About Faruk Hossain

জেনে নিন কোন দেশে ধর্ষণের কী সাজা!


ধর্ষণকে প্রতিটি দেশ,সমাজ, এমনকি প্রতিটি ব্যবস্থায় সবথেকে বড় এবং ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়। একই সঙ্গে ধর্ষণের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধানও সেভাবে নির্ধারণ করা হয়। কোথাও কোথাও আবার এই বিষয়টিকে সামাজিক ব্যাধি বলেও ধরে নেওয়া হয়। এর ফলে নির্যাতিতার জীবনে নেমে আসে নানা ধরনের বাধা। তবে বিশ্বের এমন কতগুলো দেশ আছে, যেখানে ধর্ষণের সাজা মারাত্মক। বার্তা বাজারের আজকের ফিচারে থাকছে কোন দেশে ধর্ষণের বিচার কিরকম তা নিয়ে তথ্য:

চীন: সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী এই দেশটিতে ধর্ষণের সাজা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডই। ধর্ষণ প্রমাণ হলেই আর কোন সাজা নয়, সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। আর তা কার্যকর করা হয় অত্যন্ত দ্রুত।

ইরান: হয় ফাঁসি, না হয় গুলি। এভাবেই এদেশে শাস্তি দেওয়া হয় ধর্ষককে। কারণ তারা মনে করে, দোষী ধর্ষিতা নন, ধর্ষকই এই কাজে আসল দোষী।
আফগানিস্থান: আফগানিস্থানে ধর্ষণের হার অত্যন্ত কম। তবে, সেখানে ধর্ষণ করে কেউ ধরা পড়লে সোজা মাথায় গুলি করে মারা হয়।

ফ্রান্স: ইউরোপের এই দেশটিতে নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ধর্ষকের সাজা ঠিক করা হয়। তবে, ধরা পড়ার পর এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কমপক্ষে ১৫ বছরের কারাদণ্ড। অপরাধ গুরুতর হলে তা বেড়ে হতে পারে ৩০ বছরও।

উত্তর কোরিয়া: এদেশে ধর্ষণের সাজা শুধুই মৃত্যুদণ্ড। অভিযোগের পর গ্রেফতার। তারপর অভিযোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয় ধর্ষককে।

সৌদি আরব: এখানেও ধর্ষণের সাজা ভয়ঙ্কর। এখানে ধর্ষককে প্রকাশ্যেই পিটিয়ে মারা হয়। আর তাই এখানেও ধর্ষণের সংখ্যা অনেকটাই কম।

ভ্যান চালিয়ে জমাকৃত টাকায় পবিত্র হজ্ব পালন

হজ্ব আরবী শব্দ, যার আবিধানিক অর্থ অভিপ্রায় বা সংকল্প। হজ্বের প্রস্তুতি মুসলমানদের ওপর ফরজ ইবাদত সমূহের অন্যতম। ফরজ অর্থ অবশ্যই করণীয় যা আল্লাহর হুকুম বা নির্দেশ।

আল্লাহর এই হুকুম পালনের অভিপ্রায়ে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের উত্তর বাসুদেবপুর গ্রামের মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন (৫৫) দীর্ঘ ২০ বছর ভ্যান চালিয়ে জমাকৃত টাকায় পবিত্র হজ্ব পালন করেছেন।
মোজাফ্ফর হোসেন জানান, ৩০ বছর ধরে তিনি ফুলবাড়ী পৌর শহরসহ আশপাশ এলাকায় ভ্যান চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ঈমান ও আমলের সহিত পবিত্র হজ্ব পালনের ইচ্ছা শক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে গত ২০ বছর ধরে তিনি পৌর শহরের নুরলের তেলের দোকানে হজ্বের উদ্দ্যেশে টাকা জমাতে শুরু করেন। একসময় সেই অর্থ ২ লক্ষ ৩০ (ত্রিশ) হাজার টাকায় পৌঁছালে তা দিয়ে তিনি হজ্বের প্রস্ততি সম্পন্ন করেন।

২০১৫ সালে আল্লাহর হুকুম পালনের তাগিদ এবং কা’বা শরীফ জিয়ারতের আবেগ নিয়ে ইমন ট্রাভেলস্ এর মাধ্যমে ২ (দুই) লক্ষ ১০ (দশ) হাজার টাকায় মোজাফ্ফর হোসেন হজ্ব পালন করেছেন।পারিবারিক জীবনে মোজাফ্ফর হোসেনের ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে সন্তান রয়েছে বলে জানা যায়। স্থানীয়রা জানান, আলহাজ্ব মোজাফ্ফর হোসেন ইসলামের অদম্য সাহসী যোদ্ধা।

লোভ লালসাকে উর্দ্ধে রেখে ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, আনুগত্য ও ঈমানী শক্তিতে তার যে দৃঢ়তা আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে তা পূর্ণ হয়েছে।

জীবনশৈলী বংশানুক্রমিক রোগ থ্যালাসেমিয়া

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশানুক্রমিক রোগ, যাতে রক্তের হিমগ্লোবিন তৈরি হতে ব্যাপক সমস্যা থাকে। এ সমস্যা খুব বড় আকার ধারণ করে যখন কেউ মারাত্মক থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়।

থ্যালাসেমিয়া মেজর খুব অল্প বয়সেই দেখা দেয় এবং এরপর নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন করতে হয়। এসব শিশু-কিশোরের অধিকাংশই কাঙ্ক্ষিত দৈহিক উচ্চতা অর্জনে ব্যর্থ হবে। আবার ২০-৩০ শতাংশ রোগী হরমোনের ঘাটতিতে ভুগবে।

এ ছাড়া যেসব থ্যালাসেমিয়া মেজর রোগী একটু পরে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে, তারা ক'বছর পর বয়োঃসন্ধি লাভ করতে পারে। এ দলে যেসব শিশু-কিশোরের কম পরিমাণে রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, তারাও আছে।

থ্যালাসেমিয়ার কারণে সংঘটিত অন্যতম মারাত্মক সমস্যা হলো– হাইপোগনাডিজম। এখানে পুরুষের টেস্টোস্টেরন নিঃসরণ শূন্যের কাছাকাছি পৌঁছে যায় এবং নারীর ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন ব্যাপকভাবে কমে যায়, যা প্রাকৃতিকভাবে বাড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকে না। ছেলেদের অন্ডকোষে আয়রন জমে টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়ার আগেই গ্রন্থিটি এর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলতে পারে। অন্যান্য গ্রন্থির মতো অগ্ন্যাশয়ের আইলেট্‌স কোষগুলোতেও আয়রন জমতে থাকে এবং এর কার্যকারিতা হ্রাস পেতে থাকে। ফলে থ্যালাসেমিয়ার রোগীরা দ্রুত প্রি-ডায়াবেটিস থেকে ডায়াবেটিস রোগীতে পরিণত হয়।

