About Azad bi Saki

শুক্রবার বিকালে ঘোরাঘুরি করার মজাই আলাদা।

শখি ভালবাসা কারে কয়!

টোকিও :বিশ্বের সবচেয়ে ধনী শহরের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে টোকিও। শহরটি হোনসু দ্বীপের কুয়ানদো সমতল ভূমির দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। শহরে ২৩টি বিশেষ এলাকা, ২৭টি শহর, ৮টি গ্রাম এবং ইজু দ্বীপপুঞ্জ ও ওগাসাওয়ারা দ্বীপপুঞ্জ আছে। যার মোট আয়তন ২১৫৫ বর্গকিলোমিটার।

নিউইয়র্ক :ধনী শহরের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউইয়র্ক। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর এবং বৃহত্তম বাণিজ্যিকবন্দর এটি। শহরটি শুধু যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিককেন্দ্রই নয়, বিশ্বের আর্থিককেন্দ্রগুলোরও অন্যতম। নিউইয়র্কের পাঁচটি এলাকা আছে—ম্যানহাটন, ব্রুকলিন, ব্রোনক্স, কুইস ও রিচমন্ড। আয়তন ৭৮০ বর্গকিলোমিটার। শহরটি বিশ্বের অর্থনীতি এবং সংস্কৃতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন অনেক পর্যটক বিভিন্ন দেশ থেকে এসে এখানে ভ্রমণ করেন।

লন্ডন :নিউইয়র্কের পরেই আছে ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন। লন্ডন ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সমতল ভূমিতে অবস্থিত। লন্ডন শহর ও আশপাশের ৩২টি এলাকা নিয়ে লন্ডন গঠিত। লন্ডনের বাইরের ১২টি এলাকাকে অন্তর্লন্ডন এবং বাকি ২০টি এলাকাকে বহির্লন্ডন হিসেবে ডাকা হয়। লন্ডন শহর, অন্তর্লন্ডন ও বহির্লন্ডন নিয়ে বৃহত্তর লন্ডন গঠিত হয়েছে। লন্ডন শহর দেশের অর্থ ও বাণিজ্যের কেন্দ্র। পশ্চিম লন্ডনে ব্রিটেনের রাজপ্রাসাদ, প্রধানমন্ত্রীর ভবন, পার্লামেন্ট ও সরকারের বিভিন্ন বিভাগ অবস্থিত। পূর্ব লন্ডন হলো শিল্প এলাকা। লন্ডনে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিদেশি মুদ্রা বিনিময় ও আন্তর্জাতিক বীমাকেন্দ্র।

সিউল :দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম একটি শহর সিউল। সিউল দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী। ধনী শহরের তালিকায় সিউলের নামও রয়েছে প্রথম সারির দিকে। এর আয়তন ৬০৫ বর্গকিলোমিটার। এর আয়তন দেশের মোট আয়তনের ০.৬১ শতাংশ। যদিও শহরটি খুব বড় নয়, তবে শহরটিকে দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে গণ্য করা হয়। শহরের জনসংখ্যা ১ কোটিরও বেশি। শহরটি ২৫টি এলাকায় বিভক্ত।

ওসাকা :ওসাকা হলো জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। আয়তন ২০৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। জিডিপি ১৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

হংকং :ওসাকার পরে রয়েছে চীনের হংকং। বিশেষ প্রশাসনিক এলাকা অবস্থিত এই শহরে। হংকং চীনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। ভৌগোলিক অবস্থান খুব ভালো বলে শহরটিকে পূর্ব-এশিয়ার আর্থিককেন্দ্র হিসেবেও গণ্য করা যায়। হংকংয়ের মোট আয়তন ১১০৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৬৩০০ জন। হংকং হলো বিশ্বের ১১তম বাণিজ্যিক শহর, ষষ্ঠ বিদেশি মুদ্রার বিনিময় বাজার এবং ১২তম ব্যাংককেন্দ্র। হংকংয়ের শেয়ারবাজারের আকার এত বড় যে তা এশিয়ার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

শিকাগো :এরপর আসে শিকাগো শহরের কথা। শিকাগো যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। এটি ইলিনয় রাজ্যের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। শহরের আয়তন ৫৯০.৫ বর্গকিলোমিটার। সেখানে দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ থাকে। শহরের জিডিপি ১৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

