About Mahmuda Khatun

রাতভর ফোন চার্জে দিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করুন

১) রাতভর ফোন চার্জে দিয়ে রাখার অভ্যাস ত্যাগ করুন। এর ফলে মোবাইল অত্যধিক গরম হয়ে যাওয়া ছাড়াও ব্যাটারির কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।
২) চার্জ দেওয়ার সময় ফোনের কভার অবশ্যই খুলে রাখুন। চার্জ দেওয়ার সময় ফোনে যে তাপ উৎপন্ন হয়, কভার থাকায় তা বেরতে পারে না। ফলে মোবাইল ফোন গরম হয়ে ওঠে।

৩) অন্য ফোনের ব্যাটারি বা অন্য ফোনের চার্জার ব্যবহার না করাই ভাল। এতে ফোন দ্রুত খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৪) সরাসরি সূর্যালোকে মোবাইল ফোন দীর্ঘ ক্ষণ রাখবেন না। কারণ সূর্যের আলো ফোনের ব্যাটারির ক্ষতি করে।

৬) যে সব অ্যাপ চালালে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত খরচ হয় বা ফোন গরম হয়ে ওঠে, সেগুলি ফোন থেকে আন ইনস্টল করে দেওয়াই ভাল।

রমজানে কখন ব্যায়াম করবেন

আমরা যখন ব্যায়াম করি তখন পেশিতে প্রচুর শর্করার প্রয়োজন হয়। খাবার গ্রহণ না করে থাকলে যকৃৎ ও পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ভেঙে এই শর্করা সরবরাহ করে শরীর। রোজা রেখে বেশি ব্যায়াম করলে এই সঞ্চিত শর্করা দ্রুত শেষ হয়ে যাবে ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। ডায়াবেটিস, যকৃতের রোগে এই গ্লাইকোজেন ভেঙে শক্তি আহরণের সিস্টেমে গড়বড় থাকে। ফলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা শর্করা কমে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। তাই পবিত্র রমজান মাসে শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

: অনেকেই ইফতারে নানা প্রকার ভাজাপোড়া ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন। এতে অতিরিক্ত ক্যালরি খাওয়া হয়ে যায়, ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। রক্তে শর্করা বা কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়। ইফতার ও রাতের খাবারের মধ্যবর্তী সময় হলো শরীরচর্চার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়। ইফতার গ্রহণের এক থেকে দুই ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন।

: ভারী খাবার খেয়ে ব্যায়াম করা যায় না। তাই ভালো হবে যদি হালকা ইফতার গ্রহণ করেন। বেশি তেলে বা ঘিয়ে ভাজা খাবারদাবার না খেয়ে দই, চিড়া, ছোলা, শসার সালাদ, ফলমূল ইত্যাদি খেয়ে তারপর শরীরচর্চা করলে খারাপ লাগবে না।

: পানি ও লবণশূন্যতার কারণে পেশিতে ক্র্যাম্প হতে পারে। তাই ইফতারের সময় বেশি করে পানি পান করুন। ইলেকট্রোলাইটস সমৃদ্ধ ডাবের পানি পান করা আরও ভালো। ব্যায়ামের পর আবার একটু জিরিয়ে নিয়ে আবার বেশি করে পানি পান করুন।

: অন্য সময়ের তুলনায় হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় কমিয়ে নিতে পারেন। অন্যান্য সময় যাঁরা এক ঘণ্টা হাঁটেন, তাঁরা ২০ মিনিট কমিয়ে ফেললেই ভালো।

: রাতের বেলা একটু হাঁটাহাঁটি করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটির সমস্যা ইত্যাদিও কমে।

: শরীরচর্চা করে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়লে বা মাথা ঘুরলে বাদ দিন।

: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

লেবু-গোল মরিচে মিলবে পাঁচ সমস্যার সমাধান

শারীরির দুর্বলতা বা অসুস্থতায় শরীরে তেমন শক্তি পাওয়া যায়না। আর শরীর যদি ভালো না থাকে তাহলে আশপাশের সব কিছু অসহ্য লাগে। লেবু এবং গোল মরিচ আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক উপকারী।

অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান রয়েছে লেবু ও গোল মরিচে। যা আমাদের দেহের জন্য উপকার। কেননা এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সাইট্রিক, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি। এ গুলো ভাইরাসের সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে। আবার লবণ, গোল মরিচ ব্যবহার করে কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান করা যায়।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদিয়েস্ট ইউনিভার্স জানিয়েছে লবণ, গোলমরিচ ও লেবুর রস ব্যবহার করে পাঁচ ধরনের সমস্যা সারানোর ঘরোয়া উপায়ের কথা। তবে যেকোনো জিনিস খাওয়ার আগে বা ব্যবহারের আগে আপনার শরীরের অবস্থা বুঝে নিন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

১। গলা ব্যথা বা কফের সমস্যা হলে একটি লেবু কেটে এর অর্ধেক অংশে সামান্য পরিমাণ লবণ আর গোল মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে এর রস খেতে পারেন। এটি ঠান্ডা সারতে কাজে দেবে।

২। জলপাইয়ের তেল ও লেবুর রস মিশিয়ে খেলে গলব্লাডারের পাথর দূর করতে সাহায্য হয়।

৩। বমির সমস্যা থাকলে এক গ্লাস পানির মধ্যে কয়েক টুকরো লেবুর রস দিয়ে এর মধ্যে সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন।

৪। দাঁতের ব্যথা কমাতে জলপাইয়ের তেলের মধ্যে সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে আক্রান্ত স্থানে ব্যবহার করতে পারেন।

৫। নাকের রক্ত পড়াও দূর করা যেতে পারে লেবুর রস দিয়ে। একটি তুলার বলের মধ্যে লেবুর রস নিন। একে নাসারন্ধ্রের মধ্যে লাগান। দেখবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

চকলেট খান, মানসিক চাপ কমান

মানসিক চাপ দেখা যায় না ঠিকই কিন্তু এ সমস্যা যেকোনো শারীরিক সমস্যার মতোই কঠিন। এর প্রভাব খুব সহজেই পড়ে আমাদের শরীরে। উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হজমের সমস্যা এমনকি স্নায়ুর সমস্যা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে।

মানসিক চাপ কমাতে নিয়মিত ডার্ক চকলেট খান। পাশাপাশি আরও কিছু খাবার রয়েছে, যা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে-

ডার্ক চকলেট মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি খাবার। চকলেট খেলে ‘এন্ডোরফিন’ নামের এক রকম হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা আমাদের মানসিক চাপ বা উদ্বেগ দ্রুত কাটাতে সাহায্য করে। তবে সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, ডার্ক চকলেট খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।

যখন আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকে, তখন আমরা মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যায় কম ভুগি। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টি কাঠবাদাম পাতে রাখুন। কারণ কাঠবাদামে রয়েছে ভিটামিন বি আর ভিটামিন ই, যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে কার্যকর।

মানসিক চাপ কাটাতে চিনি খেতে পারেন। এতে আমাদের মস্তিষ্কের উদ্দীপ্ত পেশিগুলো শিথিল হওয়া শুরু করে এবং মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যায়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত যারা, তাদের জন্য এ পদ্ধতি একেবারেই উচিত নয়।

চিনির বিকল্প হিসেবে অনেকেই আজকাল মধু ব্যবহার করেন। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ কমাতেও মধু খুবই উপকারী।

মিষ্টিআলু খেলে আমাদের মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। তাই মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যায় মিষ্টিআলু সিদ্ধ করে খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

প্রতিদিন পাতে রাখুন সবুজ শাক-সবজি। দেখবেন মানসিক চাপের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।

অনন্য সব রেকর্ডের জন্ম দিয়েছে এবারের আইপিএল

বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। অর্থের ঝনঝনানির সঙ্গে গ্ল্যামারের হাতছানি বাড়তি আকর্ষণ যোগ করে এ টুর্নামেন্টে। তবে এত সবের ভিড়ে কিন্তু হারিয়ে যায় না মাঠের খেলা ক্রিকেট। ব্যাট-বলের লড়াইটাও হয় জমজমাট।

তাই তো আইপিএলের প্রতি আসরেই দেখা মেলে নানান সব কীর্তির, নতুন করে লেখা হয় হরেক রেকর্ড। সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আইপিএলের সদ্যসমাপ্ত আসরেও মিলেছে অনেক রেকর্ডের দেখা। অনন্য সব কীর্তি গড়েছে দলগুলো।

আইপিএলের এবারের আসরে উল্লেখযোগ্য যেসব রেকর্ড হয়েছে সেগুলোই তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে:

