About Motaleb Hossain

হাতের কব্জির ব্যথা : কারণ ও চিকিৎসা

কব্জির ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। হঠাৎ ইনজুরির কারণে কব্জিতে বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হয়ে থাকে। মচকে গেলে কিংবা হাড় ভেঙে কব্জিতে বেশ ব্যথা হয়। তবে অনেক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার জন্য কব্জিতে ব্যথা হতে পারে, যেমন- বারবার কব্জিতে চাপ, বাত ও কারপাল টানেল সিনড্রোম। যেহেতু অনেক কারণে কব্জিতে ব্যথা হতে পারে, তাই কখনো কখনো দীর্ঘমেয়াদি কব্জির ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। সঠিক রোগ নির্ণয় করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার ওপর নির্ভর করে আপনার কব্জির ব্যথার সঠিক চিকিৎসা।

কব্জির ব্যথার উপসর্গ বিভিন্ন ধরনের হয়। এটি নির্ভর করে ঠিক কী কারণে ব্যথা হচ্ছে তার ওপর। যেমন- অস্টিও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা ঠিক ভোঁতা ধরনের দাঁত ব্যথার মতো, অথচ টেনডনের প্রদাহ বা টেনডিনাইটিসের ব্যথা সাধারণত তীক্ষ ও ধারালো ধরনের।

কব্জির ব্যথার কারণ
কব্জি বা রিস্টজয়েন্ট হলো একটি জটিল সন্ধি যা তৈরি হয়েছে কয়েকটি হাড়ের সমন্বয়ে যেমন রেডিয়াস ও আলনা হাড়ের নিম্নাংশ এবং আটটি ছোট ছোট কারপাল হাড়। এই কারপাল হাড়গুলো দুই সারিতে সাজানো। লিগামেন্টের শক্ত ব্যান্ড কব্জির হাড়গুলোকে একে অন্যের সাথে, রেডিয়াস ও আলনা হাড়ের নিম্নাংশ এবং হাতের হাড়গুলোকে সংযুক্ত করে। টেনডনগুলো হাড়ের সাথে মাংসপেশিকে সংযুক্ত করে। কব্জির যেকোনো অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে ব্যথা হতে পারে এবং হাত ও কব্জির ব্যবহারের সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

কব্জি ব্যথার সাধারণ কারণগুলো এখানে বর্ণিত হলো :
১. ইনজুরি
হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনের দিকে পড়ে গেলে কব্জিতে খুব বেশি ইনজুরির ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে কব্জি মচকে যায়, কব্জিতে টান পড়ে এবং কব্জির হাড় ভেঙেও যায়। কব্জির বুড়ো আঙ্গুলের দিকে হাড়টির নাম স্কাফয়েড। এটি অনেক সময় ভেঙে যায়। এ ধরনের হাড় ভেঙে গেলে সাথে সাথে সেটা এক্স-রেতে নাও দেখা যেতে পারে। ব্যথা অনেক দিন থাকে, কব্জি নাড়াচাড়া করলে ব্যথা বাড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে হাত দিয়ে কাজ করা যায় না। প্লাস্টার করেও ব্যথার উপশম হয় না। অপারেশন করতে হয়। অনেক সময় স্কাফয়েড হাড় ভাঙলে হাড়ের মধ্যে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয় এবং হাড়ের জোড়া লাগতে সমস্যা হয় যার ফলে ব্যথা হয় ও কব্জি নাড়তে অসুবিধা হয়। তখন অপারেশনের প্রয়োজন হয়। হাতের ওপর ভর দিয়ে পড়ে গেলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কলিস ফ্রাকচার হয়। এ ক্ষেত্রে রেডিয়াসের নিচের অংশ ভেঙে যায়। কব্জি ফুলে যায়।

কব্জি বারবার নাড়াতে হয় এমন যেকোনো কাজ যেমন- টেনিস বল খেলা থেকে শুরু করে বেহালা বহন করতে করতে কব্জির সন্ধির চার পাশের টিস্যুতে প্রদাহ হতে পারে কিংবা হাড় ভেঙে যেতে পারে। বিশেষ করে কোনো বিরতি ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা কব্জির কাজ করলে। বারবার চাপের ফলে হাতের কব্জির ব্যথার আরেকটি কারণ হলো ডি কোয়ার ভেইন’স ডিজিজ। ব্যথা বুড়ো আঙ্গুলের মূলে অনুভূত হয়। ডি কোয়ার ভেইন’স ডিজিজে কব্জি নাড়তে খুব ব্যথা হয়, কাজ করতে অসুবিধা হয় এবং অনেক সময় কাজের পর ব্যথা বেশ বেড়ে যায়। বুড়ো আঙ্গুলে চাপ দিলে প্রচণ্ড ব্যথা হয়।

২. আর্থ্রাইটিস বা বাতের ব্যথা
অস্টিও আর্থ্রাইটিস
সাধারণত কব্জিতে অস্টিও আর্থ্রাইটিস খুব কম হয়। কোনো লোকের কব্জিতে আগে ইনজুরি হয়ে থাকলে পরে অস্টিও আর্থ্রাইটিস হয়। এ ক্ষেত্রে কার্টিলেজ বা তরুণাস্থি ছিঁড়ে যায় বা ক্ষয় হয়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস: এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তার নিজস্ব টিস্যুগুলোকে আক্রমণ করে। কব্জিতে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস খুব বেশি পরিলক্ষিত হয়। যদি একটি কব্জি আক্রান্ত হয়, তাহলে সাধারণত অন্য কব্জিতেও এটি ঘটে।

৩. অন্যান্য রোগ ও অবস্থা
কারপাল টানেল সিনড্রোম: আপনার কব্জির তালুর দিকের অংশে একটি পথ রয়েছে যার নাম কারপাল টানেল; এর মধ্য দিয়ে মিডিয়ান নার্ভ অতিক্রম করে। মিডিয়ান নার্ভে চাপ পড়লে কব্জি ও হাতে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। এ অবস্থার নাম কারপাল টানেল সিনড্রোম।
গ্যাংলিয়ন সিস্ট: কব্জির ব্যথার অন্যতম কারণ হলো এক ধরনের টিউমার জাতীয় ফোলা বস্তু থাকে যাকে গ্যাংলিয়ন বলে। এটি ওঠে টেনডনের আবরণী থেকে কব্জির পেছনে অথবা সামনের দিকে। কব্জি নাড়লে ব্যথা হয়। বড় গ্যাংলিয়ন সিস্টের চেয়ে ছোটগুলো বেশি ব্যথা সৃষ্টি করে।
কিয়েন বক্স ডিজিজ : এটি সাধারণত তরুণদের হয়। এ ক্ষেত্রে কব্জির লুনেট নামের ছোট হাড়টিতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে হাড়টি কোলাপস করে। লুনেট হাড়ের ওপরে চাপ দিলে ব্যথা লাগে এবং রোগী হাত মুঠো করে ধরতে পারে না।
কব্জি ব্যথার ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো হলো

কারো হাতের কব্জিতে ব্যথা হতে পারে- তা অল্প কাজ করুক কিংবা বেশি কাজ করুক না কেন। কিন্তু কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ের কারণে এ ব্যথা বেড়ে যেতে পারে, যেমন-
খেলাধুলা করা: বিভিন্ন খেলাধুলায় কব্জিতে ইনজুরি হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বোলিং, গলফ, জিমন্যাস্টিক, টেনিস প্রভৃতি।

বারবার কাজ করা: বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হাত ও কব্জির যেকোনো কাজ বারবার করলে কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। যেসব মহিলা হাঁড়ি-পাতিল ধোয়াধুয়ি করেন বা বুননের কাজ করেন তাদের কব্জির ব্যথা বেশি হয়। যারা চুল কাটার কাজ করেন তাদেরও কব্জির ব্যথা বেশি হয়। যারা কম্পিউটার কিবোর্ডে টাইপ করেন, কম্পিউটার মাউস ব্যবহার করেন, হ্যান্ডবল খেলেন, সেলাই করেন, আঁকাআঁকি করেন, লেখালেখি করেন বা ভাইব্রেটিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন তাদের কব্জির ব্যথা বেড়ে যায়। আবার যাদের ডায়াবেটিস, লিউকেমিয়া, স্ক্লেরোডার্মা, লুপাস থাকে কিংবা থাইরয়েড গ্রন্থি ঠিকমতো কাজ না করে তা হলে তাদের কব্জির ব্যথা বেড়ে যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি ফিজিসিয়ানের সাথে পরামর্শ করলে তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যেমন- রিউমাটোলজিস্ট, স্পোর্টস মেডিসিন বিশেষজ্ঞ কিংবা অর্থোপেডিক সার্জনের কাছে রেফার করতে পারেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে উপসর্গের বিস্তারিত বর্ণনা যেমন আপনার কোনো রোগ আছে কি না, বাবা-মা, ভাই-বোনের অন্য রোগ আছে কি না, আপনি কোনো ধরনের ওষুধ খেতে থাকলে তাও জানাতে হবে। কী ধরনের খাবার গ্রহণ করেন তা জানাবেন।

চিকিৎসা : হাতের কব্জির ব্যথার চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ভর করে ইনজুরির গ্রণ, স্থান ও তীব্রতা সর্বোপরি বয়স ও সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর। প্রথমত, আক্রান্ত হাতের কব্জিকে বিশ্রামে রাখতে হবে এবং যদি কোনো নির্দিষ্ট রোগের কারণে কব্জিতে ব্যথা হয়ে থাকে তাহলে তার উপযুক্ত চিকিৎসা দিতে হবে। ব্যথানাশক ওষুধ যেমন- আইবুপ্রফেন ও অ্যাসিটামিনোফেন কব্জির ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। প্রয়োজনে শক্তিশালী ব্যথানাশক ওষুধ দেয়া যেতে পারে। হাড় ভাঙলে হাড়ের টুকরোগুলো সঠিক বিন্যাসে রাখতে হবে যাতে ঠিকমতো জোড়া লাগে; এ ক্ষেত্রে কাস্ট বা স্প্লিন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। কব্জিতে টান লাগলে বা মচকে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত টেনডন বা লিগামেন্ট যাতে সুরক্ষা পায় সে জন্য স্প্লিন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। আক্রান্ত হাতের কব্জিকে নড়াচড়া থেকে রক্ষা করার জন্য রিস্টব্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অপারেশনের প্রয়োজন হয়। যেমন- মারাত্মকভাবে হাড় ভাঙলে, কারপাল টানেল সিনড্রোমের উপসর্গ তীব্র হলে এবং টেনডন বা লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেলে।

রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে যেসব কারণে

রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে কি কি ধরণের সমস্যা হয় কমবেশি অনেকেই তা জানেন। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, মাঝে মধ্যেই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গিয়ে তাদের সমস্যায় পড়তে হয়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কিছু কারণ রয়েছে। যেমন-

১. নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি কার্বোহাইড্রেট যুক্ত খাবার খাওয়া হলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের আলু, ভাত ইত্যাদি খেতে বারণ করা হয়।

২. যারা নিয়মিত ডায়াবেটিসের ওষুধ খান বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন তারা কোনও বেলা ওষুধ খেতে কিংবা ইনসুলিন নিতে ভুলে গেলে হঠাৎ করে রক্ত সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

