পৃথিবী সম্পর্কে জানা অজানা কিছু তথ্য
পৃথিবী সৌরজগতের মধ্যে একমাত্র জীবনধারণের উপযোগী একটি গ্রহ হিসেবে নিজের একটি স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। উঁচু পাহাড়, গভীর সমুদ্র, আর্দ্র বনভূমি থেকে শুষ্ক মরুভূমি, পৃথিবীকে অন্যান্য গ্রহ থেকে করেছে আলাদা। এর ১৯৫টি দেশে ৭.৫ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ বাস করে।

পৃথিবী সম্পর্কে কিছু সাধারণ তথ্য:
১। পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটবর্তী গ্রহ। এর অনন্য প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক গঠনের জন্যই এই গ্রহ জীবনধারণের উপযোগী।
২। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরতে সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড এবং সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন।
৩। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩৪° ফারেনহাইট এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -১২৮.৫° ফারেনহাইট।

পৃথিবীর পরিধি
বিষুব রেখা ধরে মাপলে পৃথিবীর পরিধি ২৪৯০১.৫৫ মাইল। যেহেতু পৃথিবী গোলাকৃতি নয়, তাই মেরু অঞ্চল দিয়ে মাপলে এর পরিধি কমে দাঁড়ায় ২৪৮৫৯.৮২ মাইল। পৃথিবী একটু চ্যাপ্টা। বিষুবীয় অঞ্চল দিয়ে একটু চওড়া। এই আকৃতিকে বলা হয় এলিপসয়েড (Elipsoid)। পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা নিয়ে একটি মডেল কল্পনা করা হয়। একে বলা হয় জিওআইডি (Geoid)। বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাস ৭৯২৬.২৮ মাইল এবং মেরু অঞ্চলে এর ব্যাস ৭৮৯৯.৮০ মাইল।
ঘুর্ণন
আগেই বলেছি পৃথিবী নিজ অবস্থানে একবার ঘুরতে সময় নেয় ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট চার সেকেন্ড (আরো নিখুঁত হিসাব করলে ৪.০৯০৫৩ সেকেন্ড)। যাই হোক, সূর্যের সামনে পৃথিবীর সেই একই অবস্থানে ঘুরে আসতে অতিরিক্ত ৪ মিনিট সময় লাগে। পৃথিবী নিজ কক্ষপথে একবার সম্পুর্ণ ঘুরে আসতে সময় নেয় ৩৬৪.২৪২৫ দিন। যেহেতু ক্যালেন্ডার ৩৬৫ দিনের, এই সময়টা পূরণ করতে একটি অতিরিক্ত দিন চারবছর পর পর যোগ করা হয়, যাকে আমরা বলি লিপ ইয়ার, যার ফলে ক্যালেন্ডার ইয়ার এস্ট্রোনমিকাল ইয়ারের সাথে সুসংগত অবস্থায় থাকে।

সূর্য ও চাঁদ হতে দূরত্ব
যেহেতু চাঁদ পৃথিবীর চারিদিকে উপবৃত্তাকার পথে ঘুরছে আবার পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে উপবৃত্তাকার পথে ঘুরছে, তাই এদের মধ্যকার দূরত্ব সব সময় সমান নয়। পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার গড় দূরত্ব ৯৩,০২০০০০ মাইল এবং পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যকার দূরত্ব ২৩৮৮৫৭ মাইল।
জল বনাম স্থল
পৃথিবীর ৭০.৮ শতাংশ পানি এবং ২৯.২ শতাংশ স্থল । এই বিশাল জলরাশির ৯৬.৫৪ শতাংশ পানি সামুদ্রিক। ১.৭৪ শতাংশ পানি বরফ হয়ে আছে, ১.৬৯ শতাংশ পানি ভূ অভ্যন্তরীণ, মাটির সাথে মিশে আছে ০.০০১ শতাংশ পানি, পার্মাফ্রস্টে আছে ০.০২২ শতাংশ পানি, বিভিন্ন হ্রদে আছে ০.০১৩ শতাংশ পানি, বায়ুমন্ডলে আছে ০.০০০১ শতাংশ পানি এবং অন্যান্য যায়গায় প্রায় ০.০০১১ শতাংশ পানি রয়েছে।
রাসায়নিক গঠন
পৃথিবী ৩৪.৬ শতাংশ লোহা, ২৯.৫ শতাংশ অক্সিজেন, ১৫.২ শতাংশ সিলিকন, ১২.৭ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম, ২.৪ শতাংশ নিকেল, ১.৯ শতাংশ সালফার এবং ০.০৫ শতাংশ টাইটানিয়াম দ্বারা গঠিত।
বায়ুমন্ডল
পৃথিবীর বায়ুমন্ডল মূলত ৭৭% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন দ্বারা গঠিত, এছাড়া রয়েছে আর্গন, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি।
সর্বোচ্চ উচ্চতা
পৃথিবীর সর্বোচ্চ বিন্দু মাউন্ট এভারেস্ট, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৯,০৩৫ ফিট উঁচু। ভূমি থেকে শীর্ষের হিসেবে সবচেয়ে লম্বা পর্বত হল হাওয়াই এর মাউনা কেয়া, যার দৈর্ঘ্য ৩৩,৪৮০ ফিট। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,৭৯৬ ফিট উঁচু।