১৩- আইপিএলের যেকোনো ম্যাচে এক দলে সর্বোচ্চ ৪ জন বিদেশি খেলানোর নিয়ম থাকলেও এবারের আসরে ১৩ বার দেখা মিলেছে ৪ জনের কম বিদেশি নিয়ে খেলতে নামার নজির। যা কিনা এক আসরে চারের কম বিদেশি নিয়ে খেলতে নামার নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১৭ সালে এমন ঘটনা ঘটেছিল ছয়বার। এবারের আসরে দুইটি ম্যাচে দুই দলেই ছিলো চারের কম বিদেশি খেলোয়াড়। অথচ আগের এগারো আসরে এমন দেখা গিয়েছিল মাত্র একবার।

১১- এ আসরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর পয়েন্ট ছিলো ১১। আইপিএলের ইতিহাসে এটিই টেবিলের তলানির দলের সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট পাওয়ার রেকর্ড। পুরো টুর্নামেন্টের ২০ শতাংশ ম্যাচের ফল নির্ধারণ হয়েছে ১০ রানের কম ব্যবধানের জয় কিংবা শেষ ওভারে।

৩২- পুরো টুর্নামেন্টে নিজেদের একাদশে ঘুরে-ফিরে মোট ৩২ খেলোয়াড়কে নিজেদের আগের ম্যাচের একাদশ থেকে পরিবর্তন করেছে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। এমনকি পুরো আসরে একবারও পরপর দুই ম্যাচে একই একাদশ নিয়ে খেলেনি তারা।

১২- এ আসরে আইপিএল ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ জন অনুর্ধ্ব-১৯ খেলোয়াড় খেলেছেন। এই ১২ জন মিলে খেলেছেন ৭২টি ম্যাচ। ১৬ বছর ১৫৭ দিন বয়সে ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলতে নেমে আইপিএলের সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন প্রয়াস রয় বর্মন। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ফিফটি করেছে রিয়ান পরাগ। মাত্র ১ রানের জন্য আইপিএলের সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়তে পারেননি পৃথ্বি শ।

১৩- টুর্নামেন্টের শেষ তিন ওভারে ৫০ বা তার বেশি রান হয়েছে ১৩ বার। যা কিনা এক আসরের সর্বোচ্চ। এর মধ্যে হায়দরাবাদের বিপক্ষে শেষ ২.৪ ওভারে ৫৪ এবং ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে শেষ ২.১ ওভারে ৫৩ রান করে ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছে কলকাতা।

৫- এ আসরে ৬৯২ রান করে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের পুরষ্কার 'অরেঞ্জ ক্যাপ' জিতেছেন হায়দরাবাদের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো আইপিএলে ৫০০+ রান করার নজির দেখালেন তিনি। এ কীর্তি গড়ার পথে ক্রিস গেইলকে সরিয়ে তিনিই এখন আইপিএলে বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক (৪৭০৬)। এছাড়া গেইলের ২ বার অরেঞ্জ ক্যাপ জেতার রেকর্ড ভেঙে তৃতীয়বারের মতো এটি জিতেছেন ওয়ার্নার।

৫০.০৯%- পুরো টুর্নামেন্টে হায়দরাবাদের মোট রানের অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ৫০.০৯ শতাংশ রানই এসেছে দুই ওপেনার জনি বেয়ারস্টো এবং ডেভিড ওয়ার্নারের জুটি থেকে। আইপিএল ইতিহাসে টানা তিন ম্যাচে ১০০ রানের জুটি গড়া প্রথম রেকর্ডও গড়েছেন তারা।

২০৪.৮২- এবারের আসরে কমপক্ষে ১০০ বল খেলা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেট ছিলো আন্দ্রে রাসেলের। তিনি ২০৪.৮২ গড়ে করেছিলেন ৫১০ রান। যা কিনা এক আসরে সর্বোচ্চ আসরের রেকর্ড। এর আগের রেকর্ডটাও ছিলো তার। ২০১৫ সালের আসরে রাসেল খেলেছিলেন ১৯২.৯০ স্ট্রাইকরেটে।

৫৬- ১৪ ম্যাচে সম্ভাব্য ১৪০ উইকেটের মধ্যে মাত্র ৫৬টি নিতে পেরেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। যা কিনা এক আসরে কোনো দলের সর্বনিম্ন উইকেট শিকারের নজির। এর আগে ২০০৯ সালের আসরে তারা শিকার করেছিল ৫৯ উইকেট।

২৬- এবারের পার্পল ক্যাপ তথা সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির পুরষ্কার জিতেছেন ইমরান তাহির। তার উইকেট ছিলো ২৬টি, আইপিএলের এক আসরে কোনো স্পিনারের এটিই সর্বোচ্চ উইকেট নেয়ার রেকর্ড। এর আগে ২০১২ সালে সুনিল নারিন এবং ২০১৩ সালে হরভজন সিং নিয়েছিলেন ২৪টি করে উইকেট।

জোনাকী পোকার আলোর রহস্য

শহরে যারা থাকেন, তাদের কথা তো জানিনা- কিন্তু গ্রামাঞ্চলের দিকে যারা থাকেন বা কোন এক সময় থেকেছেন তাদের জোনাকী দেখার কথা। আমার যতদূর মন পড়ে, বসন্তের শেষে বা গ্রীষ্মের দিকে সন্ধ্যায় গ্রামে জোনাকি উড়তে দেখেছি। টিমটিমে আলোর অপূর্ব শোভা দেখিয়ে তাদের এদিকওদিকে ঘুরে বেড়ানো রাতে প্রকৃতিতে অনন্য দৃশ্যের অবতারণা করে। খুব কাছ থেকে না দেখলে এদের এই আলো সবার কাছে একটা রহস্যই থেকে যায়।

যারা দেখেছেন তাদের মনে কি আদৌ প্রশ্ন জাগেনি যে- এই স্বয়ংপ্রভ নীলাভ-সবুজ দ্যুতির সত্যিকারের রহস্য কি? আসে কোত্থেকে এই আলো ?

আজ ভাবলাম, এই বিষয়ে একটা নিবন্ধ লিখব। তাই উইকিপিডিয়া আর গুগলে লাঙল নামিয়ে দিলাম।

খুব কাছ থেকে তোলা ছবিতে দেখলে বুঝতে পারবেন এই রহস্যের উৎপত্তি সম্পর্কে। দেখা যায় যে, এই পতঙ্গটির তলপেটের দিক থেকে এই আলোর উৎপত্তি। বাস্তবিকই তাই। জোনাকির বা Lampyris noctiluca এর তলপেটের শেষের দিকে আলাদা একটি উপাঙ্গ আছে, যেখান থেকে এই আলোর উৎপত্তি হয়। এই প্রত্যঙ্গ হতে লুসিফেরিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরিত হয় যা জোনাকির শ্বাসনালী দ্বারা গৃহীত অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়। এই জারণ বা অক্সিডেশনে লুসিফারেজ নামক জৈবঅনুঘটক বা এনজাইম সহায়তা করে। জারণ বিক্রিয়াটিতে যে পরিমাণ শক্তি বা আলো উৎপন্ন হয়, তার মাত্র ২% হল তাপ। তাই এই আলো এতটা স্নিগ্ধ মনে হয়। ঐ বিশেষ অঙ্গটির স্নায়ু দ্বারা এই আলোর স্থায়িত্ব নিয়ন্ত্রিত হয়।

এই আলো তারা ব্যবহার করে তাদের বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করতে। স্ত্রী প্রজাতির জোনাকিরা এই আলো দিয়ে পুরুষ জোনাকিকে আকর্ষণ করে, ডিম পাড়ে এবং মারা যায়। নিষেকের পর লার্ভা দশায় অনেকদিন অবস্থান করতে হয় তাদের। তবে এই আকর্ষণের ব্যাপারটা প্রজাতিভেদে ভিন্ন। যেমন, আমেরিকায় এক প্রকারের জোনাকি আছে, যাদের পুরুষ প্রজাতি পাঁচ সেকেন্ড অন্তর জ্বলে উঠে, আর এর প্রতিক্রিয়ায় মাটিতে অপেক্ষমান স্ত্রী জোনাকি দুই সেকেন্ড পর পর জ্বলে উঠে। এভাবে তারা মিলন সংক্রান্ত তথ্য আদান প্রদান করে।

মাত্র একটি লক্ষণেই ধরে ফেলুন লিভার ও কিডনির সমস্যা

অনেকেই লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভুগতে থাকেন। কিন্তু রোগের লক্ষণ বুঝতে না পেরে চিকিৎসকের কাছে যেতে অনেক সময় দেরি করে ফেলেন। এতে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকদের মতে, আমাদের হাত-পায়ের নখ মাঝে মধ্যেই কঠিন রোগের ইঙ্গিত দিতে থাকে। তবে অনেক সময়ই সেই উপসর্গগুলোকে আমরা এড়িয়ে চলি।

চিকিৎসকেরা বলছেন, হঠাৎ যদি দেখেন আপনার হাতের, পায়ের নখের রং হলুদ হয়ে পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার লিভার ও কিডনির সমস্যা হয়েছে। এরকম অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার।