৩. কিছু কিছু খাবার যেমন- হোয়াইট ব্রেড, শুকনো ফল খেলেও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

৪. মাত্রাতিরিক্ত স্ট্রেস বা মানসিক চাপের কারণেও হঠাৎ করেই ব্লাড সুগার বেড়ে যেতে পারে।

৫. দীর্ঘদিন ধরে কোনও রকম শরীরচর্চা বা ব্যায়াম না করলে না করলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।

গরমে শিশুর যত্ন নিন

শিশুদের সব সময়ই যত্নের প্রয়োজন। তা হোক শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষাকাল। চারিদিকে এখন প্রচণ্ড গরম। যখন তখন বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমে বড়দেরই অবস্থা যখন শোচনীয় তখন ছোটদের অবস্থা কল্পনা করাই দায়। এই গরমে প্রতিটি শিশুরই চাই বাড়তি যত্ন। নইলে যেকোনো সময় আপনার আদরের সোনামণি অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। জেনে নাও শিশুদের যত্নে কি করবেন আর কি করবেন না।

শিশুর খাদ্য:

গরমে শিশুর খাদ্য তালিকায় হালকা, পুষ্টিকর, টাটকা এবং সহজপাচ্য খাবার রাখুন। সেটা হতে পারে নরম খিচুড়ি বা সবজির স্যুপ। মাছ-মাংস দিতে পারো পরিমিত মাত্রায়।

শিশুর খাবার ঘরেই তৈরি করো। বাইরের কেনা খাবার দিবেন না। এই সময়ে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশ দেখা যায়। ঘরে তৈরি টাটকা খাবার শিশুকে এই ধরনের ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করবে।

শিশুকে যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করান। তবে খেয়াল রাখবে পানি যেন অবশ্যই যথাযথভাবে বিশুদ্ধ হয়। খুব ঠাণ্ডা বা খুব গরম দুটোই শিশুর জন্য ক্ষতিকর। সেক্ষেত্রে পরিমিত ঠাণ্ডা পানি পান করান।

শিশুকে মৌসুমি ফল খাওয়াতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ফলের রসও দিতে পারেন। তবে তা বাসায় নিজে তৈরি করাই ভালো। বাজারের প্যাকেটজাত ফলের রস শিশুর দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া এগুলোতে দেয়া প্রিজারভেটিভ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। তাই বাইরের খাবার, কোমল পানীয় এমনকি ফলের রস ইত্যাদি থেকে শিশুকে দূরে রাখাই শ্রেয়।

প্যাকেটের তরল বা গুঁড়ো দুধ খাওয়ালে খুব বেশিক্ষণ আগে থেকে বানিয়ে রাখবেন না। এতে পুষ্টিগুণ নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে।

অন্যান্য খাবার তৈরিতে এই বিষয়টি মাথায় রাখুন। বেশি আগে বানিয়ে রাখা খাবার শিশুর জন্য ভালো নয়। কেনা খাবার এড়াতে বাইরে যাবার সময় শিশুর খাবার তৈরি করে নিয়ে যান। সেক্ষেত্রে খাবার এবং পানি বহন করার জন্য ভালো মানের ফুড গ্রেড প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করতে পারো যাতে করে খাবারের মান অক্ষুন্ন থাকে।

খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা এই সময়টাতে খুব বেশি থাকে তাই যেকোনো সময় যেকোনো খাবার দেওয়ার আগে একবার ভালো করে দেখে নিতে ভুলবেন না যে খাবারটা আদৌ ঠিক আছে কিনা।

শিশুর বয়স যদি ছয় মাসের কম হয় তাহলে তাকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়াও। মনে রাখবে ছয় মাসের কম বয়সের শিশুকে এই সময়টাতে আর কোনো কিছু দেওয়ার দরকার নেই। এমনকি পানিও নয়। শিশুকে বার বার বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন। এর মাধ্যমেই শিশু তার সব প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেয়ে যাবে।

শিশুর পোশাক এবং আবাসস্থল:

শিশুর পোশাকের দিকে লক্ষ্য রাখো। শিশুকে গরমের এই দিনগুলোতে অবশ্যই সুতির নরম এবং পাতলা পোশাক পরাও।

ডিসপোজেবল ন্যাপির পরিবর্তে সুতির পাতলা কাপড়ের ন্যাপি পরানো ভালো কেননা ডিসপোজেবল ন্যাপিগুলো ঘাম এবং তাপ শোষণ করতে পারেনা; যার ফলে ঘামাচি, র‌্যাশ প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তীব্র রোদের সময়টাতে শিশুকে বাইরে বের না করাটাই উত্তম। তারপরও যদি বাইরে বের হতেই হয় তবে পাতলা কিন্তু ফুল হাতার কাপড় পরান যাতে রোদের অতিবেগুনী রশ্মি শিশুর ত্বকের ক্ষতি করতে না পারে।

খেয়াল রাখবে শিশুর ঘরটি যেন প্রচুর আলো-বাতাস যুক্ত হয়। এতে ঘরের আবহাওয়া স্বাস্থ্যকর থাকে। স্যাঁতসেতে ঘরে শিশুকে রাখবে না।

অনেকে ঘরে এসি ব্যবহার করে থাকেন। যদি শিশুকে সবসময় এসিতে রাখেন তবে অবশ্যই তাকে একটু মোটা কাপড় পরাবেন। কারণ শিশুরা খুব দ্রুত ঠাণ্ডায় আক্রান্ত হয়। এছাড়া গোসলের পর পর শরীর এবং মাথার চুল পুরোপুরি না শুকানোর আগে শিশুকে এসিতে আনবেন না। আবার শিশু যদি অনেকসময় ধরে এসিতে থাকে তবে তাকে এসির বাইরে নেওয়ার আগে ঘরের এসিটি বন্ধ করুন। ঘরের তাপমাত্রা এতে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে এবং শিশু ধীরে ধীরে তা সহ্য করে নেবে যার ফলে হঠাৎ করে গরম লেগে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

ফ্যানের সামনে শিশুকে এমন স্থানে রেখবেন না যাতে করে সরাসরি ফ্যানের বাতাস শিশুর গায়ে লাগে। সরাসরি অনেকসময় ধরে বাতাস লাগার ফলে শিশুর ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে।

পাঁচটি কারণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায় পুরুষের

আজকাল অনেক পুরুষই স্পার্ম কাউন্ট নিয়ে সমস্যার মধ্যে আছেন। আর এর জন্য চিকিৎসকের কাছে ছোটাছুটিও করেন তারা। স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ায় অনেক দম্পতি বাবা-মা হওয়ার স্বাদ পান না।

কিন্তু নিজেরা একটু সচেতন থাকলে এ ধরনের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। এজন্য অবশ্য অনেক আগে থেকেই সতর্ক হতে হবে। তা নাহলে সামনে থাকবে ভয়ানক বিপদ। জেনে নিন, প্রতিদিন কোন কাজগুলো সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা বা স্পার্ম কাউন্ট কমায়-

১. ড্রাগঃ অ্যানাবলিক স্টেরয়েড পেশীর শক্তি ও বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে। এতে অণ্ডকোষ সংকুচিত হয়ে যায় এবং স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। অর্থাৎ মাদক গ্রহণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পায়।

২. অ্যালকোহলঃ টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমায় অ্যালকোহল যা আপনার সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস করবে। বিশেষ করে যারা অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল পান করেন তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

৩. ধূমপানঃ টোবাকো মানবদেহের জন্য অনেক ক্ষতিকর। পাশাপাশি এটা স্পার্ম কাউন্টও কমিয়ে দেয়। এজন্য আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে হলেও ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

৪. অবসাদঃ যদি আপনি ডিপ্রেশনের শিকার হন, অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার স্পার্ম কাউন্ট কম হওয়ার অন্যতম কারণ এটা।

৫. ওজনঃ ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজনের কারণে স্পার্ম কাউন্ট কমে যেতে পারে। এজন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

কে কী----কেন কিভাবে: জলপ্রপাত

বিভিন্ন ধরনের জলপ্রপাত রয়েছে। কোনোটি একমুখী, কোনোটি বা বহুমুখী সাপিনীর মতো ফণা তুলে অনেক উঁচু থেকে ঝাঁপ দিচ্ছে, কোনোটি রাজসিক ভঙ্গিমায় বেশ জায়গাজুড়ে নিচে গিয়ে পড়ছে।
লিখেছেন মুহাম্মদ রোকনুদ্দৌলাহ্

প্রকৃতি অসাধারণ। এর অবারিত দিগন্তে জলপ্রপাত মোহনীয়। বিভিন্ন জলপ্রপাতের রূপের ছটা দেখতে কত মানুষ যে ভিড় জমায়!
ছুটে চলা নদী হঠাৎ লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ে নিচে। আর এই নদীর হঠাৎ পতনকে বলে জলপ্রপাত। জলপ্রপাত তৈরির প্রধান শর্ত হচ্ছে, নদীকে পাথুরে এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যেতে হবে অনেক দূর। প্রাকৃতিক কারণে হয়তো সে নদী সাগরসমতল থেকে ওপর দিয়ে পাড়ি দিয়েছে বেশ কিছুটা পথ। এরপর পাথুরে এলাকা শেষ করে নদীটি এলো কাঁচা মাটির সীমানায়। পানির তোড়ে ধুয়ে সব একাকার। নদী তার গতিপথ বের করে নেবেই। সামনে আবার পাহাড়। সব বাধা তুচ্ছ করে নদী ঝাঁপ দিলো নিচে। সৃষ্টি হলো জলপ্রপাতের। সমতল ছেড়ে, কুলকুল বয়ে যাওয়া থেকে হঠাৎ ভীষণ বেগে নদীর নিচে লাফিয়ে পড়ার নামই হলো জলপ্রপাত। ঝরনা থেকেও জলপ্রপাতের সৃষ্টি হতে পারে।
বিভিন্ন ধরনের জলপ্রপাত রয়েছেÑ কোনোটি একমুখী, কোনোটি বা বহুমুখী সাপিনীর মতো ফণা তুলে অনেক উঁচু থেকে ঝাঁপ দিচ্ছে, কোনোটি রাজসিক ভঙ্গিমায় বেশ জায়গাজুড়ে নিচে গিয়ে পড়ছে। ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাতের বেশ নামডাক। এর পতনের লাফ প্রায় হাজার মিটার। আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত প্রায় দুই কিলোমিটার জায়গা নিয়ে লাফ দিয়ে নিচে পড়ে জন্ম দিয়েছে এক নদীর। এ নদীর নাম জাম্বেসি। এটি মিলিত হয়েছে ভারত মহাসাগরে। আবার একই জায়গা থেকে বের হয়েছে নীল নদ। এ নদ গিয়ে পড়েছে ভূমধ্যসাগরে। নায়াগ্রা জলপ্রপাতের অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক রাজ্য এবং কানাডার অন্টারিও রাজ্যের মাঝে। বিশালত্ব আর জলপতনে সারা বিশ্বে এর নাম। নায়াগ্রা নদীতে সৃষ্টি হয়েছে এ জলপ্রপাতের। নদীটি হঠাৎ ৫২ মিটার নিচে নেমে যাওয়ায় জলপ্রপাতটির সৃষ্টি হয়েছে।

