About Golam Mostafa

প্যারাসিটামল সম্পর্কে কিছু তথ্য

জ্বর ও ব্যথা নিরাময়ে প্যারাসিটামলের মতো নিরাপদ ওষুধ খুব বেশি নেই! তাই এই ওষুধ আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত। অনেকেই শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে বা একটু জ্বর জ্বর ভাব দেখলেই প্যারাসিটামল খেয়ে নেন। কারণ, জ্বর গায়ে বাড়িতে শুয়ে থাকলে কী চলবে! তাই ছুটি-ছাটার অভাবে অনেকেই প্যারাসিটামল খেয়ে স্কুলে, কলেজে বা কাজে বেরিয়ে পড়েন।

তবে চিকিৎসকদের মতে, শরীরের তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি না হওয়া পর্যন্ত জ্বরের ওষুধ না খাওয়াই ভাল। কারণ, ভাইরাল ফিভার নিজে থেকেই সেরে যায়। এর জন্য শুধু বিশ্রাম আর পর্যাপ্ত জলীয় খাবার প্রয়োজন। সামান্য তাপমাত্রা বাড়লেই বা গা ব্যথা করলেই প্যারাসিটামল খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস অত্যন্ত বিপজ্জনক!

আসুন জেনে নেওয়া যাক প্যারাসিটামল সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য, যা জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী।

► দৈহিক ব্যথার উপশমে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামলই ব্যবহৃত হয়। মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এটি বিক্রি হয় এবং যে কেউ কিনতে পারেন। তবে তাই বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ব্যবহার করা একেবারেই অনুচিত।

► মাথাব্যথা, গলাব্যথা, পেশির ব্যথা, দাঁতের ব্যথা, ঋতুকষ্ট ইত্যাদিতে প্যারাসিটামল খুবই কার্যকর। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০০ মিলিগ্রামের একটি ট্যাবলেট, কখনও প্রয়োজনে দুটিও খেতে হতে পারে।

► ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসকরা সর্বাধিক তিন থেকে চারবার প্যারাসিটামল খাওয়ার পরামর্শই দেন। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, ২৪ ঘণ্টায় ৪ গ্রাম বা ৪০০০ মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে না।

► গা ব্যথা বা জ্বরের জন্য তিন দিন পর্যন্ত প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। তিন দিনে সমস্যা না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

► প্যারাসিটামলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সাধারণত গুরুতর নয়। তবে শিশুদের বয়স আর ওজন অনুযায়ী প্যারাসিটামল দেওয়া উচিত। তাই শিশুদের প্যারাসিটামল খাওয়ানোর ক্ষেত্রে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে।

► ৪০০০ মিলিগ্রামের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া মোটেই উচিত নয়। কারণ তাতে কিডনি ও লিভারের মারাত্মক ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।

► সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষকের দাবি, গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত প্যারাসিটামল খেলে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসর্ডার (ADHD) বা অটিস্টিক স্পেকট্রাম ডিসর্ডার (ASD)-এর মতো মারাত্মক স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে।

► প্যারাসিটামল কিনার সময় অবশ্যই মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখ ও আসল বা নকল যাচাই করে কিনবেন।

পেটের মেদ কমায় রসুন

কীভাবে খাবেন রসুন?
সকালে খালি পেটে পানির সঙ্গে কাঁচা রসুন খেতে পারেন। এছাড়া কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও রসুন কুচি মিশিয়ে পান করতে পারেন। নিয়মিত রসুন খেতে পারলে পেটের মেদ কমবে বলে দাবি করছে ‘জার্নাল অব নিউট্রেশন।’

রসুন খেলে আরও যেসব উপকার পাবেন
রসুন অনেকক্ষণ পর্যন্ত এনার্জি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা লোপ পায় রসুন খেলে। শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরায় রসুন। এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হেলথে প্রকাশিত এক গবেষণা মতে, রসুন রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

আলসারেটিভ কোলাইটিস : উপসর্গ ও চিকিৎসা

পূর্বে ইউরোপ ও আমেরিকায় এ রোগ দেখা গেলেও উপমহাদেশের জনগণের মধ্যে ছিল কদাচিত। তবে বর্তমানে পশ্চিমা দেশগুলোর খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতি অনুকরণের ফলে আমাদের দেশের জনগণের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আলসারেটিভ কোলাইটিস। এ রোগটি সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সের মাঝামাঝি লোকজনের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। আলসারেটিভ কোলাইটিস ঠিক কাদের হয় তার কারণ সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে মামাতো, চাচাতো, খালাতো ও ফুফাতো ভাই-বোনদের সন্তানদের মধ্যে এ রোগ দেখা দিতে পারে। কেউ কেউ মনে করেন কোলনের অন্ত্রগাত্রের আবরণ যদি দুর্বল হয় তবে এ রোগ হতে পারে।

কেউ যদি খুবই দুশ্চিন্তায় ভোগে, দুধ কিংবা দুগ্ধজাতীয় খাবার খায় অথবা আমাশয়ে ভোগে তবে আলসারেটিভ কোলাইটিসের উপসর্গগুলো বারবার দেখা দিতে পারে।
উপসর্গ :

১. ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হওয়া;
২. পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া;
৩. অনেক সময় এমনিতেই মলদ্বার দিয়ে মিউকাস কিংবা আমজাতীয় পদার্থ বের হওয়া;
৪. রক্ত যাওয়া;
৫. তলপেটে মোচড় দেয়া এবং সাথে সাথে প্রচণ্ড পায়খানার বেগ অনুভব হওয়া;
৬. সময় মতো বাথরুমে যেতে না পারলে;
৭. পায়খানা হয়ে কাপড় নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং
৮. ঘন ঘন পাতলা পায়খানা ও রক্ত যাওয়া ফলে রোগীর পানি, লবণ এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়া ইত্যাদি।
সময় মতো চিকিৎসা না করলে কী হতে পারে :

১. কোলনে ক্যান্সার হতে পারে
২. দেহের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা হতে পারে, যেমন-কোমর, মেরুদণ্ড, হাঁটু, পায়ের গোড়ালি, হাতের জয়েন্টে;
৩. চামড়ার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লাল দাগ অথবা আলসার হতে পারে;
৪. চোখের বিভিন্ন ধরনের প্রদাহজনিত রোগ হয়ে অন্ধ হয়ে যেতে পারে;
৫. মুখ, হাত ও পায়ে পানি এসে শরীর ফুলে যেতে পারে এবং
৬. জন্ডিস হতে পারে, লিভারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয় লিভার নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
চিকিৎসা :
ওষুধ : সাধারণত স্টেরয়েড ও সালফাসেলজিন জাতীয় ওষুধ দিয়ে এ রোগের চিকিৎসা করা হয়। তবে মাঝে মধ্যে হাইড্রোকরটিসন, এজাথায়েপ্রিন অথবা সাইক্লোসপোরিন ব্যবহার করলে অনেকের মুখ ও শরীর ফুলে যেতে পারে, মাথার চুল পড়ে যেতে পারে, অনিদ্রা, অরুচি, হাতে-পায়ে জ্বালাপোড়া, বমি বমিভাবসহ নানাবিধ শারীরিক অসুবিধা হতে পারে।

অপারেশন : আলসারেটিভ কোলাইটিসের স্থায়ী চিকিৎসা হতে পারে অপারেশন, তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে অপারেশনের দরকার হয় না।

যেসব ক্ষেত্রে অপারেশন প্রযোজ্য :
১. রোগীর অবস্থা খুবই সঙ্কটাপন্ন হলে, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ ব্যবহারের পরও কোনো উন্নতি হয় না;
২. রোগী যদি ঘন ঘন পায়খানায় যেতে যেতে হাঁপিয়ে ওঠেন, পায়খানা ধরে রাখতে পারেন না কিংবা রক্তশূন্যতায় ভোগেন;
৩. দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড ব্যবহার করার পরও, যখন স্টেরয়েড আর কাজ করে না বরং স্টেরয়েড ব্যবহার করার জন্য বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন;
৪. কোলনোস্কপি বা সিগময়ডোস্কোপি করার পর যখন ক্যান্সার ধরা পড়ে।

এ অপারেশনের পর পেটে স্থায়ীভাবে মলত্যাগের ব্যাগ লাগাতে হবে কিনা এটি একটি বড় প্রশ্ন। আজকাল জটিল বিশেষ ধরনের অপারেশন করে পেটে স্থায়ী মলত্যাগের ব্যাগ (আইলিওস্টমি) না লাগিয়েও অপারেশন করা যায়। এ অপারেশন করতে দীর্ঘ সময় লাগে এবং বিশেষভাবে পারদর্শিতার প্রয়োজন হয়।

ক্যান্সার শনাক্ত করছে কুকুর!

