About Firoza Begum

অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়?


সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি-র সহযোগ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মার্ক জে বোল্যান্ড এবং তার সহকর্মীরা এক গবেষণাপত্রে লিখেছেন,

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি-র সহযোগ ছাড়া অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মার্ক জে বোল্যান্ড এবং তার সহকর্মীরা এক গবেষণাপত্রে লিখেছেন, অস্টিওপরোসিসের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়, যদিও তা হাড় ফাটলের ঝুঁকি অল্পই কমায়।

তবে এ গবেষণাটির ফলাফল কিছুটা বিভ্রান্তিকর। কিছু গবেষণা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ নালিঘটিত রোগ প্রতিরোধ করে। আবার অন্য গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট রোগীদের কিডনি নষ্ট করে দেয়, হৃদ-নালিঘটিত রোগের ঝুঁকি এবং মৃত্যুহার বাড়ায়।

অনেকেই এই গবেষণার ফলাফলের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাজ্যের ক্যাসল হিল হাসপাতালের চিকিৎসক ড. জন কেল্যান্ড এবং তার সহকর্মীরা এক সম্পাদকীয়তে বলেছেন, অস্টিওপরোসিস রোগীরা রোগ চিহ্নিত হওয়ার পর যতক্ষণ পর্যন্ত কার্যকরী চিকিৎসা না নেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের ভিটামিন-ডি সহযোগে অথবা ভিটামিন-ডি ছাড়া ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট দেওয়া ঠিক নয়।

গবেষকরা এক্ষেত্রে লিঙ্গ পার্থক্য খোঁজার চেষ্টা করছেন যা গবেষণার একটি উপাদান হতে পারে। কারণ যাদের ওপর গবেষণা হয়েছে তাদের মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগই ছিলেন নারী।

ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্টের ওপর পরিচালিত এ গবেষণাটির সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হলে আরও গবেষণা করার প্রয়োজন বলে মনে করছেন গবেষকরা।

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তিতে যে দোয়া পড়বেন

রমজানের চূড়ান্ত ফলাফল লাভে আজ (২০ রমজান) থেকেই ইতেকাফ শুরু করবে মুমিন। লক্ষ্য একটাই মহান আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করা। বিগত জীবনের গোনাহ মাফ করে নেয়া। আর এতেই মুমিনের জান্নাতের সফলতা লাভ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি সুনিশ্চিত হবে।

ক্ষমার দশকের আজকের দিনে মুমিন হৃদয়ের আকুতিও তাই। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর জান্নাতে নেয়ামত ও জাহান্নামের ভয়াবহতা থেকে মুক্তি দিন। বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াতের তাওফিক দিন।

রোজাদার দিনভর আল্লাহর কাছে এ ধরনাই দিতে থাকে-

اَللَّهُمَّ افْتَحْ لِىْ فِيْهِ أَبْوَابَ الْجَنَانِ وَ أَغْلِقْ عَنِّىْ فِيْهِ أَبْوَابَ النِّيْرَانِ وَ وَفِّقْنِىْ فِيْهِ لِتِلَاوَةِ الْقُرْأَنِ يَا مُنْزِلَ السَّكِيْنَةِ فِىْ قُلُوْبِ الْمُوْمِنِيْنَ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাফ তাহলি ফিহি আবওয়াবাল ঝিনানি; ওয়া আগ্‌লিক্ব আন্নি ফিহি আবওয়াবান নিরানি; ওয়া ওয়াফ্‌ফিক্বনি ফিহি লি-তিলাওয়াতিল কুরআনি; ইয়া মুনযিলাস সাকিনাতি ফি কুলুবিল মুমিনিন।

অর্থ : হে আল্লাহ! আমার জন্য বেহেশতের দরজাগুলো খুলে দিন এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দাও। আমাকে কুরআন তেলাওয়াতের তাওফিক দান কর। হে ঈমানদারদের অন্তরে প্রশান্তি দানকারী।

রোজাদারের জন্য একটি কথা মনে রাখা জরুরি-
আল্লাহ তাআলা মন্দ কাজ সংঘটিত হওয়ার সব বিষয়গুলোকে হালকা করেছেন রোজাদারের ইবাদত-বন্দেগি করার জন্য। জান্নাতের দরজা খুলে দিয়েছেন জান্নাতি পরিবেশ লাভের জন্য। আবার জাহান্নামের দরজা ও শয়তানকে বেড়ি পড়ানোর মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে দিয়েছেন।

আল্লাহর কাছে জান্নাতের নেয়ামত লাভ এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশায় পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও আমলের বিকল্প নেই। রোজাদারের জন্য কুরআনের হেদায়েতই সর্বোত্তম নেয়ামত।


আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে রমজানের দ্বিতীয় দশকে জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভে কুরআনের নেয়ামত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

দীর্ঘায়ু পেতে হলে...


অতিভোজন পরিহার : দীর্ঘ জীবন পেতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। গবেষণা বলছে, কম ক্যালরি গ্রহণের সঙ্গে জীবনের ব্যাপ্তি বেড়ে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। কারণ কম পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণের কারণে শরীরের বাড়তি ওজন ও পেটের চর্বি কমে।

প্রচুর বাদাম খান : বাদাম হলো পুষ্টির আধার। এটি আমিষ, আঁশ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ। এ ছাড়া এতে রয়েছে কপার, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ফলেট, নিয়াসিনসহ অন্য প্রয়োজনীয় উপাদান। এ কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সারসহ অনেক জটিল রোগের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে বাদাম। গবেষণা বলছে, বাদাম খেলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ৩৯ শতাংশ কমে যেতে পারে।

হলুদ খান : হলুদ একটি অনন্য মসলা। এর রয়েছে এন্টি-এজিং বা বয়সরোধী গুণ। কারণ এতে রয়েছে কারকুমিন নামের উপাদান। গবেষণা বলছে, এ উপাদান জীবনের ব্যাপ্তি বাড়ায়। কারকুমিনের রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী গুণ।

পর্যাপ্ত ফল-সবজি : দীর্ঘায়ু লাভের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে। এর ফলে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে।

সচল থাকুন : শারীরিকভাবে সচল থাকা বা ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যায়াম আপনার আয়ু আরো তিন বছর বাড়িয়ে দিতে পারে বলে বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা।

ধূমপান বর্জন : দীর্ঘায়ু লাভ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ধূমপানের বদভ্যাস ছাড়তে হবে। কেননা অকাল মৃত্যু এড়াতে এর বিকল্প নেই।

এ ছাড়া অ্যালকোহল, চাপ ও দুশ্চিন্তা এড়ানো, সামাজিক সম্পর্কের উন্নয়ন, আনন্দানুভূতি, চা বা কফি পান ইত্যাদি আপনার দীর্ঘ জীবন লাভের সহায়ক উপাদান হতে পারে।

বুক জ্বালাপোড়া দূরে রাখতে যা করবেন

শারীরিক সমস্যার মধ্যে বুক জ্বালা-পোড়া বড় একটি সমস্যা। একটুখানি ভাজাপোড়া কিংবা মশলাজাতীয় খাবার খেলেই বুক জ্বালাপোড়া শুরু। অনেকেরই এ সমস্যা রয়েছে। আবার অসময়ে খেলেও বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে। এ সমস্যার মূল কারণ সাধারণত অ্যাসিডিটি বা অম্লতা।

খাদ্যনালির নিচের দিকের স্ফিংটার বা দরজা ঢিলে হয়ে পড়লে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপর দিকে ঠেলে ওঠে। আর সে কারণেই বুক জ্বালাপোড়া করে। কিছু কিছু খাবার এ সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে, যেমন গোলমরিচ, রসুন, কাঁচা পেঁয়াজ ও অধিক মসলাযুক্ত খাবার, বেশি তেল-চর্বিযুক্ত খাবার, কমলা, আনারস, টমেটো ইত্যাদি টক ফল বা ফলের রস ও সবজি; চকলেট, ক্যাফেইন বা কফি; পিপারমিন্ট; অ্যালকোহল প্রভৃতি।

তাই এসব খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। আরও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন একসঙ্গে অনেকখানি খেয়ে ফেলবেন না। সারা দিনে খাবার ভাগ করে খাবেন। খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে শুয়ে পড়বেন না। শোয়ার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে খাওয়াদাওয়া সেরে ফেলুন।

ফেসবুকের সেরা কিছু টিপস

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর জগতে ফেসবুক এখন তুমুল জনপ্রিয়। এটি এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ বা ছবি-ভিডিও দেখে সময় কাটানোর মাধ্যম নয়। এখন এটি খবরের প্রাথমিক উৎসের পাশাপাশি অনলাইনে মানুষকে খুঁজে বের করার একটি প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে।

ফেসবুকের কিছু টিপস জানা থাকলে মন্দ হয় না। কিছু টিপস তুলে ধরা হলো:

১. ফেসবুকে অনেকের নামের পাশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখা যায়, আবার অনেকের দেখা যায় না। আসলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এখানে নেটওয়ার্কের নাম। কোনো নেটওয়ার্ক যুক্ত করতে চাইলে প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন যে পৃষ্ঠা আসবে সেটি থেকে Networks-এ ক্লিক করুন।

এখন ডান পাশে Network Name বক্সে কোনো নাম লিখে Join Network-এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন। আবার Leave Network-এ ক্লিক করে আপনার নামের পাশের নেটওয়ার্কটি বাদও দিতে পারবেন।

২. ফেসবুকের সব লেখা ইংরেজিতে। চাইলে ফেসবুকের সব লেখা বাংলায় পরিবর্তন করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পৃষ্ঠা এলে সেখান থেকে Language-এ ক্লিক করুন।

এখন Primary Language-এ English(US)-এর পরিবর্তে বাংলা নির্বাচন করে একটু অপেক্ষা করুন দেখবেন পুরো ফেসবুক বাংলা হয়ে গেছে। আবার ইংরেজি করতে চাইলে একই পদ্ধতিতে বাংলার পরিবর্তে English(US) সিলেক্ট করে বেরিয়ে আসুন।

৩. আপনার নাম, ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড, নিরাপত্তা প্রশ্ন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে চাইলে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে নতুন পেজ এলে সেখান থেকে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনি যদি আর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে না চান তাহলে নিচে থেকে Deactivate-এ ক্লিক করে আপনার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দিতে পারবেন। আবার Activate করতে চাইলে পুনরায় সাইন ইন করুন। তাহলেই Activate হয়ে যাবে।

৪. কারও সঙ্গে গোপনে নিরাপদ কথোপকথন চালাতে চান? ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে আপনি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বেছে নিতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপে এ ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে রয়েছে, কিন্তু ম্যাসেঞ্জারে এটি ব্যবহার করতে হলে তা চালু করে নিতে হয়। ম্যাসেঞ্জার সেটিংস থেকে এই বাটনটি চালু করে নিতে হবে। নির্দিষ্ট সময় পর বার্তা মুছে ফেলার সুবিধাও আছে এতে।

৫. মানুষের মৃত্যুর পরও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে যায়। এটা তার ডিজিটাল সম্পদ। তাই এর উত্তরসূরি রেখে যাওয়া সম্ভব। মানুষ চলে যাওয়ার পর তাঁর ফেসবুক কে দেখভাল করবে, তা আগেই ফেসবুককে জানিয়ে যাওয়া যায়। ফেসবুক সেটিংস থেকে সিকিউরিটিতে গিয়ে লিগাসি কন্টাক্ট নির্বাচন করা যাবে। সেখান থেকে একজনকে উত্তরসূরি নির্বাচন করে তাঁকে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে।

৬. ফেসবুকে যখন আপনি কোনো ছবি বা ভিডিও আপলোড করেন, তখন ফেসবুক তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসাইজ করে নেয়। এতে জায়গা বাঁচে ও ডেটা কম খরচ হয়। কিন্তু চাইলে ছবি বা ভিডিও হাই ডেফিনিশন বা এইচডি হিসেবে আপলোড করা যাবে। এ জন্য এইচডি ফিচারটি চালু করতে হবে। সেটিংসে গিয়ে ভিডিও ও ফটোজের জন্য এইচডি অপশনটি চালু করে নিতে পারেন।