নখের ওপর সাদা সাদা ছোপ থাকলে পেটের সমস্যা হতে পারে আপনার। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস, অম্বলে ভুগলে নখে এই ধরণের ছাপ হতে পারে।

নখের রং কালচে বা নীলচে হয়ে পড়লে সাধারণত, ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণ। এই সমস্যা হলে এ ধরনের উপসর্গ দেখা যায়।

নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়লে সাধারণ আর্থারাইটিস হওয়ার লক্ষণ। অনেক সময় ফাঙ্গাল ইনফেকশনের জন্যও এরকম ঘটতে পারে।

নখের চারপাশ থেকে চামড়া উঠলে বুঝতে হবে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব রয়েছে। কিংবা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণেও ঘটতে পারে এই সমস্যা।

আপনার ফ্রিজ কে পরিস্কার এবং সংগঠিত রাখার উপায়
ফ্রিজ কে পরিস্কার এবং সংগঠিত রাখেন
বিশৃঙ্খল এবং দুর্গন্ধে ভরা ফির্জে কিছু করা বিরক্তির ব্যাপার হয়ে দাড়ায়
'ইট মি ফার্স্ট' বক্স আপনাকে সাহায্য করতে পারে
ড্রায়ার ডিভাইডার এর দ্বারা কম জায়গায় কে ভালো করে ব্যবহার পারবেন

যখন আসে নিজের ফ্রিজ কে পরিষ্কার এবং সংগঠিত রাখার কথা, আমাদের মধ্যে অনেকেই এটা করতে কষ্ট পাইI বেচে যাওয়া খাওয়া বা সবজি সবসময় ফ্রিজে কিছু না কিছু থাকে যার কারণ সব গড়বড় হয়ে যায়I একটা বিশৃঙ্খল এবং দুর্গন্ধে ভরা ফির্জে কিছু করা বিরক্তির ব্যাপার হয়ে দাড়ায়I প্রায়ই যদি ফ্রিজের ভিতরে দুধ পরে থাকা দেখুন বা জায়গা কম হওয়ার জন্য ফ্রিজের দরজার থেকে জিনিস পরে যাচ্ছে তাহলে এই সমস্যার সমাধান করার সময় চলে এসেছেI যদি কার্যকর এবং ভালো করে আপনি নিজের ফ্রিজ কে সংগঠিত করতে চান তাহলে এই কয়েকটি উপায় আপনার জন্যI

পাতলা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের পট্টি ব্যবহার করুন

যদি দুধ, গ্রেভি, বেছে থাকা খাওয়ার থেকে তৈরী হওয়া দাগ আপনার ফ্রিজের তাক এ লেগে থাকে এবং সেটাকে বারেবারে পরিষ্কার করতে পরিশ্রান্ত হয়ে পরছেন তাহলে এই টিপ টি শুধুমাত্র আপনার জন্যI আপনাকে শুধু ফ্রিজের তাক এর উপর পাতলা প্লাস্টিকের পট্টি লাগিয়ে রাখতে হবেI পরের বার যদি কিছু পরে তাহলে শুধু পটি তা উঠিয়ে ফেলে দিবেনI

fridge

'ইট মি ফার্স্ট' বক্স রাখবেন
যদি আপনি নিজের স্মরণ শক্তি কম মনে করেন তাহলে এটা আপনার জন্যI প্রায়ই যদি আপনি নিজের ফ্রিজ নানারকম এর সবজি, খাওয়ার, ফল ইত্যাদি দিয়ে ভরে রাখেন আর তারপর সম্পূর্নভাবে ভুলে যান, তাহলে এই ক্ষেত্রে 'ইট মি ফার্স্ট' বক্স আপনাকে সাহায্য করতে পারেI যেই জিনিস গুলো জমা হয়ে থাকে সেগুলো খারাপ হয়ে যায়I যাতে অপচয় না হয়, একটা বক্স এ 'ইট মি ফার্স্ট' লিখে রাখবেন এবং এর মধ্যে ওরকম জিনিস রাখবেন যেটা আপনি মনে করেন যে বেশিদিন তাজা থাকবে নাI

ড্রায়ার ডিভাইডার ব্যবহার করবেন

ড্রায়ার ডিভাইডার এর দ্বারা ফ্রিজের কম জায়গায় কে ভালো করে ব্যবহার করতে পারবেন I সবজি, ফল বা পানীয় সবার জন্য একটি নির্দৃষ্ট জায়গা বানিয়ে নিনI এছাড়া সবকিছু একসঙ্গে রাখলে বাজে গন্ধ বেরোতে পারে, যেটা তে ড্রায়ার ডিভাইডার আপনার সাহায্য করবেI

স্টোরেজ বক্স এর ব্যবহার করুণ

Comments
পরিস্কার এবং সংগঠিত ফ্রিজের জন্য সীমিত স্থান কে ভালো করে ব্যবহার করতে হবেI সেটা আপনি স্টোরেজ বক্স ব্যবহার করে করতে পারবেনI আপনি তার মধ্যে সবজি, ফল ইত্যাদি রাখতে পারবেনI

ভুমিকম্পের সময় আমাদের করণীয় [বাচতে হলে জানতে হবে]

প্রাকৃতিক ভাবে বাংলাদেশ ভুমিকম্পপ্রবণ এলাকাতে অবস্হিত আর ইদানিং দেখা যাচ্ছে খুব ঘণ ঘণ ভুমিকম্প হচ্ছে ,যদিও এখন পযর্ন্ত কোন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়নি তবুও বিশেষজ্ঞদের আশংকা যেকোন সময় বড় ধরনের ভুমিকম্প হতে পারে আর এতে লাখো লাখো মানুষ মারা যেতে পারে

আসুন জানি ভুমিকম্পের সময় আমাদের করণীয় কি কি

প্রথমত ভুমিকম্পের আগে পরে মাথা গরম করা যাবেনা ,মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে অযথা চিল্লাচিল্লি করা যাবেনা ।মরে যাচ্ছেন মারা যাবেন এই সব চিন্তা ভাবনা না করে বরং আমাকে বাচতেই হবে এই ধরনের মানসিকতা তৈরি করুন
*ভুমিকম্পের সময় মেঝেতে বসে পড়ুন তারপর শক্ত কোন জিনিস যেমন টেবিল এর নিচে আশ্রয় নিন,নিজেকে যতটা সম্ভব ছোট করে আশ্রয় নিন ।
*বাসায় হেলমেট থাকলে মাথায় পরে নিন । তবে আরেকটি কাজও করতে পারেন সেটা হলো বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। যেটা আপনার জন্য সুবিধা হবে সেটা করুন
*আশ্রয় নেবার বেলায় ভিতরের রুমগুলোতে আশ্রয় না নিয়ে যেখান থেকে সহজেই আপনাকে উদ্ধারকারি দল বের করতে পারবে এমন জায়গায় আশ্রয় নিন । ভুলেও দরজার পাশে আশ্রয় নেবেন না তাহলে এই দরজাটাই আপনার জন্য মরণফাদ হতে পারে। আমি ভুমিকম্পের সময় বারান্দায় চলে যাই কারণ বারান্দা দিয়ে আমাকে সহজেই উদ্ধার করতে পারবে ।
* যদি দেখেন আপনার বাসার বাইরে বের হবার সময় আছে বা একবার ভুমিকম্প আঘাত হেনেছে সে ক্ষেত্তে সবাইকে নিয়ে দ্রুত বাসার বাইরে চলে যান আশেপাশের সবাইকে বের হয়ে যেতে বলুন । আপনি কি বাসায় আশ্রয় নিবেন নাকি বাইরে চলে যাবেন তা আপনার উপর ছেড়ে দিলাম যেটা ভালো হয় তাই করুন ।
* বিদ্যুত ,গ্যাসের লাইন ,কাচ এগুলো থেকে দুরে থাকুন সময় পেলে এগুলোর লাইন অফ করে দিন ,অযথা জানালা দিয়ে লাফ দেবার চেষ্টা করবেন না
* ভুমিকম্পের সময় লিফটে বা সিড়িতে ভুলেও আশ্রয় নিবেন না তাহলে আপনাকে উদ্ধার করার রাস্তা পুরোটাই বন্ধ হয়ে যাবে
যদি বহুতল ভবনের ওপরের দিকে কোনো তলায় আটকা পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথই না থাকে, তবে সাহস হারাবেন না। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। আপনি এখানে আছেন সেটা উদ্ধারকারি দলের কাছে আওয়াজ পৌছানোর চেষ্টা করুন
*ভুমিকম্পের কারণে যদি আপনি আহত হন বা আপনার শরিরের কোন অংশ আটকা পড়ে সেক্ষেত্তে বেশি নাড়াচাড়া করবেন না অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে ।