বেড়েই চলেছে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা। ভয়াবহ এই রোগের নাম শুনলেই আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

ক্যান্সারের চিকিৎসার বিপুল খরচের কারণে অনেকেই যাথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করে উঠতে পারেন না। যে কারণে ক্যান্সার এখনও পর্যন্ত মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে একটি আতঙ্ক।

ক্যান্সারে বিশ্বে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। ক্যান্সারে আক্রান্তকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানো সম্ভব। কিন্তু তার জন্য রোগটি প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা খুবই জরুরি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এই পরিস্থিতিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা বা মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবে আগেভাগেই ক্যান্সার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে কুকুর!

শুনতে অবাক লাগলেও কুকুরের তীব্র ঘ্রাণশক্তি প্রাথমিক পর্যায়েই ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম। অন্তত এমনটাই দাবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ‘আমেরিকান সোসাইটি ফর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি’র গবেষকদের।

তাদের দাবি, ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই নির্ভুলভাবে ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারে কুকুররা! দীর্ঘদিনের গবেষণায় তারই প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

জানা গেছে, এই পরীক্ষার জন্য ৪টি বিগল প্রজাতির কুকুরকে বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দীর্ঘ প্রশিক্ষণের পর ম্যালিগন্যান্ট লাং (ফুসফুসের ক্যান্সার) ক্যান্সারে আক্রান্তদের রক্তের সিরাম এবং সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিদের রক্তের সিরামের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম হয় ওই কুকুরগুলো।

‘আমেরিকান সোসাইটি ফর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি’র গবেষকদের দাবি, ৯৬.৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই নির্ভুলভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের গন্ধ আলাদাভাবে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় ওই ৪টি বিগল প্রজাতির কুকুর।

গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক হিথার জ্যানকুয়েরা জানান, কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। এই পদ্ধতিতে কুকুরের ঘ্রাণশক্তি কাজে লাগিয়ে যদি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটি শনাক্ত করা যায়, সে ক্ষেত্রে ক্যান্সার সারিয়ে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। কারণ, ক্যান্সার যত দ্রুত ধরা পড়বে, এ রোগের চিকিৎসা করাও ততই সহজ হবে।

তবে ক্যান্সার শনাক্ত করার পদ্ধতি হিসেবে এই পরীক্ষা পদ্ধতিটির স্বীকৃতি পেতে আরও বেশ কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। প্রয়োজন আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার।

রমজানে যে ৪টি দোয়া বেশি বেশি করতে হয়

হযরত সালমান (রা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শাবানের শেষ দিন রমযানের আগমনী খুতবায় ইরশাদ করেন,

অর্থ: “তোমরা এই মাসে (অর্থাৎ রমযান মাসে) চারটি কাজ বেশি বেশি করতে থাকো। (তন্মধ্য হতে) দুটি কাজ এমন, যেগুলো দ্বারা তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে সন্তুষ্ট করবে। আর দুটি কাজ এমন, যা না করে তোমাদের কোন উপায় নেই। প্রথম দুটি কাজ যেগুলো দ্বারা তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে সন্তুষ্ট করবে তা হল, অধিক পরিমানে কালিমায়ে তায়্যিবা পড়বে এবং ইস্তেগফার করবে।

আর যে কাজ দুটি তোমাদের না করে কোন উপায় নেই তা হল, আল্লাহ তাআলার নিকট জান্নাত চাইবে এবং জাহান্নাম হতে মুক্তি চাইবে।” –সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদীস নং ১৮৮৭; বাইহাকী, শুআবুল ঈমান, হাদীস নং ৩৬০৮

উপরোক্ত হাদীস থেকে বুঝা যায় রমাদান মাসে নিম্নোক্ত ৪টি কাজ বেশি বেশি করতে হবে- ১। অধিক পরিমানে কালিমায়ে তায়্যিবা অর্থাৎ لا إله إلا الله (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পড়া। ২। ইস্তেগফার করা অর্থাৎ আল্লাহ তাআলার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। যেমন أَسْتَغْفِرُ الله (আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়া।

সুনানে আবু দাউদ ও তিরমিযীতে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত ইস্তেগফারটি পড়বে তাকে মাফ করে দেওয়া হবে যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করে (অর্থাৎ ভয়াবহ কোন গুনাহ করলেও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে)। –সুনানে আবূ দাউদ, হাদীস নং ১৫১৯; সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং ৩৫৭৭

ইস্তিগফারটি এই- أَسْتَغْفِرُ الله الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযী লা-ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতু-বু ইলাইহি। অর্থ: আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি – যিনি চিরস্থায়ী চিরঞ্জীব, আমি তাঁর কাছেই তওবা করছি।

৩। আল্লাহ তাআলার নিকট জান্নাত চাইতে থাকা। আরবীতে এভাবে বলা যায়- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাহ। অর্থ: হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট জান্নাত চাই।

৪। আল্লাহ তাআলার নিকট জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া। اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনান্নার। অর্থ: হে আল্লাহ আমি আপনার নিকট জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই।

উভয়টি একসাথে এভাবে বলা যায়- اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْئَلُكَ الْجَنَّةَ وَ أَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আউযু বিকা মিনান্নার। অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত কামনা করছি এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে তাঁর সন্তুষ্টি ইবাদতের সাথে রমাদানের প্রতিটি মুহূর্ত কাটানোর তাওফিক দান করুন। আমীন।

‘রহস্যময়’ পানির নদী!

পৃথিবীতেই এমন এক নদী আছে যার পানির রং আপনাকে অবাক করবেই। তাকে বলা হয় ‘রেড রিভার’ বা লাল নদী। কোথায় রয়েছে এই নদী, কেনই বা এমন রং, আদৌ কি বিষয়টি ঠিক, জেনে নেওয়া যাক।
দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর কাসকো শহরের দক্ষিণ-পূর্ব দিক দিয়ে বয়ে গেছে ‘রেড রিভার’ বা লাল নদী।নদীটির উৎপত্তি হয়েছে পলকোয়ো রেনবো পার্বত্য উপত্যকা থেকে। পলকোয়ো পর্বত নানা রকম খনিজে সমৃদ্ধ। এক একটি স্তরে এক একটি খনিজ পদার্থ রয়েছে।

পলকোয়া পর্বতের যে অংশ দিয়ে লাল নদী বয়ে গেছে, ভূবিজ্ঞানীরা বলেন, পর্বতের ওই অংশে আয়রন অক্সাইডের পরিমাণ খুব বেশি। লাল নদীর পানি পর্বতের ওই অংশ দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় তার সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড মিশে যায়। যে কারণে পানির রং লালচে হয়।
বর্ষাকালে লাল নদীর রূপ দেখার মতো। সময়টা মে থেকে নভেম্বর। কাসকো শহরে গেলেই পর্যটকরা পলকোয়ো পর্বতে ছুটে যান শুধুমাত্র লাল নদীর রূপ দেখতে।

ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের অজানা সব তথ্য


পৃথিবীর মানুষের কাছে তথা মহাকাশের এক বিস্ময় ব্ল্যাকহোল। যাকে দানব বললেও ভুল হবে না। ব্লাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বর মহাকাশের এমন একটি স্থান জুড়ে রয়েছে, যার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই প্রখর যে তার হাত থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না, এমনকি আলোর রশ্মিও।

পৃথিবী থেকে এই ব্ল্যাক হোল ৫০ কোটি ট্রিলিয়ন কিলোমিটার দূরে, এটার ভর (এর মধ্যেকার পদার্থের পরিমাণ) সূর্যের চাইতে ৬৫০ কোটি গুণ বেশি।

এই ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে এর আগে বিজ্ঞানীদের তেমন ধারণা ছিলো না। কিন্তু ধীরে ধীরে এ সম্পর্কে অনেক তথ্যই জানা যাচ্ছে। ব্ল্যাকহোল হলো বিপুল পরিমাণ ভর বিশিষ্ট কোন বস্তু, যার মহাকর্ষের প্রভাবে আলোক তরঙ্গ পর্যন্ত পালাতে পারে না- এ ধারণা সর্বপ্রথম প্রদান করেন ভূতত্ত্ববিদ জন মিচেল (John Michell)। ১৭৯৬ সালে গণিতবিদ পিয়েরে সিমন ল্যাপলেস একই মতবাদ প্রদান করেন তাঁর ‘Exposition du systeme du Monde‘ বইয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় সংস্করণে।

১৯১৬ সালে আইনস্টাইন তার “জেনারেল রিলেটিভিটি তত্ত্ব ” দিয়ে ধারণা করেন ব্ল্যাকহোল থাকা সম্ভব। আর ১৯৯৪ সালে এসে নভোচারীরা প্রমাণ করেন আসলেই ব্ল্যাকহোল আছে। এটি কোন সায়েন্স ফিকশন নয়। জার্মান বিজ্ঞানী কার্ল শোয়ার্জস্কাইল্ড ১৯১৬ সালেই দেখান, যেকোন তারকা ব্ল্যাকহোলে পরিণত হতে পারে।

এই প্রথমবারের মতো মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটা বড় ঘটনা। বিজ্ঞানীদের তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বৃত্তাকার কালো আভার চারদিকে এক উজ্জ্বল আগুনের বলয়। এ্যান্টার্কটিকা, স্পেন ও চিলির মতো পৃথিবীর নানা প্রান্তে বসানো আটটি রেডিও টেলিস্কোপের এক নেটওয়ার্ক দিয়ে এই ছবি তোলা সম্ভব হয়। এর আগে কোন ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলা যায়নি। কারণ একক কোন টেলিস্কোপের এর ছবি তোলার ক্ষমতা নেই। এমএইটসেভেন নামে একটি বহুদূরবর্তী গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের মধ্যে এটি পাওয়া গেছে।

ব্লাকহোল কি ?

ব্লাক হলো মহাবিশ্বের এমন কিছু তারকা বা নক্ষত্র। যা এমন শক্তিশালী মহাকর্ষ বল তৈরি করে যে এটি তার কাছাকাছি চলে আসা যেকোন বস্তুকে একেবারে টেনে নিয়ে যেতে পারে। হোক সেটা কোন গ্রহ, ধুমকেতু বা স্পেসক্রাফট। পদার্থবিজ্ঞানী জন হুইলার এর নাম দেন ‘ব্ল্যাক হোল’।

ব্ল্যাকহোল-এর জন্ম কীভাবে?

একটি তারার মৃত্যু থেকে জন্ম নেয় একটি কৃষ্ণগহ্বর। বিজ্ঞানীদের মতে, সব চেয়ে ছোট ব্ল্যাকহোলটির জন্ম ঠিক এই মহাবিশ্বের জন্মের সময়। একটি নক্ষত্রের নির্দিষ্ট জ্বালানি নিঃশেষ হয়ে গেলে এর মৃত্যু ঘটে। যতক্ষণ পর্যন্ত এর অভ্যন্তরীণ হাইড্রোজেন গ্যাস অবশিষ্ট থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত এর ভিতরে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া চলতে থাকে। হাইড্রোজেন শেষ হয়ে গেলে এর কেন্দ্রীয় মূলবস্তু সংকুচিত হতে থাকে। এভাবে একটি তারার মৃত্যু হয়।

ব্ল্যাকহোলে রয়েছে শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র। প্রত্যেক ব্ল্যাকহোলের চারদিকে একটি সীমা আছে যেখানে একবার ঢুকলে আর বের হওয়া যায় না। এইভাবেই মহাকাশের মহাবিস্ময় হয়ে বেঁচে আছে ব্ল্যাকহোল।

ব্ল্যাকহোলের আকার ?

ব্ল্যাকহোল ছোট হতে পারে আবার বড়ও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে ক্ষুদ্রতম ব্ল্যাকহোল একটি পরমাণুর সমান হতে পারে। এই জাতীয় ব্ল্যাকহোল গুলো অনেক ক্ষুদ্র কিন্তু তাদের এক একটার ভর হতে পারে বিশাল কোন পর্বতের সমান। অন্য এক ধরনের ব্ল্যাকহোলকে বলা হয় “স্টেলার” বা “নাক্ষত্রিক”। এর ভর আমাদের সূর্যের ভর এর চেয়েও ২০ গুণ বেশি হতে পারে। খুব সম্ভবত অনেক অনেক বেশি ভরেরও নক্ষত্র রয়েছে পৃথিবীর ছায়াপথে। আর পৃথিবীর এই ছায়াপথকে বলা হয় “মিল্কিওয়ে”। সবচেয়ে বৃহৎ ব্ল্যাকহোলকে বলা হয় “সুপারমেসিভ”। কৃষ্ণগহবরকে ভাগ করা হয় তার মাঝে থাকা ভর, আধান, কৌণিক ভরবেগের উপর ভিত্তি করে। ভরের উপর ভিত্তি করে কৃষ্ণগহবর চার ধরনের। যেমন-

১. Super Massive Blackhole (সুপার মেসিভ ব্ল্যাকহোল)

২. Intermediate Blackhole (ইন্টারমিডিয়েট ব্ল্যাকহোল)

৩. Micro Blackhole (মাইক্রো ব্ল্যাকহোল)

৪. Steller Blackhole (স্টেলার ব্ল্যাকহোল)

যখন একটি ব্ল্যাকহোল ও তারকারা পরস্পরের খুব কাছাকাছি আসে, তখন অনেক উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন আলো উৎপন্ন হয়। বিজ্ঞানীরা স্যাটেলাইট এবং কিছু বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন এই উচ্চ ক্ষমতার আলোকে পর্যবেক্ষণ করতে।

ব্ল্যাকহোল কি পৃথিবী ধ্বংস করতে পারে ?