৭. ফেসবুক ব্যবহারকারীকে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন প্রভৃতি থেকে ফেসবুকে ঢুকতে হয়। আবার একেকবার একেক রকম ব্রাউজার ব্যবহার করতে হয়। সেটিংসে গিয়ে সিকিউরিটিতে ঢুকে হোয়্যার ইউ আর লগড ইন দেখুন। সম্প্রতি কোথা থেকে ফেসবুকে লগইন করা হয়েছে, তা দেখতে পাবেন। এখান থেকে ডিভাইসের নাম ও সম্ভাব্য অবস্থানও দেখতে পাবেন। আপনার অ্যাকাউন্টে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কেউ ঢুকেছে কি না, তা-ও দেখতে পাবেন। সন্দেহজনক কিছু দেখলে দ্রুত তা মুছে দিন এবং ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলে জটিল পাসওয়ার্ড দিন।

৮. যারা নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহার করেন, তারা বিভিন্ন পেজ বা অ্যাকাউন্ট ফলো বা অনুসরণ করেন। এর মধ্যে কিছু কিছু সাইট বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেসব পেজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং সেগুলোর হালনাগাদ বিষয় পেতে চান, তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নির্বাচন করে দিতে পারেন। নিউজ ফিডে এই বিষয়গুলো আগে দেখাবে ফেসবুক। সেটিংসে গিয়ে নিউজ ফিড প্রেফারেন্স পাবেন। সেখান থেকে ‘প্রায়োরিটাইজ হু টু সি ফার্স্ট’ থেকে আপনার অগ্রাধিকার তালিকা ঠিক করে দিন।

জেনে নিন কামরাঙার আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ

কামরাঙা খেতে ভালবাসেন না এমন মানুষের সংখ্যাটা বোধহয় খুব বেশি হবে না। টক-মিষ্টি স্বাদের এই ফলটি পছন্দ আট থেকে আশি— সকলেরই। শুধু স্বাদের জন্যই নয়, ফলটিতে রয়েছে এমন কয়েকটি স্বাস্থ্যগুণ যা হয়তো অনেকেরই অজানা! আসুন কামরাঙার কয়েকটি আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

১) কামরাঙায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

২) কামরাঙায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পলিফেনোলিক ফ্লাভনয়েড নামের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান আর গালিক অ্যাসিড যা খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৩) কামরাঙায় ক্যালোরির পরিমাণ থাকে নামমাত্র। তাই দ্রুত ওজন কমাতে কামরাঙা অত্যন্ত কার্যকর।

৪) কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তার মতো তৈরি করে খেতে পারলে ঠান্ডা লেগে সর্দি-কাশির সমস্যা সহজেই সেরে যায়।

৫) শুকনো কামরাঙ্গার গুঁড়ো (আধা চামচ) এক গ্লাস জলের সঙ্গে প্রতিদিন একবার করে খেতে পারলে অর্শ রোগে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

জরুরি সতর্কতা:
এই ফলটিতে আছে এমন একটি উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের জন্য মারাত্মক বিষ। কামরাঙ্গার এই বিষাক্ত উপাদানটির নাম ক্যারামবক্সিন (Caramboxin)। তবে এই বিষ আমাদের কিডনি ছেঁকে শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু যাঁদের কিডনি দুর্বল বা যাঁদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের শরীর থেকে এই বিষ ঠিক মতো বের হতে পারে না। ফলে ওই বিষ ধীরে ধীরে রক্তে মিশতে শুরু করে। আর তার পর রক্তের মাধ্যমে ওই বিষ মস্তিষ্কে প্রবেশ করে।

ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের মতে, কিডনির সমস্যা থাকলে কামরাঙ্গার বিষাক্ত উপাদান ক্যারামবক্সিন-এর প্রভাবে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই আপনি যদি আগে থেকেই জানেন যে আপনার কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাহলে ভুলেও কামরাঙ্গা খাবেন না।

রমজানে ওমরাহ করলে হজের সওয়াব


হাদিসে রমজান মাসে যেসব আমলের তাগিদ পাওয়া যায় ওমরাহ তার অন্যতম। রাসুলে আকরাম (সা.) বলেছেন, রমজানে ওমরাহ করলে আমার সঙ্গে হজ করার সওয়াব পাওয়া যাবে। তাই সামর্থ্যবান মুসলিমদের ওমরাহ করা উচিত। আমি মনে করি, তা বারবার করা উচিত। হজ ও ওমরাহ পালনের মাধ্যমে মানুষের ভেতর দ্বিনি অনুপ্রেরণা তৈরি হয়।

আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।

মক্কা-মদিনার পবিত্র ভূমিকে আল্লাহ তার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ, এ ভূমিতে ইসলামের আগমন হয়েছে এবং ইসলামের প্রতিষ্ঠাকালীন সংগ্রামের স্মৃতি বহন করছে এই ভূমি। তাই মক্কা-মদিনা জিয়ারত করলে মানুষের ঈমান জাগ্রত হয়। ভালো কাজের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হয় এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকার সাহস পাওয়া যায়।

অনেকেই বলেন, বারবার হজ-ওমরাহ না করে সেই টাকা গরিব-অসহায়ের মাঝে দান করতে। আমার মনে হয়, এটা অনুচিত। দুটিই ভালো কাজ। দুটি কাজের ব্যাপারেই হাদিসে তাগিদ এসেছে। সুতরাং একটি আমলকে গুরুত্ব প্রদানে অন্যটিকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। বরং আমরা বলব, আপনি ওমরাহ করুন। ঠিকমতো জাকাত দিন। মানুষকে সহযোগিতা করুন।

হ্যাঁ, হজ-ওমরাহর ক্ষেত্রে রিয়া বা প্রদর্শনপ্রিয়তা একটি ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। মানুষ ওমরাহ করতে যায় এবং তা ব্যাপকভাবে প্রচার করে, অন্যরা তার প্রচার করুক সেটাও প্রত্যাশা। এটা পরিহারযোগ্য। প্রদর্শন সব আমলেই পরিহারযোগ্য। আল্লাহ তাআলা আমাদের রিয়ামুক্ত আমল করার তাওফিক দান করুন।

অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে আমাদের করণীয়

অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কুফল নিয়ে সবখানে চলছে ব্যাপক আলোচনা। এ নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. কাজী রফিকুল ইসলাম শেষ পর্ব জীবন রক্ষার ওষুধ যখন জীবনের জন্য হুমকি : বাংলাদেশে ওষুধ কোম্পানিগুলো ২০ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক বা জীবণুনাশক ওষুধ চারশর বেশি নাম দিয়ে বাজারে ছেড়েছে।

ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের সব ব্র্র্যান্ড আইটেম মানুষের হাতের নাগালে। মানুষ ও প্রাণী চিকিৎসকরা ওষুধ কোম্পানির প্ররোচনায় কোনো অ্যান্টিবায়োটিক সংরক্ষিত না রেখে সবই ব্যবহারের জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকে। এতে বিপদ আরও বাড়চ্ছে। ফলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জেনেরিকের অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ জীবাণুর বিরুদ্ধে কার্যকারিতা হারাচ্ছে।

তবে মানুষকে জীবাণু থেকে রক্ষা করতে যেমন অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন, তেমনি এটির অসচেতনমূলক ব্যবহারে তা এখন ভয়ানক ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। আমাদের দেশসহ মাত্র কয়েকটি দেশে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই এসব ওষুধ কেনা সম্ভবের কারণেই এ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

চিকিৎসকের ভূমিকা ও চিকিৎসার উপায় : অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবন হয়েছে ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগাক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসায়। কিন্তু কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের ক্ষেত্রে পৃথিবীজুড়ে এখন এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত যাতে ব্যাকটেরিয়াগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে, এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সাবধানে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে।

যেসব অ্যান্টিবায়োটিকের রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়েছে, সেগুলোর ব্যবহার সাময়িক বন্ধ করে অন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে। ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসার সময় চিকিৎসকের উচিত, সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক নির্বাচন করা। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন করার সময় ওই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে ব্যাকটেরিয়া আগেই প্রতিরোধী হয়ে গেছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখেন না।

অনেক সময় রোগের শুরুতে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দেন। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স সহনীয় পর্যায় রাখার ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরই দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। রিজার্ভ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকগুলো প্রাণী চিকিৎসায় ব্যবহার না করে এবং মুমূর্ষ রোগীর ক্ষেত্রে তা সাবধানতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। কালচার সেনসিটিভিটি টেস্ট করে যে অ্যান্টিবায়োটিক দরকার, সেটি প্রয়োজন মাফিক ব্যবহার করতে হবে।

যখনই কোনো পশুপাখি বা ব্যক্তির দেহে ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টিবায়োটিক রোধী হয়ে যায়, তখন দ্রুত অন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের কঠোর নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকা রাখতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স রোধে। প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। নিবন্ধনকৃত চিকিৎসকের লিখিত প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না।

এই সংক্রান্ত আইনগুলো সুনিদির্ষ্ট হতে হবে এবং কঠোর শাস্তির বিধান উল্লেখ থাকবে। আমাদের করণীয় : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোগে ভুগলেই অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা। চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক মাত্রা ও নিয়মে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা। ভাইরাসজনিত জ্বর, সর্দি, কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করা। ভেজাল এবং মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক সেবন না করা।

গবাদিপশু ও মুরগির ক্ষেত্রে নিজ ইচ্ছায় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থায় খামারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যাবে না। গবাদি পশু ও মুরগি খামারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করার পর প্রত্যাহারকাল মেনে পশু ও মুরগি মানুষের খাবারের জন্য ব্যবহার করতে হবে। মানুষ ও পশুপাখির যেসব ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের ভ্যাকসিন পাওয়া যায়, তা ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শে সঠিকভাবে ব্যবহার করে রোগ প্রতিরোধ করতে হবে।

অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স রোধে এফএও বাংলাদেশে বিএআরএ (বাংলাদেশ এএমআর রেসপন্স এলায়ান্স) ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ফার্মাকোলজিস্ট, ভেটেরিনারিয়ান ও চিকিৎসকের সচেতনা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। এতে বিএআরএ সদস্যরা এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন এ সচেতন হচ্ছেন এবং এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশনে এফএও-এর নির্দেশনা ব্যবহার করছেন। এ ধরনের উদ্যোগে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স রোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে প্রত্যেক মানুষকেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।

রমজান মাসকে কেন নাজাতের মাস বলা হয়?