থ্যালাসেমিয়ার রোগীর কমপক্ষে অর্ধেক ডায়াবেটিসে ভোগে। থ্যালাসেমিয়া মেজরের ক্ষেত্রে আক্রান্ত গ্রন্থিগুলোর মাঝে আয়রন জমে কার্যকারিতা হারানোর তালিকায় থাইরয়েড গ্রন্থিও আছে। একই সঙ্গে অটোইমিউনিটি, যেটি থ্যালাসেমিয়া এবং থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতার সমস্যা দুটিই করতে পারে। এ ছাড়া হাইপো-প্যারা-থাইরয়েডিজম, অ্যান্ড্রেনাল গ্রন্থির কার্যকারিতা হ্রাস, হাড় ক্ষয় সমস্যা হতে পারে।

সুতরাং থ্যালাসেমিয়া দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিতে হবে, যেখানে দরকার সেখানে রক্ত পরিসঞ্চালনা করতে হবে; কিন্তু শুরু থেকেই অন্তক্ষরা গ্রন্থিগুলো গাঠনিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। শুরু থেকেই রক্ত পরিসঞ্চালন এবং আয়রন জমা হবার দিকে নজর রেখে নিয়মিত তা পরিমাপ করতে হবে। প্রথম বছর থেকেই বিভিন্ন হরমোনের মাত্রা নিরূপণ করে তা ফলোআপের চেষ্টা করতে হবে। যখনই কোনো একটি হরমোনের ঘাটতি নজরে আসবে অতি দ্রুত তা পূরণের চেষ্টা করতে হবে।

একই সঙ্গে আর কোন কোন গ্রন্থির কতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি আছে, সেটি বিবেচনায় রেখে নিয়মিত তা ফলোআপের চেষ্টা করতে হবে। সব ক্ষেত্রেই প্রাতিষ্ঠানিক সেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা গেলে ফল বেশি ভালো হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

ফেসবুকে চলছে ভাষা বিকৃতি


ইদানীং নতুন এক বাংলা ভাষার খোঁজ মিলেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের বদৌলতে। সেই ভাষা সম্পর্কে আসছি একটু পরে। তারুণ্য মানেই মনের মাঝে বইবে একরাশ উচ্ছ¡াস-উদ্দীপনা। তাদের স্বভাবসুলভ আচরণে থাকবে নতুন কোনো সৃষ্টির নেশা। গঠনমূলক কোনো কাজের বাসনা নেই যে তরুণের মনে তাকে এক প্রকার মানসিক প্রতিবন্ধী বললে খুব বেশি অত্যুক্তি হবে না। তারুণ্য মানেই সমাজের প্রাণ। সৃজনশীল কাজের জন্য তারাই একদিন দেশের জন্য বয়ে আনে সম্মান।
এই তরুণরাই যদি আবার তাদের মেধা ভিন্ন খাতে প্রয়োগ করেন তা যেমন হয় নিজের জন্য আত্মঘাতী তেমনি দেশ ও জাতির জন্য হবে মহাব্যাধি। আজকের তারুণ্য আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক। এই ভাবী রাষ্ট্র নায়কদের ফেসবুক স্ট্যাটাসে প্রতিনিয়ত যদি ভাষার বিকৃতি ঘটে তাহলে সমাজ সংসারের জন্য তা হবে মহামারী। উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী বা দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করা তরুণ সমাজ আজকাল আনাড়ি ফেসবুক ব্যবহারকারী বা মূর্খ-অর্ধ শিক্ষিতদের ব্যঙ্গ করতে গিয়ে এখন তারা নিজেরাই উপহাসের পাত্রে পরিণত হতে চলেছে। তারা বেশ আনন্দ চিত্তে মজা করেই লিখে থাকে ফডু, খিচ্চা, মঞ্চায়, গিবনে, হপে, খিচাইছে এমন সব উদ্ভট শব্দ স্ট্যাটাস-কমেন্টে থাকে প্রায় নিয়মিত, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধরেই নেবে এটাও ভাষা বাংলা।
আজকের উচ্ছ¡সিত তারুণ্য বুঝতেই পারছে না যে, এটা কতটা ভয়াবহ কুৎসিত রূপ ধারণ করবে। বড়দের হাতে ক্যামেরা দেখে যদি শিশুরা বলে ওঠে মামা মামা দু-চারটা ফডু খিচ্চা দাও বা চাচ্চু চুইংগাম হপে তখন শুনতে কেমন লাগবে? তাই এখনি প্রয়োজন সবার সচেতনতা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের জন্য যারা শহীদ হয়েছেন তারা নিশ্চয়ই এরকম জঘন্যভাবে ভাষার বিকৃতি ঘটুক তা চাননি। পৃথিবীর বুকে একমাত্র বাংলাদেশের মানুষই তার মায়ের ভাষা বাংলার জন্য দিয়েছেন প্রাণ। সুতরাং ভাষার ইতিহাস আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। আমরা যেখানেই লিখি বা বলি না কেন, অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে ভাষার যেন বিকৃতি না ঘটে।


ডেঙ্গু আসছে...

চলতি মাস থেকেই দেখা দিতে পারে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব। তবে সচেতন থাকলে ডেঙ্গু নিয়ে কোনো দুশ্চিতার কারণ নেই বলেও আগাম বার্তা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই ডেঙ্গুর জীবাণু বহনকারী এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে না পারলে মূলত এই রোগের আরো বেশি বিস্তার ঘটবে। এজন্য আগে থেকেই নগরবাসীকে সতর্ক করতে নানা কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা।

এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ থেকেই নগরবাসীকে ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতন করতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিন সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন অঞ্চলে আলোচনা, সেমিনার ও অবহিতকরণ সভা করছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। এসব সভায় সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম মুয়াজ্জিন, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, আবাসিক এলাকার কল্যান সমিতির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে সচেতনার কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছেন। এসব সভায় নগরবাসীকে জানানো হয় ডেঙ্গুর মৌসুম শুরু হচ্ছে। তাই এখন থেকেই সবাইকে সচেতন হতে হবে।

এদিকে ডেঙ্গু নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালিত গবেষণার রিপোর্টে বলা হয়েছে, বছরের মে এবং জুন মাসেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি থাকে। এছাড়া সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসেও এর বিস্তার থাকে। চলতি মে মাসের শুরু থেকেই রাজধানীতে ডেঙ্গুর বিস্তার শুরু হয়েছে। রিপোর্টের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে গত জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা কমে ১৮ জন। তবে এর পরে এপ্রিলে ৩৬ জন আর মে মাসের প্রথম ১২ দিনেই এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। অর্থাৎ ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এখন ক্রমেই বাড়ছে। বছর ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ২০১৮ সালে বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর যে রিপোর্ট এসেছে সেখানে এই সংখ্যা ১০ হাজার এক শ’ ৪৮ জন । তবে স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে আমাদের কাছে ২০১৮ সালে যে রিপোর্টগুলো এসেছে তা প্রকৃত পরিসংখ্যান নয়। পকৃত পক্ষে এই সংখ্যা হবে দশগুণ, অর্থাৎ ডেঙ্গু রোগীর প্রকৃত সংখ্যা ছিল এক লাখের বেশি । তবে এ অবস্থায় আতংকিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মমিনুর রহমান মমিন এক অনুষ্ঠানে বলেন, আমরা যদি নিজেদের বাসা বাড়ি নিজেরাই পরিস্কার রাখি এবং এখানে সেখানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিস্কার করি তাহলে ডেঙ্গু নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই। এসির পানি, ডাবের খোসার পানি, ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি নিজেরাই দায়িত্ব নিয়ে পরিস্কার করতে হবে। কারো জ্বর হলে তিন দিনের মধ্যেই ডেঙ্গুর পরীক্ষা করতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শে চিকিৎসা নিলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