ব্ল্যাকহোল মোটেও স্পেস বা মহাশুন্যের এতটা কাছে ভ্রমণ করে না যে, তা কোন তারকা, চাঁদ বা গ্রহকে তার শিকার বানাতে পারে। আর পৃথিবীও কোন দিন ব্ল্যাকহোলে গিয়ে পতিত হবে না। কারণ, কোন ব্ল্যাকহোলই কিন্তু পৃথিবীর সৌরজগতের এতটা কাছাকাছি নয়।

কোন কোন ব্ল্যাকহোলের ভর সূর্যের সমতুল্য হতে পারে। কিন্তু তখনও পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলো ঐ ব্ল্যাকহোলকে কেন্দ্র করে ঘূর্ণায়মান থাকবে। যেমনটা আগে ছিল! সুতরাং, দেখা যাচ্ছে যে- ব্ল্যাকহোল আমাদের জন্য এখনো কোনো হুমকির সংবাদ বয়ে আনেনি এবং অদূর ভবিষ্যতেও আনবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

যাদের দোয়া কবুল হয়

দোয়া বা প্রার্থনা দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্যা সমাধানের অন্যতম মাধ্যম। তবে দোয়া হতে হবে সঠিক পন্থায়। চাইতে হবে শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার নিকট। তাই মানুষের সমস্যা সমাধানে বেশি বেশি দোয়া করলে আল্লাহ খুশি হন। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘আমাকে ডাকো; আমি তোমাদের উত্তর দেব (তোমাদের প্রার্থনা কবুল করবো)।’ এই আয়াতের আলোকে মানুষের সব ধরনের প্রয়োজনে আল্লাহ তাআলার কাছে প্রার্থনা করা একান্ত কর্তব্য। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষ এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা দোয়া করলে, সে দোয়া বিদ্যুৎ বেগে আল্লাহর দরবারে পৌছে যায়। আর আল্লাহ তাআলাও সে দোয়া কবুল করেন। যা তুলে ধরা হলো-

>> বিপদগ্রস্ত ও অসুস্থ ব্যক্তির দোয়া।
>> আত্যাচারিত (মাজলুম) ব্যক্তির দোয়া।
>> সন্তানের জন্য বাবা-মায়ের দোয়া।
>> যে সন্তান একনিষ্ঠ মনে বাবা-মায়ের খেদমত করে, সে সন্তানের দোয়া।
>> ন্যায়পরায়ণ শাসকের দোয়া।
>> মুসাফিরের দোয়া।
>> রোজাদার যখন ইফতারের সময় দোয়া করে।
>> এক মুসলমানের জন্য অন্য মুসলমানের অনুপস্থিতিতে দোয়া
>> হাজিগণ হজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে যে দোয়া করে।
>> আল্লাহর খাঁটি বান্দাদের দোয়া।

সর্বোপরি বান্দার সকল দোয়াই আল্লাহ কবুল করবেন, যদি বান্দা শিরকমুক্ত থেকে একনিষ্ঠ মনে কায়মনোবাক্যে কাকুতি মিনতির সহিত আল্লাহর দরবারে দোয়া করে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিক পন্থায় দোয়া করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

মা দিবসে বিশ্বনবির যে হাদিসটি খুব বেশি মনে পড়ে

‘মা’। আমার ‘মা’। এ ধরণীর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। হাদিসের ঘোষণায়, মায়ের পদতলে রয়েছে সন্তানের জান্নাত। মায়ের ভালোবাসা ও সম্মান কোনো নির্দিষ্ট দিনে পালন করার বিষয় নয়। মায়ের ভালোবাসা থাকবে জীবনভর প্রতিটি মুহূর্তে।

বিশ্বব্যাপী এ দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো, ‘মা-কে যথাযথ সম্মান দেয়া, ভালোবাসা।’ এবারের মা দিবসটি পড়ছে পবিত্র রমজান মাসে। তাছাড়া এ মাস মায়ের ভালোবাসার কথা আরো বেশি স্মরণ করিয়ে দেয়।

কুরআন এবং হাদিসে মা-বাবার সম্মান, মর্যাদা ও ভালোবাসার ব্যাপারে অনেক নির্দেশনা এসেছে। বিশেষ করে রমজান ও মায়ের সম্মানে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস বর্ণনা করেছেন।

সন্তানের জন্য মায়ের সম্মান ও মর্যাদা কত বেশি আবশ্যক তা আজকের মা দিবসে প্রিয় নবির একটি হাদিসের বর্ণনায় খুব বেশি মনে পড়ে। যে হাদিসটি প্রত্যেক সন্তানকে পিতামাতার যথাযথ সম্মানে আগ্রহী করে তুলবে। হাদিসে এসেছে-

হজরত কাব ইবনে উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মসজিদে নববির) মিম্বরের প্রথম সিঁড়িতে পা রাখলেন, আর বললেন, ‘আমিন’। যখন দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন, আবার বললেন, ‘আমিন‘। যখন তিনি তৃতীয় সিঁড়িতে পা রাখলেন তখনও বললেন, ‘আমিন’।

হজরত কাব ইবনে উজরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন তিনি (মিম্বর থেকে) নামলেন, আমরা তাঁর কাছে আমিন বলার কারণ জানতে চাইলাম। বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! এর আগে তো আপনাকে কখনো এভাবে আমিন বলতে শুনিনি।

উত্তরে তিনি বললেন, প্রথম সিঁড়িতে পা রাখার সময় জিবরিল আলাইহিস সালাম আমার কাছে এসে বলরেন, ‘ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল, তবুও তার গোনাহ মাফ করাতে পারল না। আমি বললাম, ‘আমিন’।

যখন দ্বিতীয় সিঁড়িতে পা রাখলাম তখন বললেন, ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি যার কাছে আপনার নাম উচ্চারিত হলো অথচ সে আপনার প্রতি দরূদ পাঠ করল না। আমি বললাম, ‘আমিন’।

যখন তৃতীয় সিড়িঁতে পা রাখলাম, তখন বললেন, ধ্বংস হোক সে ব্যক্তি যে বৃদ্ধ পিতা-মাতা উভয়কে অথবা একজনকে পেল অথচ তারা উভয় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। অর্থাৎ (সন্তান) তাদের খেদমতের মাধ্যমে নিজেকে জান্নাতবাসী করতে পারল না। আমি বললাম, আমিন।’ (মুসলিম, তিরজিমি)

মা দিবসে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এ হাদিসটি দুনিয়ার সব সন্তানের জন্য সুমহান শিক্ষা। মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধ ও সম্মানই সন্তানকে দুনিয়া ও পরকালের সফলতা দিতে পারে।

সুতরাং এ রমজানে মা-বাবার প্রতি সদয় হয়ে মহান আল্লাহর অনিবার্য ধ্বংস থেকে নিজেকে মুক্ত করা প্রত্যেক সন্তানের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য।

মায়ের ভালোবাসা কিংবা সম্মানের জন্য বিশেষ কোনো দিনক্ষণ নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়, সন্তানের জন্য প্রতিটি মুহূর্তই হোক মা-বাবার জন্য সম্মান ও ভালোবাসা।

#স্বাস্থ্য_তথ্য
চিনির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেঁপে একটি আর্দশ ফল। যাদের ডায়াবেটিস নেই তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় পেঁপে রাখা উচিত। পেঁপে ডায়াবেটিস হওয়া প্রতিরোধ করে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে লবঙ্গ

লবঙ্গ আমাদের অতি পরিচিত একটি মসলার নাম। লবঙ্গতে ২০-২৫ শতাংশ ক্লোভ তেল এবং ১০-১৫ শতাংশ টাইটার পেনিক এসিড থাকে, যার ফলে এটা খেতে ঝাঁজালো। এর আরেক নাম “লং”। আসুন জেনে নেই লবঙ্গের বিশেষ কিছু গুন সম্পর্কে:-

দাঁত ব্যথা করছে? কয়েকটি লবং থেঁতো করে আক্রান্ত স্থানে দিয়ে রাখুন, দাঁত ব্যথার নিশ্চিত উপশম হবে।
বমি বমি ভাব দূর করতে গুঁড়ো লবঙ্গের সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। আরাম পাবেন।

সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা হোক কিংবা অ্যাজমা, সাইনাস ইত্যাদির সমস্যা; দিনে কয়েক কাপ লবঙ্গ চা খেলে রোগের উপশম হবে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গ তুলনাহীন। কয়েকটি মুখে ফেলে চিবালেই আপনার নিঃশ্বাস হয়ে উঠবে তরতাজা।

ব্রণ দূর করতে লবঙ্গ তুলনা নিন। তাজা লবঙ্গের গুঁড়ো সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের ওপরে দিয়ে রাখুন। ব্রণ দূর হবে।