যেমন হওয়া উচিত রোজায় খাদ্যাভ্যাস
সাধারণত আমরা প্রতিদিন সকাল-দুপুর-রাত এই তিন বেলা খাবার খাই এবং বছরের সবসময় আমরা এই রুটিন মাফিক কমবেশি খাবার গ্রহণ করি। কিন্তু রমজান মাসে আমরা সাধারণত শুধু সন্ধ্যা থেকে ভোর এই সময়ের মধ্যেই খাবার খেয়ে থাকি। রমজান মাসে যখন নিয়মের একটু পরিবর্তন আসে তখন অনেকেই আমরা নতুন নিয়মে খাপ-খাওয়াতে পারিনা অথবা কখন কি খাওয়া উচিত সেই ব্যাপারে উদাসীন থাকি। রমজান মাস যে কেবল আমাদের আত্মার পরিশুদ্ধি আনে তা নয়, খাদ্যাভ্যাসে প্রয়োজনীয় সংযমও এই মাসের অন্যতম শিক্ষা।

যেহেতু সারাদিন কিছু না খেয়ে আমরা রোজা রাখি, তাই রমজান মাসে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে একটু বেশিই সচেতন হতে হয়। একটু বুঝে শুনে খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে যেমন আমরা এই মাসে সুস্থ থাকতে পারি, তেমনি সুন্দর মত ইবাদত-বন্দেগীর মাধ্যমে এই পবিত্র মাসের সঠিক সম্মান করতে পারি।

রোজার মধ্যে ইফতার ও সেহেরীতে বেশি বেশি পানি পান করা খুবই জরুরী। সারাদিন যেহেতু আমরা পানি পান করা থেকে বিরত থাকি, দেহের পানিশূন্যতা দূর করতে ইফতার ও সেহেরীতে পর্যাপ্ত পানি এবং পানীয় খাদ্যদ্রব্য খাওয়া প্রয়োজন। এতে গরমে রোজা রাখতে সহজ হয় এবং হজমে সুবিধা হয়।

ইফতারে বিভিন্ন কোমল পানীয় গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য বেশ ক্ষতিকর। কোমল পানীয় এর পরিবর্তে বিভিন্ন ফলের জুস খাওয়া যেতে পারে। লেবু, আম, তরমুজ এর শরবত, ডাবের পানি এ ক্ষেত্রে পছন্দের তালিকায় প্রথমে রাখতে পারেন। অথবা এক গ্লাস দুধ দিয়ে শুরু করতে পারেন আপনার ইফতার।

আমাদের দেশের খুব প্রচলিত একটি ব্যাপার হচ্ছে ইফতারে প্রচুর ভাজাপোড়া খাওয়া। সারাদিন রোজা রাখার পর যেটা শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। ইফতারের জন্য তৈরি খাবারে যত কম তেল ও মশলা ব্যবহার করা যায় তত ভালো। এছাড়া প্রচলিত খাবারের বাইরে কিছু মজাদার কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। যেমন দই-চিড়া, ইফতারিতে দই-চিড়া পেট ঠাণ্ডা রাখে, দ্রুত এবং সহজে হজমে সাহায্য করে। চিড়ায় রয়েছে এসিডিটি কমানোর ক্ষমতা, দই খুব সহজেই পরিপাক হয়। মাঝে মধ্যে ফিরনি অথবা দুধে ভিজানো চিড়া, সঙ্গে হালকা চিনি ও পাকা আমের টুকরো ইফতারে বৈচিত্র্য আনতে পারে।

ইফতার ও সেহেরীতে আঁশযুক্ত খাবার রাখা উচিত। আঁশযুক্ত খাবার হজম হতে দেরি হয়,তাই ক্ষুধা কম লাগে। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার জন্য আঁশযুক্ত খাবার খুব দরকার। যেমন ঢেঁকি ছাটা চাল, সবুজ মটরশুঁটি, ছোলা, সবুজ শাক যেমন ডাঁটাশাক, পালং শাক, খোসাসহ ভক্ষণ উপযোগী ফল যেমন পেয়ারা, আপেল, নাশপাতি এবং শুকনা ফল খোরমা, খেজুর ইত্যাদি ।

ইফতারিতে বেশি করে ফল খাওয়া উচিত। ফলে বিভিন্ন খনিজ বিদ্যমান থাকে তাছাড়াও থাকে ভিটামিন ও ফাইবার ইত্যাদি। তাই এই রমজানে ইফতার ও সেহেরীতে একটি হলেও ফল রাখা খুব জরুরী। সেহেরীতে বেশি তেল চর্বির খাবার বর্জন করলে শরীরের স্বাচ্ছন্দ্যের কারণ হবে ও আরাম বোধ হবে। এসময় মাংসের পরিমাণটা কম করে, মাছ ও শাক-সবজিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।

সফলতার ৭ উপায়:-
জীবনে সফল হতে চায় সবাই। কিন্তু সাফল্য ধরা দেয় কম মানুষকেই। বলা যায়, সফলতার সোনার কাঠি ছুঁতে পারে না সবাই। কিন্তু যাদের জীবন সফল তারা কি আপনার অনুকরণীয় অনুস্মরণীয় হতে পারে না! জীবনে কি পেলাম কি পেলাম না সে হিসাব কষতে বসে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। তারচেয়ে বরং জীবনটাকে কাজের মধ্যে ছুড়ে দিন। সফলতা এক সময় না এক সময় আসবেই। এজন্যই বলা হয়- কাজের অপর নামই সফলতা।

সফল হওয়ার ৭টি উপায়

সকালে ঘুম থেকে উঠা
অনেকেই আছেন ‘কাজ নেই’ অজুহাতে বেলা করে ঘুম থেকে উঠেন। কিন্তু জীবনে যারা সফল হয়েছেন তাদের মূলমন্ত্র ছিল ‘আর্লি টু বেড আর্লি টু রাইজ’। এছাড়া সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে সারা দিন মস্তিষ্ক থাকে ক্ষুরধার, মন থাকে সতেজ। কাজেও পাওয়া যায় বাড়তি মনোযোগ ও শক্তি।

কর্মপরিকল্পনা
সঠিক পরিকল্পনা কাজের অর্ধেকটা করে দেয়। ‘কোনটা রেখে কোনটা করি, কোনটা আগে কোনটা পড়ে করি’ এ ধরনের দোটানায় ভোগা যাবে না। গুরুত্ব বুঝে কাজে হাত দিন। প্ল্যানটাও সে অনুযায়ীই সাজান। কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ একটু দেরিতে হলেও ক্ষতি নেই। প্রয়োজনের কাজটাই আগে ঝটপট সেরে নিন।

শরীরচর্চা
মনে প্রশ্ন জাগতে পারে- প্রতিদিন নিয়ম মেনে শরীরচর্চা আর ব্যায়াম করতেই কি সফলতা পাওয়া যাবে? কিন্তু মনে রাখবেন শরীর একটা যন্ত্রের মতো। নিয়মিত ব্যবহারের অভাবে যন্ত্র যেমন বিকল হয়ে পড়ে, পরিমিত ব্যায়ামের অভাবে শরীরও তেমনি হয়ে পড়ে স্থবির। তাই সফল মানুষরা প্রাণচাঞ্চল্য ধরে রাখতে শরীরচর্চার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করেছেন।

লক্ষ্য স্থির করুন
এক লাফে কেউ ১৪ তলায় উঠে যেতে পারে না। সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে হয় ধাপে ধাপে, একটু একটু করে, ধীরে ধীরে। সেজন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়। লক্ষ্য ঠিক না থাকলে সারা দিন দৌড়ালেও গন্তব্যে পৌঁছুনো যাবে না। লক্ষ্যটা স্থির থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছুনোও সহজ হয়ে যায়।

বইপড়া
জীবনে প্রতিটি ক্ষেত্রে জ্ঞানের কোনও বিকল্প নেই। সেজন্যই কথায় বলে, মূর্খ বন্ধুর চেয়ে জ্ঞানী শত্রু ভালো। এই পৃথিবীতে যুগে যুগে যারা সফলতার শীর্ষে পৌঁছেছেন তাদের জ্ঞানচর্চা ছিল বিরামহীন। পৃথিবীতে এমন সফল মানুষও আছেন যাদের প্রতিদিন দু-চার ঘণ্টা বই না পড়লে ঘুমই হয় না। কারণ বইয়ের পাতায় পাতায় থাকে বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। অতএব বই পড়ার অভ্যেসটা আগে রপ্ত করুন।

প্রস্তুতি
বিখ্যাত চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসোর কাছে এবার এক ভদ্র মহিলা এসে আবদার করলে তাকে একটি পোর্ট্রেট এঁকে দিতে। পিকাসো মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই তুলির টানে পোর্ট্রেটটি এঁকে ফেললেন। মহিলাকে বললেন- এর দাম ১০ হাজার ডলার। মহিলাতো চমকে গেলেন। পিকাসোকে বললেন, মাত্র ৩০ সেকেন্ড লেগেছে আপনার এটি আঁকতে। সেজন্য এত টাকা। উত্তরে পিকাসো বলেছিলেন- ৩০ সেকেন্ডে এমন একটি পোর্ট্রেট আঁকা রপ্ত করতে আমার সময় লেগেছে ৩০ বছর। তাই এর দাম ১০ হাজার ডলার। এ থেকেই স্পষ্ট, জীবনে প্রস্তুতিটা ভালো না হলে হুটহাট করে ভালো কিছু হয় না।

কাজ করে যান
অতীত কিংবা ভবিষ্যতের ধারণা পুরোপুরি আপেক্ষিক। আজকের দিনটাই সব। আজ ভালো করে কাজ করুন, আগামীকালটা সুন্দর হবেই। আজ যদি কাজে ভালো করেন তবে দারুণ একটি ভবিষ্যত আপনার হাতে ধরা দেবেই। আর আজ কাজ করবেন না, পরদিন সকালে বলবেন- গতকাল দিনটা ভালো যায়নি। তা তো হতে পারে না।

উল্লিখিত বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিন। জীবনে কর্মে যারা সফল হয়েছেন তাদের মধ্যে এইসব গুণগুলোই সবচেয়ে বেশি ছিল।


যেভাবে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাকার থেকে নিরাপদে রাখবেন

ফেসবুক বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম। আমরা বর্তমান সময়ে কম-বেশি সবাই ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি।আর এই জন্য আমাদের ফেসবুক আইডি নিরাপদ রাখার জন্য আরো বাড়তি সচেতন থাকা দরকার।