ইসলামের দৃষ্টিতে ১২ চান্দ্র মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ মাস হলো রমজান। রমজান অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ একটি মাস। আল্লাহতায়ালা বিভিন্নভাবে বোঝাতে চেষ্টা করেছেন যে, অন্য ১১ মাসের তুলনায় রমজান মাসের গুরুত্ব, পবিত্রতা, মহত্ব অনেক অনেক গুণ বেশি।

পবিত্র রমজানে সব নবী-রাসুলই ইবাদতে সময় দিয়েছেন। আর শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (স) যেভাবে রমজানকে গ্রহণ করেছেন, সৎকাজের মধ্যে অতিবাহিত করেছেন, তা আমাদের জন্যে অনুসরণীয়। হজরত আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রমজান মাস এসেছে কি না তা আমরা রাসুলকে দেখে বুঝতে পারতাম। অর্থাৎ অন্য সময়ের তুলনায় এ মাসে তার ইবাদত বন্দেগি এত বেড়ে যেতো যে, অন্যরা তাকে দেখে বুঝতো যে, এখন রমজান চলছে।

হাদীসে কুদসীর মাধ্যমে জানতে পারি আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন যে, “অন্য যেকোনো সময় কেউ যদি কোন ভালো কাজ করে তার বিনিময় আমি ১০ গুণ থেকে ৭০০ গুণ আমি বৃদ্ধি করে দিই। কিন্তু রমজান মাসে যে রোজা রাখে তার বিনিময় আমি কোনো হিসাব করে দেই না। এটার কোনো সীমা-সংখ্যাও আমি ঘোষণা করি নি এবং এটা আমি অন্য কোনো ফেরেশতার দায়িত্বেও দিয়ে দেই নি। এই কাজটির ফল আমি নিজ হাতে বান্দার প্রয়োজন অনুসারে আমার ইচ্ছেমতো নিজেই প্রদান করবো ।”

এটি বুঝার জন্যে এই ছোট্ট উদাহরণটি খয়াল করি –
ধরুন একজন গরিব মানুষ তার চাচাকে টেলিফোন করলো, চাচা আমার বাবা অসুস্থ। তাকে হাসপাতালে নেবো ৫০০০ টাকা লাগবে। এখন কীভাবে কী করব? চাচা তাকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে দিলেন। দেখা গেল যে, চিকিৎসা সম্পন্ন হয় নি। তার আরো টাকা লাগছে। কিন্তু দ্বিতীয়বার এই চাচার কাছে টাকা চাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

কিন্তু চাচা যদি সেরকম আন্তরিক হয় তাহলে বলবে যে, ভাতিজা ৫০০০/ ১০০০০ টাকা বুঝি না তোমার বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করাও রিলিজ করার সময় আমাকে বলো। এতে কী হলো? তার ৫০০০ টাকায়ও হয়ে যেতে পারে আবার ৫০০০০ টাকাও লাগতে পারে। অর্থাৎ রিলিজ করা পর্যন্ত চাচা সব দায়িত্ব নিয়ে নিলেন।

তেমনি আমরা যদি সৎকর্মও করি তবে হিসেবের বেলায় দেখা গেল আমাদের কম পড়ে গেল। তখন যদি এই রোজার ফজিলত আল্লাহ ১০গুণ /৭০০ গুণ করেও দেন তবুও দেখা গেল আমি মুক্তি পাচ্ছি না। সেজন্যেই আল্লাহ এই একটি সোর্স হাতে রেখে দিয়েছেন যেন কোথাও আটকে গেলে আরেকটু বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের পার করে দিতে পারেন।এখান থেকে আমরা বুঝতে পারি, আমরা যেন মুক্তি পাই ভালো থাকি এই বিষয়টি আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর এজন্যেই রমজানকে বলা হয়েছে নাজাতের মাস।

ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন ১টা করে আমলকী খান

আমলকী পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি ফল। টক স্বাদের এই ফলটিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে থাকা খনিজ ও ভিটামিন শরীরের জন্য শুধু উপকারী নয়; এটি নানা ধরনের অসুখ প্রতিরোধেও দারুণ কার্যকরী।

আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় আমলকীর নানা ব্যবহার রয়েছে। চুল থেকে শুরু করে ত্বক কিংবা রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানো- সব কিছুর জন্যই আমলকী উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকীতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এই ফ্রি রেডিকেলের কারণে নানা ধরনের অসুখ যেমন-ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, আর্থাইটিস, ক্যান্সার, প্রদাহ, লিভারের সমস্যা দেখা দেয়।

গবেষণা বলছে, আমলকীতে খুব কম পরিমাণে ক্যালরি এবং উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অনুযায়ী নিয়মিত আমলকী খেলে বিপাকক্রিয়া বাড়ে। ফলে ওজন কমাতে এটি ভূমিকা রাখে।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আমলকীতে অ্যান্টি- ডায়াবেটিক উপাদান রয়েছে। কিছু গবেষণা বলছে, প্রতিদিন আমলকী খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়। আবার কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকীর জুস খেলে টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

এছাড়া ২০১১ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস থাকুক আর না থাকুক যারা নিয়মিত আমলকীর গুঁড়া খান, সবসময়ই তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

গবেষকদের মতে, যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা প্রতিদিন মাত্র একটা করে আমলকী খেলে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে। যদি খুব টক বা বিস্বাদ লাগে তাহলে আমলকী খাওয়ার পর পরই এক গ্লাস পানি পান করুন। এত মুখে একটি মিষ্টি স্বাদ পাবেন।

এছাড়া আমলকীর গুঁড়া ঘরে রেখে প্রতিদিন পানিতে মিশিয়ে খেলেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। চাইলে আমলকীর জুস করেও খেতে পারেন। এটিও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকরী।

হৃৎপিণ্ডের ধমনী পরিষ্কার রাখতে খাবেন যে খাবার

অনেক দেশে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান একটি কারণ। এই রোগের প্রধান ঝুঁকি হচ্ছে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক, যা ধমনী বাধাপ্রাপ্ত এবং উচ্চ মাত্রায় খারাপ কোলেস্টেরলের দরুন হয়।স্ট্রেস অর্থাৎ চাপ, কম চলাফেরা করা এবং বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর খাদ্য হৃদরোগের দিকে পরিচালিত করে। কিন্তু যদি আপনার খাদাভ্যাস সামান্য পরিবর্তন করেন, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেক কমাতে পারেন।হৃৎপিণ্ডে রক্তসরবরাহকারী ধমনী পরিষ্কার করতে সহায়তা করে এমন কিছু খাবার ও পানীয় এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো।

স্যামন মাছ : সুস্থ হার্টের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাবারগুলো একটি হচ্ছে, স্যামন মাছ। এই মাছে অনেক স্বাস্থ্যকর ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে সাহায্য করে এবং প্রদাহ প্রতিরোধ করে। এছাড়া হার্টের জন্য অন্যান্য ধরনের মাছও উপকারী। যেমন টুনা, হেরিং এবং ম্যাকেরল।

কমলার রস : বিশুদ্ধ কমলার রস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় ধমনীর জন্য উপকারী। এছাড়া এটা সকলেরই জানা যে, কমলার রস রক্তচাপ কমায়।প্রতিদিন ২ কাপ কমলার রস পান, আপনার শরীরে সাধারণ ভিটামিন সি’র চাহিদা পূরণ এবং যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল সরবরাহে যথেষ্ট।

কফি : এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে ২-৪ কাপ কফি পান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২০ শতাংশ কমায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, কফি আপনার পাকস্থলীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন ভালো নয়।

বাদাম : বাদামে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর চর্বি বিদ্যমান, বিশেষ করে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অসম্পৃক্ত চর্বি। বাদাম শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল স্তর কমায়, এছাড়াও শরীরের জয়েন্টগুলো এবং মস্তিষ্কের স্মৃতির জন্য দরকারী। খাদ্যতালিকায় আখরোট এবং কাজুবাদাম রাখতে ভুলবেন না।

পারসিমন : ফাইবার সমৃদ্ধ ফল পারসিমন কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

হলুদ : হলুদে কারকুমিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা অত্যধিক চর্বি জমা প্রতিরোধ এবং টিস্যুর প্রদাহ হ্রাস করে। হলুদ দিয়ে চা পান কিংবা তরকারিতে মশলা হিসেবে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখুন হলুদ।

গ্রিন টি : গ্রিন টিতে শক্তি এবং শান্তি উভয় প্রভাব রয়েছে। এই চা পাতায় টিসেটাহিনু নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করতে সাহায্য করে। দিনে এক বা দুই কাপ গ্রিন টি পান, রক্তনালীর উপকারে যথেষ্ট।

তরমুজ : গ্রীষ্মের এই ফলটি শরীরকে শুধু সতেজ করে তোলে না, পাশাপাশি শরীরে নাইট্রিক অ্যাসিড উৎপাদনে অবদান রেখে রক্ত বাহন প্রসারিত করে। এমনকি তরমুজের এক টুকরো অনেক আশ্চর্য কাজ করে।

পনির : মাঝারি পরিমানে পনির রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ক্র্যানবেরি : পটাসিয়ামের একটি দারুন উৎস ক্র্যানবেরি। আপনি যদি নিয়মিত ক্র্যানবেরি জুস পান করেন তাহলে সুস্থ কোলেস্টেরল স্তর বৃদ্ধি এবং খারাপ কোলেস্টেরল স্তর হ্রাস পাবে। এটা প্রমাণিত যে, দিনে ২ গ্লাস ক্র্যানবেরি জুস পান করলে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে।

দারুচিনি : দারুচিনি শুধু দারুন মশলা চা বা রান্নার স্বাদ বাড়াতে সীমাবদ্ধ নয়। এছাড়াও এটি উচ্চ কোলেস্টরলের সঙ্গে সংগ্রাম করে ধমনী সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। বাস্তব প্রভাব পেতে, প্রতিদিন ১ চা-চামচ যথেষ্ট।

ডালিম : ডালিমে রয়েছে প্রচুর ফাইটোকেমিক্যাল, যা শরীরের রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত করতে স্বাভাবিক নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদনে অবদান রাখে।

পালংশাক : ধমনী পরিষ্কার এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে পালংশাক। এটি পটাসিয়াম এবং ফোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এই উভয় উপাদান হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস এবং পেশী টিস্যু বজায় রাখে।

অলিভ ওয়েল : ইতালীয় এবং গ্রীকদের দীর্ঘকাল সুস্বাস্থ্যের গোপন রহস্য হচ্ছে- উচ্চ মানের অলিভ ওয়েল। খাদ্যতালিকায় অলিভ ওয়েল রাখলে, শরীরে স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং কোলেস্টেরল হ্রাস পাবে। এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ৪১ শতাংশ কমাতে পারে অলিভ ওয়েল।

ব্রোকলি : এই সবুজ সবজিটি ভিটামিন কে সমৃদ্ধ, আপনার ধমনীতে ক্যালসিয়াম জমা প্রতিরোধ করবে, যা রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য দরকারী। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি সবজি হিসেবে পরিচিত।

অ্যাভোকাডো : পুষ্টিকর ফলগুলোর মধ্যে অ্যাভোকাডো একটি। এই ফলের মধ্যে থাকা ফ্যাট, ভালো এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে, যা আমাদের ধমনীর জন্য অত্যাবশ্যক।

অ্যাসপারাগাস : এই সবজিটি শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল ধ্বংস ধরে। শ্বাসকষ্ট এবং ধমনীর প্রদাহ রোধ করে।

রোজায় প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে যা করবেন


এই তীব্র গরমে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়াটা স্বাভাবিক। আপনার শরীরে পানিশূন্যতার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রতিদিন ইফতারে শরবতের সঙ্গে খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি। ইসুবগুলের ভুসি আপনার প্রস্রাব হলুদ ও জ্বালাপোড়া, ডায়েরিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, আমাশয় ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ইসুবগুলের ভুসির রয়েছে বেশ স্বাস্থ্যসম্মত উপাদান, যা শরীরের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের ইফতারের আয়োজনে ইসুবগুলের ভুসি রাখতে পারেন শরবতে। চলুন জেনে নিই, রোজায় ইসুবগুলের ভুসি খাওয়ার উপকারী দিকগুলো।

প্রস্রাব হলুদ ও জ্বালাপোড়া

যে কোনো কারণে প্রস্রাব হলুদ হয়ে জ্বালাপোড়া হলে সকালে এক গ্লাস ও বিকালে এক গ্লাস শরবতের সঙ্গে ইসুবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া চলে যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে ৫-১০ গ্রাম ইসুবগুল নিয়ে এক কাপ ঠাণ্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে তাতে দু-তিন চামচ চিনি মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

পাইলস

কোষ্ঠবদ্ধতা পাইলসের প্রধান কারণ। তাই পাইলসের রোগীদের নিত্যদিনের ওষুধ এই ইসুবগুল। প্রতি রাতে পানিতে এক টিপ ইসুবগুলের ভুসি দিয়ে খেয়ে শুতে যাওয়া অভ্যাস করলে উপকার পাওয়া যায়।

আমাশয়

যারা আমাশয়ে ভুগছেন, তাদের জন্যও ইসুবগুল ভালো। ইসুবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারবে না, তবে বের করে দিতে পারবে। আমাশয়ের রোগীরা সকালে ও রাতে একবার শরবতের সঙ্গে খাবেন।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুসি খান। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।

ডায়েরিয়া

ডায়েরিয়া উপশমে বেশ উপকারে আসে ইসুবগুল ভুসি। এজন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে।

মাথা ব্যথা

যে কোনো কারণে মাথা ব্যথা রোগ হলে বা হাত-পা জ্বালাপোড়া হলে সকাল-বিকালে এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ইসুবগুলের ভুসি মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