পুরুষদের কঠিন ৫ সমস্যা

প্রতি ৪০ সেকেন্ডে পৃথিবীতে একজন ব্যক্তি আত্মহত্যা করে। যারা নিজের জীবন এভাবে শেষ করে দেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তারা পুরুষ। নিজেদের সমস্যা নিয়ে কথা বলা অথবা কোন বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রবণতা সম্ভবত তাদের কম।

এক্ষেত্রে জেনে নেয়া জরুরি যে পাঁচটি বিষয় নিয়ে পুরুষদের কথা বলা দরকার।

নিঃসঙ্গতা নিয়ে কথা বলুন
বিবিসি নিজে ওয়েলকাম কালেকশন নামে একটি সংস্থার সাথে নিঃসঙ্গতা নিয়ে জরিপ চালিয়েছিল।

তাতে দেখা গেছে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা সবচেয়ে বেশি নিঃসঙ্গতা অনুভব করে। খুব দীর্ঘ সময়ের নিঃসঙ্গতা একজন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সহজে নিরাময় হয় না শরীরে এমন রোগের জন্ম দেয় নিঃসঙ্গতা। তা মানুষের মধ্যে বেপরোয়া আচরণের জন্ম দেয়।

হদিস মিলল সম্রাট নিরোর গোপন কুঠুরির!

রোমে মাটির তলায় গোপন কুঠুরির হদিস মিলল। আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে সেটি তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে। সম্প্রতি রোমে ঐতিহাসিক নির্মাণ কেন্দ্রে মেরামতের কাজ চলছিল। খোঁড়াখুঁড়ি করতে গিয়ে এ গোপন কুঠুরির হদিস পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।

ওই কুঠুরির দেয়ালে নরঘোটকসহ নানা পৌরাণিক জীবের ছবি আঁকা রয়েছে। আছে ফুল-পাতা, সাপ ও পাখির ছবিও। দেয়ালের গায়ে এ ধরনের চিত্র বা ফ্রেস্কো বহু বছর আগে আঁকা। ছবিগুলোর রং খানিকটা ফিকে হয়ে গেলেও সেগুলো এখনো ভালো অবস্থায় আছে বলে জানিয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা। পঞ্চম রোমান সম্রাট নিরো যে চোখ ধাঁধানো প্রাসাদ তৈরি করেছিলেন, এ কুঠুরি তারই একটি অংশ বলে ধারণা তাঁদের।

৫৪ থেকে ৬৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রোমের শাসক ছিলেন সম্রাট নিরো। তবে পূর্বসূরিদের মতো তাঁর ভাবমূর্তি একেবারেই উজ্জ্বল নয়। বরং অসংখ্য হত্যাকাণ্ডের হোতা বলে পরিচিত। এমনকি ক্ষমতার লোভে নিজের মা এগ্রিপিনাকেও দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বিষ খাইয়ে হত্যা করেছিলেন সত্ভাই ব্রিতানিকাসকেও।

৬৪ খ্রিস্টাব্দে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের মুখে পড়ে রোম সাম্রাজ্য। ১৮ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা ছয় দিন ধরে জ্বলতে থাকা সেই আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যায় সব কিছু। তার মধ্যেও নাকি নিরোকে অস্বাভাবিক রকম নির্বিকার থাকতে দেখা গিয়েছিল।

রোমের অধিবাসীদের দাবি, বিশাল এলাকাজুড়ে চোখ ধাঁধানো প্রাসাদ গড়তে চেয়েছিলেন সম্রাট নিরো। তাই নিজেই অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। যে কারণে আগুন নেভার সঙ্গে সঙ্গেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নির্মাণকাজ শুরু করে দেন। প্রাসাদ তৈরির খরচ তুলতে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপানোরও অভিযোগ আছে।

ঐতিহাসিকদের তথ্য মতে, চোখের সামনে রোম যখন পুড়ছিল, তখন প্রাসাদে দাঁড়িয়ে বেহালা বাজাচ্ছিলেন নিরো। পরে তৎকালীন সংখ্যালঘু খ্রিস্টানদের ঘাড়ে অগ্নিকাণ্ডের দায় চাপিয়ে দেন তিনি। তার জন্য কিছু খ্রিস্টানকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যাও করেছিলেন।

অগ্নিকাণ্ডের পর ওই ধ্বংসস্তূপের ওপরই স্বপ্নের দোমাস অরিয়া বা স্বর্ণগৃহ নির্মাণ করেন নিরো। হাতির দাঁত ও মূল্যবান রত্ন দিয়ে সাজান প্রাসাদটিকে। কিন্তু তার অল্পদিনের মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছে। দেশের সেনেট তাঁকে জনগণের শত্রু ঘোষণা করে।

প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে যান নিরো। পরে তিনি আত্মহত্যা করেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরবর্তী শাসকরা ওই প্রাসাদ ভেঙে ফেলেন। তার পরিবর্তে সেখানে তৈরি হয় গ্ল্যাডিয়েটরদের জন্য কলোসিয়াম। সাধারণ মানুষের জন্য বিশাল স্নানাগারও তৈরি হয়। গোপন কুঠুরিটি ওই প্রাসাদেরই অংশ বলে ধারণা করছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।


কবুতরের বিষ্ঠা থেকে মারণঘাতি রোগ


শখ করে বা পেশা হিসেবে অনেকেই কবুতর পোষেন। তাদের যত্ন করতে নিয়মিত নানাভাবে কবুতরের সংস্পর্শে আসেন তারা। এমন অবস্থায় কবুতরের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর রোগে আক্রান্ত হতে পারেন ওই ব্যক্তি।

সম্প্রতি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোর একটি হাসপাতালে এক শিশুর মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে কবুতরের বিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত এক ধরনের প্রদাহকে।

কুইন এলিজাবেথ হাসপাতালে অন্য একটি সমস্যা নিয়ে ভর্তি ছিল শিশুটি। হাসপাতালে থাকা অবস্থাতেই কবুতরের বিষ্ঠা থেকে ক্রিপটোকক্কাস নামক এক ধরনের ছত্রাক সংক্রমণ হয় তার শরীরে। সেটি থেকে দেখা দেয় নতুন অসুখ। কবুতরের বিষ্ঠার সংস্পর্শে আসা মাটিতে এটি পাওয়া যায়।

হাসপাতালের যে ঘরে শিশুটিকে রাখা হয়েছিলো সেটির খুব ছোট একটি ছিদ্র থেকে কবুতরের বিষ্ঠা সম্ভবত ঘরে প্রবেশ করেছিল বলে মনে করা হচ্ছে। প্রদাহ থেকে শিশুটি মারা গেছে। এমন প্রদাহের ফলে কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, জ্বর, মেনিনজাইটিস হতে পারে। এই নির্দিষ্ট প্রদাহটি অবশ্য মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায় না।