কারণ, ফেসবুক যেমন জনপ্রিয় টিক তেমনি ফেসবুক ব্যবহারকারিদের প্রতি হ্যাকারদের নজরও বেশি।তাই আপনার একটু খানি অসচেতনটা হতে পারে আপনার জন্য অনেক হুমকি ও অসম্মানজনক। ধরুন, একদিন আপনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলেন যে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিতে আর লগ ইন করতে পারছেন না।হঠাৎ করে আপনার ফেসবুক আইডিতে আজেবাজে বা অনাকাঙ্ক্ষিত ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখায় আপনার বন্ধু-বান্ধবরা আপনাকে কল দিচ্ছে। হুম, এছাড়া আরো অনেক ধরনের অনাকাংখিত ঘটনার সম্মুখী হতে পারেন। এই যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল এদিকে আপনি কিছুই জানেন না। কিন্তু অবাক হচ্ছেন। হুম,অবাক হবারে কথা। আর এই সব ঘটনা ঘটায় হচ্ছে হ্যাকারা। তাহলে আপনি বুঝেন আপনার ফেসবুক আইডি কতোটা নিরাপদ??? তাই আজ আমি আপনাদের কাছে ফেসবুক আইডি হ্যাকাদের থেকে কিভাবে নিরাপদে রাখবেন তা নিয়ে আলোচনা করব।

step
১। কখনো আপনার পাসওয়ার্ড কারো সাথে শেয়ার করবেন না এমনকি আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সাথেও।
এক্ষেত্রে একটি নিরাপদ সংযোগের মাধ্যমে ব্রাউজিং সবসময় যুক্তিযুক্ত।

২। আপনার নিউজ ফিডে সন্দেহজনক লিঙ্ক দেখলে সাথে সাথে রিমুভ করে দেবেন। আপনি নিশ্চিত হয় না যেকোন গেম, অ্যাপ্লিকেশন, এবং অন্যদের কোনো লিঙ্কে ক্লিক করবেন না।
তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন যা আপনার তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য অনুমতি চাই এগুলকে এড়িয়ে চলুন। আপনি যদি কোন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে না চান, তাহলে এটি নিষ্ক্রিয় বা ঐ অ্যাপ্লিকেশন মুছে ফেলাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

৩। আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মেইন ইমেইল এর পাশাপাশি আরেকটি ইমেইল আইডি যুক্ত করুন। যদি আপনার প্রোফাইল কোন কারণে হ্যাকও হয়ে যায় সেক্ষেত্রে ফেসবুক আপনার দ্বিতীয় ইমেইলে আপনার অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য তথ্য পাঠাবে।
এই ধাপগুলির আগে, আপনাকে ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতি ভালো করে বুঝতে হবে।
৪। আপনি অপরিচিত কারোর ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহন করার আগে তার প্রোফাইল চেক করে নেবেন।
এছাড়া আপনি আপনার বন্ধুর কাছ থেকেও তথ্য নিতে পারেন।

step-5
৫। নিয়মিত আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন এবং শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার লগইন নোটিফিকেশন সক্রিয় করতে ভুলবেন না।
৬। আপনার পিসি নিরাপত্তা আপডেট রাখুন। আজকাল সহজে ফিশিং প্রক্রিয়ায় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করা হয়।
সব সময়ে আপানার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখুন।

শিক্ষার মান নিয়ে কিছু কথা

শিক্ষার মান পড়ছে, তা নিয়ে সচেতন মানুষ উদ্বিগ্ন। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় শ্রেণির অনেক শিক্ষার্থী প্রথম শ্রেণির উপযোগী শব্দ বা বাক্য পাঠে থমকে যায়, সরল বিয়োগও করতে পারে না। এ কথা এখন সকলে জানেন ও মানেন যে, শিক্ষাবিস্তারে সাফল্য না এলে তা অনেক সমস্যার জন্ম দেয় এবং অবশ্যই দেশের উন্নয়ন শ্লথ হয়ে যায়। তাই, শিক্ষার মান পড়ায় সচেতন মানুষ তো উদ্বিগ্ন হবেই। তারা চাইবেই যে, শিক্ষার মান উন্নত হোক।
কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসে পড়েছে মেঘের মতো যা আকাশের নীল মুছে দিতে উদ্যত। শিক্ষা কাকে বলে? শিক্ষার মান বলতে কী বুঝি আমরা? যদি ব্যর্থ হয়ে থাকি তো সে দায় কার? প্রশ্ন আরও আছে। আমরা আপাতত এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর সন্ধান করি।
শিক্ষা কাকে বলে? আমাদের সংবিধানে বলা আছে, ১৪ বছর পর্যন্ত সব শিশুর জন্য প্রথাগত শিক্ষার আয়োজন করবে রাষ্ট্র। সময়সীমা ধার্য হয়েছিল দশ বছর। রাষ্ট্রের এমন প্রতিশ্রæতি স্বপ্নাদেশ নয়, দীর্ঘ চর্চার ফসল। এই দেশের চিন্তাবিদ, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক আলোচনা করেছেন শিক্ষার রূপ, প্রকৃতি নিয়ে। বিবেচনা করেছেন এই দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কেমন শিক্ষার প্রয়োজন, বিবেচনা করেছেন শিক্ষা কাকে বলে? এখানে বলে রাখা ভালো যে, কেবল এই প্রশ্নটি নয়, ওপরের কোনো প্রশ্নেরই সর্বজনগ্রাহ্য উত্তর নেই। অনেক বিশেষজ্ঞ, অনেক কমিটি-কমিশন বলেছে, সবার আগে সকলকে সাক্ষর হতে হবে, লিখতে-পড়তে শিখতে পারলেই হবে, আর অল্পস্বল্প অঙ্ক।
ব্রিটিশরা এ দেশ ছাড়ল যখন তখন এ অঞ্চলে সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ১৮ শতাংশ। ন্যূনতম লক্ষ্য সাক্ষরতা মেনেও অনেকে বললেন, আরও কিছু চাই। চাই সুশিক্ষা, যা মানুষকে স্বাধীনভাবে ভাবতে শেখাবে, সুনাগরিক হতে সাহায্য করবে। দশ কেন, সত্তর বছর পরে এমনকি বাংলাদেশ সৃষ্টির ৪৭ বছর পরও এদেশের প্রায় চার ভাগের এক ভাগ মানুষ নিরক্ষর। প্রায় ৫০ লক্ষ শিশু স্কুলেই যায় না। যারা যায় তাদের অনেকে স্কুলছুট হয়। শিক্ষা অনাকর্ষণীয়, ব্যয় সাপেক্ষ। গরিবের সংসারে বিলাসমাত্র। স্কুলছুটের কারণই শিক্ষার হালচাল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়। তবু তো দেশের তিন-চতুর্থাংশ সাক্ষর এবং তাতেও তুষ্ট হওয়া যেত যদি না প্রশ্ন উঠত শিক্ষার মান নিয়ে।
শিক্ষার মান বলতে কী বুঝি আমরা? এ নিয়ে তর্কের অবকাশ আছে। কালে কালে শিক্ষার মান সম্পর্কিত ধারণার বিবর্তন হয়েছে, হচ্ছে এবং হবেও। অনেকেই চাইছেন, শিশুর সুনাগরিক হয়ে ওঠার পথে শিক্ষা যেন সহায় হয়। নিছক বিজ্ঞাপন-পাঠের যোগ্যতা অর্জন করলেই হয় না, আজকের শিক্ষার্থী আগামীকাল নাগরিক হয়ে যেন সমাজ বা রাষ্ট্রের গতিধারায় ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীর চাহিদা ও স্বপ্ন বিবর্তিত হচ্ছে। কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্তে¡ও শিক্ষান্তে তাদের মাত্র ১ শতাংশ কৃষিকাজে যুক্ত হতে চায়; তাও চায় তাদের অভিভাবকরা চান সরকারি চাকরি।
কোনো কোনো বেসরকারি সংস্থা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, প্রথাগত শিক্ষার মান নামছে। তারা তো গ্রাম বাংলার পরিসংখ্যান তুলে ধরে- অথচ, সাঁতার কাটা বা সাইকেল চালানো তাদের বিচারে শিক্ষার মান নির্ণায়ক নয়। ভালো মানের শিক্ষা সমাজ-সংসারে শান্তির সম্ভাবনা বাড়ায়, সম্প্রীতির আবহ স্থাপনে সাহায্য করে, পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করে। কেবল এদেশ বলে নয়, বিশ্ব-পরিস্থিতি বলে দিচ্ছে, খুব খারাপ সময় এসেছে, আরও খারাপ সময় আসছে, যা মোকাবিলায় শিক্ষা সাহায্য করছে না। শিক্ষার মান পড়ছে। সুশিক্ষার আয়োজনে আমরা বুঝি ব্যর্থ।
যদি ব্যর্থ হয়ে থাকি তো সে দায় কার? প্রয়োজনের তুলনায় চিরকালই শিক্ষাখাতে বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থও এই খাতে সবটা খরচ করা হয় না। তবু, স্বাধীনতার পর খরচ যা হয়েছে তা নিতান্ত কম নয়। তা সত্তে¡ও দেশটা পূর্ণ সাক্ষরও হয়ে উঠতে পারেনি। কেন? দুর্নীতি? অপচয়? দায়িত্বে থাকা মানুষদের অযোগ্যতা, অবহেলা? অদক্ষতা? অথচ, সরকার ও প্রশাসন নিয়মিত বলে যাচ্ছে, আমরা দ্রæত লক্ষ্যের দিকে এগোচ্ছি। বারবার প্রমাণ হয়েছে, এমন দাবি অসত্য। তবু তো শুনিনি দায়িত্বে থাকা মানুষদের কার কোনো শাস্তি হয়েছে। তাঁরা দায় এড়িয়েছেন বা দায় চাপিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী আর অভিভাবদের ওপর। সবটুকু না হলেও তাদের সকলেরই কিছু দায় নিশ্চয়ই থাকে। কেমন দায়? শিক্ষামন্ত্রী কি একাই সবকিছু করবেন, তাঁর তো ইচ্ছা বা আন্তরিকতার অভাব নেই। দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করেই যাচ্ছেন। দেখা যায়, আজ ঢাকা তো কাল সিলেট, পরদিন দিনাজপুর এভাবে তিনি সারা দেশে দৌড়াচ্ছেন। কীভাবে শিক্ষিতের হার বা শিক্ষার মান উন্নত করা যায় তা নিয়ে কাজ করেই যাচ্ছেন। তাঁকে কি সকল মহল থেকে সাহায্য করা উচিৎ না?
মানতেই হবে, পেটে খিদে নিয়ে বা জরাজীর্ণ শরীর নিয়ে বিদ্যাচর্চা হয় না। শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ন্যূনতম মান নিশ্চিত না করা গেলে শিক্ষার আয়োজন ব্যর্থ হবেই। উপযুক্ত পরিবেশও চাই। নিয়মিত পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি থাকলেও শিক্ষার্থীর ওপর চাপ পড়ে। তবু যে শিশুরা স্কুলে আসে তাই তো চরম বিস্ময়ের। কিন্তু, আসাটা তাদের অনেকের অনিয়মিত! শিক্ষা বা শিক্ষার আয়োজন আকর্ষণীয় না হলে সে নিয়মিত আসবে কেন? যেমন পুষ্টির জন্য মিড ডে মিল, তেমনি শিক্ষার আয়োজন আকর্ষণীয় করতে আদর্শ স্কুলশিক্ষা কাঠামো গড়াতেও সরকার মন দিয়েছে। কিন্তু, মিড ডে মিল তো সকলে পায় না। মাথাপিছু বরাদ্দ এত কম যে, যাঁরা তা পায়, গুণে-পরিমাণে তা অতি সামান্য। অপুষ্ট হাঁস-মুরগির পুষ্টিসাধনে এর চেয়েও বেশি অর্থের প্রয়োজন হয়। আর স্কুল কাঠামো? সরকার বলছে, সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানীয় জল আর শৌচাগারের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু সে পানি নিরাপদ কি না কেউ জানে না, যেমন কেউ জানে না শৌচাগারের চাবিটা কার কাছে, কেন? কেন শৌচাগারে নেই পানির সংযোগ? শিশু তো জানে না, সরকারি ব্যবস্থা এমন হয়। সে নিয়মিত স্কুলে আসার আগ্রহ হারায়।
ভালো মানের শিক্ষক পারে তার আগ্রহ বাড়াতে। এখন ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত বেশ ভালো। তবুও রয়েছে প্রচুর ১/২ শিক্ষকের পাঠশালা, নিয়মিত শিক্ষক নেই একজনও- আছেন পার্শ্বশিক্ষক; এমন বিদ্যালয়ও দেশে কম নয়। ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত বেশ ভালো যেখানে সেখানেও সমস্যা বড়ো কম নয়। মনোবিদ নেই, আছে শিশু নির্যাতন, খেলা-আঁকা-গানের মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পায় না। তাদের আরও অনেক সমস্যা আছে।
সরকার কি পারে সব সমস্যার সমাধান করে দিতে? অভিভাবকরা এগিয়ে এলে অনেক কিছু হয়। অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষক তথা স্কুলের যোগাযোগ কমে গিয়েছে বা সৌহার্দ্য নেই এমনটাও আছে। স্কুল বা তার সংলগ্ন জনপদে শিক্ষকরা যেন বহিরাগত। পিঠ বাঁচাতে বা রাজনৈতিক ক্ষমতার লোভে কেউ কেউ দলীয় রাজনীতিতে মত্ত, কেউ বাড়তি অর্থের লোভে প্রাইভেট টিউশনে ব্যস্ত- অভিভাবকরা অনেক ক্ষেত্রেই দূরে দাঁড়িয়ে দেখেছেন বা দেখছেন না। দায় কেবল শিক্ষকের নয় কেবল অভিভাবকের নয়, দায় কেবল শিক্ষার্থী বা সরকার বা পরিচালকের নয়, দায় কেবল অশান্ত সময়ের নয়, এই সরল সত্য যদি না মানি তবে শিক্ষার মান নেমেই যাবে, কেউ সামাল দিতে পারবে না।