টরেন্টো :বিশ্বের সবচেয়ে ধনী শহরের তালিকায় আছে কানাডার টরেন্টো শহরের নাম। এই শহরের জনসংখ্যা ৪৩ লাখেরও বেশি, আয়তন ৬৩২ বর্গকিলোমিটার। কানাডার অর্থনীতির কথা বিবেচনায় নিলে টরেন্টো কানাডার বৃহত্তম শহর। শহরটি কানাডার কেন্দ্রে অবস্থিত। গাড়ি, ডিজিটাল, অর্থ এবং পর্যটন শিল্প টরেন্টোর অর্থনীতিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টরেন্টোর শেয়ারবাজার উত্তর-আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শেয়ারবাজার।

মেক্সিকো :সবশেষে আসে মেক্সিকো শহরের কথা। অনেক বছর ধরে মেক্সিকো শহরের আয়তন বাড়ছে। আয়তন প্রায় ২০১৮ বর্গকিলোমিটার। মেক্সিকো শহরের জনসংখ্যা ২ কোটি। এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহরগুলোর একটি। শহরে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারও বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। মেক্সিকো শহর হলো মেক্সিকোর রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিকেন্দ্র।

ছাত্রলীগ আমাকে বাড়ি-গাড়িসহ পদ দিতে চেয়েছিল: ভিপি নুর
কেউ আমারে কিছু দাও!

মিলিমিশি আপডেট করার অপেক্ষায় আছি, আর পয়েন্টগুলো দ্রুত ভাঙ্গিয়ে দিলে সবাই বেশি সক্রিয় হবে।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; পোস্ট অফিসের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর উদ্বোধন

Eto excellent movie na dekhle miss.

মেঘেদের খেলাঘর নীলগিরিঃ
যাঁরা প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে দেখার মতো এমন কী আছে যা একজন মানুষের মনকে হরণ করতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে বান্দরবানের নীলগিরি ঘুরে আসা। এর পর নিজেকে আবার এই প্রশ্ন করে দেখবেন, তখন আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তরটি পেয়ে যাবেন।
-
নীলগিরি তিন হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। নীলগিরির মোহিত করা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই পর্যটক ছুটে আসেন প্রকৃতির এই সাম্রাজ্যে। নীলগিরিতে এসেই যা পর্যটকের মনকে আনন্দে নাচিয়ে তোলে তা হলো মেঘেদের খেলা। কখনো মনে হয় মেঘগুলো পাহাড়কে আলিঙ্গন করে মনের কথা বলছে, কখনো বা মনের আনন্দে ভেসে ভেড়াচ্ছে এক পাহাড় থেকে আরেক পাহাড়ে। আকাশের পানে চেয়ে মেঘদের ছোটাছুটি আমরা সবাই দেখেছি; কিন্তু নিচে চেয়ে মেঘের এমন অপূর্ব খেলা কার না ভালো লাগবে। এমন মন হরণকারী দৃশ্য দেখে প্রকৃতিপ্রেমী মন গেয়ে উঠতে পারে, ‘এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন’ অথবা ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’র মতো সুন্দর গানগুলো।
-
কীভাবে যাবেন

নীলগিরি যেতে হলে আপনাকে বাসে করে যেতে হবে বান্দরবান সদরে। বান্দরবান সদর থেকে নীলগিরির দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। বান্দরবান বাসস্ট্যান্ডের খুব কাছে হিলবার্ড নামক স্থান থেকে আপনি নীলগিরি যাওয়ার চাঁদের গাড়ি নামে এক ধরনের গাড়ি পাবেন। অফ সিজন বা বিভিন্ন ছুটিকে কেন্দ্র করে চাঁদের গাড়ির ভাড়া কমবেশি হয়ে থাকে। যেমন ধরুন, কোনো ছুটি ছাড়া দিনগুলো বা অফ সিজনের সময় একটি চাঁদের গাড়ি ভাড়া করতে লাগতে পারে দুই হাজার ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা। শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে লাগতে পারে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। যদি কখনো একটানা বেশ কয়েক দিন সরকারি ছুটি থাকে, তখন একটি চাঁদের গাড়ি ভাড়া করতে লাগতে পারে পাঁচ হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা। এ সময় প্রচুর পর্যটকের ভিড় থাকে। একটু আগেভাগেই চাঁদের গাড়ি ভাড়া করে ফেলুন। মনে রাখবেন, কোনো দালাল দ্বারা গাড়ি ভাড়া না করে নিজে চাঁদের গাড়ির স্ট্যান্ডে গিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের পর দরদাম করে গাড়ি ভাড়া করাই উত্তম। তবে মনে রাখবেন, একটি চাঁদের গাড়িতে মোট ১৪ জনের বেশি লোক নেওয়া যাবে না। চাঁদের গাড়িতে চড়ে নীলগিরিতে পৌঁছাতে সময় লাগবে দুই থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা।
--
যা মনে রাখা প্রয়োজন