ভুমিকম্পের সময় অবশ্যই সবার এই ব্যাপারগুলো খেয়াল রাখতে হবে ।

একটি পাতা কমাবে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, উচ্চ রক্তচাপ

তেজপাতার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ।
তেজপাতাকে আশীর্বাদপুষ্ট পাতা বলা হয়। এই পাতা মানসিক চাপ, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ কমাতে উপকারী।

আমাদের গ্যাসট্রোইনটেসটাইনাল পদ্ধতিতে তেজপাতা খুব শক্তিশালী প্রভাব ফেলে। এই পাতা শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। তেজপাতার মধ্যে রয়েছে মাইক্রেন ও ইউজেনল। এসব উপাদান প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। এটি শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমাতেও উপকারী।

সুস্বাস্থ্যের জন্য তেজপাতার পানীয় তৈরির প্রণালি জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ডেমিক।

একটি পাত্রের মধ্যে দুই কাপ পানি নিন। তিন মিনিট সিদ্ধ করুন। এবার চুলা থেকে পাত্রটি নামিয়ে গরম পানির মধ্যে তিন থেকে চারটি তেজপাতা পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এবার গরম পানি থেকে পাতাগুলো সরিয়ে এর মধ্যে সামান্য মধু মেশান। এরপর এই পানি পান করুন।

মানসিক চাপ কমাতে তেজপাতার ব্যবহার

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো তেজপাতা পুড়িয়ে এর গন্ধ নেওয়া। তেজপাতার মধ্যে রয়েছে পাইনেন, চাইনেওল ও লাইনেলল। এগুলো মানসিক চাপ কমাতে উপকারী।

ঘরের দরজা বন্ধ করে দুই থেকে তিনটি তেজপাতা পোড়ান এবং এর গন্ধ নিন। এই গন্ধ মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

সূচকের নিয়মাবলি ( Laws of Index )

ভূমিকা ( Introduction )

কোনো সংখ্যাকে সেই সংখ্যা দ্বারা একাধিকবার গুণ করার প্রক্রিয়াকে প্রকাশ করা হয় সংখ্যাটির মাথার ডানদিকে সংখ্যাটিকে যত সংখ্যক বার গুণ করা হয়েছে সেই সংখ্যাটি বসিয়ে। এই প্রক্রিয়াকে সূচকের নিয়ম বলে।

যেমন
3×3×3×3×3
এখানে 3 কে পাঁচবার গুণ করা হয়েছে। সুতরাং একে প্রকাশ করতে হলে
35
আকারে লেখা হয়। আবার
a×a×a
কে প্রকাশ করা হয়
a3

এর আকারে। কারণ এখানে a কে তিনবার গুণ করা হয়েছে।

এখানে সংখ্যা রাশির ডানদিকের একটু উঁচুতে কোনাকুনি ভাবে অবস্থিত সংখ্যাটিকে প্রথম সংখ্যার সূচক বলে আর প্রথম সংখ্যাটিকে বলে নিধন ( Base ) .

হিজরি নবম মাস রমাদান। উর্দু, ফারসি, হিন্দি ও বাংলা উচ্চারণে এটি হয় রমজান। রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে বহু প্রতিক্ষিত এই মাহে রমজান। রমজানে ক্ষুধা-তৃষ্ণায়, পাপতাপ পুড়ে ছাই হয়ে রোজাদার নিষ্পাপ হয়ে যায়। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি সবল মুসলমানের জন্য রমজানে রোজা পালন বাধ্যতামূলক। নিচে রোজা রাখা ও ইফতারের নিয়ত উল্লেখ করা হলো।

রোজা রাখার নিয়ত:

نويت ان اصوم غدا من شهر رمضان المبارك فرضا لك ياالله فتقبل منى انك انت السميع العليم
(নাওয়াইতু আন আছুমা গদাম মিং শাহরি রমাদ্বানাল মুবারকি ফারদ্বল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আংতাস সামীউল আলীম)

অর্থ: হে আল্লাহ! আগামীকাল পবিত্র রমযান মাসে তোমার পক্ষ হতে ফরয করা রোজা রাখার নিয়ত করলাম, অতএব তুমি আমার পক্ষ হতে কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

রোজার বাংলা নিয়তঃ
হে আল্লাহ পাক! আপনার সন্তুষ্টির জন্য আগামীকালের রমাদ্বান শরীফ-এর ফরয রোযা রাখার নিয়ত করছি। আমার তরফ থেকে আপনি তা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা , সর্বজ্ঞাত।

ইফতারের দোয়া:

(আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া তাওয়াক্কালতু আ'লা রিজক্বিকা ওয়া আফতারতু বি রাহমাতিকা ইয়া আর্ হামার রা-হিমীন।)

অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেয়া রিযিক্ব দ্বারা ইফতার করছি।

ইফতারের বাংলা দোয়াঃ
হে আল্লাহ তায়ালা আমি আপনার নির্দেশিত মাহে রমাজানের ফরয রোজা শেষে আপনারই নির্দেশিত আইন মেনেই রোজার পরিসমাপ্তি করছি ও রহমতের আশা নিয়ে ইফতার আরম্ভ করছি। তারপর "বিসমিল্লাহি ওয়া'আলা বারাকাতিল্লাহ" বলে ইফতার করা।

ধনীরা যে মানুষ হয় না, তার কারণ ওরা কখনো নিজের অন্তরে যায় না। দুঃখ পেলে ওরা ব্যাংকক যায়, আনন্দে ওরা আমেরিকা যায়। কখনো ওরা নিজের অন্তরে যাতে পারে না, কেননা অন্তরে কোনো বিমান যায় না।
– হুমায়ূন আজাদ

Good Night

Spirit

SPARRSO- এর পরিপূর্ন রুপ কি?
Space Research and Remote Sensing Organization

Happy Day

শামসুজ্জামান খানের মতে, বাংলার মুঘল সুবাদার মুর্শিদ কুলি খান প্রথম পুন্যাহ এর রীতি শুরু করেন, যার অর্থ হচ্ছে “ভূমি রাজস্ব আদায়ের উৎসবের দিন”, এবং তিনি বাংলা দিনপঞ্জির সূচনা করার জন্য আকবরের রাজস্বের নীতি ব্যবহার করেন।