লবঙ্গের তেল আপনার নিয়মিত ব্যবহারের তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমবে এবং চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে।

গর্ভবতী মায়েরা সকালের বমি বমি ভাব দূর করতে লবঙ্গ চুষতে পারেন। শুধু লবঙ্গ মুখে ভালো না লাগলে সামান্য গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। সকাল বেলাটায় অনেক স্বস্তি বোধ করবেন।

গ্রীষ্মের খাবারদাবার

বৈশাখের আগমনের সাথে সাথে শুরু হয়ে গেছে গ্রীষ্মকাল। গ্রীষ্মের এই গরমে খাবারদাবারের বেলায় একটু সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। নয়তো অসুস্থ বোধ করতে পারেন।
গরমে বাইরে রোদে ঘোরাঘুরি করলে দ্রুত শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। সে জন্য সঙ্গে পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি রাখুন। বাড়িতে এদিন কেউ বেড়াতে এলে আপ্যায়ন করুন তাজা ফলের রস, ডাবের পানি বা বাড়িতে তৈরি লেবুর শরবত দিয়ে। রাস্তায় বিক্রি হওয়া লেবুর শরবত বা আখের রস মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। খুব বেশি ঘেমে গেলে বা মাথা ঝিমঝিম করলে ওরস্যালাইনও খেতে পারেন।
পান্তা-ইলিশ বা ভর্তা-ভাজি খেয়ে অনেকেরই পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা, বমি ভাব এমনকি ডায়রিয়া পর্যন্ত হতে পারে। তাই বুঝেশুনে খান। ভর্তায় অতিরিক্ত ঝাল না দেওয়াই ভালো। বেশি মসলাযুক্ত খাবারে গরম বেশি লাগে। তাড়াহুড়ো করে খাবেন না। ধীরে ধীরে খান। খাওয়া শেষ করে সঙ্গে সঙ্গে পানি পান করবেন না। অন্তত ৩০ মিনিট বিরতি নিন।
শিশুদের নিয়ে ঘুরতে বের হলে বাইরের পান্তা, ইলিশ, চটপটি, ফুচকা, আচার, শরবত ইত্যাদি দেবেন না। এগুলো অনিরাপদ। শিশুদের যেন পানিশূন্যতা বা হিট স্ট্রোক না হয় সেদিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখুন। ছোট শিশুকে নিয়ে সারা দিনের জন্য বের হলে সঙ্গে টিফিন বাটিতে নুডলস, খিচুড়ি, পায়েস-জাতীয় খাবার রাখতে পারেন। সঙ্গে অবশ্যই ফ্ল্যাস্কে পানি বা ফলের রস নিন।
গরমে চা, কফি বেশি খেলে গরম বেশি লাগে, ঘামও হয়। ক্যাফেইন আরও পানিশূন্য করে দিতে পারে। এবার জেনে নিন বৈশাখের ঘোরাঘুরিতে কী ভালো।
■ ডাবের পানি : ডাবের পানি প্রাকৃতিক স্যালাইন, কেননা এতে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম, সোডিয়াম ক্লোরাইড থাকে। এ ছাড়া এতে অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান আছে।
■ লেবুপানি : লেবুর পানি গরমে দ্রুত স্বস্তি এনে দেয়। ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম আছে এতে।
■ কাঁচা আমের শরবত : কাঁচা আমে প্রচুর ভিটামিন সি আছে, যা গরমে আরাম দেয়। সামান্য জিরার গুঁড়া লবণ মিশিয়ে খেলে প্রশান্তি পাবেন।
■ তরমুজের রস : তরমুজের প্রায় ৯০ শতাংশ জলীয় অংশ। এটি পানিশূন্যতা দ্রুত রোধ করে। হজমেও সাহায্য করে।
■ দই বা দইয়ের শরবত : গরমকালে দই খুব উপকারী। দইয়ের মধ্যে জিরা, আদা, পুদিনাপাতা ও পছন্দমতো চিনি দিয়ে ফেটিয়ে খেলে আরাম পাবেন।
■ বেলের শরবত : গরমে পেট ঠান্ডা রাখে বেলের শরবত। পেট পরিষ্কার ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
■ আখের রস : বাড়িতে তৈরি আখের রসে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, গ্লুকোজ ও ম্যাগনেশিয়াম পাবেন। আখের রস হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করে।
এ ছাড়া এই বৈশাখে অতিথি আপ্যায়নে বা বাড়িতে রাখুন ফলের সমাহার। শসা, টমেটো, কাঁচা সালাদ, ক্যাপসিকাম ইত্যাদিতে জলীয় অংশ অনেক বেশি তাই এই গরমে এগুলো খাওয়া ভালো।

Microsoft Word Office Shortcuts Keys:


Operation

Ctrl+X-Cut
Ctrl+C-Copy
Ctrl+V-Paste
Ctrl+Z-Undo
Ctrl+Y-Redo
Ctrl+S-Save
Ctrl+P-Print