এই ছত্রাক সংক্রমণ ছাড়াও কবুতরের বিষ্ঠা থেকে মানবদেহে আরও কয়েকটি অসুখ হতে পারে। যেমন এক ধরনের ফ্লু হতে পারে যার নাম সিটাকোসিস। জ্বর, মাথাব্যথা, ফুসকুড়ি এগুলো এর সাধারণ লক্ষণ। অনেক সময় নিউমোনিয়া পর্যন্ত গড়াতে পারে সমস্যাটি।

ফ্লু থেকে ফুসফুসের একটি প্রদাহ হতে পারে যার নাম হিসটোপ্লাসমোসিস। সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত হতে পারে মানবদেহ যা থেকে ডাইরিয়া হয়। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম অথবা যারা ইতিমধ্যেই কোন শারীরিক সমস্যায় দুর্বল তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

সাধারণত কবুতরের বিষ্ঠা পরিষ্কার করতে গিয়েই সবচাইতে বেশি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষ্ঠা পরিষ্কারের সময় বাতাসে তার যে কণা ভেসে বেড়ায় সেটি নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে। এর প্রতিরোধী ব্যবস্থা হিসেবে খাঁচায় খুব বেশি বিষ্ঠা জমতে না দেয়াই ভালো। কবুতরের ঘর পরিষ্কার করার সময় নাকমুখ কিছু দিয়ে ঢেকে নিন। পাখিকে খাওয়াতে গিয়ে বা আদর করতে গিয়ে বিষ্ঠা গায়ে লেগেও আক্রান্ত হতে পারেন এসব অসুখে। যদি শরীরের সঙ্গে কবুতর বা অন্য পাখির বিষ্ঠার সংস্পর্শ হয় তবে খুব সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হবে।


মাত্র দুটি কাজ করলেই প্রতিরোধ হবে ক্যান্সার

ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।

তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-

১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার।

মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।

চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।

উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন।

সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য।

তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।”

জন্ডিস রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও চিকিৎসা


রোগ-বালাই বলে-কয়ে আসে না। কথাটা সম্পূর্ণ সত্য নয়। যে কোনো রোগ মারাত্মক আকার ধারণ করার আগে নানা ধরণের উপসর্গ দেখা দেয়। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সেসব উপসর্গকে গুরুত্ব সহকারে দেখি না।

ফলে সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো যায় না। অথচ সামান্য একটু সচেতনতাই পারে যে কোনো অসুখ প্রকট আকার ধারণ করার আগে আরোগ্য লাভের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে।

জন্ডিসও তেমনি একটি। জন্ডিস আসলে কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। এতে মানুষের শরীরের চামড়া ও চোখ হলুদ দেখায়। এর মুল কারণ হচ্ছে শরীরে বিলিরুবিন নামে হলুদ রঞ্জক পদার্থের পরিমাণ বেড়ে জাওয়া।

জন্ডিস কেমন রোগ : শরীরের ত্বক, মিউকাস মেমেব্রেণ এবং চোখ হলুদ হয়ে যাওয়াকে সাধারণত জন্ডিস বলে। প্রতিদিন আমাদের শরীরে সর্বনিন্ম ১% পুরনো লোহিত কণিকার স্থলে নতুন লোহিত রক্ত কণিকা স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। আমাদের শরীরের পুরনো লোহিত রক্ত কণিকা গুলো সবসময় বিলিরুবিন উৎপন্ন করে, যা সাধারণভাবে পায়খানার মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

যদি কোন কারণে শরীর থেকে এই বিলিরুবিন না বের হতে পারলে এই অধিক বিলিরুবিনের জন্য জন্ডিস হয়। বিলিরুবিনের কারণে শরীরের ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলদে ভাব হয়ে যায়। জন্ডিসের কারণে আরও নানাবিদ সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

জন্ডিস রোগের লক্ষণ ও কারণ : জন্ডিস অন্যতম প্রধান লক্ষণ হল চোখ ও প্রসাবের রং হলুদ হয়ে যাওয়া। জন্ডিস এর মাত্রা বেড়ে বা বেশি হলে হলে পুরো শরীর গাঢ় হলুদবর্ণ ধারণ করতে পারে। অনেকসময় দেখা যাই পায়খান সাদা হয়ে যায়, চুলকানি, যকৃত শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গও জন্ডিস এর কারণে দেখা যায়। এছাড়া শারীরিক দুর্বলতা, জ্বর, বমি, পেটব্যথা, ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি তো লেগেই থাকে। ডাক্তারদের মতানুসারে জন্ডিসকে আমরা সাধারনত তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি। ‘হেপাটোসেলুলার’, ‘অবস্ট্রাকশন’ এবং ‘হেমোলাইটিক এনিমিয়া’। জন্ডিসে আক্রান্ত হলে সাথে সাথেই ডাক্তার দেখানোর মাধ্যমে এর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

জন্ডিসের প্রতিরোধ ও প্রতিষেধক : সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, জীবাণুমুক্ত খাবার ও পানীয় গ্রহণ করার মাধ্যমেই জন্ডিসের আক্রমণ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। রাস্তাঘাটে খোলা পানি, ফলের জুস, সরবত ইত্যাদি খাওয়ার ক্ষেত্রে সাবধান বা বিরত থাকতে হবে। সময়মত হেপাটাইটিস এ এবং বি’র প্রতিষেধক টিকা নিতে হবে। হেপাটাইটিস বি’র ক্ষেত্রে প্রথম মাসে একটি, দ্বিতীয় মাসে একটি বা ছয়মাসের মধ্যে একটি ডোজ দেওয়া হয় এটা আপনারা গ্রহণ করতে পারেন। হেপাটাইটিস এ’র ক্ষেত্রে একটি ডোজই সাধারণত যথেষ্ট।

আর দুই ক্ষেত্রেই পাঁচ বছর পরপর বুস্টার টিকা দেয়া হয়ে থাকে। এই বুস্টার টিকার দাম বেসরকারীভাবে সাধারণত ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা হয়ে থাকে। তবে জন্ডিস একবার হয়ে গেলে বটিকা নিয়ে কোনো লাভ হয় না। তাই সুস্থ থাকা অবস্থাতেই আগেই টিকা নিয়ে নিতে হবে।

জন্ডিসের চিকিৎসা সম্পর্কে মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলেন, যেহেতু জন্ডিস সাধারনত কোনো রোগ নয়, তাই এর কোনো ওষুধ নেই। স্বাভাবিকভাবে সাত থেকে ২৮ দিনের মধ্যে শরীরের রক্তে বিলিরুবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেলে জন্ডিস এমনিতেই সেরে যায়।

তারা আরও বলেন যে, “জন্ডিস হলে রোগীকে পুরোপুরিভাবে বিশ্রামে থাকতে হবে। তখন যকৃতের প্রতি অতিরিক্ত যত্নবান হওয়া একান্ত প্রয়োজন। প্রচুর পরিমানে শর্করাজাতীয় এবং ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। তখন গ্লুকোজ, আখের রস, আনারস ইত্যাদি জন্ডিস রোগীর জন্য অনেক উপকারী খাদ্য।”