গরমেও সতেজ থাকতে:-

রোদ, গুমোট গরম, ধুলোবালি- এই হচ্ছে এই সময়ের চিত্র। আর এসবই আমাদের ত্বকের জন্য বেশ ক্ষতিকর। এসময় যদি আমরা ত্বকের সঠিক যত্ন না নেই তাহলে খুব সহজেই তা মলিন হতে শুরু করবে। ত্বকের যত্ন মানে কিন্তু শুধু মুখ নয়, হাত-পায়ের পরিচর্যাও করতে হবে। জেনে নিন কোন উপায়গুলো মেনে চলতে পারলে গরমকাল সহনীয় হবে, ফুরফুরে থাকতে পারবেন সারাদিন-

এক্সফোলিয়েট
ত্বকের উপরে জমে যাওয়া ডেড সেল নিয়মিত তুলে না ফেললে ত্বক বিবর্ণ ও নিষ্প্রভ দেখায়। সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন গোসলের সময় সারা শরীরে বডি স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করুন। শুধু গ্রীষ্মে নয়, সারা বছর এক্সফোলিয়েট করলে ত্বক থাকবে নরম আর উজ্জ্বল।

সানস্ক্রিন
ইউভি এ ও ইউভি বি প্রতিরোধকারী সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, এসপিএফ অন্তত 30 থেকে 70-এর মধ্যে থাকা চাই। সানস্ক্রিন মাখার সময় কার্পণ্য করবেন না, পর্যাপ্ত পরিমাণ মাখুন।

হালকা মেকআপ
চড়া রোদে স্বাভাবিক মেকআপহীন মুখচোখই দেখতে সবচেয়ে ভালো লাগে। ফাউন্ডেশন মাখলে তার উপর এসপিএফ যুক্ত ফেস পাউডার বুলিয়ে নিন। ঠোঁটে লিপস্টিকের বদলে মাখুন টিন্টেড লিপ বাম বা গ্লস। এড়িয়ে চলুন চোখের মেকআপ।

প্রচুর পানি পান করুন
প্রতিদিন অন্তত আট গ্লাস পানি পান করতেই হবে। শরীর থেকে টক্সিন ধুয়ে বের করে দিতে পারে একমাত্র পানি। ফলের রস, সবজির স্টু, ডাবের পানি পেলেই খান।

বডি লোশন মাখুন
গরমের উপযোগী হালকা মিষ্টি গন্ধের একটা বডি লোশন কিনে ফেলুন। গোসলের পরে সারা শরীরে মাখুন।

পায়ের যত্ন নিন
গ্রীষ্মে সাধারণত আমরা পা-খোলা স্যান্ডেল পরি, তাই পায়ের উপর দিয়ে সারাদিন প্রচুর ঝক্কি যায়। তাই নিয়মিত পায়ের যত্ন করতেই হবে। ফুট স্ক্রাব দিয়ে পা এক্সফোলিয়েট করুন সপ্তাহে তিনবার। শোয়ার সময় ভালো কোনো ফুট ক্রিম মেখে নিন। পা নরম থাকবে।

ইফতারে ডাবের পানি
গরমে একটু স্বস্তি এনে দিতে ডাবের পানির বিকল্প নেই। এই গরমে ডাবের পানির মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় অন্য কিছুতে নেই! সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে ঠান্ডা একগ্লাস ডাবের পানি আপনার প্রাণ জুড়িয়ে দেবে। এটি শরীরের নানা ঘাটতিও পূরণ করে।

শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভালো রাখতেও ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী। জেনে নিতে পারেন ডাবের পানির কয়েকটি গুণ-

প্রচন্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা পানি বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের পানি অত্যন্ত উপকারী। ডাবের পানিতে থাকা কার্বোহাইড্রেড শরীরে শক্তির ঘাটতিও পূরণ করে।

অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অনেকটা পানি বেরিয়ে যাওয়ায় রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাবের পানি অত্যন্ত কার্যকরী! ডাবের পানিতে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

গরমে কচি ডাবের পানি শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ডাবের পানিতে যেহুতু চিনি খুব কম থাকে, তাই সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর ডাবের পানি খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।

ডাবের পানি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে ডায়াবিটিক রোগীদর জন্য ডাবের পানি খুবই উপকারী!

ব্যাচেলরদের ১০টি গোপন কথা

ব্যাচেলর লাইফ মানেই অন্য রকম কিছু। এই লাইফে কত কী যে ঘটে। ব্যাচেলরদের মজার কিছু ‘গোপন কথা’ জানাচ্ছেন হাস্যরস প্রতিবেদক।

* মেসে যখন রান্না হয় না, তখন ব্যাচেলররাই পাকা রাঁধুনি বনে যায়। তারা ঝটপট ডিম ভাজি, ডাল আর ভাত রান্না করে এমন ভাব করে খায়, যেন অমৃত খাচ্ছে।

* একটি ডিম ভাজি তিন ভাগ করে খাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা শুধু ব্যাচেলরদেরই থাকে।

* মেসের ব্যাচেলরদের একজন কমন খালা থাকেন। এই খালা কম বয়সী কিংবা বেশি বয়সীই থাকেন না কেন, সবার কাছে তিনি ‘খালা’।

* প্রতিদিন সকালে ‘খালা’র হাঁকডাকে ঘুম ভাঙে ব্যাচেলরদের। এই হাঁকডাক এ রকম হয়—‘কী এক মেসে আমি রান্না করি রে বাবা। এটা থাকে না, সেটা থাকে না। এ কী জ্বালা।’ ‘আমি চলে গেলে কোন বেটি আইসা এই মেসে রান্না করে, দেখমু নে। আমার রান্না নাকি ভালা হয় না।’ ‘নবাবের পুতগুলা, এবার উইঠা পড়েন। মেসে যে বাজার নাই, সেদিকে একটু নজর দেন’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

* ব্যাচেলররা এক কাপড় টানা তিন দিন পরতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুর্গন্ধ দূর করতে সস্তা দরের বডি স্প্রেই তাদের ভরসা।

* বৃহস্পতিবার রাত মেসে থাকা ব্যাচেলরদের জন্য ‘ঈদের রাত’। কারণ, শুক্রবার ছুটি, কাজকর্ম নাই; অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমানো যায়। এই রাতে অনেক মেসেই ব্যাচেলর পার্টি হয়ে থাকে।

* মাসের প্রথম ভাগে ব্যাচেলরদের মনে অফুরন্ত ফুর্তি থাকে। কারণ, হাতে বেতনের টাকা থাকে। মাসের মধ্যভাগে ব্যাচেলররা মনস্থ করে, ‘টাকা তো শেষ হয়ে যাচ্ছে, হিসাব করে খরচ করতে হবে।’ মাসের শেষভাগে পকেটে একশ’ টাকা নিয়ে এক সপ্তাহ চালিয়ে দিতে পারে তারা।

* বাড়িওয়ালা যাতে বাসা ছাড়ার নোটিশ না দেয়, এ জন্য ব্যাচেলররা সকালে-বিকেলে নিয়ম করে বাড়িওয়ালাকে লম্বা সালাম দেয়।

* ব্যাচেলরদের জন্য বাসার পরম আরাধ্য স্থান হচ্ছে ছাদ। কারণ, বাড়িওয়ালা তাদের জন্য ছাদে ওঠা নিষিদ্ধ করে রাখেন। আর নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি তো বাড়তি টান থাকেই।

* একটি ছেলে যখন ব্যাচেলর থাকে, তখন এই ব্যাচেলর জীবন নিয়ে সে হায়-হুতাশ করতে থাকে। সেই ছেলে যখন ‘একা’ থেকে ‘দুকা’ হয়ে যায়, তখন ফেলে আসা ব্যাচেলর জীবনের জন্য হায়-হুতাশ করে।

কোন বয়সের শিশুর কতক্ষণ টিভি বা মোবাইল ঘাঁটা নিরাপদ:-

কোন বয়সের শিশুর কতক্ষণ টিভি বা মোবাইল ঘাঁটা নিরাপদ, জানাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা।নির্দেশিকায় বলা হয়েছ, যে সমস্ত বাচ্চাদের বয়স এক বছরেরও কম তাঁদের মোটেই টিভির সামনে বা কম্পিউটার মোবাইলের সামনে বসিয়ে দেবেন না।জানানো হয়েছে, টিভিতে চোখ নয়, খেলার মাঠে দৌড়াতে হবে বাচ্চাদের।

মায়েরা অনেক সময় বাচ্চাদের শান্ত করতে বা খাওয়ানোর সময় তাদেরকে টেলিভিশনের সামনে বসিয়ে দেন অথবা তাদের হাতে মোবাই তুলে দেন। হু'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যন্ত্র হিসেবে যত বেশি আমরা মোবাইল, টিভি ও কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে, শিশুদের স্বাস্থ্যের ততই অবনতি ঘটছে দ্রুত।

ওই নির্দেশিকাতে স্পষ্টতই উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাঁচ বছরের কম বয়স যে সব বাচ্চাদের তাদেরকে টিভি মোবাইল বা কম্পিউটারে যতটা সম্ভব কম সময় কাটাতে হবে। টিভি বা মোবাইলে যত কম চোখ রাখবে বাচ্চাদের তত ঘুম ভালো হবে। ভালো ঘুমের জন্য এবং স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠতে গেলে টিভির পর্দা নয়, খেলার মাঠেই বেশি নিয়ে যেতে হবে বাচ্চাদের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, যে সমস্ত বাচ্চাদের বয়স একেবারেই কম, অর্থাৎ এক বছরেরও কম তাঁদের টিভি দেখানো বা কম্পিউটার গেম খেলতে দেওয়াটাও বন্ধ করুন।এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে অজান্তেই নিজের শিশুকে ঠেলে দিচ্ছেন আপনি। ২ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের বেশি করে শারীরিক ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত করা উচিত। অনেক বেশি খেলাধুলো এবং অন্যান্য কাজে নিজের শিশুকে নিযুক্ত করুন। সব শেষে দিনে খুব বেশি হলে এক ঘন্টা টিভি বা কম্পিউটারে মন দিতে দিন, তার বেশি একেবারেই নয়।

অফিসিয়াল কাজের জন্য মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft Word ) এর জুরি নেই। তবে কোন কোন কাজের ক্ষেত্রে অফিসের কোন গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট প্রটেক্ট করতে হয়। আর এই পোষ্টে দেখানো হবে কিভাবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করবেন ? আপনি যে কোনো ওয়ার্ড ডকুমেন্ট পাসওয়ার্ড প্রটেক্ট করতে পারবেন একদম সফ্টওয়্যার ছাড়াই। এতে আপনার ডকুমেন্ট বা ফাইলগুলো থাকবে নিরাপদে । এজন্য আপনাকে যা যা করতে হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হল। [Slow কম্পিউটার নিমিষে সুপার ফাস্ট করে নিন সফটওয়্যার ছারা ১ মিনিটে ]

প্রথমে একটি MS Word ফাইল খুলতে হবে। তারপর এর মধ্যে কিছু লিখতে হবে।
এরপর একটি নতুন উইন্ডো দেখাবেন সেখান থেকে টুলস (Tools) অপশনে গিয়ে জেনারেল অপশনে (General options) ক্লিক করতে হবে।
এরপর পাসওয়ার্ড টু মডিফাই (Password to modify) বক্সে পাসওয়ার্ড ক্লিক করতে হবে।
OK তে ক্লিক করে, এমএস ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বন্ধ করতে হবে। তারপর পাসওয়ার্ড দ্বারা পুনরায় এমএস ওয়ার্ড ফাইলটি খুলতে হবে।

খ্রিস্টান ব্যবসায়ী নিজের তৈরি মসজিদে প্রতিদিন ৮০০ জনকে ইফতার করান

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুসলমানদের জন্য একটি মসজিদ তৈরি করেছেন ভারতীয় এক খ্রিস্টান ব্যবসায়ী। শুধু তাই নয়, এই মসজিদের চলতি রমজান মাসের প্রত্যেকদিন প্রায় ৮০০ রোজাদারের ইফতারির ব্যবস্থা করেন তিনি।

৪৯ বছর বয়সী সাজি চেরিয়ান নামের ওই ব্যবসায়ী ভারতের কেরালার কায়ামকুলামের বাসিন্দা। গত বছর মুসলিম শ্রমিকদের জন্য ফুজাইরাহ শহরে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন তিনি।