এসো আমরা সবাই প্রিয় নবীর এই বাণীগুলো পড়ি এবং মেনে চলি।
আল্লাহ
১.জান্নাতের চাবি হলো – ‘ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই ’ এ সাক্ষ্য দেয়া । ( আহমদ )
শব্দার্থ : ‘ ইলাহ’ মানে হুকুমকর্তা , আইনদাতা , আশ্রয়দাতা, ত্রাণকর্তা, উপাস্য, প্রার্থনা শ্রবণকারী।
২.আল্লাহ সুন্দর ! তিনি সৌন্দর্যকেই পছন্দ করেন। [ সহীহ মুসলিম ]
৩. শ্রেষ্ঠ কথা চারটি :
ক. সুবহানাল্লাহ – আল্লাহ পবিত্র ,
খ. আল হামদুলিল্লাহ – সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর ,
গ. লা – ইলাহা ইল্লাল্লাহ – আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই,
ঘ. আল্লাহু আকবর – আল্লাহ মহান। [ সহীহ মুসলিম ]
আল্লাহর অধিকার
৪. বান্দাহর উপর আল্লাহর অধিকার হলো , তারা কেবল তাঁরই আনুগত্য ও দাসত্ব করবে এবং তাঁর সাথে কোনো অংশীদার বানাবেনা । [ সহীহ বুখারী ]
ঈমান
৫.বলো : ‘ আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি ; অতপর এ কথার উপর অটল থাকো । [ সহীহ মুসলিম ]
৬. ঈমান না এনে তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেনা। [ তারগীব ]
৭. যে কেউ এই ঘোষণা দেবে : ‘ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই আর মুহাম্মদ সাঃ আল্লাহর রসূল ’ – আল্লাহ তাকে জাহান্নামের জন্যে নিষিদ্ধ করে দেবেন।[ সহীহ বুখারী ]
ঈমান থাকার লক্ষণ
৮. তুমি মুমিন হবে তখন , যখন তোমার ভালো কাজ তোমাকে আনন্দ দেবে , আর মন্দ কাজ দেবে মনোকষ্ট। [ আহমদ ]
ইসলাম
৯. সব কাজের আসল কাজ হলো ‘ ইসলাম’ । [ আহমদ ]
১০. কোনো বান্দাহ ততোক্ষণ পর্যন্ত মুসলিম হয়না , যতোক্ষণ তার মন ও যবান মুসলিম না হয়। [ তাগরীব ]

বিকল্প জ্বালানিচালিত মোটরগাড়ির ধারণাটি এখনো অনেকের কাছে আজগুবি মনে হতে পারে। কিন্তু গবেষকদের তৎপরতায় অর্জিত অগ্রগতির ফলে সে রকম ভাবনা থেকে সরে আসার সময় হয়েছে। 'নর্থ আমেরিকান অটো শো' শীর্ষক মোটরগাড়ি প্রদর্শনীতে চলতি বছর হাইড্রোজেনচালিত গাড়িও ঠাঁই পেয়েছে। তবে বিজ্ঞানীদের আরো দ্রম্নত এগিয়ে যেতে হবে। বিদু্যৎচালিত গাড়ির বাজার এত দ্রম্নত বিস্তৃত হচ্ছে যে, ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্যে জ্বালানি ব্যয় ১ হাজার ৩০০ কোটি ব্রিটিশ পাউন্ড কমে যাবে- নতুন এক গবেষণায় এমনই তথ্য মিলেছে। পশ্চিমা বিশ্বের পাশাপাশি চীনও থেমে নেই। সবচেয়ে বেশি কার্বন নির্গমনকারী দেশগুলোর তালিকায় চীনও রয়েছে। দেশটি কয়েক সপ্তাহ আগে তাদের প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রাম চালু করেছে। বর্তমান বিশ্বে হাইড্রোজেন গ্যাসের ১০ হাজার কোটি টাকার বাজার রয়েছে। এ হাইড্রোজেন যেমন অবিশুদ্ধ, তেমনি এর উৎপাদন খরচও অনেক বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী এবার জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন ব্যবহারের একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। মোটরগাড়িতে এ গ্যাস ব্যবহার করাটা যেমন সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব হবে, তেমনি গাড়ির গতিও হবে তুলনামূলক বেশি।বিজ্ঞানীরা শস্যের পরিত্যক্ত অংশ থেকে ওই হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদন করবেন। ফলে ভবিষ্যতে হয়তো একসময় রাস্তার আশপাশে পেট্রলপাম্পের জায়গা দখল করে নেবে জৈব জ্বালানি উৎপাদন কারখানাগুলো। ভার্জিনিয়া টেকের বিজ্ঞানীদের ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

হাইড্রোজেন জ্বালানি হিসেবে যেমন ব্যবহারের উপযোগী, তেমনি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারে। তবে কম দামে এবং কার্বননিরপেক্ষ উপায়ে হাইড্রোজেন উৎপাদনের জন্য নতুন প্রযুক্তি প্রয়োজন। ভার্জিনিয়া টেকের গবেষক পার্সিভ্যাল ঝ্যাং বলেন, তাদের উদ্ভাবিত নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমতে পারে। আর হাইড্রোজেনই হবে ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জৈব জ্বালানি।

ঝ্যাং ও তার সহযোগীরা নতুন ওই পদ্ধতিতে ব্যাপক পরিমাণে হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যে গবেষণার জন্য ইতোমধ্যে অর্থ বরাদ্দ পেয়েছেন। তাদের ওই পদ্ধতিতে ভুট্টাজাতীয় শস্যের বর্জ্য হিসেবে জমে থাকা চিনির শতভাগই হাইড্রোজেন গ্যাসে রূপান্তরিত করা সম্ভব। এতে বায়ুমন্ডলে কোনো কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন হবে না। আর এ পদ্ধতিতে ভুট্টার খোসা এবং শাঁসেরও সদ্ব্যবহার হবে। চিনির বড় উৎস হিসেবে পরিচিত জাইলোজ থেকে বিপুল পরিমাণ হাইড্রোজেন উৎপাদনের বিষয়টি আগে কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ ছিল।

ভার্জিনিয়া টেকের বিজ্ঞানীদের প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে হাইড্রোজেন উৎপাদনে কোনো গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হবে না। পাশাপাশি কোনো ভারী ধাতব পদার্থ ব্যবহারেরও প্রয়োজন নেই। মূলত প্রক্রিয়াজাত চিনি থেকেই ওই হাইড্রোজেন তৈরি করা হয়। ঝ্যাং বলেন, স্থানীয় জৈব উপাদান থেকে হাইড্রোজেন উৎপাদনের ব্যাপারটি অর্থনৈতিকভাবেও অনেক লাভজনক হতে পারে। আর জৈব জ্বালানি ব্যবহারের এ পদ্ধতি প্রচলিত হলে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমবে।

নতুন ওই পদ্ধতিতে উৎপাদিত হাইড্রোজেন হবে অত্যন্ত বিশুদ্ধ, যা যানবাহনের জ্বালানি কোষে ব্যবহারের বিশেষ উপযোগী। পদ্ধতিটি জটিল হলেও এর মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানির কার্যকারিতা শতভাগ। জাইলোজ বা চিনিনির্ভর অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত জৈব জ্বালানি (যেমন ইথানল ও বিউটানল) এতটা কার্যকারিতা দেখাতে পারে না। ঝ্যাং আগেও হাইড্রোজেন উৎপাদনের একটি পদ্ধতি বের করেছিলেন, কিন্তু তা প্রয়োগ করে বেশি পরিমাণে উৎপাদনে যাওয়াটা অনেক বেশি ব্যয়বহুল ছিল।

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে দীর্ঘদিন ধরে বিকল্প জ্বালানির অনুসন্ধান চলছে। হাইড্রোজেন ব্যবহারের ধারণাটি বেশ পুরনো। মার্কিন জ্বালানি দপ্তর স্বীকার করছে, বিশুদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন জ্বালানির ব্যবহার শুরু হলে জীবনযাত্রার ধরনে নাটকীয় পরিবর্তন আসবে।