জন্ডিস হলে আমরা সাধারণত প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন বা ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকি, যা কখনই উচিত নয়। আমাদের শরীরের পরিপাকতন্ত্রে জমে থাকা জীবাণুগুলো যাতে কোন প্রকার প্রদাহ তৈরি করতে না পারে সেজন্য রোগীকে প্রতিদিন কমপক্ষে একবার হলেও পায়খানা করা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিতে গিয়ে আরও জানান, জন্ডিস কোনো রোগ নয় বলে এটাকে মোটেও অবহেলা করা উচিত নয়। জন্ডিসের চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকের মাঝে অনেক ভুল ধারণা প্রচলিত আছে। কেউ ঝাড়ফুঁক দিয়ে জন্ডিস নামায়, আবার কেউ রোগীকে অতিরিক্ত হলুদ দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ান, কেউ আবার বিভিন্ন গাছের শেকড় খেয়ে থাকেন। এগুলো সম্পুর্ণভাবেই ভুল ধারণা। জন্ডিস হলে সময় নষ্ট না করে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

জন্ডিস হলে কখন ডাক্তার দেখানো উচিত : শিশু এবং বড়দের শরীরের ত্বক, চোখ ইত্যাদি হলুদ হয়ে গেলে জন্ডিস হয়েছে বলে মনে করতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে রোগীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

অল্পদিনেই সুন্দরী হতে চান?

দিনদিন নিস্প্রভ হয়ে যাচ্ছে ত্বকের উজ্জ্বলতা? আর তাতেই আয়নায় নিজেকে দেখতেও ভালোলাগছে না? যদি চান অল্প সময়েই ত্বকের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে তাহলে আস্থা রাখতে পারেন মসুর ডালের উপর। নিয়মিত মসুর ডাল দিয়ে বানানো ফেসমাস্ক মুখে ব্যবহার করলে ত্বকে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়।

ফলে ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেইসঙ্গে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠতেও সময় লাগে না। কারণ মসুর ডালে রয়েছে প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেড, ডায়াটারি ফাইবার, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ, সি,ই, কে এবং থিয়েমিন। যা আমাদের ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী।

১ চা চামচ মসুর ডাল বাটার সঙ্গে সম পরিমাণ বেসন এবং দই মেশান। সঙ্গে যোগ করতে পারেন অল্প করে হলুদও। এবার সবকটি উপাদান ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগাতে হবে। কিছু সময় অপেক্ষা করার পর মুখ ধুয়ে নিতে হবে। ত্বক সুন্দর হয়ে উঠতে সময়ই লাগবে না।

দিনের শেষে মসুর ডালকে কাজে লাগিয়ে যদি ত্বককে পরিষ্কার করা যায়, তাহলে স্কিন টোনের উন্নতি তো ঘটেই, সেইসঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে ত্বকের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও কমে। এক্ষেত্রে এক চামচ পরিমাণ মুসুর ডাল বাটার সঙ্গে সঙ্গে ২ চামচ দুধ, অল্প পরিমাণ হলুদ এবং ৩ ড্রপ নারিকেল তেল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর মিশ্রণটি সারা মুখে লাগিয়ে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

আপনার ত্বক যদি অনেক শুষ্ক হয় এবং তাতে বলিরেখা দেখা দেয় তবে মসুর ডালের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে নিয়ে নিয়মিত মুখে লাগাতে শুরু করুন। ক্ষেত্রে প্রথমে ১ চা চামচ মসুর ডাল বাটার সঙ্গে ১ চা চামচ মধু মেশাতে হবে। এরপর ভালো করে দুটি উপাদান মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগাতে হবে। ১৫ মিনিট পেস্টটি মুখে ঘষার পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখটা ভালো করে ধুয়ে নেবেন। দেখবেন ধীরে ধীরে বলি রেখা কমতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ত্বকের শুষ্কভাবও কমে যাবে।


পরিমাণ মতো মসুর ডাল বাটার সঙ্গে সম পরিমাণ গাঁদা ফুল মিশিয়ে ভালো করে বেটে নিয়ে এই পেস্টটি বানাতে হবে। তারপর সেটি অন্তত ১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলতে হবে। শুষ্ক ত্বকের সমস্যা দূর করার পাশাপাশি ব্রণের প্রকোপ কমাতে এবং ত্বককে নরম তুলতুলে করে তুলতেও এই ফেসমাস্কটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষের স্থর সরিয়ে ত্বককে প্রাণবন্ত করে তুলতে এই ফেসপ্যাকটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে দুবার পরিমাণ মতো মসুর ডাল বাটার সঙ্গে অল্প করে দুধ মিশিয়ে মুখে লাগান। ত্বক সুন্দর হবে।

হার্টের যেসব পরীক্ষা নিয়মিত করা উচিত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ মারা যায় হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণে। প্রশ্ন আসে একজন মানুষের কোন সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তা কীভাবে অনুমান করা সম্ভব।

আপাতদৃষ্টিতে এই প্রশ্নের উত্তরটা সহজ, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করলেই মানুষের স্বাস্থ্যের সামগ্রিক চিত্রের একটি ধারণা পাওয়া সম্ভব। কিন্তু কোন সময় ঠিক কোন পরীক্ষাটি করা উচিত? সেটি কীভাবে নির্ণয় করা সম্ভব? খবর বিবিসি বাংলার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শোয়েব মোমিন মজুমদার জানান, রুটিন চেকআপ বা নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষার বিষয়ে কিছু খুঁটিনাটি কিছু বিষয় আছে। যেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত না।

তার মতে, স্বাস্থ্য পরীক্ষা মূলত দুই ভাবে হয়ে থাকে। যথা রোগের লক্ষণভেদে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা (বয়সভেদে শারীরিক পরিবর্তন বিচারে)।

শোয়েব মোমিন মজুমদার জানান, বয়স ৪০ হওয়ার পর সাধারণত, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বাংলাদেশের মত দেশে শহুরে জীবনে সাধারণত যথেষ্ট পরিমাণ শারীরিক পরিশ্রম করা হয়ে ওঠে না যার ফলে ডায়বেটিস, হার্টের রোগ, স্ট্রোক, প্যারালাইসিসের ঝুঁকি বাড়ে এবং শরীরে কোলস্টোরেলের মাত্রা বেড়ে যায়। এ কারণে চল্লিশোর্ধ প্রত্যেক ব্যক্তির নিয়মিত কিছু রুটিন স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা উচিত।

তিনি জানান, এরকম ক্ষেত্রে নিয়মিতভাবে কয়েকটি বিশেষ ধরণের পরীক্ষা করা উচিত।

প্রাথমিকভাবে সবার যেসব স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা উচিত
ডা. শোয়েব মোমিন মজুমদার বলেন, চল্লিশোর্ধ সব ব্যক্তির নিয়মিত বিরতিতে কয়েকটি বিশেষ পরীক্ষা করা প্রয়োজন। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো রক্তের সিবিসি পরীক্ষা।

