- ‘আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ, সব প্রশংসা অধিকহারে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল-সন্ধ্যায়।’

হাদিসে এসেছে-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে নামাজ আদায় করছিলাম, সে মুহূর্তে জনতার মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বলে উঠল, ‘আল্লাহ সর্ব মহান সর্বশ্রেষ্ঠ, সব প্রশংসা অধিকহারে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর গুণ বর্ণনা সকাল-সন্ধ্যায়।’ তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞাস করলেন কে বলল এসব কথা? তখন উপস্থিত জনতার মধ্য থেকে লোকটি বলল, আমি, হে আল্লাহর রাসূল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, কথাটি আমাকে আশান্বিত করেছে। এ কথার কারণে আসমানের দরজাসমূহ খুলে গেছে। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কণ্ঠে এরূপ কথা শোনার পর থেকে আমি ঐ বাক্যগুলো (কখনও) বলতে ছাড়িনি। (মুসনাদে আহমদ, মুসলিম, তাবরানি)

আল্লাহ তাআলা বান্দাহকে তাঁর জিকির-প্রশংসা করে সব ধরনের অন্যায়-অনাচার থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। কুরআনের নির্দেশিত জীবন-যাজন, ইবাদত-বন্দেগি ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।







পরকালে বেশি নেকির অধিকারী হওয়ার জিকির
তাসবিহ-তাহলিল তথা আল্লাহর স্মরণ মানুষকে অন্যায় পথ থেকে ফিরিয়ে রাখে। গোনাহ থেকে হিফাজত করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছোট ছোট অনেক জিকির উম্মতের জন্য শিখিয়ে গেছেন; যার আমল করলে অনেক বেশি বেশি নেকি ও উপকারিতা পাওয়া যায়। অধিক ফজিলতপূর্ণ একটি জিকির আজকে তুলে ধরা হলো-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে এবং সন্ধ্যায় ১০০ বার এ দোয়া বলবে (পড়বে); ঐ ব্যক্তির সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গোনাহও ক্ষমা করা হবে। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)



উচ্চারণ : সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আরো বর্ণনা করেন যে, বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় ১০০ বার এ তাসবিহ বলবে (পড়বে); সে ব্যক্তি কিয়ামাতের দিন সবচেয়ে বেশি নেকির অধিকারী হবে। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ছোট্ট এ তাসবিহ’র আমল করে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গোনাহ মাফ পাওয়ার এবং কিয়ামাতের কঠিন সময়ে অধিক নেকির অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।





যে জিকিরে অন্তর্জগত খুলে যায়
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, তোমরা যদি আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। এ কথায় প্রমাণিত হয় যে, জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যাধিক। আল্লাহ তাআলা অনেক আয়াতেই সব সময় তার জিকির করার নির্দেশ দিয়েছেন। সবচেয়ে উত্তম জিকির হলো- (اَللهُ) ‘আল্লাহ’ শব্দের জিকির।

কারণ (اَللهُ) ‘আল্লাহ’ শব্দটি মহান আল্লাহ তাআলার জাতি নাম। এর অর্থ হলো- তিনি সেই জাত যে, ইবাদাতের একমাত্র উপযুক্ত তিনিই।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কবিদের কথার মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ কথা হলো, কবি লাবিদের এ কথাটি, তিনি বলেন- ‘আল্লাহ ব্যতিত আর সব কিছু বাতিল।’ (বুখারি)

(اَللهُ) ‘আল্লাহ’ জিকিরের ফজিলত-


>> যে ব্যক্তি (اَللهُ) ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকিরটি প্রতিদিন এক হাজার বার করবে, সে (صَاحِبِ يَقِيْن) ‘সাহেবে ইয়াক্বিন’ বা দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তিতে পরিণত হবে।
>> যে ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের পর একশত বার (اَللهُ) ‘আল্লাহ, আল্লাহ’ জিকির করবে, তার অন্তর্জগত খুলে যাবে। অর্থাৎ সে (صَاحِبِ كَشْف) ‘সাহেবে কাশ্‌ফ’ হয়ে যাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে আল্লাহ, আল্লাহ জিকিরের মাধ্যমে দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তি ও কাশফের অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।