দীন-হীনদের সাথে কথায় ও কাজে নম্রতাপূর্ণ ব্যবহার করা।

কম খরচে কলকাতা, ইন্ডিয়া ভ্রমণ ।
চার \পাঁচ দিন সময় নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন কলকাতা ভ্রমণে সঙ্গী হোক আপনার প্রিয় জন তবে দুই থেকে চার জনের ভ্রমণ উত্তম । আর দেখে আসুন বাংলার বাঙ্গালিদের প্রাচিন শহর কেলকাটা ।
ইন্ডিয়া ভ্রমণের অনুমতি পেলেন অর্থাৎ ইন্ডিয়ার ভিসা পেলেন। ভ্রমণের তারিখ ঠিক করুন। সেই অনুযায়ী যাবার আগের দিন সোনালী ব্যাংক এর যেকোনো শাখা থেকে ৫০০/- টাকা দিয়ে ট্রাভেল ট্যাক্স এর কাগজ সংগ্রহ করুন। ট্রাভেল ট্যাক্স আপনি বর্ডারেও দিতে পারবেন। বর্ডারের ঝামেলায় না গিয়ে আগেই দিয়ে যাওয়া ভালো ।
ঢাকা থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর বাস বেনাপোল যায়। একমাত্র বিআরটিসি'/শ্যামলী বিআরটিসি'র বাস সরাসরি কলকাতা যায়। অন্যান্য কোম্পানীর কোনো বাস-ই সরাসরি কলকাতা যায় না। যেমন আপনে গ্রীণ লাইন কিংবা সোহাগ পরিবহন এর টিকেট কাটলেন কলকাতা যাবেন। কিন্তু বেনাপোল গিয়ে বাসের সুপারভাইজার আপনার বুকের উপর একটা স্টিকার লাগিয়ে দিবে, মানে হল আপনে গ্রীণ লাইন বা সোহাগের যাত্রী। তাদের লোক দিয়ে ইমিগ্রেশনে আপনার পাসপোর্ট পৌছে দিবে কিন্তু টাকা ছাড়া কথা বলবে না। টাকা পয়সা দিয়ে এপার-ওপাড়ের ইমিগ্রেশন পাস হলেন। তারপর ঐ কোম্পানীর নামেই অন্য বাসে করে পেট্রাপোল হতে কলকাতায় যেতে হবে। আমি বেনাপোলে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজারের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ঢাকা থেকে টিকেট কাটার সময় আমার কাছ থেকে যে ১৫০/- টাকা ট্রাভেল কনফারমেশন বাবদ নিলেন এটা কিসের জন্য? ইমিগ্রেশনে তো আপনার বাস কোম্পানীর কোনো লোক কোনো প্রকার সহযোগিতা করেনি? উপরন্তু দালালের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।
বিভিন্ন ভাবে কলকাতা যাওয়া যায়। যেহেতু আমরা আজকে জানবো "কম খরচে ইন্ডিয়া ভ্রমণ" আসুন দেখি কিভাবে কম টাকায় ইন্ডিয়া ভ্রমণ করা যায়।
০১। ঢাকা টু বেনাপোল : ঢাকার ফকিরাপুল, আরামবাগ, সায়েদাবাদ, কলাবাগান এবং শ্যামলী হতে বিভিন্ন কোম্পানীর বাস বেনাপোলে যায়। ভাড়া পড়বে ৪০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা।
প্রয়োজন না হলে বেশি ডলার পাসপোর্টে আন্দদ্রস করবেন না ১৫০/- ডলারই যথেষ্ট ।
সাথে দুইশো ইন্ডিয়ান রুপি নিবেন । ইমিগ্রেশন যাবার আগেই বাংলাদেশী টাকা তিন চারশ মানিব্যাগে রেখে বাকি টাকা ভাল মত লুকিয়ে রাখুন । খুচরা টাকা ইমিগ্রেশনে লাগতে পারে ।
০২। বর্ডার এবং ইমিগ্রেশন : বাস থেকে বেনাপোল নামার পর ডানে বামে তাকানোর দরকার নেই। ভ্যানগাড়ী, সিএনজি অথবা পায়ে হেটে চলে যান সোজা ইমিগ্রেশনে (বেনাপোল বাস কাউন্টার থেকে ইমিগ্রেশন একটু দুরে অবস্থিত)। ইমিগ্রেশন বিল্ডিং এ প্রবেশের সময় ২০-৩০ টাকা দিয়ে একটি বডিং কার্ড এবং একটি ইমিগ্রেশন ফর্ম নিয়ে নিজেই ফিলাপ করে নিন । ভূলে পাসপোর্ট দালালের হাতে দিবেন না। ইমিগ্রেশন রুমের প্রবেশ করার পর বাম পাশে অফিসার আছে উনাকে আপনার ট্রাভেল ট্যাক্স এর কাগজ দেখান। তারপর একটু এগিয়ে বামে মোড় নিয়ে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে লাইনে দাড়িয়ে আপনার পাসপোর্ট, বডিং কার্ড, ইমিগ্রেশন ফর্ম অফিসারের হাতে দেন। (প্রথমবার ভিজিটর হলে এবং পাসপোর্টে প্রাইভেট সার্ভিস হোল্ডার হলে অফিস থেকে একটি ছুটির কাগজ নিয়ে যাবেন। না হলে ইমিগ্রেশনে ঝামেলা করতে পারে)। বাংলাদেশী ইমিগ্রেশন অফিসার যদি জানতে চায় আপনার কাছে কোনো ইন্ডিয়ান রুপি এবং বাংলা টাকা আছে কি-না? তখন কনফিডেন্টলী বলবেন মানিব্যাগের খুচরা টাকা ছাড়া কোনো টাকা কিংবা রুপি নেই। চেক করতে পারে, প্রয়োজন হলে মানিব্যাগ দেখান। এই ধাপ শেষে পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর ইমিগ্রেশন অফিসার পাসপোর্টে Departure Seal দিয়েছে কিনা চেক করে নেন।
তারপর বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন রুম থেকে বের হয়ে রাস্তার ওপারে ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশনে চলে যান। এখানেও আজাইরা ২০-৩০ টাকা দিয়ে একটা ইমিগ্রেশন ফর্ম নেন এবং ফিলাপ করে ইমিগ্রেশনের জন্য লাইনে দাড়ান। যদি জানতে চায় কোন বাংলা টাকা অথবা রুপি আছে কি-না? তখন বলবেন খুচরা কয়টা টাকা আর ডলার ছাড়া কোনো টাকা পয়সা নেই। আশা করি ভালোয় ভালোয় ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে পেট্রাপোলের (ইন্ডিয়ান বর্ডার) রাস্তায় আসলেন। দালাল ঘিরে ধরবে ডলার ভাংগানোর জন্য, বলবে দাদা এখানে ভাংগিয়ে যান, কলকাতায় এরচেয়ে বেশী পাবেন না। ভূলেও পেট্রাপোলে ডলার ভাংগাবেন না। পেট্রাপোল থেকে সিএনজি করে চলে যান সোজা বনগাঁও রেল স্টেশনে। ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২০/- রুপি করে। তবে সিএনজিতে উঠার আগেই কথাবার্তা বলে নিবেন। পারলে সিএনজিতে বসেই ট্রাভেল ব্যাগ থেকে ইন্ডিয়ান রুপিগুলো খুজে বের করুন। কারণ এখন ইন্ডিয়ান রুপিতে সিএনজি ভাড়া দিতে হবে এবং ট্রেনের টিকেট কাটতে হবে।
০৩। বনগাঁ টু শিয়ালদহ (কলকাতা) : বনগাঁ স্টেশন থেকে প্রতি ৩০ মিনিট পর পর ট্রেন ছাড়ে শিয়ালদহ উদ্দেশ্যে। মাত্র ১৬ রুপি দিয়ে টিকেট কেটে ইলেকট্রিক ট্রেনে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখতে দেখতে দুই/তিন ঘন্টার মধ্যে আপনে পৌঁছে যাবেন শিয়ালদহ ষ্টেশনে। শিয়ালদহ ষ্টেশন থেকে বের হয়ে হাওড়ার লোকাল বাসে ৬ রুপি দিয়ে চলে আসেন পার্ক স্ট্রীট মোড়ে, চাদনী চক মোড়ে অথবা নিউ মার্কেট মোড়ে। যেখানেই নামেন, হেটে হেটে চলে আসেন মির্জা গালিব স্ট্রীটে (ফ্রি স্কুল স্ট্রীট)
০৪। কোথায় থাকবেন :: মির্জা গালিব স্ট্রী, মারকুইস স্ট্রী চৌরঙ্গী লেন, রাফী আহমেদ স্ট্রীটে অনেক থাকার হোটেল আছে। দরদাম করে আপনার পছন্দ সই একটি হোটেল নিতে পারেন। কলকাতার এই এলাকাটাই পর্যটকদের কাছে বিশেষ করে বাংলাদেশীদের কাছে খুবই পরিচিত ।
০৫। কলকাতায় দেখার মত দর্শনীয় স্থান :
Notable landmarks
Howrah Station
Calcutta Medical College
Esplanade Mansions
Howrah Station
LIC Building
Raj Bhvan
Sealdah Station
St. Paul’s Cathedral
South Eastern Railway Headquarters
State Bank Samridhhi Bhavan
Writers' Building
Calcutta High Court
Bankshal Court.
Kolkata General Post Office
Metropolitan Building
Fort William
Shobhabazar Rajbari
Amusement parks
Nicco Park
Aquatica
Science City
Energy Park
Eco Park
Lovers' spots
Prinsep Ghat Evening
Central Park
Maidan
Maidan
Nalban
Rabindra Sarobar
Citizens Park
Prinsep Ghat
Millennium Park
Nandan
Subhas Sarobar
New Town Eco Park
Peace Park
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পর্যটন দফতর বিভিন্য প্যাকেজ দিয়ে তাকে তাদের মাধ্যমে কলকাতার দর্শনীয় স্থান দেখে নিতে পারেন জন প্রতি ৩৫০/ রুপি নিবে বুকিং দিতে হবে আগের দিন, সকাল ৮ বাস ছেড়ে শেষ হবে বিকাল ৪/৫ ভিক্টরিয়া মেমরিয়াল এ শেষ হবে তাদের ট্যুর । এসি বাস খারাপ না ভালই লাগবে সাতে বাংগালি গাইড আছে তার কাছে প্রয়োজনিয় নির্দেশনা পাবেন। মনে রাখুন কলকাতায় রুপিকে টাকা বলে তাই আমরা ও টাকা বলবো কিছুটা হলে ও তাদের কাছা কাছি যাওয়া যাবে অনেকেই আমাদের কে শিলিগুড়ি থেকে এসেছি মনে করে ।
নিজে নিজে দেখে নিতে পারেন দর্শনীয় স্থান সমূহ অধিকাংশই কম টাকায় মেট্রো রেলে অথবা ট্রামে করে ঘুরে আসতে পারবেন। চাইলে এক সাথে শান্তিনিকেতন ও ঘুরে আসতে পারেন। হাওড়া থেকে বোলপুর শান্তিনিকেতনের ট্রেন ভাড়া মাত্র ৫৩ রুপি। বোলপুর শান্তিনিকেতন থেকে শিয়ালদাহ ভাড়া ৪৩ রুপি।
০৬। বিদায় কলকাতা : আপনার ভ্রমণ সমাপ্ত, এবার যাবার পালা। দুপুরের দিকে হোটেল থেকে বের হয়ে চলে আসেন শিয়ালদহ ষ্টেশনে। ১৬ রুপি দিয়ে বনগাঁ'র একটি টিকেট কেটে চলে আসেন বনগাঁ। বনগাঁ থেকে সিএনজি করে পেট্রাপোল বর্ডারে। অতিরিক্ত ডলার এবং রুপি যা আছে, আগের মত করে ট্রেন এ থাকতে সাইজ করে দেন। ইমিগ্রেশনে টাকা পয়সার কথা কিছু জানতে চাইলে এমন ভাব ধরেন যেনো যে টাকা পয়সা আছে সেই টাকা দিয়ে কোনো মত ভাঁড়ি পৌছতে পারবো
কম খরচে কলকাতা দিল্লী আগ্রা-১
কলকাতা দিল্লী আগ্রা নামে ব্লগে অনেক লেখা। আছে আমার এই লেখাটি আপনাদের জন্য আরেকটু বেশি সহায়ক। এর কারণটা হচ্ছে এটি বেশ কম খরচের একটা ট্যুর। ৮ দিনের এই ট্যুরে আমার খরচ হয়েছে সর্বমোট ১৩,০০০ টাকা। এরমধ্যে ৭,০০০ টাকা ট্রেন ভাড়া বাকি অন্যান্য খরচ। তাহলে বুঝতেই পারছেন আমার মতো ছাত্ররা বিশেষ করে যাদের নির্দিষ্ট কোন আয়ের উৎস নেই তাদের জন্য এই লেখাটি বেশ প্রয়জনীয়। তবে খরচের হিসাব যশোর থেকে, কারণ সেখান থেকেই আমার ট্যুর শুরু। ঢাকা থেকে গেলে খরচ আরও ১,০০০ বেশি পড়বে।