Beginning of line

End-End of line

Ctrl + Home-Go to start of document

Ctrl + End-Go to end of document

Right Arrow-Right one character

Left Arrow-Left one character

Ctrl+Right Arrow-Right one word

Ctrl+Left Arrow-Left one word

Up Arrow-Up one line

Down Arrow-Down one line

Ctrl+Up Arrow-Up one paragraph

Ctrl+Down Arrow-Down one paragraph

F4-Repeat last command

Ctrl + A-Select Whole Document


Ctrl+B-Bold

Ctrl+I-Italics

Ctrl+U-Underline

Ctrl+Shift+L-Bulleted list

Ctrl+L-Align left

Ctrl+R-Align right

Ctrl+E-Align centre

Ctrl+[-Shrink font size

Ctrl+]-Grow font size

সুস্বাদু পেঁয়াজ পাতার অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা
আপনি কি চাইনিজ বা কন্টিনেন্টাল খাবার পছন্দ করেন? এই খাবার গুলো তৈরির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হচ্ছে পেঁয়াজ পাতা। ৫০০০ বছর পূর্বে চীনে প্রথম উৎপন্ন হয় পেঁয়াজ পাতা। আপনি কি জানেন প্রাচীন মিশরীয়রা পৃথিবীর প্রতীক হিসেবে পেঁয়াজের কন্দকে পূজা করত? পেঁয়াজ পাতা ও পেঁয়াজের কন্দ সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর। এতে উচ্চ মাত্রার সালফার থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এই নরম কচি পেঁয়াজে ক্যালরি কম থাকে। একে স্প্রিং অনিওন বা সবুজ পেঁয়াজ ও বলা হয়। পেঁয়াজ পাতা ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১২ এবং থায়ামিন সমৃদ্ধ। পেঁয়াজের কন্দে ভিটামিন এ ও ভিটামিন কে থাকে। এছাড়াও কপার, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফাইবার থাকে। কোয়ারসেটিন নামক ফ্ল্যাভনয়েডের উৎস এই পেঁয়াজ পাতা। পেঁয়াজ পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতা গুলো জানা যাক এবার।
sasthobarta protidin
১। হৃদ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী
পেঁয়াজ পাতার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেলের কাজে বাঁধা প্রদান করে কোষ কলার এবং DNA এর ক্ষতি রোধ করতে পারে। পেঁয়াজ পাতার ভিটামিন সি কোলেস্টেরল ও রক্ত চাপের উচ্চ মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে যা হৃদ রোগের ঝুঁকি কমায়। পেঁয়াজ পাতার সালফার করোনারি হার্ট ডিজিজ এর ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।
২। শ্বাসযন্ত্রের কাজে সহায়তা করে
অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকায় পেঁয়াজ পাতা সাধারণ ঠাণ্ডা, ফ্লু ও ভাইরাল ইনফেকশনের ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। শ্বাসযন্ত্রের কাজকে উদ্দীপিত করা ও কফ বাহির করে দিতে সাহায্য করে পেঁয়াজ পাতা।
৩। হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে
পেঁয়াজ পাতায় উচ্চ মাত্রার ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে থাকে যা হাড়ের স্বাভাবিক কার্যাবলীর জন্য প্রয়োজনীয়। ভিটামিন সি কোলাজেনের সমন্বয় সাধনে কাজ করে যা হাড়কে শক্তিশালী করে। অন্যদিকে ভিটামিন কে হাড়ের ঘনত্ব রক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৪। স্বাভাবিক দৃষ্টির রক্ষণাবেক্ষণ করে
লুটেইন ও জেনান্থিন নামক ক্যারোটিনয়েড এর উপস্থিতির জন্য পেঁয়াজ পাতা চোখের প্রতিরক্ষায় প্রভাব বিস্তার করে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং স্বাভাবিক দৃষ্টির রক্ষণাবেক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ভিটামিন এ যা স্প্রিং অনিওন এর সবুজ অংশে থাকে।
৫। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়
সবুজ পেঁয়াজের সালফার যাতে অ্যালাইল সালফাইড থাকে তা কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। সবুজ পেঁয়াজে ক্যান্সার রোধী উপাদান ফ্লেভনয়েড থাকে।
৬। পাকস্থলীর জটিলতা প্রতিরোধ করে
সবুজ পেঁয়াজ গ্যাস্ট্রো ইন্টেস্টাইনাল সমস্যা প্রশমনে উপকারী ভূমিকা রাখে। ডায়রিয়া এবং পাকস্থলীর জটিলতার ক্ষেত্রে শক্তিশালী প্রাকৃতিক প্রতিকার হচ্ছে স্প্রিং অনিওন। অধিকন্তু রুচি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে ও পেঁয়াজ পাতার উচ্চ মাত্রার ফাইবার হজম সহায়ক।
৭। ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কাজ করে
পেঁয়াজ পাতার খনিজ উপাদান সালফার ছত্রাকের বৃদ্ধিকে প্রতিহত করে এবং ভিটামিন কে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে। এছাড়াও এঁরা রক্ত সংবহনের উন্নতি করে এবং শরীরে ভিটামিন বি১ এর শোষণের মাধ্যমে চাপ ও ক্লান্তি কমায়। শরীরের কলার প্রদাহ ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করে পেঁয়াজ পাতার ভিটামিন সি।
এগুলোর পাশাপাশি পেঁয়াজ পাতায় অ্যান্টি ইনফ্ল‍্যামেটরি ও অ্যান্টি হিস্টামিন উপাদান থাকে যা আরথ্রাইটিস ও অ্যাজমার চিকিৎসায় ভালো ফল দেয়, বিপাকে সহায়তা করে, চোখের অসুখের জন্য ভালো, ত্বকের কুঞ্চন প্রতিরোধ করে ও রক্তের সুগার লেভেল কমায় সাহায্য করে। তাই স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় নিয়মিত পেঁয়াজ পাতা খান।

গরমে পুড়ছে সারা দেশ। প্রচণ্ড তাপদাহে হাঁপিয়ে উঠছে জনজীবন। মৌসুমের সর্বোচ্চ (৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলিসিয়াস) তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে রাজশাহীতে। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস হলেই অবস্থাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করে আবহাওয়া অধিদফতর।

অনলবর্ষী এ রোদ্দুরে বৃষ্টি নেমে এলে স্বস্তি মিলবে। প্রশান্তি ও রহমতের বারিবর্ষণে সিক্ত হবে ওষ্ঠাগত প্রাণ। স্নাত হবে বিষিয়ে ওঠা প্রকৃতি। আনন্দে উদ্বেলিত হবে জনমানব। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তিনিই আল্লাহ, যিনি বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর তা (বায়ু) মেঘমালাকে সঞ্চালিত করে। অতঃপর তিনি মেঘমালাকে যেভাবে ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন এবং তাকে (মেঘমালাকে) স্তরে স্তরে রাখেন। এরপর তুমি দেখতে পাও যে, তার মধ্য হতে বৃষ্টিধারা নির্গত হয়। তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাদের ইচ্ছা তা (বৃষ্টি) পৌঁছান; তখন তারা আনন্দিত হয়।’ (সুরা রুম, আয়াত: ৩৮)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তুমি কি দেখ না, আল্লাহ সঞ্চালিত করেন মেঘমালাকে, তারপর তা একত্র করেন এবং পরে পুঞ্জীভূত করেন, অতঃপর তুমি দেখতে পাও তার মধ্য থেকে নির্গত হয় বারিধারা।’ (সুরা নুর, আয়াত : ৪৩)।

সবুজাভ প্রকৃতি, শ্যামলি-নিসর্গ ও বনভূমির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা প্রকৃতিকে সজীব ও প্রাণবন্ত করেছেন। সৃষ্টিকুলের জীবনধারণের সব উপকরণ তিনি পরিমিতভাবে ও যথাস্থানে স্থাপন করে রেখেছেন। কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনিই আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর আমি এর মাধ্যমে সর্বপ্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি। অতঃপর আমি এ থেকে সবুজ ফসল নির্গত করেছি, যা থেকে যুগ্ম বীজ উৎপন্ন করি। খেজুরের কাঁদি থেকে গুচ্ছ বের করি, যা নুয়ে থাকে এবং আঙ্গুরের বাগান, জায়তুন, আনার পরস্পর সাদৃশ্যযুক্ত ও সাদৃশ্যহীন। বিভিন্ন গাছের ফলের প্রতি লক্ষ্য করো, যখন সেুগুলো ফলন্ত হয় এবং তার পরিপক্কতার প্রতি লক্ষ্য করো। নিশ্চয় এগুলোতে ঈমানদারদের জন্যে নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ৯৯)

রোদ-বৃষ্টি দুইটিই আল্লাহর দান। আল্লাহর রহমত ও নেয়ামত। কৃষি কাজ ও শস্য ফলানোসহ মানবজীবনের অনেক ক্ষেত্রে বৃষ্টি যেমন প্রয়োজন, রোদ-গরমও তেমন জরুরি। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে কোনোটার মাত্রা কম-বেশি হয়। মানুষের আমল ও কর্মের কারণে প্রকৃতিতে পরিবর্তন আসে বলে কোরআন-হাদিসে এসেছে।

তীব্র তাপপ্রবাহে বৃষ্টি না হলে, বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়। অনেক সময় মানুষজন অসুবিধা ও কষ্টে ভোগেন। তখন প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে বৃষ্টি কামনা করে দোয়া করা সুন্নত। আরবিতে এটাকে ‘ইসতিসকা’ বা ‘সিক্তকরণের দোয়া’ বলা হয়।

আর বৃষ্টি প্রার্থনায় সম্মিলিতভাবে জামাতে দুই রাকাত নামাজও আদায় করা হয়। এটাকে বলা হয় ‘সালাতুল ইসতিসকা’। ইমাম সাহেব কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে দুই হাত প্রসারিত করে রহমতের বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেন। মুসল্লিরাও তখন কায়মনোবাক্যে দোয়া-প্রার্থনা করেন। বস্তুত পাপমোচনের জন্য আল্লাহর কাছে একনিষ্ঠ অন্তরে তওবা-ইস্তেগফার করতে হয়। কেউ অন্যের হক বা মানবাধিকার নষ্ট করলে, তা ফেরত দিয়ে দোয়া করতে হয়। তবেই আল্লাহ তাআলা মানুষের মনোকামনা পূরণ করেন এবং বৃষ্টি দিয়ে নিসর্গ সিক্ত করেন।