শ্রমিকরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে ট্যাক্সিতে করে নিকটবর্তী মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতেন। এটি দেখে যাতে দূরে গিয়ে শ্রমিকদের নামাজ আদায় করতে না হয়, সেজন্য তিনি মসজিদ তৈরির পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ফুজাইরাহ শহরে মরিয়ম উম ঈসা (আ.) নামে একটি মসজিদ তৈরি করেন তিনি।

গত ৭ মে থেকে পবিত্র রমজান শুরু হয়েছে। মাত্র কয়েকশ দিরহাম নিয়ে ২০০৩ সালে আরব আমিরাতে পাড়ি জমান চেরিয়ান। গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এই ব্যবসায়ী তার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ৮ শতাধিক কর্মী ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ইফতার আয়োজন করেন। মসজিদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে প্রত্যেকদিন তিনি মুসলিমদের ফ্রি ইফতারি করান।

তিনি বলেন, গত বছরের ১৭ রমজানে মসজিদটি মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হয়। আমি অবশিষ্ট রোজাগুলোতে মুসলিমদের ইফতারি সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। তবে চলতি বছর থেকে আমি প্রত্যেকদিন ইফতারি সরবরাহ করছি।

ইফতারির খাবার তালিকায় থাকে, খেজুর, বিশুদ্ধ ফলমূল, স্ন্যাকস, জুস, পানি ও বিরিয়ানি। আমি বিভিন্ন ধরনের বিরিয়ানি তৈরি করি; কারণ যাতে তারা প্রত্যেকদিন একই ধরনের খাবার খেয়ে বিরক্ত না হন।

৬৩ বছর বয়সী পাকিস্তানি প্রবাসী বাসচালক আব্দুল কাইয়ুম বুধবার চেরিয়ানের সেই মসজিদে ইফতারি করেছেন। তিনি ভারতীয় এই খ্রিস্টান ব্যবসায়ীর উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বিশ্বে তার মতো মানুষের দরকার। যদি তার মতো কোনো মানুষ না থাকে, তাহলে বিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা তার জন্য প্রার্থনা করেছি। আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ করবেন।

শিশুর রুচি কমে যাওয়ার ৭টি প্রধান কারণ ও প্রতিকার

শিশুর রুচিহীনতা খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। বাবা-মা থেকে শুরু করে পরিবারের সবাই শিশুর রুচি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। শিশুর রুচি কমে যাওয়ার পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। চলুন, শিশুর রুচি কমে যাওয়ার প্রধান ৭টি কারণ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে জেনে নেই-

১. শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে সংবেদনশীল না হওয়া: শিশুকে খাওয়ানোর ব্যাপারে বাবা-মায়ের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাওয়ানোর সময় যথেষ্ট সংবেদনশীল আচরণ করতে হবে। কখন শিশুকে খাওয়ানো দরকার আর কখন শিশুর পেট ভরে গেছে এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। খাওয়ার সময়টাকে শিশুর কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে।

২. খাবারের ব্যাপারে জোরাজুরি করা: অনেক সময় দেখা যায়, শিশুর খিদে নাই, তারপরও তাকে জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। এতে হিতে বিপরীত হয়। শিশুর রুচি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। গবেষণায় দেখা গেছে, জোর করার কারণে খাবারের প্রতি শিশুর মনে ভয় ও অনীহা জন্ম নেয়। তাই শিশুকে জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়। তার বদলে শিশুর সাথে ঠিকমত যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। তার শরীরের চাহিদা অনুযায়ী তাকে খাবার দিতে হবে এবং নিয়মমত খাওয়ার ব্যাপারে তাকে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।

ছবি: যেসব মায়েরা শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে পরিচর্যা করেন তাদের শিশুদের রুচি ভালো থাকে।

৩. শিশুকে সময় কম দেয়া: আজকাল বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বাবা-মায়ের পক্ষে শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দেয়া সম্ভব হয় না। এ বিষয়টি শিশুর বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে, মায়ের কাছ থেকে যথাযথ সময় না পেলে শিশুর মানসিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, মা ঠিকমত সময় না দিলে এবং যত্ন-পরিচর্যা না করণে বাচ্চার রুচি কমে যায়। যেসব মায়েরা শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে পরিচর্যা করেন তাদের শিশুদের রুচি ভালো থাকে।
আরো পড়ুন জরায়ুমুখ ক্যানসারের ৭টি প্রাথমিক লক্ষণ

৪. অসুস্থতা: শারীরিক অসুস্থতা রুচি কমে যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ। সাধারণত জ্বর, গলা ব্যথা, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, কিংবা ডায়রিয়া হলে শিশুর খাবারের পরিমাণ কমে যায়। অসুখ ভালো হয়ে গেলে বেশিরভাগ শিশুরই রুচি ঠিক হয়ে যায়। শিশুর শারীরিক অসুস্থতা হলে খাওয়ানোর ব্যাপারে জোর করা যাবে না। এসময় শিশুকে অল্প-অল্প করে বারবার খাওয়াতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত সুস্থতার জন্য ডাক্তারের পরামর্শ মত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

৫. কৃমির সংক্রমণ: কৃমির সংক্রমণ শিশুদের জন্য খুবই খারাপ একটি বিষয়। কৃমি শিশুর পরিপাকতন্ত্রে প্রবেশ করে সেখানে পরজীবি হিসাবে অবস্থান করে। এর ফলে শিশুর নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। রুচিও কমে যায়। কৃমির সংক্রমণ হলে শিশুকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে।

৬. রক্তশূন্যতা: রক্তশূন্যতা রুচি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। রক্তশূন্যতায় ভোগা শিশুরা অন্য শিশুদের তুলনায় দূর্বল ও ক্লান্ত থাকে। এরা বেশিরভাগ সময়ই বিরক্ত থাকে এবং প্রায়ই কান্নাকাটি করে। সময়মত রক্তশূন্যতার চিকিৎসা না করালে এসব শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

৭. মানসিক চাপ: কোন কারণে শিশুর উপর মানসিক চাপ থাকলে তার রুচি কমে যায়। শিশুর যদি রুচি কমে যায়, ঘুম কম হয় এবং শিশুকে সব সময় বিরক্ত মনে হয়, তবে বুঝতে হবে কোন কারণে শিশুটি মানসিক চাপে ভুগছে। এ সময় শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে। তার মানসিক চাপ কমিয়ে হাসি-খুশি রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারণত শিশুরা ভয় পেলে, একাকী থাকলে কিংবা বাবা-মায়ের কাছ থেকে কম সময় পেলে মানসিক চাপে ভুগে।

ইফতারে স্বাস্থ্যকর ফল পেয়ারা

প্রতিদিনের ইফতারে ভাজাপোড়া কম খেয়ে বিভিন্ন ফল খাওয়া উত্তম বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই আপনার ইফতারে থাকতে পারে অতি পরিচিত এই ফলটি। প্রতিদিন মাত্র ১টি পেয়ারা আপনার নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা খুব সহজেই দূর করে দিতে পারে- এমনটিই বলছে একাধিক গবেষণা। তাই স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রতিদিনের ইফতারে পেয়ারা রাখা যেতে পারে। এতে আছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ‘সি’ ও লাইকোপেন—যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই দরকারি। জেনে নিন তুলনামূলক সস্তার ফল পেয়ারার পুষ্টিগুণ-

উচ্চ রক্তচাপ : উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পেয়ারার পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে : পেয়ারায় রয়েছে ভিটামিন এ। দিনে ১টি পেয়ারা খেলেও দৃষ্টিশক্তির উন্নতি সম্ভব।

ওজন কমায় : পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এতে হজমের সমস্যার সমাধান হয়। পেয়ারা রক্তের চিনির মাত্রা কমাতেও বিশেষভাবে কার্যকরী।

চুল পড়া রোধ করে : পেয়ারার ভিটামিন সি চুল পড়া রোধে বিশেষভাবে কার্যকরী। এছাড়াও প্রতিদিন মাত্র ১টি পেয়ারা খেলে নতুন চুল গজাতেও সহায়তা করে।

নার্ভ ও মাংসপেশি শিথিল রাখতে : পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম যা অনেক কঠিন পরিশ্রমের পরেও মাংসপেশি শিথিল রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও নার্ভ রিলাক্স করে।

ত্বকের নানা সমস্যা দূর করে : পেয়ারার প্রায় ৮১% পানি। সুতরাং পেয়ারা খেলে দেহ পানি শূন্যতার হাত থেকে রক্ষা পায়, ত্বক সুস্থ থাকে। পেয়ারার ভিটামিন সি ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর সুরক্ষাতেও কাজ করে।

মস্তিস্কের সুরক্ষা করে : পেয়ারা আমাদের মস্তিষ্ক সুরক্ষায় কাজ করে। পেয়ারার ভিটামিন মস্তিস্কের নার্ভ রিলাক্স করতে সহায়তা করে। এতে মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

উচ্চ রক্তচাপ গোটা বিশ্বেই একটি সাধারণ শারীরিক সমস্যা। যত্নশীল না হলে এই সমস্যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। কিন্তু খুবই সাধারণ কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা এড়ানো সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রের মেয়োক্লিনিক মেডিকেল সেন্টারের ওয়েবসাইটে এমন কয়েকটি অভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। মানবজমিনের পাঠকের জন্য সেগুলো তুলে ধরা হলো-

ওজন কমান: মানুষের ওজন যত বাড়ে, উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও একই সঙ্গে বাড়তে থাকে। এর কারণে শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার পাশাপাশি ঘুমেরও ব্যাঘাত ঘটতে পারে। অথচ নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে খুব সহজেই মানুষ নিজের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে। একই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিও এড়িয়ে চলতে পারে।

নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম বা পরিশ্রমের কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে।
প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের চেষ্টা করুন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়।

স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ: চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। এমন খাবার গ্রহণ করুন, যেন শরীর সব ধরনের পুষ্টি পরিমিতভাবে পায়।

লবণ কম খান: অধিক লবণ খাওয়া হার্টের জন্য ক্ষতিকর। দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় লবণের পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করুন। এতে আপনার হার্ট ভালো থাকবে। একই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে তা কমে আসবে।

মদ্যপান কমান: অ্যালকোহল শরীরের জন্য ভালো ও খারাপ উভয়ই। পরিমিত অ্যালকোহল রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিন্তু একই অ্যালকোহল যখন অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা হয়, তা রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অনেক সময় অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরের ওষুধের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

ধূমপান ত্যাগ করুন: প্রতিটি সিগারেট পরবর্তী কয়েক মিনিটের জন্য শরীরের রক্তপ্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। অধিক ধূমপান রক্তচাপকে ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। ধূমপান এড়িয়ে চলুন। এতে হার্ট ও রক্তচাপসহ সার্বিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে।

কফি কম খান: শরীরে কফির প্রভাব নিয়ে বিতর্ক আছে। অনিয়মিত কফি খাওয়ার ফলে রক্তচাপ অস্বাভাবিক বেড়ে যেতে পারে। কিন্তু যারা নিয়মিত কফি খায়, তাদের রক্তচাপে কফি কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে দীর্ঘমেয়াদে সুফল পাওয়ার জন্য কফি কম খাওয়া ভালো।