২০ মিনিটের ব্যায়ামে থাকুন সুস্থ

সুস্থ থাকতে আমাদের প্রতিদিনই কিছু ব্যায়াম প্রয়োজন। কিন্তু সময়ের অভাবে আমারা একেবারেই ব্যায়াম করতে পারি না। কারণ অনেকেই ভাবেন অল্প সময় ব্যায়াম করলে কোনো সুফল পাওয়া যায় না। কিন্তু এমন ধারণা একেবারেই ভুল। অফিস থেকে ফিরে মাত্র ২০ মিনিটের ব্যায়ামে আপনি থাকতে পারেন সুস্থ।
ব্যায়ামের ধরণ : দেয়ালের কাছে একটি নরম ম্যাট বিছিয়ে তা উপর চিৎ হয়ে শুয়ে যতটা সম্ভব দেয়ালের কাছে এগিয়ে আনণœ পা। দেয়াল বরাবর শরীরের সঙ্গে ৯০ ডিগ্রি কোণ করে পা উপরে তুলে দিন। পা যেন সোজা থাকে।
এইভাবে ১৫-২০ মিনিট থাকুন। তবে এই ব্যায়াম করতে অসুবিধা হলে জোর করে করতে যাবেন না। তাতে শরীরে উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। পায়ে বা মেরুদ-ে ব্যথা থাকলেও এই ব্যায়াম করা যাবে না। এভাবে ২০ মিনিট থাকার সুফল কী জানেন?
সুফল : অনেকেই অফিসে বেশি সময় পা ঝুলিয়ে বসতে পারেন না কারণ পা ফুলে যায়। কিন্তু এই ভাবে ২০ মিনিট থাকলে পায়ে রক্ত চলাচল বাড়ে এবং ফোলা ভাব কমে। পায়ের সঙ্গে সারা শরীরেও রক্ত চলাচল বাড়ে।
মেদ কমাতেও সাহায্য করে এই ব্যায়াম। কারণ এর ফলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। রক্ত চলাচল ভাল হওয়ার জন্য পেরিস্টালসিস বাড়ায়। ফলে হজমের শক্তি বাড়ে। আর সঠিকভাবে হজম হলে মেদ কমবে দ্রুত। এমন কি পেটফাঁপার মত অসুখও কমে।
এছাড়া এই ব্যায়ামের কারণে আপনার নার্ভকেও চাপ মুক্ত রাখতে পারেন। অফিস করার পর বাসায় এসে মাথা, ঘাড়, পাকস্থলি এবং ফুসফুসের পেশিকে শিথিল রাখতে এই ব্যায়াম করুন। আর এতে করে অনেক বেশি পরিমান অক্সিজেন শরীরে প্রবেশ করে এবং ভাল রক্ত চলাচল কোষে কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
রাতে যদি একেবারেই ঘুম না আসে বা বারবার ঘুম ভেঙে যায় তাহলে এই শরীরচর্চা করতে পারেন। এটি মাথায় কোষে রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয় এবং নার্ভকে চাপমুক্ত রাখে ফলে গভীর ঘুম হয়।
যারা হাই হিল পড়েন তাদের পায়ে প্রচ- ব্যথা হয় এবং পা ফুলে যাওয়ায় দ্বিতীয় দিন হাই হিল পড়তে অসুবিধা হয়। তাই প্রতিদিন বাড়ি ফিরে ২০ মিনিট এভাবে শুয়ে থাকলে এই সমস্যা থেকেও মুক্তি পাবেন।

পবিত্র রমজান মাসে আমাদের নিজেদের মধ্যে এমন কিছু গুণ-বৈশিষ্ট্য অর্জনকরা উচিত যা আমাদেরকে গুণাহ থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে এবং সেই সাথে অনাকাক্সিক্ষতভাবে কোন গুনাহ হয়ে গেলে সাথে সাথেই যেন আমাদের মধ্যে অনুশোচনাবোধ তৈরি হয় এবং আমরা যেন যথাযথভাবে তওবা করে নিজেদেরকে শুধরে নিতে সক্ষম হই। এখানে আমরা এমন দশটি গুণ-বৈশিষ্ট নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো এ বিষয়ে আমাদেরকে সাহায্য করবে বলে আমরা আশাবাদী।

১) দৃঢ় সিদ্ধান্ত: গুনাহ থেকে বেঁচে থাকারজন্য সিদ্ধান্তের দৃঢ়তাএকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সিদ্ধান্তে অটল থাকতে না পারা বা দুর্বল সিদ্ধান্তের কারণে আমরা অনেক সময় বিবেকহীন কাজ বা গুনাহ করে ফেলি এবং তওবার উপর অটল থাকতে পারি না। যে কারণেআজ হয়তো অনুশোচনা করলাম কিন্তু কালই আবার ভুলে গেলাম এবং আবার তওবা করলাম এবং আবার ভূল করলাম।

সিদ্ধান্তের উপর অটল বা দৃঢ় থাকার রয়েছে কয়েকটি উপায়। প্রধানউপায় হল আল্লাহ’র স্মরণ। আমরা আমাদের হৃদয়টিকে আল্লাহ’র দিকে রুজু রাখার চেষ্টা করতে পারি। মনের মধ্যে আল্লাহ’র স্মরণ এবং ভয় জারি থাকলে কারো পক্ষে গুনাহ করা সম্ভব হয় না।

আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি এক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে; কারণ এটি বারবার চেষ্টা করার অভ্যাস গড়ে তোলে।

২) আল্লাহ’র সাহায্য কামনা: আমাদেও উচিত আল্লাহর সাহায্য কামনাকরা। নামাজের সময় সিজদায় কিংবা মুনাজাতের সময় আমরা আমাদেও পরোওয়ারদিগারের কাছে আরজ করতে পারি, যেন তিনি আমাদেরকে সিদ্ধান্তে অটল থাকার শক্তি দেন, আমরা যেন আন্তরিকভাবে তওবা করতে পারি এবং তিনি যেন আমাদেও তওবা কবুল করেন।

ঈমানদারীর বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে সব কাজে আল্লাহ’র সাহায্য কামনাকরা। মানুষেরমধ্যে সবচেয়েআদর্শস্থানীয় হচ্ছেন নবী-রাসূলগণ। সেই নবী-রাসূলগণ পর্যন্ত গুণাহ থেকে বেঁচে থাকতে এবং সকল কাজে সব সময় আল্লাহর সাহায্য কামনা করতেন এবং ক্ষমা চাইতেন। পবিত্র কোরআন মজিদে বহু নবীর প্রার্থনার বর্ণনা রয়েছে। যেমন: ‘স্মরণ কর, ইব্রাহিম ও ইসমাইল যখন এই (কা’বা) ঘরের প্রাচীর নির্মাণ করছিল, তখন উভয়েই দোয়া করছিল এই বলে: হে আমাদেও রব! আমাদের এই কাজ তুমি কবুল কর, তুমি নিশ্চয়ই সব কিছু শুনতে পাও এবং সবকিছু জানো। হে আমাদের রব! তুমি আমাদের দুজনকেই তোমার ফরমানের অনুগত (মুসলিম) বানিয়ে দাও। আমাদেও বংশ হতে এমন একটি জাতির উত্থান কর যারা হবে তোমার অনুগত (মুসলিম)। তুমি আমাদেরকে তোমার ইবাদতের পন্থা বলে দাও এবং আমাদের দোষ-ত্রুটি ক্ষমা কর। নিশ্চয়ই তুমি অতীব ক্ষমাশীল এবং অতিশয় অনুগ্রহকারী।’ -(সূরা আলবাকারা: আয়াত ১২৭-১২৮)

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)ও দোয়া করতেন এভাবে: ‘হে আমার প্রভূ! আমাকে ক্ষমা কর এবং আমার অপরাধ সমূহ মাফ কর। নিশ্চয়ই তুমি অতীব ক্ষমাশীল এবং অত্যন্ত মেহেরবান।’-সিনানে তিরমিজি (৩৪৩৪) এবংআবু দাউদ(১৫১৬)।

৩) খারাপ পরিবেশ এবং অসৎ সঙ্গ থেকে বেঁচে থাকা : গুনাহ’র কাজে প্রলুব্ধ কওে এমন পরিবেশ এবং সঙ্গী-সাথী’র সংস্পর্শ থেকে বাঁচতে পারলে গুনাহ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। কথায়আছেÑ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।’ হাদীসে আছে- মানুষ যে ধরনের লোকদেরসাথে ওঠা-বসা করবে হাশরের দিন সে ধরনের লোকদের সাথেই তাদেও পুণরুত্থান হবে।

৪) নৈরাশ্য ও হতাশাপরিহারকরা: মানুষের অন্তরে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে এ ধরনের নেতিবাচক প্রবণতা বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। মুসলমানদেও জন্য নিরাশ হওয়া নিষেধ। আল্লাহ বলেন: ‘আল্লাহ’র রহমত থেকে কখনো নিরাশ হয়ো না। অবিশ্বাসীছাড়া কেউ আল্লাহ’র রহমত থেকে নিরাশহয় না।’-(সূরাইউনুস: আয়াত ৮৭)

হতাশা কাটাতে মহানবীর (সা.) এই হাদীসটি আমাদের সহায়ক হতে পারে: ‘আল্লাহ’র কসম করে বলছি, যাঁর হাতে আমার জীবন, তুমি যদি এমন মানুষহও যে কখনো কোন পাপ করেনি, তাহলে আল্লাহ তোমাকে দুনিয়া থেকে তুলে নিবেন এবং অন্য কাউকে তোমার স্থলাভুক্ত করবেন যে গুনাহকরবে এবং তার জন্য আল্লাহ’র কাছে মাফ চাবে এবং আল্লাহ তাকে মাফ করতে পারবেন।’-(সহিহ মুসলিম-২৭৪৯)

আরেকটি হাদীসে আল্লাহ’র নবী বলেছেন: ‘সমস্ত আদম সন্তানই গুনাহগার। এদেরমধ্যে সর্বোত্তম গুনাহগার হল তারা, যারা অনুতপ্ত।’ -(সুনানে তিরমিজি-২৪৯৯)

৫) বেশি বেশি নেক আমলের চেষ্টা করা: গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার সবচেয়েভাল উপায়হল বেশি বেশি নেক আমল করা। এ প্রসঙ্গে আল্লাহরাব্বুলআ’লামীনবলেন:

‘নিশ্চয়ই নেকআমল বদ আমলকে দূরকরে দেয়।’ –(সূরা হুদ, আয়াত-১১৫)

সকল মানুষেরই নেক আমল করার সক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে আমাদের উচিত বেশি বেশি নামাজ, কোরআন পাঠ, তওবা এস্তেগফার করা, রোজা এবং যিকর বা আল্লাহ’র স্মরণ সহ নেক আমলের মধ্যে যুক্ত থাকা। এছাড়া ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়ন, কোরআনপাকের তাফসীর, দরসে হাদীসএবং সাহাবীদেও জীবনী অধ্যয়নও সময় কাটানোর এক ভালো উপায়। রোজা রেখে টেলিভিশন দেখে বা ফেইসবুক/ইউটিউবে ডুবে না থেকে আমরা ইসলামী সাহিত্য অধ্যয়নের মাধ্যমে মাহে রমজানের পবিত্র সময় গুলোকে কাজে লাগাতে পারি।

এছাড়া আমরা অন্যদেরকে সৎ কাজে উদ্বুদ্ধ করা এবং অসৎ কাজ থেকে নিরুৎসাহিৎ করার কাজও করতে পারি।

আমরা আমাদের পিতা-মাতার সেবা করতে পারি এবং অন্যদেরকেও সাহায্য করতে পারি। এভাবে যতটা সম্ভব ভালো কাজের মধ্যে আমরা সম্পৃক্ত থাকতেপারি।