সর্বনিন্ম গভীরতা
মৃত সাগর পৃথিবীর সবচেয়ে নিচু যায়গা। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৬৯ ফুট নিচে অবস্থিত। এই সমুদ্রের উচ্চ লবণাক্ততার জন্য যে কেউ এই সমুদ্রে ভেসে থাকতে পারে। গভীরতার কথা বললে, পৃথিবীর সবচেয়ে যায়গা হল মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। এর গভীরতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬,০৭০ ফিট।
তাপমাত্রা
পৃথিবীর ইতিহাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিলো ক্যালিফোর্নিয়ার ডেথ ভ্যালির গ্রিনল্যান্ড র‍্যাঞ্চে, ১০ জুলাই, ১৯১৩তে। যা ছিল ১৩৪° ফারেনহাইট। ১৯৮৩ সালে এন্টার্কটিকার ভস্টকে জুলাই মাসের ২১ তারিখে পৃথিবীর সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা ছিল ১২৮.৫ ° ফারেনহাইট।
দেশ ও জনসংখ্যা
ডিসেম্বর ২০১৮ এর হিসাব অনুযায়ী পৃথিবীর জনসংখ্যা ধরা হয় ৭৫৩৭০০০০০০০। পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহূল দেশগুলো হল চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল। পৃথিবীর জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.০৯ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতিবছর ৮৩ মিলিয়ন নতুন মুখ এই পৃথিবীতে যোগ দেয়।
পৃথিবীতে সর্বমোট ১৯৫ দেশ। এর মধ্যে দ্য হলি সি এবং স্টেট অফ প্যালেস্তাইন জাতিসংঘের নন মেম্বার অবসারভার স্টেট হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত। পৃথিবীর সবচেয়ে নতুন দেশ সাউথ সুদান, যা ২০১১ সালে রিপাবলিক অফ সুদান ভেঙে হয়।

মাত্র একটি রবি অথবা এয়ারটেল সিম থেকে সকল মোবাইল অপারেটরের নাম্বারে রিচার্জ করা সহ নানা রকম সুযোগ সুবিধা।
বিস্তারিত জানতে কল করুন।
(নরসিংদী এবং কিশোরগঞ্জ জেলার মধ্যে ডিলার অথবা রিটেইলার সংযোগ নিতে)
মোবাইল- 01751333338 এবং নিচের লিঙ্ক ভিজিট করুন।
https://web.facebook.com/PayStationNarsingdi/posts/2342902885964549... Read More>>

শিরোনাম-2 (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন) তারিখ:20-Jul-2019

হরমুজ প্রণালী থেকে একটি ব্রিটিশ তেল ট্যাংকার আটক করার পর জরুরি বৈঠক করেছে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভা। শুক্রবার রাতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে বলা হয়, লন্ডন এ ব্যাপারে আরও বেশি তথ্য সংগ্রহ ও পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়নের চেষ্টা করছে। খবর পার্সটুডের।...বিস্তারিত >>... Read More>>

শিরোনাম-1 (সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন) তারিখ:20-Jul-2019

কাজাখস্তানের এসিল জেলার একটি ছোট গ্রাম ‘কালাচি’। এই গ্রামের লোকজন চলতে চলতে, কথা বলার সময় বা কাজ করতে করতে আচমকাই ঘুমিয়ে পড়ছেন! অথচ কেউই ক্লান্ত নয়। কারও ঘুম ভাঙছে ছয়-সাত ঘণ্টা পরে, কখনও কেটে যাচ্ছে তিন-চার দিনও! এক দিন নয়, বছরের পর বছর ধরে ঘটছে এই ঘটনা।

গ্রামবাসীদের এই ঘুমিয়ে পড়াই গোটা বিশ্বকে... Read More>>

19-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3623 জন)
প্রশ্নঃ শত বছর জীবত থেকে কেউ যে কাজ করবে, তা যদি তুমি পঞ্চাশ বছর জবীত থেকে করতে পার তাহলে তুমিও শত বছর জীবন পেলে। আমরা চাইলে কর্মের পরিধি ও তাৎপরতা বৃদ্ধি করে শত বছর বাঁচতে পারি। মানে পঞ্চাশ বছর বেচেঁ থেকে শত বছর বা তারও বেশি বছরের সমান কাজ করতে পারি। ১২ কর্মঘন্টার মধ্যে ‘কামাল’ প্রতিদিন ৪ঘন্টা অপচয় করেন ও ৮ঘন্টা কাজ করেন অন্যদিকে তার সহকর্মি ‘শামিম’ কোন সময় অপচয় করেন না। দুজনেই ১৮বছর চাকুরী করলে শামিমের তুলনায় কামাল কত বছর কম চাকুরী করলো?
(A) ৯ বছর
(B) ৪ বছর
(C) ৬ বছর
06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4053 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4208 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