নিজের নফস বা আত্মাকে নিয়ন্ত্রণ করার জিকির

আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম (اَلْمَلِكُ) আল-মালিকু। যার অর্থ হলো বাদশা বা অধিপতি। আসমান-জমিন সবই তার হুকুমে নিয়ন্ত্রিত হয়। আল্লাহ তাআলার এ গুণবাচক নামের জিকিরে আত্মা নিয়ন্ত্রিত হয়, মর্যাদা ও সম্মান বৃদ্ধি পায়। এ গুণবাচক নামের জিকিরের ফজিলত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; যা তুলে ধরা হলো-



ফজিলত
>> যে ব্যক্তি দৈনিক ৯০ বার আল্লাহর তাআলার গুণবাচক নাম (اَلْمَلِكُ) আল-মালিকু পড়বে; সে ব্যক্তি শুধু ধনীই হবে না বরং রাজা-বাদশাহ বা প্রতাপশালী ক্ষমতাধর ব্যক্তি তার বাধ্য হয়ে যাবে। তার প্রভাব-প্রতিপত্তি ও মান-মর্যাদা বেড়ে যাবে।

>> যে ব্যক্তি (اَلْمَلِكُ) আল-মালিকু-এর সঙ্গে (اَلْقُدُّوْس) আল-কুদ্দুস একত্রিত করে (اَلْمَلِكُ الْقُدُّوْسِ) ‘আল-মালিকুল কুদ্দুস’ গুণবাচক নামের নিয়মিত জিকির করবে; যদি সে রাজা-বাদশাহ (দায়িত্বশীল) হয়, আল্লাহ তাআলা তাঁর রাজ্য, রাজত্ব ও দায়িত্ব ঠিক রাখবেন।

আর যদি রাজা-বাদশা বা দায়িত্বশীল না হয়, তবে ঐ ব্যক্তির নিজের আত্মা নিজের অনুগত হবে। আর যে ব্যক্তি ইজ্জত ও সম্মানের জন্য এ জিকির করবে; তার ইজ্জত ও সম্মান বৃদ্ধি পাবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর গুণবাচক (اَلْمَلِكُ) আল-মালিকু ও (اَلْمَلِكُ الْقُدُّوْسِ) ‘আল-মালিকুল কুদ্দুস’ নামের জিকির করে নিজের নফস তথা আত্মাকে দুনিয়ার সকল অন্যায় কাজ থেকে নিয়ন্ত্রণ করে তাঁর ইবাদাত-বন্দেগির প্রতি মনোযোগী হওয়ার এবং তাঁর নৈকট্য অর্জন করার তাওফিক দান করুন। অধীনস্থদের প্রতি যথাযথ দায়িত্ব পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


যে আমলে জান্নাতবাসী হওয়া যায়
ইসলামের প্রতিটি বিধি-নিষেধ মানুষের কল্যাণেই আরোপিত। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর পথে মতে চলার এবং পরকালীন জীবনে পরিপূর্ণ সফলতার জন্য অনেক পথই দেখিয়েছেন। কুরআন এবং হাদিসে তার বর্ণনা বিদ্যমান। আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক একটি নাম মুহাইমিন (اَلْمُهَيْمِنُ)। এ নামের নিয়মিত আলমকারী ফজিলত বর্ণনায় এসেছে যে, ঐ ব্যক্তি জান্নাত বা বেহেশতবাসী হবে। আমলটি তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : আল-মুহাইমিনু।’
অর্থ : সকল বস্তুর রক্ষাকারী।

ফজিলত
(اَلْمُهَيْمِنُ) আল-মুহাইমিনু আল্লাহ তাআলা গুণবাচক নাম। এ শব্দের অর্থ হলো- সকল বস্তুর রক্ষক। অর্থাৎ আল্লাহ তাআলাই শুধুমাত্র সৃষ্টির সকল কিছুর রক্ষক। এ গুণবাচক নামের জিকিরের ফজিলত বর্ণনায় এসেছে-
>> যে ব্যক্তি গোসলের পর এ গুণবাচক নামটি ১১৫ বার পড়বে সে অদৃশ্য জগতের বিষয়াবলী সম্পর্কে অবহিত হবে।