কলকাতার ট্রাম
২০১৪’র ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ সকাল সাড়ে সাতটায় আমার বাবার সাথে তার মটরবাইকে বেনাপোলের উদ্দ্যেশে রওনা দিলাম। বছরের সবচেয়ে বেশি শীত এবং কুয়াশা পড়া শুরু করেছ সেদিন থেকেই। প্রচন্ড ঠান্ডায় কাঁপতে কাঁপতে ন’টার দিকে পৌছে গেলাম বেনাপোল ইমিগ্রেশনে। পরিচিত লোকের মাধ্যমে বর্ডার ক্রস করলাম কোনরকম চেকিং ছাড়াই। ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন ৫ মিনিটে শেষ হলো। টাকাকে রুপিতে বদলে নিয়ে ২৫ রুপির অটো ভাড়ায় বনগাঁ রেল স্টেশনে আসলাম।
নোট*(বর্ডার পার হবার সময় বাংলাদেশ সরকারকে ভ্রমণ কর বাবদ ৫০০ টাকা জমা দিতে হয়। বাংলাদেশী দালালকে ১০০ ও ইন্ডিয়ান দালালকে ১০০। তবে দালাল না ধরে আপনি নিজেই ইমিগ্রেশনের কাজগুলি করতে পারেন।)


কলকাতার সবচেয়ে বড় মসজিদ (নাখোদা মসজিদ)
বনগাঁ স্টেশন থেকে ৯.৫০র ট্রেনে উঠলাম কলকাতার দমদমের উদ্দ্যেশে। এখানকার ট্রেনগুলি সব ইলেক্ট্রিকের সাহায্যে চলে। ১৫ রুপির ভাড়া মাঝে প্রায় ২০টি স্টেশন পার হয়ে ঘন্টা দেড়েক পরে পৌঁছলাম দমদম স্টেশন। সেখানে প্ল্যাটফর্ম বদলে মেট্রো স্টেশন এসে উঠলাম। এম জি রোডের টিকিট কাটলাম ১০ রুপি দিয়ে। ৫ থেকে ৬মিনিটে পৌছে গেলাম এম জি রোড।


হাওড়া ব্রীজ
মেট্রো থেকে বের হয়ে ৭ রুপির ভাড়ায় বাসে উঠলাম। বিখ্যাত হাওড়া ব্রীজ পার হয়ে এসে নামলাম হাওড়া স্টেশনে। আমার দেখা সবচেয়ে বড় স্টেশন এটি। ২৩টি প্ল্যাটফর্মে দৈনিক ৬৫০’র বেশি ট্রেন আর ১০লক্ষের বেশি মানুষ চলাচল করে এই স্টেশন দিয়ে। আমার ট্রেন ছিল বিকাল ৪.৫৫ মিনিটে। নাম ‘রাজধানী এক্সপ্রেস’। এই ট্রেনের থ্রী টায়ারের টিকিট আমি ঢাকা থেকেই দু’মাস আগে এক ট্রাভেল এজেন্সি থেকে কেটে এসেছিলাম। ২০৭০ রুপির টিকিট আমার কাছ থেকে নিয়েছিল ৩৪০০ টাকা।


ফেরত আসার সময় রাতে তোলা হাওড়া ষ্টেশন
নোট*(কলকাতায় ফেয়ারলি প্যালেস নামে একটি জায়গা আছে। যেখান থেকে ‘ফরেন কোটায়’ টিকিট কাটা যায়। এখানে ভিসাসহ পাসপোর্ট দেখাতে হয়। সাধারনত দু’একদিন আগেও ‘ফরেন কোটায়’ টিকিট পাওয়া যায়। ভারতে রেলের উপর এতো চাপ যে দেড় মাস আগে থেকে ‘জেনারেল কোটায়’ টিকিট পাওয়া যায় না।)
ট্রেন ছাড়তে যেহেতু দেরি আছে তাই ওয়েটিং রুমে গেলাম। দ্বোতলায় এসি রুম। যেখানে টয়লেট এবং গোসলের সুব্যাবস্থা আছে। লাগোয়া বারান্দা থেকে হুগলী নদী, হাওড়া ব্রীজ আর নদীর ওপারের কলকাতার অসাধারণ ভিউ আসে। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে স্টেশনের মাটির নীচের পথ বেয়ে ফেরিঘাট এলাম। ৫ রুপির টিকিট কেটে বিবাদী বাগের ফেরিতে উঠলাম। যেখানে ফেরি থামলো সেটিই ‘ফেয়ারলি প্যালেস’ ভবন। এছাড়া এখানে ‘মিলেনিয়াম পার্ক’ নামে নদীর ধার দিয়ে খুব সুন্দর উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে। সেখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে বিখ্যাত ‘ইডেন গার্ডেন’ স্টেডিয়ামে গেলাম। এতো বড়ো স্টেডিয়াম যে তার পাশে কতগুলি লোকাল রেল স্টেশন আছে। এরপর গেলাম নিউ মার্কেট। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরাফিরা করে ‘আরাফাত হোটেলে’ দুপুরের খাবার খেয়ে দেয়ে আবার রওনা দিলাম হাওড়া স্টেশনের উদেশ্যে।


ডিসপ্লে বোর্ড
ডিজিটাল বোর্ডে দেখলাম আমার ট্রেনটি ছাড়বে ৯নাম্বার প্ল্যাটফর্ম থেকে। অনেক লম্বা একটা ট্রেন। খুঁজে খুঁজে আমার নির্ধারিত বগিটি বের করলাম। দরজার পাশে সকল যাত্রীর নাম আর সিট নাম্বার সাঁটানো রয়েছে। আমার ৩১নং সিটটি খুঁজে পেলাম। থ্রী টায়ার মানে হচ্ছে পুরো এসি একটি বগি যেখানে মোট ৯টি ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটে একপাশে তিনটি তার মুখোমুখি তিনটি ও অন্যপাশে দু’টি শোবার ব্যবস্থা রয়েছে। অস্ত্রসহ গার্ড কুকুর দিয়ে পুরো ট্রেন চেক করালো। ট্রেন ঠিক ৪.৫৫তেই ছাড়লো, আর তারপর রেলের লোক এসে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটা বালিশ, দুটো চাদর আর একটা কম্বলের প্যাকেট এবং এক বোতল পানি দিয়ে গেল। ভেজ অথবা নন-ভেজ কোন যাত্রী কি খাবে তার অর্ডার নিয়ে গেল। প্রায় ১৫০০ কি.মি. দূরের দিল্লী যেতে ‘রাজধানী এক্সপ্রেসের’ ১৭ঘন্টা লাগার কথা। আমি মোট ৭বার খাবার পেয়েছিলাম, কারণ ঘন কুয়াশার কারণে ট্রেনটির প্রায় ২৩ঘন্টা সময় লেগেছিলো।রাতের খাওয়া শেষে শুয়ে পড়লাম। বড় জানালা দিয়ে মাঝে মাঝে বাইরের আলো দেখা যাচ্ছিলো। ট্রেনটির গতি ছিলো ঘন্টায় ১২০ কি.মি.।
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। কিছুক্ষণ পর খাবার আসলো। ট্রেন তখন ঘন কুয়াশার কারণে ‘কানপুর স্টেশনে’ দাঁড়িয়ে আছে। এতো কুয়াশা আমি আমার জীবনে দেখিনি। ট্রেন থেকে নেমে কিছুক্ষণ স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকলাম। ইন্ডিয়ার স্টেশগুলি সত্যিই খুব বড়ো আর সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত।
ঘন্টাখানেক পর ট্রেন ধীরে ধীরে চলা শুরু করলো। বড়ো জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকলাম। প্রকৃতি তখন রুক্ষ হওয়া শুরু করেছে।
ট্রেন থেকে দুপুরের খাবার দিলো। এবং তারপর পানমসলা, অর্থাৎ বকশিস দিতে হবে। সামানের ভদ্রলোকের দেখাদেখি আমিও ১০রুপির একটা নোট দিলাম। অবশেষে প্রায় ২৩ঘন্টা পর ‘রাজধানি এক্সপ্রেস’ ‘নিউ দিল্লী’ স্টেশনে পৌছাল। ট্রেন থেকে নামলাম। অচেনা ভাষার অপরিচিত দেশে সম্পূর্ণ একা আমি। এবার থাকার জন্য একটা হোটেল খুঁজে বের করতে হবে।