হিমোগ্লোবিনসহ রক্তের অন্যান্য কণিকাগুলো সঠিক অনুপাতে আছে কিনা তা দেখা হয় এই পরীক্ষার মাধ্যমে। বয়স চল্লিশ পার হওয়ার পর ক্যান্সার বা হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে যার প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রায় তারতম্য দেখা দিতে পারে।

এছাড়া রুটিন স্বাস্থ্যপরীক্ষার মধ্যে কিডনির ‘ক্রিয়েটিনিন’ পরীক্ষা এবং লিভারের এএলটি বা এসজিপিটি পরীক্ষাও গুরুত্বপূর্ণ।

আর বয়স চল্লিশ পার হওয়ার পর সাবরই ডায়বেটিস এবং কোলস্টোরেলের মাত্রা পরীক্ষা করানো উচিত।

দূষণজনিত রোগের সতর্কতা

মোমেন মজুমদার বলেন, ক্রমবর্ধমান মাত্রায় দূষণের কারণে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম রোগের আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। অতিমাত্রায় শব্দ দূষণের কারণে বয়সের সাথে সাথে অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি মানুষের শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়ার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে।

তিনি জানান, বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসকষ্টজনিত এবং ফুসফুসের রোগ বেড়ে যাওয়া, এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

ডা. শোয়েব মোমিন মজুমদার বলেন, এরকম ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে রোগের লক্ষণ অনুমান করে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেয়া উচিত। ভেজালযুক্ত খাবার গ্রহণ করার কারণেও বিভিন্ন রকমের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সেবিষয়টিও বিবেচনায় রেখে নিয়মমাফিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা উচিত। তবে প্রাথমিক কয়েকটি পরীক্ষা বাদে অন্যান্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে সবাইকেই রোগের লক্ষণ যাচাই করে স্বাস্হ্যপরীক্ষা করা উচিত।

ধূমপানের ঝুঁকি

তিনি বলেন, ধূমপানের কারণে বিবিধ প্রকার রোগ হয়ে থাকে। তাই ধূমপায়ীদের অবশ্যই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা উচিত।

মোমিন মজুমদার বলেন, ধূমপানের কারণে খাদ্যনালী, জিহ্বা, ফুসফুস, বৃহদান্ত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকিসহ মস্তিষ্কের রক্তনালী ব্লক হয়ে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। এছাড়াও ধূমপানের কারণে রক্তনালী ব্লক হতে পারে। হাত বা পায়ের রক্তনালী ব্লক হয়ে ঐ অঙ্গ অকেজো হওয়া থেকে শুরু করে অঙ্গহানিও হতে পারে।

মানুষ যতটা চায় ততটা তাকে ধূমপান, মদ ও মাংস খেতে দিন'-

নরওয়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরই এ মন্তব্য করেন সিলভি লিসথাগ

গরমে অত্যন্ত উপকারি তরমুজের শরবত
চলছে পবিত্র মাহে রমজান। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরম। গরমে ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে যাচ্ছে। ইফতারে শরীরে পানির চাহিদা পূরণে খেতে পারেন তরমুজের জুস।

গরমের সময় তরমুজের সরবত খুবই উপকারি ৷ যারা রোজা রাখছেন তাঁদের কাছে তরমুজের জুস বিশেষ পছন্দের ৷ কারণ তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি। তাই তরমুজ খেলে সহজেই তৃষ্ণা মেটে। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বিটা ক্যারোটিন। এতে চোখ ভালো থাকে ৷ দেহে পানির ঘাটতি দূর হয়৷

তরমুজের শরবতের গুণাগুণঃ তরমুজের শরবত গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে,তরমুজের থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালী বজায় রাখে। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা চোখ ভালো রাখে, ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১ শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে, শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়, অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, প্রোস্টেট ক্যানসার, কোলন ক্যানসার ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।

বরফ দিয়ে মিশিয়ে খেতে পারেন অথবা এমনই খেতে পারেন ৷ তরমুজের রস দেহে প্রবেশ করলেই প্রাকৃতিক উপায়ে ঠাণ্ডা হবে শরীর৷

মানসিক রোগ থেকে বেঁচে থাকার উপায়:

তাহলে বুঝা গেলো আমরা যাদেরকে মানসিক রোগী ভাবি তারা ছাড়াও আরো অনেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত। মানসিক রোগ থেকে বাঁচার জন্য প্রথমে প্রয়োজন দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি এবং ভালোভাবে বেঁচে থাকার অদম্য ইচ্ছা। নিম্নলিখিত কিছু পরামর্শ মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কার্যকরী হতে পারে-

১। দক্ষ মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করান

২। ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থায়ী দৈনন্দিন তালিকা মেনে চলুন

৩। কাজে ব্যস্ত থাকুন

৪। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমান

৫। বিশ্রাম ও আরাম করার জন্য সময় নিন

৬। পুষ্টিকর এবং সুষম খাবার গ্রহণ করুন

৭। ধূমপান ও মদ্যপান সহ যাবতীয় নেশা জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকুন

৮। নিজেকে সবার থেকে আলাদা করা থেকে বিরত থাকুন

৯। ধর্মীয় কাজে সময় দিন

১০। পর্নোগ্রাফি দেখা পরিহার করুন

এক বিবাহিত দম্পতি রেস্টুরেন্টে খাওয়ার সময় একে অন্যের সঙ্গে কথা বলার পরিবর্তে, নিজেদের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার করায় ব্যস্ত
আপনি কি ডিজিটাল টেকনোলজি বিজ্ঞতার সঙ্গে ব্যবহার করেন?

জেনি একটা ভিডিও গেমের প্রতি আসক্ত। তিনি বলেন, “আমি প্রতিদিন আট ঘন্টা করে এই গেম খেলি আর এটা সত্যিই এক বড়ো সমস্যা।”

ডেনিস দেখতে চেয়েছিলেন যে, তিনি সাত দিন নিজের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট এবং ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া থাকতে পারেন কি না। তিনি মাত্র ৪০ ঘন্টা থাকতে পেরেছিলেন।

জেনি ও ডেনিস কিশোরবয়সি নন। জেনির বয়স ৪০ বছর এবং তিনি চার সন্তানের মা আর ডেনিসের বয়স ৪৯ বছর।

আপনি কি ডিজিটাল টেকনোলজি ব্যবহার করেন? * এর উত্তরে অনেকেই বলবে হ্যাঁ আর এর পিছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে, সামাজিক জীবনে এবং বিনোদনের ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক গ্যাজেট বেশ গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যাবহারিক ভূমিকা পালন করে।

কিন্তু, জেনি এবং ডেনিসের মতো বহু লোকই টেকনোলজির প্রতি অতিরিক্ত আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে। উদাহরণ স্বরূপ, ২০ বছর বয়সি নিকোল বলেন: “দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু হল, আমার মোবাইল ফোন। আমি সবসময় এটাকে হাতের কাছে রাখি। কোনো এলাকায় গিয়ে আমি যদি টেলিফোনের সিগনাল না পাই, তা হলে আমার মাথা খারাপ হয়ে যায়। আধ ঘন্টা যেতে-না-যেতেই আমি নতুন মেসেজ দেখার জন্য পাগল হয়ে যাই। এটা একেবারে অসহ্য।”