>> আর যে ব্যক্তি সব সময় এ গুণবাচক নামের জিকির করবে সে সব ধরনের মসিবত থেকে রক্ষা পাবে এবং জান্নাত তথা বেহেশতবাসী হবে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর এ ছোট্ট গুণবাচক নাম (اَلْمُهَيْمِنُ) ‘আল-মুহাইমিনু’-এর জিকির করার মাধ্যমে ঘোষিত ফজিলত অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’ একটি। যার অর্থ হলো ‘কোনোরূপ প্রতিদান ব্যতিত অধিক দানকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’
অর্থ : ‘কোনোরূপ প্রতিদান ব্যতিত অধিক দানকারী।’

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি দারিদ্র্যতার কষাঘাতে জর্জরিত, সে ব্যক্তি যদি সর্বদা এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’ নামটির জিকির করে, তবে আল্লাহ তাআলা এমন প্রাচুর্য দান করবেন যে, সে হয়রান হয়ে যাবে।


>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’ লিখে সাথে রাখবে সেও দারিদ্র্যতা থেকে মুক্ত হয়ে অনেক প্রাচুর্যের অধিকারী হবে।

>> যে ব্যক্তি চাশতের নামাজের পর কুরআনের সিজদার আয়াত পাঠ করে পুনরায় সিজদায় গিয়ে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’ নামটির জিকির সাতবার করে, তবে সে সকল সৃষ্টি হতে মুখাপেক্ষীহীন হবে। অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতিত সৃষ্টি কারো প্রতি সে মুখাপেক্ষী হবে না।

>> যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’-এর জিকির করবে; আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির সমস্ত বিপদ ও সমস্যা দূর করে দিবেন।

>> যে ব্যক্তি কোনো সমস্যাগ্রস্ত হয়ে মধ্যরাতে ওঠে নিজ ঘরে বা মসজিদে গমন করে তিনবার সিজদা করে হাত উঠিয়ে এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’ নামটি ১০০ বার পাঠ করে তবে মহান আল্লাহ তাআলা তার প্রয়োজন বা মনের একান্ত কামনা-বাসনা পূরণ করে দিবেন।

বিশেষ করে-
হজরত শাহ আবদুল আজিজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, যে ব্যক্তি রিজিকের প্রশস্ততার জন্য চাশতের নামাজের সময় বারো রাকাআত নামাজ পড়ে সিজদায় গিয়ে (يَا وَهَّابُ) ইয়া ওয়াহ্‌হাবু পবিত্র গুণবাচক নামের জিকির ১০০ বার অথবা ৫০ বার পাঠ করে। তবে অবশ্যই তার রিজিকের অভাব থাকবে না।

পরিশেষে...
মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার নিকট জটিল ও কঠিন সমস্যা ও অভাব মোচনে তাঁর এ গুণবাচক নাম (اَلْوَهَّابُ) ‘আল-ওয়াহ্‌হাবু’-এর আমল করা একান্ত জরুরি। আল্লাহ তআলা সবাইকে এ গুণবাচক নামের জিকির ও আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।






গোনাহ থেকে ক্ষমা লাভের ছোট্ট আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ একটি। যার অর্থ হলো ‘বান্দার পাপসমূহ ক্ষমাকারী; দোষ ত্রুটি আবৃতকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-গাফ্‌ফারু’
অর্থ : বান্দার পাপসমূহ ক্ষমাকারী বা দোষ-ত্রুটি আবৃতকারী।

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি জুমআর নামাজের পর ১০০ বার আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ নামাজের জিকির করবে; আল্লাহ তাআলা তাঁর গোনাহ মাফ করবেন এবং অভাব দূর করবেন।
>> যে ব্যক্তি এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’ নামটি জুমআর নামাজের পর ১০০ বার পড়বে; আল্লাহ তাআলা তাঁর গোনাহ ক্ষমা করবেন এবং (দুনিয়ার) যাবতীয় অভাব দূর করবেন এবং সুখ-শান্তি দান করবেন।