আসছে স্যামসাং গ্যালাক্সি এম৪০,

বাংলাদেশ টেলিভিশন ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচার শুরু করে কবে?
উ : ৫ নভেম্বর ২০১২।

I am a great believer in luck, and I find the harder I work the more I have of it

জাতির পিতার জন্মদিন শুভ হক।

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন পত্র ২য় পরিক্ষার জন্য

শ্রেণীঃচতুর্থ বিষয়ঃ বাংলা
অনেক কাল আগের কথা।রংপুর এর পায়রাবন্দ গ্রাম।সেই গ্রামেই পায়রার পালকের মতো কোমল মনের এক শিশুর জন্ম হল। নাম তার রোকেয়া।রোকেয়ার দুই বোন আর দুই ভাই।
রোকেয়ার ঘুম ভাঙ্গে ঘুঘর ডাকে।কখনও বৌ কথা কও পাখির কথায় মনটা খুশিতে ভরে ওঠে,কখনও বিষণ্ন।বিষণ্ন কারণ পাখিদের ডানা আছে।পাখিরা ওড়তে পারে ।যখন খুশি যেখানে যেতে পারে।কিন্তু রোকেয়ার কোথাও যাবার অনুমতি নেই।ঘরের বাইরে তো দুরের কথা করো সামনে যাওয়াও নিষেধ।এমন কি সে যদি মেয়ে হয় তার সামনেও না।এভাবেই মেয়েদের কাটাতে হত বন্দী জীবন।…………………………………………………….
 ১.সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাওঃ
(ক)বেগম রোকেয়ার বাড়ী কোথায়?
(ক)জয়পুর হাট(খ) পাহাড়পুর (গ)পায়রাবন্দ (ঘ)বাঘা . (খ)বেগম রোকেয়ার বাবা কি ছিলেন?
(ক) কৃষক (খ) জমিদার (গ) সরকার (ঘ)রাজা
(গ)রোকেয়ার বোন কয়টি?
(ক) ৪টি (খ) ৫টি (গ)২ টি (ঘ) ৩টি
(ঘ)রোকেয়ার কেমন জীবন ছিল?
(ক)সুখের জীবন (খ)বন্দী জীবন (গ)খোলা (ঘ)দু
(ঙ) রোকেয়ার স্বামীর নাম কি?
(ক) কামাল (খ) জব্বার (গ)ছাবেদ(ঘ) সাখাওয়াত
২. শুন্যস্থান পুরণ করঃ
(ক) রোকেয়ার ঘুম ভাঙ্গে ………………….ডাকে।
(খ)রোকেয়ার কোথাও যাবার ……………… নেই।
(গ) এভাবেই মেয়েদের কাটাতে হত ………………… জীবন।
......................................................................................................

(ঘ) বিষণ্ন কারণ পাখিদের ডানা আছে।
(ঙ)পাখিরা …………………………. পারে।
৩. যুক্ত বর্ণ ভেঙ্গে ২ করে শব্দ তৈরি করঃ
স্তব্ধ, রৌদ্র, ঞ্জ, ণ্ন, শ্ন,
৪.নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও
(ক) .রোকেয়া কখন পড়াশোনা করতেন?
(খ) সেকালে মেয়েদের অবস্থা কেমন ছিল?
কবিতাংশ পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
বাশবাগানে মাথার উপর চাদ উঠেছে ওই
মাগো, আমারশোলক-বলা কাজলা দিদি কই?
পুকুর ধারে নেবুর তলে থোকায় জোনাই জলে,
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,একলা জেগে রই
মাগো, আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?
সেদিন হতে দিদিকে আর কেনই-বা না ডাকো,
দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
 ৫ সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাওঃ
(ক) কোথায় জোনাকি জলে?
নেবুর তলে/বাশবাগানে/শিউতলে
(খ)বুলবুলি কোথায় লুকিয়ে থাকে?
শিউলি ডালে/ভুঁইচাঁপার ডালে/আমে ডালে/ডালিমের ডালে
(গ)কে শোলক বলতেন? মা/দিদি/দাদু/বাবা
(ঘ) ঝিঁঝিঁ কোথায় ডাকে? ঝোপে ঝাড়ে/গাছের ডালে/আধাঁর রাতে?ঘরের মাঝে (ঙ)ঘুম আসে না কেন? নেবুর গন্ধে/ঝিঝির ডাকে/চাদের আলৈাতে/ফুলের গন্ধে

৬.নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দাওঃ
(ক) কাজলা দিদি কোথায় গেছে? (খ) কখন কাজলা দিদির কথা বেশি মনে পড়ে? (গ) কাজলা দিদির কথা উঠলে মা আচল দিয়ে মুখ ঢাকে কেন? (ঘ)পতুলের বিয়ের সময় দিদির কথা মনে পড়ে কেন? (ঙ)আমিও নাই দিদিও নাই কেমন মজা হবে-একথা দিয়ে কি বুঝানোহয় ৭. কবিতার মুলভাব কি? ৮. শব্দার্থ লেখ ঃ মাড়াসনে, শোলক, সাবলীল, s.m.s, বনেদি
৯. বানান শুদ্ধ করে লেখঃ করন, শদ্দেয়, বির, নেমনতন,মনিষী ১০. বিরাম চিহ্নের ব্যবহার দেখাও মামার তো জানাই আছে অন্ত কোনো কিছু খুব একটা বাছবিছার করে না তারপর মামা এমনটা করলেন অন্তু গাল ফুলিয়ে হাতটাই চেটেপুটে খেতে থাকলো অমনি আবার মামা তার হাতটা চেপে ধরলেন
১১.এক কথায় প্রকাশ করঃ অনেকের মধ্যে একজন--- জানার ইচ্ছা---------------------- আকাশে যে চরে------------------------- বিদ্যা আছে যার----------------------- ভাতের অভাব যার---------------- ১২.বিপরীত শব্দ লিখঃ শক্তিশালী, তোমার, জ্বলা, জাগরন, সকাল





১৩. সমার্থক শব্দ লিখ ২ টি করে ঃ নেমন্তন্ন, সাধ, বিয়ে, পানি, পৃথিবী
১৪ একটি পত্রের কয়টি অংশ ও কিকি লিখ?
১৫. তারিখ বাচক শব্দ লিখ ১০ টি
১৬.রচনা লিখ ১ টি
একজন ভাল ছাত্র

চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন পত্র ২য় পরিক্ষার জন্য

শ্রেণীঃচতুর্থ বিষয়ঃ বাংলা
অনেক কাল আগের কথা।রংপুর এর পায়রাবন্দ গ্রাম।সেই গ্রামেই পায়রার পালকের মতো কোমল মনের এক শিশুর জন্ম হল। নাম তার রোকেয়া।রোকেয়ার দুই বোন আর দুই ভাই।
রোকেয়ার ঘুম ভাঙ্গে ঘুঘর ডাকে।কখনও বৌ কথা কও পাখির কথায় মনটা খুশিতে ভরে ওঠে,কখনও বিষণ্ন।বিষণ্ন কারণ পাখিদের ডানা আছে।পাখিরা ওড়তে পারে ।যখন খুশি যেখানে যেতে পারে।কিন্তু রোকেয়ার কোথাও যাবার অনুমতি নেই।ঘরের বাইরে তো দুরের কথা করো সামনে যাওয়াও নিষেধ।এমন কি সে যদি মেয়ে হয় তার সামনেও না।এভাবেই মেয়েদের কাটাতে হত বন্দী জীবন।…………………………………………………….
 ১.সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাওঃ
(ক)বেগম রোকেয়ার বাড়ী কোথায়?
(ক)জয়পুর হাট(খ) পাহাড়পুর (গ)পায়রাবন্দ (ঘ)বাঘা . (খ)বেগম রোকেয়ার বাবা কি ছিলেন?
(ক) কৃষক (খ) জমিদার (গ) সরকার (ঘ)রাজা
(গ)রোকেয়ার বোন কয়টি?
(ক) ৪টি (খ) ৫টি (গ)২ টি (ঘ) ৩টি
(ঘ)রোকেয়ার কেমন জীবন ছিল?
(ক)সুখের জীবন (খ)বন্দী জীবন (গ)খোলা (ঘ)দু
(ঙ) রোকেয়ার স্বামীর নাম কি?
(ক) কামাল (খ) জব্বার (গ)ছাবেদ(ঘ) সাখাওয়াত
২. শুন্যস্থান পুরণ করঃ
(ক) রোকেয়ার ঘুম ভাঙ্গে ………………….ডাকে।
(খ)রোকেয়ার কোথাও যাবার ……………… নেই।
(গ) এভাবেই মেয়েদের কাটাতে হত ………………… জীবন।
......................................................................................................