৬) আল্লাহ’র প্রতি, আল্লাহ’র ইবাদতের প্রতি আন্তরিক হওয়া: আমরা যখন আমাদেও প্রভূও ব্যাপাওে আন্তরিক হব, ইবাদত-বন্দেগীতে আন্তরিক হব, তখন আল্লাহও আমাদেও সবকিছু সহজ করে দিবেন। আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীন কাদেরকে শাস্তি দিবেন তা পবিত্র কোরআন মজিদে উল্লেখ করেছেন। তারপর বলেছেন ‘তাদেরকে ছাড়া যারা তওবা করেছে, নিজেদেরকে শুধরেনিয়েছে, আল্লাহ’র সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছে, আল্লাহ’রজন্যই ইবাদত-বন্দেগীতে আন্তরিক থেকেছে তারা ঈমানদারদের অন্তর্ভুক্ত এবং আল্লাহ ঈমানদারদেও জন্য বিরাট পুরুষ্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।

৭) দূরবর্তী আশা পরিহার: পৃথিবীতে আমাদের জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত এবং এ বিষয় টি মাথায় রেখে খুব বেশি দূরবর্তী আশা পরিহার করতে হবে। অর্থাৎ খুব বেশি দীর্ঘ মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা করে তাতে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার আশা পরিহার করতে হবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ’র রাসূল একবার হযরত ওমর (রাঃ)-কে বলেন, ‘পৃথিবীতে এমনভাবে বসবাস কর যেন তুমি একজন মুসাফির।’ - সহীহআলবুখারী

একই প্রসঙ্গে পরবর্তীতে ইবনে উমর একবার বলেছিলেন, ‘তুমি যখন রাতে ঘুমাতে যাবে তখন এ আশাক’রোনা যে তুমি সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠবে। আবার যখন সকালে ঘুম থেকে জেগে উঠবে তখন রাত পর্যন্ত বেঁচে থাকার প্রত্যাশা করবে না। কাজেই যখন তোমারশরীর ভাল থাকে তখন অসুস্থ হওয়ার আগে তা কে কাজে লাগাও এবং যতক্ষণ জীবিত থাকো মৃত্যু আশারআগে তাকে কাজে লাগাও।’

৮) গুনাহ’রখারাপপরিণতিরব্যাপারেসজাগ থাকা: কোন গুনাহকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। ছোট-বড় সব গুনাহকেই বিপজ্জনক মনে করে তা থেকে বাঁচার চেষ্টা করতে হবে। গুনাহ’র প্রভাব অনেক সময় গুনাহগারের অধীনস্থ লোক এবং যানবাহনের ওপড়ে থাকে। গুনাহকে ছোট করে দেখার কয়েকটি উদাহরণ:

ক. ধর্মীয়জ্ঞান থেকে বঞ্চিত থাকা: এই জ্ঞান হচ্ছে জান্নাতের পথ। জ্ঞান হচ্ছে আলো যা আল্লাহ আমাদেও হৃদয়ে স্থাপন করেন আর পাপ এই জ্ঞানকে নিভিয়ে দেয়।

প্রখ্যাতফকীহহযরতশাফী (র.) যখনশিশুবয়সেতাঁরউস্তাদ হযরতমালিকি (র.) অধীনেপড়াশোনাকরছিলেন, তখন মালিকি (র.) তাঁর ছাত্রের মেধা এবং বিচক্ষণতা লক্ষ্য কওে তাকে উপদেশ দিয়েছিলেন এই বলে: ‘আমার মনে হচ্ছে আল্লাহ তোমার অন্তরে আলো স্থাপনকরেছেন। দেখো, গুনাহ’র অন্ধকার দিয়ে এই আলোককে নিভিয়ে ফেলোনা।’

খ. দ্বীনদারীর নামে জীবনকে কঠিন করে ফেলা:একইভাবেদ্বীনদারীঅবলম্বন করতে যেয়ে কেউ কেউ অহেতুক নিজেকে সেহরি এবং খাদ্য-পুষ্টি থেকে বঞ্চিত রাখে এবং জীবনকে অহেতুক কঠিনতর করে ফেলে। মূলত বৈরাগ্যবাদীধারণা থেকেই মানুষ এটি করে থাকে; যদিও বৈরাগ্যবাদের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।

৪০টি গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ
যা অাপনার জীবনকে বদলে দেবে

১। তিন সময়ে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুনঃ
ক ) ফজরের পর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত,
খ ) আছর থেকে মাগরিব এবং
গ ) মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত।
.
২। দুর্গন্ধময় লোকের সাথে বসবেন না। যেমন যাদের মুখ থেকে সিগারেট কিংবা কাঁচা পেয়াজের গন্ধ আসে এমন লোকের সাথে।

৩। এমন লোকের কাছে ঘুমাবেন না যারা ঘুমানোর পূর্বে মন্দ কথা বলে ।
.
৪। বাম হাতে খাওয়া এবং পান করা থেকে বিরত থাকুন।
.
৫। দাঁতে আটকে থাকা খাবার বের করে খাওয়া পরিহার করুন।
.
৬। হাতে-পায়ের আঙ্গুল ফোটানো পরিহার করুন।
.
৭। জুতা পরিধানের পূর্বে দেখে নিন।
.
৮। নামাজে থাকা অবস্থায় আকাশের দিকে তাকাবেন না।
.
৯। টয়লেটে থুথু ফেলবেন না।
.
১০। কয়লা দিয়ে দাঁত মাজবেন না।
.
১১। প্যান্ট বা ট্রাউজার বা পায়জামা বসে ডান পা আগে পরিধান করুন।
.
১২। ফুঁক দিয়ে খাবার_ঠাণ্ডা করবেন না।
প্রয়োজনে বাতাস করতে পারেন।
.
১৩। দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে যাবেন না।
.
১৫। ইকামাহ এবং নামাজের মধ্যবর্তী সময়ে কথা বলবেন না ।
.
১৬। টয়লেটে থাকা অবস্থায় কথা বলবেন না।
.
১৭। বন্ধুদের সম্পর্কে গল্প করবেন না। ভালো কিছুও নয়। ভালো বলতে বলতে মুখ দিয়ে শয়তান খারাপ কিছু বের করে দেবে!
.
১৮। বন্ধুদের জন্য প্রতিকূলতা সৃষ্টি করবেন না।
.
১৯। চলার সময় বারবার পেছনে ফিরে তাকাবেন না ।
.
২০। হাঁটার সময় দম্ভভরে মাটিতে পা ঠুকবেন না ।
.
২১। বন্ধুদের সন্দেহ করবেন না।
.
২২। কখনো মিথ্যা বলবেন না । ঠাট্টা করেও নয়।
.
২৩। নাকের কাছে নিয়ে খাবারের গন্ধ শুকবেন না ।
.
২৪। স্পষ্ট করে কথা বলুন যাতে লোকজন সহজে বুঝতে পারে।
.
২৫। একা ভ্রমণ করবেন না । দুইয়ের অধিক বা সম্ভব হলে দলবেঁধে ভ্রমণ করুন।
.
২৬। একা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিবেন না, বুদ্ধিসম্পন্ন কারো সাথে পরামর্শ করুন। তবে সিদ্ধান্ত হবে আপনার!
.
২৭। নিজেকে নিয়ে কখনো গর্ব করবেন না।
.
২৮। খাবার নিয়ে কখনো মন খারাপ করবেন না। যা পেয়েছেন তাতেই আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করুন।
.
২৯। অহংকার করবেন না। অহংকার একমাত্র আল্লাহ্ পাকের সাজে।
.
৩০। ভিক্ষুকদের পরিহাস করবেন না ।
.
৩১। মেহমানদের মন থেকে যথাসাধ্য ভালো মতো আপ্যায়ন করুন ।
.
৩২। ভালো কিছুতে সহযোগিতা করুন।
.
৩৩। দারিদ্র্যের সময়ও ধৈর্যধারণ করুন।
.
৩৪। নিজের ভুল নিয়ে ভাবুন এবং
অনুসূচনা করুন।
.
৩৫। যারা আপনার প্রতি খারাপ কিছু করে, তাদের সাথেও ভালো আচরণ করুন।
.
৩৬। যা কিছু আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আল্লাহ্ যা দিয়েছেন তার জন্য শুকরিয়া
আদায় করুন।
.
৩৭। বেশি ঘুমাবেন না , এতে স্মৃতিশক্তি লোপ পাবে।
.
৩৮। নিজের ভুলের জন্য দিনে অন্তত ১০০ বার আল্লাহ্ পাকের কাছে অনুতপ্ত হোন ।
আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ুন!
.
৩৯। অন্ধকারে কিছু খাবেন না।
.
৪০। মুখ ভর্তি করে খাবেন না। বাচ্চাদেরকেও মুখ ভর্তি করে খেতে দিবেন না।

আমি আমার চারপাশের অনেককেই দেখেছি নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার মতো ঘৃণ্য চেষ্টা করতে। এর মধ্যে আমার নিজের এক বন্ধুই এ কাজ করেছে। আরেক বন্ধু আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। কিশোর বা কিশোরীর আত্মহত্যার খবরও কানে আসে অনেক।
আমার মনে প্রশ্ন জাগে যে বয়সটা খেলাধুলা করার, আনন্দে মেতে থাকার সেই বয়সে কেন তারা আত্মহত্যার মতো এক ভয়ঙ্কর পথ বেছে নেয়। এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছি আপন মনে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় বিভিন্ন ধরণের পারিবারিক সমস্যা আর মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় কিশোররা। অনেক সময় দেখা যায় পড়াশোনা নিয়ে মাথার উপর পাহাড়সম চাপ তুলে দেয় অভিভাবক। অনেক সময় সেই চাপ না নিতে পেরে তারা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।
আমি মনে করি আমাদের পরিবার ও অভিভাবকদের উচিত তাদের চিন্তাধারা বদলানো। তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করাটাকে তারা মনে করে ‘বাড়তি যত্ন’। এটা নিতান্তই একটি অমূলক ধারণা। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় মানুষের সমালোচনাও শিশু-কিশোরের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে বিপথগামী হয় তারা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে অভিভাবকরা। তার সকল সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো, উৎসাহ প্রদান করলে তার কাছে আর জীবনটা বিতৃষ্ণার হবে না। অনেক সময় অভিভাবকেরা তাদের সন্তানকে দুদণ্ড সময় দিতে পারেন না। তাদের উচিত ব্যস্ত জীবন থেকে একটু সময় নিয়ে তাদের সন্তানকে জানা।
সকল অভিভাবকরা সচেতন হলে আর কিশোররা যদি বুঝতে পারে আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয় তবেই হয়তো কমে আসবে অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়া সম্ভাবনার সংখ্যা। মনে ধারণ করতে হবে কামিনী রায়ের “পাছে লোকে কিছু বলে” কবিতার মূলভাব। সব নিন্দাকে পেছনে ফেলে মনে রাখতে হবে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ। আর সেই এগিয়ে যাওয়ার পথে অবশ্যই পাশে চাই অভিভাবকদের।