নিমিষেই ক্ষোভ দূর করুন

স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন, বাবা-মা কিংবা অন্যকোন প্রিয়জনের সঙ্গে নিত্যদিন ঘটে চলা ঘটনাগুলো মানুষের মনে কখনো কখনো দারুণ প্রভাব ফেলে এবং মাঝে মধ্যেই তা থেকে রাগের সৃষ্টি হয়। আপনি চাইলে নিমিষেই মনের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভ দূর করতে পারেন। জেনে নিন কিভাবে নিমিষেই ক্ষোভের হাত থেকে মুক্তি মিলবে।
১.অনলাইন আলোচনা করবেন না
কোনও ঘটনার পক্ষ থাকলে বিপক্ষও থাকবে। তবে দুই মেরু এক জায়গায় হলে সংঘর্ষ তো বাঁধবেই। এক ময়দানে দুই তলোয়ার যে থাকতে পারে না সেটা কে না জানে। ফেসবুকে আলোচনার ক্ষেত্রে আপনার বিপক্ষ ভাবনার মানুষও থাকবে যে কমেন্ট করলে আপনার রাগ বাড়বে ছাড়া কমবে না। তাই অনলাইনে আলোচনা করবেন না। বরং তার সঙ্গে সামনাসামনি আলোচনা করুন। দেখবেন মনের কথা বেরিয়ে গেলে মেজাজ ভালো হয়ে যাবে।
২. ডায়েরি লিখুন
নিজের ক্ষোভ কমানোর আরেক উপায় হল নিজের অভিজ্ঞতা ও মতামত লিখে ফেলা। দেখবেন এতে রাগ অনেকটা কমে যাবে। মনের ক্ষোভ প্রকাশ করাটাই বড় কথা। ক্ষোভ বেরিয়ে গেলে আর কোনও সমস্যা হবে না। ডায়েরি এক্ষেত্রে আপনার প্রিয় বন্ধু।
৩. মেডিটেশন করুন
কী হচ্ছে না হচ্ছে সেটা ভেবে কী হবে? কোনও কিছুর ওপরেই আপনার হাত নেই। সুতরাং এইসব নিয়ে চিন্তা করে কিছুই হবে না। যা হওয়ার সেটাই হবে। দিনে আধ ঘণ্টা ধ্যান করুন। দেখবেন ভাবনা চিন্তা না করে মেডিটেশন করলে নিজের মধ্যে সংযম আসবে। এর ফলে আর কোনওরকম ক্ষোভ থাকবে না।
৪. অন্যরকম ভাবুন
ভীষণ রাগ হচ্ছে? কিছুতেই নিজেকে আটকাতে পারছেন না? এক কাজ করুন নিজেকে ঘরে বন্ধ করে খুব জোরে জোরে চিৎকার করুন। দেখবেন রাগ অনেকটা কমছে। রাগ কমানোর জন্য এই উপায় কিন্তু ভীষণ ভালো।
৫. প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান
সব চিন্তা বাদ দিন। বরং নিজের সঙ্গী কিংবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। আনন্দের মধ্যে থাকলে মন ভালো হতে বাধ্য।

মহাজগতের বহুদূরের একটি ছায়াপথ থেকে আসা রহস্যজনক সংকেত পাওয়ার বিস্তারিত প্রকাশ করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ক্যানাডার একটি টেলিস্কোপে ওই সংকেত ধরা পড়েছে।

তবে সংকেতের অর্থ বা কোথা থেকে সেটি আসছে, তা এখনো বিজ্ঞানীরা বের করতে পারেননি।

এর মধ্যে ১৩টি দ্রুত গতির বিস্ফোরণের মতো বেতার শব্দ রয়েছে, যেটি বারবার ঘুরে ঘুরে আসছে। যেটিকে এফআরবি বলে বিজ্ঞানীরা বর্ণনা করছেন। এই শব্দটি প্রায় দেড় হাজার আলোকবর্ষ দূরের কোন উৎস থেকে আসছে।

এ ধরণের ঘটনা অতীতে আরো একবার ঘটেছে, সেটি আরেকটি টেলিস্কোপের মাধ্যমে জানা গিয়েছিল।

ব্রিটিশ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইনগ্রিড স্টেয়ারর্স বলছেন, ''এটা জানার পর আরো একবার এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, মহাবিশ্বের অন্য কোথাও কিছু রয়েছে।''

''এ ধরণের শব্দ আরো পাওয়া গেছে এবং গবেষণার জন্য আরো উৎসের সন্ধান মিললে, আমরা হয়তো এই সৃষ্টি সংক্রান্ত রহস্য বুঝতে শুরু করবো- এটি কোথা থেকে আসছে আর কি কারণে সেটির উৎপন্ন হচ্ছে।''

ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ওকানাগান উপত্যকায় চারটি একশো মিটার লম্বা অ্যান্টেনা নিয়ে শাইমি গবেষণাগারটি অবস্থিত, যেখানে এই সংকেত ধরা পড়েছে। এই গবেষণাগার থেকে প্রতিদিন আকাশে অনুসন্ধান চালানো হয়।

গত বছর এই টেলিস্কোপটি কাজ শুরু করার পর মহাবিশ্বের ১৩টি মহাজাগতিক বিস্ফোরণের শব্দ পেয়েছে, যার মধ্যে একটি কয়েকবার ফিরে ফিরে এসেছে।

‘আগামী ১০০ বছরের মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হবে মানুষকে’

পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং বিশ্বাস করেন এই ধরণীতে মানুবজাতির আয়ু ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে। অনেকদিন ধরেই এ কথা বলে আসছেন এই প্রখ্যাত বিজ্ঞানী।

কিন্তু বিবিসির নতুন এক তথ্যচিত্রে হকিং তার নতুন তত্ব পরীক্ষা করবেন যে, টিকে থাকতে হলে আগামী ১০০ বছরের মধ্যে নতুন গ্রহ খুঁজে বের করতে হবে মানবজাতিকে। অন্যথায়, নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে হবে এই পৃথিবীর বুক থেকে। তথ্যচিত্রটির নামও দেখা হয়েছে ‘স্টিফেন হকিং: এক্সপিডিশন নিউ আর্থ (স্টিফেন হকিং: নতুন গ্রহের সন্ধানে)’। বিবিসির টুমোরো’ ওয়ার্ল্ড অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে এই সামারে তথ্যচিত্রটি প্রচার করার কথা রয়েছে।
এতে দেখানো হবে যে, হকিং যে দাবি করছেন, তা শুনতে যত উদ্ভট শোনাক, বাস্তবে তা নয়।

যেভাবে করা যাবে এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন

ইউএসএ টুডের খবরে বলা হয়, মহাবিশ্ব নিয়ে দুনিয়ার অন্যতম শীর্ষ তাত্বিক বিজ্ঞানী হকিং সতর্ক করে আসছেন যে, জলবায়ু পরিবর্তন থেকে শুরু করে পারমাণবিক যুদ্ধ ও জীনগতভাবে উদ্ভাবিত ভাইরাসের মতো ভয়াবহ সব হুমকির সম্মুখীন মানবজাতি। সবকিছু হতাশাচ্ছন্ন হলেও, হকিং মনে করেন, কিছু আশা এখনও আছে। মানুষকে অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে নতুন পৃথিবী খুঁজে পেতে হবে।

২০১৬ সালে বৃটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিয়নে এক বক্তৃতায় হকিং বলেন, ‘মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য আমাদেরকে অবশ্যই মহাকাশে যাওয়া অব্যাহত রাখতে হবে।’ এর আগেও হকিং বলেছিলেন, আমাদের এই ভঙ্গুর গ্রহ বের হতে না পারলে আরও ১০০০ বছর মানবজাতি টিকে থাকতে পারবে না।

আত্মশুদ্ধির মাস মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে চলে এ আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়া। হঠাৎ করেই বছরের চিরাচরিত অভ্যাসগুলো পাল্টে যায় এ মাসে। এ সময় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে খাদ্যাভ্যাসে। এ পরিবর্তন মানিয়ে নেওয়া প্রথম দিকে একটু কঠিন হয়ে যায়। তাই শরীরের উপর প্রভাব পড়ে। সিয়াম সাধনার এ মাসটি আপনি কিভাবে কাটাবেন সে সম্পর্কে থাকছে বিষেজ্ঞদের কিছু পরামর্শ।

এক. পবিত্র রমজান মাসের আগে প্রত্যেক মুসলমানের চিকিৎসকের কাছ থেকে শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরামর্শ নেয়া উচিত। আপনি যদি স্বাভাবিক বা সুস্বাস্থ্যের অধিকারীও হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রেও এ মাসে সচেতন থাকুন। আর সে জন্যে একটি খাদ্য তালিকা ও পরিকল্পনা তৈরি করুন। খাবার তালিকায় অবশ্যই পুষ্টির বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া জরুরি। পর্যাপ্ত পানি পান ও বিশ্রাম নেয়ার দিকটিও খেয়াল রাখবেন।

দুই. ফজরের আজানের কিছু আগে সেহরি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটাই সঠিক অভ্যাস। এ সময়ে সেহরি খাওয়ার ফলে ফজরের নামাজটাও পড়া হয়ে যাবে। তাছাড়া দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবারও এটি। তাই অতিরিক্ত খাবেন না। পরিমিত খাদ্যের একটি তালিকা অনুসরন করতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। শর্করা ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, আঁশ জাতীয় সবজি, ফল ও প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন কারণ এ জাতীয় খাবার ধীরে ধীরে হজম হয়। ফলে সারাদিন সতেজ থাকতে সহায়তা করে।

তিন. দিনের সবচেয়ে গরম সময়টিতে শীতল স্থানে থাকার চেষ্টা করুন। হতে পারে অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা বাড়ি। শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা যথাসম্ভব কমিয়ে আনুন। সম্ভব হলে নিয়মিত বিরতিতে বিশ্রাম নিন।

চার. রমজানের সময় আরেকটি বিষয় বেশ লক্ষনীয়। সারা দিনে রোজা রাখার ফলে শরীর পরিশ্রান্ত এবং পরিশুদ্ধও হয়। ফলে ছোটখাটো রোগব্যাধি থাকলে তা সেরেও যায়। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমানে এ্যান্টিবডি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় এ সময়। কিন্তু আমাদের দেশে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় অনেকেই পেট পুরে খেতে পছন্দ করেন। আর এ মেনুতে ভাজা-পোড়া জাতীয় খাবারই বেশি থাকে। বরং সুন্নাত তরিকা অনুযায়ী মাগরিবের আজানের পর রোজা ভেঙ্গে কয়েকটি খেজুর খাওয়া উত্তম। এর সঙ্গে দুধ, পানি, স্যুপ বা ফলের জুস খাবেন। কারণ সারাদিন অভুক্ত থাকার পর স্বাস্থ্যসম্মত ও সুষম খাবার পরিমিত খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। অতিরিক্ত খাবেন না।

পাঁচ. সন্ধ্যার দিকে ক্যাফেইন জাতীয় কোনো পানীয় অর্থাৎ চা, কফি বা সোডা জাতীয় পানীয় বা কোল্ড ড্রিংস যেমন কোক, পেপসি ইত্যাদি পান করবেন না। যেখানেই থাকুন বেশি করে পানি পান করুন। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে বেশি করে পানি পানের অভ্যাস করুন।

ছয়. রোজার সময় হালকা ব্যায়াম বেশ উপকারী। প্রতিদিন সন্ধ্যার দিকে নিয়মিত ১৫-২০ মিনিট হাটার অভ্যাস করতে পারেন।

সাত. চিকিৎসকের কাছে মাল্টি-ভিটামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ নিতে পারেন। তবে সুষম খাদ্য গ্রহনের অভ্যাস করলে অতিরিক্ত ভিটামিনের কোনো প্রয়োজন নেই।

আট. দিনে কয়েকবার নির্দিষ্ট সময় ব্রাশ ও দাঁতে ফ্লস ব্যবহার করতে পারেন। এতে কোনো খাদ্যকণা দাঁতের ফাঁকে আটতে থাকলে, তা বের হয়ে যাবে ও মাড়িকে সুস্থ-সবল রাখবে।

নয়. নিয়মিত হাত ধোঁয়ার অভ্যাস করুন। পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন। কারো সর্দি-কাশি বা হাঁচি হলে সাবধান থাকুন। কারণ এর মাধ্যমে আপনার শরীরে ভাইরাস জ্বর বা এ জাতীয় কোনো রোগের জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে। আর ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করুন।

দশ. পর্যাপ্ত ঘুমের দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা ৭-৮ ঘণ্টার কম ঘুম আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেবে।