‘ইসতিসকা’র নামাজপ্রসঙ্গে অনেক হাদিস বর্ণিত হয়েছে। এ লেখায় কয়েকটি বিবৃত হলো। আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) নামাজের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ইসতেসকার নামাজ পড়লেন। যখন কেবলামুখী হলেন, তখন তিনি তার চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ১৯৪৭)

অন্য বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন ইস্তেসকার উদ্দেশে বের হলেন। তিনি লোকদের দিকে পিঠ রেখে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে লাগলেন এবং কেবলার দিকে মুখ করে তার চাদরটা উল্টিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করলেন। (মুসলিম, হাদিস নং: ১৯৫০)

আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি জুমার দিন মসজিদে নববীতে ‘দারুল কাজা’র (বিচারালয়) দিকে স্থাপিত দরজা দিয়ে প্রবেশ করে। এ সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসুলুল্লাহর (সা.) দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলে ওঠে, হে আল্লাহর রাসুল! (অনাবৃষ্টির ফলে) ধন-সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জীবিকার পথ রুদ্ধ হয়ে আসছে। অতএব আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যেন তিনি আমাদের মেঘ দান করেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) দুই হাত উঠিয়ে দোয়া করলেন, ‘হে আল্লাহ! আমাদের মেঘ দিন।’ (আমাদের ফরিয়াদ শুনুন! আমাদের ফরিয়াদ শুনুন!)

আনাস (রা.) বলেন, আল্লাহর কসম! এসময় আসমানে কোনো মেঘ বা মেঘের চিহ্নও ছিলো না। আর আমাদের এবং সালা পাহাড়ের মাঝে কোনো ঘর-বাড়ি কিছুই ছিলো না। (ক্ষণিকের মধ্যে) রাসুল (সা.) এর পেছন থেকে ঢালের মতো একখণ্ড মেঘ উদিত হয়। একটু পর তা মাঝ আকাশে এলে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বৃষ্টি শুরু হয়। আল্লাহর কসম! এরপর আমরা সাপ্তাহ খানেকের মতো সূর্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি। অতঃপর পরবর্তী জুমায় আবার এক ব্যক্তি ওই দরজা দিয়ে প্রবেশ করে। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) দাঁড়িয়ে খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সামনে দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসুল! ধন-সম্পদ সব বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে, পথ রুদ্ধ হয়ে আসছে। অতএব আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যেন তিনি বৃষ্টিপাত বন্ধ করে দেন। তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) আবার হাত উঠিয়ে দোয়া করলেন, ‘হে আল্লাহ! আমাদের অবস্থা পাল্টে দাও। আমাদের ওপর এ অবস্থা চাপিয়ে দিওনা। হে আল্লাহ! পাহাড়ি এলাকায়, মালভূমিতে, মাঠের অভ্যন্তরে ও গাছপালা গজানোস্থলে তা ফিরিয়ে নিয়ে যাও।’

এরপর বৃষ্টিপাত বন্ধ হয়ে গেল। আমরা বের হয়ে সূর্য-কিরণে হাঁটাচলা করতে শুরু করলাম। (মুসলিম, হাদিস নং: ১৯৫৫)

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আরেক হাদিসে এসেছে, একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সময়কালে মানুষ দুর্ভিক্ষের শিকার হয়। ওই সময় একদিন জুমার দিনে রাসুলুল্লাহ (সা.) মিম্বারে বসে লোকদের সামনে জুমার খুতবা দিচ্ছিলেন। এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল! ধনসম্পদ বরবাদ হয়ে গেলো, সন্তান সন্ততি ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়েছে।’ অবশিষ্ট হাদিস পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় আরও আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা-আলাইনা’। (অর্থাৎ: হে আল্লাহ! আমাদের আশপাশে দিন, আমাদের ওপর নয়।)

এরপর রাসুলুল্লাহ (সা.) হাত দিয়ে যেদিকেই ইশারা করেছেন, সঙ্গে সঙ্গে সেদিক ফর্সা হয়ে গেছে। এমনকি আমি মদিনাকে আয়নার মতো পরিষ্কার দেখতে পেলাম। আবার অন্যদিকে ‘কানাত’ নামক প্রান্তরে একমাস ধরে পানির ধারা বয়ে যায়। কোনো প্রান্ত থেকে যে কেউ এসেছে, সে-ই অতি বৃষ্টির সংবাদ দিয়েছে। (মুসলিম, হাদিস নং: ১৯৫৬)

তাই আসুন দুর্বিষহ এ সময়ে শান্তির বৃষ্টি চেয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করি। সম্ভব হলে ‘সালাতুল ইসতিসকা’ বা বৃষ্টির নামাজ পড়ি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

একজন সুন্দর, আকর্ষণীয় রমণীর পাশে ২ ঘণ্টা বসে থাকুন, দেখবেন সময় উড়ে চলে গেছে!! এবার গ্রীষ্মের গরমের মাঝে রাস্তায় ২ মিনিট হাঁটুন, মনে হবে আপনি অনন্তকাল ধরে হাঁটছেন!! ——— আলবার্ট আইনস্টাইন।

চাকমা উপজাতি


চাকমা উপজাতি এর উতপত্তি ও নামঃ
চাকমা উপজাতি এর চাকমা শব্দটি সংস্কৃত শব্দ শক্তিমান থেকে আগত বর্মী রাজত্বের শুরুর দিককার সময়ে বর্মী রাজারা এই চাকমা নামকরনের প্রচলন করেন। তখনকার সময়ে বর্মী রাজারা, চাকমাদের রাজার পরামর্শক, মন্ত্রী এবং পালি ভাষার বৌদ্ধধর্মের পাঠ অনুবাদকের কাজে নিয়োগ প্রধান করতেন।
বৈসাবী উৎসব
বৈসাবী উৎসব
রাজা কর্তৃক সরাসরি নিয়োগকৃত হওয়াতে বর্মী রাজ দরবারে চাকমারা বেশ প্রভাবশালী ছিলেন।
বার্মায় প্রচলিত চাকমাদের নাম সংক্ষেপ “সাক” শব্দটি সংস্কৃত শব্দ শক্তিমানের বিকৃত রুপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এরই এক পর্যায়ে, জনগোষ্ঠীটির নাম “সাকমা” এবং পরবর্তীতে বর্তমান “চাকমা” নামটি গ্রহণযোগ্যতা পায়।
সেন্টমার্টিন্স টু কক্সবাজার
সেন্টমার্টিন্স টু কক্সবাজার
চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা (চাংমা)। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
চাকমা তথা চাংমা বাংলাদেশের একটি প্রধান আাদিবাসী জাতি ।কিন্তু বাংলাদেশ সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা হয় যে,বাংলাদেশে কোনো আদিবাসী নেই; বরং মূল বাঙালি জনগোষ্ঠীর বিপরীতে এই অ-বাঙালি জনসমষ্টিকে – উপজাতি; ক্ষুদ্র জাতিসত্তা; নৃগোষ্ঠী নামে অভিহিত করা হয়েছে। (চাকমা উপজাতি)
চাকমা উপজাতি জাতিসত্বা ও ধর্মঃ
চাকমারা মঙ্গোলীয় জাতির একটি শাখা। বর্তমান মিয়ানমারের আরাকানে বসবাসকারী ডাইংনেট জাতিগোষ্ঠীকে চাকমাদের একটি শাখা হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাংলাদেশের উপজাতি
বিজু উৎসব
এবং এরা প্রধানত থেরাবাদ বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। বুদ্ধপুর্ণিমা ছাড়া তাদের অন্যতম প্রধান আনন্দ উৎসব হচ্ছে বিজু।
চাকমা উপজাতি
চাকমা ফানুশ উত্তোলন
চাকমারা পূর্বে হরি ধর্মের অনুসারী হলেও পরবর্তীতে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে। তবে বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষা নিচ্ছে।
উপজাতি
চাকমা ফানুশ উত্তোলন
চাকমারা জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করে। তারা বিশ্বাস করে ক্রমাগত সৎকর্ম সাধনের মাধ্যমে নির্বাণ লাভ করা যায়।
চাকমা উপজাতি বর্তমান আবাসস্থলঃ
বাংলাদেশের রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এদের সংখ্যা বেশী। তবে বান্দরবানেও সংখ্যায় চাকমাদের উপস্থিতি রয়েছে।
চাকমা জনগোষ্ঠীর কিছু অংশ বর্তমান ভারতের উত্তর-পূর্বাংশে তথা ত্রিপুরা ও অরুণাচল রাজ্যে বসবাস করছে।
চাকমা উপজাতি
রাঙ্গামাটি ঝুলন্ত সেতু
এছাড়া চাকমাদের বড় একটি অংশ অভিবাসন নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে।
এদের প্রধান জীবিকা কৃষি কাজ।
পার্বত্য চট্টগ্রামের সমতল অংশে স্বাভাবিক সেচ পদ্ধতিতে মৌসুমী কৃষি কাজ, এবং পাহাড়ি অঞ্চলে জুম চাষের মাধ্যমে চাকমা জনগোষ্ঠী বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও রবিশস্য উৎপাদন করে থাকে। (চাকমা উপজাতি)
সমাজ ব্যবস্থাঃ
চাকমা সমাজ প্রধানত পিতৃতান্ত্রিক। এবং তাদের সার্কেলের প্রধান হলো একজন রাজা। বর্তমান চাকমা রাজা হলেন ব্যারিস্টার দেবাশিষ রায়।
চাকমা
চাকমা রাজা দেবাশিষ রায়
চাকমারা গ্রামকে আদাম বলে এবং গ্রামের প্রধানকে কার্বারী বলে থাকে। চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম হলো ফেবো।
লেখক ও ছবিঃ শাক্য মুনি চাকমা