আর বান্দার গোনাহ মাফে নিম্নোক্ত দোয়াটিও পড়া যায়-



উচ্চারণ : ইয়া গাফ্‌ফারু ইগফির লি জুনুবি।’
অর্থ : হে অপরাধ ক্ষমাকারী!আমার অপরাধ ক্ষমা করুন।

পরিশেষে...
মুসলিম উম্মাহর উচিত আল্লাহ তাআলার নিকট ক্ষমা লাভে বেশি বেশি এ গুণবাচক নামের জিকির করা। শেষ রাতে তাওবা করা। আল্লাহ তাআলা সবাইকে এ পবিত্র নাম (اَلْغَفَّارُ) ‘আল-গাফ্‌ফারু’-এর আমল করার তাওফিক দান করুন। ক্ষমা লাভকারীদের দলে অন্তর্ভূক্ত করুন। আমিন।

মানুষের জন্য উপকারি শ্রেষ্ঠ আমল
আল্লাহ তাআলা সুন্দর সুন্দর গুণবাচক নাম রয়েছে। তাঁকে এ সুন্দর নামে ডাকার তথা তাঁর জিকির করার কথা তিনি কুরআনে বলেছেন। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’ একটি। যার অর্থ সকল কিছুর সৃষ্টিকারী। সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-



উচ্চারণ : ‘আল-খালিক্বু’
অর্থ : সকল কিছুর সৃষ্টিকারী; সৃজনকারী।

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি সব সময় এ গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকির করবে; আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য এমন একজন ফেরেশতা সৃষ্টি করবেন, যে তাঁর জন্য কিয়ামাতের দিন পর্যন্ত ইবাদাত করতে থাকবে।

>> যে ব্যক্তি সব সময় এ গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকির করবে; এ নামের জিকিরের বরকতে আল্লাহ তাআলা তাঁর অন্তর ও চেহারাকে উজ্জ্বল করে দেন।

>> হজরত আবদুর রহমান রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতের বেলায় এ গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকির বেশি বেশি করবে; তাঁর অন্তর ও মুখমণ্ডল আলোকময় ও উজ্জ্বল হবে এবং সব ভালো কাজে যুক্ত থাকবে।

>> যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০০ বার এ গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকির করবে; আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর ছেলে সন্তান নসিব হবে।

>> এই পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’ সাত দিন পর্যন্ত অনবরত জিকির করলে সকল কঠিন বিপদ থেকে নিরাপত্তা লাভ করবে। এমনকি গভীর (মধ্য) রাতে অনেকবার এ নামের জিকির করলে আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাগণকে তাঁর জন্য ইবাদাত করার আদেশ করেন এবং কেয়ামত পর্যন্ত ফেরেশতাগণের ইবাদাত (সাওয়াব)আমলকারীর আমলনামায় লেখা হতে থাকে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর গুণবাচক নাম (اَلْخَالِقُ) ‘আল-খালিক্বু’-এর জিকির করে উল্লেখিত ফজিলতগুলো লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।



মানুষের অত্যাচার থেকে নিরাপদ থাকার আমল
আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, তোমরা যদি আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করব। এ কথায় প্রমাণিত হয় যে, জিকিরের গুরুত্ব ও ফজিলত অত্যাধিক। আল্লাহ তাআলা অনেক আয়াতেই তাঁর সুন্দর সুন্দর (গুণবাচক) নামের জিকিরের নির্দেশ দিয়েছেন। এখানে (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ গুণবাচক নামের জিকিরের ফজিলত ও তাৎপর্য তুলে ধরা হলো-


উচ্চারণ : ‘আল-ঝাব্বারু’