পটাসিয়াম পার-ম্যাঙ্গানেট ও ফরমালিন (ফর্মালডিহাইড ৪০% + পানি) মিলে বিক্রিয়া করে যে ধোঁয়া তৈরি করা হয় এটাকে ফিউমিগেশন বলে। সাধারণত পোল্টি ফার্মে রুম জীবানুমুক্ত করার জন্য ফিউমিগেট করা হয়। একটা রুমের প্রতি ২.৮ ঘন মিটার জায়গার জন্য ৬ গ্রাম পটাসিয়াম পার-ম্যাঙ্গানেট ও ১২০ মি.লি. ফরমালিন (৪০%) দিয়ে ফিউমিগেট করতে হয়। এটা করার সময় রুমের দরজা/জানালা বন্ধ রাখতে হয় যাতে বাইরে থেকে বাতাস ঢুকতে না পারে। তবে এর ভুল ব্যবহার পরিবেশকে বিষাক্ত করে দিতে পারে।

Hi

‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’


যিকির নং ১৮ : (তিন বার)
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ عَدَدَ خَلْقِهِوَرِضَى نَفْسِهِ وَزِنَةَ عَرْشِهِ وَمِدَادَ كَلِمَاتِهِ
উচ্চারণ: সুব‘হা-নাল্লা-হি ওয়াবি‘হামদিহী, ‘আদাদা খাল্ক্বিহী,ওয়ারিদ্বা- নাফ্সিহী,ওয়া যিনাতা ‘আরশিহী ওয়া মিদা-দাকালিমাতিহী।
অর্থ: “পবিত্রতা আল্লাহর এবং প্রশংসা তাঁরই, তাঁর সৃষ্টির সম সংখ্যক, তার নিজের সন্তুষ্টি পরিমাণে, তাঁর আরশের ওজন পরিমাণে এবং তাঁর বাক্যের কালির সমপরিমাণ।”

উম্মুল মুমিনীন জুআইরিয়্যা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ফজরের সালাতের পরে তাঁকে তাঁর সালাতের স্থানে যিকির রত দেখে বেরিয়ে যান। এরপর তিনি অনেক বেলা হলে দুপুরের আগে ফিরে এসে দেখেন তিনি তখনও ঐ অবস্থায় তাসবিহ তাহলীলে রত রয়েছেন।তিনি বলেন: “তুমি কি আমার যাওয়ার সময় থেকে এ পর্যন্ত এভাবেই যিকিরে রত রয়েছ?” তিনি বললেন: “হাঁ।” তখন রাসূলুল্লাহ বললেন: “আমি তোমার কাছ থেকে বেরিয়ে চারটি বাক্য তিন বার করে বলেছি (উপরের বাক্যগুলো)। তুমি সকাল থেকে এ পর্যন্ত যত কিছু বলেছ সবকিছু একত্রে যে সাওয়াব হবে, এ বাক্যগুলোর সাওয়াব সেই একই পরিমাণ হবে।”১০৩

ইমাম তিরমিযী অনুরূপ ঘটনা উম্মুল মুমিনীন সাফিয়্যাহ (রা) থেকেও বর্ণনা করেছেন। সাফিয়্যাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ আমার কাছে এসে দেখেন আমার সামনেচার হাজার বিচি রয়েছে যা দিয়ে আমি তাসবীহ বা সুবহানাল্লাহ যিকির করছি। তিনি বললেন:তুমি কি এতগুলোর সব তাসবীহ পাঠ করেছ? আমি বললাম: “ হাঁ।” তখন তিনি তাকে উপরের যিকিরের অনুরূপবাক্য শিখিয়ে দেন।১০৪
টিকা সমূহ
১০৩. সহীহ মুসলিম ৪/২০৯০-২০৯১, নং ২৭২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১১০, নাসাঈ, কুবরা ১/৪০২, ৬/৪৮, ৪৯।
১০৪. সুনানুত তিরমিযী ৫/৫৫৫, নং ৩৫৫৪। ইমাম তিরমিযী যদিও এ বর্ণনাটির দুর্বলতার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, তবে ইমাম হাকিম ও যাহাবী সাফিয়্যার হাদীসের সনদ আলোচনা করে তা সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন। মুসতাদরাক হাকিম ১/৭৩২।

বাংলাদেশের অবস্থান কোন অঞ্চলে ?
⇒ক্রান্তীয় অঞ্চলে ।

বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট দিয়ে তৈরি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা বহির্বিশ্বে থাকলেও বাস্তবতা হলো বছরের পর বছর দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোকে লোকসান গুনতে হচ্ছে। অথচ প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশ থেকে পাটের কাঁচামাল কিনে সেটা প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে বিদেশে বিক্রি করছে এবং মুনাফা গড়ছে।

বিশ্বব্যাপী খ্যাতি রয়েছে বাংলাদেশের পাটের। ফ্রান্সের প্যারিসে ৯ বছর ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন তৃণা খান। সেখানে স্থানীয়দের নানা ধরনের পাটজাত পণ্য ব্যবহার করতে দেখেছেন। অথচ পাটপণ্য ব্যবহারকারী সেই বিদেশি ক্রেতাদের বেশির ভাগই জানে না এই পাট উৎপাদন হয় বাংলাদেশে।

তৃণা খান বলেন, ‘আমি প্যারিসসহ আশপাশের ছোট শহরগুলোতে মানুষকে পাটের জিনিসপত্র ব্যবহার করতে দেখেছি। এমনকি ফাইভস্টার হোটেলগুলোতেও দেখি আমাদের দেশের পাটের তৈরি কার্পেট। কিন্তু তারা এসব জিনিস কিনেছে ভারত থেকে। কেউ জানেই না যে পাট বাংলাদেশে উৎপাদন হয়।’

বিশ্বের এমন নানা দেশে দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশে উৎপাদিত পাটের নানা ধরনের পণ্য। অথচ সম্ভাবনাময় এই খাতে বছরের পর বছর লোকসান গুনতে হচ্ছে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোকে। বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত ২২টি পাটকল চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে ৩৯৫ কোটি টাকা লোকসান করেছে।

দক্ষ জনশক্তির অভাব, প্রযুক্তিগত দুর্বলতা এবং বিপণনে দক্ষতা না থাকার কারণে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করেন জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের পরিচালক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, ‘বাজার ধরার মতো স্ট্রং মার্কেটিং আমাদের নেই, এটা পলিসি লেভেলের ব্যাপার। ভারত আধুনিক মেশিনে পাট প্রসেস করে বিদেশে রপ্তানি করছে। আর আমাদের মেশিন সেই মান্ধাতার আমলের। এ ছাড়া পাটকলগুলোয় দক্ষ জনবলের অভাব রয়েছে। আমাদের দক্ষ লোক দরকার। দক্ষ বলতে, টেকনিক্যাল ম্যানপাওয়ার।’ পাটের উৎপাদনে বাংলাদেশ সবচেয়ে বড় দেশ হলেও পাটের বর্তমান বিশ্ববাজার দখল করছে ভারত। বাংলাদেশে উৎপাদিত এসব পাটের কাঁচামাল ভারতেই সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় এবং বিদেশি ক্রেতারা এই পণ্যগুলো সরাসরি বাংলাদেশ থেকে নয়, বরং ভারতের কাছ থেকে কিনে থাকে। ফলে বাংলাদেশের পাট প্রক্রিয়াজাত করে লাভ গুনছে ভারতের বাজার। প্রধানত বৈদেশিক চাহিদা অনুযায়ী তৈরি পণ্য রপ্তানি সেই সঙ্গে সুশৃঙ্খল বাজার ব্যবস্থাপনার কারণে সেটা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের পাট ব্যবসায়ী তপন দাস। তিনি বলেন, ভারত পাট আমদানি করে সেটা নিজেদের মেশিনে প্রসেস করে পণ্য বানিয়ে বিক্রি করে। আর তারা তাদের নিজেদের পুরো বাজারের চাহিদা নিজেরা মেটায়। তার মানে তাদের একটা মার্কেট প্রটেকশনের জায়গা পাচ্ছে।

এ ছাড়া বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে দেনদরবার করতে না পারা সেই সঙ্গে সবচেয়ে ভালোমানের পাট রপ্তানি করে দেওয়ার ফলে মানসম্মত পণ্য তৈরি করতে না পারায় বাংলাদেশ তার বাজার তৈরি করতে পারছে না বলে মনে করেন পাট পণ্যের উদ্যোক্তা শাফিয়া সামা। তিনি বলেন, ‘ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দেশগুলোতে কার ইন্ড পাটের বড় একটা বাজার আছে। অথচ বাংলাদেশ সেই বাজারটা দখল করতে পারছে না দুটি কারণে। প্রথমত, ভালো মান নিশ্চিত না করা; দ্বিতীয়ত, দাম নির্ধারণ করতে না পারা। বিদেশি বায়াররা এই দুটি জিনিসই সবার আগে দেখে।’ এ ছাড়া পাট চাষিদের ন্যায্যমূল্য না পাওয়াকেও পাটের বাজার পড়ে যাওয়ার আরেকটি কারণ বলে শাফিয়া সামা মনে করেন।

অন্যদিকে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পাটের বাজার পড়ে যাওয়ার পেছনে বিশ্বব্যাংকের একটি কারসাজিকে দায়ী করছেন বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের বিপণন মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ। বিশ্বব্যাংকের সেই ফর্মুলায় বাংলাদেশের আদমজী জুটমিল বন্ধ হয়ে যায় এবং সে সময় বাংলাদেশের পুরো বাজার ভারত দখল করে নেয় বলে জানান তিনি। মামুনুর রশিদ বলেন, ‘২০০২ সালের দিকে আদমজী জুটমিল বন্ধ হয়ে যায় বিশ্বব্যাংকের ফর্মুলায়। ওই সময় বিশ্বব্যাংকের লোনে ইন্ডিয়াতে বড় মিল স্থাপিত হয়েছে। এতে ইন্ডিয়া লাভবান হলো, আমাদের সব বায়ার তারাই পেল।’ বর্তমানে বাংলাদেশে পাটের বহুমাত্রিক ব্যবহার দেখা গেলেও দৃশ্যপট খুব একটা বদলায়নি।

বাংলাদেশের কোন বনভূমি শাল্বৃক্ষের জন্য বিখ্যাত ?
⇒ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি ।

দোয়া কবুল হওয়ার বেশকিছু শর্ত রয়েছে। যেমন:

১. আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কাউকে না ডাকা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে উদ্দেশ্য করে বলেন: “যখন প্রার্থনা করবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করবে এবং যখন সাহায্য চাইবে তখন শুধু আল্লাহ্‌র কাছে সাহায্য চাইবে।”[সুনানে তিরমিযি (২৫১৬), আলবানী ‘সহিহুল জামে’ গ্রন্থে হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন]

এটাই হচ্ছে আল্লাহ্‌র বাণীর মর্মার্থ “আর নিশ্চয় মসজিদসমূহ আল্লাহ্‌রই জন্য। কাজেই তোমরা আল্লাহ্‌র সাথে অন্য কাউকে ডেকো না।”[সূরা জিন্‌, আয়াত: ১৮] দোয়ার শর্তগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এ শর্ত পূরণ না হলে কোন দোয়া কবুল হবে না, কোন আমল গৃহীত হবে না। অনেক মানুষ রয়েছে যারা নিজেদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মৃতব্যক্তিদেরকে মাধ্যম বানিয়ে তাদেরকে ডাকে। তাদের ধারণা যেহেতু তারা পাপী ও গুনাহগার, আল্লাহ্‌র কাছে তাদের কোন মর্যাদা নেই; তাই এসব নেককার লোকেরা তাদেরকে আল্লাহ্‌র নৈকট্য হাছিল করিয়ে দিবে এবং তাদের মাঝে ও আল্লাহ্‌র মাঝে মধ্যস্থতা করবে। এ বিশ্বাসের কারণে তারা এদের মধ্যস্থতা ধরে এবং আল্লাহ্‌র পরিবর্তে এ মৃতব্যক্তিদেরকে ডাকে। অথচ আল্লাহ্‌ বলেছেন: “আর আমার বান্দারা যখন আপনাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে (তখন আপনি বলে দিন) নিশ্চয় আমি নিকটবর্তী। দোয়াকারী যখন আমাকে ডাকে তখন আমি ডাকে সাড়া দিই।”[সূরা বাকারা, আয়াত: ১৮৬]

২. শরিয়ত অনুমোদিত কোন একটি মাধ্যম দিয়ে আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে ওসিলা দেয়া।