কেউ কেউ মেসেজ অথবা বিভিন্ন আপডেট দেখার জন্য এমনকী সারারাত ধরে তাদের ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার করে। তাদেরকে যখন এগুলো থেকে দূরে রাখা হয়, তখন তারা হয়তো অস্থির হয়ে ওঠে। কিছু গবেষক এই ধরনের আচরণকে আসক্তি হিসেবে বর্ণনা করে, সেটা হতে পারে যেকোনো ডিজিটাল টেকনোলজির প্রতি অথবা নির্দিষ্টভাবে ইন্টারনেট কিংবা বিশেষ কোনো গ্যাজেট, যেমন স্মার্টফোনের প্রতি। অন্যেরা “আসক্তি” শব্দটা ব্যবহার করতে ইতস্তত করে, এর পরিবর্তে এই ধরনের আচরণকে তারা এমনভাবে ব্যাখ্যা করে, যা আপত্তিকর এবং নিয়ন্ত্রণ বা দমন করা যায় না।

এই আচরণকে যেভাবেই সম্বোধন করা হোক না কেন, যদি ডিজিটাল টেকনোলজির অপব্যবহার করা হয়, তা হলে এটা সত্যিই এক সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। উদাহরণ স্বরূপ, ২০ বছর বয়সি একজন মেয়ে দুঃখ করে বলেন: “বাবা এখন আর আমার কোনো খবরই রাখেন না। তিনি বসার ঘরে আমার সঙ্গে কথা বলতে বলতে ই-মেল লিখতে থাকেন। তিনি কখনোই ফোন ছাড়া থাকতে পারেন না। আমার বাবা হয়তো আমার জন্য চিন্তা করেন কিন্তু কখনো কখনো তার আচরণ থেকে তা বোঝা যায় না।”
ডিজিটাল গ্যাজেটের প্রতি আসক্তি কাটিয়ে ওঠা

টেকনোলজির অপব্যবহার কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করার জন্য চিন, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো কিছু দেশে বিভিন্ন সেন্টার রয়েছে, যেখানে লোকেদের বেশ কয়েক দিনের জন্য ইন্টারনেট ও ডিজিটাল গ্যাজেট থেকে পৃথক রাখা হয়। উদাহরণ স্বরূপ, ব্রেট নামে একজন যুবকের কথা বিবেচনা করুন, যিনি বলেন যে, একসময় তিনি দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা অনলাইন গেম খেলতেন। তিনি বলেন, “আমি যখন অনলাইনে থাকতাম, তখন মনে হতো যেন আমি নেশার ঘোরে রয়েছি।” এই ধরনের সেন্টারে গিয়ে যদিও তিনি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার করা বন্ধ করেন কিন্তু ততদিনে তার বিরাট ক্ষতি হয়ে যায়। যেমন তিনি চাকরি ও বন্ধুবান্ধব হারান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে তার সচেতনতা নষ্ট হয়ে যায়। এইরকম পরিণতি থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আপনি কী করতে পারেন?

টেকনোলজিকে কীভাবে ও কতক্ষণ ধরে ব্যবহার করেন, তা পরীক্ষা করুন। টেকনোলজি আপনার জীবনে কেমন প্রভাব ফেলেছে, তা পরীক্ষা করে দেখুন। নিজেকে এই ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন:

আমি যখন ইন্টারনেট অথবা আমার ইলেকট্রনিক গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারি না, তখন আমার কি মেজাজ গরম হয়ে যায় অথবা আমি কি একটুতেই রেগে যাই?

ইন্টারনেট অথবা গ্যাজেট ব্যবহার বন্ধ করার জন্য আগে থেকে যে-সময় নির্ধারণ করে রাখা হয়, তা পার হয়ে যাওয়ার পরেও কি আমি অনেকক্ষণ ধরে সেগুলো ব্যবহার করি?

আমি সারাক্ষণ মেসেজ পড়তে থাকি বলে কি আমার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে?

টেকনোলজি ব্যবহার করার কারণে আমি কি পরিবারকে অবহেলা করি? এই প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে কি আমার পরিবারের সদস্যরা একমত হবে?

টেকনোলজি ব্যবহার করার কারণে আপনি যদি “যাহা যাহা ভিন্ন প্রকার [“শ্রেয়,” পাদটীকা],” সেগুলো অবহেলা করে থাকেন, যেগুলোর অন্তর্ভুক্ত নিজের পরিবার ও অন্যান্য দায়দায়িত্ব, তা হলে আপনাকে এখনই কিছু পরিবর্তন করতে হবে। (ফিলিপীয় ১:১০) কীভাবে তা করবেন?

যুক্তিযুক্ত সীমা নির্ধারণ করতে শিখুন। কোনো কিছুই অতিরিক্ত ভালো নয়, এমনকী সেটা যদি উত্তম হয়ে থাকে। তাই, আপনি ডিজিটাল টেকনোলজি কাজের জন্য অথবা আনন্দের জন্য, যেকারণেই ব্যবহার করুন না কেন, সেটা কতক্ষণ ব্যবহার করবেন, সেই বিষয়ে সীমা নির্ধারণ করুন এবং তা মেনে চলুন।

পরামর্শ: এই ক্ষেত্রে পরিবারের কোনো সদস্য অথবা বন্ধুর সাহায্য নিন না কেন? বাইবেল বলে: “এক জন অপেক্ষা দুই জন ভাল, . . . কারণ তাহারা পড়িলে এক জন আপন সঙ্গীকে উঠাইতে পারে।”—উপদেশক ৪:৯, ১০.

আকর্ষণ যেন কখনোই “আসক্তি” হয়ে না ওঠে

নতুন নতুন গ্যাজেটের মাধ্যমে যত সহজে ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করা যাচ্ছে টেকনোলজির অপব্যবহারও তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু, আকর্ষণ যেন কখনোই “আসক্তি” হয়ে না ওঠে। ‘সুযোগ কিনিয়া লওয়ার’ বা সময়ের সদ্‌ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি ডিজিটাল টেকনোলজির অপব্যবহার এড়িয়ে চলতে পারেন।

থ্যালাসেমিয়া একটি জন্মগত রক্তরোগ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা বেঁচে থাকে নিয়মিত রক্ত গ্রহণের মাধ্যমে। থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ কী?

এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩৪২৬তম পর্বে কথা বলেছেন ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন।

বর্তমানে তিনি বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের কার্যনির্বাহী পরিচালক ও গবেষক এবং আইইউবির সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : একটি শিশু থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হলে কীভাবে বোঝা যাবে?