১. মনে রাখবেন বান্দরবানের রাস্তা খুবই উঁচু-নিচু এবং আঁকাবাঁকা। কিছু কিছু জায়গার মোড় রয়েছে। যেখানে অন্যপাশ থেকে কোনো গাড়ি আসছে কি না তা বোঝা মুশকিল, তবে এখানকার গাড়িচালকরা বেশ অভিজ্ঞ।

২. চলতি পথে মজা করতে গিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি করে চালককে অন্যমনস্ক করবেন না। এতে যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

৩. পথে যেতে রাস্তায় আর্মি ক্যাম্পে আপনারা নাম ও ঠিকানা রেজিস্ট্রেশন করে যেতে হবে।

৪. নীলগিরিতে বেশ কয়েকটি সুন্দর কটেজ ও বিশ্রাম নেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সেখানে খাবারের কোনো ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।

৫. নীলগিরি ট্যুরিস্টদের জন্য নিরাপদ স্থান। এখানে আর্মি সারাক্ষণ তদারকিতে আছে। সুতরাং কোনো সমস্যা বা অনিয়ম দেখলে তাঁদের জানান।

৬. নীলগিরির ভিউ পয়েন্টগুলো বেশ সুন্দর। এখান থেকে নিচের দৃশ্য আপনার হৃদয়কে আনন্দে ভরিয়ে তুলবে। তবে সাবধান, ছবি বা সেলফি তুলতে গিয়ে কোনো বিপজ্জনক কাজ করবেন না।

৭. সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি, সানগ্লাস, ক্যাপ বা টুপি রাখুন।