৩. দোয়ার ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করা। তাড়াহুড়া করা দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে বড় বাধা। হাদিসে এসেছে, “তোমাদের কারো দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তাড়াহুড়া করে বলে যে: ‘আমি দোয়া করেছি; কিন্তু, আমার দোয়া কবুল হয়নি”[সহিহ বুখারী (৬৩৪০) ও সহিহ মুসলিম (২৭৩৫)]

সহিহ মুসলিমে (২৭৩৬) আরও এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে। বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া না করে। জিজ্ঞেস করা হল: ইয়া রাসূলুল্লাহ! তাড়াহুড়া বলতে কী বুঝাচ্ছেন? তিনি বললেন: বলে যে, আমি দোয়া করেছি, আমি দোয়া করেছি; কিন্তু আমার দোয়া কবুল হতে দেখিনি। তখন সে ব্যক্তি উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং দোয়া ছেড়ে দেয়।”

৪. দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া না হওয়া; যেমনটি ইতিপূর্বে উল্লেখিত হাদিসে এসেছে- “বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে।”

৫. আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা নিয়ে দোয়া করা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমার বান্দা আমার প্রতি যেমন ধারণা করে আমি তেমন।”[সহিহ বুখারী (৭৪০৫) ও সহিহ মুসলিম (৪৬৭৫)] আবু হুরায়রা (রাঃ) এর হাদিসে এসেছে, “তোমরা দোয়া কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস (একীন) নিয়ে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া কর।”[সুনানে তিরমিযি, আলাবানী সহিহুল জামে গ্রন্থে (২৪৫) হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন]

তাই যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র প্রতি ভাল ধারণা পোষণ করে আল্লাহ্‌ তার উপর প্রভুত কল্যাণ ঢেলে দেন, তাকে উত্তম অনুগ্রহে ভূষিত করেন, উত্তম অনুকম্পা ও দান তার উপর ছড়িয়ে দেন।

৬. দোয়াতে মনোযোগ থাকা। দোয়াকালে দোয়াকারীর মনোযোগ থাকবে এবং যাঁর কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে তাঁর মহত্ত্ব ও বড়ত্ব অন্তরে জাগ্রত রাখবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “তোমরা জেনে রাখ, আল্লাহ্‌ কোন উদাসীন অন্তরের দোয়া কবুল করেন না।”[সুনানে তিরমিযি (৩৪৭৯), সহিহুল জামে (২৪৫) গ্রন্থে শাইখ আলবানী হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করেছেন]

৭. খাদ্য পবিত্র (হালাল) হওয়া। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “আল্লাহ্‌ তো কেবল মুত্তাকীদের থেকেই কবুল করেন”[সূরা মায়েদা, আয়াত: ২৭] এ কারণে যে ব্যক্তির পানাহার ও পরিধেয় হারাম সে ব্যক্তির দোয়া কবুল হওয়াকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদূরপরাহত বিবেচনা করেছেন। হাদিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেন, যিনি দীর্ঘ সফর করেছেন, মাথার চুল উস্কুখুস্ক হয়ে আছে; তিনি আসমানের দিকে হাত তুলে বলেন: ইয়া রব্ব, ইয়া রব্ব! কিন্তু, তার খাবার-খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পরিধেয় হারাম, সে হারাম খেয়ে পরিপুষ্ট হয়েছে তাহলে এমন ব্যক্তির দোয়া কিভাবে কবুল হবে?[সহিহ মুসলিম, (১০১৫)]

ইবনুল কাইয়্যেম (রহঃ) বলেন, হারাম ভক্ষণ করা দোয়ার শক্তিকে নষ্ট করে দেয় ও দুর্বল করে দেয়।

৮. দোয়ার ক্ষেত্রে কোন সীমালঙ্ঘন না করা। কেননা আল্লাহ্‌ তাআলা দোয়ার মধ্যে সীমালঙ্ঘন করাটা অপছন্দ করেন। আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন, “তোমরা বিনীতভাবে ও গোপনে তোমাদের রবকে ডাক; নিশ্চয় তিনি সীমালঙ্ঘনকারীদের পছন্দ করেন না।” [সূরা আরাফ, আয়াত: ৫৫] আরও বিস্তারিত জানতে দেখুন 41017 নং প্রশ্নোত্তর।

৯. ফরয আমল বাদ দিয়ে দোয়াতে মশগুল না হওয়া। যেমন, ফরয নামাযের ওয়াক্তে ফরয নামায বাদ দিয়ে দোয়া করা কিংবা দোয়া করতে গিয়ে মাতাপিতার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা। খুব সম্ভব বিশিষ্ট ইবাদতগুজার জুরাইজ (রহঃ) এর কাহিনী থেকে এ ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কারণ জুরাইজ (রহঃ) তার মায়ের ডাকে সাড়া না দিয়ে ইবাদতে মশগুল থেকেছেন। ফলে মা তাকে বদদোয়া করেন; এতে করে জুরাইজ (রহঃ) আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হন।

ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, আলেমগণ বলেছেন: এতে প্রমাণ রয়েছে যে, জুরাইজের জন্য সঠিক ছিল মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া। কেননা তিনি নফল নামায আদায় করছিলেন। নফল নামায চালিয়ে যাওয়াটা হচ্ছে- নফল কাজ; ফরয নয়। আর মায়ের ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব এবং মায়ের অবাধ্য হওয়া হারাম....”[শারহু সহিহু মুসলিম (১৬/৮২)]

জান্নাতের ৮টি দরজা খুলে যাবে এই দোয়াটি পড়লে। জীবনে ১ বার হলেও পড়ুন..

নামাযের সময়, কুরআন তেলাওয়াতের পূর্বে প্রতিদিন আমরা ওজু করি। সুন্দর ও সঠিকভাবে ওজু করে ছোট্ট একটি দুআ পাঠ করুন। জান্নাতের আটটি দরজা আপনার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যাবে। যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা, আপনি প্রবেশ করতে পারবেন।
এই সুন্দর ও সহজ সুন্নাতটি আদায় করতে দশ সেকেন্ডের বেশি সময় লাগবে না। অথচ উপকার কত বড়! হযরত উকবা ইবনে আমের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,
‘তোমাদের কেউ যখন ওজু করে, আর সে পূর্ণরূপে সুন্দর করে ওজু করে, এরপর সে নিম্নের দুআটি পাঠ করে, তাহলে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা, সে প্রবেশ করতে পারে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৩৪৫)
দুআটি এই :أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ

আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুল্লাহি ওয়া রাসূলুহু।
অন্য একটি হাদীসে আরেকটি দুআ বর্ণিত আছে এবং সেই দুআটি পড়লেও জান্নাতের আটটি দরজা পাঠকারীর জন্য খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। হযরত ওমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ভালোভাবে ওজু করে নিম্নোক্ত দুআটি পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হয়। সে যেকোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা, প্রবেশ করতে পারে।’ (তিরমিযী শরীফ, হাদীস-৫০)
দুআটি এই :
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ و
َحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنْ التَّوَّابِينَ وَاجْعَلْنِي مِنْ الْمُتَطَهِّرِينَ
উচ্চারণ:
আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু, আল্লাহুম্মাজ-আলনী মিনাত-তাওয়া-বীনা, ওয়াজ-আলনী মিনাল-মুতা-তহহিরীন।

Valo Achi

Power dwells with cheerfulness

সবচেয়ে কঠিন কাজ হচ্ছে নিজেকে চেনা, আর সবচেয়ে সহজ কাজ হচ্ছে অন্যদেরকে উপদেশ দেয়া।

হাজী মুহম্মদ মোহসীন ফান্ডের আর্থিক সহায়তায় ১৮৭৪ সালে ঢাকায় কলকাতা মাদ্রাসার আদলে মোহসীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরে এটি ঢাকা মাদ্রাসা নামে প্রসিদ্ধ হয়। এটি ছিল পূর্ববাংলার মুসলমানদের জন্য প্রথম সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ মাদ্রাসার প্রথম সুপারিনটেন্ডেন্ট ছিলেন পন্ডিত ও ভাষাবিদ বাহারুল উলুম মাওলানা ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী। ১৯১৫ সাল পর্যন্ত হাজী মুহম্মদ মোহসীন ফান্ড থেকে এই মাদ্রাসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়। উক্ত সালে এটি উচ্চ মাদ্রাসায় রূপান্তরিত হয়। ১৯১৬ সালে মাদ্রাসার অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগটি পৃথক হয়ে ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাইস্কুল নাম ধারণ করে। ১৯২৩ সালে মাদ্রাসা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং ১৯৬৮ সালে কলেজের নামকরণ হয় সরকারি ইসলামিয়া কলেজ।




বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকার রিট আবেদনের শুনানির জন্য সপরিবারে হাইকোর্ট চত্বরে। প্রথম আলাে ফাইল ছবিবাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকার রিট আবেদনের শুনানির জন্য সপরিবারে হাইকোর্ট চত্বরে। প্রথম আলাে ফাইল ছবিরাজধানীর দোলাইরপাড়ে বেপরোয়া বাসের চাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ৫০ লাখ টাকা দিতে গ্রিণ লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রাসেলের অন্য পায়ে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে এবং কাটা পড়া পা পায়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃত্রিম পা লাগানোর খরচও গ্রিন লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে বহন করতে বলা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

Eprothom Alo
নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে ৩১ মার্চ আদালতে গ্রিণ লাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

রাসেল সরকারের পা হারানোর পর গত বছরের ১৪ মে ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারদলীয় সাবেক সাংসদ আইনজীবী উম্মে কুলসুম হাইকোর্টে রিট করেন। রিটের শুনানিতে ৬ মার্চ রাসেল আদালতকে বলেছিলেন, পা হারানোর পর এখন পর্যন্ত গ্রিনলাইন কর্তৃপক্ষ তাঁকে একটি টাকাও দেয়নি। খোঁজখবর নেয়নি, চিকিৎসার ব্যয়ও বহন করেনি।
ওই রিটের শুনানি নিয়ে রাসেল সরকারকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি আদেশের জন্য আসে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার শামসুল হক রেজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম সাইফুল আলম। গ্রিন লাইন পরিবহনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. ওজি উল্লাহ ও আফরোজা খানম।

রাসেল সরকার একটি প্রতিষ্ঠানের ভাড়া গাড়ি চালাতেন। গত বছরের ২৮ এপ্রিল কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যাত্রাবাড়ীর হানিফ উড়ালসড়কে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসের চাপায় পা হারান।

ঘটনার পর রাসেল বলেছিলেন, ফেরার সময় যাত্রাবাড়ীতে গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস তাঁর গাড়িকে ধাক্কা দেয়। পরে গাড়ি থামিয়ে বাসের সামনে গিয়ে বাসচালককে নামতে বলেন তিনি। তখন তাঁর সঙ্গে বাসচালকের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বাসচালক গাড়ি চালাতে শুরু করেন। তখন রাসেল সরতে গেলে উড়ালসড়কের রেলিংয়ে আটকে যান। এ সময় রাসেলের পায়ের ওপর দিয়ে বাস চলে যায়। এরপর অস্ত্রোপচার করে তাঁর বাঁ পা কেটে ফেলা হয়।

এ ঘটনায় রাসেল সরকারের বড় ভাই আরিফ সরকার বাসচালক কবির মিয়ার বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় গত বছরের ২৮ এপ্রিল মামলা করেন।

বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য পদ লাভ করে।

কবরের আজাব থেকে নিরাপদ থাকার আমল
আল্লাহ তাআলা বান্দাকে তাঁর সুন্দর সুন্দর নামের জিকির বা আমল করার কথা বলেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে আলাদা আলাদাভাবে এ নামের জিকিরের আমল ঘোষণা করেছেন। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নামসমূহের মধ্যে (اَلْقَابِضُ) ‘আল-ক্বাবিদু’ একটি। যার অর্থ হলো- ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’

সংক্ষেপে এ গুণবাচক নাম (اَلْقَابِضُ) ‘আল-আলিমু’-এর জিকিরের আমল ও ফজিলত তুলে ধরা হলো-

উচ্চারণ : ‘আল-ক্বাবিদু’
অর্থ : ‘বান্দার রিযিক ও অন্তর সকোচনকারী এবং রূহ কবজকারী।’

19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3614 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4051 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4207 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