যেসব খাবার সকালে খালি পেটে খেলেই বেশি উপকার



সকাল বেলা ভারী নাস্তা খেতে হয়। তবে শুরুতেই ভারী খাবার না খেয়ে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে হালকা গরম পানি ও হালকা কোনো খাবার খেতে হবে। এর ঘণ্টাখানেক পর ভারী খাবার খেতে পারেন। যেসব খাবার খালি পেটে খেলেই বেশি উপকার:

মধু
মধু শরীরের মেটাবলিজম বৃদ্ধি করবে ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

কাঠ বাদাম
কাঠ বাদাম আগের দিন রাতে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সকাল বেলা পানি ঝরিয়ে বাদাম খেতে হবে। এতে অনেক বেশি ভিটামিন ও মিনারেলস পাবেন। কাঠ বাদাম বা আমন্ড নিয়ম করে প্রতিদিন খেলে সারাদিন সতেজ থাকতে পারবেন। শরীরে দুর্বলতা আসবে না।

আমলকির জুস
খালি পেটে যদি আমলকির জুস খেতে পারেন তাহলে আয়ু বৃদ্ধি পাবে। আমলকিতে ভিটামিন সি রয়েছে। এতে ত্বক পরিষ্কার হবে, চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে ও চোখ ভালো থাকবে। তবে আমলকির জুস খাওয়ার ৪৫ মিনিটের মধ্যে কোনোভাবেই চা বা কফি খাওয়া যাবে না।

পেঁপে
খালি পেটে পাকা পেঁপে খেতে পারেন। পেঁপে হজম শক্তিকে বৃদ্ধি করবে ও পেট পরিষ্কার রাখবে। সেই সঙ্গে এটা কোলেস্ট্ররেল কমাতে সাহায্য করবে।

তরমুজ
তরমুজ খালি পেটে খেতে পারেন। কারণ তরমুজে থাকে ইলেকট্রলাইট। যা সারারাতের পানির অভাব পূরণ করতে সাহায্য করে। এতে ক্যালরি খুবই কম থাকে।

খেজুর
ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেজুর খেতে পারেন। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিণ্য দূর করতে পারে। খেজুর হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। ডায়রিয়া বা পেট খারাপ এই ধরণের কোনো সমস্যা থাকে না। কারণ খেজুরের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে।

আমার বাংলাদেশ

রমজান আসিতেছে

ঘৃণা অন্ধ, প্রেমের মতই। ___টমাস ফুলার

অধর্ম অসৎ কর্ম করে

. ঈমানের সাথে মৃত্যু বরণ করার দোয়াঃ রাব্বানা লা’তুযিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা ওয়া হাবলানা মিল্লাদুনকা রাহমাতান, ইন্নাকা আনতাল ওয়াহাব। (সুরা আল ইমরান, আয়াতঃ ০৮)

Good Aftenoon Friend

আয়তনে দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে কত তম ?
⇒৯০ তম

Hi

মেয়েদের অনুমান পুরুষদের নিশ্চয়তা হতে অনেক বেশী সঠিক।

Hellow

অনুচ্ছেদ -১ঃ বাংলাদেশের নাম।
অনুচ্ছেদ -২ঃ বাংলাদেশের সীমানা।
অনুচ্ছেদ -২কঃ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।
অনুচ্ছেদ -৩ঃ রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
অনুচ্ছেদ -৪: জাতীয় সঙ্গীত,পতাকা,প্রতীক , জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
অনুচ্ছেদ -৫ঃ রাজধানী ঢাকা ধারা-৬ঃ নাগরিকত্ব বাংলাদেশী।
অনুচ্ছেদ -৭ঃ রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র
অনুচ্ছেদ -৮ঃ রাষ্ট্রীয় মূলনীতি।
অনুচ্ছেদ -১০ঃ সমাজতন্ত্র ও শোষন মুক্তি।
অনুচ্ছেদ -১১ঃ গনতন্ত্র ও মানবাধিকার।
অনুচ্ছেদ -১২ঃ ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ -১৫ঃ মৌলিক চাহিদা।
অনুচ্ছেদ -১৭ঃ অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
অনুচ্ছেদ ১৮কঃ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য।
অনুচ্ছেদ ২২ঃ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ।
অনুচ্ছেদ -২৩কঃ উপজাতীয় সংস্কৃতি।
অনুচ্ছেদ -২৭ঃ আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
অনুচ্ছেদ -৩২ঃ জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৩৬,৩৭,৩৮-ঃ চলাফেরা,সমাবেশ,সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ -৩৯ঃ চিন্তা,বিবেকের ও বাকস্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ -৪১ঃ ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ -৪২ঃ সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ -৪৮ঃ রাষ্ট্রপতি।
অনুচ্ছেদ -৭৭ঃ ন্যায়পাল।
অনুচ্ছেদ -৮১ঃ অর্থবিল।
অনুচ্ছেদ -৯৩ঃ অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ -১১৭ঃ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমুহ।
অনুচ্ছেদ -১১৮ঃ নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ -১৩৭ঃ সরকারি কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১৪১ঃ জরুরি অবস্থা ঘোষণা।
অনুচ্ছেদ ১৪২ঃ সংবিধান সংশোধন।

আজকের কুইজ (20-May-2019)

আজ অংশগ্রহণ করেছেন:2329 জন
প্রশ্নঃ ‘মাউন্ট এভারেষ্ট’ নেপালে অবস্থিত বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ২৯ হাজার ৩৫ ফুট। এই পর্বতের চূড়ায় উঠা বেশ কষ্টসাধ্য, ২৩,৫০০ ফুট পৌঁছানোর অক্সিজেনের সিলিন্ডারের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস চালাতে হয় (অক্সিজেন প্রতি ৪ ঘন্টায় শেষ হয়ে যায়), তাই এভারেস্টের চূড়া পর্যন্ত যেতে কমবেশি ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। সরকারিভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কোনটি?
(A) তাজিংডং (বান্দরবান)
(B) রাংটলাং (রাঙামাটি)
(C) দুমলং (রাঙামাটি)