উত্তর : বাংলাদেশে দুই ধরনের ট্রেন্ড রয়েছে। একটি হলো ইবিটা থ্যালাসেমিয়া। মজার বিষয় হলো, এর মধ্যে অনেক ভাগ রয়েছে। ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে রক্ত লাগে না।

বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে করা আমাদের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্লাড ট্রান্সফিউশন লাগে। নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। এর মধ্যে থ্যালাসেমিয়া মেজর যেটি, যেটি হমোজাইগাস, ওই ক্ষেত্রে বাচ্চা জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই রোগটি বোঝা যায়। বাচ্চাটা দুর্বল হয়ে যায়, নড়াচড়া করতে পারে না। রক্তস্বল্পতা হলে যে লক্ষণগুলো সেগুলো চলে আসে।

মজার বিষয় হলো, ইবিটার ক্ষেত্রে এটি হতে পারে ২০ বছর বয়সেও। এমনকি ৫০ বছর বয়সেও।

আবার কোনো একটি রোগীর ক্ষেত্রে হয়তো দেখা গেল আগে ভালো ছিল, গর্ভধারণের পর হয়তো থ্যালাসেমিয়া ধরা পড়ছে হচ্ছে।

#স্বাস্থ্য_তথ্য
সম্প্রতি হওয়া বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত আখের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে ফ্লবোনয়েড নামক একটি বিশেষ উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই উপাদানটি ক্যান্সার সেলেদের ধ্বংস করে দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো বন্ধু, বর্তমানে আমাদের দেশে যে হারে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে প্রায় সবারই যে প্রতিদিন আখের রস খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই!

(১) সাফল্যের ৩টি শর্তঃ

– অন্যের থেকে বেশী জানুন!

– অন্যের থেকে বেশী কাজ করুন!

– অন্যের থেকে কম আশা করুন! —— উইলিয়াম শেক্সপিয়ার।

দেহজ্যোতি হলোঃ
কোনো ব্যক্তির দেহ থেকে নিঃসৃত বলে কম্পিত সুক্ষ্ম আবহ, যা ঐ ব্যক্তিকে ঘিরে রাখে। এটিকে মূলত সুক্ষ্মাভা ও অলৌকিক আভা-ও বলা হয়ে থাকে।

জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি ?

বাংলাদেশ ভারতের প্রথম সীমান্ত হাট কবে কোথায় প্রথম চালু হয়?
২০১১ সালের ২৩ জুলাই, কুড়িগ্রামের বালিয়ামারীতে।

জন লগি বেয়ার্ড ১৯২৬ সালে প্রথম টেলিভিশন আবিষ্কার করেন

“ যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সাথে লড়াই করা কিভাবে শিখবে? ”
—শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক

সূরা ফাতিহা

“সূরা ফাতিহা' কে আল্লাহ তাআলা তার ও বান্দার মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন । বান্দা যখন নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করে প্রতিটি আয়াতের জবাব আল্লাহ তা'আলা দেন।” [মুসলিম হা/৯০৪, মিশকাত হা/৮২৩]

আবু সাইদ রাফে’ ইবনে মুআল্লা (রাঃ) হতে বর্নিত, তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বললেন, “মসজিদ থেকে বের হবার পূর্বেই তোমাকে কি কুরআনের সব চেয়ে বড় (মাহাত্ম্যপূর্ণ) সূরা শিখিয়ে দেব না?” এই সাথে তিনি আমার হাত ধরলেন। অতঃপর যখন আমরা বাহিরে যাওয়ার ইচ্ছা করলাম, তখন আমি নিবেদন করলাম, “ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ)! আপনি যে আমাকে বললেন তোমাকে অবশ্যই কুরআনের সব চেয়ে বড় (মাহাত্ম্যপূর্ণ) সূরা শিখিয়ে দেব?’

সুতরাং তিনি বললেন, “(তা হচ্ছে) ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন’ (সূরা ফাতেহা), এটি হচ্ছে ‘সাবউ মাসানি (অর্থাৎ নামাযে বারংবার পঠিতব্য সপ্ত আয়াত ) এবং মহা কুরআন; যা আমাকে দান করা হয়েছে”। (সহীহুল বুখারি ৪৪৭৪)

Hi

আমি ব্যার্থতা কে মেনে নিতে পারি কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা।
- মাইকেল জর্ডান

সকল মানুষ একই স্রষ্টার সৃষ্টি, সৃষ্টিকর্তা সকলকে সমানভাবে লালন পালন করেন।

পৃথিবীতে প্রতিশোধ গ্রহণের মাধ্যমে তুমি যতটা অর্জন করতে পারবে, তার চেয়ে অনেক বেশি অর্জন করতে পারবে ক্ষমা প্রদর্শনের মাধ্যমে।

আবু হুরাইরা [রাযি] থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন "যে ব্যক্তি শিকার বা পাহারাদারীর উদ্দেশ্য ব্যতীত [শুধুমাত্র শখের বসে] কুকুর পালবে, প্রতিদিন তার আমলের একটি বিরাট অংশ নষ্টহয়ে যাবে।

বিজয় কি-বোর্ড দিয়ে স্বরবর্ণ ও যুক্তাক্ষর টাইপ করার নিয়ম
স্বরবর্ণ:
অ= Shift+F,
আ= G +F,
ই=G+D,
ঈ=G+(Shift+S) ,
উ=G+S ,
ঊ=G+(Shift+S) ,
ঋ= G+A,
এ= G+C
ঐ=G+(Shift+C),
ও=X,
ঔ=G+(Shift+X),
যুক্তাক্ষর:
ত্র= k+Z,
ক্ত= J+G+k,
জ্ঞ= U+G+(shift+I)
ঞ্চ=(shift+I)+G+Y,
ক্ষ= J+G+(shift+N),
ত্থ= K+G+(shift+K)
ষ্ণ=(shift+N)+ G+(shift+B),
ক্ষ্ম= J+G+(shift+N)+G+M ,
হ্ম= I+G+M
ঞ্জ=(shift+I)+G+U,
ঙ্গ= Q+G+O

১০০ টাকা মূল্যমানের নতুন একটি নোট ইস্যু করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী ৭ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এ নোট ইস্যু করা হবে। মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

উচ্চ মূল্যমানের ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অধিকতর সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিদ্যমান উন্নতমানের কোটিংকৃত দীর্ঘস্থায়ী ১০০ শতাংশ কটন কাগজে ইউভি কিউরিং বার্নিশযুক্ত করে গভর্নর ফজলে কবিরের স্বাক্ষর সম্বলিত ১৪০ মি.মি. ৬২ মি.মি. পরিমাপের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে, যা আগামী ৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকে ইস্যু করা হবে।

নতুন প্রচলিত এ নোটটিতে বিদ্যমান ১০০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটের ডিজাইন ও রঙ অপরিবর্তিত রয়েছে। এ নোটের উভয় পৃষ্ঠে বার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে। ফলে নোটটি চকচকে অনুভূত হবে, নোটের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে, নোটটি কম ময়লা হবে এবং এর ওপর কলম দ্বারা লেখা কঠিন হবে।

এছাড়া এ নোটটি ব্যবহারের সময় পূর্বের নোটের মতো খসখসে অনুভূত না হয়ে কিছুটা পিচ্ছিল হবে।

উল্লেখ্য, বার্নিশযুক্ত নোটে প্রচলিত ১০০ টাকার নোটের পূর্ববর্তী সব বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন থাকবে।

নোটের রঙ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, ওভিআই কালিতে লেখা ‘১০০’, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ৩টি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন মুদ্রিত বর্ণিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলনে থাকা ১০০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোটও বৈধ ব্যাংক নোট হিসেবে যুগপৎ চালু থাকবে।

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2329 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)