৮. যাঁদের উঁচুতে উঠলে মাথাব্যথা হয়, তাঁরা সঙ্গে মাথাব্যথার ট্যাবলেট রাখুন।

৯. সকাল সকাল রওনা দিয়ে সন্ধ্যা হওয়ার আগেই হোটেলে ফেরত আসুন।

১০. নীলগিরির সুন্দর কটেজগুলোতে থাকতে চাইলে আগে থেকে বুকিং দিয়ে যাবেন।

বুয়েট (BUET) পরিচিতি
" বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় "
BUET পূর্ণরূপ হচ্ছে-Bangladesh
University Of Engineering &
Technology.
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বুয়েট এর বয়স ৫৩ বছর । ১৯৬২ সালের ১ জুন বুয়েটকে বিশ্ববিদ্যালয়ে
রূপান্তরিত করা হয়।
বুয়েটের প্রকৃত বয়স আরো অনেক বেশি।
ঐতিহ্যের দিক থেকে বুয়েট ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও বেশি পুরাতন।
আমরা এখন চলে যায়, বুয়েটের জন্ম কথায়! ১৮৭৬ সালে ব্রিটিশরা ঢাকার নলগোলায়
"সার্ভে স্কুল" প্রতিষ্ঠা করে। বাংলার
মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত নবাব আহসান
উল্যাহ মুসলমানদের জন্য শিক্ষার
প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।তিনি তত্কালীন
সময়ে সার্ভে স্কুলকে ১.২ লক্ষ টাকা অনুদান এবং নিজের সম্পত্তির একটা অংশ ছেড়ে দিয়ে
ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে রূপান্তর করেন। তখন
এখান থেকে ইলেক্ট্রিক্যাল, ম্যাকানিকেল
এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা
সার্টিফিকেট দেওয়া হতো।
তারপরে দেশ ভাগের পরে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সরকার ইঞ্জিনয়ারিং স্কুলকে
কলেজে রূপান্তর করে।নতুন নাম হয় -" আহসান
উল্ল্যাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ।"
আমেরিকার এগ্রিকালচার এন্ড ম্যাকানিকেল
কলেজ অব টেক্সাসের (এখন বিশ্ববিদ্যালয়)
সাথে চুক্তি হয়। তখন তাদের টিচাররা পূর্ব পাকিস্তানে ( বর্তমান বাংলাদেশ ) এসে
বুয়েটে ক্লাস নিত।
তারাই বুয়েটের সিলেবাস প্রণয়ন করেন পরে ধীরে ধীরে অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং
বিষয় যোগ করা হয়। ১৯৬২ সালে পাকিস্তান
সরকার এটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর
করে।
নতুন নাম হয় ইপুয়েট (EPUET) মানে East
Pakistan University of Engineering & Technology ).
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে নাম হয়
BUET "বুয়েট"।
ক্যাম্পাস:
বুয়েট ক্যাম্পাস রাজধানী ঢাকার
কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত।এটি পড়েছে পুরান এবং নতুন ঢাকার ঠিক মাঝখানে ।শিক্ষার্থী অল্প
হওয়ায় বুয়েট ক্যাম্পাসও অনেক ছোট।আয়তন
৭৬ একর।
ক্লাস চলাকালীন সময় টুকু বাদে বাকি সব
সময় নীরব , শান্ত একটা পরিবেশ বজায় থাকে
বুয়েটে । গাছে গাছে টাকা ছোট্ট এই ক্যাম্পাসত কোলাহল মুক্ত । মাঝে মাঝে মনে
হয় হাজার বছর ধরে এই জায়গায় কেউ মনে হয়
বসবাস করে নি এখানে ছাত্রদের জন্য ৮ টি, ছাত্রীদের জন্য
১ টি আবাসিক হল আছে।
ভর্তি ও বিভাগ :
বর্তমানে বুয়েটে ১১ টি বিভাগে প্রতি বছর
১০০০ ছাত্র-ছাত্রী কে বিএসসি
ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি করানো হয়। এসএসসি এবং এইচএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে সেরা
১০০০০-১২০০০ শিক্ষার্থীকে বাছাই করা
হয়। তাদের মধ্য থেকে ৬০০ নাম্বারের ভর্তি
পরীক্ষার মাধ্যমে ১০০০ জনকে ভর্তির সুযোগ
দেওয়া হয়।
আর স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির জন্য অতিরিক্ত ৪০০ শত মার্কের ড্রয়িং পরীক্ষা হয় ।
বুয়েটে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে
মাস্টার্সও চালু আছে। তবে বুয়েটের ছাত্ররা
সাধারণত এখানে মাস্টার্সে আগ্রহী নয়।
তাদের একটা বড় অংশ বিএসসি
ইঞ্জিনিয়ারিং কমপ্লিট করার পরে উচ্চ শিক্ষার জন্য দেশের বাইরে পাড়ি জমায়।
অনেকে দেশে চাকরীতে ঢুকে যায়। তাই
দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে
শিক্ষার্থী নিয়ে মাস্টার্সের আসন সংখ্যা
পূর্ণ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় রেটিং এবং বুয়েট : দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এত বছর ধরে ,
বুয়েট দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যায়ের খেতাব
ধরে রেখেছে। তবে আন্তর্জাতিক
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেঙ্কিংয়ে বুয়েটের
অবস্থান দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে
সেরা হলেও সামগ্রিকভাবে খুব বেশি ভালো নয়। কারণ আন্তর্জাতিক রেঙ্কিং করা হয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, তহবিল , আর্টস,
কালচারাল এডুকেশন ,টেকনোলজী ইত্যাদি
দেখে। বুয়েটের বাজেট অনেক অল্প।আর
অন্যান্য সাবজেক্টগুলোও বুয়েটে পড়ানো হয়
না। এখানে শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়। রিসার্চ বা গবেষণা হয় মূলত মাস্টার্স বা
পিএইচডি লেভেলে।কিন্তু বুয়েট বিখ্যাত তার
অনার্সের জন্য। তাই বুয়েটের এক স্যার
বলেছিলেন , শুধু অনার্সের উপর ভিত্তি করে
রেঙ্কিং করা হলে বুয়েটের নাম বিশ্বের
শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে থাকবে।
তবে দেশে বিদেশে বিভিন্ন ধরণের
প্রতিযোগিতায় বুয়েটের শিক্ষার্থীরা
অবিস্মরণীয় সাফল্য অর্জন করে আসছে ।
বুয়েট এখন পর্যন্ত ৩০,০০০ এর বেশি
প্রকৌশলীর জন্ম দিয়েছে। বুয়েটের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক
সাফল্য লাভ করেছে। এখান থেকে পাশ করে
অনেকে বিশ্বের অনেক নামী-দামি
বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার হয়েছেন।
বলা হয়ে থাকে, বিশ্বের সব শীর্ষস্থানীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে বুয়েটের অন্তত একজনকে হলেও পাওয়া যাবে। বুয়েট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের
সবচেয়ে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়।
(সংকলিত )

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ :: [Job No-61]
Post Name: অফিস সহায়ক, বাস হেল্পার, টার্মিনাল গার্ড/নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্ন কর্মী, ইতাদি।
Number of Post : ১৮৬ টি
Qualification: ৮ম শ্রেণী পাস।
Date Line: ২১ মার্চ ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