‘বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়বস্তু হচ্ছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বিশ্বে বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা তুঙ্গে। এ-সময়ে বিশ্বের সাথে খাপ খেয়ে চলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিশিষ্ট ডিভাইস তৈরির প্রথম ধাপ বেসিক আর্ডিনো’।
গতকাল ১১ আগস্ট নগরীর প্রবর্তক মোড়স্থ প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম হলে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বেসিক আর্ডিনো কর্মশালায় (মাইক্রোকন্ট্রোলার)’ বক্তারা এসব কথা বলেন।
তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান ইফতেখার মনিরের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক সাইফুদ্দিন মুন্নার সঞ্চালনায় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় আইকিউএসির ডিরেক্টর প্রফেসর ড. তৌফিক সাঈদ।
এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএসই’র সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির প্রধান সাহিদ মো. আসিফ ইকবাল, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক টোটন চন্দ্র মল্লিক, সিএসই’র সহকারী অধ্যাপক মিনহাজ হোসাইন, তড়িৎ প্রকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্রীবাস চন্দ্র দেবনাথ। কর্মশালা পরিচালনা করেন ওয়ালটনের ইলেক্ট্রিক্যাল হেড রিদওয়ান ফেরদৌস, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের কো-অর্ডিনেটর মোশাররফ হোসেন টিপু, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের একাডেমিক মেনটর উজ্জ্বল পোদ্দার এবং বাংলাদেশ এসপিএসব্লির একাডেমিক মেনটর মিশাল আলম। তড়িৎ প্রকৌশল ও সিএসই বিভাগের ৪৫ জন শিক্ষার্থী এ-কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।

মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন,
মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে |
_কাজী নজরুল ইসলাম

প্রকৃতি তার গোপন কথা একদিন বলবেই – এমিলি ডিকেন্স

ভূল করা দোষের কথা নয় বরং ভূলের
উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা দোষণীয়।

আজ পবিত্র লাইলাতুল বারাত

Hi ,

Just a quick reminder that you have less than 24 hours to join the Excel Pro course being taught by Jon Acampora at Excel Campus.



Replicate VLOOKUP Approximate Match with Power Query

A while ago I wrote about how to perform the equivalent of an Excel exact match VLOOKUP formula with Power Query which, by the way, is dead easy. Ever since then I’ve been asked to explain how to do a Power Query approximate match VLOOKUP formula. So, here it is. It requires a few more steps. Nothing too difficult though, I promise.

First let’s look at what it means to do an approximate match VLOOKUP. Taking the Orders Table below I want to apply a bonus for each row based on the Order Value bands in the blue ‘lookup table’:
Orders Table

The Order Value in the Bonus table represents the minimum order amount for the corresponding bonus rate e.g. The order on row 8 will not receive a bonus because it’s below the minimum order value of $10,000. And the order on row 7 will attract a 10% bonus because it’s above $10,000 and below the next band of $20,000.

Using VLOOKUP I’d write the formula like so with ‘TRUE’ as the final argument:

=VLOOKUP(C5,$E$5:$F$8,2,TRUE)

The end result looks like this:
bonus table

Let’s look at how to achieve the approximate match VLOOKUP with Power Query.
Power Query Approximate Match VLOOKUP

Step 1: Load both the Order Table and Bonus Rates Table to Power Query. In Excel 2016 onward – Data tab > From Table/Range. In Excel 2013 and earlier – Power Query tab > From Table/Range:

Note: If you don’t see the Power Query tab in Excel 2010 or 2013 you can download it here.

Step 2: Merge the Tables; Home Tab > Merge Queries > As New
merge the tables

This opens the Merge dialog box where you select the two tables from the drop-down lists, then click on the column from each table that the lookup should be performed on. On this case it’s the Orders column from the Orders table and the Order Value column from the BonusRates table:
Join Kind

You can see the selected columns highlighted in green. Be sure to choose ‘Full Outer’ in the Join Kind drop-down list at the bottom of the Merge dialog box.

Step 3: Expand the BonusRates table by clicking on the double headed arrow on the column header:
Expand the BonusRates table

Select ‘Expand’ and deselect ‘Use original column name as prefix' as we don’t need it. It should look like this:
deselect the use original column name as prefix

Notice the first row contains null values for Manager, Date and Orders. This is because we don’t have any order values that match the BonusRate Order Value of $20,000. That’s ok. You’ll see why soon.

Step 4: Add a Conditional Column that pulls in the value from the Orders column or if null, then the Order Value from the Bonus Rate table.

Add Column tab > Conditional Column. Note: in the Output and Otherwise fields select the Table from the drop-down to the left. This will enable you to select the table name from the list.
add conditional column

Step 5: Change the data type for the Bonus Band column to decimal number. Click on ABC123 in the column header > Select 1.2 Decimal Number from the list:
change the data type to decimal number

Step 6: Sort the Bonus Band column; Select the Bonus Band column header > Home tab > Sort A to Z.

Step 7: Fill down the Bonus Rate; Select the Bonus Rate Column > Transform tab > Fill > Down. It should look like this:
fill down the bonus rate

Step 8: Now you can delete the Bonus Band and Order Value columns as they’ve done their job. Select the column headers and press the Delete key.

Step 9: Filter out the null rows in the Manager column as these are redundant Bonus Bands. Click on the drop-down beside the Manager column > deselect ‘null’ from the list:
filter out the null rows

Now the table contains the Bonus Rates for each row:
bonus rates
For Bonus Points (no pun intended!)

Step 10: If you want to go the extra mile you can add a calculated column for the Bonus amount. Select the Orders column then hold down the CTRL key and select the Bonus Rate column. On the Add Column tab > select Standard > Multiply:
add a calculated column for the bonus amount

Step 11: Rename the column; double click the header and type in a new name. I’ve called the column ‘Bonus’:
double click the header and type in a new name
Power Query Approximate Match VLOOKUP Dates

This approach will also work with dates. For example, the blue table below lists fiscal quarters:
power query approximate match vlookup dates

I can easily assign them to the Order table by merging them and following the same steps above. Download the workbook to see the complete example.
Download Workbook

Download the Excel Workbook. Note: This is a .xlsx file please ensure your browser doesn't change the file extension on download.
Have a great day,

Mynda Treacy

Co-founder, My Online Training Hub









Suvo Sakal

আসসালামুয়ালিকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজকের দায়িত্ব পেয়েছে ‘কাতার’।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম


রান্নায় জিরার ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। শুধুই যে রান্নায় সুগন্ধের জন্য জিরা ব্যবহার হয়, তা কিন্তু নয়। স্বাস্থ্যের কথা ভেবেও আমরা রান্নায় জিরা দিই। স্পাইসি এই মশালা যে আপনার শরীর থেকে বাড়তি মেদ ঝরাবে, সে খোঁজ কি রাখেন ? হাতের কাছে ক্যালেন্ডার নিয়ে শুধু কয়েকদিন গোল্লা পাকান। আর দেখুন কী হয়।
ধৈর্য ধরে ১৫টি দিন দেখুন। এর মধ্যে রোজ নিয়ম করে এক চামচ গোটা জিরা খেয়ে ফেলুন। একদিনও বাদ দেবেন না। তার আগে আর একটি কাজ আপনাকে করতে হবে। নিজের ওজন নিয়ে, লিখে রাখুন। ১৫দিন পর ফের ওজন নিন। নিজেই অবাক হয়ে যাবেন। কলা দিয়ে জিরা খেলেও ওজন ঝরবে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, গোটা জিরা খুব দ্রুত শরীর থেকে ওজন ঝরাতে সক্ষম।
শুধু যে চর্বি বের করে দেয়, তা কিন্তু নয়। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলকে শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে, যারা ওজন কমানোর জন্য জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছেন, একবার ১৫ দিনের জন্য জিরার ওপর ভরসা রাখতে পারেন। নিরাশ হবেন না। গবেষকরা বলছেন, জিরার মধ্যে রয়েছে থাইমল ও অন্যান্য কিছু তেলের উপস্থিতি। যার কাজ হলো লালা নিঃসরণকারী গ্রন্থিকে উত্তেজিত করা। যার ফলে খাবার ভালো হজম হয়।
এ ছাড়াও জিরার গুণে পরিপাকতন্ত্র ভালো কাজ করে। গবেষকরা জানাচ্ছেন, হজমের গণ্ডগোল হলে, জিরা দিয়ে চা খেয়ে দেখতে পারেন। উপকার পাবেন। এক গেলাস পানিতে এক চামচ জিরা দিন। ভালো করে ফুটিয়ে নিন। পানির রং লালচে হয়ে এলে, গ্যাস বন্ধ করে, পাত্রটি চাপা দিয়ে রাখুন। একদম ঠাণ্ডা হওয়া অবধি অপেক্ষা করুন। এই জিরা চা দিনে তিন বার খেলে, হজমশক্তি বাড়বে। পেটে ব্যথা কমবে। কী ভাবে জিরা খাবেন ?

এক . একটা গেলাসে বড় চামচের দু-চামচ গোটা জিরা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি গরম করে, জিরা না ছেঁকে চায়ের মতো খান। মুখে গোট জিরা পড়লে, ফেলবেন না। চায়ের মতো কয়েক দিন পান করুন, দেখবেন ওজন কমছে।
দুই . যদি দেখেন, উপরের দাওয়াই আপনার ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করছে না, তা হলে দ্বিতীয় উপায়ের আশ্রয় নিন। খাবারে জিরার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। দইয়ের সঙ্গেও জিরা খেতে পারেন। ৫ গ্রাম দুইতে এক চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত খান। ওজন নিশ্চিত ভাবেই কমবে।
তিন . কয়েক চামচ মধু ও তিন গ্রাম জিরা গুঁড়ো এক গেলাস পানিতে ভালো করে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই মিশ্রণটি খান। স্যুপ তৈরি করে, এক চামচ জিরাগুঁড়ো মিশিয়ে খেলেও ভালো কাজ দেবে।
চার . পাতিলেবু ও রসুন ওজন ঝরাতে খুব ভালো দাওয়াই। গাজর ও অন্যান্য সবজি সেদ্ধ করে নিয়ে, রসুন কুচি ও লেবুর রস ঢেলে দিন। তাতে কিছুটা জিরার গুঁড়ো মেশান। রোজ রাতে খেয়ে, ম্যাজিক পরিবর্তন দেখুন। ১৫ দিনে পরেই বুঝতে পারবেন আপনার ওজন কমেছে।

Love For All milimishi users

আজকের কুইজ (19-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2132 জন
প্রশ্নঃ ‘মাফিয়া’ আন্তর্জাতিক সন্ত্রাশী একটি দলের নাম। প্রায় ৫ হাজার সদস্য রয়েছে এই দলে, যারা মাদক চোরাচালান থেকে শুরু করে খুন, অপহরন এর মত কাজ করে থাকে। বাংলাদেশেও এর যথেষ্ট প্রভাব লক্ষ করা যায়। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস-এর বিশ্বের শীর্ষ পলাতক অপরাধীদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন এই সন্ত্রশী গ্রুপের প্রধানের নাম। ‘মাফিয়া’ এর প্রধানের নাম কি?
(A) দাউদ ইব্রাহিম
(B) জুবিনা জেরিন
(C) ছোটা শাকিলক