(ঘ) বিষণ্ন কারণ পাখিদের ডানা আছে।
(ঙ)পাখিরা …………………………. পারে।
৩. যুক্ত বর্ণ ভেঙ্গে ২ করে শব্দ তৈরি করঃ
স্তব্ধ, রৌদ্র, ঞ্জ, ণ্ন, শ্ন,
৪.নিচের প্রশ্নের উত্তর দাও
(ক) .রোকেয়া কখন পড়াশোনা করতেন?
(খ) সেকালে মেয়েদের অবস্থা কেমন ছিল?
কবিতাংশ পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর দাওঃ
বাশবাগানে মাথার উপর চাদ উঠেছে ওই
মাগো, আমারশোলক-বলা কাজলা দিদি কই?
পুকুর ধারে নেবুর তলে থোকায় জোনাই জলে,
ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,একলা জেগে রই
মাগো, আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?
সেদিন হতে দিদিকে আর কেনই-বা না ডাকো,
দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
 ৫ সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাওঃ
(ক) কোথায় জোনাকি জলে?
নেবুর তলে/বাশবাগানে/শিউতলে
(খ)বুলবুলি কোথায় লুকিয়ে থাকে?
শিউলি ডালে/ভুঁইচাঁপার ডালে/আমে ডালে/ডালিমের ডালে
(গ)কে শোলক বলতেন? মা/দিদি/দাদু/বাবা
(ঘ) ঝিঁঝিঁ কোথায় ডাকে? ঝোপে ঝাড়ে/গাছের ডালে/আধাঁর রাতে?ঘরের মাঝে (ঙ)ঘুম আসে না কেন? নেবুর গন্ধে/ঝিঝির ডাকে/চাদের আলৈাতে/ফুলের গন্ধে

৬.নিচের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দাওঃ
(ক) কাজলা দিদি কোথায় গেছে? (খ) কখন কাজলা দিদির কথা বেশি মনে পড়ে? (গ) কাজলা দিদির কথা উঠলে মা আচল দিয়ে মুখ ঢাকে কেন? (ঘ)পতুলের বিয়ের সময় দিদির কথা মনে পড়ে কেন? (ঙ)আমিও নাই দিদিও নাই কেমন মজা হবে-একথা দিয়ে কি বুঝানোহয় ৭. কবিতার মুলভাব কি? ৮. শব্দার্থ লেখ ঃ মাড়াসনে, শোলক, সাবলীল, s.m.s, বনেদি
৯. বানান শুদ্ধ করে লেখঃ করন, শদ্দেয়, বির, নেমনতন,মনিষী ১০. বিরাম চিহ্নের ব্যবহার দেখাও মামার তো জানাই আছে অন্ত কোনো কিছু খুব একটা বাছবিছার করে না তারপর মামা এমনটা করলেন অন্তু গাল ফুলিয়ে হাতটাই চেটেপুটে খেতে থাকলো অমনি আবার মামা তার হাতটা চেপে ধরলেন
১১.এক কথায় প্রকাশ করঃ অনেকের মধ্যে একজন--- জানার ইচ্ছা---------------------- আকাশে যে চরে------------------------- বিদ্যা আছে যার----------------------- ভাতের অভাব যার---------------- ১২.বিপরীত শব্দ লিখঃ শক্তিশালী, তোমার, জ্বলা, জাগরন, সকাল





১৩. সমার্থক শব্দ লিখ ২ টি করে ঃ নেমন্তন্ন, সাধ, বিয়ে, পানি, পৃথিবী
১৪ একটি পত্রের কয়টি অংশ ও কিকি লিখ?
১৫. তারিখ বাচক শব্দ লিখ ১০ টি
১৬.রচনা লিখ ১ টি
একজন ভাল ছাত্র

** মুদ্রার নামঃ “দিনার”
টেকনিকঃ আজ তিসা ও লিবা কই ডিনার করবে?
আ=আলজেরিয়া, জ=জর্ডান, তি=তিউনিশিয়া, সা=সার্বিয়া, লি=লিবিয়া, বাহ=বাহরাইন,ক=কুয়েত,ই=ইরাক,ডিনার=দিনার।
** মুদ্রার নামঃ “ডলার”
টেকনিকঃ গনী মাঝির জামাই HSC পাশ করে BBA পড়তে আস্ট্রেলিয়া গেল।
গ- গায়ান ;নি- নিউজিল্যান্ড; মা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ;ঝী- জিম্বাবুয়ে ;জা- জামাইকা ;H- হংক ;S- সিংগাপুর ;C- কানাডা ;B- বেলিজ ;B- ব্রুনাই ;A- এন্টিগুয়া ও বারমুডা, অস্ট্রেলীয়া ;গেল- গ্রানাডা।
** মুদ্রার নামঃ “ক্রোনা”
ক্রোনা: স্কেন্ডেনেবিয়ার ৫টি দেশের (ফিডে আসুন) মধ্যে ৪টির মুদ্রা ক্রোনা, শুধু ফিনল্যান্ডের ইউরো।
টেকনিকঃ “ফিডে আসুন”
১.ফিনল্যান্ড; ২.ডেনমার্ক;৩.আইসল্যান্ড; ৪.সুইডেন; ৫.নরওয়ে।
** মুদ্রার নামঃ “পাউন্ড”
টেকনিকঃ “যুক্তরাজ্যে সিসা মিলে”
যুক্তরাজ্য- যুক্তরাজ্য, সি- সিরিয়া, সা- সাইপ্রাস, মি- মিশর, মি- মিশর, লে- লেবানন।
** মুদ্রার নামঃ “শিলিং”
টেকনিকঃ “তোর বেটি?”
তোর- তুরস্ক, বেটি- ভ্যাটিকান।
** মুদ্রার নামঃ “ইউরো”
টেকনিকঃ “ABC জাল দিয়ে সানম্যারিনো FISH ধরে MAMA র কাছে SPAIN পাঠান”
A= অস্ট্রিয়া, আয়ারল্যান্ড, B=বেলজিয়াম, ভ্যাটিক্যান, C=সাইপ্রাস, জা=জার্মানি, ল=লুক্সেমবার্গ, সানম্যারিনো=সানম্যারিনো, F=France, ফিনল্যান্ড, I=Italy, S=Spain, H=Holland, M=মোনাকো, A=এস্তোনিয়া, M=মন্টিনিগ্রো, মাল্টা, A=এন্ডোরা, কাছে=কসোভো, S=স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, P=পর্তুগাল,A=Athence (গ্রীস), আয়ারল্যান্ড
** মুদ্রার নামঃ “রিয়েল”
টেকনিকঃ “ওমা ইয়েমেন দেখছি রিয়েলি ইরানের কাতা কম্বল নিয়ে সৌদি যায়”
ওমা- ওমান, ইয়েমেন, ইরান, কাতা- কাতার, কম্বল- কম্ভডিয়া, সৌদি – সৌদি আরব।
** মুদ্রার নামঃ “রুপি”
টেকনিকঃ “রুপির ভারিতে শ্রী নে পা সিচে মরে”
ভারিতে-ভারত, শ্রী – শ্রীলংকা, নে- নেপাল, পা- পাকিস্তান, সিচে- সিচেলিস, মরে- মরিসাস।
** মুদ্রার নামঃ “পেসো”
টেকনিকঃ “আজ কলম্বাস চিলি vs উরুগুয়ের ফুটবল match দেখবে”
আজ=আর্জেন্টিনা, কলম্বাস=কলম্বিয়া, চিলি=চিলি, উরুগুয়ের=উরুগুয়ে, ফুট=ফিলিপাইন, বল=বলিভিয়া, match=মেক্সিকো।

Happy Valentines Day

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2340 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)