সুন্দর একটা কুম্ফো চাইনিজ মুভি।

ইঁদুর ৬০টির বেশি রোগের জীবাণু বহন ও বিস্তার করে। এর মধ্যে রয়েছে প্লেগ, অ্যাইরোসিস, চর্মরোগ, কৃমি রোগ, হান্টা ভাইরাস, ইঁদুরে কামড়ানো জ্বর, টাইফয়েড, জন্ডিস, ক্ষেত্রবিশেষে জলাতঙ্ক।
* ইঁদুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে লালা দিয়ে জীবাণু ছড়ায়।
* ইঁদুরের মলমূত্র ও লোমের মাধ্যমে জীবাণু ছড়ায়।
--
ইঁদুরের উপদ্রব থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে :
১) গোলমরিচের গন্ধ ইঁদুর একেবারেই সহ্য করতে পারে না। গোলমরিচের পানজেন্ট ধরণের ঘ্রাণ অর্থাৎ ঝাঁজ পূর্ণ ঘ্রাণ ইঁদুরের ফুসফুসে গেলে শ্বাস নিতে পারে না ইঁদুর। আর একারণে খুব সহজেই মারা পড়ে। যে সকল স্থানে ইঁদুরের উপদ্রব বেশী বা ইঁদুরের আবাস রয়েছে মনে করছেন সেসকল স্থানে গোলমরিচ গুঁড়ো করে ছড়িয়ে রাখুন। ইঁদুরের বন্ধ নির্বংশ করতে পারেবন খুজ সহজেই।

২) তেজপাতা খুবই উপকারী একটি মসলা যা প্রত্যেকের ঘরেই রয়েছে। এই উপকারী মসলাটিও ইঁদুর থেকে বাঁচতে ব্যবহার করতে পারেন অনায়েসেই। তেজপাতাকে ইঁদুরেরা নিজেদের খাবার মনে করে। কিন্তু তেজপাতা খাওয়ার পর তারা এটি হজম করতে পারে না একেবারেই। তেজপাতা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে রাখুন উপদ্রবের স্থানগুলোতে কিছুদিনের মধ্যেই ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

৩) পেঁয়াজের অনেক গুনের মধ্যে আরও একটি অসাধারণ গুন হচ্ছে পেঁয়াজ দিয়ে খুব সহজেই ইঁদুরের উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। পেঁয়াজের উপাদান ইঁদুর হজম করতে পারে না। কিন্তু ইঁদুর খুব সহজেই পেঁয়াজে কামড় দিয়ে বসে। ইঁদুর যেখানে রয়েছে বলে মনে করছেন সে সকল স্থানে পেঁয়াজ টুকরো করে রেখে দিন। কিছুদিনের মধ্যেই ইঁদুর আর দেখতে পবেন না ঘরে।

সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি,
সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি।
সুখী যেন নাহি হই আর কারো দুখে,
মিছে কথা কভু যেন নাহি আসে মুখে।
সাবধানে যেন লোভ সামলিয়ে থাকি,
কিছুতে কাহারে যেন নাহি দেই ফাঁকি।

জেনে নিন বাংলা যুক্ত বর্ণ সমূহ
১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স

স্কুল লাইফের বন্ধুগুলো সারাজীবন বন্ধুই থাকে, আর অনার্সরে বন্ধুগুলো হয় টাকায় চালিত ভাড়াটে বন্ধু।

আমি ঢাকাতে থাকি, আমার জন্মনিবন্ধন হারিয়েছে। বর্তমানে আমি নতুন করে জন্ম নিবন্ধন করতে চাই। কোথা থেকে কিভাবে করবো জানতে চাই।

লাইক দিলে নতুন পেইজে চলে যায় বিষটি কর্তৃৃপক্ষ দৃষ্টি নিবেন।

ভিডিওটিতে অনেক কিছু শেখার আছে..।

Haste Haste Asusta Hole ami risk nai

আজকের কুইজ (26-Jun-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:3387 জন
প্রশ্নঃ ‘Education-শিক্ষা’ এই বর্ণটির মধ্যে 5 ভাওয়েল রয়েছে, আবার ‘A Quick brown fox jumps over the lazy dog’ বাক্যটির মধ্যে ইংরেজী 26টি অক্ষর রয়েছে। নিচের কোন Word টি ‘ক্ষতিকারক’ এর সঠিক ইংরেজী শব্দ?
(A) Harmful
(B) Harmfully
(C) Damageable