অর্থ : বিধ্বস্ত কর্মসমূহকে সঠিককারী, পরাক্রমশালী। আবার কেউ কেউ এ গুণবাচক নামের অর্থ করেছেন এভাবে, ‘বান্দাহকে সেই কাজ করতে বাধ্য করা, যার ইচ্ছা তিনি করেছেন’।

ফজিলত
>> যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার গুণবাচক মুবারক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি প্রত্যেক দিন ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর ২১৬ বার পড়বে, সে যাবতীয় যুলুম তথা অত্যাচারের হাত থেকে নিরাপদ থাকবে।
>> অন্যত্র এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি ২১ বার পাঠ করবে সে অত্যাচারীর অমঙ্গল থেকে রক্ষা পাবে।
>> সব সময় গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটির জিকির করলে সে মানুষের মন্দ আচরণ থেকে নির্ভয় ও নিরাপদ থাকবে।
>> যে ব্যক্তি অর্থ-সম্পদশালী ও নেতা হতে চায়, সে আল্লাহ তাআলার এ পবিত্র গুণবাচক (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ নামটি আংটির মধ্যে লিখে তা পরিধান করবে। এর ফলে মানুষের অন্তরে ঐ ব্যক্তির ভয় ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।

সতর্কতা
আল্লাহর নাম তথা গুণবাচক নাম লিখে সঙ্গে রাখার ক্ষেত্রে এ কথা স্মরণ রাখতে হবে যে, তা পরিধান করে টয়লেটে প্রবেশ করা নিষেধ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর সুন্দর সুন্দর গুণবাচক নামের জিকির করার তাওফিক দান করুন। (اَلْجَبَّارُ) ‘আল-ঝাব্বারু’ গুণবাচক নামটির জিকির করে উল্লেখিত ফায়েদাগুলো লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

ক্রিশ্চিয়ান মিশন হাসপাতাল ১৮৮৭ সালে ইংল্যান্ডের প্রেসবাইটেরিয়ান চার্চের চিকিৎসা বিষয়ক মিশনারীদের দ্বারা উত্তরবঙ্গে ৫ শয্যার একটি হাসপাতাল হিসেবে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীকালে ১৮৯০ সালে এটি রাজশাহী শহরে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৫৭ সালে একে ১০০ শয্যার চিকিৎসা কেন্দ্রে উন্নীত করা হয়। ১৯৭৪ সালে শিশুদের জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড সংযোজনের ফলে এর সর্বমোট শয্যা সংখ্যা দাঁড়ায় ১২০ এবং উত্তরণের পরবর্তী সময়ে এ হাসপাতালটি সরকারি অনুমোদন লাভ করে। জনসাধারণকে বহির্বিভাগের সেবা প্রদানের জন্য সপ্তাহের ছয় দিন হাসপাতালটি খোলা থাকে।

১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এ হাসপাতালে একটি চক্ষু ক্লিনিক খোলা হয়েছে। চিকিৎসা প্রদানের জন্য এ হাসপাতালে রয়েছে চারটি ওয়ার্ড; দুটি ওয়ার্ড সাধারণ চিকিৎসা এবং শৈল্যচিকিৎসার, একটি ওয়ার্ড শিশুদের জন্য এবং অন্যটি মায়েদের জন্য।

১৯৭৩ সালে এ হাসপাতালের সেবিকা ইনস্টিটিউট একটি পৃথক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারি অনুমোদন লাভ করে। বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিলের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী এর প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হয়। এটি তিন বছরের সাধারণ সেবা প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। শুধু মেয়েদেরকে অতিরিক্ত এক বছর ধাত্রীবিদ্যার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। হাসপাতাল অংশে ১১ জন চিকিৎসকসহ মোট ৬৭ জন কর্মরত রয়েছেন। তাছাড়া প্রায় ২৬ জন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচিতে নিয়োজিত আছেন। নার্সিং ইনস্টিটিউটে একজন অধ্যক্ষসহ সর্বমোট ১৮ জন কর্মচারী রয়েছেন। এ হাসপাতালের প্রধান নির্বাহি একজন মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট। [স্বপন কুমার হালদার ও নৃপেন ঘোষ]

19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3623 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4053 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4208 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